Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Suvendu Adhikari: ‘১ কোটি ১৫ লক্ষ ভুয়ো নাম বাদ যেতে পারে’! এসআইআর নিয়ে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘১ কোটি ১৫ লক্ষ ভুয়ো নাম বাদ যেতে পারে’! এসআইআর নিয়ে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর ইস্যু নিয়ে ফের রাজ্যের শাসকদলকে তোপ দাগলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এসআইআর-এর পর রাজ্যে ১ কোটি ১৫ লক্ষ ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ যাবে। তিনি অভিযোগ করেন, মৃত ও অবৈধ ভোটারদের ভোটের মাধ্যমে নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক বাঁচিয়ে রাখতেই এত এসআইআরের বিরোধিতা করছে শাসকদল তৃণমূল। মাল্টিপেল ডুপ্লিকেট ভোটার, মৃত ভোটার, একই বুথে ডবল ভোট এবং অনুপ্রবেশকারীদের ভোট, তৃণমূলের সাফল্যের অঙ্ক। রাজ্যের শাসকদলকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূলের যন্ত্রণা ও ভেঙে পড়ার কারণ পরিষ্কার। এর কারণ মৃত ভোটার। সকালের পোশাক বদলে বিকেলে ভোট দেওয়া হয়।”

    লক্ষণ এসআইআর আতঙ্ক, রোগ আত্মহত্যা

    ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে (এসআইআর) কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেসের তোলা আত্মহত্যার অভিযোগকে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার তিনি বলেন, ‘‘১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্র-শাসিত অঞ্চলে এসআইআর হচ্ছে। কোথাও মৃত্যু হচ্ছে না। এখানেই শুধু হচ্ছে। লক্ষণ এসআইআর আতঙ্ক, রোগের নাম আত্মহত্যা। আমার মনে হয় ভাল চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। তবে যদি এই রোগের থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।’’ পাশাপাশি তিনি আরও জুড়ছেন, ‘‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা অভিযোগ। তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা বলে দিচ্ছে আর তৃণমূল নেতারা সেই নিয়ে প্রচার করছেন। এতে কোনও লাভ হবে না।’’

    ১ কোটি ১৫ লক্ষ মতো বাদ পড়তে পারে

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী আর ওঁর ভাইপো আর প্রতীক জৈন একটা মিটিং করেছেন, আইপ্যাক আর পুলিশ রিপোর্ট করেছে, ১ কোটি ১৫ লক্ষ মতো বাদ যেতে পারে এবং গেলে ওঁরা জিতবেন না, তারপর নতুন করে পুলিশের তালিকা তৈরি করতে বলেছে, যদি পুলিশকে দিয়ে উদ্ধার পাওয়া যায়, নতুন পুলিশের ট্রান্সফার তালিকা তৈরি হচ্ছে, ৭ ডিসেম্বর বের হবে। ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এসআইআর..এনুমারেশন ফর্ম পূরণের কাজ চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তারপর ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন, তখন নিশ্চিতভাবে জানা যাবে কার নাম বাদ গেল, আর কার নাম থাকল।’’ বাংলায় এসআইআর শুরুর পর থেকে শুভেন্দু দাবি করে আসছেন, এক কোটি নাম বাদ যাবে। তার মধ্যে মৃত ভোটার, মাল্টিপেল ডুপ্লিকেট ভোটার, অনুপ্রবেশকারী রয়েছে জানিয়ে তিনি এদিনও বলেন, “২০০২ সালে বাদ গিয়েছিল ২৬ লক্ষ। এবার আরও বেশি নাম বাদ যাবে। আরও বেশি নাম বাদ যেত যদি রাজ্য সরকার সাহায্য করত। এবার ৮০ শতাংশ এসআইআর সফল হবে।”

    ভারতীয় মুসলিমদের বার্তা শুভেন্দুর

    এদিন ফের ভারতীয় মুসলিমদের বার্তা দেন তিনি। বলেন, “বিহারে অনেক রাষ্ট্রবাদী মুসলিম এনডিএ-কে সমর্থন করতে এগিয়ে এসেছেন। এখানেও আমরা রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের কাছে আবেদন করেছি। গরিষ্ঠ সংখ্যক ভারতীয় মুসলমানরা আমাদের ভোট না দিলেও আমরা বারবার বলেছি, এসআইআর নিয়ে ভারতীয় মুসলিমদের কোনও চিন্তা নেই।” বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-দের বিরুদ্ধে ফর্ম না দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। এই নিয়ে বিএলও-দের সতর্ক করলেন শুভেন্দু। জানালেন, অভিযুক্ত বিএলও-দের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবেন তাঁরা। কমিশন যাতে ওইসব বিএলও-দের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ করে, সেই দাবি জানাবেন। একাংশ বিডিও-র সঙ্গে আইপ্যাকের টিম প্রতিদিন দুপুরে বৈঠক করছেন বলেও অভিয়োগ করেন তিনি।

  • SIR: ২৮ বছর পর ‘মৃত’ ব্যক্তিকে পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দিল এসআইআর

    SIR: ২৮ বছর পর ‘মৃত’ ব্যক্তিকে পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দিল এসআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর (SIR) ফলে পরিবারের মৃত ভাবা এক ব্যক্তি তিন দশক পর বাড়িতে ফিরলেন। জানা গিয়েছে ২৮ বছর ধরে তাঁর বাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না। পশ্চিমবঙ্গ নিবিড় তালিকা সংশোধনের কাজ চলার মধ্যে অবশেষে বাড়ি ফিরে এলেন। ভোটার তালিকায় তাহলে কেন জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বলা হয়েছে, নির্বাচনী ভোটার তালিকায় এমন রেকর্ড কীভাবে বা এসেছে। এই রকম নানা প্রশ্নে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় (North 24 Parganas)।

    ১৯৯৭ সাল থেকেই নিখোঁজ

    সোমবার বিকেলে সুপ্রিয়া মণ্ডল নিজের বাড়িতেই দরজা খুলে দেখেন, যে পুরুষের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছিলেন, সেই তাঁর স্বামী জগদ্বন্ধু মণ্ডল সশরীরে উপস্থিত। তাঁর বয়স এখন ৫৫, তাঁর বাবা বিজয় মণ্ডল দেখেই তাৎক্ষণিক ভাবে দেখেই চিনতে পেরেছেন ছেলেকে। তবে নির্বাচনী ভোটার তালিকায় জগদ্বন্ধু মণ্ডলের নাম মৃত ঘোষণা করে বাদ দিয়ে দিয়েছিল। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শীতকালে জগদ্বন্ধু নিজের স্ত্রী এবং ছোট দুই সন্তানকে রেখে নিখোঁজ হয়েছিলেন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ডায়েরি, আত্মীয়-স্বজনদের কাছে আবেদন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদও চলেছিল লাগাতার। পরে প্রশাসনের তরফে তাঁর মৃত্যু ঘোষণা করলে অসহায় পরিবারটি অবশেষে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে বাধ্য হয়। প্রায় তিন দশক ধরে পরিবারের তরফে মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন যে জগদ্বন্ধু আর কোনও দিন বাড়ি ফিরবেন না।

    জগদ্বন্ধুকে নিয়ে নানা মহলে গুঞ্জন

    এলাকার (North 24 Parganas) বুথ কমিটির সদস্য সমীর গুহ (SIR) বলেন, “বুথ লেভেল অফিসারের কাছে গত ২৮ বছর ধরে জগদ্বন্ধু সম্পর্কে কোনও নথিপত্র এবং তথ্য ছিল না। ২০০২ সালের পর থেকে তাঁর নাম উধাও হয়ে যায়। এইবার এসআইআর আবহে তিনি আবার ফিরে এসেছেন।” তবে এসআইআর-এর জন্য যখন প্রত্যেকে ভোটার আইডি, জমির কাগজপত্র এবং বসবাসের প্রমাণপত্র দেখানোর বিষয় উঠে এসেছে তখনই জগদ্বন্ধুকে পুনরায় বাড়িতে ফিরে আসতে বাধ্য করেছে।

    তবে এলাকাবাসীদের (North 24 Parganas) জগদ্বন্ধুকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন বাঁকুড়ার ভোটার তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। তবে সেখানে সুলেখা মণ্ডল নামক এক মহিলার সঙ্গে বসবাস করেন। সুলেখার স্বামীর নাম জগদ্বন্ধু মণ্ডল নামেই নথিবদ্ধ। আবার অপর আরেক মহলের মত, জগদ্বন্ধু নিজে সঠিক তথ্য দেননি। গুজরাট, মুম্বই, বাঁকুড়া এবং ছত্তিশগড়ে কাজ করেছেন। তবে সম্প্রতি কাজ হারিয়েছেন তাই ফিরে এসেছেন। এদিকে জগদ্বন্ধুর পুরনো ভোটার লিস্টে (SIR) নাম বাদ গেলেও এইবার সঠিক কাগজ বা উপযুক্ত নথি দিয়ে আবার নিজের নাম তালিকায় তুলতে পারবেন। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যে বিরাট শোরগোল পড়েছে।

  • SIR: এসআইআর-এর জন্য কোনও ওটিপি চাওয়া হচ্ছে না! ভোটারদের সাবধান করল কমিশন

    SIR: এসআইআর-এর জন্য কোনও ওটিপি চাওয়া হচ্ছে না! ভোটারদের সাবধান করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর-এর (SIR) জন্য কোনও ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) দিতে হবে না। সোমবার একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে স্পষ্ট ভাবে তা জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতের নির্বাচন কমিশন কিংবা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এসআইআর-এর জন্য কারও থেকে ওটিপি চাইছে না। এর আগে অভিযোগ উঠেছিল যে, কমিশনের নাম ভাঁড়িয়ে বহু মোবাইল ফোনে ওটিপি পাঠানো হচ্ছে এবং ফোন করে বলা হচ্ছে এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য ওই ওটিপি জরুরি। অনেকেই তা বিশ্বাস করে ওই ভুয়ো ওটিপি নম্বর বলে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ জানায় কমিশনের কাছে। মনে করা হচ্ছে, অসাধু উপায়ে টাকা পয়সা হাতানোর জন্যই একটা চক্র এই কাজ করছে।

    কেন এই বিবৃতি

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে, সাইবার প্রতারণা ক্রমশ বাড়ছে। এই অবস্থায় এনুমারেশন ফর্ম পূরণকে হাতিয়ার করে সাইবার প্রতারকরা যাতে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা না করতে পারে, তার জন্য সতর্ক করল কমিশন। কারণ, ফর্ম ঠিকমতো পূরণ হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে সাধারণ মানুষ বিচলিত থাকবেন। ফলে ফর্মে ভুল রয়েছে জানিয়ে বিএলও কিংবা কমিশনের নাম করে কেউ ফোন করে ওটিপি চাইলে, অনেকে প্রতারকদের ফাঁদে পা-ও দিতে পারেন। তাই রীতিমতো প্রেস বিবৃতি দিয়ে সিইও অফিস জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশন কিংবা সিইও অফিস এসআইআর সংক্রান্ত কাজের জন্য কখনও কারও মোবাইলে ওটিপি পাঠায় না। এবং ফোন করে ওটিপি জানতে চায় না। সিইও অফিসের এই প্রেস বিবৃতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে কলকাতা পুলিশও। গত ৪ নভেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা শুরু হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিয়ে আসছেন বুথ স্তরের আধিকারিকেরা। ২০০২ সালের ভোটার তালিকা দেখে সেই অনুযায়ী এই ফর্ম পূরণ করতে হচ্ছে। তার পর তা জমা নিয়ে কমিশনের নির্দিষ্ট অ্যাপে এই সংক্রান্ত তথ্য আপলোড করছেন বিএলওরা। রবিবার রাত ৮টার বুলেটিনে কমিশন জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে ৯৯ শতাংশের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি হয়ে গিয়েছে।

    আজ কলকাতায় কমিশনের টিম

    আজ, মঙ্গলবার ১৮ নভেম্বর কলকাতায় আসছে কমিশনের বিশেষ টিম। এদিন কলকাতা উত্তর ও কলকাতা দক্ষিণের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবে তারা। দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বৈঠক হবে। এরপর বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে কমিশনের বিশেষ টিমের প্রতিনিধিরা বৈঠক করবেন। এদিনই কৃষ্ণনগর রওনা দেবে কমিশনের টিম। রাতে সেখানে থাকবে। তারপর ১৯ নভেম্বর নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে বৈঠক করবে। ২০ নভেম্বর মালদায় পৌঁছবে কমিশনের টিম। সেখানে বৈঠক করে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে চেপে কলকাতায় ফিরে আসবে। কলকাতায় রাতে থাকবে কমিশনের টিম। ২১ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে নিউটাউনে ইভিএমের ফার্স্ট লেভেল চেকিং (FLC) নিয়ে একটি কর্মশালায় যোগ দেবেন কমিশনের প্রতিনিধিরা।

  • SSC Scam: তালিকায় অযোগ্যরা? ফল বেরোতেই ফের এসএসসি নিয়ে মামলা বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে

    SSC Scam: তালিকায় অযোগ্যরা? ফল বেরোতেই ফের এসএসসি নিয়ে মামলা বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতিতে জেলে বসেই তোলাবাজি করছেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এক্স হ্যান্ডলে অডিও পোস্ট করে শুভেন্দুর অভিযোগ, এখনও চাকরির জন্য টাকা তুলছেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। অবিলম্বে এই কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করুক ইডি। অপরাধী প্রমাণিত হলে নিয়োগ দুর্নীতির সব মামলা রাজ্য থেকে সরানো হোক। ইডির কাছে এমনই আর্জি জানিয়েছেন শুভেন্দু। সম্প্রতি এসএসসি ২০২৫-এর একাদশ-দ্বাদশের ফল প্রকাশ হয়েছে। তবে তা নিয়েও এক গুচ্ছ বিতর্ক দানা বেঁধেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ না মানার অভিযোগে ফের মামলা দায়ের হয়েছে।

    জেলে বসেই চাকরি বিক্রি করছেন জীবনকৃষ্ণ 

    জেলে বসেই চাকরি বিক্রি করছেন মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। মোবাইল ফোনের স্ক্রিনশট ও অডিও ক্লিপ প্রকাশ করে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এটাই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সততার প্রতীক’? প্রশ্ন তুলে কণ্ঠস্বর পরীক্ষার জন্য ইডি-র কাছে আর্জি জানিয়েছন তিনি। শুভেন্দু বলেন, এক্সামের রেজাল্টেও যেভাবে প্রভাব খাটিয়েছেন, জেলে উনি ফোন ব্যবহার করছেন। জেলে গিয়ে কিছু হবে না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে হবে। এই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো চোরেরা, জীবনকৃষ্ণ সাহাদের মতো চোরেদের ইডি ধরে পাঁচ দিন, দশ দিন পিসি-তে রাখছে, তারপর তো জেলে পাঠাতে হচ্ছে। জেলে তো ফাইভ স্টার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর পর ইডি-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। এদিন তৃণমূল বিধায়কের কণ্ঠস্বর বলে দাবি করে, একাধিক অডিও ক্লিপ প্রকাশ করে, শুভেন্দু অধিকারী আরও লিখেছেন, ইডি-কে অনুরোধ করছি, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করে দেখুন এবং দোষী প্রমাণিত হলে, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির মামলাগুলি পশ্চিমবঙ্গের বাইরে সরানোর চেষ্টা করুন।

    নতুন তালিকাতেও অযোগ্যদের নাম 

    শনিবর রাতেই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য, কল ফর ভেরিফিকেশন তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। সেই তালিকা ঘিরেও নতুন করে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। ভয়ঙ্কর অভিযোগ, এবারেও তালিকাতে অনেক অযোগ্যের নাম রয়েছে। এখন প্রশ্ন আবারও, কীভাবে তাঁরা পরীক্ষায় বসতে পারলেন? সুপ্রিম কোর্ট যেখানে আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল, অযোগ্যদের সবার আগে বাদ দিতে হবে, তাঁরা যেন কোনওভাবেই পরীক্ষায় না বসতে পারেন। সেখানে মামলাকারীর বক্তব্য, একাদশ দ্বাদশের ফলপ্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, বেশ কয়েকজন অযোগ্যের নাম তালিকায়। এমনকি তাঁদের কয়েকজন ইন্টারভিউতেও ডাক পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষকদের নামেক তালিকায় নাম রয়েছে ক্লার্কদেরও। এই নিয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। মামলা গ্রহণ করেছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। চলতি সপ্তাহেই মামলার শুনানির সম্ভাবনা।

    আদালতমুখী হওয়ার সিদ্ধান্ত

    কাট অফ’ যেখানে ৭০ শতাংশের বেশি, সেখানেই থমকে নতুনরা। পূর্ণ নম্বর ৬০ পেয়েও চাকরি হয়নি একাধিক প্রার্থীর। মোট ২০ হাজারের সামান্য বেশি প্রার্থী ডাক পেয়েছেন। আবার ‘যোগ্য’ চাকরিহারাদের আন্দোলনের প্রথম সারির নেতৃত্বের অনেকেই ডাক পেলেন না। তবে এখনই আন্দোলন বা আদালতমুখী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না তাঁরা। তবে এহেন পরিস্থিতিতে রবিবারই একটি চাঞ্চল্যকর নাম প্রকাশ্যে আসে। নীতীশ রঞ্জন প্রামাণিক! তাঁর নাম রয়েছে অযোগ্যদের তালিকায়। কিন্তু তাঁর নাম রয়েছে একাদশ দ্বাদশের পাশ করা চাকরিপ্রার্থীদের তালিকাতেও। ইন্টারভিউয়ের জন্যও ডাক পেয়েছেন তিনি। অর্থাৎ চিহ্নিত অযোগ্যই ডাকা পেয়েছেন ইন্টারভিউয়ের জন্য। আর এই অভিযোগ সামনে আসতেই SSC-র নতুন ফল নিয়ে নতুন বিতর্ক তুঙ্গে। ধীরে ধীরে আরও অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।

    বিশেষভাবে সক্ষম, তাই আবেদন

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে চিহ্নিত অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করেছিল এসএসসি। এরপর চিহ্নিত অযোগ্যদের কেউ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বসার জন্য আবেদন জানালেও তাঁদের অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে বলা হয়, বিশেষভাবে সক্ষম চাকরিহারারা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। নীতীশের পরিবার দাবি করছে, বিশেষভাবে সক্ষম, তাই আবেদন করতে পেরেছেন । কিন্তু যাঁদের নাম ‘দাগীদের’ তালিকায়, তাঁরা আদৌ পরীক্ষায় বসতে পারবেন কিনা, তা স্পষ্ট বলা ছিল না সুপ্রিম কোর্টের অর্ডারকপিতে। এবার এই বিষয়টিকে সামনে রেখেই নতুন করে মামলা হল হাইকোর্টে।

     বিচারপতি অমৃতা সিনহা মামলা গ্রহণ করেন

    সোমবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ এক পার্টটাইম শিক্ষক। মামলাকারীর দাবি, অভিজ্ঞতার জন্য কোনো নম্বর পাবেন না পার্টটাইম শিক্ষকরা বলে জানায় এসএসসি। যদিও তার অনেক সহকর্মী অভিজ্ঞতার জন্য নম্বর পেয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কোনও ‘অযোগ্য’ প্রার্থীর নাম ইন্টারভিউ তালিকায় থাকার কথা নয়। তবে তা সত্ত্বেও তালিকায় রয়েছেন বহু ‘অযোগ্য’। ফিরদৌস শামিম বলেন, “ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তাতে সুবিধা পেয়েছেন ‘অযোগ্য’রা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও ‘অযোগ্য’ প্রার্থী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না। কিন্তু ইন্টারভিউ তালিকায় বহু ‘অযোগ্য’র নাম রয়েছে। এটা অসম্ভব বিষয়।” বিচারপতি অমৃতা সিনহা মামলা গ্রহণ করেন। আগামী বুধবার মামলা শুনানি সম্ভাবনা।

  • SIR: গর্তে ঢালা হয়েছে কার্বলিক অ্যাসিড! স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপোস্টে ভিড় অনুপ্রবেশকারীদের

    SIR: গর্তে ঢালা হয়েছে কার্বলিক অ্যাসিড! স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপোস্টে ভিড় অনুপ্রবেশকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে ইলেকশন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করার কাজে নেমেছে৷ দামি ব্লিচিং পাউডার ও ফিনাইল ব্যবহার করা হচ্ছে৷ আর গর্তে দেওয়া হচ্ছে কার্বলিক অ্যাসিড৷ ফলে যেমন সাপ বেরোয়, তেমন এরা রাস্তায় বের হচ্ছে৷” সপ্তাহখানেক আগে ঠিক এই ভাষায়ই এসআইআরের (SIR) প্রতিবাদে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে করা মিছিলকে কটাক্ষ করেছিলেন রাজ্যের (Bangladesh) বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী।

    কাগজ নেই, কবুল করলেন অনুপ্রবেশকারীরা (SIR)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কথা যে নেহাত অমূলক নয়, সেটা মালুম হয় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায়। এই যেমন হাকিমপুর চেকপোস্ট। এখানে লোটা-কম্বল নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন শ’য়ে শ’য়ে মানুষ। কারণ মাথায় বোঁচকা, কেউ আবার দাঁড়িয়ে রয়েছেন বড় বড় ট্রলি ব্যাগ নিয়ে। মাথায়-হাতে-কাঁধে থাকা ব্যাগে ভর্তি গেরস্থালির জিনিসপত্র। সেই সব বোঝা নিয়েই ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন, কখন সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছবেন তাঁরা, সেই অপেক্ষায়। সীমান্তে অপেক্ষারত এই অনুপ্রবেশকারীদের কাছ থেকেই জানা গিয়েছে, এসআইআরের ভয়ে ভারত ছেড়ে বাংলাদেশে ফিরে যাচ্ছেন তাঁরা। এঁদের অনেকেই কবুল করলেন, কোনও কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে বসবাস করছিলেন তাঁরা। রুটি-রুজির জন্যই স্বদেশ ছেড়ে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে পড়শি দেশে ঠাঁই নিয়েছিলেন। সেখানেও এসআইআর শুরু হওয়ায় ভয়ে ফের প্রাণ হাতে করে বাংলাদেশে ফিরতে প্রতীক্ষার প্রহর গুণছেন তাঁরা।

    এসআইআর জুজু!

    দেশজুড়ে চালু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। এসআইআরের মাধ্যমে ভোটার লিস্ট ঝাড়াই-বাছাই করার পর হয়েছে বিহার বিধানসভার নির্বাচন। বস্তুত, বিহারেই প্রথম শুরু হয় এসআইআর। এই এসআইআর চালু হতেই ঝুলি থেকে বেরিয়ে এসেছে বিড়াল। বাদ গিয়েছে বহু ভুয়ো এবং মৃত ভোটারের নাম। বিহারের পর এসআইআর চালু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্যে। তার পরেই দলে দলে ভারত ছেড়ে বাংলাদেশে ফিরে যাচ্ছেন অনুপ্রবেশকারীরা। হাকিমপুর চেকপোস্টেই সীমান্ত পার হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন ৩০০-এরও বেশি অনুপ্রবেশকারী। তাঁদের আটকেছেন ১৪৩ নম্বর ব্যাটেলিয়নের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা। তাঁদের কাছে কী কী বৈধ কাগজপত্র রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। নিজের দেশেই যে এত অনুপ্রবেশকারী এসে তাঁদের রুটি-রুজিতে ভাগ বসিয়েছিলেন, তা দেখে অবাক স্বরূপনগরের বাসিন্দারাও (SIR)।

    কী বলছেন অনুপ্রবেশকারীরা

    বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন সাবিনা পারভিনও। পোঁটলা-পুঁটলি নিয়ে তিনিও ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন সীমান্তে, বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায়। সাবিনা যে ভারতে বেআইনিভাবে বসবাস করছিলেন (Bangladesh), মুক্ত কণ্ঠে তা কবুলও করলেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে বাড়ি। থাকতাম বিরাটিতে। আমার কাছে কাগজপত্র নেই, অবৈধভাবেই থাকতাম।” এই লাইনেই দাঁড়িয়ে থাকা আরও এক মহিলা বলেন, “চিনারপার্কে থাকতাম। আমার কাছে আধার কার্ড নেই। পেটের দায়ে এসেছিলাম এদেশে। লোকের বাড়ি বাড়ি কাজ করে কিছু রোজগার হত।” অবশ্য এই প্রথম নয়, এসআইআর ঘোষণা হয়েছে গত মাসের একেবারে শেষের দিকে। তারপর থেকে কার্যত হিড়িক পড়েছে বাংলাদেশে ফেরার। ২ নভেম্বর ধরা পড়েছিলেন ১১ জন অনুপ্রবেশকারী। তার পরের দিনই ৪৫ জনকে ধরে ফেলে বিএসএফ। ৪ নভেম্বর ধরা হয় আরও ৩৮ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে। ১০ তারিখে গ্রেফতার করা হয় ১০ জন অনুপ্রবেশকারীকে (SIR)।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এগুলি নমুনা মাত্র। প্রায় প্রতিদিনই সীমান্ত পেরিয়ে ওপারে পালানোর চেষ্টা করার সময় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে আটক করা হচ্ছে ভারতে বসবাস করা অবৈধ বাংলাদেশিদের। এসআইআর চালু হতেই তাঁরা সকলে তল্পিতল্পা গুটিয়ে দেশে পালানোর চেষ্টা করছে। কেউ কেউ সীমান্তে প্রহরারত জওয়ানদের (Bangladesh) চোখ ফাঁকি দিয়ে পদ্মা পার হয়ে গেলেও, অনেকেই ধরা পড়ছে বিএসএফের জালে (SIR)।

    আসলে গর্তে যে ঢালা হয়েছে কার্বলিক অ্যাসিড!

     

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল এখন লক্ষ্মীদের নারায়ণছাড়া করে দিয়েছে, আমরা তাঁদের ফেরাব”, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল এখন লক্ষ্মীদের নারায়ণছাড়া করে দিয়েছে, আমরা তাঁদের ফেরাব”, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ক্ষমতায় এলে বিজেপি (BJP) শুধু লক্ষ্মীদের কথাই ভাববে না, নারায়ণদের জন্যও ব্যবস্থা করবে।” মালদায় এমন মন্তব্যই করেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “বিহার নির্বাচনে সংখ্যালঘু মহিলাদের ভোট গিয়েছে বিজেপির দিকে। এই রাজ্যেও তার ব্যতিক্রম হবে না।”

    অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে মিলবে বেশি টাকা (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত বলেন, “বাংলার মা-বোনেদের আমরা আশ্বস্ত করছি, বিজেপির ভয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর অর্থ সচিবকে বলেছেন, তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে হাজার টাকা করে বাড়াতে চান। আমার কাছে খবর, রাজ্যের আর্থিক স্বাস্থ্য ভালো নয়। ২০২৫ সালে প্রায় আট লাখ কোটি টাকা ঋণ হয়ে যাবে। যার মানে হল, প্রত্যেকের মাথার ওপর এখন ৭০ হাজার টাকার করে দেনা রয়েছে। এত ঋণ নিয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে অত টাকা বাড়ানো সম্ভব নয়। তবে কিছু টাকা বাড়ানো হবে।” তিনি বলেন, “বিজেপির একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে আমি রাজ্যের মহিলাদের আশ্বস্ত করছি যে তৃণমূল যা ঘোষণা করবে, আমরা তার থেকে অন্তত ৫০ টাকা বেশি দেব অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে। শুধু তাই নয়, লক্ষ্মীর সঙ্গে আমরা নারায়ণদের জন্যও ব্যবস্থা করব। তৃণমূল এখন লক্ষ্মীদের নারায়ণছাড়া করে দিয়েছে। লক্ষ্মী এখন গ্রামে, আর নারায়ণদের কেউ গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, বেঙ্গালুরুতে।” সুকান্ত বলেন, “বিহারে যেভাবে জীবিকা দিদি করা হয়েছে, মহিলাদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে, এখানেও সেটা করা হবে। যাতে তাঁর পরিবারকে তাঁকে ছেড়ে যেতে না হয়।”

    উগ্রপন্থীদের মদতদাতা তৃণমূল!

    এদিন পুরাতন মালদার একটি হোটেলে চারটি সাংগঠনিক জেলার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সাংগঠনিক বৈঠক করেন বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা সুনীল বনসল। সুকান্ত (Sukanta Majumdar) ছাড়াও ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু-সহ দলীয় বিধায়করা। অংশ নিয়েছিলেন উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের দলীয় নেতৃত্বও। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের রূপরেখা তৈরি করতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল বলে বিজেপি সূত্রে খবর। এই বৈঠকের আগেই সাংবাদিক সম্মেলন (BJP) করেন সুকান্ত। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শুক্রবারই (বিহার নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন) বলে দিয়েছেন, যেভাবে মা গঙ্গা বিহার হয়ে বাংলায় এসেছেন, ঠিক সেভাবেই বিজেপির জয়যাত্রাও বিহার হয়ে বাংলায় ঢুকবে। তার জন্য ইতিমধ্যেই দলের নেতা-কর্মীরা প্রত্যেকে ময়দানে নেমে পড়ছেন। উগ্রপন্থীদের মদতদাতা তৃণমূলকে উপড়ে ফেলতে কোমর বেঁধে তৈরি হয়ে রয়েছেন তাঁরা।”

    ওরা বিজেপিকে ভয় পাচ্ছে

    বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, “রাজ্যের দিকে দিকে বিজেপির ওপর হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। ডায়মন্ড হারবারের মতো জায়গায় বিজেপির লোকজন আক্রান্ত হচ্ছে। এ থেকেই প্রমাণিত, এরা বিজেপিকে ভয় পাচ্ছে। ডায়মন্ড হারবারের মতো লোকসভা কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চুরি করে ৭ লাখ ভোটে জিতেছিলেন, সেখানে যদি বিজেপি কর্মীদের মারতে হয়, তাহলে বোঝাই যায় বিজেপির দম আছে (Sukanta Majumdar)।” তিনি বলেন, “আমরা প্রতিটি রক্তবিন্দুর হিসেব নিয়ে নেব। বাংলায় ইতিমধ্যেই হিন্দুরা এককাট্টা হয়ে গিয়েছে। গত বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তার প্রমাণ মিলেছে। হিন্দুরা বুঝতে পেরেছে, যদি বিজেপি ক্ষমতায় না আসে, তবে তাদের জন্য এই বঙ্গভূমি আগামীতে বধ্যভূমিতে পরিণত হবে।”

    সর্বধর্ম সমভাবের নীতি

    সুকান্ত (BJP) বলেন, “আমরা সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরুর তত্ত্বে বিশ্বাস করি না। আমাদের চোখে প্রত্যেকে বাঙালি। প্রত্যেকে ভারতবর্ষের নাগরিক, ভারত মায়ের সন্তান। আমরা সর্বধর্ম সমভাবে নীতি নিয়ে চলি। এটা আমাদের পঞ্চনিষ্ঠা।” তিনি বলেন, “বিজেপি উন্নয়নে বিশ্বাস করে। বিহারে সংখ্যালঘু মহিলারাও বিজেপি এবং এনডিএ জোটকে ভোট দিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, আগামীতে মুসলিম সমাজও বুঝতে পারবে, তাদের কেন বছরের পর বছর কোনও উন্নয়ন হয়নি। কেন তাঁদের মধ্যে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র আতশকাচ দিয়ে খুঁজতে হয়? তাঁরাও তো বাঙালি! আমাদের যা বুদ্ধিমত্তা, তাঁদেরও তো তাই। শিক্ষার কেন অভাব? স্বাস্থ্যের কেন অভাব? কেন মেয়েদের ওপর অত্যাচার হয়, হিংসার ঘটনা ঘটে (Sukanta Majumdar)? এর মূল কারণ স্বাধীনতার পর থেকে তাঁদের প্রত্যেকে মুসলমান হিসেবেই দেখে এসেছে, কেউ মানুষ হিসেবে দেখেনি। বিজেপি তাঁদের মানুষ হিসেবে দেখতে চায়।”

    উগ্রপন্থীদের আখড়া

    দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণকাণ্ডে উত্তর দিনাজপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক চিকিৎসককে। সে প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়ার বেশ কিছু অংশ এবং বীরভূম এখন উগ্রপন্থীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এখনই পাড়ায় পাড়ায় উগ্রপন্থী তৈরি হয়ে গিয়েছে। এরাজ্যে এখন দুয়ারে উগ্রপন্থী প্রকল্প চালু হয়েছে (BJP)। এখন দিল্লিতে ফাটাচ্ছে, দু’দিন পরে রাজ্যবাসীর বাড়ির সামনে বোমা ফাটবে (Sukanta Majumdar)।”

  • Suvendu Adhikari: “অঙ্গ দিয়েছে, কলিঙ্গ হয়ে গিয়েছে, বাকি আছে বঙ্গ”, লাড্ডু বিলি করে ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “অঙ্গ দিয়েছে, কলিঙ্গ হয়ে গিয়েছে, বাকি আছে বঙ্গ”, লাড্ডু বিলি করে ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার জয়ের পর থেকেই বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বে এখন ব্যাপক উন্মাদনা। অঙ্গ অর্থাৎ বিহার, কলিঙ্গ অর্থাৎ ওড়িশা জয়ের পর এবার লক্ষ্য বাংলা। বিহারের নির্বাচনী ফল ঘোষণার পরেই বিধানসভায় গেরুয়া আবির খেলে রীতিমতো লাড্ডু খেয়ে বিজয় উল্লাস প্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বছর ঘুরলেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপির জয় নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদারও। তাই এখন থেকেই বিহারের জয়কে সমানে রেখে বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূলকে হারানোর অঙ্গীকার নিতে শুরু করেছে বিজেপি। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এদিন জয়ের উল্লাস প্রকাশ করে বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথম নির্বাচন হয়েছে বিহারে। মানুষ দেশকে শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রী মোদির উপর আস্থা রাখতে শুরু করেছেন। বিহারের মানুষ নীতীশ কুমারের উপর আস্থা রেখেছেন।”

    গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের জয় (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বিহার জয়ের প্রেক্ষিতে বলেন, “বিহার-বাংলা ১৯০৫ সালের আগে একই ছিল। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ এক ছিল। অঙ্গ দিয়েছে, কলিঙ্গ হয়ে গিয়েছে, বাকি আছে বঙ্গ। বিভিন্ন মণ্ডলে মণ্ডলে যেন এই জয় উৎসবের মতো পালন করা হবে।” একই ভাবে আবার নিজের এক্স হ্যান্ডল থেকে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুভেন্দু লিখেছেন, “বিহারে এনডিএ-এর ঐতিহাসিক জয়। গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের জয় হয়েছে। বিহারের জনগণ স্পষ্টতার সঙ্গে কথা বলেছেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটকে অভূতপূর্ব জনাদেশ প্রদান করেছে। আমাদের এই গৌরবময় বিজয়ের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর নির্দেশনায় জনকল্যাণ, পরিকাঠামোর উন্নয়নের প্রতি জোর দিয়েছেন। তাঁর দূরদর্শীতাকে আমরা শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই।”

    পদ্ম ফুটবে বাংলায়

    বিহার নির্বাচনে এনডিএ সরকারের বিরাট সাফল্যের জন্য কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের স্বচ্ছ কাজকেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একমাত্র কারণ বলে মনে করছেন। সুশাসন, স্থিতিশীল সরকার, উন্নয়ন মূলক প্রকল্প, ভোটার তালিকা সংশোধন সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এনডিএ সরকারকে আরও একবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে এনেছে। অপর দিকে আরজেডি-কংগ্রেস তোষণনীতিকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়ায় ভরাডুবি হয়েছে। তবে গত ২০২৪ সালের লোকসভার সময় ওড়িশা বিধানসভায় নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। বিহারে এইবার বিজেপি একক ভাবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। ফলে থাকল বাংলা। বাংলাতেও দ্রুত পদ্ম ফুটবে বলে আশাবাদী বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।

    বিহারে হিংসা হয়নি

    বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বিহারের জয়কে বাংলার প্রেক্ষিতে দেখে বঙ্গে বিজেপির জয় নিয়ে বিরাট আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “অঙ্গ রাজ্যের অবস্থান ছিল বর্তমান বিহারের পুর্বাঞ্চল থেকে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এক এলাকা। বিহার নির্বাচন ২০২৫ সালে বিপুল জয় এনে দেখিয়েছে এনডিএ। অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ বিজেপি দখল করে নেবে। কলিঙ্গ, অঙ্গে চলে এসেছে এবার বঙ্গের পালা। বিহার স্পষ্ট প্রমাণ করেছে ভারতের মানুষ জঙ্গলরাজ এবং সুশাসন বলতে ঠিক কি বোঝেন। মানুষ ভোট দিয়ে বুঝিয়েছে এই জঙ্গলরাজ সরকার আর কোনও দিন আসবে না। বিহারে জঙ্গলরাজ শেষ হয়েছে। এবার বাংলার জঙ্গলরাজ শেষ হবে। বিহারে দেখা গিয়েছে গণতন্ত্র কেমন হয়, কোন হিংসার ঘটনা ঘটেনি, এবার বাংলার জঙ্গলরাজ শেষ করবে বিজেপি।”

    ২০২৬ সালের নির্বাচন কতটা ভয় মুক্ত?

    বাংলা জয় নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, “বিহার জয়ের পর এবার বাংলা টার্গেট। বিহার আমাদের জয় হেবেই। বাংলায় দিদির পরাজয় পরবর্তী পালা। বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাদের তারাতে পারলেই অনুপ্রবেশকারীমুক্ত হবে। আর তা হলেই বাংলা জয় নিশ্চিত। লালু নিজেই সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবাজ। ওঁর পরিবার সব থেকে বেশি লাভবান হয়েছে। মহিলাদের জন্য নরেন্দ্র মোদি এবং নিতীশ কুমার লাখপতি দিদি-র মতো প্রকল্প এনেছেন।”

    তবে বাংলার নির্বাচনে শাসক বিরোধী রাজনৈতিক সংঘাতের ঘটনা গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেমন মারাত্মক ছিল একইভাবে গত পঞ্চায়েত এবং লোকসভাতেও উল্লেখ যোগ্যভাবে ছিল। তৃণমূলের হাতে প্রচুর বিরোধী নেতা-কর্মীরা নিহত হয়েছিলেন। পাশাপাশি এইবারে বিহারের নির্বাচনে হিংসার নমুনা নেই বললেই চলে। ফলে আগামী দিনে বঙ্গ রাজনীতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা কোন মাত্রায় প্রবাহিত হয় তাও দেখার বিষয়।

  • Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় উত্তর দিনাজপুর থেকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত

    Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় উত্তর দিনাজপুর থেকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লার সমানে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Blast) এবার বাংলা যোগ আরও স্পষ্ট হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) সূর্যাপুর বাজার এলাকা থেকে এনআইএ গ্রেফতার করেছে এক ডাক্তারি পড়ুয়াকে। তাঁর নাম যাহ নিশার আলম। তিনি হারিয়ানার আল ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালায়ের এমবিবিএসের ছাত্র। শুক্রবার ভোরে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ টিম সুর্যাপুর বাজার চত্বর থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য এই বিস্ফোরণ মামলায় জঙ্গি সংগঠনের তরফে চিকিৎসকদের একটা বড় গ্রুপকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

    লুধিয়ানার তৌহিদ আলমের সঙ্গে যোগ নিশারের (Delhi Blast)!

    দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ড (Delhi Blast) ধৃত নিশার আলমের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, যাহ নিশার আলমের আদি বাড়ি লুধিয়ানায় হলেও তাঁর পৈতৃক বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা থানার অধীনে কোনাল গ্রামে। তাঁর বাবা তৌহিদ আলম কর্মসূত্রে কয়েক দশক আগে লুধিয়ানায় গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তবে কোনাল গ্রামের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। দুই একদিন আগে পারিবারিক একটি বিয়েতে যাহ নিশার তাঁর মা ও বোনকে নিয়ে কোনাল গ্রামে এসেছিলেন। এবার এই কাজে এসেই কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার জালে ধরা পড়েছে অভিযুক্ত নিশার। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে প্রথম লুধিয়ানার তৌহিদ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেখান থেকেই জানা যায়, নিশার বর্তমানে উত্তর দিনাজপুরের বাড়িতে রয়েছে। এরপর তদন্তকারী অফিসাররা দ্রুত উত্তরবঙ্গে আসে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতেই সুর্যাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। শুক্রবার ভোরে নেমেই নিশারের বাড়িতে অভিযান চালায় তদন্তকারী অফিসাররা।

    হতবাক পরিবার

    পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে নিশারের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে লোকেশন ট্র্যাক করা হয়। এরপর মোবাইলের লোকেশন সূর্যাপুর বাজারের লোকেশন স্থির করা হয়। তারপর সেখানে পৌঁছায় তদন্তকারী দল এবং এরপর নিশারকে পাকড়াও করে নিয়ে আসা হয় ইসলামপুর (Uttar Dinajpur) থানায়। পরে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য শিলিগুড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে পরিবার ছেলের কাণ্ডে সম্পূর্ণ ভাবে হতবাক। নিশারের কাকা আবুল কাশেম বলেন, “ভাইপোকে আমরা খুবই শান্ত-স্বভাব ও ভদ্র ছেলে হিসেবে চিনি। সে পড়াশোনা ছাড়া কোনও বিষয়ে মাথা ঘামায় না।” গ্রামের বাসিন্দারাও জানিয়েছেন নিশার অত্যন্ত ভদ্র এবং শিক্ষিত পরিবারের ছেলে। এত বড় ঘটনার সঙ্গে তার নাম কীভাবে জড়িয়েছে তা ভেবেই হয়রান।

  • Election Commission: ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম বিলি শেষ, জমা ১৭ নভেম্বর থেকে

    Election Commission: ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম বিলি শেষ, জমা ১৭ নভেম্বর থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ছটা পর্যন্ত রাজ্যের ৯৫ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম বিলি করেছেন বিএলওরা। জানা গিয়েছে, প্রথম ১০ দিনে ৭.২৭ কোটি ভোটারের কাছে ফর্ম বিলি করেছে। তবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক দফতর (Election Commission) জানিয়েছে, অনলাইন ও ডিজিটাল মাধ্যমে ইতিমধ্যে প্রায় ৬ লক্ষ এনুমারেশন ফর্ম জমা পড়েছে। নির্বাচন বাকি কাজ আরও ২-৩ দিনের মধ্যে ফর্ম বিলি শেষ হয়ে যাবে। আগামী সোমবার ১৭ নভেম্বর থেকে ফর্ম জমা (SIR) নেওয়ার কাজ শুরু হবে। এদিকে রাজ্যে এসআইআর আবহে শাসক বিরোধী তর্জা তুঙ্গে।

    লোকজনকে সবরকম সহযোগিতা কমিশনের (Election Commission)

    সময়ের মধ্যেই কমিশন কাজ করবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং জমা নেওয়ার কাজ চলবে। এসআইআর (SIR) কাজ শুরুর পর থেকেই কমিশন বারবার বলেছে সঠিক ভাবে আবেদন পূরণের জন্য সমস্ত লোকজনকে সবরকম সহযোগিতা করা হবে। একই ভাবে সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমেও একই বার্তা দেওয়া হয়েছে। আগামী সোমবার থেকে বিএলওরা এই কাজ করবেন।

    খসড়ায় কাদের নাম থাকবে না?

    আবার কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতের (Election Commission) ফর্ম বিলি চলাকালীন একটি নতুন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। বহুক্ষেত্রে বহুতলের বাসিন্দাদের দোরগোড়ায় বারবার পৌঁছে সাড়া পাচ্ছেন না বিএলও-রা। আর তাই নির্দিষ্ট ভোটারকে না পেয়ে তাঁদের এনুমারেশন ফর্ম চলে যাচ্ছে ইআরও-দের কাছে। তবে এই রকম বাসিন্দাদের সংখ্যাটাও কম নয়। অপর দিকে বিভিন্ন বস্তির ক্ষেত্রেও একই সমস্যা হচ্ছে। বস্তিতে গিয়েও ভোটারদের খোঁজ মিলছে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে অ্যাপে হয়তো ফর্ম বিলি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু বাস্তবে খোঁজ মিলছে না। তবে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক ভোটারের নাম আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা থাকবে না কারণ তাঁরা এনুমারেশন ফর্ম জমা দেননি।

    তবে ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে যাদের নাম খসড়া তালিকায় থাকবে না, নামের বানান ভুল থাকবে, ঠিকানা পরিবর্তন হবে অথবা ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন ছবি ব্যবহার করবেন সেই সমস্ত ক্ষেত্রে তাঁরা নতুন করে আবেদন করতে পারবেন ।

  • Sukanta Majumdar: “বিধানসভায় ফের ফিরে আসা চাইই চাই”, বিজেপি বিধায়কদের বার্তা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “বিধানসভায় ফের ফিরে আসা চাইই চাই”, বিজেপি বিধায়কদের বার্তা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে এসআইআর আবহে রাজনৈতিক উত্তাপ এখনই চরম শিখরে। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির বোঝা। অপর দিকে নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণের ঘটনা পাল্লা দিয়ে রোজ বাড়ছে। চাকরি নেই কর্মস্থান নেই, নেই রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের ডিএ। সংখ্যালঘু তোষণ এবং হিন্দু নির্যাতণের মতো ঘটনা এই রাজ্যে অহরহ ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি বিধায়কদের ২০২৬ সালের বিধানসভায় ফের জিতে আসার বার্তা দিয়েছেন প্রাক্তন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর সাফ কথা, “বিধানসভায় ফের ফিরে আসা চাইই চাই।”

    আরেকবার জয়ী হয়ে আসতে হবে (Sukanta Majumdar)

    বুধবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেখানে বিজেপি বিধায়কগণ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বৈঠক করেন। এখানে একদিকে বিভিন্ন এলাকার সমস্যা বিষয়ে যেমন কথা হয়, ঠিক একই ভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের কোন কোন সহযোগিতা প্রয়োজন তা নিয়েও বিধায়কদের মতামত জানতে চান সুকান্ত মজুমদার। হাতে মাত্র আর কয়েকটা মাস সময়, তাই সময়কে কাজে লাগিয়ে কীভাবে মানুষের বেশি বেশি সমর্থন নিয়ে আরেকবার বিধানসভায় জয়ী হয়ে আসা যায়, সেই বিষয়ে পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই বৈঠককে বিজয়া সম্মিলনী বলা হয়েছে।

    আপনারা দলের প্রকৃত সৈনিক

    এদিনের সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকারে বিজেপি বিধায়কদের সুকান্ত সাফ বার্তা দেন, “প্রত্যেকে বিজেপি বিধায়কদের আবারও ফিরে আসতে হবে। আপনাদের অনেকেই নানা প্রলোভন, চাপ, হুমকির মুখে থেকেও দল ছাড়েননি। আপনারা দলের প্রকৃত সৈনিক। আপনাদের সাহসের জন্যই সংগঠন টিকে আছে। আপনাদের অনেকেই নানা প্রলোভন, চাপ, হুমকির মুখে থেকেও দল ছাড়েননি। আপনারা দলের প্রকৃত সৈনিক। আপনাদের সাহসের জন্যই সংগঠন টিকে আছে।” এদিন ঠিক ১২ টা নাগাদ বিধানসভায় আসেন সুকান্ত। উল্লেখ্য রাজ্য বিধানসভায় নিজে বিজেপির রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন সময়েও এসেছলেন। নানা সময়ে বিধায়ক এবং কর্মীদের মনে সাহস জুগিয়েছেন। তবে সুকান্তর আসাকে ঘিরে বিজেপি বিধায়কদের ঘিরে প্রস্তুতি ছিল দেখার মতো। ফটকের বাইরে স্বাগত পোস্ট ঝোলানো হয়েছিল। বেশিরভাগ বিধায়ক এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধানসভায়। একইভাবে উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ২০২১ সালে বিজেপির জয়ী বিধায়ক সংখ্যা ছিল ৭৭। এখন কমে দাঁড়িয়েছে ৬৫। আর সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই বিধানসভা স্তরে দলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে এই বিশেষ বৈঠক হয়েছে বলে মনে করছেন ওয়াকি বহাল মহল।

LinkedIn
Share