Blog

  • T20 World Cup: পিচ নিয়ে চিন্তা! পাকিস্তানকে হারিয়েই সুপার এইট নিশ্চিত করতে চায় ভারত

    T20 World Cup: পিচ নিয়ে চিন্তা! পাকিস্তানকে হারিয়েই সুপার এইট নিশ্চিত করতে চায় ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই নিউ ইয়র্কের বাইশগজে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan)। পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে হোক এই ম্যাচ নিয়ে উন্মাদনা সবচেয়ে বেশি থাকে। মাঠে হোক বা টিভির সামনে প্রিয় দলের হয়ে গলা ফাটানোর লড়াই চলে। তাড়িয়ে তাড়িয়ে এই ম্যাচ উপভোগ করেন দর্শকরা। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024) অভিযান শুরু করেছে ভারত। অন্যদিকে শুরুর ম্যাচেই হার মানতে হয়েছে পাকিস্তানকে। তাও আবার প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলা আমেরিকার কাছে। তাই রবিবার কিছুটা হলেও এগিয়ে থাকেই নামবে রোহিত এন্ড কোং।

    অতীত রেকর্ড

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের গুরুত্ব সব সময়েই বেশি। আমেরিকার কাছে হারার পর পাকিস্তানের (India vs Pakistan) ক্রিকেটারেরা আরও বেশি তেতে থাকবেন। তবে, বিশ্বকাপের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের পরিসংখ্যান ভাল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের দুরন্ত রেকর্ড রয়েছে ভারতের। ৭টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। তার মধ্যে ভারত জিতেছে ৬টিতে। শুধু ২০২১-এ ১০ উইকেটে হারতে হয়েছিল বিরাটদের। আর সেই ম্যাচে পুনরাবৃত্তি চান না রোহিতরা।

    বিরাট-রোহিত ওপেনিং জুটি

    চলতি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) প্রথম ম্যাচে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা ওপেন করেছেন। অনুমান, ভারত-পাক ম্যাচেও এই জুটিই ওপেন করবে। ফলে ভারতের সেরা দুই ক্রিকেটারের হাতেই থাকবে দলকে ভাল শুরু দেওয়ার দায়িত্ব। আইপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন বিরাট। রোহিত প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভাল খেলেছেন। ওপেন করতে নামায় এক দিকে যেমন তাঁরা পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে পারবেন, অন্য দিকে সবচেয়ে বেশি বল খেলারও সুযোগ পাবেন। এই ওপেনিং জুটি ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দিতে পারে। আবার এই জুটি দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে যাবে টিম ইন্ডিয়া। তরুণরা ভারত-পাকিস্তানের মতো বড় ম্যাচে কীভাবে সেই চাপ সামলাবে বলা যায় না।

    পেস সহায়ক পিচ

    নিউ ইয়র্কের পিচে পেসারেরা সাহায্য পাচ্ছেন। ভারতীয় পেসারেরা প্রস্তুতি ম্যাচ ও আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভাল খেলেছেন। বাঁহাতি পেসার অর্শদীপ, মহম্মদ সিরাজ, যশপ্রীত বুমরা তিনজনেই ভাল ফর্মে রয়েছেন। হার্দিক ও ঋষভ পন্থও দুরন্ত শুরু করেছে।  তবে নিউ ইয়র্কের অসমান ও বাউন্স পিচ নিয়ে চিন্তায় আছে দুই দলই। রবিবার ৩০ হাজার দর্শক থাকবেন মাঠে। কিন্তু টি-টোয়েন্টির আনন্দ যে তাঁরা কতটা পাবেন তা ঠিক কবে নাসাউ কাউন্টির পিচই। 

    পিচ নিয়ে চিন্তা

    চলতি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ হয়েছিল নিউ ইয়র্কে। সেই ম্যাচে অসমান বাউন্স দেখা গিয়েছিল। কোনও বল উঠছিল বুকের উচ্চতায়, কোনও বল আবার খুব নিচু হয়ে যাচ্ছিল। পিচে যে গন্ডগোল রয়েছে তা আয়োজকেরা মেনে নিয়েছেন। পিচে ঘাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ফাটলও রয়েছে। এই ফাটল মেরামত করার চেষ্টা করছেন আয়োজকেরা। ফাটলের কারণেই অসমান বাউন্স তৈরি হচ্ছিল। পিচের উপর রোলার চালানো হচ্ছে। তাতে পিচ আগের থেকে অনেক পাটা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। রবিবারের ম্যাচের (India vs Pakistan) আগে নিউ ইয়র্কের পিচে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কিছু পরিবর্তন করা হচ্ছে। মেরামতের চেষ্টায় আয়োজকেরা। কিন্তু তা কতটা ফলপ্রসূ হবে তা বল না গড়ালে বোঝা দায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: পূর্ব মেদিনীপুরের মুসলিম অধ্যষিত অঞ্চলেও লিড দিয়ে বাজিমাত বিজেপির

    Election Result 2024: পূর্ব মেদিনীপুরের মুসলিম অধ্যষিত অঞ্চলেও লিড দিয়ে বাজিমাত বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ২টি লোকসভা কেন্দ্র কাঁথি এবং তমলুকে ভোটের ফলাফলে (Election Result 2024) ১৬টি বিধানসভার মধ্যে ১৫টিতে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। একই ভাবে নন্দীগ্রামে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। ফলে ২০২১ সালে তৃণমূলের জয়ী হওয়া বিধানসভাগুলিতে ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কার্যত শুভেন্দু ম্যাজিকে বাজিমাত করেছে বিজেপি।

    ৩০ শতাংশ মুসলমান এলাকায় এগিয়ে বিজেপি (Election Result 2024)

    ২০২১ সালে তৃতীয় বারের জন্য বিপুল আসন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল। কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি লোকসভা কেন্দ্রে এই নির্বাচনে জয় ধরে রেখে ব্যাপক ভাবে সম্মান বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। কিন্তু দুটিতে হারের মুখ দেখতে হয়েছে তৃণমূলকে। তমলুকে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জয়ী হয়েছেন প্রায় ৭৮ হাজার ভোটে। আবার কাঁথিতে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারী তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন প্রায় ৪৮ হাজার ভোটে। একই ভাবে মুসলমান অধ্যষিত বিধানসভাগুলিতে লিড পেয়েছে বিজেপি। কোলাঘাটে ৩০ শতাংশ মুসলমান রয়েছে, সেখানেও এবার বিজেপি ২৭১১ ভোটে এগিয়ে (Election Result 2024) গিয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, মুসলিম এলাকাগুলিতেও শুভেন্দু অধিকারীর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। তিনি বিজেপিতে যোগদান করার পর থেকে বরাবর তাঁর উপর আস্থা রেখেছেন জনসাধারণ। মুসলমান সমাজের উন্নয়ন নিয়ে মমতা সরকারের দুর্নীতির কথাকে স্পষ্ট করে তুলে ধরেছিলেন তিনি। একই ভাবে মসজিদের ইমাম ও মুসলমান সমাজের মুরুব্বিদের সঙ্গে কথা বলেন। রাজ্যকে এগিয়ে নিতে গেলে বিজেপিকে কেন গ্রহণ (Election Result 2024) করা উচিত, সেই দিকগুলি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃবিজেপি নেতার বাবা-ভাইকে মারধরে যুক্ত ৮ তৃণমূল দুষ্কৃতীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    তৃণমূলের বক্তব্য

    কোলাঘাটের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব রায় চৌধুরী নিজের বুথে হেরেছেন। তিনি বলেছেন, “গোটা জেলাতেই তৃণমূলের ফল (Election Result 2024) অত্যন্ত খারাপ হয়েছে। কেন এই রকম ফলাফল হল তা খতিয়ে দেখতে হবে। আমি নিশ্চিত আমাদের সাংগঠনিক ভাবে দুর্বলতা ছিল। কিছু লোক বিজেপির হয়ে কাজ করেছে নির্বাচনে। আমরা পর্যালোচনা করে জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir Assembly Election: জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু, ভোট কবে?

    Jammu Kashmir Assembly Election: জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু, ভোট কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত দফায় অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন সাঙ্গ হওয়ার আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন হবে সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই। দেশের শীর্ষ আদালত নির্দেশে জানিয়েছিল, ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ করতে হবে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচন (Jammu Kashmir Assembly Election)।

    ভূস্বর্গে নির্বাচন (Jammu Kashmir Assembly Election)

    ৪ জুন অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর পরই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার বলেছিলেন, শীঘ্রই জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। সেখানে লোকসভা নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটের হার প্রমাণ করেছে নির্বাচন নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের উৎসাহ। তাই কমিশনও উপত্যকায় দ্রুত বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনে আগ্রহী। যদিও তার ঢের আগেই ভূস্বর্গে শুরু হয়েছিল নির্বাচনের সলতে পাকানোর কাজ। শুরু হয়েছিল সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ। সেই কাজ শেষ হয়েছে। এবার বিধানসভা নির্বাচন (Jammu Kashmir Assembly Election) আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু করে দিল নির্বাচন কমিশন।

    আবেদন গ্রহণ শুরু

    উপত্যকায় নির্বাচনে লড়ার প্রতীকের আবেদন গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এই মর্মে জারি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিও। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী প্রতীক (সংরক্ষণ ও বরাদ্দ) আদেশ, ১৯৬৪-র ১০বি অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতীক চিহ্ন বরাদ্দের আবেদন গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রুত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।’ লোকসভায় ভূস্বর্গের আসন সংখ্যা পাঁচ। নির্বাচন হয়েছে পাঁচ দফায়। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার জম্মুতে ভোট পড়েছে ৫৮.৫৮ শতাংশ। আর উপত্যকায় ৫১.০৫ শতাংশ। ভূস্বর্গে ভোটদানের এই হারেই সন্তোষ প্রকাশ করেছে কমিশনও।

    আর পড়ুন: রাত পোহালেই শপথ প্রধানমন্ত্রীর, সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে?

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে শেষবারের মতো বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল অবিভক্ত জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বার কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেই মোদি সরকার অগাস্ট মাসে ভূস্বর্গ থেকে রদ করে ৩৭০ ধারা। লোপ পায় বিশেষ রাজ্যের মর্যাদাও। রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে অবশ্য এর বছর তিনেক আগেই ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বিধানসভা। এবার কাঠি পড়তে চলেছে সেই বিধানসভা নির্বাচনের ঢাকেই (Jammu Kashmir Assembly Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maoists in Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম ৭ মাওবাদী, উদ্ধার অস্ত্র

    Maoists in Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম ৭ মাওবাদী, উদ্ধার অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হল সাত মাওবাদী (Maoists in Chhattisgarh)। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মাওবাদীদের একটি দল সে রাজ্যের নারায়ণপুর, দন্তেওয়াড়া জেলার সংযোগস্থলে জড়ো হয়েছিল। গোপন সূত্রে সেই খবর আসে ছত্তিশগড় জেলা পুলিশের কাছে। তারপরে এই সমস্ত জায়গায় ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গ্রুপ এবং আইটিবিপির যৌথ বাহিনীর সঙ্গে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, অবুঝমার এলাকায় যৌথ বাহিনী ঢুকতেই তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীদের দলটি। পাল্টা জবাব দেন যৌথ বাহিনীর জওয়ানরাও। দু পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলির লড়াই শুরু হয়। এই সংঘর্ষেই সাত মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি তিন জওয়ান আহত হয়েছেন এই সংঘর্ষে। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

    ঘটনাস্থলে অস্ত্র উদ্ধার

    এর পাশাপাশি ওই স্থান থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে নারায়ণপুরের এসপি প্রভাত কুমার জানিয়েছেন। শুক্রবার রাত থেকেই এই সংঘর্ষ (Maoists in Chhattisgarh) শুরু হয়। শনিবারেও তল্লাশি অভিযান জারি রেখেছে যৌথ বাহিনী। প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি সপ্তাহের ২ জুন ওই নারায়ণপুরেরই দুরমি নামের একটি গ্রামে মোবাইল টাওয়ারে আগুন ধরিয়ে দেয় মাওবাদীরা। তারপর থেকেই সেখানে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছিল। এই আবহে সাত মাওবাদীর মৃত্যু ঘটনা সামনে এল।

    মাওবাদী দমনে কড়া কেন্দ্র সরকার 

    প্রসঙ্গত, গত মাসেও ২৫ মে বিজাপুরের এবং কামকানার জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর সংঘর্ষে দুইজন মাওবাদী (Maoists in Chhattisgarh) নিহত হয়। সম্প্রতি মাওবাদীদের উদ্দেশে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন যে মাওবাদী সমস্যার মোকাবিলায় বড়সড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র এবং আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশ থেকে এই সমস্যার সমাধান হবে। নিজের সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ আরও জানিয়েছিলেন যে সম্প্রতি প্রায় ৩৭৫ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। এর পাশাপাশি তিনি জানিয়েছিলেন, বর্তমানে এই সমস্যা ঝাড়খন্ড, বিহার, তেলেঙ্গনা, ওড়িশা, অন্ধপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ  মহারাষ্ট্র ও ছত্তিশগড়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: উত্তরবঙ্গে পোস্টাল ব্যালটেও ধরাশায়ী তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা সরকারি কর্মীদের

    Election Result 2024: উত্তরবঙ্গে পোস্টাল ব্যালটেও ধরাশায়ী তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা সরকারি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের থেকে বেতন, ডিএ অনেক কম পান রাজ্য সরকারি কর্মীরা। তা নিয়ে ভোটের আগে বার বার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। কিন্তু, লোকসভা নির্বাচনে সেই ক্ষোভের আঁচ ধরা পড়েনি। কারণ, দক্ষিণবঙ্গে সরকারি কর্মীরা শাসক দলের ওপর আস্থা রেখেছেন। পোস্টাল ব্যালটে তার প্রমাণ মিলেছে। বিজেপির থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়েছে তৃণমূল। তবে, উত্তরবঙ্গের সরকারি কর্মীরা তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। সেখানকার সরকারি কর্মীদের আস্থা রয়েছে বিজেপির ওপর। ভোটের ফল (Election Result 2024) বের হওয়ার পর পোস্টাল ব্যালটের পরিসংখ্যান সেই কথা বলছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ ভোটারদের মতো উত্তরবঙ্গের আটটি লোকসভা কেন্দ্রে স্থানীয় সরকারি কর্মীদের মন যে পায়নি, তা পরিষ্কার। কোচবিহার থেকে বালুরঘাট পর্যন্ত এই আটটি কেন্দ্রে শাসক দলের চেয়ে সরকারি কর্মীদের ভোটের নিরিখে ভাল ভোট পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

    উত্তরবঙ্গে পোস্টাল ব্যালটে ধরাশায়ী তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা (Election Result 2024)

    কেন্দ্র এবং রাজ্যের মহার্ঘ ভাতার (ডিএ) বৈষম্যের জেরেই সরকারি কর্মীরা তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া বেতন বৈষম্য, পদোন্নতি, পোস্টিং নিয়েও দলের অন্দরে নানা বক্তব্য রয়েছে। সংগঠনের মধ্যে মতানৈক্য, বিভেদ, গোষ্ঠী রয়েছেই। তাতে শাসক দলের সংগঠন যতটা শক্তিশালী থাকার কথা, তা হচ্ছে না। রাজ্য সরকারের কর্মীদের একটা বড় অংশ যুক্ত থাকেন ভোট-প্রক্রিয়ার সঙ্গে। ভোট দেন পোস্টাল ব্যালটে। ভোটের আগে বিরোধীর মুখে বার বার ফিরে এসেছে ডিএ নিয়ে বঞ্চনার বিষয়টি। দেড় বছর পরে রাজ্যে বিধানসভা ভোট। সেখানে উত্তরবঙ্গের সরকারি কর্মীরা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাওয়ায় তৃণমূল নেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ৩৮,৬৪৮ পোস্টাল ব্যালটের ভোট পড়েছে। এগুলোর অধিকাংশই বা কিছু ক্ষেত্রে সবই সরকারি কর্মীদের ভোট। ভোটের ফল (Election Result 2024) বের হওয়ার পর দেখা যায়, তাতে বিজেপি সাড়ে ২২ হাজার ৪২৫টি ভোট পেয়েছে। তৃণমূলের সংখ্যা ১৬ হাজার ২২৩টি ভোট।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির নেতার কী বক্তব্য?

     তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য গৌতম দেব বলেন, “দলের তরফে পর্যালোচনা হবে। দলের ফলে কোথায়, কী হয়েছে, তা সবই খতিয়ে দেখা হবে।”সরকারি ফেডারেশনের অনেক নেতাই মনে করছেন, সরকারি কর্মীদের ভোট (Election Result 2024) শুধু পোস্টাল ব্যালটে নয়, তাঁদের পরিবারের ভোটেও প্রভাব ফেলেছে তা ধরেই নেওয়া যেতে পারে। আগামী বিধানসভার আগে এই পরিস্থিতি না বদল হলে, শাসকের বিরুদ্ধেই যে সরকারি কর্মীদের ভোট পড়বে তা স্বাভাবিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 18th Lok Sabha: রাত পোহালেই শপথ প্রধানমন্ত্রীর, সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে?

    18th Lok Sabha: রাত পোহালেই শপথ প্রধানমন্ত্রীর, সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্চ মাসে হয়েছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা। তার পরেই দেশজুড়ে জারি হয়ে গিয়েছিল আদর্শ আচরণ বিধি। এই বিধির গেরোয় প্রায় আড়াই মাস থমকে গিয়েছিল উন্নয়নমূলক কাজকর্ম। রবিবার ৯ জুন তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন এনডিএর সর্বসম্মত নেতা বিজেপির নরেন্দ্র মোদি। তার পর দ্রুত শুরু হয়ে যাবে নয়া সংসদের অধিবেশন (18th Lok Sabha)।

    কবে শুরু অধিবেশন (18th Lok Sabha)

    জানা গিয়েছে, ১৫ জুন থেকে শুরু হয়ে যাবে অষ্টাদশ লোকসভার অধিবেশন। প্রথা অনুযায়ী অধিবেশন তলব করার আগে নির্বাচন করতে হবে স্পিকার। সূত্রের খবর, এই কাজটি এনডিএ সারতে পারে সোমবারই। এদিনই লোকসভা ও রাজ্যসভার যৌথ অধিবেশন ডাকবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। অষ্টাদশ লোকসভার প্রথম অধিবেশন যেদিন বসবে, সেদিনই নয়া মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে সাংসদদের পরিচয় করিয়ে দেবেন নয়া সরকারের প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ১৫ জুন শুরু হওয়া লোকসভা অধিবেশন (18th Lok Sabha) চলতে পারে ২২ জুন পর্যন্ত। যেহেতু এবার লোকসভা নির্বাচন ছিল, তাই বাজেট নয়, পেশ হয়েছিল ভোট অন অ্যাকাউন্ট। এই অধিবেশনে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হতে পারে বলে অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর।

    সরকার গড়ছে এনডিএ

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন হয়েছে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচন হয়েছে পয়লা জুন। ফল প্রকাশ হয়েছে ৪ জুন। নির্বাচন হয়েছিল লোকসভার ৫৪৩টি আসনে। এর মধ্যে বিজেপি একাই পেয়েছে ২৪০টি আসন। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র ঝুলিতে গিয়েছে ২৯৩টি আসন। সরকার গড়তে প্রয়োজন ছিল ২৭২ জন সাংসদের সমর্থন। তার চেয়েও বেশি সাংসদের সমর্থন থাকায় সরকার গড়ছে এনডিএ। সাংসদ ভাঙানোর খেলায় ব্যর্থ হয়ে বিরোধী আসনে বসার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’।

    আর পড়ুন: রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদির শপথ অনুষ্ঠান, বহুস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়ে রাজধানী

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতিভবনে গিয়ে ইস্তফাপত্র পেশ করেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে ভেঙে যায় মন্ত্রিসভা। ৫ জুন সেই মন্ত্রিসভা ভেঙে যাওয়ার পর নয়া প্রধানমন্ত্রী শপথ নেবেন ৯ জুন। তার আগে শুক্রবারই রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের আর্জি জানিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তার পরেই মোদিকে শপথ গ্রহণের জন্য ডেকে পাঠান রাষ্ট্রপতি (18th Lok Sabha)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Students In Russia: রাশিয়ায় জলে ডুবে মৃত ৪ ভারতীয় পড়ুয়া, ভ্রমণে সতর্কতা জারি দূতাবাসের

    Indian Students In Russia: রাশিয়ায় জলে ডুবে মৃত ৪ ভারতীয় পড়ুয়া, ভ্রমণে সতর্কতা জারি দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের কাছে একটি নদীতে ডুবে চার ভারতীয় পড়ুয়ার (Indian Students In Russia) ডুবে মৃত্যুর খবর মিলেছে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওই পড়ুয়াদের মৃতদেহগুলি তাঁদের আত্মীয়দের কাছে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে রাশিয়া সরকারের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, প্রত্যেক পড়ুয়ার বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। এঁদের মধ্যে দুইজন ছাত্র এবং দুইজন ছাত্রী। জানা গিয়েছে, এঁরা প্রত্যেকেই নভগোরড স্টেট ইউনিভার্সিটির পড়ুয়া ছিলেন। রাশিয়ার একাধিক সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, একজন ছাত্রী প্রথমে ওই নদীতে তলিয়ে যান এবং তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বাকিরাও তলিয়ে যায়। মোট পাঁচজন তলিয়ে যায় কিন্তু একজনকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয় স্থানীয় লোকজনেরা।

    ভারতীয় দূতাবাসের সতর্কবার্তা 

    এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পরেই রাশিয়ায় ভারতীয় দূতাবাস শুক্রবার একটি বিবৃতি জারি করে এবং সেখানে জলাশয়ে যাওয়ার সময় প্রত্যেককে অত্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। মস্কোর ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, রাশিয়াতে ভারতীয় পড়ুয়াদের মৃত্যুর দুর্ভাগ্যজনক খবর সামনে এসেছে। তাই যেকোনও ধরনের সমুদ্র সৈকত, নদীর হ্রদ বা জলাশয়ে যাওয়ার সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে

    প্রসঙ্গত, এটাই নতুন বা প্রথম নয়। এর পাশাপাশি ভারতীয় দূতাবাস (Indian Students In Russia) জানিয়েছে, ২০২৩ সালে এবং তারও আগে ২০২২ সালে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০২৩ সালে দুটি ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে সেখানে। ২০২২ সালে ডুবে গিয়ে ভারতীয় পড়ুয়াদের মৃত্যুর ছ’টি ঘটনা সামনে এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদির শপথ অনুষ্ঠান, বহুস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়ে রাজধানী

    PM Modi: রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদির শপথ অনুষ্ঠান, বহুস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়ে রাজধানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন এনডিএ-র নেতা বিজেপির নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দু’চোখে ‘বিকশিত ভারতে’র স্বপ্ন নিয়েই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে বসছেন তিনি। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বিঘ্নহীন করতে দিল্লিজুড়ে ব্যবস্থা করা হয়েছে বহুস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়। এর পাশাপাশি রয়েছে পাঁচ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী, এনএসজি কমান্ডো, ড্রোন এবং স্নাইপারও। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাষ্ট্রপতি ভবনজুড়ে ব্যবস্থা করা হয়েছে আঁটসাঁট নিরাপত্তার।

    কড়া নিরাপত্তার বলয় (PM Modi)

    শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে (PM Modi) দেশের তো বটেই, উপস্থিত থাকবেন বিদেশেরও অনেক অতিথি-অভ্যাগত। দিল্লির নামী হোটেলে এসে উঠবেন তাঁরা। সেই হোটেল থেকে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত তাঁদের আসা-যাওয়ার পথে করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার বেড়াজাল। জানা গিয়েছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মরিশাস এবং সেসেলশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। যেহেতু অতিথিরা থাকবেন, তাই নিরাপত্তার বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়েছে লীলা, তাজ, আইটিসি মৌর্য, ক্ল্যারিজস এবং ওবেরয়ের মতো হোটেলগুলিকে। রাষ্ট্রপতিভবন এবং দিল্লির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে দিল্লি পুলিশের সোয়াট (SWAT) এবং এনএসজি (NSG) কমান্ডোদের।

    আর পড়ুন: “আপনাকে যতটা চেনার আমি চিনতে পেরেছি”, প্রসূণকে তোপ মনোজের, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাছিও গলতে পারবে না

    নিরাপত্তার বেড়ার ফাঁক দিয়ে যাতে মাছিও গলতে না পারে, তাই ঘনঘন বৈঠকে বসেছেন দিল্লি পুলিশের পদস্থ কর্তারা। প্রবীণ এক পুলিশ আধিকারিক জানান, যেহেতু শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান হবে রাষ্ট্রপতিভবনের ভিতরে, তাই এই এালাকায় বন্দোবস্ত করা হয়েছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার। বাইরে থাকবেন দিল্লি পুলিশের কর্মীরা। তার পরের দুই স্তরে থাকবেন আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা। তিনি বলেন, “প্রায় ২৫০০ পুলিশ কর্মী যাঁদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী এবং দিল্লি আর্ডম ফোর্সের জওয়ানরা, তাঁদের মোতায়েন করা হবে অনুষ্ঠানস্থলে।” স্নাইপার এবং সশস্ত্র পুলিশ কর্মীদের মোতায়েন করা হবে অতিথিদের আসা-যাওয়ার পথে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ওড়ানো হবে ড্রোন। দিল্লি পুলিশের অন্য এক আধিকারিক বলেন, “জি২০ সম্মেলনে যেরকম কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল, এবারও তেমনই হচ্ছে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 40: “মহাকাল জেনেছেন কালীর মর্ম, অন্য কেবা জানে তেমন”

    Ramakrishna 40: “মহাকাল জেনেছেন কালীর মর্ম, অন্য কেবা জানে তেমন”

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ভক্তিযোগের রহস্য—The Secret of Dualism

    ভগবান দুই কথায় হাসেন। কবিরাজ যখন রোগীর মাকে বলে, মা! ভয় কি? আমি তোমার ছেলেকে ভাল করে দিব—তখন একবার হাসেন; এই বলে হাসেন, আমি মরছি, আর এ কিনা বলে আমি বাঁচব! কবিরাজ ভাবছে, আমি কর্তা, ঈশ্বর যে কর্তা—এ-কথা ভুলে গেছে। তারপর যখন দুই ভাই দড়ি ফেলে জায়গা ভাগ করে, আর বলে এদিকটা আমার, ওদিকটা তোমার, তখন ঈশ্বর আর-একবার হাসেন; এই মনে করে হাসেন; আমার জগদ্‌ব্রহ্মাণ্ড, কিন্তু ওরা বলছে, এ-জায়গা আমার আর তোমার।

    উপায়বিশ্বাস ও ভক্তি

    তাঁকে কি বিচার করে জানা যায়? তাঁর দাস হয়ে, তাঁর শরণাগত হয়ে তাঁকে ডাক।

    বিদ্যাসাগরের প্রতি সহাস্যে-আচ্ছা তোমার কি ভাব?

    বিদ্যাসাগর মৃদু মৃদু হাসিতেছেন। বলিতেছেন, আচ্ছা সে কথা আপনাকে একলা-একলা একদিন বলব।(সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (সহাস্যে)—তাঁকে পাণ্ডিত্য দ্বারা বিচার করে জানা যায় না।

    এই বলিয়া ঠাকুর প্রমোন্মত্ত হইয়া গান ধরিলেনঃ

    ঈশ্বর অগম্য অপার

    কে জানে কালী কেমন?

    ষড় দর্শন না পায় দরশন।।

    মূলাধারে সহস্রারে সদা যোগী করে মনন।

    কালী পদ্মবনে হংস-সনে, হংসীরূপে করে রমণ।।

    আত্মারামের আত্মা কালী প্রমাণ প্রণবের মতন।

    তিনি ঘটে ঘটে বিরাজ করেন, ইচ্ছাময়ীর ইচ্ছা যেমন।।

    মায়ের উদরে ব্রহ্মাণ্ড ভাণ্ড, প্রকাণ্ড তা জানো কেমন।

    মহাকাল জেনেছেন কালীর মর্ম, অন্য কেবা জানে তেমন।।

    প্রসাদ ভাষে লোকে হাসে, সন্তরণে সিন্ধু-তরণ।

    আমার মন বুঝেছে প্রাণ বুঝে না ধরবে শশী হয়ে বামন।।

    দেখলে, কালীর (Ramakrishna) উদরে ব্রহ্মাণ্ড প্রকাণ্ড ভাণ্ড তা জানো কেমন! আর বলছে ষড় দর্শনে না পায় দরশন। পাণ্ডিত্যে তাঁকে পাওয়া যায় না।

    আরও পড়ুনঃ “মৃত্যুকে সর্বদা মনে রাখা উচিত, মরবার পর কিছুই থাকবে না।”

    আরও পড়ুনঃ“গীতা গীতা দশবার বলতে গেলে, ত্যাগী ত্যাগী হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ“এই স্থানে নরেন্দ্রের গান ঠাকুর প্রথমে শুনেন ও তাঁহাকে দক্ষিণেশ্বরে যাইতে বলেন”

    আরও পড়ুনঃ “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: বিজেপি নেতার বাবা-ভাইকে মারধরে যুক্ত ৮ তৃণমূল দুষ্কৃতীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    Post Poll Violence: বিজেপি নেতার বাবা-ভাইকে মারধরে যুক্ত ৮ তৃণমূল দুষ্কৃতীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতার বাবা-ভাইকে মারধরের (Post Poll Violence) ঘটনায় ৮ তৃণমূল দুষ্কৃতীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে সিউড়ি আদালত। গত বৃহস্পতিবার, তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে এক বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের গুন্ডারা। হামলার সঙ্গে চলে ব্যাপক ভাবে বাড়ি ভাঙচুর। সেই সঙ্গে বিজেপি নেতার পরিবারের লোকজনের উপর করা হয় অত্যাচার। ঘটনা ঘটেছিল বীরভূমের সদাইপুরের সাহাপুরে।

    বিজেপির বক্তব্য (Post Poll Violence)

    স্থানীয় বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরেই শুরু হয় ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস (Post Poll Violence)। বীরভূম বিজেপি নেতা দেবব্রত ঘোষের বাবা এবং ভাইকে বেধড়ক মারধর করে তৃণমূলের গুন্ডারা। দুই জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই ভাবে বাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুঁড়ে মারা হয়। ঘটনায় মোট আটজন তৃণমূল দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। গতকাল শুক্রবার তাদের আদালতে তোলা হলে, ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন সিউড়ি আদালতের বিচারক। এই হামলা এবং মারধরের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫০ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে সদাইপুর পুলিশের কাছে।

    আরও পড়ুনঃভোটে বাঁকুড়া পুরসভার ২৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০টিতেই এগিয়ে বিজেপি, ধরাশায়ী তৃণমূল

    ফলাফল ঘোষণার পর থেকে শুরু সন্ত্রাস

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence)। কোচবিহার থেকে কলকাতা সর্বত্র জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করে হামলা করা হচ্ছে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়িঘর ভাঙচুর করছে, প্রয়োজনীয় আসবাব পত্র লুটপাট করেছে। প্রাণের ভয়ে বাড়ি ছাড়া হয়ে অন্যত্রে আশ্রয় নিয়েছে অনেক কর্মী-সমর্থকরা। রাজ্যের সন্ত্রাস আটকানো নিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট তীব্র ভর্ৎসনা করেছে রাজ্য সরকারকে। প্রয়োজন হলে পাঁচ বছর রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে এমন মন্তব্যও করেছে কোর্ট। কিন্তু তাতেও মমতার হেলদোল নেই।

    উল্লেখ্য একুশের বিধানসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর ব্যাপক ভাবে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রাজ্যের জেলায় জেলায় প্রচুর পরিমাণে অভিযোগপত্র জমা পড়েছিল। খুন, ধর্ষণ, লুটপাট হয়েছিল ব্যাপক। মামলা কলকাতা হাইকোর্টে গেলে তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দেওয়া হয়। সেই মামলা এখনও চলছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share