Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • SSC Scam: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদের হাইকোর্ট ভাবে!  তোপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    SSC Scam: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদের হাইকোর্ট ভাবে! তোপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদেরকে হাইকোর্ট মনে করে না কি? নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় প্রশ্ন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন তিনি। পর্ষদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে পর্ষদ সভাপতি রামানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলবও করেন বিচারপতি। যদিও পরে সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করেন তিনি।

    কী হয়েছিল

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায় আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, ২৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রিয়াঙ্কা সাউ, নামে আদালতে আবেদনকারী এক চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র দিতে হবে। কিন্তু তা হয়নি। তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয় ১৪ নভেম্বর। মঙ্গলবার বিচারপতিকে সেকথা জানান প্রিয়াঙ্কার আইনজীবী। এর পরই মধ্যশিক্ষা পর্ষদের উদ্দেশে তীব্র ভর্ৎসনা করে বিচারপতি বলেন, কেন ২৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রিয়াঙ্কাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি? এদিন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে তা জানতে চান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়। তিনি বলেন, ‘যদি সময়ে চাকরি না দিতে পারে, তা হলে আদালতে এসে জানানো উচিত ছিল। কেন পর্ষদ নিয়োগপত্র দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করেনি আদালতে?’ এ প্রসঙ্গে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতিকে এজলাসে তলবও করেন তিনি। পরে পর্ষদের তরফে জানানো হয় যে, ২৮ অক্টোবর এসএসসি নিযোগ সুপারিশপত্রের হার্ড কপি হাতে পায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। তাই ২৮ অক্টোবর প্রিয়াঙ্কা সাউকে নিয়োগপত্র দেওয়া যায়নি। একথা জানার পর মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতির হাজিরার নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: জামিন হল না পার্থ-সুবীরেশ সহ ধৃত ৭ জনের! এসএসসি কাণ্ডে ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ

    প্রিয়াঙ্কার অভিযোগ

    প্রিয়াঙ্কা সাউয়ের অভিযোগ ছিল, তার থেকে কম নম্বর প্রাপ্তরা নিয়োগ পেলেও তিনি পাননি। পর্ষদের দফতরে অভিযোগ জানাতে গেলে কর্ণপাত করেননি কোনও আধিকারিক। তাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন প্রিয়াঙ্কা। আদালতের তরফে এদিন বিচারপতি পর্ষদের কাজে উষ্মা প্রকাশ করে বলেন, ‘রাজ্যের একাধিক শিক্ষা সংক্রান্ত অফিসার জেলে। তারপরেও এই বোর্ডের দৃষ্টিভঙ্গি, আচরণ পরীক্ষার্থী বিরোধী। বোর্ডের বহু কর্তা ছাত্রবিরোধী কাজ করছেন। যা কখনওই কাম্য নয়’।

    সিটের প্রধানকে তলব

    নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের সিটের প্রধানকেও তলব করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আজ দুপুর ২টোয় সিটের প্রধানকে তলব করেছেন তিনি। ‘ভুয়ো নিয়োগের প্রকৃত সংখ্যা কত?’ সিবিআইয়ের কাছে জানতে চাইলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • TET Scam: টেট উত্তীর্ণদের তালিকায় মমতা-অভিষেক-শুভেন্দুর নাম! কী বললেন পর্ষদ সভাপতি?

    TET Scam: টেট উত্তীর্ণদের তালিকায় মমতা-অভিষেক-শুভেন্দুর নাম! কী বললেন পর্ষদ সভাপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪-এর টেট উত্তীর্ণদের তালিকা নিয়ে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি (TET Scam)। টেট উত্তীর্ণদের তালিকায় রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নাম থেকে শুরু করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম পর্যন্ত। টেট পরীক্ষা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, সুজন চক্রবর্তীও! এ কি অবাক কাণ্ড! টেট তালিকার অদ্ভুত ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও একই নামের অন্য কেউ থাকতেই পারে, তবে এভাবে হেভিওয়েট রাজনীতিবিদদের নাম চাকরিপ্রার্থী হিসেবে প্রকাশিত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে।

    ২০১৪-এর টেট উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ

    উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশে গত ১১ নভেম্বর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ২০১৪-র চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে (TET Scam)। নাম রয়েছে প্রায় এক লক্ষ ২৫ হাজার পরীক্ষার্থীর। আর এই তালিকাতেই নাম রয়েছে মমতা ব্যানার্জির। এমনকি এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণও করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: টেট চাকরিপ্রার্থীকে কামড়-কাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের সম্ভাবনা

    শুধু তাই নয়, ঘটনাচক্রে চাকরিপ্রার্থীদের সেই তালিকায় রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, সুজন চক্রবর্তী এবং অমিত শাহের নাম (TET Scam)। জানা গিয়েছে, ২০১৪-এর টেট পাশ করাদের তালিকায় নাম থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্ত নম্বর দেখানো হয়েছে ৯২, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্ত নম্বর ৯৮, শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ১০০, সুজন চক্রবর্তী পেয়েছেন ৯৯ নম্বর,  দিলীপ ঘোষের প্রাপ্ত নম্বর ৮৪। আর এরপরেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যে। বিষয়টি কাকতালীয় নাকি কেউ ইচ্ছা করেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে, তা নিয়েই শুরু জোর চর্চা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল।

    পর্ষদ সভাপতি কী বললেন?

    প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছে বলে আশঙ্কা করেছেন সভাপতি গৌতম পাল (TET Scam)। তিনি বলেন, “কেউ হয়ত নিজেদের তৈরি করা তালিকা ঢুকিয়ে দিয়েছে।”  তিনি আরও জানিয়েছেন, টেট পরীক্ষার্থীদের নাম কোনওভাবে হুবহু মিলেও যেতে পারে। তবে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গৌতম পাল। ফলে এই অবাক কাণ্ড নিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dengue: ডেঙ্গি নিয়ে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ, কলকাতায় বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

    Dengue: ডেঙ্গি নিয়ে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ, কলকাতায় বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রমণ। মৃত্যুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক। এই নিয়ে ক্রমাগত বিরোধীরা আক্রমণ করছে রাজ্য সরকারকে। রাজ্যের বিরুদ্ধে ডেঙ্গি নিয়ে তথ্য-গোপনের অভিযোগও করেছেন বিরোধীরা। এবার বিরোধীদের সেই অভিযোগের পক্ষেই কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বারবার কেন্দ্র তথ্য চাইলেও রাজ্যের তরফে তা মিলছে না। 

    কী অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর? 

    কলকাতায় নাইসেডের অনুষ্ঠানে এসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভারতী প্রবীণ পাওয়ার অভিযোগ করে বলেন, “ডেঙ্গি নিয়ে কেন্দ্রকে সঠিক দিচ্ছে না রাজ্য। বারবার বলা সত্ত্বেও কেন্দ্রের থেকে তথ্য গোপন করছে রাজ্য। দ্রুত ডেঙ্গি আক্রান্তর পরিসংখ্যান সামনে আনা প্রয়োজন। ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্যকে টাকা দেয় কেন্দ্র। সব রাজ্য তথ্য দিলেও বাংলা দেয় না। বিভিন্ন সময়ে ডেঙ্গি নিয়ে রাজ্যকে সাহায্য করে কেন্দ্র। কিন্তু সঠিক তথ্য না দিলে পশ্চিমবঙ্গকে সাহায্য করা সম্ভব নয়। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের তরফে ডেঙ্গি সংক্রান্ত কোনও তথ্য কেন্দ্রকে দেওয়া হয়নি।”

    আরও পড়ুন: উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির জন্যে ১.৬ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রের 

    কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর এই অভিযোগের উত্তরে রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কেন্দ্রকে ডেঙ্গি-তথ্য জানাতে বাধ্য নয় রাজ্য।”

    প্রসঙ্গত, জাতীয় ভেক্টর কন্ট্রোল প্রোগ্রামের ওয়েবসাইটে গত মে মাসে শেষ ডেঙ্গি সংক্রান্ত তথ্য পাঠিয়েছিল রাজ্যে। তবে তারপরে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫০,০০০ – এরও গণ্ডি ছাড়িয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রকে আর কোনও তথ্য পাঠায়নি রাজ্য। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধান্ত নিয়োগী বলেন, “অনেক মাস অবধি তথ্য পাঠানো হয়েছে। হয়তো কিছু জায়গায় তথ্য ওঠেনি। অনেক সময় তথ্য পাঠানোর পরেও দেরি করে আপডেট করা হয়।”    

    অন্যদিকে ডেঙ্গি নিয়ে কলকাতার বোরোগুলিতে বিক্ষোভ করার পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। এ নিয়ে একটি বৈঠকও করবে রাজ্য বিজেপি। মূলত বোরো ভিত্তিক বিক্ষোভ চালাবে বিজেপি। ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ পশ্চিমবঙ্গ সরকার, মূলত এই অভিযোগেই বিক্ষোভ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Weather Update: আগামী সপ্তাহেই পারদ পতন! শীতের প্রবেশ রাজ্যে

    Weather Update: আগামী সপ্তাহেই পারদ পতন! শীতের প্রবেশ রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার থেকেই ঠান্ডা পড়ছে কলকাতা-সহ সারা রাজ্যে। পূর্বাভাস আলিপুর হাওয়া অফিসের। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী চার–পাঁচ দিনের মধ্যে পারদ নামতে পারে প্রায় ২–৩ ডিগ্রি। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বাড়বে শীতের দাপট। যেমন শুক্রবারের তুলনায় শনিবার কলকাতার তাপমাত্রা প্রায় ১ ডিগ্রি কমেছে। শনিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে হয়েছে ২০ ডিগ্রি।

    আরও পড়ুন: পদ্মের অপমান মানে হিন্দু সংস্কৃতির অসম্মান! জি-২০ লোগো বিতর্কে বিজেপি

    রাজ্যে তাপমাত্রার পতন

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি হয়ে গেলেও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করতে পারছিল না বাংলায়। কিন্তু পশ্চিমের ঝঞ্ঝা সরে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গে উত্তরের হাওয়া বইতে শুরু করল বলে। ফলে দুই বঙ্গেই নামতে থাকবে তাপমাত্রা। জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এদিকে, শনিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সিকিমে রয়েছে তুষারপাতের সম্ভাবনা। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর,আজ শনিবার থেকেই রাজ্যে পারদ পতনের শুরু। রবিবার থেকে কলকাতাবাসীও শীতের আমেজ অনুভব করতে পারবে। রবিবার, ছুটির দিন আলমারি থেকে গরম জামা কাপড় বের করার পরিকল্পনা করেছেন অনেকে। হালকা চাদর, অথবা স্টাইলিস্ট সোয়েট-শার্টও বের করে নিন। শীতের পরশ গায়ে মেখে সপ্তাহান্তে ঘুরে আসতেঁ পারেন কোনও বিনোদন পার্ক, চিড়িয়াখানা বা বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম বা জাদুঘরে। 

    আরও পড়ুন: ফিল্ম টিজারে কেরলের সাথে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের সূত্র জুড়ে দেওয়ায় চলচ্চিত্র নির্মাতার বিরুদ্ধে এফআইআর কেরল পুলিশের

    রাজ্যে শীতের আমেজ

    বিহার ও ঝাড়খণ্ড লাগোয়া পশ্চিমের জেলাগুলিতে দ্রুত নামবে পারদ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে। কলকাতায়ও নামবে পারদ। আগামী সপ্তাহে ২০ ডিগ্রির নিচেই থাকবে কলকাতার তাপমাত্রাও। মাঝে দু-একদিন ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশেও নেমে যেতে পারে কলকাতার তাপমাত্রা। সকালে ও সন্ধ্যায় শীতের আমেজ থাকবে কলকাতায়। তবে বেলা বাড়লে তাপমাত্রা বাড়বে। সকালের দিকে হালকা কুয়াশায় ঢাকা থাকবে রাস্তা-ঘাট। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dear Lottery: রহস্যের পর্দা ফাঁস করতে ডিয়ার লটারির ২ কর্তাকে দিল্লিতে তলব ইডির  

    Dear Lottery: রহস্যের পর্দা ফাঁস করতে ডিয়ার লটারির ২ কর্তাকে দিল্লিতে তলব ইডির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিয়ার লটারি(Dear Lottery)-কাণ্ডের শেকড় খুঁজতে কোমর কষে নামল ইডি (ED)। এবার দিল্লিতে (Delhi) ইডির অফিসে তলব করা হয়েছে ডিয়ার লটারি সংস্থার দুই শীর্ষ কর্তাকে। আগামী সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে বলা হয়েছে ডিয়ার লটারি সংস্থার আধিকারিকদের। এবারই প্রথম ওই লটারি সংস্থার কর্তাদের দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। তবে আগেই একবার ওই লটারি সংস্থার ডিরেক্টরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অবশ্য ইডি নয়, গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ডিয়ার লটারি সংস্থার তরফে নির্বাচনী বন্ড ১৫০ কোটি টাকা জমা দেওয়া হয়েছিল। সে ব্যাপারে বিশদ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে ডিয়ার লটারির কর্ণধার ও এক ডিরেক্টরকে।

    লটারি জিতেছিলেন অনুব্রত

    বছরখানেক আগে ডিয়ার লটারিতে (Dear Lottery) টিকিট কেটে এক কোটি টাকা জিতেছিলেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বীরভূমের যে দোকান থেকে ওই লটারির টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল, সেই লটারির দোকানের মালিককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। কেবল অনুব্রত (Anubrata Mondal) নন, ডিয়ার লটারির প্রথম পুরস্কার জিতেছেন জোড়াসাঁকোর বিধায়ক তৃণমূলের বিবেক গুপ্তর স্ত্রী রুচিরাও। তার পরেই ডিয়ার লটারি নিয়ে তোপ দেগেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট-বাণে তিনি বিঁধেছিলেন তৃণমূল নেতৃত্বকে। তিনি লিখেছিলেন, আমি অনেক দিন ধরেই বলছি এই ডিয়ার লটারি আসলে হচ্ছে ভাইপো লটারি। টাকা তছরুপের একটা বন্দোবস্ত। তিনি লিখেছিলেন, টিকিট কাটছে সাধারণ মানুষ আর বাম্পার প্রাইজ জিতছে তৃণমূলের লোকজন। প্রথমে অনুব্রত মণ্ডল।

    আরও পড়ুন: জেলে গিয়ে অনুব্রতকে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি আদালতের

    এবার রুচিরা গুপ্ত। এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার ডিয়ার লটারি নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য লটারি তুলে দিয়ে এই ডিয়ার লটারির মাধ্যমে আসলে ব্যবস্থা করা হয়েছে শাসকদলের কোষাগার ভরার। অনুব্রতর জেলার এক তৃণমূল নেতার ভাইয়ের স্ত্রীও ডিয়ার লটারিতে কোটি টাকা পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারীদের অনুমান, গরু পাচার বা কালো টাকা সাদা করতেই লটারি ইস্যু করা হয়ে থাকতে পারে।

    প্রসঙ্গত, অনুব্রত সংক্রান্ত মামলার তদন্তে লটারি সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। অনুব্রত ও তাঁর কন্যা সুকন্যার সম্পত্তির সঙ্গে লটারির যোগ রয়েছে বলে অনুমান। ওই লটারি অনুব্রত কিংবা তাঁর পরিবারের কেউ কেটেছিলেন কিনা, সেই সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ডিয়ার লটারি (Dear Lottery) সংস্থার দুই আধিকারিককে জেরা করে এই রহস্যের পর্দা ফাঁস করতে চাইছেন ইডির আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: জেলে গিয়ে অনুব্রতকে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি আদালতের

    Anubrata Mondal: জেলে গিয়ে অনুব্রতকে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। গত তিন মাস ধরে তিনি জেলে রয়েছেন। এবার তাঁকে জেলে গিয়ে জেরা করতে পারবে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। শুক্রবার ইডি-কে জেরা করার অনুমতি দিল আসানসোল সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী।

    ইডিকে অনুমতি

    গরু পাচার মামলায় একযোগে তদন্ত করছে ইডি ও সিবিআই। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে ইডি দফতরে অনুব্রতর (Anubrata Mondal) মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল সহ একাধিক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে তলব করে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। সেই তালিকায় রয়েছেন, অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন পরিচারক তথা বোলপুরের কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়, রয়েছেন মলয় পিট, ব্যবসায়ী রাজীব ভট্টাচার্য। এবার সরাসরি অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। শুক্রবার আসানসোল আদালতে ইডি আবেদন করে জানায়, আগামী ১৭ নভেম্বর অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তারা। ইডির আবেদন মঞ্জুর করে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক বলেন, ‘‘যে কোনও দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ইডির তদন্তকারী অফিসাররা আদালতে গিয়ে অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন।’’ইডির আইনজীবী অভিজিৎকুমার ভদ্র বলেন, ‘‘অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদের ব্যাপারে ইডি অনুমতি পেয়েছে। এর আগে অনুব্রতের কন্যা সুকন্যা মণ্ডল এবং হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। তাঁদের বিবৃতি রেকর্ড করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে ইডি মনে করেছে অনুব্রতকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। সেই অনুযায়ী আমরা আদালতে আবেদন করেছিলাম।’’

    আরও পড়ুন: জেলেই অনুব্রত! গরু পাচার মামলায় জামিনের আর্জি খারিজ, পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর

    অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার আর্জি

    গরু পাচার মামলায় তদন্তের জন্য অনুব্রতের (Anubrata Mondal)প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছে ইডি। বর্তমানে সায়গল রয়েছেন তিহার জেলে। এই মামলার আরও এক অভিযুক্ত এনামুল হকও তিহার জেলে রয়েছেন। তাই অনুব্রতকেও দিল্লি নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি, এমন অনুমান করা হয়েছিল। তবে ইডি সূত্রে খবর, আপাতত তাঁকে আসানসোলের জেলে গিয়েই জেরা করা হবে। এখনই দিল্লি নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে না। এখানে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা না করলে বা প্রয়োজন পড়লে অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবা হবে।

     

  • Anubrata Mondal: জেলেই অনুব্রত! গরু পাচার মামলায় জামিনের আর্জি খারিজ, পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর

    Anubrata Mondal: জেলেই অনুব্রত! গরু পাচার মামলায় জামিনের আর্জি খারিজ, পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলেই থাকতে হবে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। গরু পাচার মামলায় শুক্রবার তাঁকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। এদিনও তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক। তাঁকে আগামী ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের (Judicial Custody) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আদালতে অনুব্রত

    দীর্ঘদিন পর আজ অনুব্রতকে আদালতে পেশ করা হয়। তিনি জামিন পাবেন কি পাবেন না,তা নিয়ে আলোচনা চলছিল। অবশেষে ফের প্রভাবালী তত্ত্বেই তাঁর জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে যায়। এদিন আসানসোল আদালত চত্বরে অনুব্রতকে হাসিখুশিই দেখায়। 

    আরও পড়ুন: নেতার পরিচারক থেকে কাউন্সিলর, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ বিশ্বজ্যোতিকে দিল্লিতে তলব ইডির

    সিবিআইয়ের আইনজীবীর দাবি

    এদিন অনুব্রতের আইনজীবী তাঁর জামিনের আবেদন করেন। তার বিরোধিতা করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী কালীচরণ মিশ্র। তিনি বলেন, অনুব্রত এতটাই প্রভাবশালী যে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হলে তিনি সাক্ষীদের হুমকি দেবেন, যা তদন্তকে প্রভাবিত করবে। তথ্যপ্রমাণও নষ্ট করা হতে পারে। এই প্রেক্ষিতে কালীচরণ রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কথা উল্লেখ করেন। সম্প্রতি বীরভূমে গিয়ে ফিরহাদ দাবি করেছিলেন, অনুব্রত বাঘ। তাঁকে কত দিন খাঁচায় বন্দি করে রাখবে! আইনজীবী এই প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘‘বুঝতেই পারছেন, অনুব্রত কতটা প্রভাবশালী একজন ব্যক্তি যে, রাজ্যের মন্ত্রী পর্যন্ত তাঁকে বাঘ হিসেবে অভিহিত করছেন। তিনি বেরিয়ে এলে সাক্ষীদের হুমকি দেবেন।’’ইতিমধ্যেই সাক্ষীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত জেলে, তাই রক্ষাকবচ গুরুত্বহীন! ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় শীর্ষ আদালত

    ইতিমধ্যেই সাক্ষীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। এছাড়াও সিবিআই জানায়, কোটি কোটি টাকা রয়েছে অনুব্রতের নামে। বেআইনি সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর। যদিও অনুব্রতের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্তর দাবি, এর তদন্ত তো করবে ইডি। তাহলে সিবিআই জামিনের বিরোধিতা করছে কেন? তিনি জানান, গরু পাচার-কাণ্ডে অভিযুক্তদের জামিন হয়ে গিয়েছে। অথচ, ৯২ দিন ধরে জেলে রয়েছেন অনুব্রত। তাঁর সওয়াল, ‘‘যে কোনও শর্তে অনুব্রতকে জামিন দেওয়া হোক।’’ 

    দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে শুনানির পর কিছুক্ষণ রায়দান স্থগিত রাখেন বিচারক। অবশেষে বেলা বাড়লে অনুব্রতের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। পরবর্তী শুনানি ২৫ নভেম্বর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TMC Inner Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ব্যাপক বোমাবাজি, হাত-পা উড়ল যুবকের, জখম নাবালকও

    TMC Inner Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ব্যাপক বোমাবাজি, হাত-পা উড়ল যুবকের, জখম নাবালকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুদের স্তূপে বীরভূম (Birbhum)! ফের একবার প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Inner Clash)। আবারও ঘটল বোমাবাজির ঘটনা। ওই ঘটনায় এক নাবালক সহ জখম হয়েছেন দুজন। এলাকা দখলের জেরে এই ঘটনা, বলছেন স্থানীয়রাই। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১২জনকে। উদ্ধার হয়েছে ৩০টি তাজা বোমা। এলাকায় পুলিশ পিকেট। ভয়ে পুরুষ শূন্য গোটা গ্রাম। বীরভূমের সাঁইথিয়ার ওই ঘটনায় আতঙ্ক গোটা এলাকায়।

    বিবাদের কারণ…

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ দীর্ঘদিনের পুরানো। সোমবার বিকেলে আচমকাই প্রকাশ্যে চলে আসে তৃণমূলের সাঁইথিয়া ব্লক সভাপতি সাবের আলি ও ব্লক কার্যকরী সভাপতি তুষার মণ্ডলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Inner Clash)। ঘটনাস্থল সাঁইথিয়ার ফুলুর পঞ্চায়েতের বহরাপুর গ্রাম। কোনও একটি কারণে এদিন দু পক্ষের বিবাদ চরমে ওঠে। প্রথমে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। পরে বাঁধে সংঘর্ষ। ঘটনার জেরে এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক বোমাবাজি। মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা পড়তে থাকে। বোমার ঘায়ে জখম হন সাদ্দাম নামে এক যুবক। তাঁর ডান হাত এবং ডান পা উড়ে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সাঁইথিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। গুরুতর জখম অবস্থায় সাদ্দাম বলেন, আমার কাকাকে আটকে রেখেছিল তুষার মণ্ডলের লোকজন। ওরাই আমাকে বোমা মেরেছে।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের (TMC Inner Clash) জেরে যে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে, তাতে জখম হয়েছে মুজাফফর হোসেন নামে এক নাবালকও। তার সারা গায়ে বোমার আঘাতের ক্ষত। তাকেও প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। পরে দুজনকেই সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘পুলিশ কামড়ালে কি ভ্যাকসিন নিতে হবে?’’, পশ্চিম মেদিনীপুরের সভায় সুকান্ত

    পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা সবাই তৃণমূল (TMC) কর্মী। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা। অশান্তি এড়াতে এলাকায় চলছে পুলিশি টহলদারি। রয়েছে পুলিশ পিকেটও। ভয়ে গ্রাম ছেড়েছেন পুরুষরা। ফের অশান্তির আশঙ্কায় বাচ্চাদের হাত ধরে গ্রাম ছাড়ছেন মহিলারাও। মঙ্গলবার সকালেও অকুস্থলে গিয়ে দেখা গিয়েছে শুকনো রক্তের দাগ। পড়ে রয়েছে খালি বালতি। এই বালতি করেই বোমা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, কাটমানি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে তৃণমূলের এই গন্ডগোল নতুন নয়। প্রায়ই হয়। আগামীতে আরও বাড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     

     

     

  • BJP: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিলের মন্তব্যের জের, বিজেপির আন্দোলনে উত্তাল রাজ্য

    BJP: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিলের মন্তব্যের জের, বিজেপির আন্দোলনে উত্তাল রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ জেস্ক: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri)। তার প্রতিবাদে পথে নামল বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের প্রতিবাদ আন্দোলনে উত্তাল গোটা রাজ্য। শনিবার অখিলের গ্রেফতারি ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের দাবিতে কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউয়ে মিছিল করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। অখিলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে নন্দীগ্রাম (Nandigram) থানায়। কোথাও কোথাও রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভও দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। অখিলের বিরুদ্ধে জাতীয় মহিলা কমিশনে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ।  

    অখিলের বেফাঁস মন্তব্য…

    নভেম্বরের ১০ তারিখে নন্দীগ্রামের গোকুলনগর শহিদ মঞ্চে শহিদ দিবস পালনের আয়োজন করে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা ওই মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দেয়। অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপির (BJP) দিকে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় সভার আয়োজন করে তৃণমূল। ওই সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে অখিল বলেন, আমরা রূপ বিচার করি না। রাষ্ট্রপতির পদকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তোমার (শুভেন্দু অধিকারী) রাষ্ট্রপতিকে কেমন দেখতে বাবা? অখিলের এই মন্তব্যের জেরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় রাজ্যজুড়ে। পথে নামে বিজেপি। অখিলের গ্রেফতারি ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের দাবিতে তামাম রাজ্যে আন্দোলন শুরু করেছে পদ্ম শিবির। নন্দীগ্রাম থানায় অখিলের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টেন্ডার দুর্নীতি! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর

    এদিকে, অখিলের বিরুদ্ধে জাতীয় মহিলা কমিশনে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতা সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতিকে অপমান করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অখিল গিরির মন্তব্য গণতন্ত্রের অপমান। ১৪০ কোটি জনগণকে অপমান করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী। এই জঘন্য মন্তব্যের জন্য অবিলম্বে অখিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। বিধায়ক পদ থেকে অপসারিত করতে সুপারিশ করুন। অখিলের গ্রেফতারির দাবিও জানান তিনি।

    অখিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউয়ে মিছিল করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। জেলায় জেলায় বিক্ষোভে শামিল হন বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকরা। পোড়ানো হয় কুশপুত্তলিকা। অখিলের মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন সে কারণে মন্ত্রীকে অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে গ্রেফতার করা উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাজ না করেন, তাহলে মন্ত্রী অখিল গিরিকে গ্রেফতার করাবে বিজেপি। তিনি বলেন, জেলায় জেলায় প্রতিবাদ আন্দোলনের নির্দেশ দিয়েছি। আদিবাসীরাও মন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করবে। এফআইআর করবে। সুকান্ত বলেন, তৃণমূল এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বেশ কিছু নেতা পচা ডিমের মতো দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছেন। যতদিন এই তৃণমূল সরকারে থাকবে, ততদিন পচা ডিমের দুর্গন্ধ ছড়াবে। মানুষ ভুল থেকে শিক্ষা নেয়, কিন্তু তৃণমূল তা করে না। এদিকে, অখিলকে অপসারণ এবং সাক্ষাতের সময় চেয়ে রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য অখিল গিরির, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য অখিল গিরির, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি রাজ্যের মন্ত্রী। যাঁকে আক্রমণ করে বসলেন তিনি দেশের প্রথম নাগরিক। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। যিনি তাঁর দিকে ছুঁড়ে দিলেন কুকথার ছররা, তিনি আর কেউ নন, রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri)। দেশের রাষ্ট্রপতিকে অপমান করায় বেজায় চটেছে রাজ্যের বাসিন্দাদের সিংহভাগ অংশ। তৃণমূল নেতার বেফাঁস মন্তব্যে হতবাক রাজ্যের শিক্ষিত সমাজ। আর কাঁথির এই তৃণমূল নেতার পদত্যাগের দাবিতে পথে নামছে বিজেপি।   

    জানা গিয়েছে, নভেম্বরের ১০ তারিখে নন্দীগ্রামের গোকুলনগর শহিদ মঞ্চে শহিদ দিবস পালনের আয়োজন করে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা ওই মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দেয়। অভিযোগের আঙুল ওঠে বিজেপির দিকে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় সভার আয়োজন করে তৃণমূল (TMC)। ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা, অখিল গিরি, সৌমেন মহাপাত্র সহ তৃণমূলের অন্য নেতারা।

    কী বললেন অখিল?

    এদিনের সভা মঞ্চে উঠেই রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি (Akhil Giri) নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকিও দেন মন্ত্রী মশাই। এর পরেই অখিলকে বলতে শোনা যায়, আমরা রূপ বিচার করি না। রাষ্ট্রপতির পদকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তোমার (শুভেন্দু অধিকারী) রাষ্ট্রপতিকে কেমন দেখতে বাবা? অখিলের এই মন্তব্যের জেরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় রাজ্যজুড়ে। বিজেপির দাবি, রূপ নিয়ে কটাক্ষ করে দেশের প্রথম নাগরিককে অপমান করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি।

    রাজ্য বিজেপির তরফে ট্যুইট করে বলা হয়েছে, অখিল (Akhil Giri) রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজার সামনে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। আমাদের রাষ্ট্রপতি একজন আদিবাসী। এখান থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল আদিবাসী বিরোধী। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই আদিবাসী বিরোধী। তাঁর মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্য সেটাই প্রমাণ। রাষ্ট্রপতিকে অপমান করেন মমতার মন্ত্রী। কেন তিনি এবং তাঁর সরকার আদিবাসীদের এত ঘৃণা করেন?

    আরও পড়ুন: বিধানসভা উপনির্বাচনে ৪ আসনে জয়ী বিজেপি, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share