Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Asansol: সামনেই পুজো, বৃষ্টি থামছে না! প্রতিকূল আবহাওয়ায় চরম বিপাকে মৃৎশিল্পীরা

    Asansol: সামনেই পুজো, বৃষ্টি থামছে না! প্রতিকূল আবহাওয়ায় চরম বিপাকে মৃৎশিল্পীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক দিন ধরে ঝিরঝিরে বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন আসানসোলের (Asansol) কুমোরটুলির পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। আর কয়েকদিন পরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো, তার আগে রয়েছে গণেশ পুজো ও বিশ্বকর্মা পুজো। তাই বাজারের চাহিদা মেনে আসানসোলের মহিশিলা কলোনিতে কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এখন চরমে। যদিও তাঁদের প্রতিমা তৈরি ও তুলির টানে প্রতিবন্ধকতা শুরু করেছে নিদারুণ আবহাওয়া।

    মৃৎশিল্পীদের প্রতিবন্ধকতা কেমন (Asansol)?

    স্থানীয় (Asansol) সূত্রে জানা গেছে, একদিকে মূর্তি তৈরির কাঁচামালের ক্রমশ মূল্যবৃদ্ধি, অপরদিকে টানা দু-তিনদিনের মেঘলা আবহাওয়া ও বৃষ্টির জেরে, প্রতিমার কিছু অর্ডার বাতিল করতে হয়েছে। মহিশিলা কুমারটুলির মৃৎশিল্পী হরিরঞ্জন পাল বলেন, বর্তমানে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ঠাকুর গড়ার ক্ষেত্রে বাইরে থেকে চড়া দামে মাটি নিয়ে আসতে হচ্ছে। তার উপর বর্ষার কারণে বাইরে প্রতিমা রাখা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় প্রতিমা তৈরির ক্ষেত্রে ভীষণ ভাবে সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। একদিকে রয়েছে ঠিক সময়ে প্রতিমা গুলি তৈরি করে দেওয়ার চাপ। আবার অন্যদিকে বর্ষণের জেরে কাজে বিড়ম্বনা। সবটা মিলে এক প্রকার সমস্যার মধ্যেই পড়েছেন এই মৃৎশিল্পীরা।

    মৃৎশিল্পীর বক্তব্য

    স্থানীয় (Asansol) এক মৃৎশিল্পী গীতা রুদ্র পাল জানিয়েছেন, এই বছর খারাপ আবহাওয়ায় অনেক সমস্যায় পড়েছি আমরা। বৃষ্টির জন্য ঠাকুর বাইরে বের করে রৌদ্রে দিতে পারছি না। তাছাড়া ঠাকুরের নতুন বায়না নিতে ভয় লাগছে। কারণ বৃষ্টিতে মাটি ভেজা থাকলে, ঠিক করে মাটি শুকনো না হলে, সময়ে তৈরি করা সম্ভব হবে না মূর্তি। তাছাড়া আগের থেকে ঠাকুরের দাম ঠিক ভাবে মিলছে না এই বছরে। মাটির তৈরি মূর্তির দাম কম দিতে চায় সকলে। তিনি আরও বলেন, বাঁশের দাম অনেক বেশি। ডায়মন্ড হারবার, কালনা থেকে গাড়িতে করে মাটি আনাতে হচ্ছে। এক গাড়ি মাটির দাম প্রায় ৩০ হাজার টাকা। অথচ প্রতিমার দাম সেই ভাবে মেলে না। তাই তিনি বলেন, সবটা মিলিয়ে সমস্যার মধ্যেই রয়েছি। সরকারের কাছে কিছু সাহায্যের জন্য আবেদন করব ভাবছি।

    সমস্যার মধ্যেও রোজগারের আশা

    আসানসোল (Asansol) শহরের বাজারগুলিতে বিভিন্ন পুজোর সময় চাহিদা অনুযায়ী ঠাকুরের জোগান দিয়ে থাকেন আসানসোল কুমারটুলির এই মৃৎশিল্পীরা। এবারের এই বর্ষণের জেরে প্রতিমা তৈরির ক্ষেত্রে আবহাওয়ার প্রতিকূলতা অনেকটাই সমস্যা তৈরি করেছে। তবে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়েও উৎসবকে সামনে রেখে, রোজগারের পথ দেখছেন আসানসোলের মহিশিলা কলোনির কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ফের ভাঙন তৃণমূলে, সংখ্যালঘু ও আদিবাসী ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসালো বিজেপি

    Dakshin Dinajpur: ফের ভাঙন তৃণমূলে, সংখ্যালঘু ও আদিবাসী ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসালো বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলায় সংখ্যালঘু ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসালো বিজেপি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি বাস স্ট্যান্ড এলাকায় বিজেপির একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভাতে তৃণমূল ও বামফ্রন্ট ছেড়ে ২০০ জনের বেশি যোগদান করেন বিজেপিতে। যার মধ্যে শতাধিক সংখ্যালঘু  ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন। সদ্য যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী ও বিশিষ্ট অভিনেতা কৌশিক রায়। বিজেপির জেলা সভাপতির দাবি, তাঁদের দলে যোগদানকারীরা তৃণমূলের অপশাসন ও দুর্নীতির কারণে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন। যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, তাদের দল থেকে কেউ বিজেপিতে যোগ দেননি।

    দলে দলে বিজেপিতে যোগ (Dakshin Dinajpur)

    গত বুধবার তপন বিধানসভার (Dakshin Dinajpur) পশ্চিম মহেশপুর এলাকায় দলীয় সভায় প্রায় ১০০ টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করেন। লোকসভা ভোটের আগে দলে দলে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ গেরুয়া শিবিরে যোগদান করায় আগামী দিনে তাঁরা আরও ভালো ফল করবেন বলে মনে করছে বিজেপির নেতৃত্ব।

    কী বললেন বিজেপির জেলা সভাপতি (Dakshin Dinajpur)?

    এবিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, আজ আমাদের কুশমন্ডিতে একটি জনসভা ছিল। সেই জনসভাতে ২০০র বেশি মানুষ তৃণমূল ও বামফ্রন্ট ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করে।তার মধ্যে শতাধিক সংখ্যালঘু ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ ছিল।এই পরিবারগুলি তৃণমূলের অপশাসন ও দুর্নীতি দেখে বিজেপিতে আজ যোগদান করলো। এরা বিজেপিতে যোগদানের ফলে বিজেপি জেলাতে আরও ভালো ফলাফল করবে। এই বিষয়ে এক যোগদানকারী বলেন, আমরা বিজেপির জেলা সভাপতির (Dakshin Dinajpur) হাত ধরে ২০০ জন বিজেপিতে যোগদান করলাম। এই দলের উন্নয়ন দেখে যোগদান করলাম।

    কী প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের (Dakshin Dinajpur)?

    যদিও এই বিষয়ে জেলা (Dakshin Dinajpur) তৃণমূলের সহ সভাপতি সুভাষ চাকি জানান, কোনও তৃণমূল কর্মীই বিজেপিতে যোগদান করেনি। অন্য কোনও দলের কেউ যোগদান করেছে কিনা, তা বলা মুশকিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri Counting: ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা আজ, গণনায় কারচুপির আশঙ্কায় কমিশনে বিজেপি

    Dhupguri Counting: ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা আজ, গণনায় কারচুপির আশঙ্কায় কমিশনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ সেপ্টেম্বর ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন হয়েছিল। শুক্রবার রয়েছে ভোট গণনা (Dhupguri Counting)। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে ভোট গণনা হবে। সকাল ৮টা থেকেই শুরু হবে কাউন্টিং। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে (Dhupguri Counting)। তবে এসবের মাঝেও গণনায় কারচুপির আশঙ্কা করছে বিজেপি এবং ইতিমধ্যে তারা কমিশনেরও (Dhupguri Counting) দ্বারস্থ হয়েছে।

    গণনায় কারচুপির আশঙ্কা বিজেপির (Dhupguri Counting)

    উপনির্বাচনের কমিশনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের সঙ্গে বৃহস্পতিবারই দেখা করেন জলপাইগুড়ি সাংসদ ডাক্তার জয়ন্ত রায়। প্রসঙ্গত, বিগত পঞ্চায়েত ভোটে শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে গণনা কেন্দ্র (Dhupguri Counting) দখল করে তাতে কারচুপি করার। এছাড়াও গত বিধানসভা নির্বাচনে একাধিক গণনা কেন্দ্র শাসক দলের দুষ্কৃতিতে দখলে চলে যায় বলে অভিযোগ। সেই আশঙ্কা থেকেই এদিন নির্বাচন কমিশনের (Dhupguri Counting) পর্যবেক্ষকের সঙ্গে দেখা করেন জলপাইগুড়ির সাংসদ।

    ধূপগুড়িতে (Dhupguri Counting) বিজেপির দাপট ২০১৯ থেকেই চলছে 

    ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে (Dhupguri Counting) বিজেপির দাপট ২০১৯ সাল থেকেই চলছে বিধানসভার অন্তর্গত পুরসভা এবং গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতে বিপুল ভোটে লিড পায় বিজেপি। একুশেও সেই দাপট অব্যাহত থাকে। জেতেন বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপদ রায়। কিন্তু তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তাপসী রায় (Dhupguri Counting)। জানা গিয়েছে মোট ২৬০ টি বুথ রয়েছে ধূপগুড়িতে (Dhupguri Counting)। ৫ সেপ্টেম্বর ৭৭.১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২০১৬ এবং ২০২১ সালের নিরিখে এই হার কম বলে জানাচ্ছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। গণনায় প্রথমে কাউন্টিং হবে পোস্টাল ব্যালট। তারপরে ইভিএম এর গণনা শুরু হবে। দুটি রুমে ১৪ টি করে টেবিল থাকবে এবং ১০০ জন গণনা কর্মী এই কাজ করবেন বলে জানা গিয়েছে। গণনা কেন্দ্রে দমকল বাহিনী, মেডিক্যাল অফিসার, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও থাকবে এছাড়াও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের যাতায়াত থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hilsa Fish: ছোট ইলিশ বিক্রি নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতি, অভিযুক্ত ডায়মন্ডহারবারের সহ মৎস্য অধিকর্তা

    Hilsa Fish: ছোট ইলিশ বিক্রি নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতি, অভিযুক্ত ডায়মন্ডহারবারের সহ মৎস্য অধিকর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোট বা খোকা ইলিশ (Hilsa Fish) বিক্রির নিয়ে ডায়মন্ডহারবার সহ মৎস্য অধিকর্তার বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব  মৎস্যজীবী সংগঠনের সদস্যরা। ডায়মন্ডহারবার সহমৎস্য অধিকর্তার বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলল মৎস্যজীবী সংগঠনের সদস্যরা।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    মৎস্যজীবী সংগঠনের অভিযোগ, ছোট ইলিশ (Hilsa Fish) ধরার নামে ডায়মন্ডহারবার সহমৎস্য অধিকর্তা লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করেছে। এ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তারা লিখিতভাবেও জানিয়েছে। মূলত মৎস্য দফতরের নিয়ম অনুযায়ী, ২৩ সেন্টিমিটারের কম ইলিশ মাছ কোনওভাবেই ধরা যাবে না। সেই ২৩ সেন্টিমিটারের কম ইলিশ মাছ ধরা একদিকে যেমন আইনত নিষিদ্ধ ঠিক তেমনি যারা যারা ধরবেন তাদের আইনত শাস্তিও পেতে হবে। সেই মতোই কিছুদিন আগেই ২৩ সেন্টিমিটারের কম অর্থাৎ পিল ইলিশ ভর্তি দুটি গাড়ি আটক করে ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিশ। এর পরই সহ-মৎস্য অধিকর্তার নির্দেশ মত তার দফতরের আধিকারিকেরা থানায় যান এবং প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলো পিল ইলিশ উদ্ধার করেন। পরবর্তী নিয়ম অনুযায়ী সেই মাছগুলি অকশান করানো হয়। দাম হয় দু’লক্ষ আশি হাজার টাকা। কিন্তু, মৎস্যজীবী সংগঠনের অভিযোগ, গাড়িতে প্রায় ৯ টন ইলিশ ছিল। সেই ইলিশ সহমৎস্য অধিকর্তা অকশান করেছে নগেন্দ্র বাজারে। যার বাজার মূল্য ৩২ থেকে ৩৩ লক্ষ টাকা।

    কী বললেন মৎস্য সংগঠনের কর্মকর্তারা?

    ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিশারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শ্যামসুন্দর দাস বলেন, সহ-মৎস্য অধিকর্তা ছোট ইলিশ (Hilsa Fish) ধরার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতি করেছে। প্রথমত নিয়ম অনুযায়ী ছোট ইলিশ ধরার পর মালিকপক্ষকে ফোন করে সমস্ত কিছু জানাতে হবে এবং মাছগুলি স্থানীয় বাজার বা আরোতে অকশান করানোর সময় মালিকপক্ষ উপস্থিত থাকবে। কিন্তু, সহমৎস্য অধিকর্তা সেই সমস্ত কিছু না করেই নিয়ম না মেনেই নিজের ইচ্ছে মতন মাছ বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলে নিয়েছে। অন্যদিকে, টাকার অর্ধেক মালিকপক্ষকে দিতে হয়, সেই টাকাও তিনি দেননি। পাশাপাশি সংগঠনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়েছে আগামী সাত দিনের মধ্যে সহমৎস্য অধিকর্তা সেই টাকা ফেরত না দিলে তারা আইনি পথে কোর্টেও পর্যন্ত যাবে।

    কী বললেন সহ মৎস্য অধিকর্তা?

    তবে,এই বিষয়ে সহ-মৎস্য অধিকর্তা পিয়াল সর্দার বলেন, যেহেতু তিনি প্রথম থেকেই মৎস্যজীবীদের বেনিয়ম মেনে নিচ্ছেন না। কড়া হাতে সমস্ত কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। তাই পরিকল্পিতভাবে আমার নামে দুর্নীতির অভিযোগ চাপানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়ির মেয়রের ওয়ার্ডে চলছে মদ, জুয়ার ঠেক, প্রতিবাদ করলেই হামলা, কী করছে পুলিশ?

    Siliguri: শিলিগুড়ির মেয়রের ওয়ার্ডে চলছে মদ, জুয়ার ঠেক, প্রতিবাদ করলেই হামলা, কী করছে পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে খোদ মেয়র গৌতম দেবের ওয়ার্ডেই চলছে রমরমা মদ,জুয়ার আসর। শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যসেন কলোনি সহ বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সন্ধ্যা হতেই পাড়ায় পাড়ায় মদ,জুয়ার আড্ডা বসে। ফলে, সন্ধ্যা থেকে এলাকার সাধারণ মানুষ বিশেষ করে মহিলারা রাস্তায় বের হতে ভয় পান। চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন এলাকার মানুষ। সম্প্রতি, মদের ঠেক চালানোর প্রতিবাদ করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছেন এক এলাকার বেশ কিছু মানুষ। আর এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শিলিগুড়ির গৌতম দেব হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    মেয়রের ওয়ার্ডে মদ,জুয়ার আসর নিয়ে কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    সম্প্রতি মাটিগাড়ায় নাবালিকা ছাত্রীর খুনের ঘটনায় তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। একের পর এক অপরাধ ঘটে চলায় তিনি শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন,  শিলিগুড়ি শহরে  ড্রাগ তথা মাদকের রমরমা কারবার চলছে।  পুলিশ কমিশনার ঠাণ্ডা ঘরে বসে বেতন নিচ্ছেন। সেজন্যই শিলিগুড়ি শহরের এইঅবস্থা। রাজ্য সভাপতির অভিযোগের পরও টনক নড়েনি পুলিশ প্রশাসনের। মেয়রের ওয়ার্ডে রমরমিয়ে চলছে মদ, জুয়ার আসর। বিজেপির রাজ্য সভাপতি অভিযোগ যে ঠিক ছিল তা ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের এই ঘটনাতেই প্রমাণিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, খোদ মেয়রের ওয়ার্ডে যদি এরকম অবস্থা চলে তাহলে না জানি অন্য এলাকায় কী চলছে? নাবালিকাকে খুনের ঘটনার পরও পুলিশের কোনও হেলদোল নেই।

    কী বললেন মেয়র?

    দুষ্কৃতীদের হাতে ওয়ার্ডবাসী আক্রান্ত হওয়া প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার মেয়র গৌতম দেব বলেন, এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শিলিগুড়ি (Siliguri) এলাকায় এই ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। তবে, এনজেপি  লাগোয়া এলাকায় এ ধরনের ঘটনা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অন্যতম কারণ রেলের পরিত্যক্ত কোয়ার্টার।

    কী বললেন আরপিএফের এক আধিকারিক?

    এ ব্যাপারে এলাকার নাগরিকরা এনজেপিতে এডিআরএমকে লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। এনজেপি’-র আরপিএফের আইসি এসকে খান বলেন, রেলের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারগুলি যেখানে রয়েছে সেখানকার আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব দেখার দায়িত্ব জেলা পুলিশের। কাজেই এক্ষেত্রে রেলের করণীয় কিছু নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, কল্যাণীতে চাঞ্চল্য

    Kalyani: মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, কল্যাণীতে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকা এক পুলিশ কর্মীর রেল লাইনের ধার থেকে ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। বুধবার রাতে মদনপুর- কল্যাণী (Kalyani) স্টেশনের মাঝে রেল লাইনে ধার থেকে ক্ষতবিক্ষত মৃত উদ্ধার হয় ওই পুলিশ কর্মীর। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম ইসরাফিল সাহাজি। তার বয়স ৩০ বছর। তাঁর বাড়ি মদনপুর এলাকায়। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসরাফিল বুধবারই ডিউটি শেষ করে মদনপুরের বাড়িতে ফেরেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে বিকেলের দিকে বাড়ি থেকে তিনি হাঁটতে বের হন। স্থানীয় লোকজন তাকে বিকেলে এলাকায় শেষবার দেখেছে। সন্ধ্যার পর থেকে আর তার সঙ্গে কোনওভাবে যোগাযোগ করা যায়নি। তার পরিচিত সকলের সঙ্গে পরিবারের লোকজন যোগাযোগ করে। কিন্তু, কোথাও তাঁর হদিশ পাওয়া যায়নি। এরপরই রাতে থানার যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন পরিবারের লোকজন। তার আগে জিআরপি-র কাছে থাকা আসা ফোন পেয়ে ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবারের এক সদস্য বলেন, বাড়ি আসলে সাধারণত বিকেলে হাঁটতে বের হতেন। তবে, সন্ধ্যার আগেই বাড়ি ফিরে আসতেন। কিন্তু, এদিন তা হয়নি। তাই, তাঁকে ফোন করতেই আর তাঁর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। রাত বাড়তেই তিনি বাড়ি না ফেরায় আমরা চারিদিকে তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাই। কিন্তু, কোথাও তার হদিশ পাইনি। পরে, জিআরপি-র পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়। তারা কল্যাণী (Kalyani) -মদনপুর স্টেশনে রেল লাইনের ধার থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানায়। জানা গিয়েছে, ইসরাফিলের পকেটে পরিচয়পত্র রাখা ছিল। তা দেখেই জিআরপি তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরিবারে লোকজন গিয়ে দেহ সনাক্ত করেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকা পুলিশ কর্মীর এভাবে মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। পরিবারের লোকজন এই ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন। মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত  শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati:পানিহাটি হাসপাতালে দালাল চক্র! ডাক্তারের চেয়ারে বসে ওষুধের দোকানের মালিক

    Panihati:পানিহাটি হাসপাতালে দালাল চক্র! ডাক্তারের চেয়ারে বসে ওষুধের দোকানের মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ওষুধের দালাল চক্রের হদিশ মিলল। বিষয়টি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য  ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসকদের একাংশ এই দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ। ওধুষের দোকানের মালিকের কথা মতো চিকিৎসকরা ওষুধ লিখছেন। রোগীর পরিবারের লোকজন বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকারই এক ওষুধের দোকানের মালিক জরুরি বিভাগে এসে চিকিৎসকদের পাশে তাঁদের বলার চেয়ারে বসে রোগীদেরকে কি ওষুধ লিখছেন তা নজরদারি রাখছেন। মূলত তার দোকানে যে সমস্ত ওষুধ রয়েছে, সেই সব ওষুধ রোগীদের জন্য প্রেসক্রিপশনে লেখার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। আর খোদ ওষুধের দোকানের মালিকই  হাসপাতালে চিকিৎসকদের চেম্বারে বসে নজরদারি করায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রোগীর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, জরুরি বিভাগে লাইন দিয়ে রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসেন। কিন্তু, ওই ওষুধের দোকানের মালিক নির্দ্বিধায় হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে চিকিৎসকদের পাশে পাশেই বসে নজরদারি করেন। বাইরে কেউ আসলে অনেকেই তাকে চিকিৎসক ভাববেন। কিন্তু, তিনি দিব্যি হাসপাতালে ঢুকে দিনের পর দিন চিকিৎসকদের উপরে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন। মূলত চিকিৎসকদের লেখা প্রেসক্রিপশনে তার দোকানে থাকা ওষুধ লেখার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    কী বললেন হাসপাতালের সুপার?

    দালাল চক্রের সক্রিয়তা এতটাই বেড়েছে যে হাসপাতালে সুপারেরও বিষয়টি নজর এসেছে। হাসপাতালে সুপার শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। কেউ যেন জরুরি বিভাগর এসে চিকিৎসকদের পাশে বসে না থাকে তা দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন বিষয়টি নজরদারি করব। নিয়ম না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কী বললেন অভিযুক্ত ওষুধের দোকানের মালিক?

    যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওষুধের দোকানের মালিক দেবাশিস দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, এক মাসের ফিট সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য আমি হাসপাতালে এসেছিলাম। তবে চিকিৎসকের পাশে বসা আমার ঠিক হয়নি। আগে কখনো বসিনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। চিকিৎসকদের ওষুধ লেখার ব্যাপারে আমি কোন প্রভাবিত করি না। আমাকে বদনাম করার জন্য এসব করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: জন্মাষ্টমীতে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে কী কী আয়োজন রয়েছে, জানেন কী?

    ISKCON: জন্মাষ্টমীতে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে কী কী আয়োজন রয়েছে, জানেন কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫০ তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষ্যে মায়াপুর ইসকন (ISKCON) মন্দিরে শুরু হল জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান। সকাল থেকেই হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় ইসকন মন্দিরে। প্রতি বছরই এই দিনটিকে ধূমধাম করে বিভিন্ন ভক্তিমূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়।

    জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান নিয়ে কী বললেন ইসকনের (ISKCON) জনসংযোগ আধিকারিক?

    সকাল থেকেই দফায় দফায় চলে অনুষ্ঠান। রাতে অভিষেক হয় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মূর্তির। এদিন সকাল থেকেই মঙ্গল আরতি শুরু হয়। এরপর দিনভর চলে ভাগবত গীতা পাঠ। সন্ধ্যাবেলা চলবে মঙ্গল আরতি। আর এই আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে শুধু দেশের ভক্ত নয়, বিদেশের হাজার হাজার ভক্তরা অংশগ্রহণ করেন এদিন। এ বিষয়ে ইসকনের (ISKCON) জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন, সারাদিন ধরে বিভিন্ন ভাষায় চলবে ভাগবত পাঠ। সন্ধ্যা থেকে গুরু পূর্ণিমা এরপর ভগবান দর্শন প্রক্রিয়া চলবে। অন্যদিকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে দিনভর। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চরণে পুষ্পার্পণ করা হবে সমগ্র জাতির মঙ্গল কামনায়। তিনি আরও বলেন, এদিনের অনুষ্ঠানে মন্দিরে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চলছে বিভিন্ন পরীক্ষা। সকাল থেকেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠান দর্শন করার জন্য বহু ভক্তের সমাগম ঘটে। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসকন মন্দিরে ভক্তের অনেকটা ভিড় বেড়ে যায়।

    ভক্তরা কী বললেন?

    সমর ঘোষ নামে এক ভক্ত বলেন, আমি বাগবাজারে থাকি। বুধবারই আমি ইসকনে মন্দিরে চলে এসেছি। ভোর থেকে মন্দিরে রয়েছি। দিনভর নানা অনুষ্ঠানের মধ্যেই মন্দিরে (ISKCON) থেকে খুব ভাল সময় কাটবে। সুস্মিতা দাস নামে এক ভক্ত বলেন, প্রতি বছরই আমি এই অনুষ্ঠানে ইসকনে আসার চেষ্টা করি। আমার বাড়ি কালনায়। এদিন ভোরে মন্দিরে চলে আসি। সারাদিন মন্দিরে নানা ধরনের অনুষ্ঠান দেখে মন ভরে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মিনাখাঁ থেকে ১৬ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া যুবতীর খোঁজ মিলল, কীভাবে?

    North 24 Parganas: মিনাখাঁ থেকে ১৬ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া যুবতীর খোঁজ মিলল, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাজবুল্লা খাতুন মারা গিয়েছে। ১১ বছর বয়সে সে এক আত্মীয়ের হাত ধরে মিনাখাঁ থেকে দিল্লি পাড়ি দিয়েছিল। আর সে বাড়ি ফেরেনি। বহু খোঁজ করেছেন বাড়ির লোকজন। কিন্তু, আর হদিশ পাননি নাজবুল্লার। এরপর ১৬ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। অবশেষে বাড়ির লোকজনের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও ধরে নিয়েছিলেন আর নাজবুল্লা আর বেঁচে নেই। সেই ১৬ বছর আগে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁ থেকে হারিয়ে যাওয়া  যুবতীর হদিশ করল হ্যাম রেডিও।

    কী করে খোঁজ মিলল?

    ১১ বছর বয়সে কাজের খোঁজে সে এক আত্মীয়ের হাত ধরে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁ থেকে দিল্লি পাড়ি দিয়েছিল। তারপর আর তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। বাড়ির লোকজন বহুবার দিল্লি গিয়েছেন তার খোঁজে। কিন্তু, খালি হাতেই বার বার তাঁদের ফিরতে হয়েছে। হ্যাম রেডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে হ্যাম রেডিওর এক কর্মকর্তার কাছে। সেই ফোনে কথা বলেই  নাজবুল্লার হদিশ পাওয়া যায়। জানা যায়, ১১ বছরের ছোট্ট নাজবুল্লার বয়স এখন ২৭ বছর। এখন তিনি রাজস্থানে থাকেন। তিনি তিন সন্তানের মা। তাঁর নাম এখন রূপা মণ্ডল। তিনি এক জাঠ সম্প্রদায় যুবককে বিয়ে করেছেন। নাজবুল্লার স্বামী বলেন, বহু বছর আগে দিল্লি থেকে রাজস্থান ফেরার পথে  নিউ দিল্লি স্টেশনে হাউ হাউ করে কাঁদছিল নাজবুল্লা খাতুন নামে ওই মেয়েটি। একটি অসহায় মেয়েকে বাড়িতে স্থান দেব ভেবেই বাড়িতে নিয়ে এসে মার হাতে তুলে দিয়েছিলাম। পরবর্তীকালে মা মারা যাওয়ার পর মার কথা মতনই বিয়ে করলাম ওকে। তখন রেজিস্ট্রি করার জন্য আধার কার্ডের প্রয়োজন হয়ে পড়ল। একেকবার এক নাম বলছে দেখে আমি ঠিক করি রূপা মন্ডলই ওর নাম দেওয়া থাক। তাই ছোটবেলার নাজবুল্লা আজ রুপা। ওর বাড়়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। খুব শীঘ্রই আমরা যাব। আর নাজবুল্লা বলেন, ১৬ বছর পর বাড়ি ফিরব জেনেই খুবই আনন্দ লাগবে।

    কী বললেন হ্যাম রেডিও ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক?

    হ্যাম রেডিও ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অম্বরীশ নাগবিশ্বাস বলেন, নাজবুল্লার সঙ্গে কথা বলে ওর একজন আত্মীয়ের নামের কথা জানতে পারি। এরপর হ্যাম রেডিওর সদস্যদের সাহায্যে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁয় ওর বাড়ির হদিশ পাই। বাড়ির লোকজন জানেন নাজবুল্লা বেঁচে নেই। ১৬ বছর পর মোবাইল ভিডিও কলে কথা বলতে পেরে ফোনের ওপারে রাজস্থানে বসে নাজবুল্লা আর মিনাখাঁর বাড়িতে বসে পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। খুব শীঘ্রই দুই পরিবার এক হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: কোটিপতি প্রাক্তন পোস্টমাস্টার! তদন্তে পাঁশকুড়ার বাড়িতে ইডির তল্লাশি

    ED: কোটিপতি প্রাক্তন পোস্টমাস্টার! তদন্তে পাঁশকুড়ার বাড়িতে ইডির তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগে প্রাক্তন পোস্টমাস্টারের বাড়িতে তল্লাশি চালাল ইডি (ED)। গ্রাহকদের কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠল প্রাক্তন পোস্টমাস্টারের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই প্রাক্তন পোস্টমাস্টারের নাম লক্ষ্মণচন্দ্র হেমব্রম। রাত পর্যন্ত তল্লাশি চালায় ইডির তদন্তকারী দল। বিষয়টি জানাজানি হতেই পাঁশকুড়াজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ওই পোস্টমাস্টারের আদি বাড়ি পাঁশকুড়ার নস্কর দিঘিতে। তবে বর্তমানে তিনি পাঁশকুড়া পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিশাল জায়গা কিনে প্রাসাদোপম বাড়ি তৈরি করেছেন।

    গৃহশিক্ষক থেকে পোস্টমাস্টার হয়ে কোটিপতি!

    জানা গিয়েছে, লক্ষ্মণের বাবা, মা দিনমজুর ছিলেন। প্রথম জীবনে লক্ষ্মণ টিউশনি করতেন। পরে, ডাক বিভাগে চাকরি পান। ২০১৮ সালে লক্ষ্মণচন্দ্র হেমব্রম পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়নার রামচন্দ্রপুরে পোস্টমাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি ওই সময় বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কারণ, সেই সময় বিভিন্ন ক্লাব, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তিনি টাকা ঢালতেন। ওই সময়েই গ্রাহকরা পোস্টমাস্টারের বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি টাকার অর্থ তছরুপের অভিযোগ আনেন। অভিযোগ আসার পরেই ওই ব্যক্তিকে কোলাঘাটের নতুন বাজারের পোস্টমাস্টার হিসাবে নিযুক্ত করে বিভাগীয় দফতর। এরপর অর্থ তছরুপের অভিযোগের ভিত্তিতেই ২০১৯ সালে বিভাগীয় দফতর চাকরি থেকে অপসারিত করে তাঁকে। ২০২০ সালে অভিযোগের ভিত্তিতেই পাঁশকুড়া থানার পুলিশ প্রাক্তন পোস্টমাস্টারকে আটক করে। তবে, পরবর্তী সময়ে তিনি জামিনে মুক্ত হন। তবে, ওই পাঁচ কোটি টাকার তছরুপের অভিযোগে কেন্দ্রীয় সরকারের তদন্তকারী দল ইডি (ED) তদন্তের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে  থাকে। অসমর্থিত সূত্রের খবর, সম্প্রতি সিজিও কমপ্লেসে ডেকে পাঠানো হয় লক্ষ্মণকে। কিন্তু, তিনি যাননি। তাই মঙ্গলবার তদন্তকারী দল তার বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি শুরু করে। প্রথমে বাড়িতে প্রবেশ করে প্রত্যেকের মোবাইল নিজেদের হেফাজতে নেয়। তারপরেই পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সমস্ত খুঁটিনাটি দেখা হয়। রাত ন’টা পর্যন্ত চলে তল্লাশি।

    নিজের সম্পত্তি প্রসঙ্গে কী বললেন প্রাক্তন পোস্টমাস্টার?

    লক্ষ্মণ বলেন, ইডি (ED) আধিকারিকরা বাড়িতে এসে সমস্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। বলেছেন, কাগজপত্র সব ঠিক আছে। আমাকে ৮ তারিখ সিজিও কমপ্লেক্সে যেতে বলা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে যে আর্থিক অভিযোগ রয়েছে তা ঠিক নয়।

    ইডি হানা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পাঁশকুড়া থানার আইসি আশিস মজুমদার বলেন, কাউকে না জানিয়ে ইডি (ED) আসে। থানার কাছে কোনও তথ্য ছিল না। জানা গিয়েছে, ফের আগামী ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছে লক্ষ্মণকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share