Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Henry Kissinger: শতবর্ষে প্রয়াত প্রাক্তন মার্কিন বিদেশ সচবি হেনরি কিসিঞ্জার

    Henry Kissinger: শতবর্ষে প্রয়াত প্রাক্তন মার্কিন বিদেশ সচবি হেনরি কিসিঞ্জার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শতবর্ষে প্রয়াত হলেন প্রাক্তন মার্কিন বিদেশ সচবি হেনরি কিসিঞ্জার (Henry Kissinger)। কানেকটিকাটে নিজ বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গত কয়েক বছর ধরে কিসিঞ্জার ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায়। ১৯৭৩ সালে বিশ্বশান্তিতে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া মার্কিন কূটনৈতিক মহলে।

    মার্কিন নাগরিকত্ব পান কিসিঞ্জার

    কিসিঞ্জারের জন্ম ১৯২৩ সালে, জার্মানিতে। নাৎসি শাসনের ভয়ে তাঁর পরিবার চলে আসেন আমেরিকায়, ১৯৩৮ সালে। ১৯৪৩ সালে কিসিঞ্জার মার্কিন নাগরিকত্ব পান। এর তিন বছর পরে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। পরে যোগ দিয়েছিলেন গোয়েন্দা শাখায়ও। এই সময় তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর পিএইচডি করেন। পরে অধ্যাপনা করেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৬৯ সালে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন কিসিঞ্জার (Henry Kissinger Died)। সেই সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিক্সন।

    উগ্র ভারত-বিরোধী ছিলেন!

    ১৯৭১ সালে ভারত-পাক যুদ্ধের সময় নিক্সনের দূত হয়ে ভারতে এসেছিলেন তিনি। তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। ইন্দিরা-কিসিঞ্জার বৈঠকও হয়। যদিও সেই আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। কারণ তখন আমেরিকা ছিল পাকিস্তানের বন্ধু দেশ। কিসিঞ্জারের উগ্র ভারত-বিরোধিতা চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় সেই সময়। পরে অবশ্য তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর এই বিরোধিতা নানা মহলের চাপের পরিণতি। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পর বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে শেষমেশ কিসিঞ্জার হন মার্কিন বিদেশ সচিব।

    আরও পড়ুুন: জেল খাটা থেকে দলবদল! জানুন অদিতি মুন্সীর স্বামী, অভিষেক-ঘনিষ্ঠ দেবরাজের উত্থান

    দুই মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও জেরাল্ড ফোর্ডের জমানায় বিদেশ সচিব হিসেবে কাজ করেছেন কিসিঞ্জার। বিদেশ সচিব হিসেবে ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের মধ্যে হওয়া ইয়ম কিপ্পুরের যুদ্ধ থামাতে ১৯৭৩ সালে তাঁর ভূমিকার উল্লেখও করেন অনেকে। ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর প্যারিস শান্তি চুক্তিতেও তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। মানবাধিকার প্রশ্নে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে দ্বন্দ্বের পরিবেশ বজায় রাখা, চিলির মতো বেশ কিছু দেশে স্বৈরাচারী শাসকদের মদত দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ১৯৬৯ সালে কম্বোডিয়ায় সিক্রেট বম্বিং ও পরবর্তী বছর মার্কিন অভ্যুত্থানের নেপথ্যে ছিলেন তিনিই। ইজরায়েলের সঙ্গে আরব দেশগুলি সম্পর্ক গঠনেও তাঁর অবদান স্বীকার করেন কেউ কেউ (Henry Kissinger Died)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ruchira Kamboj: সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি ভারতের, ফের জানালেন রুচিরা

    Ruchira Kamboj: সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি ভারতের, ফের জানালেন রুচিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ভারত যে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে, বিশ্বমঞ্চে ফের একবার তা জানিয়ে দিলেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ (Ruchira Kamboj)। মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখছিলেন রুচিরা। ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে অফ সলিডারিটি উইথ প্যালেস্তাইন পিপল’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল এদিন। সেই উপলক্ষেই বক্তৃতা দিচ্ছিলেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি।

    ‘তামাম বিশ্বে মানবতার সঙ্কট’

    তিনি বলেন, “প্যালেস্তাইনে নাগরিকদের সঙ্গে আমাদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্ক ঐতিহাসিক। দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যেও সম্পর্ক রয়েছে। প্যালেস্তাইনের বাসিন্দারা যাতে রাষ্ট্র ও শান্তি-সমৃদ্ধি পান, সেজন্য তাঁদের পাশে রয়েছে ভারত।” এর পরেই রুচিরা (Ruchira Kamboj) বলেন, “সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে ভারত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে। আমরা এটাও বিশ্বাস করি, আন্তর্জাতিক মানবতা আইন সকলেরই মেনে চলা উচিত।” বর্তমান বিশ্বে যে মানবতার সঙ্কট চলছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন রুচিরা। তিনি বলেন, “মানবতার এই সঙ্কটের দিনে মানবতা রক্ষায় চূড়ান্ত দায়িত্ব পালন করা প্রয়োজন বিশ্বের প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই।”

    গাজার অসহায়দের পাশে ভারত

    হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের জেরে বিপর্যস্ত গাজা স্ট্রিপের বাসিন্দারা। এই গাজা স্ট্রিপেই ঘাঁটি গেড়েছিল প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র সংগঠন। এই সংগঠনই প্রথম হামলা চালায় ইজরায়েলে। প্রত্যাঘাত করে ইজরায়েল। এই যুদ্ধের জেরেই ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় গাজা স্ট্রিপ। গাজার অসহায় নাগরিকদের পাশে দাঁড়াতে সেখানে ত্রাণ পাঠায় ভারত। এদিন সেকথা মনে করিয়ে দিয়ে রুচিরা বলেন, “গাজা স্ট্রিপে ৭০ টন মানবিক সাহায্য পাঠিয়েছে ভারত। এর মধ্যে রয়েছে ১৬.৫ টন ওষুধ ও মেডিকেল সরঞ্জাম।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘কলকাতার ‘প্রতিবাদ সভা’য় যোগ দেওয়ার অপেক্ষায়…’’, ট্যুইট-বার্তায় অমিত শাহ

    রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “৭ অক্টোবর, প্রথম যেদিন ইজরায়েলের ওপর হামলা হয়েছিল, সে সম্পর্কেও আমরা জানি। আমরা হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। সন্ত্রাসবাদের পক্ষে কোনও যুক্তিই খাড়া করা যায় না। আবার গাজায় যেসব নিরীহ মানুষ যুদ্ধের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন, তাঁদের নিয়েও ভারত উদ্বিগ্ন।” রুচিরা (Ruchira Kamboj) বলেন, “ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন ইস্যুতে ভারত বরাবরই আলোচনার পক্ষে। প্যালেস্তাইন স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করুক, ভারত তা চায়। দুই দেশের সীমান্তেই বজায় থাকুক কাঙ্খিত শান্তি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Khalistani Separatists: এবার আমেরিকার গুরুদ্বারে খালিস্তানপন্থীদের হাতে হেনস্থার শিকার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত

    Khalistani Separatists: এবার আমেরিকার গুরুদ্বারে খালিস্তানপন্থীদের হাতে হেনস্থার শিকার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কটল্যান্ডের পর এবার মার্কিন মুলুক। ফের খালিস্থানপন্থী জঙ্গিদের (Khalistani Separatists) হাতে হেনস্থার শিকার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। নিউ ইয়র্কের হিকসভিল গুরুদ্বারের ভেতর তরণজিৎ সিং সান্ধুকে হেনস্থা করেছে তারা। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা তরণজিতের বিরুদ্ধে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জর ও পান্নুনকে হত্যার অভিযোগ এনেছে।

    তরণজিৎকে হেনস্থা

    দিন কয়েক আগে ওই গুরুদ্বারে প্রার্থনা করতে গিয়েছিলেন তরণজিৎ। প্রার্থনা শেষে তারানজিৎকে ঘিরে ধরে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। তরণজিৎকে ধাক্কাধাক্কিও করা হয়। ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে হেনস্থার এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিজেপির মুখপাত্র আরপি সিং খালসা। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন ব্যক্তি ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ঘিরে রেখেছে। সেই সময় একজনকে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশে বলতে শোনা যাচ্ছে, নিজ্জর খুন ও পান্নুনকে হত্যার ষড়যন্ত্রে দায়ী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। বিজেপি মুখপাত্র জানান, হেনস্থার (Khalistani Separatists) নেতৃত্বে ছিল মার্কিন খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হিম্মত সিং। সারের গুরুদ্বারের সভাপতি ও কানাডায় খালিস্তানের সমর্থনে আয়োজিত গণভোটের সমন্বয়কারী হিম্মত।

    নিজ্জর খুনে কাঠগড়ায় ভারত

    ১৯ জুন কানাডায় এক গুরুদ্বারের সামনেই গুলি করে খুন করা হয় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরকে। সে খালিস্তান টাইগার ফোর্সের প্রধান ছিল। খালিস্তানপন্থী আর এক জঙ্গি গুরপন্তবন্ত সিং পান্নুনের ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র মতাদর্শ প্রচারের দায়িত্ব ছিল টাইগার ফোর্সের ওপর। পান্নুনকে খুনের ষড়যন্ত্রে জড়িত সন্দেহে ভারতকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান মার্কিন গোয়েন্দারা। তার আগে নিজ্জর খুনে কানাডা সরকার অভিযোগের আঙুল তুলেছিল ভারতের দিকে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সংসদে দাঁড়িয়ে ভারতকেই দোষারোপ করেছিলেন। তার পরেই তলানিতে গিয়ে ঠেকে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। এবার খোদ বন্ধু দেশে হেনস্থার শিকার হলেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। এখন দেখার, এই ঘটনায় কী পদক্ষেপ করে জো বাইডেন প্রশাসন।

    আরও পড়ুুন: ‘শাহি সমাবেশ’কে সফল করাই পাখির চোখ রাজ্য বিজেপির, নেওয়া হচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ

    প্রসঙ্গত, অক্টোবর মাসে স্কটল্যান্ডের একটি গুরুদ্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন ব্রিটেনে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম ডোরাইস্বামী। সেই সময় খালিস্তানপন্থীরা ভারত বিরোধী স্লোগানও দিতে থাকে। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের হেনস্থার শিকার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। ঘটনাস্থল এবার আমেরিকা (Khalistani Separatists)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Bangladesh Election 2024: রাজনীতির ময়দানে শাকিব, ফিরদৌস! হাসিনার দলের টিকিটে লড়বেন ভোটে

    Bangladesh Election 2024: রাজনীতির ময়দানে শাকিব, ফিরদৌস! হাসিনার দলের টিকিটে লড়বেন ভোটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ১২তম সংসদীয় নির্বাচনে (Bangladesh Election 2024) লড়বেন শাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan)। মাগুরা ১ আসন থেকে লড়াই করবেন শাকিব। যেটি তাঁর নিজের জেলা। ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে (Bangladesh) নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লিগের হয়েই প্রার্থী হচ্ছেন অভিনেতা ফিরদৌস।

    ভোটের লড়াইয়ে শাকিব

    আপাতত আঙুলের চোটে মাঠের বাইরে শাকিব। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে আঙুলে চোট পেয়েছিলেন শাকিব। যে কারণে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি তিনি। কবে তিনি মাঠে ফিরবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়। ধোঁয়াশা রয়েছে। মাশরাফি মর্তুজার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের দ্বিতীয় অধিনায়ক হিসাবে নির্বাচনে লড়বেন শাকিব। প্রাক্তন ক্রিকেটার মাশরফিও ২০১৮-র নির্বাচনেই আওয়ামী লিগের টিকিটে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন। বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৯৮ আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে ক্ষমতাসীন হাসিনার আওয়ামি লিগ। রবিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। প্রাথমিকভাবে ৩০০টি আসনে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার কথা ছিল। নারায়ণগঞ্জ-৫ ও কুষ্টিয়া-২ আসনের প্রার্থী কারা হচ্ছেন সেই ঘোষণা অবশ্য করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: শান্তিপুর রাসযাত্রায় রাধাকৃষ্ণের যুগল মিলনের পর হয় বিগ্রহ নিয়ে নগর পরিক্রমা

    ভোট-ময়দানে ফিরদৌসও

    শাকিবের পাশাপাশি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নায়ক ফিরদৌসকে ঢাকা-১০ আসনে প্রার্থী (Bangladesh Election 2024) করা হয়েছে। রবিবার প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় ৩০০টির মধ্যে ২৯৮টি আসনে আওয়ামী লিগ নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করায় তাদের শরিক দল জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ফাঁপরে পড়েছে। আওয়ামী লিগ গত তিনটি নির্বাচন শরিকদের নিয়ে জোট গড়ে লড়েছে। এ বারে সব আসনে একতরফা প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার পরে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছে, শরিকদের সঙ্গে আলোচনা হবে। যে সব আসন তাদের ছাড়া হবে, সেখানে আওয়ামী প্রার্থীরা সরে দাঁড়াবেন। গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকে সপ্তম বারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাধারণ সম্পাদক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক-সহ মন্ত্রিসভার সব পূর্ণমন্ত্রী আগের আসনেই প্রার্থী হচ্ছেন। তবে বাদ গিয়েছেন তিন জন প্রতিমন্ত্রী ও ৬৯ জন সাংসদ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Hindu Congress: ‘হিন্দুইজম’ নয়, সনাতন ধর্মকে বোঝাতে ব্যবহৃত হোক ‘হিন্দুত্ব’, সিদ্ধান্ত বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেসে

    World Hindu Congress: ‘হিন্দুইজম’ নয়, সনাতন ধর্মকে বোঝাতে ব্যবহৃত হোক ‘হিন্দুত্ব’, সিদ্ধান্ত বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে বোঝাতে এবার থেকে ‘হিন্দুইজম’ নয়, ‘হিন্দুত্ব’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হবে। দু’দিনের বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনে যোগ দিতে তাইল্যান্ড গিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রধান মোহন ভাগবত। সেখানেই তিনি বলেন, “হিন্দুইজম এই শব্দবন্ধটি পরিত্যাগ করতে হবে। কারণ এই শব্দবন্ধটি অত্যাচার ও বৈষম্যকে প্রতিফলিত করে।”

    তৃতীয় বিশ্ব হিন্দু সম্মেলন

    ব্যাংককে শুক্রবারই শুরু হয়েছে তৃতীয় বিশ্ব হিন্দু সম্মেলন। এদিনই গৃহীত হয় ব্যাংকক ঘোষণাপত্র। তাতে বলা হয়েছে, ‘হিন্দুইজম’-এর প্রথম শব্দটি ‘হিন্দু’। এটি সীমাহীন একটি শব্দ। যা কিছু সনাতন, এটি তাকে প্রতীকায়িত করে। তার পরে আসে ধর্ম। যার অর্থ হল যা কিছু ধরে রাখে। ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘হিন্দু’ আর ‘হিন্দুইজম’ সম্পূর্ণ আলাদা। সেই কারণে আমাদের অনেক প্রবীণই ‘হিন্দুইজমে’র বদলে ‘হিন্দুত্ব’ শব্দটিকে বেশি পছন্দ করেন। কারণ ‘হিন্দুত্ব’ শব্দটি অনেক বেশি যথাযথ। এর মধ্যে ‘হিন্দু’ শব্দের যাবতীয় অর্থ নিহিত। আমরা তাঁদের সঙ্গে সহমত। আমাদেরও তাই করা উচিত।

    ‘হিন্দুত্ব’ কোনও জটিল শব্দ নয়

    ঘোষণাপত্রে (World Hindu Congress) আরও বলা হয়েছে, ‘হিন্দুত্ব’ কোনও জটিল শব্দ নয়। এর সরলার্থ ‘হিন্দু’ শব্দের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অন্যরা এর পরিবর্তে ‘সনাতন ধর্ম’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে। সংক্ষেপে একে ‘সনাতন’ বলা হয়। এখানে ‘সনাতন’ শব্দটি অ্যাডজেকটিভ, এটি ‘হিন্দুইজমে’র শাশ্বত চরিত্রকে নির্দেশ করে। রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা ও ব্যক্তিগত পক্ষপাতিত্বের জন্য অনেক রাজনৈতিক নেতা সনতন ধর্মের সমালোচনা করে চলেছে। বিশ্বহিন্দু সম্মলেনে এরকম সমালোচনা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে রাজনৈতিক নেতাদের। তামাম বিশ্বের হিন্দুদের একজোটও হতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘মিড ডে মিলের টাকাও মেরে খায়!’ তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, শুক্রবারই সম্মেলনের উদ্বোধনের দিন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত বলেছিলেন, “হিন্দু ধর্মে অনেক মত রয়েছে, উপাসনার পদ্ধতি রয়েছে। এর প্রতিটিই হল ধর্মের উদাহরণ।” তিনি বলেছিলেন, “সমগ্র বিশ্ব হল একটি পরিবার। প্রত্যেককে আর্য তৈরি করতে হবে আমাদের। আমরা সর্বত্র যাব, আমরা প্রত্যেকের হৃদয় স্পর্শ করার চেষ্টা করব। তাঁরা আমাদের সঙ্গে সহমত হতেও পারেন, নাও হতে পারেন। কিন্তু প্রত্যেকের সঙ্গেই আমরা যোগাযোগ রাখব (World Hindu Congress)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hindu Nation: ‘হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থা ফেরাও’, দাবিতে উদ্বেল নেপালি জনতা

    Hindu Nation: ‘হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থা ফেরাও’, দাবিতে উদ্বেল নেপালি জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থা (Hindu Nation) ফেরাও। ফেরাও রাজতন্ত্রও। এই দুই দাবিতে শুক্রবার নেপালের কাঠমান্ডুতে মিছিল করলেন কয়েক লাখ মানুষ। জাতীয় ঐক্য ও দেশের মানুষের ভালর জন্যই যে হিন্দুরাষ্ট্র ও রাজতন্ত্রের প্রয়োজন, তা জানিয়েছে পথে নামা জনতা।

    ওলির শাসন

    তামাম বিশ্বে একমাত্র হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল নেপাল। ২৪০ বছর ধরে ছিল রাজতন্ত্রও। অবসান ঘটে ২০০৮ সালে। এর পরেই বুদ্ধের দেশ পরিণত হয় প্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্রে। ২০১৫ সালে গৃহীত হয় নয়া সংবিধান। প্রথম সাধারণ নির্বাচন হয় এর ঠিক দু বছর পর। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় আসে সিপিএম-ইউএনএল ও সিপিএন (মাওবাদী) জোট। বর্তমানে নেপালের ক্ষমতায় রয়েছে এই জোটই। প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন কেপি শর্মা ওলি। সংবিধান প্রণয়ন, সুশাসন ও গণতন্ত্র মজবুত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন ওলি। যদিও (Hindu Nation) কোনও প্রতিশ্রুতিই তিনি পূরণ করতে পারেননি বলে অভিযোগ। ওলি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর অবনতি ঘটে ভারত-নেপাল সম্পর্কে। তাঁর আমলেই নেপালের ভূখণ্ডে থাবা বসিয়েছে চিন। এই সব কারণেই ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছে নেপালের ওলি সরকারের বিরুদ্ধে।

    হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার দাবি

    দেশের পরিস্থিতি যখন এরকম, সেই সময়ই উঠল নেপালকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার দাবি। নেপালের বাসিন্দারা সোচ্চার হলেন রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে। শুক্রবারের মিছিলে জাতীয় পতাকার পাশাপাশি আধুনিক নেপালের জনক হিসেবে পরিচিত পৃথ্বী নারায়ণ শাহের ছবিও দেখা গিয়েছে। মিছিলের আয়োজন করেছিল রাষ্ট্রীয় নাগরিক আন্দোলন সমিতি ২০৭৭। এই প্রথম নয়, ১০ নভেম্বরও সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ও নেপালকে হিন্দুরাষ্ট্র ঘোষণার দাবিতে হয়েছে মিছিল। সেদিন মিছিল হয়েছিল জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজের ব্যানারে। ১২ নভেম্বর বিরাট মিছিল হয় বিরাটনগরে। ওলির শহর ঝাপায়ও হয়েছে মিছিল। সেদিনও মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন কয়েকশো মানুষ।

    আরও পড়ুুন: মিড ডে মিল দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্ত! কী বললেন শুভেন্দু?

    নেপাল যখন হিন্দুরাষ্ট্র ছিল, সেই সময় সে দেশে নিষিদ্ধ ছিল গোহত্যা। দেশবাসীর মাত্র ১০ শতাংশ ছিলেন মুসলমান। হিন্দুরাষ্ট্রের তকমা ঘুঁচে যেতেই বাড়তে থাকে মুসলমান অনুপ্রবেশের মতো ঘটনা। চলছে গোহত্যা। এসবেরই বিরুদ্ধে ক্রমেই সোচ্চার হচ্ছেন নেপালিরা। তাঁরা চাইছেন, দেশ (Hindu Nation) ফিরে যাক হিন্দুরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায়। ফিরুক রাজতন্ত্র।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
          

            

  • Hamas-Israel Conflict: সাময়িক যুদ্ধবিরতি! প্রায় দু-মাস পর ২৫ পণবন্দিকে মুক্তি দিল হামাস

    Hamas-Israel Conflict: সাময়িক যুদ্ধবিরতি! প্রায় দু-মাস পর ২৫ পণবন্দিকে মুক্তি দিল হামাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজায় সাময়িক (Gaza Temporary Ceasefire) যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে ২৫ জন পণবন্দিকে মুক্তি দিল হামাস (Hamas) বাহিনী। প্রায় দু-মাস পর অবশেষে মুক্তি পেলেন ১২ জন থাইল্যান্ডের ও ১৩ জন ইজরায়েলের নাগরিক। প্রথমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রেড ক্রসের (Red Cross) তরফে খবরটি জানানো হয়। পরে ট্যুইট করে খবরটি নিশ্চিত করেছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। মুক্ত পণবন্দিদের ফিরিয়ে আনতে দূতাবাসের আধিকারিকেরা যাচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। পাল্টা হিসাবে ইজরায়েলের (Hamas-Israel Conflict) জেলে বন্দি প্যালেস্টাইনিদেরও একটি অংশকে মুক্তি দেওয়ার কথা ভাবছে তেল আভিভ।

    রেড ক্রসের সদস্যদের হাতে পণবন্দিরা

    রেড ক্রসের যে কনভয়ে মুক্ত পণবন্দিদের আনা হচ্ছে, তাতে খানচারেক গাড়ি রয়েছে বলে খবর। এক একটি গাড়িতে অন্তত ছ’জন রয়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। সদ্যমুক্তদের  ইজরায়েলের (Hamas-Israel Conflict) একটি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা করা হতে পারে। সেই মতো তৈরি হচ্ছে হাসপাতালটি। পণবন্দিদের মধ্যে কোনও শিশু থাকলে, কী ভাবে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে সে ব্যাপারে আইডিএফ সদস্যদের আগেই বিশদ নির্দেশিকা দিয়েছে বেঞ্জামিন নেতানইয়াহু প্রশাসন। বিনা শর্তেই পণবন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রেড ক্রসের হাতে তুলে দিয়েছে হামাস। তারপর রেড ক্রসের সদস্যরা পণবন্দিদের নিয়ে গাজা-মিশর সীমান্ত বরাবর রাফার দিকে রওনা দেন। অন্যদিকে, দু-মাস টানা পণবন্দি থাকার ফলে অনেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৭ সপ্তাহের বন্দিদশা কাটিয়ে মিশরে পৌঁছেও গিয়েছেন ১৩ জন ইজরায়েলি। 

    আরও পড়ুন: ‘সব রকম পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত’! চিনে নয়া সংক্রমণ প্রসঙ্গে বিবৃতি কেন্দ্রের

    যুদ্ধ বিরতির নানা শর্ত

    প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর থেকে ইজরায়েল ও হামাস বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ চলছে। হামাস (Hamas-Israel Conflict) বাহিনীকে শিক্ষা দিতে নানা দিক থেকে হামলা চালানোর পাশাপাশি গাজা সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে দেয় ইজরায়েল সরকার। শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। যুদ্ধ বিরতির অঙ্গ হিসেবে ইতিমধ্যেই অবরুদ্ধ গাজা স্ট্রিপে জ্বালানি এবং রসদ সরবরাহের পথও খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইজরায়েল। জানা গিয়েছে, ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে আগামী চার দিন ধরে ১৫০ জন প্যালেস্টাইনিকে জেল থেকে মুক্তি দেবে। আর হামাস মুক্তি দেবে ৫০ জন পণবন্দিকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Qatari court: এখনই কার্যকর হচ্ছে না নৌ-অফিসারদের মৃত্যুদণ্ড, দিল্লির আবেদন গ্রহণ কাতারের আদালতে

    Qatari court: এখনই কার্যকর হচ্ছে না নৌ-অফিসারদের মৃত্যুদণ্ড, দিল্লির আবেদন গ্রহণ কাতারের আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আবেদন গ্রহণ করল কাতারের আদালত। গত ২৬ অক্টোবরে ভারতীয় নৌ বাহিনীর ৮ প্রাক্তন অফিসারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল সে দেশের কোর্ট (Qatari court)। কাতারের কোর্টের সেই আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন যে করা হবে তা তখনই জানিয়েছিল মোদি সরকার। বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর কাতারের আদালতে (Qatari court) ভারত সরকারের সেই আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে এখনই অভিযুক্ত ওই ৮ জন প্রাক্তন নৌ সেনা আধিকারিকদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হচ্ছে না। সূত্রের খবর, এই মামলার রায় ঘোষণার আগে ভারতের আবেদন বিবেচনা করবে কাতারের আদালত। দ্রুতই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।

    পরিবারবর্গের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ভারত সরকার

    গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৬ নভেম্বর বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী জানিয়েছিলেন, ওই ৮ প্রাক্তন নৌ অফিসারের পরিবারবর্গের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রেখে চলেছে ভারত সরকার। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, কাতারের (Qatari court) কাছে ভারত সরকার ওই অফিসারদের মৃত্যুদণ্ড রদ করার আবেদন করেছে। সেই আবেদন কয়েকদিন পরেই গ্রহণ করল কাতার। বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর এই মামলার প্রথম শুনানি ছিল। শুনানির সময় আদালত অনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের আবেদনের নথি গ্রহণ করে।

    ‘দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেস’ নামক সংস্থায় কাজ করতেন তাঁরা

    প্রসঙ্গত, নৌসেনার এই জন এই ৮ জন প্রাক্তন অফিসারই ‘দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেস’ নামে কাতারের একটি সংস্থায় কাজ করতেন বলে জানা যায়। এই সংস্থার হয়ে মূলত তাঁদের কাজ ছিল কাতারের সেনাবাহিনীর সদস্যদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া। ২০২২ সালের অগাস্টে এই ৮ অফিসারকে গ্রেফতার করে কাতার প্রশাসন। সেই থেকেই তাঁরা কাতারের (Qatari court) জেলে বন্দি রয়েছেন বলে জানা যায়। মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আগে এবং পরে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন ভারতের হাইকমিশনার। তবে তাঁদের কেন গ্রেফতার (Qatari court) করা হয়েছিল এবং কেনই বা তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে? এ বিষয়ে কিছু জানায়নি কাতার কর্তৃপক্ষ। এমনকি ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকেও জানানো হয় যে তারা এ বিষয়ে কিছু জানে না। তবে সূত্রের খবর, ওই আট অফিসারের বিরুদ্ধে ইজরায়েলের হয়ে কাতারের সেনাবাহিনীর উপর চরবৃত্তি করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Hindu Congress: ‘‘হিন্দু ধর্মের সমস্ত সম্প্রদায়কে শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে’’, তাইল্যান্ডে বললেন সঙ্ঘ প্রধান

    World Hindu Congress: ‘‘হিন্দু ধর্মের সমস্ত সম্প্রদায়কে শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে’’, তাইল্যান্ডে বললেন সঙ্ঘ প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারে তাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনে (World Hindu Congress) শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের ‘যত মত তত পথ’-এর কথাই শোনা গেল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের মুখে। এদিন তিনি বলেন, ‘‘হিন্দু ধর্মে অনেক মত রয়েছে, উপাসনার পদ্ধতি রয়েছে, এবং এর প্রত্যেকটিই হল ধর্মের উদাহরণ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘হিন্দু ধর্মের সমস্ত সম্প্রদায়কে শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে।’’ বসুধৈব কুটুম্বকমের কথাও শোনা যায় এদিন মোহন ভাগবতের মুখে। তিনি বলেন, ‘‘সমগ্র বিশ্ব হল একটি পরিবার। প্রত্যেককে আর্য তৈরি করতে হবে আমাদের।’’ সত্য এবং অহিংসা ব্রতের কথাও এদিন বলেন সঙ্ঘ প্রধান। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমরা সর্বত্র যাব, আমরা প্রত্যেক জনের হৃদয় স্পর্শ করার চেষ্টা করব। তাঁরা আমাদের সঙ্গে সহমত হতেও পারেন অথবা নাও হতে পারেন। কিন্তু প্রত্যেকের সঙ্গেই আমরা যোগাযোগ রাখব।’’

    ধন বিজয় ও অসুর বিজয় কী জিনিস?

    প্রসঙ্গত প্রতি চার বছর অন্তর বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনের (World Hindu Congress) আয়োজন করা হয়। চলতি বছরের তা অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাইল্যান্ডের রাজধানীতে। বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনের (World Hindu Congress) উদ্যোগ নেয় ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’। আজ শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে এই সম্মেলন এবং তা চলবে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত। ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে ধর্মই যে হল কর্তব্যবোধ সেকথা আবারও বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনে স্মরণ করান মোহন ভাগবত। এদিন মোহন ভাগবত আবারও একবার বলেন, ‘‘ভারতবর্ষ সাক্ষী থেকেছে ধন বিজয়ের অর্থাৎ (বস্তুগত দখলের) এবং অসুর বিজয়ের অর্থাৎ আগ্রাসনের।’’ সঙঘ প্রধান বলেন, ‘‘কোনও কিছু দখল করার উদ্দেশ্য হল পার্থিব সুখ এবং এই কারণেই জনগণ একে অপরের সঙ্গে লড়াই করে। আমরা এর সাক্ষী রয়েছি। আমরা অসুর বিজয়েরও (আগ্রাসন) সাক্ষী রয়েছি। যা ভারতীয় সমাজকে পাঁচ হাজার দুশো বছর ধরে শাসন করেছে। তারা আমাদের ভূমিকে ধ্বংস করেছে। আমরা আড়াইশো বছর ধরে সাক্ষী রয়েছি ধন বিজয়ের (বস্তুগত দখল) যখন আমাদের দেশকে লুট করা হয়েছে।’’

    ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান কী বললেন

    আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। সে নিয়েই বক্তব্য রাখেন স্বামী বিজ্ঞানানন্দ, যিনি কিনা ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যানও বটে। বিশ্ব হিন্দু সম্মেলনের (World Hindu Congress) প্রধান উদ্যোক্তাও তিনি। এদিনের ভাষণে বিজ্ঞানানন্দ বলেন, ‘‘রামমন্দির উদ্বোধনের ওই অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে ব্যাংককে এবং সারা পৃথিবীতে যত হিন্দু রয়েছেন, প্রত্যেকেই সাক্ষী থাকবেন ওই অনুষ্ঠানের। সেদিন কীর্তন, ভজন, পুজো এবং মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পবিত্র মুহূর্তটি পালন করা হবে।’’ সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্বামী বিজ্ঞানানন্দ বলেন, ‘‘অযোধ্যা থেকে আমাদের জন্য প্রসাদও আসবে ওইদিন। রামমন্দিরের ছোট রেপ্লিকা এখানে (ব্যাঙ্ককে) স্থাপন করা হবে। প্রসঙ্গত, ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৯ সালে এবং এর সদর দফতর হল নয়াদিল্লিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Netherlands Elections: নূপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই গির্ট ওয়াইল্ডার্স হতে চলেছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী!

    Netherlands Elections: নূপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই গির্ট ওয়াইল্ডার্স হতে চলেছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাসপেন্ডেড বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। বিশ্বে তাঁর পরিচিতি উগ্র দক্ষিণপন্থী ও ইসলাম বিরোধী রাজনীতিবিদ হিসেবে। ইসলামের কড়া সমালোচনা ও কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে প্রায়ই খবরের শিরোনামে থাকেন এই ডাচ রাজনীতিবিদ। এহেন গির্ট ওয়াইল্ডার্সই হতে চলেছেন নেদারল্যান্ডসের (Netherlands Elections) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

    কী বলছে এক্সিট পোল?

    সে দেশের সবকটি এক্সিট পোল বলছে, ওয়াইল্ডার্সের ‘পার্টি ফর ফ্রিডম’ই ডাচ পার্লামেন্ট নির্বাচনে সব চেয়ে বেশি আসন পেতে পারে। নেদারল্যান্ডস পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে আসন রয়েছে ১৫০। এর মধ্যে ওয়াইল্ডার্সের দল এবার ৩৫টি আসন পেতে পারে। যেহেতু তাঁর দলই হতে চলেছে একক বৃহত্তম দল, তাই ওয়াইল্ডার্সের নেতৃত্বেই হতে পারে জোট সরকার। ওয়াইল্ডার্স বলেন, “ফ্রিডম পার্টিকে এখন আর অবহেলা করা যাবে না। এখন আমরা দেশ চালাব। আমরা দেশ শাসন করতে চাই। ৩৫টি আসন দিয়েই আমরা দেশ শাসন করব। ৩৫টি আসন অনেক বড় বিষয় এবং অনেক বড় দায়িত্বও।” তিনি বলেন, ডাচ (Netherlands Elections) ভোটাররা তাঁদের আশার পূরণের পক্ষে কথা বলেছেন।”

    দ্বিতীয় স্থানে বামপন্থী জোট

    ওয়াইল্ডার্সের দলের পরেই থাকতে পারে বামপন্থী জোট। তারা পেতে পারে ২৫টি আসন। তৃতীয় স্থানে থাকতে পারে দিলান ইয়েলিসগোজের নেতৃত্বাধীন মধ্য-ডানপন্থী দল। আর চতুর্থ স্থানটি পেতে চলেছে পিটার ওমটজিগটের নয়া রাজনৈতিক দল। এই তৃতীয় ও চতুর্থ দলের সমর্থন নিয়েই সরকার গড়তে পারেন ওয়াইল্ডার্স। কারণ বামপন্থী জোটের নেতা ফ্রাঁ টিমারম্যানস সাফ জানিয়েছেন, ফ্রিডম পার্টির সঙ্গে কোনও সমঝোতায় যাব না।

    ওয়াইল্ডার্স ঘোরতর ইসলাম বিরোধী হিসেবে পরিচিত। নেদারল্যান্ডসে বসবাসকারী মরক্কোর নাগরিকদের নিয়ে বৈষম্যমূলক মন্তব্য করায় ২০১৬ সালে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি। ইসলামের ধর্মগ্রন্থ কোরানকে তিনি হিটলারের ‘মাইন কাম্ফ’ গ্রন্থের সঙ্গে তুলনা করে সমালোচিত হন। ২০১৮ সালে হজরত মহম্মদকে নিয়ে কার্টুন প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে চেয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য সেই পরিকল্পনা বাতিল করেন। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের প্রচারে গিয়েও মসজিদ এবং মাথার স্কার্ফ নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন ওয়াইল্ডার্স।

    আরও পড়ুুন: “স্বার্থসিদ্ধি করতেই আদানিদের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল রাজ্যের”, ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর

    তিনি অবশ্য এও বলেছিলেন, “নেদারল্যান্ডসে ইসলাম নিষিদ্ধ করার চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামনে রয়েছে। জীবনযাপনের উচ্চ ব্যয় মোকাবিলার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।” প্রসঙ্গত, ইসলাম বিরোধী মন্তব্য করার পর যখন ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন নূপুর, তখন তাঁকে সমর্থন করেছিলেন এই ডাচ রাজনীতিবিদ (Netherlands Elections)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share