Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  •  RG Kar: আরজি কর-কাণ্ডে সরব, সাংবাদিকের ফোন নং ব্লক করার অভিযোগ মমতা সরকারের বিরুদ্ধে

     RG Kar: আরজি কর-কাণ্ডে সরব, সাংবাদিকের ফোন নং ব্লক করার অভিযোগ মমতা সরকারের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar) প্রতিবাদ জানানোয় সাংবাদিক অভিজিৎ মজুমদারের ফোন নম্বর ব্লক করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল মমতা সরকারে (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে। এনিয়ে সরব হয়েছেন সাংবাদিক। এই ঘটনাকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন ওই সাংবাদিক। এতে ভারতীয় সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারও খর্ব হচ্ছে বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক অভিজিৎ মজুমদার।

    নাগরিক সমাজের আওয়াজ দমন (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ে রয়েছে মৌলিক অধিকার, এখানকার ১৯ (এ) ধারাতে বাক-স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আরজি কাণ্ডের পর থেকেই নাগরিক সমাজের আওয়াজকে দমন করতে মমতা সরকার (Mamata Banerjee) একাধিক পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে, যা সংবিধান বিরোধী বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অভিজিৎ মজুমদারের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা সামনে এল। প্রসঙ্গত, গত ৩০ অগাস্ট সাংবাদিকের এয়ারটেলের নম্বর ব্লক করে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। সেই দিনই ট্যুইট করেন অভিজিৎ এবং জানান পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কথামতো এয়ারটেল তাঁর ফোন নং ব্লক করে দিয়েছে।

    কী বললেন সাংবাদিক?

    এরপরেই এয়ারটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন ওই সাংবাদিক। এয়ারটেল তাঁকে জানায়, সন্দেহজনক গতিবিধির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এনিয়ে অভিজিৎ লেখেন, ‘‘হয়তো কলকাতার ডাক্তারের ধর্ষণ ও খুন নিয়ে (RG Kar) আমি বেশি কথা বলে ফেলছিলাম, তাই আমার মুখ বন্ধ করতেই এমন উদ্যোগ নিল সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shreya Ghoshal: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ, নেতাজি ইন্ডোরে কনসার্ট পিছিয়ে দিলেন শ্রেয়া ঘোষাল

    Shreya Ghoshal: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ, নেতাজি ইন্ডোরে কনসার্ট পিছিয়ে দিলেন শ্রেয়া ঘোষাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (RG Kar protest) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতাতে নিজের কনসার্ট পিছিয়ে দিলেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল (Shreya Ghoshal)। শনিবারই গায়িকার তরফ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয় এবং সেখানেই নিজের অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন শ্রেয়া। প্রসঙ্গত, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে শ্রেয়া ঘোষালের ওই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। নিজের বিবৃতিতে গায়িকা জানিয়েছেন, আরজি করের ঘটনায় তিনি গভীর দুঃখ পেয়েছেন এবং নৃশংসতায় তিনি শিউরে উঠেছেন। এই পরিস্থিতিতে গানের কনসার্ট করার মতো অবস্থায় তিনি নেই। কলকাতায় আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে যে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছে, সেই আন্দোলনকেও সমর্থন জানিয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল।

    নিজের বিবৃতিতে কী বললেন শ্রেয়া ঘোষাল (Shreya Ghoshal)?

    শনিবার সকালে নিজের বিবৃতিতে শ্রেয়া ঘোষাল লেখেন, ‘‘কলকাতায় সম্প্রতি যে নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, আমাকে তা গভীর ভাবে প্রভাবিত করেছে। এক জন মহিলা হিসেবে ঘটনার নৃশংসতায় আমি শিউরে উঠছি। নির্যাতিতাকে কী ধরনের অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছিল, তা ভেবেই আমার গায়ে কাঁটা দিচ্ছে।’’ শ্রেয়া (Shreya Ghoshal) আরও বলেছেন, ‘‘আমি এবং আমার প্রচারক এফএম সংস্থা এই পরিস্থিতিতে কলকাতার কনসার্টটি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ১৪ সেপ্টেম্বর ওই কনসার্ট হওয়ার কথা ছিল। আগামী অক্টোবরে কনসার্টটি হবে। আমরা সকলেই এই কনসার্টের জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে প্রতিবাদীদের পাশে দাঁড়ানো অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বের মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করছি।’’

    আরজি কর কাণ্ড (RG Kar protest)

    প্রসঙ্গত গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদ আন্দোলন রাজ্য-দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়ে। উত্তাল হয় পশ্চিমবঙ্গ, যার রেশ এখনও রয়েছে। সমাজের সমস্ত ক্ষেত্রে, সমস্ত পেশার মানুষ এই আন্দোলনে সামিল হতে থাকেন। তখন থেকেই কর্মবিরতির মাধ্যমে প্রতিবাদ চলছে জুনিয়র ডাক্তারদের। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে এক অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়। হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত গিয়েছে সিবিআই-এর হাতে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বর্তমানে আরজিকর কাণ্ডের তদন্ত করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Midnapore Medical College: মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করা হতো! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রনেতা

    Midnapore Medical College: মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করা হতো! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকে ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজ্য সহ গোটাদেশ এখন তোলপাড়। সর্বত্র একটাই আওয়াজ উঠছে, অবিলম্বে দোষীর শাস্তি চাই। ঠিক এর মধ্যেই এবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের (Midnapore Medical College) মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর ব়্যাগিংয়ের অভিযোগে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মূল অভিযুক্ত টিএমসিপি (TMC student leader) ইউনিটের প্রভাবশালী নেতা মুস্তাফিজুর রহমান এবং তার অনুগামীরা। ইতিমধ্যে হবু চিকিৎসকরা আন্দোলনে নেমেছেন, তাঁদের দাবি একটাই, বহিষ্কার করতে হবে এই টিএমসিপি নেতাকে।

    প্রতিবাদ করলেই প্রাণে মারার হুমকি (Midnapore Medical College)

    মেডিক্যাল কলেজের (Midnapore Medical College) জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, এই তৃণমূল ছাত্রনেতা মুস্তাফিজুর রহমান (TMC student leader) মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করত। বেছে বেছে সুন্দরী পড়ুয়াদের নাচ করতে বলা হতো। এর প্রভাব এতটাই যে কলেজে পাশ কে করবে, আর ফেল কে করবে, তাও ঠিক করত এই অভিযুক্ত। প্রতিবাদ করলেই প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হতো। আবার ওই তৃণমূল ছাত্রনেতা আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ। তাদের একাধিক ছবি সামাজিক মাধ্যমে দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার থেকে অভিযুক্ত মুস্তাফিজুরকে কলেজে আসতে বারণ করা হয়েছে। পড়ুয়াদের দাবি অভিযুক্তকে অবিলম্বে বহিষ্কার করতে হবে। ইতিমধ্যে কলেজের কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের বিষয় নিয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    মুখ খুলতে সাহস দেখান না কেউ!

    সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর মেডিক্যালের (Midnapore Medical College) ছাত্রনেতা (TMC student leader) মুস্তাফিজুর রহমান এতটাই প্রভাবশালী যে কলেজের চিকিৎসকেরাও মুখ খুলতে সাহস দেখান না। এই বিষয় নিয়ে কলেজের প্রিন্সিপাল মৌসুমি নন্দীও কিছু বলতে চাননি। হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক বিভাগের প্রধান তারাপদ ঘোষ, অভিযুক্ত এই তৃণমূল ছাত্র নেতার কলেজে আসার নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে স্বীকার করেছেন।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rashtrapati Award: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাচ্ছেন শ্যামনগর শালবাগান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

    Rashtrapati Award: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাচ্ছেন শ্যামনগর শালবাগান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার (Rashtrapati Award) পেতে চলেছেন শ্যামনগর শালবাগান জিএসএফপি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত কুমার মারিক। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে জাতীয় শিক্ষক হিসেবে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন তিনি। তাঁর বাড়ি ইছাপুর বিধানপল্লি এলাকায়। তাঁর এই পুরস্কার পাওয়ার খবর জানাজানি হতেই খুশির হাওয়া গোটা এলাকায়।

    প্রধান শিক্ষককে সংবর্ধনা (Rashtrapati Award)

    শিক্ষক দিবসে (Teachers Day) প্রতি বছরেই কেন্দ্রের তরফে দেশের সেরা শিক্ষকদের পুরস্কৃত (Rashtrapati Award) করা হয়। এ বছর জাতীয় শিক্ষক সম্মানের জন্য সারা দেশ থেকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে বেছে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেছে নেওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বিশেষ শিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষাদানের জন্য সম্মানিত করেন রাষ্ট্রপতি। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এবছর দেশের অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে শ্যামনগরের শালবাগান জিএসএফপি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বেছে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০ বছর ধরে তিনি শিক্ষকতা করছেন। শালবাগান জিএসএফপি স্কুলে তিনি ১১ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাবার খবরে খুশির জোয়ার গোটা শ্যামনগর জুড়ে। শুক্রবার বেলায় জাতীয় শিক্ষককে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন ভাটপাড়া পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্মৃতি ধর ও তাঁর স্বামী রতন ধর-সহ বিশিষ্ট জনেরা। স্কুল পড়ুয়া এবং অন্যান্য শিক্ষকদের উপস্থিতিতে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    প্রধান শিক্ষকের জন্য গর্বিত সহকর্মীরা

    শ্যামনগর (Shyamnagar) শালবাগান জিএসএফপি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সহকর্মীরা বলেন, প্রশান্তবাবুর মতো শিক্ষকের অনেক আগেই এই পুরস্কার পাওয়ার দরকার ছিল। তাঁর মতো শিক্ষক সকলের কাছে আদর্শের। শুধু পড়াশুনা করানো নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষা তিনি দেন। তাঁর মতো শিক্ষকের এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে আমরা চরম খুশি। তিনি শুধু স্কুলের নয়, গোটা এলাকার মানুষের কাছে গর্বের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের রেশ এখনও মেলায়নি। এই আবহে এবার খবরে চলে এল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Medinipur Medical College Hospital)। এখানে কাঠগড়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (Trinamool Chatra Parishad) এক নেতা। নাম মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিক। ঘটনাচক্রে তিনি আবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই নেতার অত্যাচারে অতিষ্ঠ জুনিয়র ডাক্তাররা বৃহস্পতিবার করলেন অবস্থান বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন চিকিৎসক মহম্মদ সিবি।

    কী বলছেন প্রতিবাদীরা? (Medinipur Medical College Hospital)

    তিনি জানান, তিন বছর আগে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকেই গ্র্যাজুয়েশন করেছেন মোস্তাফিজুর। পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলেও, হস্টেল ছাড়েননি। সিবি বলেন, “তিনি (মোস্তাফিজুর) প্রতিনিয়ত আমাদের হ্যারাস করেন। হস্টেল থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের বের করে দেওয়ার হুমকিও দেন। আমরা যখন বলি, যে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করব, তিনি বলেন স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ করলেও, তাঁর কিছু হবে না।” এই জুনিয়র ডাক্তারের অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেন মোস্তাফিজুর।

    মোস্তাফিজুর গুণাবলী

    তৃণমূলের এই নেতার বিরাট ক্ষমতা বলেও জানান আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। মহম্মদ সিবি বলেন (Medinipur Medical College Hospital), “এই তৃণমূল নেতা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। ফেল করা স্টুডেন্টদের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কিছু।” মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে তোলা আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে। মহম্মদ সিবি বলেন, “মোস্তাফিজুর প্রত্যেক জুনিয়র ডাক্তারের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে নেন। জোর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের খাতায় নাম লিখিয়ে নেন।” তিনি বলেন, “একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই কলেজ হাসপাতালে তাঁরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।”

    আরও পড়ুন: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    শ্রেয়া মণ্ডল নামে আর এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “প্রথম যেদিন আমরা এই কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম, শিক্ষকরা ক্লাস ছেড়ে চলে গেলেন। এই ইউনিট এসে দরজা বন্ধ করে দিল। মুস্তাফিজুরের রাস্কেলরা এসে আমাদের র‍্যাগ করে।” মেয়েদের আইটেম সং নাচতেও বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ। তৃণমূলের (Trinamool Chatra Parishad) ওই নেতাকে অবিলম্বে হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তাররা (Medinipur Medical College Hospital)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sada Bonde: কামারপুকুরের ‘সাদা বোঁদে’ স্বাদে অনন্য, ঠাকুর রামকৃষ্ণের প্রিয় ছিল এই মিষ্টান্ন

    Sada Bonde: কামারপুকুরের ‘সাদা বোঁদে’ স্বাদে অনন্য, ঠাকুর রামকৃষ্ণের প্রিয় ছিল এই মিষ্টান্ন

    হরিহর ঘোষাল

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিষ্টির দোকানে রঙীন বোঁদে দেখে অভ্যস্ত আম বাঙালি। তবে, সাদা বোঁদের চল শুধু কামারপুকুর ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না। কামারপুকুরে ঠাকুর রামকৃষ্ণের জন্মভিটেতে গিয়েছেন আর ঠাকুরের প্রিয় সাদা বোঁদে খাননি, এরকম ভক্ত নেই বললেই চলে। তাই, কামারপুকুরের সাদা বোঁদের (Sada Bonde) জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। 

    সাদা বোঁদের ইতিহাস (Sada Bonde)

    কামারপুকুরের সাদা বোঁদে কে কবে প্রথম প্রস্তুত করেছিলেন তার সম্পর্কে কোনও তথ্য পাওয়া যায় না। আদিতে কামারপুকুরে এই সাদা বোঁদে তৈরি করত কয়েকটি হাতে গোনা পরিবার। জানা গিয়েছে, ১৭৯৩-৯৪ সাল নাগাদ কামারপুকুরে সাদা বোঁদে তৈরি করতেন জনৈক মধুসূদন মোদক। অতীতে কামারপুকুরের স্থানীয় চাষিরা বরবটি চাষ করে পাকা বরবটির বীজের জোগান দিতেন। সেই বরবটির বীজ কলাইকে প্রথমে জলে ধুয়ে তারপর রোদে শুকিয়ে নেওয়া হত। এর পর সেই শুকনো কলাইকে পিষে বেসন তৈরি করা হত। কামারপুকুরের সাদা বোঁদের প্রধান উপাদান হল রমা কলাইয়ের বেসন এবং আতপ চালের গুঁড়ো। তার সঙ্গে লাগে গাওয়া ঘি বা বনস্পতি ঘি ও চিনির রস।

    আরও পড়ুন: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    ঠাকুর রামকৃষ্ণ-মা সারদার প্রিয় ছিল সাদা বোঁদে

    রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্ম ভিটে ছিল কামারপুকুরের মোদক বাড়ির পাশেই। একটি মত অনুসারে, মধুসূদন মোদকের পুত্র দুর্গাদাসের বাল্যবন্ধু ছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ। বালক গদাধর (ঠাকুর রামকৃষ্ণ) তাঁর বন্ধু দুর্গাদাসের বাড়িতে গেলেই সাদা বোঁদে (Sada Bonde) খেতেন। অন্য মতে, গদাধর দুর্গাদাস মোদকের পুত্র সত্যকিঙ্করের দোকান থেকে সাদা বোঁদে কিনে খেতেন। সেই থেকে আজীবন কামারপুকুরের সেই সাদা বোঁদে খেতে খুব ভালোবাসতেন ঠাকুর। রামকৃষ্ণ কথামৃতে কামারপুকুরের সাদা বোঁদের উল্লেখ রয়েছে। কামারপুকুর মঠ ও মিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রামকৃষ্ণ সাদা বোঁদে খেতে ভালবাসতেন, এমন কোনও নথি মিশনের কাছে নেই। তবে, সারদা দেবীর সাদা বোঁদে ভীষণ প্রিয় ছিল। তিনি দুর্গাদাস মোদকের পুত্র সত্যকিঙ্কর মোদকের দোকানের বোঁদে খুব ভালবাসতেন। তিনি ভক্তদের সাদা বোঁদে বা জিলিপি খেতে দিতেন। সেই থেকেই কামারপুকুরের সঙ্গে সাদা বোঁদে আর মোদক পরিবারের নাম জড়িয়ে রয়েছে। ১৯৪৭ সালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন কর্তৃপক্ষ কামারপুকুরে রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্ম ভিটে অধিগ্রহণ করে নেন। ক্রমে কামারপুকুর ঠাকুরের ভক্তদের জন্য একটি তীর্থস্থানে পরিণত হয় এবং ভক্তদের মাধ্যমে ঠাকুরের স্নেহধন্য কামারপুকুরের সাদা বোঁদের জনপ্রিয়তা দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

    কীভাবে তৈরি হয় এই মিষ্টি?

    আতপ চাল এবং রমা কলাই আজও ঢেঁকির সাহায্যে গুঁড়ো করা হয়। আগে ঘি দিয়েই তৈরি হত। এখন সেটি সাদা তেলে তৈরি হয়। সেই থেকে একটি মিশ্রণ তৈরি হয়, যাকে খামি বলে। এটিকে ৪৫ মিনিট মতো মিষ্টির রসে ভিজিয়ে রাখা হয়। তাহলেই তৈরি হয়ে যায় সাদা বোঁদে (Sada Bonde)। গরমে ৫-৭ দিন বাইরে রাখলেও এই মিষ্টি নষ্ট হবে না।

    পরমহংসের ভোগে সাদা বোঁদে

    সারা বছর দেশ-বিদেশ থেকে কামারপুকুর-জয়রামবাটিতে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। ভক্তরা ভ্রমণ শেষে এই কামারপুকুরের সাদা বোঁদে (Sada Bonde) সঙ্গে করে বাড়ি নিয়ে যান। তাঁরা মনে করেন, তা না করলে ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। কামারপুকুরের বাসিন্দারা সাদা বোঁদে নিয়ে ভীষণ আবেগপ্রবণ। কামারপুকুরের বাসিন্দারা বাড়িতে অতিথি এলে সাদা বোঁদে দিয়ে তাদের আপ্যায়ন করেন। বিবেকানন্দ মঠে রামকৃষ্ণ পরমহংসের (Ramkrishna Paramhans) ভোগে কামারপুকুরের সাদা বোঁদে দেওয়া হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই মিষ্টির খোঁজে ঠাকুরের অনেক ভক্তরাই ছুটে এসেছেন, তার মধ্যে শ্রীম (কথামৃতের লেখক) অন্যতম। এই মিষ্টির চাহিদা এতটাই বেশি, যে মানুষ এসে খালি হাতে ফিরবেন না, এটি নিয়েই যাবেন। এমনকী কামারপুকুরে উৎসব, অনুষ্ঠান, বিয়েবাড়ি সবকিছুতেই এই বোঁদের (Sada Bonde) চাহিদা খুব বেশি।

    বর্তমান অবস্থা

    জানা গিয়েছে, কামারপুকুরে মিষ্টির দোকানের সংখ্যা মোট কুড়িটি। তার মধ্যে তিনটি দোকান রামকৃষ্ণ পরমহংসের সমসাময়িক সত্যকিঙ্কর মোদকের বংশধরদের। দোকানগুলি মঠ চত্বর, লাহা বাজার ও কামারপুকুর চটি এই তিনটি অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে। প্রতিটি মিষ্টির দোকানেই এই সাদা বোঁদে পাওয়া যায়। শীতের সময় অর্থাৎ নভেম্বর থেকে মার্চ কামারপুকুরের পর্যটক সংখ্যা সব চেয়ে বেশি হয়। তখন চাহিদা মেটাতে মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারকরা সাদা বোঁদের উৎপাদন বাড়িয়ে দেন। এই সময় প্রতিদিন গড়ে ৮-১০ টন সাদা বোঁদে (Sada Bonde) তৈরি হয়। বছরের বাকি সময়টা দৈনিক ২-৩ টন সাদা বোঁদে উৎপাদন হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: “আপনার মুখোশ খুলব”, আরজি কর কাণ্ডে মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    RG Kar Incident: “আপনার মুখোশ খুলব”, আরজি কর কাণ্ডে মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদ ও ধর্ষককে দ্রুত সাজা দেওয়ার জন্য আগামী মঙ্গলবার থেকে বসতে চলেছে বিশেষ বিধানসভা অধিবেশন। সেই অধিবেশনেই মুখ্যমন্ত্রীর মুখোশ খুলে দেবেন বলে জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিতে ধর্মতলায় বিজেপি ধর্না মঞ্চ (Dharmatala Dharna Mancha) থেকে এই হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদ ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিতে ধর্মতলায় বিজেপি ধর্না মঞ্চে (Dharmatala Dharna Mancha) শুভেন্দু বলেন, “আপনার মুখোশ আমি খুলব। আগামী মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোশ খুলে দেব। আর আগামী সোমবার আবার তথ্য তুলে ধরব সবার সামনে। আপনাকে বলছি, ব্যাগ গোছান আপনি।” তিনি আরও বলেন, “২৭ তারিখে রাজ্যের মানুষ সাড়ে তিন ঘণ্টা নবান্নকে নড়িয়েছে। ওই দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় থরথর করে কেঁপেছিলেন। বাধাপ্রাপ্ত হওয়া সত্বেও মহিলা মোর্চার সদস্যরা মহিলা কমিশনের বাইরে প্রতীকী তালা ঝুলিয়ে এসেছে। এবার রাজ্য সরকারকে বিজেপি সিনেমা দেখাবে। একদিন নবান্ন, লালবাজার ও কালীঘাট অভিযানের ডাক দেওয়া হবে। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন পুজো কবে আসবে, সেই দিন গুনছেন। তাহলেই তো মানুষ পুজোয় মেতে যাবে, আর আন্দোলনটা বন্ধ হয়ে যাবে”।

    আরও পড়ুন: ৯৩ ডাক্তারকে শোকজ! আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নামার শাস্তি?

    সুকান্তর সওয়াল

    বিজেপির ধর্না মঞ্চে (Dharmatala Dharna Mancha) এদিন উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, প্রাক্তন বিজেপি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার, তাপস রায়-সহ আরও অনেকেই। গত ৭২ ঘণ্টায় রাজ্যে যে ছয়টি শ্লীলতাহানির মামলা হয়েছে, তার মধ্যে পাঁচ জনই নাবালিকা। বালুরঘাটে তৃণমূলের বুথ সভাপতির বিরুদ্ধে একজন নাবালিকার ধর্ষণের (RG Kar Incident) অভিযোগ উঠেছে ৷ ওই জেলার হরিরামপুর অঞ্চলের আদিবাসীরা রাস্তা অবরোধ করে রেখেছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সময় থাকতে তিনি যেন বুঝে যান যে, এই রাজ্যের মানুষ আর তাঁকে চাইছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ভয় পায় ৷ তাই ধর্না মঞ্চ করতে দিতে চাইছিলেন না” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Issue: টেলিমেডিসিন পরিষবা দেবেন আন্দোলনকারীরা, চালু হচ্ছে ‘অভয়া ক্লিনিক’

    RG Kar Issue: টেলিমেডিসিন পরিষবা দেবেন আন্দোলনকারীরা, চালু হচ্ছে ‘অভয়া ক্লিনিক’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Issue) মেডিক্যালে মহিলা চিকিৎসক ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার পর থেকেই বিচারের দাবিতে কর্মবিরতি চলছে জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors)। এরই মধ্যে তাঁরা ঘোষণা করলেন, আজ শনিবার অর্থাৎ ৩১ অগাস্ট থেকে ‘টেলিমেডিসিন’ পরিষেবা দেবেন আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার রাতে এই ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট। জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শনিবার থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টো পর্যন্ত এই পরিষেবা পাওয়া যাবে। এই পরিষেবার জন্য কয়েকটি ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের তরফ থেকে। ৮৭৭৭৫৬৫২৫১, ৮৭৭৭৫৬৯৩৯৯, ৮৭৭৭৫৭৯৫১৭, ৬২৯০৩২৬০৭৯ এই নম্বরগুলিতে হোয়াটস্‌অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যাবে পরিষেবা। এ ছাড়াও ‘পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট’ আগামী ৪ সেপ্টেম্বর আরজি কর-কাণ্ডের বিচারের দাবিতে ‘বিচার পেতে আলোর পথে’ নামক একটি কর্মসূচিরও আয়োজন করেছে। শনিবার থেকে টেলিমেডিসিন পরিষেবা চালু করতে চলেছেন তাঁরা।

    অভয়া ক্লিনিক (RG Kar Issue)

    অন্যদিকে রবিবার জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors) স্বাস্থ্য শিবির করবেন, এর নাম দেওয়া হয়েছে অভয়া ক্লিনিক। আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের সুবিচার চেয়ে তাঁকেই যে এই লড়াই উৎসর্গ করা হচ্ছে, ক্লিনিকের নামেই তার প্রমাণ। শুক্রবার নিজেদের নতুন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করল ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্ট’। আন্দোলনকারীরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁদের ৫ দফা দাবির একটাও পূরণ হয়নি। সেকারণেই তাঁরা এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। শুক্রবারও তাঁরা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেছেন। প্রয়োজনে তাঁকেও তদন্তের আওতায় (RG Kar Issue) আনার দাবি তুলেছেন তাঁরা।

    ৪ সেপ্টেম্বর বিচার পেতে আলোর পথে কর্মসূচি পালন

    লালবাজার অভিযানেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁরা আরও জানিয়েছেন আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা। সুবিচারের আশায় আগামী ৪ সেপ্টেম্বর বিচার পেতে আলোর পথে কর্মসূচি পালন করতেও নাগরিক মহলকে আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। ওই দিন রাত ৯টা থেকে ১০টা অবধি ঘরের আলো বন্ধ রেখে মোমবাতি বা প্রদীপ নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে আবেদন (RG Kar Issue) করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘পুলিশি স্লোগানে’র নেপথ্যে কে জানেন, হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘পুলিশি স্লোগানে’র নেপথ্যে কে জানেন, হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) স্লোগান দিতে হল খোদ পুলিশকে! অবশ্য রাস্তায় নামেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনতার পাল্টা স্লোগান দিয়ে পুলিশ মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর গুডবুকে থাকতে চেয়েছেন বলে অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় পুলিশের স্লোগান দেওয়ার নেপথ্যে কে রয়েছেন, হাটে হাঁড়ি ভেঙে সে কথা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, পুলিশের এহেন পোস্টের জন্য নির্দেশ রয়েছে আইপিএস সুপ্রতীম সরকারের।

    নজির ভেঙে স্লোগান পুলিশের (Suvendu Adhikari)

    ঘটনার সূত্রপাত নবান্ন অভিযানের দিন। আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। সেই কর্মসূচি পালনের সময় জনতা স্লোগান দেয়, ‘পুলিশ তুমি চিন্তা করো, তোমার মেয়েও হচ্ছে বড়’। এর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই সমাজ মাধ্যমে বেনজিরভাবে স্লোগান দেয় পুলিশ। উর্দিধারীদের পদস্থ একাধিক কর্তা জনতার স্লোগানের ধাঁচে লেখেন, ‘পুলিশের মেয়ের চিন্তা ছাড়ো, সে লড়াই করেই হচ্ছে বড়।’ পুলিশের এই পাল্টা স্লোগানেরই উৎস সন্ধানে নেমে পড়েন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর দাবি

    শুক্রবার তিনি দাবি করেন, এহেন পোস্টের নেপথ্যে রয়েছেন সুপ্রতীম। শুভেন্দু বলেন, “২০০৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিঙ্গুর বিডিও অফিস থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে পেটাতে পেটাতে চ্যাংদোলা করে তুলে এনেছিলেন যিনি, সিপিএমের সেই ব্লু আইড বয় সুপ্রতীম সরকার এখন এই বিষয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “কাল আমি ১৫-২০ জন আইসি, ওসির কাছ থেকে প্রথম খবর পাই, তাঁরা আমায় কনফিডেন্সিয়াল ফোন করে বলেন, স্যর ক্ষমা করে দেবেন, করতে বাধ্য হচ্ছি। সুপ্রতীম সরকারের নির্দেশ।”

    ‘জায়েন্ট কিলার’(বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পরে সবাই শুভেন্দুকে চেনেন এই নামেই।) বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশের ওপর নির্ভর করেই রয়েছেন। যে সব আইপিএস নিজের ভালো পোস্টিংয়ের ব্যবস্থা করেন, নিজের ছেলেমেয়েদের ডাক্তারি-ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াচ্ছেন, আরামে থাকছেন, নিজেদের বিলাসবহুল লাইফ লিড করছেন, পুলিশের সেই শ্রেণির অফিসাররা নিচুতলার কর্মীদের বাধ্য করছেন এই ধরনের পোস্ট করতে।”

    আরও পড়ুন: ‘বিষ্ণু সহস্রনাম’ পাঠে চারপাশে তৈরি হয় ইতিবাচক শক্তির বলয়, বদলে যায় জীবন

    প্রসঙ্গত (Suvendu Adhikari), সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হেডকোয়ার্টার মিরাজ খালিদ-সহ কয়েকজন পদস্থ কর্তার পাশাপাশি (RG Kar Incident) নিচুতলার অনেক পুলিশ কর্মীও (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rally:  ‘চারিদিকে যে বিক্ষোভ হচ্ছে, আটকাতে পারবেন?’, রাজ্যকে প্রশ্ন অমৃতা সিনহার

    RG Kar Rally: ‘চারিদিকে যে বিক্ষোভ হচ্ছে, আটকাতে পারবেন?’, রাজ্যকে প্রশ্ন অমৃতা সিনহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে বুদ্ধিজীবী-আইনজীবীদের মিছিল (RG Kar Rally) করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত মানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।  শান্তিপূর্ণ মিছিলে যে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না, সেই বার্তা আগেই দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এবার কলকাতায় আরও একটি মিছিলের অনুমোদন দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আরজি করে চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামতে চেয়েছেন বুদ্ধিজীবীদের একাংশ। কিন্তু কলকাতা পুলিশ তাদের অনুমতি দেয়নি বলে আদালতে দ্বারস্থ হতে হয়। শুক্রবার হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। অবশেষে আদালত মিছিল করার অনুমতি দিয়েছে।

    মিছিল করা নিয়ে আদালতে আবেদন! (RG Kar Rally)

    নির্যাতিতার মা-বাবা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, “যেভাবে এক একটা দিন চলে যাচ্ছে তাতে মেয়েটা সুবিচার পাবে তো?” সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তাঁরা। এরপরই ৩ সেপ্টেম্বর মিছিল (RG Kar Rally) করতে চেয়ে কলকাতা পুলিশের কাছে আবেদন জানান বুদ্ধিজীবী ও আইনজীবীদের একাংশ। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মিছিল করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন বুদ্ধিজীবীরা। রবীন্দ্রসদন থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করতে চান তাঁরা। ‘কালচারাল অ্যান্ড লিটারারি বেঙ্গল’-এর তরফে এই মিছিল হওয়ার কথা। আদালতে  শুনানি শুরু হলে, রাজ্য জানায় যে মিছিলের সময় নিয়ে আপত্তি আছে তাদের। সংগঠনের তরফে আইনজীবী বলেন, শান্তিপূর্ণ মিছিল করতে পুলিশ বাধা দিচ্ছে। ৩ সেপ্টেম্বর রবীন্দ্র সদন থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এক হাজার জনের মিছিলের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। রাজ্যের তরফে আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শুধু সময় বদলাতে চাইছে রাজ্য, কারণ ওই সময় অফিস ছুটি হয়। পরে, সময় ছাড়া রাজ্য কোনও আপত্তি না করায় শান্তিপূর্ণ মিছিলে অনুমোদন দিয়েছে আদালত।

    আরও পড়ুন: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    বিচারপতি কী নির্দেশ দিয়েছেন?

    মিছিলের (RG Kar Rally) অনুমতি দিয়ে হাইকোর্টের (Kolkata High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানান, “মিছিলের কারণে সাধারণ মানুষের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। জয়েন্ট কমিশনার আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুমতি দেবেন। ৩ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মিছিল করতে পারবেন তাঁরা। চারিদিকে যে বিক্ষোভ হচ্ছে, শুধু সময় বেঁধে দিয়ে আপনি কি সেটা আটকাতে পারবেন?”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share