Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Weather Update: ৭০ বছরের রেকর্ড ভাঙল তিলোত্তমা! পারদ পৌঁছল ৪৩ ডিগ্রিতে, মেদিনীপুরে ৪৭

    Weather Update: ৭০ বছরের রেকর্ড ভাঙল তিলোত্তমা! পারদ পৌঁছল ৪৩ ডিগ্রিতে, মেদিনীপুরে ৪৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড পারদ চড়ল কলকাতায় (Weather Update)। গরমে ইতিহাস গড়ল তিলোত্তমা। পারদ পৌঁছল ৪৩ ডিগ্রিতে। মঙ্গলবার নথিভুক্ত হল শহরের উষ্ণতম দিন হিসেবে। এর আগে ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে সর্বকালীন রেকর্ড ছুঁয়েছিল কলকাতার তাপমাত্রা। সে সময় পারদ ওঠে ৪৩.৩ ডিগ্রিতে। কিন্তু মঙ্গলবার সেই রেকর্ড ভেঙে গেল। কলকাতার পারদ উঠল ৪৩.৪৪ ডিগ্রিতে। অর্থাৎ মঙ্গলবার ৭০ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে দিল কলকাতা। জেলাগুলির (Weather Update) তাপমাত্রাতেও এদিন রেকর্ড দেখা গেল। মেদিনীপুরে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটা নাগাদ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছায় ৪৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    রেকর্ড গড়ল মেদিনীপুর

    প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক দিন ধরেই জেলার কলাইকুন্ডাতে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিল (Weather Update)। স্বাভাবিকের থেকে ৮ ডিগ্রিরও বেশি উঠছিল তাপমাত্রা। তবে মঙ্গলবার সে সমস্ত কিছু রেকর্ড একেবারেই ভেঙে গেল। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মেদিনীপুরের তাপমাত্রা এখনও পর্যন্ত সর্বকালীন রেকর্ড ছুঁয়েছে মঙ্গলবার। প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবারে কলকাতা তাপমাত্রা ছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৮০ সালের পর এটি ছিল কলকাতার এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। তবে মঙ্গলবার তাও ভেঙে গেল।

    ৩ মে পর্যন্ত তীব্র তাপপ্রবাহ

    অন্যদিকে ইতিমধ্যে আবহাওয়া দফতর ঘোষণা করেছে, রবিবারের আগে বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। এর পাশাপাশি আগামী ৩ মে পর্যন্ত অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলার সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। গরমের দাপট থাকবে রাতের বেলাতেও। আগামী তিন চারদিন এমন শুষ্ক আবহাওয়া দেখা যাবে। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের কোনও কোনও জায়গায় তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে ইতিমধ্যে। অন্য জেলাগুলিতে রয়েছে তাপপ্রবাহের কমলা সতর্কতা।

    কী বলছেন হাওয়া অফিসের অধিকর্তা? 

    আবহাওয়া দফতরের আঞ্চলিক অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত বলেন, ‘‘প্রচণ্ড উষ্ণ পশ্চিমি হাওয়া অবাধে দাপট দেখাচ্ছে বাংলায়। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর বঙ্গোপসাগরের জলীয় বাষ্পপূর্ণ হাওয়া ঢুকছে। কিন্তু তা বেশ দুর্বল। তবে এই সপ্তাহে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকবে গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গে। উত্তর গোলার্ধে তৈরি হওয়া অক্ষরেখা ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে (Weather Update) দক্ষিণ দিকে আসবে। তার ফলে সপ্তাহান্তে ভিজতে পারে দক্ষিণবঙ্গ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court Judgement: “নিয়োগ দুর্নীতির প্রথম সুবিধাভোগী মমতা”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Supreme Court Judgement: “নিয়োগ দুর্নীতির প্রথম সুবিধাভোগী মমতা”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High court) ডিভিশন বেঞ্চের প্যানেল বাতিলের রায়কে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court Judgement) চ্যালেঞ্জ করে ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার এবং স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দেয়নি বরং শুনানি পিছিয়ে দিয়েছে জুন মাস পর্যন্ত। এরই মাঝে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এবং বর্তমানে তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    কী বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Supreme Court Judgement)?

    রাজ্য সরকারের সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court Judgement) যাওয়া এবং কোর্টের রাজ্য সরকারকে কোনও বাড়তি সুবিধে না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “কেন অযোগ্যদের চাকরি হল। এর উত্তর আগে দিক ওরা। কেন ওএমআরের তথ্য নষ্ট করে দেওয়া হল এর উত্তর পাওয়া যায়নি। অতিরিক্ত প্যানেল সৃষ্টি করে যাদের বাড়তি নেওয়া হল তাঁরা কেন চাকরি করবেন। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে কারা সুবিধাভোগী তা পুনরায় খুঁজে দেখার বিষয় উঠছে। এ বিষয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের জবাব, “প্রথম সুবিধাভোগীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো। তাঁদের এখনই সিবিআইইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী থাকার কোন অধিকার নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।”

    আর কী বললেন অভিজিৎ?

    হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে চাকরি বাতিলের নির্দেশের পর ক্রুদ্ধ মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী দল থেকে বিচারব্যবস্থা কাউকে রেয়াত করেননি। যারা দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছে তাদেরও আশ্বস্ত করেছিলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “যারা এত গরীব। যারা যোগ্য। কেউ এমএ পাস করেছে, কেউ বিএড করেছে তাঁদের সিস্টেম অনুযায়ী চাকরি দেওয়া হয়েছে। এক দুটো ভুল হয়ে থাকলে আমরা শুধরে নেব। তাই বলে তুমি চাকরি খেয়ে নেবে। আমরা ২ লক্ষ চাকরির রেডি রাখছি। লজ্জা করে না। তোর ভাই বোনের যদি চাকরি চলে যেত তুই তাহলে কি করতিস। তোর টাকা আছে। নিজের টাকা বাঁচাতে ভাজপা মেশিনে গেছিস।”সেদিন বিচারব্যবস্থা থেকে শুরু করে বিরোধী দলকে আক্রমণ করার সময় শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পাল্টা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, “ওনারা তো বলেছিলেন হাইকোর্ট নাকি বিজেপির কোর্ট। তাহলে সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court Judgement) কী বলবেন। সুপ্রিম কোর্ট ও কি বিজেপির কোর্ট। যে প্রশ্নগুলি তুলেছে আদালত তাঁর উত্তর কোথায়।”

    আরও পড়ুনঃ “উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না”, কড়া বার্তা যোগীর

    রাজ্য সরকার মোটেও স্বস্তিতে নেই

    অতিরিক্ত পদ তৈরি সিদ্ধান্ত যারা নিয়েছিলেন তাঁদের উপর সিবিআইয়ের কড়া পদক্ষেপের বিষয়ে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত । এ প্রসঙ্গে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের যুক্তি, “সেক্ষেত্রে পুরো মন্ত্রিসভা সিবিআই হেফাজতে চলে যেত। এই ডিভিশন বেঞ্চ পরিষ্কার করে দিয়েছিল যারা অতিরিক্ত পদ সৃষ্টি করেছিল তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court Judgement) যে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে তাতে রাজ্য সরকার মোটেও স্বস্তির জায়গাতে নেই। এমনকি প্যানেলে না থাকা চাকরি প্রাপকদের নিয়ে তাঁদের পর্যবক্ষণে প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট।” নিয়োগ দুর্নীতিকে ভয়ংকর দুর্নীতি আখ্যা দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: “উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না”, কড়া বার্তা যোগীর

    Yogi Adityanath: “উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না”, কড়া বার্তা যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম নবমীর দিন মুর্শিদাবাদের বহরমপুর লোকসভার শক্তিপুরে রামভক্তদের ওপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছিল। বাড়িঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি দোকান লুট করেছিল। বোমাবাজি করেছিল এলাকায়। এলাকায় দাঙ্গার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। এবার সেই শক্তিপুরের প্রতাপ সিংহের মাঠে জনসভায় বিজেপি প্রার্থী নির্মল সাহার সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দাঙ্গাকারীদের কড়া বার্তা দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।

    দাঙ্গাকারীদের কড়া বার্তা (Yogi Adityanath)

    মঙ্গলবার জনসভা থেকে যোগী (Yogi Adityanath) বলেন, সাত বছর আগে উত্তরপ্রদেশের হাল বাংলার মতোই ছিল। আমি আসার পর সব ঠিক করে দিয়েছি। আর সেখানে রাম নবমীতে কোনও দাঙ্গা হয় না। কার্ফু লাগাতে হয় না। এখানে এসে শুনলাম রাম নবমীর দিন হামলা হয়েছিল।  আমার উত্তরপ্রদেশ হলে দাঙ্গাকারীদের উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, আগামী সাত প্রজন্ম দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না। উত্তরপ্রদেশে আমি আসার আগে মাফিয়া রাজ চলত। আজ সেগুলি অতীত, আমি আজ এখানে এসেছি এটাই বলতে বাংলার এই দাঙ্গা, যে বাংলা রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা, যে বাংলায় সম্প্রীতির বাংলা সেই বাংলায় কেন আজ এত দাঙ্গা, অবিলম্বে এই দাঙ্গা বন্ধ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    সোনার বাংলা হবে

    যোগী (Yogi Adityanath) আরও বলেন, এই বাংলার সন্তান স্বামী বিবেকানন্দ। তিনি বলেছিলেন, গর্ব করে বলো আমি হিন্দু। আর আজ সেই বাংলাকে  হিন্দু বিহীন করার চক্রান্ত চলছে। এই বাংলায় আজ কংগ্রেস, তৃণমূল নাটক শুরু করেছে। আর বাংলার বাইরে গিয়ে তারা এক হচ্ছে। এদেরকে চিনে রাখুন নাহলে সমূহ বিপদ। যদি উত্তরপ্রদেশের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করতে পারে, কেন এই বাংলায় মানুষের মধ্যে এত বিরোধ। বাংলাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি লুণ্ঠনকারীদের হাত থেকে আপনারা সবাই বাঁচান এবং মানুষ আজ যেভাবে উত্তরপ্রদেশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলছে, আমি কথা দিচ্ছি এই বাংলায় কোনও দাঙ্গা হবে না বাংলা আবার তার পুরনো সংস্কৃতি ফিরে পাবে। সোনার বাংলা হবে।

    কেন্দ্রের সব সুবিধা পায় উত্তরপ্রদেশ, বাংলা কেন বঞ্চিত?

    তিনি (Yogi Adityanath) আরও বলেন, এই বাংলা সংস্কৃতি এবং সভ্যতার এক নতুন দিশা দেখিয়েছিল। ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক নতুন আলো দেখাচ্ছিল। আজ সেই বাংলার কেন দিশাহীন  অবস্থা? যে বাংলায় মা দুর্গার পুজো হয়, সেই বাংলায় কী করে সন্দেশখালির মত ঘটনা ঘটে, সে প্রশ্ন আমি আজ বহরমপুর থেকে বাংলার সরকারের কাছে রাখছি। তিনি বলেন, কংগ্রেস এবং তৃণমূল এই দুজনেই এক থালায় খাওয়া লোক। এই দুই দল বাংলাকে লুটার জন্য, আর ভারতকে বদনামের জন্য এক। কেন্দ্রের সমস্ত পরিষেবা ইউপি সরকার পাচ্ছে বাংলায় তা পাঠানো সত্ত্বেও কেন বাংলার মানুষ আজ বঞ্চিত হচ্ছে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramkrishna Sarada Mission: প্রয়াত হলেন সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ-সারদা মিশনের অধ্যক্ষা আনন্দপ্রাণা মাতাজি

    Ramkrishna Sarada Mission: প্রয়াত হলেন সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ-সারদা মিশনের অধ্যক্ষা আনন্দপ্রাণা মাতাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন সারদা মঠ এবং রামকৃষ্ণ-সারদা মিশনের অধ্যক্ষা (Ramkrishna Sarada Mission) সন্ন্যাসিনী আনন্দপ্রাণা মাতাজি। প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরেই বার্ধক্য জনিত নানান রকম সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫৪ মিনিট নাগাদ সারদা মাঠে সদর দফতরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আনন্দপ্রাণা মাতাজি (Pravrajika Anandaprana)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। মিশন সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টে নাগাদ থেকে আনন্দপ্রাণা মাতাজির দেহ দক্ষিণেশ্বরের সারদা মঠের প্রধান কার্যালয়ে রাখা থাকবে। সেখানেই ভক্তরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। সন্ধ্যা সাড়ে ছটার পরে তাঁর পার্থিব শরীরের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে।

    সংক্ষিপ্ত জীবনী

    প্রসঙ্গত, সারদা মঠের পঞ্চম সভাপতি (Ramkrishna Sarada Mission) ছিলেন আনন্দপ্রাণা মাতাজি। ১৯২৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এই সন্ন্যাসিনী। ছোট থেকেই তিনি আধ্যাত্মিক মার্গে আকৃষ্ট ছিলেন বলে জানা যায়। এরপরই তাঁর যোগাযোগ গড়ে ওঠে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সঙ্গে। বেলুড় মঠের সপ্তম সভাপতি স্বামী শঙ্করানন্দ মহারাজের কাছ থেকে তিনি দীক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৫৭ সালে আনন্দপ্রাণা মাতাজি (Pravrajika Anandaprana) বাগবাজার নিবেদিতা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। তারপরে তিনি যুক্ত হন সারদা মঠের সঙ্গে। দু বছর আগে (Ramkrishna Sarada Mission) ২০২২ সালে সারদা মঠের চতুর্থ সভাপতি ভক্তিপ্রাণা মাতাজির জীবনাবসান হয়। এরপর ২০২৩ সালের ১৪ জানুয়ারি সভাপতি পদে আসীন হন আনন্দপ্রাণা মাতাজি। সভাপতি হওয়ার আগে তিনি সারদা মঠের সহ-সভাপতি পদের দায়িত্বও সামলেছেন। সারা জীবন সমাজ এবং মানবকল্যাণের জন্য নানারকম কাজে যুক্ত থেকেছেন তিনি।

    অগণিত ভক্ত অভিভাবকহীন হয়ে পড়লেন 

    সারদা মাঠের পরবর্তী সভাপতি কে হবেন তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে আনন্দপ্রাণা মাতাজির (Pravrajika Anandaprana) প্রয়াণের ফলে অগণিত ভক্ত অভিভাবকহীন হয়ে পড়লেন। সমাজমাধ্যমের পাতায় শোক প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে তাঁর শিষ্যদের। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সম্প্রতি রামকৃষ্ণ মঠ মিশনের সভাপতি স্বামী স্মরণানন্দজি মহারাজ প্রয়াত হন। তাঁর জায়গায় বর্তমানে সভাপতি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন গৌতমানন্দজি মহারাজ। ঠিক এই আবহেই সারদা মঠের অধ্যক্ষা আনন্দপ্রাণা মাতাজির প্রয়াণ ঘটল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হুগলির ভোটপ্রচারে টাটাকে এরাজ্যে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হুগলির ভোটপ্রচারে টাটাকে এরাজ্যে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Vote 2024) আবহের মধ্যেই বিরাট আশ্বাস বিরোধী দলনেতার। সরকার বদলের ডাক দিয়ে আগামী দিনে ফের টাটাকে (TATA) এ রাজ্যে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    ঠিক কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    সোমবার সন্ধ্যেয় হুগলির (Hooghly) ধনিয়াখালিতে লোকসভা ভোটের প্রচারে (Election campaign) একটি সভা করেন তিনি। সেই সভামঞ্চ থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “লোকসভা ভোটে বাংলা থেকে ৩৫টি আসন বিজেপি জিতলে, ২০২৬ সাল পর্যন্ত যেতে হবে না। কয়েক মাসের মধ্যেই সরকার বদলে যাবে। আমরা এমন এক সরকার উপহার দেব, যে সরকার টাটাকে ফিরিয়ে আনবে।”

    ২০০৮ সালে কারখানা নির্মাণের কাজ স্থগিত হয়

    প্রসঙ্গত, সিঙ্গুরে ন্যানো প্রকল্পের (Singur Nano Plant) জন্য ৯৯৭ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল তৎকালীন বাম সরকার। তার মধ্যে প্রায় ৪০০ একর জমির দাতা ছিলেন অনিচ্ছুক। যা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। এরপর ২০০৬ সালে ২৫ মে থেকে ৯৯৭ একর কৃষিজমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। পরবর্তীকালে ২০০৮ সালে সিঙ্গুরে কারখানা নির্মাণের কাজ স্থগিত করে টাটা মোটরস। তাই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এবার হুগলিতে সরব হয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বাংলায় ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে সরকার বদলের ক্ষেত্রে অনুঘটকের মতো কাজ করেছিল সিঙ্গুর আন্দোলন। সিঙ্গুরের আমজনতাও টাটা গোষ্ঠী চলে যাওয়া নিয়ে দ্বিধা বিভক্ত। এসবের মধ্যেই এবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা প্রতিশ্রুতি দিলেন, বাংলায় বিজেপির (BJP Government) সরকার ক্ষমতায় এলে আবার টাটাকে এ রাজ্যে ফিরিয়ে আনবেন।

    আরও পড়ুনঃ “লাঠি, ইট দিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল”, বললেন প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

    হুগলি লোকসভা আসনে লকেট বনাম রচনা

    প্রসঙ্গত, এবার হুগলি লোকসভা আসনে (Hooghly Lok Sabha Seat) তারকাদের লড়াই। একদিকে বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায় অন্যদিকে তৃণমূলের রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও এর আগে ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে, হুগলি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের সাক্ষী হয়েছিল। সেবার এই আসনে বিজেপি প্রার্থী লকেট চ্যাটার্জি (Locket Chatterjee) ৭৩,৩৬২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। এবার এবারে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রচনা। তাই লড়াইয়ের ময়দানে জয়ী হতে ভোট প্রচারে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর সিঙ্গুরের মাটিতে টাটা ফিরবে কিনা সে জবাব ৪ জুন ভোটের ফল প্রকাশেই মিলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে জমি লুট করত শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মীজানুর”, বললেন সন্দেশখালির জমিহারারা

    Sandeshkhali: “আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে জমি লুট করত শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মীজানুর”, বললেন সন্দেশখালির জমিহারারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে জমি দখল করত শাহজাহান বাহিনী। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের পর এবার মুখ খুলছেন জমি হারারা। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ উত্তম, শিবু হাজরার পর এবার মীজানুর মোল্লা তান্ডব চালানোর  কথা বললন সন্দেশখালির বঞ্চিতরা। সিবিআই-এর কাজে ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন জমিহারারা।

    জমি লুট করত মীজানুর, তার ওপরে শাহজাহান (Sandeshkhali)

    ২৬ এপ্রিল সরবেড়িয়ায় (Sandeshkhali) শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেব মোল্লার বাড়ির মাটি খুঁড়ে কার্যত অস্ত্র ভান্ডারের হদিশ পেয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। নেমেছিল এনএসজি কমান্ডো। উদ্ধার হয় একাধিক দেশি-বিদেশি অস্ত্র, বোমা। এই আবহের মধ্যেই আবার সিবিআই-এর কাছে অভিযোগ করলেন জমিহারারা। জমিহারাদের বক্তব্য, এই সব অস্ত্রের জোরেই দশ বছর আগে জমি দখল করেছিল শাহজাহানের সঙ্গী মীজানুররা। আনসার মোল্লা নামে এক জমিহারা বলেন, “ওদের অনেক দাপট। সব সময় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরে। কখন কোন সময় গুলি করে দেবে ঠিক নেই। কার কাছে কত আগ্নেয়াস্ত্র আছে হিসাব পাবে না। কোমরে গোঁজা থাকত মেশিন। মেশিন দেখিয়ে ওরা জমি দখল করত। অন্য এক জমিহারা বলেন, প্রশাসনকে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হলে আমাদের বলা হয়েছিল শেখ শাহজাহানকে জানাও। ওইখানে গেলে সব সমস্যা মিটে যাবে। আর শাহজাহানকে বললে বলত, ওই জমির কাগজ নেই, ওই জমি তোমাদের নয়। মীজানুরকে দায়িত্ব দেওয়া রয়েছে। ও যেটা করবে সেইটাই। জমির ধারে যাবে না। জমি লুট করত এখানে মীজানুর। আর তার ওপরে শেখ শাহজাহান। দিনের পর দিন জমি দখল হয়েছে। মানুষ বলতে গিয়ে মার খেয়েছে।

    আরও পড়ুন: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    কে এই মীজানুর মোল্লা?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) আগারহাটি পঞ্চায়েতের একসময় সদস্য ছিলেন মীজানুর মোল্লা। এদের মতো আরও অনেক মীজানুর প্রতিটি অঞ্চলে রয়েছে। বেড়মজুরে যদি শেখ শাহজাহানের ভাই শেখ সিরাজুদ্দিন হয়, সরবেড়িয়া অঞ্চলে জিয়াউদ্দিন মোল্লা, মীজানুর মোল্লারা হলেন শাহজাহানের জমি দখলের অন্যতম সাগরেদ। অভিযুক্ত মীজানুর বললেন, “আমরা কোনও দিন অস্ত্র চোখেই দেখিনি। এখন টিভিতে দেখছি। আর আমরা জমি লুট করার মতো লোক নই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: “লাঠি, ইট দিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল”, বললেন  প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

    Basirhat: “লাঠি, ইট দিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল”, বললেন প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাটের (Basirhat) বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাটের মাটিয়া থানার খড়িডাঙা এলাকায়। দলীয় প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার ছিলেন। তিনিও আক্রান্ত হন। পরে, ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, গোলমালের কারণে বিজেপি প্রার্থীর প্রচার বানচাল হয়ে যায়। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়িডাঙ্গা গ্রামের তৃণমূলের প্রধান সমীর বাছার, তাঁর ভাই মৃণাল বাছার ও সিভিক ভলান্টিয়ার বাবলু বাছার আক্রমণ চালায়। বিজেপি প্রার্থী রেখার উপর লাঠি নিয়ে হামলা করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Basirhat)

    সোমবার বসিরহাট (Basirhat) ২ নম্বর ব্লকের খড়িডাঙ্গায় বিজেপি প্রার্থী রেখার দেওয়াল লিখনে কালি দেওয়ার অভিযোগকে ঘিরে গন্ডগোল শুরু হয় এলাকায়। বিজেপি কর্মীরা প্রতিবাদ করলে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। তৃণমূলের হামলায় কালীদাস বাছার নামে এক বিজেপি কর্মী জখম হন। আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে বসিরহাট মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের পাশাপাশি, সেখানে কালীদাসকে দেখতে গিয়েছিলেন রেখাও। নতুন করে গোলমালের সূত্রপাত মঙ্গলবার সকালে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা নাগাদ রেখা পাত্র খড়িডাঙায় ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রচার করতে যান। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার। আর নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন। কিন্তু, সকালে গ্রামে বিজেপি প্রার্থীকে দেখে তৃণমূলের লোকজন মহিলাদের সামনে এগিয়ে দিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। রেখা পাত্র কথা বলতে গেলে তৃণমূলের মহিলা বাহিনী হামলা চালায়। অর্চনা মজুমদারও আক্রান্ত হন। গাড়ি করে বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় গাছের গুঁড়ি ফেলে পথ আটকানো হয়। লাঠি, ইট দিয়ে গাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের লোকজন।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    বিজেপি (Basirhat) প্রার্থী রেখা পাত্র বলেন, বিক্ষোভকারীরা সকলেই তৃণমূলের লোক। বিক্ষোভ দেখানো নয়, আমার প্রচার ভন্ডুল করাই তাঁদের উদ্দেশ্য। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তরজায় জড়িয়ে পড়েন আমাদের দলের কর্মী-সমর্থকেরা। তর্কাতর্কি গড়ায় হাতাহাতিতে। এরপরই পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূলের লোকজন। লাঠি, ইট দিয়ে তৃণমূল হামলা চালায়।

    নিরাপত্তা বাড়ল রেখা পাত্রের

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রেখা পাত্রের ওপর হামলার আগেই তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁকে এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই তাঁর নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে বাড়তে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: গরমে ৪৪ বছরের রেকর্ড ভাঙল কলকাতা! চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায় বাংলা

    Weather Update: গরমে ৪৪ বছরের রেকর্ড ভাঙল কলকাতা! চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায় বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দহনজ্বালায় জ্বলছে বাংলা। আজও রক্ষা নেই বঙ্গবাসীর। সোমবারই ৪৪ বছরের রেকর্ড ভেঙে এক লাফে কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update) পৌঁছেছিল ৪১.৭ ডিগ্রিতে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে। আজও রেহাই নেই। বরং আজ মঙ্গলবার তাপপ্রবাহের মাত্রা আরও চড়বে বলেই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। কলকাতাতে আজ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির কাছে যেতে পারে।

    রেকর্ড গরম কলকাতায়

    ইতিমধ্যেই নিয়মিত ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে থেকেছে কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। আবহবিদরা বলছেন, ১০০ বছরে এমন টানা তাপপ্রবাহ কলকাতা দেখেনি। ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে। টানা চলছে! কলকাতায় ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড তৈরি হয়েছে এপ্রিল মাসে। ১৯৮০ সালের ২৫ এপ্রিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল বেলা আড়াইটার সময় সেই তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৫৪ সালের ২৫ এপ্রিল কলকাতায় ৪৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পারদ উঠেছিল। এখনও পর্যন্ত সেটাই সর্বকালীন রেকর্ড। আজ, মঙ্গলবারও কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বেলা ৩টের পর পারদ উঠতে পারে ৪২ ডিগ্রির ঘরে। দমদমে একটানা ৪২ ডিগ্রি যাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    চাতক পাখির মতো বৃষ্টি বৃষ্টি করলেও আবহাওয়া দফতর (Weather Update) বলছে, দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আরও পাঁচ দিন চলবে তাপপ্রবাহ। অতি তীব্র তাপপ্রবাহের চরম সতর্কবার্তা দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলায়। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও বাঁকুড়া এই আট জেলায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ। উত্তর ২৪ পরগনা-তেও চরম তাপপ্রবাহ। বেশিরভাগ জেলায় ‘লু’ বইবে। আজও বেলা বাড়লেই গরম হাওয়ার দাপটে নাস্তানাবুদ হতে হবে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি যেভাবে এগোচ্ছে, এপ্রিলেই ৪৫ পার, তাতে আগামী দিনগুলোয় কোথায় গিয়ে থামবে, তা অনুমান করাও দুরূহ হয়ে যাচ্ছে।

    ৩০.০৪.২৪ থেকে ০১.০৫.২৪ (লাল সতর্কতা): তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি বাঁকুড়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে।

    ৩০.০৪.২৪ থেকে ০১.০৫.২৪ (কমলা সতর্কতা):  দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও তাপপ্রবাহের সতর্কতা রয়েছে।

    ০২.০৫.২৪ (লাল সতর্কতা): বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে জারি করা হয়েছে তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা।

    ০২.০৫.২৪ (কমলা সতর্কতা): বাকি সব জেলাতে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থাকবে।

    ০৩.০৫.২৪ (কমলা সতর্কতা): তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমানে। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি বজায় থাকবে।

    কবে থেকে বৃষ্টি

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার ৩ মে অবধি তাপপ্রবাহ চলবে। ৪ মে বৃষ্টি হলেও হতে পারে। ৪-৫ তারিখ নাগাদ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যে। রবিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায়। কারণ, বঙ্গোপসাগরে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়বে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭০-৮০ শতাংশের কাছাকাছি হলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nadia: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    Nadia: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপ। হামলার জেরে তিনজন বিজেপি কর্মী জখম হন। তাঁদের কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। ভোটের মুখে এই হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তাপস দেবনাথ পঞ্চায়েত নির্বাচনে নদিয়া (Nadia) জেলা পরিষদের ২৬ নম্বর আসনে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন। বর্তমানে তিন নম্বর মণ্ডলের সভাপতি। তাপস দেবনাথ সহ তিনজন বিজেপি কর্মী নদিয়ার স্বরুপগঞ্জ ঘাটে গঙ্গায় স্নান করতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, হঠাৎই তাদের ওপর তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী চড়াও হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী তাপস দেবনাথ বলেন, “লোহার রড, শাবল দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। ঘটনাস্থলে আমরা তিনজন জখম হয়ে পড়ি। এরপর দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।” ঘটনাস্থল থেকে বিজেপি কর্মীদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় নবদ্বীপ হাসপাতালে। সেখানে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকেরা কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। এই ঘটনায় সোমবার রাতে আহত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যান রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। অন্যদিকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধরের ঘটনায় সোমবার রাতে নবদ্বীপের স্বরুপগঞ্জ ঘাট সংলগ্ন এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। দফায় দফাই চলে বিক্ষোভ। যদিও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নবদ্বীপ।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    শুরু রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, “পরিকল্পিতভাবে বিজেপি কর্মী তাপস দেবনাথ সহ আরও তিন জন বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যেভাবে মারধর করা হয়েছে সেখানে পরিষ্কার তাদের প্রাণে মেরে ফেলার পরিকল্পনা ছিল। জেলা হাসপাতালে বিজেপি কর্মীরা যন্ত্রণায় কাতড়ালেও চিকিৎসকেররা সঠিকভাবে চিকিৎসা করছে না, প্রশাসন নির্বিকার।”এ বিষয়ে জেলা তৃণমূল নেতা সনৎ চক্রবর্তী বলেন, “এই ঘটনায় তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপি বুঝতে পেরেছে এবারে তাদের হার নিশ্চিত। তাই তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করার জন্য এইসব কর্মকাণ্ড করছে বিজেপি। বিজেপি যত এই নোংরামো করবে ততই মানুষ তাদের কাছ থেকে সরে আসবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    Weather Update: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিনই বাড়ছে গরম (Weather Update)। স্বস্তির কোনও চিহ্ন নেই। ঝলসে যাচ্ছে গাছের পাতা। ছাদে গাছ থাকলে তার করুণ দশা, সকালবেলা বাইরে বেরোলে রোদে পুড়ে যাচ্ছে চামড়া। সকাল ৮টাতেও যেন বাঘের মতো রোদ। সোমবার রাজ্যের ১১টি এলাকায় তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছে। ওই তালিকায় রয়েছে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকা। দার্জিলিঙেও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে অনেকটাই। চালাতে হচ্ছে পাখা।

    রাজ্যের মধ্যে কোথায় কত তাপমাত্রা

    সোমবার রাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি গরমের সাক্ষী থেকেছে কলাইকুন্ডা। সেখানে দিনের তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৪৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। তার পরেই রয়েছে মেদিনীপুর। সেখানে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বাঁকুড়া, সিউড়ির তাপমাত্রাও ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। পুরুলিয়ায় ত্রাহি ত্রাহি রব। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত লু-এর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    কোথায় তাপপ্রবাহ

    দক্ষিণবঙ্গের উলুবেড়িয়া, ডায়মন্ড হারবার, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, ক্যানিং, কলাইকুন্ডা, পানাগড়, আসানসোল, ব্যারাকপুর, সিউড়িতে চলেছে তীব্র তাপপ্রবাহ। কাঁথি, দিঘা, হলদিয়া, বসিরহাট ছাড়া সব জায়গাতেই সোমবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। বসিরহাটে তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে মাত্র ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। দিঘায় তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৩৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। কাঁথিতে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হলদিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ৩৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

    আরও পড়ুন: অক্ষয় তৃতীয়ায় কেনা ধনসম্পদের ক্ষয় হয় না, জানেন এই বিশেষ দিনের গুরুত্ব?

    কলকাতার তাপমাত্রা

    কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এর আগে ১৯৮০ সালে কলকাতায় এপ্রিলের তাপমাত্রার পারদ এতটা উঠেছিল। উত্তরবঙ্গের মালদহেও সোমবার চলেছে তীব্র তাপপ্রবাহ। সেখানে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বালুরঘাটেও দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। দার্জিলিঙে দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। পাহাড়ের রানিও এখন উত্তপ্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share