Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Hooghly: বৃদ্ধার জমি দখল করেই তৈরি হয়েছে খেলার মাঠ! অভিযোগ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

    Hooghly: বৃদ্ধার জমি দখল করেই তৈরি হয়েছে খেলার মাঠ! অভিযোগ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃদ্ধার জমি দখল করে খেলার মাঠ তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে কাউন্সিলরের বিরুদ্ধেই। পালটা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওঁই কাউন্সিলর। বৃদ্ধা স্বামীর রেখে যাওয়া একমাত্র আশ্রয় হল এই জমি। এবার এই জমি ফিরে পেতে প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ জানিয়েও লাভ হচ্ছে না। এমন ঘটনা ঘটেছে হুগলির (Hooghly) ডানকুনিতে। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    হুগলির কোথায় ঘটেছে ঘটনা?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডানকুনি (Hooghly) পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রায়পাড়া এলাকায় বৃদ্ধার চার কাঠা জমি রয়েছে। যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা। বৃদ্ধা মঞ্জুদেবীর স্বামী কয়েকদিন আগেই মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দুই ছেলে বাড়ির বাইরে থাকেন। বাড়িতে একমাত্র থাকেন তিনিই। ফলে চাপ দিয়ে জমি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    বৃদ্ধার বক্তব্য

    মঞ্জুদেবী অভিযোগ জানিয়ে বলেছেন, “আমার নিজের জমি জোর করে দখল করে রেখেছেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর (Hooghly) শুভজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং তাঁর অনুগামীরা। জায়গা দখল করার জন্য একাধিকবার আমাকে হেনস্থা করা হয়। নিজের জায়গাকে সুরক্ষিত রাখতে পুরসভার অনুমতি নিয়ে পাঁচিল দিয়েছিলাম। কিন্তু এই পাঁচিল ভেঙে দিয়েছিল ওঁই কাউন্সিলরের অনুগামীরা। একই ভাবে তা ভাঙার পর বসিয়েছে গাছ আর এরপর ফুটবল খেলার গোল পোস্ট পুঁতে দিয়েছে। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি এবং পুরসভা সহ স্থানীয় বিধায়কদের কাছেও অভিযোগ জানিয়ে এখনও পর্যন্ত তেমন সাহায্য পাইনি।”

    অভিযুক্ত কাউন্সিলরের বক্তব্য

    স্থানীয় (Hooghly) কাউন্সিলর জানিয়েছেন, “জায়গাটা আসলে খেলার মাঠ, পাড়ার সমস্যা কিন্তু আমার নাম কেন যুক্ত করা হল আমি বুঝতে পারলাম না। আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চক্রান্ত করা হচ্ছে। মঞ্জুদেবী আমাকে তো কিছু জানান নি।” আবার পুরসভার পুরপ্রধান হাসিনা শবনম বলেন, “মঞ্জুরানী পুরসভার অনুমতি নিয়ে নিজের জমিতে পাঁচিল দিয়েছেন। নিজের সীমানায় নিজের কাজ করার অধিকার রয়েছে। যাঁরা দখল করার চেষ্টা করছেন এবং বৃদ্ধাকে হেনস্থা করছেন তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়ে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: শান্তি ফেরানোর আর্জি রাজ্যপালের, সন্দেশখালির মেয়েদের জন্য মিশন ‘সন্তোষ কালী’ 

    Sandeshkhali Incident: শান্তি ফেরানোর আর্জি রাজ্যপালের, সন্দেশখালির মেয়েদের জন্য মিশন ‘সন্তোষ কালী’ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির মা-বোনেদের জন্য মিশন ‘সন্তোষ কালী’ চালু করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। সোমবার রাজভবনের তরফে বাংলার জনগণের কাছে রাজ্যপালের পঞ্চমতম রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করা হয়। সেই রিপোর্ট কার্ডে মিশন ‘সন্তোষ কালী’র বিষয়ে বলা হয়েছে। রাজ্যপালের মতে, “সন্দেশখালি অস্থিরতা, নৈরাজ্যের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সেখানে শান্তি ফেরাতে হবে। সন্দেশখালির ব্যথিত মহিলাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।” তাঁর আর্জি, প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার অন্ধকার থেকে জেগে উঠুক সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) ৷

    মিশন সন্তোষ কালী কী

    সন্দেশখালির নারী-‘লাঞ্ছনা’র পটভূমিতে রাজ্যের তরুণীদের নিয়ে এ দিন ‘মিশন সন্তোষ কালী’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন বোস। রাজ্যপাল জানান, এই কর্মসূচিতে নারী-শক্তি, নারীর মর্যাদার সচেতনতা ও প্রসার আরও বাড়াতে হবে। তাঁর বক্তব্য, “এ বিষয়ে কেন্দ্র, রাজ্যের প্রকল্প এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির উদ্যোগের সদ্ব্যবহার করতে হবে। এর মধ্যে মেয়েদের সুরক্ষা এবং ক্ষমতায়নের জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ করতে হবে।” রাজভবনের বেশ কয়েকজন মহিলা কর্মীর উপস্থিতিতে মিশন ‘সন্তোষ কালী’ চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পে নারীদের ক্ষমতায়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। নারীদের স্বনির্ভর করে তোলার কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যাঁরা নারীদের নিয়ে কাজ করে তাঁদেরকে মিলিতভাবে কর্মসূচী নেওয়ার কথআও বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা বাতিল, হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানালেন রাজ্যপাল

    রাজ্যপালের রিপোর্ট কার্ড

    রাজ্যপাল রিপোর্ট কার্ডে স্পষ্ট লিখেছেন,”নারী শক্তিকে একত্রিত করতে হবে ৷ নারীদের মর্যাদাকে অক্ষুন্ন রাখতে হবে ৷ আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারতের লক্ষ্য নারীদের উন্নয়ন ৷ নারী শক্তিকে একত্রিত করার প্রচেষ্টার পটভূমিতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর 24 পরগনা জেলার সন্দেশখালি থেকে পাওয়া রিপোর্ট বিরক্তিকর ৷ নারীর মর্যাদা ও সম্মানের ওপর বেপরোয়া আক্রমণ হচ্ছে সেখানে । ঘটনাগুলি সমগ্র জাতির চোখ খুলে দিয়েছে । আমরা বৈদিক ধারণা নিয়ে গর্ব করি ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতা’ অর্থাৎ যেখানে নারীদের সম্মান করা হয়, সেখানে দেবতারাও আনন্দ করেন । কিন্তু সন্দেশখালিতে নারীদের শ্লীলতাহানি, হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শন বা জমি দখল এবং এলাকার নারীদের অসহায়বোধের রিপোর্ট এসেছে । সন্দেশখালির ক্ষতিগ্রস্থদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ভিত্তিতে আমি মিশন সন্তোষ কালীকে ভারতের মহিলাদের মর্যাদা ও সম্মানের উপর ভবিষ্যতের আক্রমণের বিরুদ্ধে একটি ঢাল হিসাবে প্রণয়ন করেছি ।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘‘জেলে অন্তঃসত্ত্বা হলে বন্দিরা কলঙ্কিত হন’’, সব পক্ষকে বৈঠকের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ‘‘জেলে অন্তঃসত্ত্বা হলে বন্দিরা কলঙ্কিত হন’’, সব পক্ষকে বৈঠকের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সংশোধনাগারে অন্তঃসত্ত্বা (Pregnant in Jail) হচ্ছেন মহিলারা! মহিলা বন্দিদের সঙ্গে এখন ১৯৬ শিশু রয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলে। এই প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের হয়েছিল। মঙ্গলবার মামলাটি ওঠে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চে। এদিন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সব পক্ষকে নিয়ে রাজ্যকে বৈঠকে বসতে হবে। সেখান থেকে কী উঠে এল, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি)-কে তা নিয়ে আগামী ৮ মার্চ আদালতে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে। 

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    মঙ্গলবার বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘এই ধরনের অভিযোগের কী সামাজিক প্রভাব পড়তে পারে তা আমরা জানি। এটা মহিলাদের কালিমালিপ্ত করার চরম পথ। এমনিতেই তাঁরা অভিযুক্ত হয়ে জেলে। এই পরিস্থিতিতে এমন একটা অভিযোগ যদি সামনে আনা হয় সেক্ষেত্রে তা তাঁদের আরও বেশি কলঙ্কিত করতে পারে। এটা দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তিদের আরও বেশি করে মাথায় রাখা জরুরি।’ মঙ্গলবার আদালত বান্ধব তাপস ভঞ্জের সওয়াল, জেলে ঢোকার পরে মহিলাদের পুরুষ বন্দিদের সেলের সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। মহিলাদের জন্য আলাদা রাস্তা বা প্রবেশপথ নেই। এর ফলে অনেক সময় পুরুষ বন্দিরা হায়নার মতো আচরণ করেন। এটা আটকানো দরকার। আর মহিলা কয়েদিদের নিয়মিত ‘প্রেগন্যান্সি টেস্ট’ করানো হোক।

    আরও পড়ুুন: শাহজাহানকে রক্ষা করছে মমতা-পুলিশ! সন্দেহ কলকাতা হাইকোর্টের

    গর্ভধারণের পরীক্ষা নিয়ে নিজে থেকে কোনও নির্দেশ দেবে না বলে আদালত জানায়। বিচারপতি বাগচীর মন্তব্য, ‘‘এমন নির্দেশ আদালত একেবারেই দেবে না। কোনও মহিলা স্বেচ্ছায় চাইলে বা কোনও নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত (Calcutta High Court) নির্দেশ দিতে পারে। কিছু সমস্যা রয়েছে, তা থেকে বার হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। রাজ্যের সঙ্গে সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা করুন। আপনার পরামর্শ দিন রাজ্যকে পুরুষ ও মহিলা বন্দিদের পথ আলাদা করা যায় কিনা।’’ এদিন বিচারপতি জানান, রাজ্যকে সমস্ত পক্ষের সঙ্গে বসতে হবে। সেখানেই বাড়তি বন্দি ভিড়, মহিলা বন্দি, জেলে বন্দি মৃত্যু, জেলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, অসুস্থ বন্দিদের মৃত্যু সহ নানা বিষয়ে সহমতের ভিত্তিতে একটি রূপরেখা তৈরি করার পর আদালত শুনানি করবে সমস্যা ধরে ধরে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: শাহজাহানকে রক্ষা করছে মমতা-পুলিশ! সন্দেহ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: শাহজাহানকে রক্ষা করছে মমতা-পুলিশ! সন্দেহ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানকে মমতা-পুলিশ রক্ষা করছে বলে এবার সন্দেহ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার সন্দেশখালি সংক্রান্ত মামলায় এই মন্তব্য করতে শোনা যায় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমকে। বিচারপতি বলেন, ‘‘এমন ব্যক্তিকে রক্ষা করা হচ্ছে কি না আমরা জানি না। তবে মনে হচ্ছে, হয় রাজ্য পুলিশ তাঁকে রক্ষা করছে, না হলে তিনি পুলিশের আওতার বাইরে চলে গিয়েছেন।’’

    শাহজাহানকে নিয়ে কেন্দ্র করে এত সমস্যা!

    প্রধান বিচারপতি পলাতক শাহজাহানকে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এসে আত্মসমর্পণ করার কথা বলতে পারেন বলেও জানিয়েছেন। প্রধান বিচারপতির নিজের ভাষায়, ‘‘শেখ শাহজাহানকে আমরা এই কোর্টে আসতে বলতে পারি। ইডি, সিবিআই এবং পুলিশ সবাই থাকবে। স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তাঁকে আমরা এখানে আত্মসমর্পণ করতে বলতে পারি। এত দিন ধরে ওই ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে এত সমস্যা। শাহজাহান প্রকাশ্যে এসে তো বলতে পারেন, এই সব অভিযোগ সঠিক নয়। কারও জমি নেওয়া হয়নি। তা না করে ওই ব্যক্তি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদি তিনি পালিয়ে বেড়ান, তবে স্বাভাবিক ভাবে সমস্যা আরও বাড়বে। তাঁর সমর্থকেরাই সমস্যা তৈরি করতে পারে।’’

    মূল মাস্টারমাইন্ড শাহজাহান 

    এদিনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতির (Calcutta High Court) মন্তব্যে সন্দেশখালির মূল মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উঠে এসেছে শাহজাহানের নাম। শাহজাহানকে কটাক্ষ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘এক জন ব্যক্তি পুরো সমস্যার জন্য দায়ী। অথচ তিনি কিনা জনপ্রতিনিধি! মানুষ তাঁকে ভোট দিয়ে নির্বাচন করেছেন। যেখানে জনগণের স্বার্থে ওই ব্যক্তির কাজ করা উচিত, সেখানে প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, তিনি জনগণের ক্ষতিই করেছেন।’’

    পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ

    সন্দেশখালি ইস্যুতে পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি (Calcutta High Court) এবং তিনি বলেন, ‘‘মামলা দায়ের হয়েছে, অথচ রাজ্য পুলিশ তাঁকে (শাহজাহানকে) ধরতে পারছে না। তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ১৮ দিনের বেশি হয়ে গেল কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। এমন ব্যক্তিকে রক্ষা করা হচ্ছে কি না আমরা জানি না। কিন্তু তাঁকে সমর্থন করা উচিত নয় রাজ্যের।’’

    মামলায় যুক্ত করা হল ইডি-সিবিআইকে

    পাশাপাশি, এ দিনই প্রধান বিচারপতি সন্দেশখালি সংক্রান্ত মামলায় যুক্ত করেন ইডি এবং সিবিআইকে। প্রসঙ্গত, মহিলাদের উপর অত্যাচার এবং জমি দখল করে নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সেখানে। এবিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছেন বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়। ওই মামলা এবার থেকে শুনবেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে (Calcutta High Court)। আগামী সপ্তাহের সোমবারে এই মামলার শুনানি হবে। সেদিন মামলার সব পক্ষকে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

    সন্দেশখালি প্রেক্ষাপট

    গত ৫ জানুয়ারি থেকে শাহজাহানের খোঁজ চলছে তবে এখনও তিনি বেপাত্তা রয়েছেন। ৫ জানুয়ারি সকালে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যান ইডির আধিকারিকরা। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ জনের উন্মত্ত জনতা গাড়ি ভাঙচুর করে তাঁদের। মাথাও ফাটিয়ে দেওয়া হয় ইডি অফিসারদের। এই ঘটনায় আবার ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয় ন্যাজাট থানায়। সেখানে শাহজাহানের বাড়ির কেয়ারটেকারের অভিযোগের ভিত্তিতে সেই অভিযোগ দায়ের করে পুলিশ। এরপরেই সেখানে শিবু হাজরা এবং উত্তম সর্দার নামের শাহজাহানের দুই শাগরেদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সন্দেশখালির মানুষজন। হাজার হাজার মহিলা রাস্তায় নামেন তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। জানুয়ারি মাস থেকে রাজ্য রাজনীতিতে সন্দেশখালি নিয়ে জোর চর্চা চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে টেনে-হিঁচড়ে সাংবাদিককে গ্রেফতার করল পুলিশ, প্রতিবাদে সরব মিঠুন-শুভেন্দু

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে টেনে-হিঁচড়ে সাংবাদিককে গ্রেফতার করল পুলিশ, প্রতিবাদে সরব মিঠুন-শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার মানুষ। শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন মহিলারা। রাষ্ট্রপতি শাসনের আর্জি জানিয়েছেন এলাকার মহিলারা। এই আবহের মধ্যে এবার সন্দেশখালি থেকে বৈদ্যুতিন মাধ্যমের এক সাংবাদিককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। যা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে সব মহলে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali) কাণ্ড নিয়ে রাজ্য জুড়ে চর্চা চলছে। আর সন্দেশখালির মানুষের ওপর শাহজাহান বাহিনীর অত্যাচারের খবর রাজ্য তথা দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে অন্যান্য দিনের মতোই সোমবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা সেখানে ছিলেন। আর সোমবার বিশেষ করে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা সন্দেশখালি গিয়েছিলেন। ফলে, এক ঝাঁক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা সন্দেশখালিতে উপস্থিত হয়ে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি তুলে ধরছিলেন। বিকেল ৫ টা নাগাদ আচমকাই রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিক সন্তু পানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিনা নথিতে গ্রেফতারের বিরোধিতা করলে তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। টোটোয় করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মঙ্গলবার তোলা হবে আদালতে। পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই সাংবাদিককে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    গ্রেফতারি নিয়ে পুলিশ কী সাফাই দিলেন?

    বসিরহাটের এসপি হোসেন মেহেদি রহমান বলেন, এলাকার এক মহিলার বাড়িতে ক্যামেরা নিয়ে ঢুকেছিলেন সন্তু পান ও তাঁর চিত্রগ্রাহক। সেই সময় মহিলার পোশাক ঠিক মতো ছিল না। ফলে তিনি অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। পুলিশের দাবি, ওই মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতেই সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    প্রতিবাদে সরব মিঠুন-শুভেন্দু

    সাংবাদিকের গ্রেফতারির বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছে সব মহল। রাষ্ট্রপতি শাসন জারির প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। সন্তু পানের পাশে দাঁড়াতে নিজের এক্স হ্যান্ডেলের প্রোফাইল ছবি ২৪ ঘণ্টার জন্য কালো করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রেস ক্লাবও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে

    কলকাতা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে এই ঘটনার নিন্দা জানানো হয়েছে। প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিন মাধ্যমের সাংবাদিক সন্তু পানের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ থাকে তা তদন্ত সাপেক্ষ। কিন্তু, কর্তব্যরত অবস্থায় সাংবাদিকের গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানাচ্ছে প্রেস ক্লাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিয়েই আজ সন্দেশখালিতে শুভেন্দু

    Sandeshkhali: হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিয়েই আজ সন্দেশখালিতে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের থেকে অনুমতি নিয়ে আজ, মঙ্গলবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর সঙ্গে যাচ্ছেন বিজেপির পাঁচ বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, বিশাল লামা, অগ্নিমিত্রা পাল, সুমিতা সিনহা রায় ও তাপসী মণ্ডল। সন্দেশখালিতে এতদিন যে ১৪৪ ধারা জারি ছিল, সোমবারই তাতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে এখন সন্দেশখালি যেতে আর কোনও বাধা থাকার কথা নয় বিরোধীদের।

    আদালতের নির্দেশকে মান্যতা

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সন্দেশখালির নির্দিষ্ট কয়েকটি জায়গায় যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সোমবার, আদালত জানায়, শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করবে রাজ্য পুলিশ। প্রয়োজনে অতিরিক্ত বাহিনী ব্যবহার করা যেতে পারে। আদালতের এই নির্দেশের পর মঙ্গলবারই সন্দেশখালি যাচ্ছেন শুভেন্দু। এদিন আদালতের নির্দেশ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি মাহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট এবং বিচারপতি মহোদয়ের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যে তিনি আমাকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। আমি চেষ্টা করব সন্দেশখালির গ্রাম পঞ্চায়েতে আমার চিহ্নিত করে দেওয়া ছয়, সাত, আটটি মৌজা বা পাড়াতে মানুষজনের সঙ্গে দেখা করতে।’’

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের পাশে রাজ্যপাল, রাজভবনে খোলা হল ‘পিস হোম’

    সন্দেশখালিতে শুভেন্দু 

    এর আগে দু’বার সন্দেশখালি যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন শুভেন্দু। দু’বারই বাধার মুখে পড়তে হয়। একবার বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়েতে পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয় শুভেন্দুকে। আরেকবার সন্দেশখালির রামপুরে বাধা দেওয়া হয় তাঁকে। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি। উভয়পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে সোমবারই তাঁর সন্দেশখালি সফরের অনুমোদন মেলে। সন্দেশখালির যে ১৫টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল, সেখানেও আদালতের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কার্যকর হবে। ফলে শুভেন্দু বা বিজেপি বিধায়কদের সেই জায়গায় যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। শুভেন্দুর সঙ্গে রয়েছেন তিন মহিলা বিজেপি বিধায়ক। সন্দেশখালিতে যেহেতু মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে, সেখানে মহিলা বিধায়করা নির্দেযাতিতাদের সঙ্গে কথা বলবেন।

    সাংবাদিক নিগ্রহের প্রতিবাদ

    সন্দেশখালিতে সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি সন্তু পানকে গ্রেফতারের ঘটনায় গর্জে উঠলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাতেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি সরিয়ে সেখানে কালো করে দেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajbhawan: সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের পাশে রাজ্যপাল, রাজভবনে খোলা হল ‘পিস হোম’

    Rajbhawan: সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের পাশে রাজ্যপাল, রাজভবনে খোলা হল ‘পিস হোম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) সন্ত্রাসের শিকার মানুষের জন্য রাজভবনে (Rajbhawan) খোলা হয়েছে ‘পিস হোম’। সন্দেশখালিকাণ্ডে নির্যাতিতাদের জন্য বেনজির পদক্ষেপ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Anand Bose)। শুধু অভিযোগ শুনতে নয়, একেবারে নির্যাতিতাদের থাকার জন্যই রাজভবনের ঘরের দরজা খুলে দিলেন তিনি। রাজভবনের ৩টি ঘরকে পিস হোমের রূপ দেওয়া হয়েছে। 

    মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরানোই লক্ষ্য

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) মহিলাদের ওপর গণধর্ষণ-সহ নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ তোলার সঙ্গে সঙ্গেই নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও বারবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সেখানকার মহিলারা। পুলিশে অনাস্থা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। এরপরই পদক্ষেপ করেন রাজ্যপাল বোস। রাজ্যপাল জানিয়েছেন, সন্দেশখালির কোনও বাসিন্দা বাড়িতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলে রাজভবনের (Rajbhawan) পিস হোমে থাকতে পারেন। প্রধানত রাজ ভবনের নিরাপত্তারক্ষীদের আবাসন হিসাবে ব্যবহার করা হয় যে ঘরগুলি, সেখানেই তিনটি ঘরকে পিস হোম বানানো হয়েছে। সেখানেই সন্দেশখালির বিপন্ন বাসিন্দাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজ্যপাল বলেন, “আমি কোনও রাজনৈতিক লোক নই। রাজনৈতিক মন্তব্য করা আমার কাজ নয়। আমার কাজ সংবিধানের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। স্বাভাবিক অবস্থা ফেরানো ও মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরানো। আমি সেই কাজ করছি। আমি চাই সন্দেশখালিতে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরুক।”

    আরও পড়ুুন: ‘পাকিস্তানের মতো অবস্থা বাংলার মহিলাদের’, সন্দেশখালি নিয়ে মমতাকে আক্রমণ লকেটের

    সন্দেশখালিতে মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন

    গত সপ্তাহেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) গিয়ে  মহিলাদের পাশে থাকার বার্তা দেন সিভি আনন্দ বোস। সোমবার সন্দেশখালিতে নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা। সন্দেশখালি থানায় নির্যাতিতাদের নিয়ে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করান তিনি। থানায় মোট ১৮টি অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর সেখান থেকে যান রাজভবনে। সন্দেশখালির সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখা রাষ্ট্রপতি শাসনের সওয়াল করেন তিনি। রেখা শর্মা বলেন, “এখানে ভীষণ খারাপ অবস্থা। এখানে এত খারাপ অবস্থা মহিলারা আমাকে ছাড়তে চাইছেন না। রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া এখানে আর কিছু হতে পারে না বলেই আমার মনে হয়। আমি জানি না শাসন কোথায়, প্রশাসন কোথায়, মুখ্য়মন্ত্রী কোথায়। আমার মনে হয় ওঁর ইস্তফা দেওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • ED: মমতার জেলা সফরের পরদিনই অনুব্রতর পার্টি অফিসে হানা দিল ইডি

    ED: মমতার জেলা সফরের পরদিনই অনুব্রতর পার্টি অফিসে হানা দিল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় বীরভূমের “বেতাজ বাদশা” অনুব্রত মণ্ডল এখন জেলে রয়েছেন। সোমবার বিকেলে তাঁর খাসতালুক বোলপুরের নিচুপট্টি এলাকায় ইডি (ED) আধিকারিকরা হানা দেন। অনুব্রত মণ্ডল যে দলীয় কার্যালয়ে বসতেন, সেখানে হানা দিয়েছেন ইডি আধিকারিকেরা। রবিবার বীরভূমের সিউড়ি থেকে অনুব্রতের গ্রেফতারি নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের পরদিনই কেষ্ট গড়ে হানা দিল ইডি। যা নিয়ে জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    তৃণমূল কার্যালয়ের আগে ভূমি দফতরে ইডি (ED)

    তৃণমূল কার্যালয়ে যাওয়ার তার আগে ইডির (ED) তিন আধিকারিক বোলপুর মহকুমা ভূমি সংস্কার দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁরা বিএলআরও-র সঙ্গে কথা বলেন। একটি সূত্রে খবর, অফিসে বসে কেষ্ট মণ্ডলের তৃণমূল কার্যালয় যে জমির উপর তৈরি তার কাগজপত্র দেখেন। আশপাশের জায়গার হিসাব নেন। কার্যালয়ের আশপাশের দোকানগুলি সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন তাঁরা। বস্তুত, অনুব্রত গরুপাচার মামলায় গ্রেফতারের আগে তাঁর বাড়ির কাছে ঝাঁ চকচকে দলীয় কার্যালয় তৈরিতে খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিজেপি। যা নিয়ে জেলা জুড়ে চর্চা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রতি বছর ওই কার্যালয়ে জাঁকজমকভাবে কালী পুজো করতেন কেষ্ট। ওই কার্যালয়ে কালীপুজোর সময় মূর্তিতে যে সোনার গয়না পরানো হয়, সে নিয়েও চর্চা ছিল জেলা জুড়ে। এত গয়নার টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এদিন ইডি আধিকারিকরা সেই কার্যালয়ে হানা দিতেই নতুন করে ফের চর্চা শুরু হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এদিন বিকেলে তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে ইডির (ED) একটি গাড়ি এসে দাঁড়ায়। আধিকারিকেরা গাড়ি থেকে নেমেই কার্যালয়ের মাপজোক শুরু করে দেন। ওই কার্যালয়ের বিল্ডিংয়ে বেশ কয়েকটি দোকান রয়েছে। আশপাশের দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল কার্যালয় যে বিল্ডিংয়ে সেখানে দোকান ভাড়া নেওয়ার সময় কার সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছিলেন, কে ভাড়া দিয়েছিলেন এবং ভাড়ার টাকা কাকে দিতে হয়, সব বিষয় নিয়ে ইডি আধিকারিকরা কথা বলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumder: রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্তর, কী বললেন সাংসদ?

    Sukanta Majumder: রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্তর, কী বললেন সাংসদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumder)। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশের বিরুদ্ধে কার্যত তোপ দাগেন বালুরঘাটের সাংসদ।

    সুকান্তর অভিযোগ

    তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আমি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জেড ক্যাটেগরির সুরক্ষা পেলেও, টাকিতে অচেতন হয়ে পড়ার পর সুরক্ষা ছাড়াই নিজেদের গাড়িতে করে বসিরহাট নিয়ে গিয়েছিল রাজ্য পুলিশ। এতে আমার সুরক্ষার সঙ্গে আপোস করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “কে ধাক্কা দিয়েছে সেটা বড় কথা নয়। যতক্ষণ রাজনৈতিক সংঘাত চলছিল, তার জন্য আমি পুলিশকে দায়ী করছি না। সুকান্ত মজুমদারের ওপর লাঠিচার্জ করুন, পা ভাঙুন, কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু আমি অসুস্থ হওয়ার পর পুলিশ কী করেছে? প্রথমত, আমার গাড়িতে আমাকে হাসপাতালে যেতে দেয়নি। আমার গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে। দম থাকলে পুলিশ বলুক, আমি মিথ্যে কথা বলছি। আমার গাড়িতে পুলিশ উঠে যেতে পারত। বা আমার গাড়িকে সামনে পিছনে পুলিশ দিয়ে ঘিরে দিতে পারত। যাতে আমি অচৈতন্য অবস্থায় অন্য কোথাও চলে না যাই।”

    ‘জেড ক্যাটেগরির সুরক্ষা পাই’

    রাজ্যের পাঁচ প্রশাসনিক কর্তার বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর কারণ ব্যাখ্যা করে সুকান্ত (Sukanta Majumder) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আমি জেড ক্যাটেগরির সুরক্ষা পাই। নিশ্চয়ই কোনও কারণ রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে নিশ্চয়ই। সরকার তো আর খেলা করার জন্য দেয়নি। আমাকে পুলিশের গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয় দু জন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে। তাদের কাছে ছোট আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। আমার আপ্তসহায়ককে গাড়িতে উঠতে দেওয়া হয়নি। আমার নিরাপত্তারক্ষীরা বাংলা জানেন না। আমার স্বাস্থ্যের ব্যাপারে তাঁদের বোঝাবে কে?”

    আরও পড়ুুন: ‘পাকিস্তানের মতো অবস্থা বাংলার মহিলাদের’, সন্দেশখালি নিয়ে মমতাকে আক্রমণ লকেটের

    সুকান্ত বলেন, “কপিল সিব্বল আজ আদালতে সওয়াল করে সাময়িক স্থগিতাদেশ এনেছেন। এরপর আমাদের উকিলরা আমাদের বক্তব্য বলবেন। চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করবেন। কপিল সিব্বল না কি বলেছেন আমি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেছি। মিথ্যে কথা বলেছেন।” তিনি (Sukanta Majumder) বলেন, “টাকিতে কোথাও ১৪৪ ধারা ছিল না।”

    প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিতে যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালির নির্যাতিতার নাম কেন প্রকাশ্যে? জাতীয় মহিলা কমিশনকে চিঠি সুকান্তর

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালির নির্যাতিতার নাম কেন প্রকাশ্যে? জাতীয় মহিলা কমিশনকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ্যে এনেছে পুলিশ, এই অভিযোগে জাতীয় মহিলা কমিশনকে চিঠি পাঠালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। জাতীয় মহিলা কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে সুকান্ত মজুমদার উল্লেখ করেছেন, রাজ্য পুলিশ সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্য করে সন্দেশখালির নির্যাতিতার পরিচয় গোপন না-রেখে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের ডিজি রাজীব কুমারের গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন সুকান্ত।

    জাতীয় মহিলা কমিশনকে চিঠি

    সন্দেশখালিতে এক নির্যাতিতার বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশ শাহজাহান অনুগামী শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা যুক্ত করেছে। এ বিষয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি (DG) রাজীব কুমার জানিয়েছিলেন, ওই মহিলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দেন, তার ভিত্তিতেই ওই ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। তা নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ, পুলিশ নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ করেছে, যা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী বেআইনি। রাজ্য পুলিশের এই কাজের তীব্র নিন্দা করে সোমবার জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মাকে চিঠি দেন সুকান্ত। তাঁর দাবি, মহিলা কমিশন এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক।

    আরও পড়ুন: ‘পাকিস্তানের মতো অবস্থা বাংলার মহিলাদের’, সন্দেশখালি নিয়ে মমতাকে আক্রমণ লকেটের

    রাজীব কুমারকে গ্রেফতারের দাবি 

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেছেন, শিবপ্রসাদ হাজরার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা এক মহিলার নাম প্রকাশ করেছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, মহিলার একটি ভিডিও স্যোশাল মিডিয়ার আপলোড করা হয়েছে ৷ জবানবন্দি দেওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গিয়েছিল ওই নির্যাতিতা। তার আগে পুলিশ তার একটি ছোট্ট ভিডিও বানায়। গোপন জবানবন্দির জন্য পুলিশ তাকে নিয়ে গিয়েছে। এই কথা পুলিশ তাকে বলতে বাধ্য করেছে। শুধু তাই নয়, এরপর সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেছে। এই কাজ সম্পূর্ণ আইনবিরুদ্ধ। পুলিশ নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ করে গুরুতর অপরাধ করেছে। নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ কখনও করা যায় না। কিন্তু সেই কাজ করেছে পুলিশ। এ প্রসঙ্গে সুকান্তর দাবি, পশ্চিমবঙ্গের ডিজি রাজীব কুমারকে গ্রেফতার করতে হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share