Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • RG Kar: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    RG Kar: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে (RG Kar) সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) ছাড়াও সিবিআইয়ের (CBI) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আরও তিনজন। ধৃতরা হলেন সুমন হাজরা, বিপ্লব সিং ও আফসার আলি। এর মধ্যে, সুমন হাজরা ও বিপ্লব সিং সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ২ ব্যবসায়ী। তৃতীয়জন আফসার আলি সন্দীপের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষীর কাজ করতেন।

    বাকি ধৃতদের পরিচয় (RG Kar)

    হাওড়া সাঁকরাইল এর বাসিন্দা বিপ্লব সিং সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। বিপ্লবের সংস্থার নাম ছিল ‘মা তারা ট্রেডার্স’। এই সংস্থা হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করত। গত সপ্তাহের রবিবার যেদিন সন্দীপের (Sandip Ghosh) বাড়িতে সিবিআই পৌঁছায় সেদিনই বিপ্লব সিংয়ের বাড়িতে হাজির হয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। জানা গিয়েছে, বিপ্লবের বাবা কলকাতার একটি মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ছিলেন, সেই সূত্রে আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে টিনের প্লেটের নম্বর লেখা কিংবা বেড নম্বর লেখার টেন্ডার পেতেন বিপ্লব। ওই কাজ করতে করতে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের ব্যবসা শুরু করেন বিপ্লব। অন্যদিকে, দুর্নীতি মামলায় (CBI) হাজরা মেডিক্যাল নামের একটি ওষুধের দোকানে তল্লাশি চালায় সিবিআই। ওই দোকানের মালিক সুমন হাজরাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন আফসার আলি নামের নিরাপত্তারক্ষীও। এঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এর পাশাপাশি, এই ধৃত তিনজনকে বেআইনিভাবে হাসপাতালে ক্যাফেটেরিয়া, পার্কিং সহ নানা সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সন্দীপের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে। আপাতত চার জনই রয়েছে নিজাম প্যালেসে।

    ১৫ দিন সিবিআই জেরার মুখোমুখি সন্দীপ 

    প্রসঙ্গত, গত ১৬ অগাস্ট থেকে টানা ১৫ দিন সিবিআই জেরার মুখোমুখি হতে হয়েছিল সন্দীপ ঘোষকে। তার মাঝে এক রবিবারে সন্দীপের বাড়িতেও পৌঁছে যায় সিবিআইয়ের দল (RG Kar)। গতকাল, সোমবার ফের তাঁকে তলব করা হয় সিজিও কম্পপ্লেক্সে। সেখান থেকে সিবিআই আধিকারিকরা সন্দীপকে নিয়ে যান নিজাম প্যালেসে। তার পরেই তাঁর গ্রেফতারের খবর সামনে আসে। এর পরেই জানা যায়, আর্থিক দুর্নীতি মামলায় শুধু সন্দীপ (Sandip Ghosh) নন, সেইসঙ্গে আরজি কররে প্রাক্তন অধ্যক্ষের ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar incident: আরজি করকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার সন্দীপ ঘোষ

    RG Kar incident: আরজি করকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার সন্দীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar incident) গ্রেফতার সন্দীপ ঘোষ। সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ (Sandip Ghosh)। সূত্রের খবর, দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে।

    সিবিআইয়ের তদন্ত (RG Kar incident)

    আরজি করে আর্থিক তছরুপের একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দুর্নীতি দমন শাখাই গ্রেফতার করে সন্দীপকে। প্রাক্তন অধ্যক্ষ গ্রেফতার হয়েছেন শুনে খুশিতে ফেটে পড়েন আরজি করের আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা। তবে তাঁদের দাবি, গ্রেফতার করতে হবে সব দোষীকে। আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারের তরফে অনিকেত মাহাত বলেন, “আর্থিক তছরুপকাণ্ডে সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মেডিক্যাল এথিক্সের জায়গা থেকে এখন স্বাস্থ্যভবনের কী করা উচিত, তা বলে দেওয়ার দরকার আছে বলে মনে হয় না।”

    সাসপেন্ড করেছিল আইএমএ

    জানা গিয়েছে, আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি হাসপাতাল পরিচালনা নিয়ে সন্দীপের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেছিলেন। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। প্রসঙ্গত, সন্দীপকে (RG Kar incident) আগেই সাসপেন্ড করেছিল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থার রাজ্য শাখার সহকারী সম্পাদক চিকিৎসক অনির্বাণ দলুই বলেছিলেন, আরজি করের এই ঘটনা ঘটার পর থেকেই তাঁর সদস্য পদ বাতিলের দাবি করা হচ্ছিল রাজ্য শাখার পক্ষ থেকে। শেষমেশ সেই দাবিতেই সিলমোহর দিল কেন্দ্রীয় কমিটি। আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুন: কান্দাহার অপহরণ নিয়ে নেটফ্লিক্সের নয়া সিরিজে বিতর্ক, কর্তাকে তলব কেন্দ্রের

    আরজি করকাণ্ডের পর টানা ১৫ দিন ধরে জেরা করা হচ্ছিল সন্দীপকে। সোমবারও সকাল থেকে টানা জেরা করা হচ্ছিল তাঁকে। জেরায় একাধিক অসঙ্গতি মেলে বলে সূত্রের খবর। এর পর হঠাৎই সন্দীপকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সিবিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখার কর্তারা। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় নিজাম প্যালেসে। সন্ধেয় সেখানেই গ্রেফতার করা হয় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে। গত ১২ অগাস্ট আরজি করকাণ্ডের নৈতিক দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন সন্দীপ। এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে দেওয়া হয়েছিল প্রাইজ পোস্টিং (Sandip Ghosh)। তা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হয়েছিল (RG Kar incident)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: আদিবাসী নির্যাতিতার বাড়িতে সুকান্ত, ধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি

    Sukanta Majumdar: আদিবাসী নির্যাতিতার বাড়িতে সুকান্ত, ধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনার রেশ মেলায়নি এখনও। এরই মধ্যে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) বংশীহারীতে তেরো বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, প্রমাণ লোপাটের জন্য ওই নাবালিকাকে খুন করার চেষ্টাও করেছিলও ওই অভিযুক্ত। যা নিয়ে উত্তাল গোটা জেলা। সোমবার বিকেলে  বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) নির্যাতিতা পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে ওই গ্রামে যান। যদিও নির্যাতিতার মায়ের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়নি।

    অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি (Sukanta Majumdar)

    গ্রামবাসীদের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে কথা বলেন সুকান্ত। গ্রামবাসীরা সুকান্তর (Sukanta Majumdar) কাছে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি জানান। ওই গ্রাম থেকে বেরিয়ে গঙ্গারামপুর হাসপাতালে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান সুকান্ত। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই স্কুল ছাত্রীর ঘরে ঢুকে পড়ে অভিযুক্ত। মেয়েটির পাশের ঘরে তার বাবা-মা ঘুমোচ্ছিলেন। সেই সময় ওই স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। প্রমাণ না রাখার জন্য অভিযুক্ত প্যান্টের দড়ি দিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টাও করে বলে দাবি পরিবারের। মেয়েটির গলায় দাগ রয়েছে। তবে মেয়েটির চিৎকারে ছুটে আসেন পরিবার ও প্রতিবেশীরা। অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। ওইদিন রাতেই নির্যাতিতাকে গঙ্গারামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্থানীয় এক বলেন, সাংসদের সঙ্গে আমরা কথা বললাম। আমরা তাঁর কাছে অভিযুক্তর ফাঁসির দাবি জানালাম।

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    কী বললেন সুকান্ত?  

    গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলার পর সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “২০২০ সালে শ্লীলতাহানির মামলায় অভিযুক্তকে এর আগেও পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে আবার ধর্ষণের অভিযোগ। নির্যাতিতা কিশোরীর মায়ের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব দেখা করতে যাচ্ছে, দেখা করতে যাচ্ছে ধর্ষকের পরিবারের সদস্যরা। এমনকী পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়ে কেস তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী কলকাতায় একটা ডাক্তারের জীবনের দাম ১০ লক্ষ টাকা দিচ্ছেন। আর যেহেতু এটা একটা ছোট গ্রাম, তাই এখানে একটা জীবনের দাম ৫ লক্ষ টাকা দিতে চাইছেন তৃণমূল নেতারা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch behar: জেলাশাসকের অফিস ঘেরাওকে ঘিরে তুলকালাম, গ্রেফতার নিশীথ

    Cooch behar: জেলাশাসকের অফিস ঘেরাওকে ঘিরে তুলকালাম, গ্রেফতার নিশীথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের প্রতিবাদে বিজেপির জেলাশাসকের অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেফতার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির নিশীথ প্রামাণিক। সোমবার বিজেপির জেলা কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধুন্ধুমারকাণ্ড বাঁধে। জেলাশাসকের ঢিল ছোড়া দূরত্বে কোচবিহারের (Cooch behar) সাগরদিঘি এলাকায় বিজেপির মিছিল আটকাতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ব্যাপক লাঠিচার্জও করে পুলিশ। আনা হয় জলকামানও। পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত নিশীথ-সহ মোট ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে ১৫ জন পুরুষ, সাতজন মহিলা বিজেপি কর্মী।

    পুলিশের লাঠিচার্জ (Cooch behar)

    ন্যায় বিচারের দাবিতে এদিন দুপুর দুটো নাগাদ প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের নেতৃত্বে মিছিল এগোতে থাকে জেলাশাসকের দফতরের দিকে। মিছিলে ছিলেন জেলা (Cooch behar) বিজেপি সভাপতি সুকুমার রায়, বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী, মালতি রাভা প্রমুখ। বিজেপি কর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেডের দিকে এগিয়ে গিয়ে ভাঙার চেষ্টা করেন। নিশীথ নিজের নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়েই ঘেরাও অভিযানে ছিলেন। মিছিলে বাধা দিলে পুলিশকর্তা ডিএসপি চন্দন দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃষ্ণগোপাল মিনা এবং আইসি তপন পালের সঙ্গে ব্যাপক কথা কাটাকাটি হয় নিশীথের। মুহূর্তেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি সংক্রান্ত স্লোগান দিতে দিতে বিজেপি কর্মীরা এগিয়ে গেলে পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে। এলাকা পরিণত হয় রণক্ষেত্রে।

    আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতার স্মরণে আলাদা শোকপ্রস্তাব পাঠ, বিধানসভায় মৌন-মিছিল বিজেপির

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পাচ্ছেন

    বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিক বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পাচ্ছেন। তাই পুলিশকে দিয়ে এই ধরনের কাজ করাচ্ছেন। আমার নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশ কর্মীরা অত্যন্ত অভব্য আচরণ করেছেন। আমায় ধরে টানাটানি করা হয়। জেলা শাসকের দফতরের সামনে পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয় আমাকে।” এরপর তাঁকে এসপি অফিসের (Cooch behar) সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কিছু বিজেপি কর্মী-সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। জনরোষ আটকাতে গিয়ে পুলিশ-জনতার সংঘর্ষে বেশ কিছু কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rally: হাতে গোলাপ-শিরদাঁড়া, মুখে সিপি-র ইস্তফা দাবি, লালবাজার অভিযানে জুনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar Rally: হাতে গোলাপ-শিরদাঁড়া, মুখে সিপি-র ইস্তফা দাবি, লালবাজার অভিযানে জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পর পেরিয়ে গিয়েছে ২৩ দিন। রোজই পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। পথে নেমেছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরাও। এ বার বিচারের দাবিতে ‘লালবাজার অভিযান’-এর ডাক (RG Kar Rally) দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। দুপুর ২টোয় কলেজ স্কোয়্যার থেকে মিছিল করে লালবাজারের (Lalbazar) উদ্দেশে রওনা দেন তাঁরা। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচি। আন্দোলনকারীদের হাতে প্রতীকী শিরদাঁড়া-গোলাপ।

    গোলাপ ফুল নিয়ে মিছিল! (RG Kar Rally)

    ‘নবান্ন অভিযান’ থেকে শিক্ষা নিয়ে লালবাজার অভিযান নিয়ে পুলিশের প্রস্তুতি তুঙ্গে ছিল। একাধিক এলাকায় জারি হয় কড়া নিরাপত্তা। বসানো হয় লোহার ব্যারিকেড। আন্দোলনকারীদের (RG Kar Rally) রুখতে বৌবাজারে বসে লোহার গার্ডরেল। সেই ব্যারিকেড আবার বাঁধা হয় ভারি শিকলে! একই ছবি বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটেও। সেখানে প্রায় ন’ফুট সমান উচ্চতার গার্ডরেলের দেওয়াল তুলে নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি তৈরি করেছে পুলিশ। লোহার গার্ডরেলের পিছনে বসে বাঁশের ব্যারিকেডও। সে সব বাঁধা হয় দড়ি দিয়ে। সেখানে বন্ধ করে দেওয়া হয় যান চলাচল।

    আরজি করকাণ্ডে তোলপাড় দেশ। আন্দোলনের আঁচ ক্রমশ বাড়ছে। দ্রুত বিচারের দাবিতে পথে পথে প্রতিবাদ কর্মসূচি জারি। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই এবার লালবাজার অভিযানে জুনিয়র চিকিৎসকরা। আরজি কর থেকে গাড়িতে কলেজ স্কোয়্যারের উদ্দেশে রওনা হন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। চার দফা দাবিতে তাঁদের সোমবারের অভিযান। হাতে গোলাপ নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হন তাঁরা। পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে গোলাপ দিয়ে বিদায় জানাতে চান জুনিয়র ডাক্তাররা। এমনটাই তাঁদের দাবি। মিছিলের মাঝেই হাতে হাত রেখে  মানব-বন্ধন গড়েন আন্দোলনকারীরা। সবার মুখে মুখে একই স্লোগান, ‘ছিনিয়ে নিতে ন্যায়বিচার/ গোলাপ হাতে লালবাজার।’ আন্দোলনকারীদের কারও কারও হাতে রয়েছে গোলাপ, রজনীগন্ধার তোড়া। পৌঁছে পুলিশের হাতে ফুল তুলে দেন তাঁরা! ব্যারিকেডে পরান ফুলের মালা।

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    প্রতীকী ‘শিরদাঁড়া’ নিয়ে মিছিল

    হাতে প্রতীকী ‘শিরদাঁড়া’ নিয়ে মিছিলে হাঁটেন এক ডাক্তারি ছাত্রী। কলেজ স্কোয়্যার থেকে শুরু হয় চিকিৎসকদের মিছিল। জুনিয়র চিকিৎসকদের মিছিলে (RG Kar Rally) হাঁটেন কামদুনি-কাণ্ডের প্রতিবাদী মুখ টুম্পা কয়াল, মৌসুমী কয়ালও। মিছিল যত লালবাজারের দিকে এগিয়েছে, লাইন দিয়ে ভিড় বেড়েছে। আর আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে স্লোগান দেওয়া হয়।

    মিছিল আটকাল পুলিশ

    ফিয়ার্স লেনের মুখে আটকে দেওয়া হল জুনিয়র ডাক্তারদের মিছিল (RG Kar Rally)। পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ চত্বর। একই চিত্র বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটেও। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ঘেরাটোপ নিয়ে তৈরি পুলিশ। তবু দমছেন না আন্দোলনকারী চিকিৎসকেরা। রাস্তার মাঝেই পোড়ানো হচ্ছে বিনীত গোয়েলের কুশপুতুল। মূলত, দু’ভাবে ব্যারিকেড করা হয়। একই ভাবে ব্যারিকেডের কাছে নজর রাখতে বসানো হয়েছে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা। যাতে বড় রকমের কোনও অশান্তি হলে ওই ক্যামেরায় ওঠা ফুটেজ থেকে পরবর্তী সময়ে চিহ্নিত করা যায়।

    রাস্তার মাঝেই শান্তিপূর্ণ অবস্থানে বসলেন চিকিৎসকদের একাংশ। কোনও সংঘাতে যেতে চান না আন্দোলনকারীরা। তাঁরা নিজেদের দাবিতে অনড়- পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ চান। যতক্ষণ না পুলিশ তাঁদের দাবি মানছে, অবস্থান চালিয়ে যাবেন তাঁরা। এর মাঝেই আকাশে দেখা গেল ড্রোন। মিছিলের মাথার ওপর দিয়েই একাধিক ড্রোন উড়ছে। মিছিল আটকে ২০ জনের প্রতিনিধি যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। আন্দোলনকারীরা তা মানতে নারাজ। চলছে অবস্থান বিক্ষোভ।

    জুনিয়র চিকিৎসকরা কী বললেন?

    জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেন, “না, কোনও সংঘাত নয়, শান্তিপূর্ণভাবে পুলিশ কমিশনারের অপসারণ বা পদত্যাগ চাই আমরা। তাই প্রতিকী মেরুদণ্ড আর গোলাপ নিয়ে মিছিল (RG Kar Rally) শুরু করেছি। বুধবার মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডাক্তার ফ্রন্ট। ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালিয়ে মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাত ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সকলকে ঘরের আলো নিভিয়ে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: নির্যাতিতার স্মরণে আলাদা শোকপ্রস্তাব পাঠ, বিধানসভায় মৌন-মিছিল বিজেপির

    BJP: নির্যাতিতার স্মরণে আলাদা শোকপ্রস্তাব পাঠ, বিধানসভায় মৌন-মিছিল বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন! বিধানসভার ইতিহাসে বেনজির ঘটনা ঘটালেন বিজেপি (BJP) বিধায়করা। সৌজন্য, আরজি করের ঘটনা (RG Kar incident)। অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যাওয়ার পরেও বিধানসভায় ঠায় বসে রইলেন তাঁরা। আলাদা করে পাঠ করলেন শোকপ্রস্তাব। নেতৃত্বে শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় এভাবেই পদ্ম শিবির স্মৃতি তর্পণ করলেন নির্যাতিতার। এর পর, বিধানসভা চত্বরে মোমবাতি হাতে করলেন মৌন-মিছিল।

    শুভেন্দুর অনুরোধ (BJP)

    আরজি করকাণ্ডের জেরে দু’দিনের বিশেষ অধিবেশন বসেছে আজ সোমবার থেকে। উদ্দেশ্য, ধর্ষকদের ফাঁসির সাজার ব্যবস্থা করতে বিল পাশ করানো। নির্ধারিত সূচি মেনে অধিবেশন শুরু হয় দুপুর ২টো নাগাদ। অধিবেশনের শুরুতেই প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জন্য শোকপ্রস্তাব পাঠ করা হয়। সেই সময় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অনুরোধ করেন, আরজি করের নির্যাতিতার জন্যও শোকপ্রস্তাব পাঠ করতে। শুভেন্দুর প্রস্তাবে আপত্তি জানান স্পিকার। জানিয়ে দেন, নির্যাতিতার নামোল্লেখ করার ক্ষেত্রে আইনি বাধা রয়েছে।

    পদ্মের প্রস্তাব পাঠ

    শুভেন্দু পরামর্শ দেন, ‘৯ অগাস্ট’ বা ‘ডাক্তার বোন’ এমন কিছু বলেও যদি শোকপ্রস্তাব পাঠ করা সম্ভব হয়। তাতেও সাড়া দেননি স্পিকার। এর পর মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত মুলতুবি হয়ে যায় অধিবেশন। একে একে বেরিয়ে যান বিধায়করা। অধিবেশন কক্ষে রয়ে যান পদ্ম বিধায়করা। শুভেন্দু নির্যাতিতার নামোল্লেখ না করেই শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন। তার পরেও প্রায় ১৫ মিনিট বিধানসভায় ঠায় বসেছিলেন পদ্ম বিধায়করা। এখানেই শেষ নয়। অধিবেশন কক্ষেই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন শুভেন্দু ও অন্য বিজেপি বিধায়কেরা। পরে কক্ষ থেকে বেরিয়ে বিধানসভার ইনার লবি সহ চারপাশে আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে মোমবাতি হাতে মৌনমিছিল করেন বিজেপি বিধায়করা। 

    আরও পড়ুন: “প্রস্তুত থাকুন…বিধানসভায় দেখা হবে”, মমতার উদ্দেশে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    শুভেন্দু (BJP) বলেন, “আমরা বলেছিলাম আইন মেনে প্রস্তাব পাঠ করুন। আমরা পরে পাঠ করেছি। আমরা হাতে আলো নিয়ে মৌন মিছিল করেছি।” তিনি বলেন, “আমি বলেছিলাম ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে নিহত কর্মরতা চিকিৎসকের কথা উল্লেখ করুন। কিন্তু স্পিকার তা প্রত্যাখান করেন। আমরা বুদ্ধবাবুকে সম্মান করি বলে প্রতিবাদ করে কিছু বলিনি। পরে আমরা আমাদের মতো করে প্রয়াত বোনকে সম্মান জানিয়েছি।” 

    প্রসঙ্গত, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিল আনছে রাজ্য। মঙ্গলবার পেশ হবে ‘অপরাজিতা মহিলা ও শিশু (পশ্চিমবঙ্গ ফৌজদারি আইন সংশোধনী) বিল, ২০২৪।’ এদিনই বিলটি পাশ করিয়ে রাজ্যপালের কাছে পাঠিয়ে দ্রুত আইনে পরিণত করতে চায় (BJP) রাজ্য সরকার (RG Kar incident)।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “এটা পশ্চিমবঙ্গ না মিনি পাকিস্তান?”, মমতাকে আক্রমণ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “এটা পশ্চিমবঙ্গ না মিনি পাকিস্তান?”, মমতাকে আক্রমণ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এটা পশ্চিমবঙ্গ না মিনি পাকিস্তান (Mini Pakistan)?”, ঠিক এই ভাষায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। নিউটাউনে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে বড় অভিযোগ করলেন তিনি। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন সুকান্ত। একদিকে যখন আরজি কর-কাণ্ডে নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের জন্য কলকাতার রাজপথ উত্তাল, তখন অপর দিকে খাস কলকাতার বুকে ঘটে চলেছে হত্যাকাণ্ড! প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন (Sukanta Majumdar)!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) নিজের এক্স হ্যান্ডলে বলেন, “এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হল। এতবড় অপরাধের পরেও খুনিরা এখনও অধরা। এই সরকার দুষ্কৃতীদের প্রশ্রয় দেয়। বাংলা যেন মিনি পাকিস্তানে (Mini Pakistan) পরিণত হয়েছে।”

    ঘটনা কীভাবে ঘটেছিল?

    জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে ইকো পার্কের কাছে শ্যুটআউট করে খুন করা হয় এক ব্যবসায়ীকে। মৃত ব্যবসায়ীর নাম নাসিরউদ্দিন খান। তিনি ভাঙড়ের (Mini Pakistan) ইট ব্যবসায়ী ছিলেন। রাত দশটার সময় বাইকে করে এসে খুব কাছ থেকে গুলি করে হামলা করা হয়। এরপর দুষ্কৃতীরা দ্রুত সেখান থেকে চম্পট দেয়। তবে ব্যবসায়িক শত্রুতার কারণেই এই খুন বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তাঁর ব্যবসায়ীক পার্টনারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম রফিকুল ইসলাম। পুলিশ তদন্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে আরজি কর-কাণ্ডে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনার মধ্যেই ইলামবাজারে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্তব্যরত নার্সের শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে। সাত বছরের নাবালিকাকে যৌন হেনস্থার ঘটনা ঘটেছে মধ্যমগ্রামের রাজবাড়ি এলাকায়। অপরদিকে হাওড়া সদর হাসপাতালে এক নাবালিকা রোগীকে নির্যাতন করেছে এক ল্যাবকর্মী। একই ভাবে নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জেও। একের পর এক অমানবিক ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    আরও পড়ুনঃজনতার ক্ষোভে ভাঙল ব্যারিকেড, বিজেপির ‘জেলাশাসকের অফিস ঘেরাও’ অভিযানে উত্তাল বাংলা

    আইন শৃঙ্খলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক!

    একই ভাবে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বলেন, “সেপ্টেম্বরের প্রথম দিনই বাংলার বীরভূমের ইলামবাজার, নদিয়া, মধ্যমগ্রাম এবং হাওড়ায় ৪টি পৃথক পৃথক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এসেছে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ, মহিলাদের জন্য সব থেকে অসুরক্ষিত রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ নির্মাণ করার জন্য। কঠোর আইন প্রয়োগ এবং ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট নির্মাণ করতে পারেননি। ধর্ষণ ও পকসো আইন মামলায় অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে রাজ্য কোনও কাজ করেননি। চূড়ান্ত একজন ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirbhaya Fund: পড়ে রয়েছে ‘নির্ভয়া তহবিল’-এ প্রাপ্ত কেন্দ্রের বরাদ্দ, টাকা পেয়েও খরচে ব্যর্থ রাজ্য

    Nirbhaya Fund: পড়ে রয়েছে ‘নির্ভয়া তহবিল’-এ প্রাপ্ত কেন্দ্রের বরাদ্দ, টাকা পেয়েও খরচে ব্যর্থ রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী সুরক্ষার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলার দিক দিয়ে যে রাজ্যের অবস্থান তলানিতে, তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে আরজি করকাণ্ডেই। এবার জানা গেল, নারী সুরক্ষার খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের খরচেও নীচের সারিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ। 

    আরজি কর কাণ্ডে ‘নাটক’ মমতার

    আরজি করকাণ্ডের ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে পথে নেমেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ধর্ষণ-বিরোধী বিল আনতে চলেছেন। অথচ, দেশের নয়া আইনেই ধর্ষককে কড়া শাস্তি দেওয়ার সংস্থান রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কারণ, দুদিন আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণ দেবী জানিয়েছিলেন, রাজ্যে একাধিক অতিরিক্তি ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু হয়নি। মন্ত্রীর দাবি, তার জেরে বকেয়া রয়েছে ধর্ষণ ও পকসো সংক্রান্ত কয়েক হাজার মামলা। সেই বিষযে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ না করছে। রাজ্যে হাজার হাজার ধর্ষণের মামলা ঝুলে রয়েছে।

    কেন্দ্রের ‘নির্ভয়া তহবিল’ খরচে ব্যর্থ!

    এবার প্রকাশ্যে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। মোদি সরকারের সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে জানা গেল, নারী সুরক্ষায় কেন্দ্রের দেওয়া তহবিল খরচ করতেও ব্যর্থ মমতার প্রশাসন। নারী সুরক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ‘নির্ভয়া তহবিল’ (Nirbhaya Fund) গঠন করেছিল। প্রায় এক দশক পরেও সেই তহবিলে বরাদ্দ টাকা খরচে একেবারে নীচের দিকে এই রাজ্য! পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই তহবিলে রাজ্যের জন্য বরাদ্দ করা হয় ৭৫.৭০ কোটি টাকা। আর খরচ করা হয়েছে মাত্র ৩.৯২ কোটি টাকা। তালিকা অনুযায়ী, দেশের রাজ্যগুলির নিরিখে ২৯ নম্বরে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এর কোনও জবাব দেবে কি মমতার-প্রশাসন?

    সব রাজ্যের মতো কেন্দ্রীয় অর্থ পেয়েছে বাংলাও

    ২০১২ সালে দিল্লিতে নির্ভয়াকাণ্ডের পরে কেন্দ্রের তরফে ‘নির্ভয়া তহবিল’ (Nirbhaya Fund) গঠিত হয়। ২০১৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সরকার ১ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ‘নির্ভয়া তহবিল’ তৈরি করেছিল। এর পর থেকে ফি বছরই ওই তহবিল বাবদ অর্থ বরাদ্দ হয়েছে সাধারণ বাজেটে। তাতে অন্য রাজ্যের সঙ্গে বাংলাও টাকা পেয়েছে। নির্ভয়া তহবিলের টাকা খরচের জন্য নানা প্রকল্পও তৈরি করে কেন্দ্র। ২০১৫ সালে নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রককে ‘নোডাল এজেন্সি’ করে দেখাশোনার ভার দেওয়া হয়েছিল তহবিলের অধীন বিবিধ প্রকল্পের। তার মধ্যে মহিলাদের অভিযোগ বা দুর্দশার কথা শুনতে ছিল ‘ওয়ান স্টপ সেন্টার’ (ওএসসি) গঠন, মেয়েদের জন্য তৈরি হেল্পলাইন নম্বরের সার্বিক উন্নয়ন, ‘মহিলা পুলিশ ভলান্টিয়ার স্কিম’ (এমপিভিএস)।

    ‘সেফ সিটি’ বানাতে কলকাতার বরাদ্দের কী হাল? (Nirbhaya Fund)

    পাশাপাশি, ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় বাজেটে দেশের মোট আটটি শহরের নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ‘সেফ সিটি’ তৈরির তালিকায় আমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বইয়ের সঙ্গে ছিল কলকাতাও। প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল ওই বাবদ। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, কলকাতাকে ‘সেফ সিটি’ বানাতে মোট ১৮১.৩২ কোটি টাকার প্রকল্প তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যে কেন্দ্রের দেওয়ার কথা ছিল ১০৮.৭৯ কোটি টাকা। ২০১৯-‘২০ অর্থবর্ষে কেন্দ্র রাজ্যকে দু’দফায় ৫৫.৫৭ কোটি টাকা দেয়। পরে আরও টাকা আসায় ওই খাতে মোট ৭৫ কোটি টাকা পেয়েছে রাজ্য।

    এই তহবিলে রাজ্যের জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে ২০১৯ সালে জানতে চেয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের দুই সাংসদ। তাঁরা হলেন তৃণমূলের মালা রায় এবং কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। তার জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যওয়াড়ি যে হিসেব সংসদে জমা দিয়েছিল, তাতে দেখা যাচ্ছে, সেই সময় পর্যন্ত বাংলার জন্য কেন্দ্র বরাদ্দ করেছিল ৭৫.৭০৮ কোটি টাকা। আর রাজ্যের তরফে কেন্দ্রকে পাঠানো খরচের পরিমাণ ছিল ৩ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকার মতো। ফলে, বোঝাই যাচ্ছে এই প্রকল্পে রাজ্য টাকা খরচই করতে পারেনি।

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    পিছিয়ে বাংলা!

    ‘নির্ভয়া তহবিলের’ টাকায় কী কী খরচ করা হবে, তা বছরে বছরে বদলেছে। শহরে-গঞ্জের রাস্তায় আলো লাগানো থেকে মহিলাদের সুরক্ষায় শহরাঞ্চলে সর্বত্র সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো, মেয়েদের জন্য চলমান শৌচাগার নির্মাণ- এ সব যেমন রয়েছে, তেমনই এই তহবিলের টাকায় নির্যাতিতাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও বলা রয়েছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন কেন্দ্রীয় নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি লোকসভায় বলেছিলেন, ‘সেন্ট্রাল ভিকটিম কমপেনসেশন স্কিম’ (সিভিসিএফ) নামে প্রকল্পে ২০১৬-‘১৭ আর্থিক বছরে বাংলা পেয়েছে ১২ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা। খরচ করতে পেরেছে মাত্র ২০ লক্ষ টাকা।”

    নির্ভয়া তহবিলের টাকা যাচ্ছে অন্য খাতে!

    কোন রাজ্যে নির্ভয়া তহবিলের অর্থ কেমন খরচ হচ্ছে, তা নিয়ে একটি বেসরকারি সংস্থা ২০১৯ সালে সমীক্ষা চালায়। সেই সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশিত হয় ২০১৯ সালে। তাতে দাবি করা হয়েছে, দেশের মধ্যে নির্ভয়া তহবিলের (Nirbhaya Fund) টাকা খরচের নিরিখে পিছনের সারিতেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। নারী শিশুসুরক্ষা নিয়ে কাজ করা একটি বেসরকারি সংস্থা ২০২১ সালে একটি সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। তাতে শেষ তিন বছরে নির্ভয়া তহবিলের টাকা কেমন খরচ হয়েছে তার একটা ছবি তুলে ধরা হয়েছিল। সেই রিপোর্টে বলা হয়, টাকা শুধু যে পড়েই থাকছে তা নয়। এমন এমন খাতে খরচ হচ্ছে, যার সঙ্গে নারীকল্যাণের সরাসরি তেমন যোগ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: জনতার ক্ষোভে ভাঙল ব্যারিকেড, বিজেপির ‘জেলাশাসকের অফিস ঘেরাও’ অভিযানে উত্তাল বাংলা

    BJP: জনতার ক্ষোভে ভাঙল ব্যারিকেড, বিজেপির ‘জেলাশাসকের অফিস ঘেরাও’ অভিযানে উত্তাল বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে নির্যাতিতার জন্য ন্যায়বিচার চেয়ে বিজেপির (BJP) দফা এক, দাবি এক, ‘মমতার পদত্যাগ’। এই ইস্যুতে কোচবিহার, বর্ধমান, আসানসোল, বাঁকুড়া, মালাদা সহ বিভিন্ন ডিএম অফিস ঘেরাও করা হল। আর সেখানেই পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধুন্ধুমার বাধে। পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করলেও তা টপকে জেলাশাসকের অফিসের (DM office) দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপির কর্মীরা। ফলে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। কোচবিহারে জনরোষ আটকাতে পুলিশ ব্যবহার করে জলকামান। এলাকায় এই নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। উল্লেখ্য, মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যার প্রতিবাদে একাধিক কর্মসূচির কথা ঘোষণা আগেই করেছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ২ সেপ্টেম্বর সোমবার জেলায় জেলায় জেলাশাসকের দফতর অভিযানের কর্মসূচি পূর্ব নির্ধারিতই ছিল।

    বাঁকুড়ায় ব্যাপক বিক্ষোভ (BJP)

    বাঁকুড়ায় জেলাশাসকের (DM office) দফতর অভিযানে নামে বিজেপি (BJP)। চিকিৎসক তরুণীকে নির্যাতন করে খুনের প্রতিবাদে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষ। এদিন বাঁকুড়া হিন্দু হাই স্কুল ময়দান থেকে মিছিল করে ডিএম অফিসের দিকে এগিয়ে যায় জনতা। কিন্তু আইজি মোড়ের কাছে যেতেই পুলিশ ব্যারিকেড করে আটকে দেয়। এরপর তা ভেঙে এগিয়ে যেতে চেষ্টা করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে  ওঠে। এরপর সেখানেই বসে বিজেপি কর্মীরা অবস্থান-বিক্ষোভ করেন।

    মালদায় ব্যারিকেড ভাঙল জনতা

    বিজেপির (BJP) ঘোষিত অভিযানকে মাথায় রেখে পুলিশ আগে থেকেই মালদা জেলাশাসকের অফিসের (DM office) সামনে ত্রিস্তরীয় গার্ডরেল দিয়ে রেখেছিল। এদিন দুপুর ১টায় বিজেপির জেলা অফিস থেকে একটি মিছিল সারা শহর পরিক্রমা করে। মিছিলে পা মেলান উত্তর বাংলার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু, বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা, সাংগঠনিক সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত এবং পার্থসারথি ঘোষ। পরে এই মিছিল জেলাশাসকের অফিসের সামনে এলে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি বাধে। এরপর উত্তেজিত কর্মীরা ‘বিচার চাই বিচার চাই’ বলে ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়।

    আরও পড়ুনঃ আরজি করকাণ্ডে প্রতিবাদ মিছিলে নির্যাতিতার আত্মীয়রা, পা মেলালেন রুদ্রনীল

    একাধিক জেলায় বিক্ষোভে উত্তাল জেলা

    মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি-সহ একাধিক জেলায় জেলাশাসকের দফতর (DM office) ঘেরাও করার কর্মসূচি নেয় বিজেপি (BJP)। রাস্তায় নেমে মিছিল করে প্রতিবাদ করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। রাজ্যের মহিলাদের সুরক্ষার দাবিতে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বিক্ষুব্ধ জনতা। বর্ধমানে বিজেপির কর্মসূচিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও করতে গিয়ে ব্যারিকেড উপড়ে ফেলে দেন কর্মীরা। এদিন আসানসোলেও এই চিত্র লক্ষ্য করা যায়। সর্বত্র একটাই স্লোগান ওঠে ‘এবার মমতা গদি ছাড়ো’।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rally: আরজি করকাণ্ডে প্রতিবাদ মিছিলে নির্যাতিতার আত্মীয়রা, পা মেলালেন রুদ্রনীল

    RG Kar Rally: আরজি করকাণ্ডে প্রতিবাদ মিছিলে নির্যাতিতার আত্মীয়রা, পা মেলালেন রুদ্রনীল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Rally) সুবিচারের দাবিতে নাগরিক সমাজের ডাকে মধ্যমগ্রামে সামিল হলেন নির্যাতিতা পড়ুয়া চিকিৎসকের আত্মীয়রা। এর আগেও এই ইস্যুতে মধ্যমগ্রামে আন্দোলন হয়েছে। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মহিলারা। প্রতিবাদ মিছিলও করা হয়েছে। ফের মধ্যমগ্রামে আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে কয়েকশো মানুষ জমায়েত হন।

    প্রতিবাদ মিছিলে নির্যাতিতা চিকিৎসকের আত্মীয়রা (RG Kar Rally)

    আরজি করের ঘটনার পর ১৪ অগাস্ট রাতে মহিলাদের রাস্তা দখল থেকে শুরু করে লাগাতার মধ্যমগ্রাম (Madhyamgram) প্রতিবাদের (RG Kar Rally) আওয়াজ তুলেছে দিনের পর দিন। কখনও ছোট জমায়েত, কখনও কয়েকশো মানুষের জমায়েত হয়ে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ চেয়ে সরব হয়েছে। অন্যান্য দিন এই প্রতিবাদ জমায়েত মধ্যরাতে হলেও রবিবার সন্ধ্যায় নির্যাতিতার বিচার চেয়ে প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন কয়েকশো সাধারণ মানুষ। অরাজনৈতিক এই প্রতিবাদ মিছিলে পা মেলালেন রুদ্রনীল ঘোষ। অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ এর আগেও মধ্যমগ্রামে এই প্রতিবাদী আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন। 

    মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় তিন দিন ধরে চলা এক অরাজনৈতিক অবস্থান বিক্ষোভের শেষ দিনে এসেছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। সেই দিনই ঘোষণা হয়েছিল ১ সেপ্টেম্বর ফের জমায়েত হয়ে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানানোর কথা হয়েছিল। সেইমতো এদিন কয়েকশো মানুষ জমায়েত হন। এই মিছিলে নির্যাতিতার আত্মীয়দের মধ্যে কাকিমা, মামা-মামী হাজির হয়েছিলেন। মধ্যমগ্রাম চৌমাথা এসে প্রতিবাদ মিছিল শেষ হয়। এদিন প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নির্যাতিতার কাকিমা। তিনি বলেন, ‘‘ দোষীদের অবিলম্বে শাস্তি দিতে হবে। আমরা সেই দাবিতেই রাস্তায় নেমে আন্দোলনে সামিল হয়েছি।’’ আন্দোলনকারীরাও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    পরিকল্পিতভাবে খুন

    প্রতিবাদের শামিল হয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, ‘‘পরিকল্পিতভাবেই আরজি করের (RG Kar Rally) নির্যাতিতাকে খুন করা হয়েছে। তাই, তথ্য প্রমাণ জোগাড় করতে এত দেরি হচ্ছে। মানুষ রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছেন। দোষীদের বাঁচাতে উঠে পড়ে লেগেছে তৃণমূল সরকার। পুলিশ দিয়ে মানুষের প্রতিবাদ বন্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে। আমার আবেদন, পুলিশ সাধারণ মানুষের বন্ধু হন। জল কামানের প্রয়োজন নেই, বাংলার  মা-বোনেদের চোখে অনেক জল আছে। দ্রুত শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন সকলে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share