Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • NHRC: বিজেপির নবান্ন চলো অভিযান, মানবাধিকার কমিশনকে ৬ মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ

    NHRC: বিজেপির নবান্ন চলো অভিযান, মানবাধিকার কমিশনকে ৬ মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে নবান্ন চলো অভিযান করেছিল বিজেপি (BJP)। সেই সময় অতিসক্রিয় হয়েছিল পুলিশ (Police)। এই মর্মে দায়ের হয়েছিল অভিযোগও। এবার সেই মামলায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে (NHRC) ছ মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। এ ব্যাপারে দিল্লি হাইকোর্টে বিজেপির এক স্বেচ্ছাসেবক রোহিত ভার্মা পিটিশন দায়ের করেছিলেন। সেই প্রেক্ষিতেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে এই নির্দেশ দেন বিচারপতি প্রতিভা এম সিং।

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে (NHRC) নির্দেশ…

    আদালত জানিয়েছে, যদিও বিষয়টি কমিশনের বিবেচনায় রয়েছে, তবে তা নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যেই শেষ করা প্রয়োজন। যেহেতু ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২০ সালে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে আইনজীবী জানান, কমিশন (NHRC) এ ব্যাপারে আবেদনকারীর অভিযোগের ব্যাপারে সম্মতি নিয়েছে এবং বিষয়টির স্বাধীন ও বুদ্ধিদীপ্ত মীমাংসার চেষ্টা করছে। আদালত এও জানিয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে আদালতে যে হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে, তাতে স্পষ্ট যে ওই দিন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছিল। আবেদনের নিষ্পত্তি করতে গিয়ে আদালত জানিয়েছে, বিষয়টি যে বিবেচনায় রয়েছে, সেই যুক্তি সমর্থন করছে আদালত। ২০২০ সালে ঘটে ঘটনাটি। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এবং তাকে তা নিতে হবে আগামী ছ মাসের মধ্যেই।

    আরও পড়ুুন: ইডি-র ডাকে সিজিও-তে কুন্তল-পত্নী, নিজামে সিবিআইয়ের জেরা ‘কালীঘাটের কাকু’-কে

    প্রসঙ্গত, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (NHRC) দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ওই আবেদন করা হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, ২০২০ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নবান্ন অভিযানে ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হয়েছিল মানবাধিকার। আবেদনে বলা হয়েছে, ওই দিন পুলিশ নৃশংস আচরণ করেছিল মিছিলকারীদের ওপর। সেই নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার। সরকারের সমস্যাবহুল নীতি এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতার বিরুদ্ধে যেহেতু ওই নবান্ন চলো অভিযান হচ্ছিল, তাই সেই প্রতিবাদ মিছিলে নৃশংস আচরণ করেছিল পুলিশ। তারা সরাসরি নবান্ন চলো অভিযানের মিছিলে হামলা চালায়। এটা আসলে গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Pinarayi Vijayan: বিজয়নের মুখে চিনা প্রেসিডেন্ট-প্রশস্তি, কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    Pinarayi Vijayan: বিজয়নের মুখে চিনা প্রেসিডেন্ট-প্রশস্তি, কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের (China) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বিপ্লবী অভিনন্দন জানিয়েছেন বাম নেতা তথা কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন (Pinarayi Vijayan)। কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর এহেন আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি (BJP)। চিনা প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানানো সংক্রান্ত বিজয়নের মন্তব্য দেশের সশস্ত্রবাহিনীর জন্যও লজ্জাজনক বলে দাবি পদ্ম শিবিরের। গত শুক্রবার চিনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন শি জিনপিং। ড্রাগনের দেশের পার্লামেন্ট সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে তৃতীয়বারের জন্য প্রেসিডেন্টের পদে বসিয়েছে। যার জেরে আরও পাঁচ বছর ওই পদে থাকবেন শি জিনপিং। সেই কারণেই তাঁকে ট্যুইট-বার্তা প্রেরণ করেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী। তার জেরেই দেশজুড়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

    পিনরাই বিজয়নের (Pinarayi Vijayan) ট্যুইট-বার্তা…

    প্রসঙ্গত, ওই ট্যুইট-বার্তায় কেরলের মুখ্যমন্ত্রী (Pinarayi Vijayan) লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট জিনপিংকে গণপ্রজাতন্ত্রী চিনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার জন্য বিপ্লবী অভিনন্দন জানাই। এটা সত্যিই প্রশংসনীয়। চিন বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের কণ্ঠ অনেক মজবুত। চিন যাতে আরও সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে তার জন্য শুভকামনা।

    দেশের এক মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যে যারপরনাই ক্ষুব্ধ গেরুয়া শিবির। বিজেপির মুখপাত্র পি কে কৃষ্ণদাস বলেন, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী কোচির ব্রহ্মপুরম বর্জ্য শোধনাগারে আগুন লাগার ঘটনা নিয়ে কথা বলেননি। তিনি গলওয়ানের কথাও ভুলে গিয়েছেন, যেখানে চিনা সেনার হাতে নিহত হয়েছিলেন ২০ ভারতীয় জওয়ান। তিনি বলেন, বিজয়নের (Pinarayi Vijayan) মন্তব্য সশস্ত্রবাহিনীর জন্য অবমাননাকর। ওঁকে অবশ্যই নিহত জওয়ানদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। বিজেপি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছে।

    আরও পড়ুুন: অযোগ্যদের চাকরির পক্ষে সওয়াল, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মে মাসে গলওয়ানে মুখোমুখি হয়েছিলেন চিন ও ভারতীয় সেনারা। সম্প্রতি সেখানেই ক্রিকেট খেললেন ভারতীয় জওয়ানরা। ত্রিশূল ডিভিশনের পাতিয়ালা ব্রিগেড এই খেলার আয়োজন করেছিল। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয় ভারতীয় সেনার তরফে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি পিচে ব্যাট করছেন ভারতীয় সেনারা। ছক্কাও হাঁকাচ্ছেন কেউ কেউ। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, গলওয়ান ভ্যালিতে ক্রিকেট খেলে চিনকে ব্যাটে- বলে বার্তা দিলেন ভারতীয় সেনা জওয়ানরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: মহিলা সঙ্গ দিলেই যে সে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে রাজি, তা নয়! মত দিল্লি হাইকোর্টের

    Delhi High Court: মহিলা সঙ্গ দিলেই যে সে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে রাজি, তা নয়! মত দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও মহিলা সঙ্গ দিতে রাজি হওয়া মানেই যে সে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে রাজি, তা কখনওই নয়। একটি যৌন হেনস্থা সংক্রান্ত মামলায় এমনই রায় দিল দিল্লির উচ্চ আদালত (Delhi High Court)।

    মহিলাদের উপর যৌন নির্যাতনের মামলায় বার বার নির্যাতিতার আচরণ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। অভিযুক্ত সঞ্জয় মালিক ওরফে সন্তন সেবক দাসের আইনজীবী আদালতে (Delhi High Court) এটা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে, যা ঘটেছে তা দু’জনের সম্মতিতে। ওই মহিলা দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মক্কেলের সঙ্গে সম্পর্কে ছিল। এক্ষেত্রে ধর্ষণের অভিযোগ খাটে না। কিন্তু বিচারপতি অনুপ জয়রাম ভামবানি অভিযুক্তের আইনজীবীর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হননি। তিনি সঞ্জয় মালিকের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেন,  ‘একজন মহিলা কোনও পুরুষের সঙ্গে থাকতেই পারেন। সেই সম্পর্ক চলতে পারে বহুদিন। তার মানে এটা ভেবে নেওয়া ঠিক নয় যে, ওই মহিলা পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে সম্মত।’

    আরও পড়ুন: সমলিঙ্গে বিবাহের আইনি বৈধতা সংক্রান্ত মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে

    অসহায় বিদেশিনীকে যৌন হেনস্থা

    ঘটনার সূত্রপাত ২০১৯ সালে। স্বামীর প্রয়াণের পর চেক প্রজাতন্ত্রের ওই মহিলা ভারতে এসেছিলেন হিন্দু রীতি মেনে তাঁর স্বামীর অস্থি গঙ্গায় বিসর্জন দিতে। তখনই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় সঞ্জয় মালিকের। বন্ধুত্ব ক্রমশ গাঢ় হতে থাকে। আর সেই সুযোগেই ওই মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, প্রথমে দিল্লির এক হোস্টেলে তাঁকে যৌন হেনস্থা করেন সঞ্জয় মালিক। তারপর আরও দু’বার তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। একবার উত্তর প্রদেশের প্রয়াগ রাজে, আর একবার বিহারের গয়ায় একটি হোটলে। শেষ পর্যন্ত ওই মহিলা সঞ্জয় মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন থানায়। সেটাও অনেক দেরিতে, ২০২২ সালে। সেই মামলারই শুনানি চলছে দিল্লির উচ্চ আদালতে। অভিযুক্তের আইনজীবী মক্কেলের জামিনের আবেদন জানাতে গিয়ে নানা যুক্তি খড়া করছিলেন বিচারপতির সামনে। তবে তা গ্রাহ্য হয়নি। অভিযুক্তের বয়ানে বেশ কিছু অসঙ্গতি থাকলেও, একজন অসহায় বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে যৌন হেনস্থা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মত বিচারপতির। সেই কারণে তিনি জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: এশিয়ার প্রথম মহিলা লোকো পাইলট সুরেখা যাদব, চালালেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসও

    Vande Bharat: এশিয়ার প্রথম মহিলা লোকো পাইলট সুরেখা যাদব, চালালেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস সৃষ্টি সুরেখা যাদবের (Surekha Yadav)। এশিয়া মহাদেশের প্রথম মহিলা লোকো পাইলট বা ট্রেনচালক হিসেবে রেকর্ড তৈরি করলেন তিনি। সুরেখা যাদব ভারতের প্রথম মহিলা লোকো পাইলট, যিনি অত্যাধুনিক সেমি হাই স্পিড ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat) ট্রেন চালালেন৷ সুরেখা যাদব গত সোমবার (১৩ মার্চ) সোলাপুর থেকে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস পর্যন্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালান। একথা ট্যুইট করে জানিয়েছে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    এশিয়ার প্রথম মহিলা লোকো পাইলট

    সুরেখা যাদব ছিলেন ভারতের ফার্স্ট ফিমেল ড্রাইভার। প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সাল থেকে ট্রেন চালানো শুরু করেন তিনি ৷ পশ্চিম মহারাষ্ট্রের সাতারা এলাকার একটি পরিবারে সুরেখার জন্ম ৷ নিজের কৃতিত্বের জন্য ইতিমধ্য়েই সুরেখা রাজ্য ও জাতীয়স্তরে বহু পুরস্কার পেয়েছেন ৷  গত ৩৫ বছর ধরে ট্রেন চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে সুরেখার। ২০২১ সালের নারী দিবসে এক সাক্ষাৎকারে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন তিনি। আর তাঁর সেই ইচ্ছাপূরণ করল ভারতীয় রেল। প্রথম দিনের প্রথম সফরে ৪৫০ কিলোমিটার যাত্রাপথ পাড়ি দেন সুরেখা৷ ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাসে পৌঁছনোর পর স্টেশনের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়৷ মধ্য রেলের তরফে থেকেই এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল৷ 

    আরও পড়ুন: গ্রেফতার কেষ্টর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি, এবার কি সুকন্যার পালা?

    নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর সুরেখা বলেন, “আমি ভারতীয় রেলের কাছে কৃতজ্ঞ যে আমাকে অত্যাধুনিক বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।” প্রথম দিনই সুরেখা সঠিক সময়ে সোলাপুর থেকে ছেড়েছিলেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এরপর সময়ের পাঁচ মিনিট আগেই তিনি ট্রেন নিয়ে মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি স্টেশনে পৌঁছেছিলেন। বন্দে ভারত চালানোর আগে দীর্ঘ দিন প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে বলেও জানান সুরেখা।

    সাতারার বাসিন্দা সুরেখা ট্রেনচালক হিসাবে কর্মজীবন শুরুর আগে স্থানীয় সেন্ট পল কনভেন্ট থেকে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। এর পর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা করেন তিনি। ১৯৮৯ সালে এক জন সহকারী ট্রেনচালক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন সুরেখা। ১৯৯৬ সালে এক জন মালগাড়ির চালক হিসাবে নিযুক্ত হন। ২০১০ সালে তাঁকে মুম্বই-পুণেগামী ডেকান কুইন এক্সপ্রেসের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দেশের সবচেয়ে খাড়া এবং কঠিনতম রেলপথ বলে পরিচিত ভোর ঘাট দিয়েও ট্রেন চালিয়েছেন সুরেখা। 

    রেলমন্ত্রীর ট্যুইট

    সুরেখার কীর্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, ‘বন্দে ভারত এবার নারী শক্তির মাধ্যমে চালিত হচ্ছে। শ্রীমতী সুরেখা যাদব প্রথম লোকো পাইলট হলেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের।’

  • Same Sex Marriage: সমলিঙ্গে বিবাহের আইনি বৈধতা সংক্রান্ত মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে

    Same Sex Marriage: সমলিঙ্গে বিবাহের আইনি বৈধতা সংক্রান্ত মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সমলিঙ্গের বিবাহে (LGBTQ marriage) আইনি বৈধতা সংক্রান্ত মামলা এ বার ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১৮ এপ্রিল ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। সোমবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। খানিক সময় শুনানির পর প্রধান বিচারপতি বলেন, মামলাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মামলার যে রায়ই হোক না কেন সমাজের উপর তা গভীর প্রভাব তৈরি করবে। তাই মামলাটির সাংবিধানিক বেঞ্চে (Constitutional bench) শুনানি হওয়া বাঞ্ছনীয়। 

    সমলিঙ্গের বিবাহ নিয়ে কেন্দ্রের আপত্তি

    ভারতে সমলিঙ্গের বিবাহে আইনি স্বীকৃতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত জানতে চেয়েছিল আদালত। সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে হলফনামা দিয়ে সমলিঙ্গের বিবাহ নিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। তার পরই এই মামলা ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠাল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। রবিরারই সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়ে কেন্দ্র বলে, এই ধরনের দাম্পত্য সম্পর্ক ভারতীয় সংস্কৃতিতে পরিবারের ধারণার পরিপন্থী। দেশের সনাতন ধারণাটি হল, শারীরবৃত্তীয় ভাবে একজন পুরুষের সঙ্গে শারীরবৃত্তীয় ভাবে নারী এমন দুজনের দাম্পত্য সম্পর্ক হতে পারে। অন্য কোনও দাম্পত্য সম্পর্ক ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পরিপন্থী। 

    আরও পড়ুন: ‘‘একমাত্র বিপরীত লিঙ্গেই সম্ভব’’, সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থানকেই সমর্থন সঙ্ঘের

    কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, সমকামী বিবাহকে স্বীকৃতি দিলে কিছু আইনি জটিলতাও সৃষ্টি হবে। বর্তমানে ভারতে ব্যক্তিগত এবং বিধিবদ্ধ আইনে নিষিদ্ধ সম্পর্ক, বিয়ের শর্ত, আনুষ্ঠানিকতা এবং আচারের প্রয়োজনীয়তা গার্হস্থ্য হিংসার মতো বিষয়ে যে বিধানগুলি রয়েছে, সমকামী বিবাহ আইনি স্বীকৃতি পেলে সেগুলি লঙ্ঘন হতে পারে। কারণ বিয়ে শুধু নারী-পুরুষের মধ্যেই হয়, এমনটা ধরেই বিধানগুলি তৈরি করা হয়েছে।  কেন্দ্রের এই হলফনামার পরই এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, মামলাটির সঙ্গে একদিকে সাংবিধানিক অধিকার, অন্যদিকে বিশেষ বিবাহ আইনের সম্পর্ক রয়েছে। তাই পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের মামলাটি শোনা দরকার। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের অপর দুই বিচারপতি হলেন পিএস নরসিমা এবং জেবি পারদিওয়ালা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ‘‘ভারত হিন্দুরাষ্ট্রই, পৃথক ঘোষণার দরকার নেই’’, বললেন সঙ্ঘনেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    RSS: ‘‘ভারত হিন্দুরাষ্ট্রই, পৃথক ঘোষণার দরকার নেই’’, বললেন সঙ্ঘনেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারত এমনিতেই একটি হিন্দুরাষ্ট্র আলাদাভাবে ঘোষণা করার দরকার নেই। মঙ্গলবার পানিপথে এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা বলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। সারাদেশে হিন্দুত্ব নিয়ে এখন জোর চর্চা চলছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে তৈরি হয়ে যাবে রামমন্দিরে প্রথম তল। আগামী বছরের জানুয়ারিতে দরজা খুলে যাবে ভক্তদের জন্য। ঠিক তার আগে সঙ্ঘ নেতার এমন বিবৃতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।

    আরও পড়ুন: ‘‘একমাত্র বিপরীত লিঙ্গেই সম্ভব’’, সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থানকেই সমর্থন সঙ্ঘের

    কী বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    ১২ মার্চ থেকে পানিপথে শুরু হয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর্বভারতীয় প্রতিনিধি বৈঠক। আজ অর্থাৎ তৃতীয় দিনে সঙ্ঘের সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকরকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন সঙ্ঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। সেখানেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ভারত হিন্দুরাষ্ট্র এটা আমরা বিগত ১০০ বছর আগে থেকেই বলে আসছি। এখন নতুন করে নাই বা বললাম। সাংস্কৃতিকভাবে এদেশ হিন্দুরাষ্ট্র এটা কোনওভাবেই অস্বীকার করা যায় না।

    আরও পড়ুন:‘‘গোটা দেশকে যারা কারাগার বানিয়েছিল, তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না’’, রাহুলকে কটাক্ষ সঙ্ঘের

    ‘স্টেট’ এবং ‘নেশন’ দুটি আলাদা জিনিস বলে উল্লেখ করেন তিনি

    এদিন তিনি বলেন, স্টেট এবং নেশন দুটি আলাদা জিনিস স্টেট সংবিধানসম্মত। স্টেট আইন প্রণয়ন করতে পারে। তার একটি নিজস্ব সার্বভৌমত্ব থাকে। কিন্তু নেশন সম্পূর্ণভাবে একটি সাংস্কৃতিক ধারণা। সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে নেশন। এদেশের সংস্কৃতিই হল হিন্দুত্ব। তাঁর মতে,  এখানেই ভারত হিন্দু রাষ্ট্র। আলাদাভাবে সাংবিধানিক ঘোষণার দরকার নেই।

    আরও পড়ুন: উন্নততর ভারত গড়তে সমাজের সব অংশকেই প্রয়োজন, বিশ্বাস আরএসএস-এর

    আরও পড়ুন: ভারতের উত্থান অনেকের কাছে বিপদ! মোদি সরকারের দিশাকে সিলমোহর সঙ্ঘের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PFI: ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ইসলামিক দেশ বানানোর ষড়যন্ত্র করছিল পিএফআই, চার্জশিটে এনআইএ

    PFI: ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ইসলামিক দেশ বানানোর ষড়যন্ত্র করছিল পিএফআই, চার্জশিটে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে নিষিদ্ধ পিএফআই বা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)। তবুও ভারতের বেশ কিছু জায়গায় এই সংগঠনের কার্যক্রমের খবর সামনে এসেছে। রাজস্থানে এই সংগঠনের কিছু উগ্রবাদী কার্যকলাপের একটি মামলায় এবারে চার্জশিট পেশ করেছে এনআইএ। এই মামলায় পিএফআই-এর দুজন সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, পিএফআই একটি উগ্রপন্থী ইসলামিক সংগঠন। এই সংগঠনের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র রাখা, অপহরণ, খুন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো, দাঙ্গা, লাভ জিহাদের মত একাধিক অপরাধমূলক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

    এনআইএ-র চার্জশিট দাখিল

    সূত্রের খবর, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পিএফআই-এর (PFI) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ, এই সংগঠন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। এর পাশাপাশি মুসলিম যুবকদের মগজ ধোলাই করে তাঁদের অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এসব করে ২০৪৭ সালের মধ্যে ইসলামিক জাতি গঠনের প্রস্তুতি চলছে। আর এই মামলাতেই পিএফআই-এর সদস্য মোহাম্মদ আসিফ ওরফে আসিফ ও সাদিক সরফকে অভিযুক্ত করেছে এনআইএ। এই দুই অভিযুক্তই শুধু মুসলিম যুবকদের প্রশিক্ষণই দিচ্ছিল না, ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণ শিবিরেরও আয়োজন করে আসছিল। এই দুজনের বিরুদ্ধে আইপিসির ১২০বি, ১৫৩এ ধারা, ১৩, ১৭, ১৮,  ১৮এ  এবং ১৮বি  ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    চার্জশিটে কী বলা হয়েছে?

    এনআইএ-এর দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, এই অভিযুক্তরা প্রশিক্ষিত পিএফআই-এর (PFI) সদস্য, যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য মুসলিম যুবকদের নিয়োগ করত এবং নিজেরাও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত। এছাড়াও এই অভিযুক্ত দুজন অস্ত্র ও বিস্ফোরক পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ শিবির সংগঠিত করত, পিএফআই ক্যাডারদের অস্ত্র তুলতে এবং হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করত। এরা ভারতে বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা তৈরি করতে এবং দেশে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যুবকদের প্ররোচিত করত। তাদের প্রধান লক্ষ্য, ইসলাম বিপদে রয়েছে, মুসলিম যুবকদের মধ্যে এমন ভয় সৃষ্টি করা। সেই ভয়ে তারা নিজেদের প্রসারিত করার চেষ্টা করছিল ও দেশ ভাগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ইসলামিক জাতি গঠনের কথাও ছিল। কিন্তু এনআইএ তাদের (PFI) এই ষড়যন্ত্র ফাঁস করতে সক্ষম হয়েছে ও তাদের বিরুদ্ধে প্রথম চার্জশিটও দাখিল করেছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারত হিন্দুরাষ্ট্রই, পৃথক ঘোষণার দরকার নেই’’, বললেন সঙ্ঘনেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    জম্মু কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি এনআইএ-র

    অন্যদিকে জম্মু কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে এনআইএ। জঙ্গি সংগঠনগুলিকে কে বা কারা অর্থের জোগান দিচ্ছে, সেই খোঁজ করতেই জম্মু কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করে এনআইএ। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফের সহায়তায় এনআইএ মঙ্গলবার জম্মু কাশ্মীরের কুলগাম, পুলওয়ামা, অনন্তনাগ এবং সোপিয়ানে তল্লাশি শুরু করে। কুলগাম, সোপিয়ানের জয়নাপোরা এলাকায় একজন দুধওয়ালা, একজন কৃষক এবং একজন চালকের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। একইভাবে শ্রীনগরেও অভিযান চালানো হয়। উল্লেখ্য, এই তল্লাশি অভিযান ছাড়াও এনআইএ বহু ক্ষেত্রে তদন্ত চালাচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament: জেপিসি নিয়ে বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে মুলতুবি সংসদ, একলা চলো নীতি তৃণমূলের

    Parliament: জেপিসি নিয়ে বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে মুলতুবি সংসদ, একলা চলো নীতি তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদানিকাণ্ডে বিরোধীদের যৌথ সংসদীয় কমিটি (JPC) গড়ার দাবিকে ঘিরে সরকার ও বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে উত্তপ্ত সংসদের (Parliament) দুই কক্ষ। মঙ্গলবার বিরোধীদের যৌথ সংসদীয় কমিটি গড়ার দাবির পাল্টা হাতিয়ার হিসেবে বিজেপি প্রয়োগ করে ইংল্যান্ডে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস (Congress) সাংসদ রাহুল গান্ধীর মোদি সরকারের সমালোচনাকে। তার জেরে দু পক্ষে ব্যাপক হইচই হয়। যার জেরে মুলতুবি হয়ে যায় সংসদ। কংগ্রেস সহ বিজেপি বিরোধী কয়েকটি দল যখন সংসদে হইহট্টগোল করছে, সেই সময় ওই একই দাবিতে সংসদ ভবনের বাইরে গান্ধী মূর্তির সামনে ধর্না দেন তৃণমূল সাংসদরা।

    উত্তপ্ত সংসদ (Parliament)…

    এদিন অধিবেশনে রাহুলকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল। তিনি বলেন, এক সংসদ সদস্য (পড়ুন রাহুল গান্ধী) যেভাবে বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলছেন, তাতে সংসদ (Parliament) চুপ থাকতে পারে না। রাহুলের ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানিয়েছে বিজেপি। দেশের সমস্ত সাংসদ যাতে রাহুলের মন্তব্যের নিন্দা করেন, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে পদ্ম শিবিরের তরফে। পাল্টা কটাক্ষ করেছে কংগ্রেসও। বিজেপির উদ্দেশে সোনিয়া গান্ধীর দলের কটাক্ষ, গণতন্ত্রের হত্যাকারীর মুখে আজ এ কী কথা শুনি! এ নিয়ে দু পক্ষে হইহট্টগোলের জেরে মুলতুবি করে দেওয়া হয় সংসদের দুই কক্ষের অধিবেশন।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সিপিএমকে সাফ করেছি, পিসি-ভাইপোকেও গ্যারাজ করব’’, নন্দীগ্রামে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    এদিকে, দ্বিতীয় দফার (Parliament) অধিবেশন শুরুর আগে বিরোধীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। এই বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সাংসদরা। সংসদ চত্বরে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তাঁরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। কংগ্রেসের ডাকা ওই বৈঠকে সিপিএম, আরজেডি, জেডিইউ, শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবির, এনসিপি সহ ১৬টি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কংগ্রেস বিরোধী আম আদমি পার্টিও উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের ডাকা ওই বৈঠকে। এদিন সংসদ ভবন থেকে বিজয় চক পর্যন্ত মিছিল করেন বিরোধীরা। তাতে যোগ দেয় কংগ্রেস বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত বিআরএসও। তবে এখানেও তৃণমূলের কাউকে দেখা যায়নি। লোকসভার দলনেতা তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, বিরোধী ঐক্য যেন না থাকে, মোদির যেন সুবিধে হয়, এটাই করছে তৃণমূল। বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, বিরোধীদের কোনও ঐক্য নেই। কখনও হবেও না। মোদিই থাকবেন। ওরা নিজেদের ঘর বাঁচানোর চেষ্টা করছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ‘‘একমাত্র বিপরীত লিঙ্গেই সম্ভব’’, সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থানকেই সমর্থন সঙ্ঘের

    RSS: ‘‘একমাত্র বিপরীত লিঙ্গেই সম্ভব’’, সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থানকেই সমর্থন সঙ্ঘের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহ শুধুমাত্র দুটি বিপরীত লিঙ্গের মানুষের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে, মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে সমলিঙ্গের বিবাহ বিতর্কে কেন্দ্রের মোদি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিকে এভাবেই সিলমোহর দিল সঙ্ঘ (RSS)।  প্রসঙ্গত হরিয়ানার পানিপথে ১২ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে সঙ্ঘের সর্বভারতীয় প্রতিনিধি বৈঠক। আজ বিভিন্ন ইস্যুতে সাংবাদিক সম্মেলন করেন এই সঙ্ঘ (RSS) নেতা। 

    কী বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে 

    মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে বলেন, সঙ্ঘ সমলিঙ্গের বিবাহের বিষয়ে কেন্দ্রের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত পোষণ করছে। আমরা মনে করি যে বিবাহ শুধুমাত্র বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিদের মধ্যেই হতে পারে।

    সমলিঙ্গের বিবাহ বিষয়ে কেন্দ্র কী জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টকে

    সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র জানিয়েছে, সমলিঙ্গের ব্যক্তিদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক ভারতের প্রচলিত পরিবারের ধারণার পরিপন্থী। গত রবিবার সুপ্রিম কোর্টে  দায়ের করা হলফনামায় একথা সাফ জানিয়েছে কেন্দ্র। ওই হলফনামা অনুযায়ী, ভারতীয়রা পরিবার বলতে বোঝেন স্বামী, স্ত্রী এবং সন্তানকে। স্বামী-স্ত্রী বলতে একজন জৈবিক পুরুষ ও একজন জৈবিক নারীকেই বিবেচনা করা হয়। তাঁদের মধ্যে মিলনের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তানকে জৈবিক পুরুষ বাবা হিসেবে এবং জৈবিক মহিলা মা হিসেবে লালন-পালন করেন

    কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, সমকামী বিবাহকে স্বীকৃতি দিলে কিছু আইনি জটিলতাও সৃষ্টি হবে। বর্তমানে ভারতে ব্যক্তিগত এবং বিধিবদ্ধ আইনে নিষিদ্ধ সম্পর্ক, বিয়ের শর্ত, আনুষ্ঠানিকতা এবং আচারের প্রয়োজনীয়তা গার্হস্থ্য হিংসার মতো বিষয়ে যে বিধানগুলি রয়েছে, সমকামী বিবাহ আইনি স্বীকৃতি পেলে সেগুলি লঙ্ঘন হতে পারে। কারণ বিয়ে শুধু নারী-পুরুষের মধ্যেই হয়, এমনটা ধরেই বিধানগুলি তৈরি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘গোটা দেশকে যারা কারাগার বানিয়েছিল, তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না’’, রাহুলকে কটাক্ষ সঙ্ঘের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ‘‘গোটা দেশকে যারা কারাগার বানিয়েছিল, তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না’’, রাহুলকে কটাক্ষ সঙ্ঘের

    RSS: ‘‘গোটা দেশকে যারা কারাগার বানিয়েছিল, তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না’’, রাহুলকে কটাক্ষ সঙ্ঘের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে, লণ্ডনে রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে একহাত নিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবালে। পানিপথে শুরু হওয়া সঙ্ঘের সর্বভারতীয় প্রতিনিধি বৈঠকের তৃতীয় দিনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই সঙ্ঘ নেতা বলেন, রাহুল গান্ধীকে আরও দায়িত্বের সঙ্গে কথা বলা উচিত।

    কী বললেন সঙ্ঘের সরকার্যবাহ

    এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে দত্তাত্রেয় হোসাবালে বলেন, রাহুল গান্ধী একজন রাজনীতিবিদ। তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক এজেণ্ডা রয়েছে, তবে দেশ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করার সময় তাঁর আরও দায়িত্বের সঙ্গে কথা বলা উচিত। প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই রাহুল গান্ধী কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জজ বিজনেস স্কুলে তাঁর বক্তব্যে বলেছিলেন, দেশে গণতন্ত্র আক্রান্ত।
      
    এদিন গান্ধী নেহেরু পরিবারকেও একহাত নেন এই সঙ্ঘ নেতা। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় কংগ্রেসের ক্ষমতাশীল গান্ধী পরিবারের অনৈতিক পদক্ষেপগুলিকেও এপ্রসঙ্গে টানেন তিনি। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধীর পারিবারিক পূর্বসূরীরা সঙ্ঘের (RSS) বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র করেছে। কিন্তু দেশের মানুষ সব সত্যই জানেন।

    জরুরি অবস্থার সময় গোটা দেশকে যারা কারাগার বানিয়েছিল, তাদের মুখে গণতন্ত্র হত্যার কাহিনী মানায় না 

    প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সেসময় বিরোধী সমস্ত নেতাকেই গ্রেফতার করা হয়। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলে দত্তাত্রেয় হোসাবলে বলেন, জরুরি অবস্থার সময় আমি নিজেও জেলে ছিলাম। যাঁরা সেদিন দেশকে কারাগারে পরিণত করেছিলেন, তাঁদের মুখে অন্তত গণতন্ত্র হত্যার কথা মানায় না। এই কৃতকর্মের জন্য রাহুল গান্ধী বা তাঁর পূর্বসূরীরা কখনও ক্ষমাও চাননি বলে উল্লেখ করেন এই সঙ্ঘ নেতা। তাঁর আরও সংযোজন, সারা দেশেই নির্বাচন হচ্ছে, তাহলে রাহুল গান্ধী কীভাবে বলতে পারেন গণতন্ত্র আক্রান্ত?  এহেন ব্যক্তিদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় কিনা সে সিদ্ধান্ত দেশের মানুষকেই নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share