Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Protest in Meghalaya: মণিপুরের পর মেঘালয়! ঘেরাওয়ে আটকে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী, আহত পাঁচ

    Protest in Meghalaya: মণিপুরের পর মেঘালয়! ঘেরাওয়ে আটকে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী, আহত পাঁচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরের অশান্তির আঁচ এবার গিয়ে পড়ল প্রতিবেশী রাজ্য মেঘালয়ে। জানা গিয়েছে, মেঘালয়ের (Protest in Meghalaya) মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার দফতর ঘেরাও করে হামলা চালিয়েছে কিছু বিক্ষুব্ধ জনতা। ঘটনায় অন্তত পাঁচ নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন।  মেঘালয়ের টুরাকে রাজ্যের শীতকালীন রাজধানী করতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করছে গারো পাহাড়ের কয়েকটি জনগোষ্ঠী। কয়েকদিন ধরে নাগরিক সমাজের একটি সংগঠন অনশন করে চলেছে। তবে সোমবার সন্ধ্যা থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের সামনে অনশন

    গারো পাহাড়ের বেশ কয়েকটি গোষ্ঠীর অনেকদিনের দাবি, শীতকালীন রাজধানী হিসাবে টুরাকে ঘোষণা করা হোক৷ সেই দাবি নিয়েই সোমবার বিকেল থেকে পার্বত্য রাজ্যের টুরায় মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের (Protest in Meghalaya) সামনে অনশন শুরু করেছিলেন প্রতিবাদীরা৷ তার পরে, সোমবার সন্ধ্যার পর হঠাৎই মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ভিড় করে আসেন তাঁরা এবং পাথর ছুড়তে শুরু করেন৷ তাতেই আহত হন পাঁচজন পুলিশকর্মী৷ তাঁদের আহত অবস্থায় ওই অফিসের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়৷ একাধিক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ভিতরে আহতদের সঙ্গে কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী সাংমা৷ 

    আরও পড়ুন: চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট! গত ২ দিনে মায়ানমার থেকে ৭১৮ জনের অনুপ্রবেশ মণিপুরে

    মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়, এদিন প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে ভবনের ভেতরে আলোচনায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অনশন (Protest in Meghalaya) বন্ধ করলে আগামী মাসে তাদের দাবি দাওয়া নিয়ে রাজধানী শিলং-এ আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি। দীর্ঘ তিন ঘণ্টার ওই বৈঠকের মধ্যেই হামলার ঘটনা ঘটে। মুখ্যমন্ত্রী দীর্ঘক্ষণ ধরে তার দফতরে আটকে ছিলেন। এছাড়া বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের তরফ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও উত্তেজনা রয়েছে৷ একটি ভিডিও বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বলেছেন, ‘এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে৷ আমি এখনও বিশ্বাস করি, আলোচনার মাধ্যমে সমস্ত সমস্যার সমাধান সম্ভব৷ আমি সেই কারণেই ওঁদের সঙ্গে আরও আলোচনার কথা বলেছি৷’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসার মামলায় খারিজ রাজ্যের আর্জি, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে বহাল এনআইএ তদন্ত

    Ram Navami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসার মামলায় খারিজ রাজ্যের আর্জি, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে বহাল এনআইএ তদন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ফের একবার মুখ পুড়ল রাজ্যের! রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রায় হিংসার ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে শীর্ষে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। এনআইএ তদন্তের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে জানানো হয়েছিল আর্জি। মে মাসে খারিজ হয়ে গিয়েছিল রাজ্যের সেই আর্জি। এবার খারিজ হয়ে গেল হাইকোর্টের নির্দেশ বাতিলের আর্জিও। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারডিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ সোমবার খারিজ করে দেন ওই আর্জি। যার জেরে রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসার ঘটনায় এবার তদন্ত করতে পারবে এএনআই।

    এনআইএ তদন্তের নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তির জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল হাওড়া, হুগলি ও উত্তর দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকা। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। অস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগও ওঠে। এর পরেই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। ১০ এপ্রিল শুনানির দিন কলকাতা হাইকোর্টে এনআইএ জানিয়েছিল, অশান্তির ঘটনার তদন্ত করতে তারা প্রস্তুত। ২৭ এপ্রিল এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

    মুখ পুড়ল রাজ্যের

    প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, রাজ্যকে এ সংক্রান্ত সমস্ত নথি এনআইএকে হস্তান্তর করতে হবে। তার আগের শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, কারা (Ram Navami) এই অশান্তির ঘটনায় জড়িত এবং কারা উসকানি দিয়েছে, সেটা রাজ্য পুলিশের পক্ষে জানা সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্ত করতে হবে। পুলিশের রিপোর্টেও স্পষ্ট হিংসা হয়েছিল। ছাদ থেকে পাথর কীভাবে ছোড়া হল, ঘটনাস্থলে লাঠি, বাঁশ, অ্যাসিড কোথা থেকে এল, তা জানা দরকার। হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। সেখানেই পুড়ল মুখ। 

    আরও পড়ুুন: ‘পিসিমণির হেঁসেল ঘরে স্পেশাল মেনু ব্যালট পেপারের থালি,’ টোটোর ব্যানারে প্রতিবাদ

    এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানতে চান, বিস্ফোরক ব্যবহারের যে অভিযোগ রয়েছে, তা কি অস্বীকার করা যায়?  রাজ্য সরকারের কৌঁসুলি বলেন, “আদালতকে দেখতে হবে এটা বিস্ফোরক কিনা, কতজন জখম হয়েছে। এগুলি স্মোগ বোমা ছিল। রাজ্যের তদন্তের ওপর আস্থা না রাখাটা দুর্ভাগ্যজনক।” তিনি বলেন, “রামনবমীর শোভাযাত্রার (Ram Navami) সময় চার দিনে ৬টি ঘটনা ঘটেছে। হাইকোর্ট একটি এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু এনআইএ বিজ্ঞপ্তিতে মোট ৬টি এফআইআর নিয়ে তদন্ত করার কথা বলেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’, আপ সাংসদকে সাসপেন্ড, ধনখড় সতর্ক করলেন ডেরেককেও

    Jagdeep Dhankhar: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’, আপ সাংসদকে সাসপেন্ড, ধনখড় সতর্ক করলেন ডেরেককেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’! তাই পুরো বাদল অধিবেশনের জন্য আম আদমি পার্টির (AAP) রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহকে সাসপেন্ড করলেন চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। মণিপুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে আজ, সোমবার বাদল অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও উত্তপ্ত ছিল সংসদ। এদিন রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন সঞ্জয়। এর পরেই সাংসদ পদের অবমাননা করায় তাঁকে সাসপেন্ড করেন ধনখড়। ২৬৭ নম্বর ধারায় মণিপুর নিয়ে আলোচনা চেয়ে বিক্ষোভ দেখানোয় রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সতর্ক করে দেন সাংসদ তৃণমূলের ডেরেক ও’ ব্রায়েনকে।

    সাসপেন্ড সঞ্জয়

    এদিন মণিপুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন সঞ্জয় সহ কয়েকজন সাংসদ। এজন্য সঞ্জয়কে একাধিকবার সতর্ক করে দেন উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। তাঁকে তাঁর আসনে গিয়ে বসতেও অনুরোধ করা হয়। তার পরেও বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন সঞ্জয়। এর পর রাজ্যসভার নেতা পীযূষ গয়াল আপ সাংসদকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে যায় সেই প্রস্তাব। তার পরেই সঞ্জয়কে সাসপেন্ড করা হয়।

    ধনখড়-ডেরেক বিতণ্ডা 

    এদিকে, এদিন ধনখড়ের সঙ্গে সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েনের তুমুল বিতণ্ডা হয়। তার জেরে মুলতুবি হয়ে যায় রাজ্যসভার অধিবেশন। এদিন রাজ্যসভায় কী কী নোটিশ এসেছে, তার উল্লেখ করছিলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান (Jagdeep Dhankhar)। ১৭৬ এর অধীনে যেসব নোটিশ এসেছে, সেই নোটিশ নিয়ে বলার সময় সাংসদদের নাম বলেন ধনখড়।

    আর ২৬৭-র অধীনে যেসব নোটিশ এসেছিল, সেগুলি বলার সময় রাজ্যসভার চেয়ারম্যান কেন সাংসদদের নাম উল্লেখ করলেন না, তা নিয়েই শুরু হয় বিতণ্ডা।

    আরও পড়ুুন: নির্বাচন সংক্রান্ত মামলার পাহাড়, ফের একবার বিরক্তি প্রকাশ প্রধান হাইকোর্টের বিচারপতির

    এর পর রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সাংসদদের নাম বলতে শুরু করেন। তখন ডেরেক ফের ‘কোন দল? কোন দল?’ বলে চেঁচামেচি জুড়ে দেন।  ধনখড় তাঁকে বলেন, “আপনি বসুন। তারপর বলুন কী হয়েছে।” ডেরেক তা করতে অস্বীকার করেন। এরপরেও রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে বলতে শোনা যায়, “ডেরেক ও’ ব্রায়েন আপনি দয়া করে বসুন। আপনি কিন্তু চেয়ারকে চ্যালেঞ্জ করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: প্রবীণ আরএসএস নেতা মদন দাস দেবীর জীবনাবসান, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    RSS: প্রবীণ আরএসএস নেতা মদন দাস দেবীর জীবনাবসান, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত প্রবীণ আরএসএস (RSS) নেতা মদন দাস দেবী। বয়স হয়েছিল ৮১। সোমবার সকালে বেঙ্গালুরুর হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এদিন আরএসএসের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে এই খবর জানানো হয়। উল্লেখ্য, শুধু আরএসএস নয়, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের তিনি ন্যাশনাল অর্গানাইজিং সেক্রেটারিও ছিলেন। আরএসএসের ট্যুইটবার্তা অনুযায়ী, সকাল ৫ টা নাগাদ বেঙ্গালুরুর রাজারাজেশ্বরী নগরে একটি হাসপাতালে তাঁর প্রয়াণ ঘটেছে। অটলবিহারী বাজপেয়ি এবং লালকৃষ্ণ আদবানির সমসাময়িক এই নেতা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আরএসএসের নানা চিন্তাভাবনা এবং সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বচ্ছন্দ্যে কথা বলার ক্ষমতা রাখতেন। আরএসএস এবং বিজেপির বহু শীর্ষ নেতার আদর্শ তিনিই।

    শোক প্রকাশ নরেন্দ্র মোদির

    প্রবীণ এই নেতার (RSS) মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেবীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, তিনি অনেক কিছুই শিখেছেন তাঁর কাছে। প্রধানমন্ত্রী এক ট্যুইটবার্তায় বলেছেন, “মদন দাস দেবীজির প্রয়াণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। জাতির সেবায় তিনি তাঁর জীবন উৎসর্গ করে গেছেন।” তিনি আরও লিখেছেন, “তাঁর সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, শুধু এমনটাই নয়, তাঁর কাছ থেকে আমি অনেক কিছু পেয়েছি। এমন একটা বেদনাদায়ক সময়ে তাঁর পরিবার এবং কর্মীদের ঈশ্বর শক্তি দিন।”

    শোক প্রকাশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুও আরএসএসের (RSS) ওই প্রবীণ নেতার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই মৃত্যু সংবাদ বেদনাদায়ক। তাঁর চিন্তাভাবনা এবং জ্ঞান সব সময় আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে। দেশপ্রেমী মানুষ এবং দলের কার্যকর্তারাও তাঁর আদর্শ এবং অনুপ্রেরণায় সমৃদ্ধ।

    শেষ জীবন

    বয়সজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি সংগঠনের নানা দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেও শরীর যতটা দিত, সেই অনুযায়ী সারা দেশ ঘুরে বেড়াতেন। দিল্লি এলে থাকতেন আরএসএসের (RSS) দীনদয়াল উপাধ্যায় রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাততলার কমিউনে। মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা এই নেতা সঙ্ঘের যুগ্ম সম্পাদকের পদে কাজ করেছেন। সর্ব সময়ের এই প্রচারক শেষ জীবনে অসুস্থতার কারণে বেঙ্গালুরুতে ছিলেন চিকিৎসার জন্য। আরএসএসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর নশ্বর দেহ স্থানীয় সঙ্ঘ কার্যালয়ে দুপুর দেড়টা থেকে চারটে পর্যন্ত রাখার পর উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে পুনেতে। সেখানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • EPF Interest Hike: চাকরিজীবীদের মুখে হাসি! পিএফ-এ সুদের হার বৃদ্ধি কেন্দ্রের, জানুন নতুন রেট

    EPF Interest Hike: চাকরিজীবীদের মুখে হাসি! পিএফ-এ সুদের হার বৃদ্ধি কেন্দ্রের, জানুন নতুন রেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও চওড়া হলো বেতনভোগী চাকরিজিবীদের মুখের হাসি। সোমবার, প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদের হার (EPF Interest Hike) বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলো মোদি সরকার। ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আগের তুলনায় অতিরিক্ত ০.০৫ শতাংশ সুদ বেশি মিলবে। এই মর্মে, এদিন ইপিএফও-র সব অফিসকে নোটিস পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। কেন্দ্রের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক বলেছে, ‘‘কর্মচারী ভবিষ্যৎ তহবিল প্রকল্পে ১৯৬২ এর অনুচ্ছেদ ৬০(১) অনুযায়ী, ২০২২-২৩ সালের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড (Provident Fund) স্কিমের প্রতিটি সদস্যের অ্যাকাউন্টে ৮.১৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হবে।” 

    কত হলো সুদের হার?

    এর আগে, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে এই সুদের হার ছিল ৮.৬৫ শতাংশ। সেখান থেকে কমিয়ে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে পিএফ-এর সুদের হার ছিল ৮.৫ শতাংশ। ২০২০-২১ সালে সেই হারই বহাল রাখা হয়েছিল। তবে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে তা কমিয়ে ৮.১ শতাংশ করা হয়েছিল। ১৯৭৭ সালের পর এটাই পিএফ-এর সর্বনিম্ন সুদের হার। তবে আজ বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্র সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হলো পিএফ-এর সুদের হার (EPF Interest Hike) বাড়ানো হচ্ছে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের জন্য। আজকের সিদ্ধান্তের ফলে, এখন থেকে চাকরিজীবীদের পিএফে সুদের হার হলো ৮.১৫ শতাংশ। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের ছ’কোটি সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবী উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। 

    কেন প্রয়োজন প্রভিডেন্ট ফান্ড?

    ইপিএফ স্কিম বেতনভোগী কর্মচারীদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) এই তহবিল পরিচালানা করে। অবসরকালীন সুবিধা ছাড়াও কর্মচারীদের অবসর গ্রহণের পরে আর্থিক নিরাপত্তা দেয় এই প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা। এই তহবিলে (EPF Interest Hike) প্রতি মাসে একজন কর্মচারী তাদের উপার্জনের ১২ শতাংশ জমা দেন। কর্মীদের পাশাপাশি মালিকপক্ষও ১২ শতাংশ অবদান জমা করে। তার মধ্যে নিয়োগকর্তার পক্ষ থেকে ৩.৬৭ শতাংশ প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়। বাকি ৮.৩৩ শতাংশ যায় কর্মচারী পেনশন স্কিমে(EPS)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে ভারত, কবে জানেন?

    Indian Economy: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে ভারত, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক হল জিডিপি (GDP)। একটি দেশের অভ্যন্তরে এক বছরে চূড়ান্তভাবে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারে সমষ্টিগত মূল্যই হল মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি। আগের বছরের তুলনায় পরের বছরে এই উৎপাদন যে হারে বাড়ে, সেটি হল জিডিপির প্রবৃদ্ধি। যাঁরা পলিসি তৈরি করেন, যাঁরা বিনিয়োগ করেন, যাঁরা ব্যবসা করেন এবং দেশের নাগরিকদের অর্থনৈতিক অবস্থা জানতে প্রয়োজন হয় জিডিপি জানার। এতে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করতে এবং অর্থনীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয় অর্থনীতির রূপকারদের।

    বাড়ছে জিডিপি

    বিভিন্ন অর্থনৈতিক সমীক্ষার পূর্বাভাস অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, চলতি বছর বিশ্বে জিডিপি (GDP) বেড়েছে ২.৬ শতাংশ। গত বছর এটাই নেমে গিয়েছিল ৩.৩ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতি সহ নানা কারণে বিশ্বে জিডিপির হার সামান্য কমলেও, তা ফের বেড়েছে। এমতাবস্থায় জিডিপির পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার ও গোল্ডম্যান স্যাচ। ২০৭৫ সালের মধ্যে ভারত, আমেরিকা, চিন, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের জিডিপির হার কেমন হবে, সে ব্যাপারে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার ও গোল্ডম্যান স্যাচ। চলতি বছর মুদ্রাস্ফীতির হার অন্যান্য দেশের তুলনায় কম ছিল ভারতেই। এখানে মুদ্রাস্ফীতির হার পাঁচ শতাংশের কম ছিল। পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতির হার ৩৮ শতাংশ।

    সমীক্ষার পূর্বাভাস 

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার ও গোল্ডম্যান স্যাচের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৭৫ সালের মধ্যে ভারত হবে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির (GDP) দেশ। এই সময়সীমার মধ্যে বাড়বে আমদানি। আবিষ্কার এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও ঘটবে বিপ্লব। বেসরকারি সংস্থাগুলি আরও বেশি করে পাবে বিনিয়োগের পরিবেশ। একটি গবেষণায় গোল্ডম্যান স্যাচ জানিয়েছে, ভারতের বর্তমান জিডিপি দাঁড়িয়েছে ৩.৭৩৭ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারে। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে ভারতে জিডিপির হার বাড়বে ৫.৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারে।

    আরও পড়ুুন: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ সমীক্ষার কাজ

    ২০৭৫ সালের মধ্যে এটাই লাফিয়ে গিয়ে দাঁড়াবে ৫২.৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারে। আমেরিকাকে পেছনে ফেলে অর্থনীতিতে এগিয়ে যাবে চিন। তার পরের জায়গাটাই হবে ভারতের। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এই তিন মাসে ভারতে জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হার ছিল ৬.১ শতাংশ। কৃষি, উৎপাদন, খনি এবং নির্মাণ শিল্পে প্রভূত উন্নতির জেরেই বেড়েছিল জিডিপির হার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Investment Fraud: বিনিয়োগের নামে ৭০০ কোটি টাকার প্রতারণা! চিন থেকে নিয়ন্ত্রিত হতো চক্র

    Investment Fraud: বিনিয়োগের নামে ৭০০ কোটি টাকার প্রতারণা! চিন থেকে নিয়ন্ত্রিত হতো চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা! আর তাতেই ৭০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারকরা (Investment Fraud)। জানা গিয়েছে, চিন থেকে বসেই নিয়ন্ত্রণ করা হতো গোটা চক্র। এত বড় প্রতারণা চক্রে সংযোগ পাওয়া গিয়েছে লেবাননের হিজবুল্লা জঙ্গি গোষ্ঠীরও। ভারত থেকে গোয়েন্দারা গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়েছেন প্রতারণাচক্রের (Investment Fraud) বেশ কিছু দালালকে। শনিবার হায়দরাবাদ পুলিশ এই প্রতরণা চক্রের কথা সামনে এনেছে।

    কীভাবে চলতো প্রতারণা? 

    বাড়িতে বসেই সামান্য কাজের অফার দেওয়া হতো। কীরকর কাজ? ইউটিউবে ভিডিও লাইক করতে হবে অথবা গুগলে গিয়ে রিভিউ লিখতে হবে। ব্যস এইটুকু করলেই মিলবে মোটা অঙ্কের টাকা। এই ছিল প্রতারকদের ফাঁদ। এখানেই প্রতিবছর আটকে পড়েছেন হাজার হাজার ভারতীয়। সামান্য এই কাজের সঙ্গে দেওয়া হতো বিনিয়োগের প্রস্তাব। স্বল্প টাকার বিনিয়োগে মিলবে মোটা অঙ্কের রিটার্ন। প্রতারকদের (Investment Fraud) এই প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করেই টাকা রাখতেন অনেকে। যা চলে যেত সন্ত্রাসের ফান্ডে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দারা। মহম্মদ মুনাওয়াল, অরুল দাস, সমীর খান, শাহ সুমীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে হায়দরাবাদ থেকে। আহমেদাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রকাশ মূলচাঁদ ভাই এবং কুমার প্রজাপতিকে। মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে গগন সোনী, পারভেজ এবং নইমুদ্দিন সেখকে।

    কী বলছে পুলিশ?

    হায়দরাবাদের পুলিশ কমিশনার বলেন,জনৈক শিবা কুমার নামের এক ব্যক্তির ২৮ লাখ টাকার প্রতারণা (Investment Fraud) বিষয় সামনে আসতেই তদন্ত শুরু হয়। সন্ধান মেলে ‘রাধিকা মার্কেটিং কোম্পানি’-এর। এখানেই মহম্মদ মুনাওয়ালের একটি অ্যাকাউন্ট ও ফোন নম্বর পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, এই কোম্পানিতে অ্যাকাউন্ট খোলানোর বিনিময়ে প্রতারকরা পেত নগদ ২ লাখ টাকা। কিছু অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রিত হতো দুবাই থেকে। এই সংস্থায় যে টাকা ডিপোজিট হতো তার একটা বড় অংশ সন্ত্রাসের কাজে ব্যবহার হতো বলে জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

     

    আরও পড়ুুন: দিল্লির প্রগতি ময়দানের নয়া কনভেনশন সেন্টারের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ সমীক্ষার কাজ  

    Gyanvapi Mosque: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ সমীক্ষার কাজ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মাঝ পথে বন্ধ হয়ে গেল জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) সমীক্ষার কাজ। এদিন সোয়া ১১টা নাগাদ সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয় এই মামলার শুনানি। তার আগেই ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের পাঠানো সমীক্ষক দলকে কাজ করতে বারণ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।

    সমীক্ষায় স্থগিতাদেশ

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আপাতত সেখানে স্থিতাবস্থা থাকুক। ততক্ষণ যেন কোনও খনন করা না হয়। এমন কোনও পদ্ধতিতেও যেন সমীক্ষা চালানো না হয়, যাতে সেই কাঠামোর ক্ষতি হয়। এর পাশাপাশি মুসলমান পক্ষকে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ২৬ জুলাই পর্যন্ত জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে বারাণসী আদালতের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    এএসআই

    প্রসঙ্গত, বারাণসী জেলা আদালতের নির্দেশে আজ, সোমবার থেকে শুরু হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) সমীক্ষার কাজ। এদিন ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের ২৪ জনের একটি দল শুরু করেছিল সমীক্ষার কাজ। সমীক্ষকদের সঙ্গে মসজিদে গিয়েছিলেন চার মহিলা আবেদনকারী এবং তাঁদের আইনজীবীরা। ভোর থেকেই সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছিল বলে জানান বারাণসীর জেলাশাসক। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মসজিদ চত্বরে আঁটসাঁট করা হয়েছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। বারাণসী জেলা আদালতের ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে মসজিদ কমিটির তরফে আবেদন করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় কাজ।

    প্রসঙ্গত, একুশের অগাস্ট মাসে জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi Mosque) মা শৃঙ্গার গৌরী (বর্তমানে যা ওজুখানা ও তহখানা নামে পরিচিত) এবং মসজিদের ভিতরের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্ব দাবি করে প্রার্থনার অনুমতি চেয়ে মামলা দায়ের করেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। এর পরেই মসজিদের ভিতরের ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশ দেন বারাণসীর নিম্ন আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকর। পরে প্রাপ্ত নমুনাগুলির কার্বন ডেটিংয়ের পরীক্ষার আবেদন জানায় হিন্দু সংগঠনগুলি।

    আরও পড়ুুন: ‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি ডাকলেই আন্দোলন কেন?’ ধনখড়ের নিশানা কাদের দিকে

    হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, মসজিদ চত্বরের ওজুখানায় শিবলিঙ্গ রয়েছে। তার বয়স জানার জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আবেদন জানানো হয়। অজয় কুমার বিশ্বেশ সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেছিলেন, শিবলিঙ্গের অস্তিত্ব খোঁজার জন্য জ্ঞানবাপী চত্বরে কোনওরকম বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের কাজ করা যাবে না। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন জানানো হয়েছিল ইলাহাবাদ হাইকোর্টে। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। গত মে মাসে হিন্দু মহিলা ভক্তদের তরফে সিল করা ওজুখানা (Gyanvapi Mosque) এলাকার বাইরে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Heavy Rainfall: অতিভারী বৃষ্টির জেরে কেরলে বন্ধ স্কুল! গুজরাটে কমলা সতর্কতা

    Heavy Rainfall: অতিভারী বৃষ্টির জেরে কেরলে বন্ধ স্কুল! গুজরাটে কমলা সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতি ভারী বৃষ্টিতে কয়েক সপ্তাহ আগেই নাজেহাল হয়েছিল উত্তর ভারতে জনজীবন। তার রেশ এখনও চলছে। বেশ কয়েক জায়গায় বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও জল জমেই রয়েছে। কিন্তু উত্তর ভারতের বাসিন্দাদের চিন্তা এবং উদ্বেগ বাড়িয়েছে হাওয়া অফিসের ঘোষণা। ভারতের আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার থেকে উত্তর ভারতে ফের ভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে রবিবার ফের বিপদসীমা অতিক্রম করেছে যমুনার জল। অন্যদিকে, বন্যায় হিমাচলে রবিবারে ৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতেও রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। মৌসম ভবন, গুজরাট ও কেরলে ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে।

    গুজরাটে জারি কমলা সর্তকতা…

    গুজরাটে ভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) কারণে দ্বারকার সিনহন এবং ঘি ড্যামে জলস্তর ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, জুনাগড়, সৌরাষ্ট্র অঞ্চলের বন্যার জলস্তর নামতে শুরু করেছে। প্রশাসন দুর্গতদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত ৩ হাজারের বেশি মানুষকে সরানো হয়েছে বলে খবর। এরই মাঝে রবিবার গুজরাটের মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়ে হাওয়া অফিসের ঘোষণা, ‘‘২৪ জুলাই ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে গুজরাটে। পশ্চিম ভারতের এই রাজ্যের দ্বারকা, রাজকোট, ভাবনগর প্রভৃতি জেলায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় ব্যাপক বৃষ্টি হবে।’’ গুজরাটের পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সেরাজ্য়ের মুখ্যমন্ত্রীর কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জুনাগড়ের এলাকায় জলস্তর প্রতিটি বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে খবর।   

    ভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) জেরে কেরলে বন্ধ স্কুল

    সোমবার অতিভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) পূর্বাভাস রয়েছে কেরলে। এর জেরে কেরলের কুন্নুর, ওয়ানাদ, কোঝিকোড় জেলায় স্কুলগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেরলের এই জেলাগুলিতে যেমন কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে তেমনি হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এর্নাকুলাম, পালাক্কাদ, ত্রিশূর, মালাপ্পুরাম জেলায়। ত্রিশূর জেলায় পিএসসি পরীক্ষার সূচি অপরিবর্তিত থাকবে বলেই জানিয়েছে প্রশাসন। কেরলের এই পরিস্থিতির কারণে মৎস্যজীবীদের আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত সমুদ্র যাত্রায় নিষেধ করা হয়েছে। মৌসম ভবন বলছে, ‘‘ ২৪ থেকে ২৭ জুলাই অতিভারী বৃষ্টি হবে কেরলে। পাশাপাশি উপকূল এলাকায় ৪০-৫০ কিমি/ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: ‘মোদি’ পদবি মামলায় পূর্ণেশ ও গুজরাট হাইকোর্টকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ‘মোদি’ পদবি মামলায় পূর্ণেশ ও গুজরাট হাইকোর্টকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদি’ পদবি মামলায় সাজার ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ওই মামলায় এবার বিজেপি নেতা পূর্ণেশ মোদিকে নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আরএস গাভাই ও বিচারপতি পিকে মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ। এই মামলায় অবস্থান জানতে শীর্ষ আদালতের তরফে নোটিশ পাঠানো হয়েছে গুজরাট সরকারকেও। ৪ অগাস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি। শুক্রবার বেঞ্চ জানিয়েছে, এই পর্যায়ে মামলার দীর্ঘায়িত শুনানির প্রয়োজন নেই। সাজার ওপর স্থগিতাদেশ হবে না রায় বহাল থাকবে, শুনানি হবে তা নিয়েই।

    রাহুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে কর্নাটকের কোলারের এক জনসভায় প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী মোদি পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের (Supreme Court) দ্বারস্থ হন গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা পূর্ণেশ মোদি। চলতি বছর ২৩ মার্চ সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচএইচ বর্মা দু বছর জেলের সাজা দেন রাহুলকে। উচ্চতর আদালতে আবেদনের জন্য তাঁকে ৩০ দিন সময়ও দিয়েছিলেন বিচারক।

    দু বছরের কারাদণ্ড

    দু বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা হওয়ায় রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। বাংলোর অধিকারও খোয়ান রাহুল। সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে রাহুলের আর্জি ৭ জুলাই খারিজ করে দেয় গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছকের বেঞ্চ। এর আগে রাহুল আবেদন করেছিলেন সুরাটের দায়রা আদালতও। গুজরাট হাইকোর্টের সাজার রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হন রাহুল। আবেদনে বলা হয়, যদি গুজরাট হাইকোর্টের ৭ জুলাইয়ের রায় স্থগিত করা না হয়, তাহলে তা বাকস্বাধীনতা, মত প্রকাশ, স্বাধীন চিন্তাভাবনার কণ্ঠরোধের পরিবেশ তৈরি করবে।

    আরও পড়ুুন: বিজেপি নেতাদের বাড়ি ‘ঘেরাও’য়ের ডাক মমতা-অভিষেকের, তুলোধনা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    আইনজীবীদের একাংশের মতে, সুপ্রিম কোর্ট যদি সুরাট ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়, তবে হারানো সাংসদ পদ ফিরে পেতে পারেন রাহুল। সাজার ওপর স্থগিতাদেশ দিলে জেলে যেতে না হলেও, সাংসদ পদ ফিরে পাবেন না। আর গুজরাট হাইকোর্টের রায় বহাল থাকলে জেলে যাওযার আশঙ্কা বাড়বে রাহুলের। কেবল তা-ই নয়, আগামী ছ বছর তিনি নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share