Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Corruption: স্কুলেও একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ

    Corruption: স্কুলেও একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে যেন কোনওভাবেই মুক্তি মিলছে না রাজ্যবাসীর। কখনও রাস্তা তৈরিতে নিম্নমানের কাঁচামাল সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা, কখনও ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, কখনওবা দুর্নীতি আবাস যোজনায়। তালিকা দিনকে দিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এবার একগুচ্ছ দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিভাবকরা। আরামবাগের কেশবপুর ইনস্টিটিউশনের ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    কী অভিযোগ তুলছেন অভিভাবকরা?

    অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক সব কিছুই নিজের ইচ্ছামতো করছেন। মিড ডে মিলে গরমিল, স্কুলের ফলক তৈরিতে অর্থ তছরুপ সহ তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ (Corruption) তোলেন অভিভাবকরা। এমনকি ক্লাসরুমে পর্যাপ্ত পাখা না থাকা সত্ত্বেও গরমের মধ্যে দিনে তিনটি করে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে কেন? সেই  প্রশ্ন তুলেও সোচ্চার হন অভিভাবকরা। স্কুলের পরিচালন কমিটি না থাকার কারণে প্রধান শিক্ষক ইচ্ছামতো কাজ করছেন বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগ তুলে এদিন স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। দীর্ঘক্ষণ চিৎকার-চেঁচামেচি চলে। দাবি ওঠে প্রধান শিক্ষকের অপসারণের। এক অভিভাবক বলেন, স্কুলে যে পরীক্ষা হয়েছে, তাতে প্রশ্নেই উত্তর। পরীক্ষা ১১ টা থেকে আরম্ভ হওয়ার কথা। সেই পরীক্ষা শুরু হয়েছে বেলা ১ টার পর। কোনও গার্ড নেই। গরমে ছেলেগুলো আধমরা হয়ে বাড়ি ফিরছে। পড়তে নয়, যেন কুস্তি লড়তে যাচ্ছে। যাদের কাছে আমরা ছেলেদের পাঠাচ্ছি, তাদের কোনও দায়িত্বই নেই। তাদের একটাই লক্ষ্য, মাস গেলে মাইনে বুঝে নেবো। 

    প্রধান শিক্ষক জবাবে কী জানালেন?

    যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাজকুমার খামরুই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। ক্লাসরুমে ফ্যান আছে বলেই তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার জন্যই এসব করা হচ্ছে। আইন মেনেই তিনি যা করার করছেন। দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ একেবারেই ঠিক নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Minor Schoolgirl Missing: কাঁধে ব্যাগ নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালালো নাবালিকা দুই সহপাঠী, শোরগোল মালদায়

    Minor Schoolgirl Missing: কাঁধে ব্যাগ নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালালো নাবালিকা দুই সহপাঠী, শোরগোল মালদায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই বান্ধবী এমন ঘটনা ঘটালো যে, তাদের খুঁজে পেতে কালঘাম ছুটল পুলিশের। পরিবারে নাকি বাবা-মায়ের কড়া শাসন ও বকুনি। আর তা থেকে রেহাই পেতেই নাকি বাড়ি ছেড়েছিল (Minor Schoolgirl Missing) দুই সহপাঠী। কিন্তু তারা যে একরকম নাকানি-চোবানি খাওয়াবে, তা কে জানতো। তাদের উদ্ধার করতে কালঘাম ছুটল মালদার চাঁচল থানার পুলিশের। কার্যত পুলিশের সঙ্গে লুকোচুরি খেলল দুই সহপাঠী। অবশেষে সিসিটিভি ফুটেজের সাহায্যে নাগালে এল দুই বান্ধবী। এখন আদালতের নির্দেশে দুই সহপাঠীর স্থান হয়েছে মালদা শিশু সুরক্ষা কমিশনের হোমে। 

    কীভাবে পালিয়ে গেল দুই কিশোরী?

    ঘাড়ে ব্যাগ নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল (Minor Schoolgirl Missing) নাবালিকা দুই সহপাঠী। একই স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পাঠরত তারা। তাদের বাড়িও চাঁচলে। ৭ এপ্রিল পরিবারের উপর অভিমান করে এবং বাড়ি না ফেরার জেদ নিয়ে দুই বান্ধবী চাঁচলের একটি লজে আত্মগোপন করার চেষ্টা করে। কিন্তু দুজনই নাবালিকা হওয়ায় লজ কর্তৃপক্ষ তাদের ঠাঁই দেয়নি। পরে তারা সামসি স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকে। 

    কীভাবে তারা এল পুলিশের নাগালে?

    সারাদিন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চাঁচল থানায় নিখোঁজের (Minor Schoolgirl Missing) অভিযোগ করেন। শুরু হয় তল্লাশি। সন্ধ্যায় পুলিশ নিখোঁজ দুই সহপাঠীর আত্মীয়কে নিয়ে সামসি স্টেশনেও খোঁজ নিতে যায়। কিশোরীরা আড়াল থেকে আত্মীয়কে দেখে অন্যত্র লুকিয়ে যায়। তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিক জানান, ওই দুই নাবালিকা স্থানীয় একটি রিসর্টে লুকিয়ে রাত কাটায়। পরের দিন সকালেও থাকে। ৮ এপ্রিল বিকেল নাগাদ আবার চাঁচলে আসে। চাঁচলের একটি বাড়িতে পেয়িং গেস্ট হিসেবে আত্মগোপন করে। কিন্তু ওই দুই বান্ধবী স্কুল ও টিউশনিতে না গিয়ে ঘরবন্দি হয়ে থাকে দুদিন। বাড়ির মালিকের সন্দেহ হয়। এরপর বাড়ির মালিকও তাদের তাড়িয়ে দেয় ১১ এপ্রিল। দিশেহারা হয়ে চাঁচল শহরের বুকে ঘোরাফেরা করে দুই বান্ধবী। অবশেষে গতকাল রাতে তারা পুলিশের নাগালে আসে। 

    কী জানালেন পুলিশ সুপার?

    মালদহের পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব জানান, গতকাল ওই দুই নাবালিকাকে (Minor Schoolgirl Missing) উদ্ধার করে চাঁচল মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালতের নির্দেশে আজ দুই নাবালিকাকে পাঠানো হয় মালদা শিশু সুরক্ষা কমিশনের হোমে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Forest Minister: মিছিল করলে বিরোধীদের ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার নিদান দিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

    Forest Minister: মিছিল করলে বিরোধীদের ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার নিদান দিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীরা মিছিল করলে ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার নিদান দিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী (Forest Minister) জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বারাসতে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বনমন্ত্রী (Forest Minister) বলেন, “সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি যেই এবার থেকে মিছিল করতে আসুক, আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন। কোথাও মারব না! মারতে হবে ঠ্যাংয়ের গোড়ালি দুটোতে! মেরে পায়ের গোড়ালি ভেঙে দিতে হবে। যাতে বিরোধীরা জব্দ হয়ে যায়”। দুদিন আগে বারাসত জেলা পরিষদের সামনে বিভিন্ন ইস্যুতে সিপিএমের কর্মসূচি ছিল। সেখানে পুলিশের সঙ্গে সিপিএম কর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়। ১০ জন পুলিশ কর্মী জখম হন। এই গন্ডগোলের ঘটনা নিয়ে সিপিএমকে দায়ী করে প্রকাশ্যে তাদের ক্ষমা চাওয়ার নিদানও দিয়েছেন রাজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।

    চিরকুট প্রসঙ্গে কী বললেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Forest Minister)?

    রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড়। তৃণমূলের একের পর এক নেতা, মন্ত্রী জেলে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় বামফ্রন্টের আমলে হওয়া নিয়োগ দুর্নীতি সামনে এনে শাসক দলের নেতারা সিপিএমকে পাল্টা চাপে ফেলতে চাইছেন। শাসক দলের একাধিক মন্ত্রী প্রকাশ্যে বলছেন, সিপিএমের আমলে চিরকুট দিয়ে বহু চাকরি হয়েছে। সেই ‘চিরকুট’-বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না। যত দিন যাচ্ছে ততই এই ইস্যুতে বিরোধী সিপিএমের উপর পাল্টা চাপ বাড়াচ্ছে শাসক শিবির। এবার সেই ‘চিরকুট’-অস্ত্রে আরও একবার শান দিলেন রাজ‍্যের বনমন্ত্রী (Forest Minister) জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রীতিমতো দলীয় মঞ্চ থেকে ‘চিরকুট’-এ চাকরি পাওয়া সিপিএমের ৭১ জনের তালিকা তুলে ধরে নিশানা করলেন তিনি। জ্যোতিপ্রিয় (Forest Minister) বলেন, “চোরের মায়ের বড় গলা। চিরকুটে চাকরি পেয়েছে, সে আবার বড় বড় কথা বলছে। আমরা যদি আদালতে যাই। তখন সব টাকা সুদে আসলে মেটাতে হবে”। এখানেই থেমে থাকেননি রাজ‍্যের বনমন্ত্রী। কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছেন, বাকি তালিকাও তৈরি করছি আমরা। সেই নামের তালিকা দিয়ে পরবর্তী সময়ে আলাদাভাবে একটি বই তৈরি করে জনসমক্ষে আনা হবে”। যদিও বনমন্ত্রীর (Forest Minister) এই ‘চিরকুট’ হুঁশিয়ারিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ সিপিএম নেতৃত্ব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bridge: ‘উন্নয়নের নমুনা!’ পাকা ব্রিজ ভেঙে পড়ে আছে এক বছর, ঝুঁকি নিয়েই চলছে পারাপার

    Bridge: ‘উন্নয়নের নমুনা!’ পাকা ব্রিজ ভেঙে পড়ে আছে এক বছর, ঝুঁকি নিয়েই চলছে পারাপার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পাকা সেতু ভেঙে পড়ে রয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুঘাট ব্লকের বোয়ালদা গ্রাম পঞ্চায়েতের কাশিয়াডাঙা এলাকার ঘটনা। অভিযোগ, হেলদোল নেই প্রশাসনের। সমস্যায় বোয়ালদা গ্রাম পঞ্চায়েত এবং জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষজন। মাঝেমধ্যেই এই এলাকায় ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এমনকি মৃত্যুও হয়েছে।

    কীভাবে ভেঙে পড়েছিল ব্রিজ?

    ২০২২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বৈদ্যুতিক সিমেন্টের খুঁটি বহনকারী একটি লরি ওই পাকা ব্রিজের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় ব্রিজটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ব্রিজের উত্তর প্রান্তে রয়েছে বোয়ালদা গ্রাম পঞ্চায়েত এবং দক্ষিণ দিকে জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। যদিও ব্রিজটি বোয়ালদা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত। ফলে ওই এলাকার দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা যাতায়াতে চরম সমস্যায় রয়েছেন এক বছরের বেশি সময় ধরে। বর্তমানে বাঁশের মাচার উপর বৈদ্যুতিক সিমেন্টের খুঁটি ফেলে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন তাঁরা। গ্রামবাসীদের দাবি, প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও পাকা ব্রিজ তৈরি করা হয়নি। তাঁদের প্রশ্ন, এটাই কি উন্নয়নের নমুনা!  

    কী বলছেন জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি?

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি ললিতার টিগ্গা বলেন, আমি ওই ব্রিজটির কথা শুনেছিলাম। তবে আজ সবটা ভালো করে জানলাম। দ্রুত ওই ব্রিজটির কাজ করা হবে। এ বিষয়ে জেলাশাসকের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন এবং অতি দ্রুত যাতে ব্রিজটির মেরামতির কাজ শুরু হয়, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

    ‘দ্বিচারিতা’, বলছে দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপি নেতৃত্ব

    দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপী সরকার বলেন, কাশিয়াডাঙা ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। ওই গোটা এলাকাটি আদিবাসী অধ্যুষিত। আমার বিশ্বাস, সেই কারণেই শাসকদল ওই ব্রিজটি সারানোর বিষয়ে নজর দিচ্ছে না। এখানে অন্য কোনও সম্প্রদায় থাকলে এই ঘটনা ঘটত না। এটা এই সরকারের দ্বিচারিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। মিডিয়াতেই তো দেখলাম আদিবাসী সেলের সভাপতি এসেছেন। উনাকে বলব, ওই ব্রিজটা একবার ঘুরে আসুন। আদিবাসীদের প্রতি তৃণমূল সরকার যে বঞ্চনা করে, কাশিয়াডাঙা ব্রিজ তার একটা জ্বলন্ত উদাহরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal Movement: দেউচা কয়লাখনির কাজ বন্ধের দাবিতে রাজভবন অভিযানে আদিবাসীরা

    Tribal Movement: দেউচা কয়লাখনির কাজ বন্ধের দাবিতে রাজভবন অভিযানে আদিবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল, জমি, জঙ্গলের অধিকার ছাড়বো না। অবিলম্বে বীরভূমের দেউচা কয়লাখনির কাজ বন্ধ করতে হবে। মূলত এই দাবি নিয়েই রাজভবন অভিযান (Tribal Movement)। বুধবার রাতে বর্ধমান শহরে মিছিল করলেন আদিবাসী অধিকার মহাসভার সদস্যরা। রাজ্যপাল তাঁদের কথা না শুনলে রাষ্ট্রপতির কাছে, রাষ্ট্রপতি না শুনলে রাষ্ট্রসংঘের কাছে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। বীরভূমের দেউচা, পাচামির মথুরাপারি গ্রাম থেকে কয়েকশো আদিবাসী পুরুষ, মহিলা মিছিলে সামিল হন। সঙ্গে তির, ধনুক, লাঠি, বল্লম, টাঙ্গি। পায়ে হেঁটে সিউড়ি হয়ে বোলপুর। সেখান থেকে বর্ধমান। বুধবার রাতে মিছিল করে কার্জন গেটের সামনে তাঁরা প্রতিবাদ সভা করেন। তাঁদের দাবি, যে জায়গায় তাঁরা কয়েকশো বছর ধরে বসবাস করছেন, যেখানে তাঁদের ধর্মগুরু রয়েছেন, যেখানে তাঁদের পিতৃপুরুষদের সমাধি রয়েছে, যেখানাকার জঙ্গলে তাঁরা ছাড়তে নারাজ। সেই কারণেই রাজভবন চলোর ডাক।

    কী বলছেন নেতৃত্ব?

    সংগঠনের এক নেতা বলেন, গ্রাম থেকে ১০ এপ্রিল, সোমবার আমরা এই পথযাত্রা শুরু করেছি। ১০ তারিখ আমরা সিউড়িতে ছিলাম। এরপর কিছুটা পায়ে হেঁটে, কিছুটা বাসে ১১ তারিখ আমরা আসি বোলপুরে। রাতে বোলপুরে থেকে ১১ তারিখ আমরা চলে আসি বর্ধমানে। ওই কয়লাখনি বন্ধ করার দাবি জানিয়ে বীরভূম জেলার জেলাশাসককে গত এক বছরে একাধিকবার ডেপুটেশন দিয়েছি। কিন্তু কাজ হয়নি। শুধু তাই নয়, আন্দোলনকারীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আমাদের বক্তব্য, ওই জল-জমি-জঙ্গল আমরা ছাড়বো না। তাই অবিলম্বে কয়লাখনি বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে হবে। যেভাবে জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে, তা বাতিল করতে হবে। প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে কোনও কাজ না হওয়াতেই আমরা রাজ্যপালের কাছে দরবার (Tribal Movement) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    প্রয়োজনে রাষ্ট্রসংঘে যাওয়ার হুঁশিয়ার 

    সংগঠনেরই আর এক সদস্য জানান, রাজ্য প্রশাসন এইভাবে আদিবাসীদের অধিকার হরণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। জোর করে জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে, জমি দিতে না চাইলে ভয় দেখানো হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা প্রশাসনের এই অত্যাচার মেনে নেব না। রাজ্যপাল যদি কিছু করতে না পারেন, আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। সেখানে কোনও কাজ না হলে আমরা রাষ্ট্রসংঘে যাব (Tribal Movement)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CID: সিআইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে জালিয়াতি! অবশেষে গ্রেফতার ভুয়ো পুলিশ অফিসার, কোথায় জানেন?

    CID: সিআইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে জালিয়াতি! অবশেষে গ্রেফতার ভুয়ো পুলিশ অফিসার, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে হাওড়া থেকে শুভজিত্ বারুই নামে এক ভুয়ো সিবিআই (CBI) অফিসারকে পুলিশ গ্রেফতার। রাজারহাট থানার পুলিশ ওই টাওয়ার লোকেশন দেখে গ্রেফতার করেছিল। সেই জের মিটতে না মিটতেই এবার ভুয়ো সিআইডি (CID) অফিসারের হদিশ মিলল কলকাতা উত্তর শহরতলি এলাকা। নিজেকে তিনি সিআইডি-র (CID) এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট বলে পরিচয় দিতেন। পুলিসের বড় পদে রয়েছেন এই পরিচয় দিয়ে সোদপুরের বিষ্টুভদ্র মোড় এর কাছে একটি বাড়িতে ভাড়াও নিয়েছেন। নিজে একটি বুলেট বাইক নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। যে বাইকের সামনে পুলিস স্টিকার লেখা থাকতো। তার চালচলন, আবভাব ছিল পুলিসের মতই। ভয়ে তার সঙ্গে কেউ কথা বলতেন না।

    কী করে ধরা পড়ল ওই ভুয়ো পুলিশ অফিসার (CID)?

    সোদপুরের যে বাড়িটি তিনি ভাড়া নিয়েছেন সেই বাড়ির মালিক মীনাক্ষী দাসের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করল খড়দহ থানার পুলিস। তার কাছ থেকে পুলিসের পোশাক, টুপি, এনফিল্ড বুলেট বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বুধবার তাকে বারাকপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ৬ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির নাম সুবীর বণিক। বয়স ৪৫ হবে। আসল বাড়ি জগদ্দলের আতপুরে। বেশ কিছুদিন ধরে সে পুলিশ অফিসার পরিচয় দিয়ে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। তবে, তার আচরণ দেখে বাড়ির মালিকের সন্দেহ হয়। তিনি খড়দহ থানায় সমস্ত বিষয়টি জানান। এরপরই পুলিশ তদন্তে নেমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে।

    কী বললেন বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তা?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক কর্তা বলেন, সিআইডি (CID) অফিসার পরিচয় দিয়ে তাঁর নামে নানা রকম প্রতারণা করার অভিযোগ আসছিল। বাড়ির মালিকের কাছ থেকে বিপ্লব দাস নামে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল। আমরা সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছি। পুলিশের পরিচয় দিয়ে লোকদেরকে প্রতারণা করছিল এই সুবীর। কাকে কাকে প্রতারণা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সমস্ত বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • District Weather Update: তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন, ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা বালুরঘাটে

    District Weather Update: তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন, ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা বালুরঘাটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহজুড়ে চলা তীব্র দাবদাহে (District Weather Update) অতিষ্ঠ বালুরঘাটের জনজীবন। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গিয়েছে। ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। এক সপ্তাহের মধ্যে তাপমাত্রা কমারও কোনও সম্ভাবনা নেই, এমনটাই জানানো হয়েছে আবহাওয়া অফিসের তরফে। তীব্র গরমের অসহনীয় কষ্ট এখন জেলার মানুষের নিত্যসঙ্গী। পঞ্জিকার হিসেবে চলছে চৈত্রের শেষ সপ্তাহ। এরপর বৈশাখ মাস অর্থাৎ বাংলা পঞ্জিকার ১৪৩০ বর্ষবরণ হবে আর কয়েকদিন পরে। অর্থাৎ গ্রীষ্মকে বিদায় জানাতে এখনও প্রায় ২ মাস বাকি।

    দিন-রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি

    গ্রীষ্মের গরম ঠিকই রয়েছে, কিন্তু বৈশাখের ঝড় বা বৃষ্টির দেখা নেই। দিনে মাথার উপর তপ্ত সূর্য আর রাতে ঘরের মধ্যে গরম বাতাসের ভ্যাপসা অনুভূতি। স্বস্তি নেই জেলার কোথাও। প্রত্যাশা শুধু একটু বৃষ্টির। গত এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় যেখানে ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ২৮-২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ রাত আর দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য মাত্র ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি।

    বিপর্যস্ত সব শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা 

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজ্যবাসীকে এই পরিস্থিতি সহ্য করতে হতে পারে আরও কিছুদিন। বৃষ্টির দেখা মেলার সম্ভাবনাও কম। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, গত বছরে একই সময়ে গড় যে তাপমাত্রা ছিল, এ বছর তা গড়ে ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি। এদিকে, শুধু রাজ্য নয়, সারা দেশে দাবদাহের (District Weather Update) চিত্র একইরকম। কাঠফাটা রোদে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার সব শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা। দাবদাহ থেকে পরিত্রাণ পেতে বৃষ্টির জন্য ভগবানকে কাতর ও করুণভাবে ডাকছেন অনেকে।

    ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে পশুপাখিদের প্রাণও 

    গত কয়েকদিনের তাপপ্রবাহে (District Weather Update) দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষের পাশাপাশি পশু পাখিদের প্রাণও হয়ে উঠেছে ওষ্ঠাগত। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাট, মহকুমা গঙ্গারামপুর, তপন, কুমারগঞ্জ, হিলি, হরিরামপুর, কুশমন্ডি ও বুনিয়াদপুরে প্রচণ্ড রোদ ও ভ্যাপসা গরমে একরকম স্থবির হয়ে পড়েছে মানুষের কর্মজীবন। চলতি বছর জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ অবস্থায় গরম জনিত নানা রোগ থেকে রক্ষা পেতে শিশুদের তরল খাবার এবং ঠান্ডা জায়গায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রখর রোদ ও তাপদাহ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার চেষ্টা করছেন সকলেই।

    বিপাকে পথচারী ও খেটে খাওয়া মানুষ 

    তীব্র দাবদাহে (District Weather Update) বিপাকে পড়েছে জেলার পথচারী ও খেটে খাওয়া মানুষ। জরুরি কাজ না থাকলে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউই। অনেকেই রাস্তার পাশের শরবত ও আখের রস নামিদামি কোম্পানির ঠান্ডা পানীয় অথবা বরফ খেয়ে মেটাচ্ছেন তৃষ্ণা। তবে আপাতত জেলার সকলেই এই গরম থেকে রেহাই পেতে বৃষ্টির জন্য চাতক পাখির মতো যে অপেক্ষা করছেন, তা বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: দণ্ডি ইস্যুতে বালুরঘাটে রাজ্য মহিলা কমিশন; একই দিনে সভা সুকান্তর

    Balurghat: দণ্ডি ইস্যুতে বালুরঘাটে রাজ্য মহিলা কমিশন; একই দিনে সভা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন আদিবাসী মহিলাকে প্রকাশ্য রাস্তায় দণ্ডি কাটানোর ঘটনায় সোমবার বালুরঘাটে (Balurghat) পৌঁছান রাজ্য মহিলা কমিশনের সদস্য সুজাতা পাকরাশী লাহিড়ী। একইদিনে দণ্ডি ইস্যুতে বালুরঘাটে (Balurghat) বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মিছিল করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ওই তিন আদিবাসী মহিলা এদিন বালুরঘাট জেলা আদালতে বিচারকের কাছে জবানবন্দিও দেন বলে জানা গেছে। এরপরই তাঁদের শহরের সার্কিট হাউসে পুলিশি নিরাপত্তায় নিয়ে আসা হয়।  সেখানে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন সুজাতা পাকরাশী লাহিড়ী। যদিও সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর তাঁরা আজ দিতে চাননি। দণ্ডি কাটার ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এ প্রশ্নের উত্তর অবশ্য এড়িয়ে গিয়েছেন মহিলা কমিশনের প্রতিনিধি। ইতিমধ্যে দণ্ডি ইস্যুতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠিও দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। এমনিতেই এরাজ্যে তৃণমূলের আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক তলানিতে ঠেকেছে, গোদের উপর বিষের ফোঁড়া এখন দণ্ডি ইস্যু। যার জেরে প্রবল অস্বস্তিতে শাসক দল। এর প্রভাব আগামী পঞ্চায়েত ভোটে পড়তে পারে বলে মনে করছে, রাজনৈতিক মহলের একাংশ। 

    কী বললেন সুজাতা পাকরাশী লাহিড়ী

    এদিন মহিলা কমিশনের সদস্য সুজাতা পাকরাশী লাহিড়ী বালুরঘাটে সাংবাদিকদের জানান, ওই মহিলাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। কী কথা হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যানকে জানানো হবে সমস্ত বিষয়।

    বিজেপির বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ

    বালুরঘাটে (Balurghat) দণ্ডি কান্ডের প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও  সমাবেশ করে বিজেপি। দক্ষিণদিনাজপুরের জেলা সদরের মঙ্গলপুর বিজেপি কার্যালয় থেকে প্রতিবাদ মিছিলটি বের হয়। নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের (Balurghat) সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। এছাড়াও মিছিলে ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্বরা। শহর ঘুরে মিছিল জেলা প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন এলাকায় আসে৷ এরপর সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর শাস্তির ব্যবস্থা না করা হলে আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    সুকান্ত মজুমদার কী বললেন 

    এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন,ওই তৃণমূল নেত্রীকে দলীয় পদ থেকে সরিয়ে কেবলমাত্র আইওয়াশ করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে, তপশিলি জাতি এবং উপজাতি নির্যাতন মামলায় তার জেলে থাকার কথা ছিল কিন্তু এখনও তা হয়নি। বালুরঘাটের (Balurghat) সাংসদের আরও সংযোজন, এর আগে অনেকেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেছিল কিন্তু এঁরা আদিবাসী বলেই এঁদেরকে এইভাবে শাস্তি দেওয়া হল। তার প্রতিবাদেই আমাদের আন্দোলন। দল ওই নেত্রীকে দোষী মনে করেছে বলেই তো সরিয়েছে। তাহলে পুলিশ কেন তাকে গ্রেফতার করলো না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Royal Bengal Tiger: রয়্যাল বেঙ্গলের জন্য রাজকীয় খাবার, বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হচ্ছে ১৫০ টি চিতল হরিণ

    Royal Bengal Tiger: রয়্যাল বেঙ্গলের জন্য রাজকীয় খাবার, বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হচ্ছে ১৫০ টি চিতল হরিণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেকের মধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনার পারমাদন বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য থেকে আলিপুরদুয়ারের বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হবে ১৫০ টি হরিণ। রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এ খবর জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বনকে বাঘেদের (Royal Bengal Tiger) খাবারের জন্য আদর্শ জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। বক্সা সংলগ্ন অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার মাঝেমধ্যেই বক্সার জঙ্গলে আসছে। অসমের বাঘ পাকাপাকিভাবেই যাতে বক্সায় থেকে যায়, তার জন্য খাবারের পর্যাপ্ত জোগান দরকার। আর তা বাড়াতেই বাঘেদের প্রিয় খাবার হরিণ বক্সার জঙ্গলে এনে ছাড়া হচ্ছে। তবে এটাই প্রথম নয়, কিছুদিন আগেই বীরভূম থেকে প্রায় ২০০ টি হরিণ এনে বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হয়েছিল।

    কেন বক্সার জঙ্গলে বাঘ থাকছে না ?

    বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তিন বছরে বক্সার জঙ্গলে বাইরে থেকে এনে প্রায় ৭০০ টি হরিণ ছাড়া হয়েছে। প্রায় ৭৬০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে বক্সার জঙ্গল। কয়েক দশক আগেও বক্সার জঙ্গলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারদের (Royal Bengal Tiger) দেখা যেত। পরবর্তীকালে খাবারে টান পড়ায় ও নানা কারণে বক্সার জঙ্গলের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার অসমের রাইমোনার জঙ্গলে চলে যায় বলে বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন।

    ট্রাপ ক্যামেরায় কী ধরা পড়েছিল ? 

    গত কয়েক বছর ধরে বাঘেদের উপস্থিতি দেখা না গেলেও ট্রাপ ক্যামেরায় ২০২১ সালে বাঘের (Royal Bengal Tiger) একটি ছবি ধরা পড়েছে। বন দফতরের কর্তারা জানিয়েছেন, ওই ছবিটি রাইমোনা জাতীয় উদ্যান থেকে আসা একটি পরিযায়ী বাঘের। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, রাইমোনা জাতীয় উদ্যানের পরিবেশের সঙ্গে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের প্রাকৃতিক পরিবেশের অনেকটাই মিল রয়েছে। তাই আগামী দিনে বক্সায় রয়্যাল অতিথিদের পাকাপাকিভাবে থাকার ব্যবস্থা করতে তাদের পছন্দের খাবার চিতল হরিণ এনে জঙ্গলে ছাড়ার কাজ শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Municipality:  উন্নয়নের নমুনা ! বালুরঘাটে স্থায়ী পার্কিং ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ তৃণমূল বোর্ড

    Municipality: উন্নয়নের নমুনা ! বালুরঘাটে স্থায়ী পার্কিং ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ তৃণমূল বোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত নতুন বোর্ডের এক বছর পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তবু এখনও শহরের মানুষ পায়নি স্থায়ী পার্কিং ব্যবস্থা। এমনটাই দাবি বালুরঘাট পুরসভার (Municipality) বাসিন্দাদের। গাড়ি, বাইক ইত্যাদি নিয়ে রাস্তায় বেরোলেই হচ্ছে বিপত্তি। রাস্তার ধারেই বাইক, গাড়ি রেখে বাজার করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। ফলে যানজটও বাড়ছে। আবার রাস্তার ধারে বাইক, গাড়ি রাখার ফলে পুলিশ জরিমানা করছে। এতে জলে কুমির, ডাঙায় বাঘের মতো অবস্থা সেখানকার বাসিন্দাদের। পুরসভার তরফ থেকে শহরের দু জায়গায় পার্কিং তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এখনও অবধি তা গড়ে ওঠেনি। 

    শহরের বাসিন্দারা কী বলেছেন পার্কিংয়ের এই দুর্দশা নিয়ে ?
     
    এই শহরেরই (Municipality) এক বাসিন্দা সুবীর কুন্ডু জানান, বাজার এলাকাগুলিতে সাধারণত প্রচণ্ড ভিড় হয়। তাই যারা বাইক এবং গাড়ি নিয়ে আসে, পার্কিং ব্যবস্থা না থাকার জন্য যেখানে সেখানে তাদের গাড়ি রেখে যেতে হয়। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সকলকে ভোগান্তি পোহাতে হয়। আবার পুলিশের জরিমানা তো আছেই। সেখান থেকেও বাঁচার উপায় নেই ।

    বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য এ ব্যাপারে কী জানিয়েছেন ?

    বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য সুমন বর্মন বলেন, “তৃণমূল এতদিন মানুষের উন্নয়নের কথা ভাবেনি। এক বছর তারা কী কাজ করল, কে জানে? জায়গা থাকলেও পুরসভা পার্কিং জোন তৈরি করতে পারছে না।” গত বছরের ২৩ শে মার্চ পুরসভায় (Municipality) যখন নতুন বোর্ড ক্ষমতায় আসে, তখনই সিদ্ধান্ত হয় যে পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এই প্রতিশ্রুতি পূরণের অপেক্ষাতেই মানুষ এতদিন বসে ছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

    কী বলছেন পুরসভার চেয়ারম্যান ?

    পুরসভার (Municipality) চেয়ারম্যান অশোক মিত্রকে এ ব্যাপারে জানানো হলে তিনি বলেন, “শহরে দুটি জায়গায় স্থায়ীভাবে পার্কিং জোন তৈরি করা শুরু হয়েছে। একটি ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের কাছে এবং আরেকটি আন্দোলন সেতুর কাছে। দ্রুত ওই কাজ শেষ করা হবে। কাজ হয়ে গেলে শহরের যানজট ও পার্কিংয়ের সমস্যা মিটে যাবে।” বালুরঘাট ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের কাছে পার্কিং গড়ে তোলা নিয়ে কথা হলে সেখানে জমিজটের সমস্যায় পড়ে পুরসভা। এখানে ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পরিবর্ত পার্কিং জোনের কাজ শুরু হবে। অন্যদিকে আন্দোলন সেতুর কাছে কুড়ি লক্ষ টাকা ব্যয়ে পার্কিং জোন তৈরি করা হবে। আপাতত এমনটাই জানিয়েছে পুরসভা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share