Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Pakistan Leader: ‘‘ভারত সুপারপাওয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, আমরা ভিক্ষা করছি’’! উষ্মা পাক বিরোধী নেতার

    Pakistan Leader: ‘‘ভারত সুপারপাওয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, আমরা ভিক্ষা করছি’’! উষ্মা পাক বিরোধী নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে রাজনৈতিক তর্কাতর্কির মাঝে ফের একবার উঠে এল মোদি জমানার বিকশিত ভারতের উদাহরণ (Pakistan leader)। সে দেশের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে দাঁড়িয়ে সম্প্রতি বেশ খানিকক্ষণ বক্তব্য রাখেন জমিয়তে-উলেমা-ই-ফজল এর প্রধান মওলানা ফজলুর রহমান (Pakistan leader)। পাকিস্তানের রাজনীতিতে কট্টরপন্থী বলে পরিচিত এই নেতা শাহবাজ সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের তুলনা করে দেখুন। আজ ওরা (ভারত) সুপার পাওয়ার (বড় শক্তি) হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। আর আমরা দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচতে ভিক্ষা করছি।”

    অর্থনৈতিক সংকট পাকিস্তানে

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই অর্থনৈতিক সংকট দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানে। সম্প্রতি সে দেশের এই নেতার (Pakistan leader) বক্তব্য পাকিস্তানের দেউলিয়া অবস্থাকে ফের একবার বিশ্বের সামনে তুলে ধরল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ওই নেতার বক্তব্যেই পরিষ্কার ভারতকে সুপার পাওয়ার মানছে পাকিস্তান। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, পাকিস্তানের রাজনীতিতে ফজলুরের বিরোধী বলেই পরিচিত ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ বা পিটিআই দলকে অকুণ্ঠ ভাষায় সমর্থনও করেন ওই নেতা। প্রসঙ্গত ইমরান খান যখন প্রধানমন্ত্রীত্ব হারান তখন তিনি যে সমস্ত ব্যক্তিদের তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার কথা বলেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ফজলুরও।

    ইমরানের প্রশংসা একদা তাঁরই বিরোধী নেতার গলায়

    ফজলুরের ভাষণে সে দেশের নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগও উঠে এসেছে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে জেল বন্দি রয়েছেন ইমরান খান এবং তাঁর দলকে সভা সমাবেশ করার অনুমতিও (Pakistan leader) দেয়নি পাকিস্তানের সরকার। এ নিয়েও সে দেশের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফজলুর। নির্বাচনের কারচুপি নিয়ে তাঁর প্রশ্ন, ‘‘২০১৮ নির্বাচন নিয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে তবে ২০২৪ সালে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না কেন!’’ গণতন্ত্রের কথা বলতে গিয়ে ফজলুর পাকিস্তানের শাসক জোটকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, “ক্ষমতা ছেড়ে দিন। বিরোধী বেঞ্চে এসে বসুন। যদি পিটিআই একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়, তবে তাদের সরকার গড়তে দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Missile Attack: রাশিয়া থেকে ভারতে আসা তেল ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হানা হুথি জঙ্গিদের 

    Missile Attack: রাশিয়া থেকে ভারতে আসা তেল ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হানা হুথি জঙ্গিদের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোহিত সাগরে (Red Sea) ফের তান্ডব চালাল ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিরা। তাদের ছোঁড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Missile Attack) শুক্রবার লোহিত সাগরের একটি তেলের ট্যাঙ্কারে আঘাত করেছে। যেটি রাশিয়া থেকে ভারতে আসছিল। ক্ষেপণাস্ত্র হানায় তেল ট্যাঙ্কারটিতে বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওই জাহাজটি ব্রিটেনে তৈরি। ব্রিটেনেরই মালিকানা ছিল ওই জাহাজের উপর। তবে সম্প্রতি তা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে হামলা

    গাজায় যুদ্ধের সময় ইজরায়েলের বিরুদ্ধে প্রচার চালায় ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিরা ৷ সেই প্রচারের পরে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক হামলা (Missile Attack) চালাচ্ছে তারা ৷ লোহিত সাগর এলাকায় গত কয়েক মাস ধরে তাদের আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জাহাজগুলিকে। হুথিদের বক্তব্য, ইজরায়েল এবং তার সঙ্গী আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কযুক্ত যে কোনও জাহাজই লোহিত সাগর, এডেন উপসাগরের মতো এলাকায় তাদের টার্গেট। প্রাইভেট সিকিউরিটি ফার্ম অ্যামব্রে বলেছে, এদিন ব্রিটেনে তৈরি রাশিয়ার ওই জাহাজের ওপর তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় ৷ ক্ষেপণাস্ত্রগুলি পানামা-পতাকাবাহী সেশেলস-রেজিস্টার ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে মোচা থেকে হামলা চালিয়েছে। ব্রিটিশ সমুদ্র নিরাপত্তা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ওই তেলবাহী জাহাজের মালিক পূর্ব আফ্রিকার দেশ সেশেলস। জাহাজটি তেল পরিবহণের কাজে ব্যবহার করছিল রাশিয়া। সেখান থেকেই লোহিত সাগর হয়ে গুজরাটের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল। গন্তব্য ছিল গুজরাটের বন্দর শহর ভাডিনার।

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    কেন হামলা

    গত নভেম্বর থেকে হুথিদের আক্রমণের (Missile Attack) ভয়ে লোহিত সাগর এলাকায় আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে। ভয়ে নাবিকেরা বিকল্প রাস্তা খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। অভিযোগ, যে কোনও পণ্যবাহী জাহাজের দিকেই ধেয়ে আসছে ক্ষেপণাস্ত্র। নির্বিচারে চলছে আক্রমণ। শনিবার ভারতগামী জাহাজও সেই আক্রমণের শিকার হল। ইউএস মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুযায়ী, নভেম্বর থেকে হুথিরা ৫০টিরও বেশি জাহাজের উপর হামলা চালিয়েছে ৷ একটি জাহাজ আটক করেছে এবং অন্য একটিকে ডুবিয়েছে। হুথিরা বলেছে যে, গাজায় ইজরায়েলের যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের হামলা চালিয়ে যাবে ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-US Relation: ‘‘ভারতীয় না হলে আমেরিকায় সিইও হতে পারবেন না’’, কেন এ কথা বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত?

    India-US Relation: ‘‘ভারতীয় না হলে আমেরিকায় সিইও হতে পারবেন না’’, কেন এ কথা বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগে ভারতীয় হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সিইও হওয়া যেত না, এখন ভারতীয় না হলে আমেরিকাতে (India-US Relation) সিইও হওয়া যায় না। মজার ছলে এমনই দাবি করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি। নিজেদের মেধা ও কর্ম দক্ষতার জোরে আজ ভারত এই জায়গায় পৌঁছেছে বলে জানান গারসেটি। ভারতীয় অভিবাসীরা আমেরিকার অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে বলে জানান গারসেটি। 

    কী বললেন গারসেটি

    মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি বলেন, ভারতীয় অভিবাসীরা আমেরিকান ব্যবসায়িক বাস্তুতন্ত্রের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। আমেরিকায় (India-US Relation) প্রতিটি ভাল ৫০০ কোম্পানির ১০টির মধ্যে একটির সিইও এখন ভারতীয়। তা সে মাইক্রোসফট হোক বা গুগল বা স্টারবাকস। গুগলের সুন্দর পিচাই, মাইক্রেসফটের সত্য নাদেলার কথা উল্লেখ করে গারসেটি বলেন, প্রযুক্তিগত ও গুণগত দিক দিয়ে দুই দেশ একে অপরকে সাহায্য করছে। আমেরিকার কাছে তাই ভারতের গুরুত্ব অনেক বেশি, জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মতে, আমেরিকাতে বহু ভারতীয়র বসবাস। তারা প্রতিদিনই আমেরিকার উন্নতিতে কাজ করছে। পাশাপাশি ভারতের বাজারেও বহু মার্কিন নাগরিক তাদের দায়িত্ব পালন করছে। ভারতে বিনিয়োগ করতে পেরে খুশি মার্কিন পুঁজিপতিরা। ভারতের বাজারে বিনিয়োগ করে তারাও লাভের মুখ দেখেছেন। 

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    ভারতীয় ছাত্ররা আমেরিকারও সন্তান

    পার্ডিউ ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া, ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভানিয়া, কর্নেল ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অফ লস-এর মতো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচিত একদল ভারতীয় ছাত্রের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে এখানে ‘আমেরিকান সেন্টার’-এ একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনেক শিক্ষার্থীও অনলাইনে এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। গারসেটি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্তভাবে কথা বলেন। সেখানেই তিনি নানা বিষয়ে মত দেন। প্রচুর সংখ্যক ভারতীয় ছাত্র আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান। কিন্তু সম্প্রতি আমেরিকায় (India-US Relation) কিছু ভারতীয় ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা তাতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি এ প্রসঙ্গে ভারতীয় ছাত্রদের আশ্বস্ত করে বলেন যে ‘আমেরিকা একটি নিরাপদ দেশ এবং ভারতীয় ছাত্রদের প্রতি গভীরভাবে যত্নশীল’। পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের আশ্বস্ত করেছেন যে ‘আপনাদের সন্তানরা যখন আমেরিকায় থাকে তখন তারা আমাদের সন্তান।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan Economy: পাকিস্তানে গাড়ি বিক্রির অবস্থা বেহাল! পাততাড়ি গোটাচ্ছে বহু সংস্থা

    Pakistan Economy: পাকিস্তানে গাড়ি বিক্রির অবস্থা বেহাল! পাততাড়ি গোটাচ্ছে বহু সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে চরম অর্থনৈতিক মন্দা। আইএমএফের গ্রে  লিস্ট থেকে সাময়িক স্বস্তি পেলেও অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব পড়েছে গাড়ি শিল্পে। হু হু করে কমছে পাকিস্তানের (Pakistan) গাড়ি বিক্রি। পাকিস্তানের গাড়ি বিক্রির পরিমান এতটাই কমে গেছে যে সে দেশে সারা মাসে যত গাড়ি বিক্রি হয়, ভারতে (India) তা বিক্রি হয় মাত্র কয়েক ঘণ্টায়। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে পাকিস্তানের (Pakistan Economy) কী হাল।

    পাকিস্তান অটোমেটিভ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য (Pakistan Economy)

    ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে গোটা পাকিস্তানে (Pakistan Economy) গাড়ি বিক্রি মাত্র ২৮৪৪টি। এই সংখ্যা ভারতের যে কোন মেট্রো শহরের ঝাঁ চকচকে একটি মাত্র  শোরুমের এক মাসের বিক্রির সমান। যদিও ২০২৩ সালের শেষে হতাশাজনক এই পারফরম্যান্স কাটিয়ে উঠে পাকিস্তানে ২০২৪ সালে এখনও পর্যন্ত গাড়ি বিক্রির সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেশী দেশে যাত্রীবাহী গাড়ি বিক্রির সংখ্যা ছিল ৫ হাজারের নীচে। চলতি বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬৭২ ইউনিট। পাকিস্তান অটোমেটিভ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

    ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি

    একদিকে চরম অর্থনৈতিক সংকট পাকিস্থানে (Pakistan Economy) । অন্য দিকে মুদ্রাস্ফীতি। পাকিস্তান এখন চারিদিক থেকে কোনঠাসা। নেতারা এদেশ ওদেশ করছেন বেলআউট প্যাকেজের জ্জন্য। খাবার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ক্রয় ক্ষমতা কমে যাচ্ছে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের।

    আরও পড়ুন: আগ্নেয়াস্ত্র, বিষ্ফোরক উদ্ধারে নামানো হল রোবট, এনএসজি কমান্ডো, আরও চাপে শাহজাহান

    বন্ধ হচ্ছে করাচির গাড়ি শো-রুম

    সারা বিশ্বের মানুষ যখন ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে তখন পাকিস্তানের (Pakistan Economy) ক্রেতারাও এই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানের অবস্থা নতুন করে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ান অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচারার্স (SIAM) দ্বারা প্রকাশিত এক তথ্য অনুসারে দেখা গেছে  শেষ আর্থিক বছরে দেশে ৩ লক্ষ ৬৯ হাজারেরও বেশি গাড়ি বিক্রি হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজারটিরও বেশি গাড়ি বিক্রি হয়েছে ভারতে। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের মোটর গাড়ি প্রস্তুতকারকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু পাকিস্তানে তাঁরা কোন আশা দেখছে না। ইদানিংকালে পরিস্থিতির উন্নতি না করতে পেরে বেশ কয়েকটি গাড়ি নির্মাতারা ইতিমধ্যেই তাদের পাততাড়ি গোটাতে শুরু করে দিয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে দেশের করাচি, পেশাওয়ার, ইসলামাবাদের মত শহরে অনেক গাড়ির শোরুম ও সার্ভিস সেন্টার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siachen Glacier: সিয়াচেনের কাছে পাক-অধিকৃত ভূখণ্ডে সড়ক-সুড়ঙ্গ নির্মাণ করছে চিন, উদ্বিগ্ন ভারত

    Siachen Glacier: সিয়াচেনের কাছে পাক-অধিকৃত ভূখণ্ডে সড়ক-সুড়ঙ্গ নির্মাণ করছে চিন, উদ্বিগ্ন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রকাশ্যে এল সিয়াচেনের (Siachen Glacier) পাক-অধিকৃত অংশে সড়ক ও সুড়ঙ্গ নির্মাণের চিনা সেনার কর্মকাণ্ড। সম্প্রতি পাওয়া উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, পাক অধিকৃত ভারতীয় ভূখণ্ড শাকসগাম এলাকায় কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে চিনা লিবারেশেন আর্মি। কয়েক বছর আগেও উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছিল, প্যাংগং হ্রদের উত্তর ও দক্ষিণ তীরজুড়ে সেতু নির্মাণে তৎপর চিনা ফৌজ।

    লাল ফৌজের তৎপরতা (Siachen Glacier)

    পরে অন্য একটি উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছিল, এলএলসি লাগোয়া আকসাই চিন এলাকায় স্থায়ী বাঙ্কার ও বড় সুড়ঙ্গ তৈরি করছে লাল ফৌজ। ভবিষ্যতে সংঘাতের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতেই ড্রাগনের দেশের এই পদক্ষেপ বলে ধারণা ভারতের। ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে সেনার পাশাপাশি অস্ত্রশস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ রসদ মজুত রাখার ব্যবস্থা হচ্ছে বলেই ধরা পড়েছিল গত বছর তোলা উপগ্রহ চিত্রেও। ১৯৪৮ সালে জম্মু-কাশ্মীরের শাকসগাম এলাকা (Siachen Glacier) দখল করেছিল পাক সেনা।

    বেল্ট অ্যান্ড রোড’ কর্মসূচি

    ছয়ের দশকে সিয়াচেন হিমবাহের পূর্ব প্রান্তের ওই এলাকা চিনের হাতে তুলে দিয়েছিল পাকিস্তান। সেখানেই নতুন রাস্তা ও সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে বেজিং। পশ্চিম চিনের শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগড় থেকে দক্ষিণ পাকিস্তানের গ্বদর বন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে কারাকোরাম হাইওয়ে। এটি গিয়েছে শাকসগাম উপত্যকার অদূরে। ১৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ চিন-পাকিস্তান এই অর্থনৈতিক করিডর চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ কর্মসূচির অঙ্গ। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের লক্ষ্যেই শাকসগাম থেকে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর সংযোগকারী রাস্তা তৈরি করছে বেজিং। ভারতের উদ্বেগের কারণ এটাই।

    আরও পড়ুুন: ইভিএমের সঙ্গে ১০০ শতাংশ ভিভিপ্যাট যাচাইয়ের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    ভারতীয় সেনার লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাকেশ শর্মা বলেন, “এই রাস্তাটি (চিন যে নয়া রাস্তা তৈরি করছে) অবৈধ। ভারত অবশ্যই এ ব্যাপারে কূটনৈতিকভাবে প্রতিবাদ জানাবে।” এক্স হ্যান্ডেলে ইন্দো-টিবেটিয়ান ফ্রন্টিয়ার অবজার্ভার লিখেছেন, “গুরুত্বপূর্ণ ডেভেলপমেন্ট হল চিনের নয়া রাস্তা আগলি পাশ পর্যন্ত চলে এসেছে। কাশ্মীরের লোয়ার সাকসগাম উপত্যকায় পৌঁছে গিয়েছে। সড়কপথে সিয়াচেন থেকে  এখানকার দূরত্ব ৩০ মাইলেরও কম।” কিছুদিন আগেই ভারতের অরুণাচল প্রদেশের একাধিক জায়গার নাম বদলে দিয়ে খবরের শিরোনামে চলে এসেছিল চিন। সেবারও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল ভারত। এবার তারা রাস্তা করছে পাক অধিকৃত ভারত ভূখণ্ডে।

    সীমান্তে উত্তেজনা জিইয়ে রাখাই কি একমাত্র কাজ শি জিনপিংয়ের দেশের (Siachen Glacier)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Russia Ukraine war: মহাকাশে পারমাণবিক যুদ্ধ? রাশিয়াকে ঠেকাতে রাষ্ট্রসংঘে মার্কিন প্রস্তাব খারিজ

    Russia Ukraine war: মহাকাশে পারমাণবিক যুদ্ধ? রাশিয়াকে ঠেকাতে রাষ্ট্রসংঘে মার্কিন প্রস্তাব খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে অস্ত্র প্রতিযোগিতা রুখতে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আমেরিকার আনা খসড়া প্রস্তাবকে ভেটো প্রয়োগ করে আটকাল রাশিয়া (Russia Ukraine war)। এই আবহে ওয়াশিংটনের মন্তব্য, ‘‘বড় কিছু লুকোচ্ছে মস্কো।’’ আমেরিকার আশঙ্কা, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে মহকাশে পারমাণবিক (Nuclear Weapon) আঘাত হানতে পারে রাশিয়া। স্যাটেলাইট ধ্বংস করতে পারে মস্কো। পাল্টা রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া সাংবাদিকদের বলেন, “আমেরিকার প্রস্তাব রসিকতার সমান।”

    মহাকাশে মিসাইল তাক?

    ওয়াশিংটন মস্কোর বিরুদ্ধে মহাকাশ-ভিত্তিক অ্যান্টি-স্যাটেলাইট পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ করে আসছে (Russia Ukraine war)। মহাকাশে অ্যান্টি স্যাটেলাইট পারমাণবিক অস্ত্র ঠেকাতেই এই প্রস্তাব এনেছিল তারা। যদিও ওয়াশিংটনের অভিযোগ রাশিয়া অস্বীকার করেছে। মার্কিন (USA) প্রশাসনের কর্মকর্তারা দাবি করেন, তাঁদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। যদিও সেই তথ্য চাওয়া হলে তা দিতে অস্বীকার করে আমেরিকা। ফলে তাদের অভিযোগটি সমর্থনযোগ্য নয় বলে মনে করছে পুতিন (Vladimir Putin) প্রশাসন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাশিয়া মহাকাশের দিকে মিসাইল তাক (Russia Ukraine war) করতে পারে। তা আটকাতেই আগেভাগে জাতিসঙ্ঘে আমেরিকা বিষয়টি তুলে ধরেছে। যাতে মস্কোকে চাপে রাখা যায়।

    কী বলছেন পুতিন?

    ডেপুটি ইউএস অ্যাম্বাসাডর রবার্ট উড সাংবাদিকদের বলেন, “যদি রাশিয়া এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট না দেয় তাহলে বুঝতে হবে তাঁরা কিছু লুকাচ্ছে কি না।’’ প্রায় ছয় সপ্তাহের আলোচনার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের তৈরি নিরাপত্তা পরিষদে খসড়া প্রস্তাবটি ভোটের জন্য আনা হয়। প্রস্তাবের পক্ষে ১৩টি ভোট পড়ে। চিন এক্ষেত্রে ভোটাভুটি থেকে বিরত ছিল এবং রাশিয়া একটি ভেটো দেয়। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন চলতি বছরের শুরুতে জানিয়েছিলেন, তিনি মহাকাশে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের বিরুদ্ধে। তিনি বলেছেন, ‘‘আমাদের (Russia Ukraine war) অবস্থান পরিষ্কার এবং স্বচ্ছ। আমরা সর্বদা স্পষ্টভাবে মহাকাশে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপনের বিরুদ্ধে ছিলাম এবং এখনও রয়েছি।’’

    আউটার স্পেস ট্রিটি

    রাষ্ট্রসংঘ সকল দেশকে মহাকাশ চুক্তি (Russia Ukraine war) মেনে চলার আহবান জানিয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের তরফে বলা হয়েছে, ‘‘মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার এবং মহাকাশে অস্ত্র প্রতিযোগিতা প্রতিরোধের লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখতে হবে সমস্ত দেশকে।’’ ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস ট্রিটি স্বাক্ষরকারীদের (যার মধ্যে রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে) পৃথিবীর কক্ষপথে এবং মহাকাশে পারমাণবিক অস্ত্র বা অন্য যে কোনও ধরনের বিধ্বংসী অস্ত্র প্রয়োগে বাধা দেয়। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ‘‘রাশিয়া একটি মহাকাশে-নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্র পারমাণবিক প্রয়োগে সক্ষম। এমনকি ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক অস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনের উপগ্রহের নেটওয়ার্কগুলিকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে।’’

    কী বলছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র?

    হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, ‘‘রাশিয়া এখনও এ ধরনের অস্ত্র মোতায়েন করেনি। ইউক্রেনের যুদ্ধে মহাকাশ-ভিত্তিক যোগাযোগ এবং উপগ্রহ-সংযুক্ত ড্রোনগুলির সঙ্গে আধুনিক যুদ্ধে মহাকাশের অসামান্য ভূমিকার সাম্প্রতিক উদাহরণ হিসাবে কাজ করে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shib Narayan Das: সংখ্যালঘু বলেই কি যোগ্য সম্মান পেলেন না বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার শিব নারায়ণ দাস?

    Shib Narayan Das: সংখ্যালঘু বলেই কি যোগ্য সম্মান পেলেন না বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার শিব নারায়ণ দাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিঃশব্দে বুক ভরা অভিমান নিয়ে চলে গেলেন শিব নারায়ণ দাস (Shib Narayan Das), বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার। গত ১৯ এপ্রিল প্রয়াত হন তিনি। নিতান্তই নিয়মরক্ষা করে বাংলাদেশের কিছু কিছু সংবাদমাধ্যম খবরটা করেছে। ওই দিন বেলা পৌনে ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত তাঁর মরদেহ কুমিল্লাতে রাখা হয়। শ্রদ্ধা জানান মানুষজন। তবে বড় কোনও রাজনৈতিক নেতাকে সেখানে দেখতে পাওয়া যায়নি। পড়শি দেশের ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যায়না শিব নারায়ণ দাসের নাম, তা কি কেবল তিনি সংখ্যালঘু ছিলেন বলেই? এমন প্রশ্ন তুলছে কোনও কোনও মহল। জীবদ্দশায় অবহেলা, বঞ্চনা, যোগ্য সম্মান না পাওয়া এই মানুষটি কে ছিলেন? বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে কী অবদান ছিল মানুষটির। তা নিয়েই আমাদের প্রতিবেদন।

    ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম ওড়ানো হয় তাঁর তৈরি পতাকা

    ১৯ এপ্রিল শুক্রবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শিব নারায়ণ দাস। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। শিব নারায়ণ (Shib Narayan Das) ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম যোদ্ধা। শিব নারায়ণ দাসের তৈরি করা পতাকা নিয়েই চলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। জানা যায় ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের প্রাঙ্গণে প্রথম ওড়ানো হয় তাঁর তৈরি পতাকা। ওই পতাকায় লাল এবং সবুজ রঙের ভিতরে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত ছিল। ১৯৭০ সালের ৭ জুন ঢাকার পল্টন ময়দানে এক সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়। ওই কুচকাওয়াজের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান তৈরি করেন একটি জয় বাংলা বাহিনী। ওই বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন শিব নারায়ণ দাস। জয়বাংলা বাহিনী একটি পতাকা তৈরি সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ইকবাল হলের ১১৮ নম্বর কক্ষে বসে তৈরি হয় পতাকার নকশা।

    সম্মান পেয়েছেন কামরুল হাসান, পেলেন না শিব নারায়ণ

    তবে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পরে, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সরকার সে দেশের শিল্পী কামরুল হাসানকে ওই পতাকার বিষয়ে মতামত দিতে বলে। কামরুল হাসান শিব নারায়ণ দাসের (Shib Narayan Das) তৈরি পতাকা থেকে বাংলাদেশের মানচিত্রটিকে বাদ দিয়ে দেন। বর্তমানে সেটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। তবে কামরুল হাসান স্বীকৃতি পেয়েছেন। পেয়েছেন সম্মান। কিন্তু বঞ্চনা অবহেলা জুটেছে শিব নারায়ণ দাসের ক্ষেত্রে। এক্ষেত্রে অনেকেরই প্রশ্ন, শুধুমাত্র সংখ্যালঘু হওয়ার কারণেই কি শিবনারায়ণ দাসের প্রতি এমন বঞ্চনা?

    বাংলাদেশের মুক্তমনা এক সাংবাদিক সমাজমাধ্যমের পাতায় কী লিখলেন

    বাংলাদেশের বেশকিছু মুক্তমনা সাংবাদিক শিবনারায়ণ দাসের প্রতি বঞ্চনার বিরুদ্ধে অবশ্য সোচ্চার হয়েছেন। এ নিয়ে সামনে এসেছে সমাজ মাধ্যমের পাতায় বিভিন্ন ধরনের লেখাও। জনৈক্য আহমেদ ইস্তিয়াক নামের এক সাংবাদিক গত বছরেই শিব নারায়ণ দাসের (Shib Narayan Das) বাড়িতে যান সাক্ষাৎকার নিতে। সেখানে তাঁর অভিজ্ঞতা হিসেবে ওই সাংবাদিক লিখছেন, ‘‘চারতলায় উঠে কলিংবেল টিপতেই ভিতর থেকে প্রশ্ন এল, ‘কে এসেছেন ? আপনি কে?’ বললাম, ‘একটা প্রয়োজনে আপনার সঙ্গে কথা বলতে এসেছি।’ জবাব পেয়ে দরজা খুলেই বললেন ‘কী প্রয়োজন? কোথা থেকে এসেছেন?’ বললাম, ‘অমুক পত্রিকা থেকে এসেছি একটা বিশেষ দরকারে। তিনি বললেন ‘কী দরকার?’ আমি বললাম, ‘যদি অনুমতি দেন তো একটু আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই।’ তিনি বললেন, ‘ঠিক আছে এবার আপনি আসতে পারেন।’ বললাম, ‘ভিতরে আসবো?’ পুরোটা বলার আগেই আমার মুখের উপর দিয়েই দড়াম করে তিনি দরজা বন্ধ করে দিয়ে ভিতর থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে বললেন, ‘আপনি চলে যান। আমি এসব বিষয়ে কথা বলিনা।’ আমার তখন কী যে অনুভূতি হয়েছিলো তা আমি আসলে ভাষায় বর্ণনা করতে পারবো না। আমার দেশটির উপর তীব্র ঘৃণা জন্মালো। মনে হলো আমি মাটি খুঁড়ে তখনই ঢুকে পড়ি। কিংবা মরে যাই। আর তীব্র এক লজ্জাবোধ আমাকে চরমভাবে গ্রাস করলো। তিনি শিব নারায়ণ দাস, যাকে আমরা সামান্য স্বীকৃতিটুকু দিতেও চরম কার্পণ্য করেছি।’’

    পাঠ্যপুস্তকে নেই শিব নারায়ণের নাম

    ওই সাংবাদিকের আরও সংযোজন, ‘‘শিব নারায়ণ দাস (Shib Narayan Das) যেন আজ এক বিস্মৃত ইতিহাস। যাকে আমরা স্রেফ ভুলে গেছি। আমাদের এক অনন্য কারিগরকে আমরা স্রেফ উচ্ছেদ করেছি। পাঠ্যপুস্তকে জাতীয় পতাকার যে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেখানে আমরা তাঁকে বাদ দিয়েছি। সর্বত্র জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হিসেবে পটুয়া কামরুল হাসানের নাম। নেই কোথাও শিবনারায়ণ দাসের নাম।’’ প্রসেনজিৎ রূদ্র নামের এক নেটিজেন মন্তব্য করছেন, ‘‘যারা যুদ্ধের ধারে কাছেও ছিল না তারা এখন নামধারী কৌটাধারী রাষ্ট্রীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধা নামে সব সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। কিন্তু যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিল, তাদের অনেকেই যোগ্য সম্মানটুকু পাননি। একটা ভিডিওতে এক বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধাকে তো রিক্সা চালাতেও দেখেছিলাম।’’

    শিব নারায়ণ দাসের বাবাও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন

    জানা যায়, শিব নারায়ণ দাসের (Shib Narayan Das) বাবা সতীশ চন্দ্র দাস ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একজন চিকিৎসকও ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি শহীদ হন। কিন্তু শিব নারায়ণ দাসের মতোই তাঁর পিতা সতীশ চন্দ্র দাসকেও কোনও রকমের সম্মান দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, শিব নারায়ণ দাস শেষ জীবনে থাকতেন তাঁর মেয়ের কাছে, একটি ভাড়া বাড়িতে। এতটাই অর্থ কষ্টে তিনি ভুগছিলেন শেষদিকে, যে প্রতিবেশীরাও পর্যন্ত আলোচনা করতেন, শিব নারায়ণ দাস নিজের চিকিৎসাটুকুও করাতে পারেন না।

    কেমন ছিল প্রথম পতাকা তৈরির ইতিহাস

    প্রতিবেদনের শুরুতেই আমরা আলোচনা করেছি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ইকবাল হলের ১০৮ নম্বর কক্ষে তৈরি হয় পতাকা। জানা যায় ১০৮ নম্বর কক্ষে ওই দিন শিব নারায়ণ দাস (Shib Narayan Das) ছাড়াও হাজির ছিলেন তৎকালীন ছাত্র লিগ নেতা আসম আব্দুর রব, কাজী আরিফ আহমেদ, শাহজাহান সিরাজ, মনিরুল ইসলাম, স্বপন কুমার চৌধুরী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র লিগের নেতা নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা। দর্জিদের কাছ থেকে রাতের অন্ধকারে কাপড় নিয়ে যাওয়া হয় পতাকা তৈরি করতে। পতাকা তৈরির কথা শুনে বিনা পারিশ্রমিকেই কাপড় দেন দর্জিরা। স্বাধীন বাংলা বলতে যেন বাংলাদেশকেই বোঝায়, সেই কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশের মানচিত্র সেখানে রাখা হয়। কারণ বাংলা বলতে পশ্চিমবঙ্গও ছিল। স্বাধীন ভারতের অঙ্গরাজ্য। বাংলাদেশের শস্য-শ্যামলা সবুজ প্রকৃতি বোঝাতে রাখা হয় সবুজ রঙ এবং সূর্য বোঝাতে রাখা হয় লাল রঙ। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ ছাড়াও, ১৯৭১ সালে ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িতে এই পতাকা উত্তোলিত হয়।

    শিব নারায়ণ দাসের স্ত্রী গীতশ্রী চৌধুরিও মুক্তি যোদ্ধা ছিলেন

    জানা যায়, শিব নারায়ণ দাস এবং তাঁর স্ত্রী গীতশ্রী চৌধুরী দুজনেই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকারের জন্ম সে দেশের কুমিল্লাতে। ১৯৪৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন শিব নারায়ণ দাস। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বড় নাম ছিল ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। ভাষা আন্দোলনের অন্যতম নেতা ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের হাত ধরেই রাজনীতিতে প্রবেশ করেন শিব নারায়ণ দাস (Shib Narayan Das)। সেটা ছিল ১৯৬২। আন্দোলন করতে গিয়ে জেলও খেটেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iran Pakistan: ফের মুখ পুড়ল পাকিস্তানের, কাশ্মীর ইস্যুতে স্পিকটি নট ইরানের প্রেসিডেন্ট

    Iran Pakistan: ফের মুখ পুড়ল পাকিস্তানের, কাশ্মীর ইস্যুতে স্পিকটি নট ইরানের প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেবেছিলেন ইসলামি দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ায় পাশে পাবেন ইব্রাহিম রাইসিকে। তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সেই চেষ্টায় কার্যত জল ঢেলে দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। পাক প্রধানমন্ত্রীকে প্রকারান্তরে বুঝিয়ে দিলেন, কাশ্মীর ইস্যুতে মুখ খুলে নষ্ট করবেন না ভারতের সঙ্গে ইরানের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক (Iran Pakistan)।

    ব্যর্থ পাকিস্তান (Iran Pakistan)

    বেকারত্ব, দারিদ্র-সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত পাকিস্তানের কর্তাদের মূল লক্ষ্যই হল, জনগণের দৃষ্টি ঘোরাতে খেলতে হবে কাশ্মীর তাস। নওয়াজ শরিফ, ইমরান খান এবং শেহবাজ শরিফ-সহ পাকিস্তানের একাধিক প্রধানমন্ত্রী গদি ধরে রাখতে বারংবার খেলে গিয়েছেন এই কাশ্মীর তাস। বিশ্বের দরবারেও নানা সময় তাঁরা ইস্যু করতে চেয়েছেন কাশ্মীরকে। কখনও মুখ পুড়ছে, কখনও আবার মুখ থুবড়ে পড়েছে পাক প্রশাসনের কর্তাদের সেই প্রচেষ্টা। সোমবারও ফের একবার অবতারণা হল সেই দৃশ্যের (Iran Pakistan)। তিনদিনের পাকিস্তান সফরে এসেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম।

    নীরব ইরানের প্রেসিডেন্ট

    সোমবার যৌথ সাংবাদিক সম্মলনে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ প্যালেস্তাইনের গাজা ভূখণ্ডের সঙ্গে ভারতের কাশ্মীরের যোগসূত্রে টেনে আনেন। পরক্ষণেই ইরানের প্রেসিডেন্টকে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় আপনি এবং ইরানের নাগরিকরা কাশ্মীর ইস্যুতে সোচ্চার হবেন।” কিন্তু দেখা গেল, এ বিষয়ে টুঁ শব্দটি পর্যন্ত করলেন না ইরানের প্রেসিডেন্ট। কাশ্মীর ইস্যুতে নীরব থেকে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে ইসলামি দেশ ইরানের যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, তা তিনি কোনওভাবেই নষ্ট হতে দেবেন না। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সম্প্রতি প্যালেস্তাইন ইস্যুতে ভারত ও ইরানের যে বার্তালাপ হয়েছে, সেই প্রেক্ষিতেই কাশ্মীর ইস্যুতে নীরব থাকাই শ্রেয় বলে মনে করলেন ইব্রাহিম।

    আরও পড়ুুন: “টাকা ফেরত না দিয়ে “চাকরি চোর” মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও করুন”, বার্তা দিলেন শুভেন্দু

    গত বছর ভারতীয় দূতাবাসের তরফে ইরানকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। ইরানের রাজধানী তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ভারত ও ইরানের মধ্যে রয়েছে সহস্রাব্দের দীর্ঘ ইতিহাস। এই সম্পর্ক যে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে, তার কারণ ঐতিহাসিক ও সভ্যতার দৃঢ় বন্ধন। তাই ইরানের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক ও পিপল টু পিপল বন্ধন অটুট থাকবে। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও উচ্চস্তরের আলাপ-আলোচনা চলবে বলেও জানানো হয়েছিল সেই বিবৃতিতে (Iran Pakistan)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • USA Bans TikTok: ভারতের পর আমেরিকাতেও নিষিদ্ধ হতে চলেছে টিকটক! বিল পাশ মার্কিন সংসদে

    USA Bans TikTok: ভারতের পর আমেরিকাতেও নিষিদ্ধ হতে চলেছে টিকটক! বিল পাশ মার্কিন সংসদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছিল আগেই। এবার সেই একই পথে পা বাড়াল আমেরিকাও। চিনা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ টিকটক নিষিদ্ধ করতে হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের সভায় বিল পাশ করল জো বাইডেন সরকার (US Banned TikTok)। রবিবারই পাশ হয়েছে এ সংক্রান্ত বিলটি। দেশের নিরাপত্তার কারণেই টিকটক ও তার সত্বাধিকারী চিনা সংস্থা বাইটড্যান্সের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চলেছে হোয়াইট হাউস।

    নিষিদ্ধ হতে চলেছে টিকটক (US Banned TikTok)

    মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সেনেটে পাশ হওয়ার পরে এই প্রস্তাব কার্যকর হলে আমেরিকায় পুরোপুরি নিষিদ্ধ হয়ে যাবে টিকটক। তার পর আর টিকটক কিংবা বাইটড্যান্সের সঙ্গে আর ব্যবসায়িক লেনদেনও করতে পারবে না কোনও মার্কিন সংস্থা। এদিন ৩৬০-৫৮ ভোটে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে পাশ হয় হয় বিলটি (US Banned TikTok)। বিলটির বিপক্ষে যাঁরা ভোট দিয়েছেন, তাঁদের সিংহভাগই তরুণ প্রজন্মের। রাজনীতির খবরাখবর নিতে ও মতামত ব্যক্ত করতে তাঁরা এই অ্যাপটি ব্যবহার করেন। তবে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক দুই দলই বাইডেন প্রশাসনের প্রশংসা করেছে। এই দুই দল এবং মার্কিন আইনপ্রণেতারাও বলছেন, দেশের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করেছে টিকটক। কারণ চিন তার ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ইউজারের ডেটা ভাগ করতে বাধ্য করতে পারে।

    টিকটকের বক্তব্য

    হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসে বিলটি পাশ হতেই আপত্তি জানিয়েছে টিকটক। বিলটিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দিয়ে সংস্থার তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে ‘এত নাগরিকদের মত প্রকাশের অধিকার খর্ব হবে’। এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালানোর বার্তাও দিয়েছেন টিকটকের সত্বাধিকারী। চলতি বছরের শেষের দিকে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে নানারকমভাবে চেষ্টা করছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় নানা সংবাদপত্রে। বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা হতে পারে বলে খবর ছড়ায়। তার পরেই মার্কিন আধিকারিকদের তরফে সতর্ক করে দেওয়া হয় টিকটক ম্যানেজমেন্টকে। শেষমেশ টিকটককে নিষিদ্ধ করতে উদ্যোগী হয় বাইডেন সরকার।

    আরও পড়ুুন: শতাব্দীর ওপর ক্ষোভ জানিয়ে তিনশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    টিকটকের বিরুদ্ধে কঠোর ইউরোপীয় ইউনিয়নও

    এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নও টিকটকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে চলেছে বলে খবর। ইউরোপিয় ইউনিয়ন কমিশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অ্যাপ (টিকটক) ইউজারদের মানসিক স্বাস্থ্যের ভয়ঙ্কর ক্ষতি করতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিনা ফৌজের হামলায় মৃত্যু হয় ২০ জন ভারতীয় সেনার। তার পরেই টিকটককে নিষিদ্ধ করে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কেবল টিকটক নয়, এই ফেজে ভারত সরকার নিষিদ্ধ করেছিল আরও প্রায় এক ডজন চিনা অ্যাপকে (US Banned TikTok)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sadhguru: ভারতের সঙ্গে আধ্যাত্মিক সেতুর খোঁজে ১০ দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরে সদগুরু

    Sadhguru: ভারতের সঙ্গে আধ্যাত্মিক সেতুর খোঁজে ১০ দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরে সদগুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একমাস আগেই মস্তিষ্কে অস্ত্রপচার হয় সদগুরুর। তারপর ফের একবার তাঁকে দেখা গেল পুরনো মেজাজেই। বিশাল কর্মযজ্ঞ সামলাচ্ছেন তিনি ইশা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে। শুক্রবারই ভোট দেন সদ্গুরু (Sadhguru)। তারপরে রওনা হন ১০ দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরের উদ্দেশে। ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে যে আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন রয়েছে সেটাই অনুধাবন করতে তাঁর এই সফর বলে জানানো হয়েছে ইশা ফাউন্ডেশনের তরফে। ইন্দোনেশিয়ার বিমানবন্দরে সদগুরুকে স্বাগত জানান পর্যটন মন্ত্রী স্যান্ডিয়াগো উনো। সেদেশের বালিতে হাজির ছিলেন ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল শশাঙ্ক বিক্রমও।

    ওড়িশার বালি উৎসবের কথাও উঠে আসে

    জানা গিয়েছে, দশ দিনের এই ইন্দোনেশিয়া সফরে সে দেশের বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ভূমি পরিদর্শন করবেন সদগুরু (Sadhguru)। তারপর সেখান থেকে তিনি রওনা হবেন কম্বোডিয়ার উদ্দেশে। ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় উঠে আসে দুই দেশের ঐতিহাসিক যোগসূত্রের কথাও এক্ষেত্রে সদগুরু তুলে ধরেন ওড়িশার বালি যাত্রার কথা। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ওড়িশার মানুষ তাঁদের পূর্বপুরুষদের বালির উদ্দেশে সমুদ্র যাত্রাকে স্মরণ করে সাগরের জলের রংবেরঙের নৌকা এবং কলার ভেলা ভাসিয়ে দেন।

    ইন্দোনেশিয়ার প্রশংসা করেন সদগুরু

    ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন আধ্যাত্মিক কেন্দ্রগুলি যেভাবে রক্ষণ করা হয়েছে তারও প্রশংসা করেন সদগুরু (Sadhguru)। ইন্দোনেশিয়ার প্রতি সারা বিশ্ববাসীকে আকর্ষণের কারণ যে এভাবে তাদের যত্ন সহকারে ঐতিহাসিক তথা আধ্যাত্মিক স্থান গুলি রক্ষণাবেক্ষণ করা, তাও জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share