Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Abhishek Banerjee: অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক

    Abhishek Banerjee: অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও কুন্তল ঘোষ। আগামিকাল জরুরি শুনানির আর্জি জানালেন অভিষেক। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। কিন্তু, দ্রুত শুনানির আর্জি মঞ্জুর করেনি আদালত।

    অভিষেকের আর্জি

    নিয়োগ মামলায় ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি প্রসঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) ইডি এবং সিবিআই জেরা করতে পারবে বলে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হা। একক বেঞ্চের সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন অভিষেক। নিয়োগ মামলায় অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষও বিচারপতি সিন্‌হার একক বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হয়েছেন। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম বলেন, তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন। কিন্তু এখনই দ্রুত শুনানির আর্জি মঞ্জুর করা যাচ্ছে না। তবে শুক্রবার শুনানি হতে পারে।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে রায়

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নাম বলতে চাপ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই মর্মে অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতে একটি চিঠি দিয়েছিলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষ। সেই মামলা হাইকোর্টে গড়ালে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বেঞ্চ বদল হলেও রায় বহাল থাকে।

    আরও পড়ুন: ‘‘বাংলা সরকার অসহিষ্ণু’’! ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র উপর নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    এই মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহা আগেই প্রশ্ন করেছিলেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) তদন্তে সহযোগিতা করতে সমস্যা কোথায়? তাঁর বক্তব্য ছিল, যে কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পারে তদন্তকারী সংস্থা। এতে কোনও অসুবিধা থাকার কথা নয়। অভিষেকের আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি আরও বলেছিলেন, ‘তদন্তের সময় একাধিক ব্যক্তির নাম আসতেই পারে। এতে একজনের নাম এলে তিনি সহযোগিতা কেন করবেন না? একটু বেশি আশঙ্কায় ভুগছেন?’ এবার অমৃতা সিনহারও রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক। এখন ডিভিশন বেঞ্চ কী রায় দেবে তার দিকে তাকিয়ে অভিষেক।

    তদন্তে ভয় পাচ্ছেন অভিষেক? প্রশ্ন বিরোধীদের

    এদিন বাঁকুড়ার সভা থেকে অভিষেক জানান, তিনি তদন্তে ভয় পান না। সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। বলেছেন, ‘‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি আমাকে যেদিনই ডাকবে, আমি সেদিনই হাজিরা দেব। যদি আমায় সমন পাঠানো হয় তাহলে দরকারে আমি জনসংযোগ যাত্রা একদিন থামিয়ে আমি তদন্তে সাহায্য করে আসব।’’ এই প্রেক্ষিতে, তৃণমূলের সেকন্ড-ইন-কমান্ডকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। তাদের মতে, যদি তিনি ভয়ই না পেয়ে থাকেন, তাহলে জিজ্ঞাসাবাদ ঠেকাতে বার বার আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন কেন? এই নিয়ে অভিষেকের সাফাই, আদালতে যাওয়াটা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের অধিকার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Egra Incident: এগরা বিস্ফোরণের পর পুলিশি ‘সক্রিয়তা’! রাজ্যে উদ্ধার ২৫০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি 

    Egra Incident: এগরা বিস্ফোরণের পর পুলিশি ‘সক্রিয়তা’! রাজ্যে উদ্ধার ২৫০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় জেলায় বোমা উদ্ধার বাংলায় নতুন কিছু নয়। বিরোধী মহলের কটাক্ষ, সন্ত্রাস করতেই শাসক দলের মদতে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠে বোমা তৈরির কারখানা। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এগুলো যে বাড়বে তাও দাবি করেছে বিরোধীরা। এগরায় (Egra Incident) বোমা বিস্ফোরণে পরে নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসনও। উদ্ধার হয়েছে ২৫০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি। মুখ্যমন্ত্রীও ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছেন যে এনআইএ তদন্ততে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। অভিজ্ঞ মহলের প্রশ্ন, ‘‘বাংলা কি ক্রমশ মুঙ্গেরের পথেই হাঁটছে?’’ সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে একের পর এক অস্ত্রকারখানা গজিয়ে উঠেছে রাজ্যে।

    সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্র কারখানার হদিশ কোথায় কোথায় মিলেছে?

    চলতি বছরের মার্চ মাসেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং-এ অস্ত্র কারখানার হদিশ মিলেছিল, সেখানে অস্ত্রের কারবার চালানোর অভিযোগে ৮০ বছরের এক বৃদ্ধকে গ্রেফতারও করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ। তার কয়েক মাস আগে ওই জেলার কুলতলিতে অস্ত্র কারখানার সন্ধান মেলে। সুন্দরবনের মাটির দেওয়াল এবং টিনের ছাউনির একটি বাড়ি থেকে প্রচুর অস্ত্রসহ কারখানার মালিক মহিউদ্দিন সরকারকে গ্রেফতার করে বারুইপুর থানার পুলিশ। ওই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলারই বারুইপুরের জীবনতলাতে অস্ত্র কারখানা চালানোর অভিযোগে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে। মালদায় সাম্প্রতিক সময়ে গ্রেপ্তার করা হয় একজন ব্যক্তিকে, নিজের লিচু বাগানের আড়ালে  অস্ত্র কারখানা চালানোর অভিযোগ ছিল ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। হাওড়ার জেলার টিকিয়াপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকাতেও বড়সড় রকমের নিয়ে অস্ত্র কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। মালদার কালিয়াচকে, পুকুরের মধ্যে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা কিংবা হাড়োয়ায় খড়ের বস্তায় কারবাইন লুকিয়ে তা পাচার করা এসব ঘটনা গত এক বছরের মধ্যেই রাজ্যে ঘটেছে।

    বাজি কারখানাগুলোতে তল্লাশি চলছে জোর কদমে

    বারাসাতে ইতিমধ্যে আড়াইশো কেজির অবৈধ বাজি উদ্ধার করেছে পুলিশ‌। জানা যাচ্ছে জেলায় জেলায় চলছে এই তল্লাশি অভিযান। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বারাসত ব্যারাকপুর রোড সংলগ্ন আরিফবাড়ি ও টালিখোলা এলাকায় বাজি কারখানায় হানা দেয়। সেখান থেকে ২৫০ কেজি অবৈধ বাজি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ আসার খবর পেয়েই পালিয়ে যায় মালিক। জানা গেছে, শুধু বারাসত নয়, দত্তপুকুর এলাকাজুড়েও বুধবার চলেছে তল্লাশি। একইভাবে তল্লাশির চিত্র দেখা গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে। মঙ্গলবারই হাবরা এলাকায় চলে তল্লাশি। সেখানেও পুলিশ উদ্ধার করেছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বাজি। তারপরেই বুধবার বিকেলে বারাসত দত্তপুকুর এলাকায় শুরু হয় তল্লাশি। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমানে চলছে এই অভিযান। শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয় বাজি উদ্ধারে পুলিশি সক্রিয়তা নজরে পড়েছে উত্তরবঙ্গেও। জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে বাজিকারখানার মালিকদের তালিকা তৈরি করে অভিযানে নামে পুলিশ। তল্লাশি চালানো হয় একাধিক গোডাউনে। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপিও। তাদের দাবি, যদি প্রথম থেকেই এভাবে উদ্ধারের কাজে নামত পুলিশ তাহলে হয়ত এতগুলো প্রাণ এক রাতে যেত না।

    কী বলছেন প্রাক্তন আমলা?

    রাজ্যের এক প্রাক্তন আমলা বলছেন, ‘‘একটা সময়ে বেআইনি অস্ত্রের জন্য বিহারের নাম ছিল এখন বাংলাতেও মুঙ্গের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলা মুঙ্গের হয়ে গেছে কিনা বলা না গেলেও পরিস্থিতি যথেষ্ট খারাপ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: অভিষেক-কুন্তলকে কেন ৫০ লক্ষ টাকার জরিমানা করল হাইকোর্ট? এই হল আসল কারণ

    Calcutta High Court: অভিষেক-কুন্তলকে কেন ৫০ লক্ষ টাকার জরিমানা করল হাইকোর্ট? এই হল আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত অন্য একটি মামলায় জুড়ে গিয়েছে তৃণমূল (TMC) নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে অভিষেক এবং প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের মোট ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা। দুজনকেই দিতে হবে ২৫ লক্ষ করে টাকা। অভিষেকদের ওই টাকা জমা দিতে হবে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে।

    কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জরিমানা কেন?

    প্রশ্ন হল, কী কারণে জরিমানা গুণতে হবে অভিষেক এবং কুন্তলকে? কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্যই গুণাগার দিতে হবে অভিষেক ও কুন্তলকে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার রায়ে বলা হয়েছে, আদালতের নির্দেশ পুনর্বিবেচনা বা প্রত্যাহারের যে আবেদন অভিষেক করেছিলেন, তার কোনও সারপত্তা খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই জরিমানা। 

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। গ্রেফতার হওয়ার পরেই তাঁকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। পরে তিনি দাবি করেন, তদন্তকারীরা তাঁর মুখ দিয়ে অভিষেকের নাম বলানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন। অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতের পাশাপাশি হেস্টিংস থানায়ও চিঠি দিয়েছিলেন কুন্তল। ওই চিঠি প্রসঙ্গে বিচারপতি (Calcutta High Court) অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ ছিল, ইডি কিংবা সিবিআই প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করতে পারে। হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। পরে অন্য একটি ঘটনার জেরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এ সংক্রান্ত মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরিয়ে পাঠানো হয় বিচারপতি সিনহার বেঞ্চে। বিচারপতি সিনহাও জানিয়ে দেন, ইডি-সিবিআই চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে অভিষেককে।

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টে ধাক্কা অভিষেকের! জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই-ইডি, সঙ্গে বিপুল জরিমানা

    মামলার সারবত্তা না থাকলে জরিমানা করা হয় আদালতে। জরিমানা দিতে হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। নন্দীগ্রাম বিধানসভার রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা। মামলাটি উঠেছিল বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে। মুখ্যমন্ত্রী এজলাস বদলের আর্জি জানান। তাঁর সেই অনুরোধ রাখেন বিচারপতি চন্দ। তবে এজলাসে আস্থা না রাখার জন্য ৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়।

    সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন অভিষেক?

    এদিকে, কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের (Calcutta High Court) প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন অভিষেক। এদিন বিচারপতি সিনহা নির্দেশ দেন, কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় তৃণমূল নেতা অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি এবং সিবিআই। তার প্রেক্ষিতেই দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন অভিষেক। বর্তমানে দলীয় কর্মসূচি উপলক্ষে আসানসোলে রয়েছেন অভিষেক। সেখান থেকেই কথা বলেন আইনজীবীদের সঙ্গে। ঠিক হয়, রায়ের প্রতিলিপি হাতে পাওয়ার পর তা খতিয়ে দেখা হবে। তার পরেই আবেদন জানানো হবে সুপ্রিম কোর্টে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Piyali Basak: পিয়ালির মাকালু শৃঙ্গ জয়ে উচ্ছ্বাস চন্দননগরে, অভিনন্দনে ভাসছে পরিবার

    Piyali Basak: পিয়ালির মাকালু শৃঙ্গ জয়ে উচ্ছ্বাস চন্দননগরে, অভিনন্দনে ভাসছে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার হুগলি জেলার মুখ উজ্জ্বল করলেন বিশিষ্ট পর্বতারোহী পিয়ালি বসাক (Piyali Basak)। চন্দননগরের এই পাহাড়ি কন্যা পিয়ালি বসাকের মাথায় উঠল আরেকটি মুকুট। বুধবার সকালে তিনি বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম শৃঙ্গ মাকালু জয় করলেন। নেপালের সংস্থা পাইওনিয়ার অ্যাডভেঞ্চার সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, মাকালুকে বিশ্বের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং পর্বত আরোহণ বলে মনে করা হয়। এই নিয়ে ৬ টি আটহাজারী শৃঙ্গ জয় করলেন পিয়ালি। এর আগে এভারেস্ট, লোৎসে, মানাসুলু, ধৌলাগিরি এবং অন্নপূর্ণা জয় করেছেন তিনি। এর আগেও একবার মাকালু অভিযানে যেতে গিয়ে অসুস্থ বাবার জন্য তা স্থগিত রেখে বাড়ি ফিরে এসেছিলেন পিয়ালি।

    রওনা হয়েছিলেন ৯ মার্চ

    এবারে গত ৯ মার্চ অন্নপূর্ণা এবং মাকালু শৃঙ্গ জয় করার লক্ষ্যে চন্দননগরের বাড়ি থেকে রওনা হন পিয়ালি (Piyali Basak)। ১৭ এপ্রিল বিশ্বের দশম উচ্চতম শৃঙ্গ অন্নপূর্ণা জয় করেছিলেন। নেপালের সংস্থা পাইওনিয়ার অ্যাডভেঞ্চার সূত্রে জানা যায়, এই মাকালু শৃঙ্গ জয় মোটেই সহজ ব্যাপার নয়। এই পর্বতের চার ধারালো জায়গা উলম্বভাবে প্রায় ২৭৭৬৫ ফুট শিখরের দিকে দাঁড়িয়ে, যা অভিজ্ঞ পর্বতারোহী ছাড়া আরোহণ করা অসম্ভব। বিশ্বের পঞ্চম সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এই মাকালু পর্বতচূড়ায় উঠতে পর্বতারোহীদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দক্ষতা, দৃঢ়তা ও অধ্যাবশায়ের প্রয়োজন হয় বলে জানা গেছে।

    খবর মিলতেই বাড়িতে ভিড়

    এদিন এই খবর পাওয়ার পর চন্দননগর পুরনিগমের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁটাপুকুরে পুরনো জীর্ণ দোতলা বাড়িটায় ভিড় লেগে যায়। পিয়ালির (Piyali Basak) বাড়ি এটাই। পাড়াপড়শি থেকে বিভিন্ন মাধ্যম ভিড় করে অভিনন্দন জানিয়ে যায় পিয়ালির পরিবারকে। চন্দননগরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বছর বত্রিশের পিয়ালির ছোট থেকেই উৎসাহ পাহাড় নিয়ে। বাবা তপন বসাক বর্তমানে অসুস্থ। কোনও কিছুই মনে করতে পারেন না। তবে একসময় দুই মেয়েকে প্রচুর উৎসাহ দিয়েছেন। তাদের ছোটবেলায় পাহাড়ে পাহাড়ে বেড়াতে নিয়ে গেছেন। সেখান থেকেই শুরু। কথা হচ্ছিল এদিন পিয়ালির মা স্বপ্না বসাকের সঙ্গে। বলেন, খুব গর্বিত হয়েছি খবরটা শুনে। এমনিতেই খুব উৎকণ্ঠায় ছিলাম। কারণ, শুনেছি ওই শৃঙ্গজয় মোটেই সহজ নয়। আমি তৃপ্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • National Education Policy: রাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হল মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি!

    National Education Policy: রাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হল মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় শিক্ষানীতি (National Education Policy) নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। ইতিমধ্যে সেই পথে হেঁটে চার বছরের স্নাতক কোর্স চালু করল কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্সের মতো বিশ্ববিদ্যালয়। সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটিও জানিয়ে দিয়েছে তাদের এই ঘোষণার কথা। দেশের অভিজ্ঞ শিক্ষাবিদদের রিপোর্টের ভিত্তিতে তৈরি এই জাতীয় শিক্ষানীতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে গ্রহণ করেনি উপরন্তু এই নীতির বিরোধিতাও শোনা গেছে শাসকদলের বেশ কিছু কর্তা ব্যক্তির মুখে। শিক্ষা মহলের একাংশ বলছে, ‘‘শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়।’’ যাদবপুর কলকাতা, প্রেসিডেন্সি বা রবীন্দ্রভারতীর মতো রাজ্য সরকারের অধীনস্থ বিশ্ববিদ্যালয়গুলি এখনও পর্যন্ত কিছু জানায়নি। যদিও সূত্রের খবর, শিক্ষা দফতরের কর্তারা জানাচ্ছেন, উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল এখনও বের হয়নি তাই হাতে খানিকটা সময় আছে। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেই পথে না হেঁটে গ্রহণ করে নিল জাতীয় শিক্ষানীতি (National Education Policy)। ইতিমধ্যে তারা বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, ২৫ বৈশাখ কবিগুরুর স্মরণে কলকাতায় পা রেখেছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সে দিনই তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই জাতীয় শিক্ষানীতি তৈরি করেছেন।’’ জাতীয় শিক্ষানীতিকে ইতিমধ্যে মেনে নিয়েছে বেশ কিছু রাজ্য তার মধ্যে এমন অনেক রাজ্য রয়েছে যেগুলিতে বিজেপি সরকার নেই।

    রাজ্যে ইতিমধ্যে জমা পড়েছে কমিটি রিপোর্ট

    ইতিমধ্যে, উচ্চশিক্ষা দফতর একটি নির্দেশিকা জারি করেছে, যেখানে বলা হয় যে চলতি বছরেই চালু করতে হবে চার বছরের অনার্স কোর্স। এই নির্দেশিকার পরেই রাজ্য উচ্চ শিক্ষার সংসদ, উপাচার্যদের নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করে এবং সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মতামত চেয়ে পাঠায়। সূত্রের খবর তাতে বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ই মত দিয়েছে যে জাতীয় শিক্ষানীতি (National Education Policy) যেহেতু বেশিরভাগ রাজ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে, তাই চলতি বছরেই এ রাজ্যেও শুরু করা হোক। ইতিমধ্যে সেই রিপোর্ট নাকি উচ্চশিক্ষা দফতরের কাছে জমাও পড়ে গিয়েছে কিন্তু তা কার্যকর হচ্ছে কিনা বা কবে থেকে হবে, এবিষয়ে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। আইএসসি, সিবিএসই-র পরীক্ষার ফল ইতিমধ্যে ঘোষণা হয়েছে তাই ইংরেজি মাধ্যম বিশ্ববিদ্যালয়গুলি জাতীয় শিক্ষানীতিকে গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে যতক্ষণ না উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফ থেকে কিছু জানানো হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত কিছু বলা যাবেনা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট প্রকাশ হলেই সমস্ত কিছু পরিষ্কার হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টে ধাক্কা অভিষেকের! জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই-ইডি, সঙ্গে বিপুল জরিমানা

    Calcutta High Court: হাইকোর্টে ধাক্কা অভিষেকের! জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই-ইডি, সঙ্গে বিপুল জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু চেষ্টা করেও ইডি-সিবিআইয়ের নাগাল এড়াতে পারলেন না তৃণমূলের (TMC) সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)! কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হার নির্দেশ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি-সিবিআই। বস্তত, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পূর্ববর্তী নির্দেশই বহাল রইল বিচারপতি সিন্‌হার এজলাসে। যার জেরে খারিজ হয়ে গেল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের আবেদন। একই সঙ্গে দুজনকে অবিলম্বে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানা দিতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই এবার আর অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও বাধা রইল না ইডি-সিবিআইয়ের।

    বিচারপতি (Calcutta High Court) অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ কী?

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। গ্রেফতার হওয়ার পরেই তাঁকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। পরে তিনি দাবি করেন, তদন্তকারীরা তাঁর মুখ দিয়ে অভিষেকের নাম বলানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন। অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতের পাশাপাশি হেস্টিংস থানায়ও চিঠি দিয়েছিলেন কুন্তল। ওই চিঠি প্রসঙ্গে বিচারপতি (Calcutta High Court) অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ ছিল, ইডি কিংবা সিবিআই প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করতে পারে। হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। সেখান থেকে আবার হাইকোর্টে ফেরে মামলাটি। পরে অন্য একটি ঘটনার জেরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এ সংক্রান্ত মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরিয়ে পাঠানো হয় বিচারপতি সিন্‌হার বেঞ্চে। বিচারপতি সিন্‌হাও জানিয়ে দেন, ইডি-সিবিআই চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে অভিষেককে।

    অভিষেককে কেন রক্ষাকবচ দেয়নি আদালত?

    গত শুক্রবারও কুন্তলের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) রক্ষাকবচ দেয়নি অভিষেককে। অবশ্য ওই দিন শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী হাইকোর্টের পুরানো নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানান। অভিষেককে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেওয়ার আর্জিও জানানো হয়। এই সময়ের মধ্যে ইডি কিংবা সিবিআই যাতে চরম পদক্ষেপ নিতে না পারে, সেই আবেদনও করেছিলেন অভিষেকের আইনজীবী। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি সিন্‌হা বলেন, আদালতের দরজা ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। প্রয়োজন মনে করলে যখন খুশি আসবেন। কিন্তু কোনও রক্ষাকবচ নয়। বিচারপতি সিন্‌হার নির্দেশ, কুন্তল ও অভিষেককে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি-সিবিআই। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সোমবার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আরএসএস দ্বেষ নয়, দেশপ্রেম শেখায়’’, মত সুনীল আম্বেকরের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: এগরা বিস্ফোরণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ভানুসহ গ্রেফতার ৩, কোথা থেকে জানেন?

    Egra: এগরা বিস্ফোরণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ভানুসহ গ্রেফতার ৩, কোথা থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরায় (Egra) বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর সপরিবারে ওড়িশায় দিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিলেন কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু। ঘটনার পর পরই সিআইডি তদন্তভার গ্রহণ করলেও ভানুর নাগাল পায়নি কেউ। মোবাইল ট্র্যাক করে তাকে ধরার চেষ্টা করে সিআইডি। ঘটনার তিনদিন পর বৃহস্পতিবার সকালে ভানুসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে সিআইডি। কটক থেকে তাদের ধরা হয়। গ্রেফতারের তালিকায় ছেলে পৃথ্বীজিৎ বাগ এবং ভাইপোকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ভানু গ্রেফতার হতেই কী বললেন নিহত পরিবারের লোকজন?

    ভানু একসময় এগরার (Egra) খাদিকুলের বাড়িতে বাজি তৈরি করত। বছর পাঁচেক আগে সেখানে বিস্ফোরণ হয়। তাতে ভানুর ভাই ও তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু হয়। ভানু জেলও খাটে। তবে, জেল থেকে বেরিয়ে কিছুদিন চুপচাপ থাকার পর সে ফের স্বমহিময় ফেরে। শাসক দলের নেতা ও পুলিশকে ম্যানেজ করে মাঠের মধ্যে মাটি ভরাট করে বাজি কারখানা গড়ে তোলা হয়। সেখানে যাওয়ার জন্য নতুন করে রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল। সেই কারখানায় গড়ে ৩০ জন কাজ করতেন। তবে, ঘটনার দিন সংখ্যাটা কম ছিল। তবে, কতজন কাজ করছিলেন তা কেউ স্পষ্ট করে বলতে পারেননি। আর বিস্ফোরণের সময় পাশের ঘরেই ভানু ছিলেন। ফলে, বিস্ফোরণে সে গুরুতর চোট পান। তারপরও তিনি বসে না থেকে পরিবারের সকলকে নিয়ে কারখানার পিছনে মাঠ ধরে এলাকা ছেড়ে ছিলেন। তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য ভানু গ্রেফতার হওয়ার খবর এদিন খাদিকুল গ্রামে পৌঁছাতেই নিহত পরিবারের লোকজন কিছুটা হলেও স্বস্তিতে রয়েছেন। এক নিহত পরিবারের সদস্য গৌরাঙ্গ মাইতি বলেন, আমার ১৯ বছরের ছেলে কাজ করত। আমি চাই, ভানুকে গুলি করে মেরে দেওয়া হোক। নাহলে অন্তত তাকে সারা জীবন যেন জেলে রেখে দেওয়া হয়। ও গ্রামে না ফিরলে আর বাজি কারখানা হবে না। এভাবে আমাদের কোল খালি হবে না।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দা?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ভানু এলাকায় রীতিমতো মাতব্বর ছিল। সে তৃণমূলের নেতাদের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কথা বলার কারও সাহস ছিল না। এর আগেও ওর কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছিল। জেলও খেটেছে সে। তারপরও বাড়ি ফিরে পুলিশ আর তৃণমূল নেতাদের ম্যানেজ করে রমরমিয়ে এই কারবার চালাত। তাই, অভিযুক্ত ভানু বাগের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। ও যাতে গ্রামে আর ফিরতে না পারে তারজন্য প্রশাসনকে সবরকম উদ্যোগ নিতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল না হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল না হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে প্রায় ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলার শুনানি শেষ হল। তবে রায়দান স্থগিত রাখা হয়েছে। আগামী ১৯ শে মে, শুক্রবার দুপুর ১ টায় এই মামলার রায়দান করবে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেয়নি হাইকোর্ট (Calcutta High court)।

    সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ 

    অভিযোগ, সাত বছর আগের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে নষ্ট করতেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) বেঞ্চ ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন৷ সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের বক্তব্য ছিল, সিঙ্গল বেঞ্চে চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেওয়ার আগে তাদের পক্ষের কোনও বক্তব্য শোনা হয়নি। এদিনের শুনানিতে পর্ষদের তরফে আইনজীবী লক্ষ্মী গুপ্ত বলেন, ‘সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে ছত্রে ছত্রে ভুল রয়েছে। যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাতে মামলাকারীদের আবেদনের উল্লেখ করা হয়নি। আদালত (Calcutta High court) এক্ষেত্রে প্রসিকিউটরের মতো কাজ করেছে। একটি স্পাইরাল বাইন্ডিং দেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই স্পাইরাল বাইন্ডিংয়ের তথ্য হলফনামা আকারেও পেশ করা হয়নি।’

    ডিভিশন বেঞ্চে দীর্ঘ শুনানি

    মঙ্গল এবং বুধ-পর পর ২দিন এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চে (Calcutta High court)। বুধবার প্রায় পৌনে চার ঘণ্টা শুনানি হয়েছে। এদিন চাকরিহারাদের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সিঙ্গল বেঞ্চে মামলায় যুক্ত ছিলেন না এই শিক্ষকেরা। তাদের বক্তব্যও শোনা হোক এই দাবি কেন জানায়নি পর্ষদ?” এর পরই কল্যাণের প্রশ্ন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায় জেলে আছেন, মানিক ভট্টাচার্য জেলে আছেন। তাঁরা দুর্নীতিতে যুক্ত বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। তাঁরা দুর্নীতিতে যুক্ত থাকলে এই শিক্ষকদেরও দুর্নীতিতে যুক্ত থাকতে হবে এই সিদ্ধান্ত কিভাবে গ্রহণ করা যায়?” 

    আরও পড়ুুন: ‘পদ্ম-বার্তা’ পৌঁছে দিতে পথে বিজেপি, যুব পঞ্চায়েত পদযাত্রা গেরুয়া শিবিরের

    এদিন আদালতে (Calcutta High court) এই মামলার মূল মামলাকারী প্রিয়াঙ্কা নস্করের আইনজীবী বলেন, ‘পর্ষদের প্রকাশিত তথ্যের উপর ভিত্তি করেই এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তাছাড়া বারবার বলা হচ্ছে চাকরি হারানোদের কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি। একথা ঠিক নয়। বক্তব্য শোনার জন্য সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা তা গ্রহণ করেননি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বারবার প্রশ্ন তোলা হচ্ছে কেন ছয় বছর পর মামলা করা হল? এক্ষেত্রে বলতে হয় পর্ষদ কোনও দিনও ২০১৬ সালের নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য জনসমক্ষে আনেনি। আদালতে জনস্বার্থ মামলা হওয়ার পর মামলাকারীরা যখন তথ্য খতিয়ে দেখার সুযোগ পান তখন সমস্ত বিষয় সামনে আসে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP West Bengal: ‘পদ্ম-বার্তা’ পৌঁছে দিতে পথে বিজেপি, যুব পঞ্চায়েত পদযাত্রা গেরুয়া শিবিরের

    BJP West Bengal: ‘পদ্ম-বার্তা’ পৌঁছে দিতে পথে বিজেপি, যুব পঞ্চায়েত পদযাত্রা গেরুয়া শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাস দুয়েকের মধ্যেই হতে পারে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayet Polls)। দলের গোষ্ঠীকোন্দল সামাল দিতে ময়দানে নেমে পড়েছেন তৃণমূলের (TMC) সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘নবজোয়ার যাত্রা’ নাম দিয়ে আক্ষরিক অর্থেই প্রমোদ ভ্রমণে বেরিয়েছেন তৃণমূলের যুবরাজ। এদিকে, নির্বাচনের আগে আমজনতার অভাব অভিযোগের কথা শুনতে পদযাত্রা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিজেপি (BJP West Bengal) যুব মোর্চা। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, প্রথম পর্যায়ে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার গ্রাম সম্পর্কিত অভিযান সুসম্পন্ন হয়েছে। এরপর ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রথম পর্বে নতুন অভিযান শুরু করবে।

    বিজেপির (BJP West Bengal) ‘যুব পঞ্চায়েত পদযাত্রা’… 

    এই অভিযান শুরু হবে জলপাইগুড়ি থেকে। জুন মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ হবে এই পদযাত্রা কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ও। এই পর্বে ৫০টি বিধানসভা কেন্দ্রের ৫০০টি গ্রামে পৌঁছবে যুব মোর্চা। পদ্ম শিবির সূত্রে খবর, সব মিলিয়ে মোট ৫ হাজার কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করবে এই পদযাত্রা। ২০০টি গ্রামীণ বিধানসভা কেন্দ্রের হাজারটি গ্রাম পঞ্চায়েতে ও পাঁচ হাজার গ্রামে ঘুরবেন যুব মোর্চার নেতারা। শুনবেন মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা। ‘যুব পঞ্চায়েত পদযাত্রা’ নামের এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন যুব (BJP West Bengal) মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ। যোগ দেওয়ার কথা যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্যেরও। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি রাজ্যের সমস্ত বিধায়ক, সাংসদ এবং নেতাও যোগ দেবেন ওই কর্মসূচিতে। কর্মসূচি যাতে সফল হয়, সেজন্য রাজ্যের ৪২টি লোকসভা এলাকার জন্য ৪২টি কমিটিও তৈরি করে ফেলেছে যুব মোর্চা।

    আরও পড়ুুন: মধ্যপ্রদেশে প্রকাশ্যে এল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র বাস্তব গল্প! কী হয়েছে জানেন?

    গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তত ২৫ কিলোমিটার রাস্তা দিয়ে যাবে বিজেপির (BJP West Bengal) ‘যুব পঞ্চায়েত পদযাত্রা’। পদযাত্রা চলবে ২১ দিন ধরে। এই কর্মসূচি পালনের সময় বড় ধরনের কোনও সভা হবে না। যেহেতু পদযাত্রার মূল লক্ষ্য আমজনতার অভাব-অভিযোগের কথা শোনা, তাই হবে পঞ্চায়েত সভা কিংবা হাট সভা। কর্মসূচি চলাকালীন বিজেপির সমর্থনে লেখা হবে দেওয়ালও। বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেওয়া হবে ‘পদ্ম-বার্তা’। ২০১৪ সালের ২৬ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই কারণে এই মাসের শেষের দিক থেকে দেশজুড়ে ৫১টি বড় জনসভা করবে বিজেপি (BJP West Bengal)। সেই জনসভার মূল লক্ষ্য, গত ৯ বছরে মোদি সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরা। তার সঙ্গে অবশ্য ‘যুব পঞ্চায়েত পদযাত্রা’র কোনও সম্পর্কই নেই। তবে দুই কর্মসূচিই শুরু হচ্ছে মে মাসে। কী অদ্ভুত সমাপতন! 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: পরকীয়া সন্দেহে এলোপাথারি কুপিয়ে খুন স্ত্রীকে, অভিযুক্ত স্বামী গ্রেফতার

    Nadia: পরকীয়া সন্দেহে এলোপাথারি কুপিয়ে খুন স্ত্রীকে, অভিযুক্ত স্বামী গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে এলোপাথারি কুপিয়ে খুন করল স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার (Nadia) ভীমপুর থানার এলাঙ্গি মাঝেরপাড়া এলাকায়। পুলিশ অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করেছে।

    কী কারণে খুন?

    মৃত ওই গৃহবধুর নাম অঞ্জলি বিশ্বাস। বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর। সূত্রের খবর, পরকীয়া সন্দেহে মাঝেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা শৈলেন বিশ্বাসের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর স্ত্রী অঞ্জলি বিশ্বাসের অশান্তি লেগেই থাকতো। পরিবার সূত্রে জানা যায়, স্বামী-স্ত্রী দুজনে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া করত। আত্মীয়রা জানান, অঞ্জলি বিশ্বাস সেভাবে কিছু না বললেও তাঁর স্বামী শৈলেন বিশ্বাস মাঝেমধ্যেই স্ত্রীর উপর চড়াও হত এবং মারধর করত। ঘটনার দিন সকাল থেকেই প্রায় দিনের মতো বাক-বিতণ্ডা চলছিল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। বিকেল নাগাদ শৈলেন হঠাৎ একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আচমকা কোপাতে শুরু করে স্ত্রীকে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অঞ্জলি বিশ্বাস। চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হলে এলাকার লোকজন এসে উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভীমপুর (Nadia) থানার পুলিশ। অভিযুক্ত শৈলেন বিশ্বাস পালানোর চেষ্টা করলেও স্থানীয় মানুষ তাঁকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে ভীমপুর থানার পুলিশ। আজ তাঁকে আদালতে তোলা হবে।

    মৃতার দিদির বক্তব্য

    মৃত অঞ্জলি বিশ্বাসের দিদি সন্ধ্যা মণ্ডল বলেন, এর আগেও একাধিকবার পরকীয়ায় অভিযুক্ত শৈলেন বিশ্বাস আমার বোনকে মারধর করে। গতকাল আমার বোনকে কুপিয়ে (Nadia) মেরে ফেলল শৈলেন। আমি চাই সারা জীবন যেন ও জেলবন্দি থাকে। ওর মতো বোনাই আমার প্রয়োজন নেই। আমি ওর মুখ দেখতে চাই না।

    সন্তানের বক্তব্য

    খুনে অভিযুক্ত শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে বিশ্বজিৎ বিশ্বাস বলেন, মাকে পরকীয়া নিয়ে সন্দেহ করতো বাবা। কিন্তু শুধু আমি কেন, গ্রামের (Nadia) কেউই বিশ্বাস করবে না এই বয়সে মা এরকম কাজ করতে পারে। সেই কারণে বাবাকে আমি অনেক সময় বোঝানোর চেষ্টা করতাম, মাকেও চুপ করে থাকতে বলতাম। ইদানীং বাবা আরও বেশি সন্দেহ করতে শুরু করে মাকে। কাজও ঠিকমতো করত না বাবা। আমি নিজেও বাবাকে বলেছি, কাজ করার প্রয়োজন নেই। বাড়িতে তুমি রেস্ট নাও। গতকাল অন্যান্য দিনের মতোই ছোটখাট ঝামেলা লেগেছিল। কিন্তু বিকেলের পর আমি কাজে বেরিয়ে যাই। এরপর শুনি, বাবা এরকম ঘটনা ঘটিয়েছে। পাশাপাশি বিশ্বজিৎ আরও বলেন, আমিও চাই, যে ঘটনা ঘটেছে তার উপযুক্ত শাস্তি পাক বাবা। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কারণ জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। এই ঘটনার পিছনে শুধুমাত্র কি পরকীয়া সন্দেহ নাকি অন্য কারণ আছে, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share