Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Dehradun: দু’দিন পরে প্রাণ পেল দেরাদুনের ক্লক টাওয়ার! ফের কীভাবে চলল জানেন?

    Dehradun: দু’দিন পরে প্রাণ পেল দেরাদুনের ক্লক টাওয়ার! ফের কীভাবে চলল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেরাদুনের (Dehradun) আইকনিক ক্লক টাওয়ার ২ দিন প্রাণহীন থাকার পর আবার টিকটিক শব্দে চলতে শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, টাওয়ারে বসানো ঘড়ির ছয়টি সুইচের মধ্যে তিনটির তার কেটে ফেলেছিল কেউ বা কারা। তাই ঘড়িটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ঘটনায় রাজ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়ে। অবশেষে ঘড়ি বন্ধের কারণ জানাল পুলিশ। 

    পুলিশের বক্তব্য (Dehradun)

    কোতোয়ালি থানার (Dehradun) এসএইচও চন্দ্রভান সিং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পরে সাংবাদিকদের বলেন, “ক্লক টাওয়ারে স্থাপিত ঘড়ির ছয়টি সুইচের মধ্যে তিনটির তার কেটে ফেলা হয়েছিল। পরে তারগুলিকে আবার সংযুক্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে সেটি আবার কাজ করছে। ঘড়ি এখন স্থির নয়, টিকটিক শব্দে প্রবহমান।” তবে এই ক্লক টাওয়ারে চুরি হয়নি বলেই দাবি তাঁর। তিনি বলেন, “কাটা তার ছাড়া ব্যাটারি, ইনভার্টার ও অ্যামপ্লিফায়ারসহ সব কিছুই অক্ষত ছিল। কেউ চাবি দিয়ে এর একটি গেটের তালা খুলে টাওয়ারে প্রবেশ করেছিল। এরপর ভিতরের যন্ত্রাংশের তারগুলিকে কেটে দেওয়া হয়। এটি এমন একজনের কাজ বলে মনে হচ্ছে যার কাছে হয়তো টাওয়ারের চাবি ছিল। আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি।” স্থানীয় সার্কেল অফিসার নীরজ সেমওয়াল বলেন, “ক্লক টাওয়ার পরিদর্শনের সময় জোরপূর্বক প্রবেশের কোনও চিহ্ন বা ছাপ পাওয়া যায়নি। সেখানে কাটা তারগুলোর অংশ বিশেষ পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। কোনও কিছুই ভেঙে করা হয়নি। ভিতরের যন্ত্রগুলি অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    শহরের কেন্দ্রস্থলে ল্যান্ডমার্ক ঘড়ি

    ঘটনার কথা জানাজানি হতেই দেরাদুন (Dehradun) মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশনের তরফে এফআইআর দায়ের করা হয়। পুলিশ তদন্তে নেমেছে। ক্লক টাওয়ার বা এই ঘন্টা ঘরটি শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ল্যান্ডমার্ক হিসেবে কাজ করে। গত সোমবার এলাকার মানুষ, এই ঘড়ির কাঁটা নড়ছে না দেখে প্রথমে ডিএমসিতে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অপরাধীকে ধরতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Grant: ‘লাগবে না ৮৫ হাজার’, আরজি করের প্রতিবাদে দুর্গা-অনুদান ফেরাল একাধিক ক্লাব

    Durga Puja Grant: ‘লাগবে না ৮৫ হাজার’, আরজি করের প্রতিবাদে দুর্গা-অনুদান ফেরাল একাধিক ক্লাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া দুর্গাপুজোর অনুদান (Durga Puja Grant) ফেরাচ্ছে একের পর এক ক্লাব। সকলেই আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে। ফলে, পুজো যত এগিয়ে আসছে, ‘দুর্গার ভান্ডার’ -এ প্রত্যাখ্যানের সংখ্যা তত বাড়ছে। এবার সেই তালিকায় এবার নাম লেখাল কলকাতা থেকে শুরু করে উত্তর ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, শিলিগুড়ির ক্লাব। সকলেরই একটাই কথা— লাগবে না ৮৫ হাজার।

    ‘‘৮৫ হাজার টাকা আমাদের দরকার নেই’’

    কলকাতার ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেহালা মধ্যপাড়া আবাহনী ক্লাব এবার সরকারি অনুদানের ৮৫ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিল। এবার ৫০ বছরে পা দিচ্ছে আবাহনী ক্লাবের পুজো। পুজো কমিটির উদ্যোক্তা দেবাশিস পাল বলেন, “আমরা ভাবতে পারছি না একজন ডাক্তার পড়ুয়ার এমন পরিণতি। আরজি করের একটা অসাধু চক্রই তো ওকে মারল। এই অন্যায় আমরা মানব না। আমরা মনে করি এখানে সরকারেরও কিছু অক্ষমতা আছে। এটা আমরা মানতে পারছি না। তাই ৮৫ হাজার টাকা আমাদের দরকার নেই। অনাড়ম্বরেই এবার আমরা পুজো করব।”

    মুখ ফেরাল দক্ষিণেশ্বরের ক্লাব (Durga Puja Grant)

    উত্তর ২৪ পরগনার দক্ষিণেশ্বরের একটি ক্লাব ও রাজ্য সরকারের পুজোর অনুদান (Durga Puja Grant) ফিরিয়ে দিল। ওই ক্লাবের তরফে স্থানীয় থানায় চিঠি দিয়ে অনুদান না গ্রহণের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। দক্ষিণেশ্বর বিজয় সঙ্ঘের পুজো এ বছর ২৩ বছরে পদার্পণ করেছে। এ প্রসঙ্গে পুজো উদ্যোক্তা রনিতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ক্লাবের তরফে আমরা সকলে মিলে স্থির করেছি, যত দিন না আরজি করের নির্যাতিতা বিচার পাচ্ছেন, তত দিন এই অনুদান আমরা নেব না। পুজো হবে। তবে তা হবে আড়ম্বরহীন। পুজো হবে, কিন্তু উৎসব নয়। আমাদের বোন মারা গিয়েছে। সারা পৃথিবী দেখছে। এটা আমাদের কলকাতার লজ্জা। কেউ সমালোচনা করবেন না।’’

    আরও পড়ুন: ‘আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রত্যেক দেশবাসী’, সুইৎজারল্যান্ডে বললেন জয়শঙ্কর

     তালিকায় তৃণমূলের শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়রের ওয়ার্ডের ক্লাব

    ‘দুর্গার ভান্ডার’ ফিরিয়ে দিচ্ছে উত্তরবঙ্গের একটি ক্লাবও। তৃণমূলের দাপুটে নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারের ওয়ার্ড হাকিমপাড়া। এই এলাকার মহিলা পরিচালিত পুজো কমিটির নাম আহ্বান। এই ক্লাব দুর্গাপুজোর আয়োজনের জন্য সরকারি অনুদান (Durga Puja Grant) নেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন উদ্যোক্তারা। পুজোর আয়োজনে আড়ম্বরও বর্জন করা হয়েছে। শিলিগুড়ির ওই ক্লাবটি মূলত মহিলা পরিচালিত। শিলিগুড়ির হাকিমপাড়ার আহ্বান ক্লাব এ বছর ২১ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। ক্লাবের সদস্য এবং পুজো উদ্যোক্তা মানসী দে বলেন, ‘‘আরজি করের ঘটনার সুবিচার চেয়ে, ন্যায়ের দাবি জানিয়ে আমরা এ বারের দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান ফিরিয়ে দিচ্ছি।’’

    অনুদান নেবে না দুই মেদিনীপুরের দুটি ক্লাব

    দুই মেদিনীপুরের দু’টি দুর্গাপুজো কমিটি প্রত্যাখ্যান করলো রাজ্য সরকারের দেওয়া পুজোর অনুদান (Durga Puja Grant)। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar Protest) ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদে ও নির্যাতিতার বিচারের দাবিতেই তাদের এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে পুজো কমিটি দু’টির তরফে। তাদের মধ্যে একটি হল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের সাগরপুর সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি এবং অন্যটি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার দিঘা মোড় সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি।

    অনুদান ফেরাল অশোকনগরের ক্লাবও

    আর জি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের একটি পুজো কমিটি গত কয়েকবার সরকারের অনুদানের (Durga Puja Grant) টাকা নিলেও এবার তারা তা নেবে না বলে এদিন জানিয়ে দিয়েছে। অশোকনগরের বাবা পঞ্চানন্দতলা দুর্গাপুজো কমিটিও এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকারের অনুদান না নেওয়ার। পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ অসিত ঘোষ বলেন, ‘‘এই অভয়ার জন্য আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। আমার খারাপ লাগছে খুব। আমাদের গ্রামে কত মেয়েরা আছে। তাদের কথা ভাবি আমার মেয়ের কথা ভাবি। আমরা এজন্য এ বছরে টাকা নিচ্ছি না। এবারে আমরা চাই সুবিচার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ৫ দফা দাবি মিটলে তবেই আন্দোলন প্রত্যাহার, মুখ্যমন্ত্রীকে জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar: ৫ দফা দাবি মিটলে তবেই আন্দোলন প্রত্যাহার, মুখ্যমন্ত্রীকে জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘আমরাও দ্রুত আলোচনায় বসতে চাই, কাজে ফিরতে চাই। তবে, ৫ দফা দাবি নিয়ে কোনও সমঝোতা নয়। দাবি মিটলে তবেই উঠবে আন্দোলন।’’ হঠাৎই মুখ্যমন্ত্রীর ধর্না মঞ্চে যাওয়া নিয়ে এমনটাই প্রতিক্রিয়া জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors)। মুখ্যমন্ত্রী ধর্না স্থল ঘুরে যাওয়ার পরও আন্দোলনকারীদের (RG Kar) কেউ কেউ জানান, তাঁরা লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবিতে অনড়। ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে বেসামাল অবস্থা মমতা সরকারের। অবশেষে ডাক্তারদের (RG Kar) আন্দোলনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    নিজের অবস্থান থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরলেন মুখ্যমন্ত্রী 

    শনিবারে দুপুরে আচমকা ধরনা মঞ্চে গিয়ে হাজির তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের (Junior Doctors) দাবিতে উত্তাল হয়েছে রাজ্য। তিনি আগেই নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছিলেন যে মানুষের স্বার্থে পদত্যাগ করতে রাজি আছেন। তবে তিনি তা করেননি! এদিনও একই কথা শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়, ‘‘আমার পোস্ট বড় কথা নয়, মানুষের পোস্ট বড় কথা।’’ দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের আশ্রয় দিয়ে, প্রশ্রয় দিয়ে তাঁদেরকে ক্ষমতার অলিন্দে নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আরজি করের সন্দীপ ঘোষকে প্রাইজ পোস্টিং দেন তিনি তাও আবার ইস্তফার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে। সেই মুখ্যমন্ত্রী একমাস পরে ১৮০ ডিগ্রি (RG Kar) ঘুরে গেলেন আন্দোলনের চাপে। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর এই চালে ভোলেননি জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের সাফ কথা পাঁচ দফা দাবি মিটলে তবেই তাঁরা আন্দোলন প্রত্যাহার করবেন।

    আন্দোলনকারীদের পাঁচ দাবি

    প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডের প্রেক্ষিতে, প্রথম থেকেই পাঁচ দফা দাবি নিয়ে সরব জুনিয়র ডাক্তাররা। আন্দোলনকারীদের দাবিগুলি হল— এক) ধর্ষণ-খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত সমস্ত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোরশাস্তির ব্যবস্থা, অপরাধের উদ্দেশ্য সামনে আনা। দুই) তথ্যপ্রমাণ লোপাটের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িতদের চিহ্নিত করা। তিন) কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েলের ইস্তফা। চার) হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা। পাঁচ)  রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভয়মুক্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুনিশ্চিত করা।

    কী বলছেন আন্দোলনের অন্যতম মুখ অনিকেত মাহাতো? 

    আন্দোলনকারীদের তরফ থেকে অনিকেত মাহাতো সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আন্দোলনের (RG Kar) যে স্পিরিট নিয়ে চলছিল তা নিয়েই চলবে। আমরা আমাদের ৫ দফা দাবি নিয়ে যে কোনও জায়গায় আলোচনায় বসতে চাই। দ্রুত কাজেও ফিরতে চাই। আমরা কোনও অন্যায় দাবি করছি না। এই দাবি নিয়ে আমরা আলোচনায় বসতে চাই। এই ৫ দফা নিয়ে আমরা কোনওরকম সমঝোতায় যেতে এখনও রাজি নয়।’’ পাশে দাঁড়িয়ে আর এক আন্দোলনকারী বললেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছেন। আমরা নিজেরা আলোচনা করব। সেই অনুযায়ী জানাব। আমরা সবসময় চাই আলোচনা করতে। কারণ আমরা চাই এই সমস্যার সুস্থ সমাধান হোক।’’

    ন্যায় বিচারের পাঁচ দফা দাবিতে আমরা কোনও সমঝোতা করব না

    অপর এক আন্দোলনকারীর কথায়, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে সদর্থক ভূমিকা হিসাবে দেখছি। ওয়েলকাম জানাচ্ছি। কিন্তু ন্যায় বিচারের পাঁচ দফা দাবিতে আমরা কোনও সমঝোতা করব না। মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন, আলোচনার সদিচ্ছা জানাচ্ছেন। আমরা সেটাকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। আমরা অচলাবস্থা কাটাতে চাই। আমরা চাই এক্ষুনি উনি আলোচনার টেবিলে বসুন। মিডিয়ার সামনেই সব হোক। আমরা চাই আমাদের দাবি উনি মেনে নিন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: ১৪ অগাস্টের পর এক মাস পার, শনিবার ফের ‘রাত দখলের’ ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Case: ১৪ অগাস্টের পর এক মাস পার, শনিবার ফের ‘রাত দখলের’ ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Case) ধর্ষণ করে মহিলা ডাক্তারকে হত্যার এক মাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত, এখনও বিচার অধরা। ন্যায়ের দাবিতে আন্দোলনে অনড় প্রতিবাদীরাও। গত পাঁচ দিন ধরে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে জুনিয়র ডাক্তাররা ধর্নায় বসেছেন। তাঁদের ৫ দফা দাবি নিয়ে চলছে লাগাতার আন্দোলন। অভয়ার উপর নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামজিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক দলগুলি ক্রমাগত আন্দোলন করে চলেছেন। তাঁদের সঙ্গে যোগদান করেছেন সমাজে নানা বর্গের মানুষ। এই অবস্থায় ফের একবার রাত দখলের (Night protes) আহ্বান জানানো হল। আজ শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, রাতে রাজপথে নামার ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা।

    রাত দখলের দিনে হামলা হয়েছিল (RG Kar Case)

    অভয়ার হত্যাকাণ্ডের (RG Kar Case) বিরুদ্ধে ন্যায় বিচারের দাবিতে গত ১৪ অগাস্ট প্রথম মেয়েদের রাত দখলের ডাক (Night protest) দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। তাতে কলকাতা সহ জেলার প্রায় সব ছোট-বড় শহরে প্রতিবাদী মানুষের ঢল নামতে দেখা গিয়েছিল। হাজার হাজার মহিলা, পুরুষ, ছাত্র-ছাত্রী, ডাক্তার, উকিল, ইঞ্জিনিয়র সকল স্তরের মানুষ রাত দখল করে বিক্ষোভ দেখান। কোথাও মশাল আবার কোথাও মোমবাতি হাতে ছিল। কেউ আবার শঙ্খ বাজিয়ে, মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেন। কিন্তু ওই সময়ই আরজি কর হাসপাতালে বহিরাগত দুষ্কৃতীরা ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদ মঞ্চকে ভেঙে দিয়েছিল। এমনকী জরুরী বিভাগ সহ একাধিক বিভাগে কার্যত তাণ্ডব চালানো হয়। পুলিশের সামনে কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। দোষীদের আড়াল করতে এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতেই এই ভাবে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছিল বলে জুনিয়র ডাক্তাররা অভিযোগ করেছিলেন। সেই ঘটনার এক মাস পর ১৪ সেপ্টেম্বর রাত দখলের ডাক দিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। 

    আরও পড়ুনঃ বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    ন্যায় বিচারের জন্য সকলে পথে নামুন

    আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের পক্ষ থেকে এদিন বলা হয়েছে, “এক মাস পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের ভূমিকায় আমরা অত্যন্ত হতাশ। ১৪ সেপ্টেম্বর মহিলাদের রাত দখলের সময় আরজিকর হাসপাতালে (RG Kar Case) ভাঙচুর হয়। পুলিশ কার্যত দোষীদের আড়াল করতে কাজ করেছে। প্রশাসন নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই আমরা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ দাবি জানিয়েছি, স্বাস্থ্য অধিকর্তাদেরও পদত্যাগ দাবি করেছি। আমাদের ৫ দফা দাবিকে সামনে রেখে ন্যায় বিচারের জন্য সকলে পথে নামুন। গান, কবিতা, ছবি আঁকার মাধ্যমে আমাদের সমর্থন করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    Junior Doctor: বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক গ্যাং-এর ‘দাদাগিরি’! হুমকি-ফোন জুনিয়র ডাক্তারদেরকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজেই ‘থ্রেট কালচার’-এর দাপটে জুনিয়র ডাক্তাররা ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। আরজি করকাণ্ডের পর জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) লাগাতার আন্দোলনের ফলে এই বিষয়টি সামনে এসেছে। থ্রেট কালচারের সঙ্গে যুক্তদের নাম প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে। চাপে পড়ে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। এই আবহের মধ্যে এবার বর্ধমান (Burdwan Medical) মেডিক্যাল কলেজের মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারণ, জুনিয়র ডাক্তাররা মুখ খুললে সিন্ডিকেটের আরও অনেক গোপন তথ্য সামনে চলে আসবে। মুখ বন্ধ করতে হোয়াটসঅ্যাপ কল করে হুমকি দিতে শুরু করেছে অভীকদের গ্যাং। এমনই অভিযোগ করছেন আন্দোলনকারীরা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা? (Junior Doctor)

    আন্দোলনকারী  এক জুনিয়র ডাক্তার শুভব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে তাঁরা জানেন কারা কারা অভিযোগ করতে পারে। এর ফলে যাঁরা অভিযোগ করছেন বা করতে পারেন, তাঁদেরকে অপরিচিত হোয়াটস্যাপ নম্বর থেকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাঁদেরকে মুখ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। বর্ধমান মেডিক্যালের মোট ২১ জন চিকিৎসককে কলেজ ক্যাম্পাসে যাতে ঢুকতে না পারে সেই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। ফলে, তাঁরা ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পেরে অপরিচিত নম্বর থেকে ভয় দেখানো শুরু করেছেন। এটা তো পরিস্কার যে যাঁরা হুমকি দিচ্ছেন, তাঁদের পিছনে কোনও বড় হাত রয়েছে। নাহলে তাঁরা এত সাহস পায় কীভাবে? এটা তদন্তে মনে হয় বের হবে। বেশিরভাগ কল মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকজন পুরুষ জুনিয়র ডাক্তারও রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রত্যেক দেশবাসী’, সুইৎজারল্যান্ডে বললেন জয়শঙ্কর

    বর্ধমান মেডিক্যালে অভীক বাহিনীর দাপট!

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে দাপিয়ে বেড়াতেন অভীক দে। তাঁর বাহিনী জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor) ওপর খবরদারি করত বলে অভিযোগ। গত ১১ অগাস্ট বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের লেকচারার থিয়েটারে রাত ১১টা পর্যন্ত বেশ কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার ও পিজিটি-কে নিয়ে বৈঠক করেন অভীক দে। যেখানে নিয়ম অনুযায়ী, সন্ধে সাতটার পর এই লেকচারার থিয়েটার বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। সেখানে কোন অধিকারে একজন রাত ১১টার সময় সেখানে বৈঠক করেন? অভিযোগ, সেদিনের ওই বৈঠকে চিকিৎসক পড়ুয়া এবং জুনিয়র ডাক্তারদের সামনে অভীক স্বীকার করেছিলেন, তিনি ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি নির্যাতিতা চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ দেখেছিলেন। অভিযোগ, ওই বৈঠকে অভীক আরও দাবি করেন, ‘ধর্ষণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। সন্দীপ ঘোষ দোষী নন।’

    আরও অভিযোগ, এভাবেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের আন্দোলনকে ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত করেছেন চিকিৎসক অভীক দে এবং তাঁর অনুগামীরা। জুনিয়র ডাক্তার গৌরাঙ্গ প্রামাণিক জানান, সম্প্রতি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের জিবি বৈঠকে অভীক দে এবং তাঁর অনুগামীরা আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকি দেন। এমনকী, কলেজের মধ্যেও তাঁদের হুমকি দিচ্ছে বহিরাগতরা। আন্দোলনকারীদের হস্টেল থেকে বের করে দেওয়া হবে। পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না। তাঁদের রেজিস্ট্রেশন করতে দেওয়া হবে না বলেও বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনের জেরে কর্তৃপক্ষ ২১ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরও হুমকি ফোন আসছেই। ইতিমধ্যেই কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে নাম দিয়ে অভিযোগ জমা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি কাণ্ডের প্রতিবাদ! নিজের রক্ত দিয়ে বিচারের দাবি লিখলেন বিজেপির চিকিৎসক-নেতা

    RG Kar: আরজি কাণ্ডের প্রতিবাদ! নিজের রক্ত দিয়ে বিচারের দাবি লিখলেন বিজেপির চিকিৎসক-নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডের বিচার চেয়ে রক্ত দিয়ে পোস্টার লিখলেন বিজেপি নেতা ইন্দ্রনীল খাঁ (Indranil Khan)। প্রসঙ্গত, আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চেয়ে এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে এদিন ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে বিজেপির অবস্থান বিক্ষোভ চলছে। শুক্রবারই ছিল তার ১৬তম দিন। আর এদিনই মঞ্চে নিজের রক্ত দিয়ে পোস্টার লিখলেন বিজেপি নেতা তথা যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি অঙ্কোলজিস্ট ইন্দ্রনীল খাঁ।

    কী বলছেন বিজেপি নেতা?

    প্রথমে সিরিঞ্জ দিয়ে ইন্দ্রনীল খাঁয়ের (Indranil Khan) শরীর থেকে রক্ত নেওয়া হয়। তারপরে নিজেই সেই রক্ত দিয়ে পোস্টার লেখেন পেশায় চিকিৎসক ইন্দ্রনীল। এনিয়ে সংবাদমাধ্যমকে ইন্দ্রনীল বলেন, ‘‘দেশবাসীর মতো বিজেপিও নির্যাতিতার বিচার চায়। আর কিছুই এখন চাইছে না মানুষ। যে বা যারা এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সেই সব মানুষকে চিহ্নিত করে শাস্তি সুনিশ্চিত করতে হবে। আর ততদিন বিজেপির আন্দোলন চলবে। এই আন্দোলন বন্ধ হবে না। নির্যাতিতার রক্ত ব্যর্থ হবে না। রাজ্যের শাসক দল বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্নভাবে তদন্ত এবং আন্দোলনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে।’’

    এক্স হ্যান্ডেলে কী লিখলেন ইন্দ্রনীল (RG Kar)?

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে ইন্দ্রনীল লেখেন, ‘‘নিজের রক্ত দিয়ে লিখে বিচারের দাবি জানালাম। প্রতিটা রক্তবিন্দু (RG Kar) দিয়ে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’’

    জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলন নিয়ে বিজেপির এই চিকিৎসক-নেতার মত, ‘‘জুনিয়র চিকিৎসকদের এই আন্দোলনকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অপচেষ্টা বন্ধ করে বরং শাসক দল যদি দোষীদের চিহ্নিত করে তাদেরকে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করেন (RG Kar) তাহলে সেটা অনেক বেশি উপযুক্ত কাজ হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: রাত থেকে টানা বৃষ্টি, গভীর নিম্নচাপের দাপটে দক্ষিণবঙ্গে দিনভর দুর্যোগ

    Weather Update: রাত থেকে টানা বৃষ্টি, গভীর নিম্নচাপের দাপটে দক্ষিণবঙ্গে দিনভর দুর্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নচাপের দাপটেই শুক্রবার রাত থেকে টানা বৃষ্টি চলছে কলকাতা এবং সংলগ্ন শহরতলিতে। কখনও বৃষ্টির বেগ বাড়ছে, কখনও কমছে। আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দিনভর ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে শহরে। সেই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতেও ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।

    দক্ষিণবঙ্গের কোন কোন জেলায় বৃষ্টি? (Weather Update)

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের সব ক’টি জেলাতেই বৃষ্টি হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ায় জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। ওই দুই জেলায় শনিবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ২০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে কোথাও কোথাও। এছাড়া হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে অতিভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও শনিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার থেকে বৃষ্টি কমবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। রবিবার শুধু পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে আবহাওয়া সংক্রান্ত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: ‘আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রত্যেক দেশবাসী’, সুইৎজারল্যান্ডে বললেন জয়শঙ্কর

    বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গেও

    অন্যদিকে, বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গেও। শনিবার উত্তরবঙ্গের সব জেলার (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা) অনেকাংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। প্রতিটি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে কোথাও ভারী বৃষ্টি হবে না। রবিবার বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং উত্তর দিনাজপুরে।

    গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি (Weather Update) শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ক্রমেই পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে সরে দক্ষিণবঙ্গের ওপরে চলে এসেছে। এই মুহূর্তে তার অবস্থান বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন গাঙ্গেয় বঙ্গের উপর। এর আগে, ১৩ তারিখ বিকেল নাগাদ সেটি বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করে স্থলভাগে ঢুকেছে। গত ছ’ঘণ্টায় তার গতি ছিল ঘণ্টায় ২৩ কিলোমিটার। এই আবহে রাতভর দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। আর এই নিম্নচাপের জেরে আজ সকাল থেকেও বর্ষণ জারি আছে। আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আজও ভারী বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায়। এদিকে নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে সর্বোচ্চ প্রয়া ৬৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গভীর নিম্নচাপ রূপেই তা ক্রমে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে সরবে। তার পর শক্তি হারিয়ে ঝাড়খণ্ডের দিকে চলে যাবে।

    মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ

    নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও বাংলাদেশ উপকূলে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঝোড়ো হাওয়া বইবে। হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৫৫ কিলোমিটার। শনিবার গাঙ্গেয় বঙ্গের উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তালিকায় রয়েছে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম। রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৫ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৭৫ থেকে ৯৮ শতাংশের মধ্যে থাকবে। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৭২.৪ মিলিমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: জালনোটের ‘কিংপিন’ থেকে খুন! দিল্লি থেকে গ্রেফতার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মালদার তৃণমূল নেতা

    Malda: জালনোটের ‘কিংপিন’ থেকে খুন! দিল্লি থেকে গ্রেফতার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মালদার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে গ্রেফতার করা হল রাজ্যের প্রভাবশালী তৃণমূল (TMC) নেতা আসাদুল্লাহ বিশ্বাসকে। আন্তঃরাজ্য জালনোট পাচার চক্রের ‘কিংপিন’ ছিলেন তিনি। গতমাসেই মালদার (Malda) কালিয়াচকের একটি খুনের মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠে আসে রাজ্যের মালদা জেলার ‘কালিয়াচকের ত্রাস’ বলে পরিচিত তৃণমূল নেতা আসাদুল্লাহ বিশ্বাসের। 

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে যে, ডেপুটি কমিশনার (সেন্ট্রাল) এম. হর্ষবর্ধনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল বৃহস্পতিবার আসাদুল্লাহকে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে দিল্লির পাহাড়গঞ্জের একটি পানশালায় বসে বসে বেশ জমিয়ে মদ খাচ্ছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। তখনই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে মালদার রাজনৈতিক মহলে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল’ হিসেবে পুলিশের খাতায় নাম রয়েছে আসাদুল্লাহর। তারপরেও তিনি কালিয়াচক তৃণমূলের শেষ কথা বলে পরিচিত।

    খুনের পরই দিল্লিতে আত্মগোপন করেন আসাদুল্লাহ

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, মালদার (Malda) খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত আসাদুল্লাহ বিশ্বাস নিজের গ্রেফতারি এড়াতে দিল্লিতে গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন। কালিয়াচক থানা ইতিমধ্যে আসাদুল্লাহর ছেলে সরফরাজ বিশ্বাস সহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করেছে এই খুনের ঘটনায়। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে তৃণমূলের (TMC) প্রধান মহম্মদ সারিউলও। গত ১৮ অগাস্ট অহেদুল শেখ নামে এক যুবককে খুন করার অভিযোগ ওঠে আসাদুল্লাহর বিরুদ্ধে। এর আগেও কালিয়াচক থানা পোড়ানোর মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিন বছর জেল খেটেছিলেন আসাদুল্লাহ। কিন্তু পরে জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিরে আসেন তিনি। এবার ঝাড়খণ্ড হয়ে দিল্লিতে জালনোট পাচার করতে গিয়ে সেই রাজ্যের পুলিশের জালে ধরা পড়লেন  আসাদুল্লাহ।

    একাধিক অভিযোগ (Malda) 

    ২০১৭ সালেও এনআইএ আসাদুল্লাহকে গ্রেফতার করে বলে জানা যায়। তার আগে, ২০১৬ সালে এই তৃণমূল নেতাকে বিধানসভা ভোটে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি), ইডি’র খাতায় আশাদুল্লাহ বিশ্বাসের নামে অন্তত ৫০টি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মালদার জেলা পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, ‘‘অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে মালদায় (Malda) নিয়ে আসা হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করে ফের গেল সিবিআই, নজরে এবার প্ল্যাটিনাম জুবিলি ভবন

    CBI: আরজি করে ফের গেল সিবিআই, নজরে এবার প্ল্যাটিনাম জুবিলি ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar) বিচারের দাবিতে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষেরা। লাগাতার আন্দোলন চালাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তারেরাও। বিভিন্ন পেশার মানুষ এক যোগে সরব। সুপ্রিম কোর্টও স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে এই মামলার শুনানি করছে। এই আবহের মধ্যে শুক্রবার ফের আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে গেল সিবিআইয়ের (CBI) একটি দল। এর আগেও একাধিক বার তদন্তের স্বার্থে হাসপাতালে যায় সিবিআই। ঘটনাস্থল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখে তারা। কথা বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। শুক্রবার তদন্তকারীরা হাসপাতালের অধ্যক্ষ যে বিল্ডিংয়ে বসেন, সেই প্ল্যাটিনাম জুবিলি বিল্ডিংয়ে গিয়েছেন। তার পাশাপাশি, অন্যান্য জায়গাও ঘুরে দেখছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা।

    কেন বারবর প্ল্যাটিনাম বিল্ডিংয়ে যাচ্ছে সিবিআই? (CBI)

    এই বিল্ডিংটি মূলত এটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ভবন। এখানে ডিন এবং অধ্যক্ষের অফিস রয়েছে। এই বিল্ডিংয়েই পরপর বেশ কয়েকদিন এসেছেন গোয়েন্দারা। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এখানকার বিল্ডিং প্ল্যান থেকে শুরু করে চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রার সহ সকল অফিশিয়াল ডকুমেন্ট খতিয়ে দেখছেন তারা। এর পাশাপাশি অধ্যক্ষের যে কম্পিউটার রয়েছে সেগুলি খতিয়ে দেখছে তারা (CBI)। এখান থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য আদৌ নির্যাতিতার ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। তদন্তের সূত্রে এর আগে বেশ কয়েক বার আরজি করে গিয়েছে সিবিআই। ঘটনাস্থলে থ্রিডি ম্যাপিংও করা হয়েছে। ধৃত-সহ সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্ট করেছে সিবিআই। এ বার ধৃতের নার্কো টেস্ট করানোর আর্জি জানানো হয়েছে শিয়ালদা আদালতে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত তদন্তে যা উঠে এসেছে, তার সত্যতা যাচাই করতেই সিবিআই ধৃতের নার্কো টেস্ট করাতে চাইছে।

    আরও পড়ুন: সমাধানসূত্র অধরা! “সরাসরি সম্প্রচারে রাজ্য সরকারের কীসের ভয়?’’ প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের

    দুর্নীতির তদন্তে আগেও গিয়েছে সিবিআই

    চিকিৎসক খুনের ঘটনার আবহেই এই আরজি কর মেডিক্যালে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ ওঠে, তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতি চলেছে। সে বিষয়ে তদন্তের জন্য গত ১৬ অগাস্ট রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়। এক দিন পরেই উচ্চ আদালতের নির্দেশে রাজ্য পুলিশের পরিবর্তে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় সিবিআইয়ের (CBI) হাতে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে একাধিক বেনিয়মের তত্ত্ব উঠে এসেছে। মর্গ থেকে দেহ উধাও হওয়া থেকে শুরু করে রয়েছে হাসপাতালের জৈব বর্জ্য নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও! এ বিষয়ে পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেও আরজি করে এর আগেও গিয়েছে সিবিআইয়ের দল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Enforcement Directorate: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে সক্রিয় ইডি, কলকাতা ও জেলায় বালু-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি!

    Enforcement Directorate: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে সক্রিয় ইডি, কলকাতা ও জেলায় বালু-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রেশন দুর্নীতি (Enforcement Directorate) মামলায় ফের তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ইডি। আরজি কর হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, হাসপাতালে আর্থিক বেনিয়মের একাধিক মামলার তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঠিক এই আবহের মধ্যেই কলকাতা সহ একাধিক জেলায় ফের রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ময়দানে নেমে পড়েছে ইডি। উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন যাঁদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ওরফে বালু-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তাই এই অভিযানে শোরগোল পড়েছে।

    বাকিবুর ঘনিষ্ঠের বাড়িতে হানা (Enforcement Directorate)

    জানা গিয়েছে, কলকাতা, কল্যাণী, জয়নগর, মেদিনীপুর সহ মোট ৭ জায়গায় ইডি শুক্রবার তল্লাশি চালিয়েছে। কলকাতার এক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় তদন্তকারী সংস্থা। একই ভাবে ভবানীপুর থানা এলাকার চক্রবেড়িয়া সাউথ এলাকার বাসিন্দা লোহা সাউ নামে এক রেশন ডিলারের বাড়ি ঘিরে তল্লাশি চালানো হয়। এদিকে নদিয়ার কল্যাণী-এ ব্লকে এক ফুড ইন্সপেক্টরের বাড়িতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি বাকিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।

    আরও পড়ুনঃ আরজি কর-কাণ্ডে রাজ্যের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ, ‘শিক্ষারত্ন’ সম্মান ফেরাচ্ছেন মুর্শিদাবাদের শিক্ষক

    দেগঙ্গাতে একটি সমবায় সমিতিতে হানা

    আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের বহড়ুবাজারে একটি চালের গোডাউনে হানা দেয় ইডি (Enforcement Directorate)। বাইরে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ি ঘিরে রাখে, এরপর ভিতরে চলে তল্লাশি। একই ভাবে দেগঙ্গাতে একটি সমবায় সমিতিতে হানা দেয় ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় প্রথমে গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে। এরপর তাঁকে জেরা করায় উঠে আসে প্রাক্তন মন্ত্রী বালুর নাম। একই ভাবে রেশনের গম, চাল, আটা পাচার করে প্রচুর পরিমাণে কালো টাকা সাদা করার গুরুতর অভিযোগ সামনে এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সঙ্গে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের নাম উঠে এসেছে। এরপর সন্দেশখালিতে তল্লাশি করতে গেলে তদন্তকারী অফিসারদের উপর আক্রমণ করে দুষ্কৃতীরা। একে একে বিরাট কুকীর্তি ফাঁস হওয়ায় চরম চাপের মুখে তৃণমূল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share