Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Pakistan Police: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার প্রতিবাদ করায় ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের ওপর হামলা পুলিশের, নিন্দার ঝড়

    Pakistan Police: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার প্রতিবাদ করায় ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের ওপর হামলা পুলিশের, নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় প্রেস ক্লাবে হানা দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালাল ইসলামাবাদ পুলিশ (Pakistan Police)। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার জেরে বন্ধ ইন্টারনেট। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগেও তপ্ত পাকিস্তান। এহেন আবহে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় বিশ্বজুড়ে।

    সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের হামলা (Pakistan Police)

    পাক সংবাদমাধ্যমের খবর, রাজধানী ইসলামাবাদের কেন্দ্রে অবস্থিত এই প্রেস ক্লাবে কাশ্মীরি সাংবাদিকদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পুলিশ অভিযান চালায়। ওই সাংবাদিকরা আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (JAAC) ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচি কভার করছিলেন। এই জেএএসি-ই শাহবাজ শরিফ সরকারের বিরুদ্ধে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, লাঠি হাতে পুলিশ কর্মীরা প্রেস ক্লাবের ক্যাফেটেরিয়ার ভেতরে প্রবেশ করছে এবং সেখানে বসা লোকজনের ওপর হামলা চালাচ্ছে। আরও কিছু ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কয়েকজন পুলিশকর্মী কিছু প্রতিবাদকারীকে বাইরে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছেন সাংবাদিকরা

    আর একটি ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, এক সাংবাদিক এক হাতে তাঁর ক্যামেরা ধরে রয়েছেন। আর অন্য হাতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার আঁকড়ে ধরা কলার থেকে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে চলেছেন (Pakistan Police)। এশিয়া ওয়ান টিভি চ্যানেলে কর্মরত সাংবাদিক আনাস মালিক সংবাদপত্রকে জানান, পুলিশ ক্লাবে এসেছিল কাশ্মীর থেকে আসা সেই সাংবাদিকদের গ্রেফতার করতে, যারা জেএএসির প্রতিবাদের ডাক কভার করছিলেন। তিনি বলেন, “পুলিশ কর্মীরা গুণ্ডাদের মতো আচরণ করছিল।”

    আর এক সাংবাদিক হামিদ মির জানান, পুলিশ জেএএসি সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছিল এবং ক্যাফেটেরিয়ায় উপস্থিত সাংবাদিকদের টার্গেটে পরিণত করেছিল। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এই অভিযান চালানো হয় যখন পাক অধিকৃত থেকে আসা লোকজন প্রেস ক্লাবের বাইরে ওই নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। সাংবাদিকদের ওপর বলপ্রয়োগের নিন্দা করে ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছে পাকিস্তান হিউম্যান রাইটস কমিশন (এইচআরসিপি)।

    পুলিশি অভিযানের ঘটনায় পাকিস্তান জুড়ে তীব্র নিন্দা শুরু হওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন। সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে নকভি জানান, তিনি এই দুঃখজনক ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছেন এবং ইসলামাবাদের ইনসপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন (Pakistan Police)।

  • Putin Supports PM Modi: ‘‘অপমান মেনে নেবে না ভারত’’, মার্কিন শুল্ক-যুদ্ধে ‘বন্ধু’ মোদিকে সমর্থন পুতিনের

    Putin Supports PM Modi: ‘‘অপমান মেনে নেবে না ভারত’’, মার্কিন শুল্ক-যুদ্ধে ‘বন্ধু’ মোদিকে সমর্থন পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ান তেল কেনায় ভারতের ওপর মার্কিন চাপের বিরুদ্ধে (Russia Attacks US Tariff) সরব হলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁর স্পষ্ট কথা, নয়াদিল্লি কখনওই এই ধরণের চাপের কাছে মাথা নত করবে না (Putin Supports PM Modi) এবং নিজেকে কারও সামনে অপমানিত হতে দেবে না।

    ‘‘অপমান মেনে নেবে না ভারত’’

    রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে ভারতের উপর চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা। একই সঙ্গে চাপ বাড়ছে চিনের উপরেও। সেই সময়েই এই ইস্যুতে আমেরিকাকে নিশানা করলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার, কৃষ্ণ সাগরের রিসোর্ট শহর সোচিতে ভালদাই ডিসকাশন গ্রুপে বক্তব্য রাখছিলেন পুতিন। আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন ভারত-সহ ১৪০টি দেশের নিরাপত্তা এবং ভূরাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। সেখানেই পুতিন বলেন, ‘‘ভারতের মতো একটি দেশ কারও সামনে কখনই অপমান মেনে নেবে না। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চিনি। মোদি আমার বন্ধু। আমি জানি, তিনি কখনও দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবেন না। তিনি নিজেও এ ধরনের কোনও পদক্ষেপ করবেন না।’’ পুতিনের মতে, যদি ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ করে, তবে দেশের ক্ষতি হবে আনুমানিক ৯ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার। তাঁর কথায়, “ভারতের মানুষ খুব মনোযোগ দিয়ে দেখবেন তাঁদের নেতারা কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, আর তাঁরা কখনও অপমান সহ্য করবেন না।”

    মস্কো এবং নয়াদিল্লির মধ্যে ‘‘বিশেষ’’ সম্পর্ক

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করেছেন। তাঁকে ‘‘ভারসাম্যপূর্ণ এবং জ্ঞানী নেতা’’ হিসাবে অভিহিত করেছেন। পুতিন জোর দিয়ে দাবি করেছেন, মস্কো এবং নয়াদিল্লির মধ্যে ‘‘বিশেষ’’ সম্পর্ক রয়েছে। বন্ধু মোদির পাশে থাকার অঙ্গীকার আলাদা করে করেন পুতিন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, মার্কিন শুল্কের জন্য ভারতের যা ক্ষতি হবে, তা বাণিজ্য দিয়ে পুষিয়ে দেবে রাশিয়া। তাঁর কথায়, ‘‘আমেরিকার শুল্কের কারণে ভারতের যা ক্ষতি হচ্ছে, তা আমাদের খনিজ তেল আমদানির মাধ্যমে পুষিয়ে যাবে। পাশাপাশি, ভারত থেকে আরও কৃষিজাত পণ্য কেনা যেতে পারে। ওষধি পণ্যের জন্যেও আমাদের দিক থেকে কিছু পদক্ষেপ করা হতে পারে, যাতে বাণিজ্যের ভারসাম্য বজায় থাকে।’’

    ট্রাম্পকে তুলোধনা পুতিনের

    দ্বিচারিতা নিয়ে ট্রাম্পকে তুলোধনা করেন পুতিন। তিনি মনে করিয়ে দেন, রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্য কমাতে ভারতকে বাধ্য করা “অর্থনৈতিকভাবে অর্থহীন” এবং এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমেরিকারই অর্থনীতি। রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করা হলে বিশ্ব অর্থনীতি গভীর সংকটে পড়বে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের উপরে পৌঁছাবে। ইউক্রেনের সঙ্গে ইউরেনিয়াম কেনা নিয়ে চুক্তি করেছে আমেরিকা। এই নিয়েও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেন পুতিন। তাঁর দাবি, ওয়াশিংটন নিজেই রাশিয়ার কাছ থেকে ভালো মানেই ইউরেনিয়াম কিনছে। আর তারাই আবার অন্য দেশকে রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে বাধা দিচ্ছে।

  • Lawrence Bishnoi: বিষ্ণোই গ্যাংকে ‘জঙ্গি সংগঠন’ তকমা দিল কানাডা, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের চেষ্টা?

    Lawrence Bishnoi: বিষ্ণোই গ্যাংকে ‘জঙ্গি সংগঠন’ তকমা দিল কানাডা, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের চেষ্টা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে কুখ্যাত বিষ্ণোই গ্যাংকে (Lawrence Bishnoi) ‘জঙ্গি সংগঠন’ তকমা দিল কানাডা। সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় কানাডার জননিরাপত্তামন্ত্রী গ্যারি আনন্দাসাঙ্গারী ঘোষণা করেন, সেদেশে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে বিষ্ণোই গ্যাং। এমনকি, কানাডার মাটিতে খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের জন্যও বিষ্ণোই গ্যাংকে কাঠগড়ায় তুলেছে সে দেশের সরকার। এ ঘোষণার ফলে কানাডায় থাকা বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নগদ টাকা, যানবাহন ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে। অনেকে একে ভারত-কানাডা সম্পর্কে (India-Canada Relation) পুনর্গঠনের আভাস হিসেবে দেখছেন।

    কী বলেছে কানাডা সরকার?

    বিবৃতি দিয়ে গ্যারি বলেছেন, ‘‘বিষ্ণোইয়ের দলের (Lawrence Bishnoi) কার্যকলাপ দেশ এবং দেশের বাইরে ভীতির পরিবেশ তৈরি করেছে। তাদের অসামাজিক কাজে এবার লাগাম দেওয়া দরকার। তাই তাদের জঙ্গি ঘোষণা করে আমরা সামগ্রিকভাবে অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করছি। কানাডার মাটিতে হিংসা ও আতঙ্কের কোনও জায়গা নেই। সেই কারণেই কানাডার সরকার বিষ্ণোই গ্যাংকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করল।” কানাডার অপরাধদমন আইন অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ফলে, কানাডার আইন অনুযায়ী, এখন থেকে কোনও কানাডীয় নাগরিক বা বিদেশে থাকা কেউ যদি জেনে বুঝে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রিত সম্পত্তির সঙ্গে লেনদেন করে, তবে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

    কী কী অভিযোগ বিষ্ণোইয়ের বিরুদ্ধে?

    খুন, সুপারি কিলিং, লুঠতরাজ, তোলাবাজি-সহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের (Lawrence Bishnoi) বিরুদ্ধে। মূলত কানাডাকে ঘাঁটি করে নিজেদের কার্যকলাপ চালায় এই গোষ্ঠীর মূল পান্ডা বলে পরিচিত লরেন্স বিষ্ণোই। কানাডার ব্যবসায়ী, বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের হুমকি দিয়ে তোলা আদায়ের অভিযোগও করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই একাধিক গুলিচালনার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে বিষ্ণোই গ্যাং। ভারতে সলমন খান, দিশা পাটানির বাড়িতে গুলি চালনার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে বিষ্ণোই গ্যাং (Lawrence Bishnoi)। কানাডায় কপিল শর্মার ক্যাফেতেও দুইবার গুলি চালিয়েছে বিষ্ণোই গ্যাং। সিধু মুসেওয়ালা খুনেও অভিযুক্ত লরেন্স বিষ্ণোই। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকি খুনেও অভিযুক্ত বিষ্ণোই গ্যাং। তবে কানাডায় গা ঢাকা দেওয়ায় বিষ্ণোই গ্যাং কার্যত ধরাছোঁয়ার বাইরে। আর তা নিয়েই নয়াদিল্লির সঙ্গে জাস্টিন ট্রুডো সরকারের সম্পর্ক তিক্ত হয়েছে।

    সুবিধা হবে ভারতের…

    তবে আজকে কানাডার এ সিদ্ধান্তকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকে একে ভারত-কানাডা সম্পর্কে (India-Canada Relation) পুনর্গঠনের আভাস হিসেবে দেখছেন। কানাডা সরকারের এই পদক্ষেপের জেরে লরেন্স বিষ্ণোইকে (Lawrence Bishnoi) বাগে আনতে সুবিধা পেতে পারে নয়াদিল্লি। তবে প্রশ্ন উঠছে, এভাবে কি ভারতের সঙ্গে সম্প্রতি তিক্ত হওয়া সম্পর্ক মেরামত করতে চাইছে কানাডা?

  • PoK Protest: বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পাকিস্তান থেকে আলাদা হওয়ার বার্তা?

    PoK Protest: বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পাকিস্তান থেকে আলাদা হওয়ার বার্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য আক্রমণ করার প্রয়োজনও পড়বে না। ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবি তুলছেন সেখানকার মানুষই।’ গত সপ্তাগেই এই কথাগুলি মরক্কোয় গিয়ে বলেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর কথা যে কতটা সত্য, তার প্রমাণ মিলল হাতেনাতে। গণআন্দোলনের সুর এবার পাক অধিকৃত কাশ্মীরেও! পাক সরকারের (PoK Protest) বিরুদ্ধে রাগে ফুঁসছেন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা। বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তাঁরা। সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটা সবথেকে বড় বিক্ষোভ বলে মনে করা হচ্ছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি আজ, সোমবার এলাকা জুড়ে বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা করেছে। ‘শাটার ডাউন’ ও ‘হুইল জ্যাম’-র ডাক দিয়েছে। অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চলবে বলেই জানিয়েছে তারা।

    সাধারণ মানুষের অধিকারের লড়াই

    সোমবার পিওকে জুড়ে বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা করেছে। মোট ৩৮টি দাবি রয়েছে তাদের। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সাধারণ মানুষদের সংগঠন ‘আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’র। এর মধ্যে অন্যতম পাকিস্তানে বসবাসকারী কাশ্মিরী রিফিউজিদের জন্য কাশ্মীর (PoK Protest) বিধানসভায় সংরক্ষিত ১২টি আসনের অবলুপ্তি। পাশাপাশি ময়দার দাম কমানো, বিদ্যুতের উপরে ন্যায্য ট্যারিফ বসানোর দাবিও করা হয়েছে। সেখানকার মানুষজনের অভিযোগ, পিওকে-তে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। একাধিকবার সরকারকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। চরমে দুর্নীতিও। বাধ্য হয়েই তাই ধর্মঘট, চাক্কা জ্যামের মতো পদক্ষেপ করতে হয়েছে। আন্দোলনকারীদের নেতা শওকত নওয়াজ মীর বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন প্রতিষ্ঠানবিরোধী নয়। তা শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের জন্য অধিকার আদায়ের লড়াই।’

    পাকিস্তানের হাত থেকে নিষ্কৃতির দাবি

    উত্তেজনার আশঙ্কায় ইসলামাবাদ ইতিমধ্যেই বিপুল নিরাপত্তা মোতায়েন করেছে। মধ্য রাত থেকেই ইন্টারনেট কেটে দিয়েছে পাক প্রশাসন। বিক্ষোভকারীদের রুখতে সেনার গাড়ি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের শহরগুলিতে টহল দিচ্ছে। পাঞ্জাব প্রদেশ থেকেও হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। উল্লেখ্য, গত বছর থেকেই পাকিস্তানের হাত থেকে নিষ্কৃতি চেয়ে সরব হয়েছে পিওকে। চলতি মাসেই মরোক্কোতে গিয়ে পিওকে নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেছিলেন, ‘পিওকে ভারতের। পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে নিজের অংশ করতে কোনও আগ্রাসনের প্রয়োজন নেই। সেই অংশ একদিন নিজেই বলবে, আমরা ভারতের অংশ। স্থানীয়রাই স্বাধীনতার দাবি তুলেছে।’ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে রাজনাথের কথা মিলে যাচ্ছে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

  • UNGA 80: ভারতকে রাষ্ট্রপুঞ্জে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যের দাবি রাশিয়ার

    UNGA 80: ভারতকে রাষ্ট্রপুঞ্জে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যের দাবি রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে সম্মিলিত রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে (UNGA 80) স্থায়ী সদস্যপদের জন্য সমর্থন জানালো রাশিয়া। ভারতের দীর্ঘ দিনের দাবিতে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। ৮০ তম সম্মিলিত রাষ্ট্রপুঞ্জের সম্মেলনে বিশ্বের দরবারে ভারতের জন্য সমর্থনকে আরেক নতুন মাত্রা যোগ করেছে মস্কো। ল্যাভরভ বলেন, “এশিয়া, আফ্রিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকা থেকে প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে ব্রাজিলের সঙ্গে ভারতের স্থায়ী আসনের আবেদনকে পূর্ণ সমর্থন জানায় রাশিয়া (Inida-Russai)।”

    প্রতিনিধিত্বমূলক সদস্যদের সংখ্যা বৃদ্ধির দাবি(UNGA 80)  

    রাশিয়ার (Inida-Russai) বিদেশমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ রাষ্ট্রপুঞ্জের ৮০ তম সম্মেলনে বলেন, “নিরাপত্তার পরিষদের স্থায়ী (UNGA 80) সদস্য হিসেবে ব্রাজিল এবং ভারতের আবেদনকে সমর্থন কররা সময়ে এসে গিয়েছে। সম্মিলিত রাষ্ট্রপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার ৮০ বছর পূর্ণ হয়েছে। তাই নিরাপত্তা পরিষদকে আরও কার্যকর করতে প্রতিনিধিত্বমূলক সদস্যদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন।” সেই সঙ্গে তিনি ইউএনও-র ভাষণে রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী এসসিও ও ব্রিকসের মতো ফোরামের উপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। বিশ্বের উন্নয়নে বিশ্বের স্বার্থে সকলকেই এক সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এই ভাবনার কথা বলে মত বিনিময় করেন।

    ভুটান-মরিশাসের দাবি

    উল্লেখ্য আগে মরিশাস এবং ভুটান ভারতের দীর্ঘদিনের দাবিকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে এসেছে। মরিশাসের বিদেশমন্ত্রী ধনঞ্জয় রামফুল বলেছিলেন, “ভারত এখন বিশ্বের বড় শক্তিধর দেশে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের যে কোনও বিষয়ে গঠনমূলক শক্তির অধিকারী। আন্তর্জাতিক ভৌগলিক রাজনীতিতে প্রভাব ফেলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।” আবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগেও ভারতকে সমর্থন করে বলেন, “রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরপাত্তা পরিষদে (UNGA 80) ভারত ও জাপানের মতো যোগ্য দেশগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।”

    হিংসা এবং হুমকির বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়াতে হবে

    রাষ্ট্রপুঞ্জের (UNGA 80) সম্মলেনে ভারতের তরফে যোগদান করেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি সভামঞ্চ থেকে বলেন, “ভারতের মানুষের পক্ষ থেকে নমস্কার। রাষ্ট্রপুঞ্জ গঠনের যে উদ্দেশ্যগুলি ছিল শুধু যুদ্ধ থামানো নয়, বরং শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং শুধু অধিকার রক্ষা নয় বরং প্রতিটি মানুষের মর্যাদা রক্ষা করাও। অধিকার রক্ষার পাশাপাশি হিংসা এবং হুমকির বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়াতে হবে। সন্ত্রাসবাদের প্রতিরোধ করা বিশেষভাবে জরুরি।”

  • Bangladesh: “পাকিস্তানে ফিরে যান”, রাষ্ট্রপুঞ্জের বাইরে বিক্ষোভের মুখে ইউনূস

    Bangladesh: “পাকিস্তানে ফিরে যান”, রাষ্ট্রপুঞ্জের বাইরে বিক্ষোভের মুখে ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তানে ফিরে যান” সম্মিলিত রাষ্ট্রপুঞ্জের বাইরে ইউনূসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখালেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা (Bangladesh)। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট থেকে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিতারিত কররা পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর ব্যাপক অত্যাচার করে জামাত, তৌহিদি এবং বিএনপির কট্টর সমর্থকেরা। যে পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর সম্পর্ক ছিল না, আজ ইউনূসের (Muhammad Yunus) জমানায় চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে পাকিস্তানের জাহাজ। বিনা ভিসায় অবাদ যাতায়েত শুরু হয়েছে। আবার দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে একাধিক সামরিক চুক্তি। ফলে এই অশান্ত বাংলাদেশ নির্মাণের আসল কারিগর প্রধান উপদেষ্টা। তাই সামনে পেয়ে আমেরিকার মাটিতে বিক্ষোভ দেখান আম বাংলাদেশি জনতা।

    সংখ্যালঘুদের উপর ভয়ঙ্কর অত্যাচার (Bangladesh)

    গত শুক্রবার নিউইয়র্কে সম্মিলিত রাষ্ট্রপুঞ্জে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সদর দফতরের বাইরেই শোনা যায়, “ইউনূস পাকিস্তানি। দ্রুত পাকিস্তানে ফিরে যাও।” হাসিনা সমর্থক এবং প্রবাসী সম্প্রদায়ের ব্যাপক ক্ষোভের মুখে পড়েন শান্তিতে জয়ী অশান্তির জনক মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)। বিক্ষোভকারীদের সাফ কথা, “বাংলাদেশের (Bangladesh) শাসন ব্যবস্থার আকস্মিক পরিবর্তনের পর সংখ্যালঘুদের উপর ভয়ঙ্কর অত্যাচার নেমে এসেছে। দেশে যেভাবে হিংসা এবং ভয়ের বাতাবরণ নেমে এসেছে, তাতে অনেক মানুষ পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। দেশে আইন শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। দুষ্কৃতীদের মনে ভয় নেই।”

    ধ্বংসের পথে বাংলাদেশ

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও এক বিক্ষোভকারী বলেন, “ইসলামী মৌলবাদী এবং কট্টর সন্ত্রাসীদের ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশে ইউনূস (Muhammad Yunus) ক্ষমতায় টিকে আছেন। বাংলাদেশকে তালিবানিদের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান এবং জৈনদের নিঃশেষ করার খেলা খেলছে সন্ত্রাসীরা। হিন্দু ধর্মের একজন সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে বন্দি করে রেখেছে এই অন্তর্বর্তী সরকার। দেশের ঐতিহ্য এবং স্থাপত্য ভাস্কার্যকে চির তরে ধ্বংস করেছে দুষ্কৃতীরা। দেশের অর্থনীতি এবং শিল্প-বাণিজ্য সম্পূর্ণ ভাবে ধ্বংসের পথে। বাংলাদেশকে (Bangladesh) মানচিত্র থেকে চিরতরে মুছে দেওয়ার কাজ করছে এই নির্মম সরকার।”

  • S Jaishankar: এভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না! আমেরিকা ও পাশ্চাত্যের ‘দ্বিচারিতা’ নিয়ে বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: এভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না! আমেরিকা ও পাশ্চাত্যের ‘দ্বিচারিতা’ নিয়ে বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিই উন্নয়নের ভিত্তি, কিন্তু উন্নয়নকে হুমকির মুখে ফেলে শান্তি প্রতিষ্ঠা অসম্ভব। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি কোনও দেশের জন্যই সহায়ক নয়। বর্তমানে রাষ্ট্রসঙ্ঘের বৈঠকে যোগ দিতে নিউইয়র্কে রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। রাশিয়ার থেকে তেল কেনা ইস্যুতে ভারতের সমালোচনা করার বিষয়ে পশ্চিম বিশ্বের দ্বিচারিতার তীব্র নিন্দা করেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের নাম না করে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক উন্নয়নকে বিপন্ন করে আমরা আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারি না।’

    উন্নয়নের মাধ্যমেই শান্তি আসতে পারে

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জোর দিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে বিশ্বের পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এর ফলে গ্লোবাল সাউথ এবং সারা বিশ্ব প্রভাবিত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। নিউইয়র্কে জি২০ সদস্য দেশগুলির মধ্যে এক বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমরা শান্তির মাধ্যমে উন্নয়ন আনতে পারি, কিন্তু উন্নয়নকে বিপন্ন করে আমরা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারি না।’ শান্তি ও সংলাপের মাধ্যমেই যে কোনও সমস্যার সমাধান করার আহ্বান জানান জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের মাধ্যমেই শান্তি আসতে পারে। জ্বালানি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাণিজ্যকে আরও অনিশ্চিত করে তোলা হলে কারও কোনও উপকার হবে না। ইতিমধ্যে একটি ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে রয়েছে জ্বালানি বাণিজ্য। তাই যেকোনও ইস্যু সংলাপ, কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। এতে জটিলতা যুক্ত করা ঠিক নয়।’

    আমেরিকাকে নিশানা

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে আছেন। এই সফরের সময় তিনি নিউ ইয়র্কে ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করে। জয়শঙ্কর বলেন যে, বিশ্ব বর্তমানে অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে ৷ অনেক দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা, আলোচনা, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার জন্য ব্রিকসকে দৃঢ়ভাবে কাজ করতে হবে। তাঁর ভাষণে, তিনি ক্রমবর্ধমান সুরক্ষাবাদ, শুল্ক সংক্রান্ত অস্থিরতাতা এবং শুল্ক-ভিন্ন অন্যান্য বাধার কারণে বাণিজ্যের উপর প্রভাবের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, যে এই কারণগুলির আলোকে, বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থাকে রক্ষা করার প্রয়োজন রয়েছে। সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর ব্রিকস দেশগুলির সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা তুলে ধরেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে বহুপাক্ষিকতাবাদ চাপের মধ্যে রয়েছে এবং গঠনমূলক পরিবর্তনের জন্য ব্রিকস দৃঢ়ভাবে একটি শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বিশ্বের অস্থির পরিবেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা, আলোচনা, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার নীতিগুলিকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। বিদেশমন্ত্রী এক বারও নির্দিষ্ট কোনও দেশ বা ঘটনার কথা উল্লেখ করেননি। তবে মনে করা হচ্ছে, আদতে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এইচ-১বি ভিসা নিয়ে আমেরিকার সাম্প্রতিক নির্দেশিকার দিকেই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন তিনি।

  • India vs Pakistan: “নির্লজ্জভাবে সন্ত্রাস ছড়ায়, লাদেনকে আশ্রয় দেয়”, কাশ্মীর-মন্তব্যে শরিফকে কড়া জবাব ভারতের

    India vs Pakistan: “নির্লজ্জভাবে সন্ত্রাস ছড়ায়, লাদেনকে আশ্রয় দেয়”, কাশ্মীর-মন্তব্যে শরিফকে কড়া জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব রাষ্ট্রসংঘে চির পরিচিত। এবার কূটনীতিবিদ তথা রাষ্ট্রসংঘে ভারতের (India vs Pakistan) প্রতিনিধি পেটাল গেহলট শরিফের কাশ্মীর-মন্তব্যকে ‘অদ্ভুত নাটক’ বলে উল্লেখ করেছেন। সেই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ এবং পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর পাকিস্তানের অবস্থান নিয়েও খোঁচা দিয়েছেন। রাষ্ট্রসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনে পেটাল গেহলট পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বক্তব্যকে তীব্র ভাষায় খণ্ডন করেন। এদিন শরিফের বক্তৃতায় ‘অপারেশন সিঁদুর’ এবং ভারতের সাতটি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি নিয়ে সরব হন গেহলট। তিনি বলেন, “পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এই সভায় যে নাটকীয়তা প্রদর্শন করেছেন, তা একেবারে অদ্ভুত। আবারও তিনি সেই সন্ত্রাসবাদের মহিমা কীর্তন করলেন, যা তাদের বিদেশনীতির মূল ভিত্তি।”

    কাশ্মীরে সন্ত্রাসের বীজ বপন পাকিস্তানের

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ রাষ্ট্রসংঘের ভাষণে কাশ্মীর নিয়ে যে মন্তব্য করেছিলেন, তার কড়া জবাব দিল ভারত। এ বিষয়ে রাষ্ট্রসংঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করে পেটাল গেহলট মনে করিয়ে দিয়েছেন ওসামা বিন লাদেনের কথাও। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় এর আগে ভাষণ দিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। সেখানে কাশ্মীর প্রসঙ্গে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি। দাবি করেছিলেন, কাশ্মীরের মানুষের উপর ভারত অত্যাচার চালায়। পাকিস্তানের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার ‘জবাব দেওয়ার অধিকার’ প্রয়োগ করে ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, ‘‘সকালে এই সভায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কিছু অদ্ভুত নাটক করেছেন। আরও এক বার তিনি সন্ত্রাসবাদকে মহান করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন, যা দেশটির বিদেশনীতির অন্যতম অঙ্গ। তবে কোনও নাটক বা কোনও মিথ্যাভাষণ সত্যকে ঢেকে রাখতে পারবে না।’’

    লাদেনকে আশ্রয় দিয়েছে পাকিস্তান

    পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গ টেনে সে সময়ে পাকিস্তানের অবস্থান মনে করিয়ে দিয়েছেন নয়াদিল্লির প্রতিনিধি। বলেছেন, ‘‘এটাই সেই পাকিস্তান, যারা পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর গত ২৫ এপ্রিল রাষ্ট্রপুঞ্জে ‘রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (টিআরএফ) নামের পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠীকে আড়াল করতে চেয়েছিল। এই দেশের সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়ার ইতিহাস অনেক পুরনো। ওদের কোনও লজ্জা নেই। বছরের পর বছর ধরে এই দেশেই আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল ওসামা বিন লাদেনকে, সে কথা ভুলে গেলে চলবে না।’’

    সন্ত্রাসীদের গৌরবময় ছবি প্রকাশ করেছে পাকিস্তান

    গেহলট জানান, ৭ মে পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মাধ্যমে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী পরিকাঠামো ধ্বংস করে। তিনি বলেন, “বাহাওয়ালপুর ও মুরিদকেতে সন্ত্রাসী ঘাঁটি ধ্বংসের পর বহু ছবি আমরা দেখেছি — সেইসব জঙ্গিদের যাদের পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনী প্রকাশ্যে শহিদ ঘোষণা করে। ৯ মে পর্যন্ত পাকিস্তান আরও হামলার হুমকি দিচ্ছিল। কিন্তু ১০ মে তাদের সেনাবাহিনীই ভারতকে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়।”
    তিনি আরও বলেন, “৯ মে পর্যন্ত পাকিস্তান আরও হামলার হুমকি দিচ্ছিল। কিন্তু ১০ মে তাদের সেনাবাহিনীই ভারতকে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়।” গেহলট পাকিস্তান সরকারের দ্বিচারিতার কথাও তুলে ধরেন — “যে দেশ নিজেই স্বীকার করেছে যে তারা দশকের পর দশক ধরে জঙ্গি ক্যাম্প চালাচ্ছে, তাদের মুখে শান্তির কথা শুনে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই।”

  • Jaish-e-Mohammed: নাম বদল জইশ-ই-মহম্মদের! নয়া পরিচয়ের নেপথ্যে কারণগুলি জানেন?

    Jaish-e-Mohammed: নাম বদল জইশ-ই-মহম্মদের! নয়া পরিচয়ের নেপথ্যে কারণগুলি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের চোখে ধুলো দিতে নামই বদলে ফেলল পাক জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed)। পাকিস্তানের অভ্যন্তরে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের নাম হচ্ছে আল-মুরাবিতুন। আরবি ভাষায় যার অর্থ ‘ইসলামের রক্ষক’। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জইশের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহারের ভাই ইউসুফ আজহারের ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ উন্মোচনের সময় থেকে সংগঠনের নতুন নামটি ব্যবহার করা হবে। একে তো আন্তর্জাতিক নজরদারি। তার উপর নিষেধাজ্ঞা। জোড়া ধাক্কায় অর্থ সংগ্রহ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাই নাম বদল জইশের।

    কেন নাম পরিবর্তন

    সংগঠনের নয়া নামকরণ একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। ২০০১ সালে ভারতীয় সংসদে হামলা, ২৬/১১ মুম্বই হামলা এবং জম্মু ও কাশ্মীরের উরি ও পুলওয়ামায় সেনাবাহিনীর উপর হামলার জন্য দায়ী জঙ্গি গোষ্ঠী ‘জইশ-ই-মহম্মদ’। গোটা বিশ্বেই এই সংগঠন নিষিদ্ধ। ফলে অতি পরিচিত জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed) নামে তহবিল সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়ছে। পাকিস্তানও মুখরক্ষায় প্রকাশ্য়ে এই সংগঠনকে সহায়তা করতে পারে না। এইসব অসুবিধা দূর করতেই জইশের নতুন নামকরণ করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদ বিরোধী তহবিল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) জুলাইয়ের এক প্রতিবেদনে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর মুখোমুখি তহবিল চ্যালেঞ্জের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এফএটিএফ জানিয়েছে যে, জইশ এখন ডিজিটাল পেমেন্ট, অর্থাৎ ই-ওয়ালেট এবং ইউপিআই ট্রান্সফার ব্যবহার করে নিজেদের পুনর্গঠনে অর্থ ব্যবহার করছে।

    কবে থেকে পরিবর্তিত নাম ব্যবহার

    আগামী সপ্তাহে মাসুদ আজহারের নিহত ভাই ইউসুফ আজহারের স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেও জইশের (Jaish-e-Mohammed) বদলে উদ্যোক্তা হিসেবে আল-মুরাবিতুন নামটির ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ প্রাণ কেড়েছিল মাসুদ আজহারের ভাইয়ের। আগামী সপ্তাহে পেশোয়ারের মারকাজ শাহিদ মুকসুদাবাদে ইউসুফ আজহারের এই স্মরণসভা হবে। সূত্রের খবর, সেখানে জইশের শীর্ষ কমান্ডার ও নেতারা উপস্থিত থাকবে। সেখানে নাম পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। তবে শুধুমাত্র পাকিস্তানেই এই নয়া নামে কাজ করবে তারা। এফএটিএফ অনুসারে, এখন পর্যন্ত পাঁচটি ই-ওয়ালেট শনাক্ত করা হয়েছে এবং প্রতিটিরই জঙ্গি গোষ্ঠী এবং প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, ওই সংগঠনের লক্ষ্য হল প্রায় চার বিলিয়ন পাকিস্তানি টাকা সংগ্রহ করা- যাতে ৩০০ টিরও বেশি ‘মারকাজ’ অর্থাৎ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা কেন্দ্র স্থাপন করা যায়। আন্তর্জাতিক স্তরে জঙ্গিগোষ্ঠীদের মদতদাতা পাক সরকারকে বাঁচানোও নাম পরিবর্তনের আর একটি কারণ বলে অনুমান গোয়েন্দাদের।

    পাকিস্তানকে বাঁচাতেই নাম বদল

    পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর থেকে জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed) ও হিজবুল মুজাহিদিনের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলি তাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলি সরিয়ে আফগানিস্তান সীমান্ত লাগোয়া খাইবার পাখতুনওয়া প্রদেশে নিয়ে যাচ্ছে বলে ভারতের গোয়েন্দা সূত্রে খবর। ‘অপারেশন সিঁদুরে’ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। ফলে নতুন করে ঘাঁটি তৈরির ক্ষেত্রে ওইসব এলাকাকে আর নিরাপদ বলে মনে করছে না জঙ্গি সংগঠনগুলি। সেই কারণেই কৌশলগত ও অবস্থানগতভাবে নিরাপদ খাইবার পাখতুনওয়া প্রদেশকে তারা বেছে নিয়েছে। আর এই ডেরা স্থানান্তরের কাজে পাকিস্তানের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির প্রত্যক্ষ সহযোগিতা রয়েছে বলেও ভারতের গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। সূত্রের খবর, খাইবার পাখতুনওয়া প্রদেশের মানসেহরা জেলায় অবস্থিত গারহি হাবিবুল্লা শহরে গত ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন জঙ্গি নিয়োগের লক্ষ্যে একটি শিবির করে জয়েশ। সেই শিবিরে এসেছিল মাসুদ আজহার ঘনিষ্ঠ শীর্ষ কমান্ডার মৌলানা মুফতি মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরি। জইশের সশস্ত্র জঙ্গিদের সঙ্গেই নতুন নিয়োগের সেই শিবির পাহারা দিতে দেখা গিয়েছে পাকিস্তান পুলিশকেও।

  • Prabowo Subianto: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ‘ওম শান্তি ওম’ বলে ভাষণ শেষ করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট

    Prabowo Subianto: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ‘ওম শান্তি ওম’ বলে ভাষণ শেষ করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের প্রতিনিধি। বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে এই দ্বীপরাষ্ট্রে। বুধবার সেই ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো (Prabowo Subianto) স্বদেশের সংস্কৃতি মেনেই ভাষণ শুরু করলেন ‘ওম স্বস্তিয়াস্তু’ বলে। আর শেষ করলেন ‘ওম শান্তি ওম’ (Om Shanti) বলে। আজ্ঞে হ্যাঁ, শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এটাই ঘটনা। রাষ্ট্রসংঘের ৮০তম সাধারণ সভায় অংশ নিয়েছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট। সেখানেই তিনি উচ্চারণ করেন ‘ওম শান্তি ওম’। সেই ভিডিওই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    ‘ওম শান্তি ওম’ (Prabowo Subianto)

    দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার ৯০ শতাংশ নাগরিকই মুসলমান। সেই দেশেরই প্রেসিডেন্ট তাঁর ভাষণ শুরু করেন ‘ওম স্বস্তিয়াস্তু’ বলে। বক্তব্যের একেবারে শেষে বলেন ‘ওম শান্তি ওম’। তাঁর সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই তাঁকে কুর্নিশ জানান নেটিজেনরা। বক্তৃতার শুরুতেই তিনি বলেন, “ইহুদি, মুসলিম, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ সব ধর্মই এক। আমাদের সকলের একটা মানব পরিবার হিসেবে বসবাস করা উচিত। ইন্দোনেশিয়া এই দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    কী বললেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট? 

    ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “যেখানেই শান্তি রক্ষার প্রয়োজন, সেখানেই সেবা দেওয়ার অঙ্গীকারে অটল আমরা।” তিনি বলেন, “ইন্দোনেশিয়া গাজা বা প্যালেস্তাইনের অন্য কোথাও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ২০ হাজার কিংবা তারও বেশি সংখ্যক আমাদের সন্তানদের পাঠাতে প্রস্তুত।” সুবিয়ান্তো (Prabowo Subianto) বলেন, “আজ ইন্দোনেশিয়া রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর অন্যতম বৃহৎ অবদানকারী দেশ। আমরা কেবল কথায় নয়, বাস্তবে মাটিতে উপস্থিত থেকে যেখানে শান্তি রক্ষার প্রয়োজন, সেখানেই সেবা দিতে থাকব।” যুদ্ধ থামানোর আহ্বান জানিয়ে এবং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের প্রতি ইন্দোনেশিয়ার পূর্ণ সমর্থনের কথা ঘোষণা করে তিনি বলেন, “ইজরায়েল এবং প্যালেস্তাইন – দু’টিই যেন স্বাধীন ও সার্বভৌম হয় এবং হুমকি ও সন্ত্রাস থেকে মুক্ত থেকে নিরাপদে বেঁচে থাকতে পারে।” গাজায় বিধ্বংসী পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট (Prabowo Subianto) বলেন, “জাতিসমূহের এই সমাজকে অবশ্যই দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে এই বিপর্যয় থামানোর জন্য। না হলে পৃথিবী প্রবেশ করবে এক অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায়, যেখানে যুদ্ধ হবে অবিরাম এবং হিংসা ক্রমশ বাড়তেই থাকবে (Om Shanti)।”

LinkedIn
Share