Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • BJP MLA’s Car Attacked: ‘পুড়িয়ে মারার চেষ্টা’! বিজেপি বিধায়কের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা, আক্রান্ত পরিবার

    BJP MLA’s Car Attacked: ‘পুড়িয়ে মারার চেষ্টা’! বিজেপি বিধায়কের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা, আক্রান্ত পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বিজেপি বিধায়কের (BJP MLA’s Car Attacked) পরিবারের উপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর। পুড়িয়ে মারার চেষ্টার বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বনগাঁ উত্তর বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার পরিবার এবং বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারে শাশুড়ির উপরে আক্রমণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার বেলডাঙায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    কী ঘটেছিল, জানালেন বিধায়ক

    বিধায়ক অশোক কির্তনীয়ার দাবি, তাঁর পরিবারকে পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করা হয়েছিল। অভিযোগ, যে গাড়িতে করে বিধায়কের পরিবার ভ্রমণ করছিল, তাতে ভাঙচুর চালানো হয়। কয়েক মাস আগে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর ওপরেও হামলার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আর এবার হামলার শিকার হল বিজেপি বিধায়কের পরিবার। জানা গিয়েছে, গোপালনগরের বেলডাঙায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার পরিবার এবং বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক স্বপন মজুমদারের শাশুড়ি। সেই অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথেই বিধায়কের পরিবারের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর চালানো হয় গাড়িতে। অশোক কীর্তনিয়া বলেন, “আমার স্ত্রী একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত তৃণমূলের গুন্ডারা আমার স্ত্রীকে গাড়ির ভেতরে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করেছিল। তারা পুরো গাড়িটিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সঠিক বিচার না হলে বনগাঁর স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হবে।

    শুভেন্দুর দাবি, পরিকল্পিত আক্রমণ

    এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে দলের স্থানীয় নেতা। গোপালনগর ব্লক ১ তৃণমূলের সভাপতি তাপস পাল দাবি করেন, এসআইআর আতঙ্কে এলাকার একজন আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সম্প্রতি। এই নিয়ে বিধায়কের গাড়ি দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। তবে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এরপরই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “অশোক কীর্তনীয়ার গাড়ি বলে আক্রমণ করা হয়েছে। বিধায়কের দুটি একই রকমের গাড়ি ছিল। অশোক কীর্তনিয়া গাড়িতে আছেন ভেবেই পরিকল্পনা করে হামলা করা হয়। গাড়িতে স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যরা ছিলেন, মূলত মহিলারা ছিলেন। প্রকাশ্যে লোক দেখেছে কারা হামলা চালিয়েছে। তিনটি মুসলিম ছেলে ছিল, দুটি হিন্দু ছেলে। প্রত্যেকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতি।” রাজ্যে বিধানসভা ভোট আসন্ন। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই তৃণমূলের এই কৌশল বলে মনে করেন শুভেন্দু।

  • West Bengal Govt: চিংড়িঘাটায় কাটছে না মেট্রোজট, এবার সুপ্রিম দুয়ারে রাজ্য সরকার

    West Bengal Govt: চিংড়িঘাটায় কাটছে না মেট্রোজট, এবার সুপ্রিম দুয়ারে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিংড়িঘাটায় কাটছে না মেট্রোজট! রাজ্য সরকারের (West Bengal Govt) বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন মেট্রো কর্তৃপক্ষ (Metro Work)। বকেয়া কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তার পরেই হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই মামলার শুনানি হতে পারে আগামী সপ্তাহে।

    চিংড়িঘাটায় মেট্রোজট (West Bengal Govt)

    অনেক দিন ধরেই থমকে রয়েছে চিংড়িঘাটা মোড়ে মেট্রোর কাজ। তার জেরে নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত আটকে রয়েছে লাইন পাতার কাজ। কাজ অসম্পূর্ণ মাত্র ৩১৬ বর্গমিটার অংশের। এই অংশটাই পড়ে চিংড়িঘাটা মোড়ে। অভিযোগ, এই অংশে কাজের জন্য বাইপাসে বন্ধ রাখতে হবে যান চলাচল। রাজ্য সরকার তাতে অনুমতি না দেওয়ায় কাজ আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ মেট্রো কর্তৃপক্ষের। এর জেরেই হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। শুনানি চলাকালীন আদালত এনওসি দেওয়ার নির্দেশ দেয় রাজ্য সরকার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার, জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ (ট্রাফিক) এবং ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশকে (ট্রাফিক)। হাইকোর্টের নির্দেশ, যান চলাচল অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য এনওসি দিতে হবে, যাতে অরেঞ্জ লাইনে মেট্রো প্রকল্পের কাজ করা যায় (West Bengal Govt)।

    আদালতের নির্দেশে বৈঠক

    আদালতের নির্দেশ মেনে গত ৯ সেপ্টেম্বর পার্কস্ট্রিটের মেট্রো রেল ভবনে সবপক্ষকে বসে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা হয়।এই বৈঠকেই স্থির হয়, উৎসবের মরশুম শেষে গত বছর নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সপ্তাহান্তে পিলার বসার কাজ হবে। নির্মাণকারী সংস্থা জানায়, গত বছর নভেম্বরে কাজ শুরু করা গেলে ৯ মাসের মধ্যে ওই লাইনের কাজ সম্পন্ন হবে (Metro Work)। যদিও পরে তারা জানায়, প্রয়োজনীয় এনওসি মেলেনি। তার পরেই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করে আরভিএনএল। আদালত ফের একবার বৈঠকে বসে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে বলে। গত ২৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজ্য ও ট্রাফিক পুলিশকে পর পর দুটি সপ্তাহান্তের রাতের ট্রাফিক ব্লকের তারিখ চূড়ান্ত করতে হবে। তা কবে করা হবে ৬ জানুয়ারির মধ্যে সেটা রাজ্য জানাবে আরভিএনএল এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের বেঞ্চ জানায়, আদালতের (West Bengal Govt) প্রত্যাশা সব কর্তৃপক্ষ সমন্বয় রেখে কাজ করবে, যাতে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। যদিও তার পরেও কাজ থমকে রয়েছে সেই চিংড়িঘাটায়ই। এবার রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ায় বিষয়টি ফের পিছিয়ে গেল বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    প্রসঙ্গত, চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ থমকে থাকা প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছিলেন, “রাজ্য সরকার চিংড়িঘাটার মেট্রোর কাজে সহযোগিতা করছে না বলে কাজ থমকে রয়েছে। দেড় বছরেরও বেশি সময় হয়ে (Metro Work) গিয়েছে যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না (West Bengal Govt)।”

     

  • RSS: রাজ্যে রাজ্যে চলছে সংঘের হিন্দু সম্মলেন, শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য হিন্দু সমাজের একত্রীকরণ

    RSS: রাজ্যে রাজ্যে চলছে সংঘের হিন্দু সম্মলেন, শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য হিন্দু সমাজের একত্রীকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) শতাব্দী বর্ষ উপলক্ষে সমগ্র ভারতজুড়ে ৮০,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। আরএসএস-এর আদর্শের মতোই এই অনুষ্ঠানগুলোর আয়োজনও অনন্য এবং অনুকরণীয়। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যখন আমরা এই হিন্দু সম্মেলনের (Hindu Sammelan) খবর শুনি, তখন আমাদের তাৎপর্য, ভবিষ্যতের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। আসুন দেখে নিই একনজরে হিন্দু সম্মলেনের উদ্দেশ্য কী?

    পিছিয়ে থাকা মানুষের সঙ্গে সংযোগ (RSS)

    একশ বছর আগে সংঘের (RSS) যাত্রা শুরু হয়েছিল সমগ্র হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে। ঔপনিবেশিক শাসনামলে আত্মবিস্মৃতি ও হতাশায় নিমজ্জিত ছিল তখন গোটা ভারতবর্ষ। গত একশ বছরে আরএসএস ভারতজুড়ে প্রশিক্ষিত স্বয়ংসেবকদের একটি বিশাল ভিত্তিভূমি তৈরি হয়ে গিয়েছে। যাদের কাছে এখনও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, সংঘ এখন ব্যক্তিগত এবং গণযোগাযোগের মাধ্যমে সমাজের সেই সব মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। বর্তমান হিন্দু সম্মেলনগুলো (Hindu Sammelan)  সেই গণসংযোগেরই একটি অংশ। সমগ্র হিন্দু সমাজকে একত্রিত করাই প্রধান লক্ষ্য।

    ৮০,০০০-এরও বেশি স্থানে সম্মলেন

    হিন্দু সামাজের (RSS) যখন সমাজকে জাতিভেদ, ভাষা বা আঞ্চলিক ভিত্তিতে বিভক্ত করার চেষ্টা চলছে, তখন বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ৮০,০০০-এরও বেশি স্থানে ‘হিন্দু’ হিসেবে একত্রিত হচ্ছে—যা সমাজ পরিবর্তনের পথ প্রদর্শনের একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এই সম্মেলনগুলোতে (Hindu Sammelan) স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সন্ত, বুদ্ধিজীবী এবং সাধারণ নাগরিকরা অংশগ্রহণ করছেন। অনুষ্ঠানগুলো শুরু হয় শোভাযাত্রার মাধ্যমে এবং শেষ হয় সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা, প্রীতিভোজের মধ্য দিয়ে। এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে যৌথ আত্মবিশ্বাস ও শক্তি বৃদ্ধি করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ‘হিন্দু’ মানে অস্তিত্বের একতা

    কেবল একত্রিত হওয়াই যথেষ্ট নয়, একসঙ্গে চিন্তা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কারা? বাহ্যিক বিভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও কোন সাধারণ যোগসূত্রগুলো আমাদের একটি রাষ্ট্র হিসেবে ঐক্যবদ্ধ করে? ‘হিন্দু’ মানে অস্তিত্বের একতাকে দেখায়। বৈচিত্র্য হল সেই একই শক্তি বা দৈব সত্তার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। ‘ভিন্ন ভিন্ন পথ একই গন্তব্যে নিয়ে যায়’—এই ধারণাটি সমস্ত ভারতীয় সম্প্রদায়ের (Hindu Sammelan) কাছে সাধারণ। তাই অন্তর্নিহিত ঐক্য উপলব্ধি করার পাশাপাশি বৈচিত্র্যগুলিকে সমন্বয় করা উচিত। এই মৌলিক ‘দর্শন’ বা দার্শনিক অভিজ্ঞতাই আমাদের হিন্দু করে তুলেছে।

    বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এই মৌলিক চিন্তা পবিত্র ভারতভূমিতে অনুভূত হচ্ছে। আমরা দেশকে মাতৃভূমি হিসেবে পূজা করি। এটিই আমাদের ভ্রাতৃত্বের এক দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে। যেহেতু আমরা একটি সাধারণ বিশ্বদর্শন এবং একটি সাধারণ মাতৃভূমি ভাগ করে নিই, তাই আমাদের পূর্বপুরুষ এবং জীবনদর্শনের (RSS) প্রতি একটি জাতীয় চেতনা রয়েছে।

    স্থানীয়-বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জগুলিকে গ্রহণ করতে হবে

    ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত অস্থিরতার মাঝে স্থানীয় এবং বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীনও প্রতিনিয়ত হতে হচ্ছে। আমাদের এগুলো একসঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। হিন্দু হিসেবে এই সমস্যাগুলো (Hindu Sammelan) নিয়ে চিন্তা করা হিন্দু সম্মেলনগুলোর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। যে কোনও সাফল্যের জন্য একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত অপরিহার্য। একত্রিত হওয়া এবং একসাথে চিন্তা করার পর, আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে সাধারণ মূল্যবোধ এবং লক্ষ্যগুলোকে স্থির করতে হবে।

    ‘পঞ্চ-পরিবর্তন’-এর কর্মসূচি—সামাজিক সম্প্রীতি, পারিবারিক মূল্যবোধ, পরিবেশবান্ধব জীবনধারা, স্বাতন্ত্র্যবোধ এবং জাতীয় কর্তব্য প্রচার—হলো ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা যা আমাদের সেই ‘রাষ্ট্র’ (RSS) হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম করবে যা স্বামী বিবেকানন্দ কল্পনা করেছিলেন।

    বর্ণাঢ্য কলশ শোভাযাত্রা

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) যখন তার শতবর্ষ পূর্ণ করছে। শতবর্ষ যাত্রা সাংগঠনিক ভাবে মাইলফলক। ‘হিন্দু সম্মেলন’ বা সামাজিক উৎসবের মাধ্যমে অভিন্ন সভ্যতাগত পরিচয়-দায়িত্ববোধের একটি যৌথ চেতনাকে জাগ্রত ও সমন্বয় করার কাজ করছে আরএসএস।  সনাতন হিন্দু সম্মেলনের সূচনা উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় খাগড়ার বেলদৌর ব্লকের ফুলওয়ারিয়া গ্রামে একটি বর্ণাঢ্য কলশ শোভাযাত্রার (Hindu Sammelan) আয়োজন করা হয়েছিল। এই আনুষ্ঠানিক শোভাযাত্রার মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামবাসীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।

    ১৫১ জন কুমারী মেয়ে অংশগ্রহণ

    গত রবিবার আয়োজিত এই কলশ শোভাযাত্রায় ১৫১ জন কুমারী মেয়ে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি গ্রামের শিব মন্দির থেকে শুরু হয়ে  বিভিন্ন গলি ও এলাকা প্রদক্ষিণ করে শ্রীকৃষ্ণ মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা সমাপ্ত হওয়ার পর একটি সম্মিলিত ভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে অংশগ্রহণকারী মেয়েদের প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

    সংঘের আয়োজক কমিটির (RSS) সভাপতি সুবোধ কুমার বলেন, সনাতন হিন্দু সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় এই কলশ শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। পুরো শোভাযাত্রা চলাকালীন গ্রামজুড়ে “জয় শ্রী রাম” ধ্বনি প্রতিধ্বনি হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, হিন্দু সমাজের মধ্যে ঐক্য অপরিহার্য, কারণ সংহতির অভাব বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করতে পারে।”

    কুমারী মেয়েদের ভোজনের অংশ হিসেবে ক্ষীর পরিবেশনের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ঋষভ কুমার, কোষাধ্যক্ষ পবন কুমার হিটলার, অজয় কুমার শর্মা, ঘনশ্যাম কুমার, রঞ্জিত কুমার, পূরণ মণ্ডল, রাজেশ কুমার সহ আরও অনেক গ্রামবাসী ও সমাজকর্মী উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানটিকে (Hindu Sammelan) সফল করতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন এলাকার গোটা হিন্দু সমাজ।

  • Beldanga Case: বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল মমতার সরকার

    Beldanga Case: বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল মমতার সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা হিংসা মামলায় (Beldanga Case) সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। ওই হিংসার ঘটনার তদন্ত করবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ, সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। বেলডাঙার ওই হিংসার ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট বলে দিয়েছিল, রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে এই অশান্তির মোকাবিলা করবে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার যদি মনে করে, তাহলে এনআইএ তদন্তও হতে পারে। হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। দেশের শীর্ষ আদালতে রাজ্য সরকারের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার নিষ্পত্তি করে। অর্থাৎ, কলকাতা হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তাতে আর হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। এর পাশাপাশি হাইকোর্টেই রাজ্যের মামলাটি পাঠানো হয়েছে। তবে ইউএপিএর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হবে কিনা, সেই গোটা বিষয়টি হাইকোর্ট দেখবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলেছিলেন শুভেন্দু (Beldanga Case)

    প্রসঙ্গত, বেলডাঙার (Beldanga Case) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরে হাইকোর্টে মামলা গেলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্র যদি এনআইএ তদন্তের প্রয়োজন মনে করে, তাহলে সম্পূর্ণরূপে তাদের স্বাধীনতা থাকবে। হাইকোর্টের রায় সুপ্রিম কোর্টেও বহাল রয়েছে শুনে শুভেন্দু বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারের আবেদন গ্রাহ্যই করেনি। এর ভিত্তিতে আবার ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। আমিই পিটিশনার ছিলাম। রাজ্যের আবেদনে সুপ্রিম কোর্ট কোনও গুরুত্বই দেয়নি।”

    উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা

    ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিক খুনের অভিযোগে জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ। অভিযোগ, ওই শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে দেহ জেলায় ফিরতেই উত্তেজনা ছড়ায় বেলডাঙায়। টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করা হয় রাস্তা, রেল। শিয়ালদা-লালগোটা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় রেললাইনে বাঁশ ফেলে রেখেছিল বিক্ষোভকারীরা (Supreme Court)। বাঁশে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবিও দেখা যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে বচসায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয়রা। খবর জোগাড় করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরাও। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৩০ জনকে। ঘটনার তিনদিন পরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এলাকায় গিয়েছিলেন সাংসদ তৃণমূলের ইউসুফ পাঠান। উল্লেখ্য, বেলডাঙার অশান্তি প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “শুক্রবার জুম্মাবার…সংখ্যালঘুদের কাছে একটা সেন্টিমেন্ট রয়েছে। সেখানে শুক্রবার অনেকেই নমাজ আদায় করতে এসেছে। এখানে কেউ যদি রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ পূরণ করার জন্য উসকে দেয়।”

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বক্তব্য

    বুধবার শীর্ষ আদালতের শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, “প্রায় এক মাস আগেই এনআইএকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা ইতিপূর্বেই এফআইআর দায়ের করেছে (Beldanga Case)। এই মুহূর্তে ইউএপিএ ধারা প্রয়োগ করা উচিত কিনা, সে বিষয়ে আমরা কোনও মতামত দিচ্ছি না।” যদিও আদালতের নির্দেশ, এনআইএকে তদন্তের একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই রিপোর্টে জানাতে হবে বেলডাঙার ঘটনায় আদৌ ইউএপিএ প্রয়োগ করার মতো উপাদান মজুত রয়েছে কিনা। এদিন শুনানির সময় এনআইএ এবং কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, বেলডাঙা মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র রাজ্য প্রশাসন তাদের হাতে (Supreme Court) তুলে দিচ্ছে না। নথিপত্র হস্তান্তরের এই অসহযোগিতার বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়েছে (Beldanga Case)।

  • Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসআইআর (SIR) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান,” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করেছে। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে। তমলুক কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন (Suvendu Adhikari)

    কমিশনের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। সাংবিধানিক উপায়ে ভোটার তালিকা (SIR) সংশোধনে কোনও বাঁধাকে অমান্য করতে করতে পারবে না রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জমা দেওয়া তালিকায় বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে প্রকৃত গ্রুপ-বি কর্মীদের পরিবর্তে অন্যান্য স্তরের কর্মচারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু জায়গায় অবসর প্রাপ্ত পঞ্চায়েত স্তরের কর্মচারীদের নামও তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এই তথ্য আদালতে জমা দেওয়া হলে আদালত অবমাননার পর্যায়ে পড়তে হবে। দরকার হলে আইনি পদক্ষেপও গ্রহণ করা হবে।”

    “নির্বাচন কমিশন বিশেষ নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে ইআরও ও এআরও-দের আইন ও কমিশনের নির্দেশিকা মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপে প্রভাব পড়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নির্দেশিকা উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের নজর দারিতে আসবে সম্পূর্ণ বিষয়টি।”

    সুপ্রিম কোর্ট তৃণমূলের প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি

    তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বন্ধ করার উদ্দেশে বিভিন্ন স্তরে চাপ সৃষ্টি করা হলেও সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব পুনরায় নিশ্চিত করেছে। ভোটার তালিকায় ছোট খাটো ত্রুটি দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে শুনানি কেন্দ্রে আনিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। অবশ্য এর মূলকারণ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা, কিন্তু আদালতের নির্দেশে এই অপচেষ্টা সঠিক ভাবে সফল হয়নি।”

    স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপ নেই

    ভোটের আগে মমতা সরকার অন্তর্বর্তী বাজেট বরাদ্দ করেছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বাজেটের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, “চার মাসের এই অসম্পূর্ণ বাজেটে কর্মসংস্থান বা শূন্যপদের পূরণের কোনও সুস্পষ্ট বাজেট নেই। রাজ্যের বিপুল পরিমাণে শূন্যপদ থাকলেও নিয়োগ নিয়ে কোনও সম্পূর্ণ ইঙ্গিত নেই। কাজ না দিয়ে ১৫০০ করে ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এই রাজ্যে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কোনও ইঙ্গিত নেই। স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপও নেই।”

    রাজ্যের মমতা সরকার আগেও বেকার ভাতা বা যুবকল্যাণ প্রকল্পের অনেক যোজনাকে বাস্তবায়ন করতে পারেনি। ফলে নতুন করে ভোটের আগে ভাতার নামে প্রলোভন এবং যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করছে। সরকারের তরফে শূন্যপদ পূরণ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির কথা বলা হচ্ছে না। তবে বিজেপি বিরোধী দল হিসবে কর্মসংস্থান, নিয়োগ প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে আগামী দিনেও গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (SIR) সঠিক ভাবে কার্যকর হচ্ছে কিনা তাও নজরে রাখবে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

  • Bengal Assembly Polls: ১ মার্চ রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ, বাংলায় ভোট কবে?

    Bengal Assembly Polls: ১ মার্চ রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ, বাংলায় ভোট কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি, এমনই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তারপরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly elections 2026) দামামা বেজে যাবে। আগামী ১ মার্চ দু’দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসছে নির্বাচন কমিশন অব ইন্ডিয়া (ইসিআই)-র পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার (Bengal Assembly Polls) তালিকা প্রকাশের পরদিনই এই সফর অনুষ্ঠিত হবে। নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও), পশ্চিমবঙ্গ মনোজ কুমার আগরওয়ালের সঙ্গে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের বৈঠকে এই সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়।

    মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা

    সিইও দফতরের এক সূত্র জানিয়েছে, কলকাতায় পৌঁছে কমিশনের (Election Commission Of India) সদস্যরা সিইও-র পাশাপাশি অতিরিক্ত সিইও, যুগ্ম সিইও, ডেপুটি সিইও এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসআইআর-পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখাই হবে এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। এর পরপরই রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে বলে সূত্রের খবর। সিইও দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “নয়াদিল্লির বৈঠকে কমিশন ইঙ্গিত দিয়েছে যে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে।”

    কত দফায় ভোটগ্রহণ রাজ্যে

    বৈঠকে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কত দফায় ভোটগ্রহণ (Bengal Assembly Polls) হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সূত্রের খবর, সিইও একদফায় নির্বাচন করার পক্ষে জোর সওয়াল করেছেন এবং জানিয়েছেন যে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) মোতায়েন করা গেলে রাজ্য প্রশাসন একদফা ভোটের জন্য প্রস্তুত। যদিও কমিশন এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি, তবে তিন দফার বেশি ভোট হবে না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে শেষ একদফা বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ২০০১ সালে। এরপর লোকসভা ও বিধানসভা—উভয় ক্ষেত্রেই ছয় থেকে আট দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। সিইও দফতরের মতে, একদফা ভোটের ক্ষেত্রে যেমন কিছু সুবিধা রয়েছে, তেমনই রয়েছে চ্যালেঞ্জও। একদফা ভোট হলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সমর্থক জড়ো করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ কমতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলি তাদের সমর্থকদের এক পকেট থেকে অন্য পকেট পর্যন্ত একত্রিত করতে পারবে না এবং এর ফলে ভোটের দিন বা তার আগের দিন বহিরাগতদের একত্রিত করতে পারবে না। তবে একই দিনে গোটা রাজ্যে ভোট করতে গেলে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে। কমিশন সেই ব্যবস্থা করতে পারলে একদফা নির্বাচন বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলেই মত প্রশাসনিক সূত্রের।

  • HIV Alert in West Bengal: এক সপ্তাহে নতুন করে সংক্রমিত শতাধিক! রাজ্যে জোরালো থাবা এইচআইভি-র, কীভাবে বাড়ছে সংক্রমণ?

    HIV Alert in West Bengal: এক সপ্তাহে নতুন করে সংক্রমিত শতাধিক! রাজ্যে জোরালো থাবা এইচআইভি-র, কীভাবে বাড়ছে সংক্রমণ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্যে এইচআইভি সংক্রমণের জোরালো থাবা। পরিযায়ী শ্রমিক কিংবা ভিন রাজ্য থেকে আসা বাসিন্দাদের থেকে নয়। এই রাজ্যে বসবাসকারী প্রায় শতাধিক ব্যক্তির দেহে এই ভাইরাস নতুনভাবে সংক্রমণ হয়েছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক সপ্তাহে প্রায় ১০০-র বেশি মানুষ নতুন করে এইচআইভি সংক্রামিত হয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা প্রশাসনিক মহলের।

    কোন জেলায় উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এইচআইভি? কী বলছে স্বাস্থ্য দফতর?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানে এক যুবকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, তিনি এইচআইভি আক্রান্ত। তারপরে তাঁর সঙ্গে কথা বলে আরও একাধিক ব্যক্তির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপরে প্রায় ৯০ জনের দেহে এই ভাইরাস পাওয়া যায়। যারা বর্ধমানের বাসিন্দা। পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং হুগলিতেও নতুন করে এইচআইভি আক্রান্ত পাওয়া গিয়েছে। আক্রান্তের ৯৯ শতাংশ পুরুষ। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্তদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। অধিকাংশ আক্রান্ত সমকামী পুরুষ। তাই নতুন করে এইচআইভি আক্রান্তদের অধিকাংশই পুরুষ।

    কেন রাজ্যে হঠাৎ এইচআইভি সংক্রমণ উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ল?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের এক বছর তিরিশের যুবক বেশ কয়েক মাস ধরেই নানান শারীরিক অসুবিধায় ভুগছিলেন। তাঁকে পরীক্ষা করেই এইচআইভি সংক্রমণের বিষয়টি জানা যায়। তাঁর সূত্র ধরেই এরপর কয়েকশো মানুষের শারীরিক পরীক্ষা চলে। হঠাৎ করেই এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ অসচেতনতা। এমনটাই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সাম্প্রতিক ঘটনা থেকে জানা গিয়েছে, অধিকাংশ আক্রান্ত পরস্পরের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত। সেই পরিচয় থেকেই ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় সুরক্ষা বিধি না মেনেই তাঁদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের ফলেই এইচআইভি সংক্রমণ এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবিধি মেনে না চলা এবং একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে। তাই একসঙ্গে এত মানুষ নতুন করে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

    আক্রান্তদের জন্য কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই রোগ নিয়ে নানান সামাজিক ছুৎমার্গ আছে। তাই সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখেই এই রোগের চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু রোগীর এই রোগ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা জরুরি। সময় মতো ওষুধ নেওয়া প্রয়োজন। যাতে রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এইচআইভি ভাইরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি নষ্ট করে দেয়। এর ফলে আক্রান্ত একাধিক রোগে ভুগতে পারেন। এই ভাইরাসের শক্তি কমাতে না পারলে স্বাভাবিক জীবন যাপন কঠিন। তাই রোগের চিকিৎসা জরুরি‌। তাছাড়া এই রোগ রয়েছে কিনা সে সম্পর্কেও জানা প্রয়োজন। তাই আক্রান্তের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে, এমন সকলেই যাতে প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করান, সে সম্পর্কেও প্রশাসনের তরফে লাগাতার প্রচার জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রোগ যাতে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য আরও বেশি পরীক্ষা জরুরি। তবেই রোগ নির্ণয় হবে। ফলে সংক্রমণ আটকানো সহজ হবে।

    স্বাস্থ্য দফতর কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?

    স্বাস্থ্য ভবনের এক শীর্ষ কর্তা জানান, পূর্ব বর্ধমানের কালনা সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় গত কয়েক সপ্তাহে এইচআইভি ভাইরাসের দাপট দেখা গিয়েছে। তাই পূর্ব বর্ধমানে ও তার আশপাশের এলাকায় লাগাতার প্রচার কর্মসূচি করা হচ্ছে। আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে আরও বেশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্তেরা যাতে কোনও রকম সামাজিক হেনস্থার শিকার না হয়, সেদিকেও নজরদারি রয়েছে। পাশপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হতেই অস্বাস্থ্যকর ভাবে, অসুরক্ষিতভাবে ঘনিষ্ঠ হলে কী ধরনের বিপদ হতে পারে, সে নিয়েও সচেতনতা কর্মসূচি চলছে!

  • SIR in Bengal: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ শুনানি

    SIR in Bengal: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-পর্বের (SIR in Bengal) চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। মঙ্গলবার এসআইআরের নতুন সূচি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল দিল্লির নির্বাচন সদনে গিয়ে বৈঠক করার পরেই ওই নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়। নতুন সূচি অনুযায়ী, “লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি” বা যৌক্তিক অসঙ্গতি এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে কোনওভাবে সংযুক্ত না থাকার অভিযোগে যাঁদের ডাকা হয়েছে, তাঁদের শুনানি ও মামলার নিষ্পত্তি ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে। জমা দেওয়া নথির যাচাই প্রক্রিয়া চলবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আগে শুনানির শেষ দিন ছিল ৭ ফেব্রুয়ারি এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।

    কীভাবে হচ্ছে নথি যাচাই

    ইসি (Election Commission Of India) সূত্রে জানা গিয়েছে, যাচাইয়ের আওতায় থাকা ১.৫১ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১.৪০ কোটির শুনানি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১০-১২ লক্ষ ভোটার, যাঁরা চার থেকে পাঁচটি জেলায় ছড়িয়ে রয়েছেন, তাঁদের শুনানি আগামী দু’দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক আধিকারিক জানান, “শুনানি শেষ হলেই ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মামলার নিষ্পত্তির কাজে জোর দেওয়া যাবে।” সূত্রের খবর, শুনানিতে অংশ নেওয়া প্রায় ১ কোটি ভোটারের নথি ইতিমধ্যেই আপলোড করা হয়েছে। তবে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) ও সহকারী ইআরও-রা নথি আপলোড না করলে জেলা নির্বাচন আধিকারিকরা তা যাচাই করতে পারবেন না। সাধারণত এই যাচাই প্রক্রিয়ায় চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। যাচাই শেষে নথি ফেরত পাঠানো হবে ইআরওদের কাছে, যাতে তারা মামলার নিষ্পত্তি করতে পারেন। ইতিমধ্যে যাচাই হওয়া মামলাগুলিতে ইলেক্টোরাল রোল অবজারভাররা তাঁদের মন্তব্য নথিভুক্ত করেছেন, যা বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরওরা।

    একাধিক স্তরে ‘সুপারচেকিং’

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের (SIR in Bengal) সময়সীমা বেড়েছে। স্ক্রুটিনির জন্য সাত দিন সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ইআরও-রা এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সুপ্রিম কোর্টের ওই নির্দেশের জেরেই এই সিদ্ধান্ত। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে একাধিক স্তরে ‘সুপারচেকিং’ হবে বলেও জানানো হয়েছে। ইলেক্টোরাল রোল অবজারভার ও বিশেষ রোল অবজারভারদের পর্যবেক্ষণের পর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) তালিকা খতিয়ে দেখবেন। এরপর তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে নির্বাচন সদনে। সেখানেও আরও এক দফা সুপারচেকিংয়ের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

    নির্ভুল তালিকা প্রকাশে বিশেষ সতর্কতা

    ইসি (Election Commission Of India) জানিয়েছে, ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্ভুল তালিকা প্রকাশে তারা বিশেষভাবে সতর্ক। এক আধিকারিকের কথায়, “একাধিক দফায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। কমিশন সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট না হলে তালিকা প্রকাশ করা হবে না।” এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য সরকার যে ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম ইসিকে পাঠিয়েছে, তাঁদের বিস্তারিত তথ্যও চেয়েছে কমিশন। অভিযোগ উঠেছিল, তালিকাভুক্তদের মধ্যে অনেকে গ্রুপ-সি কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত। এই আধিকারিকদের এসআইআর ডিউটিতে নিয়োগ করা হবে। ইসি সূত্রে জানানো হয়েছে, “শুধুমাত্র গ্রুপ-বি কর্মীরাই যাতে এই দায়িত্ব পান, তা নিশ্চিত করতেই বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।”

  • BJP in Bengal: সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করতে হবে উঠোন-বৈঠক, বিজেপি বিধায়কদের নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    BJP in Bengal: সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করতে হবে উঠোন-বৈঠক, বিজেপি বিধায়কদের নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সমস্ত বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ শেষ করতে হবে। বঙ্গ বিজেপির বিধায়কদের (BJP in Bengal) পরামর্শ দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সম্পূর্ণ জনসংযোগের কাজ। সামনেই নির্বাচন তাই গেরুয়া শিবির বিধায়কদের সীমারেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে। নির্বাচনকে মাথায় রেখে বিজেপির সাফ কথা, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে (Assembly Election) বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ চালাতে হবে। প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি করে বুথে টহল দিতে হবে। বাড়ির উঠোনে উঠোনে বৈঠক করতে হবে।

    নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি ইস্যু অস্ত্র বিজেপির (BJP in Bengal)

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) বিজ্ঞপ্তি এখনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলি নিজের নিজের প্রচার শুরু করে দিয়েছে। বিজেপি (BJP in Bengal) এখন থেকেই বুথ ভিত্তিক প্রচার শুরু করেছে। ভোটের আগেই নিজের নিজের প্রচার নিয়ে সকল দল এখন ময়দানে নেমে পড়েছে। বিজেপি শাসল শিবিরকে নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি ইস্যুতে আক্রমণ করছে। ওপর দিকে তৃণমূল নিজেদের ১৫ বছরের ভালো কাজ গুনছে। ভোটের আবহে নরমে-গরমে ক্রমেই পারদ চড়ছে।

    সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ির উঠোনে বৈঠক

    রাজ্যে এখন মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে, মাধ্যমিক শেষ হলে আবার উচ্চ মাধ্যমিক শুরু হবে। ফলে পরীক্ষার আবহে বড় বড় প্রচারের দিককে কিছুটা হালকা করে সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ির উঠোনে বৈঠক করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এখন মাইক বাজিয়ে জনসভা করাটা ঠিক নয় তাই সময়কে কাজে লাগিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসম্পর্কের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। সময় এবং অবসরকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি বেশি মানুষের দরজায় কীভাবে পৌঁছানো যায়, সেই রণনীতি ঠিক করেছে বিজেপি (BJP in Bengal)।

    মানুষের সুবিধা, অসুবিধার কথা শুনতে হবে

    বাংলার বিজেপি (BJP in Bengal) বিধায়কদের (Assembly Election) কেন্দ্র নেতৃত্ব সাফ নির্দেশ দিয়েছে, চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে বুথ ভিত্তিক জনসংযোগের কাজ শেষ করতে হবে। প্রতিটি পাঁচটি করে বুথ এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরতে হবে। মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। একই ভাবে এলাকার মন্দিরে মন্দিরে ঘুরতে হবে। দলের নিচু তলার কর্মীদের সঙ্গে করতে হবে ভোজন। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। মানুষের সুবিধা, অসুবিধার কথা শুনতে হবে। এলাকায় এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে উঠোনে বৈঠক শুরু করতে হবে।

    পরামর্শ বাক্স এবং পরামর্শ ফর্ম নেবে বিজেপি

    বুথে বুথে এই জনসংযোগের সময়ে পরামর্শ বাক্স এবং পরামর্শ ফর্ম সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে বিধায়কদের। এবারের বিজেপির সংকল্পপত্র কেমন হওয়া উচিত, তাতে কী কী ধরনের প্রতিশ্রুতি থাকা উচিত, সেগুলি সরাসরি জনতার মতামত নেওয়ার জন্য বিজেপি এই বাক্সে জমা নিয়ে দেবেন। দুবরাজপুরের বিধায়ক (Assembly Election) অনুপ সাহার কথায়, ‘‘এ বার আমাদের সঙ্কল্পপত্রে শুধু রাজ্যভিত্তিক পরিকল্পনা থাকবে না। বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় সমস্যা সমাধানের কথা বা স্থানীয় চাহিদা পূরণের কথাও থাকবে। তাই বুথে বুথে যখন ঘুরব, তখন সেখানকার বাসিন্দারা একেবারে পাড়া স্তরের সমস্যা বা চাহিদার কথাও ফর্ম পূরণ করে জানাতে পারবেন।’’

    ইতিমধ্যে বিজেপি (BJP in Bengal) প্রত্যকে এলাকায় স্থানীয় সমস্যা এবং স্থানীয় অভাবের ভিত্তিতে চার্জশিট প্রকাশ করা হচ্ছে। একইভাবে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে কী কী করবে সেই বিষয়ে সংকল্প পত্র প্রকাশের কথাও বলা হয়েছে।

  • Rabin Bhattachrya: তৃণমূল কাউন্সিলের ফাঁসির দাবি, ব্যরাকপুর চিড়িয়ামোড়ে বিজেপির ব্যাপক বিক্ষোভ

    Rabin Bhattachrya: তৃণমূল কাউন্সিলের ফাঁসির দাবি, ব্যরাকপুর চিড়িয়ামোড়ে বিজেপির ব্যাপক বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ব্যরাকপুরে (Barrackpore) তৃণমূল কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের (Rabin Bhattachrya) লাথিতে ৮১ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু ঘটেছে। জানা গিয়েছে লাথি দেওয়ারপর হার্ট অ্যাটাক হয় এবং তারপর মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধের। এই ঘটনার প্রতিবাদ করে বিজেপি জানিয়েছে অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলরকে ফাঁসি দিতে হবে। সোমবার ব্যারাকপুরের চিরিয়ামোড় এই ইস্যুতে ব্যাপক উত্তাল হয়ে ওঠে। যদিও ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু বিজেপির একটাই দাবি, ফাঁসি চাই।

    ফাঁসি চাই (Rabin Bhattachrya)

    বৃদ্ধ হত্যার প্রতিবাদে চিড়িয়ামোড়ের (Barrackpore) গান্ধিমূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করে বিজেপি। কার্যত বিজেপির জমায়েতে অচল হয়ে পড়ে ব্যারাকপুর। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং এবং বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্ত। বিটি রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়লে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বিরাট পুলিশ বাহিনী। তৃণমূল নেতার অভব্য আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে অর্জুন সিং বলেন, “দোষীর (Rabin Bhattachrya) কঠোরতম শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে। তৃণমূল নেতার ফাঁসি চাই। পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত লজ্জার।”

    জানা গিয়েছে, এদিন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে (Rabin Bhattachrya) আদালতে তোলা হবে। শারীরিক পরীক্ষার পর এদিন তাঁকে আদলাতের দিকেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কিন্তু এমন সময় আদালত চত্বরের সামনে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে। বিজেপির মিছিলকে আটকাতে পুলিশ অতিসক্রিয়তার ভূমিকা পালন করে। এই ঘটনায় বিজেপির আন্দোলন এদিন বিরাট উত্তেজনার সৃষ্টি করে।

    রাতেই গ্রেফতার কাউন্সিলর

    ঘটনা ঘটেছিল রবিবার রাতে। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ ছিল অভিযুক্ত কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। কোনও উপায় না পেয়ে চেয়ারম্যানের (Barrackpore) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন তুলসী অধিকারী। রাগে রবীন্দ্রনাথ তাঁর বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালান। এরপর নিজের ছেলেকে বাঁচতে এলে বৃদ্ধ বাবাকে কঠিন আঘাত করে লাথি মারেন রবীন্দ্রনাথ। এরপর বৃদ্ধ মাটিতে পড়ে যান এবং সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে জানা যায়। ঘটনা জানাজানি হতেই ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। ওইদিন রাতেই অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে (Rabin Bhattachrya) ৬ বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়। পার্থ বলেন, “ঘটনা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। অত্যন্ত মর্মান্তিক।” ঘটনার দিন রাতেই পুলিশ কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করেছে।

LinkedIn
Share