Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • West Midnapore Gang Rape: গণধর্ষণের তদন্তে গাফিলতি! মেদিনীপুরের এসপি-র বিরুদ্ধে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

    West Midnapore Gang Rape: গণধর্ষণের তদন্তে গাফিলতি! মেদিনীপুরের এসপি-র বিরুদ্ধে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদনীপুরের কেশপুর ব্লকের আনন্দপুর থানার গণধর্ষণের মামলায় (West Midnapore Gang Rape) জেলা পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যকে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছেন, জেলার পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে সতর্ক করতে হবে। শুধু মৌখিকভাবে সতর্ক করলেই চলবে না, তাঁকে যে সতর্ক করা হল তা তাঁর সার্ভিস বুকে উল্লেখ করতে হবে বলেও জানিয়েছে আদালত। 

    কেন এমন নির্দেশ? 

    আনন্দপুর গণধর্ষণ মামলায় (West Midnapore Gang Rape) পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। আর তার জেরেই এই নির্দেশ। রাজ্য পুলিশের ডিজি-র কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল আদালত। সেই রিপোর্টে ডিজি স্পষ্ট জানান, এসপির কর্তব্যে গাফিলতি ছিল। রিপোর্ট পাওয়ার পরেই আদালতের নির্দেশ, কর্তব্যে গাফিলতির বিষয়টি এসপি দীনেশ কুমারের সার্ভিস বুকে উল্লেখ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: রেকর্ড শীত কলকাতায়! মরশুমের শীতলতম দিনে কাঁপুনি ধরাল হাড়ে 

    কয়েক মাস আগেই কেশপুর ব্লকের আনন্দপুর থানা এলাকায় জমি বিবাদকে ঘিরে এক গণধর্ষণের ঘটনা (West Midnapore Gang Rape) ঘটে। নির্যাতিতা মহিলার অভিযোগ নিতে দেরি করার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ সামনে আসার পরই আনন্দপুর থানার ওসিকে সাসপেন্ড করা হয়। এবার কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হল পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধেও।     

    মেদিনীপুরের বিষয়টিকে সামনে রেখে আদালত এদিন রাজ্যের সমস্ত এসপি ও পুলিশ কমিশনারদের সতর্ক করে বলে, কোনওভাবেই এই ধরনের ফৌজদারি অপরাধের (West Midnapore Gang Rape) অভিযোগ নিতে দেরি করলে চলবে না। এইসব মামলায় পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ এলে তৎক্ষণাৎ রাজ্যকে সংশ্লিষ্ট এসপি বা পুলিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করতে হবে। 

    আনন্দপুরের গণধর্ষণের (West Midnapore Gang Rape) অভিযোগ পুলিশ না নেওয়ায় ইতিমধ্যে আদালতের নির্দেশে ওই থানার ওসি এবং বিভাগীয় ডিএসপির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। নির্যাতিতার আইনজীবী সৌম্যজিৎ দাস মহাপাত্রের অভিযোগ, শুধু এই একটি ঘটনা নয়, শুধু ওই জেলা নয়, রাজ্যের আরও কিছু জেলায় এমন গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আদালতও এই অভিযোগ মেনে নিয়েছে। অভিযুক্ত এসপির বিরুদ্ধে এমন মামলা এই এজলাসেই ঝুলে রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Ram Mandir: ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যেই হয়ে যাবে রাম মন্দির, ত্রিপুরায় ঘোষণা শাহের

    Ram Mandir: ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যেই হয়ে যাবে রাম মন্দির, ত্রিপুরায় ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে রাম মন্দির (Ram Mandir)। বৃহস্পতিবার ত্রিপুরা সফরে গিয়ে এ কথা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২০২৪ সালে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে যে রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে যাবে তা নিয়ে জল্পনা ছিলই। এদিন তাতেই শিলমোহর দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এবং এজন্য তিনি বেছে নিলেন ত্রিপুরার মাটিকে। কারণ চলতি বছরই রয়েছে ত্রিপুরা (Tripura) বিধানসভার নির্বাচন।

    জন বিশ্বাস যাত্রা…

    উপজাতি অধ্যুষিত ত্রিপুরার ধর্মনগরে বৃহস্পতিবার জন বিশ্বাস যাত্রার উদ্বোধন করতে বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে আসেন শাহ। সেখানেই তিনি জানিয়ে দেন রাম মন্দির নির্মাণের কাজ কবে শেষ হবে। এদিন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাহুল বাবা শুনুন, আমি রাম মন্দির তৈরি হয়ে যাওয়ার দিনক্ষণ ঘোষণা করছি। এর পরেই শাহ বলেন, অযোধ্যার রাম মন্দির তৈরি হয়ে যাবে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারিতেই।

    গত বছরের অক্টোবরের প্রথম দিকেই জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট জানিয়ে দিয়েছিল, অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের কাজ অর্ধেকেরও বেশি এগিয়ে গিয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাস থেকে তা পর্যটকদের জন্য খুলে যাবে বলেও জানানো হয়েছিল ওই ট্রাস্টের তরফে। ট্রাস্ট সূত্রে খবর, ওই সময়ের মধ্যে মন্দিরে মূর্তি বসানোর কাজও শেষ হয়ে যাবে। অযোধ্যায় ২.৭৭ একর জমিতে মূলত গ্রানাইট পাথর দিয়ে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির। মন্দিরে থাকবে সিংহ দরজা। তা ছাড়াও থাকবে আরও ১২টি দরজা। স্তম্ভ থাকবে ৩৯২টি। মন্দিরে ভূমিকম্পের কোনও প্রভাব পড়বে না বলেও ট্রাস্ট সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুুন: সন্ত্রাসবাদীদের মদতদাতাদেরও নির্মূল করতে হবে, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বৈঠকে অমিত শাহ

    এদিকে, এদিন জন বিশ্বাস যাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাহ বলেন, ২০২৩ সালের ভোটে ত্রিপুরা থেকে কমিউনিস্টদের উৎখাত করাই হবে প্রধান কাজ। তিনি বলেন, আগে এখানে সাধারণ মানুষকে দিনের প্রতিটি কাজের আগে কোনও ক্যাডারের অনুমতি নিতে হত। এখন দেখুন, কোথাও কমিউনিস্টদের টিকিটি মিলবে না। শাহ বলেন, ত্রিপুরা থেকে সন্ত্রাসবাদ মুছে দিয়েছে বিজেপি। উত্তর-পূর্ব ভারতের সার্বিক উন্নতির জন্য কাজ করে চলেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। ত্রিপুরাকে আগে মানুষ মাদক পাচার, হিংসা, দেশবিরোধী কার্যকলাপের জন্য চিনত। এখন এই রাজ্যকে উন্নয়ন, অসাধারণ পরিকাঠামো, ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বিনিয়োগ এবং জৈব খামারের জন্য প্রশংসা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Delhi Accident: দিল্লি কাণ্ডে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা! পুলিশের নজরে আরও দুই ব্যক্তি

    Delhi Accident: দিল্লি কাণ্ডে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা! পুলিশের নজরে আরও দুই ব্যক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষবরণের রাতে দিল্লির অঞ্জলি সিং-এর ভয়াবহ মৃত্যুর ঘটনায় এল আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বৃহস্পতিবার, দিল্লি পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় তাদের সন্দেহভাজনের তালিকায় উঠে এসেছে আরও দুই ব্যক্তির নাম। এমনকী জানা গিয়েছে, এই দুই ব্যক্তি প্রমাণ লোপাটেরও চেষ্টা করেছেন। ইতিমধ্যেই গাড়ির সওয়ারি পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দিল্লি পুলিশের বিশেষ কমিশনার সাগরপ্রীত হুডা জানিয়েছেন, এই দুই সন্দেহভাজন হলেন আশুতোষ এবং অঙ্কুশ নামের ব্যক্তি। তাদের শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে অঞ্জলির মত্ত হয়ে গাড়ি চালানোর নিধির দাবিকে মিথ্যে বলেছেন অঞ্জলির মা।

    অঞ্জলি সিং-এর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, অভিযুক্ত পাঁচজনের নাম অমিত খান্না, দীপক খান্না, মিঠুন, কৃষাণ এবং মনোজ মিত্তাল। আর এদেরকেই সাহায্য করার চেষ্টা করছিলেন ওই সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি। সাগরপ্রীত হুডা বলেন, “আমরা পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জেরার সময় আমরা জানতে পেরেছি, এই ঘটনায় আরও দুই ব্যক্তি জড়িত আছে। আমাদের দল তাদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে। অপর দুই অভিযুক্তের নাম আশুতোষ এবং অঙ্কুশ খান্না। তারা ওই পাঁচজনকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছিলেন ও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিলেন।”

    হুডা আরও জানিয়েছেন, মামলার তদন্তের জন্য দিল্লি পুলিশের মোট ১৮ টি দল গঠন করা হয়েছে এবং তারা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চার্জশিট দাখিল করার চেষ্টা করছে। তিনি জানিয়েছেন, অঞ্জলি সিং-এর বান্ধবী, ঘটনার অন্যতম সাক্ষী নিধির বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে অভিযুক্তদের কোনও যোগসূত্র এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন:দিল্লি কি সর্দি! ঠান্ডায় জবুথবু রাজধানী, পারদ নামল ২.৫ ডিগ্রিতে

    নিধির দাবি অস্বীকার অঞ্জলির মায়ের

    অঞ্জলির বন্ধু নিধি দাবি করেছিলেন, অঞ্জলি মত্ত হয়ে স্কুটি চালাচ্ছিলেন। এবার তাঁর এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিলেন অঞ্জলির মা রেখা দেবী। তাঁর অভিযোগ, নিধি মিথ্যা কথা বলছেন। তাঁর মেয়েকে খুনের চক্রান্তে সে-ও শামিল ছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি। আবার অঞ্জলির পারিবারিক চিকিৎসক জানান, তাঁর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মদ খাওয়ার সপক্ষে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অঞ্জলির মায়েরও দাবি, তিনি তাঁর মেয়েকে কোনও দিন মদ খেয়ে বাড়ি আসতে দেখেননি। উল্টে নিধির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

    ক্ষতিপূরণ অঞ্জলির পরিবারকে

    এই ঘটনার পর দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া বুধবার অঞ্জলির বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ইতিমধ্যে অঞ্জলির পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ও পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। আবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অঞ্জলির মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে পরবর্তীতে এই ঘটনায় আর কী কী তথ্য বেরিয়ে আসে, সেটিই এখন দেখার।

  • Delhi Weather: দিল্লি কি সর্দি! ঠান্ডায় জবুথবু রাজধানী, পারদ নামল ২.৫ ডিগ্রিতে

    Delhi Weather: দিল্লি কি সর্দি! ঠান্ডায় জবুথবু রাজধানী, পারদ নামল ২.৫ ডিগ্রিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমালয়ের পাহাড়ি শহরগুলো গ্রীষ্মকালীন সময়ে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্র থাকে এখানকার শীতল আবহাওয়ার কারণে। কিন্তু শীতকালের দিল্লি এখন হিমালয়ের পাহাড়ের শহরগুলিকেও ছাপিয়ে গেছে শৈত্য প্রবাহের কারণে। উষ্ণতার পারদ এতটাই নামছে দিল্লিতে (Delhi Weather), যে বৃহস্পতিবার দেশের রাজধানীর একাধিক জায়গায় তাপমাত্রা ২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে বড়দিনের পরবর্তী সময়ে রাজস্থানের কিছু শহরের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রিতেও নেমে গেছিল রাত্রিতে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে করোনার নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭-এর হদিশ মিলল, আক্রান্ত ৪

    দিল্লির বিভিন্ন জায়গার তাপমাত্রা (Delhi Weather) কত নামল

    বৃহস্পতিবার এই মরসুমের সবথেকে শীতলতম দিন (Delhi Weather) ছিল দিল্লিতে। এদিন রাজধানী শহরের সফদরজং এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আয়ানগরের মতো এলাকায় পারদ নেমে যায় ২.২ ডিগ্রিতে উজোয়ায় তাপমাত্রা ছিল ২.৩°। দিল্লি লোধি রোড এলাকায় তাপমাত্রা ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে, যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। কনকনে ঠান্ডা, হিমেল হাওয়াতো চলছেই তার পাশাপাশি বৃহস্পতিবার বেলা পর্যন্ত ঘন কুয়াশা ছিল দিল্লিতে (Delhi Weather)। যার ফলে কাছের জিনিসও ভালোভাবে ধেখা যাচ্ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই এর প্রভাব যান চলাচলেও পড়ছে, অল্প দূরের জিনিস যখন দেখা যাচ্ছেনা তখন হেডলাইট জ্বালিয়েই গাড়ি চালাতে হয়েছে চালকদের। ব্যস্ততম দিল্লির পালম এলাকায় দৃশ্যমানতা নেমে এসেছিল ২৫ মিটারে। আবহাওয়া অফিসের খবর আগামী কয়েক দিন ঘন থেকে অত্যন্ত ঘন কুয়াশায় থাকবে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান সহ উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। যদিও এখন পর্যন্ত বিমানবন্দর থেকে যা খবর পাওয়া যাচ্ছে,তাতে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে সমস্ত বিমানই স্বাভাবিক নিয়মেই ওঠানামা করছে। যদিও ১২টি মতো ট্রেন দেরিতে চলছে এবং দুটি ট্রেনের সময় সারণী বদল করা হয়েছে ঘন কুয়াশার কারণে।

    আরও পড়ুন: যোগী রাজ্যে মাদ্রাসার পড়ুয়ারা পড়বে এনসিইআরটি-র সিলেবাস, কবে থেকে জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Amazon: চলতি মাসেই ফের কর্মী ছাঁটাই করবে আমাজন, এই দফায় কত জানেন?

    Amazon: চলতি মাসেই ফের কর্মী ছাঁটাই করবে আমাজন, এই দফায় কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নভেম্বরের পর ২০২৩ সালের জানুয়ারি। ফের কর্মী ছাঁটাই করতে চলেছে ই কমার্স সংস্থা আমাজন (Amazon)। এই দফায় ছাঁটাই (Layoff) হবেন ১৮ হাজারেরও বেশি কর্মী। সংস্থার তরফেই একথা ঘোষণা করা হয়েছে। গত বছর বেশ কয়েকটি ত্রৈমাসিকে লোকসানের বহর বেড়েছে আমাজনে। তাই সেবার ছাঁটাই করা হয়েছিল ১০ হাজার কর্মী।

    কর্মী ছাঁটাইয়ের নেপথ্যে…

    কর্মী ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে লোকসানের বহর কমানোর পরিকল্পনা করেছিল এই ই কমার্স সংস্থা। সেবার ছাঁটাই করা হয়েছিল অ্যালেক্সা ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট, রিটেল ডিভিশন এবং হিউম্যান রিসোর্সে। তখনই সংস্থার তরফে জানানো হয়েছিল, যেসব ইউনিট লোকসানে চলছে, সেসব ইউনিট বন্ধ করে দিয়ে, সেখান থেকে কর্মী সরিয়ে নিয়ে অন্য ইউনিটে নেওয়া হতে পারে। তবে সে পথে না হেঁটে সরাসরি এবার কর্মী ছাঁটাইয়েরই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাজন।

    আমাজনের (Amazon) তরফে সংস্থার সিইও অ্যান্ডি জেসি বলেন, নভেম্বরে আমরা কর্মী ছাঁটাই করেছিলাম। আবার আমরা একটি খবর শেয়ার করছি। আমরা ১৮ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর প্রভাব পড়বে বিভিন্ন টিমের ওপর। তিনি বলেন, আমাজন স্টোর এবং পিএক্সটি অর্গানাইজেশন থেকে ছাঁটাই করা হবে সিংহভাগ কর্মীকে। আমাজন কর্তা বলেন, এস টিম এবং আমি নিজেও গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারছি যে, যাঁদের ছাটাই করা হবে, তাঁদের খুব কষ্ট হবে। তা সত্ত্বেও আমরা এই সিদ্ধান্তকে হালকাভাবে নিইনি। তাঁরা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তাও আমরা আন্ডারএস্টিমেট করিনি। যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তাঁদের বিষয়টিও আমরা বুঝি।

    আরও পড়ুুন: ‘এমন ঘটনা ঘটলে রেলমন্ত্রক হয়তো অন্য কিছু ভাববে’, বন্দে ভারতে পাথর প্রসঙ্গে বললেন সুকান্ত

    আমাজন কর্তা বলেন, যাঁদের ছাঁটাই করা হচ্ছে, তাঁদের প্যাকেজ দেওয়া হবে। আলাদা একটি পেমেন্টও দেওয়া হবে। ট্রানজিশনাল হেল্থ ইনস্যুরেন্স বেনিফিটও পাবেন তাঁরা। দেওয়া হবে এক্সটার্নাল জব সাপোর্টও। আমাজনের (Amazon) সিইও বলেন, চলতি বছর আমরা রিভিউ করে দেখলাম যে অর্থনীতির অনিশ্চয়তা এবং গত কয়েক বছর ধরে নির্বিচারে কর্মী নিয়োগ সংস্থার স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল হয়নি। সেই কারণেই কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত। এই দফায় যাঁদের ছাঁটাই করা হবে তাঁদের সঙ্গে কিংবা তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলা শুরু হবে ১৮ জানুয়ারি থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Hydrogen Powered Train: নতুন বছরে রেলমন্ত্রকের উপহার পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন

    Hydrogen Powered Train: নতুন বছরে রেলমন্ত্রকের উপহার পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের পর এবার নতুন বছরে পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন(Hydrogen Train)। ভারতীয় রেলের তরফে দেশবাসীকে ফের আর একটি উপহার দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)।  সম্প্রতি এশিয়ার প্রথম হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন (Hydrogen Train) লঞ্চ করেছে চিন। এটিকে বিশ্বের ‘সবুজতম ট্রেন’ বলা হচ্ছে। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতেও এই ট্রেন চালু হবে। ভারতের হাইড্রোজেন ট্রেন তৈরি হবে দেশেই। 

    হাইড্রোজেন ট্রেনের বৈশিষ্ট্য

    রেল মন্ত্রক সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল, ২০২৩ সালে হাইড্রোজেন ট্রেনের চাকা গড়াবে। চলতি বছরে হরিয়ানার শোনপত থেকে জিন্দ ৮৯ কিলোমিটারের রুটে প্রথম এই ট্রেন চলবে। রেল মন্ত্রক সূত্রে খবর, হাইড্রোজেন ট্রেন অন্যান্য ট্রেনের মতো বড় হবে না। বগির সংখ্যা হবে বড় জোর ছয় থেকে আটটি। ঘণ্টায় এই ট্রেন দৌড়বে সর্বাধিক ১৪০ কিলোমিটার বেগে। এক্ষেত্রে খরচ বাঁচবে আবার পরিবেশ দূষণ রোধ হবে। সমুদ্রের জল থেকে সহজেই তৈরি করা যাবে হাইড্রোজেন, যার যোগান অফুরন্ত। 

    আরও পড়ুন: মালদার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি! ইটবৃষ্টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে, আতঙ্কে যাত্রীরা

    আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের অন্তর্গত

    হাইড্রোজেন ট্রেন সম্পর্কে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন,আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের অধীনে দেশেই তৈরি করা হবে এই ট্রেন। এটি বিদেশ থেকে আমদানি করা হবে না। রেলমন্ত্রী বলেন, “চলতি বছরের ডিসেম্বরে হেরিটেজ রুটগুলিতে হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন চালাব আমরা। এর মাধ্যমে এই রুটগুলির সম্পূর্ণ সবুজায়ন নিশ্চিত করা যাবে।” রেলমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই প্রকল্পের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই হাইড্রোজেন চালিত ট্রেনের একটি প্রোটোটাইপ উত্তর রেলের ওয়ার্কশপে পাঠানো হচ্ছে।  অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, রেলের পূর্ণ বৈদ্যুতিকরণ সম্ভব হচ্ছে না। আর্থিক কারণেই হোক বা অন্যান্য কোনও সমস্যার ফলে। এমন ক্ষেত্রে ডিজেল চালিত লোকোমোটিভ বদলে হাইড্রোজেন চালিত লোকোমোটিভ আনার কথা চিন্তা করা হয়। এটি সস্তা বিকল্প হওয়ার পাশাপাশি দূষণমুক্তও। হাইড্রোজেন ট্রেন রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় পর্যটনমুখী করে চালালে উপকৃত হবেন বহু মানুষ বলে মনে করেছেন রেলকর্তাদের একাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pakistani Hindu: প্রিয়জনদের অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারবে পাকিস্তানের হিন্দুরা! নয়া নীতি মোদি সরকারের

    Pakistani Hindu: প্রিয়জনদের অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারবে পাকিস্তানের হিন্দুরা! নয়া নীতি মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দুদের ইচ্ছাকে স্বাগত জানাল মোদি সরকার। প্রতিবেশী দেশে বসবাসকারী হিন্দুদের অনেকেরই শেষ ইচ্ছা থাকে মৃত্যুর পরে তাঁদের অস্থি যেন গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়। কিন্তু পাকিস্তান থেকে অস্থি ভারতে আনা সহজ নয়। এই পরিস্থিতিতে  মোদি সরকার জানিয়েছে, পাকিস্তানি হিন্দু পরিবারের সদস্যরা যাতে মৃত ব্যক্তির অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারে তাই তাঁদের ১০ দিনের ভিসা দেওয়া হবে। মোদি সরকারের এই প্রয়াসে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে পাক হিন্দুরা।

    আগের নিয়ম

    এতদিন পর্যন্ত ভারত সরকারের নীতি ছিল, একজন মৃত পাকিস্তানি হিন্দুর পরিবারের সদস্যকে ভারতে আসার জন্য ভিসা দেওয়া হবে, যদি ভারতে বসবাসকারী তাঁর আত্মীয় কিংবা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কেউ তাঁকে স্পনসর করে। এমন পাকিস্তানি হিন্দুর সংখ্যা বেশ কম, যাঁদের আত্মীয় কিংবা ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা ভারতে থাকেন। করাচির সোলজার বাজারের শ্রী পঞ্চমুখী হনুমান মন্দিরের এক সদস্য জানিয়েছেন, মন্দিরে শত শত মানুষের অস্থি রাখা রয়েছে। যাঁরা রেখেছেন, সেইসব পরিবারগুলির আশা এইসব দেহাবশেষ গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া যাবে। এব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা চলছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: মালদার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি! ইটবৃষ্টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে, আতঙ্কে যাত্রীরা

    নয়া নিয়ম

    মোদি সরকারের নয়া নীতি অনুসারে,যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনের অস্থি গঙ্গায় বিসর্জন দিতে চান, সেই সব হিন্দু পরিবারগুলি ১০ দিনের জন্য ভারতে আসার ভিসা পাবে। এইসময়ের মধ্যে তাঁদেরকে আচার-রীতি মেনে গঙ্গায় অস্থি বিসর্জন দিতে হবে। ভারতে এসে সোজা উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে যেতে পারবে ওই পরিবারগুলি এবং ধর্মীয় আচার অনুযায়ী,গঙ্গায় অস্থি বিসর্জন দিতে পারবে। প্রথম পর্বে অন্তত ৪২৬টি পাকিস্তানি হিন্দু পরিবারের সদস্যরা তাঁদের প্রিয়জনের অস্থি হরিদ্বারের গঙ্গায় বিসর্জন দেবেন। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, মৃত্যুর পর অস্থি যদি হরিদ্বারের গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়, তাহলে তা স্বর্গের পথ পায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bunker: গুজরাট-পাকিস্তান সীমান্তে স্থায়ী বাঙ্কার তৈরি করতে চলেছে ভারত

    Bunker: গুজরাট-পাকিস্তান সীমান্তে স্থায়ী বাঙ্কার তৈরি করতে চলেছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে (Gujarat) স্যর ক্রিক ও ‘হারামি নাল্লা’ জলাভূমি সংলগ্ন এলাকায় বাঙ্কার তৈরি করতে চলেছে ভারত। প্রথমবার গুজরাট-পাকিস্তান সীমান্তে স্থায়ীভাবে বাঙ্কার তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত (India-Pak Border) এলাকায় আটতলা সমান উচতার বাঙ্কার তৈরি হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    কঠোর নিরাপত্তা 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, আটটি বহুতল বাঙ্কার নির্মাণের জন্য ৫০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। এ এলাকায় প্রায়ই পাকিস্তানি জেলে ও মাছ ধরার নৌকার অনুপ্রবেশ ঘটছে। গুজরাট সীমান্ত এলাকায় একাধিকবার পাক অনুপ্রবেশকারীদের আটক করা হয়েছে ২০২২ সালে। তাই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবেই বাঙ্কার তৈরি করা হবে। সরকারী পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২২ সালে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF) গুজরাটের এই এলাকা থেকে ২২ জন পাকিস্তানি জেলেকে গ্রেফতার করেছিল। সেই সঙ্গে ৭৯টি মাছ ধরার নৌকাও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একই বছরে (২০২২), বিএসএফ ২৫০ কোটি টাকার হেরোইন এবং ২.৪৯ কোটি টাকার চরস উদ্ধার করে। আরব সাগরের তীরে অবস্থিত গুজরাট সীমান্ত ব্যবহার করে একাধিকবার ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছে পাক জঙ্গিরা। জলপথ ব্যবহার করেই ২৬/১১র জঙ্গি হামলা চালানো হয়েছিল। তাই এবার এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চাইছে সেনা।

    আরও পড়ুুন: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    প্রকল্পের খুঁটিনাটি

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ভুজ সেক্টরেই এই বাঙ্কার বানানোর কাজ শুরু করা হবে। চার হাজার বর্গ কিলোমিটারের বেশি জায়গা জুড়ে থাকা স্যর ক্রিক এলাকায় পাঁচটি বাঙ্কার তৈরি করা হবে। ৯০০ বর্গ কিলোমিটার হারামি নাল্লাতেও ৪২ ফুট উঁচু বাঙ্কার বানানো হবে। আটতলা সমান উঁচু এই বাঙ্কারে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম রাখা হবে। যেসমস্ত এলাকা থেকে অনুপ্রবেশ হয়ে থাকে, মূলত সেই অঞ্চলেই নজরদারি চালানোর জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে এই বাঙ্কারে। প্রত্যেক বাঙ্কারে মোট ১৫ জন বিএসএফ জওয়ানের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। বিপদসংকুল ক্রিক এলাকায় নজরদারি চালানোর জন্য পায়ে হেঁটেই চলাফেরা করতে হত জওয়ানদের। বিষাক্ত সাপ-সহ নানা বিপদের মধ্যেই কাজ করতে হত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই অঞ্চল ঘুরে দেখেই বাঙ্কার বানানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। বিএসএফের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এপ্রিল মাস থেকে সমুদ্র সংলগ্ন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রবণতা বাড়তে থাকে। তাই মার্চ মাসের মধ্যেই এই বাঙ্কার তৈরির কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য বিএসএফের একটি বিশেষ দল নিযুক্ত করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pakistan Drone: পাঞ্জাব সীমান্তে ১ কেজি মাদক-সহ পাকিস্তানি ড্রোন বাজেয়াপ্ত

    Pakistan Drone: পাঞ্জাব সীমান্তে ১ কেজি মাদক-সহ পাকিস্তানি ড্রোন বাজেয়াপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েক বছরে ভারতীয় সীমান্তে পাকিস্তানি ড্রোনের (Pakistan Drone) অবৈধ যাতায়াত বেশ কয়েকগুণ বেড়েছে। ফের আরও একবার ভারতীয় ভূখণ্ডে মাদক-ভর্তি পাকিস্তানি ড্রোন বাজেয়াপ্ত করল সীমান্তরক্ষী বাহিনী। ড্রোনটি ভারত-ভূখণ্ডে ভেঙে পড়েছিল। গোপনসূত্রে খবর পেয়ে ড্রোনটি উদ্ধার করে বিএসএফ। পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর সেক্টরে সীমান্তবর্তী এলাকায় উদ্ধার হয় ড্রোনটি। 

    বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন দুপুরে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর সেক্টরের কাসওয়াল সীমান্তে একটি ড্রোন (Pakistan Drone) ভেঙে পড়ে। খবর পেয়ে বিএসএফ ড্রোনটি বাজেয়াপ্ত করে। সেই ড্রোনের ভিতর থেকে প্রায় ১ কেজি হেরোইন পাওয়া গিয়েছেউদ্ধার করা হয়। মাদক-সহ ড্রোনটি পাচারের উদ্দেশ্যেই ভারতীয় ভূ-খণ্ডে পাঠানো হয়েছিল বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। এলাকাটি ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে বিএসএফ।  

    আরও পড়ুন: কোভিডের দ্বিতীয় বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা নেই, জানাল কেন্দ্র 

    জানা গিয়েছে, গত ৩১ ডিসেম্বর রাত ১০টা নাগাদ কাসওয়াল সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি ড্রোন দেখা যায়। যদিও ড্রোনটি পাকিস্তানের (Pakistan Drone) কিনা, কোথায় যাচ্ছিল তা তখন জানা যায়নি। ড্রোনটি নামানোও যায়নি। তারপর এদিন কাসওয়াসল সীমান্ত থেকে মাদকভর্তি এই ড্রোন উদ্ধার করা হয়। সেদিন যে ড্রোনটি দেখা গিয়েছিল, এটাই সেটা কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। 

    এর আগে গত ডিসেম্বরেই দুবার পাঞ্জাব সীমান্তে দুটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। প্রথম ড্রোনটি গত ৯ ডিসেম্বর গুরুদাসপুর সেক্টরে দেখা গিয়েছিল। পরেরটি ২২ ডিসেম্বর অমৃতসর  সেক্টরে পাক ড্রোন দেখা যায়। বিএসএফ জওয়ানরা দুটি ড্রোনই (Pakistan Drone) গুলি করে নীচে নামায়। নজরদারির উদ্দেশ্যে পাকিস্তান থেকে এই দুটি ড্রোন পাঠানো হয়েছিল বলে বিএসএফ- এর অনুমান। তদন্ত চালানো হচ্ছে।

    বিএসএফ- এর গুলিতে নিহত পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী 

    এদিকে সীমান্তরক্ষীর গুলিতে মৃত্যু হল এক অনুপ্রবেশকারীর। মঙ্গলবার পাঞ্জাবের ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে গুরুদাসপুর সেক্টরে ঘটনাটি ঘটেছে। বিএসএফ সূত্রের খবর, এদিন সকাল ৮টা নাগাদ বিএসএফ জওয়ানরা দেখেন, পাকিস্তানের (Pakistan Drone) দিক থেকে এক সশস্ত্র ব্যক্তি ভারতীয় ভূ-খণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করছে। তার গতিবিধি লক্ষ্য করে বিএসএফ তাকে সরে যেতে বলে। কিন্তু সে অনুপ্রবেশ করলে জওয়ানরা গুলি চালান। গুলিতে ওই পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএসএফ আধিকারিকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 
     

     
     
  • Rajouri: উপত্যকা-জুড়ে প্রতিবাদ, রাজৌরিতে হিন্দু-হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    Rajouri: উপত্যকা-জুড়ে প্রতিবাদ, রাজৌরিতে হিন্দু-হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। রবিবার রাতের পর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরের একই জায়গায় পর পর দুবার সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। যাতে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। সোমবার সকালে জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি (Rajouri) জেলায় এক শক্তিশালী বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় আরও ১ শিশুর। জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাঁদের সকলেই শিশু ও মহিলা। আর রবিবার রাতে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে রাজৌরিতে পরপর দুটি জঙ্গি হামলায় নিহতরা সকলেই হিন্দু। আর এই ঘটনায় এবারে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই এনআইএ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং সন্ত্রাসী হামলার তদন্ত শুরু করছে। অন্যদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের ডিজিপি দিলবাগ সিং এবং এল-জি মনোজ সিনহাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন।

    রাজৌরিতে সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

    রাজৌরিতে (Rajouri) পর পর দুটি সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১ জন শিশু সহ পাঁচ জন। আর এর পর থেকেই জম্মু জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। কাশ্মীরি পণ্ডিত ছাড়াও বিক্ষোভ দেখিয়েছে বজরং দল। রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ জানানো তাঁরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।  

    ঘটনাস্থলে এনআইএ

    সন্ত্রাসী হামলার পরেই জম্মু ও কাশ্মীরের আপার ডাংরি গ্রামে পৌঁছে গিয়েছে এনআইএ। জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলে তদন্ত শুরু করেছে এনআই-এর আধিকারিকরা। এছাড়াও মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পৌঁছে গিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের ডিজিপি দিলবাগ সিং এবং এল-জি মনোজ সিনহা।

    আরও পড়ুন: বাংলা সঙ্গীত জগতে নক্ষত্র পতন! চলে গেলেন সুমিত্রা সেন

    কী ঘটেছিল?

    নতুন বছরের প্রথম দিন রবিবার রাতে আপার ডাংরি গ্রামের ৩টি বাড়িতে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুই জঙ্গি। এতে চারজনের মৃত্যু হয় ও আহত হন ৬ জন। বর্তমানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। এর পর সোমবার সকালেই ফের হামলা চালানো হয়। একটি বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গীরা। ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইসের (আইইডি) বিস্ফোরণের ফলেই এক শিশুর মৃত্যু হয়। আর এর প্রতিবাদে সোমবার বিজেপি সহ বেশ কয়েকটি সংগঠন বনধের ডাক দিয়েছে। অন্যদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স যৌথভাবে সন্ত্রাসী হামলার পিছনে দুই ‘সশস্ত্র’ জঙ্গীকে ধরতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ 

    জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার কার্যালয় ঘোষণা করেছে যে নিহতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ও পরিবারের একজনকে একটি সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। আর গুরুতর আহতরা পাবেন এক লক্ষ টাকা।

    আবার সন্ত্রাসী হামলায় শোকপ্রকাশ করেছেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুগ। সাংসদ গুলাম আলি খাতানা ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এই ধরনের হামলার উদ্দেশ্য ছিল শান্তি বিঘ্নিত করা। তিনি জানিয়েছেন যে ভারত সরকার জম্মু ও কাশ্মীরে শান্তি পুনরুদ্ধার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রশাসনকে আহতদের ভালো চিকিৎসা করানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

LinkedIn
Share