Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sonajhuri Haat: সোনাঝুরির হাট কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

    Sonajhuri Haat: সোনাঝুরির হাট কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনাঝুরির হাট (Sonajhuri Haat) কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের (Santiniketan) ব্যবসায়ীদের কপালে যেন চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি জমি বেআইনি দখল মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কলকাতা সহ জেলায় জেলায় চলছে অবৈধ উচ্ছেদের কাজ। পুরসভা এবং পুলিশ বেশ সক্রিয়। এই তালিকায় বাদ যায়নি বীরভূমের বোলপুর। শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাটের ছয়টি বাড়ি এবং রিসর্ট মালিককে নোটিস দিয়েছে বনদফতর। এই বাড়ি এবং রিসর্ট মালিকদের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। যদি উপযুক্ত কাগজ না দেখাতে পারে, তাহলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    বনদফতরের জমি দখল করে বাড়ি-রিসোর্ট (Sonajhuri Haat)!

    বনদফতরের রেঞ্জার জ্যোতিষ বর্মণ বলেছেন, “সোনাঝুরি হাট (Sonajhuri Haat) কর্তৃপক্ষকে নোটিশ পাঠানো হবে। দরকার হলে হাট এখান থেকে তুলে নেওয়া হবে। কারণ বনদফতরের জায়গায় ওই হাট বসানো হয়েছে। আমরা সার্ভে করেছি, বেশকিছু বাড়ি আমাদের বনবিভাগের জমির মধ্যে পড়েছে। এই জন্য আমরা আগাম নোটিশ পাঠালাম। তবে তাঁদের সপক্ষে নোটিশ থাকলে আমরা দেখব। তবে হাটের বিষয়ে এখনও নোটিশ আসেনি। অনেক দিন ধরে হাট বসছে, মৌখিক ভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্ডার এলে আমরা জানিয়ে দেব।”

    আরও পড়ুনঃ সরকারি দফতরে বিডিও-কে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন তৃণমূল নেত্রী! শোরগোল

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    এদিকে বনদফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে, বাড়ি এবং রিসর্টের মালিকরা (Sonajhuri Haat) বলেছেন, “আইনের পথেই সব কিছুর সমাধান হবে। যদি জমি বনদফতরের হলে তাহলে আমরা ছেড়ে দেব।” অপর দিকে হাট উঠে গেলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জীবন-জীবিকার সঙ্কটের মধ্যে পড়বেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের দাবি, যদি ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে যেন পুনর্বাসন দেওয়া হয়। আবার হাটের দায়িত্বে থাকা তন্ময় মিত্র বলেছেন, “আমরা নোটিশ যদিও পাইনি, কয়েকটি হোটেল এবং রিসর্ট (Santiniketan) মালিকদের দেওয়া হয়েছে। তবে নোটিশ দিলে আমরা বিকল্প ব্যবস্থার দাবি করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদায় জোর করে জমি দখল করে ইটভাটা! দাপট দেখাচ্ছেন তৃণমূল নেতা

    Malda: মালদায় জোর করে জমি দখল করে ইটভাটা! দাপট দেখাচ্ছেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে বসে জমি দখল করা যাবে না বলে বার্তা দিচ্ছেন। সেই নির্দেশকে অমান্য করেই তৃণমূলের লোকজনই জোর করে জমি দখল করছেন। ইটভাটা তৈরির নাম করেই গৃহস্থের জমি রীতিমতো দাদাগিরি করেই দখল করছে জমি মাফিয়ারা। আর তাতে প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদার (Malda) কালিয়াচকের ভবানীপুরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Malda)

    কালিয়াচক (Malda) থানার রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিয়াডাঙা এলাকায় বসবাস করেন প্রদীপ পোদ্দার,অমিত পোদ্দারের পরিবার। ২০২২ সালে ভবানীপুর এলাকায় ৩৫ কাটা জমি কেনেন তাঁরা। সেখানেই তাঁদের একটি কলকারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল। কিছুদিন ধরেই পোদ্দার পরিবারের জমি জোর করে দখল করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনায় তৃণমূল পরিচালিত রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী তথা স্থানীয় তৃণমূল নেতা বরজাহা শেখের মদত রয়েছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেতাসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পাশাপাশি, জমির মালিক পোদ্দার পরিবারের সদস্যরা ভূমি রাজস্ব দফতর, কালিয়াচক থানা থেকে শুরু করে পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু, পুলিশ ও ভূমি রাজস্ব দফতর কোনও সহযোগিতা না করায় অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে অভিযোগ জানানোর হুমকি দিয়েছেন কালিয়াচকের পোদ্দার পরিবারের সদস্যরা। প্রদীপ পোদ্দার নামে পরিবারের এক সদস্য বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বলছেন যে জমি দখল করা যাবে না। সেখানে তৃণমূলের লোকজনই আমাদের জমি জোর করে দখল করছেন। আমরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি। কিন্তু, লাভ হচ্ছে না।”

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে দলের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সামনে আসতেই রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে জেল তৃণমূল   (Trinamool Congress) নেতৃত্ব। তৃণমূলের জেলার সহ-সভাপতি শুভময় বসু বলেন, “অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল কোনও ভাবেই পাশে থাকবে না”। অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা বরজাহা শেখ বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া প্রকাশ্যে

    Bankura: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়া  (Bankura) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বনাম দলের ওন্দা ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। ব্লক সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিজেদের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা করেছেন। কিন্ত, কেউ অন্য গোষ্ঠীর নেতা-কর্মীদের ডাকেননি। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) ওন্দা বিধানসভা একসময় ছিল তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধানসভাটি তৃণমূলের হাতছাড়া হলেও ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূলের দখলেই থাকে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে বসেন ওন্দার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অরুপ খাঁ-র ভাইপো অভিরূপ খাঁ। তৃণমূলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিরূপ খাঁ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হতেই তৃণমূলের ব্লক সভাপতি উত্তম বিটের সঙ্গে শুরু হয় বিবাদ। ২১ জুলাইয়ের আগে যা একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।  জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ওন্দায় তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক ও নিজের অনুগামীদের নিয়ে ২১ শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা করেন ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিরূপ খাঁ। এই ঘটনায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতিদের ডাকা হয়নি।

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি উত্তম বিট বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রস্তুতি সভা করেছেন কি না তা তাঁর জানা নেই। দলে কোনও কোন্দল (TMC Conflict) নেই। তবে, দলের ব্লক নেতৃত্বকে বাদ দিয়ে এভাবে দলীয় কর্মসূচি করার অধিকার অন্য কারও নেই। ওন্দার সাংগঠনিক কোনও পদে না থেকেও প্রাক্তন বিধায়ক সংগঠনে অযথা নাক গলানোর চেষ্টা করছেন। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ওন্দা ব্লকে তৃণমূলের সংগঠনকে শেষ করার চেষ্টা করছেন।

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কী বললেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিরূপ খাঁ বলেন, দলের ব্লক সভাপতি ২১ শে জুলাইয়ের যে প্রস্তুতি সভা করেছেন তাতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ কর্মাধ্যক্ষদের কাউকে ডাকা হয়নি। তাই আলাদাভাবে আমাদের প্রস্তুতি বৈঠক করতে হয়েছে। ফলে, সভাপতির নীতি আমরা শুধু মেনে চলেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: সরকারি দফতরে বিডিও-কে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন তৃণমূল নেত্রী! শোরগোল

    Purba Bardhaman: সরকারি দফতরে বিডিও-কে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন তৃণমূল নেত্রী! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিডিও সাহেবকে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাঁদরেল নেত্রী। গদগদ হয়ে বিডিও আশীর্বাদ নিলেন তৃণমূল নেত্রীর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আর এক বিতর্কিত তৃণমূলের যুবনেতা। এরপর শোনা গেল শাঁখ-উলুধ্বনি। এই ঘটনা কতদূর নীতিসম্মত এবং কতটা রুচিসম্মত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। একে ঘিরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman)।

    পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম বিডিও-র (Purba Bardhaman)

    পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকের বিডিও হলেন রজনীশকুমার যাদব। তরুণ এই আধিকারিক শিগগিরই বাঁধা পড়বেন সাতপাকের বন্ধনে। তাই তড়িঘড়ি অফিস শেষে তাঁর জন্য আয়োজন করা হয় এলাহি ভোজের। ফুল, মালা, চন্দনে তাঁকে বরণ করা হয়, ছিল শঙ্খধ্বনিও। তবে সেই ধ্বনি বেশ দুর্বল ছিল। গোটা অনুষ্ঠান হয়েছে ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের (বিডিএ) চেয়ারম্যান কাকলী তা গুপ্তের নেতৃত্বে। উপস্থিত ছিলেন এলাকার দাপুটে নেতা যুব সভাপতি মানস ভট্টাচার্য। এতে বিডিও সাহেবের কোনও সংকোচ ছিল না, জড়তাও ছিল না। কাকলী তা, বিডিও রজনীশ কুমার যাদবকে চন্দনের ফোঁটা দিয়ে ও ধান-দূর্বা মাথায় ছুঁয়ে আর্শীবাদ করতেই তরুণ বিডিও সাহেবকে রীতিমতো তৃণমূল নেত্রীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতেও দেখা গিয়েছে।

    কী বললেন বিডিও?

    সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (Purba Bardhaman) রজনীশকুমার যাদব পুরো বিষয়টি নিয়ে আদৌ অনুতপ্ত নন। তাঁর হাবভাব হল, ডোন্ট কেয়ার, কুছ পরোয়া নেহি। তিনি মেনুর বিবরণও দিয়েছেন। ভাত, ডাল, মাছের মাথা দিয়ে বাঙালি থালিতে নানা ব্যঞ্জন ছিল। তিনি বলেন, “আমার অফিসে নয়, সমিতির পাশের ঘরে এই অনুষ্ঠান হয়েছে। আর কাকলীদেবী মায়ের বয়সী। তাই পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছি।” উল্লেখ্য বছর তিনেক আগে ২০২১ সালের ১৭ জুন পূর্ব বর্ধমানের গুসকরায় করোনা কালে কৃষি মাণ্ডিতে একটি অনুষ্ঠানে আউশগ্রামের তৎকালীন বিডিও অরিন্দম মুখোপাধ্যায়কে দেখা গিয়েছিল দোর্দণ্ডপ্রতাপ বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে। সেই নিয়ে তখন কম জলঘোলা হয়নি।

    তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Bardhaman) তৃণমূল নেত্রী (TMC) কাকলী তা গুপ্ত অবশ্য বলেন, “আমরা সমিতির পক্ষ থেকে বিডিও-কে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। এটা রাজনীতির কোনও ব্যাপার নয়। একসঙ্গে কাজ করার জন্য আমাদের সৌজন্য ছিল, আমাদের ভালোবাসা ছিল। তাই এই ভাবে আমরা অনুষ্ঠান করেছি। তবে এতে খারাপ কিছু নেই। বিরোধীদের কাছে কোনও ইস্যু নেই। তাই অপপ্রচার করা হয়েছে। আমি ওঁর মায়ের বয়সী, তাই প্রণাম করেছেন।”

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি করার অপরাধে ‘মিড ডে মিলে’র রান্নার কাজ থেকে বাদ মহিলাকে! অভিযুক্ত তৃণমূল

    শুভেন্দুর পোস্ট

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভিডিয়োটি পোস্ট করে এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “এটা অবাক করার মতো বিষয় নয় যে, রাজ্যের শাসকদল এবং প্রশাসনের (Purba Bardhaman) মধ্যে থাকা সীমারেখাটা বরাবরই অস্পষ্ট। এবার তা পুরোপুরি মুছে গিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arpita Mukherjee: আরও বিপাকে অর্পিতা! নিয়োগ মামলায় ‘পার্থ ঘনিষ্ঠ’-কে জেরা করবে আয়কর দফতর

    Arpita Mukherjee: আরও বিপাকে অর্পিতা! নিয়োগ মামলায় ‘পার্থ ঘনিষ্ঠ’-কে জেরা করবে আয়কর দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে ‘পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ‘পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে এ বার জেরা করতে চাইছে আয়কর দফতর (Income Tax Department)। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস কী, কেন বাড়িতে এত টাকা রাখা ছিল— এ সব তথ্যই জানতে চাওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। উল্লেখ্য, দু বছরেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও জামিন পাননি পার্থ ও অর্পিতার কেউই। এসবের মধ্যেই এবার অর্পিতাকে জেরা করতে চাইছেন আয়কর দফতরের বেনামি সম্পত্তি শাখার অফিসাররা।

    ঠিক কী জানিয়েছে আয়কর দফতর? (Arpita Mukherjee)

    বর্তমানে আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারে বন্দি রয়েছেন অর্পিতা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অর্পিতাকে এবার জেলে গিয়ে জেরা করতেন চাইছেন আয়কর দফতরের বেনামি সম্পত্তি শাখার অফিসাররা। সেই নিয়ে কলকাতায় বিশেষ ইডি আদালতে আবেদন জানিয়েছে আয়কর দফতর (Income Tax Department)। জেলে গিয়ে অর্পিতাকে জেরা করার জন্য অনুমতিও দিয়ে দিয়েছে আদালত। জানা গিয়েছে, আয়কর রিটার্ন ও বেনামি লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: নিউইয়র্কে ইন্ডিয়া ডে প্যারেড আলোকিত করতে অংশ নেবে রাম মন্দিরের প্রতিরূপ

    আগে কী ঘটেছিল? 

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২২ সালের ২২ জুলাই, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই একইদিনে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও (Arpita Mukherjee) দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। তাঁর টালিগঞ্জ এবং বেলঘরিয়ার অভিজাত আবাসনে লাগাতার তল্লাশি চালায় ইডি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে সোনার গয়নাগাটি, বিদেশি মুদ্রা-সহ নগদ প্রায় ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করে ইডি। তার ঠিক দিনপাঁচেক পর ফের বেলঘরিয়ার অভিজাত আবাসনে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। সেখান থেকেও বিপুল টাকা উদ্ধার করা হয়। সবমিলিয়ে নগদ ৪৯ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। এছাড়া ৫ কোটিরও বেশি মূল্যে গয়নাগাটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। নামে, বেনামে বহু সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অর্পিতার যৌথ মালিকানায় একাধিক সম্পত্তিরও সন্ধান পেয়েছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) অফিসাররা। এরপর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন ‘পার্থ ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। 
    তবে এই বিপুল টাকা ও গয়নাগাটির উৎস কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর ফ্ল্যাটকে ‘মিনি ব্যাংক’ হিসাবে কাজে লাগিয়েছেন বলেই দাবি করেন অর্পিতা (Arpita Mukherjee)। যদিও সেকথা অস্বীকার করেছেন শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BSF: নদিয়া সীমান্তে গুলিবিদ্ধ চোরাচালানকারী, গরু পাচার রুখল বিএসএফ

    BSF: নদিয়া সীমান্তে গুলিবিদ্ধ চোরাচালানকারী, গরু পাচার রুখল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার করতে গিয়ে বিএসএফের (BSF) গুলিতে গুরুতর জখম হন এক বাংলাদেশি পাচারকারী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সে চিকিৎসাধীন রয়েছে হাসপাতালে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার ভীমপুর থানার মলুয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায়। গুলিবিদ্ধ ওই বাংলাদেশি পাচারকারীর নাম আজমল হোসেন। তার বয়স ২৫ বছর। তাকে বিএসএফ জওয়ানরা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    নদিয়ার একাধিক সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বেআইনিভাবে একাধিক জিনিস পাচারের অভিযোগ ওঠে। কোথাও গরু পাচার, আবার কোথাও সোনা পাচারের অভিযোগ ওঠে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। যার কারণে বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে সীমান্তবর্তী এলাকায় আরও কঠোর পাহাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে বেশ কয়েকজন পাচারকারী একদল গরু নিয়ে অনৈতিকভাবে সীমান্ত পারাপার করছিল। খবর পেয়ে বিএসএফের ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। বিএসএফ জওয়ানরা এলাকায় পাচারকারীদের আটকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু, পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পাচারকারীরা। এরপরই তাদের লক্ষ্য করে বিএসএফের পক্ষ থেকে গুলি চালানো হয়। তাতেই আজমল নামে পাচারকারীর পায়ে গুলি লাগে। ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যায় সে। তাকে উদ্ধার করে বিএসএফ জওয়ানরা শক্তিনগর (Nadia) জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। সেখানেই বাংলাদেশি ওই চোরাচালানকারী আজমল চিকিৎসাধীন।

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    বিএসএফের এক কর্তা কী বললেন?

    বিএসএফের এক কর্তা বলেন, সীমান্তে (Nadia) পাচার রুখতে কড়া নজরদারি চালায় বিএসএফ। এদিন জওয়ানরা সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছিল। সেই সময় একটি গ্যাং গরু পাচার করার চেষ্টা করে। জওয়ানরা প্রথমে তাদের থামতে বলে। কিন্তু, তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখনই এক পাচারকারী গুলিবিদ্ধ হয়। বাকিরা পালিয়ে যায়। এই আজমল একটু সুস্থ হলেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মূলত, ভারতের কারা এই পাচারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তা জানা যাবে। আর কীভাবে তারা এই চোরাচালান করে থাকে, সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বিজেপি করার অপরাধে ‘মিড ডে মিলে’র রান্নার কাজ থেকে বাদ মহিলাকে! অভিযুক্ত তৃণমূল

    Murshidabad: বিজেপি করার অপরাধে ‘মিড ডে মিলে’র রান্নার কাজ থেকে বাদ মহিলাকে! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করার অপরাধে মুর্শিদবাদের (Murshidabad) বেলডাঙা হরিমতি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মিড ডে মিলের রান্নার কাজে বাদ দেওয়া হয়েছে মহিলা কর্মীকে। প্রতিবাদে স্কুলের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে নেমেছেন এই রান্নার কর্মী। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, সবটাই পুরসভা দেখে, আমাদের এখানে কোনও ভূমিকা নেই। ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপে শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    রান্নাকর্মীর বক্তব্য (Murshidabad)

    বিরোধী রাজনীতি করায় রাজনৈতিক হিংসার শিকার হন সাইফুন বিবি। তিনি বলেছেন, “প্রতিদিনের মতো আমি স্কুলের কাজে গেলে, স্কুলের শিক্ষিকা বলেন তোমাকে আর কাজে আসতে হবে না, তুমি পুরসভায় দেখা করে কথা বলো। আমি এলাকায় বিজেপি (BJP) করেছি, তাই আমাকে স্কুলে মিড ডে মিলের কাজ থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি চাই, যে অন্যায় আচরণ হয়েছে, তা সকলের কাছে পৌঁছে যাক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি আমি। তৃণমূল নেতারা ষড়যন্ত্র করেছে আমার বিরুদ্ধে। আমি এখানে ১৫ বছরের ধরে কাজ করছি। এখন বর্তমানে এখানে ৮ জন কাজ করছেন। আমাকে সরিয়ে অন্য লোককে আনা হয়েছে। আমি ন্যায় বিচার চাই।”

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    স্কুলের (Murshidabad) দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকা সাংবাদিকদের এই বিষয়ে বলেছেন, “পুরসভা থেকে আমাদের স্পষ্ট করে লোক পাঠিয়ে জানানো হয়েছে, এখানে মিড ডে মিলে রান্নার কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মধ্যে সাইফুন বিবিকে তুলে নেওয়া হল। তাঁর পরিবর্তে অন্য আরেক জন সাগরী হাজরাকে কাজে দেওয়া হল। একই ভাবে পুরসভার চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি সৌরভ ঘোষ জানিয়েছেন, সাইফুন বিবি যেন পুরসভার অফিসে এসে দেখা করেন। এরপর আমরা সাইফুন বিবিকে পুরসভায় গিয়ে দেখা করতে বলেছি। স্কুলের মিড ডে মিলের কোনও রান্নার কাজের লোককে আমরা নিয়োগ করিনা এবং বেতনও দিই না। তাই স্কুলের কোনও বিষয় এখানে নেই।”

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যপালের মানহানি মামলা, শুনানির দিন ঠিক করল হাইকোর্ট

    তৃণমূল চেয়ারম্যানের বক্তব্য (Murshidabad)

    বেলডাঙ্গা (Murshidabad) পুরসভার চেয়ারম্যান অনুরাধা হাজরা ব্যানার্জি বলেছেন, “এই ধরনের কর্মীরা কেউ স্থায়ী কর্মী নন। পুরসভা চাইলে পরিবর্তন করতে পারে। এসএইচগ্রুপের মধ্যে থাকা অনেকে কাজ করে থাকেন। তাঁদেরকে সময়ে সময়ে অদলবদল করে কাজ করানো হয়। কেউ ১৫ বছর ধরে কাজ করছেন! এটা বড় প্রশ্ন নয়। রাজনীতির (BJP) কোনও ব্যাপার নেই। আগামীদিনে আরও কিছু কর্মীকে পরিবর্তন করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: মমতার বিরুদ্ধে রাজ্যপালের মানহানি মামলা, শুনানির দিন ঠিক করল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মমতার বিরুদ্ধে রাজ্যপালের মানহানি মামলা, শুনানির দিন ঠিক করল হাইকোর্ট

    নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের দায়ের করা মানহানি মামলার শুনানি ১০ জুলাই হবে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta Highcourt) । মামলাটি শুনানির তালিকায় না থাকায় রাজ্যপালের আইনজীবী বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার পরেই বিচারপতি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঘোষণা করা হয়।

    হাইকোর্টে রাজ্যপালের মানহানির মামলার শুনানি (Calcutta Highcourt)

    মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta Highcourt) মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস(C V Ananda Bose) । তৃণমূলের দুই হবু বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রায়াত হোসেন সরকার এবং তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকেও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে রাজ্যপালের তরফে। বুধবারই সেই মামলা বিচারপতি রাওয়ের বেঞ্চে উঠেছিল। সম্প্রতি নবান্নের একটি সরকারি বৈঠক থেকে রাজ্যপালকে আক্রমণ করেছিলেন মমতা। তার জেরে ওই মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন রাজ্যপাল। মমতার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন সায়ন্তিকা, রায়াত হোসেন সরকার এবং কুণাল ঘোষ। সেই কারণে তাদের ওই মামলাতে যুক্ত করা হয়েছে বলে রাজভবন সূত্রে খবর।

    অমিত শাহকে নালিশ রাজ্যপালের (C V Ananda Bose)

    বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়েও রাজভবন বনাম সরকার পক্ষের সংঘাত চলছে। দুই বিধায়ককে রাজভবনে ডেকে পাঠানো হলে তাঁরা যাননি। শাসক দলের তরফ থেকে রাজ্যপালকে বিধানসভায় এসে শপথ পাঠের কথা বলা হয়েছে। তবে সেই আবেদন মৌখিক নাকি লিখিতভাবে করা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই শাসক শিবিরে। প্রসঙ্গত রাজ্যের দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়ে জটিলতা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, উনি (C V Ananda Bose) হয় স্পিকারকে নয়তো ডেপুটি স্পিকারকে (শপথ পাঠের) এই অধিকার দিন। আর তা না হলে নিজে বিধানসভায় যান। রাজভবনে কেন সকলে যাবে? রাজভবনে যা কীর্তি কেলেঙ্কারি চলছে, তাতে মেয়েরা ওখানে যেতে ভয় পাচ্ছে বলে আমার কাছে অভিযোগ করেছে। নির্দিষ্ট দিনে এবং সময়ে দুই বিধায়ক রাজভবনে না যাওয়ার ফলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বাতিল হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রীর নামে নালিশ করে গ্রেফতার, মুক্তির নির্দেশ বিচারপতির

    এরপর রাজ্যপাল দিল্লি চলে যান। ইতিমধ্যেই অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। যে দুই পুলিশ আধিকারিক এবং এক আমলার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে রাজ্যপাল নালিশ জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আগেই সাংবিধানিক কার্যপ্রণালী এবং আচরণবিধির লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন বোস।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ না থাকলে পশ্চিমবঙ্গ যেত পাকিস্তানে, জানুন সেই ইতিহাস

    Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ না থাকলে পশ্চিমবঙ্গ যেত পাকিস্তানে, জানুন সেই ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯০১ সালের ৬ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad Mukherjee)। তাঁকে ‘ভারত কেশরী’ বলেও সম্বোধন করা হয়। ঐতিহাসিকদের মতে, তিনিই ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের জনক। মুসলিম লিগের পাতা ফাঁদ থেকে তিনি উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছিলেন বাঙালি হিন্দুদের। মূলত তাঁর প্রচেষ্টাতেই অখণ্ড বাংলার হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিমাংশ থেকে যায় ভারতে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অখণ্ড বাংলাকে নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে সুরাবর্দীর প্রস্তাবও ব্যর্থ করেন তিনি। আজ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনে আমরা জানব কীভাবে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) ভারতে রাখতে সমর্থ হলেন!

    পাকিস্তানের দাবিতে ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও নোয়াখালি গণহত্যা

    ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট দিনটি ছিল শুক্রবার। বাঙালি হিন্দুর জীবনে সেদিন নেমে আসে এক ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসে’র নামে, পাকিস্তানের দাবিতে মুসলিম লিগ শুরু করল হিন্দু নিধনযজ্ঞ। অবিভক্ত বাংলায় তখন ছিল সুরাবর্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিম লিগের সরকার। মুসলিম লিগের গুন্ডারা হিন্দুদের ওপর ভয়াবহ সম্প্রদায়িক হামলা শুরু করে। পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়। কয়েক হাজার হিন্দুকে হত্যা করা হয়। হাজার হাজার হিন্দু নারী ধর্ষিতা হন। লুট করা হয় সম্পত্তি। ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর পরেই নোয়াখালিতে মুসলিম লিগ শুরু করে ফের এক হিন্দু নিধনযজ্ঞ। উদ্দেশ্য একটাই, পাকিস্তান। বর্তমান বাংলাদেশের নোয়াখালি, লক্ষ্মীপুর, ফেনী জেলা নিয়ে মেঘনার বাম তীরে অবস্থিত ছিল ব্রিটিশ আমলের নোয়াখালি জেলা। এই জেলাতে তৎকালীন সময়ে হিন্দুদের জনসংখ্যা ছিল ১৮ শতাংশ। ১৯৪৬ সালের ১০ অক্টোবর ছিল কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। স্থানীয় হিন্দু বাড়িগুলিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে লিগের গুন্ডারা। গণহত্যা, লুট, গৃহে অগ্নিসংযোগ, অপহরণ ,নারী ধর্ষণ-এই সমস্ত কিছুই চলতে থাকে মুসলিম লিগের নেতা মওলানা গোলাম সারোয়ারের নেতৃত্বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক নোয়াখালিতেই হত্যা করা হয়েছিল ১০ হাজার হিন্দু বাঙালিকে। এর থেকেও বেশি সংখ্যক মানুষকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা হয়। অগণিত মহিলাকে ধর্ষিতা হতে হয়।

    হিন্দু বাঙালির অস্তিত্ব বিপন্ন করতে মুসলিম লিগের ফাঁদ 

    অবিভক্ত বাংলায় তখন মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। মুসলিম লিগ নেতৃত্বের দাবি, কলকাতা সহ সমগ্র বাংলাকেই পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সেই দাবিতেই ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও ‘নোয়াখালি গণহত্যা’। এদিকে সমগ্র বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তিকরণের বিরুদ্ধে হিন্দু বাঙালিদের মধ্যেও গড়ে উঠেছে প্রবল জনমত। মুসলিম লিগের নেতা তথা ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’- এর খলনায়ক সুরাবর্দী তখন এক ফাঁদ পাতলেন। দুই বাংলাকে নিয়ে অখণ্ড স্বাধীন রাষ্ট্র তৈরি করার প্রস্তাব রাখলেন তিনি। অর্থাৎ অখণ্ড বাংলা, না হবে ভারতের, না পাকিস্তানের। কিন্তু এরপরেও বাংলাতে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে যেত। আশ্চর্যজনকভাবে অখণ্ড বাংলা রাষ্ট্রের দাবিতে সম্মতি দিলেন মহম্মদ আলি জিন্না। অর্থাৎ যেনতেন প্রকারেন তৎকালীন অখণ্ড বঙ্গের পশ্চিমাংশ যা বর্তমানের পশ্চিমবাংলা, যেখানে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেটিকে ভারত থেকে আলাদা করতেই হবে। সুরাবর্দীর এমন পাতা ফাঁদে পা দেন কংগ্রেসের দুই নেতা শরৎচন্দ্র বসু ও কিরণশঙ্কর রায়। এমন সময়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বুঝতে পারলেন যে হিন্দু বাঙালির অস্তিত্ব বিপন্ন করতে ফাঁদ পেতেছে মুসলিম লিগ। হয়তো পাকিস্তানে নিয়ে যেতে চাইছে অথবা স্বাধীন রাষ্ট্রের নামে একটি ইসলামিক রাষ্ট্রে হিন্দুদের তারা সংখ্যালঘু করে রাখতে চাইছে।

    আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad Mukherjee) 

    সেই সময় থেকেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তাঁর সমস্ত শক্তিকে নিয়োজিত করলেন হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গকে ভারতে রাখার জন্য। ১৯৪৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই হিন্দু মহাসভার নেতৃত্বে তিনি একটি কমিটি গঠন করেন এবং সারা বাংলা জুড়ে সফর শুরু করেন। বড় বড় জনসভাগুলিতে বক্তব্য রাখেন। মানুষকে বাংলা ভাগের প্রয়োজনীয়তা তিনি বোঝাতে থাকেন। কংগ্রেসের নেতাদের কাছেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad Mukherjee) আবেদন রাখেন যে তাঁরা যেন বাংলা ভাগের দাবিকে সমর্থন জানান। ১৯৪৭ সালের ১৫ মার্চ কলকাতায় হিন্দু মহাসভা একটি দু-দিনব্যাপী আলোচনাসভার আয়োজন করে। এতে হাজির ছিলেন ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার, ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, হেমেন্দ্রচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ। এই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে হিন্দু মহাসভা। অখণ্ড বাংলার হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলিকে নিয়ে একটি আলাদা প্রদেশ গঠন করার কথা লেখা হয় প্রস্তাবে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ওই প্রস্তাব পেশও করে হিন্দু মহাসভা। ঠিক এমন আবহে তৎকালীন জনপ্রিয় দৈনিক ‘অমৃতবাজার পত্রিকা’ ১৯৪৭ সালের ২৩ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত একটি সমীক্ষা করে। বিষয় ছিল, বাংলা ভাগ করা উচিত কিনা। এই সমীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয় ১৯৪৭ সালের ২৩ এপ্রিল। জানা যায়, এতে মোট ৫ লাখ ৩৪ হাজার ২৪৯ জন মানুষ নিজেদের মতামত রাখেন। ৯৮. ৩ শতাংশ মানুষই বাংলা ভাগের পক্ষে কথা বলেন। অন্যদিকে, বাংলা ভাগের বিপক্ষে কথা বলেন ০.৬ শতাংশ মানুষ। ১.১ শতাংশ মানুষের মতামত বাতিল হয়।

    মাউন্টব্যাটেন-শ্যামাপ্রসাদ বৈঠক

    এমন সময় ১৯৪৭ সালের ২৩ এপ্রিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) সঙ্গে বড়লাট মাউন্টব্যাটেনের একটি বৈঠক হয়। সেখানে ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে বোঝান, ‘কেন বাংলা ভাগ করা প্রয়োজন’। আবার ১৯৪৭ সালের ২ মে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় মাউন্টব্যাটেনকে বাংলা ভাগের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে একটি দীর্ঘ পত্র লেখেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের এমন আন্দোলন সে সময় খবরের শিরোনামেও আসে। তৎকালীন কলকাতার দৈনিক ‘দ্য স্টেটসম্যান’ ১৯৪৭ সালের ২৪ এপ্রিল একটি খবর প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে তারা জানায়, বাংলা ভাগ করার আন্দোলন একটি বিশাল ঝড়ে পরিণত হয়েছে। এই ঝড় আরম্ভ করেছিল হিন্দু মহাসভা। ঝড়ের কেন্দ্রভূমি হচ্ছে কলকাতা। ১৯৪৭ সালের মে মাসের প্রথম দিকে ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, বাংলা ভাগের প্রয়োজনীয়তার কথা মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহরুকেও বলেন। তবে তাঁরা এ বিষয়টি খুব একটা আমল দেননি বলেই জানা যায়। ১৯৪৭ সালের ১৩ মে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সোদপুরে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেও তাঁকে একই কথা বলেন।

    বল্লভভাই প্যাটেলের চিঠি

    তৎকালীন কংগ্রেস নেতা সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে চিঠি লেখেন এবং সেখানে তিনি বলেন, ‘‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই। বাংলার হিন্দুরা যতদিন নিজেদের স্বার্থ বুঝছে এবং নিজেদের অবস্থান থেকে না সরছে, ততদিন ভয়ের কোনও কারণও নেই। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলার ডাক মুসলিম লিগের পাতা ফাঁদ ছাড়া কিছু নয়। বাংলাকে কখনই ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।’’ এই সময়ে বাংলা ভাগের দাবিতে বারোটিরও বেশি জনসভা করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। পাঁচটি করেন কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথভাবে। কংগ্রেস বাংলা ভাগের দাবিকে শেষ মুহূর্তে সমর্থন জানায়। তার কারণ ছিল একটাই যে তাদের হিন্দু ভোটাররা যেন না সরে যায়।

    শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াসে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) গঠন

    দীর্ঘ আন্দোলন এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াসের পরে ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইন পরিষদের পশ্চিমাংশের সদস্যরা বাংলার দ্বিখণ্ডীকরণের প্রস্তাব বা পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) প্রস্তাব ৫৮-২১ ভোটে পাশ করান। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় মুসলিম লিগের পাতা ফাঁদ থেকে বের করে আনেন হিন্দু বাঙালিকে। হিন্দু বাঙালি পায় তার নিজস্ব হোমল্যান্ড। ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও নোয়াখালির দাঙ্গার পরেও মুসলিম লিগ সমগ্র বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে ব্যর্থ হয়। ব্যর্থ হয় স্বাধীন বাংলা রাষ্ট্র গঠনের নামে হিন্দু বাঙালিকে দাস করে রাখার পরিকল্পনা। মুসলিম লিগের যাবতীয় চক্রান্তকে প্রতিহত করতে সমর্থ হন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: বারাকপুরে যুবককে রাস্তায় ফেলে লোহার রড দিয়ে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী

    Barrackpore: বারাকপুরে যুবককে রাস্তায় ফেলে লোহার রড দিয়ে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আড়িয়াদহে রাস্তায় ফেলে এক যুবককে গণপিটুনি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিংয়ের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার বারাকপুরে (Barrackpore) এক যুবককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। জখম যুবক আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২ জুলাই রাতে বারাকপুরের (Barrackpore) সদর বাজার এলাকার যুবক রাতে বাড়ি ফিরছিলেন। বারাকপুর উড়ালপুরের কাছে বুড়িরবাজার এলাকায় তৃণমূল কর্মী সাদ্দামের নেতৃত্বের তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। লোহার রড দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। সাদ্দামের সঙ্গে থাকা তার অনুগামীরাও ওই যুবককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটান। জখম যুবকের পরিবারের লোকজন বলেন, রাতেই ছেলে বাড়ি ফিরে আসছে না দেখে খোঁজ খবর শুরু করি। কিন্তু, কোনওভাবেই আমরা তার হদিশ পাচ্ছিলাম না। পরে, এক পরিচিতের মাধ্যমে জানতে পারি, বুড়িবাজার এলাকায় সাদ্দামের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে। বুড়িবাজার এলাকায় এসে দেখি ও রাস্তাতেই পড়ে রয়েছে। ওর মাথা দিয়ে গল গল করে রক্ত বের হচ্ছে। যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। আমরা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বিএন বসু হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আরজি কর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কেন এভাবে হামলা চালালো তা বুঝতে পারছি না। আমরা পুলিশের কাছে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস বলেন, এটা ঘটনাটি বারাকপুর পুরসভার মধ্যে হয়েছে। তবে, এই পুরসভা এলাকার কেউ নয়। কারণ, জখম যুবকের বাড়ি সদর বাজারে। আর সাদ্দাম তৃণমূল (Trinamool Congress) কর্মী হলেও তার বাড়ি সদর বাজার এলাকায়। এলাকাটি উত্তর বারাকপুর পুরসভার মধ্যে পড়ে। এই ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। হামলাকারীদের (Trinamool Congress) অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share