Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • SIR: নথি না থাকলে একতরফাভাবে বাতিল নয় আশ্রমিক-আদিবাসীদের নাম, স্পষ্ট করল কমিশন

    SIR: নথি না থাকলে একতরফাভাবে বাতিল নয় আশ্রমিক-আদিবাসীদের নাম, স্পষ্ট করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যৌনকর্মী, আদিবাসী, আশ্রমের বাসিন্দা এবং দুর্বল-প্রান্তিক মানুষদের নাম একতরফাভাবে ভোটার তালিকা (SIR) থেকে বাদ দেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটার লিস্টের নিবিড় তালিকা সংশোধনে কোনও যোগ্য ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায় সেই দিকে যেমন নজর রাখতে হবে, একইভাবে অবৈধ ভোটারের নাম যাতে লিস্টে না থাকে সেই দিকেও স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

    প্রান্তিক এবং দুর্বলদের ডাকা যাবে না (SIR)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, সমাজের মধ্যে যাঁরা প্রান্তিক এবং দুর্বল যেমন-যৌনকর্মী, আদিবাসী গোষ্ঠী, আশ্রমের বাসিন্দা— এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যাঁদের নাম হয়তো ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই, তাঁদের কোনও রকম নথির (SIR) প্রয়োজন নেই। শুধু নথির অভাবে তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা থাকলে তাঁদের নাম লিস্ট থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। কমিশনের এই বিষয়ে সাফ কথা, কোনও যোগ্য ব্যক্তি বৈধ বা বাস্তব কারণে প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারেন, তাহলে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া যাবে না।

    বাড়িতে গিয়ে শুনানি করতে হবে

    পাশাপাশি বিএলও-কে সতর্ক করে কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, ৮৫ বছরের ঊর্ধ্ব এমন কাউকে শুনানি (SIR) কেন্দ্রে দেখা গেলে শাস্তি পেতে হবে। একইভাবে শুনানিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে অসুস্থ এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমদেরও। ইতিমধ্যে শুনানিতে অনেক অসুস্থ, প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধ ভোটারকে দেখা গিয়েছে। যদিও কমিশনের তরফে আগে থেকে কোনও এই বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়নি। ফলে শুনানির লাইনে অনেক অসুস্থ প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধ ভোটারকে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে। আর তাতেই নানা মহলে এই নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে। এরপর মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি করে জানানো হয়েছে যে, ৮৫ বছরের ঊর্ধ্ব ভোটারদের শুনানিতে ডাকা যাবে না, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি করতে হবে। কোনও ভোটারকে যদি শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়ে গিয়ে থাকে, তবে তাঁদের সঙ্গে আলাদা করে যোগাযোগ করতে হবে আধিকারিকদের। শুনানিতে যেন না আসেন তার অনুরোধ করতে হবে। তাঁদের নথি যাচাই করতে হবে বাড়িতে গিয়ে। এই বিষয়টি নিয়ে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখাতে হবে বিএলও, ইআরও এবং এইআরও-দের। আর যদি শুনানিতে যেতে বাধ্য করা হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজারকে দায়ী করা হবে।

  • Kolkata Air Pollution: বছরের শুরুতেই লাগামহীন বায়ুদূষণ! কলকাতার বাতাস কি বিপদ বাড়াচ্ছে?

    Kolkata Air Pollution: বছরের শুরুতেই লাগামহীন বায়ুদূষণ! কলকাতার বাতাস কি বিপদ বাড়াচ্ছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নতুন বছরের প্রথম দিনেই লাগামহীন দূষণ! আর তার জেরেই কলকাতাবাসীর জন্য কয়েক গুণ বিপদ বাড়ল। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।‌ নতুন বছরের শুরুতে উদযাপনে গা ভাসিয়েছেন আট থেকে আশি, সব বয়সের মানুষ! কিন্তু এই উৎসব-উদযাপনের মরশুমেই কলকাতার বায়ুদূষণ (Kolkata Air Pollution) টেক্কা দিচ্ছে দেশের অন্যান্য শহরকেও! তাই নতুন বছরে স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন কলকাতার ‘বাতাস’ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম দিন কলকাতা শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ছিল বেশ উদ্বেগজনক। বাতাসের মান তলানিতে। এই পরিস্থিতিতে শিশু ও বয়স্কদের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই আশঙ্কা চিকিৎসকদের একাংশের।

    তথ্য অনুযায়ী, নতুন বছরের প্রথম দিনে কলকাতার অধিকাংশ জায়গায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (Kolkata AQI Level) ৩০০ ছাড়িয়েছে। বিধাননগরে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ছিলো ৩৫৩, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে ৩৪৩, বালিগঞ্জে ৩৬১। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তথ্য যথেষ্ট উদ্বেগজনক। এআইকিউ ৫০ মধ্যে থাকলে তবেই সেই বাতাস শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় বায়ুর মান মারাত্মক খারাপ। তার ফলে নানান সমস্যা তৈরি হতে পারে।

    কোন বিপদের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    ফুসফুসের একাধিক রোগের কারণ!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই মারাত্মক বায়ুদূষণের জেরে শরীরে গভীর প্রভাব পড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে গেল। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতে অনেকেই আবহাওয়ার জেরে ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হন। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের কাশি-সর্দির মতো নানান ভোগান্তি বাড়ে। আবার অনেকের শ্বাসকষ্ট হয়। তার উপরে এই মারাত্মক বায়ুদূষণ সমস্যা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। বক্ষঃরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাতাসে ধুলিকণার পরিমাণ বেড়ে গেলে, দূষিত উপাদানের মাত্রা বাড়লে ফুসফুসের উপরে চাপ বাড়ে। দূষিত উপাদান ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়াও হাঁপানি, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD), নিউমোনিয়ার মতো নানান রোগের দাপট বাড়াতে পারে। তাই বায়ুদূষণ স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হতে পারে।

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে!

    ফুসফুসের পাশপাশি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় বায়ুদূষণ। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরে রক্তপ্রবাহেও দূষিত উপাদান প্রবেশ করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।

    মস্তিষ্কের বিকাশের পথে বাধা!

    বায়ুদূষণের জেরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র। এমনটাই জানাচ্ছেন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন দূষিত বাতাসের জেরে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ হয় না। স্নায়ুর সক্রিয়তা বজায় রাখতে বিশেষত স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার জন্য দূষণহীন আবহাওয়া জরুরি। কিন্তু কলকাতা ও তার আশপাশের পরিবেশ শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য উপযুক্ত নয়। এই বাতাসে নানান স্নায়বিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। শিশুদের পাশপাশি দূষিত বাতাস বড়দের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও বিপজ্জনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, অবসাদের মতো নানান সমস্যা তৈরি হয়।

    ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দূষিত পরিবেশ ক্যান্সারের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাতাসের এই খারাপ গুণমান ফুসফুস, হৃদপিন্ড, বক্ষঃনালীর জন্য বিপজ্জনক। এই ক্ষতিকারক উপাদান নিঃশ্বাসের সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে শরীরে প্রবেশ করছে। আর পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক করে তুলছে। লাগাতার দূষিত উপাদান শরীরে প্রবেশের জেরে ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে শিশু, কিশোর এবং বয়স্কদের। তাঁরা সবচেয়ে বেশি এর ফলে স্বাস্থ্য সঙ্কটের সম্মুখীন হন। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, বায়ুদূষণ রুখতে প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের একযোগে সচেতনতা ও সক্রিয়তা জরুরি। তবেই এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব হবে।

  • Intimidatory Tactics: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে’, সাফ জানাল কমিশন

    Intimidatory Tactics: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে’, সাফ জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে।’ সাফ জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারের (CEO) বিরুদ্ধে পুলিশে দায়ের করা অভিযোগগুলির তীব্র নিন্দাও করেছে কমিশন (Intimidatory Tactics)। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই ধরনের পুলিশি অভিযোগ প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে কোনও রকম ভয় বা হুমকির কাছে নতি স্বীকার করা হবে না।

    কমিশনের সাফ কথা (Intimidatory Tactics)

    কমিশনের বক্তব্য, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্তম্ভ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, এবং সেই স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের যে কোনও প্রচেষ্টার মোকাবিলা করা হবে কঠোরভাবে।নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, এই ধরনের ভীতি প্রদর্শনের কৌশল শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবেই এবং সংবিধান অনুযায়ী কমিশন তার দায়িত্ব পালন করে যাবে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন (Intimidatory Tactics) কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পুলিশি অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কমিশনের মতে, এই অভিযোগগুলি ‘পরিকল্পিত, ভিত্তিহীন এবং ভীতিপ্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা’।

    অভিযোগগুলি পূর্বপরিকল্পিত

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত একাধিক সরকারি পোস্টে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা এমন সংবাদ প্রতিবেদন লক্ষ্য করেছে যেখানে বলা হয়েছে (Election Commission), ২০২৬ সালের জন্য যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, তাকে কেন্দ্র করে দুই শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিকের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযোগ (Intimidatory Tactics) দায়ের হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই অভিযোগগুলি পূর্বপরিকল্পিত, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ২০২৬ সালের এসআইআর সংক্রান্ত আইনগত দায়িত্ব পালনকারী আধিকারিকদের ভয় দেখিয়ে দমন করার এক স্থূল প্রচেষ্টা।” কমিশনের সাফ কথা, “নির্বাচনী যন্ত্রকে ভয় দেখিয়ে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা এবং সংবিধানস্বীকৃত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিপথে চালিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া এই (Election Commission) ধরনের ভীতিপ্রদর্শনমূলক কৌশল নিঃসন্দেহে ব্যর্থ হতে বাধ্য (Intimidatory Tactics)।”

    নিরপেক্ষতা রক্ষার অঙ্গীকার

    কমিশন মনে করিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনী আধিকারিকরা সংবিধান অনুযায়ী নিয়মিতভাবে ভোটার তালিকা সংশোধনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং বর্তমানে যে এসআইআর প্রক্রিয়াটি চলছে, তা সম্পূর্ণভাবে আইন ও প্রতিষ্ঠিত বিধি মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। কমিশনের ইঙ্গিত, তারা এই অভিযোগগুলিকে বিচ্ছিন্ন বা ব্যক্তিগত অভিযোগ হিসেবে দেখছে না, বরং এগুলিকে একটি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। কোন পরিস্থিতিতে এই অভিযোগগুলি দায়ের করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের কড়া বার্তা, “এই ধারাবাহিক ও মনগড়া অভিযোগগুলির নেপথ্যে থাকা ষড়যন্ত্র উদ্ঘাটনে চেষ্টার কসুর করা হবে না। শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে আইনের শাসন এবং সত্যই (Intimidatory Tactics)।” নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা ও জনস্বার্থ রক্ষায় তাদের অঙ্গীকারের কথাও জানিয়ে দিয়েছে আরও একবার (Election Commission)।

    জনস্বার্থেই কাজ

    রাজ্যে নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের দৃঢ় সংকল্পের কথা তুলে ধরে কমিশন জানিয়েছে, বাহ্যিক চাপ বা ভয়ভীতির মুখেও পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী ব্যবস্থা দৃঢ়তা ও নৈতিকতার সঙ্গে, সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থে কাজ করে যাবে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন পশ্চিমবঙ্গের দুই প্রবীণ ভোটারের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার ওই দুই প্রবীণ ভোটার শুনানির নোটিশ পাওয়ার পরের মারা যান। এই নোটিশগুলি এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল (Intimidatory Tactics)।

    এসআইআর নিয়ে বিতর্ক

    পুরুলিয়া জেলার বছর বিরাশির দুর্জন মাঝির ছেলের অভিযোগ, তাঁর বাবার নাম ২০০২ সালের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের সময় প্রস্তুত করা কাগজে থাকা ভোটার তালিকায় থাকলেও, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা সংশ্লিষ্ট তালিকায় সেই নাম নেই। অভিযোগ, এই অসঙ্গতির কারণেই ওই প্রবীণ ভোটারকে শুনানির নোটিশ পাঠানো হয় (Election Commission)। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত শুনানির সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই ওই প্রবীণ ব্যক্তি আত্মহত্যা করেন। অভিযোগকারীরা এই ঘটনার জন্য সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-কে দায়ী করেছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    ডেটাবেসে নাম বাদ পড়া নিয়ে ওঠা উদ্বেগ

    ভোটার তালিকার ডেটাবেসে নাম বাদ পড়া নিয়ে ওঠা উদ্বেগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ২৭ ডিসেম্বর জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তির কথা উল্লেখ করেছে। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০০২ সালের এসআইআরের ভোটার তালিকায় প্রায় ১.৩ লাখ ভোটারের নাম রয়েছে, কিন্তু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে যাঁদের নাম অনলাইন ডেটাবেসে প্রতিফলিত হয়নি, তাঁদের কোনও শুনানিতে হাজির হতে হবে না (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের মতে, পুরানো ভোটার তালিকার ডিজিটাল রূপান্তরের সময় সৃষ্ট প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে যাতে কোনও ভোটার হয়রানি বা অযথা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Intimidatory Tactics)।

    এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য

    কমিশনের আধিকারিকরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল ভোটার তালিকার নির্ভুলতা বাড়ানো, যার মধ্যে রয়েছে দ্বৈত নাম বাদ দেওয়া, ভুল সংশোধন করা এবং যোগ্য ভোটারদের তালিকাভুক্ত করা। প্রকৃত বা বৈধ ভোটারদের বাদ দেওয়া বা ভয় দেখানো এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য নয়। উল্লেখ্য, এসআইআর একটি সংবেদনশীল প্রক্রিয়া, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত রাজ্যগুলিতে, যেখানে নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়মিত কড়া নজরদারির মধ্যে থাকে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশন একাধিকবার জানিয়েছে যে, এসআইআর ২০২৬ সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এবং আইনি বিধান মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। ভোটারদের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে এই প্রক্রিয়ায় একাধিক সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও দাবি কমিশনের (Intimidatory Tactics)।

  • Kalpataru Utsav: সকাল থেকে ভক্তদের ঢল, কল্পতরু উৎসবে মিশল কাশীপুর-দক্ষিণেশ্বর-কামারপুকুর-বেলুড় মঠ

    Kalpataru Utsav: সকাল থেকে ভক্তদের ঢল, কল্পতরু উৎসবে মিশল কাশীপুর-দক্ষিণেশ্বর-কামারপুকুর-বেলুড় মঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন। প্রতি বছরের নিয়মে এই বছরও মহা সমারহের সঙ্গে পালিত হচ্ছে কল্পতরু উৎসব (Kalpataru Utsav)। আজকের দিনেই শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব কল্পতরু হয়েছিলেন। কাশীপুর উদ্যান বাটীতে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ ঠাকুর কল্পতরু হয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু ঠাকুরের অন্যতম কর্মভূমি লীলাভূমি হল দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মায়ের মন্দিরে। এই মন্দিরেই তিনি থাকতেন। প্রচলিত প্রথা মেনে কল্পতরু তিথিকে কেন্দ্র করে আজ রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে জনস্রোত উপচে পড়েছে কাশীপুর উদ্যানবাটি, দক্ষিণেশ্বর ভবতারিণী মন্দির, কামারপুকুর ও বেলুড় মঠ প্রাঙ্গণে।

    কাশীপুর উদ্যানবাটীতে কল্পতরু

    সূর্য ওঠার আগেই রাস্তায় লম্বা লাইন। কারও হাতে প্রসাদ, কারও হাতে শীতের কম্বল, আর সকলের মুখে এক প্রার্থনা— “ঠাকুরের আশীর্বাদে মঙ্গলময় হোক নতুন বছর।” কাশীপুর উদ্যানবাটীই আজকের কেন্দ্রবিন্দু। এখানেই স্মরণ করা হয় সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যখন শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর ভক্তদের উদ্দেশে অনুগ্রহ বর্ষণ করে মানবকল্যাণের চূড়ান্ত বার্তা দিয়েছিলেন। সকালে বিশেষ পুজো, পাঠ ও কীর্তন দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানপর্ব। কাশীপুর উদ্যানবাটীর সাংগঠনিক অনুষ্ঠান আজ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ভক্তিগীতি, প্রবচন, পাঠসভা—সব মিলিয়ে আবেগে পরিপূর্ণ পরিবেশ।

    দক্ষিণেশ্বরে মানুষের ঢল

    আজ ভোর সাড়ে পাঁচটায় দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের মূল ফটক খুলে দেওয়া হয় ভক্তদের জন্য। এরপর মঙ্গল আরতির মধ্যে দিয়ে সূচনা হয় কল্পতরু উৎসবের। আজকের এই বিশেষ দিন মা ভবতারিনীকে সাজানো হয় নতুন বেশে। মায়ের সেই রূপ দেখতে এবং সর্বোপরি প্রার্থনা জানাতে ভোর থেকেই পুজোর ডালি হাতে লম্বা লাইন দিয়েছেন ভক্তরা। পাশাপাশি কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়ছে মন্দির চত্বর। পর্যাপ্ত পুলিশকর্মীর পাশাপাশি সিসিটিভি ক‍্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ারের বন্দোবস্তও করা হয়েছে। যাতে তীক্ষ্ণ নজরদারির আওতায় যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যায়।

    ঠাকুরের জন্মস্থান কামারপুকুরে উৎসব

    মঙ্গলারতি ও বিশেষ পুজোর মাধ্যমে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে কল্পতরু উৎসব উদযাপন চলছে ঠাকুরের জন্মস্থান কামারপুকুরে ৷ চলছে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের জীবন ও বাণীকে স্মরণ করে পাঠ, ভজন ও ধর্মসভা। কল্পতরু উৎসব উপলক্ষে মঠ সেজেছে ফুল, আলো ও আলপনায়। কামারপুকুর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী লোকত্তরানন্দজী মহারাজ বলেন, বেলুড় মঠ ও কাশীপুরের মতো কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠে ও এই কল্পতরু উৎসব পালন করা হয়। ঠাকুরের বাণী ‘যত মত তত পথ’ এর আদর্শে বিশ্বাসী হয়েই এই দিনটাকে পালন করা হয়। পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে তিনি আহ্বান জানিয়েছিলেন। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে যেই তাঁর শরণাপন্ন হবে সকলেই মুক্তি লাভ করবে। সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বহু মানুষ এই দিনে ভিড় জমান কামারপুকুরে। রীতি মেনে সকাল থেকেই মঙ্গল আরতি হোম যজ্ঞ এবং পূজা পাঠ সবকিছুই চলছে।

    কল্পতরুর কথা

    কথিত আছে, ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি অর্থাৎ আজকের দিনেই কাশীপুর উদ্যানবাটিতে কল্পতরু হয়েছিলেন শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব। সেদিনই ভক্তদের আশীর্বাদ করে রামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘তোমাদের চৈতন্য হোক’। এরপর থেকেই প্রতিবছর জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনে পালিত হয়ে আসছে কল্পতরু উৎসব।

  • Weather Update: ১৮ বছরে শীতলতম বর্ষবরণ শহর কলকাতার! ভিড় চিড়িয়াখানা থেকে ইকো পার্কে

    Weather Update: ১৮ বছরে শীতলতম বর্ষবরণ শহর কলকাতার! ভিড় চিড়িয়াখানা থেকে ইকো পার্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরেও জাঁকিয়ে শীত (Weather Update)। বৃহস্পতিবার ভোরে কলকাতার (Winter in Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২.৬ ডিগ্রি কম। গত ১৮ বছরে ১ জানুয়ারিতে কখনও এতটা পারদ পতন হয়নি কলকাতায়। ২০০৮ সালে বছরের প্রথম দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৪। তার পর ২০২৬-এমন হাড়কাঁপানো ঠান্ডার সাক্ষী থাকল শহরবাসী। গত বছরের শেষ দিনে শহর কলকাতার তারপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি। জাঁকিয়ে শীতকে সঙ্গে নিয়ে এবার ভরা পৌষে চলছে কল্পতরু উৎসবও। বছরের প্রথম দিনে উৎসবের মেজাজে মানুষ ভিড় জমিয়েছেন চিড়িয়াখানা, ইকো পার্ক, ভিক্টোরিয়ায়। কল্পতরু উপলক্ষে ভিড় দক্ষিণেশ্বর, জয়রামবাটী-কামারপুকুরে।

    ফের পারদ পতনের সম্ভাবনা

    বুধবার মরসুমের শীতলতম দিন কাটিয়ে ফেলেছে কলকাতা। বুধবার ভোরে কলকাতার (Winter in Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার ভোরে তা সামান্য বেড়ে ১১.৬ ডিগ্রি হয়েছে। আজ শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘুরপাক খেতে পারে। গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল, যা স্বাভাবিকের থেকে ৫.৩ ডিগ্রি কম ছিল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমবে। তার পরের চার দিন তাপমাত্রায় হেরফের হওয়ার তেমন সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, আগামী সাত দিন শীতের কনকনানি থেকে খানিক রেহাই মিলতে পারে। তার পর ফের পারদ পতনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বিশেষ পরিবর্তন হবে না। তবে এর পরের চার দিন ধীরে ধীরে কমতে পারে শীত।

    জেলায় জেলায় কুয়াশার দাপট

    নদিয়া, সিউড়ি, শ্রীনিকেতন, আসানসোলের তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে তাপমাত্রা। কোথাও তা ১২ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। উপকূলের জেলাতে ১৩ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা রয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একটু বাড়তে পারে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী চার-পাঁচ দিনই কুয়াশা থাকবে। বৃহস্পতিবার ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমানে। শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্রই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে দৃশ্যমানতা ৯৯৯ মিটার থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত নামতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও সকালের দিকে কুয়াশার দাপট থাকবে। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে দার্জিলিঙের পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতও হতে পারে। থাকবে কুয়াশাও।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূলকে হারাতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে হবে”, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূলকে হারাতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে হবে”, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ছাব্বিশ সালের নির্বাচন তৃণমূলের বিসর্জন বলে জানিয়েছেন আমাদের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এই নির্বাচনে তৃণমূলকে হারাতে সবাইকে (Sukanta Majumdar) কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে হবে। মনে রাখবেন (Amit Shah), কোচবিহার থেকে শুরু করে কাকদ্বীপ পর্যন্ত বিজেপির প্রার্থী নরেন্দ্র মোদি এবং পদ্মফুল প্রার্থী। তাই পদ্মফুলকে জেতাতে হবে। অন্য কিছু দেখলে হবে না।” বুধবার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে নাগাড়ে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    কুরুক্ষেত্র (Sukanta Majumdar)

    এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে ছাব্বিশের নির্বাচনকে তিনি কুরুক্ষেত্র বলেও অভিহিত করেন। মহাভারতের প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত বলেন, “আমরা মহাভারতে গল্প শুনেছি, অর্জুন-সহ সবাইকে দ্রোণাচার্য জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কী দেখতে পাচ্ছ। কেউ বলেছিল, আমি গাছে পাতা দেখতে পাচ্ছি। কেউ বলেছিল, পাখির ঠোঁট দেখতে পাচ্ছি। অর্জুনই একমাত্র বলেছিলেন, আমি পাখির চোখ দেখতে পাচ্ছি। বন্ধুগণ, আপনারা কী দেখতে পাচ্ছেন, সেটা আমি বলতে পারব না। কিন্তু, প্রায় ৪ বছর ধরে রাজ্য সভাপতির কাজ করার পর আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে শপথ নিচ্ছেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী। আপনাদের দিকে তাকিয়ে আমি তা দেখতে পাচ্ছি। কলকাতার চারটি জেলার শক্তিকেন্দ্র ও মণ্ডলের লোককে ডাকা হয়েছে। তার বিশ্বরূপ যদি (Sukanta Majumdar) এটা হতে পারে, তাহলে মনে রাখবেন, এই কুরুক্ষেত্রে আমাদের জয় অর্থাৎ পাণ্ডবদের জয় হবেই।”

    বিজেপি আদর্শভিত্তিক দল

    তিনি বলেন, “বিজেপি আদর্শভিত্তিক দল। আমাদের কার্যকর্তা ও কর্মীরাই মূলধন। একুশের নির্বাচনের পর বিজেপি যখন কিছু ছন্নছাড়া হয়ে যায়, তখন কার্যকর্তারা পিঠে কুলো বেঁধে পার্টির কাজকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন।” তৃণমূলকে কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, “অমিত শাহের নাম শুনলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পুরো পার্টি থরথর করে কাঁপে।” এদিন সুকান্তের পরে ভাষণ দিতে ওঠেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দলকে আবারও ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন। দলের (Amit Shah) সবাই যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেন, তাহলে যে এ রাজ্যে বিজেপি আসবেই, তাও স্পষ্ট করে দেন শাহ (Sukanta Majumdar)।

  • Amit Shah: ২০০ আসনের লক্ষ্যেই অটল বিজেপি, কর্মী সম্মেলন থেকে বার্তা অমিত শাহের

    Amit Shah: ২০০ আসনের লক্ষ্যেই অটল বিজেপি, কর্মী সম্মেলন থেকে বার্তা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ সফরে এসে ফের একবার ‘২০০ আসন’-এর লক্ষ্যে দলকে নির্বাচনী ময়দানে নামার বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার সায়েন্স সিটিতে আয়োজিত বিজেপির কলকাতা জোনের কর্মী সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, বাংলায় বিজেপি কোনও ভাবেই থামার দল নয়। মঞ্চ থেকে কর্মী ও নেতৃত্বকে উদ্বুদ্ধ করে শাহ বলেন, “আমরা যদি ৩টি আসন থেকে ৭৭টি আসনে পৌঁছতে পারি, তাহলে ৭৭ থেকে ২০০টি আসনে পৌঁছনো অসম্ভব কেন হবে?” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের লড়াইয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার বার্তা দেন।

    চার সাংগঠনিক জেলায় ২০ আসনের লক্ষ্য (Amit Shah)

    এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, কলকাতা উত্তর শহরতলি (দমদম লোকসভা এলাকার অন্তর্গত বিধানসভাগুলি) এবং যাদবপুর – এই চারটি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কর্মী ও নেতানেত্রীরা। এই চার জেলায় মোট ২৮টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। সেখান থেকেই শাহ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ২০টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেন। দলীয় সূত্রে খবর, এদিন সকালে অমিত শাহ বিজেপির সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকও করেন। সেই বৈঠকে বিশেষভাবে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে আলোচনা হয়। রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্র ঘিরে দলের কৌশল নিয়েও কথা হয়।

    দলীয় পুনর্গঠনের ইঙ্গিত

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সায়েন্স সিটির এই কর্মী সম্মেলনে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত একাধিক প্রাক্তন বিধায়ককেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি রাজ্যে বিজেপির সংগঠন পুনর্গঠনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। সব মিলিয়ে, রাজ্যে বিজেপির নির্বাচনী প্রস্তুতি যে নতুন করে গতি পাচ্ছে, তা স্পষ্ট শাহের এই সফর ও তাঁর বক্তব্যে।

     ‘সবচেয়ে বড় বিপদ’

    এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে দু’টি বিষয় যে সব চেয়ে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে, এদিন তাও জানিয়ে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই রাজ্যে দু’টো জিনিস মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, একটা অনুপ্রবেশ, আর একটা দুর্নীতি।” শুধু রাজ্যের প্রশাসনিক পরিস্থিতি নয়, কলকাতার নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন শাহ। তিনি বলেন, “কলকাতা আর আগের মতো নিরাপদ নয়। অনুপ্রবেশের দাপট ক্রমেই বাড়বে। এর ফলে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষই বিপদের মুখে পড়বেন।” এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে বর্তমান সরকারকে সমূলে উৎপাটিত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    বিজেপি কর্মীদের শাহি নির্দেশ

    ভাষণ দেওয়ার সময়ই বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে একাধিক সাংগঠনিক নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, দলের প্রতিটি কর্মীর সঙ্গে আর এক কর্মীর যোগাযোগ আরও বাড়াতে হবে। “সবাইকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছনো এখন সবচেয়ে জরুরি”।

    ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ

    তৃণমূল সরকারের জনপ্রিয় স্লোগান ‘মা-মাটি-মানুষ’কে কটাক্ষ করে শাহ বলেন, “মা আজ বিপন্ন, মাটিতে অনুপ্রবেশের দাপাদাপি চলছে। তাই মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছনো এখন বিজেপির দায়িত্ব।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি রাজ্যের সামাজিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। দলীয় কর্মীদের চাঙা করতে আত্মবিশ্বাসের সুরে শাহ বলেন, “কোনও কিছুর সঙ্গে আপোস করা যাবে না। এবারের লক্ষ্য একটাই, বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন।” তিনি বলেন, প্রার্থী যেই হোক না কেন, সবাইকে জেতাতে হবে। লিখে রাখুন, পশ্চিমবঙ্গে আমাদেরই সরকার হবে।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কলকাতায় নির্দিষ্ট আসনভিত্তিক লক্ষ্য স্থির করে দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে নতুন করে সাজানোই এখন দলের পাখির চোখ। রাজ্যের শহর ও গ্রাম, দুই জায়গায়ই সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর কৌশলেই এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির। তৃণমূলের সঙ্গে যে কোনও সমঝোতা নেই, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে শাহ। এদিকে, এদিন বঙ্গ বিজেপির চার মুখ শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার এবং দিলীপ ঘোষকে নিয়ে আলাদা করে বৈঠকে বসেন শাহ। সঙ্গে ছিলেন ভূপেন্দ্র যাদব, সুনীল বনসল এবং বিপ্লব দেব।

  • Sambit Patra: ‘‘আপনি গোটা ভারতকেই হুমকি দিচ্ছেন, রক্ষা করছেন অনুপ্রবেশকারীদের’’, মমতাকে তোপ বিজেপির

    Sambit Patra: ‘‘আপনি গোটা ভারতকেই হুমকি দিচ্ছেন, রক্ষা করছেন অনুপ্রবেশকারীদের’’, মমতাকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি কেবল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেই নয়, গোটা দেশকেই হুমকি দিচ্ছেন।” বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই ভাষাতেই আক্রমণ শানালেন বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্র। অনুপ্রবেশকারী ইস্যু ও এসআইআর (SIR) নিয়ে অমিত শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে তীব্র বাক্‌যুদ্ধের পর সাংবাদিক সম্মেলনে সম্বিত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আপনি হোটেলের ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। আমরা চাইলে আপনাকে হোটেল থেকে বেরোতেই দিতাম না। আমরা আপনাকে বেরোতে দিয়েছি, এটাই আপনার সৌভাগ্য।’ এটাই প্রথম নয়, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে।” তিনি বলেন, “আপনি অমিত শাহকে হুমকি দিচ্ছেন না, আপনি গোটা ভারতকেই হুমকি দিচ্ছেন। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।”

    বিজেপি কর্মী খুন ও অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তোপ

    সম্বিতের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের দ্বারা পশ্চিমবঙ্গে ৩০০-এরও বেশি বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন। তাঁর দাবি, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডারা পশ্চিমবঙ্গে ৩০০-এর বেশি বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছে। অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়াতেই তাঁর সমস্যা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ধ্বংস করেছেন।” তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছেন।

    সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে তোপ

    সম্বিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগকেও সমর্থন করেন। তিনি বলেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি দিচ্ছে না।” এদিন সে প্রসঙ্গ টেনেই সম্বিত বলেন, “অমিত শাহ স্পষ্টভাবে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতি, অবিচার ও অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে রাজনীতি চলছে। মমতা সরকার সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি দিচ্ছে না। ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ পড়ছে বলেই তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বস্তিতে।” ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে এ রাজ্যে। মঙ্গলবার শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র বাক্যবাণ ছোড়েন।

    ভয় ও দুর্নীতি তত্ত্বে তৃণমূলকে শাহি আক্রমণ

    শাহের অভিযোগ, গত ১৪ বছরে পশ্চিমবঙ্গের পরিচয় হয়ে উঠেছে ভয় ও দুর্নীতি। রাজ্যে অবৈধ অভিবাসীদের অনুপ্রবেশ এবং সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি না দেওয়ার বিষয়েও তিনি কাঠগড়ায় তোলেন তৃণমূল পরিচালিত সরকারকে। সাংবাদিক সম্মেলনে শাহ বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন থমকে গিয়েছে। মোদি সরকারের সমস্ত জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এখানে কাটমানি সিন্ডিকেটের শিকার হয়েছে। গত ১৪ বছর ধরে ভয় ও দুর্নীতিই পশ্চিমবঙ্গের পরিচয়।” তিনি এও বলেছিলেন, “২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিলের পর পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত হলে আমরা বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবন শুরু করব। এই বঙ্গভূমি আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এই মাটি থেকেই বিজেপির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।”

    মমতার জবাব

    শাহের অভিযোগের পাল্টা জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপি নেতাদের মহাভারতের দুর্যোধন ও দুঃশাসনের সঙ্গে তুলনা করেন। মমতা বলেন, “বাংলায় দুঃশাসন এসেছে। ভোট এলেই দুর্যোধন-দুঃশাসনের আবির্ভাব হয়। শকুনির শিষ্য দুঃশাসন এসেছে তথ্য সংগ্রহ করতে। আজ বলছে, আমি নাকি জমি দিইনি। আমি যদি জমি না দিতাম, তাহলে পেট্রাপোল বা আন্দালে জমি এল কোথা থেকে?” তাঁর দাবি, পেট্রাপোল ও আন্দাল, দুই জায়গায়ই সীমান্তে বেড়ার জন্য জমি দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এসআইআর এবং অনুপ্রবেশই ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের মূল ইস্যু হয়ে উঠতে চলেছে।

  • Amit Shah: ‘‘ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কোনও প্রকল্প বন্ধ হবে না, উল্টে বাড়বে’’, আশ্বাস অমিত শাহর

    Amit Shah: ‘‘ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কোনও প্রকল্প বন্ধ হবে না, উল্টে বাড়বে’’, আশ্বাস অমিত শাহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় এলে রাজ্যের কোনও প্রকল্প বন্ধ হবে না, উল্টে বাড়বে। রাজ্যে এসে স্পষ্ট বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal Government) এখন অনেকগুলি জনকল্যাণমূলক (WB Scheme) প্রকল্প চালায়। আর বাংলায় বিজেপি সরকার (BJP) এলেই নাকি সেই সব স্কিম বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। যদিও তৃণমূলের এই দাবি উড়িয়ে শাহ জানালেন, “এটা ভুল ধারণা। আমি এখানে বলতে চাই, ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরির পর একটাও স্কিম বন্ধ হবে না। শুধু তাই নয়, আমাদের ঘোষণাপত্রে যা যা স্কিম থাকবে, সেটাও বাস্তব হবে। এটা আমাদের রেকর্ড (Lakshmir Bhander)।”

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প বাংলায়

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প নিয়েও তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর অভিযোগ, দেশের প্রায় সব রাজ্যেই আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) স্বাস্থ্য প্রকল্প চালু থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে তার বদলে চালু রয়েছে স্বাস্থ্যসাথী— যা তাঁর মতে আরও দুর্বল একটি প্রকল্প। এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে শাহ বলেন, “বাংলার মানুষ কি ভিনরাজ্যে গিয়ে স্বাস্থ্যসাথীর (Swasthya Sathi) সুবিধা পাবেন?” শুধু তাই নয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, দেশের অন্যান্য রাজ্য আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় ৫ লক্ষ টাকার বিমা কভারেজের সঙ্গে নিজেদের তহবিল থেকে অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধাও যোগ করেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেই রকম কোনও বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অর্থনীতিবিদরা মেয়েদের হাতে সরকারের এই টাকা দেওয়াকে ‘অপচয়’ বলতে রাজি নন। শাহ জানান মেয়েদের, বিশেষত দরিদ্র, প্রান্তিক মেয়েদের হাতে নগদ টাকা থাকলে তা সংসার ও সন্তানের কাজেই লাগে। বিজেপি-শাসিত কেন্দ্রীয় সরকারও নগদ পাওয়ার এই প্রকল্পে মেয়েদের অন্তর্ভুক্তিকে সক্ষমতার একটি সূচক বলেই দেখে।

    আজ শহরে শাহের সফর

    দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা ভোট। চড়ছে রাজনীতির পারদ। আর নতুন বছর শুরুর আগেই রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনদিনের সফরে আজ, বুধবারই শেষ দিন। আজ একাধিক কর্মসূচি রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। বিজেপি সূত্রে খবর, হোটেলে দলীয় সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এর পাশাপাশি দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে সায়েন্স সিটিতে বৈঠক রয়েছে অমিত শাহের। কলকাতার সমস্ত বুথ কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি মন্দিরে পুজো দিতে যাবেন অমিত শাহ। ইতিমধ্যেই শাহ জানিয়েছেন, আগামী বছর দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি।

  • Winter in Bengal: বছরের শেষ দিনই শীতলতম! নতুন বছরের শুরুতেও কনকনে ঠান্ডার পূর্বাভাস

    Winter in Bengal: বছরের শেষ দিনই শীতলতম! নতুন বছরের শুরুতেও কনকনে ঠান্ডার পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং চলছে বাংলায়। নেটিজেনদের ভাষায় কলকাতাও হয়ে গিয়েছে ‘কোল্ডকাতা’। বুধবার ভোরে কলকাতায় এক ধাক্কায় পারদ নেমে গেল ১১ ডিগ্রিতে! এখনও পর্যন্ত শহরে এটাই এই মরসুমের শীতলতম দিন (Winter in Bengal)। এর আগে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা হয়েছিল মঙ্গলবার। তবে বুধবার তার চেয়েও অনেকটা পারদপতন হয়েছে। পুরু কুয়াশার চাদরে মুড়ে আছে শহরতলির পথঘাট। তার ফলে যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।

    কনকনে কলকাতা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার এক ধাক্কায় তা হয়েছে ১১ ডিগ্রি। অর্থাৎ, এক দিনে পতন প্রায় ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়েও তা ২.৮ ডিগ্রি কম। এ ছাড়া মঙ্গলবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ১৯.৬ ডিগ্রির উপরে ওঠেনি, স্বাভাবিকের চেয়ে যা ৫.৮ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বুধবার সকাল থেকে বেলা পর্যন্ত শহরে কমবেশি কুয়াশা থাকবে। দুপুরের পর থেকে আকাশ পরিষ্কার এবং মেঘমুক্ত হবে। গত কয়েক দিনে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে শহরে। অনেকেই মনে করতে পারছেন না, শেষ কবে এমন হাড় কাঁপানো ঠান্ডা পড়েছিল। গত বছরের সঙ্গেও চলতি মরসুমের শীতের তুলনা টানা যাচ্ছে না।

    বাংলায় শীতের সুনামি

    শীতের (Winter in Bengal) প্রবল স্রোত বয়ে যাচ্ছে গোটা বাংলা জুড়ে। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলা, সর্বত্রই মারকাটারি ঠান্ডায় কাঁপছে বঙ্গবাসী। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, উত্তুরে হাওয়ার পথে এই মুহূর্তে কোনও বাধা নেই। ফলে রাজ্য জু়ড়ে অবাধে তা প্রবেশ করছে। তার প্রভাবেই শীত বাড়ছে। অর্থাৎ নতুন বছরের শুরুর দিকেও জেলায় জেলায় বইবে শীতের সুনামি। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বীরভূমে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। এই সব জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। অন্যদিকে উপকূলবর্তী জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

    কুয়াশায় ঢাকা উত্তরবঙ্গ

    উত্তরবঙ্গে কুয়াশার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। কোচবিহার, জলপাইগুড়ির মতো জায়গায় বিকেলের দিকে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্যে নেমে যাচ্ছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় বুধবার সকালে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দৃশ্যমানতা থাকবে ১৯৯ মিটার থেকে ৫০ মিটার পর্যন্ত। আপাতত আগামী ৪৮ ঘণ্টা রাজ্যজুড়ে এই শীতের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন দিন পর থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার গতিও কিছুটা কমতে পারে।

LinkedIn
Share