Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন টিএস শিবজ্ঞানম

    Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন টিএস শিবজ্ঞানম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে (Calcutta High Court New Chief Justice) বৃহস্পতিবার শপথ নিলেন টিএস শিবজ্ঞানম (Justice TS Shivagnanam)। আজ সকাল ১১টা নাগাদ অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor C V Ananda Bose) প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান। 

    শপথ অনুষ্ঠান

    এদিনের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ একাধিক বিশিষ্ট জনেরা। ছিলেন হাইকোর্টের বহু সিনিয়র আইনজীবী ও বারের সদস্যরাও। ছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও। হাইকোর্টের বারান্দায় বড় পর্দার মাধ্যমে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থাও করা হয়। করা হয় লাইভ সম্প্রচারও। আজ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে পাশাপাশি আসনে দেখা গেল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও মেয়র ববি হাকিমকে। এদিন প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হলেও কোনও কথা হয়নি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে দেখা যায় রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের পাশের চেয়ারে বসেছেন শুভেন্দু। তারপর এক নম্বর কোর্টে মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছনোর পর বিরোধী দলনেতা উঠে দাঁড়ান এবং আসন বদল করে কিছুটা বাঁ দিকের সারিতে গিয়ে বসেন।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    কলকাতার প্রধান বিচারপতি হয়ে গর্বিত

    শপথ গ্রহণ চলাকালীন প্রধান বিচারপতি বলেন, “কলকাতার প্রধান বিচারপতি হয়ে গর্বিত। এই শহর সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। রবীন্দ্রনাথ, সুভাষ বোসের জন্মভূমি। এই কোর্ট বড় বড় মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করেছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দিতে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখব না। বারের সহযোগিতা আশা করছি।” গত ৯ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম বিচারপতি শিবজ্ঞানমের নাম সুপারিশ করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদের জন্য। গত ৩০ মার্চ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁর নাম উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রক। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব অবসর গ্রহণের পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliyaganj Murder Case: কালিয়াগঞ্জে ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সিট গঠন কলকাতা হাইকোর্টের

    Kaliyaganj Murder Case: কালিয়াগঞ্জে ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সিট গঠন কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে (Kaliyaganj Murder Case) দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে খুনের মামলায় সিট গঠন করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বৃহস্পতিবার ওই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেন। রাজ্য পুলিশের আধিকারিক দময়ন্তী সেন, প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত এবং প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাসকে সিটে রেখেছেন তিনি। তাঁর নির্দেশ, আদালতের নজরদারিতে হবে তদন্ত। সিট যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত করতে পারবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। 

    সিটকে বিশেষ ক্ষমতা

    এই মামলায় (Kaliyaganj Murder Case) বিচারপতির পর্যবেক্ষণ— ‘‘প্রচণ্ড চাপের মুখে কাজ করতে পারছে না পুলিশ। তাই এই সিট গঠন।’’ তিনি জানান, এই মামলার তদন্ত চলাকালীন বাইরে নিজেদের মত প্রকাশ করবেন না সিটের সদস্যরা। পাশাপাশি, হাইকোর্টের নির্দেশ, কেস ডায়েরি এবং অন্যান্য নথি সিটকে দেবে রাজ্য পুলিশ। তদন্তে রাজ্যকে সাহায্য করতে হবে। পরবর্তী শুনানির আগে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করবে রাজ্য। নিহত ছাত্রীর পরিবারের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্যও রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দেন বিচারপতি মান্থা। সিআরপিসি অনুযায়ী, তদন্তের সব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সিটকে। প্রয়োজনে নতুন অফিসার নিয়োগ করে তদন্ত করতে পারবে এই তদন্তকারী দল। আগামী ২৮ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি। 

    আরও পড়ুন: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    কেন সিট গঠন

    সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে (Kaliyaganj Murder Case) এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়। পরিবার ও প্রতিবেশীরা দাবি করেন, কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশের তদন্তে উঠে আসে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই কিশোরী। বৃহস্পতিবার রাজ্যের তরফে ওই ঘটনার তদন্তের রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। রিপোর্টে দেখা যায়, ইনকোয়েস্ট বা সুরতেহাল হয়েছিল ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫ টায়, আর ময়নাতদন্ত হয় সাড়ে ৩ টেয়। বিচারপতি মান্থা প্রশ্ন তোলেন, কেন ময়নাতদন্তের পর সুরতেহাল হল? সুরতেহাল ও ময়নাতদন্তের সময়ের মধ্যে সন্দেহজনক পার্থক্য রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন বিচারপতি মান্থা। রিপোর্টে আরও জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের সময় পরিবারের লোক উপস্থিত ছিল না। পুলিশ নৃশংসভাবে দেহ টেনে নিয়ে গিয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন বিচারপতি। এরপরই সিট গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: একলাখী-বালুরঘাট স্পর্শ করল মাইলফলক, সুকান্তর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিনের সূচনা

    Indian Railways: একলাখী-বালুরঘাট স্পর্শ করল মাইলফলক, সুকান্তর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিনের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একলাখী-বালুরঘাট রেলপথ পরিষেবা উন্নয়নের পথে আরও একটি মাইলফলক স্পর্শ করল বৃহস্পতিবার সকালে। বালুরঘাট রেল স্টেশন (Indian Railways) থেকে এখানকার বিজেপি সাংসদ তথা দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে বালুরঘাট-শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিনের সূচনা হল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনএফ রেলওয়ের ডিআরএম শুভেন্দু চৌধুরী সহ রেলের অন্যান্য আধিকারিকরা।

    সাংসদ সুকান্ত মজুমদার হাতে নিয়েছেন একাধিক প্রকল্প  

    একলাখী-বালুরঘাট রেল প্রকল্প (Indian Railways) চালু হয় ২০০৪ সালে, তৎকালীন রেলমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের হাত ধরে। তারপর দীর্ঘ প্রায় কুড়ি বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। একলাখী-বালুরঘাট রেলপথে ট্রেনের সংখ্যা বেড়েছে। উন্নত হয়েছে বেশ কিছু স্টেশন। কিন্তু এখনও এই রেল পরিষেবা সিঙ্গল লাইনে চলে। অবশ্য বুনিয়াদপুর, গঙ্গারামপুর ও রামপুর স্টেশনে সিগন্যালিং ও ক্রসিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। আগামী পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটকে পাখির চোখ করে সাংসদ সুকান্ত মজুমদার একলাখী-বালুরঘাট রেল প্রকল্পের সামগ্রিক উন্নতির জন্য একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তার মধ্যে অন্যতম ছিল বিদ্যুতায়নের কাজ, যা মাত্র ছয়মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ হল।

    বালুরঘাট স্টেশনের উন্নয়নে আরও ২ কোটি 

    রেল সূত্রের খবর, আগামী দিনে বালুরঘাট থেকে সমস্ত ট্রেনই বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিনের দ্বারা টানা হবে। বালুরঘাট রেল স্টেশনের (Indian Railways) উন্নয়নের জন্য আরও ২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রেল দফতর। তারও কাজ শুরু হবে। আরও সুন্দর করে গড়ে তোলা হবে বালুরঘাট স্টেশনকে। দূরপাল্লার ট্রেন চালু করতে রেক মেনটেন্যান্স সহ অন্যান্য কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। আগামী দু-একমাসের মধ্যেই সেই কাজ সম্পন্ন হলে বালুরঘাট থেকে গুয়াহাটি এবং দিল্লিগামী ট্রেনের ব্যবস্থা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। রেলের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ। কিন্তু তাঁদের দাবি, বালুরঘাট থেকে মালদা সারাদিনে কিছু লোকাল ট্রেন চালানো হোক। শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য-সব ক্ষেত্রেই জেলার মানুষকে মালদায় যেতে হয়। বাসে সময় লাগে তিন ঘণ্টা, ট্রেনে গেলে দু’ঘণ্টাতেই পৌঁছে যাওয়া যায়। সেই কারণে লোকাল ট্রেনের দাবি তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mocha: বৃহস্পতিবার ভোরে জন্ম নিল ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’! কবে, কোথায় ল্যান্ডফল?

    Cyclone Mocha: বৃহস্পতিবার ভোরে জন্ম নিল ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’! কবে, কোথায় ল্যান্ডফল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ভোরে জন্ম নিল ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ (Cyclone Mocha)। গতকাল পর্যন্ত ছিল গভীর নিম্নচাপ। আজ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হল ‘মোকা’। এমনটাই জানাল আবহাওয়া দফতর। উপগ্রহ চিত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় মোকার শেষ অবস্থান পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ৫১০ কিলোমিটার দূরে। ১২ মে পর্যন্ত তা আরও শক্তি সঞ্চয় করতে চলেছে। ১৪ মে তা স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে ‘মোকা’ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হতে পারে। শুক্রবার আরও শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ অত্যন্ত প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে।

    আগেই জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশ ও মায়ানমার সীমান্তে সম্ভবত ল্যান্ডফল হবে ‘মোকা’-র। আগামী রবিবার বাংলাদেশের কক্সবাজার এবং মায়ানমার সীমান্তের মধ্যবর্তী স্থানে আছড়ে পড়বে ‘মোকা’। আবহাওয়া দফতর অনুযায়ী, সেই সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার। 

    এদিকে, আজ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সমুদ্রের অবস্থা খুবই খারাপ থাকবে। ঢেউয়ের উচ্চতা খুব বেশি হবে, শক্তিশালী হাওয়া ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে এবং মাঝে মাঝে ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বইতে পারে।

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ‘মোকা’র (cyclone mocha) সরাসরি প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়বে না। তবে, পরোক্ষ প্রভাব পড়বে এরাজ্যে। শুক্রবার থেকে সামান্য বদলাতে পারে পরিস্থিতি। শনিবার দক্ষিণবঙ্গের তিন জেলা পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তার আগে ‘মোকা’র জেরে রাজ্যে চড়চড়িয়ে বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। বৃহস্পতিবার রাজ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৪০ ডিগ্রির আশেপাশেই।

    মৎস্যজীবীদের সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা প্রশাসনের

    ‘মোকা’র (cyclone mocha) কারণে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রযাত্রায় ইতিমধ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্য প্রশাসন। বাংলাদেশ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উপকূলে মৎস্যজীবীদের যেতে নিষেধ করেছে প্রশাসন।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া….

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের আকাশ পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রা বাড়লেও তাপপ্রবাহেরও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে আগামী তিন দিন গরমে অস্বস্তিজনিত পরিবেশ বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া….

    দক্ষিণবঙ্গে আপাতত চলবে গরম। উত্তরবঙ্গের মতো দক্ষিণবঙ্গেও কোনও বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আন্দামানে বৃষ্টি….

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে ‘মোকা’র প্রভাবে আন্দামানে ভারী বৃষ্টি হবে। সঙ্গে চলবে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া। হাওয়া অফিস জানিয়েছে ‘মোকা’র প্রভাবে বাড়বে আন্দামানের সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা। মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে অসম, তামিলনাড়ু, সিকিম, অন্ধ্র উপকূলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    Ram Navami: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রা ঘিরে ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল হাওড়া এবং হুগলিতে। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে ওই অশান্তির ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-কে (NIA)। তার পরেই হাওড়ার পুলিশ কমিশনার, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার ও এডিজি সিআইডিকে চিঠি দেয় এনআইএ। অশান্তির মামলার তদন্ত কীভাবে এগোবে, তা নিয়েও বৈঠক করেন এনআইএ-র কলকাতা শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিআইজি।

    রামনবমীর (Ram Navami) অশান্তিতে এফআইআর…

    হাওড়া ও হুগলির ওই অশান্তির ঘটনায় এফআইআর দায়ের করেছে এনআইএ। বৃহস্পতিবার তা আদালতে পেশ করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাইকোর্টের নির্দেশে হাওড়ার শিবপুরে একটি, হুগলির শ্রীরামপুরে দুটি, রিষড়ায় একটি এবং উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় রামনবমীর মিছিলে গোলমালের ঘটনার প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের করেছে এনআইএ। প্রসঙ্গত, রামনবমীর (Ram Navami) মিছিলে অশান্তির জেরে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। এনআইএকে দিয়ে তদন্তের দাবিতে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন তিনি। ২৭ এপ্রিল তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয়।

    আরও পড়ুুন: ফের সভার অনুমতি দেওয়া হল না শুভেন্দুকে, আদালতে যাচ্ছে বিজেপি!

    দু সপ্তাহের মধ্যে মামলা সংক্রান্ত সমস্ত নথি এনআইএকে হস্তান্তর করার নির্দেশও রাজ্যকে দেয় আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, পুলিশের রিপোর্টে স্পষ্ট যে অশান্তি হয়েছে। কারা এই অশান্তির ঘটনায় জড়িত এবং কারা উসকানি দিয়েছে, তা জানা রাজ্য পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। তার পরেই এনআইএ তদন্তের নির্দেশ। সচরাচর তদন্ত শুরু করার আগে এনআইএ এফআইআরের একটি খসড়া তৈরি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠায়। তার ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সবুজ সংকেত মিললেই শুরু হয় তদন্ত। ইতিমধ্যেই সেই এফআইআরের খসড়া পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। 

    ৩০ মার্চ রামনবমীর (Ram Navami) মিছিলকে কেন্দ্র করে দু পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে হাওড়ার শিবপুর থানার জিটি রোড এলাকা। পুলিশের গাড়ি, বাস, টোটো, অটো, বাইকে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইটপাটকেল। সেদিনই অশান্তি হয় উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায়ও। রামনবমীর দু দিন পরে অশান্ত হয়ে ওঠে হুগলির রিষড়াও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Road: দুর্গাপুরের কাঁকসায় ব্যস্ততম রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগের শিকার এলাকাবাসী

    West Bengal Road: দুর্গাপুরের কাঁকসায় ব্যস্ততম রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগের শিকার এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরের কাঁকসা থানার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার শিবপুর বাইপাস থেকে গৌরবাজার যাওয়ার প্রধান রাস্তা (West Bengal Road) দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ, খানাখন্দে ভরা ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পড়ুয়ারাও। এলাকাবাসীর দাবি, রাস্তাটি অবিলম্বে মেরামত না করলে ভোগান্তি থেকে রেহাই মিলবে না। কিন্তু প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।

    কী বলছেন এলাকার বাসিন্দারা?

    দুর্ভোগের শিকার স্থানীয় বাসিন্দা দয়াময় বাগদি জানান, এটি খুবই ব্যস্ততম রাস্তা (West Bengal Road)। শিবপুরের জয়দেব ঘাট থেকে দুর্গাপুর শহর ও লাউদোহা এলাকায় যাতায়াতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এটি। এই রাস্তা দিয়ে অনবরত বালির গাড়ি যাতায়াত করায় রাস্তা বেহাল হচ্ছে। বালির জল পড়ে পড়ে খানাখন্দে ভরেছে রাস্তা। সামনেই আসছে বর্ষাকাল। এই বেহাল রাস্তা অবিলম্বে মেরামত না করলে বর্ষায় বৃষ্টির জলে তা মরণফাঁদে পরিণত হবে। পথচারীরা সাইকেল, বাইক নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় প্রায়শই ছোটখাট দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন। গ্রামের পড়ুয়ারাও এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের সময় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছেন। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হলে বহু মানুষ উপকৃত হবে।

    কী বলছেন পঞ্চায়েত সদস্য?

    বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য গিরিধারী সিনহা বলেন, শিবপুর বাইপাস থেকে গৌরবাজার পর্যন্ত ওই ১০ কিলোমিটার রাস্তা (West Bengal Road) বেহাল, একথা ঠিক। রাস্তাটা মোরামের ছিল। পরে পিচরাস্তা ও কিছুটা ঢালাই রাস্তা হয়েছিল। কিন্তু ভারী পণ্যবাহী যান চলাচলের জন্য কোনও রাস্তাই টেকে না। বর্তমানে ওই রাস্তা ভগ্নদশায় রয়েছে। শুনেছি কোটি কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছিল বা হচ্ছে। কেন এখনও রাস্তা মেরামত করা হচ্ছে না, সেই সঠিক তথ্য জানা নেই।

    তোপ দাগলো বিজেপি

    বর্ধমান সদরের বিজেপির সহ সভাপতি রমন শর্মা এই বিষয়ে বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের আগে যত সব রাস্তাশ্রী, পথশ্রী প্রকল্পের নাম তো শোনা যাচ্ছে। এত বছর কোথায় ছিল এই সব প্রকল্প। মানুষ যে এত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে, তার উত্তর দেবে কে? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAR: নেই পুঁথিগত বিদ্যা! মাত্র ৭০ হাজার টাকায় বিনা তেলের চারচাকা গাড়ি বানিয়ে তাক লাগালেন বৃদ্ধ

    CAR: নেই পুঁথিগত বিদ্যা! মাত্র ৭০ হাজার টাকায় বিনা তেলের চারচাকা গাড়ি বানিয়ে তাক লাগালেন বৃদ্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অদম্য জেদ আর ইচ্ছেশক্তি থাকলে সবকিছু করা সম্ভব। বয়স সেখানে কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। সে কথাই প্রমাণ করেছেন মেদিনীপুর শহরের জজকোর্টের ৬৫ বছরের শরাফত আলি। পুঁথিগত বিদ্যা তাঁর নেই। তবে, নিজস্ব বুদ্ধি ও মেধা দিয়ে নিজের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিভিন্ন যানবাহনের পরিত্যক্ত জিনিসের সাহায্যে বাড়িতেই তৈরি করে ফেললেন ইলেকট্রিকের চার চাকা গাড়ি (CAR)। যে কারণে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বিভিন্ন এলাকায় এখন তিনি চর্চিত। গাড়ির নামকরণ করেছেন মনো-ই-কার।

    কী দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই গাড়ি (CAR)?

    জানা গিয়েছে, বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি (CAR) তৈরি করতে শরাফতসাহেব স্টিয়ারিং সংগ্রহ করেছেন পরিত্যক্ত টাটা ন্যানোর, বিকল হয়ে যাওয়া মহেন্দ্র ভ্যান এর স্টিয়ারিং বক্স, টোটোর চাকা প্রভৃতি। হার্ডওয়্যারের দোকান থেকে সংগ্রহ করেছেন লোহার সামগ্রী। প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সামগ্রী নিজের মতো করে কিনে বাড়িতে ঝালিয়ে পূর্ণরূপে তৈরি করে ফেলেছেন একটি ইলেকট্রিক কার। নিজস্ব মস্তিষ্কপ্রসূত কায়দায় ইলেকট্রিক ওয়ারিং পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তৈরির প্রথমদিকে অনেকেই হাসাহাসি করছিলেন। কাজ সম্পূর্ণ করার পর সেই গাড়ি (CAR) নিয়ে বাড়ি থেকে রাস্তায় বের হতেই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সকলকে। এখন আর হাসাহাসি নয় তাঁকে ঘিরে ধরেন চক বাজারের লোকজন।

    কী বললেন অভিনব গাড়ি (CAR) নির্মাতা?

    বৃদ্ধ শরাফত আলি প্রায় ৪০ বছর ধরে কাঠের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বাড়িতে এক ছেলে, সেও বাবার পেশাতেই। তবে তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধ শরাফত আলি অনেকটা সৃজনশীল। নিজের তৈরি গাড়ি (CAR) নিয়ে তিনি বলেন, “বর্তমানে পেট্রোলের যা দাম, তাতে বাইক চালানো সমস্যার। তাছাড়া আমার মত বয়স্ক লোকজন বাইকের থেকে চার চাকাতে নিরাপদ। সে কথা মাথায় রেখেই নিজস্ব উদ্যোগ শুরু করেছিলাম। পাঁচ মাসের পরিশ্রমের পর অবশেষে সফল। গাড়ি (CAR) তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। এখন নিজে তো বটেই, বাড়ির নাতি-নাতনিদের নিয়ে বাজারে, স্কুলেও যাই। যে পরিমাণ টাকা এটাতে খরচ হয়েছে তাতে হয়তো পুরানো টোটো কিনে নিতে পারতাম, কিন্তু নিজ সৃষ্টির মজা আলাদা। বরাবরই আমি কোনও না কোনও কিছু নতুন জিনিস তৈরি করার চেষ্টা করি, এটা আমার প্যাশন।” তাঁর তৈরি অভিনব গাড়ি (CAR) এখন নজর কেড়েছে সকলের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ফের সভার অনুমতি দেওয়া হল না শুভেন্দুকে, আদালতে যাচ্ছে বিজেপি!

    Suvendu Adhikari: ফের সভার অনুমতি দেওয়া হল না শুভেন্দুকে, আদালতে যাচ্ছে বিজেপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পটাশপুর, চন্দ্রকোণার পর এবার বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল। ফের রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) সভার অনুমতি দিল না পুলিশ। বিজেপির দাবি, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করার জন্যই সরকারের নির্দেশে পুলিশ অনুমতি দিতে চাইছে না। সভার অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে পদ্ম শিবির। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিমলাপাল রাজবাড়ি মাঠে সভা করার কথা ছিল শুভেন্দুর। সেই মতো যাবতীয় প্রস্তুতিও সেরে ফেলেছিলেন বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব। একেবারে শেষ মুহূর্তে পুলিশি অনুমতি না মেলায় বাতিল হয়ে যায় সভা।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভা বাতিলে বিজেপির প্রতিক্রিয়া…

    বিজেপির বাঁকুড়ার জেলা সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল বলেন, “পুলিশি অনুমতি না মেলায় সিমলাপালে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পূর্ব নির্ধারিত সভা বাতিল করা হয়েছে”। তিনি বলেন, “সমস্ত নিয়ম মেনে পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হলেও, পুলিশ অনুমতি দিতে টালবাহানা করছিল। সভার আগের রাতেও পুলিশি অনুমতি না মেলায় সভা স্থগিত রাখতে হল”। তিনি বলেন, “রাজ্যের পুলিশ প্রাশসন ও মুখ্যমন্ত্রী যেখানে ঠিকই করে ফেলেছেন তাঁরা বিরোধী দলনেতার কার্যক্রমে বাধা দেবেন, সেখানে আর তাঁদের ওপর ভরসা রাখা যায় না”। সভার অনুমতি চেয়ে এদিনই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি। বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক জানান, শুনানিতে দেরি হলে অন্যদিন সভা হবে।

    বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত বলেন, “এখন পুলিশের প্রধান কাজ বিজেপিকে আটকানো। বিজেপির কর্মসূচি দেখে এ রাজ্যের শাসক দল আতঙ্কিত। তাই পুলিশের নিজস্ব কাজ না করে বিজেপিকে আটকাতে চাইছে”। তিনি বলেন, “রাজ্যের মানুষ সব দেখছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে”।

    আরও পড়ুুন: ‘‘পাকিস্তানে অশান্তির জন্য দায়ী বিজেপি-আরএসএস’’! আজব দাবি শেহবাজের আপ্ত-সহায়কের

    এই প্রথম নয়, এর আগেও শেষ মুহূর্তে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভার অনুমতি বাতিল হয়ে গিয়েছিল। আলু চাষিদের আত্মহত্যার প্রতিবাদ সহ কৃষকদের গুচ্ছ সমস্যার কথা তুলে ধরে সভার ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সভা হওয়ার কথা ছিল চন্দ্রকোণার ঝাঁকড়া হাইস্কুল মাঠে। শুভেন্দুর সেই সভাও বাতিল হয়ে গিয়েছিল। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ওই দিনই শর্ত সাপেক্ষে শুভেন্দুকে সভা করার অনুমতি দেয় উচ্চ আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ময়নায় নিহত বিজেপি নেতার বাড়িতে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী, কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    BJP: ময়নায় নিহত বিজেপি নেতার বাড়িতে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী, কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়নায় নিহত বিজেপি (BJP) নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়ার পরিবারের সদস্যদের এবার নিরাপত্তা দেবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। আদালতের নির্দেশে বুধবার সকালেই ডিএসপি পদমর্যাদার এক আধিকারিক সহ দুজন আসেন পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে। কেন্দ্রীয় জওয়ানরা কোথায় থাকবেন, কীভাবে মৃতের পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়া হবে, সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এরপরই সন্ধ্যায় ১২ জন সিআইএসএফ জওয়ান বিজয়বাবুর বাড়িতে আসেন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কী বললেন নিহত বিজেপি (BJP) নেতার পরিবারের লোকজন?

    বিজয়কৃষ্ণের মেয়ে টুম্পা ভুঁইয়া বলেন, বাবার মৃত্যুর প্রায় দেড় সপ্তাহ পর বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসেছেন। এরজন্য তাঁদের ধন্যবাদ। কারণ, রাজ্য পুলিশের উপর আমাদের কোনও আস্থা নেই। বাবা খুন হওয়ার পর রাজ্য পুলিশ তদন্ত করে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। আরও অনেকেই এখন বাইরে রয়েছে। অভিযুক্তরা সকলে গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত আমরা আতঙ্কে রয়েছি। এখন কেন্দ্রীয় বাহিনী আসায় কিছুটা হলেও সাহস পাচ্ছি। বিজয়বাবুর ছেলে রনজিৎ ভুঁইয়া বলেন, তদন্তভার কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে যতক্ষণ না দেওয়া হচ্ছে, আমাদের আন্দোলন চলবে। বাবাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

    প্রসঙ্গত, ১ লা মে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়নার বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোড়ামহল গ্রামের বিজেপির (BJP) বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে অপহরণ করে খুন করে একদল দুষ্কৃতী। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর স্ত্রী ও ছেলের সামনে থেকেই মারতে মারতে তুলে নিয়ে যায় বিজয়কৃষ্ণকে। উদ্ধার করার জন্য বারবার অনুরোধ করা হলেও পুলিশ সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়নি বলেই অভিযোগ তাঁর পরিবারের। শেষ পর্যন্ত বিজেপি নেতার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না থানার পুলিশ। ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে রাজ্য পুলিশের উপর অনাস্থা প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় নিহত বিজেপি (BJP) নেতার পরিবার। পুলিশের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট আদালত, বিজেপি নেতার পরিবারের লোকজনকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেয়। আদালতের সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ ই মে রাতে ময়নায় নিহত বিজেপি (BJP) নেতার বাড়িতে আসেন জওয়ানরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: লটারির টাকায় রাজ্যজুড়ে নবজোয়ার তৃণমূলের! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: লটারির টাকায় রাজ্যজুড়ে নবজোয়ার তৃণমূলের! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যজুড়ে তৃণমূলে নবজোয়ার নামে জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আর এই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক জেলায় ব্যালট ছিনতাই, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই নবজোয়ার কর্মসূচি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সন্ধ্যায় হুগলির উত্তরপাড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ডিয়ার লটারির টাকায় নবজোয়ার কর্মসূচি চলছে। লটারির টাকায় তৃণমূলের নবজোয়ার। ইনকাম ট্যাক্সের রিটার্নে লটারির উল্লেখ করেছে। তৃণমূলের নির্বাচনী বন্ডে মাসে ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা দেয় এই লটারি সংস্থা। আমার কাছে সব তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। কোটি কোটি মানুষের সঙ্গে বঞ্চনা করার এই ব্যবসা বন্ধ করব। সাবধান ডিয়ার লটারি, সাবধান পশ্চিমবঙ্গের জনগন, সাবধান তৃণমূল। চলছে নবজোয়ার, যাচ্ছি আমি তিহাড়।

    দলত্যাগী এক বিধায়কের বাড়িতে আয়কর হানা নিয়ে সরব শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া কৃষ্ণকল্যাণীর বাড়িতে কিছুদিন আগেই আয়কর হানা দেয়। সেই প্রসঙ্গে তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ভিতরে বিজেপি, বাইরে তৃণমূল এমন একজন বিধায়কের বাড়িতে তিনদিন ধরে আয়কর হানা দিয়েছিল। আপনারা সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছেন। কিন্তু, ফলাফলটা পাননি। শুনে রাখুন, আমি যা বলি দায়িত্ব নিয়ে বলি। ওই মমতাভক্তের বাড়ি থেকে ৩ কোটি টাকা নগদ এবং ৬ কোটি টাকার গয়না উদ্ধার হয়েছে। আয়কর দফতরকে বলব, বিরোধী দলনেতার অভিযোগ সত্যি হলে, সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি জানান।

    সিপিএম, কংগ্রেস কর্মীদের কী বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, সিপিএম এখন সাইনবোর্ড। কয়েকদিন আগে এই জায়গায় সিপিএম মিছিল করেছে। তাদের কোনও অনুমতি লাগেনি। অথচ আমাদের হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিয়ে মিছিল করতে হচ্ছে। তাহলেই ভাবুন সেটিংটা কে করছে। তাঁর কটাক্ষ, এই সিপিএমের দোসর কংগ্রেস। তাদের দিল্লির নেতারা এই চোর সরকারদের বাঁচাতে আইনি লড়াই করছেন। ভাবতে পারেন? এরপরই সিপিএমের উদ্দেশে তিনি বলেন এদের কালিয়াগঞ্জে মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের খুনের প্রতিবাদে পাবেন না, রিষড়া, শিবপুরে ইনসাফ মিছিলে পাবেন না, এই দল সাইনবোর্ড হয়ে গিয়েছে। বেশি কথা বলবনা। শুধু বলবো যে কজন এখনো আছেন তাঁরা চলে আসুন। আমরাই পারবো সাফ করতে। গত মাসের ২ তারিখে রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে রিষড়া এলাকায় ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে যায়। রক্তাক্ত হন পুরশুরার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ সহ অনেকেই জখম হন। পুলিশও সেদিন আক্রান্ত হন। এই রেশ দু তিনদিন ধরে চলে। ওই ঘটনার জেরে পুলিশ প্রচুর লোককে ধরপাকড় করে। যদিও পরবর্তীকালে সবাই প্রায় জামিনে ছাড়া পেয়ে যায়। ওই দিন যে সমস্ত রামভক্তরা মার খেয়ে, জেল খেটে বেড়িয়েছেন তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে হিন্দমোটর ধারসা মোড় থেকে উত্তরপাড়া কোতরং পর্যন্ত পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। যদিও এই মিছিলের অনুমতি স্থানীয় পুলিশ দেয়নি। শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি মোহন আদক হাইকোর্ট থেকে আইনি লড়াইয়ে অনুমতি বার করে আনেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share