Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Agitation: তীব্র দাবদাহে নেই পানীয় জলের পরিষেবা, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে মহিলারা

    Agitation: তীব্র দাবদাহে নেই পানীয় জলের পরিষেবা, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দাবদাহে পানীয় জল পাচ্ছেন না পানিহাটি পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে পানিহাটি পুরসভা ও স্থানীয় কাউন্সিলরকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হচ্ছে না। পানীয় জল না পাওয়ায় এলাকার বাসিন্দাদের যথেষ্ট সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। রবিবার এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জলের দাবিতে বিক্ষোভ (Agitation) ও রাস্তা অবরোধ করেন। অবরোধ কর্মসূচিতে বাড়ির মহিলারা সামিল হয়েছিলেন। যদিও ঘোলা থানার পুলিশ গিয়ে লাঠি উঁচিয়ে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ।

    অবরোধ নিয়ে কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    এক বছর আগেও এই এলাকার মানুষ পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ (Agitation) দেখিয়েছিলেন। সেই সময় পুরসভার পক্ষ থেকে পানীয় জলের সমস্যা মেটানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, এক বছর পার হয়ে যাওয়ার পরও পানীয় জলের সমস্যার কোনও সুরাহা হয়নি। এরপরই এলাকাবাসী জোটবদ্ধ হয়ে রাস্তা অবরোধে সামিল হন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই গরমে এলাকায় তীব্র জলকষ্ট। পুরসভার ট্যাপ দিয়ে জল পড়ছে না। বাধ্য হয়ে প্রতিদিন জল কিনে খেতে হচ্ছে। পুরসভার কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও কাজ হচ্ছে না। বছরের পর বছর ধরেই আমাদের এইভাবে চলতে হচ্ছে। ভোটের সময় নেতারা এসে শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। পানীয় জলের সমস্যা আমাদের কোনদিনও মেটে না। আন্দোলন করলে নেতারা এসে শুধু আশ্বাস দিয়ে চলে যায়। কাজের কাজ কিছুই হয় না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে পানীয় জলের সমস্যা সমাধান করতে হবে। দাবি আদায়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ (Agitation) দেখানো হয়েছিল। দাবিপূরণ না হলে আগামীদিনে ভোট বয়কট করার হুমকি দেন তাঁরা। পাশাপাশি রাস্তা অবরোধ তুলতে পুলিশি অভিযানের কড়া সমালোচনা করেন আন্দোলনকারীরা।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, শুধু ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে নয়, এই পুরসভার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। আসলে গঙ্গার জলস্তর কমে যাওয়ায় পানীয় জলের পরিষেবা দিতে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে, আমাদের পুরসভার যে সব এলাকায় সমস্যা রয়েছে, সেখানে জলের গাড়ি পাঠানো হয়। ওই এলাকার মানুষের দাবি শুনেছি। দ্রুত সমস্যা সমাধানে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Education: অকাল গরমের ছুটি শেষ, সোমবার থেকেই খুলে যাচ্ছে রাজ্যের স্কুল-কলেজ?

    Education: অকাল গরমের ছুটি শেষ, সোমবার থেকেই খুলে যাচ্ছে রাজ্যের স্কুল-কলেজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমের সেই তীব্রতা আর নেই। ফলে ছুটি বাড়ানোরও তেমন সুযোগ নেই। অন্যদিকে রাজ্য সরকার এক সপ্তাহের যে ছুটি ঘোষণা করেছিল, তা শেষ হচ্ছে রবিবার। সেই হিসেবে ২৪ শে এপ্রিল সোমবার থেকেই খুলে যাওয়ার কথা রাজ্যের শিক্ষা (Education) প্রতিষ্ঠানগুলির। যদিও বিষয়টি নিয়ে রবিবার দিনভর ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি ছিল। কারণ সোমবার থেকে যে স্কুল খুলছে, তার কোনও নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়নি। তবে পর্ষদের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, কতদিন ছুটি থাকবে, তা আগের নির্দেশিকাতেই পরিষ্কার করা ছিল। নতুন করে কোনও নির্দেশিকা জারি করার দরকার পড়ে না। ছুটি শেষ মানেই স্কুল খুলবে, এটাই স্বাভাবিক।

    গরমের ছুটি পড়ার কথা ছিল ২ মে থেকে

    উল্লেখ্য এবার গরমের ছুটি পড়ার কথা ছিল ২ মে থেকে। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ছাত্র-ছাত্রীদের কথা ভেবে স্কুল শিক্ষা দফতর ১৭ই এপ্রিল থেকেই স্কুল বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করে। যদিও এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছাকে মর্যাদা দিতে। মুখ্যমন্ত্রী সেই সময় জানিয়েছিলেন, বাচ্চাদের সঙ্গে মেশার কারণেই তিনি জানতে পেরেছেন, প্রচণ্ড গরমে তাদের মাথার যন্ত্রণা হচ্ছে। তাঁর মতে, এ থেকেই হতে পারে হিট স্ট্রোক। সেই কারণেই তিনি সোম থেকে শনি পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে (Education) এক সপ্তাহের ছুটি ঘোষণা করার নির্দেশ দেন।

    কী অভিযোগ করেছিল বিজেপি?

    অন্যদিকে তড়িঘড়ি এই ধরনের ছুটি ঘোষণার পিছনে অন্য চক্রান্ত আছে বলে অভিযোগ করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, মিড ডে মিলের চাল চুরি করার পথ প্রশস্ত করতেই এই ধরনের পদক্ষেপ করা হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, এদের টাকা কামানোর কোনও সীমা-পরিসীমা নেই। তাই ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ধরা পড়ার পরও এরা থামতে চায় না। তাঁর মতে, এইভাবে পড়াশোনা (Education) বন্ধ করে দেওয়ার কোনও অর্থই হয় না। বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা যেতেই পারত। সকালে স্কুলে পঠন-পাঠন চালু রাখা যেতেই পারত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, ছুটি কোনও সমাধান নয়, ক্ষতিকারক সংস্কৃতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suri: সিউড়িতে সাধুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! খুন না আত্মহত্যা, ধন্দে পুলিশ

    Suri: সিউড়িতে সাধুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! খুন না আত্মহত্যা, ধন্দে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য বীরভূমের সিউড়িতে (Suri)। এদিন ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ উদ্ধার হয় এক সাধুর। খুন না আত্মহত্যা তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ। রবিবার সকালে সিউড়ি ২ ব্লকের বেহাড়া কালীতলায় এক সাধুর দেহ মন্দির প্রাঙ্গণে ঝুলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সিউড়ি (Suri) থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে মৃত সাধুর নাম ভুবন মন্ডল। সিউড়ি (Suri) থানার পুলিশ ইতিমধ্যে নিহত ভুবন মন্ডলের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে জেলা সদর হাসপাতালে। খুনের কিনারা করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ! পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত খ্রিস্টান জনসংখ্যা বাড়ছে নেপালে

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য  

    গ্রামবাসীদের একাংশ অবশ্য সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলছেন বেহিড়া কালী মন্দিরের কোষাধ্যক্ষ কল্যাণ মন্ডল ও এক মহিলা সন্ন্যাসিনীর বিরুদ্ধে। তাঁদের দাবি, এই দুজনে মিলে ভুবন মণ্ডল নামে ওই সাধুকে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে। অভিযুক্ত কল্যাণ মণ্ডলের খোঁজে সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ। আপাতত সে পলাতক। ভুবন মণ্ডলের এই অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে ক্রমশই দানা বাঁধছে রহস্য।

     

    ট্যুইট বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর

    সিউড়ির পুরন্দরপুরের এই ঘটনায় ট্যুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে আমি অজস্র সাধুসন্তের ফোন পেয়েছি। যাঁরা আমাকে এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা সম্পর্কে জানিয়েছেন। ট্যুইটে নন্দীগ্রামের বিধায়ক নিরপেক্ষ তদন্তও দাবি করেছে। অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও এদিন এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন।

     

    আরও পড়ুন: দড়ির উপর খেলায় মর্মান্তিক মৃত্যু, স্বামীকে ধরতে গিয়ে হাত ফসকে পড়ে গেলেন স্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Tapas Saha: সিবিআই চলে যেতেই মাংস-ভাতের আয়োজন তাপস সাহার বাড়িতে!

    Tapas Saha: সিবিআই চলে যেতেই মাংস-ভাতের আয়োজন তাপস সাহার বাড়িতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই বাড়ি থেকে চলে যেতেই সন্ধেয় দলীয় কার্যালয়ের সামনে একেবারে এলাহি ভূরিভোজের আয়োজন করলেন তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহা। পাত পেরে মাংস-ভাত খাওয়ানোর বন্দোবস্ত করলেন তিনি। এনিয়ে অবশ্য বিরোধীরা কটাক্ষ করতেও ছাড়েনি। শুক্রবার দুপুর থেকেই সিবিআই হানা শুরু হয় তেহট্টর বিধায়ক তাপস সাহার (Tapas Saha) বাড়িতে। সিবিআই তাঁকে সঙ্গে করে নিয়ে ছুটেছে বেতাই ডক্টর বি আর আম্বেদকর কলেজেও। সেখানেও একপ্রস্থ খোঁজাখুঁজির পর গভীর রাতে আবার সিবিআই টিম তাঁকে নিয়ে ফিরেছে কড়ুইগাছির বাড়িতে। গতকাল সিবিআই হানার পর বেশ বিধ্বস্তও দেখাচ্ছিল তাঁকে। কিন্তু এদিন সিবিআই বাড়ি থেকে চলে যেতেই কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন তাপস। সন্ধেয় তাই দলীয় কার্যালয়ের সামনে একেবারে এলাহি ভূরিভোজের আয়োজন করলেন বিধায়ক তাপস সাহা। পাত পেরে মাংস-ভাত খাওয়ানোর বন্দোবস্ত করলেন তিনি। নিজে হাতে নৈশভোজের পরিবেশনও করতে দেখা যায় বিধায়ককে।

    তাপস সাহার দুটি মোবাইলই বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই

    শনিবার সকালেই তাপস সাহার (Tapas Saha) ফোন দুটি বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই। সিবিআই টিম কড়ুইগাছির বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার কিছু সময় পর বিধায়ক মশাই বেরোন ফোন কিনতে। তেহট্টের বেতাই এলাকায় একটি ফোন কিনতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে মোবাইল কেনার পর কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন রয়েছে এবং সেই লক্ষ্যে দলীয় কর্মীদের কী কী করণীয় তা নিয়েও আলোচনা করেন। ইদের শুভেচ্ছা বিনিময়ও করেন সকলের সঙ্গে। সেই সময়েই বিধায়ক তাপস সাহা (Tapas Saha) সকলকে তাঁর বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। জানা যাচ্ছে, ইদ উপলক্ষে বিধায়ক সাধারণ মানুষকে খাওয়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। দলীয় কর্মীদের উদ্যোগেই গোটা ব্যবস্থাপনা। জানা যাচ্ছে দুটি গোটা খাসির মাংসের বন্দোবস্ত করা হয়েছে এদিনের এলাহি ভূরিভোজে।

    আরও পড়ুন: মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ! পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত খ্রিস্টান জনসংখ্যা বাড়ছে নেপালে

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: রবীন্দ্রজয়ন্তীতে সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন অমিত শাহ?

    Amit Shah: রবীন্দ্রজয়ন্তীতে সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২৫ বৈখাশ রবীন্দ্রজয়ন্তী। ওই দিন বিজপির (BJP) একটি সংস্কৃতিক কর্মসূচিতে দেখা যাবে শাহকে। রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে ২৫ বৈশাখ সন্ধ্যায় কলকাতার সায়েন্স সিটি (Science City) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিজেপি। অনুষ্ঠানের প্রধান আয়োজক ‘খোলা হাওয়া’। এই অনুষ্ঠানেই যোগ দিতে আবারও কলকাতায় আসছেন শাহ। এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় যোগ দেবেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তও।

    ‘খোলা হাওয়া’র অনুষ্ঠানে অমিত শাহ (Amit Shah)…

    রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ বিজেপির স্বপন দাশগুপ্তের হাতে তৈরি খোলা হাওয়া। কিছু দিন আগে খোলা হাওয়ারই উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ‘কাশ্মীর ফাইলসে’র পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা অনুপম খেরও। খোলা হাওয়া আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান নিয়ে কর্ম বিতর্ক হয়নি। সেই খোলা হাওয়াই ফের আয়োজন করছে রাবীন্দ্রিক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার। খোলা হাওয়ার এই অনুষ্ঠানে ঋতুপর্ণা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন শিল্পী তনুশ্রী শঙ্কর, সোমলতা আচার্য, মেধা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। অনুষ্ঠান শুরু হবে ২৫ বৈশাখ, বিকেল ৫টায়।

    আরও পড়ুুন: পুলিশের জালে খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা অমৃতপাল সিংহ

    পদ্মশিবির সূত্রে খবর, ৮ মে কলকাতায় আসবেন শাহ (Amit Shah)। সেদিন জনসভা করবেন মুর্শিদাবাদে। পরের দিন রবীন্দ্রজয়ন্তী। সেদিন সকালে তিনি যেতে পারেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। এদিন কয়েকটি সাংগঠনিক বৈঠকও করতে পারেন তিনি। সন্ধ্যায় যোগ দেবেন খোলা হাওয়া আয়োজিত অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। থাকবেন স্বপন দাশগুপ্ত স্বয়ং।

    বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। এবার রেকর্ড সংখ্যক আসন পেয়ে দিল্লির মসনদে ফিরতে চাইছে বিজেপি। বাংলায় বর্তমানে বিজেপির সাংসদ রয়েছেন ১৮ জন। গেরুয়া শিবিরের লক্ষ্য, এটাকে বাড়িয়ে ৩৫টি করা। একের পর এক দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা। তাই শাসকদল তৃণমূলের এ রাজ্যে কার্যত ল্যাজেগোবরে দশা। এমতাবস্থায় শাহকে (Amit Shah) বারংবার কলকাতায় এনে দলীয় কর্মীদের মনোবল আরও বাড়াতে চাইছে পদ্মশিবির। সেই কারণেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিজেপি শাহকে আনতে চাইছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। তবে এর আগেও একাধিকবার বাতিল হয়েছে শাহের বাংলা সফর। ১২ জানুয়ারি ছিল বিবেকানন্দের জন্মদিন। শেষ মুহূর্তে হাতে কাজ চলে আসায় ওই দিন কলকাতায় স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি তিনি। তবে বড় কিছু না ঘটলে এবারের রবীন্দ্রজয়ন্তীটা শাহ কাটাবেন কলকাতায়ই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kaliaganj Rape Case: কালিয়াগঞ্জে জাতীয় শিশু অধিকার কমিশন, ফের প্রকাশ্য বিরোধিতায় রাজ্য কমিশন

    Kaliaganj Rape Case: কালিয়াগঞ্জে জাতীয় শিশু অধিকার কমিশন, ফের প্রকাশ্য বিরোধিতায় রাজ্য কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা ধর্ষণের (Kaliaganj Rape Case) ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্যে। ওই এলাকার একাংশে ইতিমধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। দুদিন ধরে দফায় দফায় বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ইস্যুতে রাজ্যে পা রাখেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিয়ঙ্ক কানুনগো। রবিবার তিনি যান নির্যাতিতার (Kaliaganj Rape Case) বাড়ি। এই আবহে  সকাল থেকে একের পর এক ট্যুইট করে জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনকে কটাক্ষ করা হয়েছে রাজ্য শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে। বিরোধী মহলের একাংশের বলছে, জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনকে সহযোগিতার বদলে বিরোধিতা কেন করছে রাজ্য? কোনও কিছু ধামাচাপা দিতেই কী?

    রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের ওই ট্য়ুইটে কী লেখা হয়েছে

    ট্যুইটে লেখা হয়েছে, “১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করে কালিয়াগঞ্জে গিয়েছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের দল। জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের এই ভূমিকা লজ্জাজনক। যেভাবে NCPCR-এর চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো রাজ্যের শিশু ও মহিলাদের সম্পর্কে মন্তব্য করছেন, তা দুর্ভাগ্যজনক। তথ্য যাচাই না করেই তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন তিনি। তাঁর এই ধরনের মন্তব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যাদের শিশুদের অধিকার রক্ষার কথা, তাঁরাই শিশুর মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করছে। আইন ভেঙে রাজ্যের কমিশনকে অগ্রাহ্য করে রাজ্যকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে।”

     

    কী বললেন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো

    কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের ইস্যুতে এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়াংক কানুনগো। এদিন তিনি বলেন, “একজন অযোগ্য মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য অযোগ্য সরকারের আচরণ নিয়ে কাজ করা কোনও অযোগ্য সংস্থার বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না।” রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি আরও বলেন, “আজ সকালে গিয়ে মৃতার বাড়ির লোক, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও আশেপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি ও রেকর্ড করেছি। দুদিন আগেই এই কেসের যিনি ইনভেস্টিগেটিং অফিসার ছিলেন ও যে ডাক্তার পোস্টমর্টেম করেছে, পাশাপাশি এই কেসের সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন তাদের দেখা করার কথা জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তারা কেউ দেখা করেননি। অপেক্ষা করছি। তাদের সঙ্গে কথা বলে তারপরেই আপনাদের বাকি সব জানাতে পারব।” পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁর মন্তব্য, “পুলিশ এখনও মৃতার পরিবারের লোকের বয়ান নেয়নি। সেটা পরিবারের লোকেরাই আমাকে জানিয়েছেন। পরিবারের লোকজনের বয়ান না নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো প্রশাসনের পক্ষে ঠিক না।”
     

    কী বলছে প্রশাসন

    ইতিমধ্যে কালিয়াগঞ্জ পৌঁছেছেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো। রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সানা আখতার জানিয়েছেন, নিয়ম মেনে চার প্রতিনিধি যেতে চাইলে প্রশাসনের কোনও আপত্তি নেই। শনিবারের পর থেকেই এলাকা সুনসান। রবিবার সকাল থেকে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nurshing Home: মৃতকে আইসিইউতে রেখে রাতভর ‘চিকিৎসা’? কোন জেলায় এমন তাজ্জব ঘটনা?

    Nurshing Home: মৃতকে আইসিইউতে রেখে রাতভর ‘চিকিৎসা’? কোন জেলায় এমন তাজ্জব ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত রোগীকে জীবিত বলে সারারাত চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ। সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মৃত রোগীর পরিবারের লোকজন। লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় ইংলিশবাজার থানায়। মালদা শহরের গৌড় রোড় এলাকায় একটি নামি নার্সিংহোমের (Nurshing Home) বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ উঠেছে।  

    কীভাবে মৃত্যু হল রোগীর?

    জানা গেছে, মৃত ওই ব্যক্তির নাম বনমালি সরকার। বাড়ি মালদার গাজোল থানার শিক্ষকপল্লি এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ থাকায় ওই ব্যক্তিকে শনিবার গৌড় রোড় এলাকায় একটি নার্সিংহোমে (Nurshing Home) ভর্তি করা হয়। রাতে নার্সিংহোম থেকে ফোন করে বলা হয়, রক্ত লাগবে। রাতে না দিতে পারলেও সকালের মধ্যে রক্ত জোগাড় করে দিলেই হবে, এই কথাও জানানো হয় নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে, এমনটাই অভিযোগ। কিন্তু রবিবার সকালে এসে পরিবারের লোক জোর করে নার্সিংহোমের ভিতর ঢুকে দেখতে পান, তাঁদের রোগী মারা গেছে। 

    মৃত মানুষকে আইসিইউ-তে রেখে চিকিৎসা?

    মৃত রোগীর জামাই সানি দত্তের অভিযোগ, মৃত মানুষকে কিভাবে আইসিইউ-তে রেখে চিকিৎসা করা যায়? তাঁরা জোর করে ভিতরে ঢুকে দেখতে পান, আইসিইউ-তে রয়েছে তাঁদের রোগী, কিন্তু মারা গেছে। হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেছে। অথচ নার্সিংহোম (Nurshing Home) কর্তৃপক্ষ তাদের কিছুই জানায়নি। মৃত রোগীকে জীবিত বলে চিকিৎসা চালিয়ে গিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করত নার্সিংহোম, এমনই অভিযোগ করেন তিনি। এই মর্মে ইংলিশবাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অবিলম্বে প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ওই নার্সিংহোম সিল করে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন মৃতের পরিবারবর্গ। 

    কী জবাব দিল নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ?

    এই বিষয়ে নার্সিংহোম (Nurshing Home) কর্তৃপক্ষ ক্যামেরার সামনে কিছু না বললেও মৌখিকভাবে জানায়, অভিযোগ ভিত্তিহীন। রক্ত জোগাড় করতে না পাড়ায় ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে হরিণ ও ময়ূরকে দেওয়া হচ্ছে ওআরএস এবং গ্লুকোজ, কোথায় জানেন?

    Heat Wave: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে হরিণ ও ময়ূরকে দেওয়া হচ্ছে ওআরএস এবং গ্লুকোজ, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিল মাস পড়তে না পড়তেই শুরু হয়েছে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ (Heat Wave)। প্রখর রোদে পুড়ছে বঙ্গবাসী। তবে এই তীব্র তাপপ্রবাহ কেবল মানবজীবনেই প্রভাব ফেলেছে তা নয়, নাজেহাল অবস্থা পশুপাখিদেরও। তাই এই আবহাওয়া থেকে কাঁকসার দেউলের জঙ্গলে হরিণ ও ময়ূরদের রক্ষা করতে বন দফতর বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে৷ সকাল থেকেই রোদের তেজ তীব্র গতিতে বাড়তে থাকার পাশাপাশি হরিণ ও ময়ূরদের ওআরএস ও গ্লুকোজ খাওয়ানো হচ্ছে। এছাড়াও তাদের শরীরের জলশূন্যতা রুখতে ও সুস্থ রাখতে খাওয়ানো হচ্ছে টাটকা শাকসবজি, আখের গুড়, ভেজানো ছোলা, বিটনুন ও ভূষি। পাশাপাশি তাদের ওপর সারাক্ষণ বনকর্মীদের দিয়ে চলছে বিশেষ নজরদারি। দুর্গাপুর বন দফতরের এমনই দাবি।

    ঠিক কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে বন দফতর?

    বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯২ সালে গৌরাঙ্গপুর গ্রামের দেউলের জঙ্গলে হরিণ ও ময়ূরের জন্য সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। এটি শিবপুর বিট অফিসের আওতাধীন। সেখানকার বিট অফিসার অনুপকুমার মন্ডল সহ প্রায় ১৮ জন বনকর্মী হরিণ ও ময়ূরের দেখভাল করেন। বর্তমানে সেখানে মোট ৯৬ টি চিতল হরিণ রয়েছে। যার মধ্যে সদ্যোজাত প্রায় ৭ টি হরিণশাবকও রয়েছে। এছাড়াও ময়ূরের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে। যদিও ময়ূরের বংশবিস্তার শুধুমাত্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে আর থেমে নেই। কাঁকসার জঙ্গলমহলের লোকালয়েও ময়ূর ছড়িয়ে গিয়েছে। প্রায় ৮ মাস ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ওই সংরক্ষিত এলাকার শাল-পিয়ালের জঙ্গলের সবুজায়ন হারিয়েছে। বসন্তকালের শুরুতেই সমস্ত গাছের পাতা ঝরে গেলেও বৃষ্টিপাতের অভাবে নতুন করে পাতা এখনও তেমনভাবে গজিয়ে ওঠেনি। পাশাপাশি সংরক্ষিত এলাকায় ঘাস সহ ঝোপঝাড় গজিয়ে না ওঠায় হরিণের খাবারের অনেকটাই ঘাটতি দেখা গিয়েছে। চড়া রোদের তাপ (Heat Wave) ও লু থেকে হরিণ সহ ময়ূরের অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকায় বন দফতর তড়িঘড়ি তাদের স্বাস্থ্যের ওপর নজর দিয়েছে। পশু চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওআরএস ও গ্লুকোজ তাদের খাবারের জলে মেশানো হচ্ছে। এছাড়াও ভেজানো ছোলা ও আখের গুড় খাওয়ানো হচ্ছে। গাজর সহ টাটকা শাকসবজি ও গাছের কচি পাতা সংগ্রহ করে দেওয়া হচ্ছে।

    কী জানাচ্ছেন বন দফতরের আধিকারিকরা?

    বন দফতরের দুর্গাপুর রেঞ্জ অফিসার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে হারে দাবদাহ (Heat Wave) বেড়ে চলেছে এপ্রিলের শুরু থেকেই, তাতে সংরক্ষিত হরিণ ও ময়ূরগুলিকে সুস্থ রাখতে আমরা ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। প্রতিদিন প্রায় ২০ প্যাকেট ওআরএস দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গ্লুকোজ থেকে গুড়, ছোলা, শাকসবজিও দেওয়া হচ্ছে। পশু চিকিৎসকের পরামর্শমতো আগামী মে ও জুন মাস পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হবে। যাতে এই তীব্র তাপপ্রবাহে তারা অসুস্থ না হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় জঙ্গলে গাছের পাতা ও ঘাস তেমনভাবে এখনও গজিয়ে উঠতে পারেনি। আমরা গাছের কচি পাতা সংগ্রহ করে হরিণগুলিকে দিচ্ছি। পাশাপাশি ময়ূরকে গম দেওয়া হয় সারা বছর। এখনও পর্যন্ত কোনও হরিণ অসুস্থ হয়নি। তাদের ওপর সর্বক্ষণ বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: কল আছে, জল নেই! অভিযোগ জানিয়েও কাজ না হওয়ায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে ক্ষোভ

    Drinking Water: কল আছে, জল নেই! অভিযোগ জানিয়েও কাজ না হওয়ায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল আছে, জল নেই। বাড়ি বাড়ি পানীয় জল (Drinking Water) প্রকল্পে বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য খিদিরপুর এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ করতে বাড়ি বাড়ি পাইপলাইন পৌঁছে গিয়েছে। প্রতি বাড়িতে একটি করে ট্যাপও লাগানো হয়েছে। কিন্তু ট্যাপকল থাকলেও, জলের দেখা নেই। প্রথম প্রথম জল এলেও দীর্ঘদিন ধরে ট্যাপে জল আসে না বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। 

    সমস্যা নিয়ে কী অভিযোগ গ্রামবাসীদের?

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত থেকে প্রতিটি বাড়িতে ট্যাপ লাগানো হয়েছে। ট্যাপ লাগানোর পর কিছুদিন জল (Drinking Water) আসত। কিন্তু তারপর দীর্ঘদিন ধরে আর জল আসে না। পঞ্চায়েতকে জানালে পঞ্চায়েত বলে, আমাদের হাতে এটা নেই, এটাপিএইচই-র হাতে। এলাকাবাসী পিএইচই দফতরে অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। এলাকার এক বাসিন্দা জানান, ট্যাপে জল না আসায়, পঞ্চায়েতে জানানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরেও (পি এইচ ই) এলাকার বাসিন্দারা মাস পিটিশন দিয়েছেন। তবুও কোন সুরাহা হয়নি।

    কী বলছে বিজেপি?

    বিজেপির যুব সভাপতি শুভ চক্রবর্তী জানান, তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের (Drinking Water) ট্যাপ দিলেও, জল আসে না। এই দাবদাহে মানুষকে প্রচণ্ড সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। বিষয়টি পঞ্চায়েত সমিতি এবং পিএইচইকে জানানো হয়েছে। একে অন্যের অপর দোষ চাপাচ্ছে। আমরা তো জানি এটা পঞ্চেয়েতেরই কাজ।

    তৃণমূলের কী বক্তব্য?

    এলাকার তৃণমূল সদস্য দীপা উপাধ্যায় জানান, জলস্তর কমে যাওয়ায় জল (Drinking Water) আসছে না। বিষয়টি পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পিএইচই দফতরে জানানো হয়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন, এই সমস্যা তাঁর নিজের বাড়িতেও। এলাকার মানুষের ক্ষোভের ব্যাপারে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষে তো সব সমস্যা মেটানো সম্ভব হয় না। পঞ্চায়েত ভোট মিটে গেলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: শনিবার রাতের পর রবিবার ভোরেও ভিজল দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলা! মিলল স্বস্তি

    Weather Report: শনিবার রাতের পর রবিবার ভোরেও ভিজল দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলা! মিলল স্বস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাত এবং ভোরে ভিজল কলকাতা। তবে হল না স্বস্তির বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার রাতেই বৃষ্টি নামে কলকাতা এবং আশপাশের বেশ কিছু জেলায়। যদিও বৃষ্টি হয়েছে নামমাত্র। পাশাপাশি বয়েছে ঝোড়ো হাওয়াও । আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে (Weather Report) আশায় বুক বেঁধেছিলেন শহরের মানুষ। ভ্যাপসা গরম থেকে খানিক রেহাই দিল এই নামমাত্র বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়া। রবিবার সকালেও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। কিছু জেলায় সকাল থেকেই মুখ ভার করে ছিল আকাশ। প্রসঙ্গত, হালেই তারা জানিয়েছিল, টানা পাঁচ দিন তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি বাড়তে পারে। চৈত্র-শেষেই কলকাতায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছিল। সব নিয়ে দুর্ভোগ ছিল চরমে। রবিবারের বৃষ্টি ঝলসে যাওয়া শহরের বুকে শান্তির আমেজ ফিরিয়েছে। 

    আজকে কেমন থাকবে আবহাওয়া

    এদিন রাজ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। রবিবার থেকে গোটা রাজ্য জুড়েই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি থাকছে। দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আর তাপপ্রবাহ থাকবে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আপাতত যা পূর্বাভাস, তাতে আজ দিনভর মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আগামিকালও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকার কথা, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। 

    তাপমাত্রার হেরফেরে সতর্ক থাকতে হবে

    তীব্র গরম থেকে হঠাৎই একধাক্কায় তাপমাত্রা পড়ে যাওয়াতে জ্বর, সর্দি, কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। শিশুরা তো বটেই, জ্বর-কাশি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না বয়স্করাও। আবহাওয়ার (Weather Report) এই রকমফের দেখে রোগ-জ্বর বালাই সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলছেন চিকিত্‍সকরা। কাশি হলে কমতে সময় লেগে যাচ্ছে অনেক দিন। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই সময় বাড়তি সতর্কতা ও যত্ন প্রয়োজন বলে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিত্‍সকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share