Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Bongaon: বিজেপি করা অপরাধ! ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হলেন মা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Bongaon: বিজেপি করা অপরাধ! ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হলেন মা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করার অপরাধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। বিজেপি কর্মীর মাকে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনায় বনগাঁর (Bongaon) ঠাকুরনগরের মানিকহীরা গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম কানন রায়। তাঁর ছেলের নাম জয়ন্ত রায়। তিনি এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। হামলাকারী তৃণমূল কর্মীর নাম সমীর মল্লিক। তিনি বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি নিরুপম রায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bongaon)  

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়ন্তবাবুর পরিবারের সকলেই বিজেপি সমর্থক। আর এই বিজেপি দল করার অপরাধে প্রায়ই তাঁর বাড়ির উদ্দেশে গালিগালাজ করত সমীর মল্লিক নামে অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী। বুধবার সন্ধ্যাতেও গালিগালাজ করতে করতে যাচ্ছিলেন তিনি। জয়ন্তবাবু তার প্রতিবাদ করলে সমীর মল্লিক তাঁর ওপর চড়াও হন। বেধড়ক মারধর করতে থাকে। ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন বৃদ্ধা মা ও বাবা। তাঁদেরও মারধর করেন সমীর। এমনকী জয়ন্তবাবুর স্ত্রীকেও মারধর করা হয়। জয়ন্তবাবুর মাকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা বনগাঁ (Bongaon) সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি নিরুপম রায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। যদিও ঘটনার পরই অভিযুক্ত হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী?

    মৃতার ছেলে তথা বিজেপি কর্মী জয়ন্ত রায় বলেন, বিজেপি করাটা আমাদের অপরাধ। সমীর নামে এই তৃণমূল কর্মী এর আগেও আমাদের বহুবার গালিগালাজ করেছে। বুধবার আমি প্রতিবাদ করেছিলাম বলে ও এভাবে আমার বাড়ির সকলের উপর হামলা চালিয়েছে। আমার মাকে তো খুন করে দিল। আমরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এদিন বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেন, যে বুথে এই ঘটনাটি ঘটেছে সেই বুথে সব থেকে বেশি ভোট পেয়েছিল বিজেপি। আজকে আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি যেখানে একজন তৃণমূলের যুব নেতা নিজে দাঁড়িয়ে থেকে খুন করিয়ে দিল। আমরা অবিলম্বে  দাবি জানাচ্ছি। এই বাংলায় শাসন বলে কিছু নেই ক্রিমিনাল গুন্ডাদের রাজত্ব চলছে। নিরূপমের নেতৃত্বে ওই বিজেপি কর্মীর মা খুন হয়েছ। সবার আগে নিরুপমকে গ্রেফতার করা দরকার ছিল।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বনগাঁ (Bongaon) সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি নিরুপম রায় বলেন, কাল রাতে একটা ঘটনা ঘটেছে মানিকহীরা দেশপাড়ায়। সমীর মল্লিক নামে তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মী এলাকার বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে মারামারিতে এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। সব মৃত্যুই বেদনার। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। আইন আইনের পথে চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তৃণমূলের দিল্লি অভিযানে ভাড়া খেটে কিছু লোকের রোজগার হবে! কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: তৃণমূলের দিল্লি অভিযানে ভাড়া খেটে কিছু লোকের রোজগার হবে! কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমৃত উদ্যান প্রকল্পে মাটি সংগ্রহ করতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) গেলেন মহাভারতের বাংলা অনুবাদক কাশীরাম দাসের বাড়িতে। প্রথমে কাশীরাম দাসের মূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। এরপর কাটোয়ার কাশীরাম দাসের ভিটে থেকে মাটি সংগ্রহ করেন। এদিন সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

    রাজভবনে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী

    রাজভবনে এবার থেকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী থাকবে, রাজ্য পুলিশ থাকবে না। এই সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান রাজ্যপাল। রাজ্যপালের রাজভবন কেন্দ্রীয় বাহিনী পাহারা দেবে না রাজ্য পুলিশ পাহারা দেবে, তাতে রাজ্য সরকারের কোনও ভূমিকা নেই। রাজ্যপাল যেটা ঠিক করবেন, তাই হবে। রাজ্য সরকারের পুলিশের উপর সাধারণ মানুষ ভরসা করতে পারছে না। মুখ্যমন্ত্রী যেখানে ভরসা করতে পারছেন না, সেখানে রাজ্যপাল কী করে ভরসা করবেন। প্রসঙ্গত, রাজভবন এবার থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাহারা দেবে, এমনটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ’র বিরুদ্ধে পোস্টার

    আজ সকালে বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটিতে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ’র বিরুদ্ধে একটি পোস্টার পড়ে। যেখানে লেখা রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। এই সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, এই পোস্টার তৃণমূলের তরফ থেকেই মারা হয়েছে। তাছাড়া অন্য কেউ এই কাজ করবে না বলেই সুকান্তবাবুর মত। সুতরাং এই কাজ কে করেছে বা কারা করেছে, খোঁজ করার বিষয় নেই, এরকম হতেই পারে না।

    মিছিলে শুভেন্দু ও কংগ্রেসের কৌস্তুভ 

    গতকাল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কংগ্রেসের কৌস্তুভ বাগচী একসঙ্গে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের নিয়ে মিছিল করেন। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই মিছিলটি ছিল অরাজনৈতিক। তাই মিছিলে হাঁটতেই পারেন। তৃণমূল ও সিপিএমের উচিত ওই মিছিলে হাঁটা। এই কথা বলতে গিয়ে তিনি কৌস্তুভ বাগচীকে বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা বলাতে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, তাহলে কৌস্তুভ বাগচী কি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন? উত্তরে তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, উনি বিজেপিতে আসবেন কিনা, সেটা ওনাকে ঠিক করতে হবে। আমরা ওনাকে বিজেপিতে নেব কিনা, এটা আমাদের ঠিক করতে হবে। আগে ওনাকে ভাবতে বলুন উনি বিজেপিতে আসবেন কিনা, তারপর আমরা ভাববো।

    তৃণমূলের দিল্লি অভিযান

    তৃণমূলের তরফ থেকে ১০ হাজার লোক নিয়ে দিল্লি অভিযান। কী বলবেন? সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) বলেন, লোক ভাড়া করে পার ডে ৫০০ টাকা করে দিয়ে গোয়াতে লোক নিয়ে গেছে। এখন রেট বাড়িয়ে ৫০০ টাকার জায়গায় ৭০০ করবে। তাতে বিজেপির কোনও আপত্তি নেই। দিল্লিতে ভাড়ায় নিয়ে গিয়ে কিছু লোকের যদি রোজগার হয়, এতে আপনার আমার হিংসা করা উচিত নয়। রাজ্যে চাকরিও নেই, কোন কাজও নেই। কিছু লোকের রোজগার হবে, এতে আপত্তির কিছু নেই। লোকের দুটো ভাত জুটবে পেটে।

    বিচারপতি বদলি

    বিচারপতি অর্পণ চট্টোপাধ্যায়কে অবিলম্বে বদলি করার নির্দেশের ব্যাপারে তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, নিশ্চয়ই বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সেগুলি আদালত দেখেছেন। এর মধ্যে নিশ্চয়ই সত্যতা আছে। বিচার ব্যবস্থার হয়তো উনি নিরপেক্ষতা রাখতে পারেননি। আমাদের কিছু বলার নেই। আমরা একে স্বাগত জানাবো।

    এরপর সিঙ্গি গ্রামের আরও পাঁচটি বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করে কাটোয়ার কুড়ি নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচটি বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করেন অমৃত উদ্যানের জন্য। বিকেল চারটে কাটোয়া সংলগ্ন পানুহাট মাঠে জনসভা করেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: আসানসোলে ফের সক্রিয় গরু পাচার চক্র! ধরলেন এলাকাবাসী, পুলিশ কী করছিল?

    Asansol: আসানসোলে ফের সক্রিয় গরু পাচার চক্র! ধরলেন এলাকাবাসী, পুলিশ কী করছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহারে। সিবিআইয়ে কড়া নজরদারিতে গরু পাচার প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাছাড়া এতদিন আসানসোল সিবিআই গরু পাচার মামলা চলছিল। এবার সেই মামলা আসানসোল (Asansol) সিবিআই আদালত থেকে মামলা দিল্লিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এবার ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে গরু পাচার চক্র। তবে, পুলিশ প্রশাসন গরু পাচার রুখতে কতটা সক্রিয় তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও সাধারণ মানুষ এই বেআইনী কারবারের বিরুদ্ধে এককাট্টা। বুধবার রাতেই আসানসোলের জামুড়িয়া থানার শ্রীপুর এলাকা থেকে রানিগঞ্জের পাঞ্জাবি মোড় এলাকায় গরু বোঝাই ট্রাক আটক হওয়ার ঘটনা সেকথা প্রমাণ করেছে। পুলিশ নয়, স্থানীয় বাসিন্দারা গরু পাচার হওয়া গাড়ি আটক করেন। ফলে, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Asansol)

    বুধবার রাতেই আসানসোলের (Asansol) জামুড়িয়া থানার শ্রীপুর এলাকা থেকে রানিগঞ্জের পাঞ্জাবি মোড় এলাকায় গরু বোঝাই একটি ট্রাক যাচ্ছিল। গাড়িটিকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করেন। অভিযোগ, বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই গরু নিয়ে যাওয়ার জন্য বুধবার রাতে জাতীয় সড়কের উপর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করেন। উদ্ধার করা হয় ৩১টি গরু। এরমধ্যে ট্রাকে ১৮টি গরু এবং ১৩টি বাছুর ছিল। আপাতত স্থানীয় একটি গোশালায় গরুগুলিকে রাখা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ট্রাকটির নম্বর পশ্চিমবাংলার। তাই ঝাড়খণ্ড থেকে লরিটি ঢুকে কোথায় যাচ্ছিল তা স্পষ্ট নয়। ওই লরিতে যে ভাবে গাদাগাদি করে গরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাতে দু’টি বাছুর অচেতন হয়ে যায়। আরও বেশ কয়েকটি অসুস্থ হয়ে পড়ে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা গরু পাচারের অভিযোগে ট্রাকটি আটক করেন। পরে, সেই গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়। গরুগুলিকে নিরাপদ জায়গায় রাখা হয়েছে। কোথায় থেকে এই গরুগুলি নিয়ে আসা হচ্ছিল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই ট্রাকের চালক এবং খালাসি পালিয়ে যাওয়ায় কাগজপত্র হাতে আসেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sodepur: এ কী কাণ্ড! সোদপুরে একসঙ্গে ঝান্ডা হাতে আন্দোলনে সিপিএম-তৃণমূল, হতবাক এলাকাবাসী

    Sodepur: এ কী কাণ্ড! সোদপুরে একসঙ্গে ঝান্ডা হাতে আন্দোলনে সিপিএম-তৃণমূল, হতবাক এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলি জেলাজুড়ে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। হোর্ডিংয়ে একসঙ্গে মমতা-অধীর, অভিষেক-সুজনের ছবি। তৃণমূল এবং সিপিএম নেতৃত্ব এই হোর্ডিংয়ের দায় নিতে অস্বীকার করেছেন। কারণ, রাজ্যে সিপিএমের মূল শত্রু তৃণমূল এবং বিজেপি। সেখানে তৃণমূলের শীর্ষ নেতা-নেত্রীর সঙ্গে দলের রাজ্য নেতাদের ছবি থাকায় সিপিএম নেতৃত্ব অস্বস্তিতে পড়ে হোর্ডিং ছিঁড়ে ফেলার নিদান দিয়েছে কর্মীদের। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার বারাকপুরের সোদপুর (Sodepur) স্টেশনে রেল হকারদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে রাজ্যের দুই যুযুধান প্রতিপক্ষ তৃণমূল ও সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন রেলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে একসঙ্গে মিছিল করল। সোদপুর প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল সিপিএমের একসঙ্গে ঝান্ডা নিয়ে এই প্রতিবাদের ঘটনা দেখে হতবাক নিত্যযাত্রী থেকে সকল রেলযাত্রী।

    কেন আন্দোলন? (Sodepur)

    তৃণমূল এবং সিপিএম দুই দলেরই শ্রমিক সংগঠনের কর্মী সমর্থকরা সোদপুরে (Sodepur) একসঙ্গে দলীয় ঝান্ডা এবং ব্যানার হাতে স্টেশন চত্বরে প্রতিবাদ মিছিল করেন। যা নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিচু তলায় সিপিএম এবং তৃণমূলকর্মীরা যে কাছাকাছি আসতে পারেন এই ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। ‘ইন্ডিয়া’ জোটে তৃণমূল থাকায় সিপিএম সমন্বয় কমিটিতে থাকল না, অথচ সোদপুর রেল স্টেশনের হকার ইউনিয়নের সিপিএম কর্মীরা তৃণমূলের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রেলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিলেন, মিছিল করলেন। দুপক্ষই একসঙ্গে রেলের বিরুদ্ধে রীতিমতো জেহাদ ঘোষণা করলেন। প্রসঙ্গত, শিয়ালদা মেন লাইনের প্রত্যেকটি রেল স্টেশনে বহুবার হকার উচ্ছেদের নোটিশ দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। কয়েকটি জায়গায় রেল পুলিশ অভিযানও চালিয়েছে। এছাড়াও পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করা যাবে না, এটা জানিয়ে লাগাতার স্টেশন গুলিতে আন্দোলনও চালিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির শ্রমিক সংগঠন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে পরিষ্কার বলে দেওয়া হয়েছে, সুষ্ঠু পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করা যাবে না। একই দাবিতে সোদপুর রেলস্টেশনে প্রতিবাদ মিছিল হয়। কিন্তু, সেই মিছিল রাজ্য রাজনীতির এক বিরল চিত্র দেখা যায়।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    শাসক বিরোধী একসঙ্গেই মিছিল করেছেন বলেই কার্যত স্বীকার করে নেয় উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সিটুর নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই শ্রমিক সংগঠন একসঙ্গে প্রতিবাদ করে। যেভাবে রেলস্টেশন থেকে হকারদের উচ্ছেদ করে দেওয়া হচ্ছে তার প্রতিবাদে এবং হকাররা নিজেদের রুটি রুজির দাবিতে এক হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। তাই অনেক রকম ঝান্ডা থাকতে পারে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই প্রসঙ্গে বারাকপুর দমদম সাংগঠনিক জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি সোমনাথ শ্যাম বলেন, সোদপুরে (Sodepur) প্রতিবাদ কর্মসূচি আমাদের পূর্ব ঘোষিত ছিল। সেই অনুযায়ী হকারদের স্বার্থে আইএনটিটিইউসি একাধিক দাবি নিয়ে মিছিল করেছে। অন্য রাজনৈতিক দলের শ্রমিক সংগঠনও একইদিনে একইস্থানে মিছিল করেছে। এখানে একসঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি করার কোন ব্যাপার নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: চ্যালেঞ্জ করতেই হাঁসুয়া নিয়ে আক্রমণ, বিএসএফের গুলিতে ঝাঁঝরা বাংলাদেশি চোরাচালানকারী

    Nadia: চ্যালেঞ্জ করতেই হাঁসুয়া নিয়ে আক্রমণ, বিএসএফের গুলিতে ঝাঁঝরা বাংলাদেশি চোরাচালানকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু হল বাংলাদেশি এক চোরাচালানকারীর। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার মধ্য রাতে নদিয়ার (Nadia) ভীমপুর থানার অন্তর্গত রাঙিয়াপোতা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। মৃতের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। বিএসএফ রাতেই গুলিবিদ্ধ দেহটি কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বাধা পেয়েই গুলি (Nadia)

    সূত্রের খবর, বুধবার রাতে একদল বাংলাদেশি এদেশে ভীমপুর থানার (Nadia) রানিয়াপোতা বিওপি’র অধীনস্থ এলাকা দিয়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছিল। তখন ওই এলাকায় কর্মরত এক বিএসএফ কর্মী বাধা দিতে গেলে তাকে ঘিরে ফেলে এবং ধারালো হাসুয়া দিয়ে তার ওপর আক্রমণ চালাতে যায়। এরপর ওই বিএসএফ কর্মী গুলি চালাতে শুরু করে। পালাবার সময় গুলিতে জখম হয় একজন। পরে আরও বিএসএফ কর্মী ঘটনাস্থলে জমায়েত হয়ে ওই এলাকায় তল্লাশি করার সময় একটি ঝোপের মধ্যে ওই ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বিএসএফ কর্মীরা এবং সেখানে তল্লাশি করার সময় উদ্ধার হয় এক বস্তা নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় জেলা হাসপাতালে। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে জানান। গুলি তার পায়ে লাগে। তার পর মৃতদেহ পুলিশমর্গে রাখা হয় ময়নাতদন্ত জন্য। বিএসএফের পক্ষ থেকে ভীমপুর থানায় সীমান্ত দিয়ে নিষিদ্ধ মাদক পাচারকারী হিসেবে একটি মামলা রুজু করা হয়। ওই ব্যক্তির পরিচয় কী এবং সঙ্গে কারা কারা ছিল, সমস্তটা জানার চেষ্টা করছে ভীমপুর থানা পুলিশ।

    একের পর এক ঘটনা

    উল্লেখ্য, সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বারবার রুখে দিয়েছে বিএসএফ। কয়েকদিন আগেও বিএসএফের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছিল এক পাচারকারীর। ঘটনাটি ঘটেছিল নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার নোনাগঞ্জ বর্ডার এলাকার (Nadia)। গভীর রাতে নোনাগঞ্জ বর্ডার এলাকায় এক পাচারকারী সীমান্তে থাকা কাঁটাতার কাটছিল। তখন বিএসএফের তরফ থেকে তাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, ঠিক তখনই ওই পাচারকারী বিএসএফকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর বিএসএফের তরফ থেকেও তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ওই পাচারকারীর গায়ে গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। যদিও পরবর্তীকালে তাকে উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    তারও আগে ধানতলা থানার (Nadia) দত্তপুলিয়ায় ফেন্সিং না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইছামতী নদীর ব্রিজের নিচ দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ৬ থেকে ১০ টি গরু পাচার করার চেষ্টা করেছিল পাচারকারীরা। অভিযোগ, বিএসফের জওয়ানরা গরু পাচারকারীদের আটকাতে গেলে পাচারকারীরা বিএসএফকে লক্ষ্য করে পাথর ও বোমা ছোড়ে। পরে বিএসএফ কাউন্টার ফায়ার করলে বেশ কয়েকজন গরু পাচারকারী আহত হয়। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশ পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে যায় এক গরু পাচারকারী। তাকে পরবর্তীকাল ধানতলা পুলিসের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।

    পিছনে বড় বড় গাং

    বিএসএফের পাচারকারীদের এটা কোনও প্রথম ঘটনা নয়। গরু পাচার থেকে শুরু করে সোনার বিস্কুট সহ একাধিক জিনিস কখনও বাংলাদেশ থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে (Nadia), আবার কখনও ভারতের বর্ডার পার করে বাংলাদেশে পাচার হয়। বড় বড় গ্যাং কাজ করে এইসব পাচার চক্রের পিছনে। এর আগেও বিএসএফের তরফ থেকে পাচার চক্র রোধে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Road: উন্নয়ন সত্যিই যেন রাস্তায় দাঁড়িয়ে! জমা জলে জাল ফেলে বিক্ষোভে গ্রামবাসীরা

    West Bengal Road: উন্নয়ন সত্যিই যেন রাস্তায় দাঁড়িয়ে! জমা জলে জাল ফেলে বিক্ষোভে গ্রামবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের এক সময়ের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডল বলেছিলেন, উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে। তাঁর কথা যেন অক্ষরে অক্ষরে ফলে যাচ্ছে। দিকে দিকে বেহাল রাস্তা তাঁর সেই কথাকেই যেন কটাক্ষ করছে। সাধারণ মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন, উন্নয়ন কাকে বলে। তাঁরা এও বুঝছেন, ভোট আসে ভোট যায়, শুধুই মেলে প্রতিশ্রুতি। গ্রামের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বেহাল দশা নিয়েই পড়ে থাকে। হেলদোল নেই প্রশাসনের। পরিস্থিতি এমনই যে, ধৈর্যচ্যুত হয়ে চাঁদা তুলে রাস্তা (West Bengal Road) মেরামতির কাজে হাত লাগালেন গ্রামের মানুষ।

    নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের বাবলা পঞ্চায়েতের বিবেকানন্দ নগর দক্ষিণপাড়া এলাকার ঘটনা। এলাকার মানুষের দাবি, এই রাস্তা দিয়ে কয়েকশো পরিবার যাতায়াত করে, একটু বৃষ্টি হলেই জমে থাকে এক হাঁটু জল। জল শুকিয়ে যাওয়ার পরে গোটা রাস্তা কাদায় পরিণত হয়। এছাড়াও রাস্তার বেশ কিছু অংশ বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। বিগত দিনে একাধিকবার তাঁরা পঞ্চায়েত প্রধানকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু রাস্তা ঠিক করার কাজে হাত লাগানো হয়নি। ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে গেলে এক হাঁটু জল ডিঙিয়ে যেতে হয়। জল জমে থাকার কারণে মশার লার্ভা এবং বিষাক্ত পোকামাকড়ের উৎপত্তি হয়।  এলাকার মানুষের সিদ্ধান্ত, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনকে জানিয়েও যখন কোনও লাভ হয়নি, তখন নিজেরাই এই রাস্তা ঠিক করবেন। তাই এলাকার মানুষই চাঁদা তুলে রাস্তা মেরামতির কাজে হাত লাগিয়েছেন।

    টাকাই নেই, মেরামতি (West Bengal Road) হবে কী করে?

    যদিও এ প্রসঙ্গে ওই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কথা তিনি পঞ্চায়েতে জানিয়েছিলেন। অল্পদিনের মধ্যেই রাস্তাটি পাকাপোক্ত ভাবে করার আশ্বাস দিয়েছে পঞ্চায়েত। যদিও বাবলা পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধান সুস্মিতা মুন্ডা বলেন, সবেমাত্র তিনি দায়িত্বভার হাতে নিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত উন্নয়নের খাতে তাঁর কাছে টাকা এসে পৌঁছায়নি। তাই তিনি কাজ শুরু করতে পারছেন না। তবে খুব তাড়াতাড়ি তাঁর পঞ্চায়েতের যে সমস্ত রাস্তার (West Bengal Road) অবস্থা খুবই বেহাল রয়েছে, সেগুলির দ্রুত কাজ শুরু করবেন। তিনি এও বলেন, আগের পঞ্চায়েত প্রধান উন্নয়নের ক্ষেত্রে কী কাজ করেছে, তা আমার জানার দরকার নেই। আমি এই পঞ্চায়েতের কীভাবে উন্নয়ন করা যায়ে, সেই চেষ্টা করব।

    রাস্তার জন্য জীবনযাপন দুর্বিষহ

    রাস্তার বেহাল অবস্থার চিত্র দিকে দিকে। নদিয়ার হাঁসখালি থানার দক্ষিণপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভগবতীতলা ১৫৭ নম্বর বুথ এলাকার কথাই ধরা যাক। অল্প বৃষ্টিতেই এক হাঁটু জল জমে যায়। রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় এলাকাবাসীদের। পাশাপাশি এলাকার কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে বেশি ভাড়া দিলেও ভাঙা রাস্তা দিয়ে কোনও টোটো, অটো কিংবা অ্যাম্বুলেন্সের চালক গাড়ি নিয়ে আসতে চায় না। বেহাল রাস্তার কারণে বর্ষাকালে স্কুল-কলেজে বা প্রাইভেট টিউশনিতে সময়মতো পৌঁছতে পারে না ওই এলাকার ছাত্রছাত্রীরা। দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াত করার মূল রাস্তার (West Bengal Road) এই ভগ্নদশার কারণে একপ্রকার এলাকাবাসীদের জীবন যাপন করা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। অথচ এই রাস্তাটি কৃষ্ণগঞ্জ ও বাদকুল্লা যাওয়ার রাস্তা।

    মাছ ধরার জাল নিয়ে বিক্ষোভ

    স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার বেহাল দশার কথা একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসনিক মহল ছাড়াও জেলা প্রশাসনের কাছে জানানোর পরেও আজ পর্যন্ত কোনও সুরাহা মেলেনি। যার কারণে এদিন বাধ্য হয়েই জল জমে থাকা রাস্তায় মাছ ধরার জাল নিয়ে এলাকাবাসীরা রাস্তায় নেমে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। বিক্ষোভে শামিল হন ওই এলাকার স্কুল-কলেজ পড়ুয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী পুরুষ-মহিলা, এমনকি বয়স্ক মানুষরাও। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে রাস্তা মেরামতির ব্যবস্থা প্রশাসন না করলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে তাঁরা বাধ্য হবেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিজের বুথে এই রাস্তার (West Bengal Road) বেহাল দশা হলে অন্য জায়গায় কী হতে পারে!

    সেই আশ্বাস!

    এই প্রসঙ্গে পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি তথা বর্তমান সদস্যা মুনমুন বিশ্বাস রাস্তাটির বেহাল দশার কথা স্বীকার করে নেন। তিনি বলেন, রাস্তাটি মেরামতি করার জন্য পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই টেন্ডার প্রসেসিং হয়ে গিয়েছে। ওয়ার্ক অর্ডার বেরোলেই মেরামতির কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি বর্ষাকালে রাস্তায় জল জমে যাওয়ার সমস্যার সমাধানের জন্য ড্রেন তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। এছাড়াও পথশ্রী প্রকল্পের মধ্যেও রাস্তাটির (West Bengal Road) নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। এখন দেখা যাক, কবে রাস্তাটি সারানো হয়, কবে সাধারণ গ্রামের মানুষ দুঃখ-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: শান্তিপুরে স্ক্রাব-টাইফাসে আক্রান্তে কিশোর, জেলাজুড়ে আতঙ্ক

    Shantipur: শান্তিপুরে স্ক্রাব-টাইফাসে আক্রান্তে কিশোর, জেলাজুড়ে আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া জেলায় স্ক্রাব-টাইফাস রোগে আক্রান্ত হল এক কিশোর। জেলায় এই প্রথম এই ধরনের রোগে দেখা মিলল বলে দাবি চিকিৎসকদের। নদিয়ার শান্তিপুরের (Shantipur) কাঁসারিপাড়ার বাসিন্দা ১৪ বছরের  এক কিশোর আক্রান্ত হয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এমনিতেই নদিয়া জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বা়ড়ছে। এরমধ্যে স্ক্রাব-টাইফাস রোগে আক্রান্তের হদিশ মেলায় রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    কীভাবে জানা গেল? (Shantipur)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে ওই কিশোর জ্বরে আক্রান্ত হয়। সে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। জ্বর না ছাড়ায় পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন। তাকে চিকিৎসা করেছিলেন শান্তিপুরের শিবাজী প্রসাদ কর নামে এক চিকিৎসক। পরবর্তীতে তিনি প্রাথমিকভাবে ভেবেছিলেন,হয়তো ডেঙ্গি হতে পারে। তৎক্ষণাৎ তার রক্ত পরীক্ষার জন্য তিনি নির্দেশ দেন। কিন্তু, রক্ত পরীক্ষা করিয়ে দেখা যায় ডেঙ্গি তার হয়নি। কিন্তু, তার জ্বর ছাড়ছে না। সন্দেহ হওয়ায় তখন অন্য আরএক বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া হয়। আবার রক্ত পরীক্ষা করিয়ে দেখা যায় ওই কিশোর স্ক্রাবটাইফাস রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এরপরেই তাকে শান্তিপুরের (Shantipur) একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এমনিতেই জেলায় এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৩০০ জন। জেলার মধ্যে রানাঘাটের দুই ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি। এই ব্লকে মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। রানাঘাটের পাশে রয়েছে শান্তিপুর। সেখানেও অনেকে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে স্ক্রাব-টাইফাস রোগে আক্রান্তের হদিশ মেলায় জেলাজুড়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    কী বললেন চিকিৎসক?

    এব্যাপারে চিকিৎসক শিবাজী প্রসাদ কর বলেন, স্ক্রাবটাইফাস একটি এমন রোগ যা একটি বিশেষ পরজীবী পতঙ্গের কামড়ানো থেকে হয়। তবে, নদিয়া জেলায় এই প্রথম স্ক্রাবটাইফাস রোগী তিনি দেখছেন। সচরাচর এই রোগ নদিয়া জেলায় চোখে পড়ে না। এই রোগ বিশেষত জঙ্গলমহলে এবং উত্তরবঙ্গের দিকে বেশি দেখা যায়। তবে, অতি দ্রুত রোগ নির্ণয় করা গিয়েছে এবং চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে ওই কিশোর। তবে, এই নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: সিবিআই আধিকারিক সেজে দেড় কোটি টাকার প্রতারণা করল দম্পতি, তাজ্জব পুলিশ কর্তারা

    CBI: সিবিআই আধিকারিক সেজে দেড় কোটি টাকার প্রতারণা করল দম্পতি, তাজ্জব পুলিশ কর্তারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম সৌমেন মুখোপাধ্যায়। তাঁর স্ত্রীর নাম জয়শ্রী কর। তাদের বাড়ি বারাসত থানা এলাকায়। তাদের প্রতারণা কৌশল দেখে হতবাক বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা। কার্যত তারা পুলিশের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? এই দম্পতির বিরুদ্ধে সিবিআই (CBI) আধিকারিক সেজে এক ব্যবসায়ীর কাছে থেকে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতারিত ব্যবসায়ী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে থানার দ্বারস্থ হন। অবশেষে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (CBI)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দম্পতি মূলত ব্যবসায়ীদের টার্গেট করত। যে সব ব্যবসায়ী কিছুটা হলেও বেআইনি কারাবারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তাদেরকে তারা টার্গেট করত। এই তথ্য দেওয়ার জন্য তাদের এই চক্রে আর কেউ রয়েছে কি না তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সোদপুরের তারক রায় নামে এক ব্যবসায়ীর কাছে অভিযুক্ত দম্পতি যায়। সেখানে গিয়ে সিবিআই (CBI) অফিসার পরিচয় দিয়ে তাঁর ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্র দেখতে চায়। স্বাভাবিকভাবে সিবিআই হানা দিয়েছে ভেবে তারকবাবু কিছুটা হলেও ঘাবড়ে যান। দম্পতির চালচলন দেখে ব্যবসায়ী ধরতেও পারেননি। ভুয়ো সিবিআই আধিকারিকদের কথা মেনে ব্যবসার কাগজপত্র তুলে দেন তারকবাবু। বেশ কিছুক্ষণ ধরে কাগজপত্র খতিয়ে দেখে ত্রুটি রয়েছে বলে আইনকানুনের ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার কয়েকদিন পরেই তারকবাবু বুঝতে পারেন তিনি প্রতারকদের খপ্পরে পড়েছেন। সেই সময় তিনি বারাসত দত্তপুকুর থানার দ্বারস্থ হন। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ চরকডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে অভিযুক্ত সৌমেন মুখোপাধ্যায় ও তার স্ত্রী জয়শ্রী কর নামে দু’ই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের বাকি সদস্যদের নাগাল পেতে চাইছে সাইবার ক্রাইম আধিকারিক।

    কী বললেন পুলিশ কমিশনারেটের এক কর্তা?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, এক ব্যবসায়ীর কাছে থেকে অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করা হয়। পরে, তাদের গ্রেফতার করা হয়। আর কোন কোন ব্যবসায়ীকে তারা এভাবে প্রতারিত করেছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Games 2023: ঘরে ফিরলেন রিচা, কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে হবে সোনার মেয়ের জন্মদিন পালন

    Asian Games 2023: ঘরে ফিরলেন রিচা, কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে হবে সোনার মেয়ের জন্মদিন পালন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরে ফিরলেন সোনার মেয়ে রিচা। এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) সোনাজয়ী ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য রিচা ঘোষ। বুধবার শিলিগুড়িতে বাড়িতে ফিরে সংবর্ধনায় ভাসলেন তিনি। বাড়িতে ঢুকতেই মায়ের চুম্বনে আনন্দাশ্রু গড়িয়ে পড়ল রিচার গাল বেয়ে। এদিন বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁর বাড়ি পর্যন্ত মানুষের ঢল নামে। কারও হাতে ফুল, কারও হাতে মিষ্টি। কেউ বা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান রিচাকে। আর গর্বিত গর্ভধারিণী স্বপ্নাদেবী মেয়েকে প্রদীপ ও ফুল দিয়ে বরণ করে, মিষ্টি খাইয়ে ঘরে তুললেন। পুজোর আগে শিলিগুড়ি মেতে উঠেছে রিচাকে নিয়ে।

    বাড়ি ফিরে কী বললেন রিচা? (Asian Games 2023)

    রিচার বাবাও ভালো ক্রিকেটার ছিলেন। ছোট থেকে বাবার হাত ধরে তিনি মাঠে যেতেন। বাবার ব্যাটবল নিয়ে তাঁর খেলার হাতেখড়়ি। বাবার স্বপ্নপূরণ করছেন মেয়ে। বাড়িতে ঢুকেই রিচা এদিন বলেন, অনেকদিন পর বাড়িতে বাবা-মা’র সঙ্গে কাটাবো, ভাবতে ভালো লাগছে। এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) সোনা জয় একটা বিশেষ স্মরণীয় মুহূর্ত। শেষ পর্যন্ত আমরা পরিকল্পনা মতো খেলে দেশকে সোনা এনে দিতে পেরেছি। ভালো লাগছে। এর আগে মহিলাদের অনূর্ধ্ব ১৯-র বিশ্বকাপ ক্রিকেটে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করেছি। তবে এই দুটো সাফল্যের মধ্য তুলনায় যেতে রাজি নই। প্রতিটি মুহূর্তই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিশ্বকাপ ও মেয়েদের আইপিএলে ভালো খেলেও মাঝখানে বাংলাদেশ সফরে ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়তে হয়েছিল রিচাকে। এদিন সে প্রসঙ্গে রিচা বলেন, বাদ পড়াটা খেলারই অঙ্গ। তবে কোনও কোনও ক্ষেত্রে দল থেকে বাদ পড়াটা আগামী দিনে আরও ভালো খেলতে সাহায্য করে। ভুলত্রুটি শুধরে নিজেকে উন্নত করতে পেরেছি। দেশের হয়ে দীর্ঘদিন খেলা আমার লক্ষ্য।

    কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে কেক কেটে হবে রিচার জন্মদিন পালন

    বৃহস্পতিবার রিচার জন্মদিন। কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে কেক কেটে রিচার জন্মদিন পালন করা হবে। সেই মতো সমস্ত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শিলিগুড়ির সব স্তরের মানুষ সেখানে হাজির থাকবেন। স্বাভাবিকভাবে চরম আনন্দিত রিচা। এভাবে সকলের সঙ্গে জন্মদিন তিনি পালন করেননি। তবে, এই আনন্দের মাঝেও নিজের  শহরে এখনও ক্রিকেটের জন্য আলাদা স্টেডিয়াম বা মাঠ না থাকাটা রিচাকে কুরে কুরে কুরে করে খাচ্ছে। এদিনও তিনি বলেন, স্টেডিয়াম বা মাঠ ক্রিকেটের জন্য থাকাটা জরুরি। এই শহর থেকে আমার আগে ঋদ্ধিমান সাহা ভারতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তারপর আমি ভারতীয় দলে খেলছি। এখানে প্রতিভার অভাব নেই। আগামীদিনে সুযোগসুবিধা পেলে এখান থেকেও আরও অনেক ছেলেমেয়ে জাতীয় দলে খেলবে। তার জন্য চাই পরিকাঠামো।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    রিচার বাবা মানবেন্দ্র ঘোষ বলেন, বিশ্বকাপ জয়ের পর খুশি হয়েছিলাম। তবে, এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) সোনা আমাদের বিশেষভাবে গর্বিত করেছে। মা স্বপ্না ঘোষ বলেন, আমার মেয়ে দেশকে গৌরবান্বিত করেছে, এর অনুভূতি আলাদা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: বারাকপুরে এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, ক্লোজ করা হল পুলিশ কর্মীকে

    Barrackpore: বারাকপুরে এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, ক্লোজ করা হল পুলিশ কর্মীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষের ভরসা পুলিশ। আর সেই পুলিশের সাহায্য চাইতে এসে উল্টে পুলিশের লালসার শিকার হলেন এক মহিলা। জানা গিয়েছে, সমস্যা সমাধানের আশায় পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক মহিলা। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই মহিলার সঙ্গে প্রথমে সম্পর্ক গড়ে তোলেন বারাকপুরের (Barrackpore) বাসুদেবপুর থানার এক এএসআই সঞ্জীব সেন। পরে, ওই মহিলার সঙ্গে পুলিশ কর্মীর অনেকটাই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ। এমনকী মহিলাকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়। পরে, নির্যাতিতা থানার ওই পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ওই পুলিশ কর্মীকে ক্লোজ করা হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    ২০২২ সালে অক্টোবর মাসে বারাকপুরের (Barrackpore) বাসুদেবপুর থানা এলাকার এক ব্যক্তি নির্যাতিতার কাছে কিছু টাকা ধার করেছিলেন। সময় মত টাকা ফেরত না পেয়ে নির্যাতিতা পুলিশের দ্বারস্থ হন। সেই সময় পরিচয় হয় বাসুদেবপুর থানায় কর্মরত এএসআই সঞ্জীব সেনের সঙ্গে। পুলিশকর্মী সঞ্জীব সেন তাঁর কাছে কিছু টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ। সেই পুলিশকর্মীকে বিভিন্ন সময় অনলাইন মারফত টাকা দেন ওই নির্যাতিতা। পাশাপাশি ঘটনার তদন্তের প্রয়োজনে দুজনের মধ্যে দেখা হয়। আর সেই সুযোগে তাদের দুজনের সম্পর্ক গড়ায় বন্ধুত্বে। একে অপরের উপর বিশ্বাস করে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়। সেই ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ক্যামেরাবন্দি করে রাখে ওই পুলিশ কর্মী। আর সেই ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে বলে অভিযোগ। এমনকী শারীরিকভাবে তাঁকে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। নির্যাতনের কথা বিভিন্ন সময় থানাতে জানালেও মেলেনি সুরাহা। অবশেষে চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর বাসুদেবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা মহিলা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বাসুদেবপুর থানার পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময় নির্যাতিতাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীর ভাই। এমনই গুরুতর অভিযোগ করেছেন নির্যাতিততা মহিলা।

    কী বললেন বারাকপুর (Barrackpore) পুলিশ কমিশনারেট-এর এক কর্তা?

    বারাকপুর (Barrackpore) পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, নির্যাতিতার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীকে ক্লোজ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share