Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Joe Biden: প্রথমবার ভারতে আসছেন জো বাইডেন, কেন জানেন?

    Joe Biden: প্রথমবার ভারতে আসছেন জো বাইডেন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেপ্টেম্বরে প্রথমবার ভারত (India) সফরে আসতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। বাইডেনের এই সফর ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নয়া মাত্রা যোগ করবে বলে আশাবাদী দুই দেশই। চলতি বছর জি-২০ (G-20) সম্মেলনে সভাপতিত্ব করছে ভারত। এই সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন করায় ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইডেনের দেশ।

    আসছেন জো বাইডেন (Joe Biden)…

    সেপ্টেম্বরেই হতে চলেছে জি-২০ লিডার্স সামিট। সেই সামিটেই যোগ দিতে ভারত সফরে আসছেন বাইডেন। দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু এ খবর জানান। লুয়ের মতে, চলতি বছর ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নয়া যুগের সূচনা হতে চলেছে। তারই প্রথম প্রকাশ সেপ্টেম্বরে জি-২০ লিডার্স সামিটে হতে চলেছে। সেই মঞ্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্টও।

    লু বলেন, আমি জানি, আমাদের প্রেসিডেন্ট (Joe Biden) সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে যাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে রয়েছেন। জি-২০ লিডার্স সামিটে অংশ নিতে গিয়ে এটাই তাঁর প্রথম ভারত সফর হতে চলেছে। তিনি বলেন, আগামিদিনে যা যা হবে, তার কথা ভেবে আমরা এখনই রোমাঞ্চ অনুভব করছি।

    আরও পড়ুুন: রবীন্দ্রজয়ন্তীতে সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন অমিত শাহ?

    ইতিমধ্যেই ভারত ঘুরে গিয়েছেন সেক্রেটারি অফ স্টেট টোনি ব্লিঙ্কেন, ট্রেজারি সেক্রেটারি জ্যানেট ইল্লেন এবং কমার্স সেক্রেটারি জিনা রাইমোন্ডোরা। দিল্লির ইন্ডিয়া-ইউএস ফোরামেও উপস্থিত ছিলেন তাঁরা। তার জেরে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক হয়েছে দৃঢ়। এমতাবস্থায় ভারতে আসতে চলেছেন বাইডেন।

    লু বলেন, মার্চে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কোয়াড সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয়। চারটি দেশের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ে হয়েছিল ওই বৈঠক। কোয়াড বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের এটাই ছিল প্রথম পাবলিক ডিসকাশন। ওই বৈঠকে ইন্দো-প্যাশিফিক অঞ্চলের বাসিন্দাদের সমর্থনে একজোট হয়েছিলেন চার দেশের বিদেশমন্ত্রীরা। তিনি বলেন, গত মাসে জি-২০ সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ভারতের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। চলতি বছর জি-২০র আরও যেসব সম্মেলন হবে, তাতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য আমরা মুখিয়ে রয়েছি। এর মধ্যেই রয়েছে সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লি লিডার্স সামিট (Joe Biden)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balochistan: চিন-পাকিস্তানের ৬টি মোবাইল টাওয়ারে আগুন বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের

    Balochistan: চিন-পাকিস্তানের ৬টি মোবাইল টাওয়ারে আগুন বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) এবং পাকিস্তানের (Pakistan) বিভিন্ন কোম্পানির ৬টি মোবাইল টাওয়ারে আগুন লাগিয়ে দিল বালুচিস্তান (Balochistan) লিবারেশন ফ্রন্ট। টাওয়ারগুলি ছিল বালুচিস্তান প্রদেশের কেচা জেলার তহশিল দস্ত এলাকায়। বুধবার এমনই দাবি করেছে বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট পাকিস্তানি মোবাইল কোম্পানি ইউফোন এবং চিনা কোম্পানি জংয়ের মোবাইল টাওয়ারে হামলাও চালিয়েছে। এই টাওয়ারগুলি রয়েছে কেচা জেলার দস্ত ক্যাম্বেল, জান মহম্মদ বাজার, প্রিন্ট বাজার এবং জরিনবাগ এলাকায়। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের দাবি, ওই টাওয়ারগুলির সমস্ত মেশিনারি জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। চিন পাকিস্তান ইকনোমিক করিডরে থাকা ইউফোনের একটি টাওয়ার এবং সাংগাই বাজার এলাকায় জং কোম্পানির একটি মোবাইল টাওয়ারও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের।

    বালুচিস্তান (Balochistan)…

    বালুচিস্তানের (Balochistan) বিভিন্ন এলাকায় যৌথভাবে মোবাইল নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চাইছে চিন ও পাকিস্তান। গোয়েন্দা ও সৈন্যদের স্বার্থেই এটা করতে চাইছে দুই প্রতিবেশী দেশ। বালুচিস্তানের বাসিন্দাদের ওপর নজরদারি চালানোর জন্যও ওই টাওয়ারগুলি ব্যবহার করা হয়। চিন পাকিস্তান ইকনোমিক করিডর রক্ষা করা ও মোবাইল টাওয়ারগুলি বসানোর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বালুচিস্তান ও বালুচদের উন্নতি প্রকল্পেই এই টাওয়ারগুলি বসানো হয়েছিল। প্রশাসন এও প্রচার করেছিল, এলাকায় লুঠতরাজ রুখতে এবং বালুচবাসীর সম্পদ রক্ষার স্বার্থেই বসানো হয়েছিল টাওয়ার।

    আরও পড়ুুন: জনসংখ্যার নিরিখে চিনকে টপকে গেল ভারত, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    ২০২১ সালের জুন মাসেও বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট দাবি করেছিল, এলাকায় মোবাইল টাওয়ার বসাতে যাওয়ায় মার্গেটস চোখবি ওয়াধা কোম্পানি মোবাইল টাওয়ারে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল তাদের যোদ্ধারা। ধরে নিয়ে গিয়েছিল ওই মোবাইল কোম্পানির ৬ জন সদস্যকেও। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের মুখপাত্র আজাদ বালুচ জানিয়েছিলেন তাঁরা যাঁদের ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁরা হলেন গুল শাহ খান, আবদুল আদি এবং কোয়েট্টার বাসিন্দা মেহরাজ, জোব কুইলা সইফুল্লা, কোয়েট্টারই মহম্মদ ইউসুফ, গুজরাটের আমানত আলি এবং কুইলা সফিউল্লার রহমতউল্লা। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট এও জানিয়েছিল দখলিকৃত বালুচিস্তানে (Balochistan) চিন এবং পাকিস্তানের কোনও কোম্পানি যেন মোবাইল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা না করে। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মোবাইল টাওয়ার বসাচ্ছে চিন। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, তারই প্রতিশোধ নিতে এদিন জ্বালিয়ে দেওয়া হল ৬টি মোবাইল টাওয়ার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: ব্যবসা সংক্রান্ত জালিয়াতির মামলায় টানা ৭ ঘণ্টা জেরা ট্রাম্পকে

    Donald Trump: ব্যবসা সংক্রান্ত জালিয়াতির মামলায় টানা ৭ ঘণ্টা জেরা ট্রাম্পকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন আমেরিকার (America) প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এর আগে পর্নতারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ঘুষ দেওয়ার মামলায় অভিযুক্ত হয়ে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে গিয়েছিলেন তিনি। আর এবার ব্যবসা সংক্রান্ত জালিয়াতির অভিযোগের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার রাতে ঘণ্টা সাতেক ধরে জেরা করা হয় তাঁকে। জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব শেষে রিপাবলিকান পার্টির এই নেতার আইনজীবী ক্রিস্টোফার কিস বলেন, আমার মক্কেলের কাছে তাঁর অসাধারণ ব্যবসায়িক সাফল্যের কাহিনি জানতে চাওয়া হয়েছিল।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)…

    কেবল ট্রাম্প নন, তাঁর বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র এবং কন্যা ইভাঙ্কাও এই মামলায় অভিযুক্ত। গত বছরের শুরুর দিকে নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস জানিয়েছিলেন, তদন্তে তিনি দেখেছেন, একাধিকবার ট্রাম্পের সংস্থা ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সম্পত্তির অতিরিক্ত মূল্য দেখিয়েছে। আবার সেই সম্পত্তিরই দাম কম দেখিয়ে আয়করে ছাড় পেয়েছে। নানা সময়ে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেই তদন্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ। ওই বছরেরই ফেব্রুয়ারি মাসে নিউ ইয়র্কের একটি আদালতের বিচারক নির্দেশ দিয়েছিলেন, পারিবারিক ব্যবসা সংক্রান্ত জালিয়াতির মামলায় ট্রাম্প (Donald Trump) ও তাঁর  ছেলেমেয়েদের অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতরে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হবে এবং বয়ান নথিভুক্ত করতে হবে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিন’, সুনককে বললেন মোদি

    প্রসঙ্গত,  স্টর্মির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের পরে ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় তাঁর মুখ বন্ধ করতে তাঁকে ট্রাম্প ১ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার ঘুষ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দায়ের হয় মামলা। গ্রেফতারও হয়েছিলেন। পরে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে আদালত। এদিকে, তথ্য গোপনে ব্যর্থতার অভিযোগে ক্ষতিপূরণ দাবি করে তাঁর প্রাক্তন আইনজীবী মাইকেল কোহেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ট্রাম্প (Donald Trump)। কমপক্ষে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিলেন তিনি। মাইকেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও এনেছেন ট্রাম্প।

    মিয়ামির ফেডারেল আদালতে ট্রাম্পের দায়ের করা মামলা নিয়ে মুখ খুলেছেন মাইকেলের আইনজীবী ল্যানি ডেভিস। তাঁর দাবি, ট্রাম্পের অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রাক্তন আইনজীবীকে ভয় দেখাতে ট্রাম্প বিচার ব্যবস্থার অপব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ ল্যানির। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২১ এপ্রিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IMF: ‘ভারতের অর্থনীতি খুবই মজবুত, আর্থিক বৃদ্ধির হারও ভাল’, মত আইএমএফ কর্তার

    IMF: ‘ভারতের অর্থনীতি খুবই মজবুত, আর্থিক বৃদ্ধির হারও ভাল’, মত আইএমএফ কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) অর্থনীতি খুব মজবুত। আর্থিক উচ্চ বৃদ্ধির হার সহ ভারত এই মুহূর্তে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভাল স্থানে রয়েছে। মঙ্গলবার কথাগুলি বলেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (IMF) বিভাগীয় প্রধান ড্যানিয়েল লে। এদিন ভারতীয় অর্থনীতির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ভারতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও ভালো অর্থনীতি বলেও অভিহিত করেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের বিভাগীয় প্রধান। ভারতের অর্থনীতির ওপর ভরসা রাখার কথাও জানান তিনি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের এই কর্তা বলেন, ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির হার ভালই রয়েছে। ২০২২ সালে এই হার ছিল ৬.৮। তিনি বলেন, ভুলে গেলে চলবে না যে ভারত বিশ্ব অর্থনীতিতে এখন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়েছে।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার (IMF)…

    এদিনই আইএমএফ (IMF) ২০২৩-২৪ সালের জন্য তার আর্থিক বৃদ্ধির হার আগের ৬.১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫.৯ শতাংশ করেছে। কিন্তু উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও ভারত বিশ্বের সব চেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকে অর্থনীতি হিসেবে উঠে এসেছে। সম্প্রতি এমনই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের অনুমান, ভারতের মুদ্রাস্ফীতি চলতি বছরে ৪.৯ শতাংশ এবং পরের অর্থবর্ষে ৪.৪ শতাংশে নেমে আসতে পারে। আইএমএফ বৃদ্ধির হার ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের থেকে কম। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের জন্য ৭ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে এবং ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া চলতি অর্থবর্ষে যা ৬.৪ শতাংশ হবে।

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (IMF) এই কর্তা বলেন, আমাদের উপলদ্ধি হল ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে আমরা যা আশা করেছিলাম, তার চেয়ে কিছুটা ভাল হয়েছিল। তাই বৃদ্ধির জায়গা সেই অর্থে বিশেষ ছিল না। আর তাই দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ক্রেতাদের চাহিদা যা আমাদের পূর্ববর্তী ভবিষ্যদ্বাণী সম্পর্কে ইঙ্গিত দিচ্ছিল। সেই কারণে চলতি বছরে কিছুটা নিম্নগামী হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী বছর ফের বৃদ্ধির হার হবে ৬.৩। খুবই শক্তিশালী একটি অর্থনীতি। যার কারণে ভারতবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। এবং সেই সব কর্মের সংস্থান হচ্ছে, যেগুলি খুবই প্রয়োজনীয়। প্রসঙ্গত, বিশ্বের অধিকাংশ দেশই ২০২৩ সালে মন্দার থাবা এড়িয়েছে। করোনা অতিমারি সত্ত্বেও। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বাজারেও অর্থনৈতিক অবস্থার বিশেষ ক্ষতি হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar: মায়ানমারে নিরীহ মানুষের জমায়েতে বিমান হানা, নিহত শতাধিক, কাঠগড়ায় জুন্টা সরকার

    Myanmar: মায়ানমারে নিরীহ মানুষের জমায়েতে বিমান হানা, নিহত শতাধিক, কাঠগড়ায় জুন্টা সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ানমারের (Myanmar) গ্রামে বিমানহানা জুন্টা সরকারের। মঙ্গলবারের ওই ঘটনায় শিশু ও নারী সহ নিহত হয়েছেন অন্ততঃ ১০০ জন। এদিন সকালে সাগাইং এলাকার কানবালু টাউনশিপের পাজিগাই এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন শতাধিক মানুষ। বিরোধী আন্দোলনের স্থানীয় দফতরের উদ্বোধন উপলক্ষে জড়ো হয়েছিলেন তাঁরা। শ’ দেড়েক মানুষের ওই জমায়েতে প্রায় ৩০টি শিশু ছিল। ছিলেন বেশ কয়েকজন অন্তঃসত্ত্বাও। আচমকাই জুন্টা সরকারের যুদ্ধ বিমান থেকে শুরু হয় বোমা বর্ষণ। আর্ত চিৎকারে কেঁপে ওঠে এলাকা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১০০ জনের। ঘটনায় নিহত হয়েছেন বিরোধী আন্দোলনের স্থানীয় নেতৃত্বও। বিমানবাহিনীর এই হামলার কথা স্বীকার করে নিয়েছে মায়ানমার সেনা।

    মায়ানমারে (Myanmar) হত্যালীলা…

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সকাল আটটা নাগাদ অনুষ্ঠানের সময় আকাশে প্রথমে চক্কর দিয়ে যায় একটি হেলিকপ্টার (Myanmar)। আধঘণ্টা পরে জমায়েতের ওপর বোমা ফেলে যায় ফাইবার জেট। এলাকায় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। তাই মৃতের সংখ্যা ঠিক কত, তা স্পষ্ট নয়। স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রথমবার বোমাবর্ষণ পর্ব শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ফের চক্কর দিতে দেখা যায় একটি হেলিকপ্টারকে। সেখান থেকেও গুলি বর্ষণ হয়। তাতেও অনেকের মৃত্যু হয়েছে। শিশু-মহিলা এবং অন্তঃসত্ত্বা মিলিয়ে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেনা সরকারের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই এলাকায় পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের একটি কার্যালয় উদ্বোধনের অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানেই হামলা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মায়ানমারের (Myanmar) সেনার তরফে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় আমরাই হামলা চালিয়েছি। এদিন ওই গ্রামে সকাল আটটা নাগাদ একটি পার্টি অফিস খোলার কথা ছিল। ওখানে কাজ করছে দেশের সরকার বিরোধী সংগঠন ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্মেন্ট। তাদের সশস্ত্র সংগঠন পিপলস ডিফেন্স ফোর্স এদিন একটি সভা করছিল। ওখানে অনেকেই সাধারণ মানুষের পোশাক পরে ছিল। জুন্টা সরকারের ওই বিমানহানার তীব্র নিন্দা করেছে রাষ্ট্রসংঘ। সাধারণ মানুষের ওপর এমন হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন রাষ্ট্রসংঘের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টনিও গুতেরেস। ঘটনাটিকে নারকীয় বলে দেগে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
     
  • Taliban: হিজাব না পরলে মহিলারা ঢুকতে পারবেন না রেস্তোরাঁয়! ফতোয়া তালিবানের

    Taliban: হিজাব না পরলে মহিলারা ঢুকতে পারবেন না রেস্তোরাঁয়! ফতোয়া তালিবানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তালিবানি (Taliban) আফগানিস্তানে মহিলাদের ওপর ফতোয়া চেপেই চলেছে। আরও এক নতুন ফতোয়া এবার জারি করা হল সেদেশের মহিলাদের জন্য। এবার হিজাব না পড়লে সেইসমস্ত মহিলাদের রেস্তোরাঁয় ঢোকা পুরোপুরি নিষিদ্ধ ঘোষণা করল তালিবান (Taliban)। আফগানিস্তানের একটা বড় অংশ তালিবান দখল করার পরই মহিলাদের উপর নেমে আসছে একের পর এক ফতোয়া। পুরুষ সঙ্গ ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না মহিলাদের, এমনটাই অভিযোগ।

    মোটর রিক্সায় চড়া, পা-খোলা জুতো পরার ‘অপরাধে’-ও মহিলাদের উপর চরম নির্যাতন চলেছে। শিক্ষার অধিকার তো আগেই খর্ব করা হয়েছিল, এবার রেস্তোরাঁর দরজাও বন্ধ হল মহিলাদের জন্য। মহিলাদের ওপর এমন জুলুমের অভিযোগে সরব হয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। তালিবান (Taliban) রয়েছে তাদের ফতোয়াতেই। আফগানিস্তানের মৌলবীরা অবশ্য তালিবানের (Taliban) সমর্থনে নেমে এসেছেন, তাঁদের যুক্তি, হিজাব না পরে ইসলামের অনুশাসনকে অবজ্ঞা করছেন মহিলারা। রাস্তায় অনেক মহিলাকেই দেখা যাচ্ছে হিজাব ছাড়া।

    রেস্তোরাঁতেও হিজাব ছাড়াই ঢুকছেন মহিলারা। সেই কারণে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। জানা গেছে, মহিলাদের রেস্তোরাঁয় প্রবেশে তালিবানের এই নিষেধাজ্ঞা আপাতত আফগানিস্তানের হেরাত শহরের কিছু রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যে সমস্ত রেস্তোরাঁয় খোলামেলা জায়গা রয়েছে, বাগান বা প্রচুর গাছপালা দিয়ে সাজানো, সেখানে মহিলাদের নিয়ে ঢুকতে পারবেন না পুরুষরা। তালিবানি নির্দেশ এমনটাই।

    কী বললেন জনৈক মহিলা সমাজকর্মী?

    ২৬ বছরের জার্মিনা কাকার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘‘আমরা হলাম পাখির মতো। দিন-রাত পরিশ্রম করে বাসা বাঁধি। তারপর হঠাৎ এক দিন দেখি, কেউ এসে তা নষ্ট করে দিচ্ছে।’’ তাঁর দাবি,  ২০ বছর আগের সেই অন্ধকার যুগ ফিরে এসেছে। বিগত দুই দশকে আফগানি মহিলাদের মধ্যে যে অগ্রগতি দেখা গিয়েছে, তা অবিশ্বাস্য। তালিবানরা আফগানিস্তান দখল করে নেওয়ার পর সেই অগ্রগতির দরজা রুদ্ধ। শুধু শিক্ষা নয়, মহিলাদের যে কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে (NGO) চাকরি করাতেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। সেই নয়ের দশকের তালিবানি শাসনের বীভৎসতা ফিরে আসছে আফগানিস্তানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan:  চিন ও সৌদি আরবের কাছে বিপুল দেনা! আগামী ৩ বছরে ঋণ শোধ করতে হবে পাকিস্তানকে

    Pakistan: চিন ও সৌদি আরবের কাছে বিপুল দেনা! আগামী ৩ বছরে ঋণ শোধ করতে হবে পাকিস্তানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার পর পাকিস্তান (Pakistan)। চিনা ঋণের ফাঁদে হাবুডুবু খাচ্ছে ইসলামাবাদ। সাম্প্রতিক সময় দক্ষিণ এশিয় দেশ পাকিস্তান, বিশ্বের অন্যতম অস্থির একটি দেশ। দেশের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির অস্তিত্ব, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য সংকট এবং অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে পাকিস্তান। ‘ইউনাইটেড স্টেটস ইনস্টিটিউট অফ পিস’(USIP) সম্প্রতি এক রিপোর্টে দাবি করেছে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ৭৭.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাকিস্তানকে পরিশোধ করতে হবে চিন এবং সৌদি আরবকে।

    তলানিতে পাকিস্তানি রুপির দর

    ডলারের সাপেক্ষে তলানিতে ঠেকেছে পাকিস্তানি (Pakistan) রুপির দর। এরই মধ্যে তাদের জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে পাকিস্তানি রুপিতে প্রায় দু’হাজার ২০০ কোটির ঋণ শোধ করতে হবে ইসলামাবাদকে। চিন এবং সৌদি আরবের থেকে ক্রমাগত ঋণ নিয়েছে পাক সরকার। বৃহস্পতিবার মার্কিন একটি সংস্থার প্রকাশিত ওই রিপোর্টে পাকিস্তানকে সতর্ক করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আকাশছোঁয়া মুদ্রাস্ফীতি, রাজনৈতিক সংঘাত এবং ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসবাদের কারণে পাকিস্তান আর্থিক ভাবে জর্জরিত।

    আরও পড়ুুন: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    ইউএসআইপি রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী তিন বছরে পাকিস্তান (Pakistan) নির্দিষ্ট টাকার অঙ্কটি চিন এবং সৌদিকে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত পদক্ষেপ করা হবে। পাকিস্তান যদিও আশাবাদী, চিন পুনরায় ঋণ পরিশোধের সময় বাড়াবে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার (IMF)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, দুর্নীতি ও আর্থিক ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে। পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ এবং দায় ১৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা তার জিডিপির ৯৫ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ৪৮ বছরের সর্বোচ্চ ২৭.৬ শতাংশতে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে খাদ্যের দাম ৪২.৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে। যা গত বছর ১২.8 শতাংশ ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jacinda Ardern: “আমি সেরা মা হতে পারতাম”! রাজনীতি ছাড়লেন নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

    Jacinda Ardern: “আমি সেরা মা হতে পারতাম”! রাজনীতি ছাড়লেন নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতিকে বিদায় জানালেন নিউজিল্যান্ডের  (New Zealand) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন (Jacinda Ardern)। ওয়েলিংটনে সংসদে তাঁর বিদায়ী ভাষণের সময় আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েন জেসিন্ডা। সকলের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দেশকে, দলকে, সমাজকে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় কোনও কিছু যেন বাধা না হয়।ক্লান্ত বোধ করলে, নিজের সেরাটা দিতে না পারলে সেই পথ ত্যাগ করা উচিত।”

    মহিলাদের প্রতি আহ্বান

    মহিলাদের প্রতি তাঁর আহ্বান, নেতৃত্ব দেওয়ার পথে মাতৃত্বকে বাধা করবেন না। জেসিন্ডা আরডার্ন  বলেন, ‘আমি জেনেছি যে আমি সেরা মা হতে পারতাম।’ ৪২ বছর বয়সী আর্ডার্ন বলেন, ‘আমি যখন লেবার পার্টির নেতা হয়েছিলাম তখন আইভিএফ ব্যর্থ হওয়ার কোনও অভিজ্ঞতা লাভ করিনি।’ তাঁর সংযোজন, ‘আমি ভেবেছিলাম আমি নিজেকে এমন একটি পথে খুঁজে পেয়েছি যার অর্থ আমি মা হতে পারব না। কয়েক মাস পরে যখন আমি আবিষ্কার করলাম যে আমি গর্ভবতী ছিলাম, তখন আমার বিস্ময়ের কথা কল্পনা করুন।’ 

    জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে রাজনীতি নয়

    পাশাপাশি তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা থেকে রাজনীতিকে দূরে রাখার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য গত জানুয়ারি মাসে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। কারণ হিসেবে তিনি জানান, তিনি পরিশ্রান্ত এবং নেতৃত্ব দেবার মতো তাঁর “যথেষ্ট শক্তি নেই।” জেসিন্ডা আরডার্ন বলেছিলেন,  প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়েন। তিনি  বলেছিলেন, “আমি ভেবেছিলাম শুধু এক বছরের জন্য নয়, আরও একটি মেয়াদ পূরণ করার জন্য প্রস্তুতি নেব। কিন্তু আমি আর পারছি না। আগামী চার বছর এভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কে সঠিক ব্যক্তি আর কে নয়, তা বোঝার দায়িত্বও নিজেরেই।”

    আরও পড়ুন: ডুবিয়েছে একসন্তান নীতি, জনসংখ্যা হ্রাসে সংকটে চিন

    জেসিন্ডার পরিচয়

    আগামী বছর অক্টোবর মাসে নিউজিল্যান্ডে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। লেবার পার্টির সঙ্গে প্রধান বিরোধী দল ন্যাশনাল পার্টির কড়া টক্কর হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের মত। তার আগে জেসিন্ডার এই ঘোষণা যথেষ্টই বড় এফেক্ট বলে মনে করছে লেবার পার্টির নেতৃত্বরা। ২০১৭ সালে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন জেসিন্ডা। সে সময় তিনি ছিলেন বিশ্বের কনিষ্ঠতম রাষ্ট্রনেতা। ২০২০ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসে লেবার পার্টি। এর আগে তিনি নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্ক এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টোনি ব্লেয়ারের অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবেও কাজ করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khalistan: ‘আমরা ভারতকে ভালবাসি, ভালবাসি পঞ্জাবকে’, বললেন শিখ নেতা  

    Khalistan: ‘আমরা ভারতকে ভালবাসি, ভালবাসি পঞ্জাবকে’, বললেন শিখ নেতা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মিলিয়নেরও বেশি শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করেন উত্তর আমেরিকায়। তার মধ্যে ভারতীয় দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভ দেখিয়েছে জনা পঞ্চাশেক। ভারতের (India) বাইরে খালিস্থানপন্থীদের (Khalistan) হামলা নিয়ে এই ভাষায়ই প্রতিক্রিয়া জানালেন যশদীপ সিং নামে আমেরিকার এক শিখ (Sikh) নেতা।

    খালিস্থানপন্থীদের (Khalistan) হামলা…

    সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইংল্যান্ড এবং আমেরিকায় শুরু হয়েছে খালিস্তানপন্থীদের দাপাদাপি। কোথাও ভাঙা হচ্ছে মন্দির, কোথাও আবার মন্দিরের দেওয়ালের গায়ে লিখে দেওয়া হচ্ছে ভারত বিরোধী স্লোগান। আবার কোথাও পুজো করতে গিয়ে খালিস্তানপন্থীদের হুমকির মুখে পড়ছেন ভক্তরা। ভারতীয় দূতাবাসের সামনেও তাণ্ডব চালিয়েছে তারা। কোথাও দূতাবাসের সামনে থাকা ভারতের জাতীয় পতাকা টেনে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোথাও আবার ওড়ানো হয়েছে কল্পিত খালিস্তানের (Khalistan) ঝান্ডা। তবে এ সবই যে হাতে গোণা কয়েকজনের কাজ, তা জানিয়ে দিলেন আমেরিকার শিখ নেতা যশদীপ।

    তিনি বলেন, ভারতের বাইরে কানাডা, আমেরিকায় যা দেখানো হচ্ছে, তা মিডিয়ার অতিরঞ্জিত করা খবর। তিনি বলেন, উত্তর আমেরিকায় এক মিলিয়নেরও বেশি শিখ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেবলমাত্র ৫০ জন ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। যশদীপ বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গা মিলিয়ে ২৫০-র মতো মানুষ এদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তার জেরে ভারতে এবং বিদেশে বিপদে পড়ছেন শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ। অথচ তাঁরা ভারতকে ভালবাসেন, ভালবাসেন পঞ্জাবকে।

    আরও পড়ুুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও বাধ্যতামূলক আধারকার্ড, এ কোন ‘মমতা’?

    প্রসঙ্গত, পঞ্জাব প্রদেশ নিয়ে পৃথক খালিস্তান (Khalistan) রাষ্ট্রের দাবি করে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। প্রথমে ভারতের পঞ্জাব ও পাক পঞ্জাব নিয়ে পৃথক খালিস্তান রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হলেও, আটের দশকে দাবি করা হয় হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা ও রাজস্থানের কিছু অংশ। সম্প্রতি এই আন্দোলন মাথাচাড়া দিয়েছে। কারণ স্বঘোষিত ধর্মগুরু অমৃতপাল সিং পৃথক খালিস্তানের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ভারতীয়দের ওপর হামলা চালাচ্ছে খালিস্তানপন্থীরা। অমৃতপালকে পাকিস্তান মদত দিচ্ছে বলে অভিযোগ। তার জেরেই বাড়বাড়ন্ত খালিস্তানি আন্দোলনের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Genesis Market: নেদারল্যান্ডে কুখ্যাত অনলাইন মার্কেটপ্লেস বন্ধ করল আন্তর্জাতিক পুলিশ

    Genesis Market: নেদারল্যান্ডে কুখ্যাত অনলাইন মার্কেটপ্লেস বন্ধ করল আন্তর্জাতিক পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেদারল্যান্ডের সবচেয়ে কুখ্যাত অনলাইন মার্কেটপ্লেসকে (Genesis Market) বন্ধ করল আন্তর্জাতিক পুলিশ। জানা গিয়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তের বিভিন্ন আকাউন্ট চুরি করে তা হ্যাকারদের কাছে টাকার বিনিময়ে পৌঁছে দিত এই মার্কেটপ্লেস। ইউরোপোল সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মোট ১৭টি দেশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। বন্ধ করা হয় জেনেসিস মার্কেট এবং তাদের সমস্ত জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিল ইউএস ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন এবং ডাচ ন্যাশনাল পুলিশ।

    আরও পড়ুন: মাথায় বুলেটপ্রুফ টুপি, কাঁধের পিছনে ব্যালিস্টিক শিল্ড, কড়া প্রহরায় আদালতে ইমরান

    ইউরোপোলের বিবৃতিতে কী বলা হল ?

    অভিযানের পরপরই বিবৃতি সামনে এসেছে ইউরোপোলের। ওই বিবৃতি অনুযায়ী, সারা বিশ্বব্যাপী এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবং এই সাইবার অপরাধে জড়িত এমন ১১৯ জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। সমগ্র অভিযানে মোট ২০৮টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ইউরোপোল। সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা, অভিযানের সময় জেনেসিস মার্কেটে (Genesis Market) বিভিন্ন রকমের মোট ২০ লক্ষ আকাউন্টের তালিকা ছিল বলেও জানিয়েছে ইউরোপোল।

    কীভাবে চলত এদের কাজ ?

    ইউরোপোলের মারফত জানা গিয়েছে, জেনেসিস মার্কেটে (Genesis Market) এই সমস্ত সাইবার অপরাধীরা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতো ডিজিটাল পরিচয়। এরপর এই সাইবার অপরাধীরা অনায়াসেই এটির দ্বারা সংগ্রহ করত সমস্ত ডেটা যেমন আঙ্গুলের ছাপ, কুকিজ ইত্যাদি। এরপর চলতো বট কেনা বেচা। জানা গিয়েছে চুরি হওয়া ডেটার পরিমাণ এবং প্রকৃতির উপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা হতো বটের দাম। প্রতি বটের মূল্য নূন্যতমভাবে ০.৭০ ডলার থেকে কয়েক শত ডলার পর্যন্ত হতো বলে জানিয়েছে ইউরোপোল। পুলিশ আরও জানিয়েছে, অন্যান্য সাইবার অপরাধী সংস্থার থেকে জেনেসিস মার্কেট (Genesis Market) অনেক বেশি সহজ অ্যাক্সেসযোগ্য ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share