Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • EC: এসআইআর-এর শুনানি পর্বে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাড়তি নজর কমিশনের! কেন জানেন?

    EC: এসআইআর-এর শুনানি পর্বে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাড়তি নজর কমিশনের! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার পর যে প্রাথমিক পর্বের খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বাদ পড়েছে ৫৮ লাখের কাছাকাছি ভোটারের নাম (Suspicious Voters)। এবার শুরু হবে শুনানি প্রক্রিয়া (EC)। এই প্রক্রিয়া শুরু হলে প্রাথমিকভাবে ডাক পেতে পারেন এনিউমারেশন ফর্মে কোনও ম্যাপিং না দেখানো কমবেশি ৩০ লাখ ভোটার। এর বাইরেও শুনানিতে ডাকা হবে বিভিন্ন জেলার সন্দেহজনক তালিকায় থাকা ভোটারদের। বাবা-মা, দাদু-দিদা, ঠাকুর্দা-ঠার্কুমার সঙ্গে যাঁদের বয়সের ফারাক অনেক বেশি কিংবা একই ব্যক্তিকে অনেকে বাবা-মা-দাদু-দিদা হিসেবে দেখিয়েছেন, এমন সন্দেহজনক ভোটারের তালিকা আপাতত ঝাড়াই-বাছাই করছে কমিশন। প্রথমে এই সংখ্যাটা ১ কোটি ৬৭ লাখের মতো থাকলেও, আপাতত তা খানিক কমে হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ। তার মধ্যে থেকেই ডাক পাবেন সন্দেহজনক ম্যাপিং করা ভোটাররা।

    ঝাড়াই-বাছাই পর্ব (EC)

    এই তালিকা ঝাড়াই-বাছাই পর্বে কমিশন বাড়তি নজর দিচ্ছে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে। সূত্রের খবর, দাদু-দিদা অথবা ঠাকুর্দা-ঠাকুর্মার নাম ব্যবহার করে প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের ক্ষেত্রে সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন শুধু মুর্শিদাবাদেই ৪ লাখ ৭ হাজার ৬৫ ভোটার। রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে এই জেলা। এর পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এই দক্ষিণ পরগনারই ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে প্রায় ৭ লাখ ভোটে জিতে সাংসদ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই জেলায় সন্দেহজনক প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের তালিকায় রয়েছেন ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯১০ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এখানে সন্দেহজনক প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের তালিকায় রয়েছেন ২ লাখেরও বেশি ভোটার।

    খসড়া ভোটার

    কমিশনের তালিকা অনুযায়ী (EC), খসড়া ভোটার তালিকায় সব চেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে (Suspicious Voters) দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। এখানে বাদ পড়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৪৩২ জন ভোটার। উত্তর ২৪ পরগনায় বাদ পড়েছে ৭ লাখ ৯২ হাজার ১৩৩ জন ভোটার। কমিশন সূত্রে খবর, শুধু দুই ২৪ পরগনায়ই এখনও পর্যন্ত হদিশ মিলেছে ছ’লাখেরও বেশি মৃত ভোটারের। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ। উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া, বারাকপুর, দমদম উত্তর, খড়দা, রাজারহাট, গোপালপুর, বিধাননগর এবং দক্ষিণ পরগনার যাদবপুর ও কসবা কেন্দ্রের অনেকের নামও বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এর মধ্যে শুনানির জন্য ডাক পেতে পারেন ১ কোটির মতো ভোটার।

    সন্দেহজনক ভোটারের তালিকায় কারা?

    সন্দেহজনক ভোটারের তালিকায় রয়েছেন কারা? কমিশন জানিয়েছে, এনুমারেশন ফর্ম খতিয়ে দেখা গিয়েছে বহু ভোটারের সঙ্গে তাঁর বাবা-মায়ের বয়সের ফারাক ১৫ বছর বা তারও কম। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এই সংখ্যাটা ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০২ জন। এর পরেই রয়েছে আর এক ২৪ পরগনা। কমিশনের মতে, কিছু ক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তিগত ভুল (Suspicious Voters) হয়ে থাকতে পারে। তবে একটা বড় অংশের ক্ষেত্রে অবশ্যই জালিয়াতি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। খসড়া তালিকা ঝাড়াই-বাছাই হলে এসবই ধরা পড়বে ছাঁকনিতে (EC)।

  • BJP: ‘‘রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে’’, বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভকে ‘অশ্বডিম্ব’ উল্লেখ শমীক-শুভেন্দুর

    BJP: ‘‘রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে’’, বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভকে ‘অশ্বডিম্ব’ উল্লেখ শমীক-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবার এক আমজনতার আইওয়াশের চেষ্টা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)! বুধবার থেকে শুরু হয়েছে দু’দিন ব্যাপী বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভ। মুখ্যমন্ত্রীর এই আইওয়াশের চেষ্টাকে তুলোধনা করল বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, বেঙ্গল বিজনেস সামিটে একের পর এক মউ স্বাক্ষরিত হলেও, রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে শিল্পোন্নয়ন হয়নি বলেও দাবি তাদের। শুধু তাই নয়, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে যতগুলি বেঙ্গল বিজনেস সামিট হয়েছে, তাতে কতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং কত টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সে সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেভইয়ার্ড’ (BJP)

    ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেভইয়ার্ড’ নামের এই পুস্তিকায় এখনও পর্যন্ত কতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে, বিজিবিএসে মোট কত টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তার বিশদ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ফি বছর কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে রাজ্যে আয়োজন করা হয় বেঙ্গল বিজনেস সামিটের। দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা অংশ নেন এই সামিটে। রাজ্যে শিল্পোন্নয়নের উদ্দেশে আয়োজন করা হয় এই সম্মেলনে। সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজন হয় ভুরিভোজেরও। বিরোধীদের অভিযোগ, শেষে সেই সামিট প্রসব করে আক্ষরিক অর্থেই অশ্বডিম্ব। নতুন বছরের মার্চ-এপ্রিলেই যেহেতু রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, তাই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ২০২৬ সালের বিজিবিএস হবে ভোটের পরে। তবে এর গতি বজায় রাখতে সরকার আয়োজন করেছে এই কনক্লেভের।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ-বাণ

    একেই কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “এবার মুখ্যমন্ত্রী ভারাক্রান্ত এবং ক্লান্ত। তাই নিউটাউনে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের বদলে তাঁর বাড়ির কাছে ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে দু’দিনের বিজনেস সামিট করছেন। রাজ্যের (BJP) বিপর্যয়ের বিষয়টি পুস্তিকার আকারে প্রকাশ করেছি। বিজেপি এই পুস্তিকা আগামী কয়েক দিনে পশ্চিমবঙ্গের (Mamata Banerjee) সব স্তরে এবং বুথ স্তরে ক্যাম্পেনিংয়ের আকারে পৌঁছে দেওয়ার একটা উদ্যোগ নিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।”

    শমীকের তির

    বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ভারী শিল্প ছাড়া বাংলা মুক্তি পাবে না। তৃণমূল ৯২ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, সিপিএম এমন অবস্থা করে দিয়ে গিয়েছে যে কেউ লিজ নিতেও চাইবে না। তাও মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছিলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নিয়ে সবটা দেখবে। কিন্তু তা হয়নি।” শমীকের কথায় উঠে আসে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গও। তিনি জানান, শিল্পের জন্য যদি জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হয় (BJP), তাহলে সেটাও করতে হবে, তবে তার আর্থিক অংশীদারি দিতে হবে সেই সব কৃষকদের যাঁদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। গেরুয়া সৈনিক বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেন বাংলাকে গুজরাট, মহারাষ্ট্র হতে দেব না। অথচ সেই মহারাষ্ট্রেই বিদেশি বিনিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় বেশ কয়েকগুণ বেশি। পাততাড়ি গুটিয়ে এ রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছেন একের পর এক শিল্পপতি (Mamata Banerjee)।”

    শুভেন্দুর ফিরিস্তি

    শুভেন্দুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তার ঠিক পরের বছর মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৯০টি, লগ্নির ঘোষণা করা হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার। ২০১৭ সালে মউ চুক্তি হয়েছিল ১১০টি, ঘোষণা করা হয়েছিল বিনিয়োগ করা হবে ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। উনিশে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৮৬টি। করোনা অতিমারির পরে ২০২২ সালে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল ৩ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার। তার পরের বছর ৩ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা। এই বছর মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৮৮টি। শুভেন্দুর অভিযোগ, এতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হলেও কার্যকর হয়নি তার সিংহভাগই (BJP)।

    শিল্প কোথায়

    এই সম্মেলন করতে গিয়ে খরচ হয়েছে কত, তারও ফিরিস্তি দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানান, ২০১৬ সালে বাণিজ্য সম্মেলনে ৩০ কোটি, ২০১৭ সালে ৩৫ কোটি, ২০১৮ সালে ৪০ কোটি, উনিশে ৪৫ কোটি, ২৩ সালে ৫০ কোটি এবং ২০২৪ সালে খরচ হয়েছে ৬৭ কোটি টাকা (Mamata Banerjee)। মোট বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ২০ লাখ কোটি টাকা এবং ৮০০টি মউ স্বাক্ষরিত হলেও, কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে লগ্নির পরিমাণ শূন্য। যেটুকু বিনিয়োগ হয়েছে, তা মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে। বড় কোনও শিল্প এ রাজ্যে হয়নি (BJP)।

  • Suvendu Adhikari: যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলার ঘটনায় যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা ঘোষণা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Mesi Mess Case)। শুভেন্দু বলেন, “যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তাঁদের সবাইকে সম্পূর্ণ আইনি সহায়তা দেবে বিজেপি।” দর্শকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর এবং গ্রেফতারির সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদও করেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ধৃতদের সম্পূর্ণ লিগ্যাল সার্পোট দেবে বিজেপি। আমাদের আইনজীবীরা এই তথাকথিত ভুয়ো এফআইআরগুলিতে স্থগিতাদেশ চাইবেন। জামিন করানো থেকে শুরু করে আইনি লড়াই, সব দিকেই বিজেপি পাশে থাকবে। এ নিয়ে আমরা একটি জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করেছি।”

    মেসিকাণ্ডের জের (Suvendu Adhikari)

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মেসিকাণ্ডের জেরে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী যে বেশ বেকায়দায়, তাও জানান জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু। তবে রাজ্যের সাদা কাগজে সই করা পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যে মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে চাইছেন, সে কথাও জোর গলায় জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা কোনও অপরাধ করেননি। তাঁরা টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছেন। অনেকেই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত ও উচ্চশিক্ষিত। অথচ যাঁরা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হল না।” তাঁর প্রশ্ন, “মেসিকে প্রথমে ২৫ কোটি টাকা অগ্রিম দিয়েছে কে? এতে তো পুরো দলটাই জড়িত (Suvendu Adhikari)।”

    ঢুকতে বাধা রাজ্যপালকেও

    এদিকে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পর এবার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেওয়া হল না রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে। এদিন বেলা ১২টা নাগাদ (Mesi Mess Case) স্টেডিয়ামে পৌঁছন শুভেন্দু। সেখানে তাঁকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর কিছুক্ষণ আগেই অবশ্য রাজ্যের তৈরি করা সিট-এর পদস্থ পুলিশ কর্তারা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে ফিরে যান। তার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় স্টেডিয়ামের গেট। অগত্যা সঙ্গী বিধায়কদের নিয়ে স্টেডিয়ামের বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বলেন, “আমরা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করে দেওয়া কমিটিই মানি না। সেই কারণেই আদালতে গিয়েছি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ঘরে মামলা রয়েছে। আমরা চাই রাজ্য সরকারের প্রভাবমুক্ত তদন্ত কমিটি। মূল অভিযোগ তো রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেই। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব ছিল পুলিশের। সেই পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগ। অভিযোগ ক্রীড়া দফতরের বিরুদ্ধেও।” তিনি বলেন, “গেট বন্ধ তো রাজ্যপালকেও করে দিয়েছিল। রাজ্যপালকে যদি করতে পারে, তাহলে বিরোধী দলনেতাকেও করতে পারে।” তিনি বলেন (Mesi Mess Case), “ওঁরা নিজেরাই দরজা বন্ধ করে পালিয়ে গিয়েছেন (Suvendu Adhikari)।”

  • West Bengal SIR: এসআইআর হিয়ারিংয়ে আপনাকে ডাকা হয়েছে কীভাবে জানবেন? সঙ্গে কী কী নথি রাখবেন?

    West Bengal SIR: এসআইআর হিয়ারিংয়ে আপনাকে ডাকা হয়েছে কীভাবে জানবেন? সঙ্গে কী কী নথি রাখবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়েছে খসড়া ভোটার তালিকা। আপাতত সেই তালিকায় রয়েছে ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩১ জনের নাম। একইসঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যজুড়ে বাদের তালিকা। যাতে রয়েছে ৫৮,২০,৮৮৯ নাম। এবার শুরু হতে চলেছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপ— হিয়ারিং। এখন প্রশ্ন হল, খসড়া তালিকায় আপনার নাম থাকা মানেই কি চূড়ান্ত তালিকাতেও আপনার নাম থাকবে? একেবারেই তা নয়। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, এখন প্রায় ২ মাস ধরে চলবে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২২ বা ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে নোটিস পাঠানোর কাজ। তারপরই শুরু হবে হিয়ারিং। অন্যদিকে, যদি আপনার নাম খসড়া ভোটার তালিকায় না থাকে, তাহলে আপনাকে নির্বাচন কমিশনের কাছে নতুন আবেদন করতে হবে। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনি একজন ভারতীয় নাগরিক এবং যোগ্য ভোটার।

    সমন আসলে দিতে হবে হাজিরা

    কমিশন সূত্রে খবর, খসড়া ভোটার তালিকা ম্যাপিং হয়েছে ৩ ভাগে— প্রোজেনি ম্যাপিং, সেল্ফ ম্যাপিং ও নো-ম্যাপিং। কমিশন সূত্রে খবর, প্রোজেনি ম্যাপিং ও সেল্ফ ম্যাপিংয়ে নাম থাকা ভোটারদের হিয়ারিংয়ে ডাকার সম্ভাবনা কম। কিন্তু, যাঁদের নো-ম্যাপিং হয়েছে, তাঁদের ডাক পড়ার সম্ভাবনা বেশি। খসড়া তালিকায় নাম ওঠা ভোটারদের মধ্যে যাঁদের ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে সঠিক ম্যাপিং হয়নি, অথবা যাঁদের তথ্যে গরমিল বা সংশয় রয়েছে, তাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হতে পারে। অর্থাৎ, আপনার কোনও তথ্য নিয়ে কমিশনের যদি সন্দেহ হয়, আপনার কাছে চলে আসবে সমন। আপনার দিতে হবে হাজিরা। কমিশন সূত্রে খবর, অসঙ্গতি রয়েছে প্রায় দেড় কোটিরও বেশি মানুষের নামে। হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে ফর্মে অসঙ্গতি থাকা ভোটারদের।

    কীভাবে জানা যাবে?

    উল্লেখ্য, আপনাকে নোটিস আকারে সমন পাঠাবে নির্বাচন কমিশন। আর সেই নোটিস নিয়ে আপনার কাছে আসবেন বিএলওরা। অর্থাৎ, আপনার বিএলওই আপনাকে জানাবে আপনাকে কোথায় যেতে হবে হিয়ারিংয়ের জন্য। এ ছাড়াও আপনার মোবাইল নম্বরে মেসেজ করে আপনাকে জানাতে পারে ইলেকশন কমিশন। তবে এই হিয়ারিং কোথায় হবে, তা এখনও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। ডিইও-দের থেকে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্যের সিইও দফতর। প্রতিটি বিধানসভার জন্য একজন করে ইআরও, ১০ জন এইআরও রয়েছেন। এই ১১ জন আধিকারিক হিয়ারিং টেবিলে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। প্রতিদিন ১০০ জনকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে।

    হিয়ারিংয়ের দিন হাজির না হলে…

    এসআইআরে হিয়ারিং পর্ব চলবে আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যেই সব ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হবে। হিয়ারিংয়ে থাকবেন ইআরও বা এইআরও। শুনানির ক্ষেত্রে ভোটারদের স্বার্থ দেখা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, উল্লেখিত দিনে কোনও ভোটার যদি শুনানিতে হাজির হতে না পারেন, তা হলে সঙ্গত কারণ দেখালে তাঁকে পরবর্তীতে ফের সময় দেওয়া হবে। শুনানির দিন পাল্টানোর জন্য ইআরও-র কাছে আবেদন করতে হবে। শারীরিক অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে শুনানিতে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি না থাকলে প্রয়োজনে ভার্চুয়াল শুনানির ব্য়বস্থাও করতে পারে।

    হিয়ারিংয়ে লাগতে পারে কী কী নথি?

    ১) রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী অথবা পেনশনভোগী হিসেবে পরিচয়পত্র

    ২) ১৯৮৭ সালের আগে পোস্ট অফিস, ব্যাংক, এলআইসি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নথি

    ৩) জন্ম শংসাপত্র

    ৪) পাসপোর্ট

    ৫) মাধ্যমিক বা অন্য যে কোনও শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র

    ৬) রাজ্য সরকারের অধীন কোনও সংস্থার দেওয়া আবাসিক শংসাপত্র

    ৭) ফরেস্ট রাইটসের শংসাপত্র

    ৮) জাতিগত শংসাপত্র বা কাস্ট সার্টিফিকেট

    ৯) ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস (NRC) — শুধুমাত্র আসামের ক্ষেত্রে

    ১০) স্থানীয় প্রশাসনের জারি করা পারিবারিক রেজিস্টার

    ১১) সরকারের দেওয়া জমি লিজ বা বাড়ি লিজ সংক্রান্ত শংসাপত্র

    — উপরে উল্লিখিত নথিগুলির সঙ্গে আধার পরিচয়পত্রও রাখবেন।

     

    খসড়া ভোটার তালিকাতে নেই নাম, ডাকা হয়নি শুনানির জন্যও, কী করবেন?

    এ ক্ষেত্রে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে। এর সঙ্গে জমা দিতে হবে অ্যানেক্সচার-৪ এবং অন্যান্য নথিও।

    কেউ যদি ভুয়ো নথি জমা দেন, তাহলে…

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৩৩৭ অনুযায়ী, কেউ নথি জাল করলে তার সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, প্রতিটি ফর্ম কমিশনের নিজস্ব অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে ভোটারের দেওয়া সমস্ত তথ্য খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে তবেই ঠিক করা হবে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শুনানির জন্য ডাকা হবে কি না। আগে প্রতি বিধানসভা কেন্দ্রে দিনে সর্বোচ্চ ৫০টি শুনানি নির্ধারিত ছিল। কিন্তু এখন কমিশন সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শুনানি শেষ করতে প্রয়োজনে দিনে একশোর বেশিও শুনানি হতে পারে।

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম থাকা দেড় কোটি ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি! প্রত্যেককেই কি নোটিশ পাঠাবে কমিশন?

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম থাকা দেড় কোটি ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি! প্রত্যেককেই কি নোটিশ পাঠাবে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকা। কমিশনের (Election Commission) তরফে বলা হয়েছে তালিকায় প্রকাশিত মোট ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জনের ক্ষেত্রে তথ্যে গোলমাল রয়েছে। ফলে তালিকায় অসঙ্গতি থাকলেই যে আবার হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে এমনটাও নয়। কমিশনের আবার জানিয়েছে, অসঙ্গতি থাকলেই নোটিশ যে পাঠানো হবে এমনটাও নয়। তবে অসঙ্গতির প্রেক্ষিত এবং পর্যাপ্ত তথ্য না পাওয়ার কারণে হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে।

    কী কী ক্ষেত্রে অসঙ্গতি (SIR)?

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট সংখ্যা ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জনের প্রকাশ (SIR) করা হলেও সংখ্যাটা শেষ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৩৬ হাজারের আশেপাশে থাকতে পারে। তবে চেক হওয়ার পর কিছুটা কমতে পারে। ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে যাদের নাম নেই, এমন ২৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩০ জনের নামে অসঙ্গতি রয়েছে। যাদের বয়স ৪৫ বছরের বেশি এমন ১৯ লক্ষ ৩৯ হাজার ২৫০ জনের ক্ষেত্রেও অসঙ্গতি রয়েছে। বাবার নামে অসঙ্গতি রয়েছে এমন ৮৫ লক্ষ ১ হাজার ৪৮৬ জনের ক্ষেত্রে গোলমাল রয়েছে। বাবার বয়স নিয়ে ধন্দ রয়েছে এমন ভোটারের সংখ্যা ১৯ লক্ষের বেশি। তার মধ্যে ১০ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯৮১ জন ভোটারের ক্ষেত্রে বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক মাত্র ১৫ বছর। একই ভাবে বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক ৫০ বছর এমন ভোটারের সংখ্যা ৮ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৭৫। এগুলিকে তথ্য দিয়ে যাচাই করবে কমিশন।

    সবচেয়ে বেশি কোথায় বাদ পড়েছে?

    কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে হেয়ারিংয়ে (SIR) ডাকা মানে নাম বাদ পড়বে এমন বিষয় নয়। যাদের ডাকা হবে তাদের ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য ডাকা হচ্ছে। যাদের নথি সংক্রান্ত সমস্যা থাকবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিতে পারবে না তাদের নাম বাদ যাবে। একইভাবে যদি কেউ ভুয়ো তথ্য দিয়ে থাকে তাহলে শাস্তির মুখে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জনের নাম খসড়ায় ভোটার তালিকায় বাতিল হয়েছে। শতাংশের হারে সব থেকে কম বাদ গেছে পূর্ব মেদিনীপুরের। যার শতাংশ ৩.৩১ শতাংশ। আর সব থেকে বেশি নাম বাদ গেছে উত্তর কলকাতায়। যার শতাংশের হার ২৫.৯২ শতাংশ।

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আর ভোট ব্যবধান নেই”, এসআইআর নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আর ভোট ব্যবধান নেই”, এসআইআর নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরে খসড়া তালিকা প্রকাশ হতেই ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই আবহে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তাঁর সাফ কথা, “নিবিড় সংশোধনীর খসড়া ভোটার তালিকা (SIR) প্রকাশিত হওয়ার পর তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির খুব বেশি পার্থক্য রইল না। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চূড়ান্ত তালিকায় আরও বাদ যাবে।” বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। ফলে ভোটের বিচারে তৃণমূলের সঙ্গে ভোটের ফারাক খব কম, ফলে এসআইআরে মৃত, ঠিকানা বদল বা একাধিক জায়গায় নাম এবং জাল ভোটারদের নাম বাদ গেলে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে বিরাট প্রভাব ফেলবে। আর তাহলেই বাজিমাত করবে বিজেপি।

    ব্যবধান ছিল ২১ লক্ষ (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু এদিন বলনে, “২০২৪ এর লোকসভা ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোট ব্যবধান ছিল ২১ লক্ষ। আমরা পেয়েছিলাম ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ২৭ হাজার। আর ওরা ২ কোটি ৭৫ লক্ষের আশপাশে। অর্থাৎ ৪১ লক্ষের মতো ভোটারের গ্যাপ ছিল। সরাসরি লড়াইয়ে সিপিএম, কংগ্রেস ভোট কাটার কাজটা করে। মূলত, তৃণমূল ভার্সেস-বিজেপির যে লড়াই বাংলায় হচ্ছে তাতে আমাদের সঙ্গে ওদের তফাৎ ২১ লক্ষ। ৫৮ লক্ষ ভোট বাদ দেওয়ার মধ্যে থেকে প্রমাণ হয়েছে বিজেপির সঙ্গে ওদের কোনও তফাৎ এই মুহূর্তে নেই। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR) বেরলে আরও তালিকা বাদ যাবে। আগে যে বাদ যাওয়ার সংখ্যা বলেছিলাম তার থেকেও বাড়বে।”

    কোথায় কোথায় দেখা যাবে তালিকা?

    গত ২০২৪ সালের লোকসভায় তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ২১ লক্ষ। এখন তা কমে গিয়েছে। এসআইআরের ফলে তৈরি হওয়া খসড়া তালিকা দেখা যাচ্ছে স্থানীয় বুথ, পঞ্চায়েত অফিস, পুরসভা দফতর, মহকুমা শাসক, জেলা শাসক, বিডিও-র অফিসে। সর্বত্র লিস্ট (SIR) দেখা যাবে। এছাড়াও ন্যাশনাল ভোটার সার্ভিস পোর্টালে ভোটার তালিকায় পাওয়া যাবে। তবে আগামী বিধানসভার নির্বাচন নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অবশ্য বিশেষ ভাবে আশাবাদী।

  • Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ করেছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অরূপের (Arup Biswas) পদত্যাগকে নাটক বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর পদত্যাগ নিয়েই প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলনেতা। তিনি অরূপের এই পদত্যাগকে সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করেছেন। শুভেন্দু বলেন, “এটা নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। এই নাটক অনেক পুরানো নাটক।” তিনি বলেন, “সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই মেসিকাণ্ডে মুখ পুড়েছে মমতা সরকারের। তাই এখন নিজেদের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে এই নাটক করছেন মমতা।

    শুভেন্দুর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আন্তর্জাতিক প্লেয়ার মেসিকে নিয়ে কী যে হল আপনারা তা দেখলেন। তবে এটায়ও কয়েকশো কোটি টাকা চুরি হয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগে কিছুই হবে না মুখ্যমন্ত্রী। আমরা অরূপের গ্রেফতারি চাই। অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুর গ্রেফতারি চাই।” তিনি বলেন, “আপনারা যুবক ছেলের ইমোশন নিয়ে খেলা করেছেন। তাই টাকাগুলো ফেরত দিন। টাকা আপনাকে ফেরত দিতেই হবে। আপনার পুলিশ দর্শকদের পিটিয়েছে। যাঁদের জেলে ভরেছেন, আগে তাঁদের জামিন দিন। তারপর আপনার সঙ্গে কথা হবে।”

    এ কোন নাটক!

    রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ইস্তফা প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যে মন্তব্য করেছেন, তা নিছক কথার কথা নয়। কারণ তিনি পদত্যগপত্র লিখে পাঠিয়েছেন একটি সাদা কাগজে। সেই চিঠি পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সেই চিঠির ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে। যা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই চিঠির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করছেন নেটাগরিকরা। কেন অরূপ বিশ্বাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের একজন মন্ত্রী পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ এমন ‘সাদা কাগজে’ পদত্যাগপত্র লিখলেন? কারণ মন্ত্রী স্থানীয় কেউ যদি ইস্তফা দেন তাহলে তাঁকে অবশ্যই নিজের বা মন্ত্রীর লেটারহেডে পদত্যাগপত্র লিখতে হবে (Suvendu Adhikari)। এভাবে সাদা পাতায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানো (Arup Biswas) যায় কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দ্বিতীয়ত, কোথাও অরূপ বিশ্বাসের নাম নেই। এমনকি চিঠির শেষে অরূপ বিশ্বাসের সইও দেখা যাচ্ছে না। গোটা চিঠির একটি জায়গায় মাত্র লেখা রয়েছে, ‘তাই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আমি ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে আপনার কাছে অব্যাহতি চাইছি।’ এছাড়া আর কোথাও ক্রীড়ামন্ত্রী বা অরূপ বিশ্বাসের নামোল্লেখ দেখা যায়নি।

    নেটিজেনদের প্রশ্ন

    নেটিজেনদের তৃতীয় প্রশ্ন হল, ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের কাছে যদি ব্যক্তিগত বা অফিশিয়াল লেটারহেড নাও থেকে থাকে, তাহলে তিনি এই ডিজিটাল যুগে মেইল করে বা কেন পদত্যাগপত্র পাঠালেন না? এখন ইমেইল করে পদত্যাগ পাঠানো অনেকক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য (Suvendu Adhikari)। নেটিজেনদের অনেকে সাদা পাতায় পদত্যাগপত্র লেখার বিষয়টি নিয়ে তুলোধনা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে। অনেকে অবার বলেছেন, রাজ্যের মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্যই এই কারসাজি। কেউ আবার বলেছেন, অভিষেক আর আইপ্যাকের চাপে বাধ্য হয়েই অরূপ পদত্যাগ করেছেন। আবার কারও মতে, মেসি-মেস থেকে আমজনতার দৃষ্টি ঘোরাতে এই নাটকের অবতারণা। যদিও অরূপ এখনও এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি (Arup Biswas)।

    এখন দেখার, সাদা কাগজে অরূপের পাঠানো এই পদত্যাগপত্র মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেন কি না (Suvendu Adhikari)!

  • Draupadi Murmu: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধন বিল খারিজ রাষ্ট্রপতির, মমতার আচার্য হওয়ার স্বপ্নের ইতি

    Draupadi Murmu: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধন বিল খারিজ রাষ্ট্রপতির, মমতার আচার্য হওয়ার স্বপ্নের ইতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) সম্মতি মিলল না মমতা সরকারের পাঠানো বিলে। রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার বিল ফেরত পাঠিয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি। ফলে এটা নিশ্চিত পশ্চিমবঙ্গে সহায়তা প্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যপদে আপাতত কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। ফের একবার মুখ পুড়ল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রাজ্য এবং রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) মধ্যে এই নিয়ে দ্বন্দ্ব চরম আকারে নিয়েছিল। এবার তা মিটবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজেপির অবশ্য দাবি, সততার প্রতীক মমতার আর আচার্য হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হল না।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যপদে থাকছেন রাজ্যপাল (Draupadi Murmu)

    পশ্চিমবঙ্গে সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধনী বিল ২০২২-এর দুটি বিলে সম্মতি দেননি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফলে আচার্যপদে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। রাষ্ট্রপতি বিলগুলিকে অনুমতি না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যপদে থাকছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। লোকপাল ভবন থেকে সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল আগের মতোই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। উল্লেখ্য ২০ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে রাজ্যপাল নিজে বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনী বিল ২০২২, রাষ্ট্রপতির কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বিলে বলা হয়েছিল রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আচার্য হিসেবে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করবেন। যদিও রাজ্য সরকারে পক্ষে যুক্তি ছিল এতে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গতি আসবে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সুবিধা হবে। তবে কেন্দ্র সরকার বিলের সবটা বিবেচনা করে সম্মত প্রদান থেকে বিরত থাকে।

    বিলে আইন গত ত্রুটি!

    আবার সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) পদাধিকার বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হন। সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে গেলে সাংবিধানের অবমাননা হবে। তবে নিয়ম বদলের ক্ষেত্রে সংবিধানের মান্যতাকে খেয়াল রাখতে হবে। যেহেতু রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) সম্মতি দেননি তাই রাজ্যের পাশ করা বিলে আইনগত ত্রুটি অবশ্যই রয়েছে। তবে রাজ্যের অবশ্য দাবি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়েগুলি দীর্ঘ সময় ধরে যেহেতু উপাচার্য নিয়োগের সংকটে ভুগছিল তাই এই সংশোধন আনা হয়েছে। তবে বিল নিয়ে বিধানসভার প্রথম থেকেই তৃণমূলের বিপরীত মেরুতে অবস্থান করেছিল বিজেপি। সংবিধান এবং সংশোধন সম্পূর্ণ অনৈতিক বলে বার বার দাবি করেছে বিজেপি। এই বিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়ত্ত্ব শাসন খর্ব করবে এবং রাজনীতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে বলে মনে করে করছে বিজেপি।

  • ECI ASD List: ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮! খসড়া তালিকার সঙ্গে বাদ পড়া নামের তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    ECI ASD List: ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮! খসড়া তালিকার সঙ্গে বাদ পড়া নামের তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার নির্ধারিত দিনেই খসড়া তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের কত ভোটারের নাম প্রথম তালিকায় জায়গা পেল না, তা জানাতে খসড়া তালিকার আগে কমিশন নাম বাদের তালিকা প্রকাশ করেছে। কমিশন প্রদত্ত ওয়েবসাইট- ceowestbengal.wb.gov.in/asd_SIR –এ গেলেই দেখা যাচ্ছে নাম বাদের তালিকা। রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা এবং বুথভিত্তিক কত নাম বাদ পড়ল সেই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে এই ‘বাদের খাতায়’। ওয়েবসাইটে ক্লিক করলেই ডাউনলোড করা যাচ্ছে সেই তালিকা।

    কীভাবে দেখবেন?

    প্রথমেই ক্লিক করে চলে যান এই ওয়েবসাইটে। তারপর আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে তিনটি অপশন –

    এপিক নম্বর সার্চ

    বিধানসভা ভিত্তিক এএসডি তালিকা

    বিএলও-বিএলএ-র তালিকা

    এপিক নম্বর অপশনে ক্লিক করলে আপনাকে দিতে হবে আপনার ভোটার কার্ডে উল্লেখিত এপিক নম্বর। যদি আপনার নাম বাদ না যায়, তা হলে এই সার্চের পর কোনও কিছু পাবেন না। কিন্তু কোনও নাম বাদ গেলে, তা উঠে আসতে পারে।

    সার্চ বাই এপিক নম্বরের পাশে রয়েছে নাম বাদের তালিকা অর্থাৎ বিধানসভা-ভিত্তিক এএসডি তালিকা। এই অপশনে ক্লিক করার পর ভোটারকে দু’টি তথ্য দিতে হবে। প্রথম জেলা, দ্বিতীয় তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র। তারপর সেই অনুযায়ী চলে আসবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের অধীনস্থ ভোটকেন্দ্রগুলি। তার পাশেই থাকবে ডাউনলোড অপশন। তাতে ক্লিক করলেই ভেসে উঠবে নাম বাদের তালিকা। সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্র থেকে কাদের নাম বাদ গেল, কেন বাদ গেল, সবটাই লেখা রয়েছে এই তালিকায়।

    কতজন বাদ গেলেন?

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮ জনের নাম বাদ পড়েছে। এর মধ্যে মৃত ভোটারের নাম, ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫২। নিখোঁজ ভোটার ১২ লক্ষ ২০ হাজার ৩৮ জন। স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৬ জন। ডুপ্লিকেট ভোটার ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩২৮। অন্যান্য কারণে ৫৭ হাজার ৬০৪ নাম বাদ গিয়েছে। এছাড়া কমিশন জানাচ্ছে, ৩০ লক্ষ আনম্যাপড- তাদের শুনানিতে ডাকা হবে। এদের ২০০২-এ কারও সঙ্গে কোনও লিঙ্ক হয়নি।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, ১ কোটি ৬৭ লক্ষের মতো এরকম ভোটার ছিল, যাদের তথ্যগত কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। নাম, বয়স, মা-বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক, একাধিক জনের সঙ্গে ম্যাপিং, এরকম নানা অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। এদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে। সেক্ষেত্রে কাকে শুনানিতে ডাকা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও। মঙ্গলবার থেকেই বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি যাবেন। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি চলবে। সে সব পর্যালোচনা করা হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়া, আর যে ৩০ লক্ষের মতো ব্যক্তি আনম্যাপড, তাঁদেরও ইআরও, এইআরও হিয়ারিং পর্বে ডাকবেন।

    শুনানির প্রস্তুতি শুরু কমিশনের

    খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এবার শুনানির প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কমিশন। শুনানির জন্য বুথে বাধ্যতামূলকভাবে বসতে হবে বিএলও-দের। মঙ্গলবার থেকে ১৫ জানুয়ারি এক মাস বিএলও-দের বসতে হবে সংশ্লিষ্ট বুথে। জেলায় জেলায় স্কুলের রুম চেয়ে চিঠি জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের চিঠি দিচ্ছে কমিশন। সেইসব স্কুলের রুমেই অভিযোগ বা আপত্তি বিএলও-কে জানাতে পারবেন ভোটাররা।

    কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, নাম না থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এবার ডাকা হবে শুনানিতে। ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে। অনলাইনেই ওই ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। অফলাইনেও জেলাশাসকের দফতর থেকেও সংগ্রহ করা যাবে ফর্ম ৬। খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে নোটিস যাবে নাম না থাকা ভোটারের কাছে। একদিনে অন্তত ১০০ জনের শুনানি হবে। প্রয়োজনে বাড়ানো হতে পারে সংখ্যাটা।

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকায় নাম না থকালে কোনও চিন্তা নেই। কী কী করবেন আগেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মঙ্গলবার বের হচ্ছে খসড়া তালিকা। প্রত্যকের মনে মনে একটা চিন্তা ঘুরছে নাম থাকবে তো। আর নাম না থাকলে কী হবে? খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমকে। তিনি সাফ জানান, “খসড়া তালিকায় যদি নিজেদের নাম না দেখেন তাহলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। অনলাইনেই ফর্ম ৬-এ আবেদন করতে পারেন। আবেদনের পর আপনাকে হেয়ারিং-এ ডাকা হবে। এরপর উপযুক্ত কাগজ দেখিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রোলে তুলে দিতে হবে। যদি কেউ এখানকার নাগরিক হন তাহলে ভয়ের কিছু নেই। উপযুক্ত কাগজ দেখালেই নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে।”

    ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ (SIR)

    সুব্রত গুপ্ত বলেন, “এসআইআর (SIR) হল নির্বাচনী ভোটার তালিকার (Election Commission) নিবিড় সংশোধনের কাজ। যে কোনও কাজ অল্প সময়ের মধ্যে করতে হলে সেখানে চাপ একটু বেশিই থাকে। এই রকম চাপে আমরাও আছি। সাধারণ একজন সরকারি কর্মচারি যে রকম চাপে থাকে এই চাপ অনেকটাই বেশি। তবে আবার এটাও নয় যে কাজ চাপের কারণে থমকে গিয়েছে। আর যদি তাই হতো তাহলে ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দিতে হতো না। এই কাজ করতে তো হয়েছে।”

    সুব্রত গুপ্ত আরও বলেন, “কমিশন যখন আমাকে নিয়োগ করেছে তখন সাফ নির্দেশ ছিল, কোনও অবৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকায় না থাকে। আর অপর দিকে কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকার বাইরে না থাকে। আমাদের কাজ এটাই, এই কাজটাই দায়িত্ব নিয়ে করছি। এই জন্যই বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন। দুই মাস খসড়া তালিকা থাকবে পোর্টালে। একই সময়ে শুনানিও চলবে। লোকে আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্যে যদি কোনও ভুল ভ্রান্তি ধরা পড়ে তাহলে মানুষ আবেদন করতে পারবেন। তারপর তাঁর নাম আসবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে হেয়ারিং-এ কতজনকে ডাকা হবে তা নিয়ে এখনও কোনও নাম ঠিক হয়নি। ৩০ লক্ষ মানুষের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই, নিঃসন্দেহে তাঁদের শুনানিতে ডাকা হবে। বাকি আর কাদের ডাকা হবে সেই নির্দেশের অপেক্ষা করছি। কমিশনের নির্দেশ ছাড়া তা বলা সম্ভবপর নয়।”

    কীভাবে চেনা যাবে বাংলাদেশি

    সুব্রত গুপ্ত অবৈধ বাংলাদেশি ভোটার বা জাল ভোটারদের ক্ষেত্রে বলেছেন, “কেউ অবৈধ ভোটারের লেবেল মাথায় লাগিয়ে ঘুরছে এমনটা নয়। আমি বলতে পারি ১ কোটির বেশি ভুলভ্রান্তি মিলে মিশে রয়েছে। আরও অন্য রকম কিছু ভুলভ্রান্তিও রয়েছে। তবে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে শুনানি না হলে আপাতত কিছু বলা সম্ভবপর নয়। কেউ বাংলাদেশি তা হেয়ারিং-এ বলা সম্ভব। কমিশন (Election Commission) উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করবে।”

    শুনানি পর্ব শুরু হবে আগামী সপ্তাহে

    আবার কমিশন (Election Commission) সূত্রে বলা হয়েছে, খসড়া তালিকায় (SIR) নাম থাকলেই যে চূড়ান্ত হবে এমনটা নয়, যদি কোনও অসঙ্গগতি থাকে তাহলে সকলকেই ডাকা হবে। আনম্যাপড থাকা সকলকেই শুনানিতে ডাকা হবে। খসড়া তালিকায় নাম থাকলেই সব গেল এমনটাও নয়। সব নথি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় যদি নাম না ওঠে তাহলেও ভয় নেই। ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিতে হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুনানি পর্ব শুরু হতে আগামী সপ্তাহ লাগবে। ইতিমধ্যেই সব বুথে এএসডি তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। সিইও ওয়েবসাইডে এই তথ্য পাওয়া যাবে।

    ৫৮,২০,৮৯৮ জনের নাম বাদ

    গত ২৭ অক্টোবর এই রাজ্যে এসআইআরের ঘোষণা করেছিল কমিশন। ওই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত রাজ্যে মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। কমিশন জানিয়েছে মোট ভোটারের নামেই এনুমারেশন ফর্ম ছাপানো হয়েছিল। প্রত্যেকের কাছেই ফর্ম নিয়ে গিয়েছিলেন বুথ স্তরের অফিসাররা। রবিবার পর্যন্ত মোট ভোটার থেকে নাম বাদ পড়েছে ৫৮,২০,৮৯৮ জনের। বাকিদের নাম খসড়া তালিকায় ওঠার কথা। আজ খসড়া লিস্ট বের হলেই সব স্পষ্ট হবে।

LinkedIn
Share