Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Ramakrishna Sarada Mission: সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণার জীবনাবসান

    Ramakrishna Sarada Mission: সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণার জীবনাবসান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমৃতলোকে পাড়ি দিলেন সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা (Sarada Math president) প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা (Pravrajika Bhaktiprana)। রবিবার রাত ১১টা ২৪ মিনিট নাগাদ তিনি ইহলোক ছেড়ে চলে যান।  দক্ষিণ কলকাতার রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান হাসপাতালে কয়েক দিন ধরে ভক্তিপ্রাণা মাতাজি চিকিৎসাধীন ছিলেন। ৭ ডিসেম্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রবীণ সন্ন্যাসিনীকে। হাসপাতালে আইসিইউতে ছিলেন তিনি। জানা যাচ্ছে, ফুসফুসেও সংক্রমণ ছড়িয়ে ছিল। তীব্র জ্বরেও আক্রান্ত ছিলেন। রবিবার দুপুর থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা অতি সঙ্কটজনক হয়ে যায়।  বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১০২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। রাতে তাঁর দেহ আনা হয় টালিগঞ্জে মাতৃ ভবনে। সকাল ১০টা নাগাদ দেহ নিয়ে যাওয়া হবে সারদা মঠে। 

    কর্মযোগী

    ১৯৯৮ সালের ২০ ডিসেম্বর সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের সহ অধ্যক্ষা পদে নিযুক্ত হন প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা। ২০০৯ সালে সঙ্ঘের তৃতীয় অধ্যক্ষা প্রব্রাজিকা শ্রদ্ধাপ্রাণার মৃত্যুর পরে, ওই বছরের ২ এপ্রিল ওই পদে বসেন ভক্তিপ্রাণা মাতাজি। টানা ১৩ বছর তিনি অধ্যক্ষা পদের দায়িত্ব সামলেছেন। সারা জীবন সমাজ ও মানব কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন ভক্তিপ্রাণা মাতাজি। তার আগে দীর্ঘ সময় তিনি টালিগঞ্জের মাতৃভবন হাসপাতালের সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর হাত ধরেই ওই হাসপাতাল ১০ শয্যার প্রসূতি সদন থেকে ১০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতালে উন্নীত হয়। সেখানে সকলের কাছে তিনি ছিলেন ‘বড় মা’ নামে পরিচিত। ধাত্রী বিদ্যায় পারদর্শী মাতাজি আপন স্নেহে ও মমতায় সারদা মাতৃভবনকে মা ও শিশুদের চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য হাসপাতাল হিসেবে সমাজের বুকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: সারদা মায়ের জন্মভিটেতেও পুজো হয় দেবী জগদ্ধাত্রীর! জানেন এর পিছনের গল্প?

    পূর্বাশ্রম

    ১৯২০ সালের অক্টোবরে কলকাতাতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।   ছোটবেলা থেকেই ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি ছিল অগাধ। যোগাযোগ ছিল রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সঙ্গেও। সারদেশ্বরী আশ্রম ও হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে তিনি নার্সিং প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৫০ সালে টালিগঞ্জের মাতৃভবন হাসপাতালে নার্স হিসেবে কাজে যোগ দেন। ১৯৫৩ সালে ভক্তিপ্রাণা মাতাজীকে ব্রহ্মচর্যে দীক্ষা দেন শ্রী রামকৃষ্ণের প্রত্যক্ষ শিষ্য তথা রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের চতুর্থ অধ্যক্ষ স্বামী বিজ্ঞানানন্দ। অনেকের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন পূর্বাশ্রমের নাম কল্যাণীদি হিসেবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Lalan Sheikh: লালনের মৃত্যুতে অস্বস্তিতে সিবিআই, দিল্লি থেকে রিপোর্ট তলব, বাড়ানো হল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা

    Lalan Sheikh: লালনের মৃত্যুতে অস্বস্তিতে সিবিআই, দিল্লি থেকে রিপোর্ট তলব, বাড়ানো হল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের (Lalan Sheikh) মৃত্যু ঘিরে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। গতকালের ঘটনার পর বগটুই ফের খবরের শিরোনামে। লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রামপুরহাট। এদিকে পরিস্থিতি যাতে আরও শোচনীয় হয়ে না পড়ে তার জন্য সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে রাতারাতি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অন্যদিকে সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন লালনের মৃ্ত্যুতে অস্বস্তিতে সিবিআই। ফলে রাতেই দিল্লির সিবিআই দফতর থেকে সেই বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয় বগটুই তদন্তের দায়িত্বে থাকা সিবিআই আধিকারিকদের থেকে। এর পাশাপাশি, এই ঘটনায় বিভাগীয় তদন্তও শুরু করেছে সিবিআই।

    কড়া নিরাপত্তা রামপুরহাটে

    রামপুরহাটের যে অস্থায়ী ক্যাম্পে লালনকে (Lalan Sheikh) রাখা হয়েছিল ও যেখানে তার মৃত্যু হয়েছে, সেখানে সোমবার রাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা এলাকা। সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে যাতে কোনও অশান্তি না হয় তাই সেই জায়গা কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে। এছাড়াও আজ, মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে পৌঁছেছেন আরও কয়েকজন সিবিআই আধিকারিক। রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজেও নিরাপত্তা বাড়িয়েছে বীরভূম জেলা পরিষদ। বগটুই গ্রামেও পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। ঘটনার কিছুক্ষণের পর থেকেই এলাকা পুরো থমথমে হয়ে রয়েছে।

    আরও পড়ুন: নিরাপত্তায় ছিল রাজ্য পুলিশ! ভূমিকা খতিয়ে দেখা হোক, লালনকাণ্ডে শুভেন্দু

    অন্যদিকে বগটুইতে লালনের বাড়ির সামনে নতুন করে যাতে কোনও বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে আলাদা করে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে পরিবারকেও। আজ লালনের দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। তার পর দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে।

    লালন শেখের মৃত্যুতে চাপে সিবিআই

    সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের হেফাজতে থাকাকালীন লালনের (Lalan Sheikh) মৃত্যু হয়েছে। আর তাতেই উঠছে প্রশ্ন। যদিও সিবিআইয়ের দাবি, লালন আত্মঘাতী হয়েছে। কিন্তু পরিবারের দাবি, তাকে খুন করা হয়েছে। ফলে স্বভাবতই সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সিবিআই-এর অন্দরেও উঠছে প্রশ্ন। সত্যিই লালনের মৃত্যুর ঘটনায় কারও গাফিলতি রয়েছে কি না, নিজেদের অভ্যন্তরীণ তদন্তে তাও খুঁজে বের করতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় যেসব সিবিআই আধিকারিক অফিসে উপস্থিত ছিলেন, তাদের বয়ান নথিভুক্ত করা হবে। সোমবার রাতেই লালন শেখের (Lalan Sheikh) মৃত্যুর ঘটনায় প্রাথমিক রিপোর্ট সিবিআই-এর পক্ষ থেকে দিল্লির সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

  • Lalan Sheikh: আত্মঘাতী হয়েছে লালন শেখ, বগটুই কাণ্ডে মূল অভিযুক্তের মৃত্যু নিয়ে দাবি সিবিআইয়ের

    Lalan Sheikh: আত্মঘাতী হয়েছে লালন শেখ, বগটুই কাণ্ডে মূল অভিযুক্তের মৃত্যু নিয়ে দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বগটুই কাণ্ডে ধৃত প্রধান অভিযুক্ত লালন শেখের (Lalan Sheikh) সিবিআই হেফাজতে মৃত্যু (CBI Custody)। রামপুরহাটে সিবিআই-র অস্থায়ী ক্যাম্পে মৃত্যু হয়েছে তার। কয়েকদিন আগেই তাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাকে ৬ দিনের জেল হেফাজতের পর আবার ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর পর আজ তার মৃত্যু হল। কিন্তু কী কারণে মৃত্যু হল তার, তা এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি। তবে সিবিআই সূত্রের খবর, সিবিআই দাবি করেছে, আত্মঘাতী হয়েছে লালন শেখ, অন্যদিকে লালনের পরিবার থেকে দাবি করা হয়েছে, তাকে খুন করা হয়েছে। ফলে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে।

    লালন শেখের রহস্যময় মৃত্যু

    সোমবার বিকেলে সিবিআই সূত্রে জানা যায়, রামপুরহাটের পান্থশ্রী অতিথিনিবাসে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে মৃত্যু হয়েছে লালন শেখের। সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পের শৌচাগারে লাল রঙের গামছা গলায় জড়ানো অবস্থায় লালনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটে সিবিআই অস্থায়ী ক্যাম্পে জেরা চলাকালীন মৃত্যু হয় লালনের। তখন বিকেল ৪টা বেজে ৫০ মিনিট হয়েছে। এর পর তার দেহ পাঠানো হয় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজে। ইতিমধ্যেই হাসপাতালের সামনে পৌঁছে যায় লালনের (Lalan Sheikh) পরিবারের লোকজন।

    আরও পড়ুন:”১৩ জানুয়ারির মধ্যে ধেড়ে ইঁদুর ধরা পড়বেই”, হাজরার সভা থেকে ‘হুঙ্কার’ শুভেন্দুর

    সিবিআই ও লালনের পরিবারের কী দাবি?

    সিবিআই আধিকারিকরা পুলিশকে জানিয়েছেন, লালন (Lalan Sheikh) আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু অন্যদিকে আজ সন্ধ্যায় লালনের দিদি সংবাদমাধ্যমের সামনে দাবি করেন, সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ড ডিস্কের খোঁজে লালন শেখকে বগটুইয়ের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিল সিবিআই। তার পর তাকে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যায়। তাকে এত মারধর করা হয় যে, সে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারছিল না। নিজের বাড়িতে পৌঁছে এক প্রতিবেশীর কাছে জল চায় লালন শেখ। অভিযোগ তাকে জল খেতে দেয়নি সিবিআই। লালনের দিদি দাবি করেন, সিবিআই ওকে পিটিয়ে মেরেছে।

    বগটুইয়ে কী ঘটেছিল?

    ২১ মার্চ রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বোমা মেরে খুন করা হয় বগটুই (Bogtui Murder) গ্রামের বাসিন্দা তথা বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের ভাদু শেখকে। খুনের বদলা নিতে ওই রাতেই গ্রামের একাধিক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পরদিন সকালে সাতজনের দেহ উদ্ধার করা হয়। দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর তাঁরাও মারা যান। এর পর ২১ জুন সিবিআই দুটি ঘটনার চার্জশিট জমা দেয়। আর চার্জশিটে নাম ছিল মূল অভিযুক্ত লালন শেখের।

    প্রথমে সে নিখোঁজ থাকলেও ৩ ডিসেম্বর রাতের দিকে ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। ৪ ডিসেম্বর রামপুরহাট আদালতে হাজির করানো হয় ও সেখানে বিচারক তাকে ৬ দিন হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হেফাজতে লালনকে বীরভূমের রামপুরহাটের অস্থায়ী ক্যাম্পে রেখেছিল সিবিআই। ১০ ডিসেম্বর আবার আদালতে পেশ করার পরে তাকে আরও তিনদিনের জন্য সিবিআই হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। এর পর আজ , সোমবার বিকেলে জেরা চলাকালীন লালনের (Lalan Sheikh) মৃত্যু হয়। ফলে সিবিআই হেফাজতে লালনের রহস্যময় মৃত্যু নিয়ে রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

  • Gold Smuggling: বর্ধমান স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার ২ কোটি টাকার সোনা, গ্রেফতার ২

    Gold Smuggling: বর্ধমান স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার ২ কোটি টাকার সোনা, গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাতে বর্ধমানে ট্রেন থেকে উদ্ধার বিপুল টাকার সোনা (Gold Smuggling)। আরপিএফ এবং ডিআরআই- এর যৌথ অভিযানে দুটি দূরপাল্লার ট্রেন থেকে মোট ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার সোনা উদ্ধার হল। সোনা পাচার করার অভিযোগে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে দুজনকে।

    কী ঘটেছিল? 

    কলকাতার ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ এর তরফ থেকে রেল পুলিশকে জানানো হয়, দুটি দূরপাল্লার ট্রেনে করে বিপুল পরিমাণ সোনা পাচারের চেষ্টা চলছে। এরপরেই শিয়ালদহ থেকে ছাড়া আপ শিয়ালদহ-অমৃতসর জালিয়ানওয়ালাবাগ এক্সপ্রেস বর্ধমান স্টেশনে এসে দাঁড়াতেই তাতে তল্লাশি চালাতে শুরু করেন আরপিএফ এবং ডিআরআই এর আধিকারিকরা। সেখান থেকে পিঠের ব্যাগে রাখা ১ কেজি ওজনের সোনার বাটসহ (Gold Smuggling) এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

    আরও পড়ুন: সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের অধ্যক্ষা প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণার জীবনাবসান

    পরে হাওড়া থেকে ছাড়া হাওড়া-নিউ দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসেও অভিযান চালানো হয়। সেই তল্লাশিতে ১ কেজি ওজনের ২টি সোনার বাট (Gold Smuggling) উদ্ধার হয়। এই ঘটনাতেও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরপিফ- এর তরফে জানানো হয়েছে, কোমরে আটকানো কাপড়ের তৈরি বেল্টের ভিতর সোনার বাটগুলি লুকিয়ে রেখেছিল পাচারকারী। দুটি ট্রেন থেকে মোট তিন কেজি সোনা উদ্ধার হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। সোনার বাটগুলি সবকটিই বিদেশে তৈরি বলে জানা গিয়েছে। আটক করা দুজনকেই কলকাতায় নিয়ে এসেছে ডিআরআই-এর একটি বিশেষ দল। কোথা থেকে সোনার বাটগুলি কোথায় পাচার করার চেষ্টা চলছিল তা এখনও জানা যায়নি। 

    উল্লেখ্য, গত মাসের শেষে সোনাপাচারের (Gold Smuggling) অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূল নেতার ছেলে। বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের ছেলের সঙ্গে শ্যালককেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যের ছেলে এবং শ্যালককে গ্রেফতার করে ডিআরআই। ৪ কেজি সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয় সেবার। মামলায় তৃণমূল নেতার শ্যালককেও জেরা করা হয়। রাজধানী এক্সপ্রেসে সোনা পাচারের চেষ্টা বানচাল করে পুলিশ। তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যের ছেলে ও শ্যালকই সোনাপাচারের ‘কিং পিন’ বলে দাবি ডিআরআই- এর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
     

  • Primary TET:  অব্যবস্থার মধ্যে শুরু প্রাইমারি টেট, মিলল বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর  

    Primary TET:  অব্যবস্থার মধ্যে শুরু প্রাইমারি টেট, মিলল বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি না ফস্কা গেরো? শুরু হল প্রাইমারি টেট (Primary TET)। আজ, রবিবার গোটা রাজ্যের হাজার দেড়েক পরীক্ষা কেন্দ্রে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ওই পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর আগের টেট হয়েছিল পাঁচ বছর আগে। স্বাভাবিকভাবেই এদিন বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় ছিল পরীক্ষার্থীদের। পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে শেষ হয়, তাই বিভিন্ন জায়গায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। কোনও রকম ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকা যাবে না বলে বারবার মাইকিং করা হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে। কেবল অ্যাডমিট কার্ড, পেন ও পরিচয় পত্র নিয়েই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা গার্ড দিচ্ছেন, তাঁদেরও প্রথমে চেকিং করে পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। টিনের বাক্সে থাকা প্রশ্নপত্র বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে কড়া নিরাপত্তায়।

    এদিন পরীক্ষা (Primary TET) শুরু হয় বেলা ১২টায়। পরীক্ষার্থীদের ১১টার মধ্যেই পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে বলা হয়েছিল। তবে যেহেতু এ ব্যাপারে কোনও লিখিত নির্দেশ ছিল না, তাই কোনও কোনও পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের প্রথমে ঢুকতে বাধা দেওয়া হলেও, পরে অবশ্য দেওয়া হয়। সিল করা খামে দুটি করে ওএমআর শিট দেওয়া হয়েছে এদিন। একটি শিট উত্তরপত্র হিসেবে জমা দেবেন পরীক্ষার্থীরা। অন্য শিটটি তাঁরা নিয়ে যাবেন বাড়ি।

    বিক্ষিপ্ত অশান্তি…

    বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবরও এসেছে বিভিন্ন জেলা থেকে। বোলপুরে একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে কর্তৃপক্ষের তরফে পরীক্ষার্থীদের ব্যাগ রাখার জায়গার ব্যবস্থা করা হয়নি। ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন পরীক্ষার্থীরা। তাঁরা পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে রাস্তা অবরোধও করেন। দ্রুত সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রের তরফে চাকরি প্রার্থীদের ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। তার পরেই উঠে যায় অবরোধ। শুরু হয় পরীক্ষা। ধূপগুড়িতে আবার ব্যাগ রাখা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, পরীক্ষাকেন্দ্রের কোথাও ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১৪ টেট উত্তীর্ণদের নম্বরের তালিকা প্রকাশ পর্ষদের

    এদিকে, টেট দিতে এসে ঠিকানা বিভ্রাটের অভিযোগ উঠল কলকাতার বিষ্ণুপুর থানার পৈলানে। অ্যাডমিট কার্ডে পরীক্ষা কেন্দ্রের ঠিকানা ভুল থাকার অভিযোগ তুলে বিষ্ণুপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন ৫০ জন পরীক্ষার্থী। তাঁরা জানতে পারেন, তাঁদের পরীক্ষা কেন্দ্র সোদপুরে। এর পরেই পুলিশের একটি ভ্যান ওই পরীক্ষার্থীদের নিয়ে রওনা দেয় সোদপুরের উদ্দেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP Bengal: দিল্লিতে বঙ্গ সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসছে বিজেপি, কেন জানেন?

    BJP Bengal: দিল্লিতে বঙ্গ সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসছে বিজেপি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার পরের বছর মহারণ। লোকসভা নির্বাচন। জোড়া নির্বাচনে যাতে রেকর্ড ফল করা যায়, তাই দিল্লিতে (Delhi) সাংগঠনিক বৈঠক ডাকল বিজেপি (BJP)। ১৯ ডিসেম্বর বাংলা থেকে নির্বাচিত সব বিজেপি সাংসদকে নিয়ে দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের দিল্লির বাড়িতে হবে ওই বৈঠক। বঙ্গ বিজেপির (BJP Bengal) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও থাকবেন ওই বৈঠকে। থাকবেন রাজ্যের পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল, আশা লাকরা এবং অমিত মালব্যও।

    বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু যে আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন, সে খবর আগেই শোনা গিয়েছে। সেখানে তিনি বৈঠকে বসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। কেবল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, দিন কয়েক পর তিনি সাক্ষাৎ করতে পারেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও। রাজনৈতিক মহলের মতে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে শুভেন্দুর এই পর পর বৈঠক যথেষ্ঠ তাৎপর্য পূর্ণ।

    সুকান্ত-শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি…

    তৃণমূলকে ডিসেম্বর মাস নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেছিলেন, ১২, ১৪ আর ২১ ডিসেম্বর এই তিনটে দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ। এই সময়সীমার মধ্যেই দিল্লিতে বৈঠকে বসছে বঙ্গ বিজেপি (BJP Bengal)। তাই সেখানে কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। নভেম্বরেই শুভেন্দু ঘোষণা করেছিলেন, ডিসেম্বরে বড়সড় কিছু ঘটতে চলেছে। যার ধাক্কায় সরকার টলমল হয়ে যাবে। শুভেন্দুর পরে পরে সুকান্তও হুঁশিয়ারি দেন, ডিসেম্বরের ঠান্ডায় এই সরকার ঠক ঠক করে কাঁপবে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতার এই জোড়া হুঁশিয়ারির জেরে রাজ্য সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে দানা বাঁধে জল্পনা। যদিও রাজ্যের নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়ার জল্পনা খারিজ করে দিয়েছিলেন সুকান্ত, শুভেন্দুরা। শুভেন্দু এও বলেছিলেন, ডিসেম্বরে বড় ডাকাত ধরা পড়বে।

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে লেজেগোবরে অবস্থা মমতা সরকারের। এই অবস্থায় বঙ্গ বিজেপির (BJP Bengal) একাধিক নেতা হাজির দিল্লির দরবারে। সূত্রের খবর, সরকার ফেলে দেওয়ার চেয়ে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূলকে ছুটিয়ে মারতে চান বিজেপি নেতৃত্ব।

     

     

  • Air Pollution: দিল্লি দূরে নয়! কলকাতার কিছু এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা রাজধানীর থেকেও বেশি

    Air Pollution: দিল্লি দূরে নয়! কলকাতার কিছু এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা রাজধানীর থেকেও বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের শুরুতেই শহরে বাড়ছে দূষণের পরিমাণ। বায়ুদূষণে এবার দিল্লিকে ছুঁতে বসেছে কলকাতা। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কলকাতার কিছু এলাকায় দূষণের মাত্রা রাজধানীর থেকেও বেশি। বাতাসে দূষণের পরিমাণ কতটা তা দেখা হয় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স দিয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে,এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা AQI  শূন্য থেকে ৫০ হলে, সেখানকার বাতাসের মান ভাল।  AQI ৫১ থেকে ১০০-র মধ্যে হলে তা satisfactory বা সন্তোষজনক। ১০১ থেকে ২০০ হলে তা মডারেট বা পরিমিত। AQI ২০০ থেকে ৩০০ পর্যন্ত থাকলে সেখানকার বাষুদূষণ poor বা খারাপ। এই বাতাসে বেশিক্ষণ থাকলে ফুসফুসের সমস্যা বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ৩০১ থেকে ৪০০ পর্যন্ত পৌঁছে গেলে তা ভীষণই উদ্বেগের। এরকম জায়গায় বেশিক্ষণ নিঃশ্বাস নিলে শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা হতে পারে। আর AQI ৪০১- ৫০০ হলে তা সিভিয়ার, মারাত্মক উদ্বেগের। সারা বছর AQI ২০০-র আশপাশে ঘোরাফেরা করলেও, শীতের সময় দূষণের মাত্রা বাড়ে।  গত ২ দিনে, কলকাতার অধিকাংশ জায়গায় দেখা যাচ্ছে, AQI ৩০০-র ওপরে।

    কলকাতার এখন অবস্থা

    ন্যাশনাল এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের মাপ অনুযায়ী, বালিগঞ্জ, ভিক্টোরিয়া, ফোর্ট উইলিয়াম, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর, রবীন্দ্র সরোবর এলাকায় দূষণের মাপ ধরা পড়েছে অনেকটাই বেশি। বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম ধূলিকণার এই বেড়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তায় পরিবেশবিদ ও চিকিৎসকরা। দীপাবলিতে মহানগরে যে পরিমাণ দূষণ ছিল ডিসেম্বরের প্রথম রবিবার তা ছাপিয়ে গেল৷ ন্যাশনাল এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের মাপ অনুযায়ী, রবিবার শহরে দূষণের সূচক ছিল ৩০১ থেকে ৪০০ একিউআই-এর মধ্যে। এখানে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত দূষণের সূচক ছিল ৩২৮ একিউআই। যাদবপুরে ৩১৩, সল্টলেকে ৩০২, বালিগঞ্জে ২৯৯ এবং আরবিইউতে ছিল ২৯১ একিউআই। এই অবস্থায় বয়স্ক মানুষ এবং শিশুদের শারীরিক সমস্যা বাড়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। বায়ুদূষণ নিয়ে বোস ইনস্টিটিউটের পূর্বাভাস, ২০১৯ সালের তুলনায় এবছর শীতে কলকাতায় বায়ুদূষণ ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

    আরও পড়ুন: মাত্রা ছাড়া বায়ুদূষণ দেশের রাজধানীতে, স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিলেন কেজরিওয়াল

    নিয়ন্ত্রণের উপায়

    বোস ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, গত দুই বছর করোনা অতিমারির কারণে দূষণ কম ছিল৷ কিন্তু, করোনা কাটার পরেই দূষণও বেড়েছে। এই অবস্থায় দূষণ রোধে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ওই ইনস্টিটিউটের মতে, ২০২৩ সালে রাজ্যে এরোসল দূষণ ৮% বৃদ্ধি পাবে। যা এরোসল দূষণের মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অর্থাৎ রেড জোনে ঢুকে পড়বে। দেশে এরোসল দূষণের ক্ষেত্রে বিহারের পরেই পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করবে। গবেষণাপত্রে পশ্চিমবঙ্গের এরোসল দূষণের পরিমাণ কমানোর জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে। চিরাচরিত জ্বালানির পদ্ধতি থেকে তৈরি হওয়া দূষণ এরোসেল দূষণের প্রধান কারণ। সম্প্রতি এলপিজি দাম বৃদ্ধির ফলে গরিব মানুষেরা আবার চিরাচরিত কাঠ, কয়লা দিয়ে রান্নার পদ্ধতিতে ফিরে গেছে। পাশাপাশি রাস্তার ধারে খাবারের দোকানগুলির সংখ্যাও দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এগুলি বন্ধ করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kolkata Weather: বাংলাতেও মন্দৌসের প্রভাব? বাড়তে পারে মহানগরীর তাপমাত্রা

    Kolkata Weather: বাংলাতেও মন্দৌসের প্রভাব? বাড়তে পারে মহানগরীর তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নভেম্বরের শুরুতেই শীত পড়তে শুরু করেছিল। মাসের শেষে শীত উধাও হলেও ডিসেম্বরে আবার শীতের আমেজ পাচ্ছে রাজ্যবাসী। কিন্তু ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে ফের পারদ ফের ঊর্ধ্বমুখী (Kolkata Weather)। রাতে বাড়তে পারে শহর কলকাতার তাপমাত্রা। 

    শনিবার সামান্য বেড়েছে শহরের তাপমাত্রা। শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার তা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

    গত কাল কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Kolkata Weather) ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা কিনা স্বাভাবিক। গত কাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। গত কাল সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাণ ছিল ৭২ শতাংশ। গত কাল সকাল সাড়ে আটটা থেকে আজ সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত শেষ ২৪ ঘণ্টায় কোনও বৃষ্টি হয়নি।

    আরও পড়ুন: জল্পনার অবসান! হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সুখবিন্দর সিং সুখু 

    এদিকে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড় মন্দৌসের প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষ প্রভাব পড়বে রাজ্যে (Kolkata Weather)। এর প্রভাব সরাসরি পড়বে তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে। ইতিমধ্যেই উপকূলবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা জারি হয়েছে। রাজ্যে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব না পড়লেও, বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢোকায় আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার পারদ হবে ঊর্ধ্বমুখী। শনিবার থেকেই পড়বে সেই প্রভাব। কলকাতায় সকালের দিকে হালকা ধোঁয়াশা। দিনভর আংশিক মেঘলা আকাশ। হাওয়া অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আগামিকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকার কথা, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকার কথা।  
     
    তবে আগামী সপ্তাহে ফের নামতে পারে পারদ। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গে কোথাও আপাতত বৃষ্টির (Kolkata Weather) সম্ভাবনা নেই। প্রসঙ্গত, অক্টোবরের শেষে এই শহরের তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নীচে নেমেছিল। শেষবার ২০১২-র অক্টোবরে ২০ ডিগ্রির নীচে নেমেছিল পারদ। ওই বছর ২৮ অক্টোবর কলকাতার তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন ১৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অক্টোবর মাসে কলকাতায় পারদ পতনের সর্বকালীন রেকর্ড ১৯৫৪ সালের ৩১ অক্টোবর। সেই বছর তাপমাত্রা নেমেছিল ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।  

    অন্ধ্রপ্রদেশের পুদুচেরি এবং শ্রীহরিকোটার মধ্যে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস। যার জেরে এদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে তামিলনাড়ু ও রায়ালসীমায়ে। কর্নাটকেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার রয়েছে। দক্ষিণ কর্নাটকে বৃষ্টি চলবে রবিবারেও। অন্যদিকে নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ এবং হিমাচল প্রদেশে এদিন বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি কিংবা তুষারপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    রাজ্যে সারাদিকে কোথায় কেমন তাপমাত্রা ছিল?

    আসানসোল (১০.২)
    বহরমপুর (১৪.২)
    বাঁকুড়া (১২.৭)
    বর্ধমান ( ১৩.৬)
    কোচবিহার ( ১২.১)
    দার্জিলিং (৭.৬)
    কালিম্পং ( ১১.৫)
    দিঘা ( ১৩.১)
    কলকাতা (১৫.৬)
    দমদম (১৬.২)
    কৃষ্ণনগর (১৩.৪)
    মালদহ (১৫.৫)
    মেদিনীপুর (১৩.৭)
    শিলিগুড়ি (১৪.৭)
    শ্রীনিকেতন ( ১২.১)
    সুন্দরবন (১৬.৫)

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • G20: বাংলায় জি ২০-র প্রস্তুতি বৈঠক, জানুন কবে, কোথায়

    G20: বাংলায় জি ২০-র প্রস্তুতি বৈঠক, জানুন কবে, কোথায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি ২০-র (G20) সভাপতিত্ব করার দায়িত্ব বর্তেছে ভারতের (India) ওপর। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) হাতে এই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। এই জি ২০-র সম্মেলন হবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে। সেই উপলক্ষে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হবে নানান অনুষ্ঠান। তামাম বিশ্বের ১৫০টি দেশের প্রতিনিধি যোগ দেবেন ওই সম্মেলনে। পাঁচটি সেক্টরে বৈঠক রাখা হয়েছে। জি ২০ বৈঠকে এই সেক্টরগুলি নিয়ে আলোচনা করবেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা।  

    কবে, কোথায়…

    গোটা দেশের সঙ্গে এই বাংলায়ও হবে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান। এখানে বিভিন্ন স্তরের চারটি বৈঠক হবে। জানুয়ারির ৯-১১ বৈঠক হবে ওয়ার্কিং গ্রুপের। কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিয়টে ওই বৈঠক হবে। এর পরের বৈঠক হবে ফেব্রুয়ারিতে। ওই মাসের ৮-৯ তালিখে বৈঠকে বসবে এনগেজমেন্ট গ্রুপ। এই বৈঠকটিও হবে কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিয়টে। এর পরের মাসে বাংলায় কোনও বৈঠক নেই। বৈঠক রয়েছে তার পরের মাসে। এপ্রিলের ৩-৫ তারিখে বৈঠক হবে শিলিগুড়িতে। এই বৈঠকটিও হবে ওয়ার্কিং গ্রুপের। এ রাজ্যে এর পরের বৈঠকটি হবে জুলাইয়ে। ওই মাসের ১৭-১৮ তারিখে ফের হবে ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক। এই বৈঠকটিও হবে কলকাতায়। জুলাই মাসের ১৯ তারিখে আরও একটি বৈঠক হবে কলকাতায়। এটি মিনিস্ট্রিয়াল মিটিং। উল্লেখ্য, জি ২০ (G20) সম্মেলন উপলক্ষে আগামী বছর দেশজুড়ে দুশোটির মতো ইভেন্টের আয়োজন করতে চাইছে নয়াদিল্লি। তার মধ্যেই রয়েছে এগুলি।

    আরও পড়ুন: জি ২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন পুতিন! কী বললেন তাঁর মুখপাত্র?

    জি২০ সফল করতে দিন কয়েক আগে সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সর্বদলীয় এই বৈঠকটি হয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবনে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজু জনতা দল সুপ্রিমো নবীন পট্টনায়েক, সিপিআইএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সহ বিভিন্ন দলের প্রধানরা। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি-২০ সম্মেলনের আসর বসেছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনেই আগামী বছর জি-২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ভারতের হাতে। জি ২০-র (G20) সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • TET 2022: আগামীকাল টেট, অনিয়ম রুখতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করল পর্ষদ?

    TET 2022: আগামীকাল টেট, অনিয়ম রুখতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করল পর্ষদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই ডিএলএডের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে বিপাকে পড়েছিল পর্ষদ। টেট (TET 2022) পরীক্ষায় সেই অস্বস্তি এড়াতে অতিরিক্ত সতর্ক তারা। রাজ্যজুড়ে ৭ লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবেন। ১৪০০ কেন্দ্রে নেওয়া হবে পরীক্ষা। আড়াই ঘণ্টা ধরে চলবে পরীক্ষা। শুরু হবে দুপুর ১২টা থেকে শেষ হবে ২:৩০ টার সময়। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ২ ঘণ্টা আগে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: দিল্লি দূরে নয়! কলকাতার কিছু এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা রাজধানীর থেকেও বেশি

    পরীক্ষার্থীদের কী কী নিয়ম মানতে হবে?

    • পরীক্ষার্থীদের একটি ফটো আইডেন্টিটি কার্ড যেমন আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্স অবশ্যই নিয়ে যেতে হবে।
    • ব্ল্যাক বলপয়েন্ট পেন সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। 
    • ঘড়ি বা গয়না পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকা যাবে না।
    • কোনও স্টেশনারি বস্তু, লিখিত বা ছাপানো অবস্থায় পরীক্ষাকেন্দ্রের ভিতরে নিয়ে যাওয়া যাবে না। 
    • ইনভিজিলেটরের অনুমতি ছাড়া কোনও পরীক্ষার্থী পরীক্ষার সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসন বা সেন্টার ছাড়তে পারবেন না।
    • প্রার্থীকে ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা অ্যাডমিট কার্ড প্রিন্ট করে নিয়ে যেতে হবে। নইলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার অনুমতি মিলবে না।
    • প্রতিটি প্রার্থীকে রোল নম্বর অনুযায়ীই বসতে হবে।
    • কাগজের টুকরো, পেন্সিল বাক্স, প্লাস্টিকের পাউচ, ক্যালকুলেটর, স্কেল, লেখার প্যাড কিচ্ছু নিয়ে পরীক্ষার ঘরে ঢোকা যাবে না।
    • ইনভিজিলেটরের অনুমতি ছাড়া কোনও পরীক্ষার্থী পরীক্ষার সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসন বা সেন্টার ছাড়তে পারবেন না।

    এতো গেল পরীক্ষার্থীদের জন্যে নিয়ম। ইনভিজিলেটরদের জন্যেও রয়েছে একগুচ্ছ নিয়ম, পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে পৌঁছবে প্রাথমিক টেট-র (TET 2022) প্রশ্নপত্র।

    • পরীক্ষার্থী পিছু প্রশ্নপত্রের খামের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে পর্ষদের তরফে। একমাত্র পরীক্ষার্থীই পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পরে খুলতে পারবেন প্রশ্নপত্রের সেই খাম। পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থী সেই প্রশ্নপত্র, তাঁর উত্তরপত্র সহ সিলবন্দি করে দেবেন সেই খামে।
    • প্রশ্নপত্র নিয়ে আসা এবং প্রশ্নপত্র নিয়ে যাওয়া উভয়ক্ষেত্রেই থাকবে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা।
    • পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করা প্রতিটি শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীর গলায় বৈধ পরিচয় পত্র ঝোলানো থাকতে হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share