Blog

  • PM Modi Cabinet: আজ দিল্লিতে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন মোদি, মন্ত্রিসভায় কারা?

    PM Modi Cabinet: আজ দিল্লিতে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন মোদি, মন্ত্রিসভায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সন্ধ্যায় দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Cabinet) পদে বসবেন এনডিএর সর্বসম্মতভাবে নির্বাচিত নেতা বিজেপির নরেন্দ্র মোদি। জল্পনা ছড়িয়েছে, কারা ঠাঁই পাবেন মোদির তৃতীয় টার্মের মন্ত্রিসভায়? অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বিজেপি। তাই তাঁকে আগের তুলনায় এবার বেশি করে নির্ভর করতে হবে এনডিএর শরিকদলগুলির ওপর। তাছাড়া, গত মন্ত্রিসভার অনেকেই এবার পরাজিত হয়েছেন (PM Modi Cabinet)। সেই কারণেই এবার মোদি মন্ত্রিসভায় বেশি করে আসন পাচ্ছে শরিকরা।

    মন্ত্রিসভায় টিডিপির কারা (PM Modi Cabinet)

    এবার বিজেপি একাই পেয়েছে ২৪০টি আসন। তার পর এনডিএর শরিক দলগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি পেয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের টিডিপি। চন্দ্রবাবু নাইডুর দল পেয়েছে ১৬টি আসন। এর পর রয়েছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড। তাদের আসন সংখ্যা ১২। বিজেপি সূত্রে খবর, টিডিপির তরফে মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন চারজন। স্পিকারও নির্বাচিত হতে পারেন টিডিপির কেউ। জনতা দলের তরফে দুজনকে মন্ত্রী করার কথা বলা হয়েছে। এবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বিজেপি। পদ্ম পার্টি পেয়েছে ২৪০টি আসন। সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২টি আসন। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেয়েছে ২৯৩টি আসন।

    জেডিইউয়ের কারা হচ্ছেন মন্ত্রী

    সূত্রের খবর, চন্দ্রবাবুর দল টিডিপির যে চারজন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন, তাঁদের মধ্যে তিনজন হলেন রামমোহন নাইডু, হরিশ বাল্যগি এবং ডাগ্গুমাল্লা প্রসাদ। নীতীশের জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে প্রস্তাব করা হয়েছে দুই প্রবীণ নেতার নাম – একজন লালন সিংহ এবং অন্যজন রামনাথ ঠাকুর। বিহারের মুঙ্গের লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন লালন। আর রামনাথ ঠাকুর রাজ্যসভার সাংসদ। তাঁর ছেলে কর্পুরী ঠাকুর ভারতরত্ন পুরস্কার পেয়েছেন।

    আর পড়ুন: মোদির শপথে আমন্ত্রিত লোকো পাইলট ঐশ্বর্যা-সুরেখা, জানেন এঁরা কারা?

    পদ্ম-প্রতীকে জিতেছেন রাজনাথ সিংহ। তিনি পেতে পারেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব। মন্ত্রী হতে পারেন জন শক্তি পার্টির নেতা চিরাগ পাশোয়ান, হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চার জিতন রাম মাঝি। তৃতীয় দফায় মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা হতে পারে জম্মু-কাশ্মীর ও কেরলের একজন করে প্রতিনিধির। মহারাষ্ট্র থেকে মন্ত্রী হতে পারেন নীতিন গডকরি, পীযূষ গয়াল, প্রতাপ রাও যাদব। মধ্যপ্রদেশ থেকে মন্ত্রী হতে পারেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান (PM Modi Cabinet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi Oath Ceremony: মোদির শপথে আমন্ত্রিত লোকো পাইলট ঐশ্বর্যা-সুরেখা, জানেন এঁরা কারা?

    Narendra Modi Oath Ceremony: মোদির শপথে আমন্ত্রিত লোকো পাইলট ঐশ্বর্যা-সুরেখা, জানেন এঁরা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি। সাজ সাজ রব রাষ্ট্রপতি ভবনে। ইতিমধ্যেই এসে গিয়েছেন নানা দেশের রাষ্ট্রনেতা। আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েক জন রাষ্ট্রনেতা। আছেন দেশের নানা ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিবর্গ। সাফাই কর্মী থেকে রূপান্তরকামী নানা পেশার লোকজন।  আট হাজার অতিথি সমাগম হবে শপথ অনুষ্ঠানে। আমন্ত্রণ পেয়েছেন ঐশ্বর্যা এস মেনন ও সুরেখা যাদবও। এঁরা দুজনেই মহিলা হিসাবে বন্দে ভারত চালিয়ে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন, এবার মোদির শপথে (Narendra Modi Oath Ceremony) আমন্ত্রিত এই দুই কৃতী।

    চেনেন এই ঐশ্বর্যাকে

    ইনি বলিউড কুইন ঐশ্বর্যা রাই নন, ঐশ্বর্যা এস মেনন। পেশায় তিনি লোকো পাইলট (Loco Pilots)। বর্তমানে ঐশ্বর্যা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালান। বন্দে ভারত ছাড়াও জন শতাব্দীর মতো এক্সপ্রেসও অনায়াসেই ছোটান ঐশ্বর্যা। দক্ষিণ রেলওয়ের চেন্নাই বিভাগের সিনিয়র সহকারী লোকো পাইলট তিনি। চেন্নাই থেকে বিজয়ওয়াড়া বা চেন্নাই থেকে কোয়ম্বটুর বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের চালকের কেবিনে প্রায়ই তাঁকে দেখা যায়। কর্মজীবনে তাঁর তৎপরতা, সতর্কতা এবং রেলওয়ের সিগন্যালিং সম্পর্কে সুস্পষ্ট জ্ঞানের জন্য সব সময়ই প্রশংসিত হন ঐশ্বর্যা। তাঁর সুদক্ষ হাতে যাত্রীরা সব সময়ই সুরক্ষিত থাকেন।

    আরও পড়ুন: ভারতে পৌঁছলেন শেখ হাসিনা, মোদির শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন কোন রাষ্ট্রপ্রধানরা?

    সুরেখার  পরিচয়

    অতিথি তালিকায় রয়েছেন সুরেখা যাদব। তিনিই এশিয়ার প্রথম মহিলা লোকো পাইলট (Loco Pilots)। মেয়েরাও যে ট্রেন চালাতে পারেন, সেই ধারণার অন্যতম বাহক সুরেখাই। অনেক মেয়ের কাছেই তিনি অনুপ্রেরণা। তাঁকে দেখে অনেক মেয়েই এই পেশায় কাজ করতে এগিয়ে এসেছেন। মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার বাসিন্দা সুরেখা। ১৯৮৮ সালে ট্রেনের চালক হিসাবে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন তিনি। বন্দে ভারতের মতো সেমি-হাই স্পিড ট্রেন চালানোর দায়িত্ব তাঁর কাঁধেই রয়েছে। ২০২৩ সালের ১৩ মার্চ প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালিয়ে ইতিহাস তৈরি করেন সুরেখা। সোলাপুর থেকে মুম্বই বন্দে ভারত চালান তিনি। সুরেখাই প্রথম মহিলা হিসাবে বন্দে ভারত চালিয়েছেন। সুরেখা, ঐশ্বর্যা ছাড়াও অনেকেই রবিবারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। রেল, মেট্রোকর্মীদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের একটা অংশ মোদির শপথ অনুষ্ঠানে (Narendra Modi Oath Ceremony) থাকবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: লক্ষ্মীর ভান্ডার নিলে তৃণমূল করার ফতোয়া! বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার, থানায় বিক্ষোভ

    Siliguri: লক্ষ্মীর ভান্ডার নিলে তৃণমূল করার ফতোয়া! বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার, থানায় বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিয়ে বিজেপি করা যাবে না। তৃণমূলে যোগ দিতে হবে। এই ফতোয়া জারি করে শিলিগুড়ি (Siliguri) শহর লাগোয়া ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর সন্ত্রাস চালাচ্ছে  তৃণমূল। শুক্রবার রাতে শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক  মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। হামলার প্রতিবাদে শনিবার থানায় অভিযোগ জানাতে জানাতে গিয়ে পুলিশের হেনস্থার শিকার হন ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?  (Siliguri)

    শুক্রবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির শিলিগুড়ির (Siliguri) জেলা সাধারণ সম্পাদক রাজু সাহা বলেন, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের নেতা সুরজিৎ ঘোষ ওরফে টিটু, শিশির রায়, চঞ্চল সরকার সহ বেশ কয়েকজন আমাদের ওই এলাকার শক্তি কেন্দ্র প্রমুখ অসিত পালকে মারধর করে। হুমকি দেওয়া হয়, লক্ষ্মীর ভান্ডার নিলে বিজেপি করা যাবে না। তৃণমূলে যোগ দিতে হবে। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে অসিত পালকে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    কেন তৃণমূলের এই সন্ত্রাস?

    জলপাইগুড়ি লোকসভা আসনে বিজেপি ৮৬ হাজার ৭৭৭ ভোটে জিতেছে। তার মধ্যে এই ডাবগ্রাম- ফুলবাডড়ি বিধানসভা এলাকা থেকে ৭২ হাজার ২৪৫ ভোটে বিজেপি লিড পেয়েছে। এলাকার বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, পরাজয়ের  প্রতিহিংসা নিতে তৃণমূল এলাকায় বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর সন্ত্রাস শুরু করেছে। ভোটের ফল বের হওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী হুমকি দিতে শুরু করেছে।

    পুলিশি হেনস্থার শিকার বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়

    শনিবার দুপুরে তিনি ভক্তিনগর থানায় দলীয় কর্মীর আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে অভিযোগ দায়ের করতে যান। তাঁর সঙ্গে বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ছিলেন। কিন্তু, বিজেপি বিধায়ক ভক্তিনগর থানার গেটের মুখে পৌঁছতেই পুলিশ তাঁর পথ আটকে দাঁড়ায়। ধস্তাধস্তি,  চিৎকার, চেঁচামেচির পর শিখা চট্টোপাধ্যায়কে থানায় ঢুকতে দিতে পুলিশ বাধ্য হয়। শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমি একজন বিধায়ক। আমি পুলিশের কাছে আইনের আশ্রয় নিতে এসেছি। আর সেখানে পুলিশ একজন বিধায়ককে যেতে বাধা দিচ্ছে। এতেই প্রমাণ হয় পুলিশ তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করছে। অসিত পালকে লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে হুমকি দেওয়া ও  মারধরের ঘটনায় যুক্ত তৃণমূলের স্থানীয় নেতা সুজিত ঘোষ ও তার সঙ্গীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। তা নাহলে ব্যাপক আন্দোলন হবে।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    কী বলছে তৃণমূল?

    তৃণমূলের দার্জিলিং জেলার (সমতল) মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলেন, রাজনৈতিক কোনও সংঘর্ষ নয়।  স্কুটারের ধাক্কা লাগায় ছোট্ট ঘটনা নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা থেকে উত্তেজনা বেশি হয়ে যাওয়ায়  দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। বিজেপি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: শপথ নিয়েই ইটালি যেতে পারেন নরেন্দ্র মোদি, কেন জানেন?

    PM Modi: শপথ নিয়েই ইটালি যেতে পারেন নরেন্দ্র মোদি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ জুন, রবিবার তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিচ্ছেন এনডিএর সর্বসম্মত নেতা বিজেপির নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তার পরেই তিনি যেতে পারেন ইটালি। সেটিই হবে তাঁর তৃতীয় টার্মে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফর। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পর মোদিকে সে দেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। এই দেশেই বসছে জি৭ (G7)এর সম্মেলন। সেই সম্মেলনে যোগ দিতেই মোদিকে আমন্ত্রণ মেলোনির। আপুলিয়ার বর্গো এগনাজিয়ায় জুনের ১৩ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত হবে এই সম্মেলন।

    মোদিকে আমন্ত্রণ মেলোনির (PM Modi)

    বৃহস্পতিবারই মোদিকে (PM Modi) ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন মেলোনি। জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। চলতি বছর জি৭ সম্মেলনের দায়িত্ব পেয়েছে ইটালি। এই সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ছবি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ ও ইজরায়েল-হামাসের দ্বন্দ্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে। জি৭-এর অন্তর্ভুক্ত দেশগুলি হল কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান, ব্রিটেন এবং আমেরিকা। আলোচনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইউরোপিয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং জি৭ এর অন্য সদস্য দেশগুলির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

    ঠাসা কর্মসূচি টিম মোদির

    জানা গিয়েছে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পরেই কোমর কষে মাঠে নেমে পড়ছেন টিম মোদি। জি৭ এর আগেই ১১ জুন রাশিয়ায় রয়েছে ব্রিকসের ফরেন মিনিস্টার্স মিটিং। এই বৈঠকে যোগ দেবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। অক্টোবরে ব্রিকস সম্মেলনের প্রস্তুতি অনুষ্ঠান হিসেবেই এই বৈঠকে যোগ দেবেন বিদেশমন্ত্রী। জুনের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফরে আসবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জুলাইয়ে কাজাখাস্তানে রয়েছে এসসিও সম্মেলন। এই সম্মলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের।

    আর পড়ুন: “‘ইন্ডি’র আহ্বায়ক করতে চাননি, অথচ নীতীশকে প্রধানমন্ত্রী হতে বলছেন”, তোপ ত্যাগীর

    মোদির জয়ের পর তাঁকে ফোন করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। জয়ের জন্য অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি আসন্ন শান্তি সম্মেলনে তাঁকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণও জানান। শান্তি স্থাপনে ভারতের ভূমিকা এবং বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকার কথাও মনে করিয়ে দেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। সূত্রের খবর, ভারত যে বিশ্বশান্তির পক্ষে সওয়াল করে যাবে প্রেসিডেন্টকে সেকথা জানিয়ে দিয়েছেন মোদি। তবে ইউক্রেনের শান্তি সম্মেলনে তিনি যোগ দেবেন কিনা, সে বিষয়ে কোনও আশ্বাস ইউক্রেনকে দেননি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Balurghat: “বিজেপিকে ভোট দিয়েছি বলে হামলা, বাড়িতে তান্ডব চালাল তৃণমূল,” বললেন আক্রান্ত কর্মী

    Balurghat: “বিজেপিকে ভোট দিয়েছি বলে হামলা, বাড়িতে তান্ডব চালাল তৃণমূল,” বললেন আক্রান্ত কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার গঙ্গারামপুর বিধানসভার নয়াবাজারে বিজেপি কর্মীকে মারধর এবং বাড়িতে, দোকানে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আক্রান্তদের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    ভোটের ফলাফলের পর বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার দিকে দিকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালানোর ঘটনা সামনে আসতে শুরু করেছে। গত দুদিন আগে গঙ্গারামপুর শহরে বিজেপির কর্মীর দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার ফের গঙ্গারামপুরের নয়াবাজারে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মারধর সহ দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই বিষয়ে এক বিজেপি কর্মী বলেন, বিজেপিকে ভোট দেওয়া অপরাধ। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাকে বেধড়ক মারধর করে। দোকান ও বাড়িও ভাঙচুর করেছে। আক্রান্ত সেই বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ জেলার অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর বিধানসভা এলাকাটি পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর গড় ছিল। এবারের লোকসভা নির্বাচনে তিনি গঙ্গারামপুর ও বালুরঘাট বিধানসভা  থেকে ভোট কম পান। যার ফলে তিনি ভোটে পরাজিত হন। জয়ী হন বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। ভোটের ফলাফলের পর থেকে দিকে দিকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। এমনই অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে বিজেপির (Balurghat) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন,সুকান্ত মজুমদার জয় লাভের পর গঙ্গারামপুর বিধানসভার নয়াবাজার এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাদের হারকে মেনে নিতে পারছে না। তাই, বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আমাদের দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। প্রশাসনকে বারবার বলার পরও প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। এখানে প্রশাসন ও তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা একত্রিত হয়ে অত্যাচার চালাচ্ছে। এদিকে তৃণমূলের তরফ থেকে পুরো ঘটনার কথা অস্বীকার করা হয়েছে। পারিবারিক বিবাদের কারণে এই রকম ঘটনা ঘটতে পারে। এখানে তৃণমূলের কোনও বিষয় নেই। বিজেপি মিথ্যে অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জঙ্গিপুর বিধানসভার ভোটে থাবা বসিয়ে ‘লিড’ বিজেপির

    Election Result 2024: সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জঙ্গিপুর বিধানসভার ভোটে থাবা বসিয়ে ‘লিড’ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল (Election Result 2024) বিচারে জঙ্গিপুর বিধানসভার দখল নিয়েছে বিজেপি। এই বিধানসভায় ২০২১ সালে তৃণমূলের হয়ে জয়যুক্ত হয়েছিলেন জাকির হোসেন। সেই সময় ৯২৪৮০ ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে হারিয়েছিলেন তিনি। এইবার লোকসভায় তৃণমূলকে পেছনে ফেলে ‘লিড’ দিয়েছে বিজেপি। রাজ্যে ২৯টা আসন পেয়েছে তৃণমূল, আবার এই জঙ্গিপুর লোকসভায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। কিন্তু বিধানসভায় ধরাশায়ী হয়েছে ঘাস ফুল। কিন্তু এই বিপর্যয়ের কারণ কী? দলের কোন্দলে এমনটা ঘটেনি তো? প্রশ্ন অনেক উঠছে।

    কত ভোটে এগিয়ে বিজেপি (Election Result 2024)?

    এই লোকসভা কেন্দ্রে ৮টি অঞ্চল ও জঙ্গিপুর পুরসভা মিলিয়ে ৩২৬৬ ভোটে তৃণমূলের থেকে এগিয়ে (Election Result 2024) রয়েছে বিজেপি। এই কেন্দ্রে মুসলিম ভোট ৫৪ শতাংশ। এমনটা অবশ্য অতীতে কখনও ঘটেনি। তৃণমূলের স্থান এখানে দ্বিতীয় স্থানে এবং তৃতীয় স্থানে কংগ্রেস-বাম জোট প্রার্থী। বিজেপি এখানে তৃণমূল এবং কংগ্রেস প্রার্থীকে প্রায় ১৬৪০০ ভোট বেশি পেয়ে বাজিমাত করেছে। পাল্টা তৃণমূল নিজের জয়ী বিধানসভায় পিছিয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের অবশ্য বক্তব্য, মির্জাপুরে ১৬৬০, দফরপুরে ৮০০, কানুপুরে ১৪০০ এবং রানীনগরে ২৩৭৪ ভোটে এগিয়ে থাকলেও রঘুনাথগঞ্জের জামুয়ার, জরুর, সুতির আহিরণ ও বংশবাটীতে একচেটিয়া ‘লিড’ পেয়েছে বিজেপি। আবার জঙ্গিপুর পুরসভা এলাকার ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে রঘুনাথগঞ্জ শহরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুনঃ পূর্ব মেদিনীপুরের মুসলিম অধ্যষিত অঞ্চলেও লিড দিয়ে বাজিমাত বিজেপির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    সুতি ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সেরাজুল ইসলাম এই বিষয়ে বলেন, “এই এলাকায় ৬টি অঞ্চল রয়েছে। তার দু’টি হল জঙ্গিপুর বিধানসভার অন্তর্গত। আমাকে বলা হয়েছিল এই দুই অঞ্চল বিধায়ক ও ব্লকের সভাপতিরাই দেখবেন।” আবার তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেন বলছেন, “দলের পক্ষ থেকে এলাকার প্রাপ্ত ভোট (Election Result 2024) নিয়ে বিশ্লেষণ করব আমরা। আর তা করলেই সামনে আসবে সব তথ্য। কাদের বিরোধিতায় বিজেপির ভোট বৃদ্ধি হয়েছে তা আমরা দেখব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • KC Tyagi: “‘ইন্ডি’র আহ্বায়ক করতে চাননি, অথচ নীতীশকে প্রধানমন্ত্রী হতে বলছেন”, তোপ ত্যাগীর

    KC Tyagi: “‘ইন্ডি’র আহ্বায়ক করতে চাননি, অথচ নীতীশকে প্রধানমন্ত্রী হতে বলছেন”, তোপ ত্যাগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা নীতীশ কুমারকে ‘ইন্ডি’ জোটের আহ্বায়ক পর্যন্ত করতে চাননি, তাঁরাই এখন তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে বলছেন।” শুক্রবার এই ভাষায়ই বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’র নেতৃত্বকে বিঁধলেন জনতা দল ইউনাইটেডের (এই দলেরই মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ) মুখপাত্র কেসি ত্যাগী (KC Tyagi)। ‘ইন্ডি’ জোটের তরফে তাঁর (নীতীশকে) সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি ত্যাগীর।

    প্রধানমন্ত্রিত্বের অফার পত্রপাঠ খারিজ (KC Tyagi)

    ‘ইন্ডি’ জোট গড়ায় নীতীশের অবদান কম নয়। বস্তুত, ‘ইন্ডি’ জোট গড়তে তিনিই মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। ত্যাগী জানান, প্রধানমন্ত্রিত্বের অফার তাঁরা পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছেন। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, জেডিইউয়ের সমর্থন রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএতেই। নীতীশের দলের এই মুখপাত্র (KC Tyagi) সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, পিছন ফিরে তাকানোর আর কোনও প্রশ্নই নেই। ইন্ডি জোটে যোগদানেরও কোনও গল্প নেই। তাঁদের দলের সমর্থন এনডিএর সঙ্গেই রয়েছে বলেও আরও একবার জানিয়ে দেন তিনি।

    কী বললেন ত্যাগী?

    ত্যাগী বলেন, “রাজনীতির খেলা এমনই যে যাঁরা এক সময় নীতীশ কুমারকে ‘ইন্ডি’ জোটের আহ্বায়ক করতে অস্বীকার করেছিলেন, তাঁরাই এখন তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হতে অনুনয়-বিনয় করছেন।” এর পরেই কার্যত তোপ দাগেন জেডিইউ আহ্বায়ক। বলেন, “কংগ্রেস এবং ইন্ডি জোটের অন্য দলগুলো নীতীশের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। যার জেরে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তিনি (নীতীশ) এনডিএ শিবিরে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন।” এর পরেই নীতীশের দলের এই নেতা বলেন, “পিছনে ফিরে তাকানোর আর কোনও প্রশ্নই নেই। একথা নির্বাচনী প্রচারে একাধিকবার বলে দিয়েছেন আমাদের দলনেতা নীতীশ কুমার স্বয়ংও। আমরা এনডিএর গুরুত্বপূর্ণ শরিকদল। আমরা নরেন্দ্র মোদির হাত শক্ত করব। মোদিই ফের তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী পদে।”

    আর পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু, ভোট কবে?

    ‘ইন্ডি’ জোট দানা বাঁধায় নীতীশের অবদানের কথাও এদিন স্মরণ করিয়ে দেন ত্যাগী। বলেন, “ইন্ডি জোট গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন নীতীশ। তা সত্ত্বেও তাঁকে এক পাশে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এনডিএর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা বেড়ে গিয়েছে। জাতীয় রাজনীতিতে নীতীশ কুমার বর্তমানে একজন স্টেক হোল্ডার। বিজেপির কাছ থেকে আমরা যথেষ্ট সম্মান পাচ্ছি।” প্রসঙ্গত, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে বিহারে ১২টি আসনে জয়ী হয়েছেন নীতীশের দলের প্রার্থীরা (KC Tyagi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: রবিতেও তীব্র গরমে পুড়বে কলকাতা ও জেলা! তাপপ্রবাহের সতর্কতা, কবে বৃষ্টি শহরে?

    Weather Update: রবিতেও তীব্র গরমে পুড়বে কলকাতা ও জেলা! তাপপ্রবাহের সতর্কতা, কবে বৃষ্টি শহরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দীর্ঘ দগ্ধ দিন’! সকাল থেকে ঘামে প্যাচপ্যাচে গরম। দুপুর গড়িয়ে বিকেল। জুনের ৮ তারিখেও গরমে নাজেহাল শহরবাসী। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস (Weather Update) বলছে, রবিবার আরও ২-৩ ডিগ্রি গরম বাড়বে শহরে। শনিবার থেকে মঙ্গলবার তাপপ্রবাহের পরিস্থিতিই বজায় থাকবে পশ্চিমের চার জেলায়। বাকি জেলাগুলিতেও আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি চরমে উঠবে। রাতেও আদ্রতাজনিত অস্বস্তি অনুভূত হবে।

    কবে থেকে বর্ষা

    উত্তরবঙ্গে আগাম বর্ষা এলেও দক্ষিণবঙ্গের দিকে বর্ষা (Monsoon) এগোচ্ছে বিলম্বিত লয়ে। আগামী সপ্তাহের আগে দক্ষিণবঙ্গে মৌসুমী বায়ু  প্রবেশ করার সম্ভাবনা কম।  আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গে ৩১ মে থেকে একই জায়গায় মৌসুমী অক্ষরেখা অবস্থান করছে। খুব ধীর গতিতেত এগোচ্ছে। দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি দক্ষিণবঙ্গে আসতে পারে। ১২-১৩ জুনের আগে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার মঙ্গল ধ্বনি শোনা যাবে না। অন্যদিকে শনিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ কিমি বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরের জেলাগুলিতে। 

    আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ে যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম ৭ মাওবাদী, উদ্ধার অস্ত্র

    তাপপ্রবাহের ইঙ্গিত

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানাচ্ছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া কষ্ট দেবে। বীরভূম ,পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া , পুরুলিয়া , ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় অস্বস্তি থাকবে চরমে। তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়া এই তিন জেলাতে ।  সোমবার থেকে পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়ার সঙ্গে বীরভূম জেলাতেও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে। শনিবার সকালে শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.১ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৫৫ থেকে ৮৫ শতাংশ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোটের পর মুর্শিদাবাদে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব, রক্ত ঝরল তৃণমূল কর্মীর

    Murshidabad: ভোটের পর মুর্শিদাবাদে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব, রক্ত ঝরল তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বের হওয়ার পর দলীয় কর্মীর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভার জলঙ্গি এলাকায়। আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর নাম আন্তাজুল শেখ। তিনি জলঙ্গির হরিভক্তপুর এলাকার তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হিসাবে পরিচিত। এই ঘটনায় তৃণমূলের আদি এবং নব্য তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আক্রান্তের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    শনিবার জলঙ্গির (Murshidabad) হরিভক্তপুর এলাকায় সকাল ৯টা নাগাদ বাজার করতে বেরিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী আন্তাজুল শেখ। হাসপাতাল মোড়ের কাছে তাঁকে টোটো থেকে নামিয়ে আচমকাই মারধর শুরু করেন তৃণমূলের কয়েক জন। বাঁশ এবং লাঠি দিয়ে পেটানো হয় তাঁকে। মারের চোটে মাথা ফাটে তাঁর। মুর্শিদাবাদ লোকসভার তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দেননি ওই কর্মী। এই সন্দেহের বশে ভরা বাজারে তাঁকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে দলের অন্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর বক্তব্য, সিপিএম ছেড়ে সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া কয়েক জন আমার ওপর হামলা করেছেন। আমরা পুরানো তৃণমূল কর্মী। আমরা তৃণমূলকে ভোট দিয়েছি কি না, সন্দেহ করে ওরা হামলা চালিয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রসঙ্গত, জলঙ্গি বিধানসভা এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে বিধায়ক গোষ্ঠী বনাম ব্লক সভাপতির গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব চলছে। লোকসভা নির্বাচনের মুখে ব্লক সভাপতির নেতৃত্বে বেশ কয়েক জন বামকর্মী তৃণমূলে যোগ দেন। এই নব্য তৃণমূলীরাই হামলা চালিয়েছে।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের (Murshidabad) তৃণমূলের প্রধান মহবুল ইসলাম বলেন, দুপক্ষই আমাদের দলের কর্মী। কোনও ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে, দলে কোনও কোন্দল নেই। আমরা দুপক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে সমস্যা মিটিয়ে ফেলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ভারতে পৌঁছলেন শেখ হাসিনা, মোদির শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন কোন রাষ্ট্রপ্রধানরা?

    Narendra Modi: ভারতে পৌঁছলেন শেখ হাসিনা, মোদির শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন কোন রাষ্ট্রপ্রধানরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ৯ জুন তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) পদে শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি। প্রসঙ্গত, জওহরলাল নেহরুর পরে তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি পরপর তিনবার পূর্ণমেয়াদে এই পদে শপথ নিতে চলেছেন। ১৯৬২ সালের পরে ফের একবার দিল্লি এমন ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও।

    কোন কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হাজির থাকছেন

    মোদির (Narendra Modi) হ্যাটট্রিক শপথে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহাল, ভুটানের রাজা জিগমে খেসর ওয়াংচুক। এর পাশাপাশি হাজির থাকার কথা রয়েছে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবীন্দ জগন্নাথ ও মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মুইজ্জুর।

    ভারতে পা রেখেছেন শেখ হাসিনা 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) এমন জাঁকজমকপূর্ণ শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান ভারতের মাটিতে পা রাখতেই ট্যুইট বার্তা সামনে এসেছে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্রের। এক বিবৃতিতে রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার এমন সফর, ভারত বাংলাদেশের বন্ধুত্বকে আরও নিবিড় করে তুলবে।

    কখন শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী?

    জানা গিয়েছে, ৯ জুন রাষ্ট্রপতি ভবনের কাছেই তিনি শপথ গ্রহণ করবেন। শপথ গ্রহণের আগে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) যাবেন রাজঘাটে এবং সেখানে মহাত্মা গান্ধীর সমাধি স্থলে শ্রদ্ধা জানাবেন। সূত্রের খবর, রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিট নাগাদ শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রে খবর, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পরেই বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা এনডিএ শরিকদের নিয়ে একটি নৈশ ভোজের আয়োজন করেছেন।

    আগেই বিবৃতি দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা 

    প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতির ভবন সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছিল যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একইভাবে সেই সময় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ জগন্নাথকেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share