Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh Crisis: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    Bangladesh Crisis: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) কি হিন্দ শূন্য হয়ে যাবে? সম্প্রতি দেশটিতে যেভাবে (ISKCON) হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, যেভাবে হিন্দু সন্ন্যাসীদের (ISKCON) মিথ্যে অভিযোগে গ্রেফতার করা হচ্ছে, তার পরে স্বভাবিকভাবেই উঠছে এই প্রশ্ন। দিন কয়েক আগে গ্রেফতার করা হয়েছে বিশিষ্ট হিন্দু নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস মহারাজকে। রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। ন্যায় বিচারের দাবিতে হিন্দু সম্প্রদায় সমাবেশ করছে। তবে তারাও নির্মম দমন-পীড়ন ও হামলার মুখোমুখি হচ্ছে।

    চিন্ময় মহারাজ (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল পর্যন্তও চিন্ময় মহারাজকে আটকে রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখানে তাঁকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সনাতনী খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে না। তাঁর আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করতে গিয়েও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে বিভিন্ন ইসলামী জঙ্গি সংগঠন যেমন হিজবুত তাহরির, জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, হরকা তুল জিহাদ (হুজি), আনসার আল ইসলাম এবং হেফাজতে ইসলাম (হেই)-এর মতো উগ্রপন্থী ইসলামী গোষ্ঠীর সাজাপ্রাপ্ত জিহাদিরা। এই পরিস্থিতিতে চিন্ময় মহারাজের প্রাণ সংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা সনাতনীদের। চিন্ময় মহারাজ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোটের নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে যিনি রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ করেছেন, তিনি বিএনপির নেতা। ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার করার পর পরের দিনই তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় কারাগারে।

    হিন্দু আন্দোলনের মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলার চেষ্টা

    চিন্ময় মহারাজ ছিলেন বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাঁকে গ্রেফতার করে হিন্দু আন্দোলনের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে দিতে চেয়েছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা। সোশ্যাল মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামপন্থী ও হিন্দু-বিরোধী এলিমেন্টরা চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে হিন্দুদের বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলা চালাচ্ছে। ২৭ নভেম্বর ভোরের দিকে চট্টগ্রাম শহরের মেথরপট্টি এলাকায় মনসা মায়ের মন্দিরে দুষ্কৃতীরা আগুন লাগিয়ে দেয়। হজারিগলিতে কালী মন্দিরেও আগুন লাগিয়ে দেয় ইসলামপন্থী জনতা। হরিজন সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন বহু হিন্দু বাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, উগ্রপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলমানদের “ছুরি ধারালো করার” আহ্বান (ISKCON) জানাচ্ছে। তারা যাতে ইসকনের সদস্যদের হত্যা করতে পারে, তাই ছুরি ধারালো করার আহ্বান। চট্টগ্রাম শহরের হিন্দুরা এক অসহনীয় অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর (Bangladesh Crisis)। এবারের অত্যাচার ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের স্থানীয় সহযোগীদের দ্বারা সংঘটিত নির্যাতনের কথা মনে করিয়ে দেয়।

    আরও পড়ুন: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    চরমে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মহম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকার যদি এই হিংসা বন্ধ করতে না পারে, তাহলে বহু হিন্দু খুন হতে পারেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে পারেন হিন্দু মহিলারা। চলতি বছরের অগাস্ট মাস থেকে (পড়ুন প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর) বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার তুঙ্গে। নির্বিচারে ভাঙচুর করা হচ্ছে হিন্দুদের বাড়ি এবং মন্দির। লুটতরাজ চালানো হচ্ছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে। হামলা চালনো হচ্ছে হিন্দুদের বাড়িতে। রাতের অন্ধকারে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুনও। স্থানীয় মিডিয়াকে এই ঘটনাগুলো প্রচার করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মিডিয়ার বেশিরভাগই কোনও এক অজানা কারণে নৃশংসতার এই ছবি তুলে ধরা থেকে বিরত থেকেছে।

    বিহারিদের অত্যাচার!

    ‘স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানিজ’ কমিউনিটির সদস্যরা, যারা বিহারি নামেও পরিচিত, তারাও হিন্দুদের বিরুদ্ধে এই হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এই অপরাধগুলো গুরুতর হওয়া সত্ত্বেও, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো মানবাধিকার সংগঠনগুলি অদ্ভুতভাবে নীরব রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এর কারণ সম্ভবত ইউনূসের প্রভাব এবং বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর কানেকশনের কারণে (ISKCON)।

    ক্লিন্টনের কারবার

    দেশে লাগাতার হিন্দু নিধন যজ্ঞ চললেও, চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য আমেরিকা সফরের সময় ইউনূসকে ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ দ্বারা সম্মানিত করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে, বিল ক্লিনটন নিষিদ্ধ ইসলামপন্থী সংগঠন হিজব-উত-তাহরির-এর নেতা মাহফুজ আলমের প্রশংসা করেন। এই সংগঠন খিলাফত প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করে। সেই সংগঠনেরই হয়ে সাফাই গাইতে দেখা যায় বিল ক্লিনটনকে। হিন্দুদের (Bangladesh Crisis) পীড়ন করার পাশাপাশি বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করাও শুরু করে দিয়েছে ইউনূস সরকার। অক্টোবরে আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠনের গায়ে জঙ্গি সংগঠনের তকমা সেঁটে দিয়ে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে যে, সরকার আওয়ামি লিগকে রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে।

    এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে প্রতিষ্ঠিত হবে ইসলামি শক্তির আধিপত্য। হিন্দু ও খ্রিষ্টান-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য তেমন কোনও প্রতিনিধিত্ব থাকবে না। তাই সমালোচনাও হবে না। মৌলবাদীদের পাশাপাশি করেকম্মে (ISKCON) খাবে জঙ্গিরাও (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: আদালতে ধাক্কা খাওয়া ইউনূস সরকারের নয়া চক্রান্ত, ফ্রিজ ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট

    ISKCON: আদালতে ধাক্কা খাওয়া ইউনূস সরকারের নয়া চক্রান্ত, ফ্রিজ ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসকন (ISKCON) ইস্যুতে বাংলাদেশ কোর্টে জোর ধাক্কা খেয়ছে মৌলবাদীরা। কারণ, অনেক ইসলামপন্থি বাংলাদেশি তাঁদের দেশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ‘ইসকন’কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবিতে সরব হয়েছিল। এই মর্মে বাংলাদেশ হাইকোর্টে একটি পিটিশনও দাখিল করা হয়। তবে আদালতে সেই পিটিশন খারিজ হয়ে যায়। আদালত সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়েছে। আদালতে কাজ হাসিল না হওয়ায় ‘রাগে’ ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ দিল ইউনূস সরকার। অবশ্য ইউনূসকে সামনে রেখে পিছনে ছড়ি ঘোরানো মৌলবাদীরা ইসকনকে চাপে রাখতে সব রকমের কৌশল নেওয়া শুরু করেছে। এবার মূলত ইসকনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের দিকে ইউনূস সরকারের নজর রয়েছে!

    ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ! (ISKCON)

    বাংলাদেশের ইসকনের (ISKCON) ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ দিল দেশের অর্থনৈতিক কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছেন ধৃত সনাতনী নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ দাসও। প্রথম আলো সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে এই নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের ফিনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এক মাস এই অ্যাকাউন্টগুলিতে কোনও রকম আর্থিক লেনদেন হবে না, কড়া নির্দেশে জানিয়েছে বিএফআইইউ। বিএফআইইউ ইসকনের ১৭ জনের অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য জানাতে বলেছে ওই ব্যাঙ্ক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে। তিনদিনের মধ্যে অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য জানাতে হবে বিএফআইইউ-কে।

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ ভারতে ধেয়ে আসছে ‘ফেনজল’, ল্যান্ডফল বিকেলেই, কলকাতায় মেঘলা আকাশ

    চিন্ময় প্রভু গ্রেফতারি নিয়ে সরব অসকন

    প্রসঙ্গত, ২৫ নভেম্বর ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেফতার হন সনাতনী নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। এই ঘটনার পরপরই বাংলাদেশের ইসকন (ISKCON) বিবৃতিতে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির তীব্র নিন্দা করেছে। বৃহস্পতিবারও এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘আমরা সবাই হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আর্জি জানাচ্ছি। ফের শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা হোক দেশে। চিন্ময়কৃষ্ণ দাস হিন্দুদের রক্ষার্থে এবং মন্দিরের সুরক্ষার জন্য লড়াই করছেন। অধিকার আদায় এবং স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামের অধিকার তাঁর রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে সমর্থন করা থেকে বিরত হচ্ছি না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jim Rogers: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    Jim Rogers: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি (PM Modi) সাহেব অনেক ভালো কথা বলেছেন এবং তিনি কিছু ভালো কাজ করেছেন।” কথাগুলি বললেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী জিম রজার্স (Jim Rogers)। গ্লোবাল বাজার বিশ্লেষণে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিভঙ্গির জন্যও পরিচিত তিনি। তিনি ভারতের প্রবৃদ্ধি এবং গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের উন্নতির বিষয়ে তাঁর দক্ষতা এবং কৌশলগত অন্তর্দৃষ্টির জন্যও সুপরিচিত।

    আশাবাদী রজার্স (Jim Rogers)

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের অর্থনৈতিক গতিপথ নিয়ে আশা প্রকাশ করেন রজার্স। গত দশকে সরকারের প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ভারতের অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। রজার্স বলেন, “অনেক দশক ধরে দিল্লি অনেক ভালো বিষয় নিয়ে কথা বলেছে। কিন্তু তারা সত্যিই তা বাস্তবে প্রয়োগ করেনি। আমার কখনও মনে হয়নি যে দিল্লি অর্থনীতি বুঝেছে এবং কী হওয়া উচিত, তা উপলব্ধি করেছে।”

    কী বললেন রজার্স?

    রজার্স বর্তমান সরকারের অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি (Jim Rogers) বলেন, ‘‘এখন, জীবনে প্রথম বারের মতো আমি মনে হচ্ছে যে, দিল্লি এটা (অর্থনীতি) বুঝছে এবং তারা সত্যিই এটি বাস্তবায়ন করতে চায়, এবং পরিস্থিতি আরও ভালো হবে।’’ তিনি ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কার ও প্রবৃদ্ধি কৌশল সম্পর্কে নতুন করে আশার আলোর কথা শোনান। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মোদি সরকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে পণ্য ও পরিষেবা কর, দেউলিয়া ও দেউলিয়া আইন, এবং ব্যবসা পরিচালনা উন্নত করার লক্ষ্যে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ।

    আরও পড়ুন: ‘পরিবারের যত্ন নিন’, ওড়িশায় দলীয় বৈঠকে কর্মীদের ‘পরামর্শ’ প্রধানমন্ত্রীর

    মোদি সরকারের এই সব পদক্ষেপের সুফলও ফলেছে। ২০১৪ সালের আগে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ১০ নম্বরে ছিল ভারত। মোদি জমানায় সেই দেশই উঠে এসেছে পাঁচ নম্বরে। দীর্ঘকাল এই জায়গাটা ধরে রেখেছিল ব্রিটেন। সেই রাজার দেশকে নীচে নামিয়ে পঞ্চম স্থানটি দখল করেছে মোদির (PM Modi) ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, অচিরেই ভারত উঠে আসবে ওই তালিকার তিন নম্বরে (Jim Rogers)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু! চট্টগ্রামে ফের হামলা ৩ মন্দিরে

    Bangladesh: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু! চট্টগ্রামে ফের হামলা ৩ মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) সংখ্যালঘু ও হিন্দুদের ওপরে হামলা চলছেই। ইতিমধ্যে সেখানে পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে ভারত সরকারও। ঠিক এই আবহে শুক্রবার ২৯ নভেম্বর মৌলবাদীদের একটি দল হামলা চালায় বাংলাদেশের চট্টগ্রামের তিনটি হিন্দু মন্দিরে। প্রত্যেকটি মন্দিরকেই ভাঙচুর করা হয়েছে বলে খবর। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের (Bangladesh) বন্দর নগরী বলে পরিচিত। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এখানেই গ্রেফতার করা হয় ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে।

    একটি ভিড় স্লোগান দিতে দিতে হামলা চালায় 

    সে নিয়ে উত্তাল হয় চট্টগ্রাম (Chattogram) আদালত। জানা গিয়েছে, শুক্রবার চট্টগ্রামের হরিশচন্দ্র মুন্সি লেনে দুপুর আড়াইটা নাগাদ এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। শান্তনেশ্বরী মাতৃমন্দির ও তার নিকটবর্তী একটি শনি মন্দির এবং শান্তনেশ্বরী কালীবাড়িতে হামলা করা হয়। বাংলাদেশের (Bangladesh) জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল বিডি নিউজ২৪ এই খবর করেছে। ওই পোর্টালের নিউজ অনুযায়ী, একটি ভিড় স্লোগান দিতে দিতে  ইট নিয়ে হামলা চালায় মন্দিরগুলিতে। 

    মন্দিরের পাশপাশি হামলা চলে আশেপাশের দোকানগুলিতেও

    এ নিয়ে বিবৃতি সামনে এসেছে স্থানীয় কোতোয়ালি থানার ওসি আবদুল করিমের। তিনি এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। শান্তনেশ্বরী মন্দির কর্তৃপক্ষের অন্যতম সদস্য তপন দাস সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুক্রবার জুম্মার নমাজের পরে শতাধিক ভিড়ের একটি মিছিল আসে এবং তারা হিন্দু বিরোধী ও ইসকন বিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করে। এর পরেই হামলা চালানো হয়। মন্দিরের মূল দরজায় আক্রমণ করে। এই সময় অন্য একটি ভিড় পাশের শনি মন্দির ও কালীমন্দিরে হামলা চালায়। শুধু তাই নয়, বেশ কতগুলি দোকান ঘরেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

    বুধবারই বন্ধ করা হয় ইসকনের এক মন্দির

    বুধবার বাংলাদেশের সোনালি মার্কেটে অবস্থিত ইসকন মন্দির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মৌলবাদী নেতারা আধ ঘণ্টার মধ্যে মন্দির বন্ধ করার এবং ইসকনের সদস্যদের গ্রেফতার করার হুমকি দিচ্ছে। পুলিশ ও সেনারাও সেখানে উপস্থিত ছিল। ইসকনের সমর্থকদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। বেছে বেছে হিন্দুদেরই পুলিশ ধরছে বলে অভিযোগ। হিন্দুদের ওপরে মৌলবাদীদের নেতৃত্বে হামলার লাগাতার অভিযোগ আসছে। বাড়ি-ঘর, দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ভয়ঙ্কর চিত্রও সামনে এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Unrest: ২ বছর ধরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনেছে ইসলামি ছাত্র শিবির, আইএসআই!

    Bangladesh Unrest: ২ বছর ধরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনেছে ইসলামি ছাত্র শিবির, আইএসআই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের কবল থেকে ভারতের প্রত্যক্ষ মদতে স্বাধীনতা লাভ করেছিল বাংলাদেশ (Bangladesh)। ৫২ বছর পর সেই বাংলাদেশে ভিড়ল পাকিস্তানের জাহাজ। পাকিস্তানের সেই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছয়। জাহাজে কী ছিল? জানা যায়নি স্পষ্ট করে। কিন্তু এরমধ্যে হাসিনার গণতান্ত্রিক সরকারকে ফেলে দিয়ে লুট হয়েছে গণভবন (Bangladesh Unrest)। আওয়ামি লিগকে বিতাড়িত করে, পেছনের দরজা দিয়ে গদিতে বসেছেন মহম্মদ ইউনূস (Muhammed Yunus)। দেশ এখন সম্পূর্ণ ভাবে জামাত-ই-ইসলামি এবং বিএনপি-র মতো কট্টর মৌলবাদী জেহাদিদের হাতে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অকথ্য অত্যাচার চলছে (Anti Hindu Conspiracy)। একই ভাবে ভারতের জাতীয় পতাকা এবং সম্মানকে ক্ষুণ্ণ করার দৃষ্টান্ত নজরে এসেছে সামজিক মাধ্যমে। কীভাবে উপকারীর অপকার করতে হয় তার হয়ত উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ইউনূস প্রশাসন। তবে, এটা আচমকা শুরু হয়নি। গত ২ বছর ধরে ধীরে ধীরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী (Anti Hindu Conspiracy) ও ভারত-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনে চলেছে কট্টর মৌলবাদী ইসলামি ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) এবং পাকিস্তানের আইএসআই (Pak ISI)। আসুন জেনে নিই কীভাবে এতকাণ্ড ঘটল।

    ষড়যন্ত্র শুরু হয় ২০২২ সালে

    বাংলাদেশে (Bangladesh Unrest) গভীর ষড়যন্ত্রের প্রথম শুরু হয় ২০২২ সালের একেবারে গোড়ায়। ইসলামিক ছাত্র শিবিরের (Islami Chhatra Shibir) নেতারা তখন ঘনঘন পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন। পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে লাগাতার বৈঠক হয়। সেখানেই আন্দোলন এবং পরিকল্পনার রোডম্যাপ তৈরি করা হয়। তবে তারা এক দিনের আন্দোলন নয়, দীর্ঘ দিনের আন্দোলনের বিষয় স্থির করেছিল। যার প্রথম ধাপে ছিল বিপুল পরিমাণ মানুষকে ক্ষিপ্ত করে রাস্তায় নামানো (Bangladesh Unrest)। এরপর শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করানো। তারপর দ্বিতীয় ধাপে মহম্মদ ইউনূসকে তত্ত্বাবোধায়ক সরকার গঠনে নেতৃত্ব দেওয়া। কারণ ইউনূস এমন ব্যক্তি যিনি ইসালামি আগ্রাসী মনোভাব নিয়েই কাজ করবেন। আইএসআই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বাংলাদেশে ইসলামকে সর্বাত্মক কার্যকর করতে হবে। কোনও সংখ্যালঘু (Anti Hindu Conspiracy) যেন আর না থাকে। অত্যাচার, নিপীড়ন, লুট, ধর্ষণ, খুনের বিরাট টার্গেট স্থির করা হয়। পাকিস্তানের মতো যেন বাংলাদেশ হিন্দু শূন্য হয়, এটাই পরিকল্পনা স্থির হয়েছিল। 

    আইএসআই-এর বিরাট ষড়যন্ত্র! (Anti Hindu Conspiracy)

    কার্যত এই পরিকল্পনার স্পষ্ট বাস্তবায়ন আমরা দেখেছি গত ৫ অগাস্টের পর থেকে। একে একে রংপুর, কুমিল্লা, ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল, চট্টগ্রামে হিন্দু মন্দির এবং বাড়ি-ঘরে কীভাবে হামলা হয়েছে (Bangladesh Unrest)। তবে আইএসআই ছাত্র শিবিরকে আশ্বাস দিয়েছিল, আন্দোলনে শোরগোল ফেলতে আরও বেশি কর্মীর প্রয়োজন হবে। তরুণ মুসলমান যুবকদের ভারত বিরোধী (Anti India Campaign) মগজ ধোলাই করতে সামজিক মাধ্যমে নানা উপকরণ ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিকৃত তথ্য এবং বিভ্রান্ত খবরের জোগান দিয়ে যুব সমাজের মনকে আকর্ষণ করা হয়। প্রথমে সামজিক মাধ্যমে আবহকে উত্তপ্ত করা হয় এবং এরপর মাঠে-ময়দানে, রাস্তায়  ধাপে ধাপে পরিকল্পনা করে নামানো হয় জনগণকে।

    ছাত্রদের মুখ করতে হবে

    আইএসআই খুব স্পষ্ট ভাবে নির্দেশ দিয়েছিল এই আন্দোলন যেন দেখতে সম্পূর্ণ ভাবে ছাত্র আন্দোলন হয়। ছাত্রদের সামনে রাখলে তবেই আন্দোলন বাস্তবায়ন হবে। উদ্দেশ্য সফল হবে। যে ছাত্র সমাজ কোটা-বিরোধী আন্দোলনে (Bangladesh Unrest) যোগদান করেছিল, তাদের একটা বড় অংশ আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে অন্ধকারে ছিল (Anti Hindu Conspiracy)। বিএনপি এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজনৈতিক রং দেয়। বিশ্বের ইতিহাস দেখলে দেখা যাবে ছাত্র আন্দোলনের নামে যে কোনও স্বার্থকে খুব সহজেই আদায় করা যায়। জামাত শিবির, ইসলামিক ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) এবং আইএসআই তাই এই বৃহৎ পরিকল্পনা করেছিল (Islami Chhatra Shibir Pak ISI Nexus)।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘লুট করা হচ্ছে হিন্দুদের দোকান-বাড়ি’’, বাংলাদেশ ইস্যুতে সংসদে বিবৃতি জয়শঙ্করের

    প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনা (Bangladesh Unrest)

    প্রায় দুই বছর ধরে ইসালামিক ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গির নগর বিশ্ববিদ্যালয় সহ একাধিক জায়গায় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ধীরে ধীরে প্রভাব বিস্তার শুরু করে। জামাতের এই ছাত্র সংগঠনের অনেক সদস্য পাকিস্তানের আইএসআই-এর দ্বারা প্রশিক্ষিত হয়। তবে তারা নিজেরা রাস্তায় না নামলেও পরিকল্পিত ভাবে সাধারণ ছাত্র-জনতাকে রাস্তায় নামতে যুক্তি, কারণ এবং তথ্য প্রদানের কাজ করেছে। ফলে, আজকে বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি, তার জন্য আইএসআই ভীষণ ভাবে দায়ী। 

    ভারত বিদ্বেষী প্রচার 

    আইএসআই-এর কাছে হাসিনার সরকারকে টার্গেট করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ঠিক হয় ভারত বিদ্বেষী (Anti India Campaign) ভাবনার ব্যাপক প্রচার-প্রসার। হাসিনার আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ৬.৩ শতাংশ আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছিল। ভারতের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত মিত্রতার। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh Unrest) বাণিজ্য ২০২১ সালে রেকর্ড স্তর ১৪ বিলিয়ন ডালারে পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৩ সালে ১১.৩ বিলিয়ন ডলারে পরিণত হয়েছে। অপর দিকে নতুন ইউনূস সরকার জানিয়েছে, দুই দেশের বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না। যদিও বাংলাদেশের থেকে আদানি পাওয়ার সংস্থার ৮০ কোটি ডলার পাওনা রয়েছে। এখন এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হল ভারতের সঙ্গে যাতে বাংলাদেশের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন ও চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠল ব্রিটিশ সংসদেও

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন ও চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠল ব্রিটিশ সংসদেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের সংসদে সরব হলেন কনজারভেটিভ পার্টির এমপি বব ব্ল্যাকম্যান। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ও চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর গ্রেফতারির ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বব ব্ল্যাকম্যান (Bob Blackman) বলেন, “বাংলাদেশে যেভাবে হিন্দুদের ওপর হামলা হচ্ছে, জেলে ভরা হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে, সেসবের তীব্র নিন্দা করছি। ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে চেয়ে বাংলাদেশের হাইকোর্টে যেভাবে মামলা দায়ের হয়েছে, সেটাও যথেষ্ট উদ্বেগের। বিশ্বের সমস্ত দেশেই ধর্মপালনের স্বাধীনতা থাকা উচিত।”

    ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর এমন নির্যাতন মোটেই বরদাস্ত করা যায় না

    বব ব্ল্যাকম্যান (Bob Blackman)  আরও বলেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের হত্যা করে তাঁদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে মন্দির। বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকারে যাই পরিবর্তন হয়ে থাকুক না কেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর এমন নির্যাতন মোটেই বরদাস্ত করা যায় না। গোটা ঘটনায় দায় রয়েছে আমাদেরও, কারণ বাংলাদেশকে স্বাধীন হতে সাহায্য করেছিল ব্রিটেন।”

    ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশে দু’হাজারের বেশি হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে

    প্রসঙ্গত, গত বুধবারই বাংলাদেশের (Bangladesh) ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক রিপোর্ট পেশ করে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্স-এর বহুদলীয় গোষ্ঠী ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ ফর দ্য কমনওয়েলথ’। ওই রিপোর্টে বলা হয়, “ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশে দু’হাজারের বেশি হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার বদলা নিতে বিচার ব্যবস্থাকে ব্যবহার করেছে। আইনকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার সংস্কৃতি অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: বাংলাদেশের বন্যায় খাদ্য বিতরণ করেছিল ইসকন, সেদেশেই ‘জঙ্গি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে!

    ISKCON: বাংলাদেশের বন্যায় খাদ্য বিতরণ করেছিল ইসকন, সেদেশেই ‘জঙ্গি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসকনকে (ISKCON) জঙ্গি সংগঠনের তকমা দিতে উঠে পড়ে লেগেছে বাংলাদেশের ইসলামি মৌলবাদী সংগঠনগুলি। ইউনূস সরকারকে সামনে রেখে তারা এই নোংরা খেলায় নেমেছে। কিন্তু, মৌলবাদীরা ভুলে গিয়েছে বাংলাদেশের প্রতি ইসকনের দেশপ্রেমের কথা। চলতি বছরের অগাস্টেই ক্ষমতাচ্যুত হন হাসিনা। ক্ষমতায় আসেন মহম্মদ ইউনূস। আর সেই অগাস্টেই ভয়ঙ্কর বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদশ। সেই সময় বন্যা কবলিত অসহায় মুসলিমদের মুখে অন্ন তুলে দিয়েছিল এই ইসকন। আর সেটা তখন বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিতও হয়েছিল। ফলে, দেশবাসী ইসকনের বন্যা কবলিত বাংলাদেশবাসীর প্রতি তার ভূমিকা কী তা জেনেছিলেন। আর এখন সেই ইসকনকে মৌলবাদী সংগঠনের তকমা দেওয়া হচ্ছে।

    বন্যার সময় ঠিক কী কাজ করেছিল ইসকন? (ISKCON)

    অগাস্ট মাসে বন্যার সময় ইসকন (ISKCON) করেছিল তার একটু উদাহরণ দিলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘‘কালবেলা’’। সকলেই এই পত্রিকার নাম জানেন। সেই সংবাদ পত্রে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, ‘‘দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করছে ইসকন। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকার কথা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। শনিবার ২৪ অগাস্ট থেকে এ কার্যক্রম শুরুর কথা জানান ইসকনের পাবলিক জনসংযোগ সহ-পরিচালক বিমলা প্রসাদ দাস। ২৫ অগাস্ট কুমিল্লার বুড়িচং থানার বন্যায় আক্রান্ত বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খিচুড়ি বিতরণ করেন ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাস। দুই হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। একই দিন আরও দুটি টিম নোয়াখালী সদর, ফেনী, চৌমুহনী এলাকায় শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করে। এছাড়া খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পৃথক পৃথক টিম বন্যার্তদের মধ্যে চিড়া, মুড়ি, অষুধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, বোতলজাত পানি ইসকনের পক্ষ থেকে বিতরণ করেছে।’’

    ফলে, বোঝা যাচ্ছে ইসকন শুধু একটি এলাকায় এই শিবির করেছে তা নয়, সমগ্র বাংলাদেশের বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে ইসকনের টিম অসহায় হিন্দু-মুসলিমসহ সমস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। মুখে অন্ন তুলে দিয়েছে। আর তিন মাসের মধ্যে সমাজসেবা করা একটি প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হয়রানির শিকার আরও এক হিন্দু সন্ন্যাসী, এবার গ্রেফতার সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস

    ইসকনকে নিষিদ্ধ করার আর্জি কোর্টে

    বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ইসকন? বুধবার এক আইনজীবী সেই আর্জি জানান। তা নিয়ে হাইকোর্টে নিজের মতামত জানান বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের হাইকোর্টে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি উত্থাপিত হয়। সেখানে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার আর্জি খারিজ করে দেয় বাংলাদেশের হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বাংলাদেশের একটি মহল থেকে হিন্দু সন্ন্যাসী তথা বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র শ্রী চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে ‘জঙ্গি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং ইসকনকে (ISKCON)  ‘জঙ্গি’ সংগঠন বলে দাবি করা হচ্ছে।

    ইসকনের সভাপতি কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে ইসকনের (ISKCON) সভাপতি মধু পণ্ডিত দাস বলেন, ‘‘ইসকনের তরফে আর্জি জানানো হচ্ছে যে ভারত সরকার যেন অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কথা বলে। বাংলাদেশ সরকারের কাছে যেন এই বার্তাটা পৌঁছে দেয় যে আমরা শান্তিপ্রিয় ভক্তি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বাংলাদেশে বন্যার সময় ইসকন যেভাবে মানুষকে সহায়তা করেছিল, তা সকলেই জানেন। বিশ্বের কোনও প্রান্তে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ইসকন কোনওভাবে জড়িত থাকার ভিত্তিহীন অভিযোগ করার বিষয়টি সাংঘাতিক।’’

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ দাবি

    গত ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে ২০০টির বেশি হামলা ঘটনা ঘটেছে। হামলা চালানো হয়েছে মন্দিরেও। এর মধ্যে নতুন করে চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতারি এবং তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়ার প্রতিবাদে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। ভারতে তো প্রতিবাদ হচ্ছেই, প্রভাবশালী ইন্দো-মার্কিন সংস্থা ‘ফাউন্ডেশন ফর ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ডায়াসপোরা স্টাডিজ’-এর তরফে বিষয়টি নিয়ে জো বাইডেন এবং ভাবী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নয় ইসকন, আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দিল সেদেশের হাইকোর্ট

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নয় ইসকন, আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দিল সেদেশের হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেস্তে গেল ইসকনকে (ISKCON) নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টা! বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) আর নিষিদ্ধ নয় ইসকন। সে দেশের হাইকোর্টে খারিজ হয়ে গেল রিট পিটিশন। বৃহস্পতিবার আদালতের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, ইসকন নিষিদ্ধ হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

    কী বলল আদালত? (Bangladesh Crisis)

    রিট পিটিশন খারিজ করে দিয়ে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, শান্তিরক্ষায় সরকার যাবতীয় পদক্ষেপ করবে। কিন্তু কোনওভাবেই ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার শুনানি চলাকালীন আইনজীবী মনিরউদ্দিন ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জানান। তার পরেই আদালত জানিয়ে দেয়, ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে না। হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ্ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশিস রায় চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ইসকন নিষিদ্ধ করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। এ নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না।

    গ্রেফতার চিন্ময় কৃষ্ণ দাস

    দিন কয়েক আগেই ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ ইসকনের অন্যতম কর্তা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। তার পর থেকেই ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি জোরালো হয় বাংলাদেশে। চিন্ময়কে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালীনই মঙ্গলবার চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করা হয়। তার পরেই ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায় হেফাজতে ইসলাম-সহ বাংলাদেশের একাধিক ইসলামি সংগঠন।

    প্রসঙ্গত, ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) হাইকোর্টে একটি পিটিশন জমা দেন মনিরউজ্জামান নামের এক আইনজীবী। একই সঙ্গে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে চট্টগ্রাম ও রংপুরে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশও দেওয়ার দাবি জানান ওই আইনজীবী। এ নিয়ে সেখানকার সরকার কী পদক্ষেপ করছে, আদালতে তা জানানোর আবেদনও করেন ওই আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    সূত্রের খবর, এদিন এই বিষয়ে সরকারের মনোভাব ও পদক্ষেপ করার কথা আদালতকে জানান অ্যার্টনি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, চট্টগ্রামের ওই আইনজীবী হত্যার ঘটনায় দায়ের হয়েছে তিনটি মামলা। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৩৩ জনকে। ওই মামলায় আরও যাদের নাম রয়েছে, তাদেরও গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ইসকন (ISKCON) নিয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হয়রানির শিকার আরও এক হিন্দু সন্ন্যাসী, এবার গ্রেফতার সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস

    Bangladesh: বাংলাদেশে হয়রানির শিকার আরও এক হিন্দু সন্ন্যাসী, এবার গ্রেফতার সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু সন্ন্যাসীদের ওপর পুলিশি হয়রানি চলছেই। ইসকনের চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পর এবার গ্রেফতার সনাতন জাগরণ ঐক্য জোটের সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস। প্রসঙ্গত, স্বরূপ দাস (Swarup Das) চট্টগ্রামের হাটাজারির গৌরাঙ্গ বাড়ির অধ্যক্ষ।

    হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই লাগাতার হামলা

    গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে (Bangladesh) হাসিনা সরকারের পতেনর পর থেকেই আক্রমণের শিকার সংখ্যালঘু হিন্দুরা। সম্প্রতি, এই ধরনের হামলার ঘটনা আরও বেড়েছে। এরই প্রতিবাদে বাংলাদেশে রাস্তায় নেমেছে সনাতনী সমাজ। এই আবহে গত ২৫ নভেম্বর বাংলাদেশের (Bangladesh) বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। জামাত-বিএনপি নিয়ন্ত্রিত ইউনূস সরকার রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনে চিন্ময় মহারাজের বিরুদ্ধে। এরপরেই এবার গ্রেফতার করা হল সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাসকে। বৃহস্পতিবারই চট্টগ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ, কোন অপরাধে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

    সরকারের প্রাণভোমরা জামাত-বিএনপির হাতে (Swarup Das)

    চিন্ময় কৃষ্ণের গ্রেফতারির পরে ইউনূস সরকারও ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, জামাতরাও হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে ইসকনকে নিষিদ্ধ না করলে, আরও হামলা হবে। উল্লেখ্য জামাত-বিএনপি হল ইউনূস সরকারের প্রাণভোমরা। ইতিমধ্যেই শিবচরে ইসকনের মন্দির জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সমাবেশ করেছিল বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চ। সেই সমাবেশে ভাষণ দিয়েছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রভুও। ইসলামি মৌলবাদীদের দাবি, ওই সমাবেশে নাকি বাংলাদেশের (Bangladesh) জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হয়েছিল। তবে এর সুনির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ মেলেনি। এই অভিযোগেই চট্টগ্রামে একটি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন বিএনপি নেতা ফিরোজ খান। গত ৩১ অক্টোবর চিন্ময় দাস-সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন সেই নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    Bangladesh Crisis: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা ও বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ নোটের মুখপাত্র (Bangladesh Crisis) চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অযৌক্তিক গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। ভারতে নিন্দার ঝড় উঠলেও, চট্টগ্রামে তিনটি হিন্দু মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে। এগুলি হল, ফরাসি বাজারের লোকনাথ মন্দির, মানসা মাতা মন্দির এবং হাজারি লেনের কালী মন্দির।

    সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার, বিশেষ করে হিন্দুদের বিরুদ্ধে অত্যাচার একটি রুটিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি দীর্ঘকাল ধরে চলে এলেও, হাসিনা-উত্তর জমানায় আরও খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশে ৯১ শতাংশ জনগণ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, আহমদিয়া এবং খ্রিস্টান মিলিয়ে ৮.৯৫ শতাংশ। বছরের পর বছর ধরে এই সম্প্রদায়গুলি নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। বঞ্চিত হয়ে আসছে ন্যায়বিচার থেকেও। আইন থাকলেও, তা প্রয়োগ হয় না বলেই অভিযোগ। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের জন্য আইনগুলিতে (Vested Property Act) সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও, সেগুলি কখনই বাস্তবায়িত করা হয় না। ফলে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বেড়েই চলেছে।

    আরও পড়ুন: ইউনূস সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন ঊনচল্লিশের সন্ন্যাসী চিন্ময়, তাই কি গ্রেফতার?

    কী বলছে সংবিধান

    বাংলাদেশের সংবিধান এবং অন্যান্য আইন বলে যে সব ধর্মকে সুরক্ষিত করতে হবে, সম্মান করতে হবে ধর্মীয় স্বাধীনতাকে। সরকারের যে এটি বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব, সংবিধানও বলে সে কথা। সংবিধানটি এও বলে, সব মানুষের উচিত আইন, জনশৃঙ্খলা এবং নীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সকল ধর্মে বিশ্বাস করা, চর্চা করা বা প্রচার করার অধিকার দেওয়া। সংবিধানটি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তবে ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি (Bangladesh Crisis) রায় ১৯৭৫ সালের সংশোধনী বাতিল করে দিয়ে বলে, ধর্মনিরপেক্ষতা হল সংবিধানের মৌলিক নীতি।

    সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা

    এই নীতি অনুসরণ করে, সরকারকে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত ছিল এবং ২০০৯ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তা বৃদ্ধি পায় (Vested Property Act)। এর মূল কারণ হল, সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা সমাজের নিম্নস্তরের দিকে অবস্থান করে। তাদের সঠিক রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বও সেই অর্থে নেই। যে কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। সংখ্যালঘুদের সংখ্যা হ্রাসের কারণে পেয়ে বসে সংখ্যাগুরুরা। তার জেরে বাংলাদেশের হিন্দু মন্দির ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপাসনাস্থলগুলিতে বারবার হামলা চালিয়েছে মুসলমানরা। তার পরেও সরকার থেকেছে হাত গুটিয়ে। যে ধর্মের মানুষের  উপাসনাস্থল আক্রমণের শিকার হয়েছে, তাদের পাশে দাঁড়ানোর লোক মেলেনি। সরকারও দেয়নি আইনি সহায়তা।

    ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট (Vested Property Act) 

    ১৯৭৪ সালের ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট সমালোচিত করা হয়েছে। এই আইন হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত সমস্ত আইনের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং সবচেয়ে ক্ষতিকারক বলে বর্ণনা করা হয়েছে। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর শত্রু সম্পত্তি আইন প্রণীত হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারকে পাকিস্তান থেকে ভারতে চলে যাওয়া মানুষের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার অনুমতি দেয়। এই পর্বে যারা সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ করেছে, তারা ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) থেকে আসা হিন্দু। ১৯৭৪ সালে ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট (Vested Property Act) প্রণীত হয়, যা শত্রু সম্পত্তিকে বাংলাদেশের সরকারের (Bangladesh Crisis) অধীনে স্থানান্তরিত করার অনুমতি দেয়।

    জমি দখল

    এটিই সবচেয়ে বেশি অপব্যবহৃত আইন (Vested Property Act)। এটি প্রায়ই সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন বড় আয়তনের জমি দখল করতে ব্যবহৃত হয়েছে। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তর সঙ্গে সম্পর্কিত বেশিরভাগ মামলা করেছে রাজনৈতিক নেতা বা জমি হাঙররা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা আইনি সাহায্য চাইলে জমি দখলকারীরা সেটিকে অধিকারী সম্পত্তি হিসেবে দেখায়। প্রতিষ্ঠানের সমর্থনে এই দুর্বৃত্তরা সবসময় পার পেয়ে যায়। ফলে সম্পত্তি তাদের হাতেই থেকে যায়। মামলা আদালত পর্যন্ত গড়ালে মীমাংসা হতে কয়েক দশক লেগে যায়। মামলার ফয়সালা হওয়ার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হয়ে পথে বসেন। শেষমেশ ছেড়ে দেন সেই সম্পত্তির দাবি (Vested Property Act)। লাভবান হয় জমি হাঙর। এ বছর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে সেন্টার ফর অলটারনেটিভস এবং বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরি জানিয়েছে, দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার ঘটনা প্রায় ৭০ শতাংশই ভূমি সংক্রান্ত। এই হিংসা সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি বা তাদের উপাসনালয়ে হামলার মাধ্যমে সংঘটিত হয়।

    হিংসা এবং হিংসা

    তথ্য অনুযায়ী, হিংসার ৫৯ শতাংশ ঘটনা সংখ্যালঘুদের মালিকানাধীন সম্পত্তি (Vested Property Act) ও উপাসনালয় ধ্বংসের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে। এগুলির ১১ শতাংশ সরাসরি ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে জড়িত। প্রায় ২৭ শতাংশ ক্ষেত্রে শারীরিক আক্রমণ বা হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২ শতাংশ ঘটনা লিঙ্গভিত্তিক হিংসা এবং ১ শতাংশ ঘটনা নির্বাচনকেন্দ্রিক। অধিকাংশ হিংসার উৎস হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচার। অপরাধ করেও ১০০টির মধ্যে ৯৯টি ক্ষেত্রে পার পেয়ে যায় অপরাধীরা। তার জেরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা।

    এর থেকে মুক্তি কীভাবে (Vested Property Act)? উত্তর হাতড়ে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share