Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Madan Mitra: অধ্যক্ষকে দফতরে না পেয়ে মদনের হুমকি, সাগর দত্ত হাসপাতালে ফের পড়ল পোস্টার

    Madan Mitra: অধ্যক্ষকে দফতরে না পেয়ে মদনের হুমকি, সাগর দত্ত হাসপাতালে ফের পড়ল পোস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দালালচক্রের মূল পান্ডা জাবেদ আলির বুধবারও টিকি ছুঁতে পারেনি পুলিশ। তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের (Madan Mitra)  হুঙ্কারই যে সার তা এই ঘটনাতেই প্রমাণিত। এরইমধ্যে মদন মিত্র সোজা হাসপাতালে হাজির হন। অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম প্রধান নিজের দফতরে না দেখতে পেয়ে সেখানে বসেই ফোনে অধ্যক্ষকে রীতিমতো ধমক দেন তিনি।

    অধ্যক্ষকে কী বললেন মদন? (Madan Mitra)  

    অধ্যক্ষের উদ্দেশে মদন বলেন,আপনি বেরিয়ে গিয়েছেন কেন? মাসের শেষে তো তিন লক্ষ টাকা মাইনে পান। এখানে দালালরাজ চলছে। আপনি কেন সুয়োমোটো থানায় ডায়েরি করেননি? এখানেই থামেননি মদন। তাঁর কথায়, সব দালালরাজ আরজি কর, এনআরএসে হয়। ওখানে সব চুড়ি পরে বসে থাকে। এটা কামারহাটি। ঘেঁটি ধরে নাড়িয়ে দেব। সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ঢুকতে পারবেন তো? রীতিমতো হুমকির সুরে একথা বলেন মদন। পাশাপাশি কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা থেকে শুরু করে ভাইস চেয়ারম্যান, ৩০ জন কাউন্সিলরও মদনের সঙ্গে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সেই সংখ্যার কথাও অধ্যক্ষকে জানিয়ে দেন তৃণমূল বিধায়ক। অন্যদিকে, অধ্যক্ষ বলেন, কোনও হুমকি দেননি তো। আসলে উনি যে আসবেন, তা আমার জানা ছিল না। জানলে হয়তো থেকে যেতাম। আসলে মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই, সবটা আমার শোনা হয়নি। তাছাড়া তাঁর সঙ্গে অনেকদিনের সম্পর্ক। তাই, পরে, কথা বলে মিটিয়ে নেব।

    হাসপাতালে দালালরাজের বিরুদ্ধে পড়ল পোস্টার

    হাসপাতালে দালালরাজের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল। এর আগে জাবেদ আলিদের ছবি দিয়ে পোস্টার পড়েছিল। এবার রোগীদের সচেতন করতে ফের পোস্টার পড়ল। পোস্টারে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, ‘সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের আগত রোগীর ও রোগীর আত্মীয় পরিজনদের জানানো যাচ্ছে যে, হাসপাতালের যেকোনও পরিষেবা পাওয়ার জন্য, কোনও ব্যাক্তিকে কোনও টাকা দেবেন না। প্রয়োজনে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলা হয়েছে।’ প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে এক রোগীকে আইসিইউতে ভর্তিকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে দালালরাজের বিষয়টি সামনে এসেছিল। মদন মিত্র বলেছিলেন, হাসপাতালে দালালদের প্রতিদিনের আয় ৫০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা। কলকাতা পুলিশ এসএসকেএম, এনআরএসে ধরেছে, কামারহাটিতে দালালরাজের বিরুদ্ধে যারা মিছিল করেছিল, তাদের বাড়ি ভেঙে দিয়েছে। বউ-বাচ্চাকে গঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। মদনের এই বক্তব্যের পরও পুলিশ দালালচক্রের মাথাকে ধরতে পারল না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: সাইবার প্রতারণার শিকার এবার খোদ ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, কীভাবে?

    Fraud: সাইবার প্রতারণার শিকার এবার খোদ ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার অপরাধীদের খপ্পড়ে সাধারণ মানুষের প্রতারিত (Fraud) হওয়ার ঘটনা প্রতিদিনই ঘটে চলেছে। এবার সাইবার অপরাধীদের কবলে খোদ ব্যাঙ্কের রিলেশনশিপ ম্যানেজার। সিম ক্লোন করে প্রায় ২ লক্ষ টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ তুললেন ওই ম্যানেজার। তমলুক থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি। মহারাষ্ট্রের নাগপুরের বাসিন্দা ওই ম্যানেজারের নাম শচীনলক্ষ্মণ রাউত। তমলুকের পাদুমবসান এলাকার একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের তমলুক শাখায় রিলেশনশিপ ম্যানেজার পদে কর্মরত তিনি। প্রায় ৬ বছর ধরে তমলুকেই থাকেন।

    ঠিক কীভাবে প্রতারিত হওয়ার ঘটনা ঘটল? (Fraud)

    জানা গিয়েছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেল পৌনে সতর্ক ৪টে নাগাদ ব্যাঙ্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন তমলুক শাখার রিলেশনশিপ ম্যানেজার। হঠাৎ মোবাইলে তাঁর ফোন আসে। অপরপ্রান্ত থেকে শচীনলক্ষ্মণকে বলা হয়, খুব তাড়াতাড়ি তাঁর ক্রেডিট কার্ডের লিমিট শেষ হতে চলেছে। এমনকী, ক্রেডিট কার্ডে বার্ষিক চার্জও বলবৎ করা হচ্ছে বলে চমকে দেওয়ার চেষ্টা করে ফোনের ওপারে থাকা ব্যক্তি। যদিও তাতে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। শচীন ফোনটি কেটে দেন। তবে, ফোন কাটতেই পরপর দু’টি ওটিপি আসে শচীনের নম্বরে। অভিযোগ, মুহূর্তে শচীনের ক্রেডিট কার্ড থেকে মোট দু’দফায় ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকা গায়েব হয়ে যায়। প্রতারিত (Fraud) হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

    কী বললেন প্রতারিত হওয়া ব্যাঙ্কের রিলেশনশিপ ম্যানেজার?

    রিলেশনশিপ ম্যানেজার শচীন বলেন, এটা অবাক করার বিষয়। আমি শুধু ফোনটা ধরেছি। প্রতারকদের কোনওরকম তথ্য শেয়ার না করলেও অত্যন্ত ধূর্ততার সঙ্গেই ওই আমার মোবাইলের সিম ক্লোন করে এই প্রতারণা (Fraud) করা হয়েছে। এই ঘটনায় শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে তমলুকে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছে পুলিশ প্রশাসন। তমলুকের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সাকিব আহমেদ বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে কোনও তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

    পশ্চিম মেদিনীপুরে ৫ ভাইয়ের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব

    ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুরে চন্দ্রকোণা ১ ব্লকের আগর গ্রামে একটি চাষি পরিবারের পাঁচ ভাইয়ের অ্যাকাউন্ট থেকে কয়েক দফায় লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। প্রতারিতদের (Fraud) বক্তব্য, ৬ মাস আগে জমি রেজিস্ট্রি করেছিলাম। কাউকে কোনও তথ্য দিইনি। আচমকা মোবাইলে মেসেজ আসে। সেটি খুলে দেখি অ্যাকাউন্ট টাকা উধাও কেন এরকম ঘটল তা বুঝতে পারছি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘হাথরসের মতো স্বরূপনগরে কেন টিম পাঠাচ্ছে না তৃণমূল!’’ কেন বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘‘হাথরসের মতো স্বরূপনগরে কেন টিম পাঠাচ্ছে না তৃণমূল!’’ কেন বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার চাষের খেত থেকে যুবতীর পোড়া ও গলার নলি কাটা দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তের গুণরাজপুর গ্রামে। যুবতীর পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিরোধী দলনেতা(Suvendu Adhikari) এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    গলার নলি কাটা, বাঁধা রয়েছে হাত-পা। ওড়না দিয়ে বাঁধা হয়েছে মুখ। তখনও ধোঁয়া বেরোচ্ছে। মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের গোবিন্দপুর গ্রামে কাঁকরোল খেতের মধ্যে এভাবেই পড়েছিল অজ্ঞাতপরিচয় তরুণীর অর্ধদগ্ধ দেহ। ঘটনাস্থল থেকে মেরেকেটে ৪০০ মিটার দূরে বাংলাদেশ সীমান্ত। মঙ্গলবার সীমান্ত লাগোয়া এই গ্রামের ঘটনা ঘিরেই হুলস্থুল পড়ে যায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তরুণীর দেহের পাশেই পড়েছিল বাংলাদেশের ফরিদপুরের ঠিকানা লেখা চশমার খাপ, উদ্ধার হয়েছে মোবাইল ফোনের ব্যাক কভার ও তাহলে কি সীমান্তের ওপার থেকে এসেছিলেন এই তরুণী? তবে, প্রশ্নগুলি রয়েই গিয়েছে, তরুণী কি রাতের অন্ধকারে সীমান্ত পেরিয়ে এপারে এসেছিলেন? নাকি, এপার থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বাংলাদেশে? তবে কি দালালদের খপ্পরে পড়েছিলেন তরুণী? সূত্র সন্ধানে বিএসএফ-এর সাহায্য নিচ্ছে স্বরূপনগর থানার পুলিশ। বিষয়টি জানার পরই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সরব হয়েছেন।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চাষের জমিতে মিলল গলার নলি কাটা, হাত-পা বাঁধা, অর্ধদগ্ধ দেহ। হাথরসে গেলে স্বরূপনগরে কেন টিম পাঠাচ্ছে না তৃণমূল? খোঁচা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।  বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘সরকার নেই। সবচেয়ে অপদার্থ পুলিশমন্ত্রী। আজকেও এরা হাথরসে টিম পাঠায়। স্বরূপনগরে টিম পাঠান। কীভাবে একটা মহিলাকে হাত-পা বেঁধে পোড়ানো হয়েছে।’ প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের হাথরসে গণধর্ষণের শিকার হন দলিত পরিবারের বছর উনিশের এক তরুণী। পরে, দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। হাথরসকাণ্ডে নির্যাতিতার গ্রামে প্রতিনিধিদল পাঠায় তৃণমূল। স্বরুপনগরের ঘটনা তুলে ধরে তৃণমূলকে কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘৮ ইঞ্চির বদলে রাস্তায় ৪ ইঞ্চির ঢালাই’, পূর্তের কাজ নিয়ে প্রশ্ন খোদ তৃণমূল বিধায়কের

    Murshidabad: ‘৮ ইঞ্চির বদলে রাস্তায় ৪ ইঞ্চির ঢালাই’, পূর্তের কাজ নিয়ে প্রশ্ন খোদ তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই মেলা খেলায় কোটি কোটি টাকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। পুজো কমিটিগুলিকে ঢালাও টাকা দেওয়া হচ্ছে। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। আর পুজোর মুখে খানাখন্দে ভরে রয়েছে রাস্তাঘাট। নজর নেই সরকারের। আর যেখানে রাস্তা তৈরি হচ্ছে, সেখানে গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর এলাকা। হাসপাতালে যাওয়ার রাস্তা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ করেছেন খোদ তৃণমূলের বিধায়ক জাকির হোসেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    কিছুদিন আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নবগ্রামের বিধায়ক বাঁধ ভেঙে যাওয়া দেখতে গিয়ে ইঞ্জিনিয়ার এর সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় শুরু হয়। সেই সময় বিধায়ক বলেছিলেন, কোনওরকম কাজের দুর্নীতি মানব না। প্রয়োজন হলে মানুষ গাছে বেঁধে রাখবে। এবার জঙ্গিপুর হাসপাতালে রাস্তার কাজ নিয়ে পূর্ত দফতরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন। আচমকা জঙ্গিপুর হাসপাতালে ওই রাস্তা পরিদর্শনে যান তিনি। কংক্রিট রাস্তা হাত দিলেই ভেঙে যাচ্ছে, চাঙড় উঠে আসছে, বিধায়ককে এলাকার মানুষ তা দেখান। চোখের সামনে এসব দেখে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রাস্তার কাজের বেনিয়ম নিয়ম নিয়ে এলাকাবাসী তাঁকে নালিশ জানান। তাঁরা রাস্তা খুঁড়ে দেখান যেখানে ৪ ইঞ্চি ঢালাই করার কথা থাকলেও রাস্তার পাশে দেখা যাচ্ছে দুই ইঞ্চি ঢালাই।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেন বলেন, পূর্ত দফতর যে রাস্তা তৈরি করেছে তাতে সিডিউলে আছে ৮ ইঞ্চি পুরু রাস্তা তৈরি করার। কিন্তু, দেখা যাচ্ছে মাঝখানে ৪ ইঞ্চি পুরু রাস্তা তৈরি করেছে। রাস্তার দু’পাশের দুই ইঞ্চি করে রাস্তা হয়েছে। হাসপাতালের সুপারকে ঠিকাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয় তিনি আরও বলেন, আমি মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জেলা প্রশাসনের কর্তাদের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে এবং পূর্ত দফতরের মন্ত্রীকে অভিযোগ করব। কোনওমতেই এই রাস্তা আমরা মেনে নেব না।

    কী বললেন পূর্ত দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার?

    পূর্ত দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি বলেন, রাস্তা ঠিক হয়েছে, আমি এখনও এই অবস্থায় বলছি।  চেয়ারম্যান সাহেব দেখে গিয়েছেন, তিনি বলেছেন ঠিক আছে। বিধায়কের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি তো অভিযোগ করতেই পারেন, তাঁরা আমাদের মাথার উপরে আছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।                                                                     

  • Calcutta High Court: মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত দুর্নীতি? জবাব চাইলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Calcutta High Court: মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত দুর্নীতি? জবাব চাইলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য। এরই মধ্যে সামনে এল মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ যোগ্য়তা থাকা সত্ত্বেও সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না। এর পাশাপাশি রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতে বেনিয়মের মাধ্যমে ভর্তি করা হচ্ছে পড়ুয়াদের। মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র ভর্তির দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের মামলা গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। মঙ্গলবারই এই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে (Calcutta High Court)। অতিসত্ত্বর রাজ্যের কাছে জবাব তলব করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি তিনি ডিরেক্টর অফ মেডিক্যাল এডুকেশন দেবাশিষ ভট্টাচার্যকে আদালতে তলবও করেছেন। এদিনের শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানান ভর্তি সংক্রান্ত এই মামলায় অনিয়ম প্রমাণিত হলে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, ভর্তি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন ইতিশা সোরেন নামে এক নিট পরীক্ষার্থী। 

    ঠিক কী অভিযোগ ছিল মামলাকারীর

    চলতি বছরের ৭ মে নিট পরীক্ষা হয় মেডিক্যালের। গত ১৩ জুলাই এ সংক্রান্ত ফল প্রকাশ হয়। সেখানে দেখা যায় পরীক্ষার্থী ইতিশা সোরেন মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছেন ২৮,৩১৯ নম্বরে। ইতিশা সোরেন একজন তপশিলি সমাজের পড়ুয়া। ইতিশা জানিয়েছেন, এরপরে দুবার তাঁকে কাউন্সেলিং-এ ডাকা হলেও কোনও সরকারি মেডিক্যাল কলেজে (Calcutta High Court) পড়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এর পাশাপাশি তাঁকে বলা হয়েছে সংরক্ষিত সমস্ত আসন পূরণ হয়ে গিয়েছে। মামলাকারীর আইনজীবী এদিন হাইকোর্টে জানিয়েছেন, তপশিলি জনজাতি সমাজের নন এমন অনেককে সংরক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

    দীর্ঘদিন ধরেই এমন অভিযোগ

    তবে এই অভিযোগ নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এনআরএস, আরজিকর, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ সহ বেশিরভাগ কলেজগুলিতে সংরক্ষণের নিয়ম না মেনে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছিল দীর্ঘদিন ধরেই। এ বিষয়ে সোমবারই ডিরেক্টর অব মেডিক্যাল এডুকেশন এর অধ্যাপক দেবাশিষ ভট্টাচার্যকে হাইকোর্টে তলব করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Calcutta High Court)। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন আগামী দিনে যদি অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণ হয় তাহলে যাঁরা বেনিয়মের মাধ্যমে ভর্তি হয়েছেন। সেই ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি তো বাতিল করা হবে এর পাশাপাশি আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: দক্ষিণ দিনাজপুরে প্লাবিত এলাকায় দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: দক্ষিণ দিনাজপুরে প্লাবিত এলাকায় দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করতে মঙ্গলবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর ও হরিরামপুর ব্লকের ৬ নম্বর বাগিচাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উখলি এলাকা পরিদর্শন করলেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন প্লাবিত এলাকায় জলের মধ্যে হেঁটে হেঁটে এলাকার দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন। পাশাপাশি দুর্গতদের সাহায্যেরও আশ্বাস দেন তিনি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    টানা বৃষ্টির জেরে জল ঢুকে যাওয়ায় হরিরামপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র বন্ধ ছিল। হাসপাতালের রোগীদের স্থানীয় একটি হাইস্কুলে স্থানান্তরিত করা হয়। বিষয়টি জানার পর সেখানে যান বিজেপি সাংসদ (Sukanta Majumdar)। গত চারদিনের অঝোরে বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুর কুশমন্ডি ও গঙ্গারামপুর সহ বিভিন্ন ব্লকের ১৯৫ মিলিমিটার রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়। জল ঢুকে যায় হরিরামপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকে। তড়িঘড়ি রোগীদের স্থানান্তরিত করা হয় স্থানীয় একটি হাইস্কুলের বিল্ডিংয়ে। এখন অবশ্য জল নেমে গেছে। মঙ্গলবার হরিরামপুরের সেই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ঘুরে দেখেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট সাড়ে চার হাজার লোক ফ্লাড সেন্টারগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। এই বিষয়ে প্লাবিত এলাকার বাসিন্দারা বলেন, আমরা গত দুইদিন ধরে জলের মধ্যে থাকছি। আবার কিছু পরিবার অন্য কোথাও গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। প্রশাসন থেকে কোনও সুযোগ সুবিধা আমরা পাইনি। জলের স্রোতে আমাদের ঘর বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। বিজেপি সাংসদকে কাছে পেয়ে দুর্গতরা সাহায্য চান।

    কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ভগবানের অশেষ কৃপা সোমবার থেকে আর বৃষ্টি হচ্ছে না। বৃষ্টি হলে  জেলাতে যে বন্যার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করত। প্রত্যেক বছর ভারী বৃষ্টি হলে বন্যার সৃষ্টি হয়। কিন্তু, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগে ভাগে বন্যা মোকাবিলার কোনও ব্যাবস্থা নেওয়া হয় না। সেই কারণে জেলার হরিরামপুর, বুনিয়াদপুর সহ বিভিন্ন ব্লকে বন্যার সৃষ্টি হয়। যার ফলে সমস্যায় পড়তে হয় এই সব ব্লকের বাসিন্দাদের। আমি খবর পেয়ে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করলাম। আমার যতটুকু সাধ্য আমি দুর্গতদের সাহায্যে করলাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: হাওড়ার দাশনগর, জগাছায় আচমকা সিবিআই হানা, কেন জানেন?

    CBI: হাওড়ার দাশনগর, জগাছায় আচমকা সিবিআই হানা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার হাওড়ার দাশনগর এবং জগাছা থানা এলাকার একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযানে নামে সিবিআই (CBI)। সূত্রের খবর, দাশনগর থানার আলামোহন দাস রোডে কৌশিক মাজি এবং জগাছার পার্থ সেনের বাড়ি-ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালান তদন্তকারী আধিকারিকরা। ওই দুই ব্যক্তির বাড়ির পাশাপাশি অফিস, গোডাউনে একইসঙ্গে তল্লাশি অভিযান চালান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্তারা। যদিও তল্লাশির বিষয় নিয়ে আধিকারিকরা প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি।

    কেন সিবিআই হানা? (CBI)

    প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট কেলেঙ্কারির হদিশ পেতে নতুন করে তৎপর হয়েছে সিবিআই (CBI)। মঙ্গলবার হাওড়ার দাশনগর এবং জগাছা এলাকায় সিবিআই আচমকা হানা দেয়। মূলত, ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি’ নামের একটি সংস্থার কর্তা কৌশিক মাজি এবং পার্থ সেন। পর্ষদের কাছ থেকে কীভাবে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় ওএমআর শিট দেখে নম্বর দেওয়ার দায়িত্ব তাঁরা পেয়েছিলেন এই বিষয়ে কৌশিক মাজিকে আগেই জেরা করেছিলেন তদন্তকারীরা। জেরায় বিস্তর অসঙ্গতি থাকার কারণেই এই তল্লাশি বলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রের খবর। পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যর সঙ্গে কীভাবে তাঁদের যোগাযোগ, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, দুই কর্তার বাড়ি থেকে প্রাথমিক নিয়োগ মামলার একাধিক তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই পর পর টানা তিন দিন নিয়োগ মামলার শুনানিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ।  যদিও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্রের দাবি, নিয়োগ মামলার দুর্নীতির নেপথ্যে উঠে এসেছে একাধিক নাম ও তথ্য। সেগুলি মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। সেকারণেই তদন্ত প্রক্রিয়ায় কিছুটা বাড়তি সময় লাগছে। গত এক সপ্তাহ আগে নিয়োগ মামলার কেস ডায়েরি আদালতে জমা দেয় সিবিআই (CBI)। যা দেখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি। এমনকী অভিযুক্তের সঙ্গে তদন্তকারীদের আঁতাত নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি। বিচারপতির উষ্মা প্রকাশের পরই সিবিআই হানা নিয়েও জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: দলীয় পতাকা লাগিয়ে জমি দখল, প্রতিবাদ করে খুন তৃণমূল কর্মী, অভিযুক্ত শাসক দল

    Basirhat: দলীয় পতাকা লাগিয়ে জমি দখল, প্রতিবাদ করে খুন তৃণমূল কর্মী, অভিযুক্ত শাসক দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে জমি দখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ। তার জেরেই তৃণমূল কর্মীর ওপর হামলা করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। পরে, ওই তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার বসিরহাটের (Basirhat) ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিশপুর চরপাড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সিরাজুল মোল্লা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Basirhat)

    সিরাজুলসাহেবের বাড়ি বসিরহাটের (Basirhat) ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিশপুর চরপাড়া এলাকায়। তিনি আবাস যোজনার ঘর পেয়েছিলেন। জমিতে আবাস যোজনার ঘর করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। জমিতে বাড়ি করার জন্য ভিত খোঁড়া হয়। এর মধ্যেই সিরাজুল সাহেবের ব্যক্তিগত জমিতে পার্টি অফিস করার জন্য দলীয় পতাকা লাগিয়ে জমি দখলের চেষ্টার করে তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। অভিযোগ, চলতি মাসের ১৯ তারিখ সিরাজুল সাহেবের ওই জমি দখল করে তাতে পতাকা লাগাতে যায় তৃণমূলের অপর গোষ্ঠী। সেই নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত। পতাকা লাগাতে বাধা দেন ওই তৃণমূল কর্মী। অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে সিরাজুলকে বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হয়। পরে, সেখান থেকে ওই তৃণমূল কর্মীকে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। মঙ্গলবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর। তবে, এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তরা গ্রেফতার হয়নি। যদিও, এই ঘটনায় এখনও তৃণমূলের পক্ষ থেকে কেউ মুখ খুলতে চাইনি।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    মৃত তৃণমূল কর্মীর মা নুরুন্নাহার খাতুন ঢালি বলেন, আমাদের নিজের  জমিতে জোর করে তৃণমূলের একটা গোষ্ঠী দখল করে পতাকা লাগিয়ে দেয়। ওই জমিতে পার্টি অফিস করার চেষ্টা করছিল তারা। আমার ছেলেও তৃণমূল করে। কিন্তু, জোর করে পার্টি অফিস করার প্রতিবাদ করলে ওকে বেধড়ক মারধর করা হয়। মৃতের স্ত্রী শাহনাজ বিবি জানান, সরকারি ঘর পেয়েছি। কিন্তু, সেই ঘরে আমাদের আর থাকা হল না। আমার একটি সন্তান রয়েছে, তাঁকে নিয়ে আমি এবার কোথায় যাব? গোটা ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বসিরহাট (Basirhat) থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: রাস্তায় টাকা তুলছে পুলিশ, দিচ্ছে জাল চালান, ছবি দেখে হতবাক বিচারপতি, তদন্তের নির্দেশ

    Uttar Dinajpur: রাস্তায় টাকা তুলছে পুলিশ, দিচ্ছে জাল চালান, ছবি দেখে হতবাক বিচারপতি, তদন্তের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুলিশের টাকা তোলার অভিযোগ নতুন নয়। বাম আমলেও এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূলের জমানাতে তা অনেকটাই বেড়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। গত বছর খড়দায় তোলাবাজির অভিযোগে দুই পুলিশ কর্মী সাসপেন্ড হয়েছিলেন। তবে, কোনও পুলিশ কর্মীর তোলাবাজির ছবি বিচা্রপতি নিজের এজলাসে বসে দেখছেন, এই দৃশ্য খুব কম দেখা যায়। জানা গিয়েছে, পাথর বোঝাই ট্রাক চালকদের থেকে টাকা তুলছে পুলিশ। আর পুলিশের সেই টাকা তোলার ছবিই রেকর্ড করা হয় মোবাইলে। ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ডালখোলা শহরে। সোমবার এজলাসে সেই রেকর্ডিং দেখেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুলিশের তোলাবাজি দেখে বিচারপতিও হতবাক হয়ে যান।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Uttar Dinajpur)

    উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ডালখোলায় পাথর বোঝাই ট্রাক থেকে তোলা তোলার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। দু’টি ট্রাক বেআইনিভাবে এই টাকা দিতে না চাওয়ায়, তাদের আটকে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। আবার কিছু ট্রাকচালক বাধ্য হয়ে টাকা দেন। কিন্তু, তাঁদের যে চালান দেওয়া হয়েছে তাও জাল বলে অভিযোগ। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। পুলিশের সমস্ত তোলাবাজির বিষয়টি মোবাইলে রেকর্ড করা হয়। হাইকোর্টে শুনানির সময় বিচারপতির সামনে তা পেশ ধরা হয়।

    বিচারপতি কী নির্দেশ দিলেন?

    ছবি দেখে বিচারপতি বলেন, ‘এটা কী হচ্ছে? একটা থানায় এত টাকা, তিনটে থানা এত টাকা…এটা কি ভেটিং প্লেস? পুলিশ ঠিক করে দিচ্ছে! আশ্চর্য…।’ মামলাকারীর তরফে বলা হয়, ‘একটা থানা সাড়ে ৪ হাজার টাকা চাইছে।’ সেই কথা শুনে বিচারপতি বলেন, ‘সরকার ওই অফিসারের নাম দেবে। আমি দিচ্ছি না। রেকর্ডিং থেকে সব দেখা গিয়েছে, শোনাও গিয়েছে।’ বিচারপতি নির্দেশ দেন, ‘পুলিশ রেট ঠিক করে দিচ্ছে কত টাকা দিতে হবে! ভিডিও ফুটেজ দেখে এটা স্পষ্ট, এটা অতি গুরুতর অভিযোগ। এর ফরেন্সিক পরীক্ষা করতে হবে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে এই মামলা সিআইডি-কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হল। নতুন এফআইআর করে তদন্ত করতে হবে সিআইডি-কে।’ এছাড়া জাল চালান দিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সেই চালানও পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠান হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৭ নভেম্বর। সেই শুনানিতেই রেকর্ডিং সম্পর্কে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: জিমন্যাস্টিক্সের ফাইনালে পৌঁছলেন পিংলার প্রণতি নায়েক, উচ্ছ্বসিত বাবা-মা

    Paschim Medinipur: জিমন্যাস্টিক্সের ফাইনালে পৌঁছলেন পিংলার প্রণতি নায়েক, উচ্ছ্বসিত বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে প্রথম দিনেই একটি রাউন্ডে জয়ী হয়ে ফাইনালে উঠলেন পিংলার মেয়ে প্রণতি নায়েক। ফাইনাল খেলায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করলেন তিনি। পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) পিংলা ব্লকের করকাই চককৃষ্ণদাস গ্রামের মেয়ে হলেন প্রণতি নায়েক। গত ২০২১ সালের ২৫ জুলাই মাসে টোকিওতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল তিনি। এবার খেলছেন এশিয়ান গেমসে। পরিবার এবং এলাকাবাসীরা তাঁর ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে অত্যন্ত আশাবাদী।

    আগামী বৃহস্পতিবার ফাইনাল খেলবেন (Paschim Medinipur)

    চিনে ১৯ তম এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) প্রণতি। সোমবার সকালে একটি রাউন্ডে ওমেন্স আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্স ভল্টে জেতার পরেই ৯ টা নাগাদ ফোন করেন পিংলার বাড়িতে। বাবা শ্রীমন্ত নায়েক এবং মা প্রতিমা নায়েকের সাথে কথা বলেন। আগামী বৃহস্পতিবার ২৮ সেপ্টেম্বর হবে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রতিযোগিতার ম্যাচ।

    পরিবারের বক্তব্য

    বাবা পেশায় বাসের চালক ছিলেন। কিন্তু কয়েক বছর হল সেই কাজ তিনি আর করেন না। এদিকে মা গৃহবধূ (Paschim Medinipur)। প্রণতিরা তিন বোন। মেয়ের সাফল্যে বাবা শ্রীমন্তবাবু বলেন, “মেয়ে এদিনের প্রতিযোগিতায় জেতার পর ফোন করেছিল। আমাদের দুজনের সাথেই কথা হয়েছে। মেয়েকে সাবধানে থাকতে বলেছি আর মনোযোগ দিতে বলেছি চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার দিকে। প্রণতি জানিয়েছে প্রথম, দ্বিতীয় স্থানের মধ্যে থাকার চেষ্টা করবে। আমরা আশীর্বাদ যেমন করেছি, তেমন অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছি। এই খেলার ফাইনাল প্রতিযোগিতা নিয়ে আমরা খুব আশাবাদী । একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ওখানে দেশের মুখ উজ্জ্বল করুক প্রণতি, এটাই আমরা চাই।”

    মায়ের বক্তব্য

    ফাইনাল খেলার উচ্ছ্বাসে আশাবাদী মা প্রতিমা নায়েক (Paschim Medinipur) বলেন, “ছোটবেলা থেকেই প্রণতির, খেলার সঙ্গে মন ছিল পড়াশোনাতেও। মামী, প্রণতিকে হাত ধরে ভর্তি করে দিয়েছিল জিমন্যাস্টিক্সে। আমি গর্বিত যে মেয়ে এত দূর পৌঁছতে পেরেছে।”

    মেয়ের সাফল্যে গর্বিত মা আরও বলেন, “অভাবের সংসারে ঠিক মতো খাবার দিতে পারিনি। তার পরেও মেয়ে এত দূর যেতে পেরেছে, আমি তাতেই গর্বিত। দেশের নাম উজ্জ্বল করুক প্রণতি।” মেয়ের হার না মানা জেদে ভরসা আছে বাবা-মায়ের। ভালো কিছু করে দেখাবেন প্রণতি, এমনটাই আশা তাঁদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share