Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Panchayat Poll 2023: ‘সর্বদল বৈঠক না ডেকেই ভোট ঘোষণা’! রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে তোপ সুকান্ত-শুভেন্দুর

    Panchayat Poll 2023: ‘সর্বদল বৈঠক না ডেকেই ভোট ঘোষণা’! রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে তোপ সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Poll 2023) একতরফা ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, দাবি বিজেপির। আগামী ৮ জুলাই রাজ্যে এক দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। ১১ জুলাই গণনা। বৃহস্পতিবার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিন্‌‌হা। সর্বদল বৈঠক না করেই কেন হঠাৎ পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা করা হল, এই নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘আমরা এর নিন্দা করছি, প্রয়োজনে আমরা কোর্টে যাব’। ‘সর্বদলীয় বৈঠক না ডেকেই ভোট ঘোষণা, বাংলায় গণতন্ত্রের হত্যা’, ট্য়ুইটারে কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সরব বিরোধীরা

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Poll 2023) তারিখ নিয়ে দীর্ঘ জল্পনা চলছিল রাজ্যে। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা করেছেন নবনিযুক্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি জানিয়েছেন, ৯ জুন থেকে মনোনয়ন জমা শুরু। ১৫ জুন মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ১৭ তারিখ স্ক্রুটিনির শেষ দিন। মনোনয়ন প্রত্যাহার করার জন্য ২০ জুন পর্যন্ত সময় পাবেন পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থীরা। এরপরই সরব হন বিরোধীরা। সর্বদল বৈঠক না ডেকে কীভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। 

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    ট্যুইটে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী লিখলেন, ‘এই প্রথম একতরফাভাবে ভোট ঘোষণা করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, উদ্দেশ্য স্পষ্ট। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Poll 2023) কারও প্রাণ গেলে দায়ী থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী এবং কমিশনার।’

    অমিত মালব্যও ট্যুইট করে আক্রমণ শানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘৫দিনে ৭৪ হাজার মনোনয়ন! শুরু হয়ে গেল রিগিং। বিরোধীদের মনোনয়নের পেশ না করার জন্য চেষ্টা। কেন ভোট দেখাতে চাইছেন, ফল ঘোষণা করলেই তো হয়!’ 

    আরও পড়ুন: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন ৮ জুলাই, জারি আদর্শ আচরণ বিধি

    আদালতের পথে, দাবি সুকান্তর

    বিজেপি সূত্রে খবর, ভোটের (Panchayat Poll 2023) নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই জেলা এবং বিভাগীয় স্তরের নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ওই বৈঠকে থাকার কথা ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরও। কিন্তু অন্য কর্মসূচি থাকায় ওই বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি শুভেন্দু। তবে পরে শুভেন্দুর সঙ্গেও কথা হয়েছে সুকান্তের। আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে এক মত হয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেছেন, ‘‘আমরা চাই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিয়ে ভোট হোক। শান্তিপূর্ণ ভোট, রক্তপাতহীন ভোট চাই। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য আরও বেশি সময় দেওয়া দরকার। এটা ঠিক হয়নি। তাই আমরা আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন রাজ্য বিজেপি নেতারা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Abhishek Banerjee: স্ত্রীর পর এবার স্বামী, মঙ্গলে অভিষেককে তলব ইডির

    Abhishek Banerjee: স্ত্রীর পর এবার স্বামী, মঙ্গলে অভিষেককে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারই ইডি (ED) তলব করেছিল তৃণমূলের (TMC) সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) স্ত্রী রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেখানে ঘণ্টা চারেক ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। এর পরে পরেই ইডি সমন পাঠিয়েছে খোদ অভিষেককে। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় তলব করা হয়েছে তাঁকে। মঙ্গলবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলা হয়েছে অভিষেককে। ওই দিন সকাল সাড়ে ১১টায় হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁকে। বর্তমানে নবজোয়ার যাত্রা কর্মসূচি উপলক্ষে নদিয়ায় রয়েছেন তৃণমূল নেত্রীর ভাইপো। মঙ্গলবারও তাঁর সেখানেই থাকার কথা। তবে ইডির সমনে সাড়া দিতে হলে কর্মসূচি স্থগিত করেই কলকাতায় ফিরতে হবে তৃণমূলের যুবনেতাকে।

    অভিষেককে (Abhishek Banerjee) জেরা

    স্কুলে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় ইডি এবং সিবিআই অভিষেককে জেরা করতে পারবে বলে জানিয়ে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইডি সূত্রে খবর, কুন্তলের চিঠি ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূ্র্ণ তথ্য নিয়ে অভিষেককে (Abhishek Banerjee) জেরা করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    এদিকে, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকেও। এক সময় অভিষেকের একটি অফিসে কাজ করতেন তিনি। অভিষেককে সাহেব বলে সম্বোধন করেন। এহেন সুজয় রয়েছেন ইডি হেফাজতে। ১৪ জুন তাঁর ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার ঠিক আগের দিনই সিজিওতে তলব করা হয়েছে অভিষেককে।

    হাজিরা রুজিরার

    প্রসঙ্গত, কয়লা কেলেঙ্কারিকাণ্ডে এদিনই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন রুজিরা। বেলা ১২টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন অভিষেক-পত্নী। রুজিরা আসার ঢের আগে থেকেই প্রায় তিন পাতার প্রশ্নমালা নিয়ে হাজির ছিলেন ইডির আধিকারিকরা। তিনি উপস্থিত হওয়া মাত্রই শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব। ঘণ্টা চারেক ধরে জেরা করা হয় তাঁকে। প্রশ্ন করা হয় তাঁর দুবাই যাত্রা নিয়েও। এদিন রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছিলেন ইডির পদস্থ আধিকারিক পঙ্কজ কুমার। দুবাই যাওয়ার পথে সোমবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে আটকানো হয় রুজিরাকে। তার পরেই তাঁকে তলব করা হয় ইডি দফতরে। পত্নীর পর এবার ইডির তলব পেলেন অভিষেকও (Abhishek Banerjee)।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন ৮ জুলাই, জারি আদর্শ আচরণ বিধি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Rujira Banerjee : সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর ইডি দফতর ছেড়ে বাড়ির পথে অভিষেক-পত্নী রুজিরা

    Rujira Banerjee : সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর ইডি দফতর ছেড়ে বাড়ির পথে অভিষেক-পত্নী রুজিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ে চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডির অফিস থেকে বের হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rujira Banerjee)। দীর্ঘক্ষণ একাধিক বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রুজিরাকে (Rujira Banerjee) জিজ্ঞাসাবাদ করতে দিল্লি থেকে ইডির আধিকারিকেরা সিজিও কমপ্লেক্সে এসেছিলেন। রুজিরার জন্য তৈরি ছিল তিন পাতার প্রশ্নমালা।

    তিন পাতার প্রশ্নমালা

    বৃহস্পতিবার সকালে ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয় রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rujira Banerjee)। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে পৌঁছেছিলেন তিনি। প্রায় তিন পাতার প্রশ্নমালা নিয়ে হাজির ছিলেন ইডি আধিকারিকরা। একাধিক বাছা বাছা প্রশ্ন নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ওএমআর শিট নিয়ে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

    ইডি সূত্রে খবর, তাঁর দুবাই যাত্রা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। বিকেল প্রায় সাড়ে চারটে নাগাদ ইডি দফতর থেকে বের হন রুজিরা (Rujira Banerjee)। তবে বেরোনোর সময় তিনি কোনও মন্তব্য করেননি। যে ভাবে গাড়ি নিয়ে ঢুকেছিলেন বেলায়, সেই ভাবেই বেরিয়ে গেলেন বিকেলে। জানা যায়, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দিল্লি থেকে পঙ্কজ কুমার নামে এক উচ্চ পদস্থ ইডি আধিকারিক কলকাতায় উড়ে আসেন।

    কড়া নিরাপত্তা

    এদিন সকাল থেকেই কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল সিজিও কমপ্লেক্স। ইডির দফতরে প্রবেশাধিকারে একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সিজিও কমপ্লেক্স ইডির দফতরের বাইরে বিধাননগর থানার পুলিশ মোতায়েন করে রাখা হয়। ব্যারিকেড দিয়েও ঘিরে রাখা হয় পুরো চত্বর। উল্লেখ্য, গত সোমবার কলকাতা বিমানবন্দরে আটকানো হয়েছিল রুজিরাকে। দুবাইয়ের বিমান ধরার জন্য ওই দিন সকাল ৭টা নাগাদ দুই সন্তানকে নিয়ে কলকাতার বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিমান ধরার আগেই অভিবাসন দফতরের কর্মীরা ‘বাধা’ দেন রুজিরাকে (Rujira Banerjee)। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর বিমানবন্দর ছেড়ে বেরিয়ে যান অভিষেক-পত্নী। রুজিরাকে আটকানোর পরেই বৃহস্পতিবার তাঁকে ইডি দফতরে হাজির হওয়ার জন্য ডাকা হয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Calcutta High Court: পুর-নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে সিবিআই তদন্ত নিয়ে এখনই হস্তক্ষেপ নয়, সাফ জানাল আদালত

    Calcutta High Court: পুর-নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে সিবিআই তদন্ত নিয়ে এখনই হস্তক্ষেপ নয়, সাফ জানাল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মুখ পুড়ল রাজ্যের। পুর-নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে সিবিআই (CBI) তদন্ত নিয়ে এখনই কোনও হস্তক্ষেপ নয়। সাফ জানিয়ে দিল আদালত। রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে মামলার তথ্য লুকিয়েছে রাজ্য। এমন আচরণ রাজ্যের কাছে বরদাস্ত নয়।”

    সুপ্রিম কোর্টে এসএলপি দাখিল

    পুর-নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর ডিভিশন বেঞ্চের (অবসরকালীন) নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে এসএলপি দাখিল করেছে রাজ্য। জুলাই মাসে শুনানি রয়েছে ওই মামলার। জানা গিয়েছে, দেশের শীর্ষ আদালতে এসএলপিতে তথ্য লুকিয়েছে রাজ্য। রাজ্যের এমন আচরণ বরদাস্ত নয় বলেই মন্তব্য করেন হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী।

    কী বললেন বিচারপতি চক্রবর্তী?

    বৃহস্পতিবার রাজ্যের আবেদনের শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে (Calcutta High Court)। বিচারপতি চক্রবর্তী বলেন, “এখন অয়ন শীলের ঘটনায় পুর-নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক নিয়োগের ওএমআর এবং পুরসভায় নিয়োগের ওএমআর অয়ন শীলের সংস্থা থেকেই গিয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। তাহলে, এই দুর্নীতি কি একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়? এই দুই দুর্নীতির তদন্ত কি একত্রে হওয়া উচিত নয়? এই পরিস্থিতিতে এই দুই দুর্নীতিকে কি আদৌ আলাদা করা সম্ভব? এই দুই দুর্নীতিকে যদি আলাদা আলাদা জায়গায় দাঁড় করাতে হয় তাহলে সেটা কীভাবে সম্ভব হবে? যদি আলাদা করা সম্ভব হয় তখনই এই প্রশ্ন উঠতে পারে যে তাহলে পুর-নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত কে করবে? রাজ্য না সিবিআই?”

    আরও পড়ুুন: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন ৮ জুলাই, জারি আদর্শ আচরণ বিধি

    ১৯ মার্চ ইডির হাতে গ্রেফতার হন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অয়ন শীল। তার পর দু দিন ধরে অয়নের চূঁচুড়ার বাড়ি ও সল্টলেকের অফিস, ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় ইডি। উদ্ধার হয় পুর-নিয়োগের ওএমআর শিট। সেই তথ্য আদালতে পেশ করে ইডি। ওই মামলার শুনানি চলছিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চে। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন তিনি। সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। পরে মামলা যায় হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখেন বিচারপতি সিনহাও। এর পর ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য সরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Panchayat Election 2023: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন ৮ জুলাই, জারি আদর্শ আচরণ বিধি

    Panchayat Election 2023: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন ৮ জুলাই, জারি আদর্শ আচরণ বিধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) হবে ৮ জুলাই। ভোট হবে এক দফায়। বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করলেন রাজ্যের নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। তিনি বলেন, “দার্জিলিং ও কালিম্পঙে দ্বিস্তর ও বাকি রাজ্যে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ৮ জুলাই, শনিবার। মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া শুরু হবে শুক্রবার, ৯ জুন থেকেই।” তিনি জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে চালু হয়ে যাচ্ছে নির্বাচনী আচরণবিধি। তাই রাত ১০টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত মিটিং-মিছিল করা যাবে না।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট (Panchayat Election 2023)

    জানা গিয়েছে, ১৫ জুন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন (Panchayat Election 2023)। ১৭ তারিখ শেষ দিন স্ক্রুটিনির। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার জন্য প্রার্থীরা সময় পাবেন ২০ জুন পর্যন্ত। তবে ভোট গণনা বা ফল ঘোষণা কবে হবে, সে ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। গত বারের মতো এবারও এক দফায় হবে রাজ্যের ২২টি জেলার পঞ্চায়েত নির্বাচন।

    নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়

    রাজ্যে গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে ৩ হাজার ৩১৭টি। নির্বাচন কেন্দ্র রয়েছে ৫৮ হাজার ৫৯৪টি। পঞ্চায়েতের মোট আসন ৬৩ হাজার ২৮৩টি। নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য নেওয়া প্রসঙ্গে নয়া কমিশনার বলেন, “রাজ্য পুলিশের ওপর আস্থা রাখা উচিত। সরকারি কর্মচারীরা আমাদের সহকর্মী। আমাদের ওপর আস্থা রাখতে বলব।” তিনি বলেন, “গতকাল (বুধবার) থেকে এই পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) নিয়ে ঘনঘন আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হয়েছে। কেউ যেন মনে না করেন, হঠাৎ করে কাগজ হাতে নিয়ে এখানে এসে তারিখ ঘোষণা করছি। প্রয়োজন হলে আগামিদিনে সর্বদলীয় বৈঠক করা হবে।”

    আরও পড়ুুন: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ থোড়াই কেয়ার! বালি পাচারে অভিযুক্ত খোদ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    শেষমেশ পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ায় খুশ বিরোধীরা। বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমরা চাইছিলাম ভোট ঠিক সময়ে হোক। তার জন্য বিজেপি প্রস্তুত আছে। ভোট না হলে কেন্দ্রের টাকা আসবে না, উন্নয়ন হবে না, মানুষ বঞ্চিত হবে।” জুলাই মাস মানে ভরা বর্ষা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বর্ষায় ভোট হলে ভোটকর্মীদের পাশাপাশি সমস্যা হতে পারে ভোটারদেরও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam : একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ওএমআর শিট নিয়ে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

    SSC Scam : একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ওএমআর শিট নিয়ে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে (SSC Scam) ওএমআর সংক্রান্ত কারচুপি-তে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। ২৮ জুনের মধ্যে পেশ করতে হবে রিপোর্ট, এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। 

    ওএমআর নিয়ে বিশদ তথ্য

    বৃহস্পতিবার সিবিআই-কে ৯০৭ ওএমআর (SSC Scam) কারচুপি তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেন বিচারপতি। এর আগে নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগেও ওমএমআর শিটে-দুর্নীতির বিষয়টি আদালতের নজরে এনেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। হাতে আসা তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারীদের দাবি, নবম ও দশমের ৯৫২টি, একাদশ ও দ্বাদশের ৯০৭টি ওমএরআর শিটে গরমিল রয়েছে। স্কুল সার্ভিস দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে একের পর এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। এর আগে গাজিয়াবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল নীলাদ্রি দাস নামে এক ব্যক্তিকে। নিলাদ্রি যে সংস্থার আধিকারিক সেই সংস্থা নাইসার হাতেই ছিল এসএসসি পরীক্ষার ওএমআর শিট তৈরির দায়িত্ব। গাজিয়াবাদ ও দিল্লির অক্ষরধামে সেই সংস্থার অফিসে তল্লাশি চালিয়ে ওএমআর বিকৃতির ব্যাপারে একাধিক তথ্য এসেছে সিবিআইয়ের হাতে।

    আরও পড়ুন: বন সহায়ক পদে নতুন করে ইন্টারভিউয়ের নির্দেশে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    তদন্তে অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন

    এর আগে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত (SSC Scam) একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু বলেছিলেন, “দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড়া হবে না।” প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির পাশাপাশি একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির ওএমআর-এর ক্ষেত্রেও কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। এবার এই সংক্রান্ত মামলায় বৃহস্পতিবার উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তিনি বলেন, “৯০৭ ওএমআর কারচুপি’র ধরণ কী? এই ওএমআর প্রকাশিত করা যায়নি কেন?” তাঁর আরও সংযোজন, “এই ওএমআর প্রকাশিত করা গেলে কবে যাবে, তা বিস্তারিত জানাতে হবে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।” একইসঙ্গে ২৮ জুনের মধ্যে সিবিআইকে ৯০৭ ওএমআর কারচুপির তদন্তে অগ্রগতির রিপোর্ট পেশ করারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Malda: তৃণমূল নেতার রহস্যজনক মৃত্যু, চার তৃণমূল নেতার নামে পুলিশে অভিযোগ

    Malda: তৃণমূল নেতার রহস্যজনক মৃত্যু, চার তৃণমূল নেতার নামে পুলিশে অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হবিবপুর (Malda) ব্লকের তৃণমূলের অঞ্চল চেয়ারম্যানের রহস্যজনক মৃত্যুতে চার তৃণমূল নেতার নামে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানায় পরিবার। মৃতের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে মৃতদেহ নিয়ে এলাকায় গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা মালদার  ঋষিপুর কালীতলা এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    মালদায় (Malda) কী হয়েছিল?

    ১১ দিনের লড়াই শেষ। কলকাতার একটি হাসপাতালে মৃত্যু হল মালদার হবিবপুর ব্লকের ঋষিপুর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান শিবানন্দ শর্মার। আজ বৃহস্পতিবার নিথর মৃতদেহ গ্রামে ফিরতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রথমিক ভাবে বলা হয়, পথ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন শিবানন্দ। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পনা করে তাঁকে খুন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই ঘটনার পর আহত ওই তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে প্রথমে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং তারপরে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এবং এরপর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে।

    পরিবারের বিক্ষোভ

    জানা যায়, বুধবার ময়না তদন্তের পর বৃহস্পতিবার তৃণমূল নেতার দেহ গ্রামে (Malda) ফিরতেই পরিবারের লোকজন এবং গ্রামবাসী বাড়িতে মৃতদেহ রেখে এলাকায় বিক্ষোভ করতে থাকে। এরপর বিক্ষোভের ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হবিবপুর থানার পুলিশ। খবর পেয়ে পৌছায় তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রহিম বক্সি। জেলা সভাপতিকে পেয়ে, তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে এলাবাসী। জেলা সভাপতি সেই পরিবারের পাশে  থাকার বার্তা দেন এবং সঠিক ভাবে তদন্ত করা হবে বলে আশ্বাস দিলে, তবেই মৃতদেহ বাড়ি থেকে বের করা হয় বলে জানা যায়।

    পরিবারের বক্তব্য

    পরিবারের মধ্যে শিবানন্দের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামীকে বাড়ি (Malda) থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তৃণমূলের লোকেরাই খুন করেছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই। আরও বলেন, প্রশাসনকে সঠিক ভাবে তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। স্বামীর অবর্তমানে আমার এই ছোট ছোট ছেলে মেয়েকে নিয়ে সংসার চালাবো কী কিরে? এই প্রশ্নও রাখেন প্রশাসনের সামনে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bana Sahayak Recruitment: বন সহায়ক পদে নতুন করে ইন্টারভিউয়ের নির্দেশে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    Bana Sahayak Recruitment: বন সহায়ক পদে নতুন করে ইন্টারভিউয়ের নির্দেশে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন সহায়ক পদে (Bana Sahayak Recruitment) নতুন করে নিয়োগ নিয়ে রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার এজলাসে শুনানির পর একক বেঞ্চের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। ৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিতাদেশ জারি করা হয়। এর ফলে বন সহায়ক পদে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনই শুরু করতে পারবে না রাজ্য। পাশাপাশি, দু’হাজার অস্থায়ী কর্মীর প্যানেল বাতিলের যে নির্দেশ সিঙ্গল বেঞ্চ দিয়েছিল, আপাতত তার উপরেও স্থগিতাদেশ থাকবে বলে জানিয়েছে উচ্চ আদালত।

    বন সহায়ক পদে এখনই নিয়োগ নয়

    উল্লেখ্য, রাজ্যে বন বিভাগে কর্মী নিয়োগেও (Bana Sahayak Recruitment) দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চের পর্যবেক্ষণে নিয়োগ প্রক্রিয়ার গলদ ধরা পড়ে। তিনি নির্দেশ দেন, দু’মাসের মধ্যে পুরনো প্যানেল বাতিল করে নতুন প্যানেল তৈরি করতে হবে। সেই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। বনসহায়ক পদে আবেদনের শেষ দিন ছিল ২৯ মে। গত ১৯ তারিখ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ভিএম ভেলুমণি এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, বন সহায়ক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর যে বিজ্ঞপ্তি রাজ্যের তরফে প্রকাশ করা হয়েছিল, তাতে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ থাকবে। 

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামের মিছিলে ‘না’ পুলিশের, হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    দু’হাজার জনের পুরনো প্যানেল বাতিল করে নতুন প্যানেল গঠন এবং তার মাধ্যমে পুরনো নিয়োগ প্রক্রিয়া আবার শুরু করার যে নির্দেশ বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে বিচারপতি বিবেক চৌধুরী এবং বিচারপতি বিশ্বরূপ চৌধুরীর অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চে মামলা হয়। প্যানেলে থাকা ৫০ জন এই মামলা করেন। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টেবর মাসে বনসহায়ক পদে নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ হয়। দু’হাজার শূন্যপদ ছিল, চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ হয়। মাসিক ভাতা ১০ হাজার টাকা। সহায়করা মূলত ফরেস্ট গার্ডদের মতোই বনসুরক্ষার কাজ করবেন। এমনটাই ঠিক করেছিলেন রাজ্যের বনকর্তারা। বিরোধীরা প্রথম থেকেই অভিযোগ তোলেন, কিছু লোককে চাকরি পাইয়ে দিতেই এই পদ তৈরি করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Kaliaganj: “সিবিআই তদন্ত দিলে ভালো হবে?’’ কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Kaliaganj: “সিবিআই তদন্ত দিলে ভালো হবে?’’ কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে (Kaliaganj) রাজ্যের ভূমিকায় খুশি নন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এদিন হাইকোর্টে বিচারপতির চরম ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় রাজ্যকে। প্রসঙ্গত, কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা খুনের ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে সিট। ঘটনাক্রমে, এই সিট গঠন করেছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নিজেই। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কালিয়াগঞ্জে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে সেখানকার পরিস্থিতি। প্রতিবেশীরা অভিযোগ তোলেন, ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। সেই মামলাতেই পুলিশকর্তা পঙ্কজ দত্ত, উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস এবং পুলিশ আধিকারিক দময়ন্তী সেনকে সদস্য হিসেবে রেখে সিট গঠন করেছিলেন রাজাশেখর মান্থা।

    তীব্র ভর্ৎসনার মুখে রাজ্য! তদন্তে (Kaliaganj) অসহযোগিতার অভিযোগ

    বিচারপতি মান্থা এদিন বলেন, ‘‘সিটকে পুলিশ সাহায্য করছে না বলে অভিযোগ উঠছে। তাহলে বলতেই হচ্ছে, রাজ্য নিজেই নিজের বিপদ ডেকে আনছে। সিট যাতে কাজ করতে না পারে, সেই চেষ্টা করছে রাজ্য। এবার কি সিবিআইকে তদন্তভার দিলে ভালো হবে?’’ তাঁর আরও সংযোজন, পুলিশ সিটকে সাহায্য করছে না (Kaliaganj)। আর পুলিশ কিছুই জানে না, এটা কি হতে পারে?’’ এরপরেই তিনি নির্দেশ দেন, রাজ্য পুলিশ কেন হাইকোর্টের নির্দেশ মানেনি, তা এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে স্বরাষ্ট্র দফতরকে।

    সিটের সদস্যই সিবিআই-এর পক্ষে সওয়াল করছেন

    বিশেষ তদন্তকারী দলের অন্যতম সদস্য হলেন উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস। তিনিও রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন ইতিমধ্যেই। সিটের পক্ষ থেকে প্রাথমিক রিপোর্টও (Kaliaganj) আদালতে (Calcutta High Court) জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। উপেন বিশ্বাস প্রাক্তন সিবিআই কর্তা। তিনি বলেন, ‘‘সব তথ্যের স্ক্রুটিনি করা হয়েছে। আমাদের কেউ সাহায্য করেনি। যদি ওই পরিবার ও রাজ্যবাসীর বিশ্বাস ফেরাতে হয়, তাহলে রাজ্য পুলিশের উপর নির্ভর করলে হবে না। সিবিআই-কে ছাড়া এই তদন্ত সম্ভব নয়।’’

    আরও পড়ুুন: নন্দীগ্রামের মিছিলে ‘না’ পুলিশের, হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Saugata Roy: “শুভেন্দুকে চটি দিয়ে মারতাম”, তৃণমূলের সৌগতর মন্তব্যে স্তম্ভিত রাজ্য

    Saugata Roy: “শুভেন্দুকে চটি দিয়ে মারতাম”, তৃণমূলের সৌগতর মন্তব্যে স্তম্ভিত রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি প্রবীণ রাজনীতিবিদ। প্রাক্তন অধ্যাপক। বর্তমানে তৃণমূলের (TMC) সাংসদ। তবে সম্প্রতি দলীয় নেতৃত্বকে খুশি করতে গিয়ে কুকথার ছররা ছড়াচ্ছেন তৃণমূলের সৌগত রায় (Saugata Roy)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) চটি পেটা করতেন বলে প্রকাশ্য সভায় জানিয়ে দিলেন তিনি। একজন শিক্ষকের মুখের এহেন ভাষায় স্তম্ভিত রাজ্যের শিক্ষককুল।

    সৌগতর (Saugata Roy) কুবাক্য

    বুধবার বরাহনগরে সভা হচ্ছিল তৃণমূলের। সভার পোশাকি নাম নবজোয়ার যাত্রার প্রস্তুতি সভা। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের মতো নেতারা। এমন সময় ভাষণ দিতে উঠলেন সৌগত। তিনি প্রথমেই নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। প্রবীণ রাজনীতিবিদ বলেন, “শুভেন্দু বলছেন, করমণ্ডল দুর্ঘটনার পিছনে তৃণমূল! ওঁর কি মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে? কোথায় বালেশ্বর, অন্য রাজ্যে গিয়ে তৃণমূল অন্তর্ঘাত করবে?” এর পরেই সৌগত (Saugata Roy) বলেন, “বয়স কম হলে শুভেন্দুকে চটি দিয়ে মারতাম।” প্রবীণ রাজনীতিবিদের মুখে এহেন কুবাক্য শোনার পরেও মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল নেতারা ছিলেন নির্বিকার।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে বিজেপি। পদ্ম-নেতা রাহুল সিনহা বলেন, একজন অধ্যাপকের মুখের ভাষা শুনলে লজ্জা লাগে। আসলে তৃণমূলের পচা পুকুরে নামলে এসব কুকথা বলাই অভ্যাসে পরিণত হয়। শুক্রবার বালেশ্বরের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। মৃত্যু হয়েছে ২৮০ জনেরও বেশি যাত্রীর। জখম হয়েছেন হাজারেরও বেশি। যাঁরা মারা গিয়েছেন কিংবা জখম হয়েছেন, তাঁদের বেশিরভাগই বাংলার। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। দুর্ঘটনার কারণ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেছিলেন, “বালেশ্বরে রেল দুর্ঘটনার পিছনে রয়েছে তৃণমূল। তাই সিবিআই তদন্তে ভয় পাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল।” এই প্রসঙ্গেই শুভেন্দুর প্রতি কুবাক্য-বাণ নিক্ষেপ করেন সৌগত।

    আরও পড়ুুন: নন্দীগ্রামের মিছিলে ‘না’ পুলিশের, হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    এক প্রবীণ রাজনীতিবিদের (Saugata Roy) মুখের ভাষা যে এমন হতে পারে, তা কল্পনাও করতে পারছেন না রাজনীতির কারবারিরা। প্রত্যাশিতভাবেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়েছে তৃণমূল। দলের সহ সভাপতি দলবদলু জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “সৌগতবাবু হয়তো উত্তেজনার বশে বলে ফেলেছেন। বহুদলীয় গণতন্ত্রে তৃণমূল এ ধরনের মন্তব্যকে সমর্থন করে না। হিংসার পথে চলে না তৃণমূল।”

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে বোমা বিস্ফোরণের কারণ হিসেবে সৌগত (Saugata Roy) বলেছিলেন, “এই গরমে পটাশিয়াম ক্লোরেট ও আর্সেনিক ট্রাইসালফাইড বাইরে রাখলে তা বিস্ফোরণ হতেই পারে। রাজ্যে ৩৮ হাজার গ্রাম রয়েছে। কোথায় বোমা রয়েছে, সেটা পুলিশের পক্ষ জানা সম্ভব নয়।” প্রাক্তন অধ্যাপকের এহেন মন্তব্যেও অস্বস্তিতে পড়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

LinkedIn
Share