Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Kazi Nazrul Islam: কাঁটাতার তাঁকে কাটতে পারেনি, আজ কাজী নজরুল ইসলামের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

    Kazi Nazrul Islam: কাঁটাতার তাঁকে কাটতে পারেনি, আজ কাজী নজরুল ইসলামের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবির বাঁশি থেমে গিয়েছিল সেই কবে! চারের দশকের একদম শুরুতে। তারপর দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের মৌন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যান। জাতীয় কবির (Kazi Nazrul Islam) সম্মান দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু, নিপীড়িত মানুষের যন্ত্রণায় কেঁপে উঠত যাঁর অনুভব, যাঁর প্রেমিক সত্তায় লগ্ন হয়ে থাকত চোখের জল, তিনি তখন অন্য জগতের মানুষ। ১৯৭৬ সালের ২৯ অগাস্ট প্রয়াত হন কাজী নজরুল ইসলাম। বিদ্রোহী কবি (Poet) কাজী নজরুল ইসলামের আজ ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী।

    ফিরে দেখা নজরুল (Kazi Nazrul Islam)

    ১৮৯৯ সালের ২৪ মে ( ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম (Kazi Nazrul Islam)। তাঁর ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। বাবা কাজী ফকির আহমেদ ও মা জাহেদা খাতুন। বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক এবং অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীত জগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। প্রেম, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি কাজী নজরুল তাঁর কবিতা ও গানের মাধ্যমে সমাজের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতিকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। নজরুলের ছদ্মনাম ছিল ‘ধূমকেতু’। শিশু সাহিত্যকেও সমৃদ্ধ করেছিলেন তিনি। ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের ধারাকে নজরুল তাঁর সাহিত্যে বিপুলভাবে ধারণ করেছেন। মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছেন পুনর্জাগরণের ডাক। একজন বলিষ্ঠ নেতার মতোই সমাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন নজরুল।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    কবির সৃষ্টি

    নজরুল (Kazi Nazrul Islam) ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার অগ্রসর মানুষ। ইসলামি গজলের পাশাপাশি লিখে গিয়েছেন শ্যামা সংগীত। বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হয় নজরুলের দেখানো পথ ধরে। শুধু কবিতা ও গানেই তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি; লিখেছেন নাটক-উপন্যাস। তাঁর লেখা নাটক- রক্তকমল, মহুয়া, জাহাঙ্গীর, কারাগার, সাবিত্রী, আলেয়া, সর্বহারা, সতী, সিরাজদ্দৌলা, দেবীদুর্গা, মধুমালা, অন্নপূর্ণা, নন্দিনী, হরপার্বতী, অর্জুনবিজয়, ব্ল্যাক আউট ইত্যাদি। ১৯৩৪ সালে নজরুল-প্রকাশনার সবই ছিল সঙ্গীত-বিষয়ক।

    রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে শোকাহত নজরুল

     ১৯৪১ সালের ৭ অগাস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে শোকাহত নজরুল (Kazi Nazrul Islam) তাৎক্ষণিকভাবে রচনা করেন ‘রবিহারা’ ও ‘সালাম অস্তরবি’ কবিতা এবং ‘ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবিরে’ শোকসঙ্গীত। ‘রবিহারা’ কবিতা নজরুল স্বকণ্ঠে আবৃত্তি করেন কলকাতা বেতারে, গ্রামাফোন রেকর্ডে। ‘ঘুমাইতে দাও’ গানটিও কয়েকজন শিল্পীকে নিয়ে স্বকণ্ঠে গেয়েছিলেন তিনি। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর বছরখানেকের মধ্যেই নজরুল নিজেও অসুস্থ এবং ক্রমশ নির্বাক ও সম্বিতহারা হয়ে যান।

    বিরল রোগে আক্রান্ত হন কবি

    ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে সাংবাদিকতার পাশাপাশি নজরুল (Kazi Nazrul Islam) বেতারে কাজ করছিলেন, তখন হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। কাজী নজরুল ইসলাম দীর্যদিন ধরে (প্রায় ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছর) যে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তার নাম পিক্স ডিজিজ (Picks Disease)। এই রোগটি খুবই বিরল ও এর ফলে কণ্ঠস্বর ও স্মরণশক্তি দুটোই আক্রান্ত হয়। সাধারণতঃ, এই রোগ Dementia বা Alzheimer’s রোগের সঙ্গে কমবেশি তুলনা করা যেতে পারে। তাঁর অসুস্থতা সম্বন্ধে সুষ্পষ্টরূপে জানা যায় ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে। এরপর, তাঁকে মূলত হোমিওপ্যাথি এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু, এতে তাঁর অবস্থার তেমন কোন উন্নতি হয়নি। সেই সময় তাঁকে ইউরোপে পাঠানো সম্ভব হলে নিউরো সার্জারি করা হত। কিন্তু, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ১৯৪২ সালের শেষের দিকে তিনি মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলেন। দেশে ও বিদেশে কবির চিকিৎসার ব্যবস্থা হয় বটে, কিন্তু কোনও সুফল পাওয়া যায় নি। ১৯৪২ সালের জুলাই থেকে ১৯৭৬ সালের ২৯ অগাস্ট পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৪টি বছর কবির এ অসহনীয় নির্বাক জীবনকাল অতিবাহিত হয়।

    বাংলাদেশে কবি

    ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে (Kazi Nazrul Islam) সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে নজরুলকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদক’ দিয়ে ভূষিত করে। ২৯ অগাস্ট ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের উত্তর পার্শ্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে। এখানেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। কাজী নজরুলকে নিয়ে কবি অন্নদাশঙ্কর রায় লিখেছিলেন, “আর সব কিছু ভাগ হয়ে গেছে/ ভাগ হয়নি কো নজরুল”। সত্যিই তো তাই। তিনি তো কেবল এপার বাংলার কবি নন। কাজী নজরুল ইসলাম (Kazi Nazrul Islam) ওপার বাংলারও কবি। বিদ্রোহী সত্তার আড়ালে তির তির করে বয়ে চলে তাঁর প্রেমিক সত্তা। মৌলিক সৃষ্টিই চির অমর করে রেখেছে কবিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘হিংসায় উস্কানি দিচ্ছেন মমতা’, ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে শাহকে চিঠি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘হিংসায় উস্কানি দিচ্ছেন মমতা’, ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে শাহকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলার রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, হিংসায় উস্কানি দিচ্ছেন — এই অভিযোগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আরও দাবি, মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার কোনও যোগ্যতাই নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার পদত্যাগের দাবিও জানিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের আরও অভিযোগ, মমতার মন্তব্য রাষ্ট্রবিরোধী। এর পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি যেন মমতার (Mamata Banerjee) ওপর নজর রাখে শাহকে সে আর্জিও জানিয়েছেন সুকান্ত।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠানো সুকান্ত মজুমদারের চিঠি (সংগৃহীত চিত্র)

    চিঠিতে কী লিখলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    গতকালই কলকাতায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আরজি কর প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘‘আমরা বলেছিলাম বদলা নয়, বদল চাই। আজ বলছি, ওই কথা নয়। আজ বলছি, যেটা করার দরকার, সেটা আপনারা ভালো বুঝে করবেন।’’ মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যই শাহকে লেখা চিঠিতে উদ্ধৃত করেছেন সুকান্ত মজুমদার। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর নির্লজ্জ মন্তব্যের প্রতি আমি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এর মাধ্যমে তিনি বদলার রাজনীতিকেই প্রশ্রয় দিচ্ছেন।’’ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ওই চিঠিতে আরও বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী নির্লজ্জ ভাবে রাষ্ট্রবিরোধী মন্তব্য করেছেন এবং বলেছেন, ‘বাংলায় আগুন জ্বললে অসম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং দিল্লিও জ্বলবে।’’ এই মন্তব্য আপত্তিকর। কোনও সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি এই মন্তব্য করতে পারেন না। মানুষকে ভয় দেখানো এবং হিংসা ছড়ানোর জন্য এই মন্তব্য করেছেন তিনি।’’

    সুকান্তর মতে, কোনও সামবিধানিক পদে আসীন ব্যক্তির এ ধরনের কথা বলা অনুচিত। তাঁর উচিৎ, শান্তির পক্ষে কথা বলা। সেটা না করে তিনি (মমতা) উসকানিমূলক মন্তব্য করছেন, যা বাংলার মানুষের পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে বলে মনে করেন বালুরঘাটের সাংসদ। এই প্রেক্ষিতেই সুকান্ত (Sukanta Majumdar) লিখেছেন, ‘‘মমতা (Mamata Banerjee) এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন। অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত।’’ অমিত শাহের কাছে সুকান্তর আর্জি, ‘‘এই মন্তব্যকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বাংলায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আপনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করুন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Dharna: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    BJP Dharna: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনায় (RG Kar Incident) বিচারের দাবিতে ধর্মতলায় আজ, বৃহস্পতিবার থেকে লাগাতার ধর্নায় (BJP Dharna) বসছে বিজেপি। গতকাল বাংলা বন‍্ধের পর নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে ফের পথে নামবে বিজেপি। ধর্মতলায় আজ থেকে ৭ দিনের ধর্নার ডাক দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির দাবি, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করছে প্রশাসন। তাই শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। 

    বিজেপির ধর্নায় অনুমতি (BJP Dharna)

    ২৯ অগাস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়াই চ্যানেলে অবস্থান বিক্ষোভ করার জন্য বিজেপি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। বিজেপির দাবি, এই ধর্নার জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনুমতি না মেলায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়। সম্মতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ জানান, বিজেপি ২৯ অগাস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়াই চ্যানেলে অবস্থান বিক্ষোভ করতে পারবে। ধর্নায় (BJP Dharna) উপস্থিত থাকতে পারবেন এক হাজার জন। ২০ ফুট x ৩০ ফুটের মঞ্চ তৈরি করতে পারবেন আয়োজকরা। শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভের জন্য অনুমতি দিয়েছে আদালত৷ কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রতিদিন ধর্না করতে পারবে বিজেপি (RG Kar Incident)। 

    প্রতিদিন প্রতিবাদে বিজেপি 

    ধর্নার পাশাপাশি, আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সপ্তাহভর একগুচ্ছ কর্মসূচি (BJP Dharna) রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। ৩০ অগাস্ট বিজেপি মহিলা মোর্চার তরফ থেকে রাজ্য মহিলা কমিশনের অফিসে অভিযান করা হবে। দলমত নির্বিশেষে এই অভিযান সমস্ত মহিলাকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আগামী ২ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি জেলার জেলাশাসকের অফিস ঘেরাও করার ডাক দেওয়া হয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি বিডিও অফিসে দিনভর ধর্নার কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির (BJP Dharna)। আর ৬ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রতিটি মণ্ডলে দুপুর ১২টা থেকে ২টো পর্যন্ত চাক্কা জ্যাম কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তারা। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আমি হতাশ এবং আতঙ্কিত, যথেষ্ট হয়েছে’’, আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ দ্রৌপদী মুর্মু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিশেষ অধিবেশন ডাকার এক্তিয়ার নেই রাজ্যের, বিধানসভা অভিযানের আহ্বান শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিশেষ অধিবেশন ডাকার এক্তিয়ার নেই রাজ্যের, বিধানসভা অভিযানের আহ্বান শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২ সেপ্টেম্বর বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন বসতে চলেছে। ৩ সেপ্টেম্বর ধর্ষণবিরোধী বিল পাশ করাতে চায় রাজ্য সরকার। এমন অধিবেশন ডাকার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের এক্তিয়ার নেই বলে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর পাশাপাশি ওই দিনেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ছাত্রদের পাল্টা বিধানসভা অভিযানেরও আহ্বান জানিয়েছেন। 

    মমতাকে তোপ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কথায়, ‘‘এই অধিবেশন করতে গেলে রাজ্যপালের কাছে ফাইল পাঠাতে হবে। রাজ্যপাল বেআইনি কাজের অনুমোদন দেবেন না। জোর করে বিধানসভা করতে পারেন না।’’ মমতার বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ‘‘সোমবার অধিবেশন ডাকার আপনি কে! আপনি হরিদাস? ছাত্র সমাজকে বলব ওই দিন বিধানসভার অধিবেশন (Bidhansabha Abhiyan) করুন। আমরা ভিতরে বিধায়করা বুঝে নেব। আর রাস্তায় ছাত্র সমাজের লোকজন আপনারা বুঝে নেবেন।’’

    অধ্যক্ষ এই অধিবেশন ডাকতে পারেন না

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘বিধানসভার অধ্যক্ষও এই অধিবেশন ডাকতে পারেন না, কারণ সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা অধিবেশনে (Bidhansabha Abhiyan) তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে এসেছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। এক্ষেত্রে রাজ্যপালের অনুমতি ছাড়া এই অধিবেশন ডাকাই যায় না। কাজেই এই বিষয়টা নিয়ে তারা আলোচনা করছেন।’’ বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ঘিরে এখন চড়ছে রাজনীতির পারদ।

    আরজি কর ইস্যুকে ছোট করে দেখানো হচ্ছে   

    বুধবার কলকাতায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আরজি কর ইস্যুকে ছোটো করে দেখানো হচ্ছে। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার এবং তার পার্ষদরা যে ভূমিকা গ্রহণ করছেন তা আসলে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার একটি চেষ্টা। যেভাবে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে দিয়ে প্লেস অফ অকারেন্স অর্থাৎ ওই সেমিনার রুমের উলটো দিকের দেওয়ালটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং যেভাবে নির্যাতিতা মেয়েটির দেহ অতি দ্রুততার সঙ্গে সৎকার করা হয়েছে তার মাধ্যমে আসলে জনমতকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Upper Primary Recruitment: উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজার পরীক্ষার্থীর নিয়োগে জট কাটল, ৪ সপ্তাহে মেধাতালিকা

    Upper Primary Recruitment: উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজার পরীক্ষার্থীর নিয়োগে জট কাটল, ৪ সপ্তাহে মেধাতালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপার প্রাইমারির (Upper Primary Recruitment) নিয়োগে ছাড়পত্র দিল হাইকোর্ট। ১৪ হাজার পরীক্ষার্থীর চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা জোরদার হল। চার সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত মেধাতালিকা তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর হবে কাউন্সেলিং। বুধবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। এর ফলে ৯ বছরের নিয়োগ-জট কাটল বলেই অনেকে মনে করছেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Upper Primary Recruitment)

    আপার প্রাইমারির (Upper Primary Recruitment) টেট পরীক্ষা হয়েছিল ২০১৫ সালের ১৬ অগাস্ট। ২০১১ ও ২০১৫ সালের দুটি টেটের পরীক্ষার্থীরা এই পদের জন্য যোগ্য ছিলেন। ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ২০১৯ সালের ২৭ জুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে পার্সোনালিটি টেস্ট হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু সেখানে সঠিকভাবে নথি যাচাই করা হচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে মামলা হয়। হাইকোর্টের নির্দেশে বার বার এই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে গিয়েছে। ২০২০ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল করে দিয়েছিল উচ্চ আদালত। ২০২৩ সালে প্যানেল প্রকাশ করার অনুমতি দিয়েছিল হাইকোর্ট। তখন ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, প্যানেল প্রকাশ করা যেতে পারে, তবে,কাউকে নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না এসএসসি। তার পরে মামলাটি যায় নতুন ডিভিশন বেঞ্চে। গত ১৮ জুলাই বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। বুধবার রায় ঘোষণা করা হল।

    আইনজীবী কী বললেন?

    আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশন, উচ্চ প্রাথমিকের মামলায় যে ‘আফটার ইন্টারভিউ ওএমআর’ আসন পুনর্মূল্যায়ন করে ১৪৬৩ জনকে বাতিল করেছিল, সেই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। সেটা সংশোধন করে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, যাঁদের বাতিল করা হয়েছিল, তাঁদের আবার মেধাতালিকায় ঢোকাতে হবে। সঙ্গে ১৪ হাজার ৫২ জনের প্রত্যেককে মেধাতালিকায় রেখে কাউন্সেলিং করাতে হবে। কমিশনের পুরনো মেধাতালিকা ভুল ছিল।”

    কেন মামলা?

    উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক ত্রুটির অভিযোগ তুলে ধরে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। ২০২৩ সালে শুধুমাত্র অনুমানের ভিত্তিতে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া থেকে ১,৪৬৩ জনকে বাদ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মামলাকারীরা জানান, ওই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের তা জানানো হয়নি। পরে চার বার তা খতিয়ে দেখে এসএসসি। শেষে ইন্টারভিউ থেকে বাদ পড়েন ৭৪ জন। সে ক্ষেত্রেও সঠিক নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ ছিল, সংরক্ষণ নীতি মানা হয়নি কাউন্সেলিংয়ের সময়। তফশিলি জাতি এবং জনজাতিদের সংরক্ষণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। এমনকী, সেখানে মহিলাদের সংরক্ষণ নিয়েও ত্রুটি ছিল বলে আদালতে জানান মামলাকারীদের আইনজীবী। ওএমআর শিটেও গোলমালের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল আদালতে। দীর্ঘ ৯ বছর ঝুলে থাকার পর অবশেষে উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে জট কাটল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandip Ghosh: ‘পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন সন্দীপ’, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করল আইএমএ

    Sandip Ghosh: ‘পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন সন্দীপ’, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করল আইএমএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh) সাসপেন্ড করল চিকিৎসকদের সর্বভারতীয় সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (Indian Medical Association)। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাতেই এমন পদক্ষেপ করেছে আইএমএ। বুধবার আইএমএ-র তরফ থেকে সন্দীপের কাছে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আইএমএ জানিয়েছে, আরজি করে নির্যাতিতার পরিবার এবং অন্যান্য চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার পরেই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে। আইএমএ-র মতে, ‘পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন সন্দীপ’!

    নির্দেশিকায় কী জানাল আইএমএ?

    সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) কাছে যে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে আরজি করের ঘটনার পর স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করে আইএমএ। আইএমএ-র সর্বভারতীয় সভাপতি আর ভি অশোকান একটি কমিটি গঠন করেছিলেন। সেই কমিটির সদস্যরা আরজি করের নির্যাতিতার বাড়িতে যান এবং সেখানে তাঁরা পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেন। সেই সময় নির্যাতিতার পরিবার আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বলে খবর। এর পাশাপাশি আইএমএ মনে করেছে, আরজি কর কাণ্ডে সন্দীপের (Sandip Ghosh) ভূমিকা মোটেও আশানুরূপ নয়। সর্বভারতীয় চিকিৎসক সংগঠনের মতে, যেভাবে সন্দীপ গোটা বিষয়টি সামলানোর চেষ্টা করেছেন, তাতে যথেষ্ট সহানুভূতির অভাব ছিল। সন্দীপকে সাসপেন্ড করার আগে কেন্দ্রীয় আইএমএ পশ্চিমবঙ্গ শাখার পদাধিকারীদের সঙ্গেও কথা বলে। প্রসঙ্গত, সন্দীপ ঘোষ নিজে আইএম-এর কলকাতা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ওই নির্দেশিকায় আইএমএ আরও জানিয়েছে, সন্দীপের বিরুদ্ধে সংগঠনেরই অনেক চিকিৎসক ক্ষুদ্ধ। সন্দীপ এই পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন বলেও অভিযোগ এনেছে আইএমএ। অনেকেই সন্দীপের শাস্তির দাবিও জানিয়েছে, এমনটাই জানা গিয়েছে আইএমএ-এর তরফে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সন্দীপকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএমএ।

    প্রথম থেকেই ক্ষোভ সন্দীপের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে

    প্রসঙ্গত, আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলনে নামেন। প্রথম থেকেই তাঁদের ক্ষোভ দেখা গিয়েছে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। প্রথম দিন থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। আন্দোলনের চাপে সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) নিজে ইস্তফা দেন। সকালে ইস্তফা দেওয়ার পরে বিকেলে তাঁকে প্রাইজ পোস্টিং দেয় রাজ্য সরকার। তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ করা হয়। আরজি কর কাণ্ড কলকাতা হাইকোর্টে পৌঁছালে সন্দীপ ঘোষকে প্রধান বিচারপতি লম্বা ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং ন্যাশনাল মেডিক্যালের দায়িত্ব থেকেও তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। মামলার তদন্তভার সিবিআই গ্রহণ করলে সন্দীপ ঘোষকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে থাকে। গত রবিবার তাঁর বাড়িতেও হানা দেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এরই মাঝে আইএমএ (Indian Medical Association) সাসপেন্ড করল সন্দীপ ঘোষকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Bangla Bandh: বন‍্ধে রণক্ষেত্র মানকুণ্ডু স্টেশন, বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস

    BJP Bangla Bandh: বন‍্ধে রণক্ষেত্র মানকুণ্ডু স্টেশন, বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ডাকা বাংলা বন‍্ধে (BJP Bangla Bandh) রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়া-বর্ধমান শাখার হুগলির (Hooghly) মানকুন্ডু স্টেশন। ট্রেন আটকাতে এই স্টেশনে রেললাইনের ওপর নেমে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। তাদের হঠাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। উন্মত্ত কর্মীদের রেললাইন থেকে হঠাতে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় পুলিশ। পুলিশের বিরুদ্ধে বন‍্‍ধ সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ তোলে বিজেপি। কর্মীরা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP Bangla Bandh)

    বন‍্‍ধ সমর্থকরা এদিন হুগলি জেলার একাধিক রেল স্টেশনে ট্রেন অবরোধ করেন। শ্রীরামপুর, চন্দননগর, হুগলি, হিন্দমোটর, কোন্নগর, ত্রিবেণী স্টেশনেও অবরোধ করা হয়। তাতে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। কোথাও দেড় ঘণ্টা, কোথাও দুঘণ্টা অবরোধ চলে। বুধবার সকাল থেকেই রেল অবরোধে (BJP Bangla Bandh) সামিল হন বিজেপি কর্মীরা। মানকুন্ডু স্টেশনেও এদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে আপ ও ডাউন লাইনে রেল অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। দুটি লাইনেই দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেন। একটিতে দূরপাল্লার বালুরঘাট এক্সপ্রেসও দাঁড়িয়ে পড়ে। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। জিআরপি ও আরপিএফ অবরোধ হঠানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। দীর্ঘক্ষণ হাওড়া-বর্ধমান মেন ও ব্যান্ডেল শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ কর্তারা। পুলিশ লাইন থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী-র‍্যাফ-উইনার্স টিম ও কমব্যাট ফোর্সও ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এরপরেই কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করে।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    মানকুণ্ডু স্টেশনের অবরোধ নিয়ে ট্যুইট সুকান্তর

    রেল অবরোধ (BJP Bangla Bandh) নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ট্যুইট করে বলেন, বনধের সমর্থনে সাধারণ মানুষও সামিল হয়েছেন।

    <p

    পথ অবরোধে বিজেপি কর্মীরা

    ট্রেন ছাড়া হুগলি জেলার একাধিক জায়গায় পথ অবরোধও (BJP Bangla Bandh) করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। শ্রীরামপুরের পেয়ারাপুরের কাছে দিল্লি রোডের মোড়ে অবরোধকারীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের হাতাহাতি হয়। হাতাহাতিতে আহত হন দুপক্ষের বেশ কয়েকজন। শ্রীরামপুর থানা থেকে পুলিশের বড় বাহিনী গিয়ে দুপক্ষকে বুঝিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, শনিবার পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা, মৎস্যজীবীদের নিষেধাজ্ঞা

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, শনিবার পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা, মৎস্যজীবীদের নিষেধাজ্ঞা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সাতদিন মাঝারি বৃষ্টির (Weather Update) পূর্বাভাস রয়েছে বঙ্গে। একই সঙ্গে ১২টি জেলায় রয়েছে হলুদ সর্তকতা (Yellow warning)। বঙ্গোপসাগরে এখনও রয়েছে একটি নিম্নচাপ। এর ফলে শনিবার পর্যন্ত সমুদ্র উত্তাল থাকবে। হাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

    বজ্রবিদ্যুৎ সহ মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর জানা গিয়েছে, আগামী সাতদিন কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে মাঝারি বৃষ্টিপাত (Weather Update) হবে। তবে কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিগত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে একাধিক এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। মঙ্গলবার কলকাতা শহরের একাধিক জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমের একাধিক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বৃহস্পতিবার দুই চব্বিশ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একাধিক জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা (Yellow warning)।

    আরও পড়ুন: একসঙ্গে নবান্ন-লালবাজার-কালীঘাট অভিযান! বড় কর্মসূচির ডাক দিলেন শুভেন্দু

    কলকাতায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে

    অনুরূপ আবহাওয়ার পরিবেশ থাকবে উত্তরবঙ্গেও। উত্তরের দার্জিলিং, কালিম্পং বাদে বাকি জেলায় ভারী বৃষ্টির (Weather Update) তেমন কোনও সম্ভাবনা না থাকলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কলকাতায় তেমন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টির কারণে শহরের তাপমাত্রা কিছুটা কম হয়েছে।বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ থাকায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৫ কিমি বেগে বাতাস বওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা উপকূলে আগামী ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত এই উত্তাল পরিস্থিতি থাকবে। শুক্র ও শনিবার পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল হতে পারে। প্রতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে সমুদ্রে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার ৭ দিনের ধর্না বিজেপির, ঘোষণা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার ৭ দিনের ধর্না বিজেপির, ঘোষণা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপিকে ধর্নায় বসার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এরপরই বুধবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জানান, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে বিজেপির ধর্না। আগামী ৭ দিন ধরে চলবে এই ধর্না কার্যক্রম। বুধবার এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের এজলাসে। 

    ধর্নার অনুমতি আদালতের

    আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপির তরফে ধর্মতলায় অবস্থান বিক্ষোভ করতে চেয়ে কলকাতা পুলিশের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া না পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। এদিন শুনানিতে আদালত জানিয়েছে, ২৯ অগাস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্না (BJP Dharna) অবস্থান করতে পারবে গেরুয়া শিবির। কিন্তু কোনও অবস্থাতেই মঞ্চে এক হাজার জনের বেশি থাকা যাবে না। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ৭ দিনের এই ধর্না কর্মসূচি পালনের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের তরফে বিজেপিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাজ্যে আইনের শাসন নেই, সংবিধান নেই বলেও অভিযোগ করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। প্রতিবাদ করতে হলেই হাইকোর্টে যেতে হয়। পাশাপাশি সুকান্ত আরও বলেন, ‘‘পুলিশ গুলি চালানো বন্ধ করতে পারে না অথচ বিজেপির মিছিল বন্ধ করতে যায়। বিজেপি নেতাদের পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কিন্তু অপরাধীকে নয়।’’ 

    রাজ্যপালকে চিঠি

    নবান্ন অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকেও চিঠি দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে সুকান্তর আবেদন দ্রুত ছাত্রদের মুক্ত করা হোক। রাজ্যপাল এ বিষয়ে যেন রাজ্য সরকারের সঙ্গ কথা বলে আর্জি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BJP Bangla Bandh: বন‍্ধের বিরুদ্ধে দায়ের জনস্বার্থ মামলা খারিজ, মামলাকারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    BJP Bangla Bandh: বন‍্ধের বিরুদ্ধে দায়ের জনস্বার্থ মামলা খারিজ, মামলাকারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির বন‍্ধের (BJP Bangla Bandh) বিরোধিতা করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে আদালতে মুখ পুড়ল সঞ্জয় দাস নামে এক আইনজীবীর। আইনজীবীর করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। জনস্বার্থ মামলা করার জন্য মামলাকারীকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন প্রধান বিচারপতি। একইসঙ্গে কড়়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বনধের বিরুদ্ধে মামলা (BJP Bangla Bandh)

    নবান্ন অভিযানে পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিজেপির পক্ষ থেকে ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্‍ধ (BJP Bangla Bandh) ডাকা হয়। মঙ্গলবারই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বন‍্‍ধ ঘোষণা করেন। আর সেই বন‍্‍ধকে অবৈধ ঘোষণার দাবিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী সঞ্জয় দাস। দেশের একাধিক হাইকোর্টের রায় উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, হঠাৎ করে ডাকা এই বন‍্‍ধ জনস্বার্থের পরিপন্থী। বুধবারই মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। নিয়ম মেনে এদিন সকালে জনস্বার্থ মামলাটি ওঠে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে। মামলাকারীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, তিনি যে নিজেকে জনহিতকারী এবং জনদরদি হিসাবে তুলে ধরেছেন, সেই সংক্রান্ত কোনও কাজের উদাহরণ পেশ করতে পারবেন কি? মানুষের জন্য তিনি কাজ করেছেন বা গরীব মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন সেই সংক্রান্ত কোনও উদাহরণ দিতে পারেননি মামলাকারী আইনজীবী। এর পরই মামলাটি খারিজ করে মামলাকারীকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন প্রধান বিচারপতি। 

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    জনস্বার্থ মামলায় নিষেধাজ্ঞা, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    এদিন আদালতে (Kolkata High Court) শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই মামলার (BJP Bangla Bandh) মাধ্যমে আদালতকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আইন প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করেছেন মামলাকারী আইনজীবী। হাইকোর্টের বিচারপতিদের বিচার্য বিষয় পরিবর্তনের আবেদন করে একটি মামলা করেছিলেন। তিনি বিচারপতি অমৃতা সিনহার আদালত থেকে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা সংক্রান্ত মামলাগুলি সরানোর আবেদন করে মিথ্যা তথ্য আদালতে পরিবেশন করেছিলেন। সেই আবেদন আদালতের কাজে হস্তক্ষেপের সামিল। তাই, আদালত নির্দেশ দিচ্ছে, সঞ্জয় দাস কখনই আর কোনও জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে পারবেন না। সঙ্গে আদালতের কাজে হস্তক্ষেপের জন্য তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share