Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • SIR in Bengal: বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ার মেয়াদ ৭ দিন বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট, ১৪ তারিখের পরে কবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ?

    SIR in Bengal: বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ার মেয়াদ ৭ দিন বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট, ১৪ তারিখের পরে কবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) শুনানির সময়সীমা ১ সপ্তাহ বাড়ানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার রাজ্যের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেয় বিচারপতি সূর্য কান্ত ও জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী শনিবার এই পর্বের (SIR in Bengal) সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের অন্তত ৭-৮টি জেলায় শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। তাই নির্বাচন কমিশনের কাছে শুনানির সময় আরও একসপ্তাহ বৃদ্ধি করার আবেদন জানিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল। সূত্রের খবর, সেই আর্জিকে মান্যতা দিল কমিশন। এর ফলে ২১ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হতে পারে।

    কেন মেয়াদ বৃদ্ধি

    জানা যাচ্ছে, রাজ্যের ৭-৮টি জেলার অন্তত ১৫-২০টি বিধানসভায় শুনানির কাজ বাকি। এদিন সেকথা জানিয়ে রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘বিভিন্ন জেলায় শুনানির কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। বেশিরভাগ জায়গাতেই কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। মাত্র ৩-৪ শতাংশ শুনানির কাজ এখনও বাকি।’ কোন কোন বিধানসভা কেন্দ্রে শুনানি এখনও চলবে? প্রশ্নের জবাবে সিইও আরও স্পষ্ট করেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭টি, কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, কার্শিয়াংয়ের একটি করে বিধানসভায় শুনানি সম্পূর্ণ শেষ করা যায়নি বলে তাঁকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জেলার ডিইও তথা জেলাশাসকরা। এছাড়া নথি আপলোডের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। ৭০ শতাংশ নথি যাচাই বা ভেরিফিকেশনও সম্পন্ন। তাই শেষ মুহূর্তে কাজ দ্রুত সম্পন্নের জন্য সময়সীমা বাড়ানো হল।

    রাজ্যের ডিজিপিকে শোকজ সর্বোচ্চ আদালতের

    সোমবার রাজ্যের ডিজিপি (DGP) পীযূষ পাণ্ডেকে শোকজ করে সর্বোচ্চ আদালত। এসআইআর (SIR in Bengal) শুনানি চলাকালীন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীরা বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, রাজ্যে কমিশনের প্রতিনিধিদের নূন্যতম নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় পুলিশ কোনও সহযোগিতা করছে না, উলটে বহু জায়গায় ‘ফর্ম ৭’ জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কমিশন নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও সংশ্লিষ্টের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ ওঠে। শুনানি কেন্দ্রে হামলার ঘটনা শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি সাফ বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব রাজ্য সরকার ও ডিজিপি-র।’ কেন নির্বাচন আধিকারিকরা আক্রান্ত হচ্ছেন, সেই প্রশ্ন তুলে রাজ্যের পুলিশ প্রধান পীযূষ পাণ্ডেকে শোকজ করে হলফনামা দিতে বলা হয়েছে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, স্বচ্ছ নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা বরদাস্ত করা হবে না।

  • SIR Case in Supreme Court: ‘এসআইআর হবেই, রাজ্যকে এটা বুঝতে হবে’, মমতা প্রশাসনকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    SIR Case in Supreme Court: ‘এসআইআর হবেই, রাজ্যকে এটা বুঝতে হবে’, মমতা প্রশাসনকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম দুয়ারে এসআইআর নিয়ে নিরাশ রাজ্য সরকার। ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলায় (SIR Case in Supreme Court) সোমবার কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই বাধা দেওয়া যাবে না। সুষ্ঠুভাবে এই কাজ সম্পন্ন করতে সব রাজ্যকেই নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে হবে। আদালত আরও জানায়, নির্বাচন কমিশন চাইলে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজের স্বার্থে ইআরও (ERO) বা এইআরও (AERO)-দের বদল করতেই পারে, এতে রাজ্যের আপত্তির জায়গা নেই।

    কোর্টরুমে হট্টোগোল

    এদিন শুনানির শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান গত এক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ ব্যাখ্যা করছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এসআইআর মামলার আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামীও সে সময়ে জানান, একটি মন্দির পরিচালনকারী সংস্থার নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আবেদন জানিয়েছে। কেন এমন একটি সংস্থা হস্তক্ষেপ করছে তা নিয়ে আপত্তি জানান এই আইনজীবী। অন্যদিকে, আইনজীবী মুকুল রোহতাগিও একটি ইস্যু তোলার চেষ্টা করেন। হট্টোগোল বেধে যায় কোর্টরুমে। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘আপনারা শৃঙ্খলা মেনে না চললে জানেন প্রধান বিচারপতির হাতে কী ক্ষমতা রয়েছে? সমস্ত মামলা আমি ছুড়ে ফেলে দেব। আপনারা কি সবজির বাজারে বসে আছেন নাকি? ভুলে গিয়েছেন এটা কোর্টরুম?’

    রাজ্যকে ভর্ৎসনা

    রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে ৮ হাজার ৫০৫ জন অফিসারের নাম কমিশনকে পাঠানো হয়েছে। প্রধান বিচারপতিও জানতে চান, ‘সমস্যা তো এখানেই। কর্মী দিয়েছেন। তাঁদের নামের তালিকা আছে? আমরা বলেছিলাম বাংলা জানেন এমন কর্মী প্রয়োজন।’এই নামের তালিকা কমিশন পেয়েছে কি না তা-ও জানতে চান বিচারপতি। কারণ ‘দত্ত বা দত্তা কিংবা গাঙ্গুলি বা গঙ্গোপাধ্যায়’ সংক্রান্ত বিভ্রান্তি তিনিও চান না। তবে নির্বাচন কমিশন জানায়, কোনও অফিসারদের নামের তালিকা তারা পায়নি। কেবলমাত্র জেলাভিত্তিক অফিসারদের সংখ্যা জানানো হয়েছে তাদের। জবাবে আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান জানান, নির্বাচন কমিশনকে পাঠানোর জন্য নামের তালিকা সম্পূর্ণ তৈরি কেবলমাত্র অনুমোদনের অপেক্ষা। ৫ কিংবা ৬ ফেব্রুয়ারি এই তালিকা কমিশনের কাছে পৌঁছে যাওয়া উচিত ছিল বলে উল্লেখ করেন প্রধান বিচারপতি। কার্যত ভর্ৎসনা করেই প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এই নামের তালিকা আগেই আপনাদের পাঠিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। কোর্টের মাধ্যমে পাঠানোর অপেক্ষার প্রয়োজন ছিল না।’

    শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না

    প্রধান বিচারপতি বলেন, শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না। অফিসারের নাম ডেজিগনেশন সহ সমস্ত তথ্য দিতে হবে। তবে তাদের ডেপুটেশনে নেওয়া সম্ভব হবে। ৪ বা ৫ তারিখ কেন তালিকা দেওয়া হল না? প্রধান বিচারপতি এদিন রাজ্যকে বলেন, “আমরা ৪ তারিখ নামের তালিকা দিতে বলেছি। ৭ তারিখ নাম দেওয়া হয়েছে। ৪ বা ৫ তারিখ নাম দেওয়া যেত। আমরা এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক চাই না। বিতর্ক হলে আমাদের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দিতে হবে।” রাজ্য জানিয়েছে, তালিকা তৈরি করতে একটু সময় লেগেছে। কোথায় কত আধিকারিক প্রয়োজন জানতে চাওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে রাজ্য।

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এসআইআর মামলার শুনানি শুরু হতে না হতেই হট্টোগোল পড়ে যায়। পক্ষে এবং বিপক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের বক্তব্য পেশ করার চেষ্টা করতেই ক্ষুব্ধ হন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এদিন মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় জানায়, “এসআইআর হবেই, এটা সব রাজ্যকে বুঝতে হবে। প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে চালানোর জন্য যা নির্দেশ দেওয়ার আমরা দেব।” আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি সওয়াল করেন, ‘পিএসইউ থেকে নেওয়া কর্মীদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোনও সম্পর্ক নেই। অথচ তাঁদের মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে।’ তবে এতে অসুবিধার কিছু নেই বলেই মনে করছেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টে কমিশন জানায়, ‘আমরা পাঁচটি চিঠি দিয়েছিলাম। যেখানে স্পষ্ট করে বলা ছিল কোন ধরনের অফিসারদেরই আমাদের প্রয়োজন। কিন্তু সেই অনুযায়ী কর্মী আমাদের দেওয়া হয়নি।’

    রাজ্যের ৮৫২৪ অফিসার ও প্রশিক্ষণ

    আদালতে উপস্থিত রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ জানান, রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ৮,৫২৪ জন অফিসারকে নির্বাচন কমিশনের হাতে তুলে দিয়েছে। তিনি সওয়াল করেন, “কমিশন চাইলে কাল থেকেই এই সাড়ে আট হাজার অফিসার কাজ শুরু করুক।” জবাবে নির্বাচন কমিশন জানায়, এই কর্মীদের কাজ শুরুর আগে কমপক্ষে ১০ দিনের নিবিড় প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেন, রাজ্যের দেওয়া অফিসাররা যেন দ্রুত কাজে যোগ দেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ৮৫০৫ জন অফিসারকে ইআরও-র কাছে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার কাছে রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচন কমিশন সব তথ্য দেখে ঠিক করবে, কাকে নিয়োগ করা হবে, কাকে নয়। ইআরও-র সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ।

    মাইক্রো অবজার্ভার নিয়ে অবস্থান

    মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাইক্রো অবজার্ভারদের সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে না। ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত সমস্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই (ERO)। নির্বাচন কমিশন চাইলে স্বচ্ছতার খাতিরে অন্য রাজ্য থেকেও মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করতে পারে।

    কমিশনকে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ

    আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করা প্রতিটি রাজ্যের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই কাজে কোনো স্তরেই যাতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি না হয়, তার জন্য রাজ্য সরকারকে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্যে ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে স্ক্রুটিনির জন্য। অর্থাৎ এসআইআর-এর সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে  রাজ্যে।

  • Suvendu Adhikari: “এপ্রিলে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে”, বড় কথা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এপ্রিলে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে”, বড় কথা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এপ্রিলের মধ্যে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে।” বীরভূমের (Birbhum) সভা থেকে এমন আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট ঘোষণা করেছে মমতা সরকার। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ৫০০ টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে প্রতি মাসে মহিলারা পাবেন ১৭০০ টাকা করে। তৃণমূলের এই বাজেটকে টার্গেট করে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যে ভোট প্রচারের ভরকেন্দ্র হতে চলেছে তা অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন। অপর দিকে পুলি সরে দাঁড়ালে জনগণই সোজা করে দেবে কাজল-কেষ্টকে, নাম নিয়েই সোজা হুঁশিয়ারই শুভেন্দুর।

    সংকল্প পত্রে অঙ্গীকার থাকবে ৩০০০ টাকা (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এপ্রিল মাসে যদি বিজেপির সরকার হয় তাহলে ১ মে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। আর যদি মে মাসে বিজেপির সরকার হয় তাহলে জুন মাসে টাকা ঢুকবে। শুধু মাহিলা নয়, বার্ধক্য ভাতা বিধবা ভাতা, দিব্যাঙ্গ ভাতা, তফশিলি ভাতা, তফশিলি উপজাতি ভাতা, লোকপ্রসার শিল্পীর ভাতা— সব ভাতা বিজেপির সংকল্প পত্রে অঙ্গীকার ঘোষণা করব।”

    অনুব্রত-কাজলকে হুঁশিয়ারি

    একই ভাবে বীরভূমের (Birbhum) সভা থেকে অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের নাম করে চরম হুঁশিয়ার দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “পুলিশ যদি সরে দাঁড়ায়, তাহলে এদের জনগণই সোজা করে দেবে। বন্ধু ভদ্র হয়ে যান। কেষ্ট-কাজলের বাহিনী একটু ভদ্র হয়ে যান, ভদ্র না হলে এপ্রিল মাসের পরে বদলও হবে, বদলাও হবে। রামপুরহাটের পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন বাবু ব্যাগ গোছান, এপ্রিল মাস এসে গিয়েছে। আপনার নেতা কেষ্ট ঘুরে এসেছে, এবার আপনার পালা।

    একই ভাবে এদিন দেঁউচা পাচামি (Birbhum) নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধী দলনেতা বলেন, “দেউচা পাচামির কী হল মুখ্যমন্ত্রী? কোথায় গেল এক লক্ষ চাকরি? সাংসদ সামিরুল ইসলামের ২২ জন আত্মীয়ের চাকরি হয়েছে। বিজেপিকে আনুন। ৬ বছরের আদিবাসী কন্যাকে ধর্ষণ করে যারা খুন করেছে, সকালে জমা নিয়ে বিকেলে খরচ করে দেব।

    তৃণমূলের থেকে বিজেপি বেশি টাকা দিচ্ছে

    রাজ্যের তৃণমূল সরকারের ভাতা প্রসঙ্গে বাজেট নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিজেপি তো বলছে, আমরা তো স্পষ্ট বলছি, তাদের থেকে বেশি টাকা আমরা দেব। আমাদের রাজ্য সভাপতি ঘোষণা করেছেন। আমি আগে যখন রাজ্য সভাপতি ছিলাম, তখন ঘোষণা করেছি আমরা। আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে শুধু চালুই রাখব তা নয়। তৃণমূল কংগ্রেস যে টাকা দিচ্ছে, তার থেকে বেশি টাকা আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে দেব। আমরা বিভিন্ন রাজ্যে দিচ্ছি। এ তো নতুন কিছু নয়। অনিশ্চয়তার বিষয়ই নেই।

    আমরা ৫০০ টাকায় গ্যাসের সিলিন্ডার দিচ্ছি বহু রাজ্যে। আপনারা মাত্র দেড় হাজার বা ১৭০০ টাকার কথা বলছেন। এখনই ইন্টারনেটে খুঁজুন, আমি আপনাদের মাধ্যমে বলছি, হরিয়ানার সরকার বার্ধক্যভাতা কত দেয়? ৩২০০ টাকা। এখনই খুঁজলে পাবেন। প্রতিবছর বাড়ে ২৫০ টাকা করে। ইনক্রিমেন্ট হয়। যেরকম সরকারি চাকরিতে ইনক্রিমেন্ট হয়, সেরকম বার্ধক্যভাতায় ইনক্রিমেন্ট হয়। বিজেপি শাসিত রাজ্যে। তো আমরা কীভাবে দিচ্ছি? প্রত্যেক জায়গায়, তৃণমূল কংগ্রেস যে টাকা দেয় তার থেকে বেশি টাকা আমরা দিই। আমাদের অরুণোদয় প্রকল্প আছে অসমে। তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে বেশি টাকা দিতাম আমরা

  • Assembly Elections 2026: এবার বুথের দায়িত্বে এনবিসিসি, কলকাতা হাইকোর্টে জানাল নির্বাচন কমিশন

    Assembly Elections 2026: এবার বুথের দায়িত্বে এনবিসিসি, কলকাতা হাইকোর্টে জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন নির্বিঘ্নে শেষ করতে বুথ নিরাপত্তা নিয়ে বড় পদক্ষেপ  জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Assembly Elections 2026)। জানা গিয়েছে, এবার বুথগুলির নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে এনবিসিসিকে। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে এটাই জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, বুথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেই মামলার শুনানিতেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বুথগুলির নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের কাজ করবে এনবিসিসি। এর আগে যে সংস্থা এই দায়িত্বে ছিল, তাদের সরিয়েই এনবিসিসিকে দেওয়া হচ্ছে বুথের দায়িত্ব।

    ফাঁক-ফোকর রুখতে নয়া ব্যবস্থা (Assembly Elections 2026)

    কমিশনের দাবি, রাজ্যের বুথগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যাতে কোনও ফাঁক-ফোকর না থাকে, তাই এই সিদ্ধান্ত। আদালতে জানানো হয়েছে, বুথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ ও রিপোর্টিংয়ের দায়িত্বও থাকবে ওই সংস্থার ওপর।দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠেছিল বুথ নিরাপত্তা ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে। সেই প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি এখনও চলছে। গত ১৩ জানুয়ারি শমীক ভট্টাচার্য সশরীরে কলকাতা হাইকোর্টে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের প্রায় ৮৩ হাজার বুথের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আবেদন জানান। শমীক জানান, বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রতিটি বুথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে নির্বাচনের আগেই সুরক্ষা ব্যবস্থা সার্ভে করা জরুরি।

    শমীকের বক্তব্য

    তিনি জানান, এতদিন বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল ম্যাকিনটোশ বার্ন। তারা প্রায় ছ’মাস আগেই সেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে। তাই বর্তমানে রাজ্যের বুথ নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হন শমীক (Assembly Elections 2026)। আবেদনে তিনি জানান, রাজ্য সরকার যদি ৮৩ হাজার বুথের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে অপারগ হয়, তবে প্রয়োজনে কেন্দ্রকে নির্দেশ দেওয়ার আর্জিও জানানো হয়। এর পরেই জাতীয় নিরাপত্তা কমিশন জানায় বুথের দায়িত্ব দেওয়া হবে এনবিসির হাতে। উল্লেখ্য যে, এনবিসিসির পুরো রূপটি হল ন্যাশনাল বিল্ডিংস কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন লিমিটেড। বর্তমানে এর সরকারি নাম এনবিসিসি ইন্ডিয়া লিমিটেড। এটি ভারত সরকারের একটি নবরত্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, যা ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটি আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত হয় এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কাজ, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পরামর্শ ও রিয়েল এস্টেট প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে (Assembly Elections 2026)।

     

  • BJP Sankalpa Patra: বিধানসভা নির্বাচনে অভিনব পদক্ষেপ, আমজনতার পরামর্শে বাংলায় বিজেপির সংকল্পপত্র

    BJP Sankalpa Patra: বিধানসভা নির্বাচনে অভিনব পদক্ষেপ, আমজনতার পরামর্শে বাংলায় বিজেপির সংকল্পপত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। এই আবহে নির্বাচনী ‘সংকল্পপত্র’ বা ইস্তাহার (Sankalp Patra) তৈরিতে অভূতপূর্ব পদক্ষেপ করল রাজ্য বিজেপি। গতানুগতিকভাবে দলের গুটি কয়েক নেতার ঘরে বসে ইস্তাহার তৈরির প্রথা ভেঙে, এবার সরাসরি সাধারণ মানুষের পরামর্শ নিয়ে ইস্তাহার গড়ার সিদ্ধান্ত নিল পদ্ম শিবির। শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এই কর্মসূচির বিস্তারিত ঘোষণা করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    মানুষের কথা শুনে সংকল্প পত্র

    এবার নির্বাচনী সংকল্পপত্রে (BJP Sankalpa Patra) মানুষের সমস্যা ও চাহিদার কথাই তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য বিজেপি। সেজন্য বড় পদক্ষেপ করল গেরুয়া শিবির। রাজ্যের কোণায় কোণায় মানুষের কাছে পৌঁছে তাঁদের সমস্যার কথা শোনার উদ্যোগ নেওয়া হল। একইসঙ্গে একটি নম্বরও জানানো হল রাজ্য বিজেপির তরফে। যে নম্বরে ফোন করে যে কেউ নিজের পরামর্শ জানাতে পারবেন। মানুষের সেই সব পরামর্শ গ্রহণ করেই নির্বাচনী সংকল্পপত্র তৈরি করা হবে বলে শনিবার জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি (Shamik Bhattacharya) এদিন জানান, ‘এই সরকারের হাত থেকে পশ্চিমবঙ্গবাসীর মুক্তি যখন নিশ্চিত, তখন আপনারাও আপনাদের পরামর্শ দিন।’ মানুষের দাবি ও সমস্যাগুলি সরাসরি শোনার জন্য রাজ্যজুড়ে ১০০০টি জায়গায় ড্রপ বক্স বসানো হচ্ছে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ড্রপ বক্সে সাধারণ মানুষ তাঁদের মতামত জমা দিতে পারবেন।

    কেন এই অভিনব পদক্ষেপ

    পাশাপাশি, প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েও মানুষের কাছে পৌঁছতে চাইছে বিজেপি। মতামত জানানোর জন্য একটি বিশেষ টোল-ফ্রি নম্বর চালু (Toll Free Number) করা হয়েছে, নম্বরটি হল— ৯৭২৭২৯৪২৯৪। এছাড়াও কিউআর কোড স্ক্যান করে বিজেপির ওয়েবসাইটে গিয়ে অথবা ইমেল মারফতও যে কেউ তাঁদের পরামর্শ পাঠাতে পারবেন। বিজেপির লক্ষ্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছানো। রাজ্যে ভারী শিল্প আনতে এবং শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে শিল্পপতিদের কাছ থেকেও সুনির্দিষ্ট পরামর্শ চাওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রায় ১০ হাজার চিঠি লিখছে দল। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘কোনও দলের সরকার না হয়ে যাতে মানুষের সরকার হয়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। ফেব্রুয়ারির মাসের শেষেই আমরা এই সংকল্পপত্র নিয়ে মানুষের কাছে যাব।’ তিনি আরও বলেন, “অতীতে বাংলায় দেখা গিয়েছে, ইস্তাহার নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত প্রকাশ হত। দলের কয়েকজন মুষ্টিমেয় এই ইস্তাহার করে।” কোনও দলের সরকার না হয়ে, যাতে মানুষের সরকার হয়, সেজন্য সংকল্প পত্রে মানুষের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলে মত শমীকের।

  • Assembly Election 2026: সংবিধান মেনেই মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ, আদালতে জানাতে চলেছে সিইও দফতর

    Assembly Election 2026: সংবিধান মেনেই মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ, আদালতে জানাতে চলেছে সিইও দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের জেরে ঘোর বিপাকে পড়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Assembly Election 2026)। সেদিক থেকে বঙ্গবাসীর দৃষ্টি ঘোরাতে কালো গাউন পরে সটান সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে একপ্রস্ত ‘নাটক’ করেন (অন্তত বিরোধীদের দাবি এমনই) তৃণমূল সুপ্রিমো। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দেশের শীর্ষ আদালতে মমতার এই সওয়াল রাজ্যের শাসকদলের কাছে (Micro Observer) এখন সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন।

    মাথাব্যথার কারণ (Assembly Election 2026)

    আর লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সির পাশাপাশি মূল মাথাব্যথার কারণ ভিনরাজ্যের রোল অবজার্ভার ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারি মাইক্রো অবজার্ভাররা। ভোটার তালিকা সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় রোল অবজার্ভার থেকে মাইক্রো অবজার্ভারদের নিযুক্তি নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী ও অসাংবিধানিক বলে শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেছেন মমতা ও তাঁর দল। যদিও পরিস্থিতির বিচারে সংবিধানের বিশেষ ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে রোল অবজার্ভার,  মাইক্রো অবজার্ভার নিযুক্তির সিদ্ধান্ত বলে শীর্ষ আদালতে সওয়াল করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন এবং  সিইও দফতর। রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, “সাংবিধানিক ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে থেকেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালতে যথাযথ উত্তর দেওয়া হবে।”

    মাইক্রো অবজার্ভারদের উল্লেখ

    বস্তুত, ১৯৫১ সালের ভারতীয় জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচনী মাইক্রো অবজার্ভারদের উল্লেখ থাকলেও ১৯৫০ এবং ১৯৫১ ভারতীয় জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে কোথাও ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে মাইক্রো অবজার্ভার এবং রোল অবজার্ভারের উল্লেখ নেই। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে, নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র বঙ্গের এসআইআরে মাইক্রো অবজার্ভারদের নিযুক্ত করল কেন? ভোটার তালিকা তৈরিতে ইআরও সর্বোচ্চ ক্ষমতার আধিকারি হলেও তাঁদের কাজ যাচাইয়ের নামে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্য মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ কেন?  কমিশনের ব্যাখ্যা, ভারতীয় জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ ও ১৯৫১ কোথাও ভোটার তালিকার কাজে মাইক্রো অবজার্ভারদের (Micro Observer) কথা উল্লেখ না থাকলেও সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২৪ (৬) অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরির জন্য যে কোনও ধরণের ব্যক্তিকে নিযুক্ত করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে (Assembly Election 2026) নির্বাচন কমিশন তথা সিইও-কে। সেই ক্ষমতা কজে লাগিয়েই ইআরও-এইআরওরা যে শুনানি তথ্য বা নথি আপলোড করছেন সেগুলির বিশেষ নিরীক্ষার জন্য রোল অবজার্ভার ও মাইক্রো অবজার্ভাদের নিযুক্ত করা হয়েছে।

    এসআইআরের কাজ

    এসআইআরের কাজে রাজ্য সরকার যদি প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত কর্মী দিত তাহলে তামিলনাড়ু বা অন্য রাজ্যের মতো এরাজ্যেও মাইক্রো অবজার্ভারের প্রয়োজন পড়ত না বলেও জানিয়েছে কমিশন। এমনকি ডেটা এন্ট্রি অপারেটর দেওয়ার ব্যাপারে রাজ্য সরকার অসহযোগিতা করায় ডেটা রেকর্ড ও আপলোড করার জন্য বাড়তি চাপ পড়েছে বিএলওদের বলেও যুক্তি আধিকারিকদের (Micro Observer)। উল্লেখ্য যে, এসআইআর শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার নির্বাচন কমিশনকে ডেপুটেশনে ২৯৪ জন ইআরও এবং প্রথম দফায় ৩,০৬৮ জন এবং তারও পরে আরও দুই দফায় প্রায় ৫ হাজার এইআরও পদমর্যাদার রাজ্য সরকারি কর্মীর অনুমোদন দেয়। এছাড়াও প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অন্যান্য মিলিয়ে ৮০ হাজারের বেশি বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজার কমিশনকে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। তাছাড়া পদাধিকারবলে জেলশাসকরা তো জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের ভুমিকা পালন করছেন। যদিও কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইআরও হিসেবে (Assembly Election 2026) এসডিও এবং এইআরও হিসেবে রাজ্য সরকারের ক্লাস ওয়ান অফিসার পদমর্যাদার কর্মী চাওয়া হলেও রাজ্য বহুক্ষেত্রে গ্রুপ বি আধিকারিক অথবা জুনিয়রদের দেওয়ায় বিপত্তি বেড়েছে। যদিও রাজ্যের বক্তব্য, প্রশাসনিক কাজ চালানোর স্বার্থে সব ক্ষেত্রে এসডিওদের না দেওয়া গেলেও সমতুল পদমর্যাদার অফিসারদের অনুমোদন দেওয়া হয়।

    সিইওর বক্তব্য

    যদিও সিইওর বক্তব্য, একনাগাড়ে ২৭-২৮ বছর কাজ করার পর একজন রাজ্য ক্যাডারের সিভিল সার্ভিস আধিকারিক তাঁর কাজের বিচারে আইএএস ক্যাডারে উন্নীত হতে পারেন। নির্বাচনের কাজে তো প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতাও দরকার। সেক্ষেত্রে রাজ্যের কর্মী তালিকায় পর্যাপ্ত উপযুক্ত কর্মীই মেলেনি। তাই নথি যাচাইয়ের জন্য কমিশনের কাছে অতিরিক্ত কর্মীর আবেদন জানায় সিইও দফতর (Micro Observer)। কমিশনের অনুমতিতেই কেন্দ্রীয় সরকারি দফতর বা সংস্থা থেকে উপযুক্ত কর্মী নেওয়া হয় যাদের পোশাকি নাম মাইক্রো অবজার্ভার অথবা রোল অবজার্ভার (Assembly Election 2026)। যদিও এদের প্রশিক্ষণ নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে রাজ্য প্রশাসনের। ইআরওদের ওপর আস্থা না রেখে মাথার উপর মাইক্রো অবজার্ভারদের যুক্ত করার যুক্তি কি? উঠেছে পাল্টা প্রশ্ন। সিইও’র যুক্তি, “যখন ইআরও সংবিধানিক দায়দায়িত্ব লঙ্ঘন করে লগ ইন আইডি অন্যকে শেয়ার করেন, যখন অস্তিত্বহীন ভোটারদের ভোটার তালিকায় নাম ঢোকানো হয়, ইআরও-এইআরও যখন নিজের ক্ষমতার উর্ধ্বে উঠে বেআইনিভাবে আরও একাধিক ব্যক্তিকে এইআরও বানিয়ে দেন তখন আস্থার মর্যাদা কোথায় থাকে? ”  সব মিলিয়ে আস্থা-অনাস্থার দোলাচলে রাজ্যের সাধারণ ভোটারদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় কমিশন-রাজ্য এই ধর্মযুদ্ধ কতটা ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে চিন্তায় নির্বাচনী আধিকারিকরাই (Assembly Election 2026)।

     

  • Agnimitra Paul: “এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে”, বিধানসভায় তৃণমূলকে তোপ অগ্নিমিত্রার

    Agnimitra Paul: “এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে”, বিধানসভায় তৃণমূলকে তোপ অগ্নিমিত্রার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভায় (Assembly) তৃণমূল বিধায়ক এবং বিজেপি বিধায়কের মধ্যে নজিরবিহীন তরজা। বিতণ্ডায় জড়ালেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) ও তৃণমূল বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নে বরাদ্দ বৃদ্ধি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুপ্রবেশকারী ও ক্রিমিনাল ইস্যুতে শাসকদলকে নিশানা করেন অগ্নিমিত্রা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে।” এরপর বিধানসভায় হট্টগোল শুরু হয়। অগ্নিমিত্রার মন্তব্যে তীব্র নিন্দা করেন ফিরাদ হাকিম।

    মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেটে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি (Agnimitra Paul)!

    শুক্রবার বাজেট অধিবেশনে (Assembly) বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul) বলেন, “এই সরকার মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেট বাড়িয়েছে। মাদ্রাসায় পড়ে কেন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে না কেউ? কেউ কেউ কেন ক্রিমিনাল হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন? সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেটে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই বাজেট কি শিক্ষার জন্য নাকি অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য করা হয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনের সংখ্যালঘু অবদান নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। কিন্তু তৃণমূল সরকার ক্রিমিনাল তৈরি করতে পরিকাঠামো নির্মাণের উপর জোর দিচ্ছে। এই সরকার সংখ্যালঘুদের হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে। রাজ্যে যত ছোট-বড় হিংসার ঘটনা ঘটছে তার বেশিরভাগ কেন শুক্রবারই করা হচ্ছে। ফলে লক্ষ্য এবং পরিকল্পনা এক।”

    মাদ্রাসা থেকে কতজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইএফএস হয়েছে?

    একই ইস্যুতে অগ্নিমিত্রা বিধানসভার বাইরে বেরিয়ে অগ্নিমিত্রা (Agnimitra Paul) বলেন, “আমি অন্যায় কিছু তো বলিনি। তৃণমূল সরকার তোষণের রাজনীতি করে, এটা তো সারা পৃথিবী জানে। ধর্মের রাজনীতি আর চলবে না। ২০২৬ সালে বিজেপির সরকার আসবে। এখন শুধু উন্নয়নের সরকার চলবে।” রাজ্যের মন্ত্রী ফিরাদ হাকিমকে তোপ দেগে বলেন, “আপনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্ত্রী, মেয়র হয়ে আপনার সম্প্রদায়ের জন্য কী করেছেন? আপনি ১৫ বছরের রেকর্ড দেখান, যে মাদ্রাসা থেকে কতজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইএফএস কিংবা ইসরোর মতো বিজ্ঞানী বেরিয়েছেন। আপনাদের ভোটব্যাঙ্কের জন্য শুধু সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করেন।”

    স্পিকারের অতি সক্রিয়তা

    অগ্নিমিত্রার (Agnimitra Paul) মন্তব্যে প্রতিবাদ করে তৃণমূলের বিধায়করা চিৎকার করে হৈহট্টগোল বাঁধিয়ে দেন। তৃণমূল বিধায়কদের (Assembly) দেখা যায় ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করাও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার সঙ্গেও বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল বিধায়করা। দুই পক্ষের হট্টগোলে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ান স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এমন কোনও মন্তব্য করবেন না যা নির্দিষ্ট করে কোনও একটি সম্প্রদায়কে আঘাত করে।” এরপর সংখ্যালঘু এবং ক্রিমিনাল শব্দ রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলেন স্পিকার।

  • Murshidabad: বেলডাঙা হিংসা মামলায় রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনআইএ-র, বড় নির্দেশ ক্ষুব্ধ আদালতের

    Murshidabad: বেলডাঙা হিংসা মামলায় রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনআইএ-র, বড় নির্দেশ ক্ষুব্ধ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলডাঙা হিংসা মামলায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। এনআইএ-র (NIA) অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য পুলিশ মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং তথ্য হস্তান্তর করেনি। আর এই জন্য অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করা যায়নি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আদালত পরবর্তী শুনানিতে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পুলিশ সুপারকে (SP) ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

    সরঞ্জাম হস্তান্তর করেনি পুলিশ (Murshidabad)

    এনআইএ (NIA) আদালতকে জানিয়েছে, বেলডাঙা (Murshidabad) থানা মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছ থেকে ক্রমাগত অসহযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে। এনআইএ কলকাতা ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট এবং মুখ্য তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, বেলডাঙা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (IO) ২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারির ঘটনার (কেস নম্বর ৫১/২০২৬) গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং বাজেয়াপ্ত সরঞ্জাম হস্তান্তর করেনি। পুলিশ নিস্ক্রিয় থাকার ঘটনায় মুর্শিদাবাদ জেলার হিংসার ঘটনাটির তদন্তভার বর্তমানে এনআইএ গ্রহণ করেছে।

    পুলিশের এসকর্ট মেলেনি

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি জানিয়েছে, নির্ধারিত তারিখে অভিযুক্তদের আদালতে পেশ করা হয়নি। বহরমপুর (Murshidabad) সেন্ট্রাল কারেকশনাল হোমের সুপার একটি রিপোর্ট পেশ করে জানিয়েছেন, পুলিশের এসকর্ট বা পাহারা না পাওয়ার কারণে ৩১ জন বিচারাধীন বন্দিকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশ

    আদালত স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, পূর্ববর্তী বিচার বিভাগীয় নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় পুলিশ এসকর্ট প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় অভিযুক্তদের হাজির করা যায়নি। আদালত মন্তব্য করেছে, এধরনের গাফিলতি তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে এবং আদালতের নির্দেশের অবমাননা করে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আদালত বেশ কিছু কঠোর নির্দেশ জারি করেছে। যথা-

    • ১. মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পুলিশ সুপারকে (SP) এনআইএ-র অসহযোগিতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যক্তিগতভাবে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
    • ২. বহরমপুর সেন্ট্রাল কারেকশনাল হোমের সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অভিযুক্তদের অবশ্যই আদালতে হাজির করা হয়।
    • ৩. মুর্শিদাবাদের এসপি-কে পরবর্তী শুনানির জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ এসকর্টের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    • ৪. বেলডাঙা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (IO) ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে এবং গত ৩০ জানুয়ারি আদালতের নির্দেশ কেন পালন করা হয়নি, তার লিখিত ব্যাখ্যাও দিতে বলা হয়েছে।

    বিগত কয়েক বছর ধরেই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর (NIA) মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনাগুলোতে পুলিশ চরম অসহযোগিতা করছে। আদালতের এই হস্তক্ষেপ প্রাতিষ্ঠানিক সংঘাতের তালিকায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • Laxmi Bhandar: মমতার দেড় হাজার নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের দেবে তিন হাজার টাকা, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Laxmi Bhandar: মমতার দেড় হাজার নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের দেবে তিন হাজার টাকা, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের তৃণমূল সরকার বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) প্রকল্পে টাকা বৃদ্ধি করেছে। এবার তাকে চ্যালেঞ্জ করে তিন হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে বঙ্গ বিজেপি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রীসভার অনুমোদনের পর পেশ হয়েছে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট। তাতে দেখা গিয়েছে জনমোহিনী প্রকল্পের জোয়ার। ভোটের আগে রাজ্যের মহিলা ভোটকে টার্গেট করে যেন কল্পতরু হয়ে উঠেছেন। তবে বিজেপি এই ঘোষণার পাল্টা ঘোষণা করেছে।

    বাংলার মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্য কেন? (Laxmi Bhandar)

    এদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ আরও ৫০০ করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অসংরক্ষিত ক্যাটাগরির মহিলা পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফশিলি জাতি-উপজাতি পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই টাকা বৃদ্ধি করে তিন হাজার করা হবে। আমি আমাদের সংকল্প কমিটির কনভেনারকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে পয়লা জুন আগে আপনাকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউণ্টে তিন হাজার করে টাকা দেবো। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) কেবলমাত্র ভোটের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে। সিভিক, প্যারা টিচার এবং যুবশ্রী এপ্রিলে হবে। কিন্তু লক্ষ্মী ভাণ্ডার আই প্যাকের বুদ্ধিতে মার্চের মধ্যেও ঢুকিয়ে দেবে। উদ্দেশ্য একটাই ভোট অন অ্যাকাউন্টটা পেশ হয়েছে। গোয়াতে গিয়ে মহিলাদের পাঁচ হাজার টাকা দেবে বলে ঘোষণা করেছিল তৃণমূল। ফলে বাংলার মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্য কেন? অধিবেশনে আমি এই মর্মে প্রশ্ন তুলেছিলাম।”

    পয়লা জুনের আগে ঢুকে যাবে টাকা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মমতাকে তোপ দেগে আরও বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) প্রকল্প নাকি এই সরকার দেশে প্রথম চালু করেছে। এই ধরনের প্রকল্প প্রথম চালু হয় মধ্যপ্রদেশে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান লাডলি বহেনা চালু করেছিলেন। তারপরে আসামে সর্বানন্দ সোনোয়াল চালু করেন। পরে বিজেপি সরকার থাকা অনেক রাজ্যে এটা চালু হয়েছে। লাখপতি দিদি কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছে। ওড়িশায় সুভদ্রা যোজনায় এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। মহারাষ্ট্রে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়। হরিয়ানায় ২১০০ টাকা দেওয়া হয়। ২১ টি রাজ্যে এরকম মহিলাদের নিয়ে স্কিম রয়েছে। আমি আমাদের সংকল্পপত্র কমিটির কনভেনরকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, আমরা অনেক এটা আগেই বলেছি। এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে মে মাসের ক্যাবিনেটে সিদ্ধান্ত নিয়ে পয়লা জুনের আগে আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে ঢোকাব। এটা মিনিমাম। এটা আরও বাড়তে পারে, কমবে না।”

  • Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রীতি মেনে ভাষণ শুরু করলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই বক্তব্য শেষ করে দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। রাজ্যের বাজেট অধিবেশনে এমন ঘটনা নজির বিহীন। রাজ্যপাল বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জানিয়ে দেন, আর পড়বেন না। রাজ্য বিধানসভায় এই ঘটনা বেনজির। তবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যপালের সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল নিজের মেরুদণ্ড সোজা রেখে, সংবিধান এবং ভারত সরকারকে মর্যাদা দিয়ে যেটা করেছেন, তার জন্য হ্যাটস অফ টু গভর্নর অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে কুর্ণিশ জানাই।”

    পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান (Governor CV Ananda Bose)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মমতা সরকারকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “সরকারের লেখা মিথ্যা ভাষণ পড়তে চাননি রাজ্যপাল। তামিলনাড়ুর পর বাংলাতেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছে। বিধানসভায় রাজ্যপাল লে করা মানেই ভাষণটি গ্রহণ করেননি।” জানা গিয়েছে রাজ্যপালের (Governor CV Ananda Bose) ভাষণের জন্য বরাদ্দ সময়ছিল প্রায় ৪৫ মিনিট। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে চার থেকে পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান। রাজ্য সরকারের দেওয়া ভাষণে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়েছে। তবে এই সব বক্ত্যব্যের পিছনে কোনো সঠিক তথ্য ছিল না। আর সেই কারণেই হয়তো রাজ্যপাল ভাষণের অংশ পাঠ করেননি।

    কথা অসত্য তাই পড়া যাবে না

    বিধানসভায় যখন রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণ পড়ে থেমে যান সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন ভাষণ পড়বেন না, রাজ্যপাল তখন নির্দিষ্ট লাইন তুলে ধরে বলেন এই কথা অসত্য, পড়া যাবে না। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অনুরোধ না শুনে বাইরে বেড়িয়ে যান রাজ্যপাল।

    এর বেশি আমি পড়ব না!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাষণে লেখা ছিল, ‘দ্য ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হেল্ড আপ বাই দ্য সেন্টার ফর এ লং টাইম’ অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকার দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রেখেছে। উনি ঠিক এই জায়গাতেই থামেন এবং বলেন, ‘আই উইল নট রিড মোর’, এর বেশি আমি পড়ব না। এরপরই তিনি বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম করেন। রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণে রাজ্যের বকেয়া বা ঋণের বিষয়ে আপত্তি জানাননি। কিন্তু যখনই ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’-এর প্রসঙ্গ আসে, তখনই তিনি বেঁকে বসেন। এখানেই থেমে থাকেননি শুভেন্দু, তিনি আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার তো আগেই ৫০:৫০ অংশীদারিত্বে এই সেচ প্রকল্পটি করতে বলেছিল। শর্ত ছিল, জমি অধিগ্রহণের পর স্কিম পাঠাতে হবে। রাজ্য সরকার তো জমি অধিগ্রহণই করেনি। রাজ্যপাল কেন এমন একটি বিষয় পড়বেন, যার স্বপক্ষে কোনও ডকুমেন্ট রাজ্যের কাছে নেই? সরকার যা লিখে দেবে, তিনি কি তাই পড়তে বাধ্য?’’

LinkedIn
Share