Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Land Mafia: রাতের অন্ধকারে পাঁচিল ভেঙে জমি দখলের চেষ্টা! কুলটিতে জমি-মাফিয়াদের তাণ্ডব?

    Land Mafia: রাতের অন্ধকারে পাঁচিল ভেঙে জমি দখলের চেষ্টা! কুলটিতে জমি-মাফিয়াদের তাণ্ডব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুলটিতে ফের জমি মাফিয়াদের (Land Mafia) তাণ্ডব? একটি জমি দখলের অভিযোগকে ঘিরে এমন প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কুলটির ডিসেরগড় সাঁকতোড়িয়া অঞ্চলে।

    জমি দখলের মূল অভিযোগ কী?

    স্থানীয় সূত্রে খবর, কুলটির সাঁকতোড়িয়া অঞ্চলের যশাইডি মৌজার ১৭৭ নং প্লটের জমিটি নিজের দাবি করে সীমানা-প্রাচীর দিয়ে ঘিরতে শুরু করেন বিজয় মাজি। কিন্তু তাঁর জমির সীমানা-প্রাচীর কে বা কারা রাতের অন্ধকারে এসে ভেঙে দিয়ে যায়। এই বিষয়ে সংবাদ মাধ‍্যমের সামনে বিজয় মাজি অভিযোগ করে বলেন, এলাকায় জমি মাফিয়া (Land Mafia) হিসাবে পরিচিত ছোটন ওরফে চিত্তরঞ্জন রায়। সেই এক সঙ্গী নিয়ে রাতের অন্ধকারে এই সীমানা প্রাচীর ভেঙে দিয়েছে। আসলে তারা চাইছে জমিটি অন‍্য কারও কাছে বিক্রি করে দিতে।  

    কী বললেন অভিযুক্ত?

    অন‍্যদিকে চিত্তরঞ্জন রায় জানিয়েছেন, পেশাগতভাবে তিনি নিজে আসানসোল আদালতের আইনজীবী। তিনি বিনা পয়সায় কারও আবেদনপত্রও লিখে দেন। তাঁর কাছে এত সময় নেই যে তিনি রাতের অন্ধকারে পাঁচিল ভাঙতে যাবেন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। তিনি বিগত ১০-১৫ বছর আগে থেকেই ভবিষ‍্যতের দিকে তাকিয়ে জমিতে বিনিয়োগ করে আসছেন। যদিও এই সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলার (Land Mafia) সঙ্গে তিনি কোনওভাবেই জড়িত নন। তাছাড়া গতকাল স্ত্রীর শাড়ি বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তিনি দিনভর ব‍্যস্ত ছিলেন। তাঁর ঘরেও অনেক রাত পর্যন্ত লোকজনের আসাযাওয়া লেগে থাকে। এখন কেউ কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেই পারেন। সঠিক বিচারের প্রয়োজনে তিনি আদালতেও যেতে পারেন। আসলে তাঁর স্ত্রী একজন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। তাই জমি দখলের নামে অযথাই তৃণমূলকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    যিনি অভিযোগ করেছেন, তিনি পরিচিত বলেও তাঁর দাবি। এমনকী অভিযোগকারীর পরিবারের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ আছে। এরপরেও কী করে ওই অভিযোগ তিনি করলেন, তা তাঁর বোধগম্য হচ্ছে না বলে তিনি জানান। এর পিছনে রাজনীতি আছে বলেও তিনি মনে করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Schools: সোমবার থেকে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সাতদিনের ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    West Bengal Schools: সোমবার থেকে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সাতদিনের ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা সমেত গোটা দক্ষিণবঙ্গে তীব্র গরমে নাজেহাল মানুষ। বেলা গড়াতেই তাপপ্রবাহ চলছে। চড়চড়িয়ে বাড়ছে পারদ। চল্লিশ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছে বাতাসের উষ্ণতা। এহেন পরিস্থিতিতে স্কুল-কলেজ  (West Bengal Schools)পড়ুয়াদের রেহাই দিতে সোমবার থেকে সাত দিন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল সরকার।

    সাতদিনের ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    রবিবার দুপুরে সাতদিন স্কুল কলেজের (West Bengal Schools) ছুটি ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারি সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এই সাত দিন বন্ধ থাকবে। শুধুই কী সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি অনেক সময়ে সরকারের পরামর্শ মানতে চায় না। তাদেরও বলা হচ্ছে, ছেলেমেয়েদের কথা মাথায় রেখে যেন এই সাত দিন স্কুল, কলেজ বন্ধ রাখে। কারণ যা গরম পড়েছে, কিছু একটা ভালমন্দ হয়ে যেতেই পারে। হিট স্ট্রোকের আশঙ্কা তো থাকছেই।

    গরমের ছুটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২ মে থেকে ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল

    মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে রবিবার বিকেলের মধ্যে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, দাবদাহের কথা মাথায় রেখে সরকার ভেবেছিল ২ মে থেকে গরমের ছুটি দেওয়ার ঘোষণা করা হবে। কিন্তু হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী পাঁচ-সাতদিন তাপপ্রবাহ চলবে। তাই সরকার সিদ্ধান্ত বদল করল।

    মমতার কথায়, আসলে আমাকে বাচ্চারাই তাদের কষ্টের কথা জানিয়েছে। কয়েক জন বাচ্চা আমাকে বলেছে, দিদি এত গরম যে স্কুলে গিয়ে মাথা যন্ত্রণা করছে। খুব কষ্ট হচ্ছে। গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। তাই সরকারের এই সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী কিছু দিন তাপের দাপট সামান্য কমলেও বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বরং গরম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এই রকম পরিস্থিতিতে স্কুল কলেজের (West Bengal Schools) ছুটি প্রয়োজনীয় বলেই মনে করছেন অনেক অভিভাবক। তবে এই ছুটি শুধু সামনের সপ্তাহ, নাকি তার পরেও বাড়বে, তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। মনে করা হচ্ছে আবহাওয়ার মতিগতি দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: চাকরির টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা! ধৃত কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া যুবকসহ পাঁচজন

    Fraud: চাকরির টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা! ধৃত কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া যুবকসহ পাঁচজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম সঞ্জয় দাস। বাড়ি রানাঘাট। কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে দ্বিতীয় বর্ষ পর্যন্ত পড়েছিল সে। তারপর আর পড়াশুনা করতে পারেনি। তাতে কী হয়েছে? রীতিমতো গ্যাং তৈরি করে অনলাইনে প্রতারণার (Fraud) ফাঁদ পেতে বসে সে। আর সেই ফাঁদে পা দিলেই চাকরির টোপ দিয়ে মগজধোলাই করে চলত প্রতারণা (Fraud)। এইভাবে তার রোজগার হত লক্ষ লক্ষ টাকা। সব কিছুই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু, এই প্রতারকদের হাতে প্রতারিত (Fraud) হয়ে এক যুবক মগড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে নদিয়ার রানাঘাট থেকে ৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের নাম চন্দন রায়, সৌগত বৈরাগী, অর্ণব বিশ্বাস, সৈকত গঙ্গোপাধ্যায় এবং সঞ্জয় দাস।

    কী ভাবে চলত প্রতারণা (Fraud)?

    প্রতারণার জন্য সঞ্জয় দামি মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপ ব্যবহার করত। বেসরকারি ব্যাঙ্কের ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেসবুক-সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে কর্মখালির বিজ্ঞাপন দিত সে। সেই জালে পা দিলেই প্রতারণার (Fraud) শিকার হতে হত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে ফর্ম ফিলআপের জন্য অল্প টাকা নেওয়া হত। তারপর ‘রেজিস্ট্রেশন’ করতে হবে বলে আরও কয়েক হাজার টাকা নেওয়া হত। সে সব মিটলে চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়ার নাম করে কয়েক লক্ষ লক্ষ  টাকা হাতিয়ে নেওয়া হত। তাদের কাছ থেকে মোট ৮টি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, নগদ ৪০ হাজার টাকা এবং বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে। ১৪ এপ্রিল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে, চুঁচুড়া আদালতে তোলা হলে ছয় দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    কী বললেন হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার?

    হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য বলেন, এর আগেও একবার কলকাতা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এই চক্র। ত্রিবেণীর মনোজিৎ সাউ নামে এক যুবক এবং তাঁর স্ত্রী আর্থিক প্রতারণার (Fraud) শিকার হয়েছেন বলে গত ১ ফেব্রুয়ারি মগরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। বেসরকারি ব্যাঙ্কে চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁদের ঠকিয়ে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। এরপরই আমরা তদন্ত শুরু করি। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা রয়েছে তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Clock Tower: বাম আমলের টাওয়ারে নতুন ‘তৃণমূলী ক্লক’, ৯ লাখি ঘড়িতে দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছে বিরোধীরা

    Clock Tower: বাম আমলের টাওয়ারে নতুন ‘তৃণমূলী ক্লক’, ৯ লাখি ঘড়িতে দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছে বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাম আমলের বেহাল টাওয়ার ক্লক (Clock Tower) সরিয়ে নতুন ক্লক বসানো হল বালুরঘাট শহরের বাসস্ট্যান্ডে। যার খরচ নাকি ৯ লক্ষ টাকা। পুরসভার বসানো ঘড়ির খরচ শুনে চক্ষু চড়কগাছ শহরবাসীর। যা নিয়ে কটাক্ষ বিরোধীদের গলায়। বাম ও বিজেপির অভিযোগ, টাওয়ার তো আগেই ছিল। শুধুমাত্র ঘড়ির খরচ কেন এত টাকা? পুরবোর্ড অবশ্য দাবি করেছে, সম্পূর্ণ নতুন ঘড়ি এনে লাগানো হয়েছে। তবে বাম আমলে এর চেয়ে বেশি খরচ করা হয়েছে। যুক্তি যাই দেখানো হোক, এই ঘড়ির বিষয়টি নিয়ে শহরের চায়ের দোকানগুলিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।  

    নতুন কি না, সন্দেহ প্রকাশ আরএসপি-র প্রাক্তন চেয়ারপার্সনের

    আরএসপির প্রাক্তন চেয়ারপার্সন সুচেতা বিশ্বাস বলেন, সঠিক খরচ মনে না পড়লেও আমরা লাখ দু’য়েক টাকা খরচ করে ওই ঘড়ি বসিয়েছিলাম। তাই বলে এই বোর্ডের মতো ৯ লক্ষ টাকা খরচ হয়নি। আর আমাদের সময়কালের টাওয়ারই (Clock Tower) তো রয়েছে। নতুন করে শুধু ঘড়ি বসানো হয়েছে। ওই ঘড়িটি নতুন কিনা, তাও সন্দেহ রয়েছে। 

    এটা কি লন্ডন থেকে আনা? প্রশ্ন বিজেপি-র

    বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য সুমন বর্মন বলেন, বামেদের আমলে এই ঘড়ি (Clock Tower) বসানো হয়েছিল। সেই ঘড়িই বিগত তৃণমূল বোর্ড সংস্কারের নামে কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয় দেখিয়েছিল। এখন নতুন পুরবোর্ড আবার একই ঘড়ি সংস্কার করে ৯ লক্ষ টাকা খরচ দেখাচ্ছে। এটা কি লন্ডন থেকে আনা? 

    কী বলছেন এলাকার বাসিন্দারা?

    এবিষয়ে বালুরঘাট শহরের চকভবানী এলাকার বাসিন্দা সুরজিৎ দত্ত বলেন, এই ঘড়ি (Clock Tower) দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে পড়েছিল। নতুন করে লাগানো হয়েছে। খুব ভালো কথা। কিন্তু এই ঘড়ির জন্য এত খরচ করার কোনও মানে হয় না। এই ঘড়ির খরচ নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। প্রসঙ্গত, বালুরঘাট শহরের মূল কেন্দ্র বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চৌমাথা মোড়ে এই টাওয়ার ঘড়ির অবস্থান। ২০১৩ সালের আগে বাম আমলে এই ঘড়িটি লক্ষাধিক টাকা খরচ করে বসানো হয়েছিল। বিগত এক দশকের বেশি সময় ধরে এই টাওয়ার ঘড়িই শহর চেনার মূল আকর্ষণ হয়। ২০১৩ সালে পালাবদলের পরে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। এরপর তা নষ্ট হলে ২০১৬ সালে সংস্কার করা হয়৷ পরে ফের নষ্ট হয়ে যায়। দীর্ঘ বছর এই ঘড়ি খারাপ থাকায় নতুন পুরবোর্ড ঘড়ি সংস্কারে উদ্যোগী হয়েছে। নববর্ষের উপহার স্বরূপ বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র এই ঘড়ি উদ্বোধন করেন। যাকে ঘিরেই বিতর্ক।

    কী জবাব দিলেন বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান?

    এবিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, বামেদের আমলে ওই ঘড়ি (Clock Tower) বসাতে আমাদের চেয়ে বেশি টাকা লেগেছে। আর ওরা যেভাবে ঘড়িটি বসিয়েছিল, তা সংস্কারও করা হত না। যে ঘড়িটি বসানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ নতুন। এটি উন্নতমানের জিপিআরএস সিস্টেমে বসানো হয়েছে। শহরের সৌন্দর্যের জন্যই এই উদ্যোগ। যা বিরোধীরা এতদিন করতে পারেনি বলেই এই ধরনের কথা বলছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI Raid: পুকুর থেকে উদ্ধার একটি মোবাইল, তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে কোন ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল সিবিআই?

    CBI Raid: পুকুর থেকে উদ্ধার একটি মোবাইল, তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে কোন ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের সেই পুকুরের দিকে শুধু এলাকাবাসী নয়, রাজ্যের মানুষের নজর ছিল। ওই পুকুরের জল তুলে মোবাইল উদ্ধার করা কী সম্ভব, তা নিয়ে শনিবার দিনভর চর্চা হয়েছে। সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরাও তিনটে পাম্প নামিয়ে পুকুর থেকে জল তোলার উদ্যোগ নেন। আর এই কাজে হাত লাগিয়েছিলেন স্থানীয় ৪ জন শ্রমিক এবং একজন মত্স্যজীবী। দুদিন ধরে টানা কাজ করার পর রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ পুকুরের ভিতর থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আরও একটি মোবাইল পুকুরে রয়েছে বলে সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা আশঙ্কা করছেন। সেই মোবাইলের খোঁজে এদিন সকাল থেকে পুকুরে তল্লাশি চলছে।

    মোবাইল উদ্ধারের পর কী করল সিবিআই (CBI Raid)?

    শুক্রবার বেলা ১২ টা নাগাদ সিবিআই তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে আচমকা হানা দেয়। বাড়িতে চলে তল্লাশি। ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বিধায়ককে। আর সিবিআইয়ের (CBI Raid) নজর এড়িয়ে কীভাবে কৌশলে নিজের দুটি মোবাইল পুকুরে তৃণমূল বিধায়ক ফেলেছিলেন? কীভাবে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন? এদিন তৃণমূল বিধায়ককে বাড়ির ছাদে তুলে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে সিবিআই (CBI Raid)। এমনকী পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলটি বিধায়ককে দেখিয়ে সনাক্ত করেন সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা।  আর পুনর্নির্মাণের সমস্ত কিছু সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা ভিডিও রেকর্ডিং করে রাখেন। সেই সংক্রান্ত নথিতে তৃণমূল বিধায়ককে স্বাক্ষর করানো হয়।

    পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলে তথ্য সংরক্ষণ নিয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা কী বললেন?

    প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইলে হার্ডওয়্যার যদি ঠিকঠাক থাকে, তথ্য পেতে কোনও সমস্যা হবে না। আর মোবাইল চালু অবস্থায় কাদায় ফেলা হলে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মোবাইলে একাধিক আইসি ও ইন্টার্নাল স্টোরেজ নষ্ট হয়ে গেলে তা থেকে তথ্য উদ্ধার করা বেশ কষ্টকর। তবে, জানা গিয়েছে, মোবাইল জলে ডুবে থাকলেও ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মোবাইল থেকে তথ্য পেতে খুব বেশি সমস্যা হয় না। এক্ষেত্রে ঘটনাস্থলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা উদ্ধার হওয়া মোবাইল খতিয়ে দেখছেন। আরও একটি মোবাইল কখন উদ্ধার হয় সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • The Ghost:  অবাককাণ্ড! ভূতের আরাধনা কোথায় হয় জানেন?

    The Ghost: অবাককাণ্ড! ভূতের আরাধনা কোথায় হয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূত (The Ghost) ! “নেই, নেই” হাজার বার বলার পরেও দিব্যি চলে আসে অদ্ভূত সব ভূতের (The Ghost) গল্প। মামদো ভূত, মেছো ভূত, গেছো ভূত, গলাকাটা ভূত ইত্যাদি কতোই না তার রকমফের। পেত্নি, শাকচুন্নি, ডাইনি ইত্যাদি স্ত্রী ভূতও নাকি আছে বলা হয়। গল্প শুনলেই গা ছমছমে করে। আর দুর্বল মনের মানুষ হলে তো কথাই নেই। “ভূতে ধরেছে” রটতে না রটতেই হুলস্থুল কাণ্ড ঘটে যায়। তারপর সেই ভূত (The Ghost) তাড়াতে ওঝা ডাকা হয়। ওঝার কেরামতি নিয়েও ঘটে যায় আরও কত কাণ্ড। কিন্তু কখনও কি শুনেছেন ভূতের পুজোর কথা? তাও আবার যে সে ভূত (The Ghost) নয়, ভয়ংকর ও বিশাল চেহারার ‘গলাকাটা’ ভূতের পুজোর কথা? এ হেন ভূতবাবাজিকে তুষ্ট করতে তাঁকে রীতিমতো সম্মান, শ্রদ্ধা জানিয়ে পুজো করা হল এবারও।

    কেমন চেহারা এ ভূতের (The Ghost)?

    প্রায় পনেরো ফুট লম্বা হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে থাকা এক ভূত (The Ghost)। ডান হাতটা কিছুটা ওপরের দিকে তোলা। আর বাঁ পা যেন একটু বেশি প্রসারিত। মুখ তার আকাশপানে। তবে মাথা নেই। ধড় অংশের শুরুতেই সাদা-কালোয় মায়াবী দুটো চোখ দু পাশে। বাম, ডান যেদিক থেকেই আপনি তাঁকে দেখুন না কেন, মনে হবে যেন আপনার দিকেই তাকিয়ে। বুক ও পেটের অংশে উন্নত নাক, লকলকে জিভ, ধবধবে সাদা দাঁতের পাটি। গায়ের রং কুচকুচে কালো। শরীরের নিচের অংশ মেয়েলি ‘ঘের’ জাতীয় লাল টুকটুকে বস্ত্রে ঢাকা। আলতা রাঙানো হাত ও পা। আর বুকের ওপর থেকে ঝোলানো লাল রঙের কাগজের মালা।

    কোথায় হয় এমন গলাকাটা ভূতের (The Ghost) পুজো ?

    নদিয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া তালতলায় বৈশাখের পয়লাতে এবারও হল এমন ভয়াল চেহারার ভূতের (The Ghost) আরাধনা। হ্যাঁ, বাংলার বিখ্যাত তাঁতশাড়ির আঁতুরঘর যেখানে, সেই ফুলিয়ায়। তবে কোনও তান্ত্রিক বাড়ির নিভৃত কোণে নয়। ভূতের পুজো হল একদম খোলা আকাশের নিচে, হাজার হাজার লোকের মাঝে। কিন্তু, হস্তচালিত তাঁতযন্ত্রের নিত্যদিনের খটাখট শব্দের মাঝে কী করে সেখানে পৌঁছাল এমন ভূত? গল্পটা শোনা যাক ভূতপুজোর আয়োজক বাড়ির অন্যতম কর্তা প্রকাশ বসাকের মুখে। প্রকাশ বললেন, প্রতি বছর আমাদের পরিবারের শরিকি সদস্যদের উদ্যোগে ভূতের (The Ghost) পুজোর আয়োজন করা হয় ঠিকই। কিন্তু, এ পুজো এখন গ্রামের বহু মানুষের পুজো হয়ে গিয়েছে। সেই অর্থে বলা যায় সর্বজনীন। গ্রামের কচিকাঁচা থেকে শুরু করে বয়স্ক সদস্য, এমনকি গ্রামের মহিলারাও এ পুজোর আয়োজনে হাত লাগান। প্রকাশ আরও বলেন, ওপার বাংলার টাঙ্গাইল জেলার বামুন কুইচা গ্রামে বাড়ি ছিল আমাদের পূর্ব পুরুষের। ফি বছর বাংলা নববর্ষের দিনে এমন ভূতের (The Ghost) পুজো করতেন আমাদের ঠাকুরদাদা বা তাঁর বাবারা। স্বাধীনতার পর আমাদের বাবা-জেঠারা পরিবার নিয়ে এপার বাংলার ফুলিয়ায় এসে বসবাস শুরু করেন। খুব সম্ভবত ষাটের দশকে ওপার বাংলার পারিবারিক সেই ভূতের পুজো এখানকার বাড়িতেও শুরু করেছিলেন আমার জেঠু দুলাল বসাক। এরপর আমাদের শরিকি পরিবারের সব সদস্য তো বটেই, দেখতে দেখতে গ্রামের লোকজনও আমাদের এই পুজো আয়োজনের শরিক হয়ে গিয়েছেন। আমাদের এখানকার বাড়ির গায়ে নিজস্ব শিবমন্দির আছে। সেই শিবের গাজনে আমরা যাঁরা সন্ন্যাসী হই, তাঁরাই গলাকাটা ভূতের মূল সেবক।

    কেন এমন ভূতের (The Ghost) পুজো ?

    প্রকাশের বক্তব্য, “বাড়ির বয়স্কদের কাছে শুনেছি, বাড়ির কচিকাঁচারা যাতে ভূতের (The Ghost) ভয় না পায় এবং পরিবারের সবার যাতে মঙ্গল হয়, সেজন্য বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে এই পুজো শুরু করেছিলেন আমাদের পূর্বপুরুষরা। স্থানীয় বাসিন্দা সত্তরোর্ধ্ব হরিপদ বসাক বলেন, আমরা এই দেবতাকে কেউ বলি ‘বড় দেবতা’, আবার কেউ বলি ‘কবন্ধ ভূত’। প্রকাশদের পরিবারের গৃহ দেবতা মহাদেব। তাই চৈত্র শেষের দু দিনে ওদের বাড়ির মন্দিরে ঘটা করে নীল পুজো হয় আর গাজনের সন্ন্যাসীরা প্রথা মেনে দেবাদিদেব মহাদেবকে তুষ্ট করেন। মহাদেবের সঙ্গে ভূতও (The Ghost) থাকেন বলে গাজনের সন্ন্যাসীরা ভূতকেও সন্তুষ্ট করা শুরু করেছিলেন। রামায়ণেও এমন কবন্ধ ভূতের (The Ghost) পুজোর কথা উল্লেখ আছে বলে দাবি জানান হরিপদবাবু।

    ভূত (The Ghost) দেবতা থাকেন কতক্ষণ ?

    মূলত একদিনের পুজো। পুজো ঘিরে বসে মেলাও। তবে অক্ষয় তৃতীয়া পর্যন্ত তো বেটেই, গোটা বৈশাখ মাস জুড়েই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ উঁকি দেন এই লৌকিক দেবতাকে প্রণাম জানাতে। খোলা আকাশের নিচে দেবতা শুয়ে থাকেন বলে বৃষ্টি নামলেই মৃন্ময় এ দেবতার  অঙ্গহানি শুরু হয়। তবে, অনেক ঝড়বৃষ্টির পরে বছর শেষেও ওই জায়গায় থেকে যায় মাটির স্তুপ। পরের বছর সেই মাটির ঢিবিতে আবারও মাটি লাগিয়ে এবং রং করে ফের গড়া হয় বড় দেবতাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: প্যাচপ্যাচে গরম থেকে মুক্তি কবে! কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস?

    Weather Report: প্যাচপ্যাচে গরম থেকে মুক্তি কবে! কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিনেই চড়চড়িয়ে বেড়েছে তাপমাত্রার পারদ। ভেঙে গেছে গত পাঁচ বছরের সব রেকর্ড। গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা রাজ্যবাসীর। চিকিৎসকরা দুপুরের দিকে বাড়ির বাইরে বেরতে নিষেধ করছেন, বিশেষ প্রয়োজন না থাকলে। হাওয়া অফিস বলছে, অস্বস্তির আবহাওয়ার আপাতত তেমন কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অবশ্য সাগর থেকে জলীয় বাষ্প স্থলভাগের দিকে প্রবেশ করছে। যে কারণে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা। তবে এব্যাপারে আবহাওয়া দফতর কোনও নিশ্চয়তা দেয়নি।

    এক নজরে আজকের আবহাওয়া

    সর্বোচ্চ তাপমাত্রা : ৪১.৮°সেলসিয়াস
    সর্বনিম্ন তাপমাত্রা : ৩১.৭° সেলসিয়াস
    আর্দ্রতা : ৯২%
    বাতাস বইবে : ১২ কিমি/ঘন্টা

    আরও পড়ুন: উদ্বোধন করলেন এইমসের! বিহুর আগে অসমকে ১৪,৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প উপহার মোদির

    কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া

    কলকাতা এবং শহরতলিতে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। যদিও ব্যাপক তাপপ্রবাহ এবং আর্দ্রতা মিলে বেশ অস্বস্তিকর প্যাচপ্যাচে গরম থাকবে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা  থাকবে ৪১ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন ২৯ ডিগ্রি। 

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কেমন থাকবে আবহাওয়া

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের সব জেলার আবহাওয়াই শুকনো থাকবে আপাতত। আগামী পাঁচ দিনে পাহাড়ের জেলাগুলোতে আবহাওয়া পরিবর্তন না হলেও সমতলের বিভিন্ন জেলায় তীব্র দাবদাহ থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের মতো উত্তরবঙ্গে কিন্তু তাপপ্রবাহের কোনও পূর্বাভাস নেই।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে 

    দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির জন্য ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত তাপপ্রবাহজনিত সতর্কতার কারণে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ব্যাপক তাপপ্রবাহ চলবে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। সব মিলিয়ে চরম অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে দক্ষিণবঙ্গে।

    সোমবারের পূর্বাভাস

    সোমবার অবধি আবহাওয়া একই থাকবে বলে জানিয়েছে মৌসমভবন। আগামী ৫ দিনে পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলির তাপমাত্রায় সেরকম পরিবর্তন হবেনা। অর্থাৎ গরমের দাপট থেকে আপাতত নিস্তার পাবেনা রাজ্যবাসী। বৃষ্টি নিয়ে কোনও পূর্বাভাস দিতে পারেনি হাওয়া অফিস।

    আরও পড়ুন: ছেলের শেষকৃত্যের দিনেই দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bengali New Year: অন্যরকম নববর্ষ পালন! প্রকৃতিরক্ষায় যজ্ঞের আয়োজন গেরুয়া শিবিরের

    Bengali New Year: অন্যরকম নববর্ষ পালন! প্রকৃতিরক্ষায় যজ্ঞের আয়োজন গেরুয়া শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রভাত ফেরি, নাচ-গান সহ নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রাস্তাজুড়ে আলপনা। এরকম নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শনিবার সকাল থেকেই বর্ষবরণ (Bengali New Year) উৎসবে মেতে উঠেছিল শিলিগুড়ি। প্রচলিত এই ছন্দের বাইরে গিয়ে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন শিলিগুড়িতে একটু অন্যরকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল গেরুয়া শিবির। উত্তরবঙ্গের জল-জঙ্গল এবং প্রকৃতিকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে এদিন বিশাল যজ্ঞের আয়োজন করে গেরুয়া শিবির। 

    যজ্ঞ দেখতে ভিড় প্রচুর মানুষের

    বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন (Bengali New Year) সকাল থেকেই কালীবাড়িগুলিতে ভিড় ছিল ভালোই। ব্যবসায়ীরা নতুন খাতার পুজো দিতে লম্বা লাইন দেন। সেখানে শিলিগুড়ির প্রাচীন আনন্দময়ী কালীবাড়িতে আলাদা করে নজর কাড়ে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের উদ্যোগে আয়োজিত এই যজ্ঞ অনুষ্ঠান। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটির নেতৃত্ব। এই যজ্ঞ দেখতে প্রচুর মানুষ ভিড় করেন। শঙ্কর ঘোষ বলেন, উত্তরের প্রকৃতি আমাদের গর্ব। তা রক্ষা করা আমাদের সকলের কর্তব্য৷ সেই সচেতনতা সকলের মধ্যে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই যজ্ঞের আয়োজন। এই দিনটিতে উৎসবে মাতোয়ারা মানুষের মনে নিজের প্রাকৃতিক সম্পদ, নদী, জঙ্গলকে রক্ষার তাগিদ জাগ্রত করাটা এই অনুষ্ঠানের একটি দিক। যাতে বছরের প্রথম দিন থেকেই প্রতিটি মানুষ নিজের নিজের এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ বাঁচানর জন্য সচেতন হন,, শপথ গ্রহণ করেন। এই বার্তা দিতেই আমরা এদিন হোম-যজ্ঞ করি।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ?

    এক প্রশ্নের উত্তরে শঙ্করবাবু বলেন, বন আইন, পরিবেশ আইন-কোনও কিছুর তোয়াক্কা না করে উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে যেখানে সেখানে হোটেল, রিসর্ট, বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স তৈরি হয়েই চলেছে। এতে বন্যপ্রাণীরা বিপন্ন হয়ে পড়ছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্যও বিনষ্ট হচ্ছে। তিস্তা নদীতে ক্র্যাসার নামিয়ে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে পাথর তুলে পাচার করা হচ্ছে। এভাবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। এর প্রতিবাদেই আমি উত্তরবঙ্গের বন ও নদী বাঁচাতে আন্দোলনে নেমেছি। নববর্ষের প্রথম দিন (Bengali New Year) এদিনের যজ্ঞ তারই একটি অঙ্গ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jiban Krishna Saha: উদ্ধার ৩,৪০০ চাকরি প্রার্থীর নথি! তৃণমূল বিধায়কের ঘরকে ‘ওয়ার রুম’ বলছে সিবিআই

    Jiban Krishna Saha: উদ্ধার ৩,৪০০ চাকরি প্রার্থীর নথি! তৃণমূল বিধায়কের ঘরকে ‘ওয়ার রুম’ বলছে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিকাণ্ডে একের পর এক নতুন চরিত্র উঠে আসছে তদন্তে। নবতম সংযোজন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। তাঁর বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি দুজায়গাতেই শুক্রবার হানা দেয় সিবিআই। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধারের পাশাপাশি এদিন নাটকীয় ঘটনাও ঘটতে থাকে। শৌচালয় যাওয়ার নাম করে বাড়ির পিছনে পুকুরে মোবাইল ফোন ফেলে দেন বিধায়ক। আবার মেমরি কার্ড লুকিয়ে রাখেন স্ত্রীর সিঁদুরের কৌটোতে। তবে এতকিছুর পরেও শেষ রক্ষা করতে পারলেন না বিধায়ক। শুধু সুপারিশে হওয়া চাকরিপ্রার্থীদের নথিই নয়, এসএলএসটির গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ার নথিই মিলেছে তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে। উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৩,৪০০ প্রার্থীর তথ্য। শনিবার তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে অভিযানের পর এমনই দাবি করেছে সিবিআইয়ের একটি সূত্র। তাদের দাবি, নবম এবং দশম শ্রেণির চাকরিপ্রার্থীদের নাম এবং রোল নম্বর সমেত নথি উদ্ধার হয়েছে বিধায়কের বাড়িতে। নিয়োগ দুর্নীতির অন্যতম চক্রী তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha), এমনটাই দাবি করছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: ‘নব রবিকিরণে’ বৈশাখ-বরণ বাঙালির! কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বর পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন

    জীবনকৃষ্ণের (Jiban Krishna Saha) বাড়ির একটি ঘরকে ‘ওয়ার রুম’ বলছেন তদন্তকারীরা

    শুক্রবার দুপুর থেকে তৃণমূল বিধায়কের (Jiban Krishna Saha) বাড়িতে চলছে  তল্লাশি অভিযান। বস্তা বস্তা নথি মিলেছে জীবনকৃষ্ণের বাড়িতে, এমনটাই জানা যাচ্ছে সিবিআই সূত্রে। শনিবার বিধায়কের (Jiban Krishna Saha) দু’টি নোটপ্যাডও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জীবনকৃষ্ণের বাড়ির একটি ঘরকে ‘ওয়ার রুম’ বলছেন তদন্তকারীরা। সেই ঘরে রয়েছে একাধিক কম্পিউটার, বেশ কয়েকটি ল্যাপটপ, তিনটি নোটপ্যাড, হাই স্পিড ওয়াইফাই কানেকশন এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু সফ্‌টঅয়্যার। কী কাজে সেগুলো ব্যবহার হত, সে বিষয়ে বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। সন্ধান মিলেছে মোবাইলের দু’টি এক্সটারনাল স্টোরেজ। সেগুলি ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Accident Death: বর্ষশেষে মর্মান্তিক ঘটনা, নাগরদোলার বিয়ারিংয়ে চুল জড়িয়ে মৃত্যু তরুণীর

    Accident Death: বর্ষশেষে মর্মান্তিক ঘটনা, নাগরদোলার বিয়ারিংয়ে চুল জড়িয়ে মৃত্যু তরুণীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বাংলার মানুষ যখন আনন্দে আত্মহারা, ঠিক তখনই বাঁকুড়ায় ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। নতুন বছরের নতুন সূর্যোদয় দেখা হল না এক তরুণীর। বর্ষশেষে চড়কের মেলায় গিয়েছিল ওই তরুণী। উঠেছিল একটি নাগরদোলায়। কিন্তু এই ওঠাই যে তার শেষ ওঠা হবে, তা কে জানত! নাগরদোলার পিলার ও বিয়ারিংয়ে চুল জড়িয়ে প্রায় ২০ ফুট উপর থেকে নিচে পড়ে মৃত্যু (Accident Death) হল তার। আনন্দ-উৎসব মুহূর্তে পরিণত হল বিষাদে। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত ওই তরুণীর নাম প্রিয়ঙ্কা বাউরি। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কলকাতায়। যদিও পথেই তার জীবনের যবনিকা নেমে আসে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার এক্তেশ্বরের গাজন মেলায়। ওই তরুণীর বাড়ি সানবাঁধা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাদুল গ্রামে। কয়েকজনের সঙ্গে সে এসেছিল ওই মেলায়। যদিও অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, নাগরদোলায় ওঠার পর তরুণী নাকি সেলফি তুলছিল। আর তখনই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। উল্লেখ্য, বীরভূমের মেলায় একইভাবে নাগরদোলায় চেপে সেলফি তুলতে গিয়ে জখম হয়েছিলেন এক যুবক। এক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে কিনা, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ওই নাগরদোলার যান্ত্রিক ত্রুটিবিচ্যুতি ছিল কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানিয়েছেন, নাগরদোলায় চড়া অবস্থায় ওই তরুণীর চুল ছিল খোলা। সেই খোলা চুলই নাগরদোলার বিয়ারিংয়ে জড়িয়ে যায়। ফলে ঝুলতে থাকে ওই তরুণী। এরকম একটা অবস্থায় থাকার ফলে মাথার খুলিও উপড়ে যায় (Accident Death)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তরুণীর বাবা হিমঘরের কর্মী ছিলেন। এই ঘটনা শোনার পরই তার পরিবার তো বটেই, শোকে মূহ্যমান গোটা গ্রাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share