Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Malda School: সেই বন্দুকবাজ উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল? হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ

    Malda School: সেই বন্দুকবাজ উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল? হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দুকবাজের তাণ্ডবের পর এখনও থমথমে পুরাতন মালদা থানার মুচিয়ার চন্দ্রমোহন হাইস্কুল (Malda School)। স্কুলে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই চন্দ্রমোহন হাইস্কুল এবং মুচিয়া এলাকা রয়েছে থমথমে। এদিন স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির হার ছিল একেবারেই সামান্য। বহু অভিভাবক আতঙ্কের কারণে নিজেদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠানোর সাহস পাননি। শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত থাকলেও তাঁদের একটি অফিসঘরে গুটি-শুটি মেরে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এখন তো নিরাপত্তা দেওয়া রয়েছে। এটা কতদিন থাকবে? আগামী দিনে যে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে না, তা নিশ্চিত করে কে বলতে পারে। তাই আমরা চাই পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো হোক।এদিকে বুধবার রাতে মালদার পুলিশ সুপার তাঁর নিজস্ব অফিসে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন। পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব জানিয়েছেন, এই ধরনের উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র বিহার অথবা ঝাড়খণ্ড থেকেই সংগ্রহ করে থাকতে পারে অভিযুক্ত বন্দুকবাজ দেব বল্লভ। তবে এই ঘটনার পিছনে তাঁর পারিবারিক সমস্যাই মূলত জড়িত রয়েছে। তা বলে স্কুলে ঢুকে এমন ঘটনা ঘটাবে, এটা পরিকল্পনা মাফিক। আমাদের পুলিশ অফিসার ও কর্মীরা দারুণ কাজ করেছে। যেভাবে চন্দ্রমোহন হাইস্কুলের ক্লাস সেভেনের ছাত্র-ছাত্রীদের সুরক্ষিত রেখে পুলিশ অফিসাররা ওই বন্দুকবাজকে ধরেছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়।

    কার হাত ঘুরে আগ্নেয়াস্ত্র এল, তদন্তে পুলিশ

    পুলিশ সুপার সাংবাদিক বৈঠকে আরও জানিয়েছেন, এই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র কার মাধ্যমে অভিযুক্ত দেব বল্লভ আমদানি করল, সে ব্যাপারেও তদন্ত শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে মালদা আদালতের মাধ্যমে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হবে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হয়তো অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। পুলিশ সুপার বলেন , ইতিমধ্যে জেলা শিক্ষা দফতর, জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্তাদের নিয়ে একটি বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। যেখানে প্রতিটি স্কুলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সেসব নিয়েই মূলত আলোচনা করা হবে। স্কুল (Malda School) চলাকালীন গেট বন্ধ রাখা, বিভিন্ন স্কুলে সিসি ক্যামেরা বসানো, প্রয়োজনে স্কুলে নিরাপত্তার যাতে ব্যবস্থা করা যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা করা হবে।

    আগেও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হুমকি দিয়ে ভাইরাল হয়েছিল অভিযুক্ত

    এদিকে পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, গত দেড় বছর আগে বন্দুক হাতে প্রশাসনের কর্তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হুমকি দিয়ে ভাইরাল হয়েছিল অভিযুক্ত এই দেব বল্লভ। সেই সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় সেই আগ্নেয়াস্ত্রটি। কিন্তু তারপরে আবারও নতুন করে উন্নত মানের নাইনএমএম পিস্তল এবং দুটি ম্যাগাজিন অভিযুক্ত কোথা থেকে জোগাড় করল? এমনকী পেট্রোল বোমা বানাতে শিখল কীভাবে, এসবের পিছনে কোনও জঙ্গি সংগঠনের মদত রয়েছে কিনা, সে ব্যাপারেও পুলিশ নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি। কিন্তু পুরো বিষয়টি (Malda School) নিয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছেন পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pathashree: মুখ থুবড়ে পড়ল মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ‘পথশ্রী’ প্রকল্প, কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা

    Pathashree: মুখ থুবড়ে পড়ল মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ‘পথশ্রী’ প্রকল্প, কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলা পরিষদ রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প পথশ্রীর (Pathashree) কাজ শুরু করেছে। এর আওতায় জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের বীরভূম ক্লাব থেকে কুতুবপুর মোড় পর্যন্ত পিচ রাস্তা নির্মাণ হওয়ার কথা। এলাকাবাসীর দাবি, পিচ রাস্তা নির্মাণের কথা লেখা থাকলেও ঠিকাদার ঢালাই রাস্তা তৈরি করছে। আর তারই প্রতিবাদে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলেন। কংক্রিটের রাস্তার উপর ফের ঢালাই দিয়ে রাস্তা নির্মাণের প্রতিবাদে সোচ্চার হলেন গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভের জেরে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের পথশ্রী প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ল বীরভূমের রামপুরহাটে।

    কী অভিযোগে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা?

    জানা গিয়েছে, রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের দখলবাটি পঞ্চায়েতের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের বীরভূম ক্লাব মোড় থেকে কুতুবপুর গ্রাম পর্যন্ত ২.৩ কিমি কংক্রিটের রাস্তাকে পিচ রাস্তা নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয় বীরভূম জেলা পরিষদ। ওই রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রায় ৫৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। বুধবার সেই রাস্তা পিচের বদলে ফের কংক্রিটের নির্মাণ করতে গেলে গ্রামবাসীদের বাধার মুখে পড়তে হয়। গ্রামবাসীদের একাংশর অভিযোগ, জেলা পরিষদ এই প্রকল্পে (Pathashree) পিচ রাস্তা নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছে। কিন্তু ঠিকাদার পিচের বদলে ঢালাই রাস্তা করতে চাইছে। গ্রামবাসীদের দাবি, বরাদ্দ অর্থে উন্নতমানের রাস্তাই নির্মাণ করা যাবে। কিন্তু নেতাদের যোগসাজসে বরাদ্দ অর্থ আত্মসাত করার চেষ্টা চলছে। এলাকার বাসিন্দা আঙ্গুরা বিবি বলেন, বোর্ডে যা লেখা আছে, সেইমতোই রাস্তা করতে হবে। বোর্ডে তো পিচরাস্তার কথাই লেখা আছে। তাছাড়া এই রাস্তা দিয়ে প্রচুর মানুষ বহরমপুর যায়। প্রচুর ট্রাক্টর চলে এই রাস্তায়। এটা পিচ না করলে চলে?

    কী জানালেন পঞ্চায়েত সমিতির  কর্মাধ্যক্ষ?

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ পিয়ারুল ইসলাম। তিনি জানান, এই প্রকল্পে (Pathashree) যেখানে কংক্রিটের রাস্তা আছে সেখানে কংক্রিটের রাস্তা হবে, যেখানে রাস্তা নেই সেখানে পিচের রাস্তা হবে। পাশাপাশি ঠিকাদার ও পঞ্চায়েত সমিতির ইঞ্জিনিয়াররা ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু গ্রামবাসীরা তাঁদের কথায় কোনও গুরত্ব না দিয়ে পিচের রাস্তার দাবি করে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bolpur: স্কুল ফাঁকি দিয়ে নদীতে স্নান! তলিয়ে গেল যমজ ভাই, এলাকায় শোকের ছায়া

    Bolpur: স্কুল ফাঁকি দিয়ে নদীতে স্নান! তলিয়ে গেল যমজ ভাই, এলাকায় শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল ফাঁকি দিয়ে কোপাই নদীতে স্নান করতে এসে তলিয়ে গেল যমজ ভাই। পরে, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে নদী থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদের নাম সায়ক পাল ও সোহম পাল। তাদের বাড়ি বোলপুরের (Bolpur) বাইপাস এলাকায়। তারা টেকনো ইণ্ডিয়া স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    এদিন সকালে স্কুল যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে দুই ভাই বের হয়। তাদের সঙ্গে আরও চারজন বন্ধু ছিল। তারা সকলেই বোলপুরের (Bolpur) টেকনো ইণ্ডিয়া গ্রুপ পাবলিক স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র। শান্তিনিকেতনের গোয়ালপাড়ার কাছে কোপাই নদীতে ৬ জন মিলে স্নান করতে নামে। সেখানেই দুই ভাই  একসঙ্গে তলিয়ে যায়।  ক্ষিপ্ত জনতা মৃতদের বন্ধুদের মারধর শুরু করে। খবর পেয়ে বোলপুর ও শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। স্থানীয় যুবকেরা জলে নেমে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করেন। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ দুটি বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    বন্ধুদের বক্তব্য কী?

    চোখের সামনে দুই বন্ধুকে তলিয়ে যেতে দেখে হতবাক হয়ে পড়ে তাদের বাকী চার বন্ধু। সৌগত গড়াই নামে এক বন্ধু বলে, স্কুল ফাঁকি দিয়ে আমরা নদীতে স্নান করতে এসেছিলাম। তবে, সবাই নদীতে নামিনি। সায়ক আর একজন জলে নেমেছিল। পরে, আমিও স্নান করতে নামি। সায়ক নদীর অনেকটাই ভিতরে চলে গিয়েছিল। আচমকাই সে তলিয়ে যেতে থাকে। আমি বুঝে ওঠার আগেই তার ভাই সোহম নদীতে তাকে বাঁচাতে ঝাঁপ দেয়। দুজনেই একসঙ্গে তলিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তারা জলে স্নান করছিল। জলের মধ্যে লাফালাফি করছিল। দুজনেই তলিয়ে যায়। এরপরই ক্ষিপ্ত জনতা মৃত দুই ভাইয়ের বন্ধুদের মারধর শুরু করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ কোনওরকমে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে চার ছাত্রকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু রাজবংশী যুবকের! ‘‘দায় নিতে হবে মমতাকে’’, ট্যুইট শুভেন্দুর

    Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু রাজবংশী যুবকের! ‘‘দায় নিতে হবে মমতাকে’’, ট্যুইট শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের গুলিতে যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj)। পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ তুলে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ও  বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    বৃহস্পতিবার সকালে এক ট্যুইটে মৃত্যুঞ্জয় বর্মন নামে ৩৩ বছর বয়সী ওই যুবকের মৃত্যুর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন শুভেন্দু। কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। শুভেন্দু লেখেন, ‘এক রাজবংশী যুবককে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে মমতার পুলিশ। ট্রিগার হ্যাপি মমতা পুলিশ মধ্যরাত ২টো ৩০ মিনিটে বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মনের বাড়িতে হানা দেয়। কিন্তু তাঁকে পায়নি। এর পর ৩৩ বছর বয়সী রাজবংশী যুবক মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে নৃশংসভাবে গুলি করে খুন করে তারা। এটা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের নিকৃষ্ট নজির। রাজ্য যখন জ্বলছে, গণঅভ্যুত্থানের পথে এগোচ্ছে তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজা নিরোর মতো আহ্লাদে রয়েছেন’।

    গতকাল কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) কাছে রাধিকাপুর গ্রামে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীর দাবি, বিজেপি নেতাকে ধরতে এসেছিল পুলিশ। তিনি বাড়িতে না থাকায় তাঁর বৃদ্ধ বাবাকে মারতে মারতে গাড়িতে তুলছিল পুলিশ। সেই সময় বিজেপি নেতার ভাইপো গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা জিজ্ঞেস করতেই গুলি চালায় পুলিশ।

    আরও পড়ুন: স্কুলব্যাগে বিশ্ব বাংলা লোগো! কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    সুকান্তর দাবি

    সুকান্ত মজদুমদার (Sukanta Majumdar) এদিন কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) ও কালিয়াচক দুটি ঘটনাতেই পৃথক সিবিআই তদন্ত দাবি করেন। বুধবার রাত ১০টা নাগাদ ট্যুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার কালিয়াগঞ্জের ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) লেখেন, “বিস্মিত! কালিয়াগঞ্জে সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালিয়েছে পুলিশ। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভের সময়, যখন বাংলা জ্বলছিল, তখন ওই পুলিশ নীরব দর্শক হয়েছিল। সাধারণ মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য অবিলম্বে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হস্তক্ষেপ দাবি করছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Navami: রাজ্যে রামনবমী ঘিরে অশান্তির ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Ram Navami: রাজ্যে রামনবমী ঘিরে অশান্তির ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রামনবমীর শোভাযাত্রায় হাওড়ার শিবপুর, হুগলির রিষড়া-সহ রাজ্যের কয়েকটি এলাকায় হামলার ঘটনা নিয়ে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়েছে, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এ সংক্রান্ত সমস্ত নথি এনআইএ-কে হস্তান্তর করতে হবে। ১০ এপ্রিল হাই কোর্টে এনআইএ জানিয়েছিল, তারা এই ঘটনায় তদন্ত করতে তৈরি। এর পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, কারা এই অশান্তিতে জড়িত, তা জানা রাজ্য পুলিশের পক্ষে অসম্ভব। প্রসঙ্গত, রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ডালখোলা, শিবপুর এবং রিষড়া।

    শোভাযাত্রায় হামলার ঘটনায় হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা

    রামনবমীর শোভাযাত্রায় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অশান্তি ছড়ানো হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রামভক্তদের ওপর হামলার ঘটনায় তা প্রমানিত। এই দাবি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এনআইএ তদন্ত চেয়ে তখন হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাও করেছিলেন তিনি। গত ১০ এপ্রিল শুনানির দিন হাইকোর্টে এনআইএ জানিয়েছিল, তারা ওই অশান্তির ঘটনাগুলির তদন্ত করতে প্রস্তুত। এর পর আজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল, কারা এই অশান্তির ঘটনায় জড়িত এবং কারা উস্কানি দিয়েছে, তা জানা রাজ্য পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের প্রয়োজন। হাই কোর্টের এ-ও পর্যবেক্ষণ, পুলিশের রিপোর্টে স্পষ্ট যে, অশান্তি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jamtara: দুর্গাপুরেও জামতাড়া যোগ! কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে দিল্লি পুলিশের জালে তিন যুবক

    Jamtara: দুর্গাপুরেও জামতাড়া যোগ! কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে দিল্লি পুলিশের জালে তিন যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধুর কাছে থেকে সিমকার্ড নিয়ে তা থেকে ১ লক্ষ ৩৬ হাজার কল করা হয়েছে। যা দেখে হতবাক তদন্তকারী আধিকারিকরা। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই সিমকার্ড থেকে ভুয়ো কল করে কোটি টাকার প্রতারণা করা হয়েছিল। জামতাড়া (Jamtara) গ্যাং যেভাবে অনলাইনে প্রতারণা করে, সেই কায়দায় অনলাইন প্রতারণা করা হত বলে অভিযোগ। এরপরই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুর্গাপুরের তিন যুবককে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। ধৃতদের ৩ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে গেল পুলিশ। ধৃতদের নাম দীপঙ্কর আঁকুড়ে, অনিকেত দাস ও অর্ঘ্য মজুমদার। ধৃতরা কোকওভেন থানার বীরভানপুর ও ডিপিএলের ক্ষুদিরাম কলোনির বাসিন্দা। মঙ্গলবার তিন যুবককে গ্রেফতার করার পর বুধবার ধৃতদের দুর্গাপুর আদালতে পেশ করে দিল্লি পুলিশ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ধৃত দীপঙ্কর আঁকুড়ে ও অনিকেত দাসের কাছ থেকে সিম কার্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার চক্র চালাত অর্ঘ্য মজুমদার। দুটি সিম কার্ড থেকে লক্ষাধিক কল করা হয়েছিল।

    ধৃতদের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে?

    ২০২৩ সালে ১১ই মার্চ দিল্লি সাইবার ক্রাইম থানায় আর্থিক প্রতারণার একটি অভিযোগ দায়ের হয়। প্রতারকদের বিরুদ্ধে ৪২০/১২০ বি ধারায় মামলা রুজু করে দিল্লি সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। দিল্লি পুলিশের আধিকারিক জয়দেব মোড়ার নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল দুর্গাপুরে আসে। ফোন কল ট্র্যাক করে কোকওভেন থানা এলাকা থেকে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়। এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন যুক্ত থাকতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এ বিষয়ে দিল্লি পুলিশ মুখ খুলতে রাজি হয়নি। তাদের সন্ধানেও তারা তল্লাশি চালাচ্ছে। প্রতারকদের সঙ্গে জামতারা (Jamtara) গ্যাংকের কী ভূমিকা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কী বললেন সরকারি আইনজীবী?

    সরকারী আইনজীবি সিদ্ধার্থ বসু বলেন, জামতাড়া (Jamtara)  গ্যাংয়ের সঙ্গে তারা জড়িত ছিল। তারা ভুয়ো কল করে অনেকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। কখনও ব্যাঙ্কের কর্মী পরিচয় দিয়ে, কখনও বিদ্যুৎ দফতরের কর্মী পরিচয় দিয়ে অপরাধ করেছিল। সাইবার ক্রাইমে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়।

    ধৃত এক যুবকের বাবা কী বললেন?

    আমার ছেলে ডিএসপিতে কাজ করে। ৫০০ টাকার বিনিময়ে ও তার বন্ধুকে নিজের সিমকার্ড তুলে দিয়েছিল। সেই সিমকার্ডেই চলত এই ধরনের অপরাধ। অর্ঘ্য এসব করত। আমার ছেলে জড়িত নয়। আসলে সিমকার্ড দেওয়া ওর অপরাধ। ডিএসপিতে আমার ছেলে কাজে গিয়েছিল। সেখান থেকেই পুলিশ ওকে ধরেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পাট্টা বিলি ঘিরে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বচসা-হাতাহাতিতে উত্তেজনা

    TMC: পাট্টা বিলি ঘিরে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বচসা-হাতাহাতিতে উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী জমির পাট্টা বিতরণ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে শাসকদলের (TMC) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং ভূমি কর্মাধ্যক্ষর অনুগামীদের মধ্যে বচসা এবং হাতাহাতিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ব্লক চত্বরে। কর্মসূচি চলাকালীন প্রকাশ্যে ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং ভূমি সংস্কার আধিকারিককে ধমক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির। কর্মসূচি বন্ধ করার দাবি। 

    একে অন্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দাবি, তাঁকে না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পাট্টা বিতরণের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যাদের জমি রয়েছে তাদেরই পাট্টা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। পাল্টা বন্যাত্রাণ দুর্নীতি নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে খোঁচা দিলেন ভূমি কর্মাধ্যক্ষ। যদিও পাট্টা বিতরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ মানতে নারাজ সরকারি আধিকারিকরা। সব মিলিয়ে গোষ্ঠীকোন্দল (TMC) নিয়ে ফের ব্যাপক অস্বস্তিতে তৃণমূল। 

    কীভাবে প্রকাশ্যে বিবাদে জড়াল দুপক্ষ?

    মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক তথ্যমিত্র কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির (TMC) নির্দেশ অনুযায়ী পাট্টা বিতরণ কর্মসূচি চলছিল বুধবার। যাদের নিজস্ব জমি নেই, যারা ভূমিহীন, দুয়ারে সরকারে আবেদনের মাধ্যমে তারা সরকারি জমির পাট্টা পাবে-এমনটাই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুযায়ী চলছিল কর্মসূচি।কর্মসূচি চলাকালীন হঠাৎই ব্লক চত্বরে এসে হট্টগোল শুরু করেন হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কোয়েল দাস। তাঁর অভিযোগ, এই পাট্টা বিতরণ কর্মসূচির কথা তাঁকে জানানো হয়নি। রাতের অন্ধকারে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পাট্টা বিতরণের তালিকা তৈরি করেছেন পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি কর্মাধ্যক্ষ আদিত্য মিশ্র। যারা ভূমিহীন তারা পাট্টা পাচ্ছে না, অথচ যাদের জমি রয়েছে তারা পাচ্ছে। তাই তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনির্বাণ বসু এবং ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক ভিক্টর সাহার কাছে দাবি জানান, এই কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে। প্রকাশ্যে সরকারি আধিকারিকদের রীতিমতো ধমক দেন তিনি। তারপরেই ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক উত্তেজনা। আদিত্য মিশ্র এবং কোয়েল দাসের অনুগামীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে আসতে হয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশকে। যদিও সরকারি আধিকারিকদের দাবি, সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই কর্মসূচি হয়েছে। কোনঔ দুর্নীতি হয়নি। অন্যদিকে ভূমি কর্মাধ্যক্ষ আদিত্য মিশ্র পাল্টা বন্যাত্রাণ নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন সভাপতি কোয়েল দাসকে।

    কী বললেন সরকারি আধিকারিকরা?

    হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনির্বাণ বসু বলেন, আমাদের যেভাবে ধমক দেওয়া হয়েছে, তা খুব দুর্ভাগ্যজনক। নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে এই কর্মসূচি হয়েছে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক ভিক্টর সাহা বলেন, ধমক দিলেও কিছু করার নেই। আমরা আমাদের কাজ করব। সঠিকভাবে অনুসন্ধান করে পাট্টা প্রাপকদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এখানে দুর্নীতির (TMC) বিষয় নেই।

    তীব্র কটাক্ষ বিজেপির

    সমগ্র ঘটনা সামনে আসতেই কটাক্ষ বিজেপির। মালদা সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সম্পাদক রূপেশ আগরওয়াল বলেন, এক পক্ষ দুর্নীতির ভাগ পেয়েছে। অন্য পক্ষ পায়নি। এই নিয়ে ঝামেলা। এটাই তো এদের সংস্কৃতি। এই দলকে (TMC) মানুষ ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলবে। ফলে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Life Sentence: স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা আদালতের

    Life Sentence: স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের পরিণতি যে কী ভয়াবহ এবং মর্মান্তিক হতে পারে, সেরকমই একটি ঘটনা সামনে এল আদালতের রায়কে ঘিরে। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্ত্রীকে খুন করেও অবশ্য শেষ রক্ষা হল না। স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের (Life Sentence) নির্দেশ শোনাল আদালত। 

    ১০ আগস্ট গভীর রাতে কী ঘটেছিল?

    ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করার অভিযোগ ওঠে মালদার মানিকচকের বাসিন্দা দিলীপ রায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ছিল, দিলীপ রায়ের সঙ্গে অপর এক মহিলার বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে তিনি মারধর ও নির্যাতন করতেন। সেই ঘটনার জেরেই ১০ আগস্ট গভীর রাতে শোবার ঘরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন তিনি। মৃত গৃহবধূর নাম সুপ্রিয়া রায়। বাপেরবাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা থানা এলাকায়। ওইদিন প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে ছুটে আসে পরিবারের লোকজন। বাড়িতে এসে মেয়ের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। তারপরেই মৃত গৃহবধূর বাবা অভিনয় মন্ডল মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

    পুলিশ কী ব্যবস্থা নিয়েছিল?

    অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী সহ আরও একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। মালদা জেলা আদালতে শুরু হয় এই মামলা। প্রায় ৮ বছর ধরে চলে শুনানি। অবশেষে একাধিক সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দিলীপ রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ, ৩০২, ৩০৪বি ও ৩৪ ধারায় মামলা হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ তে দোষী সাব্যস্ত করে তিন বছরের জেল, দুহাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাস জেলের সাজা ঘোষণা করে আদালত। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Life Sentence), পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস জেল হেফাজতের সাজা ঘোষণা করে আদালত। 

    সরকারি আইনজীবী কী জানালেন?

    সরকারি পক্ষের আইনজীবী প্রশান্ত কুন্ডু বলেন, এই মামলায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের (Life Sentence) নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মোট ১৬ জনের সাক্ষ্যপ্রমাণ নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ছয় বছরের সন্তানের বয়ানের উপর ভিত্তি করেই অভিযুক্তকে দোষী প্রমাণিত করেছে আদালত। অবশেষে সাজা ঘোষণা হল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে গুলিবিদ্ধ এক টোটোচালক, গুলি চালানোর ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধছে

    Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে গুলিবিদ্ধ এক টোটোচালক, গুলি চালানোর ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। রাজবংশী ও আদিবাসী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ দেখানো হয়। থানায় আগুন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়। পুলিশকে বেধড়ক লাঠিপেটা করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়াতে সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে (যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা মাধ্যম যাচাই করেনি)। এই বিক্ষোভ আন্দোলনে এক টোটো চালক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে রহস্য দানা দাঁধতে শুরু করেছে। পুলিশ না আন্দোলনকারী, কারা গুলি চালিয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মনোজ কুমার বর্মন নামে ওই টোটো চালকের বাম হাতে গুলি লাগে বলে অভিযোগ। রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিক্ষোভ চলাকালীন কিভাবে টোটো চালক গুলিবিদ্ধ হলেন তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন? গুলিতে জখম যুবক মনোজবাবু বুধবার হাসপাতালের বেডে শুয়ে বলেন, আমি টোটো নিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। থানার সামনে জমায়েত দেখে আমি টোটো রাস্তার ধারে রেখে সেখানে গিয়েছিলাম। গণ্ডগোল শুরু হওয়ার পরই আমি গুলিবিদ্ধ হলাম। কে গুলি চালিয়েছে তা বুঝতে পারিনি।

    থানায় তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে কতজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ?

    কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে (Kaliaganj) থানায় তাণ্ডব, অগ্নিসংযোগ, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশের উপর হামলা সহ একাধিক অভিযোগে পুলিশ ৩২ জনকে গ্রেফতার করেছে। আদালতের এপিপি নিলাদ্রী সরকার বলেন, বুধবার ধৃত ৩২ জনকে রায়গঞ্জ আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারক ৯ জনকে আটদিনের পুলিশি হেফাজত এবং বাকি ২৩ জনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    গণ্ডগোলের পর কী অবস্থা কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj)?

    ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিবেশ। পথে বেরিয়েছেন সাধারণ মানুষ। বুধবার সকালে থানায় গিয়ে দেখা গেল, একাধিক স্থানে তাণ্ডবের ছাপ স্পষ্ট। ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে ইট, পাথরের টুকরো। থমথমে পরিবেশ হলেও থানায় ধ্বংসস্তুপ সাফাইয়ের কাজ শুরু করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে যেভাবে তাণ্ডব চালিয়ে আগুন ধরানো হয়েছে তাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় থানা চত্বর। সেই ঘটনার পর সকাল থেকে স্বাভাবিকের পথে কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj)। তবে এই ঘটনায় আতঙ্কিত থানার পাশ্ববর্তী এলাকার মানুষজন। মঙ্গলবার ওই এলাকার বাড়িতে ঢুকে পুলিশ কর্মীদের বেধড়ক মারধর করে বিক্ষোভকারীরা। সেই আঘাত এসে পড়ে নব নির্মিত আধুনিকমানের যাত্রী প্রতিক্ষালয়ের ওপর। যাত্রী প্রতিক্ষালয় তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত ঠান্ডা পানীয় জলের জলাধারও ভেঙে এক প্রকার গুঁড়িয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। বুধবার কালিয়াগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান রামনিবাস সাহা স্থানীয় কাউন্সিলার মনোজ সরকার ও শহর তৃণমূলের সভাপতি রাজীব সাহাকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, আন্দোলনের নামে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসের। তাণ্ডবের পর এদিন এলাকায় জুড়ে পুরসভার পক্ষ থেকে সাফাই অভিযান চালানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share