Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Dilip Ghosh: ‘মমতা চাইছেন গন্ডগোল হোক, সেই ফাঁকে তাঁরা জিতে যাবেন’, দাবি দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘মমতা চাইছেন গন্ডগোল হোক, সেই ফাঁকে তাঁরা জিতে যাবেন’, দাবি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন যত ফুরিয়ে আসবে, ততই বাড়বে তৃণমূলের (TMC) মধ্যে দ্বন্দ্ব, মারামারি।” রবিবার নিউ টাউনের ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে গিয়ে এ কথা বললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বৃহস্পতিবার রাজ্যে ঘোষণা হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন। ভোট হবে ৮ জুলাই। মনোনয়নপত্র পেশ-পর্ব শুরু হয়েছে শুক্রবার থেকে। চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত।

    ‘তৃণমূল নিজেরা মারামারি করছে’

    দিলীপ বলেন, “তৃণমূল তো এখন নিজেরা মারামারি করছে। কাল (সোমবার) থেকে যখন ব্যাপকভাবে মনোনয়নপত্র জমা শুরু হয়ে যাবে, তখন আরও গন্ডগোল হবে। তৃণমূলের কে টিকিট নেবে, তা-ই নিয়ে মারামারি, কে মনোনয়নপত্র জমা দেবে, তা-ই নিয়ে মারামারি। একাধিক মনোনয়ন হবে, নির্দল প্রার্থী দেবে, মারামারি চলতে থাকবে। তার সঙ্গে বিরোধীদেরও মারবে ওরা। বীরভূম, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ এই সব জেলা উপদ্রুত অঞ্চল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার থেকে বিস্তীর্ণ এলাকা উপদ্রুত। এই সব অঞ্চলে কখনওই আইনশৃঙ্খলা ঠিক থাকে না। আর রাজনীতিটা সমাজবিরোধীরাই করে। সেটাই হচ্ছে এখন।”

    ব্যাপক গন্ডগোলের আশঙ্কা

    মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন যত শেষ হয়ে আসবে, অশান্তি ততই বাড়বে বলে মনে করেন দিলীপ। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “সোমবার থেকে ব্যাপক মনোনয়নপত্র জমা হবে। ব্যাপক গন্ডগোলও হবে। পুলিশের ক্ষমতা নেই তা আটকানোর। চটি পরা, লাঠি হাতে সিভিকরাও আটকাতে পারবে না। মমতা চাইছেন গন্ডগোল হোক, সেই ফাঁকে তাঁরা জিতে যাবেন।”

    আরও পড়ুুন: অনুব্রতর গড়ে ভাঙন ধরাল বিজেপি! দলত্যাগ তৃণমূল প্রধান সহ কয়েকশো কর্মীর

    ভাঙড়ে আইএসএফকে মনোনয়ন ফর্ম দেওয়া হয়েছে বলে এক সরকারি আধিকারিককে মারধর করা হয়েছে। অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে। এ প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি (Dilip Ghosh) বলেন, “এমনিতে রোজই মারামারি হয়, প্রতিদিনই বম্ব পড়ে ওখানে। এবারও তাই হয়েছে। জেলায় যে কটা তৃণমূলের নেতা হয়েছে, তারা তো অ্যান্টি-সোশ্যাল। তাদের নাম দেখুন। ১০ বছর, ১২ বছর, ১৫ বছর ধরে শুনছি কেউ বামেদের ছিল। তখন থেকে অ্যান্টি-সোশ্যাল। তো সেখানে আর কিছু আশা করা যায় না।”

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই রক্তাক্ত হয়েছে বাংলা। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে খুন হয়েছেন এক কংগ্রেস কর্মী। কাঠগড়ায় তৃণমূল। রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলা থেকেও অশান্তির খবর এসেছে। সব কটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ‘বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নে ভয় পেয়েছেন মমতা’, ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ শুভেন্দুর

    Panchayat Election 2023: ‘বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নে ভয় পেয়েছেন মমতা’, ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে বৃহস্পতিবার। নির্বাচন হবে ৮ জুলাই। শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে মনোনয়নপত্র পেশ-পর্ব। চলবে এ মাসেরই ১৫ তারিখ পর্যন্ত। শুক্রবার মনোনয়নপত্র পেশ-পর্বের প্রথম দিনেই রক্তাক্ত হয়েছে মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এক কংগ্রেস কর্মীকে খুন করেছে বলে অভিযোগ। দুষ্কৃতীদের আক্রমণে জখম হয়েছেন ওই পরিবার ও প্রতিবেশীদের চারজন। রাজ্যে অশান্তি অব্যাহত ছিল শনিবারেও। এই ইস্যুতেই রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Panchayat Election 2023) বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর ট্যুইট-বাণ

    ট্যুইট-বার্তায় তিনি বলেন, ‘মুর্শিদাবাদের ডোমকলে শাসন করছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। অস্ত্র হাতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল নেতাকে। হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার। বিরোধীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে সিভিক ভলান্টিয়াররা। বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নে ভয় পেয়েছেন মমতা। তাই বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে’।

    মনোনয়ন পেশে জারি অশান্তি

    এদিকে, মনোনয়নপত্র পেশ করাকে কেন্দ্র করে অশান্তির খবর এসেছে রাজ্যের একাধিক জেলা থেকে। এদিন পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় বিজেপিকে মনোনয়নপত্র পেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয় পদ্ম-প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের। এক্ষেত্রেও অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের দিকে। বীরভূমের লাভপুরে মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে প্রহৃত হয়েছেন বিজেপির মণ্ডল সহ-সভাপতি সোমনাথ মণ্ডল। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর হাত-পা ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে ব্যাপক অশান্তি হয় লাভপুরে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট করতেই হবে’’, নির্বাচন কমিশনারকে কড়া নির্দেশ রাজ্যপালের

    বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরেও মনোনয়ন (Panchayat Election 2023) পেশ করতে গিয়ে তৃণমূলের হামলার শিকার হয়েছেন পদ্ম-প্রার্থীরা। এদিন মনোনয়নপত্র পেশ করতে গিয়েছিলেন বিজেপির ৫০ জন প্রার্থী। তাঁদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, বিষ্ণুপুর গ্রামীণ মণ্ডল ১ এর সভাপতি তপন মাজুরি। বিডিও অফিসে ঢোকার আগেই তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতেই রাজ্য সরকারকে ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ করেছেন নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর নায়ক শুভেন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • South 24 Parganas: মনোনয়ন জমা দিতে এসে নিখোঁজ সিপিএম প্রার্থী, অপহরণের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    South 24 Parganas: মনোনয়ন জমা দিতে এসে নিখোঁজ সিপিএম প্রার্থী, অপহরণের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুপুর দেড়টা নাগাদ কাকদ্বীপ (South 24 Parganas) বিডিও অফিসের ভিতর থেকে সিপিএম প্রার্থীরা বাইরে বের হতে গেলে, বিডিও অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পুলিশের উপস্থিতিতেই সিপিএম প্রার্থীদের উপর হামলা চালায়। এমনকি রাস্তায় ফেলে দিয়ে মারধর করে জামা ছিঁড়ে দেয় বলে অভিযোগ করে সিপিএম। অশান্তি এখানেই থেমে থাকেনি, বিডিও অফিস থেকে ফেরার সময় এক সিপিএম প্রার্থী নিখোঁজ হয়েছেন বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগও করা হয়েছে বলে জানা গেছে এইদিন। 

    দক্ষিণ চব্বিশ (South 24 Parganas) পরগণায় কী হয়েছে?

    কাকদ্বীপে (South 24 Parganas) আজকে দুপুর বারোটার সময়, স্বামী বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েত বসন্তপুর এলাকার ১২৩ নম্বর বুথের সিপিএম প্রার্থী শান্তনু দাস বিডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে ঢোকেন। এরপরই তৃণমূলের কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁকে বিডিও অফিস থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে জানা যায়। প্রথমে বিডিও অফিসের কাছে রঞ্জিত হাতির বাড়িতে নিয়ে যায় এবং তারপরে সেখান থেকে অন্যত্র নিয়ে চলে যায় বলে সিপিএমের অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত ওই সিপিএম প্রার্থীর ফোন সুইচ অফ আছে, কোনও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। সিপিএমের পক্ষ থেকে বিডিও এবং কাকদ্বীপ আইসিকে অভিযোগ জানানো হয়। এরপর থেকে প্রশাসনের আধিকারিকরা ওই সিপিএম প্রার্থীর খোঁজ চালাচ্ছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সন্ধান মেলেনি বলে জানা গেছে।

    কী বললেন সিপিএম নেতা?

    কাকদ্বীপের (South 24 Parganas) সিপিএম নেতা রাম দাস বলেন, প্রথম থেকেই বিরোধীদের মনোনয়নে বাধা দেওয়া হয়। আমাদের অনেকেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু বিডিও অফিস থেকে সকলে ফিরে এলেও শান্তনু দাসকে আর সঙ্গে নিয়ে ফিরতে পারেননি। শান্তনুকে বিডিও অফিস থেকে তুলে নিয়ে গেছে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের প্রার্থীর নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার (South 24 Parganas) তৃণমূলের সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি বাপি হালদার বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে সিপিএম একটা সাজানো ঘটনা রচনা করছে। তিনি আরও বলেন, সিপিএম চাইছে ঝামেলা পাকিয়ে, হাইকোর্টে গিয়ে কেস করে, ভোট প্রক্রিয়াকে বন্ধ করে দিতে কিন্তু সিপিএমের এই আশা পূর্ণ হবে না।

    নিখোঁজ সিপিএম প্রার্থীকে পুলিশ কবে উদ্ধার করে বাড়িতে ফেরাবে, তাই এখন দেখার।  

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ‘‘অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট করতেই হবে’’, নির্বাচন কমিশনারকে কড়া নির্দেশ রাজ্যপালের

    Panchayat Election 2023: ‘‘অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট করতেই হবে’’, নির্বাচন কমিশনারকে কড়া নির্দেশ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) ঢাকে কাঠি পড়তেই শুরু হয়ে গিয়েছে খুন-জখম। নির্বাচন হবে ৮ জুলাই। শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে মনোনয়নপত্র পেশ-পর্ব। প্রথম দিনেই মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে খুন হয়েছেন কংগ্রেস কর্মী। জখম হয়েছেন তাঁর পরিবার ও প্রতিবেশী মিলিয়ে ৪ জন। কাঠগড়ায় তৃণমূল। অশান্তি অব্যাহত দ্বিতীয় দিনেও। বিরোধীদের মনোনয়নপত্র পেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় তৃণমূল। এদিকে আবার আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার হয়েছে রাজ্যের শাসক দলের এক নেতা।

    রাজীব-রাজ্যপাল বৈঠক

    ঘটনার এহেন ঘনঘটার মধ্যেই শনিবার নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে তলব করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সঙ্গে সঙ্গে রাজভবন দৌড়লেন রাজীব। প্রায় আধ ঘণ্টা রাজভবনে ছিলেন তিনি। বৈঠকের পর রাজ্যপাল সাফ জানিয়ে দেন, যে কোনও মূল্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন (Panchayat Election 2023) করতেই হবে। সূত্রের খবর, এদিন নির্বাচন কমিশনারকে রাজ্যপাল প্রশ্ন করেন, ‘পর্যাপ্ত বাহিনী রয়েছে কি? কেন্দ্রীয় বাহিনী আনছেন কি?’ প্রত্যুত্তরে কমিশনার জানান, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী আনার সিদ্ধান্ত নেয় আদালত। মামলা বিচারাধীন, তাই আমরা আদালতের দিকে তাকিয়ে আছি।’ এর পরেই কমিশনারকে রাজ্যপাল জানিয়ে দেন, ‘মনোনয়নের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। শান্তিপূর্ণ মনোনয়নের দিকে নজর দিক কমিশন।’

    জেলায় জেলায় অশান্তি

    এদিকে, কমিশনারকে যখন রাজ্যপাল মনোয়নের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছেন, তখনই পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় বিজেপিকে মনোনয়নপত্র পেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয় পদ্ম-প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের। এক্ষেত্রেও অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের দিকে। বীরভূমের লাভপুরে মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে প্রহৃত হয়েছেন বিজেপির মণ্ডল সহ-সভাপতি সোমনাথ মণ্ডল। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর হাত-পা ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে ব্যাপক অশান্তি হয় লাভপুরে।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের ব্যাগ ভর্তি বোমা উদ্ধার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরেও মনোনয়ন (Panchayat Election 2023) পেশ করতে গিয়ে তৃণমূলের হামলার শিকার হয়েছেন পদ্ম-প্রার্থীরা। এদিন মনোনয়নপত্র পেশ করতে গিয়েছিলেন বিজেপির ৫০ জন প্রার্থী। তাঁদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, বিষ্ণুপুর গ্রামীণ মণ্ডল ১ এর সভাপতি তপন মাজুরি। বিডিও অফিসে ঢোকার আগেই তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এহেন আবহে রাজ্যপাল-নির্বাচন কমিশনার বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    এদিকে, আগামী ১৩ জুন হবে সর্বদল বৈঠক। সর্বদল বৈঠক না করেই ভোটের (Panchayat Election 2023) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হয়েছিল বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিরোধীরা। সেই সর্বদল বৈঠকই হবে ১৩ তারিখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Nadia: সাংগঠনিক ভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী, শতাধিক বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা পড়ল নদিয়ায়

    Nadia: সাংগঠনিক ভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী, শতাধিক বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা পড়ল নদিয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া (Nadia) জেলায় সাংগঠনিকভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী বিজেপি, এখানে গণতান্ত্রিকভাবে ভোট হবে, বাধা দেওয়ার ক্ষমতা নেই তৃণমূলের, এমনটাই বললেন নদিয়ার বিজেপি বিধায়ক। পঞ্চায়েত নির্বাচনে শান্তিপুর থানার ফুলিয়া বিডিও অফিসে বিজেপির শতাধিক মনোনয়ন জমা পড়ল আজ। গত দুই দিনে প্রচুর সংখ্যায় বিজেপির মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে শাসকদলকে কটাক্ষ করলেন বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথি চ্যাটার্জী।

    নদীয়ার (Nadia) বিধায়ক কী বললেন?

    মনোনয়ন জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিনে বিজেপির প্রায় শতাধিক প্রার্থীরা মনোনয়ন পত্র জমা করেছেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট (Nadia) উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথী চ্যাটার্জী। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ইলেকশন কমিশনের এই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত শুধু আমাদের নয়, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের জন্যই অসুবিধার সৃষ্টি করছে। ইলেকশন প্রক্রিয়া শুরুর আগে কিছু গণতান্ত্রিক নিয়ম থাকে। যেখানে অন্তত এক সপ্তাহ আগে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখানে কিছুই মানা হয়নি। নিজেদের সুবিধামতো কমিশনকে কাজে লাগিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। শাসক দল চাইছে না এ রাজ্যে কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দল থাকুক। তবে আমরা প্রতিটি বাধা পেরিয়ে সাংগঠনিক দিক থেকে ১০০ শতাংশ প্রস্তুত রয়েছি। প্রতিটি পঞ্চায়েত স্তরেই আমরা প্রার্থী দেব এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে লড়াই চালিয়ে যাব।

    ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে না তো!

    পাশাপাশি বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথি চ্যাটার্জী (Nadia) কটাক্ষের সুরে বলেন, রাজ্য পুলিশ দিয়ে বিগত ১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পুনরায় করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। আর সেই জন্যই একদিনে গোটা রাজ্যের ভোট, রাজ্যের পুলিশকে দিয়ে ভোট লুট করার পরিকল্পনা করছে রাজ্যের শাসক দল। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল চাইছে গোটা রাজ্যে বিরোধী শূন্য ভোট হোক। আর এই লক্ষমাত্রাকে নিয়ে রাজ্য সরকার, নির্বাচন কমিশনকে পুরোপুরি ভাবে পরিচালনা করছে। বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথি চ্যাটার্জী আরও বলেন, নদিয়া জেলায় শাসক দলের কোনও নেতা কর্মীরা বিজেপির মনোনয়নকে আটকাতে পারবে না। অনেক প্রতিকুলতার মধ্যে আমরা রাজনৈতিক বিরোধিতা করেও আমাদের প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা করব। আমরা এই দুর্নীতি গ্রস্থ সরকারের বিরুদ্ধে সর্ব শক্তি দিয়ে এই নির্বাচনে লড়াই করব।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: “অভিষেককে ডেকে লাভ হবে না”, ‘কালীঘাটের কাকু’র মন্তব্যে রহস্যের গন্ধ

    Kalighater Kaku: “অভিষেককে ডেকে লাভ হবে না”, ‘কালীঘাটের কাকু’র মন্তব্যে রহস্যের গন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশ্ন শুনেই মেজাজ হারালেন ‘কালীঘাট কাকু’ (Kalighater Kaku)। পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বললেন, ‘আমার ২০০ কোটি আছে তো আপনার কি? শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, গৌত আদানিরও এত টাকা। তা নিয়ে তো কেউ কোনও কথা বলে না। শুধু আমার বেলাতেই কেন টাকার অঙ্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে?’ শনিবার রুটিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জোকার ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাট কাকু অর্থাৎ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে গিয়েছিল ইডি। সেখানেই তাঁকে সাংবাদিকরা বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তাঁর ছ’টি সংস্থায় যে ২০-২২ কোটি টাকার বিনিয়োগের খবর পাওয়া যাচ্ছে তা কি সত্যি? তাতেই মেজাজ হারান কালীঘাট কাকু। 

    সংস্থায় বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

    ওই ছ’টি সংস্থায় নিয়োগ দুর্নীতির টাকা বিনিয়োগ হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে সুজয়কৃষ্ণভদ্র বলেন, ‘কোনও কিছু নেই। ২০০৮ সাল থেকে কাজ করছি। ইডিকে সব তথ্য দিয়েছি।’ উল্লেখ্য, গত ৩০ মে ইডি গ্রেফতার করে সুজয়কৃষ্ণকে। তার আগে তিনি দু’বার সিবিআই দফতরে হাজিরাও দিয়েছিলেন। তবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারের প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে না পারার কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আপাতত তিনি হেফাজতে।

    অভিষেককে ডেকে লাভ নেই

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তলব নিয়েও মুখ খুলেছেন কালীঘাট কাকু। তিনি বলেছেন, ‘ডেকে কোনও লাভ হবে না।’ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের এই মন্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছ। কারণ, তিনি অভিষেক বন্দ্যাপাধ্যায়ের কোম্পানিতেই কাজ করতেন। সেই যোগসূত্রও খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: সিভিককে উর্দি পরিয়ে পুলিশ করার ছক রাজ্যের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    এদিকে, সিভিক ভলিন্টিয়ার রাহুল বেরাকে গতকাল জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। জেরায় নাকি বিষ্ণুপুরের ওই সিভিক ভলিন্টিয়ার বহু তথ্য উগরে দিয়েছেন বলে খবর। রাহুলের দেওয়া তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, কালীঘাট কাকুর মোবাইলের যাবতীয় ডেটা ডিলিট করেছিলেন তিনি। এই প্রসঙ্গ টেনে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কাছে জানতে চাওয়া হয়, রাহুল নাকি জেরায় অনেক কিছু বলেছেন গোয়েন্দাদের? কালীঘাট কাকুর জবাব, ‘যা ইচ্ছা বলুক।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: প্রচার সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ জারি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ কমিশনের

    Panchayat Election 2023: প্রচার সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ জারি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮ জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023)। শুক্রবারই শুরু হয়ে গিয়েছে মনোনয়নপত্র পেশ-পর্ব। এই আবহে শনিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা হয়েছে একাধিক বিধি-নিষেধ। মিটিং-মিছিলের অনুমতি পেতে হলে রাজনৈতিক দলগুলিকে কী কী শর্ত মানতে হবে, পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারদের সে সংক্রান্ত নির্দেশও পাঠানো হয়েছে।

    বিধির গেরো

    কমিশনের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, মোটরবাইক ও সাইকেল মিছিল করা যাবে না। আপত্তিকর কোনও সামগ্রী নিয়ে শামিল হওয়া যাবে না সভা ও মিছিলে। একটি থানা এলাকায় কোনও একটি রাজনৈতিক দল বা তাদের প্রার্থী দিনে সর্বাধিক তিনটি সভা করতে পারবেন। কোনও এলাকায় সভা ও মিছিল করতে হলে অনুমতি চেয়ে অন্তত তিন দিন আগে আবেদন করতে হবে থানায়। আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে। যে দল আগে আবেদন করবে, অগ্রাধিকার পাবে তারাই। এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য রেজিস্টারে নথিবদ্ধ করবেন ওসি। কেবল আবেদনপত্র জমা দিলেই হবে না, ওসির অনুমতি মিললে তবেই করা যাবে সভা ও মিছিল।

    ভার্চুয়াল বৈঠক

    এদিকে, শুক্রবার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনার রাজীব সিনহা। সেখানে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে হবে। বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে হবে। এ ক্ষেত্রে কমিশন যে কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করবে না, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: সিভিককে উর্দি পরিয়ে পুলিশ করার ছক রাজ্যের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    এক দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল ২০১৮ সালেও। সেবার ঝরেছিল রক্ত। খোয়াতে হয়েছিল বহু প্রাণ। জেলায় জেলায় উঠে এসেছিল অশান্তির ছবি। সংবাদমাধ্যমে ভেসে উঠেছিল বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোটের কাহিনি। শাসক দলের স্থানীয় নেতাদের দাদাগিরির ছবিও দেখা গিয়েছিল। আর দেখা গিয়েছিল, কীভাবে হচ্ছে ভোট চুরি। শাসক দলের (Panchayat Election 2023) নেতাদের দাপাদাপির কাছে বড্ড অসহায় দেখাচ্ছিল বিরোধী নেতাদের। পাঁচ বছর পর ফের হচ্ছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। আবার হয়তো ঝরবে রক্ত। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার বাম-বিজেপি-কংগ্রেস। কিন্তু শাসক দল তাতে রাজি হবে কি? প্রশ্ন সেটাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Birbhum: বীরভূমে মনোনয়ন জমা করতে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি, অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক

    Birbhum: বীরভূমে মনোনয়ন জমা করতে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি, অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ই জুন থেকে ১৫ই জুন চলবে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। আর সেই মনোনয়ন করতে গিয়ে এবার আক্রান্ত হল বিজেপি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৭০ জন বিজেপি কর্মী। অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) লাভপুরে।

    কী ঘটেছে (Birbhum)  বীরভূমে

    জানা গিয়েছে, শনিবার গ্রাম পঞ্চায়েত এবং সমিতির মোট ৭০ জন বিজেপি কর্মী মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছিলেন লাভপুরের (Birbhum) ব্লক অফিসে। লাভপুর বাস স্ট্যান্ডে বাস থেকে নেমে ব্লকের দিকে যাচ্ছিলেন তাঁরা, ঠিক এমন সময় ব্লক অফিসে ঢোকার আগেই পেট্রোল পাম্পের কাছে, প্রায় ৩০ টি মোটর বাইকে ৬০ জন দুষ্কৃতী হাতে মোটা লাঠি নিয়ে আচমকা মারধর শুরু করে। উল্লেখ্য ঘটনা স্থলের পাশেই পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল, কিন্তু পুলিশ ছিল কেবল দর্শকের ভূমিকায়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বেধড়ক মারে লাভপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি কর্মী সোমনাথ মুখোপাধ্যায়ের ডান হাত এবং জামনা পঞ্চায়েতের মহাদেব মণ্ডলের বাঁ পা ভেঙে যায়। নির্বাচনে মনোনয়ন না করতে দিয়ে তৃণমূল কার্যত বিরোধী মতকে কণ্ঠরোধ করতে চায় বলে জানায় বিজেপি।

    কী অভিযোগ?

    স্থানীয় (Birbhum) বিজেপি নেতা বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, তৃণমূল বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ এবং তৃণমূল নেতা মান্নান হোসেনের নেতৃত্বে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। আহত বিজেপি কর্মীদের বোলপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    মনোনয়ন পত্র জমাকে ঘিরে বিরোধীদের অভিযোগ

    পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে জেলায় জেলায় উত্তেজনা শুরু হয়ে গেছে প্রথম দিন থেকেই। গতকাল নন্দীগ্রামের বিষ্ণুপুর ১ নম্বর ব্লকে বেশ কিছু বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা করতে পারেননি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে গতকাল নির্বাচনের বিশেষ প্রস্তুতির কিছুই ছিল না বলে বিরোধীদের অভিযোগ ছিল। আজ মনোনয়নের দ্বিতীয় দিন শনিবার সকাল থেকেই ডোমকলে কংগ্রেস-সিপিএম প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়াকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে। শাসক তৃণমূল, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে এই মনোনয়নে বাধা বলে মনে করছেন রাজনীতিবিদদের একাংশ। রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিরাপত্তার বিষয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সিভিককে উর্দি পরিয়ে পুলিশ করার ছক রাজ্যের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: সিভিককে উর্দি পরিয়ে পুলিশ করার ছক রাজ্যের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিভিক ভলান্টিয়ারদের পুলিশের পোশাক পরিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুটের পরিকল্পনা করছে তৃণমূল সরকার। এমনই গুরুতর অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পঞ্চায়েত ভোটে সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজে লাগাতে স্বরাষ্ট্র দফতরের পরিকল্পনা ফাঁস করলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল যেসব জায়গায় জমি হারিয়েছে সেই সব স্পর্শকাতর জেলায় প্রশাসন দ্বিমুখী কৌশল নিচ্ছে। ভোটের সময় বিরোধীদের উপর চাপ তৈরিতেই এই পদক্ষেপ। 

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    ট্যুইটারে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘সূত্র মারফৎ জানতে পেরেছি, রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর সিভিক ভলিন্টিয়ারদের পুলিশের পোশাক পরিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কাজে লাগাতে চাইছে। আসলে যেখানে যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস হারবে বুঝতে পারছে, সেখানে ওই সিভিক ভলিন্টিয়ারদের ব্যবহার করা হবে। যাতে সহজে ওরা ভোট লুঠ করতে পারে। আমার কাছে খবর রয়েছে, যে সব জেলা উত্তেজনা প্রবণ, যেমন জলপাইগুড়ি, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, বীরভূমে সিভিক ভলিন্টিয়ারদের শিখণ্ডি করে ভোট লুঠের চেষ্টা করবে শাসক দল। তবে আমরা সেটা হতে দেব না। সব কিছুর উপর নজর রাখা হচেছ।’

    আরও পড়ুন: ‘মনোনয়নের সময়সীমা পর্যাপ্ত নয়, পুনর্বিবেচনা করা হোক’, পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

    ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্ট পঞ্চায়েত মামলার শুনানিতে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, ‘একদিনে নির্বাচন পরিচালনা করতে দরকার বিপুল পুলিশ কর্মী। কিন্তু তা নেই রাজ্যে। তাই সেই অভাব ঢাকতেই ঘুর পথে হাইকোটের্র পর্যবেক্ষণকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে স্বরাষ্ট্র দফতর পুলিশের পোশাক পরিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারদের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যবহার করতে চাইছে। কিন্তু আমরা এত সহজে সেটা হতে দেব না। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ডাটা বেস আমাদের কাছে রয়েছে। আমরা পুরো বিষয়টির উপর নজর রাখছি। যদি কোনও অন্যায় কাজ করা হয়, তাহলে ইটের বদলে পাটকেল পাবে রাজ্য সরকার। আমরা সব তথ্য সংগ্রহ করছি। প্রয়োজনে তা হাইকোর্টে জমা দেওয়া হবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majundar: ‘‘সন্ধেবেলায় বললে সিরিয়াসলি নেবেন না’’! মদনকে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর, কিন্তু কেন?

    Sukanta Majundar: ‘‘সন্ধেবেলায় বললে সিরিয়াসলি নেবেন না’’! মদনকে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর, কিন্তু কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশনে আগের দিন দায়িত্ব পেয়েই পরের দিন পঞ্চায়েত ভোটের ঘোষণা, আর ঠিক তার পরের দিন থেকেই নমিনেশন। অন্যদিকে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গিয়ে রাজনৈতিক দলের কর্মীরা পাচ্ছেন না ফর্ম। বিডিও বলছেন, আমরা এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত হতে পারেনি। তাই যদি হয়, তাহলে কেন এতো তাড়াতাড়ি ভোট ঘোষণা? প্রশ্ন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের।

    কোথায় বলেন বিজেপি (BJP) নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    হুগলির পুরশুড়ার চিলাডিঙ্গি এলাকায় একটি জনসভায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি যোগ দিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং তৃণমূল নেতাদের তীব্র সমালোচনা করেন। সেই সঙ্গে কিছু প্রশ্নও তোলেন তিনি। পাশাপাশি তিনি নাম না করে বলেন – শুধু মাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) বাঁচানোর জন্য বিশেষ কৌশল! নাকি বিজেপির সভা বন্ধ করার জন্য এতো তাড়াতাড়ি করে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা? সভা থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে দলদাস বলে কটাক্ষ করেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    সাংবাদিকদের প্রশ্ন উত্তরে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    এইদিন হুগলির খানাকুলেও আরও একটি জনসভা করেন বিজেপির (BJP) এই নেতা। খানাকুলে বিজেপির এই জনসভায় সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি সরাসরি কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ সরগরম করে দিয়েছে। প্রশ্ন-উত্তর গুলি হল,

    প্রশ্ন – মনোনয়নের পয়লা দিনেই বিরোধীশূন্য করার হুশিয়ারি মদন মিত্রের (Madan Mitra)।

    উত্তর – মদন দার বয়স হয়ে গেছে এখন, সন্ধ্যেবেলা বলেছেন না সকালে বলেছেন, সেটা আগে জানতে হবে, তার উপর নির্ভর করবে; সন্ধ্যাবেলা বললে সিরিয়াসলি নেবেন না।

    প্রশ্ন – মাঠে বিরোধী কোনও খেলোয়াড় নেই, তাই তিনি খেলতে পারবেন না, সেই কারণে মনমরা হয়ে যাচ্ছে, বলছেন মদন মিত্র।

    উত্তর – বাঁকুড়া সহ বিভিন্ন জেলাতে ডিসিয়ার তোলার জন্য সব থেকে ভীড় বিজেপি কর্মীদেরই ছিল।

    প্রশ্ন – টুকটাক অশান্তি না হলে হয়, আগে সিপিএমের আমলে বোমা ছিলো আর এখন আমাদের আমলেও আছে।

    উত্তর – আমরা তো সেটাই বলছি সিপিএম আর তৃণমূলের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই।

    প্রশ্ন – ১০০ শতাংশ ভোট না মেরে দিলে হয়? ইঙ্গিতে ছাপ্পা ভোটের কথাই বলা হচ্ছে।

    উত্তর – ওনার দল কী করতে পারে, উনি সেটা ভালো জানেন, যখন তাঁকে সামান্য মুখ খুলার পর বলতে হয়, যা করার আমার সাথেই করুক আমার পরিবারের প্রতি প্রতিহিংসা মূলক কাজ করবেন না। এর থেকেই প্রমাণ তৃণমূল প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে কী কী করতে পারে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share