Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) গিয়ে ইরানের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্টের দূতেরা। অন্তত এমনই ঘোষণা করলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতিমধ্যেই দেশ ছেড়েছেন।

    ট্রাম্পের দাবি (Donald Trump)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, তিনি স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারকে ইসলামাবাদে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, দু’মাসের সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে ইরান একটি প্রস্তাব দিচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, “আমি বলেছি, ‘না, তোমরা সেখানে যাওয়ার জন্য ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নেবে না। আমাদের হাতে সব কার্ড আছে। তারা চাইলে যে কোনও সময় আমাদের ফোন করতে পারে। কিন্তু তোমরা আর ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নিয়ে গিয়ে বসে বসে অর্থহীন আলোচনা করবে না।’”

    আরাঘচির বক্তব্য

    এদিকে, আরাঘচি ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ ছেড়ে গিয়েছেন। এটি ছিল তাঁর ত্রিদেশীয় সফরের প্রথম গন্তব্য। এরপর তাঁর যাওয়ার কথা, ওমান এবং রাশিয়ায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি প্রেস টিভি জানিয়েছে, তিনি শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে আরাঘচি বলেন, তিনি পাকিস্তানি আধিকারিকদের সঙ্গে ইরানের অবস্থান তুলে ধরেছেন, যা যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার একটি কার্যকর কাঠামো হতে পারে। তিনি এও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই কূটনীতিতে আন্তরিক কিনা, তা এখনও দেখা বাকি (Donald Trump)।”

    ট্রাম্পের ইঙ্গিত

    পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, ওমান সফর শেষে এবং রাশিয়ায় যাওয়ার আগে আরাঘচি ফের পাকিস্তান সফর করতে পারেন (Pakistan)। বিদেশমন্ত্রকের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, তার প্রতিনিধিদলের একটি অংশ তেহরানে ফিরে গিয়েছে যুদ্ধ সমাপ্তি সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিতে। তারা রবিবার রাতে ফের ইসলামাবাদে ফিরবে। এদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের ইঙ্গিত, ভবিষ্যতে যে কোনও আলোচনা ফোনের মাধ্যমে হতে পারে। তিনি লেখেন, “যদি তারা কথা বলতে চায়, তাহলে শুধু ফোন করলেই হবে!!!” তাঁর আরও দাবি, ইরানে কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা কেউ জানে না এবং সেখানে চরম অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিশৃঙ্খলা চলছে।

    হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা

    বিশ্লেষকদের মতে, “সব কার্ড আমাদের হাতে” কথাটি সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ এবং অঞ্চলে ৫০,০০০-এর বেশি সেনার উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে, যারা প্রয়োজনে ফের যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত (Donald Trump)। এদিকে, এই যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করতে চাপ বেড়েছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে যে অচলাবস্থা চলছে, তার কারণে। এই প্রণালীর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ইরানের শক্তিশালী ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস শনিবার জানিয়েছে, তারা এই জলপথে তাদের অবরোধ এখনই তুলে নিতে চায় না। যদিও এটি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে (Pakistan)। ট্রাম্প বলেন, “আমার দূতদের সফর বাতিল মানেই যুদ্ধ ফের শুরু হবে না। আমরা এখনও সেই বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করিনি।”

    ইরানের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, আরাঘচি শনিবার ওমানের রাজধানী মাসকটে পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি ওমানি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর তিনি রাশিয়ায় যাবেন, যেখানে যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করেছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল (Donald Trump)।

     

  • Shooting In White House: হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রাম্প

    Shooting In White House: হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোদ হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি। শনিবার রাতে করেসপন্ডেন্টস ডিনারের সময় ওই ঘটনায় সাময়িক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। প্রথম গুলির শব্দ শোনা মাত্রই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সহ (Donald Trump) শীর্ষ মার্কিন নেতাদের দ্রুত ওয়াশিংটনের ভেন্যু থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় (Shooting In White House)। উপস্থিত অতিথিরা টেবিলের নীচে আশ্রয় নেন। যদিও আধিকারিকরা জানান, ট্রাম্প জখম হননি, হতাহতেরও খবর মেলেনি। সিক্রেট সার্ভিস ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ভোজসভা কক্ষে ঢুকে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় অতিথিদের মধ্যে। “স্যার, সরে যান!”, “নীচে ঝুঁকে পড়ুন!”—এমন চিৎকার শোনা যায়।

    আট রাউন্ড গুলি! (Shooting In White House)

    উপস্থিত ব্যক্তিদের কয়েকজন জানান, তাঁরা পাঁচ থেকে আটটি গুলির মতো শব্দ শুনেছেন। শত শত সাংবাদিক, সেলিব্রিটি এবং জাতীয় নেতায় ভরা ভোজসভা কক্ষটি দ্রুত খালি করে দেওয়া হয়। ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয় এবং অতিথিদের বের হতে দেওয়া হলেও, ফের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যন্ত কড়াকড়ি করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, হেড টেবিলে ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-সহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রিসভার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা তখন মটরশুঁটি ও বুরাটা সালাড খাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই নিরাপত্তা বাহিনী সবাইকে নীচে ঝুঁকে পড়তে বলে (Shooting In White House)।

    “অনুষ্ঠান চলতে দিন”

    এই হোটেলটি সাধারণত এই অনুষ্ঠানের সময়ও সাধারণ অতিথিদের জন্য খোলা থাকে, নিরাপত্তা প্রধানত বলরুম এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকে। ঘটনার পর ট্রাম্প বলেন, “অনুষ্ঠান চলতে দিন।” আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। তিনি অনুষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ছেড়ে দেন (Donald Trump)। তিনি সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবি শেয়ার করেন, যেখানে তাঁকে মাটিতে শুইয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। এই অনুষ্ঠানটি ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম উপস্থিতি। মিডিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের টানাপোড়েনও আলোচনায় আসে। উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভানিয়ার একটি নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পের ওপর গুলিবর্ষণ হয়েছিল। সেবার তাঁর কানে হালকা আঘাত লেগেছিল। ওই ঘটনায় একজন দর্শক নিহত হয়েছিলেন। জখমও হয়েছিলেন দু’জন। পরে নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীকে গুলি করে নিকেশ করে (Shooting In White House)।

     

  • RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে দাবি করেছেন যে, ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই আসলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দুদের উত্তরসূরি। বর্তমানে আমেরিকা সফরে থাকা হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) সেখানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের সাংস্কৃতিক ডিএনএ এবং হিন্দুত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্য সংঘ শতবর্ষে ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতীয় মুসলিমদের ওরিজিন এক (RSS)

    আরএসএস-এর (RSS) সরকার্যবাহ হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ভারতের মাটিতে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষের পূর্বপুরুষ একই। তাঁর মতে, ভারত একটি সাংস্কৃতিক দেশ এবং হিন্দুত্ব কোনও ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা ও জাতীয়তার পরিচয়। তিনি বলেন, “ভারতে বসবাসকারী ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমের পূর্বপুরুষ আদতে এই দেশের হিন্দু সমাজ থেকেই এসেছেন। ঐতিহাসিক কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উপাসনা পদ্ধতি পরিবর্তিত হলেও, তাঁদের উৎস এবং ডিএনএ অপরিবর্তিত রয়েছে।”

    সাংস্কৃতিক একাত্মতার বার্তা

    অনুষ্ঠানে দত্তাজী (Dattatreya Hosabale) আরও জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সামগ্রিক পরিচয় কোনও বিভেদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি, বরং এটি একটি সমন্বিত সংস্কৃতি। হিন্দু সমাজ সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখে এবং সংঘ (RSS) সেই জাতীয় একাত্মতা প্রচারেই কাজ করে যাচ্ছে।”

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ভারত

    আমেরিকার বিভিন্ন প্রবাসী ভারতীয় এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)  ভারতের বর্তমান অগ্রগতি এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভূমিকার কথাকেই তুলে ধরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ভারতীয় চিন্তাধারা বা ‘ভারতীয়ত্ব’ বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    আরএসএস (RSS) নেতার এই মন্তব্য নতুন করে ভারতের জনতাত্ত্বিক ইতিহাস এবং সামাজিক কাঠামো নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের সাংস্কৃতিক সংহতির পক্ষে তাঁর এই অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষকগণ।

  • India: মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত

    India: মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সার্ক (SAARC Currency) কারেন্সি সোয়াপ ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় প্রথমবারের মতো মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত (India)। এর জেরে দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রতি ভারতের আর্থিক সহায়তা আরও জোরদার হল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    ভারতীয় হাইকমিশনের বক্তব্য (India)

    মালের ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, এই অর্থ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং মলদ্বীপ সরকারের মধ্যে হওয়া চুক্তির প্রথম কিস্তি হিসেবে ছাড়া হচ্ছে। এই চুক্তিটি হয়েছিল মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুইজুর ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে, নয়াদিল্লি সফরের সময়। উল্লেখ্য, এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে মলদ্বীপের নেওয়া পূর্ববর্তী ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণসুবিধার মেয়াদপূর্তির পর। এটি নেওয়া হয়েছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরেই। মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এই ঋণ শোধ সরকারের আর্থিক দায়বদ্ধতা পালনের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে (India)।

    ‘নেবারহুড ফার্স্ট’

    ২০১২ সালে এই ফ্রেমওয়ার্ক চালু হওয়ার পর থেকে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মলদ্বীপকে মোট ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও (SAARC Currency) বেশি সোয়াপ সাহায্য দিয়েছে। হাইকমিশন আরও জানিয়েছে, এই সুবিধাটি মলদ্বীপের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (India)। এছাড়া, ভারত তার ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ (Neighbourhood First) নীতি এবং ‘ভিশন মহাসাগর’ (Vision MAHASAGAR) -এর আওতায় মলদ্বীপকে সাহায্য দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। এটি প্রয়োজনে একটি বিশ্বস্ত অংশীদার ও প্রথম সাহায্যকারী হিসেবে ফের একবার নিশ্চিত করল ভারতের ভূমিকা (SAARC Currency)।

     

  • Rajnath Singh: ‘ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উৎপাদন করুন’, জার্মানিতে আহ্বান রাজনাথের

    Rajnath Singh: ‘ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উৎপাদন করুন’, জার্মানিতে আহ্বান রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মানি সফরে গিয়ে বৃহস্পতিবার জার্মান শিল্পপতিদের ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উৎপাদনের আহ্বান জানালেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সময়ে নির্ভরযোগ্যতা ও অভিন্ন স্বার্থভিত্তিক অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’’ জার্মানির মিউনিখ শহরে আয়োজিত ডিফেন্স ইনভেস্টর সামিটে ভারত ও জার্মানির প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিনিধিদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে সিং বলেন, ‘‘বর্তমান বিশ্বে ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন, সরবরাহ শৃঙ্খলের ব্যাঘাত এবং দ্রুত প্রযুক্তিগত রূপান্তর—এই সবই গভীরতর সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে তুলেছে।’’

    দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদার হিসেবে ভারত

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘‘বিশ্বজুড়ে দেশ ও শিল্প সংস্থাগুলি এখন নির্ভরশীলতা পুনর্মূল্যায়ন করছে এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার খুঁজছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত একটি দ্রুত বর্ধনশীল বাজার, দক্ষ ও তরুণ কর্মশক্তি এবং ক্রমবিকাশমান শিল্প পরিকাঠামো প্রদান করছে। তিনি বলেন, “ভারত কোনও স্বল্পমেয়াদি সুযোগ নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা।”

    উন্নত প্রযুক্তিতে সহযোগিতার সুযোগ

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের আওতায় ভারতীয় সংস্থাগুলি জার্মান প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উন্নত রেডার ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর এবং সাবমেরিন প্রযুক্তিতে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী বলেও জানান তিনি। দেশের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে সরকার।’’

    আত্মনির্ভরতা, তবে সহযোগিতার মাধ্যমেই

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার প্রসঙ্গে রাজনাথ স্পষ্ট করেন, এই নীতি কোনওভাবেই অন্তর্মুখী নয়। বরং এটি বিশ্বস্ত অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে নকশা, উন্নয়ন ও উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা। তিনি বলেন, ‘‘ভারত এখন শুধু প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্রেতা নয়, বরং ডিজাইন ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে অংশীদার হয়ে উঠছে। শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্পভিত্তি জাতীয় নিরাপত্তা যেমন জোরদার করবে, তেমনই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ভারতের অবস্থান মজবুত করবে।’’

    জার্মানির সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও গভীর

    সফরকালে সিং কিয়েলে অবস্থিত একটি সাবমেরিন নির্মাণ কারখানা পরিদর্শন করেন, যা ভারত-জার্মানি সামুদ্রিক সহযোগিতার গুরুত্বকে তুলে ধরে। এর আগে তিনি বার্লিনে জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। সেখানে প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা রোডম্যাপ এবং রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত হয়।

    ৯০ দিনের মধ্যে ৮০০ কোটি ডলারের সাবমেরিন চুক্তি

    জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিস্টোরিয়াস জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যেই ভারত ও জার্মানির মধ্যে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের একটি বৃহৎ সাবমেরিন চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে। এই প্রকল্পে ভারতে ছয়টি সাবমেরিন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। জার্মান সংস্থা থিসেনক্রাপ মেরিন সিস্টেমস (Thyssenkrupp Marine Systems) এবং ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত মাঝগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড (Mazagon Dock Shipbuilders Limited) যৌথভাবে এই সাবমেরিন নির্মাণে অংশ নেবে। পিস্টোরিয়াস জানান, আলোচনা ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে এবং খুব শীঘ্রই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।

  • Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলাদেশে এক হিন্দুর রহস্যমৃত্যু (Bangladesh Hindu Attack)। কক্সবাজার সদর উপজেলার একটি পাহাড়ি এলাকা থেকে তিন দিন ধরে নিখোঁজ এক মন্দির পরিচর্যাকারীর দেহ উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার বিকেলে স্থানীয়দের নজরে আসে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তির দেহ। মৃত ব্যক্তির নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি সাতকানিয়ার বাসিন্দা এবং খুরুশখুল ইউনিয়নের পুলিশশোরা ঘোনা নাগ পঞ্চমী মন্দিরে পরিচর্যাকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নয়নকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ।

    গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মিলল দেহ

    পুলিশ সূত্রে খবর, পরিবারের পক্ষ থেকে বহু খোঁজাখুঁজির পর সোমবার রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নয়ন দাস নিখোঁজ বলে একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দিরের সহকর্মীরা আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান। অবশেষে বুধবার প্রায় ৩০-৩৫ জনের একটি দল মন্দিরের পূর্বদিকে একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নয়নের দেহ দেখতে পায় এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। দেহের গলায় একটি কাপড় পেঁচানো ছিল বলে জানা গিয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামিউদ্দিন জানিয়েছেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না এটি হত্যা না আত্মহত্যা। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।”

    পরিবারের দাবি খুন

    মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, নয়নকে হত্যা করে পরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। কক্সবাজার পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জনি ধর জানান, পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল রাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি নয়ন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, আত্মহত্যা নয়, নয়নকে খুনকরা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের শনাক্ত করতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এর আগে হাসিনা পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু নিধন যজ্ঞ চলেছে।

  • India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভারত সফরে রয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জেই মাইয়াং (India South Korea)। সোমবার তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। তিনি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য একটি রূপরেখাও তুলে ধরেন।

    ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর (India South Korea)

    ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া মোট ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জাহাজ নির্মাণ এবং এআই (AI)-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে এই চুক্তিগুলি। অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য মন্ত্রিস্তরের একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “বর্তমানে বার্ষিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্যকে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে চাই।” দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “এখন এই বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন এক দশকে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন।

    ভারত ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ভারতকে ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন (India South Korea)। “বিকশিত ভারত ২০৪৭” ভিশনের অধীনে দেশের দ্রুত উন্নয়নের প্রশংসাও করেন তিনি। অভ্যর্থনার জন্য ভারতকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমায় এবং আমার প্রতিনিধিদলকে যে উষ্ণ আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই (India South Korea)।” প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র এবং দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলির একটি দেশ। আট বছর পর এই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।”

    প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    তিনি বলেন, “আমরা একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটি গঠন করব, যা আমাদের দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রথম মন্ত্রিস্তরের প্ল্যাটফর্ম হবে।” এই কমিটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সম্পর্ক শক্তিশালী করার ওপর জোর দেবে (India South Korea)। প্রেসিডেন্ট লি এও বলেন, “আমরা গুরুত্বপূর্ণ খাত যেমন— গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, পারমাণবিক শক্তি এবং ক্লিয়ার এনার্জিতে সহযোগিতা বাড়াব।” এই খাতগুলি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মজবুত উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জ্বালানি নিরাপত্তাও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা জ্বালানি সম্পদ ও ন্যাফথার মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।”

    প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সিইপিএ (CEPA) চুক্তি আপগ্রেড করার আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হয়েছি, যাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয় (India South Korea)।” ছোট ও মাঝারি ব্যবসার সহায়তাও একটি গুরুত্বপূর্ণ (India South Korea) দিক। তিনি বলেন, “আমরা এসএমই খাতে সহযোগিতার জন্য এমওইউ সংশোধন করব।” বক্তৃতার একেবারে শেষে তিনি আবারও বলেন, “এই সব প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চাই (India South Korea)।”

     

  • Strait of Hormuz: মাইন আতঙ্ক, গুলির হামলা! হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ম

    Strait of Hormuz: মাইন আতঙ্ক, গুলির হামলা! হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালীর কাছে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে, পারস্য উপসাগরে থাকা ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলির জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জাহাজগুলিকে লারক দ্বীপ থেকে দূরে থাকতে এবং শুধুমাত্র নৌবাহিনীর অনুমতি পেলে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)অতিক্রম করতে বলা হয়েছে, যাতে ঝুঁকি কমানো যায়। গত ১৮ এপ্রিল ইরানি গার্ডরা দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি চালায়। এর পর ভারতীয় সেনা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করেছে। সূত্রের খবর, বর্তমানে হরমুজ প্রণালী পারাপারের অপেক্ষায় থাকা সমস্ত ভারতীয় জাহাজের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ভারতীয় সেনা।

    নৌবাহিনীর নির্দেশ পেলে তবে যাত্রা

    ইরান ও আমেরিাকর মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইতিমধ্যেই ১১টি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়েছে। শেষ ট্যাঙ্কার ‘দেশ গরিমা’ ১৮ এপ্রিল পার হয়। একই দিনে ‘জগ অর্ণব’ ও ‘সানমার হেরাল্ড’ নামের দুটি জাহাজ ইরানি গার্ডদের গুলির মুখে পড়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। হরমুজ পার হওয়ার পর ‘দেশ গরিমা’ এখন আরব সাগর-এ ভারতীয় নৌবাহিনীর সুরক্ষায় রয়েছে এবং ২২ এপ্রিল মুম্বই পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই মুহূর্তে পারস্য উপসাগরে ১৪টি ভারতীয় জাহাজ প্রণালী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। ভারতীয় সেনা তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এগোতে বারণ করেছে। পাশাপাশি, পারস্য উপসাগরের কাছাকাছি এলাকায় ভারতীয় নৌবাহিনীর ৭টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে, যারা হরমুজ পার হওয়ার পর ভারতীয় জাহাজগুলিকে নিরাপত্তা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    লারক দ্বীপ-এর গুরুত্ব

    লারক দ্বীপ প্রণালীর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশে অবস্থিত এবং এটি ইরানের তেল পরিকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফলে এই অঞ্চলে কড়া নজরদারি চালানো হয়—রাডার ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হয়। লারক দ্বীপ হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণে অবস্থিত এবং প্রণালীর প্রায় ৩৩ কিলোমিটার প্রশস্ত অংশ জুড়ে বিস্তৃত। ইরান-আমেরিকা উত্তেজনার আগে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবহণ এই পথ দিয়েই হতো। এলাকায় একাধিক ইরানি ঘাঁটি রয়েছে, যেখান থেকে দ্রুতগতির ছোট নৌযান ব্যবহার করে হামলা চালানো সম্ভব। বর্তমানে তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবে হরমুজ ও লারক দ্বীপের মাঝের রুট ব্যবহার করা হলেও, ওমান উপকূলের কাছাকাছি দক্ষিণ দিকের পুরনো পথটি মাইন থাকার আশঙ্কায় এড়িয়ে চলা হচ্ছে। ভারতীয় জাহাজগুলিকে লারক দ্বীপের কাছাকাছি যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে নৌবাহিনীর অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজের হরমুজ প্রণালী পার হওয়া এখন অনিশ্চিত।

  • India US Talks: ফোনে কথা মোদি-ট্রাম্পের, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা

    India US Talks: ফোনে কথা মোদি-ট্রাম্পের, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ এপ্রিল ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই কথোপকথনে, উভয় রাষ্ট্রনেতাই বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করেন। সমগ্র গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের অধীনে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে দু’তরফে। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে, প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমার বন্ধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে একটি ফোন পেয়েছি। আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করেছি। আমরা আমাদের সমগ্র গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপকে সব ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছি এবং হরমুজ প্রণালী খোলা ও নিরাপদ রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছি।”

    গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India US Talks)

    প্রসঙ্গত, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা ফের হওয়ার কথা এ মাসে। গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ব্যবসায়িক উন্নয়নের অংশ হিসেবেই এই আলোচনা হবে। সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি (BTA)-র জন্য আলোচনা ফের শুরু হবে। একটি ভারতীয় প্রতিনিধিদল ২০ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করবে। সেই সময়ই হওয়ার কথা আলোচনা।এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে সংঘাত শেষের দিকে। তাঁর দাবি, ইরানি বন্দরগুলির অবরোধ এখন সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে তেহরান খুব কঠিন আঘাত পেয়েছে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    হোয়াইট হাউসে একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমেরিকার প্রতিক্রিয়া শক্তিশালী। প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। আসলে এটা বেশ অবিশ্বাস্য হয়েছে… আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছি, ফল নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর। শেষ ফলটাই গুরুত্বপূর্ণ… এবং হয়তো সেটা খুব শীঘ্রই ঘটবে।” ট্রাম্প ফের বলেন, “ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাই মূল লক্ষ্য। তাদের পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে না। আর যদি তাদের নতুন পারমাণবিক অস্ত্র থাকে, তাহলে আমাদের কিছু সময় তাদের সঙ্গে থাকতে হবে। কিন্তু আমি জানি না তারা আর কতদিন টিকে থাকতে পারবে।”

     

  • Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা ব্যারাকপুরের সাংসদ বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে (Dinesh Trivedi) বাংলাদেশে (Bangladesh) পাঠানো হচ্ছে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে। দীর্ঘ সময় পর প্রতিবেশী দেশে এই প্রথম রাজনৈতিক নিয়োগ হিসেবে ত্রিবেদী দায়িত্ব নেবেন। তিনি পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। প্রণয়কে পাঠানো হচ্ছে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে। ঢাকার তারেক রহমান সরকারের কাছ থেকে ত্রিবেদীর জন্য সম্মতি চাওয়া হবে। বছর পঁচাত্তরের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে পাঠানোর এই সিদ্ধান্ত বিদেশমন্ত্রকের কূটনীতিকদের জন্যও একটি বার্তা দেয়।

    ত্রিবেদীর অভিজ্ঞতা (Dinesh Trivedi)

    ইউপিএ আমলে ত্রিবেদী রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তখন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল ছাড়েন, যোগ দেন বিজেপিতে। বস্তুত, ত্রিবেদীর এই নিয়োগ এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন ভারত ও বাংলাদেশ মহঃ ইউনূস জমানার সঙ্কটের পর সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনার অপসারণের পর সংঘটিত অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ আন্দোলনকারীদের (Dinesh Trivedi) ওপর গুলি চালাতে অস্বীকার করেছিল।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    মার্কিন সমর্থিত ইউনূসের সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সংখ্যালঘুদের (হিন্দু-সহ আরও কয়েকটি ধর্ম) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসায় লাগাম টানতে ব্যর্থ হয় তাঁর সরকার। দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগ থেকে এটা স্পষ্ট যে, মোদি সরকার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলিতে রাজনৈতিক নেতাদের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠাতে আপত্তি করছে না, এবং এই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলি আর শুধুমাত্র ভারতীয় বিদেশ পরিষেবার কর্তাদের জন্য সংরক্ষিত নয় (Bangladesh)। এর আগে প্রাক্তন সেনাপ্রধান দলবীর সিং সুহাগ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সেশেলসে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ত্রিবেদীর ঢাকায় নিয়োগ এই ইঙ্গিত দেয় যে, ভারত এখন প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের দূত হিসেবে পাঠাবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর ফলে অন্তত ভারতীয় উপমহাদেশে শুধু ভালো সময়ের রাষ্ট্রদূত পাঠানোর যুগ শেষ হয়ে এসেছে (Dinesh Trivedi)।

LinkedIn
Share