Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Kolkata Load Shedding: রাতভর বিদ্যুৎহীন এলাকা! রাস্তাতেই রাত কাটালেন দক্ষিণ দমদমের বাসিন্দারা

    Kolkata Load Shedding: রাতভর বিদ্যুৎহীন এলাকা! রাস্তাতেই রাত কাটালেন দক্ষিণ দমদমের বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই গরমের জ্বালায় নাজেহাল জীবন। ফ্যানের তলা থেকে ১ সেকেন্ডের জন্যেও সরা দায়। আর এই গরম পড়তেই লোডশেডিং (Load Shedding) জ্বালায় কার্যত বেহাল অবস্থা শহরবাসীর। তবে শুধু গ্রাম বা জেলা নয়, জেলার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শহরেও লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণাও। এমনই পরিস্থিতির সাক্ষী থাকল  দক্ষিণ দমদম (South dumdum) পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ দাড়ির নেহেরু কলোনি। 

    রাতভোর বিদ্যুৎহীন এলাকা (Load Shedding) 

    সোমবার রাতভোর বিদ্যুৎহীন (Load Shedding) ছিল দক্ষিণ দমদম পৌরসভা এলাকার একাংশ। ফলে এই গরমে ঘরে থাকতে না পেরে সারারাত জেগে হাত পাখা নিয়ে রাস্তাতেই বসে ছিলেন মহিলারা। ফলে নিদ্রাহীন রাত কাটিয়ে চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ

    একাধিকবার সিইএসসির কাস্টমার কেয়ারে (CESC customer care) ফোন করেও মেলেনি সাড়া। এমনই অভিযোগ এলাকাবাসীর। ফলত, গরমের মধ্যে চরম বিপাকে স্থানীয় মানুষজন। এ প্রসঙ্গে শঙ্করী বসু নামের এক বৃদ্ধা বলেন, “কালকে কারেন্ট গিয়েছে। সারা রাত জেগে বসে আছি। এখনও লোডশেডিং (Load Shedding)। সারা রাত ঘুম হচ্ছে না। ছেলেরা কাজে যেতে পারছে না। দু’দিন ছাড়া ছাড়া কারেন্ট যাচ্ছে। সিইএসসি কোনও উত্তরই দিচ্ছে না।” 

    আরও পড়ুন: মহার্ঘ ভাতায় ঘাম ছুটছে রাজ্যের! কেন্দ্র অষ্টম পে কমিশনের পথে

    সিইএসসির দাবি

    তবে অত্যাধিক পরিমাণে অনুমোদনহীন এসি ব্যবহার এই সমস্যার মূল কারণ বলেই জানিয়েছে সিইএসসি। সিইএসসি-র সূত্রে খবর, এসি-র জন্য যা আবেদন জমা পড়ে বাজারে বিক্রি হয় তার থেকে বেশি। অধিকাংশেরই অনুমোদন নেই। ফলে অনুমোদনহীন এসি গুলির বাড়তি লোডই বহু জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন (Load Shedding) হওয়ার অন্যতম কারণ।

    তবে এটাই প্রথমবার নয়। গরম পড়লে প্রতিবছরই এই সমস্যার সম্মুখীন হয় শহরবাসী। আসলে নিজেদের ভালো থাকার জন্য অনুমতি ছাড়া এসি লাগাচ্ছে সবাই। আসলে এসি লাগাতে গেলে তার আগে অনুমতি নিতে হয় কিন্তু সে তো অনেক হ্যাপা তাই অনুমতি ছাড়াই এসি লাগাচ্ছে অনেকে। আর তার জেরেই প্রত্যেক রাত বিদ্যুৎহীন (Load Shedding)ভাবে কাটাচ্ছে শহরবাসীর। শুধুমাত্র বিদ্যুৎহীন থাকাই নয় কখনো কখনো দীর্ঘ সময়ের জন্য লো ভল্টেজের সমস্যারও সম্মুখীন হচ্ছে শহরবাসী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rupali Ganguly: বাঙালি সাজে পদ্ম পার্টিতে যোগ ‘অনুপমা’র, কী বললেন রূপালি গঙ্গোপাধ্যায়?

    Rupali Ganguly: বাঙালি সাজে পদ্ম পার্টিতে যোগ ‘অনুপমা’র, কী বললেন রূপালি গঙ্গোপাধ্যায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন চলছে। সবে মাত্র শেষ হয়েছে দু’টি দফার নির্বাচন। এখনও বাকি পাঁচটি দফা। তৃতীয় দফার নির্বাচন হবে ৭ মে। এমতাবস্থায় বুধবার বিজেপিতে যোগ দিলেন হিন্দি টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বাঙালি শিল্পী রূপালি গঙ্গোপাধ্যায় (Rupali Ganguly)। মুম্বই থেকে দিল্লি উড়ে গিয়ে তিনি হাতে তুলে নেন গেরুয়া ঝান্ডা। উত্তরীয় পরিয়ে, হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে পদ্ম শিবিরে তাঁকে স্বাগত জানান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। রূপালির সঙ্গে এদিন বিজেপিতে যোগ দেন জ্যোতিষ অমেয় জোশীও।

    কী বললেন রূপালি? (Rupali Ganguly)

    গৈরিক শিবিরে যোগদান পর্ব সেরে সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন রূপালি (Rupali Ganguly)। বলেন, “উন্নয়নের মহাযজ্ঞ দেখে আমারও রাজনীতিতে যোগ দিতে মন চাইছিল। নাগরিক হিসেবে আমাদের সকলেরই এতে শামিল হওয়া উচিত। ঈশ্বরের আশীর্বাদে কিছু মানুষের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়। সেখান থেকেই আমার এই সিদ্ধান্ত।”

    রূপালি গঙ্গোপাধ্যায়

    জন্মসূত্রেই চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রূপালি। মুম্বইয়ের প্রবাসী বাঙালি পরিবারে জন্ম, ১৯৭৫ সালের ৫ এপ্রিল। বাবা অনিল গঙ্গোপাধ্যায় চিত্র পরিচালক তথা চিত্রনাট্যকার। ভাই বিজয় কোরিওগ্রাফার। এক সময় থিয়েটারেও চুটিয়ে অভিনয় করেছেন। বাবার পরিচালনায় সাত বছর বয়সে অভিনয় সাহেব ছবিতে। টেলিভিশনে বিপুল জনপ্রিয়তা পান রূপালি। ‘সঞ্জীবনী’, ‘অনুপমা’র মতো সিলিয়াল তাঁকে জনপ্রিয়তা এনে দেয় সর্বভারতীয় স্তরে।

    পদ্ম আঁকা গেরুয়া শাড়ি, হাতে শাঁখা-পলা-নোয়া – একেবারে বাঙালি সাজে সজ্জিত হয়ে গেরুয়া খাতায় নাম লেখান রূপালি। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেখানো পথে চলতে চাই। দেশের সেবায় নিযুক্ত হতে চাই। অমিত শাহের নেতৃত্বে এগোতে চাই। এমন কিছু করতে চাই, যাতে আজ যাঁরা আমায় দলে নিলেন, একদিন তাঁরা আমায় নিয়ে গর্ব বোধ করেন।”

    আরও পড়ুুন: ফের সন্দেশখালিতে হানা, শাহজাহানের ভাই সিরাজের বাড়িতে তলবের নোটিস দিল সিবিআই

    মার্চ মাসে একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করেছিলেন রূপালি। পরে ইনস্টাগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্তকে জীবনের সব থেকে সেরা ও স্মরণীয় দিন বলে উল্লেখ করেছিলেন এই বঙ্গকন্যা। লিখেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ আমার কাছে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো (Rupali Ganguly)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Madhyamik Result 2024: মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার, কোথায়, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?  

    Madhyamik Result 2024: মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার, কোথায়, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ (Madhyamik Result 2024)। ২ মে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় মধ্য শিক্ষা পর্ষদ সাংবাদিক বৈঠক করে মাধ্যমিকের রেজাল্ট প্রকাশ করবে। তবে পরীক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল দেখতে পাবেন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে। ওই দিন একাধিক ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবে ছাত্র-ছাত্রীরা। ইতিমধ্যেই যার তালিকা প্রকাশ করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। বোর্ড সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘লোকসভা ভোটের মধ্য়ে এই ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনও আইনগত বাধা নেই।’

    কোথায় দেখবেন রেজাল্ট

    এই বছর যারা মাধ্যমিক (Madhyamik Result 2024) পরীক্ষা দিয়েছেন, তারা সরাসরি পশ্চিমবঙ্গ মধ্য শিক্ষা পর্ষদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকেও পরীক্ষার ফলাফল দেখতে পাবেন। wbbse.wb.gov.in এবং Wbresults.Nic.In -এ ক্লিক করে রেজাল্ট দেখতে পাবেন পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া মাধ্যমিকের রেজাল্ট দেখার জন্য গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন দুটি অ্যাপ। এগুলি হল মাধ্যমিক রেজাল্ট ২০২৪ ও মাধ্যমিক রেজাল্ট। ওই সময় তাঁদের হাতের কাছে রাখতে হবে অ্যাডমিট কার্ড। ফল জানার সময় পরীক্ষার্থীকে লিখতে হবে রোল নম্বর। তবেই স্ক্রিনে ফুটে উঠবে মার্কশিট।

    কবে হাতে মার্কশিট

    উল্লেখ্য, ওই দিনই বিভিন্ন ক্যাম্প অফিস থেকে মার্কিশট ও শংসাপত্র স্কুলগুলিকে বিলি করবে পর্ষদ। যা শুরু হবে সকাল ১০ টা নাগাদ। কলকাতার স্কুলগুলি পর্ষদের দফতর থেকে মার্কশিট ও শংসাপত্র সংগ্রহ করতে পারবে।ফলে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই স্কুলগুলি থেকে ছাত্রছাত্রীরা জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষার মার্কশিট পেতে পারবে। চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Result 2024)। যা শেষ হয় ওই মাসের ১২ তারিখে। পরীক্ষা শেষের সঙ্গে সঙ্গেই ৯০ দিনের মধ্যে রেজাল্ট বেরনোর কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ১২মে সেই ডেড লাইন পূরণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই রেজাল্ট প্রকাশ করছে পর্ষদ। 

    আরও পড়ুন: তাপপ্রবাহের কবলে একের পর এক জেলা, মঙ্গলবার রাজ্যের কোথায় তাপমাত্রা কত ছিল?

    কীভাবে রেজাল্ট দেখবেন 

    ওয়েবসাইটে লগ-ইন ক্রেডেনসিয়ালে রোল নম্বর, ডেট অব বার্থ দিয়ে পরীক্ষার্থীর ফলাফল দেখা যাবে

    — অফিশিয়াল ওয়েবসাইট wbresults.nic.in ক্লিক করুন

    — WBBSE মাধ্যমিক ক্লাস ১০ রেজাল্ট লিঙ্ক-এ ক্লিক করুন

    — রোল নম্বর, জন্ম তারিখ লাগবে লগ-ইন করতে

    —লগ-ইন করলেই দেখা যাবে রেজাল্ট

    — এখান থেকে মার্কশিটের পিডিএফ নেওয়া যাবে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dinhata: ভোটের বাজারে মাফিয়ারাজ! অভিযুক্ত উদয়ন অনুগামীরা

    Dinhata: ভোটের বাজারে মাফিয়ারাজ! অভিযুক্ত উদয়ন অনুগামীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনহাটায় (Dinhata) জমি জায়গার অবৈধ কারবারের অভিযোগ উঠল উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর (Udayan Guha) অনুগামীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ শাসকদলের ছত্রছায়ায় একাধিক জায়গায় চলছে অবৈধভাবে জমি বেচা কেনার কারবার। অভিযোগ যে উড়িয়ে দেওয়ার মত নয় কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন উদয়ন গুহ। মঙ্গলবার সমাজমাধ্যমে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ লিখেছেন, “জমি সংক্রান্ত কোনও সমস্যায় আমার মাথা ব্যথা নেই। যারা আমার নাম ব্যবহার করে তারা নিজেদের স্বার্থে করে।”

    স্থানীয়দের অভিযোগ

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, “উদয়ন গুহর অনুগামীরা মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে জমির আসল মালিকদের ভয় দেখাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জমি মালিকের অজান্তেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। জমি বেচাকেনার অবৈধ কারবার চলছে গোটা দিনহাটা (Dinhata) জুড়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযুক্তরা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। প্রসঙ্গত মন্ত্রীর নাম কারা ব্যবহার করে এবং কেনই বা তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি জিজ্ঞেস করা হলে উদয়ন বলেন, “আমার কাছে খবর আছে কেউ কেউ আমার নাম উল্লেখ করে বা আমার নাম ভাঙ্গিয়ে জমি জায়গার ব্যবসা করার চেষ্টা করছে। তাই ওদেরকে সতর্ক করে দিয়েছি। সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যিনি জমি সংক্রান্ত কারবার করবেন নিজের দায়িত্ব করবেন।” দলের তরফে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? প্রশ্ন করা হলে উদয়ন বলেন নির্দিষ্ট করে কেউ আমার কাছে বা পুলিশে অভিযোগ করলে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    উদয়ন গুহর ওই পোস্টে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিজেপির কোচবিহার জেলার সাধারণ সম্পাদক বিরাজ বসু বলেন, “কারা (Dinhata) বেআইনি জমির কারবার করছে তা শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীরা ভালই জানেন। তাঁরা জানেন না এ কথা বললে কেউ বিশ্বাস করবে না। আসলে কাটমানিটা তাঁদের কাছেও পৌঁছে যায়। তাই তাঁরা চুপ থাকেন। ধীরে ধীরে সবই প্রকাশ্যে আসছে। চাকরি থেকে জমি সব জায়গায় জড়িত তৃণমূলের নেতারা।”

    জমির হাঙরদের রাজত্ব চলছে

    তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে জানা গেছে কিছুদিন আগে দিনহাটার (Dinhata) বোর্ডিং পাড়া এলাকায় একটি জায়গা বিক্রি হয়। এই জমি বিক্রি নিয়ে তৃণমূলের দিনহাটা শহর ব্লক কমিটির এক নেতার নাম জড়িয়ে পড়ে। তিনি উদয়ন গুহর ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত। সেই প্রভাব খাটিয়ে ওই জমি কেনা বেচা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে স্টেশন রোড এলাকায় মুচির মাঠ সংলগ্ন একটি জায়গাও মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে জোর করে কেনার চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পরে। জানতে পেরে উদয়ন সরব হন বলে জানা যায়। যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, “যে সমস্ত ক্ষেত্রে কাটমানি নেতার কাছে পৌঁছে যায় না। সেই বিষয়েই প্রতিবাদে সরব হন তিনি। বাকি ক্ষেত্রে তিনি চুপ করেই থাকেন।”

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে হানা, শাহজাহানের ভাই সিরাজের বাড়িতে তলবের নোটিস দিল সিবিআই

    কেন বাড়বাড়ন্ত ?

    কিছুদিন সবকিছু থেমে থাকলেও বর্তমানে ফের ভোটের বাজারে জমি মাফিয়াচক্র সক্রিয় হয়েছে। মনে করা হচ্ছে প্রশাসনের মাথায় এখন ভোটের চাপ। তাই এই সুযোগে স্বার্থসিদ্ধি করার অভিযোগ উঠছে। কোথাও (Dinhata) ভয় দেখিয়ে আবার কোথাও জোর করে বাজার মূল্যের কম দামে জমি কিনে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, “যারা জমি জায়গার কারবার করেন তাঁরা চিরকাল শাসকদলের ছত্রছায়ায় থাকেন। বর্তমানেও তারা শাসক দলের সঙ্গেই যুক্ত হয়ে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করে যাচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vidyasagar University: তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক পরীক্ষা স্থগিত

    Vidyasagar University: তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক পরীক্ষা স্থগিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দশকের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়ে মঙ্গলবার মেদিনীপুর সহ সমগ্র জঙ্গলমহলের উষ্ণতম দিন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। শুধু মঙ্গলবার বলে নয় গত কয়েকদিনে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তীব্র দাবদাহ চলছে। পূর্বাভাস মতোই, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া সহ সমগ্র জঙ্গলমহল জুড়ে সকাল ৯টা থেকেই বইতে শুরু করে লু বা গরম বাতাস। গনগনে আগুনের তাপে সকাল থেকেই পুড়ছেন মেদিনীপুর সহ জঙ্গলমহলবাসী। এই অবস্থায় বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় (Vidyasagar University) সমস্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার একটি নোটিস দিয়ে এই ঘোষণা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিসে কী রয়েছে? (Vidyasagar University)

    নোটিসে জানানো হয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য ২ এবং ৪ মে যে পরীক্ষাগুলি হওয়ার কথা ছিল, তা মুলতুবির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Vidyasagar University) অধীনে থাকা সমস্ত কলেজে ওই দু’টি তারিখে যাবতীয় পরীক্ষা আপাতত বাতিল করা হল। বিএড, বিপিএড, বিএফএসসি, বিএসসি (অনার্স) কৃষিবিদ্যা, বিএড স্পেশাল, ডিওসিএ এবং তৃতীয় বর্ষের যে সব পরীক্ষা ছিল, তা মুলতুবি করা হচ্ছে। ওই দু’টি তারিখে যে পরীক্ষাগুলি ছিল, তা পরে কবে নেওয়া হবে তা পরবর্তী তা পরবর্তী নোটিসে জানানো হবে। তবে ৬ মে যে পরীক্ষাগুলি রয়েছে, সেগুলি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: বুধবারও তীব্র তাপপ্রবাহ দক্ষিণের ৮ জেলায়, জনশূন্য রাস্তাঘাট, ফুটিফাটা জমি

    মেদিনীপুর ও সংলগ্ন এলাকার তাপমাত্রা কত ছিল?

    আবহাওয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ জেলা শহর মেদিনীপুর ও সংলগ্ন এলাকার তাপমাত্রা ছিল ৪৬.৯১ ডিগ্রি সেলসিয়াস! যা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল চলতি মরশুমের যথাক্রমে ২০ ও ২৭ এপ্রিলের ‘সর্বোচ্চ তাপমাত্রা’র রেকর্ড! ওই দু’দিন জেল শহর তথা জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৪৫.৯৯ এবং ৪৫.৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশাপাশি আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, মে মাসের প্রথম সপ্তাহেও তাপপ্রবাহের হাত থেকে নিস্তার মিলবে না। আগামী ৫ মে পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলতে পারে গোটা দক্ষিণবঙ্গেই। রবিবার থেকে রাজ্যের কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেদিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে রয়েছেন সকলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের সন্দেশখালিতে হানা, শাহজাহানের ভাই সিরাজের বাড়িতে তলবের নোটিস দিল সিবিআই

    Sandeshkhali: ফের সন্দেশখালিতে হানা, শাহজাহানের ভাই সিরাজের বাড়িতে তলবের নোটিস দিল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের ভাই সিরাজউদ্দিনকে এর আগে তলব করেছিল ইডি। তিনি সেই ডাকে সাড়া দেননি। তার পর ইডির তরফে লুকআউট নোটিস জারি করা হয় তাঁর নামে। এ বার সিরাজকে ডেকে পাঠাল সিবিআইও। বুধবার সকালে সন্দেশখালিতে ফের হানা দেয় সিবিআই।

    সিরাজ ডাক্তারের বাড়িতে নোটিস (Sandeshkhali)

    শাহজাহানের ভাই সিরাজউদ্দিন পেশায় হোমিয়োপ্যাথি চিকিৎসক। এলাকায় তাঁর ক্লিনিকও ছিল। তিনি সিরাজ ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সন্দেশখালিতে ইডির ওপর হামলার (Sandeshkhali) ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি ফেরার। ইডির পর এদিন সিবিআই টিম সন্দেশখালির সরবেড়িয়া এলাকায় যায়। শাহজাহান মার্কেটে গিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে সন্দেশখালির সরবেড়িয়া এলাকায় শাহজাহানদের বাড়ির সামনে যান সিবিআইয়ের একটি দল। সিরাজের বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু, কোনও সাড়া মেলেনি। তালাবন্ধ বাড়ির বাইরে নোটিস সেঁটে দিয়ে এসেছেন গোয়েন্দারা। সিবিআই সূত্রে খবর, ৬ মে তলব করা হয়েছে সিরাজকে।

    আরও পড়ুন: বুধবারও তীব্র তাপপ্রবাহ দক্ষিণের ৮ জেলায়, জনশূন্য রাস্তাঘাট, ফুটিফাটা জমি

    ফের সন্দেশখালিতে সিবিআই

    কিছুদিন আগে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) তল্লাশি অভিযানে গিয়েছিল সিবিআই। শাহজাহানের ঘনিষ্ঠের আত্মীয় আবু তালেব মোল্লার বাড়ি থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর পর সেখানে সিবিআই ডেকে পাঠায় এনএসজিকে। ‘ক্যালিবার’ যন্ত্র নিয়ে তারা দিনভর সন্দেশখালিতে বোমার খোঁজে তল্লাশি চালায়। কয়েকটি বোমা নিষ্ক্রিয়ও করা হয়। সে দিনের উদ্ধার করা অস্ত্র সম্পর্কে সিবিআইকে রিপোর্ট দিয়েছে এনএসজি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আবহে বাংলার রাজনীতি নতুন করে আলোড়িত হয়েছে। ইডি এবং সিবিআইয়ের তরফে পৃথকভাবে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সন্দেশখালিতে যে জমিগুলি শাহজাহান এবং তাঁর অনুগামীরা দখল করেছিলেন, সেই টাকাতেই কেনা হয়েছে অস্ত্র। সন্দেশখালিতে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথিপত্র এবং রসিদও পেয়েছে সিবিআই। কলকাতার দোকান থেকে শাহজাহানের নামে কেনা অস্ত্রের রসিদও ছিল তার মধ্যে। শাহজাহান বর্তমানে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। সন্দেশখালির ঘটনায় এবার সিরাজকে খুঁজছেন তদন্তকারীরা। এবার তাঁর হদিশ পেতেই বুধবার ফের সন্দেশখালিতে হানা দেয় সিবিআই। সিরাজের বাড়িতে রান্না চলছিল। সিবিআই আসছে দেখে রান্না মাঝ পথে ফেলে চলে গিয়েছে বাড়ির লোকজন। শাক ভাজা পড়ে রয়েছে রান্না ঘরে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালির সেই ব্যাগে কী ছিল সিবিআইকে জানাল এনএসজি

    Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালির সেই ব্যাগে কী ছিল সিবিআইকে জানাল এনএসজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা শাহজাহানের (অবশ্য গ্রেফতার হতেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়) গড়ে (Sandeshkhali Violence) অভিযান শেষে শুক্রবার একটি ব্যাগ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিল এনএসজি। সেই ব্যাগে কী ছিল, তা নিয়ে কৌতূহলের অন্ত ছিল না। তবে এনএসজির নিয়ে যাওয়া ব্যাগে কী ছিল, তা জানা গেল এবার, এনএসজি রিপোর্ট দেওয়ার পর। সিবিআইকে দেওয়া রিপোর্টে এনএসজি জানিয়েছে, ওই ব্যাগে দুটি বিদেশি আগ্নায়াস্ত্র ছিল। বেশ কিছু কার্তুজ ও বিস্ফোরকও মিলেছে। এনএসজির রিপোর্ট পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই মামলায় প্রায় দশজনকে তলব করা হচ্ছে। এনএসজি যে রিপোর্ট দিয়েছে, সিবিআই তা আদালতে দেবে বলেও জানা গিয়েছে।

    উদ্ধার অস্ত্র (Sandeshkhali Violence)

    শুক্রবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Violence) প্রথমে অভিযান চালায় সিবিআই। শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় আবু তালেব মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু অস্ত্র। সিবিআইয়ের তরফে খবর দেওয়া হয় এনএসজিকে। ক্যালিবার যন্ত্র নিয়ে এসে দিনভর সন্দেশখালিতে অস্ত্রের খোঁজে তল্লাশি চালায় এনএসজি। নিষ্ক্রিয় করা হয় বেশ কিছু অস্ত্র। বন্দুক, পিস্তল, কার্তুজ ও কয়েকটি রশিদও পায় সিবিআই। সেই রশিদে নাম ছিল শাহজাহানের। কলকাতার একটি দোকান থেকে কেনা হয়েছিল ওই কার্তুজ। সিবিআইয়ের দাবি, সেদিন যে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল, তার মধ্যে একটি আবার শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগিরের।

    সিবিআইয়ের অভিযান

    শুক্রবার সিবিআই তল্লাশি অভিযান চালায় সন্দেশখালির (Sandeshkhali Violence) দুটি ঠিকানায়। সেখানে তিন দিক ভেড়ি দিয়ে ঘেরা একটি পাকা বাড়ির মেঝে খুঁড়ে বিভিন্ন মাপের সাতটি রিভলভার পেয়েছিল তারা। এর মধ্যে তিনটি রিভলভার ও পিস্তল বিদেশি। এর মধ্যে একটি পিস্তল রয়েছে, যেটি ব্যবহার করে পুলিশ। দেশি একটি রিভলভারও রয়েছে। কার্তুজ মিলেছিল সাড়ে তিনশোর মতো।

    আরও পড়ুুন: “মোদি জমানায় গণতন্ত্র বিপন্ন! মিথ্যা কথা”, দাবি সুব্রহ্মণ্যমের

    অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট বসিরহাট মহকুমা আদালতে জমা দিয়েছে সিবিআই। তদন্তের স্বার্থে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র নিজেদের কাছে রাখার আবেদনও জানানো হয়েছিল। সিবিআইয়ের আবদেন মঞ্জুর করেছেন বিচারক। জানা গিয়েছে, আবুল স্ত্রীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Unemployed Workers: শ্রমিক দিবসেই কর্মহীন শয়ে শয়ে শ্রমিক

    Unemployed Workers: শ্রমিক দিবসেই কর্মহীন শয়ে শয়ে শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বন্ধ হয়ে গেল আরও একটি চা বাগান (Tea Garden)। শ্রমিক দিবসের দিনই কাজ হারালো প্রায় হাজারের কাছাকাছি শ্রমিক। ফলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কর্মহীন শ্রমিকদের (Unemployed Workers) কপালে। মে দিবসের দিন সকালেই ডুয়ার্সের (Dooars) এক চা বাগানে কাজ বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছে চা বাগানের মালিক কর্তৃপক্ষ। আর তার জেরেই মে দিবসে কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় ৮৩০ জন শ্রমিক।  

    ঠিক কী ঘটেছিল (Unemployed Workers)?

    জানা গিয়েছে, বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই পাওনাগন্ডা নিয়ে শ্রমিক-মালিক অসন্তোষ চলছিল। পিএফ, গ্র্যাচুইটির মতো বিভিন্ন পাওনা বাকি ছিল। শুধু তাই নয়, শ্রমিকদের ৩ পাক্ষিক সপ্তাহের মজুরিও বকেয়া ছিল বলে অভিযোগ। যার জেরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কর্মরত শ্রমিকরা। এরপর ২৭ এপ্রিল নিজেদের বকেয়া অর্থ বুঝতে চেয়ে শ্রমিকদের (Unemployed Workers) একাংশ বানারহাট থানায় গিয়ে অবস্থানে শামিল হন। বানারহাট বিডিও অফিসে একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠকও ডাকা হয়। তবে মালিকপক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকায় সেই বৈঠক ভেস্তে যায়। কিন্তু মালিকপক্ষের তরফে একটি চিঠি দিয়ে প্রশাসনকে জানানো হয়, মঙ্গলবার বকেয়া মজুরির এক কিস্তির টাকা তাঁরা মিটিয়ে দেবেন। সেই টাকা গতকাল দিয়েও দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরই রাত্রিবেলা কর্মবিরতির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। পুলিশ-প্রশাসনকেও মালিক পক্ষ জানিয়ে দেয় নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা। বাগানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তালা। এরপর সকালে শ্রমিকরা কাজে এসে দেখেন বাগানে তালা ঝুলছে।

    চা শ্রমিক নেতার বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে চা শ্রমিক নেতা অজয় মাহালি বলেন, “কোন সমস্যা থাকলে মালিকপক্ষ তা আলোচনার মাধ্যমে মেটাতে পারতেন। সেটা না করে শ্রমিক দিবসের ঠিক আগের রাতে এভাবে বাগান বন্ধ করে চলে যাওয়ার ঘটনার ঘোর নিন্দা জানাই। হাজার শ্রমিক কর্মহীন (Unemployed Workers)।”

    আরও পড়ুন: জানেন কি কেন পালন করা হয় মে দিবস? কোন ইতিহাস লুকিয়ে এই দিনটিতে!

    মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তার পরেই এল কাজ বন্ধের নোটিশ

    প্রসঙ্গত, শ্রমিক দিবস (International labour day) উপলক্ষে সকালেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। মুখ্যমন্ত্রী তার শুভেচ্ছা বার্তায় লেখেন,”আমাদের সকল শ্রমিক (Unemployed Workers) ভাই বোনকে জানাই আন্তর্জাতিক  শ্রমিক দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা। শ্রমিকরা আমাদের সমাজের সম্পদ। তাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। আমি সব সময় তাদের পাশে থাকি। বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা যোজনার মত যুগান্তকারী প্রকল্প চালু করা থেকে, কেন্দ্রের কাছ থেকে ১০০ দিনের কাজের টাকা পাওয়া থেকে বঞ্চিত রাজ্যের ৫৯ লক্ষ গ্রামীণ শ্রমিকের টাকা রাজ্যের নিজস্ব তহবিল থেকে মিটিয়ে দেওয়া, বরাবর আমরা সকল ক্ষেত্রে শ্রমিক ভাই বোনদের পাশে থেকেছি আগামীতেও থাকবো।” আর মুখ্যমন্ত্রী এই বার্তার পরেই জানা গেল উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি মহাকুমার বারানহাট (Banarhat) ব্লকের তোতাপাড়া চা বাগানে কাজ বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সরকারি জমির ফসল নষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক জনসভা, বিতর্ক

    Murshidabad: সরকারি জমির ফসল নষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক জনসভা, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমানের গোদায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। আর সেখানে জমির ফসল কেটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করলেন। আর কৃষি দফতরের চাষের ফার্মে জনসভা করাকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, সোমবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রামে জনসভা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর। আর সেই জনসভা ঘিরেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধী শিবির।

    সরকারি জমির ফসল নষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রীর সভা (Murshidabad)

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য,”মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রামে কৃষির খেত-খামার। ওটা একটা ফার্ম। সেখানে তিলের চাষ হচ্ছে। সেই তিল নষ্ট করে, জনসভা হল। যে জায়গায় সভা হয়েছে, সেই জায়গাটি কৃষি দফতর বিভিন্ন বীজ শস্য পরীক্ষা- নিরীক্ষণের জন্য ব্যবহার করে। সেখানে বেশ কিছুটা জায়গায় তিল চাষও করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর সভার জন্য সেই ফসল কেটে নেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর সভার জন্য জমির ফসলও নষ্ট করা হল। আর এই ফসল নষ্ট করার জন্য কোনও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে কি না তা জানা যায়নি।” কংগ্রেস নেতৃত্বও সরকারি জমির ফসল নষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রীর সভার করার নিন্দা জানিয়েছেন। তবে, এই বিষয়ে খড়গ্রামের ব্লকের কৃষি আধিকারিক কোনও মন্তব্য করতে চাননি। ফলে, জোর করে এই জমি তৃণমূল নিয়েছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: বুধবারও তীব্র তাপপ্রবাহ দক্ষিণের ৮ জেলায়, জনশূন্য রাস্তাঘাট, ফুটিফাটা জমি

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও জমি বিতর্কে বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। খড়গ্রামের (Murshidabad) তৃণমূল বিধায়ক আশিস মার্জিত বলেন, “ফসল নষ্ট হয়নি। ওই জমিতে সামান্য জায়গায় ফসল ছিল। খুব বেশি ফসল ছিল না। যেগুলি ছিল, সেগুলিও প্রায় মরেই গিয়েছিল। আর আমরা বিনা পয়সায় জমি নিয়েছি, এমন নয়। আমরা তার ক্ষতিপূরণ দিয়েই সভা করেছি। সামান্য যে ফসল ছিল, তার অনেক গুণ বেশি ক্ষতিপূরণ দিয়েই সভা হয়েছে। “লোকসভা ভোটের আবহে এই সভাস্থলের জমি ইস্যু আরও চর্চায় উঠে এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বুধবারও তীব্র তাপপ্রবাহ দক্ষিণের ৮ জেলায়, জনশূন্য রাস্তাঘাট, ফুটিফাটা জমি

    Weather Update: বুধবারও তীব্র তাপপ্রবাহ দক্ষিণের ৮ জেলায়, জনশূন্য রাস্তাঘাট, ফুটিফাটা জমি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তপ্ত তাওয়ায় জ্বলছে কলকাতা, ৭০ বছর পর ফের রেকর্ড ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস! বুধবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় থাকছে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি, এমনই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। তীব্র দাবদাহে নাজেহাল বাংলার জনজীবন। প্রবল গরমে সুনসান রাস্তাঘাট। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার নিরিখে বাংলা থেকেই রয়েছে দুই জায়গা। গরমে হাঁসফাঁস দক্ষিণ থেকে উত্তর।

    জ্বলছে শহর

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বুধবার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৭.৪ ডিগ্রি বেশি। এদিন সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৯ ডিগ্রি বেশি। কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় তাপপ্রবাহ এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে বুধবার। পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ— দক্ষিণের এই আট জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার চৃড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অসহনীয় গরমে মানুষ থেকে শুরু করে গবাদি পশু, বন্য পশু সকলেরই নাজেহাল অবস্থা। জমির অবস্থা ফুটিফাটা। যে সমস্ত সব্জি বা তৈলবীজ চাষ হয় তা-ও গরমে ঝলসে যাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: তাপপ্রবাহের কবলে একের পর এক জেলা, মঙ্গলবার রাজ্যের কোথায় তাপমাত্রা কত ছিল?

    কেন এই পরিস্থিতি

    এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়েছিল তাপপ্রবাহের দাপট। সেই দাপট এখনও অব্যাহত। মে মাসের প্রথম সপ্তাহেও যে তাপপ্রবাহের হাত থেকে নিস্তার মিলবে না, তা জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ৫ মে পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলতে পারে গোটা দক্ষিণবঙ্গে। মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণ পশ্চিম দিক থেকে ধেয়ে আসা গরম বাতাস। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৩ মে শুক্রবার থেকে একটু একটু করে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। রবিবার থেকে অবশ্য রাজ্যের কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share