Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Gang Rape: অশোকনগরে নির্যাতিতা যুবতীর পাশে বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী, কী বললেন?

    Gang Rape: অশোকনগরে নির্যাতিতা যুবতীর পাশে বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী, কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:এক যুবতীকে মাদক খাইয়ে একটি বাড়িতে গণধর্ষণের (Gang Rape) অভিযোগ ওঠে চার যুবকের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর এলাকায়। নির্যাতিতা যুবতীকে বারাসত জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার বারাসত হাসপাতালে সেই নির্যাতিতাকে দেখা করতে যান বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। এছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বারাসত সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন জেলা সভাপতি তাপস মিত্র সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

    বিজেপি নেত্রীকে হাসপাতালে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে

    এদিন তিনি নির্যাতিতার (Gang Rape) সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় বিজেপি নেত্রীকে হাসপাতালে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তারপরে বিজেপি নেত্রী সোজা চলে যান বারাসত হাসপাতালে সুপার সুব্রত মণ্ডলের কাছে। সেখানে গিয়ে ঢুকতে না দেওয়ার কারণে তিনি সুপারের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। কেননা, ওই নির্যাতিতার সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়, দেখা করা যাবে না। পরে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়, যদি নির্যাতিতার বাড়ির লোক দেখার অনুমতি দেয় তবেই তারা দেখা করতে পারবেন। এরপরই নির্যাতিতার মা এসে দেখা করার অনুমতি দিলে মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করেন।

    নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করে কী বললেন বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী?

    হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে বিজেপি নেত্রী ফাল্গুনী পাত্র বলেন, তথ্য প্রমাণ লোপাটের জন্যই আমাকে বাধা দেওয়া হয়েছে। যাতে নির্যাতিতা কিছু না বলতে পারে, তারজন্যই আমাদেরকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না।  ২০২১ সালে ওই মেয়েটির ভাইকে খুন করা হয়েছিল। তখন ওই পরিবারটি মধ্যমগ্রামে থাকত। তাঁর ভাইয়ের মৃত্যু রহস্যই থেকে গিয়েছে। কারা মেরেছে তা এখনও জানা যায়নি। এমনকি ময়না তদন্তের রিপোর্টটা পর্যন্ত বাড়ির লোককে দেওয়া হয়নি। নির্যাতিতার ভাই সুলভ পোদ্দার বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি ছিলেন। আমরা আলাদা করে তদন্তের দাবি জানাব। পাশাপাশি তার ভাই কীভাবে মারা গিয়েছে তারও তদন্তের দাবি জানাব এবং আমাদের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলে এর বিচার আমরা করব এবং প্রকৃত দোষী যারা তাদের শাস্তির দাবি জানাব। প্রসঙ্গত,পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিচিত এক ব্যক্তির কাছ থেকে নির্যাতিতা যুবতী টাকা ধার চেয়েছিলেন। সেই টাকা দেওয়ার কথা বলে ওই যুবতীকে ডেকে পাঠানো হয়। তারপরই চারজন মিলে যুবতীকে একটি ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ (Gang Rape) করে। রাত তিনটে নাগাদ অচৈতন্য অবস্থায় বছর চব্বিশের ওই তরুণীকে উদ্ধার করে অশোকনগর থানার পুলিশ। ওই নির্যাতিতার অভিযোগ, তাকে মাদক খাইয়ে বেহুঁশ করে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে অশোকনগর থানার  পুলিশ। ধৃতরা হল তন্ময় পাল, আকাশ চক্রবর্তী, টুকাই শিকদার ও গোপাল পাল। ধৃতদের প্রত্যেকের বাড়ি অশোকনগর এলাকায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ধূপগুড়ি উপনির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: ধূপগুড়ি উপনির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় মঙ্গলবার ধূপগুড়ির উপনির্বাচন হল। তবে, বেশ কয়েকটি বুথে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, পুলিশ বেশ কিছু জায়গায় আমাদের কর্মীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তাঁর বাড়িতে গত কয়েকদিন ধরে পুলিশ গিয়ে নানা ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

    বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পুলিশের বচসা প্রসঙ্গে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি? (Sukanta Majumdar) 

    ধূপগুড়ির প্রার্থীর সঙ্গে পুলিসের বচসার প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)  বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকাতে পরিষ্কার করে বলা রয়েছে, বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে কোনও পুলিশ ঢুকতে পারবে না। তাহলে পুলিশ ২০০ মিটারের মধ্যে ঢোকে কেমন করে? তাদের কে সাহস দিয়েছে? নিয়ম মানতে হবে, না হলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিশনের নিয়ম বলছে, বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে প্রার্থী ঢুকতে পারেন, কিন্তু, কোনও পুলিশ ঢুকতে পারবে না। পুলিশ মনে হয় ভোটারদেরকে প্রভাবিত করছে। আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

    শিক্ষক দিবস কীভাবে কাটালেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি? (Sukanta Majumdar) 

    শিক্ষক দিবসে ছাত্রদের কাছে কিছুটা সময় কাটালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মাটিতে বসে একই সাথে মিড ডে মিল খেলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট ব্লকের কাটনা আদিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ে এদিন শিক্ষক দিবস উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মুখ্য অতিথি ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সাথে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট টেলিভিশন অভিনেতা কৌশিক রায়। সুকান্ত মজুমদার সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। ছাত্র-ছাত্রীদের নাচ-গান উপভোগ করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে বসে মিড ডে মিল খান সুকান্ত মজুমদার। সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কলম উপহার দিয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমি একজন শিক্ষক। তাই আজ আমি সারাদিন ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কাটালাম। দুটো স্কুলে গিয়েছিলাম। কাটনা স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে বসে মিড ডে মিল খাওয়া, ছাত্ত্রীংদের সঙ্গে আলাপ করে শিক্ষক দিবস পালন করলাম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: খেজুরি পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতি গঠন ঘিরে ব্যাপক বোমাবাজি, বিডিও অফিসে ভাঙচুর

    Purba Medinipur: খেজুরি পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতি গঠন ঘিরে ব্যাপক বোমাবাজি, বিডিও অফিসে ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) খেজুরি ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতির নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেল। বিডিও অফিসে ঘটল শাসক দলের দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব। চলল ব্যাপক বোমাবাজি, ভাঙচুর করা হল অফিস এবং গাড়ি। আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কিছু বিজেপি কর্মী। স্থায়ী সমিতির গঠনকে নিয়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হওয়ায় ঝুলে রইল সমিতির নির্বাচন।

    ঘটনা কী ঘটেছে?

    খেজুরি (Purba Medinipur) ২ পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতি গঠন ছিল আজ। আর তাকে ঘিরে ব্যাপক বোমাবাজি, বিডিও অফিস এবং সরকারি গাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সেই সঙ্গে চলে বিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি। ফলে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকায়। খেজুরি ২ পঞ্চায়েত সমিতির ১৫ জন সদস্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খেজুরি ২ ব্লকের পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের পাঁচজন পঞ্চায়েত প্রধান, খেজুরির বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক ও কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারী। ঘটনাস্থলে ছিল প্রচুর পুলিশ, জল কামান। শাসক-বিরোধী রাজনৈতিক শোরগোলে শেষ পর্যন্ত স্থায়ী সমিতির নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেল।

    সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারীর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে আইনের শাসন নেই। শাসক দলের দৌরাত্ম্য চলেছে সর্বত্র। গায়ের জোর দেখিয়ে এলাকা (Purba Medinipur) দখল করতে চাইছে তৃণমূল। শাসক দল বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে শান্ত এলাকাকে অশান্ত করার অপচেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, একটি পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতি গঠনকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে, এলাকার মানুষের মনে ভয়ের বাতাবরণ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। মানুষ সবই দেখছেন। এরপর সাংবাদিকরা ভিতরে কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ শিশির অধিকারী আছেন বলে জিজ্ঞাসা করলে উত্তরে সৌমেন্দু বলেন, আইনশৃঙ্খলা মেনেই সব কাজ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না যায় সেই জন্যই আমরা আছি বলে জানান তিনি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    খেজুরি (Purba Medinipur) ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শ্যামল মিশ্র পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, বিজেপিকে উস্কানি দিয়ে গেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এখানে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং সহ সভাপতি তৃণমূলের, তাই তৃণমূলই পরিচালনা করবে এই পঞ্চায়েত সমিতিকে। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, স্থায়ী সমিতি গঠনের নামে বিজেপি সন্ত্রাস তৈরি করছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাংসদ শিশির অধিকারীকে এক কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে এখানে। তারপর ভোটাভুটি করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি করছে বিজেপি। বিজেপি ভয় পেয়ে এই আচরণ করছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    কাঁথির মহকুমার পুলিশ আধিকারিক সোমনাথ সাহা বলেন, বিডিও সাহবের উপরে আক্রমণ করা হয়েছে। অফিসে ভাঙচুরও হয়েছে। তবে কে বা কারা আক্রমণ করছে তাদের এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। তদন্ত শুরু হয়েছে, তবে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। বিল্ডিং এর বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে আপাতত। বিডিও সাহেবকে হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri By Election: ধূপগুড়িতে উৎসবের মেজাজে ভোট দিলেন চা-বাগানের শ্রমিকরা

    Dhupguri By Election: ধূপগুড়িতে উৎসবের মেজাজে ভোট দিলেন চা-বাগানের শ্রমিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মেজাজে ধূপগুড়ি (Dhupguri By Election) বিধানসভা উপনির্বাচনে ভোট হচ্ছে চা-বাগানগুলিতে। ধূপগুড়ি বিধানসভা এলাকায় সব চা-বাগানেই একই চিত্র। মঙ্গলবার সকাল থেকেই চাবাগানের শ্রমিকেরা বুথে গিয়ে লাইন দিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চা-বাগানের বুথগুলিতে ভোটারদের সংখ্যা বেড়েছে।

    উপনির্বাচনে (Dhupguri By Election) চা-বাগানের শ্রমিকদের সবেতন ছুটি?

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ধূপগুড়়ি আসনটি তৃণমূলের থেকে বিজেপি ছিনিয়ে নেয়। পঞ্চায়েতেও গ্রামীণ এলাকায় যেখানে ভোট হয়েছে বিজেপি ভাল ফল করেছে। ধূপগুড়ি চা বাগানের শ্রমিকদের পাট্টা দেওয়া নিয়ে রাজ্য সরকার টালবাহানা করছে বলে অভিযোগ। ফলে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে চা বাগানের শ্রমিকদের চাপা ক্ষোভ রয়েছে। ইতিমধ্যেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী চা বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দাবিদাওয়ার বিষয়টি শুনেছেন। স্বাভাবিকভাবে এই সব চা বাগানের শ্রমিকদের ভোট কোনদিকে পড়ে সেটাও মস্তবড় ফ্যাক্টর বলে রাজনৈতিক মহলে মত। ধূপগুড়ি (Dhupguri By Election) বিধানসভা এলাকায় ৫টি চা-বাগান রয়েছে। বানারহাট, মোগলকাটা, তোতাপাড়া, কারবালা এবং গেন্দ্রাপাড়া। যদিও এই পাঁচটি চা-বাগানের ভোটার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। তবুও, চা-বাগানের ভোট একটা ফ্যাক্টর বলে মনে করছে দুই পক্ষই। এদিন ভোট উপলক্ষ্যে বাগানগুলিতে সবেতন ছুটি দেওয়া হয়েছে শ্রমিকদের। রীতিমতো উৎসবের মেজাজেই ভোট হচ্ছে চা-বাগান গুলিতে।

    কী বললেন চা বাগানের শ্রমিকরা?

    ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে শান্তি ঝা, মঙ্গল ওরাও সহ একাধিক চা শ্রমিকদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকায় কয়েকদিন ধরেই টহল দিচ্ছিল। খুব শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট হচ্ছে দেখে ভাল লাগছে। কারণ, পঞ্চায়েতে অনেকে ভোট দিতে পারেনি। এবার সবাই বুথে এসে লাইন দিয়ে শান্তিতে ভোট দিতে পেরে বেশ ভাল লাগছে। অন্যদিকে, বেলা ১১ টার মধ্যেই বাগানগুলির বুথগুলিতে প্রায় ৫০% ভোট পড়ে গিয়েছিল। দুপুরের পর সেই সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই এলাকায় ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। উপনির্বাচনকে (Dhupguri By Election) কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তা ছিল সব বুথেই। নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পেরে বেশ আশ্বস্ত ভোটাররা। পঞ্চায়েত ভোটের স্মৃতি ভুলে এবার তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হওয়ায় তারা নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gram Panchayat Election:পঞ্চায়েত ভোটের পর ভাঙড়ে ফের ১৪৪ ধারা জারি, কোন কোন এলাকায় জানেন?

    Gram Panchayat Election:পঞ্চায়েত ভোটের পর ভাঙড়ে ফের ১৪৪ ধারা জারি, কোন কোন এলাকায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Gram Panchayat Election) সময় ভাঙড়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। আবারও ভাঙড়ে ১৪৪ জারি করল প্রশাসন। মূলত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়-২ ব্লকের কাশিপুর এবং কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করল প্রশাসন। তবে, গোটা ব্লক নয়, প্রতিটি পঞ্চায়েতের কেবল ২০০ মিটারের মধ্যেই এই ১৪৪ ধারা জারি থাকবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    কেন ১৪৪ ধারা জারি করা হল?

    মঙ্গলবার ভাঙড়-২ ব্লকের ১০টি পঞ্চায়েতে (Gram Panchayat Election)  উপ সমিতি গঠন রয়েছে। এজন্য প্রতিটি পঞ্চায়েতের ২০০ মিটারের মধ্যে কোনও জমায়েত, মিটিং, মিছিল করা যাবে না। আশঙ্কা করা হচ্ছে উপ সমিতি গঠন নিয়ে আবারও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে ভাঙড়। সেই কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে একদিনের জন্য ১৪৪ জারি করা হয়েছে। এজন্য এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ব্লকের ১০ টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ৯ টি পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে তৃণমূল। একমাত্র পোলেরহাট ২ পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে জমি কমিটি। ইতিপূর্বে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করার সময় আইএসএফের বিজয়ী সদস্যরা অনুপস্থিত ছিলেন। উপ সমিতি গঠনের সময় আইএসএফের পক্ষ থেকে পঞ্চায়েতে উপস্থিত থাকার কথা জানানো হয়েছে। ব্লকের ১০টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ৭টি পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকটি আসনে আইএসএফ জয়ী হয়েছে।

    আইএসএফ কর্মীকে কেন আটক করল পুলিশ?

    ভাঙড়ে পঞ্চায়েত ভোটে (Gram Panchayat Election) মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় একাধিক যে সব অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল, সেইসব ঘটনায় মাবুক আলি নামে এক আইএসএফ কর্মীকে বোমা হাতে দেখতে পাওয়া যায়। তারপর থেকেই পুলিশ সেই ছবি সংগ্রহ করে তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল। দীর্ঘদিন এলাকাছাড়া থাকলেও মঙ্গলবার যখন চালতাবেরিয়া পঞ্চায়েতের উপ সমিতির গঠনের জন্য আইএসএফের জয়ী সদস্যদের সঙ্গে সে এসেছিল, তখন তাকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। চালতাবেড়িযা গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে আইএসএফ কর্মী মাবুক আলিকে আটক করল কাশিপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ!

    Alipurduar: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে শতবর্ষ পুরনো জয়ন্তীর (Alipurduar) জনপদ। সব ঠিকঠাক এগোলে ২০২৫ সালের মার্চের আগেই ব্রিটিশ আমলে তৈরি জয়ন্তী গ্রামের কোনও অস্তিত্ব আর থাকবে না। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প রক্ষায় স্থানীয়দের সরাতে উদ্যোগী বন দফতর, দ্রুত ছাড়া হতে পারে বাঘ! বাঘের অভয়ারণ্যকে রক্ষা করতে স্থানীয়দের বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করে অন্যত্র সরানোর পরিকল্পনা করেছে বন দফতর। রাজি হয়েছেন এলাকার মানুষও। বাঘ ছাড়ার জন্য বন দফতর গত তিন বছরে কয়েক দফায় প্রায় হাজারের উপর হরিণ ছেড়েছে। এবার জনপদকে অভয়ারণ্য থেকে দূরে সরিয়ে বাঘেদের থাকার অনুকূল পরিবেশ নির্মাণে উদ্যোগী হয়েছে বন দফতর। এলাকার মানুষও এই পরিবেশ এবং জন্তুদের রক্ষায় সহমত জানিয়েছেন। আশা করা যাচ্ছে বক্সায় দ্রুত পর্যটকরা বাঘ দেখতে পারবেন।  

    সরানো হবে জয়ন্তীর জনপদ (Alipurduar)?

    বড় বড় সব সরকারি-বেসরকারি ডলোমাইট খননকারী কোম্পানি ছিল এখানে (Alipurduar)। এক সময় এখানে রেলপথও ছিল। ডলোমাইট কারখানা ছিল। আজ আর সে সবের কিছুই নেই! তাই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া সুন্দরী জয়ন্তী, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকা থেকে সরে যাবে। সোমবার এই মর্মে জয়ন্তীর বেশির ভাগ মানুষের সই করা ‘জয়ন্তী ভিলেজ রিলোকেশন ফর্ম’ জমা হয়েছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প অফিসে। বিষয়টি নিয়ে ২৬ অগাস্ট জয়ন্তীতে বৈঠক করে বন দফতর।

    সারানো হবে জয়ন্তী গ্রাম

    ওই বৈঠকে জয়ন্তী গ্রামকে (Alipurduar) বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় বন দফতর। জয়ন্তীর বেশির ভাগ মানুষ সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেছেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এর জন্য জয়ন্তীর প্রত্যেক পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। জয়ন্তীকে সরিয়ে নিতে খরচ হবে প্রায় ৭০ কোটি টাকা। তবে এর সবটাই দেবে কেন্দ্র। এছাড়া রাজ্য সরকার প্রত্যেক পরিবারকে ৫ ডেসিমেল করে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাসিমারার গুদাম ডাবরি এলাকায়, জয়ন্তী থেকে সরে যাওয়া পরিবারদের জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

    বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা বক্তব্য

    বিষয়টি নিয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা অপূর্ব সেন (Alipurduar)  বলেন, “ যে কোনও টাইগার রিজার্ভ থেকে বনবস্তিবাসীদের সরানোর জন্য এই প্যাকেজ গোটা দেশেই চালু রয়েছে। জয়ন্তী সহ বক্সাতে দুই একটি গ্রামের লোকেদের সাথে এই বিষয়ে আমাদের কথা হয়েছে। তাঁরা বন ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করে সরে যেতে চাইলে এই প্যাকেজ পাবেন।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী জয়ন্তীতে লোকসংখ্যা প্রায় ৭০০ জন। প্রায় ২০০ পরিবারের এই জনসংখ্যা দিন দিন কমছে। এই সব পরিবারের বেশির ভাগই জয়ন্তী থেকে সরে যেতে চাইছেন।

    স্থানীয় মানুষের বক্তব্য

    জয়ন্তীর (Alipurduar) স্থানীয় বাসিন্দা তপন দত্ত বলেন, “ জয়ন্তী দিন দিন শশ্মানে পরিণত হচ্ছে। এক সময় বাইরে থেকে মানুষ জয়ন্তীতে কাজ করতে আসতেন। এখন উল্টোটাই ঘটছে। জয়ন্তী নদী যে কোনও দিন এই জনপদকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সেই কারণে আমরা বন দফতরের প্যাকেজে রাজি হয়ে, এখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য লিখিতভাবে মত দিয়েছি।” জয়ন্তীর আরেক বাসিন্দা মনি কুমার লামা বলেন, “বনের ভিতর কোনও সুযোগ-সুবিধা নেই। আমাদের জীবন এভাবে কাটল। কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম এভাবে কেন থাকবে! বন দফতরের প্রচণ্ড কড়াকড়ি। এলাকায় কোনও কাজ নেই। নেই হাসপাতাল ও ভালো স্কুলও। ফলে শুধু পারিবারিক ভিটের আবেগে ভর করে আর এখানে থেকে কোআও লাভ নেই। সেই কারণে বন দফতরের প্যাকেজে আমরা রাজি হয়ে গেছি ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: ‘ধূপগুড়িতে গেরুয়া ঝড় হবে’, ভোট দিয়ে বললেন সদ্য তৃণমূলত্যাগী প্রাক্তন বিধায়ক

    Dhupguri: ‘ধূপগুড়িতে গেরুয়া ঝড় হবে’, ভোট দিয়ে বললেন সদ্য তৃণমূলত্যাগী প্রাক্তন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট দিলেন সদ্য তৃণমূলত্যাগী প্রাক্তন বিধায়ক মিতালি রায়। ভোট দিয়ে বেরিয়েই তিনি বললেন, ধূপগুড়িতে (Dhupguri) গেরুয়া ঝড় হবে। তৃণমূলের ফের ভরাডুবি হবে। মঙ্গলবার সকালে অন্যান্য ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিলেন তিনি।

    শাসক দলের প্রার্থীকে ভোট না দেওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন তৃণমূলত্যাগী প্রাক্তন বিধায়ক? (Dhupguri)

    এদিন ভোট দিতে এসে তিনি বলেন, মানুষ বিজেপির পক্ষেই রায় দেবেন। তৃণমূল সরকারের এই দুর্নীতি, ধূপগুড়ি (Dhupguri) পুরসভার দুর্নীতি, পঞ্চায়েত ভোটের সময় মানুষকে ভোট দিতে না দেওয়া, সব মিলিয়ে মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করবে এবারও। দুহাত ভরে মানুষ বিজেপিকে আশীর্বাদ করবে। ভোট দিতে এসেই ভোট কেন্দ্রের ভিতরের অব্যবস্থা দেখে চটে যান সদ্য বিজেপিতে যোগদানকারী প্রাক্তন বিধায়ক। ভোট কেন্দ্রের ভিতরে ইভিএমের সামনে পর্যাপ্ত আলো নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, ভোটারদের সমস্যা হচ্ছে। এর পিছনে তিনি সরাসরি চক্রান্তের অভিযোগ এনে বলেন, মানুষ যখন ভোট দিতে যাচ্ছে, তখনই আলোর সমস্যা হচ্ছে। যার ফলে সঠিকভাবে ভোট দিতে পারছে না। মানুষের ভোট সঠিক জায়গায় পড়ছে না। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করার জন্য প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে তিনি দাবি জানান। বুথের ভিতরে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর প্রিসাইডিং অফিসারের কাছ থেকে টর্চ নিয়ে এসে তিনি ভোট দেন। পাশাপাশি তিনি ভোটারদেরও বলেন, সঠিক আলো হলেই যেন তাঁরা ভোট দেন। এই বিষয়টি নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছেও অভিযোগ করেন।

    বুথের বাইরে জমায়েত নিয়ে কী বললেন প্রাক্তন বিধায়ক?

    বুথের বাইরে তৃণমূলের লোকজন জমায়েত করেছিলেন। সেই বিষয়ে মিতালি রায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে নালিশ করেন। পরে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে জমায়েত সরিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার জন্য তিনি সরাসরি তৃণমূলের দিকে আঙুল তোলেন। বলেন, বুথগুলির আলো, জল সব কিছুর বরাত পেয়েছে তৃণমূলের ছত্রচ্ছায়ায় থাকা কিছু ঠিকাদার। জমায়েত করে, বুথের ভিতরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না করে কারচুপি করে তৃণমূল জেতার চেষ্টা করছে। কিন্তু, এই সব করে লাভ হবে না কিছুই। ধূপগুড়ি (Dhupguri) উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী তাপসী রায়ই বিপুল ভোটে জিতবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদায় জামাইকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন, কেন জানেন?

    Malda: মালদায় জামাইকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মাসও বিয়ে হয়নি। এর মধ্যে স্ত্রী শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়িতে রয়েছেন। জামাই বাবাজীবন শ্বশুরবাড়ি আসতেই তাঁকে আদর আপ্যায়ন করার পরিবর্তে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে  মালদা (Malda) জেলার ইংরেজবাজার থানার বুধিয়া বিশ্বাসপাড়ায়।

    কেন জামাইকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হল? (Malda)

    মালদার (Malda) ইংরেজবাজার থানার বুধিয়া বিশ্বাসপাড়ার বাসিন্দা জুবেদা বিবির সঙ্গে ২৪ দিন আগে রতুয়া থানার সুলতানগঞ্জের বাসিন্দা আক্রম আলির বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের সময় ৯০ হাজার টাকা পণ দেওয়ার কথা হয়েছিল। কিন্তু, আর্থিক অবস্থা সচ্ছল না থাকায় পণের সম্পূর্ণ টাকা মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে দিতে পারেননি জুবেদা বিবির বাপের বাড়ির লোকজন। বিয়ের দিন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে বাকি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। বিয়ের দিনই পণের সব টাকা দিতে না পারার কারণে অনেক কথা শুনতে হয়েছিল। তবে, বিয়েবাড়িতে অন্য লোকজনের মধ্যস্থতায় বিয়ে হয়ে যায়। কিন্তু, বিয়ের পর থেকেই জুবেদার উপর মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচার শুরু হয়। শেষমেশ কয়েকদিন আগেই জুবেদা কাউকে কিছু না জানিয়ে বাপের বাড়ি চলে যান। সোমবার সন্ধ্যায় টাকার জন্য আক্রম আলি শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি স্ত্রীকে গালিগালাজ করতে থাকেন। পরে, তাঁকে মারধর করা হয়। মেয়েকে মারতে দেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জামাইকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখেন।

    স্বামীর প্রসঙ্গে কী বললেন স্ত্রী ?

    আক্রম আলির স্ত্রী জুবেদা বিবি বলেন, বাবার খুব বেশি রোজগার নেই। তবুও, পণের টাকা ধাপে ধাপে দিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। সেটা ওদের সহ্য হয়নি। বিয়ের কয়েক দিন পর থেকেই স্বামী আমার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাতে থাকে। আমাকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। আমার বাড়িতে এসে আমার উপর অত্যাচার করতেই এলাকাবাসী ঘরে বন্দি করে রাখে। থানায় বিষয়টি জানিয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: আরামবাগে সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Arambagh: আরামবাগে সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আরামবাগে (Arambagh) সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিল ১৫ টি সংখ্যালঘু পরিবার সহ শতাধিক কর্মী। আরামবাগের জেলা কার্যালয়ে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিধায়ক মধুসূদন বাগ। এমনিতেই আরামবাগ মহকুমা জুড়ে গত বিধানসভা ভোটের পর থেকে বিজেপির ভাল ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় এই এলাকায় বিজেপির সংগঠন আরও মজবুত হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    বিজেপিতে যোগদানকারীদের কী বক্তব্য? (Arambagh)

    বিজেপিতে যোগদানের পর যোগদানকারীরা বলেন, তৃণমূল দুর্নীতিগ্রস্ত দল। তারা এলাকায় কোনও উন্নয়ন করেনি। বরং, রাস্তাঘাটের জন্য বরাদ্দ টাকা পকেটে পুড়েছে তৃণমূলের নেতারা। দিনের পর দিন বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। পাশাপাশি তাঁরা আরও বলেন, এনআরসি-র কথা বলে আমাদের মনে ভয় ঢোকানো হয়েছিল। বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছিল। আমরা তো ভারতীয়, তাই আমাদের কোনও সমস্যা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে বিজেপি। ফলে, তৃণমূল এতদিন আমাদের ভুল বুঝিয়ে আসছিল। ভুল ভাঙতেই আমরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। আর আরামবাগ (Arambagh) এলাকার উন্নয়নের বিষয়টি তো রয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এ নিয়ে বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে এই ভুল ভেঙেছে। সবকা সাথ সবকা বিকাশের কথা মানুষ বুঝতে পারছে। সে জন্যই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সংখ্যালঘুরা বিজেপির ছাতার তলায় আসছে। তৃণমূল এতদিন তাঁদের ভুল বুঝিয়ে নিজেদের ভোট ব্যাঙ্ক করে রেখেছিল। সেটা তারা বুঝতে পেরেই আমাদের দলে যোগ দিয়েছে। আগামীদিনে আরও অনেকেই আমাদের দলে আসবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই যোগদানের প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, বিজেপি টাকা পয়সার লোভ দেখিয়ে কিছু লোকজনকে দলে টানছে। পতাকা ধরিয়ে নাটক করছে। যাঁরা যাচ্ছেন তাঁরা নিজেরাই পরে ভুল বুঝতে পেরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: দলের সভায় যাওয়াও ‘অপরাধ’! বারুইপুরে বাঁশ, রড, লাঠি দিয়ে মার বিজেপি কর্মীকে

    South 24 Parganas: দলের সভায় যাওয়াও ‘অপরাধ’! বারুইপুরে বাঁশ, রড, লাঠি দিয়ে মার বিজেপি কর্মীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সভায় যাওয়ার ‘অপরাধে’ বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর (South 24 Parganas) থানার বেদবেরিয়া বিদ্যাধরী পল্লিতে। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে এলাকায়। শাসক দলের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল?

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুরুতর আহত বিজেপি কর্মী খোকন বিশ্বাস। গতকাল বিজেপির একটি সভায় গিয়েছিলেন তিনি। আর সেই অপরাধেই আজ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা বিজেপির এই কর্মীর উপর চড়াও হয়। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাঁশ, রড, লাঠি সহ একাধিক অস্ত্র দিয়ে তাঁকে মারধর করতে থাকে। আর তা দেখতে পেয়ে, তাঁর স্ত্রী ও মা বাঁচাতে এলে তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতা হীরেন রায়।

    আহত বিজেপি কর্মীর বক্তব্য (South 24 Parganas)

    আহত বিজেপি কর্মীর অভিযোগ, এলাকায় হীরেন রায় দুষ্কৃতীদের প্রত্যক্ষ মদত দিচ্ছে। বিজেপি করার অপরাধেই তাঁকে হুমকি এবং বেপরোয়া মারধর করা হয়। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে ঘুটিয়ারি শরিফ হাসপাতলে নিয়ে যায়। এরপর তাঁর অবস্থার অবনতি হলে, তাঁকে বারুইপুর (South 24 Parganas) মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসক।

    থানায় দায়ের অভিযোগ

    আহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় বারুইপুর (South 24 Parganas) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগেও একাধিকবার দেখা গেছে বিরোধী দল করার অপরাধে শাসকদলের নেতাকর্মীরা বিরোধী কর্মীদের মারধর করে কন্ঠরোধ করার চেষ্টা করেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর্ব থেকে এই ঘটনা আরও বেশি করা দেখা গেছে। এবার সেই ছবি আরও একবার প্রকাশ্যে এল বারুইপুরে।

    বিধায়কের বক্তব্য

    তবে এই বিষয়ে বারুইপুর (South 24 Parganas) পূর্বের বিধায়ক বিভাস সর্দার জানান, এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস কোনও ভাবেই জড়িত নয়। বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি। স্থানীয় বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশ-প্রশাসন এই ঘটনায় যদি কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share