Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Hooghly: শিশুসন্তান হত্যাকাণ্ডে ধৃত মায়ের হয়ে সওয়াল করলেন না কোনও আইনজীবী

    Hooghly: শিশুসন্তান হত্যাকাণ্ডে ধৃত মায়ের হয়ে সওয়াল করলেন না কোনও আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির (Hooghly) কোন্নগরে সন্তান হত্যাকাণ্ডে ধৃত মা এবং তাঁর বান্ধবীর হয়ে আদালতে সওয়াল করতে রাজি হননি কোনও আইনজীবী। স্বামীর অবশ্য স্পষ্ট দাবি, তাঁর স্ত্রীর যেন ফাঁসি হয়। আজ বুধবার দুপুরে শান্তা শর্মা এবং ইফফাক পারভিনকে তোলা হয় শ্রীরামপুর আদালতে। তদন্তের জন্য দুই জনকেই পুলিশ হেফাজতে চেয়েছে। আদালতে প্রশ্ন-উত্তরের পর ধৃত দুই জনকেই পুলিশের হেফাজতে নির্দেশ দেন বিচারক। ইতিমধ্যে হত্যার বিচার চেয়ে পোস্টার পড়েছে এলাকায়।

    শিশুর পিতার বক্তব্য (Hooghly)

    শ্রীরামপুর (Hooghly) আদলাত থেকে বেরিয়ে এদিন শিশু শ্রেয়াংশু শর্মার বাবা পঙ্কজ বলেন, “অপরাধীদের কঠিন শাস্তি চাই। যে খুন করেছে আমি চাই সব থেকে কঠিন শাস্তি হোক তার। ফাঁসি চাই। ১৩-১৪ বছর সাজা হলে আবার বেরিয়ে আসবে। এরা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।”ছেলের মৃত্যু প্রসঙ্গে বাবা আরও বলেন, “ঘরের পাশে সিঁড়ির পাশে থাকা ইট, টেবিলে রাখা গণেশ মূর্তি দিয়ে আঘাত করে করা হয় ছেলেকে। এরপর রান্নাঘরের মধ্যে থাকা সব্জি কাটার ছুরি দিয়ে ছেলের শরীরকে ক্ষতবিক্ষত করে খুনিরা।” তবে শিশুর মা বলেন, “নিজের ছেলেকে কেউ মারতে পারেনা।” তাঁদের একমাত্র ছেলের খুন কেন হল সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজ করছে পুলিশ।

    তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য

    কোন্নগরের (Hooghly) আদর্শনগরের আট বছরের শিশুহত্যার ঘটনায় একাধিক নানান রহস্য রয়েছে। তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য, “সম্পর্কের টানাপড়নের শাস্তি পেতে হয়েছে ওই শিশুকে। শিশুর মা এবং তার বান্ধবীর মধ্যে ছিল সমকামিতার সম্পর্কের সমীকরণ। তবে ঠিক কী কারণে শিশুকে খুন করা হয়েছে এই নিয়ে তদন্ত আরও বাকি রয়েছে।” 

    ১৬ ফেব্রুয়ারি খুন হয়

    ১৬ ফেব্রুয়ারি তারিখ সন্ধ্যা বেলায় শ্রেয়াংশু খুন হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার সময় বাবা এবং মা দুই জনেই ছিল না। প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে বাবা বাড়িতে পৌঁছান। কিন্তু হাসপাতালে (Hooghly) নিয়ে যেতেই মৃত্যু হয় শিশুর। যদিও প্রথমে বাবার দাবি ছিল কেউ তাঁর ছেলেকে খুন করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সন্দেশখালি থেকে নজর ঘোরাতেই খালিস্তানি-ইস্যু তৃণমূলের? পুলিশকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: সন্দেশখালি থেকে নজর ঘোরাতেই খালিস্তানি-ইস্যু তৃণমূলের? পুলিশকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে কার্যত লেজেগোবরে দশা তৃণমূলের। এহেন আবহে সন্দেশখালি থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে ‘খালিস্তানি’ গল্প ফেঁদেছে তৃণমূল। অন্তত এমনই অভিযোগ বিরোধীদের (Suvendu Adhikari)। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী একজন শিখ পুলিশ অফিসারকে খালিস্তানি বলার অভিযোগ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রমাণ করার জন্য এডিজিকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। অন্যথায় তাঁকে পরিণতির মুখোমুখি হতে প্রস্তুত থাকতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আড়ালে থেকে যা খুশি করতে পারে না রাজ্য পুলিশ।”

    ২৪ ঘণ্টা সময়

    অভিযোগ প্রমাণ করতে শুভেন্দু স্বয়ং এডিজি দক্ষিণবঙ্গকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলছেন, “কর্তৃপক্ষ যদি দাবি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়, তবে মানহানির মামলা করব।” শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) যেদিন সন্দেশখালি যাচ্ছিলেন, সেদিন তাঁকে ধামাখালিতে বাধা দিতে এক শিখ আইপিএসকে মোতায়েন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আইপিএস যশপ্রীত সিংহ তাঁকে সন্দেশখালি যেতে বাধা দেন। সেই সময় শুভেন্দু খালিস্তানি শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ অস্বীকার করেন শুভেন্দু।

    মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি

    তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগ প্রমাণ করতে বলেছেন এডিজিকে। তা না হলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। রাজ্য পুলিশের এডিজি সুপ্রতীম সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমি সুপ্রতীম সরকারকে চব্বিশ ঘণ্টা সময় দিলাম। যদি ওই সময়ের মধ্যে ধামাখালিতে পুলিশ অফিসারকে আমি খালিস্তানি বলেছি তা প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে আমি রাজ্য পুলিশের এডিজি সুপ্রতীম সরকারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব।”

    আরও পড়ুুন: ‘সন্দেশখালি না গিয়ে শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী’, তোপ সুকান্তর

    মঙ্গলবার সুপ্রতীম বলেন, “জনৈক পুলিশ অফিসার যশপ্রীত সিংকে যেভাবে খালিস্তানি বলেন আক্রমণ করা হয়েছে, তা তাঁর এবং একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগকে আক্রমণ করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা এমন মন্তব্য করতে পারেন না। আমরা বিরোধী দলনেতার খালিস্তানি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আইনি যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেব।” শুভেন্দু বলেন, “সন্দেশখালিতে যেভাবে আমার যাওয়ার পর জন সুনামি হয়েছিল, তা থেকে নজর ঘোরাতেই প্লট তৈরি করা হয়েছে (Suvendu Adhikari)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুশি করতে এবং ভালো পোস্টিং পেতে নিজে এ কথা বলেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ananya Banerjee: ভাবাবেগে আঘাত! তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যার বিরুদ্ধে পথে বিজেপি

    Ananya Banerjee: ভাবাবেগে আঘাত! তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যার বিরুদ্ধে পথে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সোমবার কলকাতা পুরনিগমের বাজেট অধিবেশনে তৃণমূল কাউন্সিলর তথা অভিনেত্রী অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় (Ananya Banerjee) খ্রিস্ট ধর্মের ফাদার ও নানদের সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেন। শোনান ‘যৌনগন্ধী’ গল্পও। তৃণমূল কাউন্সিলরের এমন মন্তব্যের কারণে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার তরফ থেকে বুধবারই নিউ মার্কেট থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তাঁকে গ্রেফতারির দাবিও তুলেছে গেরুয়া শিবির। এদিন ঘটনার প্রতিবাদে হাজরা মোড় থেকে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপির সংখ্যালঘু সেলের প্রতিনিধিরা। কিন্তু পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। পুলিশ আটক করে বিজেপি নেতাদের। ঘটনা নিয়ে অস্বস্তি বেড়েছে শাসক শিবিরের অন্দরে।

    আরও পড়ুুন: হাজার কোটির সাইবার ‘প্রতারণা’! ‘কিংপিন’ কুণালের একাধিক ডেরায় হানা ইডির

    কী বলছেন বিজেপি নেতা?

    বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সভাপতি চার্লস নন্দী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘সংগঠনের তরফে নিউ মার্কেট থানায় অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে। ওনার (Ananya Banerjee) পদত্যাগ দাবি করছি। দল থেকে বহিষ্কারেরও দাবি তুলছি।’’

    অনন্যার আপত্তিকর মন্তব্য, প্রতিবাদে বিজেপি কাউন্সিলররা

    গত সোমবার পুরসভার বাজেট বিতর্কে পশ্চিমী সংস্কৃতিতে ‘ফাদার’ এবং ‘নান’দের সম্পর্ক নিয়ে নানা গল্পের কথা উল্লেখ করেছিলেন অনন্যা (Ananya Banerjee)। এর পরে একটি গল্পও শোনান তিনি। সেই ‘যৌনগন্ধী’ গল্পে বাইবেলের ১১২ নম্বর অধ্যায়ে ‘গভীরে যাও, আরও গভীরে যাও’ বাণী রয়েছে বলে দাবি করেন তৃণমূল কাউন্সিলর। এখানেই ওঠে বিতর্ক। সেই সময়েই প্রতিবাদ জানান সজল ঘোষ সমেত অন্যান্য বিজেপি কাউন্সিলররা। এর পাশাপাশি ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী তৃণমূল কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্যের সঙ্গেও অনন্যার বাদানুবাদ বেঁধে যায়। সেই ইস্যুতে এবার আন্দোলনে নেমে পড়ল বিজেপিও। এ বার অনন্যার বলা গল্প নিয়েই পুলিশে তাঁর কাছে গ্রেফতারির আবেদন জানাতে এফআইআর দায়ের করা হল রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: বৃহস্পতিবার সন্দেশখালিতে জাতীয় আদিবাসী কমিশন, নবান্নর রিপোর্ট তলব

    Sandeshkhali: বৃহস্পতিবার সন্দেশখালিতে জাতীয় আদিবাসী কমিশন, নবান্নর রিপোর্ট তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় তফশিলি কমিশন সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে ফিরেই রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করেছিল। জাতীয় মহিলা কমিশনও সন্দেশখালির মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাইসিনা হিলসে। আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার এবার সন্দেশখালি যাচ্ছে জাতীয় আদিবাসী কমিশন।

    বুধবারই চিঠি দেওয়া হয়েছে নবান্নকে

    বুধবারই জাতীয় আদিবাসী কমিশন একটি চিঠি দিয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিক এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে। সূত্রের খবর, ওই চিঠিতে জানানো হয়েছে, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এক আদিবাসী মহিলা এবং এক আইনজীবীর কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই মর্মেই রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি রাজীব কুমারের কাছ থেকে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে একটি রিপোর্টও তলব করছে আদিবাসী কমিশন। চিঠিতে তিন দিনের মধ্যে ওই রিপোর্ট দিতে বলেছে কমিশন। অন্যথায় রাজীব কুমার এবং গোপালিককে সশরীরে দিল্লিতে কমিশনের হাজিরা দেওয়ার জন্য ডেকে পাঠানোও হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। না এলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে কমিশন। সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচার, জমি দখল সংক্রান্ত যে সব অভিযোগ উঠেছে, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কী কী পদক্ষেপ করেছে সরকার এবং রাজ্য পুলিশ তা জানাতে হবে কমিশনকে।

    সন্দেশখালিতে একের পর এক কমিশন

    গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি অশান্ত সন্দেশখালি গিয়েছিলেন জাতীয় তফশিলি কমিশনের প্রতিনিধি দল। সেখানে ওই প্রতিনিধি দলকে নানাভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। এর ঠিক ৪ দিন পরে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালি (Sandeshkhali) যান জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা। সংবাদমাধ্যমের সামনে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘দিনের পর দিন মহিলাদের উপর নির্যাতন হয়েছে। ১৮টা অভিযোগ পেয়েছি। দু’জন ধর্ষণের অভিযোগ জানিয়েছে। পুলিশের উপর মানুষের আস্থা নেই। আমাকে ধরে গ্রামের মহিলারা কাঁদছেন। রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া কোনও উপায় নেই।’’ তফশিলি কমিশন, মহিলা কমিশনের পরে এবার সন্দেশখালিতে পা পড়তে চলেছে আদিবাসী কমিশনের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘সন্দেশখালি না গিয়ে শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী’, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘সন্দেশখালি না গিয়ে শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী’, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোম যখন পুড়ছিল, তখন বাঁশি বাজাচ্ছিলেন শাসক নিরো। প্রায় একই ঘটনা ঘটছে পশ্চিমবাংলায়ও। সৌজন্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল বাহিনীর অত্যাচারে যখন অশান্তির আগুন জ্বলছে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে, তখন শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় একটি রিয়েলিটি শোয়ে অংশ নেবেন তিনি। সেই শোয়েরই শ্যুটিং চলছে হাওড়ায়।

    শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত!

    জানা গিয়েছে, এই শোয় নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনাটিকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, “আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সন্দেশখালিতে যাচ্ছেন না সেখানকার নির্যাতিতাদের কথা শুনতে। তিনি দিদি নং ১ এর শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত।” ‘দিদি নম্বর ১’ শীর্ষক রিয়েলিটি শোয়ে যোগ দিয়ে জীবন সংগ্রাম কিংবা সাফল্যের কাহিনি তুলে ধরেন মহিলারা। দিন কয়েক আগে রচনাকে নবান্নে দেখা যায়। তার পরেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি দিদি নম্বর ওয়ানে অংশ নিতে তিনি গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানাতে? এ ব্যাপারে অবশ্য রচনা কিছু বলেননি (Sukanta Majumdar)। মুখ খোলেননি তৃণমূল নেত্রীও।

    নেপথ্য কথন

    রেশন বিলিকাণ্ডে কেলেঙ্কারির জেরে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। অভিযোগ, বাড়িতে থেকেও ইডির আধিকারিকদের ঘরে ঢুকতে দেননি শাহজাহান। পরে শাহজাহানের অনুগামীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। তাঁদের সঙ্গে থাকা সিআরপিএফের দুই জওয়ানও জখম হন। চারজনকেই ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এর পরে পরেই গা ঢাকা দেয় শাহজাহান।

    আরও পড়ুুন: “১৯৭১ সালের মতো ফের ভাঙতে পারে পাকিস্তান”, বললেন আফগান মন্ত্রী

    শাহজাহান এলাকা ছাড়তেই তাঁর শাগরেদদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে সোচ্চার হন সন্দেশখালির মহিলারা। তাঁদের অভিযোগ, মিটিংয়ের কথা বলে রাতে ডেকে নিয়ে যাওয়া হত তাঁদের। পরে বাছাই করা কয়েকজনকে রেখে বাকিদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হত। যাঁদের রেখে দেওয়া হত, তাঁদের হয় পার্টি অফিসে, নয় বাগান বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হত। যাঁরা তাঁদের ডাকে সাড়া দিতেন না, তাঁদের বাড়িতে সাদা থান কাপড় পাঠিয়ে দেওয়া হত। নির্যাতিতাদের আন্দোলনের জেরে উত্তাল হয়ে ওঠে সন্দেশখালি। সেখানে গিয়ে নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলার বদলে শ্যুটিং করে চলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা (Sukanta Majumdar) তৃণমূল সুপ্রিমো।

    সত্যিই সেলুকাস, কি বিচিত্র এই দেশ (পড়ুন রাজ্য)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Murshidabad: ‘ইন্ডি’ জোট কি নামেই? কংগ্রেস কর্মীকে পিটিয়ে খুনে কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Murshidabad: ‘ইন্ডি’ জোট কি নামেই? কংগ্রেস কর্মীকে পিটিয়ে খুনে কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ‘ইন্ডি’ জোট নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের জোট বাঁধা নিয়ে জল্পনা চলছে। এই আবহে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগর থানার পানিপিয়া এলাকায় এক কংগ্রেস কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম এনামুল মণ্ডল। এর পরেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এনামুলসাহেব ও তাঁর ছেলেরা পঞ্চায়েত ভোটে জোট প্রার্থীদের সমর্থন করেছিলেন। সেই সময় থেকে চলত হুমকি। তারপর ছেলেরা কেরলে কাজে চলে যায়। মঙ্গলবার রাতে এনামুল তাঁর বাড়ির সামনের একটি মুদিখানা দোকানে বসেছিলেন। সেই সময় কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কোনও একটি বিষয় নিয়ে তাঁর কথা কাটাকাটি শুরু হয়। অভিযোগ, এরপরেই বাঁশ, লোহার রড দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয় এনামুলকে। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছেন এনামুলকে। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা মারধর করে। পরে, এলাকা ছেড়ে ওরা পালায়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    তৃণমূলের জেলা (Murshidabad) সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, এটা গ্রাম্য বিবাদ। আর সেটাকেই রাজনীতির রং চড়ানো হচ্ছে। তাই, গ্রামের সাধারণ বিবাদের সঙ্গে যদি রাজনীতিকে জুড়ে দেওয়া হয়, তা হলে সে সব বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়া খুব মুশকিল। মৃত্যুর ঘটনা সমর্থন করা যায় না। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। আইন আইনের কাজ করবে। যদি কেউ দোষী প্রমাণিত হয় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলকে জড়ানো ঠিক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dev at ED Office: গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজির তৃণমূল সাংসদ দেব

    Dev at ED Office: গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজির তৃণমূল সাংসদ দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ ফেব্রুয়ারি গরুপাচার মামলায় অভিনেতা-সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেবকে (Dev at Ed Office) তলব করেছিল ইডি। সেই মতো দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে হাজির হলেন তৃণমূল সাংসদ। সূত্রের খবর, বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ ইডির সদর দফতরে হাজির হন দেব। দিল্লিতে ইডির অফিসে হাজিরা দিতে বাড়ি থেকে বেরনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেব জানান, যত বার ইডি (Dev at ED Office) তাঁকে ডাকবে, ততবারই তিনি হাজির হবেন।

    ২০২২ সালে দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই 

    এটাই তবে প্রথম নয়, ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নিজাম প্যালেসে দেবকে তলব করে সিবিআই। সেদিন প্রায় পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল অভিনেতা-সাংসদকে। সিবিআই-এর তরফে তখন জানানো হয়েছিল, গরু পাচারকাণ্ডে বিভিন্ন সাক্ষীকে জেরা করার সময় দেবের নাম উঠে এসেছিল। সেই কারণে তাঁকে ডাকা (Dev at ED Office) হয়েছিল।

    দেবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনেন বিজেপি বিধায়ক হিরণ

    দেবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও ওঠে এরপরেই। ২০২৩ সালে দেবের বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতিতে (Dev at ED Office) জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন খড়গপুরের বিজেপি বিধায়ক তথা অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি নেতার অভিযোগ, গরু পাচারকাণ্ডে ধৃত এনামুল হকের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা নিয়েছেন ঘাটালের সাংসদ। দেব অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

    সম্প্রতি দেব রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন

    সম্প্রতি দেব রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন। লোকসভার বাজেট অধিবেশনের ছবি পোস্ট করে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টও করেছিলেন অভিনেতা। তাতে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, দেব (Dev at ED Office) আসন্ন লোকসভায় আর তৃণমূল প্রার্থী হতে চাইছেন না।  কিন্তু এরপরেই দেব একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে রাজনীতিতে থাকার কথা জানান। বৈঠক করেন অভিষেক-মমতার সঙ্গে। এরই মাঝে ইডির তলব এসে পৌঁছয় দেবের দুয়ারে। তা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছুই বলেননি অভিনেতা-সাংসদ। এদিন গেলেন হাজিরা দিতে।

    আরও পড়ুুন: শাহজাহানকে রক্ষা করছে মমতা-পুলিশ! সন্দেহ কলকাতা হাইকোর্টের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: হাজার কোটির সাইবার ‘প্রতারণা’! ‘কিংপিন’ কুণালের একাধিক ডেরায় হানা ইডির

    ED Raid: হাজার কোটির সাইবার ‘প্রতারণা’! ‘কিংপিন’ কুণালের একাধিক ডেরায় হানা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার প্রতারণা (Cyber Scam) মামলায় অভিযানে নামল ইডি (ED Raid)। বুধবার সকাল থেকে বেনিয়াপুকুর, বাগুইআটি সহ কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযান চালাচ্ছে। সূত্রের খবর, হাজার কোটি টাকার সাইবার প্রতারণা মামলায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ইডি জানতে পেরেছে, ইকো স্পেসের ভিতরে ‘MET’ নামের কল সেন্টার চলছিল। এই কোম্পানির কর্ণধার ছিলেন কল সেন্টার প্রতারণা চক্রের কিংপিন কুণাল গুপ্ত। এদিন, কুণালের একাধিক পরিচিতের ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান করেছেন আধিকারিকরা। 

    কোথায় কোথায় তল্লাশি

    ইডির (ED Raid) সূত্রে খবর, সাতসকালে  ১১ নম্বর বেনিয়াপুকুরের তাঁতিবাগান লেনে হানা দেন ইডির অফিসাররা। ভুয়ো কল সেন্টার খুলে প্রতারণা করার অভিযোগে কুণাল গুপ্তকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, এই কুণালই নানা জায়গায় ভুয়ো কল সেন্টার খুলে সাইবার প্রতারণা করত। হাজার হাজার কোটি টাকা লুঠ করেছে সে। তাকে জেরা করেই এদিন বেনিয়াপুকুর, বাগুইআটি-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বেনিয়াপুকুরে কুণাল গুপ্তর ঘনিষ্ঠ শোয়েব আলমের বাড়িতে আজ হানা দেয় ইডি। তদন্তকারী আধিকারিকদের এক দল পৌঁছৈ যায় বাগুইহাটি দেশবন্ধু নগরে গৌতম গুপ্তের বাড়ি। ইডি সূত্রে খবর, এই গৌতম গুপ্ত আবার কুণাল গুপ্তের আত্মীয়। 

    আরও পড়ুন: ‘বিরুষ্কা’র কোলে দ্বিতীয় সন্তান, ছেলেন নাম ‘অকায়’, জানালেন কোহলি

    সাইবার প্রতারণায় কারা লাভাবান

    উল্লেখ্য, প্রথমে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম (Cyber Scam) থানা ভুয়ো কলসেন্টার চক্রের পর্দাফাঁস করে। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের বেঙ্গল ইন্টেলিজেন্স পার্কের ১৩ তলায় বিনীত টেকনোলজিস প্রাইভেট লিমিটেড নামে এক কল সেন্টারের হদিশ মেলে। সেখানেই হানা দিয়ে বিরাট মাপের প্রতারণা চক্রের হদিশ পান তদন্তকারীরা। ইডি (ED Raid) অফিসাররা বলছেন, এই শোয়েব হল কুণালের ডান হাত। এর সঙ্গে মিলেই সাইবার প্রতারণার ব্যবসা খুলে বসেছিল কুণাল। বহু লোকজনকে ঠকিয়ে কোটি কোটি টাকা তুলেছিল। বিধাননগর সাইবার থানায় প্রথম এমন সাইবার প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্ত শুরু হয়। পরে সেই তদন্তভার এসে পৌঁছয় ইডির কাছে। কুণালকে দফায় দফায় জেরা করে গ্রেফতার করা হয়। ইডি সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, এই মামলায় কোনওরকম হাওয়ালা যোগ রয়েছি কি না, বা সাইবার প্রতারণায় কারা কারা লাভাবান হয়েছেন, সেই সমস্ত দিকগুলিও খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Case: এসএসসিতে অযোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা তুলেছিলেন প্রসন্ন!

    SSC Recruitment Case: এসএসসিতে অযোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা তুলেছিলেন প্রসন্ন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC Recruitment Case) গ্রেফতার হয়েছেন প্রসন্ন রায়। তিনি একাই ১০০ কোটি টাকা তুলেছিলেন চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে। শিক্ষা দফতরের আধিকারিক ও অযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজটি করতেন তিনিই। এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় মঙ্গলবার আদালতে এমনই দাবি করল ইডি। প্রসন্ন ও তাঁর পরিচিতদের ৯০টি সংস্থা রয়েছে বলেও দাবি ইডির।

    গ্রেফতার প্রসন্ন

    এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সোমবার রাতে গ্রেফতার করা হয় প্রসন্নকে। এর আগে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। মুক্তি পেয়েছিলেন জামিনে। এদিন রাতে ফের হলেন গ্রেফতার। এবার অবশ্য ইডির হাতে। মঙ্গলবার তাঁকে তোলা হয় নগর দায়রা আদালতে। সেখানেই ইডির দাবি, প্রসন্ন শিক্ষা দফতরের আধিকারিক ও অযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করতেন। অযোগ্য প্রার্থীদের (SSC Recruitment Case) কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভুয়ো নিয়োগপত্র দিতেন। ওএমআর শিটে কারচুপিও করতেন বলে দাবি ইডির।

    ওএমআর শিটে কারচুপি

    আদালতে ইডি জানিয়েছে, কেলেঙ্কারি থেকে ১০০ কোটি টাকা তুলেছেন প্রসন্ন। মোট ২ হাজার ৮১জনকে অবৈধভাবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে নবম-দশমের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল ১ হাজার ১৩৫জনকে। আর একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল ৯৪৬জনকে। অনেক চাকরিপ্রার্থীর ওএমআর শিটে কারচুপি করা হয়েছে। ইডি আরও জেনেছে, প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল ১৮৩জনকে। ইডির দাবি, এই অবৈধ নিয়োগের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন প্রসন্ন। তাঁর অফিস থেকে ৩৯০টি দলিল উদ্ধার করা হয়েছে। ২০১৬-২০২১ সালের মধ্যে প্রচুর টাকার সম্পত্তি কিনেছেন প্রসন্নর পরিবার। তাঁর সংস্থার নামেও কেনা হয়েছে সম্পত্তি। কারচুপি করা হয়েছে সম্পত্তির দামেও। ইডি জানিয়েছে, প্রসন্নর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে ২০০টি। সেগুলিতেও জমা করা হয়েছে প্রচুর নগদ টাকা।

    আরও পড়ুুন: ৩৬ কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের জন্য, ভার্চুয়াল শিলান্যাস করলেন মোদি

    প্রসন্নর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন প্রধান শান্তিপ্রসাদ সিংহের ঘনিষ্ঠ। তিনি একজন মিডলম্যান। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল তাঁর। দু পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে প্রসন্নকে সাত দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি (SSC Recruitment Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: রবিবার উদ্বোধন কল্যাণী এইমসের, রোগী ভর্তি কবে থেকে জানেন?

    PM Modi: রবিবার উদ্বোধন কল্যাণী এইমসের, রোগী ভর্তি কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান হচ্ছে রবিবার। বাংলার প্রথম এইমস হাসপাতালের উদ্বোধন করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উনিশ সালে চালু হয়েছিল এই হাসপাতালের কয়েকটি বিভাগ। এবার পুরোদমে চালু হতে চলেছে হাসপাতালটি। দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন তিনি। এদিনই তিনি উদ্বোধন করবেন রাজকোট, মঙ্গলাগিরি, ভাটিন্ডা, রায়বরেলি ও জম্মু এইমেসরও।

    কল্যাণী এইমস

    বর্তমানে কল্যাণীতে যে এইমস তৈরি হয়েছে, তা হওয়ার কথা ছিল উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে। পরে সেই হাসপাতাল তৈরি হয় কল্যাণীতে। মোদি সরকার (PM Modi) অনুমোদন দেওয়ায় কলকাতা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে গড়ে ওঠে এইমস। এতদিন কয়েকটি বিভাগে আউটডোরে চিকিৎসা হচ্ছিল। এবার সেটাই চালু হবে পুরোদমে।

    কী কী রয়েছে এই এইমসে?

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পরেই অনুমোদন মেলে কল্যাণী এইমসের। পরের বছর ১ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ১৭৯ একর জমি দেয় রাজ্য সরকার। হাসপাতালটিতে শয্যা রয়েছে ৯৬০টি। ১২৫টি আসনের মেডিক্যাল কলেজ, ৬০ আসনের নার্সিং কলেজ, ৩০ শয্যার আয়ুষ ব্লক, অধ্যাপক ও কর্মীদের জন্য আবাসন, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ছাত্রছাত্রীদের জন্য ছাত্রাবাস, নৈশকালীন আশ্রয়স্থল, অতিথিনিবাস ও প্রেক্ষাগৃহ রয়েছে। রয়েছে অত্যাধুনিক আইসিইউ, ২৩টি মডিউলার অপারেশন থিয়েটার, একটি ব্লাড ব্যাঙ্ক এবং উন্নতমানের ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

    এতদিন সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের ওপিডি খোলা থাকত। সোম, বুধ ও শুক্র খোলা থাকত সিটিভিএস। সোম ও বুধবার থাকত কার্ডিওলজি, সোম ও শুক্র খোলা থাকত অপথেমোলজি, বৃহস্পতিবার থাকত ইএনটি এবং শুক্রবার থাকত সাইক্রিয়াট্রিক বিভাগ।

    আরও পড়ুুন: “আপনাদের ৭০ বছরের স্বপ্ন পূরণ হবে অচিরেই”, ভূস্বর্গে বললেন মোদি

    সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য সুরক্ষা যোজনা ছড়িয়ে দিতে চান গোটা দেশে। তাই দেশে ২২টি নতুন এইমস তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি অনুমোদন পেয়েছে এনডিএ সরকারের আমলে। এই তালিকায় রয়েছে, গোরখপুর, নাগপুর, কল্যাণী, মঙ্গলগিরি, বিবিনগর, ভাতিন্ডা, দেওঘর, বিলাসপুর, রাজকোট, গুয়াহাটি, বিজয়পুর, মাদুরাই, অবন্তিপোরা, রেওয়াড়ি এবং দ্বারভাঙা (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share