Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Tapas Saha: সিবিআই তলবে নিজাম প্যালেসে তাপস! জিজ্ঞাসাবাদে কী কী বিষয় উঠে এল?

    Tapas Saha: সিবিআই তলবে নিজাম প্যালেসে তাপস! জিজ্ঞাসাবাদে কী কী বিষয় উঠে এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহে বাড়িতে তল্লাশির পরে সোমবার রাতে নোটিশ পাঠিয়ে তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহাকে (Tapas Saha) ফের তলব করে সিবিআই। সেইমতো মঙ্গলবার সকালেই তাপস সাহা (Tapas Saha) পৌঁছে যান সিবিআইয়ের আঞ্চলিক অফিস নিজাম প্যালেসে। সেখানে তাঁকে একপ্রস্থ জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই।

    জিজ্ঞাসাবাদে কী কী বিষয় উঠে এল?

    সিবিআই সূত্রে জানা গেছে, তাপসের (Tapas Saha) ছেলে সাগ্নিক বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে আছেন। তাঁকেও ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সাগ্নিকের বয়ানের ভিত্তিতেই এ দিন বেলা ১১টা থেকে তাপসকে প্রশ্ন করা হয় দীর্ঘক্ষণ। জানা যাচ্ছে, তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে সাগ্নিকের অ্যাকাউন্টও। সিবিআই সূত্রে খবর, তাপস কীভাবে নিজের রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন? প্রবীরের সঙ্গে কীভাবে আলাপ? তাপসের নির্দেশে কি টাকা তুলতো প্রবীর ও অন্যান্যরা? তাপসের (Tapas Saha) থেকে ছেলের সঙ্গে লেনদেন রয়েছে কিনা?  এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় সিবিআই।

    তাপসের আপ্ত সহায়ক প্রবীর কয়ালের দাবি

    তদন্তকারীদের দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় তাপসের (Tapas Saha) আপ্ত-সহায়ক প্রবীর কয়াল তাঁদের জানিয়েছেন, তাপসের নির্দেশেই বাজার থেকে নিয়োগ দুর্নীতিতে টাকা তোলা হয়েছিল। কয়েক দফায় এক কোটি ৪২ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল প্রবীরের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। সেখান থেকে এক কোটি টাকা তুলে তিনি তাপসকে দিয়েছিলেন বলে প্রবীর সিবিআইয়ের কাছে দাবি করেছেন।

    সম্প্রতি তাপসের (Tapas Saha) তেহট্টের বাড়ি এবং প্রবীর-সহ তাপস-ঘনিষ্ঠ কয়েকজন তৃণমূল নেতানেত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। তাদের দাবি, সেই সব জায়গা থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়েছে।

    দলের একাংশের বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাতের অভিযোগ তাপসের (Tapas Saha)

    নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের আঞ্চলিক দফতরে ঢোকার সময় তাপস সাহা (Tapas Saha) বলেন, ‘‘আমি দলের গোষ্ঠী-দ্বন্দ্বের শিকার। আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। আমার দলীয় কর্মী ও জেলা পরিষদের এক সদস্য ষড়যন্ত্র করছেন। আমার আপ্ত-সহায়ক প্রবীর কয়াল নিজেকে বাঁচানোর জন্য এক-এক সময় এক-এক রকম কথা বলছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের প্রধান, অঞ্চল সভাপতি সহ ৩০ জন পদাধিকারীর গণ ইস্তফা! কেন?

    TMC: তৃণমূলের প্রধান, অঞ্চল সভাপতি সহ ৩০ জন পদাধিকারীর গণ ইস্তফা! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল তত প্রকাশ্যে চলে আসছে। ঘর গোছাতে যখন উত্তরবঙ্গে নবজোয়ার যাত্রায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যস্ত, তখন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর-২ ব্লকে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যার জেরে দলীয় নেতা থেকে শুরু করে পঞ্চায়েতের পদাধিকারীরা গণ ইস্তফা দিলেন।

    কতজন গণইস্তফা দিয়েছেন?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে দলীয় কর্মীদের কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূলের (TMC) শীর্ষস্থানীয় নেতারা। সেই সব নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই তৃণমূলের একদল নেতা, পঞ্চায়েত সদস্য পদত্যাগ করেছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পটাশপুর-২ ব্লকের মথুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি, অঞ্চল যুব সভাপতি, পঞ্চায়েত সদস্য, তৃণমূলের (TMC) বুথ কমিটির সভাপতি সহ মোট ৩০ জন তৃণমূলের পদাধিকারী ইস্তফা দিয়েছেন। এই পটাশপুর-২ ব্লকের মথুরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা ভগবানপুর বিধানসভার মধ্যে পড়ে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    গণইস্তফা প্রসঙ্গে কী বললেন পঞ্চায়েত প্রধান?

    দলের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করে এই গণইস্তফা বলে জানিয়েছেন তাঁরা। মূলত পঞ্চায়েত ভোটের আগে জেলা, ব্লক, অঞ্চল ও বুথ স্তর থেকে নেতৃত্বে রদবদল এনেছে তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। সেই মতোই বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি মথুরা পঞ্চায়েত এলাকায় অঞ্চল কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে জায়গা না পেয়ে ব্লক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দলবাজির অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং সেই সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন। মথুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অমিত মণ্ডল বলেন, ব্লক স্তরে দলীয় কোন্দল এবং দ্বিচারিতার জন্যই আমরা পদত্যাগ করেছি। তবে, আমি প্রধান হিসেবে একা নই, অধিকাংশ পঞ্চায়েত সদস্য পদত্যাগ করেছেন।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    কাঁথি সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের (TMC) সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন, দলকে ভালোবাসতে গিয়ে কর্মীরা অনেক আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। তাই কিছু কর্মী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদ থেকে পদত্যাগ করা কোনও সমাধান নয়। বরং, সকলে মিলে জোটবদ্ধ হয়ে বিজেপিকে বাংলা থেকে উত্খাত করতে হবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    গণ ইস্তফার বিষয়টিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপিও। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি স্বপন রায় বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে পরাজয় নিশ্চিত, বুঝে গেছে তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের নীচু তলার নেতা কর্মীরা। তাই এই গণ ইস্তফার সিদ্ধান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • STF: মেধাবী ছাত্রও জঙ্গি! এসটিএফের জালে যুবক, হতবাক এলাকাবাসী

    STF: মেধাবী ছাত্রও জঙ্গি! এসটিএফের জালে যুবক, হতবাক এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মামারবাড়িতে ঘুরতে এসে এসটিএফের (STF) জালে ধরা পড়ল এক যুবক। তাকে জঙ্গি সন্দেহে হুগলি থেকে গ্রেফতার করল রাজ্যের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) (STF)। হুগলির দাদপুরে মামার বাড়িতে গা ঢাকা দিয়ে সে ছিল। সেখানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে ধরা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ওই যুবকের নাম সেখ নাসিম। তাঁর মামার বাড়ি দাদপুরের আমড়া গ্রামে। অসুস্থ দিদিমাকে দেখতে রবিবার বিকালে দাদপুরে গিয়েছিল নাসিম। সেখানেই সে ছিল।

    ধৃত যুবক কোন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত?

    পুলিশ জানিয়েছে, নাসিমের বাড়ি মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে। সে আল কায়দার সঙ্গে জড়িত। বহু তথ্য-প্রমাণ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সে মৌলানা পাশ করে, পড়াশোনা করছিল পাঁশকুড়ায়। মাঝে মধ্যে সে হুগলির দাদপুরে আমড়া গ্রামে মামারবাড়িতে আসত। মামারবাড়িতে এসে সে কয়েকদিন থাকত। এই এলাকায় সে এই ধরনের কোনও কার্যকলাপ শুরু করেছিল কি না এসটিএফের (STF) আধিকারিকরা তা খতিয়ে দেখছেন।

    কী করে ধরা পড়ল সে?

    দাদপুরের আমড়া গ্রামে নাসিমের মামারবাড়িতে আচমকা পুলিশ হানা দেয়। বাড়িটিকে চারিদিকে ঘিরে ফেলা হয়। এরপরই এসটিএফের (STF) আধিকারিকরা বাড়িতে ঢোকেন। নাসিমের মামা গোলাম মোস্তাফা বলেন, দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ পেয়ে আমি বাইরের দরজা খুলে দেখি পুলিশ। জিজ্ঞাসা করে নাসিম কোথায়? নাসিম তখন দোতলার ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। এসটিএফের টিম এরপরেই উপরে উঠে যায়। তাকে ঘুম থেকে তুলে বাড়িতেই কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে দাদপুর থানায় নিয়ে যায়। অ্যারেস্ট মেমোতে সই করিয়ে কলকাতায় নিয়ে যায় তাকে। তিনি আরও বলেন, দিদিমার শরীর খারাপ থাকায় সে এখানে এসেছিল। পুলিশ বলছে ভাগ্নে জঙ্গি সংগঠনের কাজের সঙ্গে যুক্ত। মইনুদ্দিন নামে কাউকে সে চেনে কিনা জিজ্ঞাসা করছিল। ভাগ্নে বলেছিল সে এমন কোনও কাজে যুক্ত নয়।

    কী বললেন এলাকাবাসী?

    এসটিএফের এই অভিযানে রীতিমতো শোরগোল পড়েছে আমড়া গ্রামে। নাসিমের মামারবাড়ির সামনে গ্রামবাসীরা জড়ো হন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘নাসিম পড়াশোনায় খুব ভালো ছিল। পুলিশ এসে তাকে ধরে নিয়ে গেল। শুনলাম সে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। আমরা ভাবতে পারছি না।’

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: এবার মাথাভাঙাতেও অভিষেকের সভায় ব্যালট বক্স ছিনতাই! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মাথা ফাটল কর্মীর

    TMC: এবার মাথাভাঙাতেও অভিষেকের সভায় ব্যালট বক্স ছিনতাই! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মাথা ফাটল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে অভিষেকের সভায় বিশৃঙ্খলা চলছেই। মঙ্গলবার দুপুরে সাহেবগঞ্জ, গোঁসাইমারির পরে রাতে মাথাভাঙার কলেজে শুরু হয় দলেরই দুই গোষ্ঠীর মারামারি। একগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যালটবক্স ছিনতাইয়ের অভিযোগ তোলে অপর গোষ্ঠী। গণ্ডগোলের জেরে মাথা ফেটে যায় এক কর্মীর। পাশাপাশি, টি-শার্ট বিতরণকে কেন্দ্র করেও দলীয় কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তুমুল কাড়াকাড়ি, মারামারিতে হুলুস্থুল কাণ্ড বেঁধে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে আসরে নামতে হয় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে। বিরোধী মহলের কটাক্ষ, দলের ব্যালটই যখন ছিনতাই হয়ে যাচ্ছে, তখন সেখান থেকেই স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যাচ্ছে পঞ্চায়েত ভোটে শাসক দল কী করতে চলেছে!

    কী ঘটল মাথাভাঙায়?

    জানা গেছে, মাথাভাঙা ও পচাগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে এই গণ্ডগোল বেঁধে যায়। একে ওপরকে লক্ষ্য করে চলতে থাকে চেয়ার ছোড়াছুড়ি, এমনকী হাতাহাতিও হয়। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে এই খণ্ডযুদ্ধ। ব্যালট বক্স ভেঙে দেওয়ার ফলে আর ভোট হয়নি। মঙ্গলবার দুপুরে মাথাভাঙায় সভা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পর শুরু হয় প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া। আর তাকে ঘিরেই চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তৃণমূল নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে ভোট না দিতে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। দেখা যায় ব্যালট বাক্সের পাশেই জ্ঞান হারিয়ে পড়ে রয়েছেন এক তৃণমূল কর্মী (TMC)। সব কিছু মিলিয়ে দলীয় ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়।

    অভিষেকের হুঁশিয়ারিই সার!

    তৃণমূলের (TMC) নবজোয়ার কর্মসূচিতে দফায় দফায় মারামারি, হাতাহাতির ঘটনা ঘটেই চলেছে। অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ভোটের মাধ্যমে দল প্রার্থী ঠিক করবে! আর সেখানেই যত বিপত্তি। সকালে সাহেবগঞ্জ ও গোঁসানিমারির ঘটনার পর এদিন রাতেও মাথাভাঙার ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যে অভিষেকের সতর্কবার্তার পরেও কোনও কাজ হয়নি। এবার অভিষেক তথা জেলার তৃণমূল নেতারা কী ব্যবস্থা নেন, সেই দিকেই নজর রয়েছে সকলের। একের পর এক বিশৃঙ্খলায় বিরোধী দলগুলি যে অক্সিজেন পেয়ে যাচ্ছে, একথাও চুপিসারে স্বীকার করছেন শাসক দলের বেশ কিছু নেতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: বাংলা ও দিল্লিতে অয়নের ২০টি ফ্ল্যাট, ৫টি দামি গাড়ি! ইডি-র রেডারে ছেলের বান্ধবীও

    Recruitment Scam: বাংলা ও দিল্লিতে অয়নের ২০টি ফ্ল্যাট, ৫টি দামি গাড়ি! ইডি-র রেডারে ছেলের বান্ধবীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় এবার ধৃত অয়ন শীলের নামে-বেনামে ২০টি ফ্ল্যাটের হদিশ মিলল। কেবল বাংলা নয়, রাজধানী দিল্লিতেও অয়নের ফ্ল্যাট রয়েছে। এছাড়া একাধিক দামি গাড়িও রয়েছে। যার মধ্যে একটি অয়ন ঘনিষ্ঠ শ্বেতা এবং অন্যটি স্ত্রী কাকলি শীলের নামে। ফ্ল্যাট-গাড়ির পাশাপাশি তাঁর নামে এবং বেনামে রয়েছে বহু জমিও। মঙ্গলবার বিশেষ আদালতে এমনই তথ্য পেশ করেছে ইডি।

    অন্যদিকে, অয়ন শীলের তরফে জামিনের আবেদন জানানো হলেও শেষ পর্যন্ত ইডি-র আবেদন মেনেই সেটা খারিজ করে দেয় আদালত। আগামী ৮ মে পর্যন্ত অয়নকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক শুভেন্দু সাহা। ইডি সূত্রে খবর, প্রোমোটার হিসাবে পরিচিত অয়ন নিজের ফ্ল্যাট নিজেকেই বেচতেন। আয়কর ফাঁকি এবং সম্পত্তি বাড়ানোর এমন কৌশলই নিয়েছিলেন অয়ন।

    অয়ন-পুত্রের বান্ধবীকেও তলব ইডির

    অন্যদিকে, রাজ্যে শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) এ বার অয়ন শীলের পুত্র অভিষেকের ‘পরিচিত’ ইমন গঙ্গোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। যদিও ইমনকে নিজের ‘বান্ধবী’ বলতে আগে অস্বীকার করেছিলেন অয়ন-পুত্র। বুধবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে (কলকাতায় যেখানে ইডির দফতর রয়েছে) ইমনকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। 

    অয়ন-পুত্র অভিষেকের ভূমিকাও তদন্তকারীদের আতশকাচের তলায় আসে। ইমন এবং অভিষেক যৌথ মালিকানায় একটি পেট্রল পাম্প কিনেছিলেন বলে হলফনামায় জানিয়েছিল ইডি। সরকারি সিলমোহর থাকা ওই নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে ১ কোটি টাকায় পেট্রল পাম্পটি কেনা হয়েছিল। গুড়াপে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে প্রায় সাড়ে ৩ বিঘা জমির উপর এই পেট্রল পাম্প অভিষেক এবং ইমন কিনেছিলেন কলকাতার বিডন স্ট্রিটের বাসিন্দা নন্দগোপাল শুক্ল, অজয় শুক্ল এবং আশিস শুক্লর কাছ থেকে। স্থানীয়দের কাছে পাম্পটি ‘শুক্ল পাম্প’ নামেই পরিচিত। শুধু তাই নয়, কলকাতায় বন্ডেল রোডের উপরে অভিষেক এবং ইমন যৌথ মালিকানায় একটি ফার্ম খুলেছিলেন। তার নাম দিয়েছিলেন ‘ফসিল্‌স’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj and Kaliachak: জ্বলছে কালিয়াগঞ্জ! একই ঘটনা কালিয়াচকে, রাজ্যের রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    Kaliaganj and Kaliachak: জ্বলছে কালিয়াগঞ্জ! একই ঘটনা কালিয়াচকে, রাজ্যের রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জ ও কালিয়াচকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের (Kaliaganj and Kaliachak incident) অভিযোগের ঘটনা এবং তার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নের (Nabanna) কাছে রিপোর্ট তলব করল রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিপি’কে চিঠি পাঠানো হয় রাজভবন থেকে। শীঘ্রই দিল্লি সফর কাটছাঁট করে কলকাতায় ফিরছেন রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, পরপর দু’টো একই ঘটনা নিয়ে বর্তমানে উত্তপ্ত উত্তরবঙ্গ। বুধবার সেই নিয়েই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে আসছেন বিজেপির উত্তরবঙ্গের আট বিধায়ক।

    উত্তাল কালিয়াগঞ্জ

    ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে উত্তাল উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj and Kaliachak incident)। গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকাতে। মঙ্গলবার কার্যত ব্যাপক আকার নিয়েছে এই ঘটনা। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে কালিয়াগঞ্জ থানা। এমনকী একাধিক গাড়ি-বাইক পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই পুলিশের দিকে ঢিল, ইট ছোড়া হতে থাকে। পথ চলতি মানুষ ও সংবাদমাধ্যমের দিকেও ইট ছোড়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পালটা কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে র‌্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স নামানো হয়। শেষমেশ আন্দোলনকারীরা কালিয়াগঞ্জ থানার একটি অংশে আগুন ধরিয়ে দেয়। থানার একটি পাঁচিলও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

    উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    কালিয়াগঞ্জের ছবি দেখেই রাজ্যের ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবের সঙ্গে কথা বলেন উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। জানা গিয়েছে, সেই ফোনালাপে এই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা নাকি মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে রাজ্যপালকে জানান বলে খবর। আজ বুধবার দিল্লিতে একাধিক কর্মসূচি ছিল রাজ্যপাল বোসের। বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকেও বসার কথা ছিল রাজ্যপালের। কিন্তু যেভাবে কালিয়াগঞ্জের ঘটনা ঘিরে মঙ্গলবার পরিস্থিতি ব্যাপক আকার নেয় তাতে তড়িঘড়ি কলকাতাতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুন: সামনেই ভোট, জেনে নিন জাতীয় পঞ্চায়েতি রাজ দিবসের গুরুত্ব এবং ইতিহাস

    রিপোর্ট তলব

    অন্যদিকে, কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ও তাঁর মৃত দেহ পুলিশের টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশন (National Commission for Protection of Child Rights)। জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন জানিয়েছে, মানুষের একটি মৃতদেহকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া ও সম্মান দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কালিয়াগঞ্জের ঘটনার ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। রাজ্যের মুখ্য সচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব করেছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশন। আগামী ৬ সপ্তাহের মধ্যে এই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। তদন্ত কতদূর হয়েছে, মৃতার পরিবারকে কী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণ দিতে হবে। ওই দেহ টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কতজনকে কী শাস্তি দেওয়া হয়েছে তা নিয়েও জানাতে হবে রিপোর্টে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: থানায় আগুন, পুলিশকে ইট! গণধর্ষণকাণ্ড নিয়ে ফের অগ্নিগর্ভ কালিয়াগঞ্জ, কেন?

    Kaliaganj: থানায় আগুন, পুলিশকে ইট! গণধর্ষণকাণ্ড নিয়ে ফের অগ্নিগর্ভ কালিয়াগঞ্জ, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল রাজবংশী এবং আদিবাসী সংগঠনের যৌথমঞ্চের। আর সেই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানা চত্বর। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয়। পুলিশের রাইফেল ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রথমে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পরে, টিয়ার গ্যাস ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। পরে, আন্দোলনকারীরা থানার পাঁচিল ভেঙে ভিতরে ঢুকে যায়। পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুন লাগানো হয় থানার একটি ঘরেও।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ২১ এপ্রিল কালিয়াগঞ্জের পালোইবাড়ি এলাকার পুকুর পাড় থেকে উদ্ধার হয় দ্বাদশ শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ। ঘটনায় ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে সরব হয় মৃতার পরিবার ও গ্রামবাসীরা। ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিতে পরপর কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ ও আন্দোলন চলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পালোইবাড়ি সাহেবঘাটা সংলগ্ন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে পুলিশ। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এদিন থানায় ডেপুটেশনকে কেন্দ্র করে এলাকা উত্তাল হয়ে ওঠে। ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে এদিন আন্দোলন নামে রাজবংশী তফশিলি ও আদিবাসী সংগঠন গুলির সমন্বয় কমিটি। মঙ্গলবার তাদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠে কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) কালীবাড়ি সংলগ্ন এলাকা। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু করে তারা। ঘটনায় পিছু হঠতে দেখা যায় পুলিশকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে নামানো হয় কমব্যাট ফোর্স ও বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বিক্ষোভকারীদের ধরতে পালটা দৌড় শুরু করে পুলিশ ও কমব্যাট ফোর্স। ঘটনায় এক বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ। এরপরই আন্দোলনকারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। থানার পাঁচিল ভাঙার পাশাপাশি থানায় আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। আগুন ধরানো হয় থানার একটি গাড়িতেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rabindra Bharati University: পুরসভাকে ভৎর্সনা কোর্টের! রবীন্দ্রভারতীতে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে নির্দেশ

    Rabindra Bharati University: পুরসভাকে ভৎর্সনা কোর্টের! রবীন্দ্রভারতীতে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Rabindra Bharati University) ভিতরে বেশ কিছু বেআইনি নির্মাণ। গজিয়ে উঠেছিল শাসকদলের পার্টি অফিসও। আর তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Rabindra Bharati University) ভিতরে বেআইনি নির্মাণ আছে সেগুলি অবিলম্বে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এমনকী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে রাজনৈতিক দলের প্রতীক, পতাকা–সহ যাবতীয় সরঞ্জাম সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। প্রসঙ্গত, জোড়াসাঁকোয় হেরিটেজ স্বীকৃতি পাওয়া ভবনের অব্যবহৃত ঘর ভেঙে বেআইনি ভাবে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন জনৈক স্বদেশ মজুমদার। মামলাকারীর আইনজীবী শ্রীজিব চক্রবর্তী এদিন আদালতে উল্লেখ করেন, বলা হয়, জোড়াসাঁকো ‘গ্রেড ওয়ান হেরিটেজ’। অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। যেখানে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের ‘শিক্ষাবন্ধু সমিতি’ নামে একটি সংগঠনের কার্যালয় তৈরি হয়েছে।তা হেরিটেজের অনুমতি ছাড়াই হয়েছে। এক্ষেত্রে ২১ নভেম্বরে হাইকোর্টের নির্দেশও উল্লেখ করেন তিনি। সেখানে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলতে হবে। আইনজীবী উল্লেখ করেন, আদালতের নির্দেশের পরেও কাজ হয়নি। আগের পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। হেরিটেজ কমিটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে।

    কী বললেন বিচারক

    জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ ক্যাম্পাসের অন্দরের সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। এই হেরিটেজ ভবনকে আগের অবস্থায় ফেরাতেই এমন নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এমনকী আদালতের নির্দেশ কার্যকর করে ৪৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে কলকাতা পুরসভাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সূত্রের খবর, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর কলকাতা পুরসভা প্রস্তুতি নিচ্ছে এই বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলতে। কলকাতা পুরসভাকে উদ্দেশ্য করে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ‘দ্রুত এই নির্মাণ ভাঙা দরকার। বুধবারের মধ্যে ভেঙে ফেলুন। সবাই মেনে নিয়েছে সেখানে নিয়ম মেনে নির্মাণ হয়নি। তাই আর ফেলে রাখার প্রয়োজন নেই।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: তৃণমূলের ‘নবজোয়ার’ কর্মসূচিতে ব্যাপক গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, মারামারি, ছেঁড়া হল ব্যালট   

    Abhishek Banerjee: তৃণমূলের ‘নবজোয়ার’ কর্মসূচিতে ব্যাপক গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, মারামারি, ছেঁড়া হল ব্যালট   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayet Polls) আগে ঘর গুছোতে ‘নবজোয়ার’ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তৃণমূল (TMC)। মঙ্গলবার কোচবিহারে শুরু হয়েছে সেই কর্মসূচি। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) জানিয়েছিলেন ‘গ্রাম বাংলা মতামত’ কর্মসূচির আওতায় গোপন ব্যালটে ভোট নিয়ে হবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা। সেই কর্মসূচিকে ঘিরেই এদিন কোচবিহারে দেখা গেল চরম বিশৃঙ্খলা। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মারামারি, হুড়োহুড়ি মায় ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটল। ঘটনায় যারপরনাই বিব্রত তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। শেষমেশ অভিষেক ঘোষণা করলেন, কেন এই ঘটনা ঘটল, তা তদন্ত করে দেখতে বলা হয়েছে জেলাশাসককে। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানান, বুধবার ওই জায়গায়ই ফের ভোট হবে প্রার্থী বাছাইয়ের।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভায় বিশৃঙ্খলা…

    এদিন সাহেবগঞ্জ ও গোঁসানিমারি এলাকায় জনসভা করেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। পঞ্চায়েতে কারা প্রার্থী হবেন, তা জানতে গোপন ব্যালটে ভোট দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন এই তৃণমূল নেতা। প্রথমে তিনি সভা করেন সাহেবগঞ্জে। পরে যান গোঁসানিমারি হাইস্কুল মাঠের সভায়। বক্তৃতার শেষে অভিষেক জানান, মঞ্চে ব্যালট বাক্স রেখে যাচ্ছেন। উপস্থিত তৃণমূল নেতা-কর্মী-সমর্থকরা যেন নিজেদের প্রার্থী বাছাই শুরু করেন। বক্তৃতা শেষ করে শীতলখুচির উদ্দেশে রওনা দেন অভিষেক। তার পরেই শুরু হয় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা। হুড়োহুড়ি করে যে যেখানে ছিলেন মঞ্চে ওঠার চেষ্টা করেন। কয়েকজন ব্যালট বাক্স নিয়ে পালানোর চেষ্টাও করেন। কয়েকজন আবার তাঁদের বাধা দেন।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে এবার তাপসকে তলব সিবিআইয়ের, হাজিরা বুধেই

    ব্যালট বাক্স নিয়ে দু পক্ষে কার্যত চলতে থাকে দড়ি টানাটানি খেলা। কয়েকজনকে আবার ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলতে দেখা যায়। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি, মারামারি। ব্যালট বাক্স ভেঙে ফেলাও হয়েছে বলে অভিযোগ। বাক্স থেকে কয়েকজনকে ব্যালট পেপার বের করে ফেলতেও দেখা যায়। হট্টগোল পরিস্থিতির মোকাবিলায় পুলিশ মঞ্চ থেকে ঠেলে নামিয়ে দেয় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের। মঞ্চের নিচে পুলিশের সামনেই ফের একপ্রস্ত মারামারি শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে।

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Abhishek Banerjee) রাজ্যের সিংহভাগ আসনেই বিরোধীদের প্রার্থী দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পরে অবশ্য অবাধ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে রাজ্যের শাসক দলের পক্ষ থেকে। এমতাবস্থায় দলীয় প্রার্থী নির্বাচন নিয়েই ঘটে গেল ব্যালট পেপার ছিনতাই, ব্যালট বাক্স ভাঙচুরের মতো ঘটনা। প্রত্যাশিতভাবেই অশনি সংকেত দেখছেন বিরোধীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ত্রিপল কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল তৃণমূল নেতার! জেলা জুড়ে শোরগোল

    TMC: ত্রিপল কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল তৃণমূল নেতার! জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ত্রিপল কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল তৃণমূলের (TMC) অঞ্চল সভাপতির। বন্যা, দুর্গতদের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রিপল নিজের বাড়িতে মজুত করে রেখে ভোটের আগে বিলি করছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হতেই মালদহের মানিকচকের বালুটোলা জিসারটোলা এলাকায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি সহ কয়েকজনের থানায় অভিযোগও হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ত্রিপলের মধ্যে বিশ্ব বাংলা লোগো রয়েছে। সরকারি স্ট্যাম্প রয়েছে। এই ধরনের ত্রিপল সাধারণত ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা দুর্গতদের বিলি করা হয়। সেই ত্রিপল মজুত রয়েছে তৃণমূলের (TMC)  গোপালপুর অঞ্চলের সভাপতি মহম্মদ নাসিরের বাড়িতে। মঙ্গলবার জিসারটোলা এলাকায় সরকারি ত্রিপল তৃণমূল (TMC) নেতা বিলি করছিল বলে অভিযোগ। স্থানীয় তৃণমূল নেতা আসিদুর রহমানের বাড়ি থেকে সরকারি সিলমোহর লাগানো ত্রিপল বিলি করা হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ত্রিপল চাইতে গেলে তাঁদের ত্রিপল দেওয়া হয়নি। এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয় বচসা। পরে, এলাকাবাসীদের একাংশ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

    ত্রিপল বিলি নিয়ে কী বললেন এলাকাবাসী ?

    স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ ইফতাজুল বলেন, বন্যার সময় ত্রিপল বিলি হয়। এখন তো বন্যা নেই, তাহলে ত্রিপল বিলি করা হচ্ছে কেন? আসলে জিসারটোলা এলাকায় প্রার্থী হওয়ার জন্য সরকারি ত্রিপল বিলি করা চলছিল। আমরা একটি ত্রিপলের নমুনা সংগ্রহ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। রাকেশ আলি অন্য এক বাসিন্দা বলেন, তৃণমূলে (TMC) ভোট দেওয়ার কথা কেউ বললেই তার হাতে ত্রিপল তুলে দেওয়া হচ্ছিল। আমরা গিয়ে প্রতিবাদ করি। এনিয়ে আমাদের সঙ্গে বচসা হয়। আমরা থানায় তৃণমূল (TMC) নেতাদের নামে অভিযোগ দায়ের করেছি। জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা মহম্মদ নাসির, আসিদুর রহমান, আজাহার আলী সহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC)  নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) গোপালপুর অঞ্চলের সভাপতি নাসির সেখ বলেন,বিরোধীরা কোনও ইস্যু পাচ্ছে না বলে এসব রটাচ্ছে। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ। ত্রিপল বিলি হচ্ছে এমন ঘটনা আমার জানা নেই।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    বিজেপি নেতা গৌর মণ্ডল বলেন, বন্যার সময় সাধারণ মানুষ ত্রিপল পাননি। আর সেই ত্রিপল এখন বিলি করে মানুষের ভোট পাওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল (TMC)। সরকারি ত্রিপল নিয়ে ওরা রাজনৈতিক ফয়দা তোলার চেষ্টা করছে। আমরা তা ভাবতে পারছি না। এই ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা করছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share