Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sheikh Mujibur Rahman: বাংলাদেশের জনক মুজিবর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা পাক সেনার

    Sheikh Mujibur Rahman: বাংলাদেশের জনক মুজিবর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা পাক সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নেতৃত্বদানকারী শেখ মুজিবর রহমানকে (Sheikh Mujibur Rahman) বিশ্বাসঘাতক (Traitor) আখ্যা দিল পাক সেনাবাহিনী। মুজিবর বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবা। গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশান্তরিত হন তিনি। পাক সেনা শেখ মুজিবরকে পাকিস্তানেরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে তুলনা করেছে। বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডি কারাগারে বন্দি রয়েছেন ইমরান। এত সবের পরেও কোনও প্রতিবাদ করেনি বাংলাদেশ। পাক সেনার এই বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে এটা স্পষ্ট হয় যে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে যে সৌহার্দ্য দেখানো হয়, তা আসলে উপরিতলের এবং স্বল্পমেয়াদি। উভয় পক্ষের আধিপত্যবাদী উচ্চাকাঙ্খা পূরণের জন্যই এই সম্পর্ক। যদিও সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি ১৯৭১ সালে যুদ্ধের গভীর ক্ষত এখনও দগদগে হয়ে রয়েছে।

    পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্য (Sheikh Mujibur Rahman)

    ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সৌহার্দ্য সত্যিই ভূ-রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছিল। ২০২৪ সালে এক সহিংস ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর ইসলামাবাদ ও ঢাকার ঐতিহাসিক শত্রুতার সম্পর্ক এক ঝটকায় রূপ নেয় বহুল প্রশংসিত কৌশলগত অংশীদারিত্বে। দ্রুত অনুষ্ঠিত হয় দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ, উচ্চপর্যায়ের এবং সামরিক স্তরের কূটনৈতিক সফর। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সামরিক সহযোগিতা ইত্যাদি বিষয়ে একের পর এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় (Sheikh Mujibur Rahman)।

    লোক দেখানো সৌহার্দ্য!

    তবে রাওয়ালপিন্ডি থেকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক বিবৃতি দক্ষিণ এশিয়ায় গড়ে ওঠা এই নতুন কূটনৈতিক সম্পর্ককে ঘিরে থাকা উচ্ছ্বাসকে ভেঙে দুরমুশ করে দিয়েছে। এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে লোক দেখানো এই সৌহার্দ্য কি কেবলমাত্র উপরিতলের, আর ভেতরে ভেতরে কি এখনও আগুনের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে ছাইয়ের মতো গভীর অবজ্ঞা ও শত্রুতা (Traitor)? যে একই পাক সেনাবাহিনী একদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে একের পর এক প্রতিরক্ষা চুক্তি করছে, তেমনি অন্যদিকে সেই সেনাবাহিনীই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জনককে হেয় ও অপমান করছে। ফলে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে গড়ে ওঠা এই ঘনিষ্ঠতার নেপথ্যে প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়েই উঠেছ গুরুতর প্রশ্ন।

    জঙ্গি কার্যকলাপ

    পাকিস্তান কি ভারতবিরোধী অবৈধ জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর জন্য বাংলাদেশকে শুধুই একটি ব্যাকইয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে? বাংলাদেশ কি ধীরে ধীরে ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য একটি উর্বর ও প্রস্তুত ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠছে? পাকিস্তান কি বাংলাদেশকে কেবলমাত্র ভারত-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখছে (Sheikh Mujibur Rahman)? শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক মন্তব্য এসব গভীর সন্দেহকে আরও তীব্র করে তুলেছে। প্রসঙ্গত, মুজিবরই সেই মানুষ যিনি বলেছিলেন, “ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও বলব আমি বাঙালি, বাংলা আমাদর দেশ, বাংলা আমার ভাষা, বাংলা আমার নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে।” তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে ওঠার আগেই তিনি এই নামটির সঙ্গে নিজের অস্তিত্ব এক করেছিলেন। তাঁকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস রচিত হতে পারে না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই অর্থে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অভিন্ন (Traitor)।

    দেশটাকে বাংলা নামে ডাকেন

    ১৯৫৫ সালের অগাস্ট মাসে করাচিতে পাকিস্তান জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছিল। দিনটি ছিল ২৫ অগাস্ট। এক পর্যায়ে সংসদে মাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে শেখ মুজিবর রহমান তাঁর গমগমে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরে স্পিকারকে বললেন, স্যার আপনি দেখবেন, ওরা পূর্ববাংলা নামের পরিবর্তে পূর্ব-পাকিস্তান নাম রাখতে চায়। আমরা বহুবার বলেছি, আপনারা এ দেশটাকে বাংলা নামে ডাকেন। বাংলা শব্দটার একটি নিজস্ব ইতিহাস আছে, আছে এর একটা ঐতিহ্য। আপনারা এই নাম পরিবর্তন করতে চাইলে আমাদের জনগণের সঙ্গে আলাপ করতে হবে (Sheikh Mujibur Rahman)।

    বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের

    প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভাগ হয়েছিল পাকিস্তান। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এ দেশের নাম ছিল পূর্ববাংলা। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের শাসনতন্ত্রে পূর্ব বাংলার নয়া নামকরণ হয় পূর্ব-পাকিস্তান। সুতরাং, এটা পরিষ্কার পূর্ব বাংলাকে পূর্ব-পাকিস্তান করার যে চক্রান্ত চলছিল, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান জাতীয় সংসদে তার প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি যে এই ভূখণ্ডের নামের ব্যাপারে অত্যন্ত সংবেদনশীল ছিলেন, এটাই তার প্রমাণ (Traitor)। ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। তাদের অভিযোগ, শেখ মুজিব পূর্ব-পাকিস্তানকে স্বাধীন করতে চাইছেন। এই মামলা দাঁড় করানোর জন্য যে কাগজপত্র প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তার মধ্যে ছিল বেনামে লেখা কতগুলো চিঠি ও একটি চিরকুট। তাতে লেখাছিল, বাংলাদেশ (Sheikh Mujibur Rahman)।

  • Pakistan: এবার পাকিস্তানেও পড়ানো হবে সংস্কৃত, জানুন আসল কারণ

    Pakistan: এবার পাকিস্তানেও পড়ানো হবে সংস্কৃত, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানে (Pakistan) ব্রাত্যই ছিল সংস্কৃত। তবে ভারতীয় এই ভাষাটির গুরুত্ব বুঝতে পাকিস্তানের সময় লাগল প্রায় ৭৭ বছর। যদিও শেষমেশ সংস্কৃতের (Sanskrit Education) গুরুত্ব উপলব্ধি করেছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশটি। দেশভাগের পর এই প্রথম লাহোর ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেসে পড়ানো হবে সংস্কৃত। শুধু তাই নয়, শীঘ্রই গীতা ও মহাভারত নিয়ে পড়াশোনার সুযোগও মিলতে পারে সেখানে। সূত্রের খবর, পড়ুয়া এবং শিক্ষাবিদদের সুপারিশেই সংস্কৃত, গীতা এবং মহাভারতকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও চলছে। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমে তিন মাসের কোর্স হিসেবেই চালু করা হয়েছিল সংস্কৃত শিক্ষা। ক্লাস হত সপ্তাহান্তে। সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে পৌরাণিক রীতি-নীতি সম্পর্কে পড়ানো হত। এতে পড়ুয়া এবং শিক্ষকরা এতই উৎসাহিত হয়ে পড়েন যে, পুরোদমে ফোর ক্রেডিট কোর্স চালু করছে লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়।

    পরিস্থিতি পালটাতে পারে (Pakistan)

    এই কোর্সের মাধ্যমে পড়ুয়ারা ‘হ্যায় কথা সংগ্রাম কি’ গানের উর্দু সংস্করণও শিখতে পারবেন। এটি জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল মহাভারতের থিম সং হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। গুরমানি সেন্টারের ডিরেক্টর আলি উসমান কাসমি বলেন, “১৯৩০ সাল নাগাদ গবেষক জেসিআর উলনার তালপাতায় লেখা বেশ কিছু পাণ্ডুলিপি সংগ্রহে রেখেছিলেন। ১৯৪৭ সাল থেকে কোনও পাকিস্তানি শিক্ষাবিদ সেই সব বিষয় নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেননি। শুধু বিদেশি গবেষকরাই সেগুলি নেড়েচেড়ে দেখেন (Sanskrit Education)। এবার পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে।”

    মহাভারত ও গীতার কোর্স

    লাহোর বিশ্ববিদ্যালয় মহাভারত ও গীতার কোর্সও চালু করতে চলেছে। কাসমি বলেন, “আগামী ১০-১৫ বছরে পাকিস্তান থেকে গীতা ও মহাভারত বিষয়ক পণ্ডিত উঠে আসবেন (Pakistan)।” ফোরম্যান ক্রিশ্চিয়ান কলেজের সোশিওলজি বিভাগের অধ্যাপক শাহিদ রাশিদ বলেন, “ধ্রুপদী ভাষাগুলির মধ্যে মানবজাতির জন্য প্রচুর জ্ঞান নিহিত রয়েছে। আমি আরবি ও ফারসি ভাষা দিয়ে শুরু করেছিলাম, পরে সংস্কৃতও শিখেছি।” তিনি বলেন, “গোটা অঞ্চলকে বেঁধে রাখে সংস্কৃত ভাষা। সংস্কৃত ব্যাকরণের জনক পাণিনি এখানকার গ্রামের বাসিন্দা। সিন্ধু সভ্যতার যুগে অধিকাংশ লেখালেখি তিনি করেছেন এখানেই। সংস্কৃত পর্বতের মতো, সাংস্কৃতিক সৌধ। আমাদের নিজেদের অধিকার বুঝতে হবে। সংস্কৃত কোনও বিশেষ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয়।”

    নতুন যুগের সূচনা

    তিনি বলেন, “ভেবে দেখুন (Sanskrit Education), ভারতের হিন্দু এবং শিখরা যদিও আরও বেশি করে আরবি শেখেন এবং পাকিস্তানের মুসলমানরা যদি সংস্কৃত শেখেন, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য তা হতে পারে একটি নতুন যুগের সূচনা। ভাষা তখন প্রতিবন্ধক না হয়ে, হয়ে উঠতে পারে সেতু।” তিনি জানান, ২০২৭ সালের বসন্ত আসতে আসতে বছরভরের কোর্স চালু করতে তাঁরা সফল হবেন বলে আশাবাদী। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যেই শেখানো হয় সিন্ধি, পাশতু, পঞ্জাবি, বালুচি, আরবি এবং ফারসি। কিন্তু আঞ্চলিক সাহিত্যই হোক বা কবিতা, শিল্পই হোক বা দর্শন, বৈদিক যুগের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে সব (Sanskrit Education) কিছুর। তাই জরুরি হয়ে উঠেছে সংস্কৃত শিক্ষা (Pakistan)।

  • Donald Trump: ভারতের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ থেকে ভিসা ফি বৃদ্ধি, নিজের দেশেই ঘোর বিপাকে ট্রাম্প

    Donald Trump: ভারতের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ থেকে ভিসা ফি বৃদ্ধি, নিজের দেশেই ঘোর বিপাকে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে ‘সবক’ শেখাতে গিয়ে গাড্ডায় পড়ে গিয়েছেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)! ভারতীয় পণ্যের ওপর তিনি যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে রেখেছেন, তা বেআইনি। অবিলম্বে ওই শুল্ক বাতিল করা উচিত। আমেরিকার সংসদের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে শুক্রবার এমনই এক প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, চড়া শুল্কের (India) কারণে আখেরে ক্ষতিই হচ্ছে আমেরিকার। সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

    শুল্ক আরোপ ট্রাম্প প্রশাসনের (Donald Trump)

    ভারতীয় পণ্যের ওপর প্রথমে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা না মেনে মস্কো থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি কিনে চলেছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। ভারতের এই অনড় মনোভাবে বেজায় খেপে যান ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার পর শাস্তিস্বরূপ ভারতীয় পণ্যের ওপর আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে দেন তিনি। ২৭ অগাস্ট থেকে ভারতীয় পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হয়েছে ৫০ শতাংশ শুল্ক। এর ফলে জোর ধাক্কা খেয়েছে ভারত ও আমেরিকার বাণিজ্য। এক বিশেষ জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ করে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছেন। ট্রাম্পের এই ক্ষমতাকেই সাধারণ মানুষের পক্ষে ক্ষতিকর বলে দাবি করেছেন মার্কিন সাংসদদের একটা বড় অংশ।

    মার্কিন সংসদে প্রস্তাব পেশ

    জানা গিয়েছে, ভারতের ওপর চাপানো শুল্ক বাতিল করতে চেয়ে মার্কিন সংসদে যে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছে (India) তিন সাংসদ। এঁরা হলেন, ডেবোরা রস, মার্ক ভিসে এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজা কৃষ্ণমূর্তি। কেবল ভারত নয়, ব্রাজিলের পণ্যের ওপরও ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ভারতের পাশাপাশি (Donald Trump) ব্রাজিলের শুল্ক বাতিলও চেয়েছেন মার্কিন সাংসদরা।

    প্রস্তাবের বক্তব্য

    সংসদে পেশ করা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভারতের ওপর চড়া শুল্কের কারণে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উত্তর ক্যারোলাইনা প্রদেশ। এখানকার অর্থনীতি অনেকাংশেই ভারতের ওপর নির্ভরশীল। বাণিজ্য তো বটেই, সেই সঙ্গে প্রচুর ভারতীয় ব্যবসায়ীর বিনিয়োগ রয়েছে উত্তর ক্যারোলাইনায় (India)। তাছাড়া, এই প্রদেশে তুলনামূলকভাবে বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক বসবাস করেন। শুল্কের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাঁরা। মার খাচ্ছে বাণিজ্য (Donald Trump)। রস, কৃষ্ণমূর্তিরা বলেন, “ভারত খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সঙ্গী। বেআইনি এই শুল্ক আসলে সেই সব মার্কিন নাগরিকদের ওপর বাড়তি শুল্কের বোঝা, যাঁরা দৈনন্দিন খরচ চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।” কৃষ্ণমূর্তি বলেন, “ট্রাম্প আরোপিত শুল্ক আসলে বাণিজ্যের সরবরাহ শৃঙ্খলকে ব্যাহত করে। এতে মার্কিন কর্মচারীদের ক্ষতি হচ্ছে, ব্যয় বৃদ্ধি হচ্ছে। শুল্কের ফলে হিতে বিপরীত হচ্ছে।” তাঁর মতে, শুল্ক প্রত্যাহার করে নিলে তা ভারত-মার্কিন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করবে।

    একাধিক নীতির সমালোচনা 

    ভারতীয়-আমেরিকান কংগ্রেসম্যান অ্যামি বেরা মার্কিন কংগ্রেসে ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকটি নীতির সমালোচনা করেন। বিশেষত, এইচ ১বি ভিসার ওপর এক লাখ মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ফি অত্যধিক ও অবাস্তব বলে সমালোচনা করা হয়েছে। অ্যামির যুক্তি, এই অত্যধিক ফি আমেরিকান কোম্পানিগুলির তাদের শিল্পে বিদেশি প্রতিভা নিয়োগের ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করছে (Donald Trump)। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক বৈঠকের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “ট্রাম্পের এই ধরনের পদক্ষেপ কঠোর ভারতকে অন্যান্য বিরোধী শক্তির দিকে ঝুঁকতে বাধ্য করতে পারে।”

    প্রমীলা জয়পালের বক্তব্য

    ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান প্রমীলা জয়পাল ট্রাম্পের শুল্কনীতির কড়া সমালোচনা করে বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ আমদানি শুল্ক নীতি অবশ্যই ভারতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। এটি আমেরিকান ব্যবসা ও উপভোক্তাদের ওপরও সমানভাবে প্রভাব ফেলেছে।” তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন এই বলে যে, এই পরিস্থিতি আমেরিকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বাজারের স্বাস্থ্যের জন্য বিপদ বাড়াতে পারে। এর প্রভাব পড়ছে ভারত-মার্কিন সম্পর্কেও (India)।

    এইচ-১বি ভিসার ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আদালতে

    এদিকে, ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসার ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন আমেরিকার ২০টি প্রদেশের কর্তারা। মূলত ডেমোক্র্যাটশাসিত প্রদেশগুলিই এইচ-১বি ভিসা নিয়ে জোট বাঁধছে ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে। এই ২০টি প্রদেশের মধ্যে রয়েছে ক্যালিফর্নিয়াও। এই প্রদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রব বন্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় করা একটি পোস্টে জানিয়েছেন, এইচ-১বি ভিসার ফি বৃদ্ধির কারণে বহু সংস্থা বিদেশের দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ করতে পারছে না। ফলে ক্যালিফর্নিয়া-সহ বিভিন্ন প্রদেশে স্বাস্থ্য, শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কর্মিসঙ্কট তৈরি হচ্ছে (Donald Trump)।

  • Shehbaz Sharif: ৪০ মিনিট ঠায় অপেক্ষা করালেন পুতিন, ধৈর্য হারিয়ে গেটক্র্যাশ, শেহবাজের কাণ্ডে নিন্দার ঝড়

    Shehbaz Sharif: ৪০ মিনিট ঠায় অপেক্ষা করালেন পুতিন, ধৈর্য হারিয়ে গেটক্র্যাশ, শেহবাজের কাণ্ডে নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মিনিট-দু’মিনিট নয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Putin) সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পাক্কা ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হল পাকিস্তানের (Shehbaz Sharif) প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে। শুক্রবার তুর্কিমেনিস্তানে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর পিস অ্যান্ড ট্রাস্টের বৈঠকের ফাঁকে পুতিনের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক হওয়ার কথা ছিল শরিফের। যদিও প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তার পরেও হাজির হননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। অপেক্ষা করে করে দৃশ্যতই অধৈর্য শরিফ সিদ্ধান্ত নেন পাশের বৈঠককক্ষে ঢোকার। ঢুকতে গিয়ে দেখেন, সেখানে তখনও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিক্যাপ তাইয়াপ এর্ডোগানের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। শরিফকে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দুই রাষ্ট্রনেতার সামনে। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন শরিফ। মিনিট কয়েক দাঁড়িয়ে থেকে সেখান থেকে বেরিয়ে যান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

    পাক প্রধানমন্ত্রীর ‘গেটক্র্যাশিং’ (Shehbaz Sharif)

    শরিফের এই অপেক্ষা ও তার পরে ‘গেটক্র্যাশিং’ পাকিস্তানের মর্যাদা ও তার আন্তর্জাতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে কূটনৈতিক মহলে। বর্তমানে অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তেমন কোনও গুরুত্বই নেই দেশটির। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ‘কোর ফাইভ’ গঠন করবেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে, সেখানে ঠাঁই হয়নি পাকিস্তানের (Shehbaz Sharif)। যদিও পাঁচটি দেশের তালিকায় নাম রয়েছে নরেন্দ্র মোদির ভারতের। তুর্কিমেনিস্তানের স্থায়ী নিরপেক্ষতার ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক ফোরামে মিলিত হয়েছেন রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের শীর্ষ নেতারা। শুক্রবার ওই বৈঠকের ফাঁকেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা ছিল রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের।

    নিরপেক্ষ দেশে পরিণত হয় তুর্কিমেনিস্তান

    প্রসঙ্গত, ৩০ বছর আগে স্থায়ীভাবে নিরপেক্ষ দেশে পরিণত হয় তুর্কিমেনিস্তান। ১৯৯৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা সর্বসম্মতিক্রমে এর স্বীকৃতি দেয়। নিরপেক্ষ দেশ হয়ে সামরিক জোটে যোগ না দেওয়া, আত্মরক্ষা ছাড়া অন্য কোনও দেশের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িত না হওয়া এবং তুর্কিমেনিস্তানের মাটিতে অন্য দেশের ঘাঁটি স্থাপন করতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তুর্কিমেনিস্তান।

    মোদি-পুতিন সখ্যতা

    দিন কয়েক আগেই ভারত সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন (Shehbaz Sharif) পুতিন, একই গাড়িতে বসেছেন, হাসিমুখে আলিঙ্গন করেছেন, সেখানে শাহবাজের কপালে অপমান জোটায় পাক প্রধানমন্ত্রীর দিকে ধেয়ে এসেছে কাটাক্ষ-বাণ। এক নেটিজেন বলেন, “পুতিন (Putin) এরকম লোকেদের জন্য তাঁর সময় নষ্ট করতে চান না।” আর একজন বলেন, “এটা আন্তর্জাতিক অপমানে পরিণত হয়েছে।” আর এক নেটিজেন বলেন, “৪০ মিনিট ধরে পুতিনের দরজায় কড়া নাড়তে নাড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন শাহবাজ শরিফরা। তাও প্রবেশ করার সুযোগ পাননি, পরে অবশ্য প্রবেশ করেছিলেন, যেমন কোনও আত্মীয় আমন্ত্রণ ছাড়াই বিয়েতে প্রবেশ করেছিলেন।” অন্য এক ইউজার লিখেছেন, “৪০ মিনিট অপেক্ষার পর জোম্যাটোর ডেলিভারি বয়টাও হাল ছেড়ে দেয়। কিন্তু শরিফ ছাড়েননি।” আর (Putin) একজন লিখেছেন, “ওঁকে ট্রাফিক সিগনালের ভিখারির মতোই উপেক্ষা করেছি।” আর এক নেটিজেন আবার লিখেছেন, ‘‘ভিখিরির (Shehbaz Sharif) আবার পছন্দ-অপছন্দ কীসের?’’

  • Donald Trump: ‘জি৭’-কে টেক্কা দিতে ‘সি৫’! ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে থাকছে কোন কোন দেশ?

    Donald Trump: ‘জি৭’-কে টেক্কা দিতে ‘সি৫’! ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে থাকছে কোন কোন দেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নয়া প্ল্যান ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)! কোর ফাইভ বা সি৫ নামে বৈশ্বিক শক্তিগুলির একটি নয়া এলিট গোষ্ঠী গঠনের কথা ভাবছেন ট্রাম্প (Core 5 Superbloc Idea)। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই কোর ফাইভে জায়গা হয়েছে ভারতেরও। প্রস্তাবিত এই ব্লকে থাকবে আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ভারত এবং জাপান। সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, এটি মূলত ইউরোপ-প্রাধান্যযুক্ত জি৭ এবং গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক মানদণ্ডভিত্তিক অন্য জোটগুলিকে পাশ কাটাবে।

    কোর ফাইভ গড়ার ‘স্বপ্ন’ (Donald Trump)

    যদিও সরকারিভাবে এ ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি, তবে খবরটি চাউর হয়ে গিয়েছে। যে পাঁচটি দেশ নিয়ে কোর ফাইভ গড়ার ‘স্বপ্ন’ দেখছেন ট্রাম্প, সেই দেশগুলির তরফেও এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বার্তা মেলেনি। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ‘পলিটিকো’ তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে, হোয়াইট হাউস সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সেই সূত্রেই ছড়িয়েছে এই খবর। শোনা যাচ্ছে, ভারত, রাশিয়া, চিন এবং জাপানকে নিয়ে কোর ফাইভ গড়তে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। উল্লেখ্য যে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাবিত কোর ফাইভে জায়গা হয়নি পাকিস্তানের। তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সব চেয়ে উন্নত অর্থনৈতিক গোষ্ঠী জি৭ এর গুরুত্ব লঘু করতেই এই কোর ফাইভ গঠনের ভাবনা মার্কিন প্রেসিডেন্টের (Core 5 Superbloc Idea)।

    দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসন

    ওয়াশিংটন যখন ইতিমধ্যেই আলোচনা করছে যে দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসন কতটা বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করতে পারে, ঠিক সেই সময়ই এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ধারণাটি জানিয়ে দেয়, জি৭ ও জি২০–এর মতো যে প্ল্যাটফর্মগুলি রয়েছে, সেগুলি বহু-মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বের জন্য যথেষ্ট নয়। এটি মনে হয় বৃহৎ জনসংখ্যা ও সামরিক-অর্থনৈতিক শক্তিগুলির মধ্যে চুক্তি-ভিত্তিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেয় (Donald Trump)। মার্কিন মিত্ররা একে এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে যা শক্তিমান নেতাদের মান্যতা দেয়।  কারণ এতে রাশিয়াকে ইউরোপেরও ওপরে স্থান দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পশ্চিমী ঐক্য ও ন্যাটোর সংহতি দুর্বল হতে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। ট্রাম্প মনে করেন, পাঁচ শক্তিধর এই দেশকে যদি এক ছাতার তলায় নিয়ে চলে আসা যায়, তাহলে সেখান থেকে বিশ্বের অনেকটা সুবিধা হবে। প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে জি৭ শীর্ষ সম্মলনে যোগ দিয়ে এমনই একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছিলেন, রাশিয়া, চিন এই প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। তবে এই সুপার ক্লাবে ভারতকে রাখতে চান তিনি।

    সাবধানে পদক্ষেপ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ট্রাম্প খুবই সাবধানে এই পদক্ষেপটি করতে চাইছেন। তিনি মনে করেন, যদি এই দেশগুলি (Core 5 Superbloc Idea) এক ছাতার তলায় চলে আসে, তাহলে সেখানে তিনি তাঁদের নেতা হয়ে সকলকে পরিচালনা করতে পারবেন। তবে বিশ্বের আরও চারটি শক্তিধর দেশ ট্রাম্পের প্রস্তাব যে সহজে মেনে নেবে না, তাও ভালো করেই জানেন ট্রাম্প। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সম্প্রতি ভারতের ওপর চড়া শুল্ক হার চাপিয়েছে আমেরিকা (Donald Trump)। তার জেরে ভারতের সঙ্গে যাতে আমেরিকার সম্পর্ক খারাপ না হয়, তা মাথায় রেখেই ‘ট্রাম্প কার্ড’টি খেলতে চলেছেন ট্রাম্প। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশগুলির তালিকায় রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতও। তাই তাকে না চটিয়েই কাজ হাসিল করতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই কারণেই ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে ভারতের জায়গা হলেও, ঠাঁই হয়নি পাকিস্তানের।

    ভারত-মার্কিন সম্পর্ক

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন মস্কো থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি কেনায় ভারতের ওপর বেজায় রুষ্ট ট্রাম্প। তার জেরেই ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি। কার্যত, এর পরেই তলানিতে ঠেকে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক। অথচ আমেরিকাবাসীর একটা বিরাট অংশই চাইছেন ভারতীয় পণ্যের ওপর যে চড়া হারে শুল্ক চাপানো হয়েছে, অবিলম্বে তা কমানো হোক (Donald Trump)। এ ব্যাপারে তাঁরা ট্রাম্পের হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাই নিজের দেশেই বেশ বেকায়দায় পড়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই গাড্ডা থেকে উঠে আসতে মরিয়া ট্রাম্প। সেই কারণেই ভারতের মন রাখতে নয়াদিল্লিকে জায়গা দেওয়া হয়েছে সুপার ক্লাবে।

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি (Core 5 Superbloc Idea) হানা কেলি জানান, এই পরিকল্পনার কোনও ব্যক্তিগত কিংবা লুকোনো কোনও ভার্সন নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোর ফাইভ তৈরির বিষয়টি হতে পারে একেবারেই ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ভাবনা (Donald Trump)।

  • Bangladesh Election: বাংলাদেশে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষিত, “অবৈধ সরকারের অবৈধ নির্বাচন”, ইউনূসকে আক্রমণ হাসিনার দলের

    Bangladesh Election: বাংলাদেশে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষিত, “অবৈধ সরকারের অবৈধ নির্বাচন”, ইউনূসকে আক্রমণ হাসিনার দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির দিনেই বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের (Bangladesh Election) ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। রমজানের আগেই জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হবে। তাই ইউনূসের ইচ্ছানুসারেই ঘোষণা হল নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তবে এই নির্বাচনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বাংলাদেশ আওয়ামি লিগ। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরুদ্দিন ঘোষণা করেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে জাতীয় সংসদের নির্বাচন এবং জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট হবে। একই ভাবে নিষিদ্ধ করা আওয়ামি লিগ অংশ নিতে পারেব না বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দল এক বিবৃতি দিয়ে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রত্যাখান করার কথা ঘোষণা করেছে।

    জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট (Bangladesh Election)

    বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশন এএমএম নাসির উদ্দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে বলেছেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে হবে গণভোট। এক দফাতেই আয়োজন হবে নির্বাচনের। এদিন নির্বাচন কমিশন জানিয়েছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নেওয়া হবে ভোট। সকাল সাতটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়নের তারিখও জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়ন দাখিল পর্ব চলবে ২৯ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন গৃহীত হলে, কোনও প্রার্থীর প্রত্যহার হলে সেই তালিকা দেওয়া হবে ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ তারিখ দেওয়া হবে প্রতীক দেওয়ার কাজ। ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে ভোট প্রচারের কাজ। তবে এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের দিনেই ঘোষণা হবে গণভোট। এটাও একটা ঐতিহাসিক ঘটনা। একদিকে নির্বাচনের (Bangladesh) জন্য থাকবে সাদা ব্যালট ওপর দিকে গণভোটের জন্য থাকবে গোলাপি ব্যালট।

    ‘‘খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গ্যাংয়ের অবৈধ নির্বাচন’’

    ইউনূস সরকারের আমলে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামি লিগ একটি লিখিত বিবৃতি আকারে জানিয়েছে, “বাংলাদেশ (Bangladesh) আওয়ামি লিগ গভীর ভাবে অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গ্যাংয়ের অবৈধ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল পর্যবেক্ষণ করেছে। এটা সুস্পষ্ট ভাবে প্রমাণিত যে, বর্তমান দখলদার বাহিনী শতভাগ পক্ষপাতদুষ্ট এবং তাদের অধীনে সুষ্ঠ-স্বাভাবিক পরিবেশ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে জনগণের মতমতের প্রতিফলন অসম্ভব। হাসিনার দলের অবশ্য দাবি, নির্বাচনে রাজনৈতিক ভাবেই লড়াই আর জনপ্রিয়তাই দলের মাপকাঠি। আওয়ামি লিগ দল নির্বাচনমুখী দল, জনগণের সামনে গিয়ে দাঁড়ানোর মতো শক্তি কোনও দলেরই নেই। আওয়ামি লিগের শক্তি, সাহস এবং সামর্থ রক্ষায় বিশেষভাবে সক্ষম। বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে আমরা এখনও পর্যন্ত ১৩টি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছি তাঁর মধ্যে ৯টিতে ব্যাপক ভাবে জয়ী হয়েছে।

    রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি চাই

    অন্তর্বর্তী সরকারে গভীর চক্রান্তে বাংলাদেশের (Bangladesh) নির্বাচন এখন একটি প্রহসনে পরিণত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সহমর্মতা রয়েছে এমন রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর একটা বড় অংশকে ষড়যন্ত্র করে বাইরে রাখা হয়েছে। সমগ্র দেশ এবং জাতিকে একটা সঙ্কটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তাই হাসিনার দলের দাবি, বাংলাদেশ আওয়ামি লিগের উপর আরোপিত সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা-সহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। সকল রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি চাই। বর্তমান বর্ণচোরা দখলদার সরকার বাদ দিয়ে নির্বাচনকালীন একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

    ইউনূসের প্রতিক্রিয়া

    অপর দিকে নির্বাচন এবং গণভোট ঘোষণার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “এই নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করল। ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ এখন যে নতুন পথে অগ্রসর হচ্ছে। বাংলাদেশের (Bangladesh) গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এই তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করবে। আমি বিশ্বাস করি, নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবে স্বাধীনভাবে, নিরপেক্ষভাবে এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে।”

  • PM Modi: মোদি-পুতিনের কারপুলিংয়ের ছবি নিয়ে জোর চর্চা মার্কিন কংগ্রেসে, ট্রাম্পের নীতিকে তুলোধনা

    PM Modi: মোদি-পুতিনের কারপুলিংয়ের ছবি নিয়ে জোর চর্চা মার্কিন কংগ্রেসে, ট্রাম্পের নীতিকে তুলোধনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন কংগ্রেসের আলোচনায় জায়গা পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাম্প্রতিক কারপুলিংয়ের ছবি। মার্কিন সংসদের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি সিডনি ক্যামলাগার-ডোভ (US Congress) বলেন, “এই পোস্টারটি হাজার শব্দের সমান।”

    ট্রাম্প প্রশাসনের বিদেশনীতির সমালোচনা (PM Modi)

    সিডনি ক্যামলাগার-ডোভ ভারতের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিদেশনীতির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “ভারতের প্রতি ট্রাম্পের নীতিকে শুধু নিজের ক্ষতি করে অন্যকে শায়েস্তা করা বলেই বর্ণনা করা যায়। জবরদস্তিমূলক অংশীদার হওয়ার একটি মূল্য রয়েছে। আর এই পোস্টারটি হাজার শব্দের সমান মূল্য রাখে।” ট্রাম্পের নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবিকে কটাক্ষ করে ডাভ বলেন, “আপনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পান বা না পান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অংশীদারদের আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের দিকে ঠেলে দিয়েছেন।” প্রসঙ্গত, ট্রাম্প বহুবার দাবি করেছেন যে তিনি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন, যার মধ্যে ভারত-পাক যুদ্ধও রয়েছে। ডাভ বলেন, “আমাদের অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে অগ্রসর হতে হবে, যাতে এই প্রশাসন যে ক্ষতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভারত অংশীদারিত্বে করেছে, তা কমানো যায় এবং সেই সহযোগিতায় ফিরে আসা যায় যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক নেতৃত্বের জন্য অপরিহার্য (PM Modi)।”

    রফতানির ওপর ৫০ শতাংশ

    প্রসঙ্গত, এই মন্তব্যগুলি করা হয়েছিল হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স সাবকমিটি অন সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়ার একটি শুনানিতে, যার বিষয় ছিল ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্ব: একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক নিশ্চিত করা।’ ২০২৫ সালের অগাস্টে ট্রাম্প ভারতের বেশিরভাগ রফতানির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন, বিস্তৃত বাণিজ্য উত্তেজনা এবং ভারতের রাশিয়ান তেল আমদানিকে ঘিরে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে (PM Modi)। ১০–১১ ডিসেম্বর একটি মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদল আলোচনার জন্য ভারতে ছিল। তবে এখন পর্যন্ত তেমন কোনও অগ্রগতি দেখা যায়নি। বাজারে প্রবেশাধিকার এবং শুল্ক নীতি নিয়ে মতবিরোধের (US Congress) কারণে আলোচনা স্থগিত হয়ে গিয়েছে। এটাই দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে।

  • Hindu Freedom Fighters: ইউনূসের বাংলাদেশে নৃশংস খুন সস্ত্রীক হিন্দু মুক্তিযোদ্ধা, প্রৌঢ় দম্পতির গলাকাটা দেহ উদ্ধার

    Hindu Freedom Fighters: ইউনূসের বাংলাদেশে নৃশংস খুন সস্ত্রীক হিন্দু মুক্তিযোদ্ধা, প্রৌঢ় দম্পতির গলাকাটা দেহ উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের কবল থেকে বাংলাদেশকে (Bangladesh) ছিনিয়ে নিতে যাঁরা লড়েছিলেন, তিনিও ছিলেন তাঁদের একজন (Hindu Freedom Fighters)। ১৯৭১ সালের সেই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম মুক্তিযোদ্ধা তিনিও। এহেন এক দেশপ্রেমিক এবং তাঁর স্ত্রীর গলাকাটা দেহ উদ্ধার হল বাংলাদেশের রংপুরে। নিহতরা হলেন বছর পঁচাত্তরের যোগেশচন্দ্র রায় এবং তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা। এই মুক্তিযোদ্ধার দুই ছেলেই বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত। রবিবার বেশ বেলা পর্যন্তও রায় বাড়ির দরজা না খোলায় সন্দেহ হয় পড়শিদের। তাঁরা একাধিকবার দরজায় কড়া নেড়েও সাড়া পাননি। পরে বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হয় জোড়া মৃতদেহ।

    হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (Hindu Freedom Fighters)

    বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জমানায় হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হলেও, তা ছিল হাতে গোণা। ব্যাপক আন্দোলনের জেরে গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশান্তরিত হন হাসিনা। দেশের ক্ষমতার রাশ যায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের হাতে। কার্যত, তার পর থেকেই বাংলাদেশে শুরু হয় হিন্দু নিধন যজ্ঞ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই যজ্ঞেরই বলি হলেন ওই মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর স্ত্রী। হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাতেই টার্গেট করা হয় হিন্দুদের। বিভিন্ন পদে থাকা হিন্দুদের ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়। অগাস্টের সেই আন্দোলনের আবহে (Hindu Freedom Fighters) পিটিয়ে হত্যা করা হয় ডজনখানেক পুলিশ কর্মীকে। সূত্রের খবর, গত বছরের সেই তাণ্ডবের এক বছর পরেও বাংলাদেশ চলছে পুলিশ ছাড়াই। বস্তুত, ঠুঁটো করে রাখা হয়েছে পুলিশ কর্মীদের। তার জেরেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে হিন্দু হত্যার লেখচিত্র। সংখ্যালঘু অধিকার সংগঠনগুলির দাবি, শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে বাংলাদেশে হাজার হাজার সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। যদিও ইউনূসের দাবি, হিন্দুদের ওপর হামলার খবর অতিরঞ্জিত।

    দেহ উদ্ধারের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া

    মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর স্ত্রীর গলা কাটা দেহ উদ্ধারের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ (Bangladesh)। এই দলের নির্বাসিত নেতা মহম্মদ আলি আরাফত বলেন, এই ঘটনা মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের ওপর ক্রমবর্ধমান হুমকির দিকটি স্পষ্ট করে। যুদ্ধাপরাধী সমর্থিত ইসলামপন্থী জামায়াতে ইসলামিকে মদত দিয়ে মহম্মদ ইউনূসের রাজত্বে এই ধরনের হামলা ও হত্যাকাণ্ড আরও ঘন ঘন ঘটছে (Hindu Freedom Fighters)। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধারা শুধু অপমান ও হামলারই শিকার হচ্ছেন না, বরং ইউনূসের শাসন কালে তাঁদের হত্যা পর্যন্ত করা হচ্ছে। এই শাসন আবার মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ইসলামপন্থী গোষ্ঠী জামায়াতে ইসলামির দ্বারা সমর্থিত।”

    গলাকাটা দেহ উদ্ধার

    বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, রংপুর জেলার কুর্শার উত্তর রহিমপুর এলাকায় থাকতেন ওই দম্পতি। রবিবার সকালে অনেক ডেকেও সাড়া না পেয়ে উদ্বিগ্ন হন প্রতিবেশীরা। তাঁদেরই কয়েকজন মই বেয়ে উঠে ঢোকেন বাড়ির ভেতরে। তাঁরা দেখেন, সুবর্ণার গলা কাটা দেহ পড়ে রয়েছে রান্নাঘরে, আর ডাইনিং রুমে পড়ে রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা যোগেশের গলাকাটা দেহ। তবে রায় দম্পতিকে কে বা কারা খুন করল তা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য নেই বাংলাদেশের কোনও সংবাদ মাধ্যমে। যদিও আওয়ামি লিগের মতে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে ইউনূস সরকার ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ইসলামপন্থী গোষ্ঠী জামায়াতে ইসলামি (Bangladesh)।

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

    বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন যোগেশ। অবসর নেন ২০১৭ সালে। রংপুরের ওই বাড়িতে থাকতেন ওই দম্পতি। তাঁদের দুই ছেলে শোভেন চন্দ্র রায় এবং রাজেশ খন্না চন্দ্র রায় বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত। একজনের পোস্টিং জয়পুরহাটে, অন্যজন থাকেন ঢাকায়। যে এলাকায় ওই জোড়া খুনের ঘটনাটি ঘটে, সেখানে সোমবার সকালে গিয়েছিলেন তারাগঞ্জ থানার কয়েকজন আধিকারিক। গিয়েছে ফরেনসিক দল। শুরু হয়েছে তদন্তও। প্রশাসনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ময়নাতদন্তের। পুলিশ জানিয়েছে, এই হিন্দু পরিবারকে কেন্দ্র করে আগের কোনও বিরোধের তথ্য তাদের কাছে নেই (Hindu Freedom Fighters)।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য

    মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর স্ত্রীর খুনের জেরে বেজায় খেপে গিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। অপরাধীরা দ্রুত ধরা না পড়লে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের হুমকিও দিয়েছেন স্থানীয়রা। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে সংখ্যালঘুদের ওপর প্রায় ২ হাজারটি সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। সেখানে ৯ জন হিন্দুর মৃত্যু এবং উপাসনালয়ের ওপর ৬৯টি হামলার ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল (Bangladesh)। এর দু’মাস আগেই অক্টোবর মাসে ইসলামপন্থীরা বাংলাদেশজুড়ে রাস্তায় নেমে পড়ে। ইসকনকে উগ্রপন্থী সংগঠন আখ্যা দিয়ে নিষেধাজ্ঞার দাবিও জানায় (Hindu Freedom Fighters)।

  • Karachi Violence: করাচিতে জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ, স্বাধীন সিন্ধুদেশের দাবিতে উত্তাল পাকিস্তান

    Karachi Violence: করাচিতে জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ, স্বাধীন সিন্ধুদেশের দাবিতে উত্তাল পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিস্তার নেই পাকিস্তানের। বালুচদের পর এবার দাবি স্বাধীন সিন্ধুদেশের (Sindhudesh Demand)। পাকিস্তানেরই করাচি শহরের বুকে শোনা গেল ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’ স্লোগানও (Karachi Violence)। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন কয়েক হাজার স্বাধীনতাকামী মানুষ। যার জেরে ছড়াল হিংসা। ঘটনার সূত্রপাত রবিবার। এদিন ‘সিন্ধি কালচার ডে’ উপলক্ষে রাস্তায় নেমেছিলেন বিক্ষোভকারীরা। তার পরেই শুরু হয় অশান্তি। পাথর ছোড়ার পাশাপাশি এলাকায় চলে ভাঙচুর। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও বেঁধে যায় আন্দোলনকারীদের। জিয়ে সিন্ধ মুতাহিদা মহাজ (JSSM)-এর ব্যানারে বিপুলসংখ্যক সিন্ধি বিক্ষোভকারী ‘আজাদি’ এবং ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’ স্লোগান দেন। তাঁরা সিন্ধের মুক্তির দাবি জানান, যা সিন্ধি জাতীয়তাবাদী দলগুলির দীর্ঘদিনের আবেগকে উসকে দেয়। সিন্ধু নদের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলই হল সিন্ধ প্রদেশ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পরে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয় এই প্রদেশ। মহাভারতে সিন্ধুদেশের উল্লেখ রয়েছে। এটিই ছিল বর্তমান সিন্ধ এলাকার প্রাচীন জনপদের নাম। বর্তমানে এটি পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম প্রদেশ।

    উত্তপ্ত পরিস্থিতি (Karachi Violence)

    রবিবার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন প্রশাসন আন্দোলনকারীদের মিছিলের পথ বদলে দেয়। এতেই বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সিন্ধদের সংগঠন জেএসএসএমের ব্যানারে বিক্ষোভ শুরু হয়। করাচির জনবহুল রাস্তায় পাক সরকার ও প্রশাসনের মুণ্ডুপাত করা হয়। দাবি ওঠে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পদত্যাগেরও। এর পরেই আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ ও সেনা। প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আন্দোলনকারীরাও। তাঁদের একাংশ নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। শুরু হয় ভাঙচুর। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ।

    জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ

    স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে অন্তত ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংঘর্ষে পাঁচজন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছেন। যারা সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি ও পুলিশ এবং যানবাহন ভাঙচুরে জড়িত, অবিলম্বে তাদের শনাক্ত করে পুলিশকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সিন্ধ প্রদেশের দাবিটি ফের জোরালো হয়ে উঠেছে, কারণ সিন্ধ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহে এক পাক নিউজ চ্যানেলে সম্প্রচারিত আলোচনায় এক সাংবাদিক ও বিশেষজ্ঞ দাবি করেন, মুতাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) প্রধান আলতাফ হুসেইন এক সময় সিন্ধের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলফিকার মিরজাকে বলেছিলেন যে ১৮তম সংশোধনী পাস হওয়ার পর সিন্ধুদেশ কার্ড এখন আমাদের হাতে এসেছে (Karachi Violence)।

    রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্য

    ভারতেও বিষয়টি আলোচনায় আসে, যখন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “একদিন সিন্ধ প্রদেশ আবারও ভারতের সঙ্গে যুক্ত হবে। গত মাসে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সিন্ধি সমাজ সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজনাথ বলেছিলেন, আমার প্রজন্মের বহু সিন্ধি হিন্দু ১৯৪৭ সালের সেই সিদ্ধান্তকে কখনওই সম্পূর্ণভাবে মেনে নিতে পারেননি। তা সত্ত্বেও সিন্ধ পাকিস্তানের অংশ হয়ে গিয়েছিল।” তিনি বলেন, “সিন্ধ বরাবরই সাংস্কৃতিকভাবে ভারতের সঙ্গে যুক্ত। আজ সিন্ধ ভারতের অংশ না হলেও, সভ্যতার দৃষ্টিতে সিন্ধ (Sindhudesh Demand) সর্বদা ভারতের অংশ হয়েই থাকবে। জমির ব্যাপারে বলতে গেলে, সীমান্ত বদলাতে পারে। কে জানে, ভবিষ্যতে হয়তো সিন্ধ আবারও ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।”

    পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের প্রতিক্রিয়া

    রাজনাথের এহেন মন্তব্যে বিরক্ত হয় পাকিস্তান। পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মন্তব্যটিকে গভীর উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে ভারতকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়। তবে সিন্ধ প্রদেশের ভেতরে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে তেমন কোনও রাজনৈতিক আন্দোলন নেই। এসব সংগঠনের দাবি মূলত পাকিস্তানের ভেতরেই স্বায়ত্তশাসন, অথবা একটি স্বাধীন ‘সিন্ধুদেশ’ গঠনের (Karachi Violence)। ঔপনিবেশিক আমলে সিন্ধ প্রদেশ ব্রিটিশ ভারতের একটি পৃথক প্রশাসনিক অঞ্চল ছিল। পরে তাকে যুক্ত করা হয়। দেশভাগের পর এটি পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়।

    পৃথক সিন্ধুদেশের প্রথম দাবি

    পৃথক সিন্ধুদেশের প্রথম দাবি ওঠে ১৯৬৭ সালে জিএম সঈদ, যিনি দেশভাগেরও প্রথমদিকের সমর্থকদের একজন এবং পীর আলি মহম্মদ রাশদির নেতৃত্বে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পর এই দাবি আরও গতি পায়। বাংলা ভাষা আন্দোলন থেকে সেই সম্প্রদায় অনুপ্রাণিত হয়েছিল এবং সিন্ধুর স্বতন্ত্র জাতিগত, ভাষাগত ও ঐতিহাসিক পরিচয়, যা সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত, তাকে গুরুত্ব দিয়েছিল (Sindhudesh Demand)। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তান প্রদেশে এমনিতেই বিদ্রোহের আগুন জ্বলছে। পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে পৃথক দেশ গড়তে চেয়ে আন্দোলন করছেন সেখানকার সাধারণ মানুষ। তার মধ্যেই সিন্ধ প্রদেশ নিয়েও বাড়ছে অশান্তি। তাই বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার (Karachi Violence)।

    এখন দেখার, কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় পাক সরকার।

     

  • Pokhara Airport: পোখরা বিমানবন্দর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    Pokhara Airport: পোখরা বিমানবন্দর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের দুর্নীতি তদন্ত কমিশন চিনের অর্থে নির্মিত পোখরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করল দুর্নীতির মামলা (China Nepal)। অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচজন প্রাক্তন মন্ত্রীও রয়েছেন। রবিবার বিশেষ আদালতে দায়ের করা এই মামলা নেপালের পদস্থ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্তাদের বিরুদ্ধে বৃহত্তম দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (Pokhara Airport)।

    দুর্নীতি তদন্ত কমিশনের বক্তব্য (Pokhara Airport)

    দুর্নীতি তদন্ত কমিশনের সহকারি মুখপাত্র গণেশ বহাদুর অধিকারীর মতে, অভিযুক্তরা বিমানবন্দর তৈরির সময় চিনের দেওয়া সফট লোনের আওতায় প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ করা ৮.৩৬ বিলিয়ন নেপালি রুপি আত্মসাৎ করেছেন। প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ব্যয়, চুক্তি-প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (BRI) অধীনে চিনা প্রতিষ্ঠানের ঋণনির্ভর পরিকাঠামো চাপিয়ে দেওয়ার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    কাঠগড়ায় যাঁরা

    যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তাঁরা হলেন প্রাক্তন মন্ত্রী রাম শরণ মহাত, ভীম প্রসাদ আচার্য, প্রয়াত পোস্ট বহাদুর বোগাটী, রাম কুমার শ্রেষ্ঠা এবং দীপক চন্দ্র আমাত্য। এছাড়াও নেপাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির ১০ জন প্রাক্তন সচিব ও পদস্থ কর্তা, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল ত্রিরত্ন মহারজন, রতীশ চন্দ্র লাল সুমন এবং বর্তমান ডিরেক্টর জেনারেল প্রদীপ অধিকারী, এঁদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    চিনা ঠিকাদারি সংস্থা চায়না সিএএমসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড এবং এর নেপালে নিযুক্ত প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। এটি সরকারি পরিকাঠামো প্রকল্পে বিদেশি কোম্পানিগুলির ভূমিকা নিয়ে সিআইএএর নজরদারি আরও (Pokhara Airport) বিস্তৃত হয়েছে বলেই ইঙ্গিত দেয়।

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে উদ্বোধন করা পোখরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্নপূর্ণা সার্কিটের দ্বার। নেপালের পর্যটন খাতে বড় ধরনের অগ্রগতির অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ভাবা হয়েছিল একে। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় দু’বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বিমানবন্দরটি কোনও নির্ধারিত আন্তর্জাতিক (China Nepal) যাত্রিবাহী উড়ান পায়নি। এতেই ওঠে নানা প্রশ্ন। বিশ্লেষকদের মতে, নয়া দুর্নীতির অভিযোগ চিন-সমর্থিত নেপালের প্রকল্পগুলির ওপর নজরদারি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, বিশেষ করে যেসব প্রকল্পের সমালোচনা করা হয়েছে অস্বচ্ছ চুক্তি এবং সন্দেহজনক আর্থিক মডেলের জন্য (Pokhara Airport)।

LinkedIn
Share