Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • North 24 Parganas: নেই বিদ্যুৎ, সম্বল হাতপাখা-লণ্ঠনই! জানেন কি কলকাতার কাছেই রয়েছে এমন গ্রাম!

    North 24 Parganas: নেই বিদ্যুৎ, সম্বল হাতপাখা-লণ্ঠনই! জানেন কি কলকাতার কাছেই রয়েছে এমন গ্রাম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই! প্রচণ্ড গরমে হাতপাখাই সম্বল। আলো নেই, তাই ভরসা একমাত্র লণ্ঠনই। রাতের বেলায় এলাকার মানুষ ঘরে ঘুমোতে পারেন না। বাইরে চাতালে শুতে হয়। সেই সঙ্গে অন্ধকারে সাপের আনাগোনা চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ নেই বলে আত্মীয়রাও থাকতে চান না। এমনকী বিয়ে হয়ে যাওয়া মেয়েদের বাপের বাড়িতে আসতে পর্যন্ত দেন না শ্বশুর বাড়ির লোকজন। একবিংশ শতকে এমন একটি গ্রাম এই পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ভাবতেও অবাক লাগে। হ্যাঁ এই গ্রামটি পাণ্ডববর্জিত কোনও গ্রাম নয়, সমুদ্রের মাঝে দ্বীপ বা পাহাড়ের উঁচুতে কোনও জায়গা নয়, কলকাতার নিকটবর্তী বারসতের (North 24 Parganas) কাছেই বেড়াচাঁপার এক নম্বর পঞ্চায়েতের মির্জানগরের সর্দারপাড়া গ্রাম। এখানে ত্রিশটির বেশি পরিবার বসবাস করেন।

    গ্রামের ২০০ মিটারের মধ্যে বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার (North 24 Parganas)!

    এলাকার মানুষ অভিযোগের সুরে বলেছেন, “আমাদের গ্রামের (North 24 Parganas) পাশেই ২০০ মিটারের মধ্যে রয়েছে বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার। পাশেই রয়েছে বিদ্যুৎ (Electricity) অফিস। তবুও গ্রাম আঁধারে ডুবে রয়েছে। আমরা বারবার একাধিক দফতরে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। এই সর্দারপাড়ার চারিদিকে রয়েছে চাষের জমি। জমির একাধিক মালিক নিজের জমিতে বিদ্যুতের খুঁটি বসুক চান না। ফলে সন্ধ্যের সময় আশেপাশের গ্রামে আলোকিত হলেও এই গ্রামে যেন প্রদীপের নিচে অন্ধকার হয়ে আছে।”

    নেতারা শুধু প্রতিশ্রুতি দেন

    আবার বাসন্তী মুণ্ডা নামে এক মহিলা বলেছেন, “ভোট এলে নেতারা পরিশ্রুতি দিয়ে যান, কিন্তু ভোট হয়ে গেলে আমাদের সেই আগের অবস্থায় ফিরে যেতে হয়। সন্ধ্যের পর থেকেই গ্রামে (North 24 Parganas) লম্ফ, হ্যারিকেন, লণ্ঠন, মোমবাতি জ্বালাতে হয়। এখানে বুঝতেই পারিনা স্বাধীন দেশে রয়েছি কিনা।” আবার রীতা কাহার বলেছেন, “আমার দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। জামাই বা শ্বশুরবাড়ির অন্য কেউ আসতে চায় না। মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন সকালে আসলে বিকেলেই বাড়ি ফিরে যান। খুবই লজ্জার।”

    আরও পড়ুনঃ সুইমিং পুল, কচ্ছপ, সিসিটিভি কী নেই! জামালের বাড়ি না রিসর্ট বোঝাই মুশকিল

    প্রশাসনের বক্তব্য

    দেগঙ্গার (North 24 Parganas) বিডিও ফাহিম আলমকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেছেন, “এই খবর আমার কাছে জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে সবটা বলতে পারব।” বারাসত মহকুমার বিদ্যুৎ (Electricity) দফতরের ডিভিশনাল ম্যানেজার সমীরকান্তি গায়েন এই বিষয়ে বলেছেন, “অভিযোগ শুনেছি, তবে জমিজটের কারণে কোনও রকম সমস্যা হলে তা দ্রুত সমাধান করব আমরা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিডিওর সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা হবে। প্রয়োজন হলে জমির আলে পোস্ট বসানো যেতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: স্কুলে ছুটি হলেই বসত মদের আসর! তৃণমূল নেতার ছেলে ও সিভিকের পর্দাফাঁস করলেন শিক্ষক

    Nadia: স্কুলে ছুটি হলেই বসত মদের আসর! তৃণমূল নেতার ছেলে ও সিভিকের পর্দাফাঁস করলেন শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার ছেলে ও সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে স্কুল ছুটি হলেই চালাতেন মদের আসর। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। ইতিমধ্যেই একজনকে আটক করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) বগুলা বাজার জিএসএফটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Nadia)

    জানা গিয়েছে, বগুলার (Nadia) এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩৮। আর শিক্ষক রয়েছেন চারজন। স্কুলের চাবি থাকে পাশের একটি দোকানদারের কাছে। ঘটনার দিন স্কুল ছুটির পর সমস্ত শিক্ষক বাড়ি চলে যান। স্কুলের কিছু কাজের জন্য পুনরায় ফিরে আসতে হয় শিক্ষক বিমান মিদ্দাকে। বিমানবাবু স্কুলে ঢুকতেই থ হয়ে যান। তিনি  বলেন, “ওইদিন স্কুলের ছুটি হয়ে গেলে আমি কিছু কাগজপত্র জেরক্স করার জন্য বেরিয়েছিলাম। স্কুলের প্রধান শিক্ষক অফিস ঘরে তালা মেরে চাবি পাশের একটি দোকানে রেখে যান। পরবর্তীকালে আমি জেরক্স করে স্কুলে ঢুকতেই দেখি, একজন সিঁড়ি দিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে আসছেন। অফিস ঘরে ঢুকেই দেখি, সেখানে মদের আসর বসেছে। টেবিলের ওপর কিছু খাবারও রাখা ছিল। আমাকে দেখেই ওরা মদের আসর ছেড়ে সকলেই অফিস থেকে পালিয়ে যান। সেখানে একজন স্থানীয় তৃণমূল নেতার ছেলে এবং একজন সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। আমি পুরো বিষয়টি পরবর্তীকালে ভিডিও করি। প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    প্রধান শিক্ষক কী সাফাই দিলেন?

    এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার ঠাকুর বলেন, “আমি কিছুদিন আগে এখানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন। চাবি আগে থেকেই ওই দোকানে রাখা হত।” নদিয়ার (Nadia) হাঁসখালি চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তন্দ্রা ঘোষ বলেন, “বিষয়টি আমিও জানি। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।” স্কুল থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    হাঁসখালি পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপির সদস্য বিজেপির আনন্দ কবিরাজ বলেন, “আমাদের কাছে নির্দিষ্ট খবর আছে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতার ছেলে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত ওই স্কুলে মদের আসর বসাত। এর থেকে লজ্জার আর কী থাকতে পারে।” তৃণমূলের (Trinamool Congress) হাঁসখালি-২ সাংগঠনিক ব্লক সভাপতি শিশির রায় বলেন, “এমন কোনও ঘটনার কথা জানা নেই। খোঁজ না নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ভোটে জিতেই নবান্নে যাবে বিজেপি, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ভোটে জিতেই নবান্নে যাবে বিজেপি, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জোর করে রাজ্য অধিকার করবে না বিজেপি (BJP)। পেছনের দরজা দিয়েও নয়। ভোটে জিতেই নবান্নে যাওয়া হবে।” বুধবার কথাগুলি বললেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার কলকাতার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বিজেপির বর্ধিত প্রদেশ কার্যকারিণী বৈঠকে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখানেই দলের লক্ষ্য সম্পর্কে জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    ভোট লুটের অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    লোকসভার পাশাপাশি বিধানসভার উপনির্বাচনেও এ রাজ্যে আশানুরূপ ফল করেনি বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের এই ফলের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, “বাংলায় গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত। গণতন্ত্র রক্ষা করার দায় রয়েছে। সংবিধান রক্ষা করতে হবে রাজ্যে।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোট লুট করেছে। ভোটার স্লিপ নিয়ে ভোট দিতে যাওয়া হয়েছে। এপিক দেখানো হয়নি। হিন্দুদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। বহু জায়গায় হিন্দুরা ভোট দিতে পারেনি।” রাজ্যে উপদ্রুত আইন তৈরির দাবিও জানান শুভেন্দু। বলেন, “উপদ্রুত এলাকা আইন কার্যকর করে গুন্ডাদের ভোটের দিন বাড়িতে আটকে রাখতে চাই।”

    কী বললেন শুভেন্দু?

    তিনি বলেন, “বিজেপি বাংলায় অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে ২ কোটি ৩৩ লাখ ভোট পেয়েছে। তৃণমূলের জিহাদি জঙ্গিরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ২০১৯ সালের পর বুথস্তরের সংগঠনকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল।” আরও (Suvendu Adhikari) বলেন, “এক লক্ষের বেশি আমাদের বুথে বসা ছেলে পালিয়ে গিয়েছিল রাজ্য ছেড়ে। পরে আমরা তাদের রাজ্যে ফিরিয়ে এনেছি।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমরা নবান্ন অভিযান সফল করেছি। বিধানসভার ভিতরে-বাইরে লড়াই করেছি।”

    আরও পড়ুন: মাতৃভাষায় মিলবে পড়াশোনার রসদ, ‘অস্মিতা’ প্রকল্প চালু ইউজিসি-র

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “আমায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট সময় দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানিয়ে এসেছি, কীভাবে বাংলাকে বাঁচানো যায়। ২০২৬ সালের নির্বাচনেও দেখবেন ওরা আমাকেও ভোট দিতে দেবে না। কারণ আমি হিন্দু। ভোটের দিন আমার বাড়ির সামনে পঞ্চাশ জন জিহাদি বসে থাকবে।” তিনি বলেন, “বাংলার ভয়ঙ্কর অবস্থা। ভাঙড়ে দু’টি অঞ্চলের হিন্দুকে ভোট দিতে দেয়নি শওকত মোল্লা।” শুভেন্দু বলেন, “এখনই না জাগলে পশ্চিমবঙ্গ (BJP) আর ভারতে থাকবে না (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Siliguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়ির ফুটপাথ দখল করছেন মেয়র! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    Siliguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়ির ফুটপাথ দখল করছেন মেয়র! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে শিলিগুড়িতে ফুটপাথ দখল করে দোকান বসানোর অভিযোগ উঠল খোদ শহরের মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেবের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ফুটপাথ দখলমুক্ত করার অভিযান শুরু হয়েছে। সেখানে শিলিগুড়ির (Siliguri) গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা স্টেশন ফিডার রোডে ফুটপাথ ফুড লেন তৈরির নিয়ে বিতর্কে মেয়র। এক্ষেত্রেও কাটমানির অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা টাকার বিনিময়ে এই স্টল বিক্রি করছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

    কেন বিতর্ক? (Siliguri)

    মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো শিলিগুড়িতেও (Siliguri) পুরসভা শহরের বেশ কিছু জায়গায় ফুটপাথ সরানো হয়েছে। এনিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবসা করে আসা গরিব মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। একদিকে গরিব মানুষ বেকার করে দেওয়া, অন্যদিকে ফুটপাথে ফুডলেন বানানো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য করার অভিযোগে বিতর্কে জড়িয়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

      স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও প্রতিবাদে সরব

    শিলিগুড়ি (Siliguri) শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা স্টেশন ফিডার রোড। এই রাস্তাতেই রয়েছে দমকল কেন্দ্র, একাধিক স্কুল, শিলিগুড়ি থানা। এহেন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ফুটপাথে ফুডলেন তৈরি করতে ২২ টি স্টল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভা। সেই মতো ২২ টি চলমান স্টলও আনা হয়েছে। সেই স্টল বসাতে গিয়ে কার্যত বিক্ষোভ ও প্রতিরোধের মুখে পড়েন মেয়র। ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা ফুটপাথ ছেড়ে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এখানে দোকান করে আসছি।  এখন সেখানে ২২ টি স্টল বসিয়ে ফুডলেন করা হলে আমাদের দোকান আড়ালে চলে যাবে। ব্যবসা মার খাবে। ফুডলেনের জন্য অযথা যানজটে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে। এর প্রতিবাদ জানাতে আমরা একদিন ওই এলাকার ব্যবসা বনধ রেখেছিলাম। তাতে সাময়িক পিছু হটলেও এখানে ফুডলেন করার সিদ্ধান্তে অনড় মেয়র। এবার ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন।

    ফুডলেনের নামে চলছে তৃণমূলের কাটমানির খেলা!

    শিলিগুড়ির (Siliguri) বিজেপির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, এই ফুড স্টল বসানোর উদ্যোগে শিলিগুড়ি পুরসভা মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ নিয়ে কার্যত দ্বিচারিতা করছে। একদিকে ফুটপাথ দখলমুক্ত করা হচ্ছে গরিব মানুষকে পথে বসিয়ে,আর একদিকে ফুডলেন তৈরির নামে ফুটপাথে স্টল বসানো হচ্ছে। ফুডলেন করতে হলে অন্য কোথাও ফাঁকা জায়গায় করা যেত। আসলে এই দোকান বসানোর পিছনে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতাদের মোটা টাকার খেলা রয়েছে। গরিব মানুষকে পথে বসিয়ে  ফুটপাথ দখলমুক্ত করার চেয়ে সবার আগে বন্ধ করা উচিত জাতীয় সড়কের  ধারে বিভিন্ন জায়গায় নয়ানজুলি বুজিয়ে পেট্রল পাম্প, হোটেল তৈরি করা।  তৃণমূল নেতাদের মদতে এসব চলছে। 

      শিলিগুড়ির মেয়র কী বললেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা তথা শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, ফুডলেন করা নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশে অনেকেই অনেক অভিযোগ করছেন। আমি রাজ্য সরকারকে জানিয়েই এই ফুডলেন তৈরি করছি। সব কাজ স্বচ্ছতার সঙ্গে হচ্ছে। ২২ টি স্টল সবার সামনে লটারির মাধ্যমে বন্টন করা হবে। কাটমানির কোনও প্রশ্ন নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ধুঁকছে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল, মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা

    Murshidabad: ধুঁকছে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল, মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর পরই রাজ্যে হাসপাতালের শ্রী ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এরপরই রাজ্যজুড়ে হাসপাতালের ভিতরে-বাইরে বাহারি রং করা হয়েছে। কিন্তু, হাসপাতালে পরিষেবা সেই আগের মতো কঙ্কালসার। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে তিতি বিরক্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। আর বেহাল চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য স্বাস্থ্য দফতরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তাঁরা।

    রোগীর পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য? (Murshidabad)

    এই হাসপাতালের ওপর বড়ঞাসহ (Murshidabad) আশপাশের লক্ষাধিক মানুষ নির্ভরশীল। মনোজ ঘোষ নামে এক রোগী বলেন, “শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু, হাসপাতালে রোগীদের অক্সিজেন দেওয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই। ফলে, আমাদের মতো বহু রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। কিন্তু, কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। পরিষেবা না পেয়ে রোগীরা কান্দি হাসপাতালে চলে যাচ্ছেন।” সুকুমার ভল্লা নামে রোগীর পরিবারের লোকজন বলেন, “আমার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। বাবার রক্তের প্রয়োজন। কিন্তু, এই হাসপাতালে সেই ব্যবস্থা নেই। তাই, আমরা খুব দুশ্চিন্তাই রয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমস্ত বিষয়টি বলেছি। হাসপাতালে পরিষেবা নেই বলে তাঁরা জানিয়েছেন।” রোগী ও তাঁর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, “এই হাসপাতালে মেলেনা অক্সিজেন, মেলেনা রক্ত, হয় না কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। হাসপাতালের ভর্তি হওয়ার পর অক্সিজেনের অভাবে হাঁসফাস অবস্থা হচ্ছে বয়স্ক রোগীদের। অথচ লোক দেখানো করে হাসপাতালের বিশাল বিল্ডিং রয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত কোনও রোগী এই হাসপাতালে (Hospital) আসলে রক্ত, অক্সিজেনের অভাবেই মারা যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর কোনও নজরই নেই।” অবিলম্বে পরিষেবা উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    হাসপাতালের বিএমওএইচ কী বললেন?

    হাসপাতালের (Hospital) বিএমওএইচ সৌমিক দাস বলেন, “আমাদের পরিকাঠামোর মধ্যে যতটা পারা যায়, চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে, যে ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। আর অক্সিজেন অনেক সময় না থাকলে পরিষেবা দিতে একটু সমস্যা হতে পারে। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sonarpur: সুইমিং পুল, কচ্ছপ, সিসিটিভি কী নেই! জামালের বাড়ি না রিসর্ট বোঝাই মুশকিল

    Sonarpur: সুইমিং পুল, কচ্ছপ, সিসিটিভি কী নেই! জামালের বাড়ি না রিসর্ট বোঝাই মুশকিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির সামনেই একটি ঝাঁ-চকচকে গেট, তাতে মার্বেল দিয়ে মোড়ানো। পাঁচিলে ঘেরা বিশাল জমি, তাঁর মধ্যেই নীল-সাদা রঙের সুবিশাল বাড়ি। বাড়ির গা ঘেঁষে আরও একটি বাড়ি। প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে ৫০টি সিসিটিভিতে মোড়ানো রয়েছে গোটা এলাকা। এই বাড়ির মালিক হলেন সোনারপুরকাণ্ডের (Sonarpur) মূল অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী জামালউদ্দিনের। বাড়িটি তাঁর শুধু বসত বাড়ি বললে ভুল হবে। বাড়ির ভিতরেই রয়েছে সুইমিং পুল, দেখে মনে হয় রিসর্ট। পাশের জলা জমিতে ঘোরা ফেরা করছে কচ্ছপ। শখ করে মাত্র কয়েকদিন আগেই এই প্রাণীটিকে নিয়ে এসেছেন তিনি। কিন্তু এই তৃণমূল কর্মীর পেশা কী? কোথায় কাজ করেন? এত আয়ের উৎস কী? এই সব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    জমির দাদালি করেন জামাল(Sonarpur)

    তবে এলাকায় (Sonarpur) জামালের (Jamal Uddin Sardar) বিচার ছাড়া নাকি কোনও সমস্যার সমাধান হয় না। সালিশি সভার মূল বিচারক হিসেবে নিদান দিয়ে থাকেন তিনিই। নির্দেশ না শুনলে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে শিকল দিয়ে বেঁধে অত্যাচার করেন। জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মী জামালউদ্দিন এক সময় মহুরির কাজ করতেন। কাজের সূত্রে শাসকদলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক হয়। তবে এখন আর মুহুরির কাজ করেন না। মূলত জমির দালালি করেন। জমি প্রোমোটিং, ফেরাজি জমি বিক্রি করা, বিচার পাইয়ে দেওয়ার নামে তোলাবাজি এবং একই সঙ্গে স্থানীয় রাস্তাঘাট নির্মাণের সরকারি প্রকল্পের কাজে পরিচালনার কাজ করে থাকেন। কিন্তু কোন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা এই কাজের বরাত দিতেন, তা কেউ জানে না। তবে গ্রামের মানুষের অভিযোগ, টাকাপয়সা, প্রভাব-প্রতিপত্তি এবং পুলিশের সঙ্গে সুসম্পর্কের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলেন না। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে একাধিক বিয়ে জামালের। এক পুত্র এবং এক মেয়ে রয়েছে। পরিবারের আয় কে কে করেন, সেই বিষয়ে সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ। তবে সবরকম বেআইনি কাজ করে থাকেন জামাল।

    আরও পড়ুনঃ খাটের নীচেই মিলল গোপন সুড়ঙ্গ, কুলতলিতে সাদ্দামের পর্দাফাঁস

    এখনও অধরা জামাল!

    শিকল দিয়ে বেঁধে অত্যাচারের ঘটনায় প্রথম মুখ খুলে প্রতিবাদী হয়েছেন রুজিনা বিবি। রুজিনার স্বামীকে শাস্তি স্বরূপ সারারাত উল্টো করে ঝুলিয়ে বেধড়ক মারধর করেন জামাল (Jamal Uddin Sardar)। স্বামীকে বাঁচাতে জামালের হাতে পায়ে ধরে ক্ষমা চাইলে তাঁকেও পাল্টা অত্যাচার করা হয়। এদিকে ঘটনায় মুজিদ খাঁ এবং অরবিন্দ সরকার নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার বারুইপুর (Sonarpur) আদালতে তোলা হয়েছে তাদের। অপর দিকে জামাল এখনও পলাতক। পুলিশের কাছে ইতিমধ্যে ভূরি-ভূরি অভিযোগ জমা পড়েছে এই জামালের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ঝোপ-জঙ্গলের আড়ালে রেজিনগর শিল্পতালুক! বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ জেলাবাসী

    Murshidabad: ঝোপ-জঙ্গলের আড়ালে রেজিনগর শিল্পতালুক! বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) রেজিনগর শিল্পতালুকে প্রবেশের পর অবস্থা দেখে যেন ঠিক চেনাই যাচ্ছে না। ঝোপ-জঙ্গলের মধ্যে যেন ঢেকে পড়েছে সাইন বোর্ড। প্রবেশ পথের লোহার গেটে মরিচা ধরে গিয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীদের অনুমতি নিয়ে শিল্পতালুকের ভিতরে ঢুকে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার উপক্রম। করা হয়েছিল এখানে কর্মতীর্থ বাজার, কিন্তু একটিও দোকান চালু হয়নি। যাতায়েতের জন্য তৈরি হয়েছিল চার লেনের রাস্তা, কিন্তু তা এখন আগাছায় ঢেকে গিয়েছে। চারিদিকে পথবাতিও নষ্ট হয়ে গিয়েছে। শিল্পতালুকের এই বেহাল দশায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে রয়েছেন এলাকাবাসী।

    ই-বাস কারখানা করার কথা ছিল (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) ডিস্ট্রিক্ট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ়ের সাধারণ সম্পাদক স্বপনকুমার ভট্টাচার্য বলেছেন, “বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে রেজিনগরে ৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ই-বাস কারখানা করার কথা ছিল। তাতে আমাদের মনে আশার সঞ্চার হয়েছিল। তারপর অবস্থার কোনও বদল ঘটেনি। আমরা চাই এখানে ভারী শিল্প আসুক।” আবার রাজ্যের ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন নিগমের এক আধিকারিক বলেছেন, “৩২০টি প্লটের মধ্যে ১৭০টি প্লট ফাঁকা রয়েছে। সেগুলি দেখে অনলাইনে অনেকে আবেদন করেছেন। এখনও পর্যন্ত চারটি ইউনিট কাজ চলছে। বাকিটা পুরোদমে চালু করার কাজ চলছে।”

    যদিও ২০২২ সালের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে ‘কৌশিস ই মোবিলিটি প্রাইভেট লিমিটেডে’ নামে একটি সংস্থা, প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ‘ই বাস’ কারখানা গড়ার কথা বলে রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এরপর দু’টি বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হয়েছে কিন্তু ‘ই বাস’ কারখানার কিছুই হয়নি। এই কারখানা বাস্তবে হবে কিনা তাই নিয়ে এলাকাবাসীর মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুনঃ রাইস পুলারই সাদ্দামের চোরাকারবারের মূল উৎস! অদ্ভুত ধাতব ব্যবসা কীভাবে চলত জানেন?

    কর্মসংস্থানের কোনও গতি হয়নি!

    শিল্পতালুকের (Murshidabad) পাশ দিয়ে চলে গিয়েছে চকচকে জাতীয় সড়ক। কিছুটা দূরেই রয়েছে লালগোলা-শিয়ালদা রেলপথ। ২০০৮ সালে তৎকালীন বাম আমলে এই রেজিনগর এলাকায় পশ্চিমবঙ্গ ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন নিগম শিল্পতালুক গড়ে তুলে ছিল। ২০১১ সালের পরিবর্তনের পর তৃণমূল ক্ষমতায় এলেও অবস্থার কোনও উন্নতি বা বিনিয়োগ দেখা যায়নি। এই ১৬ বছরে মাত্র দুটি ইউনিট ছাড়া আর কোনও প্রগতি দেখা যায়নি। আর তাই এই জেলার কর্মসংস্থানেরও কোনও গতি হয়নি বলে মনে করছেন জেলাবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lakshmi Bhandar: বিজেপি সমর্থনকারীদের লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা

    Lakshmi Bhandar: বিজেপি সমর্থনকারীদের লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmi Bhandar) নিয়ে ফের রাজনীতি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। দুদিন আগে কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের এক তৃণমূল নেতা লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে বিজেপিসহ বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ বার্ধক্য ভাতা ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের মাথাভাঙা-১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতা? (Lakshmi Bhandar)

    ২১-শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা উপলক্ষে মাথাভাঙ-১ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের তরফে একটি পথ সভার আয়োজন করা হয়। সেই পথ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ রায় বলেন, এবারের লোকসভা নির্বাচনে মাথাভাঙা শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। এটা খুব দুঃখজনক। কিছু মানুষ সারা বছর তৃণমূলের সঙ্গে নাটক করল। তৃণমূল রাত ও দিন এক করে তাদের পরিষেবা দিয়ে গেল। কিন্তু, মানুষকে এত পরিষেবা দেওয়ার পরেও একটা দিন আমাদের সঙ্গে বেইমানি করল। যে হাত দিয়ে সারা বছর আমাদের কাছ থেকে পরিষেবা নিয়ে গেল, সেই হাত দিয়েই মাথাভাঙা শহরে তৃণমূল কংগ্রেসকে গলা টিপে মারলো। যারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছে তারা তৃণমূলের সঙ্গে বেইমানি করেছে। তাদের চিহ্নিত করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmi Bhandar) ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বন্ধ করে দিতে হবে। সরকারি পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয় সেবিষয়ে পুরসভা ও রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হবে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

     দিনহাটার তৃণমূল নেতাও ফতোয়া দিয়েছিলেন

    কয়েকদিন আগে দিনহাটা-২ (Cooch Behar) নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দিনহাটা-২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য বলেন, “লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmi Bhandar) পেয়েও ভোট দেননি যাঁরা, তাঁদের নাম কেটে দেওয়া হবে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাওয়ার পরেও তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট না দিয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, অন্ততপক্ষে আমাদের কিছু জনের নাম লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে কেটে দেওয়া দরকার আছে। যে টাকাটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিচ্ছে, যে টাকাটা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার দিচ্ছে, সেটা নরেন্দ্র মোদির টাকা নয়, তৃণমূল সরকারের টাকা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Saddam: রাইস পুলারই সাদ্দামের চোরাকারবারের মূল উৎস! অদ্ভুত ধাতব ব্যবসা কীভাবে চলত জানেন?

    Saddam: রাইস পুলারই সাদ্দামের চোরাকারবারের মূল উৎস! অদ্ভুত ধাতব ব্যবসা কীভাবে চলত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরবনে (South 24 Parganas) খোঁজ মিলেছে সাদ্দামের (Saddam) রহস্যজনক সুড়ঙ্গ! চলত সেখানে ধাতু গালানোর কাজ। রাইস পুলার-অস্ত্র-সোনা-অ্যান্টিকের কারবার ছিল অতি সক্রিয়! সুড়ঙ্গ পথেই কি চলত চোরাকারবার? উত্তর খোঁজে এলাকায় তাল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। কিন্তু সদ্দামের উত্থান কীভাবে হয়েছে? আসুন জেনে নিই তাঁর চোরাকারবারের ইতিকথা।

    জমি মাপতে ব্যবহার হতো তামার দণ্ড (Saddam)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, সাদ্দাম দীর্ঘ ২০ থেকে ২২ বছর ধরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলতলি, পাথরপ্রতিমা, দক্ষিণ বারাসত এলাকায় বিভিন্ন দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে একটি বৃহৎ প্রতারণার চক্র তৈরি করেছিলেন। সেই সময় খুব জনপ্রিয় ছিল রাইস পুলিং স্ক্যাম। কথিত আছে ব্রিটিশ আমলে সরকারি জমি জরিপ করার জন্য এক ধরনের তামার দণ্ড ব্যবহার করা হতো। সেই দণ্ড মাটিতে পোঁতা থাকত জমি জরিপের নিশান হিসেবে। এই তামার দণ্ড বা পাতগুলি বজ্রপাতের ফলে ধাতব পরিবর্তন হয়ে ইরিডিয়ামে পরিণত হতো। এই পাতে নাকি আবার অলৌকিক ক্ষমতার সঞ্চয় হতো। তবে বাজারে তামা থেকে পরিবর্তিত ধাতু ইরিডিয়ামের বিরাট মূল্য রয়েছে। এই ধাতুতে নির্মিত বাসনপত্রে অদ্ভুত যাদু ক্ষমতা থাকে বলে, বিশ্বাস রয়েছে। ধাতু আসল না নকল তা বোঝা যায় পাশে চাল রাখলে। লোহা যেমন চুম্বককের সঙ্গে আকর্ষণ-বিকর্ষণ করে, তেমনি এই ধাতু চালকে আকর্ষণ করে। সেখান থেকে ধাতুর নাম রাইস পুলার। এই রাইস পুলারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সাদ্দাম।

    ধাতুর দাম প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা

    বৈজ্ঞানিক ভাবে এই ধাতুর সম্পর্কে এই ভাবনার অবশ্য বাস্তব দৃষ্টান্ত মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু চোরা বাজারে এই ধাতুর কথিত গল্পের ভিত্তিতে ধাতুর চাহিদা ব্যাপক। ১ ফুট লম্বা এবং ২ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের এরকম ধাতুর দাম প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকারও বেশি। এই ধাতু নির্মিত কয়েন দিয়ে গোচরণ (South 24 Parganas), দক্ষিণ বারাসত, কুলতলি এলাকায় বিভিন্ন ক্রেতাদের মধ্যে অবৈধ কারবারের কাজ চলত। সিআইডি এবং কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা দফতর এখনও পর্যন্ত মোট কুড়িটির বেশি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুনঃ খাটের নীচেই মিলল গোপন সুড়ঙ্গ, কুলতলিতে সাদ্দামের পর্দাফাঁস

    নকল সোনার মূর্তির কারবার চলত

    রাইস পুলার কম দামে বিক্রি করার লোভ দেখিয়ে এই রাজ্যের অনেক চোরাকারবারিরা অন্য রাজ্যেও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতারণার কাজ করে চলেছে। অনেক সময় মুক্তিপণ নিয়ে একাধিক ব্যসায়ীরা ছাড়া পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আবার পাল্টা ব্যবসায়ীরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতেন না, কারণ পুরো ক্রয়-বিক্রয় করাই আইনত নিষিদ্ধ। কিন্তু তারপরেও পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতেন কেউ কেউ। এরপর পুলিশ এবং গোয়েন্দা বিভাগ এই চক্রের একাধিক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছিল। আবার অনেকে জামিন পেলেও সক্রিয় থেকেছে এই চক্র। প্রতারণার ব্যবসাও সময়ের সঙ্গে বদলে গিয়েছে। রাইস পুলার নিয়ে যখন সতর্ক হয়েছে মানুষ, সেই সময় অ্যান্টিকের ব্যবসায় ফুলেফেঁপে ওঠেন সাদ্দাম। এই ভাবেই সাদ্দাম এলাকায় বিরাট চোরাকারবারের সাম্রাজ্য নির্মাণ করেছিলেন। ১৫ বছর ধরে নকল সোনার মূর্তির কারবারে হাত পাকিয়ে ফেলেছিলেন সাদ্দাম। ক্রেতাদের টোপ দিয়ে কুলতলির ডেরায় ডেকে মারধর করে টাকা লুট করায় সিদ্ধহস্ত হয়ে উঠেছিলেন তাঁর (Saddam) পরিবার (South 24 Parganas)। সেই সঙ্গে ছিল তাঁর জাল নোটের কারবারও। গ্রেফতারের পর এই সব তথ্য স্বীকার করেছেন সাদ্দাম ও সায়রুলের স্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাল ঠুকছে তৃণমূলের দুই সংগঠন, ভর্তি শিকেয়

    Asansol: আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাল ঠুকছে তৃণমূলের দুই সংগঠন, ভর্তি শিকেয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলে (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন বনাম তৃণমূলের শিক্ষাবন্ধু সমিতির দ্বন্দ্ব। প্রশাসনিক ভবনে অচলাবস্থা তৈরি করেছে ছাত্র সংগঠন। গত সাতদিন ধরে উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারের দফতরে তালা দিয়ে আন্দোলন চালাচ্ছে তৃণমূল ছাত্রপরিষদ। পাল্টা আন্দোলন করছে তৃণমূলের শিক্ষাবন্ধু সমিতি। তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূলের আন্দোলনে ব্যাহত ভর্তি প্রক্রিয়া (Asansol)

    বিশ্ববিদ্যালয়ে (Asansol) তৃণমূলের (Trinamool Congress) দুই সংগঠনের আন্দোলনের জেরে মঙ্গলবার থমকে গেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ভর্তি প্রক্রিয়া। যদিও ভর্তি হতে আসা ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের একাংশ প্রশাসনিক ভবনে টিএমসিপি-র লাগানো তালা ভেঙে দেন। তাঁরা কী করবেন বুঝতে পারছেন না। দূর থেকে আসা এক অভিভাবকের বলেন, ভর্তি কবে হবে বুঝতে পারছি না। চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। অভিভাবকদের দাবি, অবিলম্বে ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কড়া হাতে আন্দোলন দমন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার যাঁরা ভর্তি হতে পারেননি, তাঁদের জন্য অনলাইনের ব্যবস্থা করা হবে।

    তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা বলেন, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Asansol) বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে আইনি খরচ বাবদ প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয় করাহয়েছে। ওই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ফেরত দিতে হবে।  কখন,কোথায়, কী কারণে এই টাকা খরচ করা হয়েছে- তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। অন্যদিকে, তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের এই আন্দোলনকে ‘বহিরাগতদের আন্দোলন’ বলে অভিহিত করে পাল্টা আন্দোলনে নামে তৃণমূলেরই শিক্ষাবন্ধু সমিতি। প্রশাসনিক ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেন সমিতির সদস্যেরা। সারা বাংলা শিক্ষাবন্ধু সমিতির যুগ্ম সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনৈতিক দাবি নিয়ে কিছু বহিরাগত ছাত্রছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে বিশ্ববিদ্যালয়কে কালিমালিপ্ত করতে দেব না।”  পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, “আসানসোলের যাঁরা ভালো চান, ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে তাঁদের এই আন্দোলন চলছে। আর দল ঠিক করবে কারা প্রকৃত তৃণমূল (Trinamool Congress)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share