Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Kremlin: রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা! কাঠগড়ায় ইউক্রেন

    Kremlin: রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা! কাঠগড়ায় ইউক্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার (Russia) ওপর ড্রোন (Drone) হামলা! প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে লক্ষ্য করে ওই হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের আঙুল প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেনের (Ukraine) দিকে। রুশ প্রশাসন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের কোনও ক্ষতি হয়নি। তিনি সুস্থই রয়েছেন। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক অবশ্য রাশিয়ার এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, রাশিয়ার ড্রোন হামলার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই।

    ক্রেমলিনের (Kremlin) দাবি…

    বুধবার ক্রেমলিনের (Kremlin) তরফে জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মানববিহীন দুটি ড্রোন রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ক্রেমলিনে এসে ধাক্কা মারে। এর পরেই ড্রোন দুটিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। মস্কোর মেয়র বলেন, রাশিয়ার রাজধানীর ওপর দিয়ে কোনও বিমান কিংবা ড্রোনকে উড়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

    রাশিয়ার ওপর এই ড্রোন হামলার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ক্রেমলিনের ওপর আছড়ে পড়ছে দুটি ড্রোন। চোখ ধাঁধাঁনো আগুনের ঝলকানি মিলিয়ে যাওয়ার পর কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ। অবশ্য এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে রাশিয়ার দাবি, পুতিনকে হত্যা করতেই জোড়া ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। সঠিক সময়ে প্রত্যাঘাত করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুতিনের দেশ।

    আরও পড়ুুন: মানিক ভট্টাচার্যকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য সিবিআইয়ের, রিপোর্ট পেশ সুপ্রিম কোর্টে

    মস্কোর (Kremlin) অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে ইউক্রেন। সে দেশের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র মিখাইলো পোডোলাইক বলেন, ক্রেমলিনে ড্রোন হামলার সঙ্গে ইউক্রেনের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, ইউক্রেন ক্রেমলিনে হামলা চালায়নি। কারণ এতে মিলিটারি কোনও উদ্দেশ্য সাধন হবে না। তাঁর দাবি, এটা মস্কোর নাটক। তিনি বলেন, ইউক্রেনে বড় ধরনের হামলা চালানোর প্রস্তুতির আগে এটা রাশিয়ার একটা অজুহাত মাত্র। তিনি বলেন, ইউক্রেন কেবলমাত্র প্রতিরোধ করছে। রাশিয়া (Kremlin) ভূখণ্ডে ইউক্রেন এখনও পর্যন্ত হামলা চালায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buckingham Palace: তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠান! লন্ডন যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়

    Buckingham Palace: তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠান! লন্ডন যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লন্ডন যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। আগামী শুক্র এবং শনিবার ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসাবে হাজির থাকবেন তিনি। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে এ খবর জানিয়ে বলা হয়েছে, ‘‘ভারত এবং ব্রিটেনের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। অনেক মিল এবং পরিপূরকতা রয়েছে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থায়।’’

    কেমন হবে অনুষ্ঠান

    ২০২২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর  প্রয়াত হন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। রানির মৃত্যুর পরই ৭৩ বছর বয়সে রাজার গদি পান তৃতীয় চার্লস। রাজা হওয়ার ৮ মাস পরে, শনিবার রাজ্যাভিষেক হবে তৃতীয় চার্লসের। তাঁর রাজ্যাভিষেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশিষ্টজনদের। রাজ্যাভিষেকে আমন্ত্রণ পেয়েছে ভারতও। ব্রিটেনের রাজার শপথ গ্রহণে ভারতীয় সরকারের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। সে দিনই আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘কুইন কনসর্ট’ ঘোষণা করা হবে চার্লসের স্ত্রী ক্যামিলাকেও। প্রথামাফিক, ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবিতে এই অনুষ্ঠানের দায়িত্বে থাকবেন আর্চবিশপ অব ক্যান্টারবেরি।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ‘মোখা’ ! মে মাসেই কি ফের ঘূর্ণিঝড়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বাকিংহামের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৬ মে প্রায় ২ হাজার বিদেশি অতিথির সমাগম হবে। অনুষ্ঠানের দৈর্ঘ্য এক ঘণ্টা। ১৯৫৩ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অভিষেকের অনুষ্ঠানের থেকে অনেকটাই ‘ছোট মাপের’ হবে চার্লসের রাজ্যাভিষেক। রানির অভিষেকের অনুষ্ঠানে ছিলেন ৮ হাজার বিদেশি অতিথি। অনুষ্ঠান চলেছিল ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যেও আমন্ত্রিত ছিল ভারত। সেই সময় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ব্রিটেনে গিয়েছিলেন এবং রানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সমবেদনা জানিয়েছিলেন। এবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, আগামী ৫ ও ৬ তারিখ ব্রিটেন সফরে যাচ্ছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। আগামী ৬ মে ব্রিটেনের রাজা হিসাবে তৃতীয় চার্লস ও কুইন কনসর্ট হিসাবে তাঁর স্ত্রী ক্যামিলা শপথ গ্রহণ করবেন। সেই অনুষ্ঠানেই আমন্ত্রিত ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন উপরাষ্ট্রপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fatima Bhutto: ভাইরাল ছবি! বিয়ের পর হিন্দু মন্দিরে পুজো বেনজির ভুট্টোর ভাইঝি ফতিমার

    Fatima Bhutto: ভাইরাল ছবি! বিয়ের পর হিন্দু মন্দিরে পুজো বেনজির ভুট্টোর ভাইঝি ফতিমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের পর হিন্দু মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলেন পাকিস্তানের লেখিকা তথা প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টোর নাতনি ফতিমা ভুট্টো (Fatima Bhutto)। সম্পর্কে তিনি নিহত পাক (Pakistan) প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর (Benazir Bhutto) ভাইঝি। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টোর তুতো বোন।

    হিন্দু মন্দিরে পুজো

    গত শুক্রবার ঘরোয়াভাবেই তাঁর নিকাহর অনুষ্ঠান হয়। তারপরেই করাচির (Karachi) একটি মন্দিরে যান নবদম্পতি। নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় তাঁদের ছবি। সেই ছবি দেখে নেটিজেনদের অবশ্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। অনেকেই ফতিমার (Fatima Bhutto) আচরণের প্রশংসা করেছেন। তবে একাংশের মতে, ফতিমা কেন মন্দিরে গিয়েছেন। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, বিয়ের পর নবদম্পতি গিয়েছিলেন শিবমন্দিরে। সেখানে শিব লিঙ্গের মাথায় দুধ ঢালেন ফাতিমা ও তাঁর স্বামী গ্রাহাম জিব্রাম। করাচির হিন্দু সিন্ধি পরিবারগুলি ওই মন্দিরে পুজো দেয়। সেই মন্দিরে কট্টর মুসলিম ভুট্টো পরিবারের কোনও সদস্য পুজো দিচ্ছেন, এমন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। 

    নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা

    সদ্য ৪০ বছর বয়সী ফতিমার (Fatima Bhutto) সঙ্গে বিয়ে হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রামাম জিব্রানের। ফতিমার দাদু জুলফিকার ভুট্টোর লাইব্রেরিতে বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে অনেকেই তাঁদের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান। ফতিমা ও গ্রাহামকে সকলে আশীর্বাদ করুন, এমন আবেদনও জানান অনেকে। তবে নেটিজেনদের একাংশ আবার প্রশ্ন তুলেছে, প্রবল আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। এহেন পরিস্থিতিতে এইভাবে উদযাপন না করলেই ভাল হত। তবে এই প্রসঙ্গে ফতিমার তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের সভার আগেই তৃণমূলে ভাঙন, বিজেপিতে যোগ দিলেন বহু কর্মী

    ৪১ বছর বয়সি এই আমেরিকার নাগরিক বিয়ের আগে ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন। ইসলাম ধর্মগ্রহণের পর তাঁর নাম পরিবর্তন করে জিব্রান রাখা হয়েছে। পাকিস্তানের রাজনীতিতে ভুট্টো পরিবারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এই পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। পাকিস্তান পিপলস পার্টিতে ভুট্টো পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ১৯৭৯ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর জুলফিকার আলি ভুট্টোকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ভুট্টো পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস থাকলেও ফাতিমা ভুট্টো নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়াননি। তিনি একজন লেখক ও মানবাধিকারকর্মী হিসেবেই নিজেকে গড়ে তুলেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Maa Kali: মা কালী পোস্টার বিতর্কে এবার ক্ষমা চাইল ইউক্রেন, ট্যুইটে দুঃখ প্রকাশ

    Maa Kali: মা কালী পোস্টার বিতর্কে এবার ক্ষমা চাইল ইউক্রেন, ট্যুইটে দুঃখ প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা কালী (Maa Kali) পোস্টার বিতর্কে এবার ক্ষমা চাইল ইউক্রেন (Ukraine)। ইউক্রেনের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী এমিন ঝোপার একটি ট্যুইট করে দুঃখ প্রকাশ করেন। বিতর্কিত ট্যুইটটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন ঝোপার। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, ইউক্রেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক ট্যুইটে হিন্দু দেবী কালীকে বিকৃতভাবে দেখানো হয়েছিল। সেই ট্যুইটের জন্য আমরা দুঃখিত। ইউক্রেন এবং এ দেশের জনগণ অনন্য ভারতীয় সংস্কৃতিকে সম্মান করে এবং আমাদের প্রতি ভারতের (India) সমর্থনের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। সেই বিতর্কিত ছবিটি ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মা কালীর (Maa Kali) বিকৃত ছবি… 

    সম্প্রতি ট্যুইটারে একটি স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, দুটি ছবির কোলাজ। কোলাজের একদিকে ধোঁয়ার মতো পাক খাওয়া মেঘ। অন্য দিকে মেঘের মধ্যে থেকে মা কালীর (Maa Kali) বিকৃত ছবি। ওই ছবিতে মা কালীর বেশ মেরিলিন মনরোর মতো। গলায় মুণ্ডমালা। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি ভাইরাল হতেই ভারতে শুরু হয় বিতর্ক। মা কালীর ওই ছবি পোস্ট করা হয়েছিল ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে। এহেন আবহে ভারতীয় নেটিজেনরা, বিশেষকরে সনাতনী হিন্দুরা দাবি তুলেছিলেন, ইউক্রেনকে যাতে ভবিষ্যতে আর কোনও সাহায্য না করে ভারত। এর পরে পরেই পোস্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

    এ প্রসঙ্গে ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সিনিয়র উপদেষ্টা কাঞ্চন গুপ্তা বলেন, ভারতের থেকে সাহায্য চাইতে সম্প্রতি দিল্লিতে এসেছিলেন ইউক্রেনের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী। সেই মুখোশের পিছন থেকে ইউক্রেন সরকারের বাস্তব রূপটা বেরিয়ে এসেছে। একটি প্ররোচনামূলক পোস্টারে মা কালীর (Maa Kali) ক্যারিকেচার পোস্ট করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সমস্ত হিন্দুর ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। এর পরে পরেই ক্ষমা চেয়ে নিল ইউক্রেন (Ukraine)।

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের সভার আগেই তৃণমূলে ভাঙন, বিজেপিতে যোগ দিলেন বহু কর্মী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarek Fatah: ধর্মীয় বিভাজন এবং ইসলামি চরমপন্থার কঠোর সমালোচক ছিলেন তারেখ ফাতেহ

    Tarek Fatah: ধর্মীয় বিভাজন এবং ইসলামি চরমপন্থার কঠোর সমালোচক ছিলেন তারেখ ফাতেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারেক ফাতেহ (Tarek Fatah) জন্মসূত্রে পাকিস্তানি হলেও মননে একজন ভারতীয় হিন্দুস্থানি। অত্যন্ত বিদগ্ধ বক্তা, লেখক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, গবেষক এবং কট্টর জেহাদিদের বিশেষ সমালোচক ছিলেন তারেক ফাতেহ (Tarek Fatah)। তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালের ২০ নভেম্বর এবং মৃত্যু ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল। পৈতৃক বাসস্থান ছিল অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে। মুসলমান পাঞ্জাবি পরিবারে জন্ম। পাকিস্তানের করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জৈব রসায়নে ডিগ্রি। ১৯৬০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলনে যোগদান করেন। ৭৩ বছরের অতিহাবিত করার পর মারণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তাঁর জীবনাবসান ঘটে।

    জীবনাদর্শ

    ভারতীয় সংস্কৃতির একক সূত্রকে অনুভব করতেন তিনি (Tarek Fatah) এবং এই সংস্কৃতি ভারতকে বিশ্বের সঙ্গে এবং বিশ্বকে ভারতের সঙ্গে এক সূত্রে বাঁধতে পারে বলে বিশ্বাস করতেন। ভারতের ধর্মীয় বিভাজন এবং জেহাদি ইসলামি চরমপন্থার কঠোর সমালোচক ছিলেন। ইসলামি শরিয়াবিধি শাসনের ছিলেন তীব্র বিরোধী। পাকিস্তান রাষ্ট্রের পরিকাঠামো, উন্নয়ন এবং সামজিক প্রগতিশীলতা নিয়ে গভীর চিন্তার রেখাপাত ঘটেছে বিভিন্ন সময়ে তাঁর লেখা এবং বক্তৃতায়। আর এজন্য পাকিস্তানের জেহাদি কট্টরপন্থীরা বেশ কয়েকবার হামলা চালায় তাঁর উপর।

    সাংবাদিকতা ও রাজনীতি

    ১৯৭০ সালে ‘করাচি সান’ পত্রিকায় বিশেষ লেখালেখির কাজ শুরু করেন। পরে পাকিস্তানের টেলিভিশন সংবাদ মাধ্যমে বিশেষ তদন্তমূলক সংবাদ প্রকাশনার কাজ শুরু করেন। তাঁর (Tarek Fatah) বিতর্কিত সরকার বিরোধী মনোভাব সম্পর্কে লেখালেখির জন্য জিয়া-উল-হক পাক সরকার তাঁর লেখালেখি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাঁর উপর বিশেষ নিষেধজ্ঞা জারি করে। এরপর ১৯৮৭ সালে পাকিস্তান ছেড়ে প্রথমে সৌদি আরব এবং পরে কানাডায় চলে যান। সেখানে গিয়ে ২০০৬ সালে NDP ছেড়ে রাজনৈতিক দল Liberal Party Of Canada’s Leadership-এ যোগদান করেন। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত টরন্টো রেডিও স্টেশন ‘CFRB নিউজ টক ১০১০’ তে কাজ করেছেন। পাশাপাশি ২০২১ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত টরন্টো সান নিউজ নেটওয়ার্কে সম্প্রসারণের কাজ করতেন। ২০১৮ সালে থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি (Tarek Fatah) ‘হোয়াট দ্য ফাতেহ’ নামে নিউ দিল্লি টাইমস নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে নিয়মিত বক্তৃতা রাখতেন। তাঁর বক্তব্য এবং বিষয়ের বিশ্লেষণ কট্টরপন্থীদের বিরুদ্ধে এবং মানবতার পক্ষে থাকত।

    প্রগতিশীল চিন্তাবিদ এবং লেখক 

    পাকিস্তান রাষ্ট্র নির্মাণের পিছনে যে সংকীর্ণ দ্বিজাতিতত্ত্ব সক্রিয় ছিল, সেই বিষয়কে তাঁর (Tarek Fatah) সময় দিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করতেন। দেশ বিভাজন এবং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করে তুলতেন। ভারতের কাশ্মীর প্রসঙ্গে তাঁর ভাবনা ছিল খুব স্পষ্ট। কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক জঙ্গিদের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং নাশকাতামূলক কাজে ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করতেন। তাঁর লেখা বইগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল “চেজিং এ মিরাজ: দ্য ট্রাজিক ইলিউজন অফ অ্যান ইসলামিক স্টেট” ২০০৮ এবং “দ্য জিউ ইজ নট মাই এনিমি: অ্যান লেভিং দ্য মিথস দ্যাট ফুয়েল মুসলিম অ্যান্টি-সেমিজম” ২০১০। শুধু তাই লেখার সাহিত্যগুণে বার্ষিক হেলেন, স্যান ভাইন কানাডিয়ান সাহিত্য পুরস্কারের মতো বিশেষ সম্মান পান ফাতেহ সাহেব।

    মৃত্যুর পর বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া

    পাঞ্জাবের সিংহ, হিন্দুস্থানের পুত্র, কানাডাপ্রেমী এবং সত্যের জন্য বিশিষ্ট বক্তা বলে মৃত্যুর পর সম্মাজ্ঞাপক শব্দ নিবেদন করেন তাঁর কন্যা। তারেক ফাতেহের (Tarek Fatah)  মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরকার্যবাহ শ্রী দত্তাত্রেয় হোসাবলে বলেন, উনি একজন বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, লেখক এবং অত্যন্ত সুবক্তা ছিলেন। সাহিত্য রচনা এবং সংবাদ মাধ্যমে তাঁর অবদান খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিজের ব্যক্তিত্বের ভাবনা দিয়ে সমাজের কাছে প্রয়োজনীয় বিষয় উপস্থাপন করতেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ukraine Maa Kali Controversy: মা কালীর বিকৃত ছবি পোস্ট! ভারতীয়দের তীব্র প্রতিবাদে ট্যুইট মুছল ইউক্রেন

    Ukraine Maa Kali Controversy: মা কালীর বিকৃত ছবি পোস্ট! ভারতীয়দের তীব্র প্রতিবাদে ট্যুইট মুছল ইউক্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার মা কালীর বিকৃত ছবি (Ukraine Maa Kali Controversy) পোস্ট করা হয় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যাণ্ডেল থেকে। যার জেরে সোশাল মিডিয়ায় উঠল প্রতিবাদের ঝড়। নেটিজেনদের প্রবল সমালোচনা এবং প্রতিবাদের মুখে পড়ে পোস্টটি অবশ্য সরিয়ে নেয় ইউক্রেন। যদিও ততক্ষণে ভাইরাল হয়ে যায় ওই ছবি।

    মা কালীর বিকৃত ছবি (Ukraine Maa Kali Controversy)…

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পোস্ট করা ছবিতে দু’টি অংশ দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি দুটি অংশের মধ্যে প্রথমটিতে আকাশ জুড়ে ঘন কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে। দ্বিতীয় অংশের ছবিতে উল্লম্ব মেঘের মধ্যে থেকে একজন মহিলাকে উঠে আসতে দেখা গিয়েছে। নারী মূর্তি জিভ বের করে আছেন, গলায় মুণ্ডমালা এবং যাঁর চুলের স্টাইল কিংবদন্তী হলিউড অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর মতো।

    তীব্র ক্ষোভ নেটিজেনদের

    আর এই ছবি মাইক্রো ব্লগিং সাইটে পোস্ট হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নেটিজেনরা। হিন্দুদের ভাবাবেগে চরম আঘাত বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে ইউক্রেনকে বিভিন্ন ইস্যুতে সাহায্য করা উচিত কিনা, তাই নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নেট নাগরিকরা। এক নেটিজেন লেখেন, ‘‘এই কারণে ভারতকে পাশে পায় না ইউক্রেন।” আরেক জন লেখেন, “আমাদের বিশ্বাস ইউক্রেনের কাছে ব্যঙ্গের উপকরণ! এটাই তাদের কাছে Work of Art?” অপর এক নেটিজেন বলেন, “১৪০ কোটি ভারতবাসীর বিশ্বাসে আঘাত করেছে এই বিকৃত ছবি। ইউক্রেনও হিন্দু ফোবিয়ায় আক্রান্ত!” শুধু তাই নয়, এই ইস্যুতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর ও ট্যুইটারের CEO ইলন মাস্কের কড়া পদক্ষেপ দাবি করেছেন নেটিজেনরা। 

    কী বলল ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক?

    এই ইস্যুতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের এক সর্বোচ্চ আধিকারিক লেখেন, “কয়েকদিন আগেই ইউক্রেনের উপ বিদেশমন্ত্রী দিল্লিতে এসেছিলেন। ভারতের কাছে সাহায্যও চান তিনি। কিন্তু তারপর যেটা হল, তাতে ইউক্রেনের আসল চেহারা বেরিয়ে পড়েছে। ব্যঙ্গচিত্রের নামে গোটা বিশ্বের হিন্দুদের অনুভূতির উপর হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BBC: বিবিসির চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা ঘোষণা রিচার্ড শার্পের

    BBC: বিবিসির চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা ঘোষণা রিচার্ড শার্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করার কথা ঘোষণা করলেন বিবিসির (BBC) চেয়ারম্যান রিচার্ড শার্প। প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে ৮০ হাজার পাউন্ডের একটি ব্যাঙ্ক ঋণ পাইয়ে দিতে তিনি সাহায্য করেছিলেন। এজন্য তিনি অনিয়ম করেছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বীকার করে নিয়ে শুক্রবার পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন রিচার্ড শার্প।

    বিবিসির (BBC) চেয়ারম্যানের দাবি…

    পদত্যাগপত্রে অবশ্য ‘স্বীকারোক্তি’ দেননি তিনি। তাতে তিনি দাবি করেছেন, এটি ছিল একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিসের সঙ্গে কোম্পানির চেয়ারম্যানের এই গোপন বোঝাপড়া প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিবিসির ব্রিটেন শাখার কর্মীদের একটা বড় অংশ। তার পরেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন রিচার্ড শার্প। তবে এখনই পদ থেকে সরে যাচ্ছেন না তিনি। নয়া চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেওয়ার আগে পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে যাবেন শার্প। পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘোষণার সময় বিবিসির চেয়ারম্যান জানান, বিবিসির স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

    তাঁর (BBC) দাবি, সচেতনভাবে কোনও অনিয়ম তিনি করেননি। এটি ছিল অনিচ্ছাকৃত ভুল। রিচার্ড শার্প মনে করেন, তাঁর মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিবিসির এই পদে থাকলে তা বিভ্রান্তিকর হতে পারে। প্রসঙ্গত, বিবিসি যখন কোনও চেয়ারম্যান নিয়োগ করে, তখন তাঁর মনোনয়ন আসে সরকারের কাছ থেকে। কিন্তু একটি বোর্ডের কাছে ওই ব্যক্তিকে সরকারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথাটি স্পষ্ট করে জানাতে হয়। কিন্তু রিচার্ড শার্প যখন চেয়ারম্যান হন, তখন তিনি ঋণের বিষয়টি চেপে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবিসির (BBC) চেয়ারম্যান পদে বসেন শার্প। মেয়াদ ছিল চার বছর। তার আগেই পদত্যাগ করতে হল তাঁকে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সরকারকে তাঁর উত্তরসূরি খোঁজার জন্য সময় দিয়েছেন শার্প। কিছুদিন আগেই একবার ব্যাপক চর্চার কেন্দ্রে চলে এসেছিল বিবিসি। ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোয়েশ্চন’ নিয়ে একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেছিল বিবিসি। সেখানে গুজরাট হিংসা নিয়ে মোদির ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছিল। যার জেরে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। বিবিসির ওই তথ্যচিত্র প্রদর্শন নিয়ে অশান্তিও হয়েছে দেশের বিভিন্ন অংশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Operation Kaveri: যুদ্ধ বিধ্বস্ত সুদান! আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারকাজে বায়ুসেনা ও নৌসেনা

    Operation Kaveri: যুদ্ধ বিধ্বস্ত সুদান! আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারকাজে বায়ুসেনা ও নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে বিধ্বস্ত সুদান থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারকাজ (Operation Kaveri) চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা বাহিনী। তৃতীয় দফায় ভারতীয়দের উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করেছে সেনা। বুধবার ভোরে সুদানে আটকে থাকা মোট ১৩৫ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করে বায়ুসেনার আইএএফ সি-১৩০জে বিমানে করে সৌদি আরবের জেদ্দায় আনা হয়।

    অপারেশন কাবেরী

    সোমবারই সুদানে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়ে দেন গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত সুদান থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে আনার সিদ্ধান্তের কথা। প্রথম পর্যায়ে সেই কাজ শুরুও হয়েছে। এবার ‘অপারেশন কাবেরী’-র (Operation Kaveri) দ্বিতীয় পর্যায়ে সুদান বন্দরের বাকি ২৫০ জন ভারতীয়কে বিমান বাহিনীর দুটি আইএ এফ সি-১৩০ জে ( IAF C-130 J) হারকিউলিস বিমানের সাহায্যে ফিরিয়ে আনা হয়। তাদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ভি মুরলীধরন। মঙ্গলবারই বিদেশ প্রতিমন্ত্রী সৌদি আরবের জেদ্দায় ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ান স্কুল, যেখানে ভারতীয়দের সাময়িকভাবে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখেন।

    চলছে উদ্ধারকাজ

    ভারতীয় দূতাবাসের প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত প্রায় ৭০০ ভারতীয় সুদানের বন্দরে এসে পৌঁছেছেন। আরও অন্তত পাঁচশো ভারতীয় বন্দরে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন। এদের মধ্যে একটি অংশকে নিয়েই প্রথম উদ্ধার অভিযান শুরু করে আইএনএস সুমেধা। ভারতীয় নৌ-সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, আইএনএস সুমেধা কমপক্ষে তিনবার সুদান থেকে জেদ্দা যাতায়াত করবে। যত সম্ভব ভারতীয়দের নিয়ে সুদানের বন্দর থেকে রওনা দেবে আইএনএস সুমেধা। উত্তর ও দক্ষিণ সুদানে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধারে অবশ্য অন্য রাস্তা ভাবতে হয়েছে বিদেশমন্ত্রককে। সৌদি আরব, ফ্রান্স, আমেরিকা, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি মতো বন্ধু দেশগুলির মাধ্যমে তাঁদের উদ্ধার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উত্তর সুদান থেকে বেশ কয়েকজন ভারতীয়কে উদ্ধার করেছে সৌদি আরব, আমেরিকা ও ফ্রান্স।

    সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফতাহ আল-বুরহান এবং আধাসেনা আরএসএফ বাহিনীর প্রধান মহম্মদ হামদান ডাগলো ওরফে হেমেত্তির বাহিনীর লড়াইয়ে নিহতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই হাজার ছুঁতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু বিদেশি নাগরিকেরাই নয়, রাজধানী খার্তুম এবং তার ‘যমজ শহর’ ওমদুরমান-সহ সুদানের বিভিন্ন শহর থেকে সাধারণ মানুষও পালাতে শুরু করেছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh President: বাংলাদেশের নয়া রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন সাহাবুদ্দিন

    Bangladesh President: বাংলাদেশের নয়া রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন সাহাবুদ্দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া রাষ্ট্রপতি পেল বাংলাদেশ (Bangladesh President)। সোমবার দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মহম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তাঁর অধীনেই হবে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। চলতি বছরই ওই নির্বাচন হওয়ার কথা। এদিন বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী বেলা ১১টায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে শপথ নেন সাহাবুদ্দিন। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বর্তমানে বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে আওয়ামি লিগ। ১২ ফেব্রুয়ারি সাবাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেয় ক্ষমতাসীন দল। অন্য কোনও দল প্রার্থী না দেওয়ায় নির্বাচিত হন সাহাবুদ্দিন। ১৩ ফেব্রুয়ারি তাঁকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। এদিন নিলেন শপথ। সাহাবুদ্দিন ছিলেন দেশের প্রাক্তন বিচারপতি। ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাও। তিনি রাজনীতিবিদও। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠও তিনি।

    নয়া রাষ্ট্রপতিকে (Bangladesh President) অভিনন্দন…

    দেশের নয়া রাষ্ট্রপতিকে (Bangladesh President) অভিনন্দন জানিয়েছেন আওয়ামি লিগের নেতারা। তবে দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির তরফে এখনও কেউ অভিনন্দন জানাননি সাহাবুদ্দিনকে। নির্দল সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। আওয়ামি লিগ সরকারের ইস্তফাও দাবি করেছেন বিএনপি নেতৃত্ব। বাংলাদেশের বয়স ৫২ বছর। সাহাবুদ্দিন হলেন ২২তম রাষ্ট্রপতি। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ জিল্লুরর রহমানের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমে ৪১দিন দায়িত্ব সামলান আবদুল হামিদ। তার পরের দুটো টার্মেই তিনি ছিলেন রাষ্ট্রপতি। আবদুল হামিদই একমাত্র ব্যক্তি যিনি পর পর দুটো টার্ম অলঙ্কৃত করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদ।

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    সাহাবুদ্দিনের (Bangladesh President) জন্ম ১৯৪৯ সালে, পাবনায়। ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন ছাত্রলিগের পাবনা জেলা সভাপতি। পরে হন পাবনা জেলা যুবলিগের সভাপতি। পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। পরে যোগ দেন বিচারবিভাগে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হত্যা মামলার বিচার চলাকালীন আইন মন্ত্রণালয় তাঁকে সমন্বয়কারী হিসেবে নিযুক্ত করেন। বিচার বিভাগের  বিভিন্ন পদে ২৭ বছর চাকরি করার পরে অবসর নেন জেলা আদালতের বিচারপতি হিসেবে। আওয়ামি লিগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যও ছিলেন তিনি। এবার হলেন দেশের রাষ্ট্রপতি।

     

    শের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Earthquake: জোরালো ভূমিকম্প নিউজিল্যান্ডে! জারি সুনামি সতর্কতা

    Earthquake: জোরালো ভূমিকম্প নিউজিল্যান্ডে! জারি সুনামি সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোরালো ভূমিকম্প নিউজিল্যান্ডে। জারি করা হল সুনামির সতর্কতা। ভারতীয় সময় সোমবার ভোর ৬টা ১১ মিনিট নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলের কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.২। সঙ্গে সঙ্গেই ওই দ্বীপরাষ্ট্রটিতে সুনামির সতর্কতা জারি করেছে সংশ্লিষ্ট দফতর। 

    সুনামি সতর্কতা

    নিউজিল্যান্ডের কারমাডেক দ্বীপে এই তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। গতকাল সকালে ইন্দোনেশিয়ায় তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.১। আতঙ্কিত হয়েছিলেন বাসিন্দারা। যদিও হতাহতের তেমন খবর পাওয়া যায়নি। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফে ট্যুইট করে কম্পনের কথা জানানো হয়েছে। তারা জানিয়েছে, এই কম্পনের উৎসস্থল ছিল মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। 

    ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা

    ভোরবেলা ভূমিকম্পের ফলে কী কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, কেউ এর ফলে আহত হয়েছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আমেরিকার সুনামি সতর্কতা দফতর এই ভূমিকম্পের পর সুনামির সতর্কতা জারি করেছে। তারা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল দ্বীপের ১০ কিলোমিটার গভীরে হওয়ায় সমুদ্রে তার প্রভাব পড়তে চলেছে। ফলে নিউজিল্যান্ডে সুনামির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। দ্বীপের বাসিন্দা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের কারমাডেক দ্বীপে গত মাসেও জোরালো ভূমিকম্প হয়েছিল। সে বার রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.১। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পর পর ৭-এর অধিক মাত্রার এমন ভূমিকম্প চিন্তা বাড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের।

    আরও পড়ুন: প্রথমবার ভারতে আসছেন জো বাইডেন, কেন জানেন?

    ভারতেও ভূমিকম্প

    এদিন ভারতের মেঘালয়ের দক্ষিণ গারো পাহাড়েও অনুভূত হয়েছে মৃদু কম্পন। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৩.৫। সোমবার ভোর তিনটে নাগাদ অনুভূত হয় কম্পন। গত কয়েক মাস ধরেই এশিয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একাধিক দেশে ভূমিকম্প হয়ে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share