Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Governor CV Ananda Bose: হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন রাজ্যপালের, শাহের মন্ত্রককে রিপোর্ট দেবেন বোস

    Governor CV Ananda Bose: হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন রাজ্যপালের, শাহের মন্ত্রককে রিপোর্ট দেবেন বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো ভোটার বা আধার কার্ড তৈরি করে ভারতের যে কোনও প্রান্তে থাকলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন করে এমনটাই জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। তিনি জানান, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিদের পুশব্যাক এবং বর্তমানে হাকিমপুর সীমান্তের কী অবস্থা তা নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা হবে। শুধু হাকিমপুর নয় মুর্শিদাবাদেও যাবেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। যে সীমান্তগুলি তিনি ঘুরে দেখবেন, সেখানকার পরিস্থিতি দেখে তৈরি করা হবে রিপোর্ট। এই রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে জমা করবেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠাবেন রাজ্যপাল

    রাজ্যে এসআইআর শুরু হতেই সম্প্রতি শিরোনামে আসে হাকিমপুর সীমান্তের চিত্র। প্রচুর মানুষকে ব্যাগ গুছিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্তে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। সংবাদমাধ্যমের সামনে অনেকেই বলেছেন, তাঁরা অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। অনেকেরই কাছেই ভোটার, আধার কার্ড আছে, সরকারি সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন রাজ্যে। এমনকী খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সেখানে আক্রমণের মুখেও পড়তে হয় সংবাদমাধ্যমকে। এই আবহে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যপাল। হাকিমপুরের সীমান্ত চৌকি, বিএসএফ ক্যাম্প, স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। তবে সেই বৈঠকে অনুপ্রেবশ সংক্ৰান্ত কী কী বিষয় উঠে এসেছে, তা নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি রাজ্যপাল।

    হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শনে রাজ্যপাল

    হাকিমপুরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যপাল বলেন, ‘যাঁরা এই ধরনের ফেক ভোটার কার্ড ব্যবহার করছেন বা অনৈতিক ভাবে ভোটার বা আধার কার্ড বানিয়েছেন, তাঁরা অপরাধী। তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এদিন রাজ্যপাল হাকিমপুর চেকপোস্টে নেমে ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তারপর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের অংশে বিএসএফের তাৎপরতা এবং নজরদারি পরিদর্শনে যান। বিএসএফ সূত্রে খবর, কতজন বাংলাদেশিকে এখনও পর্যন্ত ওপারে পাঠানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে কতটা পুলিশ সাহায্য করছে, কীভাবে বাংলাদেশিরা গিয়ে হোল্ডিং এরিয়ায় কাছে ভিড় করছে, তাদের কতদিনের বসবাস- এই ধরনের একাধিক বিষয় রাজ্যপাল বিএসএফ আধিকারিকদের কাছ থেকে জেনে নেন। রাজ্যপালের (Governor CV Ananda Bose)সফরকে কেন্দ্র করে স্বরূপনগর থানার বিথারী হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাকিমপুর সীমান্তে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়। ১৪৩ নম্বর ব্যাটালিয়ান বিএসএফের ডিআইজি, সিও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন।

  • Suvendu on SIR: ‘‘জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে’’, রাজ্যে এসআইআর সফল করার ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu on SIR: ‘‘জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে’’, রাজ্যে এসআইআর সফল করার ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর নিয়ে ফের একবার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) বিঁধলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর কথায়, তৃণমূল আদতে কোনও দলই নয়। অবৈধ ভোটাররা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক। জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল। তাই এই দলটাকে ছেড়ে এসেছেন তিনি। মথুরাপুরে (Mathurapur) বিজেপির সভায় উপস্থিত হয়ে এমনই দাবি করেন শুভেন্দু (Suvendu on SIR)। একই সঙ্গে রাজ্যবাসীর কাছে এসআইআর সফল করার আহ্বান জানান।

    তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক

    সীমান্তে গত কয়েকদিন ধরে ভিড় দেখা যাচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের। এসআইআর শুরু হওয়ার পর একে একে অনেকেই বাংলাদেশ ফিরে যাচ্ছেন। সেই আবহে এদিন মন্দিরবাজারের সভা থেকে এসআইআর সফল করার ডাক দেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu on SIR) বলেন, “অবৈধ রেশন কার্ড, অবৈধ ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে। কয়েকদিন আগে আমি বলেছিলাম, গর্তে কার্বোলিক অ্যাসিড ঢেলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পিলপিল করে সাপেরা বেরিয়ে আসছে। এই সন্দেশখালিতে দেখুন, শাহজাহান জেলের ভিতরে থেকে…কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা জেল…মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মাছ-মাংস খেয়ে…ওখান থেকে ফোনে ফোনে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নির্দেশ দিচ্ছেন, বিএলওকে কী ভাষা! আজ, এসআইআর সফল করুন আপনারা। কী হিন্দু, কী ভারতীয় মুসলিম একযোগে এসআইআর সফল করুন। নইলে এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে। খাদ্য জিহাদ।” বিজেপি আগে থেকেই দাবি করে আসছে যে, এসআইআর হলে মৃত এবং ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ যাবে যা আদতে তৃণমূল ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে কাজে লাগিয়েছে।

    খাদ্য-জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ

    মথুরাপুরে (Mathurapur) বিজেপির সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu on SIR)। সেই সভামঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, এক সময় তৃণমূল দলকে ছুড়ে ফেলে এসেছেন তিনি। এটা কোনও দলই নয়! শুভেন্দুর কথায়, ”আমি যদি সেদিন নন্দীগ্রামের মানুষকে নিয়ে লড়াই না করতাম তাহলে দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেতেন। মুখ্যমন্ত্রী হতে হত না।” স্পষ্টত এই মন্তব্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করেছেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গারা ঢুকে ন্যায্যদের রেশন ছিনিয়ে নিচ্ছে। এটাই খাদ্য জিহাদ (Food Jihad)। তারা পরপর জমি দখল করে নিচ্ছে, ল্যান্ড জিহাদ। বিধায়কের বক্তব্য, এইভাবে চলতে থাকলে গোটা রাজ্যটাই (West Bengal) এদের দখলে চলে যাবে। তাই সকলের উচিত, একজোট হয়ে এসআইআর-কে সমর্থন করা এবং তৃণমূল সরকারের অবসান ঘটাতে সাহায্য করা।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে বাংলায় বাদ অন্তত ১০ লক্ষ নাম! কী বলছে কমিশন?

    SIR in Bengal: এসআইআরে বাংলায় বাদ অন্তত ১০ লক্ষ নাম! কী বলছে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal)-এ আপাতত ১০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ওই সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে বলে কমিশনের প্রাথমিক ধারণা। বাদ পড়ার ক্ষেত্রে শতাংশের বিচারে উত্তর কলকাতা এগিয়ে রয়েছে। এসআইআর (SIR) শুরুর পর কমিশন জানিয়েছিল, বর্তমানে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্য়া ৭ কোটি ৬৬ লক্ষের অধিক। ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার কাজ চলছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে মোট ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ফর্ম। আর এখনও পর্যন্ত ১০ লক্ষ ৩৩ হাজার ভোটার তাঁদের ফর্ম সংশ্লিষ্ট বুথের বিএলওর কাছে জমা দেননি।

    সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত ভোটার

    সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল সাংবাদিক বৈঠকে জানান, এখনও পর্যন্ত ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের পর ১০ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের ভিত্তিতে যে দশ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে, তার মধ্যে সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত ভোটার। এছাড়া স্থানান্তরিত ভোটারও রয়েছেন। আবার অনেকে এনুমারেশন ফর্ম নেননি। কিংবা নিলেও বিএলও-কে ফর্ম জমা দেননি। উত্তর কলকাতায় ১০ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। কিছুদিন আগে আধার কর্তৃপক্ষ সিইও-কে জানিয়েছিল, রাজ্যের ৩৪ লক্ষ মৃতের আধার নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, প্রতি বছর ভোটার তালিকা আপডেটের জন্য সামারি রিভিশন হয়। সেখানেও অনেক মৃত ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।

    মোট কতজন ভোটারের নাম বাদ

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রতি দিনই তথ্য আসছে। আপাতত বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-দের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসেব মিলেছে। তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ফর্ম বিলি করতে গিয়ে এই তথ্য পেয়েছেন। সব এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) জমা হওয়ার পরে চূড়ান্ত হিসেব পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ার সংখ্যা যে অনেক বেশি হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। প্রথমে বুথে বুথে বিএলও-রা ফর্ম বিলি করেছেন। পরে পূরণ করা ফর্ম তাঁরা সংগ্রহ করেছেন। সেই সময় বিএলও-রা তথ্য পেয়েছেন, কাদের কাদের ফর্ম পূরণ না হয়েই ফেরত এল। এই ১০ লক্ষের মধ্যে ৬.৫ লক্ষ মৃত ভোটার রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছেন একাধিক জায়গায় নাম, স্থানান্তরিত এবং নিরুদ্দেশ ভোটারও। কমিশন সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহের মধ্যে পুরো তথ্য চলে আসার কথা। তখন এই সংখ্যাটি কত দাঁড়ায় তা দেখার। ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের তালিকা থেকে মোট কত নাম বাদ পড়ল তা জানা যাবে খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।

    ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি

    কমিশন (Election Commission) জানাচ্ছে, ২৪ নভেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে ৯৯.৭৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়েছে। খুবই অল্প সংখ্যক ফর্ম বিতরণ বাকি রয়েছে। পূরণ করা ফর্ম ডিজিটাইজ করা হয়ে গিয়েছে ৪ কোটির বেশি (৫৯.৪ শতাংশ)। এখনও পর্যন্ত ওই কাজ চলছে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘‘আমরা ভোটারদের কাছে অনুরোধ করেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এনুমারেশন ফর্ম জমা দিন। ৪ ডিসেম্বর শেষ দিন, তার কোনও পরিবর্তন হয়নি।’’ কমিশনের তথ্য বলছে, এখনও প্রায় ২ লক্ষ মানুষের হাতে ফর্ম পৌঁছনো বাকি। মোট ভোটারের ২.৫ শতাংশের ম্যাপিং-ও বাকি রয়েছে। হাতে এখনও এক সপ্তাহের বেশি সময় রয়েছে। দ্রুত কাজ চলছে বলে জানান মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক।

    কোন জেলায় কী রকম কাজ

    কমিশনের (Election Commission) তরফে আরও জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত এসআইআরের যা কাজ হয়েছে, তাতে রাজ্যের পাঁচটি জেলা এগিয়ে রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানে ৬৬.৪৭ শতাংশ, আলিপুরদুয়ারে ৬৬.৪১ শতাংশ, উত্তর দিনাজপুরে ৬৫.৪৩ শতাংশ, মালদহে ৬৬.২৩ শতাংশ এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ৬৫.২৭ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভাল কাজ হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার গোসাবায়। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১২১ জন বিএলও। ইতিমধ্যেই ১০০ শতাংশ কাজ সেরে ফেলেছেন। বিএলও-দের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের মুখে। তিনি বলেন, ‘‘বিএলও-রা প্রচুর কাজ করছেন। তাঁরাই এসআইআরের হিরো!’’

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি

    এসআইআর (SIR in Bengal) পর্বে বার বার রাজ্যে  ‘অনুপ্রবেশ’ -এর কথা বলেছে বিজেপি। রবিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফের দাবি করেছেন, এসআইআর হলে এক কোটি ভোটারের নাম বাদ যাবে। তাতে মৃত ভোটার, একাধিক জায়গায় থাকা এক নামের পাশাপাশি বাদ পড়বেন অনুপ্রবেশকারীরাও।

  • Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সম্পর্কে জামাই। অথচ ভোটার কার্ডে তাঁকে দেখানো হয়েছে ছেলে হিসেবে। আর মেয়ের জৈবিক বাবাও তিনি। যার অর্থ দাঁড়ায়, এই (Suvendu Adhikari) পরিবারে বিয়ে হয়েছে ভাই-বোনের মধ্যেই (SIR)। আজ্ঞে না, বাবার নামের জায়গায় শ্বশুরের নাম দিয়ে দিব্যি বানানো হয়েছে ভোটার কার্ড। এসআরএরের গুঁতোয় এমন ঘটনাই প্রকাশ্যে এল।

    শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড (Suvendu Adhikari)

    ঘটনাটি খুলে বলা যাক। রাজ্যে এসআইআর চালু হতেই ভারতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা হাকিমপুরের মতো সীমান্ত দিয়ে পিলপিল করে পালাতে শুরু করেছে। এই সময়ই ঝুলি থেকে বের হচ্ছে একের পর এক বেড়াল। তবে শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড বানানোর জালিয়াতির পর্দা ফাঁস করে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে নিশানা করে দীর্ঘ একটি পোস্টও করেছেন শুভেন্দু। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘এসআইআরের ধাক্কায় শ্বশুর যখন বাবা’। এর স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে ভোটার তালিকার ছবিও দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা একজনই

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভোটার তালিকায় স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা যে একজনই, এসআইআরের দৌলতে তা-ও দেখতে হচ্ছে। যদিও বঙ্গেশ্বরীর রাজত্বে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। এসআইআর চালু হওয়ার পরে এ রাজ্যে নিত্য নতুন রঙ্গ তামাশা দেখছে জনগণ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার রামনগর (Suvendu Adhikari) গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৬৫ নম্বর বুথের ভোটার মণিরুজ্জামান মণ্ডল ও আর্জিনা মণ্ডল স্বামী-স্ত্রী। মণিরুজ্জামান ওই বুথেরই তৃণমূল নেতা, আর আর্জিনা আইসিডিএস কর্মী এবং তৃণমূল কর্মী। তাঁদের দু’জনের পিতার নামই মিজানুর মণ্ডল। জানা গিয়েছে, আর্জিনার জন্মদাতা হলেন মিজানুর। ওই বুথটি আবার রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বাসুদেব ঘোষের বুথ। এই বাসুদেবের ছেলেই আবার ওই বুথের বিএলও। মনিরুজ্জামান আবার বাসুদেবের ডানহাত বলে এলাকায় পরিচিত। অভিযোগ উঠেছে, এই বিএলও-ই কারসাজি করে মণিরুজ্জামান ও মিজানুরকে ম্যাপিংয়ে বাবা ও ছেলে হিসেবে দেখিয়েছেন।” তিনি লেখেন, “দিকে দিকে ভাড়া করা বাবা-মায়ের ছড়াছড়ি (SIR)। সঠিকভাবে এসআইআরের কাজ সম্পন্ন হলে এই ধরনের ভুয়ো ভোটার ধরা পড়বে (Suvendu Adhikari), পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যাও কমে যাবে।”

     

  • PM Modi: এবার লক্ষ্য বঙ্গ, ডিসেম্বরেই নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: এবার লক্ষ্য বঙ্গ, ডিসেম্বরেই নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঙ্গ জয় হয়ে গিয়েছিল। জয় হয়ে গিয়েছে কলিঙ্গও। এবার বিজেপির শ্যেনদৃষ্টি পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal)। সেই কারণেই শুরু হয়ে গিয়েছে জমি তৈরির কাজ। আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (PM Modi)। তবে কবে ভোট ঘোষণা হবে, সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে রাজি নয় পদ্ম শিবির। তার ঢের আগেই রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার-অভিযান শুরু করে দিচ্ছেন দলের কান্ডারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ডিসেম্বর মাস থেকেই বস্তুত বাংলা চষে বেড়াবেন প্রধানমন্ত্রী। এই মাসেই কয়েকটি জনসভা করবেন তিনি। তবে কেবল প্রধানমন্ত্রী কিংবা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মতো হেভিওয়েটদের দিয়ে জনসভাই নয়, জনসংযোগের জন্য দলের পরম্পরাগত কর্মসূচি রথযাত্রাও করতে চলেছে বিজেপি। রাজ্যের পাঁচটি প্রান্ত থেকে সূচনা হবে পাঁচটি রথযাত্রার।

    ১৪ থেকে ১৫টি জনসভা (PM Modi)

    সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হতে চলেছে ১ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ওই মাসেরই ১৯ তারিখ পর্যন্ত। এই অধিবেশন চলাকালীনই কোনও শনিবার কিংবা রবিবার বঙ্গ সফরে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ডিসেম্বর মাস থেকে শুরু করে নির্বাচনের প্রচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ রাজ্যে ১৪ থেকে ১৫টি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। পদ্মশিবির সূত্রে খবর, সম্ভাবনাময় এলাকা বেছে বেছে সভার আয়োজন করা হবে। বিজেপির এক নেতা বলেন, “সম্ভাবনাময় আসন মানে আমাদের জেতা এলাকাগুলির কথা বলা হচ্ছে, এমন নয়। যেসব এলাকায় আমরা পাশাপাশি একাধিক আসনে অল্প ভোটে হেরেছি বা পিছিয়ে থেকেছি, যেসব এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল বাড়াতে পারলে ভোটের ফল ঘুরে যাবে, সেগুলিকেই সম্ভাবনাময় হিসেবে ধরা হচ্ছে। সেই সব এলাকা বেছে বেছে পাঁচ বা তার চেয়েও বেশি বিধানসভা আসনের জন্য এক একটি জনসভা বরাদ্দ করা হতে পারে (West Bengal)।”

    প্রথম জনসভা কোথায়

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কোথায় হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে নদিয়া জেলার কোনও অংশে হতে পারে এই দফার প্রথম জনসভাটি। মে এবং অগাস্ট মাসে এ রাজ্যে তিনটি জনসভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমটি উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে, দ্বিতীয়টি রাঢ়বঙ্গের দুর্গাপুরে। আর তৃতীয়টি দমদমে। তখনই একপ্রকার স্থির হয়ে গিয়েছিল, পরের সভাটি হবে রানাঘাট বা পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। যদিও, বিজেপি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সভার তারিখ এবং জায়গা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ডিসেম্বরের শেষ থেকে বঙ্গ সফর শুরু করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও (PM Modi)।

    অকাল রথযাত্রা

    যেমন চূড়ান্ত হয়নি বঙ্গে রথযাত্রার কর্মসূচির নির্ঘণ্টও। তবে আগামী দু’-এক দিনের মধ্যে দিল্লিতে সর্বভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের। সেই বৈঠকেই রথযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে কথা হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পাঁচটি সাংগঠনিক জোনের প্রতিটি থেকে একটি করে রথযাত্রা হবে (West Bengal)। রথাযাত্রার সূচনা হবে উত্তরবঙ্গ, রাঢ়বঙ্গ, নবদ্বীপ, কলকাতা এবং হাওড়া-হুগলি-মেদিনীপুর – এই পাঁচটি অঞ্চল থেকে। প্রতিটি যাত্রার সূচনায়ই থাকতে পারেন একজন করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলায় এর আগেও ভোটের মুখে রথাযাত্রা বের করেছিল বিজেপি। এবার যে পাঁচটি অঞ্চল থেকে রথ বের করার কথা ভাবা হচ্ছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেও ওই এলাকাগুলি থেকেই বের হয়েছিল রথ। সেই মতোই এবারও পথে নামবে পদ্ম-রথ (PM Modi)। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, আগামী মাসের ১৩ বা ১৪ তারিখ হবে শনি ও রবিবার। তাই এই দু’টি দিনের কোনও একটিতে বঙ্গ সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, আরামবাগে হতে পারে প্রথম জনসভাটি। এজন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। প্রধানমন্ত্রীর দফতর নিশ্চিত করলে তবেই ওই দু’দিনের মধ্যে একদিন বাংলায় জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (West Bengal)।

    আগামী মাসেই নয়া রাজ্য কমিটি

    এদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের ঢের আগেই নয়া রাজ্য কমিটি ঘোষণা করতে চলেছে বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে আগামী মাসেই তা ঘোষণা হতে পারে বলে বিজেপির একটি সূত্রের খবর। ১৯ ডিসেম্বর সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হওয়ার পর কলকাতায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর উপস্থিতিতেই নয়া রাজ্য কমিটির সদস্যদের নিয়ে বর্ধিত বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠকেই বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে দলীয় নেতৃত্বকে পরামর্শ দিতে পারেন শাহ (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে তুলনায় ভালো ফল করেছিল বিজেপি। পদ্ম চিহ্নে জয়ী হয়ে বিধানসভায় গিয়েছিলেন ৭৭ জন। পরে তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন জনাদেশ অবজ্ঞা করে জার্সি বদলে ভিড়ে যান তৃণমূলের শিবিরে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, শাসক দলে থাকলে ‘কামানো’র সুযোগ থাকে। তাই এক দলের (West Bengal) টিকিটে জিতে অন্য দলে যোগ দিয়েছে হাওয়া মোরগের দল (PM Modi)!

  • Suvendu Adhikari: “রাজ্যের মুসলিমদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা”, কাঁথিতে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “রাজ্যের মুসলিমদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা”, কাঁথিতে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এদিকে এসআইআরে বিরাট সংখ্যায় জাল ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতির পারদ চরমে। এমনই আবহে কাঁথির পরিবর্তন যাত্রায় একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তুলোধনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামের বিধায়ক জানান, তোষণের রাজনীতি রাজ্যে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলের শাসনে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। রাজ্য থেকে শিল্পকে তাড়িয়েছেন খোদ মমতা। সীমান্তে অবৈধ বাংলাদেশির ভিড় বাড়ছে। আর তৃণমূল কংগ্রেস নিজের ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। তাঁর মতে, আরজি করের বিচার পেতে বিজেপিকে আনতে হবে। মুসলিমদের তেজপাতার মতো ব্যবহার করছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    আর মাত্র ২ মাস! দেখে নেব (Suvendu Adhikari)

    পরিবর্তন সংকল্প যাত্রায় শুভেন্দু, মমতাকে (Mamata Banerjee) আক্রমণ করে বলেন, “বাংলায় কর্মসংস্থান নেই, শিল্প কলকারখানা নেই। বাংলার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বদল আনতে হবে। রাজ্যে নারী নির্যাতন বন্ধন করতে বিজেপির শাসন চাই। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকে দেখুন। সরকার কতটা দায়িত্বশীল তা দেখে শিখতে হবে। ছত্তিশগড়ে ৩১০০ টাকায় ধান কেনা হচ্ছে। রাজস্থানে ২৫ লক্ষ টাকা চিকিৎসা ফ্রি। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। হরিয়ানায় ২ লক্ষ ৫৫ হাজার সরকারি শূন্যপদ পূরণ করা হয়েছে। হাতে কাজ, পেতে ভাত এবং মাথায় ছাদ দিতে পারে একমাত্র বিজেপি সরকার। যোগ্যতা এবং মেধা অনুযায়ী চাকরি একমাত্র দিতে পারবে বিজেপি সরকার। ২০১১ সালে টাটাকে রাজ্য থেকে তাড়িয়েছে। টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি করেছে তৃণমূল সরকার। আর মাত্র ২ মাস, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের পর এই সরকার আর কোথায় থাকবে তা দেখে নেব আমরাও।”

    সব ভারতীয়র নাম ভোটার তালিকায় থাকবে

    এদিন আবার ভগবানপুর থেকে মুসলিম সামজের মানুষকে বার্তা দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আপনাদের আমাদের মতো জয় শ্রী রাম বলতে হবে না। ভারতমাতা কি জয় বলুন। বন্দে মাতারম বলুন। জয় হিন্দ বলুন। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্রবাদ, দেশপ্রেম, উন্নয়ন এবং যোগীর সুরক্ষানীতি-সুশাসনকে বাংলায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তৃণমূল আপনাদের তেজপাতা করে রেখে দিয়েছে। এই মুহূর্তে মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি ভোট পায় তৃণমূল। আপনারা আমাদের ভোট দেন না জানি। আমরা আপানাদের বিরোধী নই। সব ভারতীয়র নাম ভোটার তালিকায় থাকবে। এটাই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। আমি আহ্বান করেছি রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের, আপনারা আসুন। আপনাদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তরকারিতে লাগে কিন্তু খাওয়া যায় না।”

    বাংলার ভোট নিয়ে ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর কথা আগেই ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি এবার ভবানীপুরেও হারাবো। কেউ ভয় পাবেন না, আমি শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধীদল নেতা। মমতাকে আমি হারিয়েছি, আবার ২০২৬ সালে ভবানীপুরে হারাবো। তৃণমূল কংগ্রেস এখন একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। মমতা নিজেই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বীজ বপন করেছে। বাংলার মানুষ এখন মুক্তি চায়।”

  • SIR: রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়! এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যানে পর্দা ফাঁস

    SIR: রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়! এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যানে পর্দা ফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্থান ভেদে পদবি আলাদা, রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়। হাওড়ায় তিনি মায়ারানি রায়, বাঁকুড়ায় মায়ারানি মুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজারে মায়ারানি প্রামাণিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে মায়ারানি নাইয়া! আবার উত্তর ২৪ পরগনায় তিনিই মায়ারানি মণ্ডল, বর্ধমানে মায়ারানি কোঙার। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় একটিমাত্র এনুমারেশন ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যান করতেই দেখা যায়, একই মহিলার নাম একসঙ্গে ৪৪টি ভিন্ন বিধানসভায় ভোটার তালিকায় যুক্ত রয়েছে। রয়েছে তাঁর স্বামীর নামও। কিন্তু সবক’টির পদবি আলাদা। পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ৪৭ নম্বর বুথে সামনে এসেছে এমনই ভোটার কার্ডে জালিয়াতির ঘটনা। পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পোন্নাম্লম এসের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ‘‘অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

    কোনও ভয় নেই মায়ারানির

    পেশায় রাঁধুনি মধ্যবয়স্কা মায়ারানিকে নিয়ে শোরগোল পশ্চিম বর্ধমানে। বিজেপির অভিযোগ, এই ভাবে রাজ্য জুড়ে ভোটার তালিকায় ভুয়ো নাম ঢুকিয়েছে তৃণমূল। তদন্ত শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। বিধবা মায়ারানি গোস্বামীর বাড়ি পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ডিভিসি পাড়ায়। ৪৭ নম্বর বুথের ভোটার তিনি। তাঁর এনুমারেশন ফর্মে কোড স্ক্যান করতে গিয়ে রাজ্যের ৪৪ জায়গায় ভোটার হিসেবে তাঁর নাম পেয়েছেন বিএলও। এমন অভাবনীয় ঘটনায় মায়ারানি অবশ্য বিস্মিত নন। বস্তুত, তিনি এর গুরুত্ব কী তা-ই জানেন না। বাড়ি বাড়ি রান্নার কাজ করে কোনও ক্রমে দিন চলে ওই মহিলার। থাকেন সরকারি প্রকল্পে পাওয়া বাড়িতে। তাঁর কথায়, ‘‘বাবারা, আমি তো কিছুই জানি না। শুরু থেকে আমি বৈদ্যনাথপুর স্কুলে ভোট দিই। র আগের সরকারের সময়কালে বৈদ্যনাথপুরে নাম তুলেছিলাম৷ সেই সময় আগের ভোটার লিস্ট থেকে আমার নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমি শুধুমাত্র এটুকুই জানি। লোকের বাড়িতে রান্না করে আমি পেট চালাই। আমি কী করব বুঝতে পারছি না৷ এসআইআরের (SIR) ফর্ম পাড়ার সবাই পূরণ করেছে। আমিও করেছি। তার পর জনে জনে আমাকে এসে প্রশ্ন করছেন। তবে অনেকেই বলেছেন, আমার কোনও ভয় নেই।’’

    সুপরিকল্পিত জালিয়াতি চক্রের কাজ

    বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির দাবি, এসআইআর-এর (SIR) জন্য সত্য সামনে এল৷ এসআইআর চেক না হলে এমন ঘটনা ধরা পড়তই না। কত অসহায় মানুষের নাম ব্যবহার হয়েছে তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়, তাই বড়সড় তদন্ত হওয়া জরুরি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধবা মায়ারানি গোস্বামী খুব অসহায়৷ লোকের বাড়িতে রান্নার কাজ করে দিন গুজরান করেন৷ অভিযোগ, তাঁর এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যান করতেই দেখা যায়, উত্তর দিনাজপুর থেকে শুরু করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় তাঁর নাম তোলা হয়েছে ভোটার হিসেবে। তবে প্রতিটি তালিকায় নাম ‘মায়ারানি’ রাখা হলেও বারবার বদলে দেওয়া হয়েছে পদবি। কোথাও তিনি মণ্ডল, কোথাও রায়, আবার কোথাও ঘোষ বা নাইয়া। এইভাবে তাঁর পরিচয় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ভোটার হিসাবে তাঁর বয়সও বিভিন্ন জায়গায় কমিয়ে দেখানো হয়েছে। ঘটনার খবর মিলতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, একটি ফর্ম স্ক্যান করতেই ৪৪টি ভুয়ো পরিচয় উঠে আসা কোনও সাধারণ ভুল হতে পারে না। এটি যে একটি সুপরিকল্পিত জালিয়াতি চক্রের কাজ, তা স্পষ্ট।

  • SIR: রাজ্যের সব টেলিকম সংস্থার সঙ্গে বৈঠক কমিশনের, ফর্ম আপলোড সমস্যায় দ্রুত পদক্ষেপ

    SIR: রাজ্যের সব টেলিকম সংস্থার সঙ্গে বৈঠক কমিশনের, ফর্ম আপলোড সমস্যায় দ্রুত পদক্ষেপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) নিয়ে বিএলওদের অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখার পর আরও সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। সার্ভারের কারণে এনুমারেশন ফর্ম আপলোড করতে সমস্যা হচ্ছে। বারবার এমনই অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিএলওরা। আর তাই শনিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী (Election Commission) আধিকারিক মনোজ কুমার আগারওয়াল বলেন, “সোমবার দুপুর একটায় রাজ্যের সব টেলিকম সংস্থাগুলোর সঙ্গে কথা বলে দ্রুততার সঙ্গে এই সমস্যার সমাধান করা হবে।” নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেহেতু এসআইআরের কাজ শেষ করতে হবে, তাই অভিযোগ পেয়েই অত্যন্ত তৎপর কমিশন।

    জ্ঞানেশ কুমারের সাফ নির্দেশ(SIR)

    রাজ্যের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে সার্ভারের জন্য বিএলওরা এনুমারেশন ফর্ম (SIR) নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে আপলোড করতে পারছেন না। ফলে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে অনেকেই ব্যর্থ হচ্ছেন। এই নিয়ে অবশ্য বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযোগ আসছিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার পর রাজ্যের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার নির্দেশ দিয়েছেন। আর তারপরেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালকে বলা হয়েছে, অবিলম্বে রাজ্যে থাকা টেলিকম সংস্থাগুলির সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

    ৯ ডিসেম্বর খসড়া এবং ৭ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত

    পাশাপাশি এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission) জানান আগামী ৯ই ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে খসড়া (SIR) ভোটার তালিকা। এই খসড়া ভোটার তালিকায় একমাত্র তাদেরই নাম থাকবে যারা এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছে। রাজ্যের পঞ্চায়েত, ব্লক অফিস, পুরসভা, মহকুমা শাসকের দফতর এবং জেলাশাসকের দফতরে এই তালিকা সকলের জন্য টাঙানো হবে। এর পাশাপাশি সিইও-র ওয়েবসাইটেও দেখা যাবে খসড়া ভোটার তালিকা। একেবারেই বুথ স্তরে প্রত্যেকের নাম প্রকাশ করা হবে।

    তবে এই তালিকার পাশাপাশি আর একটি তালিকাও প্রকাশ করা হবে যেখানে আরও চারটে ভাগ থাকবে। মৃত ভোটার, অনুপস্থিত ভোটার, ভুয়ো ভোটার এবং স্থানান্তরিত ভোটারের নামের তালিকা। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই এই তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন সকলে। তবে এই তালিকা চূড়ান্ত নয়। এই তালিকায় যাদের নাম বাদ গিয়েছে, নামের বানান ভুল আছে, ঠিকানা ভুল আছে সেই সব কিছু সংশোধন করা হবে। যদি কেউ চান নতুন ভাবে নাম এই ভোটার তালিকায় তুলবেন তাহলে তাকে ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে আগামী ৮ই জানুয়ারির মধ্যে জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের কাছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পাবে ৭ই ফেব্রুয়ারি। আর এই ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গে।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যসচিবের ফোন থেকে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে রোজ কথা মমতার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মুখ্যসচিবের ফোন থেকে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে রোজ কথা মমতার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিবের ফোন ব্যবহার করে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের কাছে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে ইতিমধ্যে এসআইআর-এর (SIR) কাজ চলছে আর তৃণমূলনেত্রী প্রথম থেকেই এসআইআর-এর বিরোধিতা করতে সব রকম প্রচার এবং চেষ্টা চালাচ্ছেন। কেন মনোজ পন্থের ফোন থেকে প্রতিদিন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরুণ প্রসাদকে ফোন করেন মমতা? উদ্দেশ্য কী? রীতিমতো তথ্যপ্রমাণ দিয়ে নির্বাচনী কমিশনে নালিশ শুভেন্দুর।

    ২০ মিনিট কথা অরুণ- মমতার (Suvendu Adhikari)!

    শুক্রবার শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি কমিশনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপযুক্ত প্রমাণ এবং তথ্য দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের ফোন ব্যবহার করে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরুণ প্রসাদের সঙ্গে প্রায় প্রায়ই কথা বলেন। শেষ যে দিন বিজেপির প্রতিনিধিদল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল, সেই দিনও অরুণ ২০ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন। মমতা কোন নির্দেশ দিচ্ছেন? এর আগে এসআইআরে কর্মরত ৬৭ জন বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। কেন কমিশন কড়া পদেক্ষপ নিচ্ছে না।” শুক্রবার কমিশনের কাছে এই মর্মে প্রশ্নও তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হিন্দু শরণার্থীদের ভোটার তালিকায় তুলতে হবে

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আরও বলেন, “রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। প্রশাসনের একাংশ শাসকদলের নির্দেশে অনুপ্রবেশকারীদের সবরকম সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয় অনুপ্রবেশকারীরা যাতে ভোটার তালিকায় নিজেদের সুরক্ষিত রেখে ভোট দিতে পারেন সেই ব্যবস্থার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তৃণমূল। হিন্দু শরণার্থীদের নাম তোলার (SIR) বিষয়ে কমিশনকে ভাবতে হবে। সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দিতে হবে।”

    তবে শুভেন্দুর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য নির্বাচন দফতরের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সূত্রের খবর রাজ্য নির্বাচন দফতর অফিসিয়ালি কিছু জানাবে না। এই সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে যা বলার নির্বাচন কমিশনই বলবে।

  • Assembly Election 2026: ছাব্বিশের নির্বাচনে ইভিএমের একাধিক নিয়মে বদল আনতে চলেছে কমিশন

    Assembly Election 2026: ছাব্বিশের নির্বাচনে ইভিএমের একাধিক নিয়মে বদল আনতে চলেছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর আবহের মধ্যেই ২০২৬ সালের ভোট প্রস্তুতি (Assembly Election 2026) শুরু করে দিল নির্বাচন কমিশন। ইভিএম সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বদল আনতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। ইভিএম মেশিনে এবার থেকে নির্বাচনী প্রার্থীদের নামের সঙ্গে ছবিও সংযুক্ত করা হবে। ফলে বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গ সহ অসম, তামিলনাড়ু এবং পণ্ডিচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন, তাই আগেভাগেই একাধিক নিয়ম বদলের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের জন্য সবরকম প্রস্তুতিকে খতিয়ে দেখছে কমিশন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপও গ্রহণ করবে।

    প্রার্থীর নামের পাশে ছবি (Assembly Election 2026)

    সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের একটি প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, “ইভিএমে প্রত্যেক প্রার্থীর নামের পাশে ছবি থাকবে। মেশিনে এতোদিন কেবলমাত্র নাম থাকত। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ইভিএমে নামের সঙ্গে প্রার্থীদের ছবিও থাকবে। প্রায় সময়েই দেখা যায় বিধানসভা ক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে একই নামের প্রার্থী থাকেন অনেকজন। ফলে এইরকম পরিস্থিতিতে একাধিক প্রার্থী তালিকায় নামের সঙ্গে ছবি থাকলে ভোটদাতাদের প্রার্থী নির্বাচন (Assembly Election 2026) করতে সুবিধা হবে। আর তাই নামের পাশে মেশিনে প্রার্থীদের ছবি থাকবে। প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় সেই ছবি দেখিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।”

    ১.৩ লক্ষের মতো ইভিএম প্রস্তুত

    কমিশন জানিয়েছে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) রাজ্যে বুথ সংখ্যা প্রায় ১৫০০০ বৃদ্ধি পাবে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বচানে পশ্চিমবঙ্গে বুথের সংখ্যা ছিল ৮০৬৮১। এবারে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৯৫০০০। ফলে আরও বেশি পরিমাণে ইভিএম মেশিন লাগবে। তবে এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত মেশিন আছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে বাংলায় কত ইভিএম? এই প্রশ্নের উত্তরে কমিশন জানায়, ব্যালট কন্ট্রোল ইউনিট, রিজার্ভ মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের জন্য তাদের হাতে আপাতত ১.৩ লক্ষের মতো ইভিএম আছে। আর ভিভিপ্যাট মেশিন আছে ১.৩৫ লক্ষআপাত ভাবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনায় কোনওরকম সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)

    এদিকে এসআইআর প্রসঙ্গে রাজ্যে তৃণমূল-বিজেপি তরজা তুঙ্গে। বাংলাদেশিদের ব্যাঙ্কের খাতায় ঢুকেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা। তা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। অপর দিকে এসআইআর-এ নথি দেখানোর ভয়ে বসিরহাটের হাকিমপুরে হাজার হাজার বাংলাদেশি বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে ভিড় জামাচ্ছে। কেউ ১ বছর কেউ বা ১০ বছর অবৈধ ভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন। ফলে রাজ্যে অনুপ্রবেশদের ভোট কমার আশঙ্কায় তৃণমূল এখন চরম চাপে।

LinkedIn
Share