Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া ১৩টি সম্মানের মধ্যে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ, দাবি নির্মলার

    Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া ১৩টি সম্মানের মধ্যে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ, দাবি নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) যে ১৩টি বিশেষ নাগরিক সম্মান পেয়েছেন, তার মধ্য়ে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ। রবিবার, এক সাংবাদিক বৈঠকে এই মন্তব্য করলেন নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর মতে, শুধুমাত্র দেশের শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে ভারতে মুসলিমদের পরিস্থিতি নিয়ে অপপ্রচারের চালানো হচ্ছে, পরিকল্পিত প্রচারের অঙ্গ হিসেবে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিয়ে।

    বারাক ওবামার মন্তব্য নিয়ে নির্মলা

    ভারতীয় মুসলিমদের নিয়ে ওবামার (Barak Obama) দুশ্চিন্তা সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন বিষয় বলে দাবি করেন নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, ‘‘এটা পরিকল্পিত প্রচারের অঙ্গ। বিশেষ করে যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় রয়েছেন, সে সময়ে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের ভারতীয় মুসলিমদের নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশের ঘটনা স্তম্ভিত করে দেওয়ার মতো।’’ নির্মলার কথায়, ‘‘যে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ভারত সম্পর্কে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁর শাসনকালে ছ’টি মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ২৬ হাজার বোমা বর্ষণ করেছিল আমেরিকা (America)। এই ধরনের লোকেদের অভিযোগকে কী ভাবে বিশ্বাস করবে আমজনতা?’’

    আরও পড়ুন: ভোগের পদ আড়াইশো! ইসকনে মাসির বাড়িতে পরম আদরে প্রভু জগন্নাথ

    উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) আমেরিকান ‘স্টেট ভিজিট’ (PM Modi US Visist) চলা অবস্থাতেই গত বৃহস্পতিবার তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘ভারত যদি মুসলিম-সহ তার সংখ্যালঘু নাগরিকদের রক্ষা করতে না পারে, তা হলে সে দেশের টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ ভারতের এথনিক মাইনরিটিদের নিয়ে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার এই মন্তব্য মেনে নিতে পারছেন না বহু ভারতীয়ই।

    মুসলিম দেশে মোদির জনপ্রিয়তা

    নির্মলা (Nirmala Sitharaman) দাবি করেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) হিসাবে মোদিকে যে ১৩টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ। কোনও তথ্য ছাড়াই শুধু অপপ্রচারের জন্য নানা কথা বলা হচ্ছে। আসলে ভোটের মাধ্যমে মোদি ও বিজেপিকে হারাতে পারছে না কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। সে কারণে এখনও এ সব ভিত্তিহীন প্রচার করছে। গত কয়েকটি ভোটে কংগ্রেস এই ভূমিকা নিয়েছিল। বিজেপি সরকার সবকা সাথ, সবকা বিকাশের কথা বলে। কোনও সম্প্রদায়কে নিয়ে আলাদা করে কোনও বৈষম্য করে না।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bridge Collapse: তিন সপ্তাহের মধ্যে দু’বার, বিহারে ফের ভাঙল নির্মীয়মাণ ব্রিজ

    Bridge Collapse: তিন সপ্তাহের মধ্যে দু’বার, বিহারে ফের ভাঙল নির্মীয়মাণ ব্রিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফারাক মাত্র তিন সপ্তাহের। তার মধ্যেই ফের ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ ব্রিজ (Bridge Collapse)। বিহারের (Bihar) খাগাড়িয়া জেলার ঘটনায় চাঞ্চল্য। শনিবার দুর্ঘটনার সময় ব্রিজে কেউ না থাকায় মৃত্যুর কোনও খবর নেই। জখমও হননি কেউ। ব্রিজটি তৈরি হচ্ছিল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে। তাই সেতুটি কীভাবে ভেঙে পড়ল তা জানতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন এনএইচএআই কর্তৃপক্ষ।

    ভাঙল ব্রিজ

    সপ্তাহ তিনেক আগে খাগাড়িয়া জেলায় গঙ্গা নদীর ওপর ভেঙে পড়েছিল নির্মীয়মাণ ব্রিজ। এদিন দুপুরে আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে মেচি নদীর ওপর নির্মীয়মাণ ব্রিজের পিলারের একটি অংশ। ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার প্রজেক্ট ডিরেক্টর অরবিন্দ কুমার বলেন, এদিন মেচি নদীর ওপর নির্মীয়মাণ একটি ব্রিজের পিলার ভেঙে পড়ে। পাটনা থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব ৪০০ কিমি। এনএইচ ৩২৭-ই-র ওপর নির্মীয়মাণ ওই ব্রিজটি (Bridge Collapse) কিষানগঞ্জ ও কাটিহারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ব্রিজটির পিলার গাঁথাইয়ের সময় শ্রমিকের ভুলের জন্যই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে ঘটনার তদন্তে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    স্বপ্ন ভাঙল নীতীশের!

    এর আগে বিহারে ব্রিজ ভেঙে পড়েছিল ৪ জুন। ভাগলপুরে আগুইয়ানি-সুলতানগঞ্জ সংযোগকারী নির্মীয়মাণ ব্রিজটি ভেঙে পড়েছিল হুড়মুড়িয়ে। প্রথমে সেতুর একটি অংশ ভেঙে পড়ে, কয়েক সেকেন্ড পর ভেঙে পড়ে গোটা ব্রিজটাই। সেদিনও হতাহতের কোনও খবর ছিল না। গত বছরও ভেঙে পড়েছিল নির্মীয়মাণ এই ব্রিজটি (Bridge Collapse)। ফের কাজ শুরুর পর আবারও ঘটে দুর্ঘটনা। আগুইয়ানি থেকে সুলতানগঞ্জ পর্যন্ত যোগাযোগকারী এই সেতু মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের স্বপ্নের প্রকল্প।

    আরও পড়ুুন: অসমে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, মৃত ৩, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এদিনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিহার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন। রাজ্যের সমস্ত ব্রিজের স্ট্রাকচারাল অডিটের ওপর জোর দিয়েছে তারা। সম্পূর্ণ এবং নির্মীয়মাণ সব ব্রিজেরই স্ট্রাকচারাল অডিট করানো প্রয়োজন বলে মনে করে অ্যাসোসিয়েশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
  • Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, মৃত ৩, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Flood: অসমে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, মৃত ৩, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে (Assam) বন্যা (Flood) পরিস্থিতির আরও অবনতি। শনিবার পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। রাজ্যের ১৫টি জেলার ৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ বন্যার কবলে পড়েছেন। রাজ্যের প্রতিটি নদীর জল বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। বন্যায় সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নলবাড়ি জেলা। এদিন এই জেলায় একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে অসমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে।

    ব্রহ্মপুত্রের রুদ্ররূপ

    জোরহাট জেলায় তেজপুর এবং নেমাটিঘাট এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের জল বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। সব মিলিয়ে বন্যার কবলে পড়েছেন ৪ লক্ষ ৭ হাজার ৭৭১ জন মানুষ। এর মধ্যে মহিলার সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫৩৮। ৫৩ হাজার ১১৯ জন শিশুও রয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলি হল বাকসা, বারপেটা, বাজালি, চিরাং, দারাং, ধুবড়ি, ডিব্রুগড়, গোয়ালপাড়া, গোলাঘাট, জোরহাট, কামরূপ, লখিমপুর, নাগাওঁ, নলবাড়ি এবং তামুলপুর। করুণ অবস্থা বাজালি জেলার। এই জেলায় বানভাসি হয়েছেন ২২ হাজার ১৫৮ জন, নলবাড়িতে দুর্গতের সংখ্যা ৪০ হাজার ৬৮ জন। আর লখিমপুরে বন্যার (Flood) কবলে পড়েছেন ২২ হাজার ৬০ জন।

    জলের তলায় 

    দুর্গতদের জন্য ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে ২২০টি। সেখানে ঠাঁই হয়েছে ৮১ হাজার ৩৫২ জনের। ত্রাণ বিলির জন্য প্রশাসনের তরফে বাজালিতে খোলা হয়েছে ৫৭টি কেন্দ্র, নলবাড়িতে ৩৪টি। বানভাসি হয়েছে রাজ্যের ১ হাজার ১১৮টি জেলা। জলের তলায় তলিয়ে গিয়েছে ৮৪৬৯.৫৬ হেক্টর জমির ফসল। কেবল শনিবারই বানের জলে ভেসে গিয়েছে ৯৬৪টি গবাদি পশু। বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে ১৫৭টি রাস্তা। ধুবড়িতে ভেসে গিয়েছে একটি সেতু। প্রবল বৃষ্টির জেরে ধস নেমেছে করিমগঞ্জ জেলার কয়েকটি জায়গায়।

    আরও পড়ুুন: মণিপুরে শান্তি ফেরাতে সর্বদল বৈঠক, বন্দি ছাড়িয়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা

    দারাং জেলায় বাঁধ ভেঙেছে চারটি। নলবাড়ি, গোটাঘাট, কামরূপ এবং বিশ্বনাথ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫টি বাঁধ। আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তাই জল (Flood) বাড়তে পারে রাজ্যের একাধিক নদনদীর। প্রত্যাশিতভাবেই প্লাবিত হতে পারে রাজ্যের নতুন নতুন অঞ্চল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে শান্তি ফেরাতে সর্বদল বৈঠক, বন্দি ছাড়িয়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা

    Manipur: মণিপুরে শান্তি ফেরাতে সর্বদল বৈঠক, বন্দি ছাড়িয়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে অশান্তির আগুনে জ্বলছে মণিপুর (Manipur)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয়েছে সেনা, অসম রাইফেলসের বাহিনী। শনিবার সর্বদল বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মণিপুরে শান্তি ফেরাতে এক সপ্তাহের মধ্যে সব দলের প্রতিনিধিদের পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধীরা। বিরোধীদের প্রস্তাব ভেবে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইতিমধ্যেই মণিপুর সফরে গিয়েছিলেন শাহ। বৈঠকও করেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে।

    ধীরে ধীরে ফিরছে শান্তি 

    এদিন বৈঠকের শুরুতেই কেন্দ্রের তরফে একটি ভিডিও দেখানো হয়। তা থেকে স্পষ্ট মণিপুরের এই হিংসা ঐতিহাসিক সংঘাতের ফল। যা রাতারাতি মেটানো সম্ভব নয়। তবে ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে বলেও দাবি করা হয়। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহের ইস্তফা দাবি করে কংগ্রেস, আরজেডি এবং সমাজবাদী পার্টি। রাজ্যে মহিলা কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে ডিএমকে। কংগ্রেসের (Manipur) প্রস্তাব, মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস ফিরবে এমন কাজ করতে হবে। বিজেপির তরফে মণিপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সম্বিত পাত্র জানান, মোদির নির্দেশেই মণিপুরে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে কেন্দ্রের তরফে সব রকম চেষ্টা চলছে।

    বন্দিদের ছেড়ে দেওয়ার দাবি

    এদিকে, রাজ্যে শান্তি ফেরাতে যখন কেন্দ্রের উদ্যোগে চলছে সর্বদলীয় বৈঠক, তখনই সেনাবাহিনীকে ঘিরে ধরে ১২ জন বন্দিকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা। দুষ্কৃতীদের নেতৃত্ব দিচ্ছিল কয়েকজন মহিলা। সেনা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, মণিপুরের কাঙ্গলেই ইয়াওল কান্না লুপ দুষ্কৃতী গোষ্ঠীর ১২ জনকে আটক করা হয়েছিল। এদিন আচমকাই সেনার ওপর চড়াও হয় ১৫০০ জন দুষ্কৃতীর একটি দল। দুষ্কৃতীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চড়াও হয় বাহিনীর ওপর। ১২ জন বন্দিকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। ফের অশান্তি এড়াতে মানবিক ভূমিকা পালন করে সেনা। ছেড়ে দেওয়া হয় ১২ জন বন্দিকে।

    আরও পড়ুুন: ‘ইয়ে দোস্তি হাম নেহি তোড়েঙ্গে’! মিশরে মোদিকে অভ্যর্থনায় হিন্দি গান

    সেনার (Manipur) তরফে জানানো হয়েছে, যেহেতু বিপুল সংখ্যক জনতা চড়াও হয়েছিল, এবং তাদের কাছে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র ছিল, তাই নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই ১২ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে এলাকা ছাড়ার আগে দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে যাবতীয় অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করে সেনাবাহিনী। শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য মণিপুরবাসীর কাছে জানানো হয় অনুরোধও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • GE-F414 Engine: সামরিক শক্তিকে মজবুত করতে বিশেষ ফাইটার ইঞ্জিন তৈরি হবে ভারতেই

    GE-F414 Engine: সামরিক শক্তিকে মজবুত করতে বিশেষ ফাইটার ইঞ্জিন তৈরি হবে ভারতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের মাঝেই ঐতিহাসিক চুক্তি (MoU) স্বাক্ষর হয় ভারত ও আমেরিকার মধ্যে। এই চুক্তি অনুযায়ী GE-F414 Engine যৌথভাবে তৈরি করবে হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) এবং জেনারেল ইলেকট্রিক(GE)। এতে ভারত-আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের। বিশ্বের সমস্ত উচ্চ ক্ষমতাধারী সামরিক দেশগুলির সারিতে ভারত বর্তমানে জায়গা করে নিয়েছে। এবার সামরিক শক্তিকে আরও শক্তিশালী করতে এই F414 ফাইটার ইঞ্জিন তৈরি হবে ভারতের মাটিতেই, যা সমগ্র বিশ্ব দেখবে। সঙ্গে এটি আত্মনির্ভর ভারতের আরেকটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ বলেই অনেকে মনে করছেন।

    কী এই F414 ইঞ্জিন?

    GE-F414 Engine বিশ্বের সমস্ত শক্তিশালী ইঞ্জিনগুলির মধ্যে একটি। বিশেষ করে আমেরিকার বায়ু সেনা এই ইঞ্জিন ব্যবহার করে। আমেরিকা বিগত ৩০ বছর ধরে এই GE-F414 Engine ব্যবহার করে আসছে। এটি যুদ্ধবিমানগুলিতে ব্যবহার করা হয়। এই ইঞ্জিনগুলি এতটাই শক্তিশালী যে, যে সমস্ত ফাইটার জেটে এই ইঞ্জিন (GE-F414 Engine) ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলি ৫০ লাখ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আকাশপথে উড়তে পারে।  বর্তমানে ৪টি দেশে এই ফাইটার জেট ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়।

    F414 ইঞ্জিনের মধ্যে কী কী আছে?

    ১) এই ইঞ্জিনগুলি (GE-F414 Engine) উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন, দীর্ঘস্থায়ী। পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধ বিমানগুলির খরচ কমাতে এই ইঞ্জিনের উন্নতমানের আধুনিক প্রযুক্তিগুলি সাহায্য করে। 
    ২) আফটারবার্নার মোডে ২২ হাজার পাউন্ড থ্রাস্ট উৎপাদন করতে সক্ষম এই ইঞ্জিন। 
    ৩) আকাশে ৫০ লাখ ঘণ্টা ধরে ফাইটার বিমানকে ওড়াতে সক্ষম এই ইঞ্জিন (GE-F414 Engine)।
    ৪) ইঞ্জিনটিতে একটি তিন-পর্যায়ের ফ্যান এবং একটি সাত-পর্যায়ের উচ্চ-চাপ সংকোচকারী রয়েছে।
    ৫) এটির ডিজাইন সাধারণ। এটির মডিউলার ডিজাইন নির্ভরযোগ্য এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ।
    ৬)এটি ফুল অথরিটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক কন্ট্রোল (FADEC) যুক্ত, যা F414 ইঞ্জিনের (GE-F414 Engine) অপারেশনাল দিকগুলিকে উন্নত করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adipurush Row: হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত ‘আদিপুরুষে’র! শাহকে চিঠি অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের

    Adipurush Row: হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত ‘আদিপুরুষে’র! শাহকে চিঠি অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্ক অব্যাহত ‘আদিপুরুষ’কে (Adipurush Row) নিয়ে। এবার হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগে সোচ্চার হল অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন। ‘আদিপুরুষে’র বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah)। চিঠিতে বলা হয়েছে, ছবির পরিচালক ওম রাউত, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকারের বিরুদ্ধে মুম্বই পুলিশে অভিযোগ জানাবে অ্যাসোসিয়েশন। অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সভাপতি সুরেশ শ্যামল গুপ্তা চিঠি পাঠিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে মুম্বইয়ের অ্যাডিশনাল কমিশনার বিনায়ক দেশমুখকে।

    টিজারে বিতর্ক

    বিতর্ক শুরু হয়েছিল ছবির টিজার প্রকাশ্যে আসার পরেই। রাবণকে দেখে উঠেছিল সমালোচনার ঝড়। ছবি মুক্তির পর ফের ডাকে সমালোচনার বান। দেখা যায়, রামায়ণের (Adipurush Row) সঙ্গে কোনও মিলই নেই সিনেমার গল্পের। ভগবান হনুমানের সংলাপ নিয়েও হয় আর একপ্রস্ত প্রতিবাদ। এসবের জেরে দিনকে দিন কমতে থাকে সিনেমা হলে সিনে-প্রেমীদের ভিড়। এহেন আবহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।

    সনাতন ধর্মের ওপর আঘাত!

    চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভগবান শ্রী রাম, সীতা এবং রামভক্ত হনুমানের পুজো করা হয়। কিন্তু ছবিতে তাঁদের চরিত্র ভুলভাবে প্রদর্শিত হয়েছে। মহাকাব্য রামায়ণের অপমান করা হয়েছে। ছোটবেলা থেকে রামায়ণ মহাকাব্যের প্রতি যে বিশ্বাস ও ভক্তি তৈরি করা হয়, তা নষ্ট করা হচ্ছে। শাহকে লেখা চিঠিতে এও বলা হয়েছে, ছবির প্রযোজনা সংস্থা টি-সিরিজ, চিত্রনাট্যকার মনোজ মুন্তাশির ও পরিচালক ওম রাউত রামায়ণের নকল করার চেষ্টা করেছেন।

    ছবির সংলাপ, চরিত্রদের পোশাক ও গল্প বলার ধরনে যে খামতি উঠে এসেছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। হিন্দু হয়ে এই ধরনের কাজ মেনে নেওয়া যায় না। এই ছবি সমগ্র হিন্দু ধর্মের (Adipurush Row) ভাবাবেগের ওপর আঘাত করেছে। আঘাত করেছে ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধর্মের ওপরও। হিন্দু দেবদেবীর প্রতি মানুষের যে ভক্তি-শ্রদ্ধা, তা এই ছবির মধ্যে দিয়ে ভুল বার্তা পাঠাচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: আমেরিকার পর এবার মিশর সফরে মোদি, যাবেন আল হাকিম মসজিদে, কেন জানেন?

    মুম্বইয়ের একটি সিনেমা হলের নির্বাহী পরিচালক মনোজ দেশাই বলেন, “এই সিনেমা (Adipurush Row) বানানোর জন্য ওদের জেলে যাওয়া উচিত। ছবিটি হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। যারা ছবিটি তৈরির সঙ্গে জড়িত, বিশেষ করে লেখক মনোজ মুনতাশির, তাদের জেলে পাঠানো উচিত।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Srinagar: শ্রীনগরের ‘ভারত বিরোধী’ লালচকে এবার তৈরি হবে সেনা শহিদ সৌধ! 

    Srinagar: শ্রীনগরের ‘ভারত বিরোধী’ লালচকে এবার তৈরি হবে সেনা শহিদ সৌধ! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসময় পাক বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জঙ্গিদের শক্ত ঘাঁটি ছিল শ্রীনগরের (Srinagar) লালচক  ।  ১৯৯২ সালে মুরলী মনোহর জোশী লালচকে (Lal Chowk) জাতীয় পতাকা তুললে গিয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এবং জঙ্গিদের বাধার মুখে পড়েছিলেন। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ৩০ বছর। ২০২২ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসে সেখানকার ক্লক টাওয়ারে (Lalchok Clock Tower) উড়েছিল জাতীয় পতাকা (National Flag)। এ বার শ্রীনগরের সেই লালচকে জঙ্গি এবং পাক সেনার হামলায় নিহত নিরাপত্তা কর্মীদের স্মরণে ‘শহিদ স্মৃতিসৌধ’ গড়ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। যার পোশাকি নাম ‘বলিদান স্তম্ভ’। শনিবার জম্মু ও কাশ্মীরে রাজধানীর ওই এলাকার উদ্যানে সেই স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিন্‌হা।

    ‘বলিদান স্তম্ভের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

    শনিবার শাহ ‘শ্রীনগর স্মার্ট সিটি’ প্রকল্পের অধীন ‘বলিদান স্তম্ভের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে বলেন, ‘‘যে বীর সেনারা জম্মু ও কাশ্মীরের শান্তির জন্য জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের এই শ্রদ্ধার্ঘ্য।’’ অমিত শাহ দাবি করেন, ‘উপত্যকার বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর জন্মু-কাশ্মীরের রূপ বদলে গিয়েছে। বদল এসেছে স্থানীয়দের মানসিকতায়। যে হাতে রাজ্যের তরুণেরা ইট, পাথর ছুড়ত সেই হাতেই এখন পেন, ল্যাপটপ তুলে নিয়েছে তারা। শুক্রবার শাহ বলেন, অতীতে এই রাজ্যের অধিকার তিনটি পরিবারের হাতে কুক্ষিগত ছিল—গান্ধী পরিবার, মুফতি পরিবার এবং আবদুল্লা পরিবারের মধ্যে। এখন রাজ্যের মানুষ রাজ্য শাসন করছেন।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন হলিউড খ্যাত গায়িকা, চাইলেন আশীর্বাদও

    উপত্যকায় (Srinagar) শান্তি ফিরেছে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগের তিন-চার দশকে জম্মু-কাশ্মীরে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ প্রাণ দিয়েছেন।’ জানা গিয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে অমরনাথ যাত্রা। তার আগে অমরনাথ যাত্রাপথের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখা, সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস সহ একাধিক কর্মসূচি নিয়ে  দু-দিনের সফরে জম্মু পৌঁছন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah : ‘‘পাটনায় বিরোধী নেতাদের ফটো সেশন চলছে’’! কটাক্ষ অমিত শাহের

    Amit Shah : ‘‘পাটনায় বিরোধী নেতাদের ফটো সেশন চলছে’’! কটাক্ষ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের রণকৌশল তৈরি করতে পাটনায় বৈঠকে বসেছেন বিরোধীরা। এই বৈঠক নিয়ে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বিরোধী ঐক্য নিয়ে উপহাস করে শাহ বলেন, ‘‘ওখানে তো ফোটোসেশন হচ্ছে। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে কোনও বিরোধী জোটের সম্ভাবনাই নেই।’’ফের বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে বলে ভবিষ্যৎবাণী করেন, শাহ।

    বিরোধীদের অলীক কল্পনা

    বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের ডাকে পাটনায় বিজেপি বিরোধী দলগুলির বৈঠক চলাকালীনই জম্মু ও কাশ্মীরে সফরে গিয়ে শাহ (Amit Shah)বলেন, শেষ পর্যন্ত যদি ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি বিরোধী জোট হয়, তা হলেও তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই ।  তিনি বলেন, ‘‘আমি ওই বিরোধী নেতাদের বলতে চাই যে, আপনাদের ঐক্য প্রায় অসম্ভব এবং শেষ পর্যন্ত যদিও বা তা বাস্তব হয়, অনুগ্রহ করে জনগণের সামনে সেই ঐক্য তুলে ধরুন। ২০২৪ সালে, ৩০০-র বেশি আসন নিয়ে নরেন্দ্র মোদির প্রত্যাবর্তন আটকাতে পারবেন না।’’

    ইউপিএ সরকার ‘দুর্নীতির’ সঙ্গে জড়িত

    দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে হওয়া দুর্নীতি রুখেছে মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। এই প্রসঙ্গে পূর্ববর্তী ইউপিএ সরকারের সঙ্গে তুলনাও করেছেন তিনি। শাহের অভিযোগ, ইউপিএ সরকার ১২ লক্ষ কোটির ‘দুর্নীতির’ সঙ্গে জড়িত। ইউপিএ সরকারকে আক্রমণের পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীরের অতীতের পরিস্থিতির জন্য ন্যাশনাল কনফারেন্স, পিডিপি এবং কংগ্রেসকে দায়ী করে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন। জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপে ৪২ হাজার মানুষের মৃত্যুর দায় কে নেবে সে প্রশ্নও করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    কী নিয়ে বিরোধী বৈঠক

    অমিত শাহ (Amit Shah) ছাড়াও বিরোধীদের বৈঠককে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রবীণ বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদও। লোকসভা ভোটে বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে রণকৌশল ঠিক করতে শুক্রবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের বাসভবনে বৈঠকে বসে বিরোধীরা। মোট ২০টি দলের তাবড় তাবড় নেতা-নেত্রীরা বৈঠকে যোগ দেন।

    আরও পড়ুন: উদ্ধার একে ৪৭-এর গুলি, গ্রেনেড! কাশ্মীরের অনন্তনাগে গ্রেফতার ২ লস্কর জঙ্গি

    আসন ভাগাভাগি সহ একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থী নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। বৈঠকে, রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে ছাড়াও যোগ দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। সীতারাম ইয়েচুরি সহ বাম দলের একাধিক নেতা ছাড়াও বৈঠকে যোগ দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। হাজির ছিলেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিম অখিলেশ যাদব ছাড়াও জম্মু ও কাশ্মীরে দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা এবং মেহবুবা মুফতি।তবে, এই বৈঠকে যোগ দেননি তেলেঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগমনোহন রেড্ডি এবং ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের ছক বানচাল করল বাহিনী, গুলিতে খতম ৪ পাক জঙ্গি

    Jammu Kashmir: কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের ছক বানচাল করল বাহিনী, গুলিতে খতম ৪ পাক জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাস দমন অভিযানে বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) কুপওয়ারায় নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ফের ভেস্তে দিল সেনা। বাহিনীর গুলিতে খতম হল চার পাকিস্তানি জঙ্গি। চলতি মাসে এই নিয়ে দুবার অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হল।

    কালা জঙ্গল দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল জঙ্গিরা

    জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu Kashmir) পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে পাক-অধিকৃত কাশ্মীর থেকে কুপওয়ারা জেলার মাচাল সেক্টরের কালা জঙ্গল এলাকা দিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে পাক জঙ্গিদের একটি দল। কাশ্মীর জোন পুলিশ ট্যুইটারে লিখেছে, ‘‘কুপওয়ারার মাচাল সেক্টরের কালা জঙ্গলে সেনা এবং পুলিশের যৌথ অভিযানে নিহত চার জঙ্গি।’’ ভারতীয় সেনার চিনার কোরও ট্যুইট করে এই খবর দিয়েছে।

    থামতে বলায় বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা

    কাশ্মীর জোন (Jammu Kashmir) পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে কুপওয়ারার মাচাল সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে এক জায়গায় টহলদারির সময়, নিরাপত্তা বাহিনী দেখতে পায় যে, কয়েকজন জঙ্গি জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছে। তাদের থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু, উল্টে, বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালিয়ে জবাব দেয় নিরাপত্তা কর্মীরাও। এরপরই শুরু হয় গুলির লড়াই। বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে দুপক্ষের গুলি বিনিময়। এর পর, ওই চার জঙ্গির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আরও কোনও জঙ্গি অনুপ্রবেশ করেছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে নিরাপত্তা কর্মীরা।

    চলতি মাসে দুবার অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ

    এর আগে, গত ১৬ জুন কুপওয়ারার নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে জুমগুন্দ কেরানে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা ভেস্তে দিয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনী। বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছিল পাঁচ জঙ্গি। এছাড়া, গতকাল, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (Jammu Kashmir) অনন্তনাগ এলাকায় দুই লস্কর জঙ্গিকে গ্রেফতার করে নিরাপত্তাবাহিনী। ধৃত জঙ্গিদের কাছে থেকে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করে। উদ্ধার করা অস্ত্রগুলির মধ্যে কয়েছে ১২টি গ্রেনেড ও একে-৪৭ রাইফেলের কার্তুজ। এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুক্রবার তার সফরে জম্মু ও কাশ্মীরে পৌঁছেছেন। অমিত শাহ প্রথমে জম্মুতে বিজেপি অফিসে পৌঁছান , যেখানে তিনি শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    আরও পড়ুন: উদ্ধার একে ৪৭-এর গুলি, গ্রেনেড! কাশ্মীরের অনন্তনাগে গ্রেফতার ২ লস্কর জঙ্গি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Assam Flood: অসমে ভয়ঙ্কর বন্যা পরিস্থিতি! ২২ জেলায় ঘরছাড়া প্রায় ৫ লাখ

    Assam Flood: অসমে ভয়ঙ্কর বন্যা পরিস্থিতি! ২২ জেলায় ঘরছাড়া প্রায় ৫ লাখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে ভয়ঙ্কর আকার ধারন করেছে বন্যা পরিস্থিতি (Assam Flood)। একটানা বৃষ্টিতে বিপদ সীমা পেরিয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ ও তার একাধিক শাখানদী। আবহবিদদের পূর্বাভাসে শোনা যাচ্ছে আশঙ্কার কথা। এখনই বৃষ্টি কমছে না অসমে। অসমের বিভিন্ন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। নদীগুলি প্লাবিত হতেই থাকবে। জলের নীচে বিস্তীর্ণ এলাকার বসত বাড়ি ও চাষের জমি। গবাদি পশু ও মানুষের সহাবস্থানও দেখা যাচ্ছে একাধিক জায়গায়। ত্রাণ শিবিরগুলিতে নজরে পড়ছে শুধুই উদ্বেগ। জানা গিয়েছে, ২২ জেলা জুড়ে ঘরছাড়া প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ। সব থেকে খারাপ অবস্থা বাজালির। সেখানে ঘরছাড়া প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ।

    কোন কোন জেলা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত?

    অসমের (Assam Flood) বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে বাকসা, বাজালি, বরাপেটা, দারাং, ধেমাজি, ধুবড়ি, কোকরাঝার, লখিমপুর, শোনিতপুর, উদালগিরি এবং নলবাড়ি। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের পেশ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ক্ষতির নিরিখে বাজালির পরেই রয়েছে নলবাড়ি। সেখানে ৭৭ হাজার ৭০২ জন মানুষের জীবন বিপর্যস্ত। বরপেটায় বিপাকে ৬৫ হাজার ২২১ জনের জীবন। লখিমপুরে ২৫ হাজার ৬১৩, বক্সায় ১৪ হাজার ২৩, তামুলপুরে ১৯ হাজার ২০৮, দারাঙে ১৩ হাজার ৭০৪, কোকরাঝাড়ে ৬ হাজার ৫৩৮ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বন্যায়।

    ৮৩টি ত্রাণ কেন্দ্র তৈরি করেছে অসম সরকার

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফি বছর কম বেশি এমন বন্যা পরিস্থিতির শিকার হয় অসম (Assam Flood)। তবে প্রথমবার সেখানে বন্যা দুর্গতদের সংখ্যা ১ লাখ পার করল। ইতিমধ্যে সেখানকার বিজেপি সরকার গড়ে তুলেছে ৮৩টি ত্রাণ কেন্দ্র। উদ্ধারকাজে নেমেছে সেনা, আধাসেনা, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও আপৎকালীন বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন সহ একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

    আরও পড়ুন: “বিশ্বশান্তির জন্য ভারত আমেরিকা অঙ্গীকারবদ্ধ,” হোয়াইট হাউসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share