Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর চিঠি! রাতারাতি ৬টি মেডিক্যাল কলেজের উদ্বোধন বাতিল রাজ্যের

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর চিঠি! রাতারাতি ৬টি মেডিক্যাল কলেজের উদ্বোধন বাতিল রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর চিঠির পরই রাতারাতি জলপাইগুড়ি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-সহ রাজ্যের ছ’টি মেডিক্যাল কলেজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করল রাজ্য সরকার। শুভেন্দুর অভিযোগ, কেন্দ্রের টাকায় রাজ্যে তৈরি হওয়া ছয়টি নতুন মেডিক্যাল কলেজের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে না জানিয়ে একাই করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা সম্পূর্ণ একতরফা সিদ্ধান্ত।

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানেও ছিলেন টেট-চাকরিপ্রার্থীকে কামড় দেওয়া পুলিশকর্মী! কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    কেন্দ্রের টাকায় তৈরি রাজ্যে ৬টি মেডিক্যাল কলেজ উদ্বোধন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও লিখেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট বার্তায় সে কথা জানান তিনি। চিঠিতে নতুন মেডিক্যাল কলেজগুলি মূলত কেন্দ্রের স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া অর্থে তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি। রাজ্য সরকার ‘চক্রান্ত’ করে আগে সেগুলির উদ্বোধন করছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,”এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর মতো সৌজন্যবোধও দেখাননি মুখ্যমন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রতি তাঁর কোনও সম্মান নেই।” ট্যুইটে এই সংক্রান্ত একটি প্রচার বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু।

    প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি

    রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছিল, ১৪ নভেম্বর বেলা ১টায় কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে মমতা জলপাইগুড়ি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ-সহ রাজ্যের ছ’টি নতুন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পঠনপাঠনের শুভারম্ভ করবেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছিল, এই ছ’টি নতুন মেডিক্যাল কলেজের প্রতিটিতে ১০০ জন ছাত্রছাত্রী এমবিবিএস পড়ার সুযোগ পাবেন। এর ফলে রাজ্যে আরও ৬০০টি এমবিবিএস আসন বাড়বে। এই প্রকল্পের নির্মাণে খরচ হয়েছিল  ১৫৫৬.৫৭ কোটি টাকা। মেডিক্যাল কলেজের উদ্বোধন-সহ তাতে মোট তিনটি নতুন প্রকল্পের সূচনা করারও উল্লেখ ছিল। অন্য দু’টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে টেলি মেন্টাল হেল্‌থ পরিষেবা ও পার্বত্য অঞ্চলে ১৬ স্লাইসের সিটি স্ক্যান মেশিনের উদ্বোধন। তবে এই দুই প্রকল্পের সঙ্গে জলপাইগুড়ি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি কলেজ-কর্তৃপক্ষের।  কিন্তু আচমকাই ওই কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে বলে কলেজ সূত্রের খবর। তবে কর্মসূচি বাতিল হল কেন, কলেজ-কর্তৃপক্ষ তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যের নতুন মেডিক্যাল কলেজগুলি উদ্বোধন করবেন বলে আগে থেকেই কর্মসূচি নির্দিষ্ট আছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযানেও ছিলেন টেট-চাকরিপ্রার্থীকে কামড় দেওয়া পুলিশকর্মী! কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযানেও ছিলেন টেট-চাকরিপ্রার্থীকে কামড় দেওয়া পুলিশকর্মী! কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেট-বিক্ষোভের দিনে যে পুলিশকর্মী চাকরিপ্রার্থীকে কামড়েছেন, তাঁকে নবান্ন অভিযানের (Nabanna March) দিনও পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। চাকরি চেয়ে আন্দোলনে নেমে, প্রার্থীদের কারও কপালে জুটেছে পুলিশের কামড়। কেউ খেয়েছেন পুলিশের ঘুষি। বুধবার আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে পুলিশ যে ব্যবহার করেছে, তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে। সেই প্রেক্ষিতেই রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুন: ‘‘যে হাত দিয়ে চড় মেরেছেন, সেই হাত দিয়েই…’’ কাকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কথায়, ১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন মহিলা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছিলেন তিনি। সে দিনের ছবি আর বুধবার চাকরিপ্রার্থীদের পুলিশের কামড়ের ছবি পাশাপাশি দিয়ে, বিরোধী দলনেতা ট্যুইটারে লিখেছেন, “নবান্ন অভিযানের দিন মমতা পুলিশের নতুন হিংস্র ও নিষ্ঠুর রেজিমেন্টের প্রমীলা বাহিনীকে কোন অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছিল, তা আজ বোঝা গেল।” শুভেন্দুর দাবি, “দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আকাশ মাঘারিয়া একটা মহিলা টিম করেছে। এই টিমটার আমি নাম দিয়েছি মহিলা পুলিশের হিংসাশ্রয়ী রেজিমেন্ট। এই রেজিমেন্টে আমি এর আগে একজনকে বলেছিলাম, মারিয়া বলে, তিনি নবান্ন অভিযানের দিন আমার এখানে কাঁধে তিনটে ব্লো মেরেছিলেন। সেদিনকে আমি ডোন্ট টাচ মাই বডি বলতে তো অনেকরকম ব্যঙ্গ তিরস্কার করেছেন ভাইপো অ্যান্ড কোম্পানি। সেদিন তো এই বেবি তামাংকে পাঠিয়েছিলেন আমার হাত কামড়াতে। আমি হাতটা কামড়ানোর সুযোগ দিইনি। কালকে তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, কলেজের গেট থেকে তিনি উঠে এসেছেন, তাই সেদিনকার পরিস্থিতি তিনি আগে থেকেই আঁচ করে নিতে পেরেছিলেন। 

    নন্দীগ্রামের চটি-পুলিশ প্রসঙ্গ

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেন, গুণ্ডাদের দিয়ে রাজ্যে গণতান্ত্রিক আন্দোন দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাম আমলে নন্দীগ্রামের চটি পুলিশের কথা বলেন। আর এরা কোন পুলিশ। জোঁড়াসাকোয় রবীন্দ্র ভারতীর ক্যাম্পাসে হেরিটেজ আইন ভেঙে ইউনিয়ন রুম করেছে তৃণমূলের কর্মী পরিষদ। এব্যাপারে সরকারকে জানানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সেখানকার উপাচার্য। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন,”মুখ্যমন্ত্রী কান দিয়ে দেখেন। আর রবীন্দ্রনাথের ছবি সরিয়ে তাঁর এবং ভাইপোর ছবি বসানো হয়েছে, তাতে তো তিনি (মমতা) খুশি!” চলচ্চিত্র উৎসবে উত্তম কুমার কিংবা সত্যজিৎ রায়ের ছবি না থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সেখানে থাকে বলেও মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুন : নবান্ন অভিযানে গিয়ে ‘মিথ্যা’ মামলায় গ্রেফতার, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coal Smuggling Case: কয়লা পাচার কাণ্ডে কলকাতা পুলিশের কর্তাকে দীর্ঘ জেরা ইডি-র

    Coal Smuggling Case: কয়লা পাচার কাণ্ডে কলকাতা পুলিশের কর্তাকে দীর্ঘ জেরা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলার পাশাপাশি এবারে কয়লা পাচার কাণ্ড (Coal Smuggling Case) নিয়েও তৎপর ইডি। কয়লা দুর্নীতিতে এবার ইডির নজরে কলকাতা পুলিশের এসিপি শান্তনু সিনহা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই মত বুধবার দিল্লিতে ইডির দফতরে পৌঁছে যান ওই এসিপি। সূত্রের খবর, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ইডি-র দিল্লি সদর দফতরে হাজির হন শান্তনু। সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার শান্তনু কালীঘাট থানার দায়িত্বে রয়েছেন। কয়লা দুর্নীতিতে (Coal Smuggling Case) এসিপি শান্তনুর কাছ থেকে বেশ কিছু নথিপত্র চেয়ে পাঠিয়েছিলেন ইডি-র আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, তদন্তে পাওয়া তথ্য খতিয়ে দেখতে গিয়েই শান্তনুর নাম উঠে আসে। তারপরেই তথ্য যাচাই করতে গতকাল তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: একবার নয়, তিনবার লটারি জিতেছেন কেষ্ট-সুকন্যা! সিবিআই-এর হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    কে এই শান্তনু সিনহা ও কেন ডাকা হয়েছিল তাঁকে?

    এসিপি শান্তনু বেশ কয়েক বছর কালীঘাট থানার ওসির পদে ছিলেন। পরে তাঁর পদোন্নতি হয়েই তিনি এখন ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদে নিযুক্ত হয়েছেন। এসিপি শান্তনুকে তলব করায় শাসকদলের মধ্যেও অস্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে। ইডি সূত্রের দাবি, কয়লা পাচারের (Coal Smuggling Case) মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা এবং অন্যতম অভিযুক্ত শাসক দলের পলাতক নেতা বিনয় মিশ্রের ভাই বিকাশের বয়ানের ভিত্তিতেই গতকাল শান্তনুকে তলব করা হয়েছিল। ইডি সন্দেহ করেছে যে, কয়লা পাচারের একটা মোটা অংশের টাকা লালা, বিনয় ও বিকাশের থেকে বিভিন্ন পুলিশ অফিসারের মাধ্যমে প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছেছিল। তাই ইডির স্ক্যানারে এবারে কলকাতার পুলিশ কর্তারা। শান্তনুর গত ১০ বছরের আয়কর রিটার্ন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নথিও চেয়ে পাঠানো হয়েছিল।

    ইডি সূত্রের দাবি, এর আগেও কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Case)  দুবার নোটিশ দিয়ে তাঁকে তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেসময় এড়িয়ে যান ও সময় চেয়ে নেন। এরপর তিনবারের সময় তাঁকে নোটিশ দিয়ে আগামী শুক্রবার তলবের জন্যে ডাকা হয় ও নোটিশে বলা হয় যে, এবার তিনি তলব এড়িয়ে গেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এরপরেই মঙ্গলবার ফোন করে বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেন শান্তনু। ফলে গতকাল সময় মত পৌঁছে যান ইডির দিল্লি সদর দফতরে।

  • TET Scam: বরখাস্ত শিক্ষকেরা চাইলে চাকরিতে যোগ দিতে পারেন, জানাল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ

    TET Scam: বরখাস্ত শিক্ষকেরা চাইলে চাকরিতে যোগ দিতে পারেন, জানাল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনিভাবে চাকরি (TET Scam) পেয়েছিলেন, এই অভিযোগে ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। গত ১৩ জুন এই রায় দেন বিচারপতি। এরপরই চাকরি হারানো শিক্ষকরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সুপ্রিম কোর্ট গত ১৮ অক্টোবর চাকরি বাতিলের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও রায় না দিলেও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (Primary Education Board) জানিয়ে দিল, চাইলে বাতিল হওয়া  শিক্ষকেরা পুনরায় চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: সকালে গরম, বিকেলে নরম…! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের উপরেই আস্থা বিচারপতির

    এই মর্মে জেলা বিদ্যালয় সংসদকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের (Primary Education Board)  তরফে ২২ জন জেলা বিদ্যালয় শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়, যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছিল (TET Scam) তাঁরা চাইলে স্কুলে যোগ দিতে পারবেন। তবে নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে,চাকরির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আদালতের রায়ের উপর। চলতি মাসের ২ তারিখ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চাকরি বাতিল হওয়া ওই প্রাথমিক শিক্ষকেরা। চাকরিতে যোগদান করতে দিক রাজ্য, এই  আর্জি জানিয়ে আবেদন করেন শীর্ষ আদালতে। অবিলম্বে বেতন চালু করার আবেদনও জানান তাঁরা। দ্রুত শুনানি চেয়ে বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 

    আরও পড়ুন: ৬০০ দিন পেরোলো চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, আরও জোরদার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    শীর্ষ আদালতের রায়ের আগেই এমন সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল? এই প্রশ্নের উত্তরে পর্ষদ (Primary Education Board) সূত্রে বলা হয়, আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষা হয়েছিল এবং ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয় মেধাতালিকা। ২০১৭ সালে অতিরিক্ত একটি মেধাতালিকাও প্রকাশিত হয়। কিন্তু, দ্বিতীয় তালিকাতে অনিয়ম হয়েছে অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার প্রেক্ষিতে ২৬৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jhalda: খারিজ হয়ে গেল কংগ্রেসের আবেদন, ২১ নভেম্বরই ঝালদা পুরসভার ভোট, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Jhalda: খারিজ হয়ে গেল কংগ্রেসের আবেদন, ২১ নভেম্বরই ঝালদা পুরসভার ভোট, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খারিজ হয়ে গেল বিরোধীদের আবেদন। ২১ নভেম্বরই হচ্ছে ঝালদা পুরসভার আস্থা ভোট। সোমবার আস্থা ভোটের আবেদন করেছিলেন কংগ্রেস কাউন্সিলররা। সেই আবেদন খারিজ করে দিলেন  হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা। পূর্ব নির্ধারিত সময় ২১ নভেম্বরই হবে আস্থা ভোট। ফলে আরও কিছুটা সময় পাবে তৃণমূল।

    প্রসঙ্গত, পুরুলিয়া জেলার ঝালদা পুরসভায় মোট ১২টি ওয়ার্ড রয়েছে। গত পুরসভা ভোটে ঝালদায় ৫টি করে আসন জেতে তৃণমূল ও কংগ্রেস। ২টি আসনে জয়লাভ করেন নির্দল প্রার্থীরা। জয়ের পর নির্দল প্রার্থী শীলা চ্যাটার্জি তৃণমূলে যোগ দেন। এর জেরে সেখানে তৃণমূলের কাউন্সিলর সংখ্যা দাঁড়ায় ৬। সেই সঙ্গে আরও একজন নির্দলেরও সমর্থন পায় রাজ্যের শাসক দল। এই সমর্থন নিয়ে সেখানে পুরবোর্ড গঠন করে তৃণমূল। 

    বোর্ড গঠন নিয়ে তৃণমূল-কংগ্রেস অশান্তির মধ্যেই গত ১৩ মার্চ খুন হন কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থী তপন কান্দু। তপন কান্দু খুনের ঘটনায় উত্তাল হয় গোটা রাজ্য। পরবর্তীতে উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে কাকা তপন কান্দুর আসনে জয়ী হন ভাইপো মিঠুন কান্দু। যদিও বোর্ড গঠন করতে পারেনি কংগ্রেস।       

    এরপর পদত্যাগ করেন শীলা চ্যাটার্জি। শীলার পদত্যাগের পর তৃণমূলের কাউন্সিলের সংখ্যা কমে হয় পাঁচ। তৃণমূল বোর্ড সংখ্যা গরিষ্ঠতা হারায়। এরপরেই পাঁচ কাউন্সিলর ও একজন নির্দল প্রার্থীর সমর্থনে অনাস্থার ডাক দেয় কংগ্রেস। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তৃণমূলের মোট কাউন্সিলর ৫ জন। অনাস্থার ডাক দেন এক নির্দল সহ ৬ জন কংগ্রেস কাউন্সিলর। 

    বিরোধী কাউন্সিলরদের জারি করা নোটিস খারিজের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ঝালদা পুরসভার উপপুরপ্রধান সুদীপ কর্মকার। উপপুরপ্রধানের দাবি, ১৩ অক্টোবর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন বিরোধীরা। ১৫ দিনের মধ্যেই এ নিয়ে পদক্ষেপ নিতে হয় চেয়ারম্যানকে। এটাই নিয়ম। কিন্তু তিনি তা না করায় ২৮ অক্টোবর উপপুরপ্রধান সুদীপ কর্মকারের কাছে তলবি সভা ডাকার আবেদন জানান বিরোধী কাউন্সিলররা। নিয়ম  অনুযায়ী, ৭ দিনের মধ্যে পদক্ষেপ নিতে হয় উপপুরপ্রধানকে। ৩ নভেম্বর উপপুরপ্রধান সুদীপ কর্মকার জানান, আস্থা ভোট হবে ২১ নভেম্বর। এরই মাঝে ৪ঠা নভেম্বর তিন বিরোধী কাউন্সিলর আস্থা ভোটের জন্য নোটিশ জারি করেন। গতকালই আস্থা ভোটের দিন ধার্য হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাসে নির্মাণে স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের 

    সোমবারের আস্থা ভোটে স্থগিতাদেশ দিলেন বিচারপতি। বিচারপতির দাবি, উপপুরপ্রধান ৭ দিনে কোনও পদক্ষেপ না নিলে, বিরোধীরা আস্থা ভোট করতে পারতেন। কিছু ৭ দিনের মধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছেন উপপুরপ্রধান সুদীপ কর্মকার। 

    এদিকে গত সোমবার আস্থা ভোটের সম্ভাবনা থাকায়, কার্যত দুর্গে পরিণত হয়েছিল পুরুলিয়ার ঝালদা পৌরসভা। পুলিশে ঘিরে ফেলা হয়েছিল গোটা এলাকা। অশান্তি এড়াতে ১৪৪ ধারাও জারি করা হয়। কিন্তু সোমবার শেষমেশ আস্থাভোট হয় নি ঝালদা পৌরসভায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Calcutta High Court: ৩৯২৯টি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড় রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: ৩৯২৯টি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড় রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ফের ধাক্কা খেল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বড় জয় পেল ২০১৪-এর টেট উত্তীর্ণরা। বকেয়া ৩ হাজার ৯২৯টি শূন্যপদেই নিয়োগ করতে হবে ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের। এই শূন্যপদে অন্য কোনও প্রার্থীর নিয়োগের অধিকার নেই। এমনটাই নির্দেশে জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। আজ এই সংক্রান্ত মামলার রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ নিয়োগ নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকেই বহাল রাখল বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চ।

    ডিভিশন বেঞ্চে কী বলা হল?

    আজ কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জানানো হয়েছে, ২০১৪-এর টেট পরীক্ষায় যে ৩৯২৯টি শূন্যপদে নিয়োগ হয়নি, সেই শূন্যপদে ২০১৪-এর টেট উত্তীর্ণদেরই মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে। এই শূন্যপদে অন্য কোনও টেট উত্তীর্ণদের অধিকার নেই। গত সেপ্টেম্বরে প্রাথমিকের ৩৯২৯টি শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপর তাঁর রায় বহাল রেখেই আজকের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। আবার, সেসময় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ ২৫২ জনকে সরাসরি নিয়োগের নির্দেশও দিয়েছিল। কিন্তু আজ তা খারিজ করে ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে, একমাত্র যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: প্রাথমিকে ৩২৫ জনের নিয়োগ করতে টাকা নিয়েছিলেন মানিক! ইডির হাতে নতুন তথ্য

    এরপরেই সিঙ্গল বেঞ্চের ওই নিয়োগ-নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে (Calcutta High Court) যায় পর্ষদ। দাবি করে তারা ২০২২ সালে প্রায় সাড়ে এগারো হাজার শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সেই মামলায় আজ ডিভিশন বেঞ্চ সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে যে, পর্ষদ যদি ওই ৩৯২৯টি শূন্যপদ ধরে ২০২২ সালে সাড়ে ১১ হাজার শূন্যপদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে থাকে, তাহলে প্রথমেই ওই ৩৯২৯টি পদ হিসেব থেকে বাদ দিতে হবে। কারণ ওই পদগুলিতে ২০১৪-র টেটের ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। এ বাদে যে পদগুলি বাকি থাকবে তার নিয়োগে অংশ নিতে পারেন ২০১৭-র টেট উত্তীর্ণরা।

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের টেট-র ভিত্তিতে ২০১৬ এবং ২০২০ সালে দু’বার নিয়োগ হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সব পদ পূরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। ২০২০ সালের নিয়োগে ১৬ হাজার ৫০০ পদে নিয়োগের কথা জানিয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। কিন্তু পরে জানা যায়, সেই সময় সাড়ে ১২ হাজার পদে নিয়োগ হয়েছিল। অর্থাৎ ৩৯২৯টি পদ বাকি থেকে যায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Calcutta High Court) শূন্যপদে ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের নিয়োগের নির্দেশ দেন। প্রশ্ন ভুল থাকায় পরে মামলাকারীদেরও চাকরি দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপরেই আজ সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকেই মান্যতা দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধুমাত্র সরাসরি ২৫২ জন প্রার্থীর নিয়োগের নির্দেশকেই মানা হয়নি।

  • Manik Bhattacharya: প্রাথমিকে ৩২৫ জনের নিয়োগ করতে টাকা নিয়েছিলেন মানিক! ইডির হাতে নতুন তথ্য

    Manik Bhattacharya: প্রাথমিকে ৩২৫ জনের নিয়োগ করতে টাকা নিয়েছিলেন মানিক! ইডির হাতে নতুন তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন যত এগোচ্ছে তত নিয়োগ দুর্নীতিতে একের পর এক চাঞ্ল্যকর তথ্য উঠে আসছে। এবারে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, টাকার বিনিময়ে ৩২৫ জনের নিয়োগ হয়েছিল প্রাথমিকে (Primary Recruitment), আর এর নেপথ্যেও ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। গতকাল আদালতে চাঞ্চল্যকর এই দাবি করল ইডি (ED)। আবার এই মামলায় এখন শুধুমাত্র প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক নেই, ইডির স্ক্যানারে রয়েছে তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও।

    জামিনের আবেদন খারিজ

    অন্যদিকে ফের জামিনের আবেদন করেছিল মানিকের আইনজীবী (Manik Bhattacharya)। কিন্তু গতকাল দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক মানিকের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে ফের ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেন। আাগামী ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইডির বিশেষ আদালত। ফলে তিনি আপাতত প্রেসিডেন্সি জেলেই থাকবেন।

    আরও পড়ুন: “যা বলার সব ইডিকে বলেছি…”, কী বললেন মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল?

    ইডির কী দাবি?

    বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি ও তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) আদালতে পেশ করে ইডি চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে যে, টাকার বিনিময়ে ৩২৫ জনকে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের, যার পেছনে হাত রয়েছে মানিকের। ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি এদিন আদালতে জানান, এই ৩২৫ জন ২০১৪ সালে টেট দেন। তদন্তে উঠে এসেছে যে, টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওই চাকরিপ্রার্থীদের পাশ করাতে সাহায্য করেছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। সেই মধ্যস্থতাকারীদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে।

    ইডির স্ক্যানারে মানিকের পরিবারের সদস্যও

    নিয়োগ দুর্নীতিতে আগেই নাম উঠে এসেছিল মানিকের (Manik Bhattacharya) ছেলে সৌভিকের। এবারে নাম উঠে এসেছে মানিকের ভাই, জামাই ও জামাইয়ের বাবারও। শুনানিতে ইডি দাবি করে, মানিকের জামাই ও ভাইয়ের অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন হওয়ার পাশাপাশি আরও একাধিক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়ে। তাই এ নিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি।

    কিন্তু অন্যদিকে আদালতে মানিকের আইনজীবী দাবি করেন, মানিককে নিয়ে ইডি যে তদন্ত করছে তা সব বেআইনি। কারণ, নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছে বা এফআইআরে মানিকের (Manik Bhattacharya) নাম নেই। আর এসব শোনার পর গতকাল তাঁর জামিনের আবেদন ফের খারিজ করে দেয় ও ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

     

  • BSF: বিএসএফের গুলিতে খতম দুই বাংলাদেশি পাচারকারী

    BSF: বিএসএফের গুলিতে খতম দুই বাংলাদেশি পাচারকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের কৈমারী (Kaimari in Coochbehar) সীমান্তে বিএসএফের (BSF) গুলিতে মৃত্যু হল দুই বাংলাদেশী পাচারকারীর। বুধবার রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ বিএসএফের তরফে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, গতকাল গভীর রাতে সংশ্লিষ্ট সীমান্তে ১৫ থেকে ২০ জনের ভারত ও বাংলাদেশী যৌথ একটি পাচারকারী দল সীমান্তে গরু পাচার করছিল। সেই সময় বিএসএফের ৭৫ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা তাদের বাধা দিলে পাল্টা পাচারকারীরা আক্রমণের চেষ্টা করে। এরপর পাচারকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে বিএসএফ জওয়ান দুটি স্ট্যান্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এরপরেও বাংলাদেশী পাচারকারীরা ভারতীয় পাচারকারীদের সহযোগিতায় বিএসএফদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এর পাশপাশি ধারালো অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র এবং বাঁশের লাঠি নিয়ে কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানকে ঘিরে ফেলে।  

    গুলি চালাতে বাধ্য হন বিএসএফ জওয়ানরা

    জীবনের ঝুঁকিতে আত্মরক্ষায় বিএসএফ জওয়ানরা পাচারকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। সেই ঘটনায় দুজন বাংলাদেশী গুলিতে প্রথমে আহত হন এবং তাদের পাচারকারীরা বাংলাদেশে নিয়ে যায় সেখানেই তাদের মৃত্যু হয়। এমনটাই বিএসএফ সূত্রে খবর। এবং বাকি পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে বাংলাদেশের সীমান্তের ভেতরেই ওই দুজন মারা গেছেন বলেও জানতে পেরেছেন বিএসএফ জওয়ানরা।   
     
     
     
    এই ঘটনায় এক বিএসএফ জওয়ানও আহত হয়েছেন বলে বিএসএফ ৭৫ নম্বর ব্যাটেলিয়ান সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকায়। এই ঘটনার পরে বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে সীমান্তে পাচারকারীদের পাচার রুখতে আগামী দিনে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বিএসএফ। পাচারকারীরা বেশিরভাগ সময়েই সঙ্ঘবদ্ধ হয়। সংখ্যাতেও অনেক বেশি থাকে। অন্যদিকে সীমান্ত রক্ষী মোতায়েন করা হয় বেশ কিছুটা দূরে দূরে, একেকজন করে। তাই সঙ্ঘবদ্ধ আক্রমণের শিকারও হন বিএসএফ সদস্যরা। এধরণের ঘটনায় বিএসএফ সদস্যরাও আহত হন এবং মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
     
     
     

         

  • TET Exam: ‘আইন না মানলে বন্ধ টেট’, পর্ষদকে কড়া হুঁশিয়ারি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    TET Exam: ‘আইন না মানলে বন্ধ টেট’, পর্ষদকে কড়া হুঁশিয়ারি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার টেট পরীক্ষা (TET Exam) বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। আইন মেনে পরীক্ষা না হলে বন্ধ করে দেওয়া হবে পরীক্ষা, সাফ জানিয়ে দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পর্ষদ বন্ধুর মতো আচরণ করছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    কবে টেট পরীক্ষা?

    টেট কেলেঙ্কারির জেরে বিব্রত রাজ্য সরকার (State Govt.)। শেষমেশ শিক্ষক সমস্যার সমাধান করতে চলতি বছরের ১১ ডিসেম্বর নতুন করে শিক্ষক নিয়োগের জন্য টেট পরীক্ষা (TET Exam) নেওয়ার কথা। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে শুনানি ছিল টেট সংক্রান্ত একটি মামলার। ২০১৭ সালে টেটের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হলেও, ২০১৪র ফল বের করেনি পর্ষদ। তা নিয়েই মামলা হয়। চলছিল শুনানিও। কেবল এটিই নয়, টেট নিয়ে বুধবার একাধিক মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেখানে পর্ষদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠতে থাকে। তার জেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: গুজরাটে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় চমক, কে কে লড়ছেন জানেন?

    এদিন টেট নিয়ে মামলার শুনানি চলাকালীনই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে আরও একবার অসন্তোষ প্রকাশ করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন আদালতে তিনি বলেন, পর্ষদ বন্ধুর মতো আচরণ করছে না। আমি আমার আগের মন্তব্য প্রত্যাহার করছি, যেখানে বলেছি নিয়োগে বাধা দেব না। এখন যদি দেখি আইন মানা হচ্ছে না, তাহলে পরীক্ষা (TET Exam) বন্ধ করে দেব। নভেম্বর মাসের তিন তারিখে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, ২০১৪ এবং ২০১৭র টেটে সংরক্ষিত বিভাগের যে প্রার্থীরা ৮২ পেয়েছেন, তাঁদের টেট উত্তীর্ণ বলে গণ্য করতে হবে। ২০২২ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তাঁদের অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এর জেরে পর্ষদ কর্তৃক ঘোষিত লক্ষাধিক টেট অনুত্তীর্ণ প্রার্থী ২০২২ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। এদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী জানান, শুক্রবারের মধ্যে ২০১৪ সালের সংরক্ষিত বিভাগের ৮২ নম্বর পাওয়া প্রার্থীদের টেট উত্তীর্ণ বলে ঘোষণা করা হবে। প্রকাশ করা হবে মেধা তালিকাও। আপাতত তারই প্রতীক্ষায় কর্মপ্রার্থীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jorasanko: রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাসে নির্মাণে স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Jorasanko: রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাসে নির্মাণে স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়াসাঁকো (Jorasanko) ক্যাম্পাসে (Rabindra Bharati University) হেরিটেজ তকমা পাওয়া ভবনে নির্মাণের কাজ শুরু করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই ভবনের একাংশ ভেঙে নির্মাণ হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নির্মাণে স্থগিতাদেশ দিল আদালত। আদালতের নির্দেশ, হেরিটেজ ভাঙার যাবে না। ভবনে নির্মাণ সংক্রান্ত কোনও কাজ হলে রাজ্যকে জবাবদিহি করতে হবে বলেও নির্দেশ দেয় আদালত। বিষয়টিতে নজরদারির জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।   

    অভিযোগ উঠেছিল, কবিগুরুর স্মৃতি বিজড়িত হেরিটেজ ভবন ভেঙে তৃণমূল শিক্ষাকর্মী সংগঠনের অফিস তৈরি করা হচ্ছিল। আর এই বিস্ফোরক অভিযোগের পরেই বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে কলকাতা হাইকোর্ট। অবিলম্বে হেরিটেজ ভবন ভাঙার কাজ বন্ধের নির্দেশ দিল আদালত। 

    আরও পড়ুন: এবার তাপস মণ্ডলের দুই হিসাব রক্ষককে তলব ইডির

    গত ৩ নভেম্বর রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাসের হেরিটেজ ভবনের অব্যবহৃত ঘর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন স্বদেশ মজুমদার নামে এক ব্যক্তি। মামলাকারীর অভিযোগ, ইতিমধ্যেই এই হেরিটেজ ভবনের দুটি ঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে। যে ঘরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথমবার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, ঐতিহাসিক সেই ঘর তৃণমূলের শিক্ষাকর্মী সংগঠন শিক্ষা বন্ধু সমিতির অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সেখানে কবিগুরুর ছবি সরিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের ছবি টাঙানো হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। 

    ‘গ্রেড ওয়ান’ হেরিটেজ তকমা পেয়েছে জোড়াসাঁকোর কবিগুরুর বাড়ি। মামলাকারী স্বদেশ মজুমদারের আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তীর জানান, রবীন্দ্রনাথের একটিও ছবি নেই সেই ঘরে। অথচ রাজনৈতিক দলের নেতাদের ছবি রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে ও রাজ্যকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২১ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করতে হবে রাজ্যকে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও নিজেদের বক্তব্য আদালতকে জানাবে।

    সোমবার,  প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাসে হেরিটেজ ভবন আর ভাঙা যাবে না। এই নির্দেশের পরেও যদি কাজ চলে, জবাবদিহি করতে  হবে রাজ্য সরকারকেই। কার নির্দেশে হেরিটেজ ভবন ভাঙা হচ্ছিল ? কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না? এই রিপোর্ট ২১ নভেম্বর দিতে হবে রাজ্য সরকার ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share