Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India Maldives Relation: ‘মলদ্বীপে বেড়াতে আসুন’, ভারতীয়দের কাতর আর্জি দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রীর

    India Maldives Relation: ‘মলদ্বীপে বেড়াতে আসুন’, ভারতীয়দের কাতর আর্জি দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন ভারতীয় পর্যটকরা। তার জেরে টান পড়েছে পর্যটনের পেটে। যেহেতু দেশটির বাসিন্দাদের রোজগারের প্রধান উৎস পর্যটন, তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই ভারতীয় পর্যটকদের মলদ্বীপে বেড়াতে যাওয়ার অনুরোধ করলেন দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রী (India Maldives Relation)। সোমবার মলদ্বীপের তরফে ভারতীয়দের কাছে এই অনুরোধ করেন সে দেশের মন্ত্রী।

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে অবনতি (India Maldives Relation)

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেন মলদ্বীপের চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু সরকারের তিন জুনিয়র মন্ত্রী। তার জেরে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে চিড় ধরে। তিন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করে মুইজ্জ প্রশাসন। তাতেও গলেনি সম্পর্কের বরফ। এই ঘটনার কিছুদিন পরেই বরখাস্ত হওয়া তিন মন্ত্রীর একজন আবার ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান করেন বলে অভিযোগ। তা নিয়েও একপ্রস্ত দূরত্ব তৈরি হয় ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের। এসবের জেরে মলদ্বীপের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন ভারতীয় পর্যটকরা। বিপাকে পড়ে যান দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন (India Maldives Relation)।

    মুখ থুবড়ে পড়েছে পর্যটন শিল্প

    কারণ ফি বছর যত পর্যটক মলদ্বীপ ঘুরতে যান, তাঁর আশি শতাংশই ভারতীয়। এই বিপুল সংখ্যক পর্যটক মলদ্বীপে না যাওয়ায় মুখ থুবড়ে পড়ে সে দেশের পর্যটন শিল্প। মলদ্বীপের পর্যটন মন্ত্রী ইব্রাহিম ফয়সল বলেন, “ভারত ও মলদ্বীপের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের নয়া সরকার ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজও করতে চায়। আমরা সর্বদা শান্তি ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ প্রোমোট করি। আমাদের সরকার এবং নাগরিকরা ভারতীয় পর্যটকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবে। পর্যটনমন্ত্রী হিসেবে আমি ভারতীয়দের বলতে চাই, দয়া করে মলদ্বীপে আসুন, মলদ্বীপ পর্যটনের অংশীদার হোন।” কাতর কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতি পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল।”

    আরও পড়ুুন: “ক্ষমতায় এলেই এক দেশ, এক নির্বাচন চালু করবে এনডিএ”, আশ্বাস রাজনাথের

    পর্যটনমন্ত্রকের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, চলতি বছর ৪ মে পর্যন্ত মলদ্বীপে বেড়াতে এসেছেন ৪৩ হাজার ৯৯১ জন পর্যটক। অথচ গত বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল এই চার মাসে মলদ্বীপে ঘুরতে এসেছিলেন ৭৩ হাজার ৭৮৫ জন পর্যটক। চলতি বছর এই চার মাসে দ্বীপরাষ্ট্রে এসেছিলেন ৪২ হাজার ৬৩৮ জন (India Maldives Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sunita Williams: সিট বেল্ট বেঁধেও মহাকাশে যাওয়া হল না! শেষ মুহূর্তে বাতিল সুনীতার মহাকাশযাত্রা

    Sunita Williams: সিট বেল্ট বেঁধেও মহাকাশে যাওয়া হল না! শেষ মুহূর্তে বাতিল সুনীতার মহাকাশযাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার তৃতীয় বারের জন্য মহাকাশে পাড়ি (Sunita Williams third space mission) দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। সেই মত সিট বেল্ট বেঁধে ‘স্পেস ট্যাক্সি’র মধ্যে বসে ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান নভশ্চর সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams)। কিন্তু কিন্তু মহাকাশে ওড়ার আগেই স্থগিত হয়ে গেল সুনীতার যাত্রা। সূত্রের খবর, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই আপাতত স্থগিত করা হয়েছে এই অভিযান। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Sunita Williams)

    ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৭ মে মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৪ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে পৃথিবী ছেড়ে ওড়ার কথা ছিল সুনীতা এবং আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মহাকাশচারী ব্যারি উইলমোরের। অত্যাধুনিক সিএসটি-২০০ বোয়িং স্টারলাইনারের স্পেস ক্যাপসুলে চেপে মহাকাশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল তাদের। কিন্তু উড়ানের লিফ্ট-অফের ঠিক ৯০ মিনিট আগে আগে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়, তার জেরেই অভিযান স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। 

    ২৪ ঘণ্টার জন্য অভিযান স্থগিদ 

    এরপর শুরু হয় মেরামতির কাজ। তবে শেষ পর্যন্ত ওই যানের মেরামতি সম্ভব হয়নি। তাই আপাতত ২৪ ঘণ্টার জন্য অভিযান পিছিয়ে দিতে বাধ্য হয় নাসা। তার পরই স্পেস ট্যাক্সি থেকে বেরিয়ে আসেন সুনীতারা (Sunita Williams)। নাসার তরফে জানানো হয়েছে, রকেটের দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি ভাল্‌‌ভ খারাপ হয়ে গেছে। সেই সমস্যা মেরামত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অভিযান বাতিল করতে হল। মঙ্গলবার রাতে ফের অভিযান শুরু হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে নয়া দিন ক্ষণের ঘোষণা হয়নি এখনও।   

    আরও পড়ুন:গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভোট দিলেন, সঙ্গে বার্তাও

    উল্লেখ্য, ব্যবসায়িক দিক থেকে ইলন মাস্কের স্পেস এক্স-কে পাল্লা দিতে নয়া এই স্পেস ক্যাপসুলটিতে করে সুনীতা (Sunita Williams) এবং ব্যারিকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে (ISS) পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল নাসার। দুবছর আগে বোয়িং স্টারলাইনারের স্পেস ক্যাপসুলটির পরীক্ষামূলক উড়ান সম্পন্ন হয়। সেবার যদিও মানুষ পাঠানো হয়নি। তবে এবার তাতে মহাকাশচারীদের চাপিয়ে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনা ভেস্তে গেল।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Astronaut Sunita Williams: সঙ্গে থাকছে গণেশের মূর্তি, ফের মহাকাশের পথে সুনীতা উইলিয়ামস

    Astronaut Sunita Williams: সঙ্গে থাকছে গণেশের মূর্তি, ফের মহাকাশের পথে সুনীতা উইলিয়ামস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫৮ বছর বয়সে ফের মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নভশ্চর সুনীতা উইলিয়ামস। এ নিয়ে তৃতীয়বার মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছেন সুনীতা (Astronaut Sunita Williams)। জানা গিয়েছে, বোয়িংয়ের পরীক্ষামূলক অভিষেক অভিযানে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে তাঁর যাত্রা শুরু হবে (ভারতীয় সময় অনুযায়ী) ৭ মে সকাল ৮টা ৪ মিনিটে। তাঁর এবারের যাত্রায় বোয়িংয়ের স্টারলাইনার মহাকাশযানে সঙ্গী হচ্ছেন বুচ উইলমোর। 

    সুনীতার (Astronaut Sunita Williams) সঙ্গে থাকবে গণেশের মূর্তি

    ক্রিউ ফ্লাইট টেস্ট নামে এই অভিযানটি নাসার তত্ত্বাবধানে হবে। অ্যাটলাস ফাইভ রকেটের মাথায় বসবে স্টারলাইনার ক্যাপসুলটি। ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে এটি উৎক্ষেপণ করা হবে। এ প্রসঙ্গে নাসার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন বলেন, বাণিজ্যিকভাবে মহাকাশচারী নিয়ে স্পেস স্টেশনে পাড়ি দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এটা। আমরা এর সাফল্যের দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছি। সম্প্রতি, একটি সাক্ষাৎকারে সুনীতা তাঁর ‘গুড লাক চার্ম’ বা সৌভাগ্যের প্রতীক সম্পর্কে খোলসা করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, গণেশ তাঁর সবসময়ের সঙ্গী। তাই এই মিশনে তিনি গণেশের মূর্তি তিনি সঙ্গে নিয়ে যাবেন। এর আগে, সুনীতা ভাগবত গীতার কপি সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে গিয়েছিলেন।

    তৃতীয়বার মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি

    আনুমানিক ১০ দিনের অভিযানে উইলিয়ামস (Astronaut Sunita Williams) এবং উইলমোর  স্টারলাইনারের প্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং ক্ষমতা যাচাই করে দেখবেন। এই পরীক্ষার পরেই স্টারলাইনার মহাকাশ স্টেশনে মানুষ নিয়ে যেতে পারবে কিনা তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দুই নভশ্চর প্রায় এক সপ্তাহ কক্ষপথে থাকবেন। তারপর দক্ষিণ-পশ্চিম আমেরিকার কাছাকাছি পৃথিবীতে অবতরণ করবেন। তখন ক্রিউ ক্যাপসুলটি প্যারাশ্যুটের মতো নেমে আসবে, যেখানে সেফ ল্যান্ডিংয়ের জন্য এয়ারব্যাগও থাকবে।

    স্টারলাইনার মহাকাশযানটিতে সাতজন নভশ্চর চড়তে পারেন। এটি একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান। যা সর্বোচ্চ ১০ বার যাতায়াতে সক্ষম। এর ব্যাস প্রায় ১৫ ফুট। এই অভিযান সফল হলে বোয়িং কোম্পানি স্পেস এক্সের ক্রিউ ড্রাগনের সমকক্ষ হবে। যারা নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভশ্চর পাঠায় ও ফেরত নিয়ে আসে। 

    আরও পড়ুন: দেশবাসীর মঙ্গলে পুজো, করলেন সন্ধ্যারতি, অযোধ্যায় রামলালা দর্শনে মোদি

    মহিলা হিসেবে স্পেসওয়াকের নজির

    নাসার থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ৫৮ বছর বয়সি সুনীতা (Astronaut Sunita Williams) তাঁর জীবনে দু’বার মহাকাশ যাত্রায় ৩২২ দিন মহাকাশে কাটিয়েছেন। একই সঙ্গে একজন মহিলা মহাকাশচারী হয়ে সর্বাধিক মোট সাতবার একটানা স্পেস ওয়াক করেছেন বা মহাকাশে হেঁটে রেকর্ড করেছেন, যার সময়কাল ছিল ৫০ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। যদিও এবারের মহাকাশ পাড়ি প্রসঙ্গে খোদ সুনীতা বলেছেন, মহাকাশযান উড়লে তা নিরাপদ এবং আরামদায়ক হবে বলেই মনে হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dubai Flood: মরুদেশে বানভাসি রাস্তা! বিশ্বে পাল্টে যাওয়া আবহাওয়ার নয়া নজির নয় তো?

    Dubai Flood: মরুদেশে বানভাসি রাস্তা! বিশ্বে পাল্টে যাওয়া আবহাওয়ার নয়া নজির নয় তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ এপ্রিলের পর, ২ মে। ২ সপ্তাহে দ্বিতীয়বার। ফের প্লাবিত দুবাই (Dubai Flood)। মরু শহরে বন্যা অবাক করেছে সকলকে। শুষ্ক আবহাওয়ার দেশে বারবার বাঁধ ভাঙা বৃষ্টি কেন হচ্ছে? এর নেপথ্যে কি জলবায়ু পরিবর্তন? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে আবহাওয়াবিদদের মাথায়। পশ্চিম এশিয়ার অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গণ্য করা হয় দুবাইকে। কিন্তু আপাতত প্রবল বৃষ্টিতে নাজেহাল এই মরু শহর। জলমগ্ন গোটা দুবাই। কার্যত থমকে গিয়েছে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত শহর দুবাই।

    কেন বৃষ্টি দুবাইয়ে

    আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় এবার বেনজির পরিস্থিতি দুবাইয়ে (Dubai Flood)। প্রবল বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, বিমানবন্দর, এমনকি শপিং মলগুলিও জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটেছে বিমান পরিষেবাতেও। বিমানের উড়ান এবং অবতরণ, বিঘ্নিত হয়েছে দুই ই। তেল সমৃদ্ধ আমিরশাহি একটি মরুদেশ। সেখানে বৃষ্টির দেখাই পাওয়া যায় ন। তাই আচমকা ভারী বৃষ্টি, বন্যা কেন হল প্রশ্ন উঠছে তাই নিয়ে। এর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে আবহাওয়ার আচরণ খামখেয়ালি বলে দাবি করছেন আবহবিদরা। 

    ক্লাউড সিডিং

    শুষ্ক মরুঝড়ে অভ্যস্ত দুবাই (Dubai Flood) শহরের চেনা ছবিটা পুরোপুরি পাল্টে গিয়েছে। কার্যত শহরের আনাচকানাচও জলে ভেসে গিয়েছে।  শুষ্ক মরুশহরের নিকাশি ব্যবস্থা ততটাও জোরদার নয়। আর তার ফলই ভুগতে হয়েছে আমজনতাকে। গত ৭৫ বছরে এত বৃষ্টি দুবাইয়ে হয়নি। বরং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টিপাতের চল বা ক্লাউড সিডিং এখানে শুরু হয়েছিল সেই ২০০২ সাল থেকে। অনেকে এই বৃষ্টিপাত বারবার ক্লাউড সিডিং-এর ফল বলেও মনে করছেন। কিন্তু আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা এই যুক্তি মানতে নারাজ। ক্লাউড সিডিং হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে জলের ঘাটতি মেটাতে একটি উদ্বেগজনক পরিবেশে কৃত্রিম উপায় বৃষ্টিপাত ঘটানো হয়। বৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিকগুলি মেঘের মধ্যে বসানো হয়। 

    জলবায়ু পরিবর্তন

    ঠিক কোন কারণে এত কম সময়ের মধ্যে এতটা বৃষ্টিতে ভাসল রুক্ষ-শুষ্ক মরুভূমির এই দেশ? বিশ্ব উষ্ণায়নকেই দুষছেন পরিবেশবিদরা। দ্রুত পাল্টে যাওয়া বিশ্বের আবহাওয়ার নতুন নজির— মরুদেশের বানভাসি রাস্তা! সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে শুরু করে আরব উপদ্বীপের অন্য কোথাও এত বৃষ্টিপাত বিরল ঘটনা। গরমে এখানে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর তাপমাত্রা থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুবাইয়ে (Dubai Flood) বিপুল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সে দেশের আবহবিদদের মতে, উপরের বায়ুমণ্ডলে একটি নিম্নচাপ ব্যবস্থা, ভূপৃষ্ঠে নিম্নচাপের সাথে মিলিতভাবে বায়ুতে চাপের মতো কাজ করেছে। স্থল স্তরে উষ্ণ তাপমাত্রা এবং উচ্চতর ঠান্ডা তাপমাত্রার মধ্যে বৈপরীত্যের কারণে এই চাপটি শক্তিশালী বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি করেছে। এর ফলেই নেমেছে বৃষ্টি। জলবায়ু উষ্ণ হওয়ার সাথে সাথে সারা বিশ্বে বৃষ্টিপাত অনেক বেশি হয়ে উঠছে কারণ একটি উষ্ণ বায়ুমণ্ডল আরও আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে। তাই আবহবিদরা, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণ হিসেবে ক্লাউড সিডিং নয় জলবায়ু পরিবর্তনের কথাই বলছে।

    কী বলছেন গবেষকরা

    “ক্লাউড সিডিং কিছুই থেকে মেঘ তৈরি করতে পারে না। এটি ইতিমধ্যে আকাশে থাকা জলকে দ্রুত ঘনীভূত করতে এবং নির্দিষ্ট জায়গায় জল ফেলতে উত্সাহিত করে। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট, এনার্জি অ্যান্ড ডিজাস্টার সলিউশনের ডিরেক্টর মার্ক হাউডেন বলেছেন, গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের ফলে দুবাইয়ের (Dubai Flood) আশেপাশের সমুদ্রগুলিতে উষ্ণ জল দেখা দিয়েছে। এর উপরে রয়েছে খুব উষ্ণ বাতাস। হাউডেনের কথায়, “এটি সম্ভাব্য বাষ্পীভবনের হার এবং সেই জল ধরে রাখার জন্য বায়ুমণ্ডলের ক্ষমতা উভয়ই বাড়িয়ে দেয়, যা আমরা দুবাইতে দেখেছি। এর ফলেই অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    ২ মাসে ২ বার রেকর্ড বৃষ্টি

    গত মাসে, ১৭ এপ্রিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ওমানে একটি প্রবল ঝড় আঘাত হানে। যার জেরে রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছিল দুবাইয়ে। প্লাবিত হয়েছিল দুবাইয়ের বিস্তীর্ন এলাকা। ওমানে বন্যায় কমপক্ষে ২০ জনের মৃত্যুর খবর জানা গিয়েছিল। এছাড়াও দুবাইয়ে সরকারি অফিস ও স্কুলগুলো কয়েকদিন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল। ফের লাগাতার ভারী বৃষ্টিতে জলের তলায় দুবাই। ভারী বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন দুবাইয়ের রাস্তা। বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টির ফলে ফের জলমগ্ন হয়ে পড়ল দুবাই ও আবু ধাবির একাংশ। বজ্রপাত সহ ভারী বৃষ্টির জেরে নাজেহাল দুবাইয়ের জনজীবন। ভারী বৃষ্টির জেরে জলের তলায় বিমানবন্দর। জল জমেছে রানওয়েতেও, যার জেরে ব্যাহত বিমান পরিষেবা। দুবাইয়ের কোনও কোনও রাস্তায় হাটু পর্যন্ত জল। এছাড়াও বেশ কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টিরও পূর্বাভাস রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lawrence Bishnoi: নিজ্জর খুনে কানাডায় ধৃত ৩ শিখ, নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?

    Lawrence Bishnoi: নিজ্জর খুনে কানাডায় ধৃত ৩ শিখ, নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে নয়া মোড়। তিনজনকে গ্রেফতার করল কানাডার পুলিশ। ধৃতদের নাম কমলপ্রীত সিং, করণপ্রীত সিং এবং করণ ব্রার। উল্লেখ্য যে, নিজ্জর নিজেও (Lawrence Bishnoi) শিখ সম্প্রদায়ের। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারাও শিখ। জানা গিয়েছে, ধৃতেরা গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত। এনআইএ জানিয়েছে, লরেন্স বিষ্ণোই, গোল্ডি ব্রার ও আরও কিছু গ্যংস্টারের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনালের।

    বিষ্ণোই এবং ব্রারের যোগ! (Lawrence Bishnoi)

    খালিস্তানপন্থী আরও কয়েকটি জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গেও যোগ রয়েছে বিষ্ণোই এবং ব্রারের। শিখ সম্প্রদায়ের তিনজন গ্রেফতার হওয়ায় এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, নিজ্জর খুন আসলে খালিস্তানপন্থীদের উপদলীয় কোন্দল। অথচ, নিজ্জর খুনে সংসদে দাঁড়িয়ে কোনও প্রমাণ ছাড়াই খোদ কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো বলেছিলেন, এই ঘটনায় ভারতের হাত রয়েছে। জানা গিয়েছে, তদন্তকারীরা অভিযুক্তদের চিহ্নিত (Lawrence Bishnoi) করার পর তাঁদের ওপর কড়া নজর রাখছিলেন। শেষমেশ শুক্রবার গ্রেফতার করা হয় তাদের। পুলিশ জানিয়েছে, হিট স্কোয়াডের এই সদস্যরা অন্তত তিনটি খুনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে এডমন্টন নামে বছর এগারোর এক বালকও রয়েছে। নির্জ্জর খুনে আদালতে ধৃতদের বিরুদ্ধে ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার এবং ষড়যন্ত্রের চার্জ জমা দিয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    স্টুডেন্ট ভিসায় ধৃতেরা কানাডায় 

    ধৃতেরা তিনজনই ভারতীয় নাগরিক। ২০২১ সালে তারা কানাডায় গিয়েছিল। এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার স্টুডেন্ট ভিসায় সে দেশে গিয়েছিল। যদিও কানাডায় পৌঁছে তারা আর কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়নি। সে দেশের স্থায়ী বাসিন্দাও হয়নি। গত বছর ১৮ জুন খুন হন নিজ্জর। গুরু নানক শিখ গুরুদ্বার সাহিবের প্রধান ছিলেন তিনি। ভারতে তিনি ছিলেন মোস্ট ওয়ান্টেড খালিস্তানি জঙ্গি। কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের সারে এলাকায় খুন হন তিনি। এই ঘটনার তিন মাস পরে ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন ট্রুডো। যার জেরে তলানিতে ঠেকে দুই দেশের সম্পর্ক। যদিও ভারত সরকার প্রথম থেকেই দাবি করে আসছিল এই ঘটনায় নয়াদিল্লির কোনও হাত নেই। এর পাশাপাশি সে দেশে বেড়ে চলা ভারত-বিরোধী আন্দোলনে রাশ টানতেও কানাডা প্রশাসনকে বলেছিল ভারত (Lawrence Bishnoi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • POK: গিলগিট বালতিস্তানে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! খাদ থেকে বাস গড়িয়ে মৃত ২০, আহত ২১

    POK: গিলগিট বালতিস্তানে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! খাদ থেকে বাস গড়িয়ে মৃত ২০, আহত ২১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ দুর্ঘটনা পাকিস্তানে। গিলগিট বালতিস্তানের (Gilgit-Baltistan) ডায়মার জেলায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত হয়েছেন ২০ জন। আর দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২১ জন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ কারাকোরাম হাইওয়ের যশোখাল এলাকায় (POK) এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? (POK)

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাসটি রাওয়ালপিন্ডি থেকে গিলগিটের দিকে যাচ্ছিল। চিলাস শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে বাঁক নেওয়ার সময় ওভারস্পিডিং এর ফলে নিয়ন্ত্রণ হারায় বাসটি। ফলে সংকীর্ণ পাহাড়ি রাস্তায় আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায় বাস। দুর্ঘটনার সময় কমপক্ষে ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বাসে। এর মধ্যে ঘটনাস্থলেই ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। আপাতত আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চিলাসের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের মধ্যে দুজনকে গিলগিট শহরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে মৃতদেহগুলিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের পরিচয় শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন নারীও রয়েছেন। এ প্রসঙ্গে হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট ডা. নুরুল হক জানান, আহতদের হাসপাতালে আনা হচ্ছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি। 

    শোক প্রকাশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর  

    বাস দুর্ঘটনায় (POK) নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরীফ। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি। অন্যদিকে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করেছেন।

    আরও পড়ুন: যেদেশে মেয়েরা ভোগের বস্তু! প্রতিবছর ২৫ জন কুমারী মেয়েকে বেছে নেন কিম

    এদিকে পাকিস্তানে (POK) সড়ক দুর্ঘটনা এখন সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রাফিক নিয়ম-কানুন সঠিকভাবে না মানা এবং রাস্তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে বলেই মনে করছেন অনেকে। কিন্তু লাগাতার দুর্ঘটনার পরেও টনক নড়েনি স্থানীয় প্রশাসনের। রাস্তা বা যান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কোনও উন্নতি হয়নি ওই এলাকায়। সেই উদাসীনতার বলি হলেন ২০ জন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • North Korea: যে দেশে মেয়েরা ভোগের বস্তু! প্রতি বছর ২৫ জন কুমারী মেয়েকে বেছে নেন কিম

    North Korea: যে দেশে মেয়েরা ভোগের বস্তু! প্রতি বছর ২৫ জন কুমারী মেয়েকে বেছে নেন কিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষিত কমিউনিস্ট দেশ উত্তর কোরিয়া। এখানে মেয়েরা ভোগের বস্তু! যেখানে ভারতে নারীকে মায়ের আসনে বসিয়ে পুজো করার রীতি রয়েছে সেখানে উত্তর কোরিয়া একনায়ক কিম জং উন নিজের যৌন তৃপ্তির জন্য মেয়েদের ব্যবহার করছে দিনের পর দিন। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া (North Korea) থেকে পালিয়ে আসা ইওনমি পার্ক নামে এক তরুণী কিম জং উন সম্পর্কে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, কিম জং উন যৌন তৃপ্তির জন্য প্রতিবছর প্রায় ২৫ জন কুমারী মেয়েকে বেছে নেন। উল্লেখ্য, এখানে মহিলাদের চেহারা, শরীরের গঠন ও পারিবারিক রাজনৈতিক অবস্থানের ভিত্তিতে বাছাই করা হয়।  

    কোন মেয়েদের টার্গেট করা হয়? (North Korea) 

    ইওনমি জানান যে, কিমের “প্লেজার স্কোয়াড” এর জন্য তাঁকে দুবার বাছাই করা হয়েছিল। কিন্তু তার পারিবারিক অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত তাকে আর নির্বাচিত করা হয়নি। জানা গেছে, কিম সেখানকার (North Korea) প্রতিটি স্কুল ও স্কুলের শ্রেণিকক্ষে থাকা প্রতিটি মেয়েকে দেখে তার মধ্যে থেকে সুন্দরী মেয়ে খুঁজে পেলে প্রথমেই তাঁর পারিবারিক অবস্থান ও দলের প্রতি আনুগত্যের বিষয়ে খোঁজ নেন। এক্ষেত্রে পরিবারের কেউ উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে গেলে কিংবা দক্ষিণ কোরিয়া বা অন্য কোন দেশে আত্মীয়-স্বজন আছে এমন মেয়েদেরকে প্লেজার স্কোয়াডে (Pleasure Squad) নেওয়া হয় না।  

    আরও পড়ুন: ফের অতি বৃষ্টিতে জলে ডুবল বিমানবন্দর! মরুদেশ দুবাইতে বাতিল বহু ফ্লাইট

    কুমারিত্বের পরীক্ষা 

    ইওনমি আরও দাবি করেন, মেয়েরা একবার নির্বাচিত হলে, তারা কুমারী কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়। যদি পরীক্ষার ফলে কোনরকম ত্রুটি থাকে তবে সেই মেয়ে কিমের “প্লেজার স্কোয়াড” থেকে তৎক্ষণাৎ বাতিল হয়ে যায়। অবশেষে কঠোর পরীক্ষার পর উত্তর কোরিয়া (North Korea) জুড়ে শুধুমাত্র বাছাই করা কিছু মেয়েকেই পিয়ং ইয়ং এ পাঠানো হয়। যেখানে তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য কিমের যৌন সঙ্গিনী হওয়া। 

    পার্ক জানান, “প্লেজার স্কোয়াড” এ বাছাই হওয়ার পর মেয়েদের কিম (Kim Jong-un) ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে যৌনমিলনে বাধ্য করা হত। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল ওই পুরুষদের খুশি করা। মেয়েদের ইচ্ছের কোন তোয়াক্কা করা হত না। বিদ্রোহ করলে একটাই শাস্তি, কঠিন মৃত্যু।  

    কিমের সেবা করার জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় মেয়েদের নির্বাচন করা হলেও তাঁদের চোখে প্লেজার স্কোয়াডের দ্বিতীয় শ্রেণীর মেয়েদের নিম্নপদস্থ জেনারেল এবং রাজনীতিবিদদের সন্তুষ্ট করার জন্য নিয়োগ করা হত। মেয়েদের যখন কুড়ির ওপরে বয়স হয়ে যায়, তখন তাদের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং তখন তারা প্রায়শই নেতাদের দেহরক্ষীর সাথে বিয়ে করে। 

    এই “প্লেজার স্কোয়াডের” উৎপত্তি হয়েছিল ১৯৭০ দশকে, কিম জং উনের (Kim Jong-un) বাবার সময়কালে। যিনি বিশ্বাস করতেন, “যৌন ঘনিষ্ঠতা তাঁকে অমরত্ব দেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • UAE weather: ফের অতি বৃষ্টিতে জলে ডুবল বিমানবন্দর! মরুদেশ দুবাইতে বাতিল বহু ফ্লাইট

    UAE weather: ফের অতি বৃষ্টিতে জলে ডুবল বিমানবন্দর! মরুদেশ দুবাইতে বাতিল বহু ফ্লাইট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারী বৃষ্টিতে বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনার দুই সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই আবারও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে (UAE) ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত (UAE weather) হলো। টানা বৃষ্টিতে বৃহস্পতিবার অনেক আন্তর্জাতিক বিমান বাতিল (Flights cancelled in Dubai) করা হয়েছে। অতিবৃষ্টির জেরে ভেসে যাচ্ছে একের পর এক শহর। বন্যার তোড়ে রাস্তা ডুবে গিয়েছে। ফলে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর দুবাইতে বাতিল হল বহু বিমান। জানা গেছে প্রায় ১৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া মাঝপথ থেকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে কয়েকটি বিমান। 

    বাড়িতেই থাকার অনুরোধ প্রশাসনের

    ইতিমধ্যেই অরেঞ্জ এলার্ট জারি (UAE weather) হয়েছে একাধিক এলাকায়। ফলে দুবাই (Dubai) ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অন্যান্য শহরগুলিতেও বাসিন্দাদের নিজেদের বাড়িতেই থাকার অনুরোধ করেছে প্রশাসন। এই আবহে ওয়ার্ক ফ্রম হোম নীতি গ্রহণ করেছে বহু সংস্থা। স্কুলগুলি অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছে। 

    তৈরি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (UAE weather) 

    জানা গেছে বুধবার ভোররাত থেকেই বজ্রবিদ্যুৎসহ তুমুল বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ফলে একটানা ঝড় বৃষ্টির (UAE weather) প্রভাবে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে। তবে সরকার জানিয়েছেন যে কোন রকমের জরুরি অবস্থার মোকাবিলার জন্য তৈরি আছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। এছাড়াও সবসময় দেশের (Dubai) পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে দুবাই পুলিশ ও ন্যাশনাল সেন্টার অফ মেটিওরোলজির (NCM) টিম। 

    আরও পড়ুন: ভোটবঙ্গে ফের শহরে প্রধান নরেন্দ্র মোদি! রাত্রিবাস রাজভবনে

    মরু দেশে হঠাৎ কেন এত বৃষ্টিপাত? 

    দেশের আবহাওয়া বিভাগ বলছে, গত ৭৫ বছরে এত পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়নি। শুষ্ক জলবায়ু ও গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহের জন্য পরিচিত সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সহ উপসাগরীয় দেশগুলি। তবে সেই মরুদেশেই দেখা দিয়েছে বন্যা। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, মরু দেশে (Dubai) হঠাৎ কেন এত বৃষ্টিপাত? এর জন্য ‘ক্লাউড সিডিং’ কে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যদিও এ দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবহাওয়া বিভাগ দাবি করেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের (UAE weather) কারণে এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগের (Flights cancelled in Dubai) মধ্যে পড়েছে দুবাই।

    প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৬ ও ১৭ এপ্রিল রেকর্ড ভাঙা ভারী বৃষ্টিপাতে তলিয়ে যায় সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE)। যেখানে মরু দেশটিতে এক বছরের গড় বৃষ্টিপাত হয় ৯৪ মিলিমিটার, সেখানে দুদিনে বৃষ্টিপাত হয়েছে ২৫৯ দশমিক ৫ মিলিমিটার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India Pakistan Relation: ভারতীয়র হৃদযন্ত্রে পাক তরুণীর প্রাণরক্ষা, তা নিয়ে হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য সেদেশের মৌলবীর

    India Pakistan Relation: ভারতীয়র হৃদযন্ত্রে পাক তরুণীর প্রাণরক্ষা, তা নিয়ে হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য সেদেশের মৌলবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত জানুয়ারি মাসে এক পাকিস্তানি তরুণীর দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল ভারতীয় ব্যক্তির হৃদযন্ত্র। চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসকরা সফলভাবে ওই তরুণীর শরীরে হৃদযন্ত্র বসাতে সক্ষম হন। যার ফলে, নতুন জীবন লাভ করেন ওই পাক তরুণী। এমনকী, অস্ত্রোপচার খরচসাপেক্ষ হলেও, তা মকুব করে দেওয়া হয়। আর সেই নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিদ্বেষমূলক ও হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য করে বসলেন প্রতিবেশী দেশের এক মৌলবী (Pakistani Imam)।

    পাকিস্তানি ধর্মগুরুর ধর্মীয় সুড়সুড়ি…

    এমনিতেই ভারত-পাক দুই দেশের সম্পর্ক (India Pakistan Relation) তলানিতে। সেই পরিবেশের মধ্যেও এই ঘটনা যখন চারদিকে প্রশংসিত হচ্ছে, ঠিক তখনই এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়ে গিয়ে ধর্মীয় সুড়সুড়ি দেওয়ার কথা বললেন পাকিস্তানি ধর্মগুরু (Pakistani Imam)। ওই পাক ইমামের মতে, দাতা হিন্দু (ইমামের কথায় ‘বিধর্মী’) হওয়ায় কোনও পুণ্যলাভ হবে না ওই ব্যক্তির। তাঁর এই কাজ গৃহীত হবে না। কারণ, পাক ইমামের মতে, পুণ্য অর্জন করতে হলে নাকি মুসলিম হয়ে মরতে হয়। ইমামের ভাবখানা এমন যেন মেয়েটি হৃদযন্ত্র গ্রহণ করে দয়া করেছে। তাঁর মতে, মেয়েটি সাহসী। এর কারণ হিসেবে ইমাম জানান, এতদিন ওই হৃদপিণ্ড হিন্দু দেহে থাকায় ঈশ্বরের কাছে ঝুঁকত। এবার ওই মেয়েটির জন্য হিন্দু হৃদপিণ্ড আল্লার সামনে ঝুঁকবে।

    এগোচ্ছে ভারত, পিছোচ্ছে পাকিস্তান

    পাক ইমামের (Pakistani Imam) এই মন্তব্য সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও, সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে, নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েন ওই পাক ইমাম। ইমামের বক্তব্যের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এক শ্রেণি পাকিস্তানিদের ভারত-বিদ্বেষ (India Pakistan Relation)। ইমাম মোয়াজ্জেম কিংবা পাক জনগণের একটা বড় অংশ ভারত এবং ইসলাম ব্যতীত অন্য ধর্ম সম্পর্কে কী মত পোষণ করেন তা তাঁদের ভাষাতেই বহিঃপ্রকাশ পায়। আজ ভারত একদিকে যেখানে উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে, সেখানে অন্ধ ভারত-বিরোধিতা ও ধর্মীয় গোঁড়ামির কারণে ক্রমশ পিছিয়ে যেতে যেতে কার্যত দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে পাকিস্তান। 

    কী হয়েছিল পাক তরুণীর

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে প্রথম বার ভারতে এসেছিলেন পাক তরুণী আয়েশা রেশান। সেই সময় একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল তাঁর। পাঁচ বছর ধরে হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন ১৯ বছর বয়সি আয়েশা। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ৩১ তারিখ চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর শরীরে ৬৯ বছর বয়সি এক ব্রেন ডেথ রোগীর হার্ট বসানো হয় (India Pakistan Relation)। ওই রোগীর দেহ দিল্লি থেকে উড়িয়ে চেন্নাই নিয়ে আসা হয়েছিল।

    তরুণীর পরিবার কী বলছে

    আয়েশার মা সনোবর রেশান তাঁর মেয়েকে কার্যত জীবনদান দেওয়ার জন্য ভারতীয় চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “নিজের মেয়েকে একটু একটু করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে দেখতে বড় কষ্ট হচ্ছিল। খুব কষ্ট পাচ্ছিল ও। ওর এই অবস্থা আমরা খুব কষ্ট পাচ্ছিলাম। আমরা ভারতীয় চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হই। আমার মেয়ে এখন সুস্থ। আমাদের বিল মেটাবার খুব বেশি সক্ষমতা ছিল না। তবুও চিকিৎসকরা আমাদের ভারতে আসতে বলেন এবং তারা চিকিৎসা করে আমার মেয়েকে বাঁচিয়ে তুলেছেন।” জানা গিয়েছে, এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন পাকিস্তানের (India Pakistan Relation) সিন্ধু প্রদেশের বাসিন্দা ওই তরুণী। ভালোভাবে দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে পারছেন ওই ছাত্রী। বর্তমানে করাচিতে পড়াশোনা চালাচ্ছেন ওই তরুণী। ভবিষ্যতে আয়েশা একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হতে চান। 

    উদার মনের পরিচয় ভারতীয় চিকিৎসকদের

    অঙ্গদানের ক্ষেত্রে ভারতে অনেক নিয়ম কানুন আছে। কিন্তু পাকিস্তানি তরুণীর ভারতীয় চিকিৎসকরা অনেক উদার মনের পরিচয় দিয়েছেন। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অঙ্গদানের প্রক্রিয়া সহ ওই পরিবারের চিকিৎসার খরচ মকুব করে দেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হার্ট ট্রান্সপ্লান্টের (Heart Transplant Cost) ক্ষেত্রে ৩৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়ে থাকে। চিকিৎসার আয়েশার চিকিৎসার বিপুল খরচ বহন করেছিল ভারতীয় (India Pakistan Relation) একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চেন্নাইয়ের চিকিৎসক এবং রোগীরা মিলে তৈরি করেছেন। 

    ভারত ও পাকিস্তানের তফাত কোথায়

    অথচ, ইমাম (Pakistani Imam) যে বক্তব্য রাখলেন তাতে পরবর্তীতে কোন পাকিস্তানি রোগী ভারতে (India vs Pakistan) সাহায্যপ্রার্থী হলে চিকিৎসকরা সে বিষয়ে নতুন করে ভাববেন। যদিও ভারত “বসুধৈব কুটুম্বকম” তত্ত্বে বিশ্বাসী। যে কারণে, শত বৈরিতা সত্ত্বেও, পাক তরুণীর জন্য হৃদয় উজাড় করে দিয়েছে ভারত। সেখানে, শুধু ঘৃণা আর বিদ্বেষ নিয়েই বেঁচে রয়েছে প্রতিবেশী। আর এখানেই তফাত ভারত ও পাকিস্তানের (India Pakistan Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sri Lanka: চিনের তৈরি হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের রাশ ভারত-রুশ সংস্থার হাতে, বোধোদয় শ্রীলঙ্কার!

    Sri Lanka: চিনের তৈরি হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের রাশ ভারত-রুশ সংস্থার হাতে, বোধোদয় শ্রীলঙ্কার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাচ্ছে সমীকরণ। চিনের ফাঁদ থেকে বেরিয়ে ক্রমেই নয়াদিল্লির কাছাকাছি আসতে চাইছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। এই শ্রীলঙ্কায়ই দেশের বৃহত্তম হাম্বানটোটা বিমানবন্দর (Hambantota Airport) গড়ে উঠেছিল চিনের সহায়তায়। বেজিংয়ের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পেই গড়া হয়েছিল দ্বীপরাষ্ট্রের এই দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর। এই বিমানবন্দরেরই রাশ এবার যৌথভাবে হাতে নিতে চলেছে ভারত ও রাশিয়ার দুই সংস্থা।

    ড্রাগনের দেশকে বার্তা! (Sri Lanka)

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, কলম্বো (শ্রীলঙ্কার রাজধানী) যে ক্রমেই নয়াদিল্লির দিকে ঝুঁকছে, ড্রাগনের দেশকে সেই বার্তা দিতেই বিমানবন্দরটির (Hambantota Airport) পরিচালনার রাশ তুলে দেওয়া হল ভারত ও রাশিয়ার দুই কোম্পানির হাতে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) মন্ত্রিসভা। জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরটি যৌথভাবে পরিচালনা করবে শৌর্য অ্যারোনটিক্স প্রাইভেট লিমিটেড (ভারত) এবং এয়ারপোর্টস অফ রিজিয়নস ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি অফ রাশিয়া। এই দুই সংস্থাই বিমানবন্দরটি পরিচালনা করবে আগামী তিরিশ বছর।

    হাম্বানটোটা বিমানবন্দর

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে উদ্বোধন হয় হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের (Hambantota Airport)। এই বিমানবন্দর নির্মাণের সিংহভাগ খরচ দিয়েছে চিন। বিমানবন্দরটির নামকরণ করা হয়েছে শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষের নামে। বিমানবন্দরটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে (Sri Lanka) চড়া সুদে শ্রীলঙ্কাকে ১৬ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল ড্রাগনের দেশের এক ব্যাঙ্ক। সেই ঋণ শোধ করতে গিয়েই বিপাকে পড়ে দ্বীপরাষ্ট্রের প্রশাসন। ২০১৬ সাল থেকেই বিমানবন্দরটি দেখভালের জন্য বাণিজ্যিক সঙ্গী খুঁজছিল শ্রীলঙ্কা। কারণ উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত একবারও লাভের মুখ দেখেনি বিমানবন্দরটি। বরং যত দিন গিয়েছে, ততই সব চেয়ে ফাঁকা বিমানবন্দরের তকমা পেয়েছে শ্রীলঙ্কার এই বিমানবন্দরটি। শেষমেশ ভারত ও রাশিয়ার দুই সংস্থা যৌথভাবে দায়িত্ব নিল বিমানবন্দরটি পরিচালনার।

    বিমানবন্দরের বেহাল দশা

    জানা গিয়েছে, এখান থেকে প্রাপ্ত অর্থই পরিশোধ করা হবে চিনের ব্যাঙ্ককে। বিমানবন্দরটির পরিচালনার ভার নিতে চেয়ে আবেদন করেছিল পাঁচটি কোম্পানি। তাদের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে দুটিকে। শ্রীলঙ্কার সরকারি মুখপাত্র বন্দুলা গুণবর্ধন বলেন, “ভারতীয় সংস্থাটির নাম শৌর্য অ্যারোনেটিক্স প্রাইভেট লিমিটেড এবং রাশিয়ান সংস্থাটির নাম এয়ারপোর্টস অফ রিজিয়নস ম্যানেজমেন্ট।” উদ্বোধনের প্রায় পর থেকেই ক্ষতির মুখে পড়ে রয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের হাম্বানটোটা বিমানবন্দর (Hambantota Airport)। প্রথম দিকে অবশ্য ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক বিমান ওঠানামা করত। সংখ্যায় কম হলেও, সচল ছিল বিমানবন্দর। পরে ধীরে ধীরে কমতে থাকে বিমান ওঠানামা। এক সময় বন্ধই হয়ে যায়। ধু ধু প্রান্তরে পরিণত হয় সাজানো গোছানো আস্ত বিমানবন্দর।

    আরও পড়ুুন: “উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না”, কড়া বার্তা যোগীর

    চিনা ঋণের ফাঁদ

    জানা গিয়েছে, একের পর এক দেশকে ঋণ দিয়ে ফাঁদে ফেলছে চিন। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে চিন ঋণ দিয়েছে সব মিলিয়ে ১৬৫টি দেশকে। মার্কিন ডলারের অঙ্কে এর পরিমাণ হল ১.৩৮ ট্রিলিয়ন। চিনের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে রাশিয়া। দেনার পরিমাণ ১৭০ বিলিয়ন ডলার। এর পরেই রয়েছে ভেনেজুয়েলা। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের পড়শি দেশ পাকিস্তান। ঋণের পরিমাণ প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার। পশ্চিমের দেশগুলির অভিযোগ, চিনা ঋণের ফাঁদ আসলে মৃত্যু ফাঁদ।

    আরও পড়ুুন: “মাতৃশক্তির বিষয়ে বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট”, প্রোজ্জ্বলকাণ্ডে বললেন শাহ

    চাইলেই আর্থিকভাবে দুর্বল দেশগুলিকে চড়া সুদে ঋণ দেয় বেজিং। দেনা মেটাতে না পেরে যখন ভেঙে পড়ে ঋণগ্রস্ত দেশগুলির অর্থনীতির কোমর, তখনই হাত গুটিয়ে নেয় চিন। উপায়ান্তর না দেখে ড্রাগনের দেশের কাছে সারেন্ডার করে ঋণগ্রস্ত দেশগুলি। এভাবেই একের পর এক দেশের চালিকা শক্তি হয়ে উঠেছে চিন। দ্বীপরাষ্ট্রের জলবন্দর হাম্বানটোটার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে চিন (Sri Lanka)। সেখান থেকে এই বিমানবন্দরের (Hambantota Airport) দূরত্ব খুব বেশি নয়। সেদিক থেকে দেখলে, ড্রাগনের দেশের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করল ভারত ও রাশিয়া।

    বিমানবন্দরটির হাল ফেরে কিনা, এখন তা-ই দেখার (Sri Lanka)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share