Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Calcutta High Court: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    Calcutta High Court: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের ব্যানারে গত মঙ্গলবার নবান্ন অভিযান হয়। তারপরে রাতে পুলিশ গ্রেফতার করে সংগঠনের আহ্বায়ক সায়ন লাহিড়িকে (Sayan Lahiri)। এবার গ্রেফতার হওয়া ছাত্র নেতাকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ওই নির্দেশে বলা হয়েছে, আজ শনিবার দুপুর দুটোর মধ্যে ছাত্র নেতাকে ছাড়তে হবে। এর পাশাপাশি আদালতে নির্দেশ ছাড়া সায়ন লাহিড়ির বিরুদ্ধে কোনও রকমের পদক্ষেপও নেওয়া যাবে না। এই নির্দেশে উচ্ছ্বসিত শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘সম্মানীয় আদালতের হস্তক্ষেপে রাজ্যের যুবকদের প্রতিবাদের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা রোধ করা সম্ভব হয়েছে। আমি সায়ন লাহিড়ির মুক্তির নির্দেশকে স্বাগত জানাচ্ছি। অবৈধভাবে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই সময়টাকে যুবকদের জয় বলে পালিত করা হোক।’’ তিনি আরও লেখেন, ‘‘লড়াই চালিয়ে যাও, আওয়াজ ওঠাও।’’

    বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে চলে শুনানি (Calcutta High Court)

    ছাত্রনেতা সায়নের গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা হয়। এই মামলাটির শুনানি ছিল শুক্রবার, বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। সেখানে বিচারপতি সিনহা সায়ন লাহিড়িকে ছেড়ে দেওয়া নির্দেশ দেন। এর পাশাপাশি বিচারপতি আরও জানিয়েছেন যে আদালতের অনুমতি ছাড়া আগামী দিনে কোনও বড় পদক্ষেপ করা যাবে না সায়নের বিরুদ্ধে। শুধু নবান্ন অভিযান নয়, এর পাশাপাশি অন্য যেকোনও কিছুতে যদি এফআইআর থাকে সেক্ষেত্রে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। শুক্রবারে সায়নের গ্রেফতারি নিয়ে অনেক প্রশ্নই তোলে কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট প্রশ্ন তোলে যে আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি? বিচারপতি অমৃতা সিনহা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেন এদিন। তিনি জানান, আরজি কর ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই প্রতিবাদ কর্মসূচি হলে ওই ঘটনার জন্য প্রাক্তন অধ্যক্ষ দায় এড়াতে পারেন না। তাঁকে কি হেফাজতে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে?

    অনেক রাজনৈতিক নেতাও তো প্ররোচনামূলক ভাষণ দেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে

    হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রশ্ন, সায়ন কোন রাজনৈতিক দলের নেতা? রাজ্য জানায়, তিনি ছাত্রনেতা। যা শুনে বিচারপতি সিংহের প্রশ্ন, ওই ছাত্রনেতাকে কী ভাবে এত প্রভাবশালী বলা হচ্ছে? তিনি কি এতই জনপ্রিয় যে ডাক দিলেন আর হাজার হাজার লোক জড়ো হয়ে গেল? তাঁর কী অতীত রয়েছে? সায়ন কি সক্রিয় রাজনীতিতে রয়েছেন? না কি গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল! পাল্টা বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘অনেক রাজনৈতিক নেতাও তো প্ররোচনামূলক ভাষণ দেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে? তা ছাড়া ওই ছাত্রনেতা সরাসরি নবান্ন অভিযানের অশান্তিতে জড়িত, এমন কোনও তথ্য নেই।’’ এ ছাড়া সায়নকে হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: ৯৩ ডাক্তারকে শোকজ! আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নামার শাস্তি?

    Tamluk: ৯৩ ডাক্তারকে শোকজ! আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নামার শাস্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) প্রতিবাদ আন্দোলন চলাকালীনই ৯৩ জন ডাক্তারকে শোকজ করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য দফতর। ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট অ্যাক্ট ভাঙার অভিযোগ তুলে শোকজ করা হয়েছে বলে খবর। চিকিৎসকদের একাংশ অবশ্য মনে করছেন আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামার কারণেই চিঠি দেওয়া হয়েছে এই ডাক্তারদের। যদিও জেলা (Tamluk) স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষে জানানো হয়েছে আরজি করের ঘটনার সঙ্গে এর কোনও যোগ নেই।

    একসঙ্গে শোকজ কেন

    তমলুকে (Tamluk) একসঙ্গে ৯৩ জন ডাক্তারকে শোকজ করা নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তালিকায় রয়েছেন বহু নামী চিকিৎসকরা। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট অ্যাক্টকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একাধিক নার্সিংহোমের সঙ্গে যুক্ত ৯৩জন ডাক্তার। ডাক্তারদের পাশাপাশি প্রায় ৭০টি নার্সিংহোমেও নোটিস পাঠানো হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে।  উল্লেখ্য তমলুক শহরে মোট আশিটির কাছাকাছি নার্সিংহোম রয়েছে। এই সমস্ত নার্সিংহোমগুলি থেকে স্বাস্থ্য সাথীর বিল খতিয়ে দেখতে গিয়ে  চিকিৎসকদের এই অনিয়মের পর্দা ফাঁস হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কাছে। সেখানে দেখা গিয়েছে একটি নার্সিংহোম থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত অপর একটি নার্সিংহোমে একই ডাক্তার একই সময়ে দুটি রোগীর অপারেশন করছেন এবং সেই বিল স্বাস্থ্য সাথীর আওতায় আনা হচ্ছে। এরপরই শোকজ করা হয় ডাক্তারদের। তবে, তমলুকের চিকিৎসকদের সংগঠন আইএমএ-র পক্ষে জোরালো অভিযোগ তুলে বলা হয়েছে আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনায় চিকিৎসকরা রাস্তায় নামার কারণেই এধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, আগে কেন দেখা হয়নি? অনিয়ম থাকলে অবশ্যই জবাব দিতে হবে চিকিৎসকদের, কিন্তু সেটা আরজিকরের ঘটনার মধ্যে কেন?

    আরও পড়ুনঃ ঘটনার দিন কাকে কাকে ফোন? সন্দীপের বয়ানের সঙ্গে কল রেকর্ড মেলাচ্ছে সিবিআই

    চিকিৎসকদের দাবি

    আইএমএ তমলুক (Tamluk) শাখার সম্পাদক চিকিৎসক কল্যাণময় বসু বলেন, “আমরা আইএমএ থেকে খবর পেয়েছি। একসঙ্গে ৯৩ জনকে নোটিস আন্দোলনের সময় এটা দেখতে হবে। এই আন্দোলনে তো সবস্তরের মানুষ যোগ দিয়েছেন। সিএমওএইচ কেন নোটিস দিলেন, যাচাই করে দেখব।” বিজেপির তমলুক নগর মণ্ডল সভাপতি সুকান্ত চৌধুরী বলেন, “এতদিন কি সিএমওএইচ ঘুমোচ্ছিলেন? যেই আরজি করের (RG Kar Incident) জাস্টিস চেয়ে পথে নেমেছেন, তাই এই নোটিস দিয়েছেন। এমনিই তো নার্সিংহোমগুলো কোনও আইন মানে না।” যদিও তমলুক শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সম্পাদক আইনজীবী দেবদূত মিদ্যার বক্তব্য, আইন বলে দিয়েছে ডাক্তারদের কী ভূমিকা। তাই সেটা ওনারা ভালই জানেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: বাঁকুড়ায় বিস্ফোরণে দুজনের মৃ্ত্যু, এনআইএ তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    Bankura: বাঁকুড়ায় বিস্ফোরণে দুজনের মৃ্ত্যু, এনআইএ তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) লাউপাহাড়ি এলাকায় বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিস্ফোরণে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাথর উত্তোলনের জন্য ডিনামাইট নিয়ে যাচ্ছিলেন দু’জন। তা ফেটে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁদের! ঘটনার পর পরই শালতোড়া থানার পুলিশ জখমদের প্রথমে শালতোড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন বিরোধী দলনেতা (Bankura)

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, “বাঁকুড়ার (Bankura) শালতোড়া থানার ঝনকা গ্রামের বাসিন্দা জয়দেব মণ্ডল এবং আরও একজন তাঁদের বাইকে ডিনামাইট নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, তা ফেটে গিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মূলত অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য তা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।” এই পোস্ট করে তিনি রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমার এবং বাঁকুড়ার এসপিকে ট্যাগও করেছেন। অনুরোধ জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা না এড়িয়ে যেতে এবং কড়া ব্যবস্থা নিতে। যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের দেহ পুড়িয়ে ফেলার জন্য তাড়াহুড়ো করছে পুলিশ। তাই এনআইএ-কে তদন্তভার নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি এই পোস্টের মাধ্যমে। অভিযোগ উঠেছে, জয়দেব মণ্ডল শালতোড়া এলাকার অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাথর উত্তোলনের জন্য ডিটোনেটর সাপ্লাই করতেন। তৃণমূলকে দুষেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, শালতোড়া এলাকায় অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণের ঘটনা আগের থেকে আরও বেড়েছে তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তীর কারণে! আর এই কাজের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশও যুক্ত। গোটা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। অনুগ্রহ করে বিষয়টির দিকে নজর দেওয়ার জন্য এনআইএ-র ডিজি-র কাছে তিনি আর্জি জানান।”

    <

    বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে চারটি গ্রাম!

    শালতোড়ার (Bankura) বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি বলেন, “বিস্ফোরণের আওয়াজ এতটাই ছিল যে অন্তত চারটি গ্রাম কেঁপে উঠেছে। যে ছবি দেখেছি তাতে স্পষ্ট, জয়দেব বিস্ফোরক নিয়েই যাচ্ছিলেন। পুলিশ বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘তালা লাগাও অভিযান’কে ঘিরে ধুন্ধুমার, কী বললেন বিজেপি নেত্রীরা?

    RG Kar Incident: ‘তালা লাগাও অভিযান’কে ঘিরে ধুন্ধুমার, কী বললেন বিজেপি নেত্রীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মসূচির নাম ‘তালা লাগাও অভিযান’। আয়োজক বিজেপির (BJP) মহিলা মোর্চা। শুক্রবার বিজেপির এই কর্মসূচিকে ঘিরেই ধুন্ধুমার কাণ্ড। আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে এদিন সল্টলেকে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশনে তালা লাগাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিজেপির মহিলা মোর্চা। বিক্ষোভকারীদের রুখতে রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড করে পুলিশ।

    কর্মসূচিকে ঘিরে ধুন্ধুমার (RG Kar Incident)

    মহিলা কমিশনের অফিসে ঢুকতে না পেরে রাস্তার ওপরেই বসে পড়ে স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্যরা। এদিন তাঁদের মুখে ছিল, ‘দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। পুলিশ মিছিল আটকালে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ধস্তাধ্বস্তিতে জড়িয়ে পড়ে তারা। মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেই দু’পক্ষে বেঁধে যায় খণ্ডযুদ্ধ। পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে। সঙ্গে সঙ্গেই অবশ্য তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ পাঁচজনের একটি প্রতিনিধি দলকে কমিশনের অফিসে যাওয়ার অনুমতি দেয়।

    কমিশনের অফিসে তালা

    এর পরেই ভেতরে যান প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল এবং দেবশ্রী চৌধুরী-সহ মোট পাঁচজন। লকেটরা যখন অফিসে ঢোকেন, তখন দফতরে ছিলেন রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়। কমিশনের অফিসে প্রতীকী তালা ঝুলিয়ে দেয় বিজেপির মহিলা প্রতিনিধি দল। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে শ্যামবাজারের ধর্নামঞ্চ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    আরও পড়ুন: সম্পাদক সুরাবর্দির উত্তরসূরি! তাই কি হিন্দু নিধনের খবর চাপল ‘ঢাকা ট্রিবিউন’?

    এদিনের কর্মসূচি শেষে পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তোলে (RG Kar Incident) বিজেপি। লকেট বলেন, “আমাদের অবৈধভাবে আটকে দিয়েছিল পুলিশ। কোনও কাগজ দেখাতে পারেনি। এয়ারপোর্টের আড়াই নম্বর গেটের কাছেও, আমাদের কর্মীদের আটকানো হয়। যত বাধা দেবে, তত এগোব।” তিনি বলেন, “মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের ভয় পাচ্ছেন। কত আটকাবে? গোটা রাজ্যের মানুষই তো পথে নেমেছেন।”

    বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “আমরা কোনও বাধা মানব না। আমাদের আন্দোলন চলবে। আমাদের কর্মসূচির জেরে ভয় পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জন্যই এত পুলিশ দিয়ে আমাদের আন্দোলন আটকানোর চেষ্টা করছেন।” এদিনের কর্মসূচিতে ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীও। তিনি বলেন, “রাজ্যে মহিলাদের ওপর প্রতিদিনই অত্যাচারের ঘটনা ঘটছে (BJP)। এই সব ঘটনার জন্য মহিলা কমিশনের কোনও পদক্ষেপই চোখে পড়ছে (RG Kar Incident) না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    RG Kar Rape-Murder: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে বলেছিল ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার। আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) হত্যা মামলায় এবার সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করল সুচরিতা মজুমদারকে। নিহত চিকিৎসকের পরিবারকে তিনিই ফোন করে প্রথমে অসুস্থ এবং পরে আত্মহত্যার তথ্য দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রথম থেকেই গোটা ঘটনাটিকে আড়াল করেছিল অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে মৃত চিকিৎসকের পরিবার। ন্যায় বিচারের দাবিতে রাজ্যজুড়ে চলছে আন্দোলন।  

    মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারের বক্তব্য (RG Kar Rape-Murder)

    সুপ্রিম কোর্টে, আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিয়ে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে এই অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা বলেছেন, “তাঁর আচরণ খুব সন্দেহজনক।” বৃহস্পতিবার ইতিমধ্যে তিনটি অডিও ভাইরাল হয়েছে সামজিক মাধ্যমে। এই অডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার ও মৃতার পরিবারের মধ্যে কথপোকথনের। অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই সিবিআই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন দেহ উদ্ধারের পর অনেক ছাত্র-ছাত্রী এবং আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন ওখানে। চেস্ট বিভাগের প্রধান  সুচরিতাকে মৃতার বাড়িতে ফোন করতে বলা হয়। যেহেতু তাঁর বাড়িতে বয়স্ক লোক রয়েছেন, তাই বিচলিত না হওয়ার জন্য প্রথমে অসুস্থতার কথা বলা হয়। তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুবার ফোন করে আবার অসুস্থার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু অনেক সময় ধরে পরিবার হাসপাতালে না আসায়, এরপর আবার ফোন করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ ঘটনার দিন কাকে কাকে ফোন? সন্দীপের বয়ানের সঙ্গে কল রেকর্ড মেলাচ্ছে সিবিআই

    ঘাবড়ে গিয়ে আত্মহত্যার বার্তা!

    সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার নিজে ঘটনায় ঘাবড়ে গিয়ে আত্মহত্যার বার্তা দিয়েছিলেন। এখন প্রশ্ন হল, সত্যিই কি ঘাবড়ে গিয়েছিলেন, নাকি কেউ তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে ‘অত্যন্ত সন্দেহজনক’। তাই সিবিআই স্ক্যানারেই রেখেছে ওই অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে। গোটা ঘটনায় পুলিশের এফআইআর দায়ের করার সময়, ময়নাতদন্তের সময়, ঘটনাস্থলের ক্রাইম সিন এবং সেই সেমিনার হল-সহ ইত্যাদি নিয়ে অনেক অস্পষ্টতা রয়েছে। পুলিশ এবং হাসপাতাল (RG Kar Rape-Murder) কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও বিস্তর প্রশ্ন উঠেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: সহকর্মীর হত্যার বিচারের দাবিতে সিবিআই দফতরে অভিযানের ডাক

    RG Kar Rape-Murder: সহকর্মীর হত্যার বিচারের দাবিতে সিবিআই দফতরে অভিযানের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) হত্যাকাণ্ডে মৃত মহিলা চিকিৎসকের ন্যায় বিচারের দাবিতে শনিবার মহামিছিলের ডাক দিলেন ডাক্তাররা। আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা বলেন, “আমাদের সহকর্মীর নৃশংস নির্মম খুনের প্রতিবাদে মহামিছিল করে অভিযান হবে সিবিআই দফতর (CBI office) পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের জেলায় জেলায় একাধিক সামাজিক রাজনৈতিক সংগঠন সোচ্চার হয়েছে। চারিদিকে একটাই দাবি, দোষীর শাস্তি চাই। বিজেপির পক্ষ থেকে আগামী ১ সেপ্টেম্বর কলেজ স্ক্যোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    ‘সিবিআইকে তথ্য-নথি দেব'(RG Kar Rape-Murder)

    ইতিমধ্যে কলকাতার রাস্তায় প্রতিবাদ বিক্ষোভে (RG Kar Rape-Murder) শামিল হয়েছেন ডাক্তাররা। আরজি কর হাসপাতালেও তাঁদের বিক্ষোভ ধর্না জারি রয়েছে। ডাক্তার মানস গুমটা বলেন, “সারা রাজ্য থেকে কয়েক হাজার ডাক্তার শনিবার মিছিলে আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। আমরা অভয়ার দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই। সেই সঙ্গে ধর্ষক এবং খুনিরা যাদের ছত্রছায়ায় ছিল, তাদের কঠোর সাজা চাই। এই দাবি নিয়ে আমরা পদযাত্রা করব। মিছিল করে সিজিও কমপ্লেক্স (CBI office) পর্যন্ত যাব। তবে যদি আমাদের সিবিআই অফিসারদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ থাকে, তাহলে আমরা কথা বলব। আমাদের কাছে যা তথ্য এবং নথি রয়েছে, তা আমরা তুলে দেওয়ারও চেষ্টা করব।”

    আরও পড়ুনঃ আরজি করে ভুল প্রক্রিয়ায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে! দাবি সিবিআইয়ের, প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা?

    ২০ দিন ধরে কর্মবিরতি পালন

    ইতিপূর্বে জুনিয়র ডাক্তাররা সহকর্মীর নির্মম হত্যার (RG Kar Rape-Murder) বিরুদ্ধে সিজিও কমপ্লেক্সে অভিযান করেছিলেন। জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অব ডক্টরস আরজিকর হাসপাতালে প্ল্যাটিনাম জুবলি বিল্ডিংয়ের সামনে ধর্নায় বসেছিল। স্বাস্থ্য ভবন অভিযান হয়েছিল। সরকার পক্ষের সঙ্গে আশানুরূপ কোনও আলোচনা হয়নি বলেই দাবি। এবার ন্যায় বিচার এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে সিবিআই দফতর (CBI office) অভিযান করবেন চিকিৎসকরা। এদিকে, টানা ২০ দিন ধরে জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি পালন করে যাচ্ছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজে যোগদান করতে অনুরোধ করা হয়েছে তাঁদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: ঘটনার দিন কাকে কাকে ফোন? সন্দীপের বয়ানের সঙ্গে কল রেকর্ড মেলাচ্ছে সিবিআই

    RG Kar Rape-Murder: ঘটনার দিন কাকে কাকে ফোন? সন্দীপের বয়ানের সঙ্গে কল রেকর্ড মেলাচ্ছে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে শুক্রবার ফের হাজিরা দিলেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। এদিন বেলা ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে পৌঁছান তিনি। এই নিয়ে টানা ১৪ দিন সিবিআই দফতরের জেরার মুখোমুখি হলেন তিনি। গত ১৩ দিনে ১০০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তদন্তকারী অফিসাররা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে ইতিমধ্যে তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে।

    ঘটনার দিন কাকে কাকে ফোন করেন সন্দীপ (RG Kar Rape-Murder)?

    নির্যাতিতা চিকিৎসক তরুণীর মা-বাবা বারবার সাক্ষাৎকারে বলেন, “হাসপাতাল (RG Kar Rape-Murder) কর্তৃপক্ষ প্রথমেই বলেছে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। বারবার আমরা জানতে চেয়েছি মেয়ের কী হয়েছে? কিন্তু হাসপাতাল থেকে কোনও স্পষ্ট করে উত্তর দেয়নি।” ওই দিন সন্দীপের (Sandip Ghosh) ভূমিকা কেমন ছিল তাই জানতে চায় সিবিআই। সন্দীপ অবশ্য তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, সকাল ১০টা নাগাদ বাড়িতে ছিলেন তিনি। সেই সময় হাসপাতাল থেকে সুমিত রায় তপাদার ফোন করেছিলেন। কিন্তু সেই সময় ফোন ধরতে পারেননি। এরপর কল ব্যাক করেন এবং জানতে পারেন দেহ উদ্ধার হয়েছে। এরপর হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন। এরপর পথে যেতে যেতেই টালা থানার ওসিকে এবং এমএসভিপিকে ফোন করেন। সেই সঙ্গে ফোন করেন রোগী কল্যাণ সমিতির সুদীপ্ত রায়কে। একইভাবে চেস্ট মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধানকেও ফোন করেছিলেন তিনি। সকাল ১১টায় হাসপাতালে পৌঁছান। ঘটনারক্রমের সঙ্গে সিডিআর, টাওয়ার লোকেশন ইত্যাদির বিষয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টও প্রশ্ন তুলেছে।

    আরও পড়ুনঃ আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যান কলকাতার ক্লাবের

    অধ্যক্ষ হিসেব সন্দীপ দুর্নীতিগ্রস্ত (Sandip Ghosh)

    চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের মামলার পাশাপাশি একইভাবে হাসপাতলে (RG Kar Rape-Murder) আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর অধ্যক্ষ থাকাকালীন হাসাপাতালে দুর্নীতি হওয়ায় সন্দীপের দিকেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে। ওই হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি আদালতে বলেন, “অধ্যক্ষ হিসেব সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) ব্যাপক ভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত লোক। চিকিৎসায় জৈব বর্জ্য দুর্নীতি, সরকারি টাকার দুর্নীতি, ভেন্ডার নির্বাচনে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, নির্মাণে আইন ভেঙে টেন্ডার দেওয়া ইত্যাদি কাজ করেছেন।” সিবিআই এই সূত্র ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এর মধ্যে রবিবার তাঁর বাড়িতে আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করার জন্য তল্লাশিও চালিয়েছিল সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যান কলকাতার ক্লাবের

    RG Kar Rape-Murder: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যান কলকাতার ক্লাবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর অনুদান (Durga Puja donation) ফেরত দিল কলকাতার একটি নামী ক্লাব। এর আগে, হুগলির চারটি ক্লাব দুর্গাপুজোয় সরকারি অনুদান প্রত্যাখ্যান করার কথা জানিয়ে দিয়েছে। তবে, এই প্রথম কলকাতার কোনও ক্লাব একই পথে হাঁটল। এই বছর দুর্গাপুজোয় আয়োজক ক্লাবগুলিকে রাজ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৮৫ হাজার টাকা করে অনুদানের কোথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আরজি কর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Rape-Murder) এবার এই টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করল গার্ডেনরিচের ‘মুদিয়ালি আমরা ক’জন ক্লাব’ উদ্যোক্তারা।

    মুদিয়ালি আমরা ক’জন ক্লাব’-এর বক্তব্য (RG Kar Rape-Murder)

    গার্ডেনরিচের ‘মুদিয়ালি আমরা ক’জন ক্লাব’-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘‘আরজি কর হাসপাতলে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার (RG Kar Rape-Murder) প্রতিবাদে এই অনুদান প্রত্যাখ্যান (Durga Puja donation) করা হচ্ছে। নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের জন্য এই সিদ্ধান্ত। পুজোর জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া ৮৫ হাজার টাকা প্রতিবাদ স্বরূপ গ্রহণ করলাম না।’’ একই ভাবে এই ক্লাবের প্রেসিডেন্ট বলেন, “প্রতিবছর আমরা মা দুর্গার আগমনের জন্য অপেক্ষা করে থাকি। আমরা দেখছি বর্তমান তৃণমূল সরকার মাকে নিয়ে আসার জন্য ৮৫ হাজার টাকা দিচ্ছে, আর বিসর্জনের জন্য ১০ লক্ষ টাকার কথা বলা হচ্ছে। আমরা নির্যাতিতার বিচার চাই। একজন মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে আমার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।”

    আমারা সরকারি অর্থে পুজো করব না

    আরজি কর হত্যাকাণ্ডের (RG Kar Rape-Murder) প্রতিবাদে আগেই উত্তরপাড়ার তিনটি ক্লাব তৃণমূল সরকারের পুজোর অনুদান প্রত্যাখান করেছে। উত্তরপাড়ার মহিলাদের পুজো ‘বৌঠান সঙ্ঘ’,  ‘উত্তরপাড়া শক্তি সঙ্ঘ’, ‘আপনাদের দুর্গাপুজো’— এই তিনটি ক্লাব অনুদান নিতে অস্বীকার করেছে। তিনটি ক্লাবের বক্তব্য, “আমরা সরকারি অর্থে পুজো করব না। আগে মহিলা চিকিৎসক খুনের ন্যায় বিচার চাই।” ক্লাবগুলির পক্ষ থেকে জেলাশাসকের কাছে এই বিষয়ে চিঠি করা হয়েছে। এরপর কোন্নগরের ক্লাব ‘মাস্টারপাড়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি’ একই পথে হেঁটেছে। এলাকার মানুষের বক্তব্য, “প্রতিবাদের ফলে যদি পরের বছর রাজ্য অনুদান (Durga Puja donation) না দেয়, তাহলেও আমাদের পুজো আটকাবে না।”

    আরও পড়ুনঃ নবান্ন অভিযান-বন‍্ধে পুলিশি অত্যাচার, পুলিশ কমিশনারকে নোটিশ মানবাধিকার কমিশনের

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং পুলিশমন্ত্রীর দায়!

    উল্লেখ্য, রাজ্যে মমতার সরকার প্রতি বছর রাজ্যের পুজো উদ্যোক্তাদের অনুদান দিয়ে থাকে। আগে টাকার পরিমাণ ছিল ২৫ হাজার টাকা। ২০২২ সালে বেড়ে হয় ৬০ হাজার টাকা। ২০২৩ সালে অনুদানের পরিমাণ আরও বেড়ে হয় ৭০ হাজার টাকা। এই বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মলেন করে সেই অঙ্ক ৮৫ হাজার টাকা করেছেন। একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার খরচ মকুব করেছেন। প্রসঙ্গত, ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতলে শিক্ষানবিশ-চিকিৎসককে ধর্ষণ (RG Kar Rape-Murder) করে খুনের ঘটনা ঘটেছিল। মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং পুলিশমন্ত্রী মমতা হওয়ায় ঘটনার দায় তিনি এড়াতে পরেন না, এমনটাই দাবি তুলে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদে নেমেছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করে ভুল প্রক্রিয়ায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে! দাবি সিবিআইয়ের, প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা?

    RG Kar: আরজি করে ভুল প্রক্রিয়ায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে! দাবি সিবিআইয়ের, প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar) নিহত তরুণী চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ উদ্ধারের পরই পুলিশ ও ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগকেই কার্যত সিলমোহর দিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে একাধিক বেনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে বলে খবর। সিবিআই (CBI) সূত্রে খবর, দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করার কথা যে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের, তাঁরা তা করেননি। বদলে দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন অন্য ফরেন্সিক টিম (যাঁরা ওই কাজের যোগ্য নন!) চিকিৎসক মহলের মতে, সাধারণত ফরেন্সিক মেডিসিনের বিশেষজ্ঞরাই মৃতদেহ থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেন। তাঁরা পেশায় চিকিৎসক হন। অন্যদিকে, ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন ফরেন্সিক গবেষকরা। তাঁরা চিকিৎসক নন। কিন্তু, বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

    কী বলছে সিবিআই?

    প্রসঙ্গত দেহ থেকে যাঁরা (RG Kar) নমুনা সংগ্রহ করেন বিশেষ বিশেষ ঘটনার ক্ষেত্রে তাঁদের আলাদা আলাদা দক্ষতার প্রয়োজন থাকে। যেমন বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে মৃত্যুতে কিছু বিশেষ দিক থাকে, আবার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় নমুনা সংগ্রহের আলাদা দিক থাকে। সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের কথায়, “ঘটনাস্থলে আততায়ীর পায়ের ছাপ এবং হাতের ছাপের নমুনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেমিনার হলে উপস্থিত অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও আইনজীবীদের প্রত্যেকেরই ওই বিষয়ে জানার কথা। তা সত্ত্বেও এমন হল কীভাবে?” জানা গিয়েছে, আরজি করের নিহত চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের দিন যে দুই ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছিলেন তাঁদের সম্পর্কে ইতিমধ্যেই খোঁজখবর নিয়েছে সিবিআই। দু’জনকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে এবং তাঁরা ঠিক কাদের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন তাও জানার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (CBI)।

    কলকাতা হাইকোর্টে তথ্য প্রমাণ লোপাট ও কলকাতা পুলিশের অসহযোগিতার কথা লিখিতভাবে জানাবে সিবিআই

    এর পাশাপাশি, বেলগাছিয়াতে রাজ্য ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির (RG Kar) কর্তাদেরও চিঠি পাঠিয়েছে সিবিআই। ওই পরীক্ষাগারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সিবিআই যোগাযোগ করলেও পরীক্ষাগারে কর্তারা কোনও রকমের রিপোর্ট এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে দেয়নি। এমনটাই খবর সিবিআই সূত্রে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আর অভিযোগ, এক্ষেত্রে টালবাহানা এখনও অব্যাহত। সিবিআইয়ের এক কর্তা বলেন, “মৃতদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহে ধোঁয়াশা রয়েছে। আবার, তথ্য-প্রমাণ লোপাট করে মামলা দুর্বল করে দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।” সিবিআইয়ের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, আগামী শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টে তথ্য প্রমাণ লোপাট ও কলকাতা পুলিশের অসহযোগিতার বিষয়ে লিখিতভাবে তাঁরা জানাবেন।

    প্রথম থেকেই কি প্রমাণ লোপাটের (RG Kar) চেষ্টা শুরু হয়েছিল?

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে দেখা গিয়েছে ঘটনার দিন সেমিনার রুমে থিকথিক করছে ভিড়। সেই সময়ে আরজি করের ফরেন্সিক মেডিসিনের শিক্ষক চিকিৎসক দেবাশিস সোম সহ আরও অনেক জনই উপস্থিত ছিলেন। ইতিমধ্যেই দেবাশিসকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে সিবিআই। উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, তাঁকে সেমিনার রুমে পোস্টিং করা হয়েছিল সকালে, কিন্তু কে সেই নির্দেশ দিয়েছিলেন তা খোলসা করেননি দেবাশিস। ফরেন্সিক মেডিসিনের চিকিৎসক দেবাশিসের উপস্থিত থাকা নিয়েও দানা বেঁধেছে বিতর্ক। চিকিৎসকদের একটা অংশ বলছে, কোনও ঘটনার তথ্য-প্রমাণ লোপাট করতে হলে সেই বিষয়ে সব থেকে ভালো পরামর্শ দিতে পারেন ফরেন্সিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞই। তাহলে কি প্রথম থেকেই প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা শুরু হয়েছিল? কাকে আড়াল করতে? এমন প্রশ্ন উঠছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে দাবি করেছে, সকাল ন’টার পরেই দেহ দেখা গিয়েছিল কিন্তু বাস্তবে যে তেমনটা নয় তার প্রমাণ ইতিমধ্যেই পেয়েছে সিবিআই। কারণ দেহ উদ্ধারের দিন সাত সকালেই সেমিনার রুমে ভিড়ের সমস্ত প্রমাণ দেখা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NHRC: নবান্ন অভিযান-বন‍্ধে পুলিশি অত্যাচার, পুলিশ কমিশনারকে নোটিশ মানবাধিকার কমিশনের

    NHRC: নবান্ন অভিযান-বন‍্ধে পুলিশি অত্যাচার, পুলিশ কমিশনারকে নোটিশ মানবাধিকার কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজে’র নবান্ন অভিযান কর্মসূচিতে ও পরের দিন বিজেপির ১২ ঘণ্টা বাংলা বনধে পুলিশি অত্যাচার (Police Atrocities)। এই জোড়া অত্যাচারের প্রতিবাদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে চিঠি লিখেছিলেন বিজেপি নেতা তথা বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan)। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতার পুলিশ (Kolkata Police) কমিশনার বিনীত গোয়েলকে নোটিশ পাঠাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC)। নোটিশ পাওয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে এই ঘটনায় কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সেই রিপোর্ট মানবাধিকার কমিশনের কাছে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন সৌমিত্র। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন আরও পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি।

    কী লেখা হয়েছে চিঠিতে? (Saumitra Khan)

    চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিচালিত একটি হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ, খুনের ঘটনায় গোটা দেশে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনা পুরো দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় প্রতিবাদের পাশাপাশি ন্যায় বিচারের দাবিও জানানো হচ্ছে। এই কাণ্ডের ফলে রাজ্য সরকারের আসল চেহারা বাইরে বেরিয়ে এসেছে। মহিলা মুখ্যমন্ত্রী চালিত এক রাজ্যে মহিলারা যে সুরক্ষিত নন, তাও প্রকাশ্যে এসেছে।’ চিঠিতে বিষ্ণুপুরের সাংসদ (Saumitra Khan) লিখেছেন, ‘আরজি করের ঘটনার প্রেক্ষিতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদের জন্য গত ২৭ অগাস্ট বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের তরফে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক যোগসূত্র ছাড়া সকলে হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে হাঁটছিলেন। পুলিশের (Kolkata Police) তরফে এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর নির্মমভাবে অত্যাচার করা হয়। আন্দোলন ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ।’

    সৌমিত্রদের অভিযোগ

    সৌমিত্রদের (Saumitra Khan) অভিযোগ অনুযায়ী, নবান্ন অভিযানে ২০০ জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ (Kolkata Police) তাঁদের ওপর যে নির্যাতন করেছে, তা নৃশংস, নিষ্ঠুর। এতে তাঁদের শান্তিপূর্ণ জমায়েতের অধিকার খর্ব করা হয়েছে। মানুষের অধিকারের প্রতি পুলিশের যে অশ্রদ্ধা, নবান্ন অভিযানের ছাত্র সমাজের বিরুদ্ধে পুলিশের অত্যাচারই তার প্রমাণ।

    আরও পড়ুন: মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি, বাংলায় দুর্নীতির টাকা ফেরত দিতে শুরু করল ইডি

    কমিশন জানিয়েছে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে, মানুষের অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তা গুরুতর। সুপ্রিম কোর্টও পর্যবেক্ষণে এটা জানিয়েছে। পুলিশ (Kolkata Police) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে (NHRC) ব্যর্থ হয়েছে। তাই কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share