Blog

  • Titagarh: মমতার দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা ঢুকল তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে!

    Titagarh: মমতার দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা ঢুকল তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা পুজোয় সরকারি অনুদান দেওয়া নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি সামনে এল। সরকারি অনুদানের টাকা তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে টিটাগড় (Titagarh) পুরসভা এলাকায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি সরব হয়েছে। এমনকী, হাইকোর্টে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিরোধী দল।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Titagarh)

    মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা টিটাগড় (Titagarh) বিবেকনগর পুজো কমিটির বদলে কমিটির জেনারেল সেক্রেটারির ব্যক্তিগত কোম্পানির অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে অভিযোগ। পুজো কমিটির সেক্রেটারির নাম দেবব্রত ভট্টাচার্য। তিনি আবার তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী ভট্টাচার্যের স্বামী। তাঁর কোম্পানির অ্যাকাউন্টে সরকারি টাকা ঢুকেছে। দেবব্রত বলেন, “কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকলে জেনারেল সেক্রেটারির ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ঢোকে। সেখান থেকে খরচ করা হয়। এটা সর্বজনীন। যদি প্রোটোকল না থাকত, আমাকে তো চেক দিতই না ট্রেজারি থেকে। আমাকে ম্যালাইন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

    দেবব্রতর স্ত্রী কাউন্সিলর মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেন, “যে সমস্ত পুজো কমিটির অ্যাকাউন্ট নেই, সেক্রেটারি বা কারও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে টাকা আসে। টিটাগড় থানা থেকে এবার একটা অর্ডার এসেছে, ২০২৩ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত পুজো কমিটি নিজেদের অ্যাকাউন্টে টাকা নিত, ২০২৪ থেকে তা হবে না। পুজো কমিটির অ্যাকাউন্টেই টাকা নিতে হবে। গতবার নিয়ম ছিল। অনেকে বিষয়টার ভিতরে ঢুকছে না। ভাবছে সেক্রেটারির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে, সেক্রেটারি টাকা নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু, সবটাই ভুল। সঙ্গে সঙ্গে পুজোর অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: পরপর মন্দিরে হামলা, নেতাকে হত্যা! বাংলাদেশে ফের টার্গেট হিন্দুরা

    দলীয় কাউন্সিলরও সরব হয়েছেন

    কাউন্সিলর বা তাঁর স্বামী যা সাফাই দিন না কেন, তা মানতে নারাজ দলেরই একাংশ। এ প্রসঙ্গে বিবেকনগরের পুজো কমিটির সঙ্গে এক সময় যুক্ত এবং টিটাগড় (Titagarh) পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা প্রশান্ত চৌধুরী বলেন “আমাদের প্রতিটা পুজো কমিটির সঙ্গে দীর্ঘদিন আমি জড়িত। প্রতিটি পুজো কমিটিরই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত এই পুজোর সঙ্গেও ছিলাম। ২০২২ থেকে আমি খুব একটা জড়িত নই। যেহেতু অন্য জায়গায় কাউন্সিলর হয়েছি, সেখানে পুজো হয়। এটা কী করে হল আমার মাথায় আসছে না। একটা কোম্পানির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে দেখলাম।”

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করা দুর্গাপুজোর ক্লাবগুলিকে সরকারি টাকা অনুদান দেওয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই সরব বিজেপি। দীর্ঘদিন ধরেই এর প্রতিবাদ করে আসছে বিজেপি। গেরুয়া শিবির, একাধিকবার দাবি করেছে, দুর্গাপুজোর আড়ালে এভাবে দলের একাংশের তুষ্টিকরণ করা হচ্ছে। সেই দাবি যে অমূলক নয়, তার প্রমাণ ফের একবার মিলল এদিন। এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী বলেন, ‘‘সরকারি অনুদানের টাকা এভাবে ব্যক্তিগত কারও অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারে না। এর তদন্ত হওয়া দরকার। আমি সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি দেব। হাইকোর্টে মামলাও দায়ের করব।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: ‘জামাতের হাতে রাশ, নেপথ্যে পাকিস্তান’! হিংসা নিয়ে দিল্লিকে কী জানাল ঢাকা?

    Bangladesh Protest: ‘জামাতের হাতে রাশ, নেপথ্যে পাকিস্তান’! হিংসা নিয়ে দিল্লিকে কী জানাল ঢাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়ে বাংলাদেশে (Bangladesh Protest) শুরু হওয়া নতুন ছাত্র আন্দোলনে সংঘর্ষের জেরে ইতিমধ্যেই অন্তত ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ মৃতদের মধ্যে বিক্ষোভকারীরা যেমন রয়েছেন, সেরকমই রয়েছেন প্রায় ১৫ জন পুলিশকর্মী৷ বিক্ষোভে লাগাম টানতে রবিবার সন্ধে থেকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার৷ এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থাকা ভারতীয়দের জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে বিদেশমন্ত্রক৷ ভারতীয়দের বাংলাদেশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে৷ যাঁরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশে রয়েছেন, তাঁদের চূড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে৷ 

    সোমবারও উত্তপ্ত পড়শি দেশ

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মঞ্চের পক্ষ থেকে সোমবার ঢাকা অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে৷ এই অভিযানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আন্দোলনকারীদের ঢাকায় আসতে বলা হয়েছে৷ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের পরিবর্তে তারা আজ, সোমবারই ঢাকায় ছাত্র- নাগরিক অভ্যুত্থানের ডাক দিয়েছেন৷ মূলত ঢাকা সংলগ্ন জেলাগুলি থেকে ছাত্র এবং আন্দোলনকারীদের যেভাবে সম্ভব ঢাকায় আসতে বলা হয়েছে৷ প্রধানমন্ত্রীর (Sheikh Hasina) পদত্যাগের দাবিতে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে স্টুডেন্টস এগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন নামে আন্দোলকারী সংগঠন ৷ সংঘর্ষে লাগাম টানতে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে (Bangladesh Protest)  ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে৷ ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ ৪জি ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

    পাকিস্তানের মদত

    সরকারি সূত্রে খবর, আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণ এখন জামাতের হাতে চলে গিয়েছে বলে দিল্লিকে জানিয়েছে ঢাকা। জামাতের ছাত্র সংগঠনের পিছনে ঢাকার পাকিস্তানি হাইকমিশনের মদত রয়েছে বলেও জানিয়েছে শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) সরকার। মূলত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে নতুন করে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেছে বাংলাদেশের (Bangladesh Protest) ছাত্রদের একাংশ ৷ অভিযোগ, রবিবার সকালে আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা যখন অসহযোগ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন, তখন আওয়ামি লিগ, ছাত্র লিগ এবং যুব লিগের সদস্য ও সমর্থকরা বাধা দেন ৷ আর তার জেরে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। যদিও নতুন করে ছড়িয়ে পড়া হিংসার পিছনে নাশকতামূলক ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ তাঁর দাবি, ছাত্র নয়, আন্দোলনের নামে এই হিংসা ছড়ানোর পিছনে রয়েছে সন্ত্রাসবাদীরা৷ দেশবাসীর কাছে শক্ত হাতে এই সন্ত্রাসবাদীদের দমন করার অনুরোধ করেছেন তিনি৷

    আরও পড়ুন: পরপর মন্দিরে হামলা, নেতাকে হত্যা! বাংলাদেশে ফের টার্গেট হিন্দুরা

    ভারতীয়দের সতর্কতা

    এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের (Bangladesh Protest) সিলেটে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের অফিস থেকে একটি অ্যাডভাইসরি প্রকাশ করা হয়েছে এক্স হ্যান্ডেলে ৷ সেখানে থাকা ভারতীয়দের জন্য জরুরি ক্ষেত্রে একটি ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে ৷ হাইকমিশনের সেই অ্যাডভাইসরিতে বলা হয়েছে, “সিলেটে অবস্থিত ভারতের হাইকমিশনের এই সহকারী অফিসের অন্তর্গত এলাকায় বসবাসকারী ভারতীয়দের বলা হচ্ছে, আপনারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলুন ৷ পাশাপাশি, প্রতি মুহূর্তে সতর্ক থাকুন ৷”  

    কোনও প্রয়োজনে জরুরি ফোন নম্বর ব্যবহার করে ঢাকার ভারতীয় দূতাবাসে যোগাযোগ করার জন্যও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশে থাকা ভারতীয়দের৷ ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের নম্বরগুলি হল- +৮৮০১৯৫৮৩৮৩৬৭৯, +৮৮০১৯৫৮৩৮৩৬৮০, +৮৮০১৯৩৭৪০০৫৯১৷ বাংলাদেশের এই সংঘর্ষে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জও৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: পরপর মন্দিরে হামলা, নেতাকে হত্যা! বাংলাদেশে ফের টার্গেট হিন্দুরা

    Bangladesh: পরপর মন্দিরে হামলা, নেতাকে হত্যা! বাংলাদেশে ফের টার্গেট হিন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবারই বাংলাদেশে (Bangladesh) নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় জামাতে ইসলামি ও তার ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র শিবিরকে। জামাত নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে শুরু হয় সংঘর্ষ, দিকে দিকে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। রবিবারই বাংলাদেশে নিহত হন ১০০ জন। আন্দোলনের নামে যে হিংসা চলছে বাংলাদেশে, সেখানে বেছে বেছে টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের (Hindus Under Attack)। সরকারি সূত্রে খবর মিলেছে, আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণ এখন জামাতের হাতে চলে গিয়েছে বলে দিল্লিকে জানিয়েছে ঢাকা। জামাতের ছাত্র সংগঠনের পিছনে ঢাকার পাকিস্তানি হাইকমিশনের মদত রয়েছে বলেও জানিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার।

    আক্রান্ত হিন্দু, ছায়া দেখা যাচ্ছে দেশভাগ ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার (Bangladesh)

    বাংলাদেশের এই হিংসায় দেশভাগ ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ছায়া ফুটে উঠেছে। ফের যেন বাংলাদেশে ফিরে এসেছে রাজাকাররা। আন্দোলনের নামে আক্রমণ চালানো হয়েছে ইস্কনের মন্দির, কালী মন্দির সমেত হিন্দুদের একাধিক ধর্মস্থানে (Hindus Under Attack)। বাদ যাচ্ছে না হিন্দুদের ঘরবাড়িও। নিষিদ্ধ হওয়ার পরই মুখোশ খুলে বেরিয়ে আসছে এই জঙ্গি সংগঠনের। পরিকল্পিতভাবে ব্যাপকহারে হিন্দুদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করে দেশকে অশান্ত করতে চাইছে তারা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হিন্দু নিধন করে সরকারকে চাপ দিতে চাইছে জামাত। এর পাশাপাশি, সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুর দেশ ভারতকেও উস্কানি দিতে চাইছে তারা।

    রংপুরের একজন হিন্দু কাউন্সিলরকে হত্যা করা হয়

    রবিবার বাংলাদেশে (Bangladesh) যে হিংসা ছড়ায় সেখানে রংপুরের একজন হিন্দু কাউন্সিলরকে হত্যা করা হয়। জানা গিয়েছে, নিহত ওই কাউন্সিলরের নাম কাজল রায়। এরপর রবিবার সন্ধ্যা ছ’টা থেকেই কার্ফু জারি করা হয়েছে এবং তা আপাতত চলবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের সরকার (Hindus Under Attack)। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক হয়েছে যে রবিবার থেকেই ব্যাঙ্ক সহ সমস্ত প্রতিষ্ঠান তিন দিন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে হাসপাতাল, জল, গ্যাস, বিদ্যুতের মতো জরুরি পরিষেবাগুলি চালু থাকছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন যে, দুদিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে ।

    হিংসাত্মক আন্দোলন সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে

    সে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক নাজমুল আহসান বলছেন, ‘‘ক্রমশই আন্দোলন হিংসাত্মক ও সাম্প্রদায়িক (Hindus Under Attack) রূপ নিয়েছে এবং এগুলি বেশিরভাগই ছড়ানো হচ্ছে সমাজ মাধ্যমের পাতা থেকে। এ কারণে সোশ্যাল মিডিয়াকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’’ হিংসা এতটাই বেড়েছে যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয় শেখ সোহেলের বাড়িতেও বিক্ষোভকারীরা আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ হিংসা । রাজবাড়ি জেলায় ভাঙচুর করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মূর্তি।

    মদত দিচ্ছে চিন? 

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ‘‘এমন সহিংস আন্দোলন বাংলাদেশের কার্যত নজিরবিহীন, আগে কখনও দেখা যায়নি। সরকার ফেলার জন্য এভাবেই বাংলাদেশকে (Bangladesh) অস্থির করতে চাইছে উপমহাদেশের বাইরে কোনও বড় শক্তি।’’ বোঝাই যাচ্ছে, উপমহাদেশের বাইরে এই শক্তি হল চিন। হাসিনা সরকারের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা আজ চিনের মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাই যে কোনও মূল্যে হাসিনা সরকারের পতন ঘটিয়ে ভারত বিরোধী জামাতকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে চায় চিন। অর্থাৎ পাকিস্তান ও চিন বাইরে থেকে কলকাঠি নাড়ছে, ভিতরে তাদের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছে জামাত। উদ্দেশ্য একটাই, বাংলাদেশে ভারত বিরোধী সরকার প্রতিষ্ঠা (Hindus Under Attack)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: ব্রিটেন ম্যাচে ভারতকে হারাতে ষড়যন্ত্র! আইওসি-তে অভিযোগ হকি ইন্ডিয়ার

    Paris Olympics 2024: ব্রিটেন ম্যাচে ভারতকে হারাতে ষড়যন্ত্র! আইওসি-তে অভিযোগ হকি ইন্ডিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) হকির মঞ্চে ভারতকে হারাতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। দীর্ঘ ৪১ বছরের খরা কাটিয়ে টোকিওতে পদক জিতেছিল ভারতীয় পুরুষ হকি দল (Hockey India)। এবার প্রত্যাশা আরও বেশি। দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন হরমনপ্রীতরা। পদকের আশা দেখাচ্ছে ভারতীয় দল। তবে আম্পায়ারিং চিন্তায় রাখছে ভারতকে। গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ম্যাচে বারবার ভুল আম্পায়ারিংয়ের শিকার হয়েছে মেন ইন ব্লু। এমনকী অভিযোগ, পেনাল্টি শুট আউটের সময় ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে গ্রেট ব্রিটেনের গোলরক্ষক ভিডিও ট্যাব ব্যবহার করেন। 

    ভারতের অভিযোগ

    ভারত-গ্রেট ব্রিটেন কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে তিনটি ঘটনা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে ভারতের। রবিবার কোয়ার্টার ফাইনালে (Paris Olympics 2024) মুখোমুখি হয়েছিল ভারত এবং গ্রেট ব্রিটেন। সেই ম্যাচ নিয়েই আন্তর্জাতিক হকি সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। প্রথম অভিযোগ, ভিডিও আম্পায়ারের বিরুদ্ধে। অমিত রুইদাসকে লাল কার্ড দেখানো নিয়ে খুশি নয় ভারত। ভিডিও রিভিউ সিস্টেম নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগ, গ্রেট ব্রিটেনের কোচের বিরুদ্ধে। গোলপোস্টের পিছন থেকে শুট আউটের সময় কথা বলছিলেন তিনি। গোলরক্ষককে পরামর্শ দিচ্ছিলেন। সেটা নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছে ভারত। তৃতীয় অভিযোগ, ভিডিও ট্যাবের ব্যবহার নিয়ে। টাইব্রেকারের সময় ভিডিও ট্যাবে ভারতীয় দল সম্পর্কে তথ্য দেখছিলেন গ্রেট ব্রিটেনের গোলরক্ষক অলি পেন। সেটা নিয়েও অভিযোগ জানিয়েছে ভারত।

    লাল-কার্ড কেন

    গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে ভারতের (Hockey India) বিরুদ্ধে যেভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রেফারি, তাতেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হকি ইন্ডিয়া। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের চার মিনিটের মাথায় সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় ভারতের সেরা ডিফেন্ডার অমিত রুইদাসকে। ফলে ৪১ মিনিট দশ জনে খেলতে বাধ্য হয় ভারত। টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা গিয়েছে, বল দখলের লড়াইয়ের সময় রুইদাসের স্টিক ব্রিটেনের খেলোয়াড়ের মাথায় লেগে যায় অসাবধানতাবশত। বেঞ্জামিন দক্ষিণ আফ্রিকার ফিল্ড আম্পায়ার সিন রাপাপোর্টকে বলেন ‘ইচ্ছাকৃত আঘাত’ করা হয়েছে। তিনি লাল কার্ড দেখানোর সুপারিশ করেন। 

    ফুটবল ম্যাচের ক্ষেত্রে লাল কার্ড দেখলে পরের ম্যাচে নির্বাসন স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু হকিতে লাল কার্ড দেখলে সাধারণত আম্পায়ারের রিপোর্ট দেখা হয়। তার পর টেকনিক্যাল কমিটি সেই ঘটনা আবার খতিয়ে দেখে নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে লাল কার্ড দেখার জন্য ইতিমধ্যেই এক ম্যাচ নির্বাসিত করা হয়েছে ভারতের ডিফেন্ডার অমিত রুইদাসকে। রবিবার রাতে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে আন্তর্জাতিক হকি সংস্থা। তার বিরুদ্ধে আবেদন করেছে ভারত। এখন দেখার, সেই আবেদন গৃহীত হয় কি না। 

    প্রশ্ন পেনাল্টি শুট-আউট নিয়েও

    গোলরক্ষক শ্রীজেশের অনবদ্য পারফরম্যান্স, হরমনপ্রীত সিংয়ের নেতৃত্বে ভারতীয় হকি প্লেয়ারদের অদম্য লড়াইয়ে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে পেনাল্টি শুট আউটে জয় এসেছে ঠিকই, কিন্তু ম্যাচের রং বদলে যেতে পারত আম্পায়ারদের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তে। শুট আউটের সময় গ্রেট ব্রিটেনের গোলকিপারকে পিছন থেকে নানা পরামর্শ দেওয়া হলেও আম্পায়াররা কোনও পদক্ষেপ করেননি, তার প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত। শুধু তাই নয়, গ্রেট ব্রিটেনের গোলকিপার শুট আউটের সময় ট্যাব ব্যবহার করেছেন। তারপরও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। কেন? তা জানতে চাওয়া হয়েছে। যেভাবে আম্পায়াররা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাতে তা প্লেয়ার, কোচ ও দর্শকদের আত্মবিশ্বাসে আঘাত দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট বলে মনে করছে হকি ইন্ডিয়া।

    সেমিফাইনালেও চিন্তা আম্পায়ারিং (Paris Olympics 2024) 

    গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে জিতে সেমিফাইনালে উঠেছে ভারতীয় দল। কিন্তু ভারতীয় দল আম্পায়ারিং নিয়ে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে বলে জানানো হয়েছে। খেলোয়াড়, কোচ এবং সমর্থকরা আম্পায়ারিং নিয়ে খুশি হতে পারছেন না বলেও জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক হকি সংস্থাকে এই বিষয়ে তদন্ত করার আবেদন করেছে ভারতীয় হকি সংস্থা (Hockey India)। ভারতকে হারাতে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছিল গ্রেট ব্রিটেন, এমনটাই অভিযোগ হকি ইন্ডিয়ার। জঘন্য আম্পায়ারিং নিয়ে চিন্তার কথা জানিয়েছে হকি ইন্ডিয়া। ভারতের পদক জয়ের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে এমন আম্পায়ারিং, অনুমান হকি-মহলে। ৬ অগাস্ট সেমিফাইনালে জার্মানির মুখোমুখি ভারত। আর এক ধাপ পার করতে পারলেই ভারতের হকি দল পদক নিশ্চিত করে ফেলবে। ভালো খেলেও যদি পদক হাতছাড়া হয়, তার চেয়ে হতাশার কিছু হতে পারে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shravan Somvar: আজ শ্রাবণ সোমবার, এইভাবে শিবের পুজো করলে মিলবে সুফল, পূর্ণ হবে মনোবাঞ্ছা

    Shravan Somvar: আজ শ্রাবণ সোমবার, এইভাবে শিবের পুজো করলে মিলবে সুফল, পূর্ণ হবে মনোবাঞ্ছা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবাদিদেব মহাদেবের প্রিয় মাস হল শ্রাবণ (Shravan Somvar)। এই মাসেই শিবভক্তরা উপোস করে প্রতি সোমবার ভগবানের উদ্দেশে পুজো নিবেদন করেন। মহাদেবের মাথায় জল ঢালা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, শিবের মাথায় সোমবার জল ঢাললে সমস্ত মনস্কামনা পূরণ হয়। জীবনে আসে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি। এর পাশাপাশি, বিশেষ কিছু রীতি মেনে চললে তুষ্ট হন মহাদেব, সে নিয়েই আজকে জানব আমরা।

    শ্রাবণ মাসের সোমবারে শিবের পুজো (Lord Shiva) করার বিশেষ কিছু নিয়ম

    ১) সোমবার সকালে স্নান করার পরে শিবের মন্দিরে যান। এক্ষেত্রে খালি পায়ে মন্দিরে যেতে পারলে ভালো হয়। জল ভর্তি পাত্র বাড়ি থেকে নিয়ে যান। মন্দিরের শিবলিঙ্গে তা অর্পণ করুন। ১০৮ বার শিব মন্ত্র জপ করুন। দিনে অন্ন গ্রহণ না করাই ভালো, শুধু ফল খান। সন্ধ্যায় (Shravan Somvar) আবার দেবাদিবের মন্ত্রগুলি জপ করুন। 

    ২) ভগবান শিবকে (Shravan Somvar) খুশি করতে শ্রাবণ মাসের সোমবার শিবলিঙ্গে বিভিন্ন সামগ্রী নিবেদন করুন। গঙ্গাজল, বেলপাতা, ধুতুরা ফুল, ভাঙ, কর্পূর, দুধ, রুদ্রাক্ষ, ভস্ম নিবেদন করুন। জ্যোতিষীরা বলছেন, এই জিনিসগুলি অর্পণ করলে ব্যক্তির সৌভাগ্য জাগ্রত হয়।

    ৩) শিবের (Lord Shiva) মাথায় জল ঢালার পর প্রদীপ জ্বালিয়ে করতে হবে আরতি। পুজো শেষে উপোস ভাঙতে পারেন ফল খেয়ে। ভক্তি দিয়ে পুজো করলে জীবনের সমস্ত বাধা দূর হয় এবং বাড়িতে সুখ-সমৃদ্ধি আসে।

    ৪) শাস্ত্রবিদদের মতে, শিবের পুজোতে চন্দন, অখন্ড চাল, ধুতুরা ফুল, আকন্দ, বেলপাতা, দুধ ও গঙ্গাজল অর্পণ করলে প্রসন্ন হন মহাদেব।

    ৫) শ্রাবণ মাসের ব্রত পালন করার সময় ঠাকুরঘরকে পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখতে বলছেন শাস্ত্রবিদরা। পুজোর সময় ঘর অন্ধকার রাখবেন না।

    ৬) সন্ধ্যাবেলার চেয়ে শ্রাবণ মাসের (Shravan Somvar) পুজো সকালে করে নেওয়াই ভালো।

    ৭) শাস্ত্রবিদদের মতে, ফল খেয়ে এই পুজো করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। এই দিন খাবারের তালিকায় আলু, লাউ এবং কুমড়ো অবশ্যই রাখুন।

    ৮) ব্রত পালনের দিনটি যতটা সৎ জীবনযাপন করুন।

    ৯) শিবপুজোর সময় অবশ্যই ঘি, মধু, সিদ্ধি, দুধ এবং গঙ্গাজল দিয়ে মহাদেবের অভিষেক করুন।

    ১০) বেলপাতা, ধুতুরা এবং আকন্দ ফুল শিবের সবচেয়ে প্রিয়। এই জিনিসগুলো পুজোয় অর্পণ করতে কখনও ভুলবেন না।

    ১১) শিবপুজোর সময় শিবলিঙ্গে আতপ চাল এবং যব অর্পণ করলে মিলবে শুভ ফল।

    ১২) শিবপুজো করার আগে সূর্যদেবকে জল অর্পণ করা খুবই শুভ বলে মনে করেন শাস্ত্রবিদরা।

    শিবের পুজো করার সময় যা করতে নেই (Shravan Somvar)

    ১) মহাদেবকে কখনও কেতকী ফুল অর্পণ করতে নেই বলেই জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা।

    ২) তুলসীপাতা শিবের পুজোয় কখনও ব্যবহার করবেন না।

    ৩) শিবের পুজোয় সব কিছু সাদা রঙের জিনিস ব্যবহার করার চেষ্টা করুন, এমনটাই মত শাস্ত্রবিশারদদের।

    ৪) শিবলিঙ্গে কখনই হলুদ, সিঁদুর, তুলসী, ডাল, কুমকুম, তিল, চাল, লাল ফুল, শঙ্খ সহ গঙ্গাজল অর্পণ করা উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা।

    ৫) শিবলিঙ্গ কখনও প্রদক্ষিণ করবেন না। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহাদেব তাঁকে প্রদক্ষিণ করা পছন্দ করেন না। তাই শিবলিঙ্গ বা মহাদেবের মূর্তিকে ভুলেও প্রদক্ষিণ করবেন না।

    ৬) মহাদেবের আরাধনায় বেলপাতা জরুরি হলেও সোমবার ভুলেও বেলপাতা ছিঁড়বেন না। আপনি সোমবার পুজো করলে আগের দিন বেলপাতা গাছ থেকে তুলে রাখুন।

    ৭) শিবলিঙ্গের অভিষেক করতে জল এবং দুধ ঢালতে হয়। কিন্তু তার জন্য ভুলেও স্টিল বা তামার পাত্র থেকে শিবলিঙ্গে জল দেবেন না। কেবলমাত্র পেতলের পাত্র থেকেই শিবলিঙ্গে জল ঢালুন।

    ৮) উপবাসের সময় ভুলেও দুধ খাবেন না। শ্রাবণ মাসে মহাদেবকে দুধ নিবেদন করুন, শিবলিঙ্গে দুধ ঢালুন। এর ফলে কোষ্ঠী থেকে চন্দ্র দোষ দূর হবে এবং মনের অশান্তি কমবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wayanad Landslide: বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ে সেবাভারতীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ চার্চের পুরোহিতরা

    Wayanad Landslide: বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ে সেবাভারতীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ চার্চের পুরোহিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেবাভারতীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ধস-বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ের (Wayanad Landslide) এমানুয়েল চার্চের পুরোহিতরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানবিক কাজের জন্য পরিচিত সঙ্ঘের-এই সংস্থা (Sevabharati)।

    সেবাভারতীর সেবাব্রতীরা (Wayanad Landslide)

    গত মঙ্গলবার, ধসের জেরে কার্যত বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে ওয়েনাড়। মৃত্যু হয়েছে ৪০০-র বেশি মানুষের। এখনও নিখোঁজ কয়েকশো জন। দুর্গত ওয়েনাড়বাসীর সাহায্যে এগিয়ে আসেন সেবাব্রতীরা। প্রাকৃতিক নানা দুর্যোগের বিপন্নদের পাশে দাঁড়ান সেবাভারতীর সেবাব্রতীরা। জানা গিয়েছে, ওয়েনাড়ে বিপর্যয়ের পর তাঁরাই প্রথম ঝাঁপিয়ে পড়েন। সেবাব্রতীরা যখন দুর্গতদের উদ্ধার করতে প্রাণপাত করছেন, তখনই আসেন সেনাবাহিনী, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স, কেরল পুলিশ এবং ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের লোকজন। এর পরেই সেবাব্রতীরা এই সব বাহিনীর লোকজনকে উদ্ধার কার্যে সাহায্য করেন। বিলি করতে শুরু করেন ত্রাণ। জানা গিয়েছে, বিপন্নদের বাঁচাতে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে সেবাব্রতীরা কারও নির্দেশের অপেক্ষা না করেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন উদ্ধারকাজে (Wayanad Landslide)। তাঁদের এহেন আচরণে মুগ্ধ ওয়েনাড়বাসী।

    সেবাভারতীর প্রশংসা

    সেবাভারতীর সদস্যদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভাইকার এফআর পিভি চেরিয়েন। তিনি বলেন, “সেবাভারতীর কর্মীদের অস্থায়ীভাবে গির্জায় রাখা হয়েছিল। ত্রাণসামগ্রী রাখার জন্য তারা ব্যবহার করেছিল গির্জার প্রাঙ্গণ। তারা খুবই শৃঙ্খলাপরায়ন। বিপর্যয়ের সময় সেবাভারতী প্রতিফলিত করে মাদার সংগঠনের অনুকরণীয় আচরণ।” তিনি বলেন, “সেবাভারতী পেশাদারিত্ব এবং মানবিকতার এক বিরল মিশ্রণের উদাহরণ।” জানা গিয়েছে, (Wayanad Landslide), ধস-বিধ্বস্ত ওয়েনাড়বাসীকে উদ্ধার করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন সেবাভারতীর দুই কর্মী।

    আরও পড়ুন: বালোচদের ওপর দমনপীড়ন, করাচির রাস্তায় প্রতিবাদ সমাজকর্মীদের

    সেবাভারতীর কর্মীরা মহৎ ও মানবিক। তাঁদের এই মহানুভবতা এবং মানবিকতার পরিচয় কেরলবাসী পেয়েছিলেন সেই ২০০৪ সালে। ওই বছর ডিসেম্বরে সুনামি হয়। ২০১৮ সালের ভয়াল বন্যায়ও কেরলবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সেবাব্রতীরা। ২০১৬ সালে যখন পুট্টিনাল মন্দিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১১১ জনের মৃত্যু হয়, তখনও ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সেবাব্রতীরা। প্রতিটি দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেই তাঁরা বিলি করেছেন ত্রাণসামগ্রী। মৃতদের সৎকার্যও করেছেন তাঁরা (Sevabharati)। যে কাজ সমাজকর্মীরাও করতে কিন্তু কিন্তু করেন, সেই কাজও হেলায় করেছেন সেবাব্রতীরা (Wayanad Landslide)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan: বালোচদের ওপর দমনপীড়ন, করাচির রাস্তায় প্রতিবাদ সমাজকর্মীদের

    Pakistan: বালোচদের ওপর দমনপীড়ন, করাচির রাস্তায় প্রতিবাদ সমাজকর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আমেরিকার ঢেউ এসে আছড়ে পড়ল পাকিস্তানে (Pakistan)! গত বছর ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ স্লোগান উঠেছিল মার্কিন মুলুকে। এবার পাকিস্তানে (Karachi Activists) আওয়াজ উঠল ‘বালোচ লাইভস ম্যাটার’। পাকিস্তানের বালোচ প্রদেশে দমন পীড়ন চালাচ্ছে পাকিস্তান প্রশাসন। তার প্রতিবাদেই শনিবার করাচির রাস্তায় নামেন সে দেশের সমাজকর্মীরা। সেখানেই আওয়াজ ওঠে ‘বালোচ লাইভস ম্যাটার’।

    করাচির রাস্তায় সমাজকর্মীরা (Pakistan)

    পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্তি পেতে চাইছেন বালুচিস্তানবাসী। তার জেরেই চলছে প্রতিবাদ। সিন্ধ এবং বালুচিস্তানেও জ্বলছে প্রতিবাদের আগুন। বিক্ষোভকারীদের কড়া হাতে দমন করতে চাইছে পাক প্রশাসন। চলছে দমন-পীড়ন। এরই প্রতিবাদে করাচির রাস্তায় নামেন সমাজকর্মীরা। মুন্ডুপাত করেন পাক সরকারের। সরকারের ভীরুতা ও হিপোক্র্যাসির বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন তাঁরা। গদওয়ারে নিপীড়ন বন্ধের দাবিও জানান তাঁরা। পাক সরকারের দমন পীড়নের প্রতিবাদে তাঁরা যে এককাট্টা, তা স্পষ্ট সমাজকর্মী বীরসা পিরজাদোর কথায়।

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    তিনি বলেন, “যতক্ষণ না সরকার দমন পীড়ন বন্ধ করছে, ততক্ষণ আমরা ফিরে যাব না।” বীরসা প্রতিবাদী আন্দোলনের অন্যতম মুখ। সিন্ধ কমিশন অন দ্য স্টেটাস অফ উইমেনের সদস্যও তিনি। প্রতিবাদীদের সাফ কথা, রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়া যায় না। তারা যেভাবে প্রতিবাদীদের গ্রেফতার করছে, তাও মেনে নেওয়া যায় না। যেভাবে বালোচ নারী ও শিশুদের মারধর করা হচ্ছে, তাও সহ্য করা যায় না। তাঁরা জানান (Pakistan), নিখোঁজ ব্যক্তিদের ইস্যুটি জেনুইন।

    আরও পড়ুন: গণধর্ষণকাণ্ডে ডিএনএ টেস্ট চান, অখিলেশের মুসলিম তোষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে আর্টস কাউন্সিল গোলচত্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তাকে। ওই এলাকায় তাঁরা জড়ো হয়েছিলেন গোয়াদরে নির্যাতন ও আটকের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে। সেই সময়ই কর্মকর্তাদের গ্রেফতার করে পাক প্রশাসন। বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটির অভিযোগ, মহিলা-সহ প্রায় ৫০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। কেপিসি এলাকায় মিছিল করার চেষ্টা করতেই আটক করা হয় তাঁদের। যদিও পাক পুলিশের দাবি, সংগঠকরা রেড জোনে বেআইনি সমাবেশ করার নিষেধাজ্ঞা ভেঙেছেন। ১৪ জন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মহিলা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সঙ্গেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের দাবি যে সত্য নয়, তা স্পষ্ট করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক রিয়াজ আহমেদের কথায়। তিনি বলেন, “গতকাল রাতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন ১৫০ বালোচ আন্দোলনকারী (Karachi Activists)। এঁদের মধ্যে ছাত্রছাত্রীরাও ছিলেন। কোনও কারণ ছাড়াই পুলিশ তাঁদের লাঠিপেটা করে। কোনও কারণ ছাড়াই করা হয় গ্রেফতার (Pakistan)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Kanwariya Sachin Khandelwal: দুর্ঘটনায় মৃত্যু পুণ্যার্থীর, কানারিয়া সচিনের দানে বাঁচল ৫ প্রাণ

    Kanwariya Sachin Khandelwal: দুর্ঘটনায় মৃত্যু পুণ্যার্থীর, কানারিয়া সচিনের দানে বাঁচল ৫ প্রাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন তিনি। তবে মৃত্যুর পরেও তিনি রক্ষা করলেন পাঁচজনের জীবন। তাঁর দেওয়া অঙ্গে (Organ Donation) বাঁচল পাঁচ-পাঁচটি প্রাণ। তিনি বছর পঁচিশের কানারিয়া সচিন খাণ্ডেলওয়াল (Kanwariya Sachin Khandelwal)।

    কানারিয়া সচিনের দান (Kanwariya Sachin Khandelwal)

    গত ২২ জুলাই উত্তরাখণ্ডের রুরকি শহরে গাড়ির ধাক্কায় জখম হন সচিন। হরিদ্বারের গঙ্গা থেকে জল নিয়ে আসছিলেন তিনি। দ্রুত তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ঋষিকেশের এইমসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সচিনের অঙ্গ দান করে দেওয়ার পরামর্শও দেন চিকিৎসকরা। সচিনের পরিবার দ্রুত রাজি হয়ে যান। সিদ্ধান্ত নেন সচিনের অঙ্গদানের। তড়িঘড়ি সচিনের কিডনি, অগ্নাশয় এবং লিভার সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দেওয়া হয় চণ্ডীগড়ের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ এবং দিল্লির ইনস্টিটিউট অফ লিভার অ্যান্ড বিলিয়ারি সায়েন্সে।

    অঙ্গ দান, জীবন দান

    সচিনের কর্নিয়ায় দৃষ্টি ফিরে পেয়েছেন উত্তরাখণ্ডের দুই দৃষ্টিহীন ব্যক্তি। সচিন ইহ-জগতে নেই। তবে তাঁর অঙ্গে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন পাঁচজন। ঋষিকেশ এইমসের চিকিৎসক মিনু সিং বলেন, “সচিন (Kanwariya Sachin Khandelwal) অন্য অনেককে জীবন দান করেছেন। একজন নীরব হিরো হিসেবে এইমস তাঁকে চিরকাল মনে রাখবে।” কানারিয়া সচিনের ভাই পঙ্কজ খাণ্ডেলওয়াল বলেন, “সচিনের আরও কয়েক বছর বেঁচে থাকার এটাই একমাত্র পথ। আমি বিশ্বাস করি, যাঁদের এরকম অবস্থা হবে, তাঁদের পরিবারের উচিত প্রিয়জনের দেহ দান করে দেওয়া। তাতে অন্তত মৃত্যুর পরে তাঁদের প্রিয়জন আরও কয়েক বছর বাঁচবেন।” তিনি বলেন, “অঙ্গদানের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে আমার পরিবার। এইমস কর্তৃপক্ষ সচিনের দেহ মর্যাদার সঙ্গে ফিরিয়ে দিয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: গণধর্ষণকাণ্ডে ডিএনএ টেস্ট চান, অখিলেশের মুসলিম তোষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    প্রসঙ্গত, প্রতি বছর শ্রাবণ মাসের প্রথম পনের দিন ধরে হরিদ্বারে হয় কানোয়ার মেলা। দেশ-বিদেশের পুণ্যার্থীরা হরিদ্বারের বিভিন্ন এলাকা থেকে গঙ্গার জল সংগ্রহ করে ঢালেন কনখলে অবস্থিত দক্ষিণেশ্বর মহাদেব মন্দিরে শিবের মাথায়। লাখ লাখ পুণ্যার্থী এই সময় ভিড় জমান কনখলের মন্দিরে, জলাভিষেক করতে। এই পুণ্যার্থীদের দলেই ছিলেন (Organ Donation) সচিন। মৃত্যুর পরেও যিনি বেঁচে রইলেন পাঁচজনের শরীরে (Kanwariya Sachin Khandelwal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

        

  • Pakistani: পাকিস্তানিদের ওপর বিরক্ত মধ্যপ্রাচ্য, আর চাকরি দিতে চাইছে না কোনও দেশ

    Pakistani: পাকিস্তানিদের ওপর বিরক্ত মধ্যপ্রাচ্য, আর চাকরি দিতে চাইছে না কোনও দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানিদের (Pakistani) কাজকর্ম আর হজম করতে পারছে না পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে সৌদি আরব, কেউই আর পাকিস্তানিদের নিজেদের দেশে চাইছে না। পাক সংবাদ মাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রবাসী পাকিস্তানিদের বিষয়ে সংসদের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সম্প্রতি এই উদ্বেগের বিষয়টি উঠে আসে। সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আমিরশাহি, এমনকী কাতার, কুয়েতের মতো দেশেও ঘটে চলা অপরাধের প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রেই যুক্ত একটিমাত্র দেশের নাগরিকরা। সেই দেশের নাম পাকিস্তান। মুসলিম দেশে মুসলিমদের কদর বেশি। মুসলিম না হলে মধ্যে প্রাচ্যের অনেক দেশে কাজ মেলে না। কিন্তু কথা যখন পাকিস্তানিদের, তখন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাচি অবস্থা আরব দুনিয়ার।

    অপরাধে এগিয়ে পাকিস্তানি

    মহিলাদের সঙ্গে অপকর্ম থেকে শুরু করে চুরি-ডাকাতি, সবেতেই এগিয়ে পাকিস্তানিরা। রিপোর্ট বলছে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে কাজ করতে যাওয়া পাকিস্তানি (Pakistani) শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি অপরাধের সঙ্গে লিপ্ত। তাঁদের কাজকর্মে তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আমিরশাহি, কাতার, কুয়েতের মতো দেশগুলি। কর্মসংস্থানের জন্য পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে গিয়ে এমন সব কাণ্ড ঘটান পাকিস্তানিরা যে তাঁদের নাগরিক সভ্যতা শেখাতে বলছে দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিশাহির নিয়ম অনুযায়ী বার্ষিক ১৬ লক্ষ পাকিস্তানি সেদেশে কাজের জন্য ঠাঁই নিতে পারেন। কিন্তু বর্তমানে সেই সংখ্যা ১৮ লক্ষ ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ ২ লক্ষ পাকিস্তানি অবৈধভাবে আছেন। রিপোর্ট বলছে আমিরশাহিতে হওয়া অপরাধের ৫০ শতাংশের নেপথ্যে রয়েছেন সে দেশে থাকা পাকিস্তানিরা। এমনকী তীর্থযাত্রার নামে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির মক্কা, মদিনার মতো শহরে পৌঁছে সেখানে ভিক্ষা করতে শুরু করছেন পাকিস্তানিরা। ভিক্ষার টাকা জমিয়ে কেউ ফিরে আসছেন, আবার অনেকেই ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও সেখানেই থেকে যাচ্ছেন পাকাপাকিভাবে ভিক্ষুক হিসেবে। অভিযোগ পেয়ে দু হাজার নাগরিকের পাসপোর্ট স্থগিত করে তাদের সাত বছরের জন্য ব্ল্যাকলিস্ট করেছে পাকিস্তান সরকার।

    সভ্যতার অভাব পাকিস্তানিদের (Pakistani)

    নাগরিক সভ্যতার পাকিস্তানিদের মধ্যে এতটাই অভাব, যে কাতারে গিয়ে পাক শ্রমিকরা হেলমেট এবং সেফটি বেল্ট পরে কাজ করতে অস্বীকার করছেন। দুবাইয়ে আবার বেশ কয়েকজন মহিলার আপত্তিকর ভিডিও তুলতে গিয়ে ধরা পড়েছেন পাকিস্তানিরা। সৌদিতে ট্রাফিক নিয়মভঙ্গে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন প্রতিবেশী দেশের নাগরিকরা। কুয়েত এবং কাতারেও জেলবন্দি বিদেশি নাগরিকদের তালিকায় এক নম্বরে তাঁরাই। বাধ্য হয়ে সৌদি প্রশাসন জানিয়েছে, তাঁরা শুধুমাত্র সেই কর্মীদেরই কাজ করার সুযোগ দেবে, যারা ন্যাশনাল সেন্টার ফর হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট দ্বারা পরিচালিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে। এমনিতেই পাকিস্তানে কাজকর্মের অভাব। এর জন্যই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে শ্রমিক হিসেবে ভিড় জামান পাকিস্তানিরা (Pakistani)। তবে শতাংশের বিচারে কম হলেও অল্প কিছু মানুষ অন্যান্য পেশার সঙ্গেও যুক্ত।

    আরও পড়ুন: ফের উত্তাল বাংলাদেশ, সংঘর্ষে ১৮ জনের মৃত্যু, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড

    কিন্তু পাকিস্তানিদের আচরণের জেরে তাঁদের আর কাজে নিতে চাইছে না মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি। এতে পাকিস্তানের মুখ যেমন পুড়ছে, তেমনই বিপদ বাড়ছে সেদেশের।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayushman Bharat: আরও ২৯ হাজারের বেশি হাসপাতালে আয়ুষ্মান ভারত, ঘোষণা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    Ayushman Bharat: আরও ২৯ হাজারের বেশি হাসপাতালে আয়ুষ্মান ভারত, ঘোষণা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে ভালোভাবে চিকিৎসা পান, তার উদ্যোগ গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় সরকার। আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের বহু সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালকে এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। কোন কোন রাজ্যের সঙ্গে এই প্রকল্প যুক্ত করা হয়েছে, তার তালিকাও তৈরি করা হয়েছে। ফলে, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ বলেই ওয়াকিবহল মনে করছে।

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা কী বললেন? (Ayushman Bharat)

    লোকসভায় দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, ৩০ জুন পর্যন্ত ২৯,০০০ টিরও বেশি হাসপাতাল আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার অধীনে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকার মধ্যে ১২,৬২৫টি প্রাইভেট হাসপাতালও রয়েছে। এরই মধ্যে সমস্ত তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলি তাদের নিজ নিজ রাজ্য স্বাস্থ্য সংস্থাগুলির সঙ্গে সমঝোতা করে, চুক্তি স্বাক্ষরও করেছে।

    আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের হিন্দু মন্দিরে অশ্লীল ভিডিও তৈরি! গ্রেফতার দিলশাদ ও আজিম

    পোর্টালে অভিযোগ করা যাবে

    রাজ্য সরকারের হাসপাতালে আয়ুষ্মান ভারতের (Ayushman Bharat) কার্ড নিয়ে রোগীরা চিকিৎসা করাতে গেলে অনেক সময় কার্ড হাতেই হাসপাতাল থেকে ফিবে আসতে হয় রোগীকে। এসব ক্ষেত্রে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয় না। এবার থেকে হবে। নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, সুবিধাভোগীরা এবার থেকে তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা করতে গিয়ে অসুবিধার বা স্কিমের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে, সেন্ট্রালাইজড গ্রিভান্স রিড্রেসাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ওয়েব পোর্টালে মাধ্যমে চিঠি লিখে রিপোর্ট করতে পারবেন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার অভিযোগের প্রতিকারও চাইতে পারেন। এরই পাশাপাশি, সুবিধাভোগীরা অভিযুক্ত হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাজ্য স্বাস্থ্য সংস্থার কাছেও যেতে পারেন। সমস্ত তালিকাভুক্ত হাসপাতালের নেটওয়ার্ক বাড়ানোর জন্য একটি বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে হাসপাতাল এবং তাদের অ্যাসোসিয়েশনের কাছে পৌঁছোনো, তাদের উদ্বেগের সমাধানের জন্য কর্মশালার আয়োজন করা এবং তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়াগুলিকে আরও সহজ করা। ফলে, এই প্রকল্পের অধীনে তালিকাভুক্ত হাসপাতালের নেটওয়ার্কও ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গে কত হাসপাতালকে যুক্ত করা হল?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের (Ayushman Bharat) অধীনে উত্তরপ্রদেশে মোট ২,৬৩৪টি প্রাইভেট এবং ২,৯৪৮টি সরকারি হাসপাতালকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ১০টি বেসরকারি এবং ২৭টি সরকারি হাসপাতালকে এই প্রকল্পের অধীনে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তামিলনাড়ুতে ১,২০২টি প্রাইভেট এবং ৯৯৬টি সরকারি হাসপাতালকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অন্ধ্র প্রদেশে ১,০২৭ বেসরকারি এবং ১,৪০৬ সরকারি হাসপাতালকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। গুজরাটে ১,৭৪৭ সরকারি হাসপাতাল এবং ৮৬৮টি বেসরকারি হাসপাতালকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বিহারে এই প্রকল্পের অধীনে ৫৬৪টি বেসরকারি এবং ২,৮৬৮টি সরকারি হাসপাতালকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে দিল্লিতে ৫২টি বেসরকারি এবং ১১টি সরকারি হাসপাতালকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ওড়িশায় শুধুমাত্র একটি বেসরকারী এবং ১১টি সরকারি হাসপাতালকে এই প্রকল্পের অধীনে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share