Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Suvendu Adhikari: ‘আপনার দলকে বোমা সাপ্লাই দিত ভানু’! এগরাকাণ্ডে মমতার পদত্যাগ দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘আপনার দলকে বোমা সাপ্লাই দিত ভানু’! এগরাকাণ্ডে মমতার পদত্যাগ দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণকাণ্ডের জন্য পুলিশমন্ত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার তিনি এগরার খাদিকুল গ্রামে যান। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। তাঁদের পাশে থাকার তিনি আশ্বাস দেন। খাদিকুলে বিস্ফোরণস্থল ঘুরে দেখে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘বগটুই থেকে এখনও পর্যন্ত যে সব ঘটনা ঘটেছে তারজন্য রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী দায়ী। তাই, পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছি। আর এই ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছি। দু-তিনদিনের মধ্যেই এই দাবিতেই এগরায় ২৫ হাজার কর্মী নিয়ে মহা-মিছিল করা হবে।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলি, শুধু বাজি কারখানাই নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে আপনার পার্টিকে বোমা সাপ্লাই (সরবরাহ) করার জন্য এই কারখানা তৈরি হয়েছিল। আর আপনার পুলিশ প্রতি মাসে এখান থেকে ৫০ হাজার টাকা করে নিয়ে যেতেন।’’

    পুলিশকে মাসোহারা নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বাজি কারখানার মালিক কৃষ্ণপদ বাগ তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য। তাঁর বউমাকে ২০১৮ সালে ভোটে দাঁড় করিয়েছিলেন। এই বাজি কারখানার মালিক প্রতিমাসে এগরা আইসি-কে ৫০ হাজার টাকা করে পাঠাতেন। বিশ্বজিৎ নামে এক এএসআই এই টাকা নিয়ে যেতেন। সব হিসেব হবে। তোলাবাজ পুলিশের ওপর আমাদের কোনও আস্থা নেই। পুলিশ দিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হলে সমস্ত তথ্য তারা লোপাট করে দেবে। তাই, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে ন্যাশনাল ফরেনসিক টিম দিয়ে তদন্ত করতে হবে।’’

    ক্ষতিপূরণ নেওয়া নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার আড়াই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে, সেটা ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের টাকা। প্রত্যেক নিহত ব্যক্তিদের ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’’ এদিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: এগরায় বিস্ফোরণ হওয়া সেই বাজি কারখানার মালিক তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য

    এনআইএ-র দাবিতে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) মামলা হাইকোর্টে

    এগরায় বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডের ঘটনায় আগাগোড়াই এনআইএ তদন্তের দাবিতে সরব বিজেপি নেতারা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিয়ে ইতিমধ্যেই সেই দাবির কথা জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এবার ওই একই দাবিতে হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি পি এস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে মামলা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ফলে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার মতো এগরা কাণ্ডের জলও গড়ালো আদালতে। শুভেন্দুর আর্জি আদালতে গৃহীত হয়েছে। খুব সম্ভবত বৃহস্পতিবারই এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে হাইকোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, বেকায়দায় পড়ে ইতিমধ্যেই এনআইএ-র দাবিতে সহমত পোষণ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: সন্তানের মৃতদেহ বহনকারী বাবার পাশে জয়কৃষ্ণ

    Kaliaganj: সন্তানের মৃতদেহ বহনকারী বাবার পাশে জয়কৃষ্ণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার অভাবে অ্যাম্বুল্যান্স না মেলায় সন্তানের মৃতদেহ ব্যাগে ভরে বাড়ি (Kaliaganj) ফেরার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যে। অমানবিক ঘটনার নিন্দা সর্বত্র। এই পরিস্থিতিতে মৃত শিশুর বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এলেন জলপাইগুড়ির সমাজসেবী অঙ্কুর দাস ও স্ত্রীর মৃতদেহ কাঁধে বহনকারী জয়কৃষ্ণ দেওয়ান।

    কী পরিচয় এই সমাজকর্মীদের?

    অনেকেরই হয়তো মনে আছে, কিছুদিন আগে অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়ার টাকা না থাকায় মৃত স্ত্রীর দেহ কাঁধে নিয়ে বাড়ির (Kaliaganj) পথে হাঁটা দেওয়া জলপাইগুড়ির সেই জয়কৃষ্ণ দেওয়ানের কথা। সেদিন অসহায় দেওয়ান পরিবারকে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা দিয়ে সাহায্য করে হাজতবাস করেছিলেন জলপাইগুড়ির এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অঙ্কুর দাস। সেই ঘটনার পর আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। এবার উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুপুত্রের মৃত্যুর পর টাকার অভাবে অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে জামাকাপড়ের ব্যাগে সন্তানের মৃতদেহ ভরে বাড়ি নিয়ে আসেন কালিয়াগঞ্জের মুস্তাফানগরের বাসিন্দা অসীম দেবশর্মা। টিভির পর্দায় মর্মান্তিক ও অমানবিক এই ঘটনা দেখতে পেয়ে শোকার্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে মঙ্গলবার কালিয়াগঞ্জে অসীম দেবশর্মার বাড়িতে ছুটে এলেন জয়কৃষ্ণ দেওয়ান ও অঙ্কুর দাস। ছেলে হারানোর যন্ত্রণায় শোকার্ত অসীম দেবশর্মা ও তাঁর স্ত্রীকে সমবেদনা জানান তাঁরা। পাশাপাশি অসীমবাবুর কাছে সমস্ত ঘটনা শোনেন দুজনেই।

    স্ত্রীর মৃতদেহ বহনকারী জয়কৃষ্ণ দেওয়ানের বক্তব্য

    জয়কৃষ্ণবাবু মানবিক হয়েই অসীমবাবুর বাড়িতে মর্মান্তিক কথা শুনতে আসেন। তিনি বলেন, আমি দেখেছি বাড়ির (Kaliaganj) অবস্থা! অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য ৮০০০ টাকা দেওয়ার ক্ষমতা নেই। আরও বলেন, আগামী দিনে আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিশেষ দাবি নিয়ে যাবো। পশ্চিমবঙ্গের সকল সরকারি হাসপাতাল থেকে গরীব মৃত মানুষের দেহগুলিকে বিনা খরচায় বাড়িতে পোঁছানোর পরিষেবা চালু করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি। আর যদি দাবি না মানা হয়, তাহলে আমি আমার নগরডাঙ্গাতে অনশনে বসব বলে ঘোষণা করেন।

    কী বললেন সমাজসেবী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক?

    জলপাইগুড়ির স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অঙ্কুর দাস বলেন, ৫ই জানুয়ারি জলপাইগুড়িতে একইভাবে মৃতদেহ নিয়ে আসার জন্য সাহায্য পাননি জয়কৃষ্ণবাবু। আমি সহযোগিতা করতে গেলে আমাকেও জেলে যেতে হয়। জেলাশাসক থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী সকলকে আমরা চিঠি দিয়ে জানিয়েছি, গরীব মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য সরকার বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করুক। জলপাইগুড়ির মতো মৃতদেহ বহন করার ঘটনা আরও ঘটবে বলে সতর্ক করেছিলাম, প্রশাসন শোনেনি। আর তাই ঘটেছে কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj)। কিছু দিন চুপচাপ থাকলেও এরপর আবার অ্যাম্বুল্যান্স অ্যাসোসিয়েশনের দাদাগিরি শুরু হয়ে যায়। কিন্তু তাতেও কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি প্রশাসন। আগামী দিনে আমরা গরীব মানুষের জন্য বিনা পয়সায় অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার জন্য প্রথমে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হব। আর না মানলে অরাজনৈতিকভাবে বৃহৎ আন্দোলন করব। আরও বলেন, জয়কৃষ্ণবাবু এবং অসীমবাবুকে নিয়ে আমরা এই সামাজিক আন্দোলন করব।

    প্রশাসনের (Kaliaganj) ভূমিকা

    এদিকে এই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাড়ি পাঠিয়ে অসীম দেবশর্মা সহ পরিবারের লোকেদের নিয়ে গিয়ে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ভুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি ফোনে জানিয়েছেন, এদিন ওই পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ডেকে আনা হয়েছিল। পরবর্তীকালে তাঁদের জবকার্ডও করে দেওয়া হবে। এখন বিনামূল্যে সরকারি হাসপাতালে কবে থেকে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা চালু হয়, সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘কানমলা খাওয়ার আগে উনি নিজেই এনআইএ মেনে নিয়েছেন’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘কানমলা খাওয়ার আগে উনি নিজেই এনআইএ মেনে নিয়েছেন’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় (Egra) তৃণমূল (TMC) নেতার বাড়িতে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৯ জনের। বিস্ফোরণের অভিঘাতে মৃতদেহ ছিটকে গিয়ে পড়েছিল পুকুর ও রাস্তায়। এলাকাবাসীর দাবি, বাজি কারখানার আড়ালে তৈরি হত বোমা। তৃণমূলের ওই প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান যে বাজি কারখানাটি অবৈধভাবে চালাচ্ছিলেন, তা জানিয়ে দিয়েছেন খোদ জেলা পুলিশ সুপার। বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি। অমিত শাহকে এ ব্যাপারে চিঠিও দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এর পরেই তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, এনআইএ তদন্ত করলে আপত্তি নেই।

    দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) কটাক্ষ-বাণ…

    এই প্রসঙ্গেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ-বাণ হেনেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, ‘‘ঠেলায় পড়লে বিড়ালও গাছে ওঠে। মুখ্যমন্ত্রী জানেন, এটা নিয়ে কেউ না কেউ কোর্টে যাবে। কোর্ট সঙ্গে সঙ্গে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেবেই। তাই কানমলা খাওয়ার আগে উনি নিজেই মেনে নিয়েছেন, এনআইএ হলে আপত্তি নেই। তিনি বলেন, যদি উনি সত্যিই চান, তাহলে নিজে থেকে এনআইএ তদন্ত চাইছেন না কেন? ওঁরই উচিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লেখা।’’

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, সেখানে বিজেপির পঞ্চায়েত। আগে বিজেপির পঞ্চায়েত ছিল না। ওঁদের পঞ্চায়েত ছিল। মানুষ খেপে গিয়ে সেই পঞ্চায়েত ভেঙে দিয়েছে। এখন সেখানে নির্দল প্রধান। এই সমাজবিরোধী ও দেশ বিরোধী কাজে পুলিশ যুক্ত। না হলে কমপ্লেন করার পরেও পুলিশ কিছু করে না কেন? তার মানে পুলিশের ওপর পলিটিক্যাল প্রেসার রয়েছে। তাই আক্রমণের শিকার পুলিশ।’’

    আরও পড়ুুন: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিশের জবাব দিল রাজ্য, কী বলল?

    মেদিনীপুরের সাংসদ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘রাজ্যের একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণ আগেও হয়েছে। আমি তার মধ্যে কয়েকটা জায়গায় গিয়েছি। কয়েক বছর আগে পিংলায়ও একই ঘটনা ঘটেছিল। তখন বাড়ির ছাদ উড়ে গিয়েছিল। দেহগুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এবারও তাই হয়েছে। ওখানে প্রায় ২২ জন কাজ করছিল। তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। কজনকে পাওয়া গিয়েছে বা যায়নি, নিশ্চিত নয়।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিশের জবাব দিল রাজ্য, কী বলল?

    The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিশের জবাব দিল রাজ্য, কী বলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) নিষিদ্ধ করার কারণ জানতে চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নোটিশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শেষমেশ সেই নোটিশের জবাব দিল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারকে এই মর্মে নোটিশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। বুধবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) নিষিদ্ধ করার কারণ…

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র নির্মাতা বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন। ৫ মে মুক্তি পায় ছবিটি। তার পরেই শুরু হয় বিতর্ক। যার জেরে মুক্তির চার দিনের মাথায় ছবিটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। অভিযোগ, দ্য কেরালা স্টোরি সাম্প্রদায়িকতাকে উসকানি দিচ্ছে। অশান্তি এড়াতে ছবিটিকে (The Kerala Story) এ রাজ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ছবির নির্মাতারা। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র থাকা সত্ত্বেও বাংলায় কেন দেখানো হবে না এই ছবি? কারণ জানতে চান তাঁরা। মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে। পশ্চিমবঙ্গে ছবিটির নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ‘ভারতের অন্যান্য অংশেও এই ছবি মুক্তি পেতে পারলে পশ্চিমবঙ্গ নয় কেন?’

    আরও পড়ুুন: কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক কেন? প্রশ্ন তোলায় ভারতের নিশানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক

    তার পরেই রাজ্য সরকারকে নোটিশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। এর আগেও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ছবিটি (The Kerala Story) পক্ষপাতদুষ্ট। এখানে তথ্য বিকৃত করা হয়েছে যা একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত হানতে পারে। রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নষ্টের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সরকারের দাবি, মামলাকারী কলকাতা হাইকোর্ট আবেদন করতে পারতেন, কারণ হাইকোর্টে এই সিনেমা সংক্রান্ত আরও চারটি মামলা হয়েছে। রাজ্যের তরফে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা করেন আইনজীবী আস্থা শর্মা। সেই হলফনামায় বলা হয়েছে, ওই ছবিতে এমন একাধিক দৃশ্য রয়েছে, যা ভাবাবেগে আঘাত করতে পারে। এদিন হলফনামায় ফের একবার গোয়েন্দা রিপোর্টের কথা উল্লেখ করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের দাবি, ৫ মে ৯০টি সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পরেই রাজ্যের কাছে খবর আসে, অশান্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তার পরেই নিষিদ্ধ করা হয় ছবিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • TMC: পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়ককে বেধড়ক মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল যুবনেতা

    TMC: পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়ককে বেধড়ক মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল যুবনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টকে (নির্বাহী সহায়ক) মারধরের অভিযোগ উঠল প্রধানের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল (TMC) নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোণা-২ নম্বর ব্লকের বান্দিপুর এক গ্রাম পঞ্চায়েতে। সুবিচারের আশায় মঙ্গলবার নির্বাহী সহায়করা একত্রিত হয়ে নিরাপত্তার দাবিতে বিডিও র দ্বারস্থ হয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে বেশ কয়েকজনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    গ্রাম পঞ্চায়েতে বেশ কয়েকদিন ধরেই কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটা ঝামেলা চলছিল। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ১৩ মে টাকা জমা নেওয়ার শেষদিন ছিল। আর সেই দিন প্রধান গ্রাম পঞ্চায়েতে উপস্থিত ছিলেন না। তাই বিডিওর নির্দেশেই টাকা জমা নিতে গিয়েছিলেন এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট জিয়ারুল রহমান। এতেই প্রধানের রোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এই নিয়ে ১৫ মে গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে প্রধান অনুগামীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন জিয়ারুলসাহেব। এমনকী সেই ঘটনার কথা জানতে পেরে বিডিওর উদ্যোগে পঞ্চায়েত কার্যালয়ে পুলিশ পর্যন্ত পাঠাতে হয়। সেই রাগেই জিয়ারুলসাহেব বাড়ি ফেরার সময় বান্দিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের কদমতলা গ্রামে তাঁকে একা পেয়ে প্রধান অনুগামী তথা ব্লক তৃণমূলের (TMC) যুবনেতা তাপস দোলই তাঁর ওপর চড়াও হয়। প্রকাশ্যেই তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও অভিযুক্ত ব্লক তৃণমূলের (TMC) যুবনেতা তাপস দোলই হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেন। অন্যদিকে, বিডিওর নির্দেশে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তৃণমূলীদের এই হামলার প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তার দাবিতে জিয়ারুলের পাশে দাঁড়ান ব্লকের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়কেরা। মঙ্গলবার বিকেলে বিডিওর কাছে গিয়ে সকলেই স্মারকলিপি জমা দেন।

    কী বললেন আক্রান্ত পঞ্চায়েতের নির্বাহী সহায়ক?

    নির্বাহী সহায়ক জিয়ারুল রহমান বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই আমি কাজ করেছি। সেটা হামলাকারীদের পছন্দ হয়নি। তাই কাজ শেষে অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে আমাকে মারধর করেছে ওরা। তৃণমূল (TMC) নেতা তাপস দোলুইয়ের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। আমরা বিডিও-র কাছে সমস্ত বিষয়টি লিখিতভাবে জমা দিয়েছি।

    কী বললেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং পঞ্চায়েত প্রধান?

    চন্দ্রকোণা-২ পঞ্চাশ সমিতির সভাপতি হীরালাল ঘোষ বলেন, হামলা চালানোর ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। প্রধানই চরম দুর্নীতিগ্রস্ত। হামলার বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এই বিষয়ে বান্দিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নমিতা কোটাল বলেন, নির্বাহী সহায়ক বিডিও-র নির্দেশে টেন্ডার প্রক্রিয়া জমা নিয়ে ভুল করেছে। তবে, মারধরের ঘটনা নিয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।

    কী বললেন বিডিও?

    চন্দ্রকোণা- ২ নম্বর ব্লকের বিডিও অমিত ঘোষ বলেন, টেন্ডারের টাকা জমা দেওয়া নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। আমি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। এদিন নির্বাহী সহায়করা ডেপুটেশন দিয়েছেন। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Recruitment Case: ‘চাকরিহারাদের তো নেকড়ের সামনে ফেলে দেওয়া হয়নি’! বললেন বিচারপতি তালুকদার

    Primary Recruitment Case: ‘চাকরিহারাদের তো নেকড়ের সামনে ফেলে দেওয়া হয়নি’! বললেন বিচারপতি তালুকদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একক বেঞ্চ তো আবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। কাউকে তো নেকড়ের সামনে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়নি। তাহলে সমস্যা কোথায়?” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি সুব্রত তালুকদার। এদিন প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলার (Primary Recruitment Case) শুনানি শুরু হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই বিচারপতি তালুকদার বলেন, “একক বেঞ্চ তো আবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। কাউকে তো নেকড়ের সামনে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়নি। তাহলে সমস্যা কোথায়?”

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ত্রুটির কথা উল্লেখ করে শুক্রবার ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সেই মামলার শুনানিতেই ওই মন্তব্য করেন বিচারপতি তালুকদার।

    চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় (Primary Recruitment Case) সওয়াল…

    এদিন আদালতে পর্ষদের তরফে হাজির ছিলেন আইনজীবী লক্ষ্মী গুপ্ত। তিনি বলেন, “চাকরিহারা ওই প্রাথমিক শিক্ষকদের (Primary Recruitment Case) অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট যে হয়নি তা বিচারপতি কীভাবে বুঝলেন? আমাদের বিভিন্ন জেলা মিলিয়ে ১০০ জনেরও বেশি পরীক্ষক বা ইন্টারভিউয়ার ছিলেন। বিচারপতি মাত্র কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। কেবল তার ভিত্তিতে তিনি কীভাবে বলে দিলেন, অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট সঠিক পদ্ধতিতে না নিয়েই নম্বর দেওয়া হয়েছে?”

    আদালতের নির্দেশে চাকরি খোয়ানো ব্যক্তিদের তরফে আদালতে সওয়াল করেন তৃণমূল নেতা তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “অপ্রশিক্ষিত হওয়ার জন্যই যদি চাকরি বাতিল হয়, তবে যাঁরা মামলা করেছেন, তাঁরাও তো অপ্রশিক্ষিত প্রার্থী। তাছাড়া নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি যখন দেওয়া হয়েছিল, তাতে স্পষ্ট বলা ছিল, অপ্রশিক্ষিত হলেও, চাকরি পাবেন। কিন্তু দু বছরে প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করতে হবে। তার পরেও কীভাবে অপ্রশিক্ষিত হওয়ার জন্য চাকরি বাতিল হতে পারে”?

    আরও পড়ুুন: মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন হচ্ছে নয়া সংসদ ভবনের!

    আদালতে সওয়াল করেন মূল মামলাকারীদের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারিও। তিনি বলেন, “অনিয়ম (Primary Recruitment Case) যে হয়েছে, কে কত নম্বর পেয়েছেন, তা তো পর্ষদের প্রকাশিত প্যানেলের তথ্য থেকেই জানা যাচ্ছে। ৩২ হাজারের চাকরি যাওয়া নিয়ে এত কথা বলা হচ্ছে। অথচ চাকরির অপেক্ষায় যে হাজার হাজার প্রার্থী বসে রয়েছেন, তাঁদের কী হবে?”

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ৪২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষককে নিয়োগ করা হয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রাথমিক স্কুলে। তাঁদের মধ্যে ৩২ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়নি বলে অভিযোগ বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের। তার পরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ওই ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ওই শিক্ষকরা চার মাস স্কুলে পড়াবেন, বেতন পাবেন পার্শ্বশিক্ষকের মতো। এই সময়ের মধ্যেই পর্ষদকে শেষ করতে হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: এগরায় বিস্ফোরণ হওয়া সেই বাজি কারখানার মালিক তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য

    Egra: এগরায় বিস্ফোরণ হওয়া সেই বাজি কারখানার মালিক তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরায় (Egra) বেআইনি বাজি কারখানার বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তভার গ্রহণ করল সিআইডি। সোমবার রাত ৯ টা নাগাদ সিআইডি-র একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। বোম্ব স্কোয়াডের টিমও রাতেই ঘটনাস্থলে যায়। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করেন। গোটা এলাকা ঘিরে দেওয়া হয়।

    বাজি বিস্ফোরণে মৃতদের বেশিরভাগই মহিলা

    এগরায় (Egra) খাদিকুল গ্রামে বাজি বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃতদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে। যার মধ্যে বেশিরভাগই মহিলা। প্রত্যেকেই বাজি কারখানার শ্রমিক ছিলেন। ইতিমধ্যে প্রত্যেকের পরিচয় জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতেরা হলেন অম্বিকা মাইতি, মাধবী বাগ, শ্যামাশ্রী মাইতি, কবিতা বাগ, মিনতি মাইতি, শক্তিপদ বাগ, জয়ন্ত জানা, বাপন মাইতি। তবে একজনের নাম এখনও জানা যায়নি। মৃত ও আহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের পরিবার পিছু আড়াই লক্ষ টাকা, আর আহতদের চিকিৎসার জন্য পরিবার পিছু এক লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ঘটনার পর থেকে বাজির মালিক কৃষ্ণপদ বাগ পলাতক।

    কে এই কৃষ্ণপদ বাগ?

    এগড়ায় (Egra) দাপটের সঙ্গে বেআইনি বাজি কারখানা চালাত বছর পঞ্চাশের কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু। প্রায় ৩০ বছর ধরে তার এই কারবার। বিভিন্ন জায়গায় বাজি প্রতিযোগিতায় সেরার তালিকায় ভানুর বাজি বিচরণ করত। গোটা বছর এলাকার সব থেকে জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলিতে বাজি প্রদর্শনী ছিল ভানুর নেশা। একসময় সে সিপিএম করলেও পরে শাসক দলে সে নাম লেখায়। একসময় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য ছিল সে। স্বাভাবিকভাবে সে স্থানীয় তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত ছিল। আর শাসক দলের নেতাদের মাথায় হাত থাকায় তার এই বেআইনি কারবারে পুলিশও তাকে ছুঁতে পারত না। তবে, এভাবে বেআইনি বাজি কারখানা চালাতে গিয়ে আগেও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে ভানু। সোমবারও অল্পের জন্য ভানু বেঁচে গিয়েছে বলেই প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। ঘটনার সময় বাজি কারখানার পাশের রান্নাঘরে ভানু ছিল। বাজি বিস্ফোরণে তার হাত ঝলসে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরেই জমি টপকে স্বপরিবারে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় সে।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অমরনাথ কে বলেন, এটি একটি বেআইনি বাজি কারখানা। আগেও ৩ থেকে ৪টি কেস হয়েছে এই কারখানার বিরুদ্ধে। একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছিল। তারপরেও অভিযুক্ত ব্যক্তি নতুন করে কারখানা তৈরি করেছে। অভিযুক্ত কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু বাগকে গ্রেফতার করার জন্য যাবতীয় প্রক্রিয়া চলছে। এরপর তদন্ত যত এগোবে সেই অনুযায়ী আমরা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব”।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য অনুপ চক্রবর্তী বলেন, ওই বাজি কারখানায় বোমা তৈরি হচ্ছিল। বাজি কারখানার মালিক তৃণমূল নেতা। স্বাভাবিকভাবে পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাস করতেই বোমা তৈরি করা হচ্ছিল। এলাকার মানুষদের সচেতন থাকার কথা বলছি।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তরুণ মাইতি বলেন, বাজি কারখানার মালিক আগে সিপিএম করত। তবে, এখন তৃণমূল করলেও আমার মিটিং, মিছিলে তাকে দেখিনি। তাকে আমি চিনি না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দেশে বর্ষা ঢুকছে ৪ জুন! রাজ্যে কবে? কী জানাল আবহাওয়া দফতর

    Weather Update: দেশে বর্ষা ঢুকছে ৪ জুন! রাজ্যে কবে? কী জানাল আবহাওয়া দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দুদিন ধরে বিকালে কালবৈশাখীর ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টিতে ভিজল পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জেলা। এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহে হাঁসফাস অবস্থা হয়েছিল রাজ্যবাসীর। তারপরের কয়েকদিনের বারিধারায় স্বস্তি মিলেছিল বটে কিন্তু পরে আবার বেড়েছিল গরম। একটি আবহাওয়া রিপোর্টে (Weather Update) তো বলা হয়েছিল যে মে মাসেও গরমের অস্বস্তি বাড়তেই থাকবে। ঠিক এই সময়টাতে চাতক পাখির মতো পশ্চিমবঙ্গবাসীও বসে রয়েছে বর্ষার আগমনের অপেক্ষায়। আবহবিদরা ক্যালকুলেশন করে মাপকাঠি স্থির করেছেন, বর্ষা দেশে ঢোকে প্রতি বছরে ১ জুন। এ কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে দেশের মধ্যে প্রথম বর্ষা ঢোকে ভারতের কেরল রাজ্যে‌। কিন্তু মৌসম ভবন (Weather Update)  জানাচ্ছে চলতি বছরে বর্ষা ১ জুন নয় দেশে ঢুকবে ৪ জুন অর্থাৎ চার দিন দেরি করছে বর্ষা আসতে। প্রতিবছর জুন মাসে বর্ষা আসার কথা থাকলেও কোন কোন বছর তার হেরফের ঘটে। দেখা যাচ্ছে, বিগত কয়েকবছরে নিয়ম মেনে বর্ষা দেশে ঢুকেছিল ২০২০ সালেই একমাত্র। সে বছর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আগমন ঘটে ১ জুন। ২০২১ সালে মৌসুমি বায়ু এসেছিল ৩ জুন। হাওয়া অফিসের রিপোর্ট (Weather Update)  অনুযায়ী ২০১৮ সালে নির্ধারিত সময়ের আগে এসেছিল বর্ষা, ২৯ মে। আবার গত বছরেও বর্ষা ঢুকে ছিল দেশে ২৯ মে। ২০১৯ সালে বর্ষা আট দিন দেরিতে ঢুকেছিল, ৮ জুন।

     

    পশ্চিমবঙ্গে কবে ঢুকছে বর্ষা?

    আবহবিদরা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা ঢোকার স্বাভাবিক সময় হচ্ছে ১০ জুন। হাওয়া অফিস (Weather Update)  জানাচ্ছে, কেরলে বর্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে বলেই যে পশ্চিমবঙ্গে বিলম্ব হবে এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই। এখনও পর্যন্ত আবহাওয়া দফতরের যে পূর্বাভাস তাতে দেখা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে বর্ষা ঢুকছে ৭ জুন, শিলিগুড়িতে ৮ জুন। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের সুন্দরবনে বর্ষা ঢোকার দিনক্ষণ নির্ধারণ করেছে হাওয়া অফিস ১০ জুন এবং কলকাতায় বর্ষার ঢুকবে ১১ জুন। যদিও এর পুরোটা নির্ভর করছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার উপর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ambulance: অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের দাদাগিরি! বেঘোরে প্রাণ গেল মুমূর্ষু রোগীর, আক্রান্ত পরিবারের লোকজন

    Ambulance: অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের দাদাগিরি! বেঘোরে প্রাণ গেল মুমূর্ষু রোগীর, আক্রান্ত পরিবারের লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাম্বুল্যান্স (Ambulance) চালকদের দাদাগিরি। আর তার জেরেই মৃত্যু হল এক মুমূর্ষু রোগীর। সোমবার রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের সালার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। মৃতের পরিবারের লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন। হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    সোমবার রাতে এক মুমূর্ষু রোগীকে সালার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে কলকাতায় রেফার করা হয়। রোগীর পরিবারের লোকজন পরিচিত এক অ্যাম্বুল্যান্স (Ambulance) চালককে হাসপাতালে ডেকে পাঠান। রিপন সেখ নামে ওই অ্যাম্বুল্যান্স চালক হাসপাতালে এসে রোগীকে গাড়িতে তোলেন। বের হওয়ার সময় হাসপাতালে থাকা অন্যান্য অ্যাম্বুল্যান্স চালকরা বাধা দেন বলে অভিযোগ। তাদের দাবি, হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্সে করেই রোগীকে নিয়ে যেতে হবে। বাইরের কোনও অ্যাম্বুল্যান্সে (Ambulance) করে রোগী নিয়ে যাওয়া যাবে না। অ্যাম্বুল্যান্স চালক রিপন সেখ বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ওই রোগীকে কলকাতা নিয়ে যাচ্ছি। তাই, ওরা আমাকে ডেকেছিল। এটা তো কোনও অপরাধ নয়। এদিন হাসপাতাল থেকে আমাকে রোগী নিয়ে যেতে বাধা দেওয়া হয়। এরপর আমি পিছনের রাস্তা ধরে অ্যাম্বুল্যান্স বের করে নিয়ে যাই। কিছুটা যাওয়ার পর কুলুর মোড়ে ওরা মাঝ রাস্তায় বুলেট রেখে আমাদের গাড়ি আটকায়। বাড়ির লোকজন কথা বলতে গেলে আরিফ সেখ, জিয়ারুল সেখ, সানি সেখ-এর নেতৃত্বে দলবল মিলে তাদের উপর হামলা চালায়। এরপর কোনওরকমে সেখান থেকে কিছুটা যাওয়ার পর রাস্তাতেই রোগীর মৃত্যু হয়। ওই অবস্থায় ফের সালার হাসপাতালে আমরা ফিরে আসি। জানা গিয়েছে, হাসপাতালে মৃতদেহ রেখে পরিবারের লোকজন বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    মৃতের ছেলে সাকিব আলি বলেন, হাসপাতালে অ্যাম্বুল্যান্স (Ambulance) চালকদের দাদাগিরির জন্য আমার মাকে অনেকক্ষণ আটকে রাখা হয়েছিল। পরে, আমাদের ওরা মারধর করে। সময়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে না পারার কারণে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। মায়ের মৃত্যুর জন্য এই অ্যাম্বুল্যান্স (Ambulance) চালকরা দায়ী। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Egra Blast: বাজির আড়ালে বোমা! এগরায় বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি সুকান্ত-শুভেন্দুর

    Egra Blast: বাজির আড়ালে বোমা! এগরায় বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরার খাদিকুল গ্রামে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে (Egra Blast) ইতিমধ্যেই ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত বেশ কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এগরায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।  বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ব্যর্থতার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    সুকান্তর দাবি

    এই ঘটনায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠল বলে অভিমত সুকান্ত মজুমদারের। তিনি বলেন, ‘এটাই তো পশ্চিমবঙ্গের শিল্প। তৃণমূল তো গোটা রাজ্যে বোমা বন্দুকের কারখানা করেছে। গোটা দেশে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে এই ধরণের ঘটনা ঘটে। আর মুখ্যমন্ত্রীর কোনও লজ্জাও নেই। এরকম নির্লজ্জ মুখ্যমন্ত্রী আমরা জীবনে দেখিনি যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। এতো পঞ্চায়েতের প্রস্তুতি হচ্ছে। আমি দেখলাম ক্ষতবিক্ষত দেহাংশ পড়ে আছে। ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেহ লোপাট হবে। আমরা দাবি করছি এর এনআইএ তদন্ত হোক। এই দাবিতে আমি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখছি’।

    এনআইএ তদন্তের দাবি

    মঙ্গলবার দুপুরে কেঁপে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রাম। বিস্ফোরণের তীব্রতায় একাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে গ্রামে পুলিশ ঢোকার চেষ্টা করতেই তাদের ঘিরে ধরে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, রাস্তায় ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে রয়েছে কয়েকটি দেহ। জখম হয়েছে আরও কয়েকজন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটেছে। সূত্রের খবর, বাজি তৈরির আড়ালে বোমা তৈরি হত। সেখান থেকেই এই বিস্ফোরণ। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে এগরা থানার পুলিশ।

    এ দিন সকাল এগারোটা নাগাদ কৃষ্ণপদ ওরফে ভানু বাগের বাড়িতে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে৷ বিস্ফোরণের জেরে গোটা বাড়িটি উড়ে যায়৷ ওই বাড়ির চারপাশেই ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে পড়েছিলেন মৃত এবং আহতরা। এই ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-কে দেওয়া হয়েছে৷ যদিও বিরোধীরা এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, এনআইএ তদন্তে রাজ্য সরকারের আপত্তি নেই৷

    আরও পড়ুন: ‘‘সঙ্ঘের পোশাকে থাকা ওই যুবক তৃণমূলের বুথ কমিটির সদস্য’’! তোপ সুকান্তর

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এগরার খাদিকুল গ্রামে একাধিক বাড়িতে অবৈধভাবে তৈরি হয় বাজি। প্রত্যেকটি বাড়িতে বেআইনিভাবে মজুত থাকে বাজির মশলা। কোন বৈধ লাইসেন্স নেই তাদের। পরিবারগুলি বাজি তৈরি করেই টাকা উপার্জন করে। বেশিরভাগ বাড়িতে এভাবেই বছরের পর বছর বাজি তৈরির কাজ চলছে। কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু বাগের বাড়িতে বিস্ফোরণ হতেই অবৈধ কারবার সামনে আসে।

    কে এই কৃষ্ণপদ বাগ?

    বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানু বাগ তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। পুলিশ এই ব্যক্তিকে আগেও গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু সে জামিন পেয়ে যায়। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এটি বেআইনি বাজি কারখানা। যার মালিক কৃষ্ণপদ বাগ। তাকে ২০২২ সালের ১৯ নভেম্বর গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে আদালত থেকে জামিন পায় সে। এই বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই পলাতক কৃষ্ণপদ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share