Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Flood Situation: ঝাড়খণ্ডের একতরফা চাপিয়ে দেওয়া বন্যা নিয়ে মমতা চুপ কেন? প্রশ্ন তুলল বিজেপি

    Flood Situation: ঝাড়খণ্ডের একতরফা চাপিয়ে দেওয়া বন্যা নিয়ে মমতা চুপ কেন? প্রশ্ন তুলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বন্যা পরিস্থিতিকে ‘ম্যান মেড’ (Man Made) আখ্যা দিয়েছেন। বাস্তবেও ঘটেছে তাই। রাজ্যকে না জানিয়ে ঝাড়খণ্ডের একতরফা ছাড়া জলে বাংলায় বন্যায় পরিস্থিতির (Flood Situation) তৈরি হয়েছে। একথা ফাঁস করে দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় তাঁর সামাজিক মাধ্যমে ঝাড়খণ্ড থেকে জল ছাড়া সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি নির্দেশিকা প্রকাশ্যে এনেছেন।

    ঝাড়খণ্ডের জলে বাংলায় বন্যা (Man Made) 

    ওই নির্দেশিকায় দেখা যাচ্ছে ঝাড়খণ্ড থেকে যে পরিমাণ জল ছাড়া হয়েছে, তাতে হলুদ সতর্কতা (Flood Situation) জারি করা হয়। ঝাড়খণ্ড থেকে ছাড়া জলেই বাংলায় (Man Made) বন্যার পরিস্থিতি তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। আর তাতেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই হেমন্ত সোরেনকে ফোন করে মুখ্যমন্ত্রী পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে বলেছেন। কিন্তু যেহেতু জোটসঙ্গী রাজ্য থেকে জল ছাড়া হয়েছে, তাই এনিয়ে বেশি উচ্চবাচ্য করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী।

    মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন

    এক্ষেত্রে বিজেপির প্রশ্ন, ঝাড়খণ্ডের তরফ থেকে জল ছাড়ার পর রাজ্যে যে (Man Made) বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী চুপ কেন? ঝাড়খণ্ডের তেনুঘাট বাঁধ থেকে একতরফা ভাবে ৮টি লকগেট খুলে দেওয়া হয়। ফলে পাঞ্চেত ও মাইথন থেকে ডিভিসি জল ছাড়তে বাধ্য হয়। এক্ষেত্রেও ডিভিসি রাজ্য সরকারের সম্মতি পাওয়ার পরেই জল ছাড়ে। তা সত্ত্বেও জল ছাড়াকে ইস্যু করে নবান্নর তরফে কেন্দ্রের বিরোধ প্রদর্শন হয়েছিল। কিন্তু জোট সঙ্গীর রাজ্যের তরফে জল ছাড়ার পর (Flood Situation) বিষয়টি প্রকশ্যে আসতেই মুখে কুলুপ এঁটেছে মমতার সরকার।

    বিজেপির বক্তব্য

    এ বিষয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ডিভিসিকে এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছিলেন। তিনি ঠিকই বলেছিলেন এটা ম্যান মেড (Man Made) বন্যা। কিন্তু বন্যার জন্য দায়ী মানুষটি ইন্ডি জোটের সঙ্গী হেমন্ত সোরেন। ঝাড়খণ্ডের তেনুঘাট বাঁধ থেকে একতরফাভাবে আটটি গেট খুলে রাতে জল ছেড়েছে হেমন্ত সোরেনের সরকার। মাইথন এবং পাঞ্চেতে সেই জল ধরে রাখার ক্ষমতা ছিল না। ফলে ডিভিসিকেও জল ছাড়তে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বাংলার বন্যা পরিস্থিতির (Flood Situation) জন্য ডিভিসিকে দায়ী করেছেন। কেন তিনি তাঁর ইন্ডি জোটর সঙ্গী হেমন্ত সরকারের ভূমিকা নিয়ে নিরব? সস্তার রাজনীতি কি বাংলা স্বার্থের চেয়ে উপরে।” মমতাকে উদ্দেশ করে গেরুয়া শিবিরের কটাক্ষ, ‘‘ডিভিসির ওপর দায় চাপানো বন্ধ করুন। আপনি যে ‘ম্যান মেড’ বন্যার কথা বলেছেন, সেই ‘ম্যান’ হলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। এ ব্যাপারে আপনি নীরব কেন? আপনার কাছে বাংলার স্বার্থের চেয়েও কি জোট বড়? আপনাকে না জানিয়ে কেন তিনি জল ছাড়লেন?’’ 

     

     

    আরও পড়ুন: ডিভিসির জল ছাড়া নিয়ে রাজ্য সরকারের ‘মিথ্যাচার’ ফাঁস করে দিল বিজেপি

    প্রসঙ্গত ঝাড়খণ্ডের তরফ থেকে ছাড়া জলের জন্য দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যার মত (Flood Situation) পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নদীর তীরের বহু বাড়ি ভেঙে নদী গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে।। এ পরিস্থিতিতেও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কোনও ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়নি।  বাঁধ মেরামতির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি সরকারের তরফে। ভারী বৃষ্টির আগাম সর্তকতা দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। তা সত্ত্বেও রাজ্যের সেচ দফতরের তরফে কোনও হেলদোল দেখা যায়নি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: হাকিমের ‘দাওয়াত-এ-ইসলাম’ মন্তব্যের প্রতিবাদে ২৩ অগাস্ট কলকাতায় সমাবেশ সাধুদের

    Firhad Hakim: হাকিমের ‘দাওয়াত-এ-ইসলাম’ মন্তব্যের প্রতিবাদে ২৩ অগাস্ট কলকাতায় সমাবেশ সাধুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বিতর্কিত ‘দাওয়াত-এ-ইসলাম’ মন্তব্যের প্রতিবাদে এবার রাস্তায় নামছেন সাধু-সন্তরা (Hindu Saints)। ২৩ অগাস্ট শ্যামবাজার ক্রসিংয়ে হিন্দু সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই দিন বেলা দু’টো থেকে শুরু হবে এই প্রতিবাদ সভা। প্রসঙ্গত, ববি হাকিমের (Firhad Hakim) বিতর্কিত মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিধানসভায় তাঁকে বয়কট করতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। এরপরেই সাধু-সন্তদের পথে নামা যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সাম্প্রতিককালে দেশের কোনও রাজ্যে হিন্দু ধর্মের মর্যাদা রক্ষায় সাধুদের এভাবে রাস্তায় নামতে হয়েছে-এমন নজির নেই। সেদিক থেকে পশ্চিমবঙ্গই প্রথম রাজ্য হতে চলেছে যেখানে মমতা সরকারের মন্ত্রীর ইসলামিকরণ মন্তব্যের কারণে রাস্তায় নামতে চলেছেন সাধুরা। প্রসঙ্গত, ২৩ অগাস্ট হতে চলা ওই সমাবেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কার্তিক মহারাজ, নির্গুনানন্দ মহারাজরা।

    সমাবেশ নিয়ে কী বলছেন কার্তিক মহারাজ?  

    সমাবেশ নিয়ে কার্তিক মহারাজ (Hindu Saints) ‘মাধ্যম’-কে ফোনে বলেন, ‘‘অপরাধ করেছেন ববি হাকিম। তিনি সংবিধানকে ছুঁয়ে শপথ নিয়েছেন, তারপরে এমন মন্তব্য করতে পারেন না। শাসক দলের হিন্দু নেতারাই বা কী করছেন? তাঁরা সত্যিকারের হিন্দু হলে এমন মন্তব্যের বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রতিবাদ করতেন।’’ কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন, কলকাতা সংলগ্ন জেলাগুলি থেকেই মানুষজন আসবেন। সাধু-সন্তদের পাশাপাশি ওই সমাবেশে হাজির থাকতে দেখা যাবে সমাজের বিশিষ্টজনদেরও। সমাবেশের প্রচার কি চলছে? কার্তিক মহারাজের উত্তর, ‘‘ইতিমধ্যে বেশ কয়েক হাজার লিফলেট আমরা ছাপাতে দিয়েছি। এভাবেই চলছে প্রচার।’’ কার্তিক মহারাজের আরও সংযোজন, ‘‘ববি হাকিমের এমন মন্তব্য অবশ্য একদিক থেকে ভালো, এতে যদি হিন্দু সমাজ জাগ্রত হয়!’’

    ২০১৬ সালেও ফিরহাদের (Firhad Hakim) ‘মিনি পাকিস্তান’ মন্তব্যে শুরু হয় বিতর্ক

    প্রসঙ্গত, ববি হাকিমের এমন মন্তব্য নতুন বা প্রথম কিছু নয়, এর আগেও পাকিস্তানের ‘ডন’ পত্রিকার সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ২০১৬ সালে গার্ডেনরিচকে দেখিয়ে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘দিস ইজ মিনি পাকিস্তান।’’ ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) এমন মন্তব্যে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল সেসময়ও। ইসলামিকরণ ধারণায় তাঁর যে এতটুকু বদল হয়নি, তা বোঝা গেল ২০২৪ সালেও। সম্প্রতি এক ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘মুসলিম হয়ে যাঁরা জন্মগ্রহণ করে না তাঁরা হতভাগ্য। এরকম প্রত্যেককে ইসলামে ধর্মান্তরিত করতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Titagarh: মমতার দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা ঢুকল তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে!

    Titagarh: মমতার দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা ঢুকল তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা পুজোয় সরকারি অনুদান দেওয়া নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি সামনে এল। সরকারি অনুদানের টাকা তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে টিটাগড় (Titagarh) পুরসভা এলাকায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি সরব হয়েছে। এমনকী, হাইকোর্টে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিরোধী দল।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Titagarh)

    মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা টিটাগড় (Titagarh) বিবেকনগর পুজো কমিটির বদলে কমিটির জেনারেল সেক্রেটারির ব্যক্তিগত কোম্পানির অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে অভিযোগ। পুজো কমিটির সেক্রেটারির নাম দেবব্রত ভট্টাচার্য। তিনি আবার তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী ভট্টাচার্যের স্বামী। তাঁর কোম্পানির অ্যাকাউন্টে সরকারি টাকা ঢুকেছে। দেবব্রত বলেন, “কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকলে জেনারেল সেক্রেটারির ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ঢোকে। সেখান থেকে খরচ করা হয়। এটা সর্বজনীন। যদি প্রোটোকল না থাকত, আমাকে তো চেক দিতই না ট্রেজারি থেকে। আমাকে ম্যালাইন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

    দেবব্রতর স্ত্রী কাউন্সিলর মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেন, “যে সমস্ত পুজো কমিটির অ্যাকাউন্ট নেই, সেক্রেটারি বা কারও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে টাকা আসে। টিটাগড় থানা থেকে এবার একটা অর্ডার এসেছে, ২০২৩ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত পুজো কমিটি নিজেদের অ্যাকাউন্টে টাকা নিত, ২০২৪ থেকে তা হবে না। পুজো কমিটির অ্যাকাউন্টেই টাকা নিতে হবে। গতবার নিয়ম ছিল। অনেকে বিষয়টার ভিতরে ঢুকছে না। ভাবছে সেক্রেটারির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে, সেক্রেটারি টাকা নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু, সবটাই ভুল। সঙ্গে সঙ্গে পুজোর অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: পরপর মন্দিরে হামলা, নেতাকে হত্যা! বাংলাদেশে ফের টার্গেট হিন্দুরা

    দলীয় কাউন্সিলরও সরব হয়েছেন

    কাউন্সিলর বা তাঁর স্বামী যা সাফাই দিন না কেন, তা মানতে নারাজ দলেরই একাংশ। এ প্রসঙ্গে বিবেকনগরের পুজো কমিটির সঙ্গে এক সময় যুক্ত এবং টিটাগড় (Titagarh) পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা প্রশান্ত চৌধুরী বলেন “আমাদের প্রতিটা পুজো কমিটির সঙ্গে দীর্ঘদিন আমি জড়িত। প্রতিটি পুজো কমিটিরই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত এই পুজোর সঙ্গেও ছিলাম। ২০২২ থেকে আমি খুব একটা জড়িত নই। যেহেতু অন্য জায়গায় কাউন্সিলর হয়েছি, সেখানে পুজো হয়। এটা কী করে হল আমার মাথায় আসছে না। একটা কোম্পানির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে দেখলাম।”

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করা দুর্গাপুজোর ক্লাবগুলিকে সরকারি টাকা অনুদান দেওয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই সরব বিজেপি। দীর্ঘদিন ধরেই এর প্রতিবাদ করে আসছে বিজেপি। গেরুয়া শিবির, একাধিকবার দাবি করেছে, দুর্গাপুজোর আড়ালে এভাবে দলের একাংশের তুষ্টিকরণ করা হচ্ছে। সেই দাবি যে অমূলক নয়, তার প্রমাণ ফের একবার মিলল এদিন। এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী বলেন, ‘‘সরকারি অনুদানের টাকা এভাবে ব্যক্তিগত কারও অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারে না। এর তদন্ত হওয়া দরকার। আমি সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি দেব। হাইকোর্টে মামলাও দায়ের করব।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • DVC Water Release: ডিভিসির জল ছাড়া নিয়ে রাজ্য সরকারের ‘মিথ্যাচার’ ফাঁস করে দিল বিজেপি

    DVC Water Release: ডিভিসির জল ছাড়া নিয়ে রাজ্য সরকারের ‘মিথ্যাচার’ ফাঁস করে দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাক দিয়ে মাছ ঢাকা গেল না। রাজ্য সরকারের মিথ্যাচার ফাঁস করে দিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যের সঙ্গে সহমতের ভিত্তিতেই ডিভিসি প্রথমে ৭৫ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে (DVC Water Release) এবং পরবর্তীতেও জল ছাড়া নিয়ে রাজ্যের প্রাথমিক সম্মতি ছিল বলে তিনি তথ্যপ্রমাণ সহকারে জানিয়েছেন।

    বিজেপির বক্তব্য (Flood situation)

    জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ডিভিসির নির্দেশিকা দেখিয়ে জানিয়েছেন, অতি ভারী বৃষ্টির জেরে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধারে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছিল। জল ছাড়ার (DVC Water Release) প্রয়োজনীয়তা ছিল, একথা রাজ্য সরকারকে জানিয়ে ডিভিসি আগাম চিঠি দেয়। রাজ্য সরকার জল ছাড়ার বিষয়ে সম্মতি জানায়। দুই পক্ষের পারস্পরিক সহমতের ভিত্তিতেই ডিভিসি জল ছাড়ে। জল ছাড়ার আগে সকালেও আগাম সরকারকে বার্তা প্রেরণ করা হয়। যাতে (Flood situation) মানুষকে আগেভাগে নদীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে সুরক্ষিত জায়গায় সরিয়ে আনা যায়। প্রতি বছর ডিভিসির তরফে জল ছাড়া হয়। এবারও তার অন্যথা হয়নি। তা সত্ত্বেও প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়েও রাজনীতি করার উদ্দেশ্যেই ডিভিসের ঘাড়ে দায় চাপানোর চেষ্টা করছে রাজ্য প্রশাসন।

    রাজ্যের মিথ্যাচার (DVC Water Release)

    প্রসঙ্গত শনিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, জল (DVC Water Release) ছাড়ার বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেনি ডিভিসি কর্তৃপক্ষ। সরকারকে অন্ধকারে রেখে জল ছাড়া হয় বলে অভিযোগ করেছিলেন আলাপনবাবু। ডিভিসির ঘাড়ে দায় চাপানোর খেলা অবশ্য নতুন নয়। প্রত্যেক বছর ডিভিসি রাজ্য সরকারকে জানিয়েই জল ছাড়ে। জল না ছাড়লে অতিরিক্ত চাপে বাঁধ এবং লকগেট ভেঙে যেতে পারে। তা হলে আরও বেশি ক্ষতি হবে, দাবি ডিভিসি কর্তৃপক্ষের। অথচ প্রত্যেকবার বর্ষাকালে দেখা যায়, রাজ্য সরকার একই (Flood situation) অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করে। এ বছরও তার অন্যথা হয়নি।

    সরকারের ব্যর্থতা

    যদিও এবার রাজ্য সরকারের (DVC Water Release) মিথ্যাচার ফাঁস করে দিয়েছেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকারের উচিত ছিল ভাগীরথী, দামোদর, হুগলি, তিস্তা সহ সমস্ত বিভিন্ন জেলায় বাঁধ মেরামত করা। কিন্তু বাঁধ মেরামত হয়নি। মেরামতের নামে প্রত্যেক বার মাটির বস্তা, বালির বস্তা ফেলে কোষাগারের অপব্বহার করা হয়। নিজেদের ব্যর্থতা থাকতেই ডিভিসির দিকে দোষ চাপাচ্ছে রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: জমা জলে প্লাবিত কলকাতা বিমানবন্দর! আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত

    উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ বিভিন্ন নদীতে বাঁধ ভাঙছে (Flood situation) অথচ সরকার চুপ করে বসে আছে। মানুষের ক্ষোভ আঁচ করেই সরকার দায় চাপানোর খেলায় মেতেছে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Minister: ‘জানোয়ার, বেয়াদপ’ বলে মহিলা আধিকারিককে গালি মমতার মন্ত্রীর, রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড়

    TMC Minister: ‘জানোয়ার, বেয়াদপ’ বলে মহিলা আধিকারিককে গালি মমতার মন্ত্রীর, রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মন্ত্রী (TMC Minister) অখিল গিরি (Akhil Giri) সর্বসমক্ষে বন দফতরের এক মহিলা আধিকারিককে জানোয়ার-বেয়াদব বলে গালি দিলেন। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে মমতা মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি ওই আধিকারিককে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন মমতা সরকারের মন্ত্রী। শুধু তাই নয়, গোটা ঘটনায় কোনওভাবেই অনুতপ্ত হতেও দেখা যায়নি অখিল গিরিকে (Akhil Giri)। সাধারণ মানুষজন বলছেন, ‘‘অখিল গিরির কাছে এ আবার নতুন কী? এটাই তো ওনার মুখের ভাষা! মহিলাদের নিয়ে কটূক্তি তিনি করেই থাকেন। কখনও তাঁর লক্ষ্যে থাকে দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, কখনও থাকে বন দফতরের আধিকারিক।’’ আবার কেউ কেউ বলছেন, ‘‘তৃণমূলের তো এটাই সংস্কৃতি। গালিগালাজের এই রাজনীতি রাজ্যজুড়ে করে চলেছে তৃণমূল (TMC Minister)। এতে আবার নতুন কী রয়েছে।’’ আশ্চর্যজনকভাবে অখিল গিরি আবার এমন দাবিও তুলেছেন যে বন দফতরের দুর্নীতির বিষয়ে তিনি নাকি অনেক কিছুই জানেন, সেটা ফাঁস করবেন বিধানসভায়। এতেই উঠছে প্রশ্ন! মমতা মন্ত্রিসভার দফতরগুলি যদি এভাবেই নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, তাহলে সাধারণ মানুষ পরিষেবা পাবে কখন? এদিকে রাজ্যের বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, এই ঘটনায় দলের অন্দরে অখিলের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় তোলেন বলে সূত্রের খবর। তিনিও আবার ঘুরিয়ে তির ছুড়েছেন মন্ত্রিসভার সহকর্মীর দিকেই।

    ঘটনার সূত্রপাত শনিবার বেলার দিকে (TMC Minister) 

    ঘটনার সূত্রপাত শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের তাজপুরের সমুদ্র সৈকতে। বন দফতরের জায়গা থেকে যে সমস্ত হকারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, সেখানে যান অখিল গিরি। সেখানেই হাজির ছিলেন কাঁথি রেঞ্জের ফরেস্ট অফিসার মনীষা সাউ সহ অন্যান্য কর্মীরা। সে সময়ে অখিল গিরি বন দফতরের ওই অফিসারকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করতে থাকেন। আঙুল নাচিয়ে অখিল গিরি বলেন, “২৫ ফুট আমরা নিলাম। এর ভিতরে যদি আপনি আসেন, আপনি ফিরে যেতে পারবেন না। বেশি কথা বলবেন না আপনি একদম। এরকম জানোয়ার, বেয়াদপ রেঞ্জার আসেনি কখনও।”

    বিজেপি বলল, ওনাদের দলীয় শিক্ষা, নীরব থাকলেন ফিরহাদ 

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “অখিলবাবুকে তো বিধানসভায় দেখেছি। এটা ওনাদের দলীয় শিক্ষা। ফলে এইভাবেই ওনারা কথা বলবেন যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন।” তবে একজন মহিলা আধিকারিককে এভাবে গালিগালাজ করা যায় কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে নীরব থেকেছেন রাজ্যেরই অপর এক মন্ত্রী (TMC Minister) তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি শুধু বলেন, “আমি এটা জানি না।”  এতে কেউ কেউ বলছে নীরবতাই কি সম্মতির লক্ষণ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Infiltration: মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে মুসলমান অনুপ্রবেশ! কীভাবে হয় জানেন 

    Infiltration: মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে মুসলমান অনুপ্রবেশ! কীভাবে হয় জানেন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও মুসলিম ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ (Infiltration) করতে পারে মাত্র ৫ হাজার টাকার  বিনিময়ে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের (India-Bangladesh border) পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলা হল চোরা পথের প্রধান প্রবেশ দ্বার, এই তথ্য স্বীকার করেছে খোদ এক অনুপ্রবেশকারী। এই ব্যক্তি বেঙ্গালুরু থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। ধৃতের নাম মহম্মদ হাফিজুল। বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল যে পশ্চিমবঙ্গ, তা বারবার সংসদ এবং বিধানসভায় বিজেপির সাংসদ-বিধায়করা প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন। তাহলে এই রাজ্যের তৃণমূল শাসক কী কিরছে? অবশ্য লোকসভার ভোটের আগে হাবড়ার এক তৃণমূল নেত্রী অনুপ্রবেশকারীদের প্রকাশ্যে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। ফলে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকাগুলি কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন।

    অনুপ্রবেশকারী যুবকের বক্তব্য (Infiltration)

    অনুপ্রবেশকারী (Infiltration) মুসলমান যুবক মহম্মদ হাফিজুল পুলিশের কাছে ধরা পড়ে অনর্গল হিন্দিতে বলছে, “বাংলাদেশের খুলনায় আমার বাড়ি। টাকা দিলে ওপার থেকে এপারে (India-Bangladesh border) আসা যায়। জনপ্রতি ভারতীয় টাকায় ৫ হাজার দিলে পশ্চিমবঙ্গে খুব সহজেই ঢোকা যায়। পুলিশ, বিএসএফ কেউ ধরেও না, কিছু জিজ্ঞেসাও করে না। তবে আমি চোর নই।”

    অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় পশ্চিমবঙ্গ

    বাংলাদেশ থেকে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা (Infiltration) দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ হয়ে সারা ভারতে যাচ্ছে। এই বিষয় নিয়ে অনেক বার রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। সীমান্তের বিএসএফ এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এজেন্টরা সক্রিয় রয়েছে। তাদের চোরাকারবার এবং অনুপ্রবেশ করানো নিত্যদিনের ব্যবসা। একই সঙ্গে শুধু সীমান্তে অনুপ্রবেশ করানো নয়, তাদের আশ্রয় দিয়ে প্রয়োজনীয় ভোটার কার্ড, আধার কার্ডও টাকার বিনিময়ে করে দেওয়া হয়। আর এই কাজে সাহায্য করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের অনুপ্রেবশকারীদের অধিকাংশের জাল প্রমাণপত্রের সূত্র সন্ধানে এই রাজ্যের নাম বার বার উঠে আসে। এমন দৃষ্টান্ত ছিল ২০১৪ সালের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড। ওই অভিযুক্তিও অনুপ্রবেশকারী ছিল। এইরকম অবৈধ পাচারচক্র একই ভাবে অসম, ত্রিপুরা প্রদেশের সীমান্ত বরাবরও সক্রিয় বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: জমা জলে প্লাবিত কলকাতা বিমানবন্দর! আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত

    সীমান্ত কতটা সুরক্ষিত?

    সম্প্রতি সংসদে ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ, বিহারের পূর্ণিয়া, কিষানগঞ্জ এবং ঝাড়খণ্ডের পাকুর সহ একাধিক অঞ্চলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী (Infiltration) মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আঞ্চলিক জনবিন্যাস ও ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সরকারকে পূর্ব ও উত্তরপূর্বের সীমান্ত এলাকায় সুরক্ষা এবং জনবিন্যাস বদলে যাওয়া নিয়ে সমীক্ষা করে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন। একই ভাবে রাজ্যের মুর্শিদবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অত্যন্ত আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশ নিয়ে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather update: জমা জলে প্লাবিত কলকাতা বিমানবন্দর! আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত

    Weather update: জমা জলে প্লাবিত কলকাতা বিমানবন্দর! আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata airport) বৃষ্টির জলে প্লাবিত (Weather update) হয়ে গিয়েছে। রানওয়ে এবং ট্যাক্সিওয়ে উভয়ই প্লাবিত হয়ে রয়েছে। জলাবদ্ধ ট্যাক্সিওয়েতে বিমানগুলিকে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তবে বিমান চালাচলে ব্যাঘাতের তেমন খবরাখবর এখনও পর্যন্ত আসেনি। বিমানবন্দরের অন্দরে একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, “রানওয়ে এবং ট্যাক্সিওয়ে উভয়ই জলমগ্ন এবং সেখানেই ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানগুলি (Kolkata airport) লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।” অপর দিকে হাওড়া, সল্টলেক এবং বারাকপুর সহ কলকাতা এবং এর আশেপাশের অঞ্চলগুলি অবিরাম বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বৃষ্টির জমা জলে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন অনেক মানুষ।

    দক্ষিণবঙ্গে আরও ১২ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত (Weather update)

    এই বৃষ্টিপাত নিম্নচাপের (Weather update) জন্য সৃষ্টি হয়েছে। ক্রমেই তা আরও গভীরে পরিণত হয়েছে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এই নিম্নচাপটি বর্তমানে বিহার এবং উত্তর প্রদেশের দিকে ক্রমশ সরে যাচ্ছে। আবহাওয়া অফিস অনুসারে জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে সারা দিন ধরে চলতে পারে বৃষ্টি। হাওড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, নদীয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা সহ দক্ষিণের জেলাগুলিতে আগামী ১২ ঘন্টার মধ্যে আরও বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতার বেশ কয়েকটি অংশ থেকে জলমগ্ন পরিস্থিতির খবর পাওয়া গিয়েছে। মধ্য ও দক্ষিণ কলকাতার কিছু অংশে ভারী বর্ষণের ফলে হাঁটু পর্যন্ত জল জমে গিয়েছে। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত শহরের কয়েকটি এলাকায় ৭ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছিল। তবে এই ভারী বৃষ্টি সত্ত্বেও, শুক্রবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ২.৪ ডিগ্রি কম। একই ভাবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক মাত্রা থেকে ০.৬ ডিগ্রির সামান্য কম।

    আরও পড়ুন: বন্দে ভারত-লোকাল ট্রেন! বিভ্রান্তি ছড়ানোয় ব্যবস্থা নিতে চলেছে রেল

    একাধিক জায়গায় জারি লাল সতর্কতা

    ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) আবহাওয়া (Weather update) পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বেশ কয়েকটি এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে। কলকাতা সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির জন্য ‘হলুদ’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদা, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলাগুলির জন্য ‘কমলা’ সতর্কতা এবং ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সংকেত দেওয়া হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় ‘লাল’ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: বন্দে ভারত-লোকাল ট্রেন! বিভ্রান্তি ছড়ানোয় ব্যবস্থা নিতে চলেছে রেল

    Vande Bharat: বন্দে ভারত-লোকাল ট্রেন! বিভ্রান্তি ছড়ানোয় ব্যবস্থা নিতে চলেছে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলপথ হচ্ছে লাইফ লাইন। দেশের কোটি কোটি মানুষ এই পরিষেবার ওপর ভরসা করে রয়েছেন। ক্রমাগত রেল পরিষেবা উন্নত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রেল দফতর। সামান্য কিছু হলেই সেটা নিয়ে গেল গেল রব। আর বিক্ষিপ্ত দু-এক জায়গায় ট্রেন, মালগাড়ি লাইনচ্যুত হওয়ার খবর সামনে আসতেই জনগনকে বিভ্রান্ত করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে এক শ্রেণির অসাধু মানুষ। এমনই দাবি রেল কর্তৃপক্ষের। হুগলির শিবাইচণ্ডী স্টেশনে বন্দে ভারত (Vande Bharat)-লোকাল ট্রেন একই লাইনে চলে আসার ঘটনা নিয়ে তোলপাড় নেটপাড়া। এই ঘটনা ঠিক নয় বলে রেল আধিকারিকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Vande Bharat)

    হুগলির শিবাইচণ্ডী স্টেশনে একই লাইনে চলে আসে বন্দে ভারত (Vande Bharat) এবং একটি লোকাল ট্রেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। সেই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, মুখোমুখি একটি বন্দে ভারত এবং লোকাল ট্রেন। আর তা দেখেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, হাওড়া ছেড়ে এনজিপির উদ্দেশে রওনা দেওয়া বন্দে ভারতটিকেই দেখা গিয়েছে ভাইরাল ভিডিওর ফ্রেমে।

    আরও পড়ুন: ইতিহাসের সামনে লক্ষ্য, ভারতের প্রথম পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে

    রেল আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    যদিও এই ঘটনা নিয়ে পূর্ব রেলের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যাঁরা ভিডিওটি পোস্ট করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই দু’জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়া-গুরাপ লোকাল ট্রেনটি (Local Train) অটোমেটিক সিগন্যাল জোনে দাঁড়িয়েছিল। ওই সময় বন্দে ভারত (Vande Bharat) ট্রেনটিও ঢুকেছিল। অটোমেটিক সিগন্যাল জোনে একটি নিরাপদ দূরত্ব রেখে ট্রেন চলাচল করে। হাওড়া বা শিয়ালদা লাইনে এটা রোজকার দৃশ্য। একটি ট্রেনের আগে বা পরে, নিরাপদ দূরত্বে অপর একটি ট্রেনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কিছু অসাধু ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেক ভিডিও ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার এবং রেল ব্যবস্থাকে অপমান করার চেষ্টা করছে। অতএব, এটা প্রমাণিত যে ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়ো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘এত দাম খাব কী, মমতা যাবে কি!’ মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    BJP: ‘এত দাম খাব কী, মমতা যাবে কি!’ মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট করলেন বিজেপি (BJP) বিধায়করা, নেতৃত্বে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিধানসভায় এদিন স্লোগান তোলা হয় ‘এত দাম খাব কী, মমতা যাবে কি?’ এর পাশাপাশি এদিন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদের অভিনব বিক্ষোভও দেখায় গেরুয়া শিবির। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উদ্যোগে এদিন বিধানসভার সামনে প্রতীকী সবজি বিক্রি করতে দেখা যায় বিজেপি বিধায়কদের। তাঁদের দাবি, ৪০ টাকার আলু এদিন ১০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

    দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে গরিব মানুষের অসুবিধা হচ্ছে

    বিধানসভার চলতি অধিবেশনে অনেকবারই বিজেপির বিধায়করা অভিযোগ তুলেছেন, বিভিন্ন জরুরি বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাব আনা হলেও, সে সব বিষয়ে আলোচনার সুযোগ দেননা স্পিকার। স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগও তুলেছে গেরুয়া শিবির। শুক্রবার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনার জন্য মাত্র ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ করেন স্পিকার। বিজেপির (BJP) পরিষদীয় দলের তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয় যে, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে গরিব মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। কালোবাজারি বন্ধ এবং ফড়েদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়। পুরুলিয়ার জয়পুরের বিজেপি বিধায়ক নরহরি মাহাতো প্রস্তাবটি বিধানসভায় পাঠ করেন।

    অভিনব নামতা পাঠ করলেন শুভেন্দু (BJP)

    বিজেপি (BJP) বিধায়কদের গলায় ছিল এদিন সবজির প্ল্যাকার্ড। অভিনব কায়দায় ২০-এর ঘরের নামতা পড়তে শোনা যায় বিরোধী দলনেতাকে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘২০ এক্কে পাউচ, ২০ দু’গুণে আলু, তিন ২০ টমেটো,  পাঁচ ২০ ক্যাপসিকম, সাত ২০ রসুন, আট ২০ আদা, নয় ২০ মটরশুটি, ২০ দশে মুরগি!’’ পরে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল অভিযোগ করেন, ‘‘চাষিরা দাম পাচ্ছেন না অথচ মানুষ বাজারে সব্জি কিনতে পারছেন না। কারণ, মাঝে ফড়েরা দালালি করছে। এই কারণেই ফসলের দাম বৃদ্ধি।’’
     

    আরও পড়ুন: বিজেপির লাগাতার বয়কটে ধর্ম নিয়ে নিজের মন্তব্য থেকে পিছু হটলেন ফিরহাদ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Factory in Bengal: বেকারত্বের করুণ ছবি! বাংলার ২১ লাখ শ্রমিক কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে

    Factory in Bengal: বেকারত্বের করুণ ছবি! বাংলার ২১ লাখ শ্রমিক কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাম আমল থেকেই রাজ্যের মানুষের একটা বড় প্রশ্ন ছিল, শিল্প-কলকারখানা (Factory in Bengal) কোথায়? কোথায় বিনিয়োগ? কোথায় কাজ? রাজ্যের শিক্ষিত বেকারদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থান কবে হবে? উত্তর আর সামধান, কোনওটাই জোটেনি এই রাজ্যের মানুষের কপালে। বাম রাজত্বের পতনে মিলেছে শুধু বিরাট ঋণের বোঝা। রাজ্যে ২০১১ সালে রাজনৈতিক পালাবদলের পর শাসক বদলে গেলেও বেকারত্বের (Unemploymen) হার কমেনি, বরং দিন দিন বেড়েছে। মানুষ পেটের দায়ে অন্য রাজ্যে যেতে বাধ্য হয়েছে। করোনার অতিমারির সময় সারা দেশে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা সব থেকে বেশি ছিল। এই নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে বাক্যবাণে শোরগোল পড়েছিল।

    বেকারত্ব নিয়ে বিধানসভায় প্রশ্ন-উত্তর (Factory in Bengal)

    রাজ্যে মা-মাটি সরকারের আমলে একাধিকবার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হলেও দেখা যায়নি কোনও আশার আলো। সম্প্রতি তারাতলায় ব্রিটানিয়ার কারখানা (Factory in Bengal) বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থান নিয়ে বিরোধীদের আরও তোপের মুখে পড়তে হয় মমতার সরকারকে। রাজ্যের বিধানসভায় সম্প্রতি আইএসএফ বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যে কতগুলি কলকাখানা বন্ধ আছে, কত শ্রমিক বর্তমানে ভিনরাজ্যে কাজ করছেন? এরপর যা তথ্য উঠে এল, তাতে ‘এগিয়ে বাংলা’ কতটা বলা যায়, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

    রাজ্যের মন্ত্রীর বক্তব্যেই ভয়বহ অবস্থা (Factory in Bengal)

    বিধানসভায় প্রশ্ন-উত্তর পর্বে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, “২০২২-২৩ সালে রাজ্যে মোট ১৭১টি কারখানা (Factory in Bengal) বন্ধ ছিল, আর ২০২৩-২৪ সালে অর্থাৎ বর্তমানে রাজ্যের ১৬৯টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। ভিন রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক রূপে কাজ করছেন মোট ২১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭৩৭ জন শ্রমিক। তবে এর মধ্যে সব থেকে বেশি সংখ্যায় কাজ করছেন মহারাষ্ট্রে।” মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, “কেরলের ধসের ঘটনায় রাজ্য থেকে যাওয়া ২৪২ জন শ্রমিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আটকে পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫৫ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। সব তথ্য সরকারের দফতরে জমা রয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ভোট লুটের বিরুদ্ধে ফের আদালতে বিজেপি, এবার সাংসদ দেবকে নোটিশ হাইকোর্টের

    রাজ্য সরকার উত্তর দেয়নি

    রাজ্যের একমাত্র আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, “২১ লক্ষের বেশি এই শ্রমিকের সংখ্যা মাত্র এক বছরে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ২০২২ সালে কলকারখানা (Factory in Bengal) নিয়ে প্রশ্ন করলে রাজ্যের মা মাটি সরকার কোনও উত্তর দেয়নি। ওয়েনাড়ে কর্মরত বাংলার অনেক শ্রমিক (Unemploymen) এখনও আটকে রয়েছেন। এখনও সবার সঙ্গে সরকার যোগাযোগ করতে পারেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share